Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কুবেরের বিষয় আশয় – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026

    বিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026

    কৈশোর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কৈশোর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প182 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কৈশোর – ৪

    ৪

    চন্দনদার কাছ থেকে ফেরার ভাড়াটা চাইতেই আমার সবচেয়ে গ্লানি বোধ হয়েছিল।

    মুমু এত উৎসাহ করে তার বাবার সঙ্গে দেখা করতে এল, দেখা হবার পর কিন্তু সে আর একবেলাও সেখানে থাকতে চাইল না, চন্দনদাও রাখবার জন্য জোর করলেন না একটুও। মুমুর স্কুল খোলা, তবু সে কলকাতা থেকে চলে এসে দারুণ অন্যায় করেছে। আজকাল এমনই পড়াশুনো ব্যবস্থা যে শখ করে দু’-একদিন স্কুলে না যাওয়াটা যেন একটা বিরাট পাপ!

    রাত্তিরে আমরা সাপের খপ্পরে পড়েছিলুম শুনেও চন্দনদা আমার ওপর খুব রাগারাগি করলেন, যেন সব দোষ আমারই। দায়িত্বজ্ঞানহীনের মতন একটা আধা—খ্যাঁচড়া বাংলোয় আমি উঠেছি কেন? আগে থেকে ঠিকঠাক খবর না দিয়ে কি কেউ এইরকম ছোট জায়গায় আসে?

    এর ফলে হলো কি, রেল স্টেশনে যে আমি মুমুকে জেলে যাওয়া থেকে বাঁচিয়েছি, সে ঘটনাটা চন্দনদাকে বলাই হলো না। শুনলেই আরও বকাবকি করবেন নিশ্চয়ই। মুমুও বাবার ওপর অভিমান করে চুপ করে ছিল।

    চন্দনদার কাছ থেকে আমি কখনো এরকম খারাপ ব্যবহার পাইনি।

    চন্দনদা মুমুর ফেরার ভাড়া, ট্রেনে যাওয়ার খরচ ইত্যাদি হিসেব করে আশি টাকা দিয়েছিলেন আমাকে। উনি ভেবেছিলেন, আমি নিজের শখে বেড়াতে এসেছি, সুতরাং ভাড়া-টাড়ার দায়িত্বও আমার নিজের। তখন বাধ্য হয়ে আমাকে মুখ ফুটে বলতে হলো, চন্দনদা, আমারও গোটা পঞ্চাশেক টাকা লাগবে! চন্দনদা আমার দিকে এমনভাবে তাকিয়েছিলেন, যেন আমি একটা রক্তচোষা ছারপোকা

    হায়, এমন দিন কি কখনো আসবে, যখন প্রতিদিনই পয়সা গুনে গুনে হিসেব করতে হবে না?

    মেয়ের ওপর রাগ এবং আমার প্রতি বিরক্তির কারণটাও চন্দনদা পরিষ্কার ভাষায় জানিয়ে দিয়েছিলেন। চন্দনদা নীপাবৌদির সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করেছে। সেইজন্যই তাঁর ছোটপাহাড়ীতে চলে আসা। কলকাতায় গিয়েও তিনি নিজেদের ফ্ল্যাটে যাননি, মুমুর সঙ্গে শুধু একবার দেখা করার চেষ্টা করেছিলেন তার স্কুলে। মুমু যে স্কুল পালিয়ে ছোটপাহাড়ীতে তার বাবার সঙ্গে দেখা করতে এসেছে, এর সবটা দোষই নীপাবৌদি মুমুর বাবার ওপর চাপাবে, এটাই চন্দনদার ধারণা। মুমুর লেখাপড়ায় বিন্দুমাত্র ক্ষতি হোক, এটা চন্দনদা নিজেও চান না অবশ্য। মুমুর পড়ার খরচ তিনিই চালাবেন।

    যে-কয়েকটি দম্পতির সঙ্গে আমার চেনাশুনো আছে, তাদের মধ্যে চন্দনদা আর নীপাবৌদিকেই আমার সবচেয়ে আদর্শ এবং হাসিখুশি মনে হতো। ছোট্ট পরিবার, শ্বশুর-শাশুড়ির ঝামেলা নেই, স্বামী এবং স্ত্রী দু’জনেই ভালো চাকরি করেন, একটি মাত্র সন্তান, সে-ও লেখাপড়ায় ভালো। চন্দনদাদের ফ্ল্যাটে ওঁদের প্রচুর বন্ধুবান্ধবীদের আড্ডা দিতে দেখেছি, ওঁরা দু’জনেই অতিথিবৎসল। হঠাৎ বিনা মেঘে বজ্রপাত হয়ে গেল?

