Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প214 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কল্যাণবাবুর আত্মীয়স্বজন

    কল্যাণবাবুর নারীভাগ্য ভাল। মা অবশ্য তাঁর কপালে বেশিদিন টেঁকেননি। কিন্তু যে জেঠিমার কাছে তিনি প্রধানত মানুষ, তিনি তাঁকে চিরকাল বুক দিয়ে আগলেছেন। এক ছেলে হওয়ার দরুন ঠাকুরদাদার ভূ-সম্পত্তির মধ্যে, বরানগরের গোটা একখানা বাড়ি, তা ছাড়া বেশ কিছু টাকাপয়সাও তিনি একলা পাবেন, এ নিয়ে অন্যান্য কাকাদের মধ্যে একটা রাগ-বিরক্তি ছিল। বাবা কর্মোপলক্ষে বিদেশে থাকতেন। ছেলেটি সম্পূর্ণ পরিজনদের করুণানির্ভর, অনেক ক্ষতিই তো হতে পারত। কিছুই হয়নি। জেঠিমা সব সময়ে নজর রাখতেন। বিয়ে যখন করলেন, দেখা গেল স্ত্রীও চমৎকার মানুষ। আমুদে, সংসার চালনায় অতি দক্ষ। এই বাড়ি দুজনে পছন্দ করে কিনলেন। বাড়ি টিপটপ রাখা, পাঁচ বছর অন্তর অন্তর স্বামীকে ধরে-করে চুনকাম, সারাই-ঝালাই করানো—এ সব তিনি একেবারে নিয়ম করে করতেন। কল্যাণবাবু চিরকাল উচ্চপদে চাকরি করেছেন। কিন্তু সৎ মানুষ, বিলাসিতা করার মতো উপার্জন করেননি।

    কিন্তু স্ত্রীর প্রবল বাস্তববুদ্ধির জন্য কোনওদিন কোনও অসুবিধের মধ্যে পড়েননি। পিতৃসূত্রে পাওয়া সম্পদ দিব্যি দ্বিগুণ তিনগুণ হয়ে গেছে। মানুষ হিসেবে আরতি কতটা ভাল, কতটা উদার ছিলেন তার অবশ্য কোনও সত্যিকার পরীক্ষা হয়নি। কোনও ভাগীদার তো কখনও ছিল না! নিজের বাপের বাড়ির দেশ থেকে প্রায় অনাথা একটি শান্তশিষ্ট রূপসী মেয়েকে বড় ছেলের জন্য সংগ্রহ করে আনলেন। চালাকিটা কি আর তিনি বোঝেননি? গরিবের মেয়ে, মাতৃহীন, তার ওপর দেশঘরের। এত আদর, এমন ঘর-বর পেয়ে সে তো স্রেফ কৃতজ্ঞতাতেই চিরটাকাল নুয়ে থাকবে! ছেলেও শান্ত প্রকৃতির, তাকে যৌবন থেকেই ব্রিজের নেশা ধরেছে, সে বরাবর মায়ের অনুগত। যেমন ছিল তেমনই রইল। তবে বউমা কি আর এত সত্ত্বেও শাশুড়ির হিসেব উলটে দিতে পারত না? কিন্তু দেয়নি। মল্লিকা বড় ভাল মেয়ে। শান্ত, ঘরোয়া, কল্যাণবাবুর সঙ্গে তার আপন কন্যার মতোই সম্পর্ক হয়ে গেছে। তার একটাই মাত্র দোষ। সে বড় ভুলো, অগোছালো, সুগৃহিণী নয়। হতে পারে, শাশুড়ি অতি সুগৃহিণী ছিলেন বলেই সে ওরকম হতে পারল না, আদেশ পালন করতে করতে আদেশ দেওয়া কী জিনিস, পরিচালনা করা কী জিনিস শিখে উঠতে পারল না। তবে এ নিয়ে তাঁরা সবাই, এমনকী, মল্লিকার মেয়েরাও খালি মজাই করে। কোনও নালিশ নেই।

    —দাদু আজকে হরিমটর। মায়ের ভাঁড়ারে চাল, ডাল, তেল, আটা, নুন সব বাড়ন্ত। শাকভাত এমনকী নুনভাত খাবারও উপায় নেই!