    কেন যে এমন হলো, সেই ব্যাপারে প্রশ্ন করা যায় না।

    চন্দনদাকে বেশ কঠোর মনে হলো, নীপাবৌদি সম্পর্কে যেন সব ভালোবাসা তাঁর চলে গেছে, এমনকি মুমুকে তিনি দু’-একটা ভালো কথা বললেন না। উনি কি বউ-মেয়েকে ত্যাগ করে এই ছোটপাহাড়ীর মতন গড ফরসেকেন প্লেসে বাকি জীবনটা কাটিয়ে দিতে চান? চন্দনদার মেজাজ দেখে সেসব কথাও জিজ্ঞেস করার সাহস হলো না আমার।

    ট্রেনের জানলার ধারে একদৃষ্টিতে বাইরের দিকে চেয়ে বসে আছে মুমু। তার মুখখানা যেন মূর্তিমতী অভিমান।

    মেয়েরা সাধারণত মায়ের চেয়ে বাবার বেশি ভক্ত হয়। খুব ছোটবেলা থেকেই দেখেছি মুমু একেবারে বাবা-অন্ত প্রাণ। প্রায়ই ও বলত, আমার বাবার মতন হ্যাণ্ডসাম কেউ না! মুমুর মতে তার বাবা সকলের চেয়ে জ্ঞানী, আমরা যেসব প্রশ্নের উত্তর দিতে পারি না, তা সবই তার বাবা জানে। তার বাবা অন্য সব বাবার চেয়ে ভালো।

    চন্দনদাকেও মেয়েকে নিয়ে খুব আদিখ্যেতা করতে দেখেছি। অফিস থেকে বাড়ি ফিরেই প্রথমে জিজ্ঞেস করতেন, মামণি কোথায়? প্রত্যেকদিন মুমুর জন্য চকলেট কিংবা কিছু না কিছু কিনে আনবেনই। মুমু কোনো জিনিসপত্র ভাঙুক কিংবা যত দোষই করুক, চন্দনদার কাছে সব কিছু মাফ, এ জন্য নীপাবৌদিই মাঝে মাঝে বকতেন চন্দনদাকে। সেই চন্দনদা মুমুকে ছেড়ে থাকতে পারছেন?

    মুমু ওর ক্লাসে ফার্স্ট সেকেণ্ড হয়। আজকাল বাবা-মায়ের তাড়না লাগে না, ভালো ছাত্রছাত্রীরা নিজেরাই গরজ করে প্রত্যেকদিন স্কুলে যায়, তবু মুমু স্কুল নষ্ট করে বাবাকে দেখতে এসেছিল। দু’মাস সে বাবাকে দেখেনি। সে হয়তো আশা করেছিল যে বাবা তাকে দেখলেই আনন্দে এমন উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠবে যে পুরোনো সব ঝগড়াঝাঁটি ভুলে যাবে।

    মুমুর ক্ষুদ্র হৃদয়ে এখন যে কী আলোড়ন চলছে, তা আমি বুঝব কী করে!

    একবার এক ঠোঙা বাদাম কিনে জিজ্ঞেস করলুম, মুমু, বাদাম খাবি? মুমু কোনো উত্তরই দিল না। আমি ওর একটা হাত নিয়ে, মুঠোর মধ্যে কয়েকটা বাদাম দিয়ে দিলুম, হাতটা সেইরকম মুঠো করাই রইল।

    আমার ক্ষমতা থাকলে আমি চন্দনদাকে জেলে দিতুম! কেন সে একটা বাচ্চা মেয়েকে এরকম কষ্ট দেবে? নীপাবৌদি যা-ই দোষ করে থাকুক, চন্দনদা তা মানিয়ে নিতে পারলেন না? আমি তো নিজের চোখেই দেখে এলুম, বউয়ের ওপর রাগ করে চনদা মেয়েকেও শাস্তি দিচ্ছেন।

    খড়্গপুর স্টেশন পেরিয়ে যাবার পর মুমু হঠাৎ আমার দিকে ফিরে বলল, নীলকাকা, আমার বাড়ি যেতে ইচ্ছে করছে না!

    এই রে, এ যে বিপজ্জনক চিন্তা! মেয়েটার মাথায় যদি এসব ঢোকে, তা হলে হঠাৎ একটা কিছু যা-তা করে বসতে পারে। এই বয়েসি একটা মেয়ের জন্য পথেঘাটে বিপদ ওঁৎ পেতে আছে।

    আমি যতদূর সম্ভব স্বাভাবিক মুখ করে, একটু হেসে জিজ্ঞেস করলুম, বাড়ি ফিরবি না, তা হলে কোথায় যাবি?

    মুমু বলল, তা জানি না। কিন্তু বাড়িতে আমি আর যাব না। আমার ভালো লাগছে না।

    —মুমু, তুই তোর মাকে বলে এসেছিলি তো?

    —না।

    —বলিসনি? কী সাঙ্ঘাতিক কথা রে! নীপাবৌদি এতক্ষণে কান্নাকাটি করে অস্থির হয়ে গেছেন নিশ্চয়ই। ছিঃ, মুমু, মাকে কি কষ্ট দিতে হয়?—মা আমাকে ভালোবাসে না। আমাকে কেউ ভালোবাসে না!

    —আরে নাঃ! শোন, মুমু, তুই তো এখন বড় হচ্ছিস, তোকে কয়েকটা জিনিস বুঝতে হবে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে এরকম ঝগড়া মাঝে মাঝে হয়, আবার মিটে যায়। কিংবা ধর, যদি বা নাও মেটে, ডিভোর্স কাকে বলে জানিস তো? স্বামী আর স্ত্রী আলাদা আলাদা থাকবে, কিন্তু ছেলেমেয়েরা বাবার কাছেও যাবে, মায়ের কাছেও যাবে।

    —তুমি এসব কী করে জানলে? তোমার কি বউ আছে?—না থাকলেই বা। চারপাশে এরকম দেখছি তো অনেক।—আমার বাবা আর বাবা থাকবে না?

    —আহা, তা কেন? বাবা সব সময়েই বাবা থাকবে।

    —চাই না আমার ওরকম বাবা! আমার মাও চাই না। আমি বাড়ি যাব না।

    —তা হলে কোথায় যেতে চাস?

    —আমি পরের স্টেশনে নেমে পড়ব!

    —ধ্যাৎ! পাগলের মতন কথা। যে কোনো জায়গায় নেমে পড়লেই কি সেখানে থাকা যায়? ওসব ভাবতে নেই, আগে তোর পড়াশুনো শেষ করতে হবে না? তুই খুব ভালো রেজাল্ট করবি। নিজের পায়ে দাঁড়াবি, তখন দেখবি, সবাই তোকে কত খাতির করছে!

    উপদেশ-টুপদেশ আমার মুখে একদম আসে না। কিন্তু এইটুকু একটা মেয়েকে শুধু কথা দিয়ে ভোলানো ছাড়া আর উপায় কী? এই কথাগুলো আমি উচ্চারণ করতে লাগলুম অভিনয়ের মতন, বেশ দরদ দিয়ে।

    দূরপাল্লার ট্রেন হলেও আমাদের কামরায় ভিড় খুব কম। সবেমাত্র সন্ধে হচ্ছে। গতকাল এই সময় আমরা বাসে ছোটপাহাড়ী যাচ্ছিলুম, তখন মুমুর মনে কত আশা ছিল, সে ভেবেছিল বাস ডিপোতেই তার বাবা তাকে দু’হাতে জড়িয়ে ধরবে। কাল মুমু সর্বক্ষণই প্রায় আমার সঙ্গে রেগে কথা বলছিল, আমাকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করছিল, আজ সে সুর বদলে গেছে। বিপদের একটা রাত্রি আমাদের কাছাকাছি এনে দিয়েছে অনেকখানি।

    মুমু আবার বলল, আমি যদি যে-কোনো স্টেশনে নেমে পড়ি, তারপর আমার যাইই হোক, আমি যদি মরেই যাই, তাতে কার কী ক্ষতি! বেশ করব, আমার যা খুশি করব।

    —তুই মরতেও পারবি না। তার আগেই তোকে পুলিশে ধরবে। যেসব ছেলেমেয়েরা নিরুদ্দেশ হয়ে যায়, পুলিশ তাদের ঠিক খুঁজে আনে।

    —পুলিশ আমাকে ধরতেই পারবে না। আমি যদি এক্ষুনি ট্রেন থেকে লাফিয়ে পড়ি, পুলিশ কী করে ধরবে?