    —সে কী! বউমা! বউমা!—

    —কী বাবা!

    —তোমার নাকি সব বাড়ন্ত? আমায় বলনি কেন? এনে দিতুম।

    —কে বললে আপনাকে এসব?

    —ঝুম্পা।

    —ওদের আসলে আজকে হোটেলে খাবার ইচ্ছে হয়েছে, তাই আপনাকে গুচ্ছের বাজে কথাগুলো লাগিয়ে গেছে।

    ঝুম্পা কিছুটা বাড়াবাড়ি করলেও একেবারে বাজে কথা কিন্তু মোটেই বলেনি। সত্যিই সব রান্না শেষ করে— মল্লিকা ভাত চাপাতে গিয়ে সেদিন দেখে আধ কুনকেটাক চাল মাত্র পড়ে রয়েছে।

     

    আরও দেখুন
    ডিকশনারি
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    নতুন বই
    বই
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    ডিজিটাল বই
    বই ডাউনলোড
    ই-বই পড়ুন
    লেখকের বই

     

    একদিন কল্যাণবাবু রাত্রে শুতে এসে দেখেন পরিপাটি করে বেডকভারটি পাতা রয়েছে। কিন্তু তার তলায় তোশক বালিশ চাদর কিছু নেই। রোদে দেওয়া হয়েছিল। তুলতে ভুল হয়ে গেছে। তোলা-পাড়ার কাজটা হয়তো হাতেকলমে তার করার কথা নয়। কিন্তু তত্ত্বাবধানের দায়টা তো তারই। এতখানি জিভ কেটে মল্লিকা বেচারি যখন ছাতে ছুটছে, লজ্জায় প্রায় চোখে জল এসে গেছে। তখন কল্যাণবাবু তার সঙ্গে ছাতে গিয়ে তাকে নিরস্ত করেন। ক্রন্দনমুখী বউমাকে আশ্বস্ত করে, —তোশক, বালিশ নামিয়ে আনেন। কেন যে এত ভুল, কেন যে এত অগোছালোপনা সে কথা কল্যাণবাবু মাঝে মাঝেই ভাবেন। কেন না তিনি জিজ্ঞাসু মানুষ। প্রশ্নহীন নিরুত্তর টাইপের তিনি নন। কেন মেয়েটি এত আনমনা হয়ে থাকে? আরতি যখন বেঁচেছিলেন, তখন এটা ছিল কি না তিনি খেয়াল করেননি। কিন্তু আরতির আড়ালটা সরে যেতেই এই ভুলোমনের মেয়ে বেরিয়ে পড়ল।

    অনেকদিন ধরে লক্ষ করে করে, ভেবেচিন্তে শেষে একদিন বউমাকে ডাকলেন তিনি। সন্ধেবেলা। বাড়িতে আর কেউ নেই। ছেলে তো ফিরে কোনওমতে কিছু গলাধঃকরণ করেই তার ব্রিজ-ক্লাবে চলে যায়। ঝুম্পা-মাম্পি হয় পড়তে গেছে, নয় গানটানের স্কুলে গেছে। কবে যে ওদের গান, আর কবে যে ওদের ছবি আঁকা, তিনি হিসেব রাখতে পারেন না। আর ছোট ছেলে কোনওদিনই আটটার আগে ফেরে না। ডাকতে মল্লিকা এসে বলল, এক কাপ কফি খাবেন, বাবা?

    —কেন? তোমার খেতে ইচ্ছে হয়েছে? সঙ্গী চাই?

    —তাই বলছি না কি? ও মা! —লজ্জা পেয়ে যায় মল্লিকা।

    —বললে হয়েছেটা কী? তোমার এক কাপ সান্ধ্য-কফির আকাঙক্ষা হতে পারে না?

    —তা নয়।

    —তাই-ই। ভাব শ্বশুর-ব্যাটা নিজেরটি ছাড়া আর কিছু বোঝে না।

    —এ মা! ছি ছি!