    —সেটাও তুই পারবি না। আমি বাধা দেব। আমি তোকে আটকে রাখব।

    —কেন তুমি আমাকে আটকে রাখবে?

    —কারণ আমি তোকে ভালোবাসি। তুই আমাদের মুমু।

    —অ্যাই ব্লু, তুমি খবর্দার ভালোবাসা-টালোবাসার কথা বলবে না! তুমি না কথা দিয়েছিলে, আমাকে বিয়ে করতে চাইবে না?

    —বিয়ে না করলে বুঝি ভালোবাসা যায় না? তুই এত পাকা হলি কী করে রে?

    —আমি বাবাকে অনেকবার বলতে শুনেছি, মাকে বলেছে, আমি তোমায় খুব ভালোবাসি। ওরা সবাই মিথ্যে কথা বলে!

    —ভালোবাসা কি একরকম হয় রে? ভালোবাসা অনেক রকম!

    —আমি ওসব কিছু চাই না। আমি কারুকেই চাই না।

    —তা বললে তো হবে না। তোর এখন এগারো বছর মোটে বয়েস! আঠেরো বছর বয়েস হবার আগে পর্যন্ত তুই নিজের ইচ্ছে মতন কিচ্ছু করতে পারবি না। সেইজন্যই তো বলছি, তুই লেখাপড়া শিখে আগে বড় হয়ে নে, তারপর স্বাধীনভাবে যা খুশি করবি। হয়তো লণ্ডন কিংবা আমেরিকা চলে যাবি!

    —না যাব না। আমি আর পড়াশুনো করবই না!

    –তোর মার সঙ্গে তোর বাবার কী নিয়ে ঝগড়া হয়েছে তা জানিস?

    —তোমাকে বলব কেন? তুমি বাইরের লোক! তোমার সঙ্গে আমার ঐ রেল স্টেশনে দেখা না হলে তুমি কিছু জানতেই পারতে না!

    –এক সময় ঠিকই জেনে যেতুম।

    মুমু একটুক্ষণ আবার চুপ করে গেল। তার সেই মন খারাপের ভাবটা কেটে গেছে, তবু চোখে মুখে বেশ চাঞ্চল্য। একবার উঠে বাথরুমে গেল, আমি সরে এসে দরজার কাছে দাঁড়ালুম। বলা যায় না, হঠাৎ ঝাঁপিয়ে-টাপিয়ে পড়তে পারে। আজকাল স্কুলের ছেলেমেয়েরাও আত্মহত্যা করে।

    মুমু বাথরুম থেকে বেরুতেই আমি ওকে আগের জায়গায় বসিয়ে দিলুম টেনে এনে।

    এবারে ও পা থেকে সুন্দর নীল রঙের এক পার্টি জুতো খুলে হঠাৎ ছুঁড়ে ফেলে দিল জানলা দিয়ে।

    আমি চমকে বললুম। একি, একি করলি?

    মুমু বলল, ঐ লোকটা কিনে দিয়েছিল। এটা আমি আর পরব না।

    —ঐ লোকটা মানে? মুমু, এভাবে কথা বলতে নেই।

    —তুমি চুপ করো! তুমি আমার কে? তুমি আমার নিজের কাকা নও!

    —তা বলে একটা ভালো জুতো ফেলে দিলি?

    অন্য পার্টিটা তুলে মুমু বলল, এটা রেখে আর কী হবে? এটা তুমি ফেলবে?

    আমি দুদিকে মাথা নাড়তেই মুমু সেই জুতোটাও নিরুদ্দেশে পাঠাল। হঠাৎ হি হি করে হেসে উঠল খুব জোরে। কামরার কয়েকজন এদিকে ফিরে তাকাল।

    হাওড়ায় পৌঁছলুম রাত প্রায় দশটায়। মুমু তার ব্যাগ খুলে একজোড়া হাওয়াই চটি বার করল। মিশনারি স্কুলে পড়া মেয়ে খালি পায়ে কলকাতার রাস্তা দিয়ে কিছুতেই হাঁটবে, চটি আছে বলেই জুতো জোড়া ফেলতে পেরেছে।

    আমি মুমুর হাত ধরে রইলুম। এই ভিড়ের মধ্যে হঠাৎ যদি দৌড়ে পালাবার চেষ্টা করে, তাহলে ধরা মুশকিল হবে।

    হিসেব করে দেখলুম, আমার কাছে আর যে কটা টাকা বাকি আছে, তাতে ট্যাক্সি ভাড়া কুলিয়ে যাবে।

    সুইন হো স্ট্রিটে চন্দনদার ফ্ল্যাট। চন্দনদা মুমুর জন্য আশি টাকা দিলেন কেন, পুরো একশো টাকা দিতে পারতেন না? বউয়ের সঙ্গে ঝগড়া করে চন্দনদা এমন কৃপণ হয়ে গেছেন?

    ট্যাক্সিটা মুমুদের বাড়ির কাছে এসে থামল, সেখানে লাল রঙের একটা ছোট গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে। সেই গাড়িটার দিকে এক পলক তাকিয়ে মুমু বলল, তুমি এই ট্যাক্সিটা নিয়ে বাড়ি চলে যাও।

    আমি ভাড়া মেটাতে মেটাতে বললুম, আমার অত তাড়া নেই। নীপাবৌদির সঙ্গে দেখা করে যাব না?

    মুমু গম্ভীর ভাবে বলল, তুমি এখন বাড়ির মধ্যে এসো না। আমার মায়ের কাছে তার বয়ফ্রেণ্ড রয়েছে।

    —কী বাজে কথা বলছিস!

    —এই যে গাড়িটা রয়েছে দেখছ না? এটা মায়ের বয়ফ্রেণ্ডের গাড়ি। মা এখন তোমাকে দেখলে ভালো করে কথা বলবে না!

    এখন ইস্কুলের ছেলেমেয়েদের মুখে কিছু আটকায় না। মায়ের বয়ফ্রেণ্ড! মুমু মাকে কিছু না বলে ছোটপাহাড়ী চলে গিয়েছিল, নীপাবৌদি কিছু জানেন না, সেই অবস্থায় তিনি এত রাত্রে বয়ফ্রেণ্ডের সঙ্গে বসে গল্প করবেন? তা হতে পারে না। তবু ব্যাপারটা আমাকে দেখতেই হবে।

    সদর দরজা খোলা, মুমুদের ফ্ল্যাট দোতলায়। আমি মুমুর হাত ছাড়িনি। ওর ভাবভঙ্গি ভালো নয়। বেল দিতেই দরজা খুলে দিল একটি অপরিচিতা মেয়ে, এক মুহূর্তে সে যেন ভূত দেখার ভয় পেল, পরের মুহূর্তেই তার মুখ আনন্দে ঝলমল করে উঠল।

    সে চেঁচিয়ে বলল, মুমু! এই দিদি, মুমু ফিরে এসেছে! মুমু এসেছে!

    দরজা খোলার পরেই প্রথমে একটা বসবার ঘর, তার ওপাশে খাবারের জায়গা, তারপর দুদিকে দুটো বেডরুম। খাবারের জায়গা থেকে ছুটে এলো নীপাবৌদি আর একজন ভদ্রলোক, তাকে আমি চিনি। সবাই তাকে লালুদা বলে, ভালো নামটা কী আমার মনে নেই।

    একসঙ্গে সেই তিনজন বলতে লাগল, মুমু, কোথায় গিয়েছিলি? মুমু তুই ইস্কুল থেকে বাড়ি না ফিরে…। মুমু, তোর জন্য সব জায়গা খুঁজে খুঁজে…। মুমু, তুই বাড়িতে কারুকে কিছু না বলে…।

    মুমু খানিকটা অবজ্ঞার ভঙ্গিতে হাতের ব্যাগটা ছুঁড়ে ফেলে দিল মাটিতে, ফটাশ ফটাশ করে চটি জুতো খুলল, তারপর সকলের দিকে চোখ বুলিয়ে নিয়ে বলল, বাবার কাছে গিয়েছিলুম।

    নীপাবৌদি এগিয়ে এসে মুমুর হাত ধরল। যেন মুমুর কথাটা বুঝতেই পারেনি, এইভাবে আবার জিজ্ঞেস করল, কোথায় গিয়েছিলি?

    মুমু তেড়িয়াভাবে বলল, বাবার কাছে।

    নীপাবৌদি বলল, সেখানে কেন গিয়েছিলি?

    মুমু বলল, বেশ করেছি!

    নীপাবৌদি মেয়েকে ফিরে পেয়ে নিশ্চিত খুব খুশি হয়েছে, তবু মুমুর এই কথা শুনে ঠাস করে এক চড় কষাল।

    লালুদা বলল, আরে, আরে কী করছ, নীপা! পাগল হয়ে গেলে নাকি? ওকে মারছ কেন?