    —ছি ছি বললে কী হবে, আজ অবধি তো তোমাকে স্বীকার করতে দেখলুম না যে তোমার শ্বশুর হল— শ্বশুর উইথ এ ডিফারেন্স। —একটু তরল হলেন কল্যাণবাবু।

    —এ মা। আমি আপনাকে বাবা বলে ডাকি, বাবাই ভাবি।

    —তা হলে তোমার মন কেন এত খারাপ সে কথা তো বলছ না!

    —মনখারাপ? কে বললে? —মল্লিকা আকাশ থেকে পড়ল।

    —মন খারাপ নয়?

    —না তো!

    —তা হলে এমন উদাস দেখি কেন? সব ভুলে ভুলে যাও। সংসারে মন দেখি না কেন মা? ভাল লাগে না?

    —ব্যস। অমনি মল্লিকার চোখ ছলছল।

    —আমি একেবারে অপদার্থ, বাবা, এবার থেকে চেষ্টা করব।

    —শোনো, কল্যাণবাবু উঠে বসলেন—তুমি আমাকে ভুল বুঝলে। আমি কিন্তু তোমার বিচার করছি না। সেনসার নয় এটা। একেবারেই নয়। সবাইকার সব কিছু ভাল লাগে না, এটা ফ্যাক্ট। আমি জাস্ট জানতে চাইছি। না ভাল লাগে তো আর একটা লোক রেখে দাও। —দৈনন্দিন কাজগুলো সত্যিই বড় ক্লান্তিকর।

    মল্লিকা বলল, আরও একটা লোক? তা হলে আমি কী করব? আর তো কিছু করতে শিখিনি!

    —বেশ তো! খেদ থাকে তো কিছু শেখো না!

    —এই বয়সে?

    —শেখার আবার বয়স আছে না কি?

    —না বাবা, আমার কিছু শিখতেটিখতে ইচ্ছে করে না। একটু বেরোতে পারলে অনেক সময়ে ভাল লাগে। কিন্তু সে তো আপনার ছেলের সময় হয় না।

    —নিখিল তো প্রায়ই থিয়েটার-টার যাবার জন্য সাধাসাধি করে?

    উত্তরে মল্লিকা বলল, বাবা, ওর এবার বিয়ে দিন না!

    কল্যাণবাবু হেসে বললেন, তাতে নিখিলের সমস্যার সমাধান হবে, তোমার সমস্যার হবে কি?

    —হবে! ঠিক হবে। —নিখিলের বিয়ের জন্যে মল্লিকা এমন ধরে পড়েছিল, যে পরদিন থেকেই উঠে-পড়ে লাগতে হল তাঁকে।

     

    আরও দেখুন
    অনলাইনে বই
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বইয়ের তালিকা
    PDF বই
    নতুন বই
    স্বাস্থ্য টিপস
    বইয়ের

     

    কল্যাণবাবুর কোনও ছেলেই খুব একটা কিছু নয়। বিমান অধ্যবসায়ী, বাজে খেয়াল এক তাস ছাড়া আর কিছু নেই। তাসের নেশাটা অবশ্য সে পেয়েছে বাবার কাছ থেকেই। কল্যাণবাবু একসময়ে চুটিয়ে ব্রিজ খেলেছেন এবং বহু পুরস্কার জিতেছেন, তারপরে একটা সময় এল যখন তাস তাঁর একেবারে বিষ লাগতে থাকল। একদম ছেড়ে দিলেন। ক্লাবের আড্ডার বন্ধুরা বলতে লাগল— কী হে কল্যাণ সন্ন্যাসী হয়ে যাবে না কি? তাসের নেশা যার ছোটে তার বউ-বাচ্চা ঘর-সংসারের নেশাও ছুটে গেছে, কিংবা ছুটল বলে। তাদের ভবিষ্যদ্বাণী ব্যর্থ করে দিয়ে কল্যাণবাবু দিব্যি অফিস-বাড়ি, বাড