    অপরিচিতা মেয়েটি টেনে নিল মুমুকে, লালুদা নীপাবৌদিকে সরিয়ে এনে বলল, নীপা, মাথা ঠাণ্ডা করো, মুমু ফিরে এসেছে।

    নীপাবৌদি বলল, কেন ও যাবে? যে লোক দু’ মাস ধরে একটি বারের জন্যও মেয়ের খোঁজ নেয়নি, তার কাছে ও হ্যাংলার মতন ছুটে যাবে কেন? সে ভাববে, আমিই বুঝি মুমুকে পাঠিয়েছি?

    নীপাবৌদি এবার আমার দিকে তাকাল জ্বলন্ত চোখে। যেন আমিই ভুলিয়ে ভালিয়ে মুমুকে নিয়ে গিয়েছিলুম ছোটপাহাড়ীতে।

    লালুদা বলল, আরে নীলকণ্ঠ, তুমি মুমুকে কোথায় পেলে?

    আমি বললুম, আমার সঙ্গে হঠাৎ দেখা হয়ে গেল বালুঘাই স্টেশনে।—হঠাৎ দেখা হলো, মানে, তুমি বালুরঘাট গিয়েছিলে?

    –বালুরঘাট না, বালুঘাই। সেখানেই দেখা হলো।

    –না, মানে, তুমি এমনি এমনি বালুঘাই গিয়েছিলে?

    -এমনি এমনি না, নিজস্ব একটা কাজে।

    লালুদা বা নীপাবৌদি যে আমার কথা বিশ্বাস করছে না, তা স্পষ্ট বোঝা যায়। খাঁটি সত্যি কথা সহজ সরলভাবে বলে দিলে অনেকেই সন্দেহ করে। আর হঠাৎ দেখা হয়ে যাওয়ার ব্যাপারটা সবাই ভাবে বানানো। গল্প-উপন্যাসে এরকম হয়।

    অপরিচিতা মেয়েটি মুমুকে জিজ্ঞেস করলো, মুমু, তুই একা একা ট্রেনে করে চলে গেলি?

    মুমু উত্তর না দিয়ে শুধু মাথা ঝোঁকাল।

    লালুদা আমাকে জিজ্ঞেস করল, মুমুর সঙ্গে তোমার নীলুরঘাট স্টেশনে যাওয়ার সময় দেখা হয়েছিল, না আসবার সময়?

    —দু’বারই হয়েছে। আর একটা কথা, আমার নাম নীলকণ্ঠ নয়।

    —ও হ্যাঁ, তোমার নাম, তোমার নাম কী যেন, নীলাদ্রিশেখর?

    —আজ্ঞে না।

    —তবে? নীলোৎপল? উৎপলেন্দু? ইন্দুশেখর?

    মুমু আমার দিকে তাকিয়ে চোখে চোখে একটু হাসল। আমি যে নিজে থেকে নামটা বলতে চাইছি না এতেও ও কিছুটা মজা পেয়েছে। এর মধ্যে যেন একটা প্রতিবাদের ভাব আছে।

    নীপাবৌদি বিরক্ত হয়ে বলল, কী সব বলছ লালুদা, ওর নাম তো নীললোহিত। ওকে এ বাড়িতে আগে দেখোনি?

    লালুদা বলল, হ্যাঁ, হ্যাঁ, আনকমন নাম। সেইজন্য ঠিক মনে থাকে না। তুমি তো মুমুকে নিয়ে চলে গেলে, এদিকে আমাদের কী চিন্তা। নীপা একেবারে পাগলের মতন।

    —আমি মুমুকে নিয়ে যাইনি। আপনি ভুল করছেন, আমার সঙ্গে ওর বালুঘাই স্টেশনে দেখা হয়েছিল আপনাকে বলেছি।

    —তারপর শোনো, আমি নীপাকে বললুম, কোনো চিন্তা নেই, ঠিক পাওয়া যাবেই। মুমু ব্রাইট মেয়ে, সে আজেবাজে কারুর পাল্লায় পড়বে না, আমি সব হাসপাতালে খোঁজ নিয়ে তারপর থানায়, খবরের কাগজে, তারপর রেডিও আর টিভিতে অ্যানাউন্সমেন্ট হয়েছে, মুমু, আজই টিভিতে তোর ছবি দেখিয়েছে।

    অচেনা মেয়েটি বলল, তোর লাল ফ্রক পরা ছবি। ইস, তুই দেখতে পেলি না। কালকেও বোধহয় দেখাবে, তাই না লালুদা?

    মুমু এসব অগ্রাহ্য করে খাবার জায়গার দিকে চলে গেল। ফ্রিজ খুলে একটা ঠাণ্ডা জলের বোতল এনে নিজে ঢক ঢক করে খানিকটা খেল, তারপর আমার কাছে এসে বলল, নীলকাকা, জল খাবে?

    এখন এ বাড়িতে আমি আর মুমু যেন এক দলে, বাকি তিনজন অন্য দলে। এখানে বেশিক্ষণ থাকার আমার মোটেই ইচ্ছে নেই, কিন্তু নীপাবৌদি হঠাৎ মুমুকে চড় মারলেন কেন, এটা খুবই অন্যায়। যতই দুঃখ উদ্বেগ আর রাগ থাকুক, বাড়ি ফেরামাত্র মেয়েকে এরকম চড় মারা ঠিক হয়নি। মুমুকে আমি এ বাড়িতে কখনো মার খেতে দেখিনি। বাবা অনুপস্থিত বলে মেয়েটা চড়চাপড় খাবে, এটা সহ্য করা যায় না।

    চড়টা খেয়ে মুমু কিন্তু একটুও বিচলিত হয়নি। যেন চড় মারার ফলে তার মা-ই হেরে গেছে।

    আমাদের দুজনকে জল খেতে দেখে লালুদা ব্যস্ত হয়ে বলল, আরে, ওদের খাবার দাও, চা দাও, কত দূর থেকে এসেছে। নিশ্চয়ই খুব খিদে পেয়েছে, মুমুকে দুধ দাও, কদিন দুধ খায়নি, আর নীলোৎপল, তুমি কী খাবে?

    আরও কুড়ি-পঁচিশ মিনিট সেখানে বসতে হলো নানারকম জেরার জবাব দেবার জন্য। অবশ্য আসল আসল ঘটনাগুলোই ওরা শুনতে পেল না। রেল স্টেশনের কাহিনী আর সাপের কাহিনী একদম বাদ।

    তার কারণ, লালুদা যত না শুনতে চায়, তার চেয়ে নিজে বেশি কথা বলে। মুমুর নিরুদ্দেশ হওয়া উপলক্ষে সে যে কত লোকের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে, পুলিশের ডি সি সাউথ থেকে শুরু করে হাসপাতালের সুপারিনটেণ্ডেণ্ট আর খবরের কাগজের রিপোর্টার এইরকম কত লোকের সঙ্গে তার চেনা, সেই কথা শোনাতেই সে ব্যস্ত, আর নীপাবৌদি ঠারেঠারে শুধু জানতে চায়, চন্দনদার সঙ্গে কী কী কথা হলো। আমি বললুম, চন্দনদা মুমুকে কী বলেছে তা আমি জানি না। মুমু সর্বক্ষণ ঘাড় হেঁট করে টেবিলে আঁকিবুকি কেটে গেল, হ্যাঁ কিংবা না ছাড়া সে আর কিছু বলে না।

    অচেনা মেয়েটির নাম লীনা, সে মুমুর মাসি হয়, আপন নয়, খুড়তুতো মাসি, সে কয়েকদিন ধরে এখানে আছে। তার কৌতুহল, আমি বালুঘাই স্টেশনে কী করতে গিয়েছিলুম। আমি যে সেখানে একটা চাকরির ব্যর্থ ইন্টারভিউ দিতে গিয়েছিলুম, সে কথা কারুকে জানাতে চাই না। সুতরাং বারবার বলেছি, নিজের কাজে। আমার যে কী কাজ, তা বুঝতে না পেরে লীনা আরও বেশি কৌতূহলী হয়ে উঠল, যেন আমার পুরো পরিচয়টা না জানতে পারলে তার ভাত হজম হবে না।

    লালুদাকে মুমু যে তার মায়ের বয়ফ্রেণ্ড বলেছিল, সেটা নিশ্চয়ই রাগের কথা। এই লালুদাকে আমি আরও দু’-একটা বাড়িতে দেখেছি, সর্বঘটে কাঁঠালি কলা জাতীয় মানুষ।

    সকলের সঙ্গেই মেশে, সকলের সঙ্গেই হৈ হৈ করে, কারুর জন্য ফ্ল্যাট খুঁজে দেয়, কারুর ট্রেনের টিকিট দরকার হলে হাত তুলে অভয় দিয়ে বলে, ব্যবস্থা হয়ে যাবে, শস্তায় কোথায় স্টিলের আলমারি পাওয়া যায়, তাও লালুদা জানে। এইসব লোক বেশ উপকারী হয়, কিন্তু ‘এরা কি প্রেমিক হতে পারে?

    লালুদার চেহারা খারাপ নয়, বছর চল্লিশেক বয়েস, পৌনে ছ’ফুট লম্বা, গায়ের রং মাজা মাজা, স্বাস্থ্য ভালো, সবই ঠিক আছে, কিন্তু মুখখানা অতি চালাক অথচ বোকা ধরনের। ঠোটে সবসময় কাঁঠালি কলা মার্কা হাসি। এই ঠোঁটে নীপাবৌদির মতন মেয়ে কখনো চুমু খাবে, এ আমি বিশ্বাসই করতে পারি না। চন্দনদা যদি এই লালুদা সম্পর্কে কিছু ভেবে নিয়ে নীপাবৌদিকে ছেড়ে গিয়ে থাকে, তা হলে বুঝতে হবে যে চন্দনদার মাথা খারাপ হয়েছে।

    জেরার শেষে লালুদা হঠাৎ একবার নিজের কবজির সোনালি হাতঘড়ি দেখে বলে উঠল, ওরের্ বাস, সোওয়া এগারোটা বাজে? এবার উঠি। মুমুকে ভালো করে ঘুমোতে দাও। নীলকমল, তুমি কোনদিকে থাক? আমি তোমায় নামিয়ে দিয়ে যেতে পারি।

    লালুদা যে আমার নামটা বারবার ভুল বলে, তাতে আমার কিছু মনে করা উচিত না। কারণ, লালুদার ভালো নামটা যে আমারও মনে নেই।

    লালুদার গাড়ির রংটাও লাল, নিশ্চয়ই তিনি ইচ্ছে করেই লাল কেনেননি। গাড়ির কাচ ছাই রঙের অর্থাৎ বাইরে থেকে ভেতরটা দেখা যাবে না। ভেতরে মিষ্টি গন্ধ, আর ঠাণ্ডা করার ব্যবস্থা। আমার সারাদিনের ঘেমো শরীর, ময়লা জামা—প্যান্ট নিয়ে এই রকম গাড়িতে উঠতে লজ্জা হলো।

    স্টার্ট দেবার পর লালুদা বললেন, ঐ যে প্যাকেট রাখা আছে, তুমি সিগারেট খেতে পারো, আমি স্মোক করি না। আমি ড্রিংকও করি না, কিন্তু তুমি যদি চাও, বাঁ দিকের খোপটায় ব্র্যাণ্ডির বোতল রাখা আছে, ইচ্ছে করলে দু’ ঢোঁক মেরে দিতে পারো।

    একেই বলে সত্যিকারের পরোপকারী!

    একটুখানি যাবার পর লালুদা বলল, চন্দনটা কী করল বলো তো? নীপার মতন মেয়ে, একেবারে হীরের টুকরো, সবাই তাকে ভালোবাসে, সেই নীপাকে এমন কষ্ট দিল চন্দন!

    তারপর লালুদা তার মুখটা অনেকখানি ঝুঁকিয়ে দিল আমার দিকে।

    রাস্তায় কোনো লোক নেই, এত রাত, চলন্ত গাড়ি, তারও কাচ বন্ধ, তবু লালুদা ফিসফিস করে বলল, একটা সত্যি কথা বলো তো, নীলাঞ্জন? ছোটপাহাড়ীতে সেই মেয়েটাকে দেখলে?

    আমি আকাশ থেকে পড়ে বললুম, মেয়েটা মানে? কোন মেয়েটা?

    লালুদা বলল, তাও জানো না! কারুকে বলো না যেন, একটা মেয়ের জন্যই তো চন্দন কলকাতা ছেড়ে চলে গেল!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্ধেক মানবী – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)
    Next Article বিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    অর্ধেক মানবী – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ফুলমণি-উপাখ্যান – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    কুবেরের বিষয় আশয় – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    কুবেরের বিষয় আশয় – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Our Picks

    কুবেরের বিষয় আশয় – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026

    বিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026

    কৈশোর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }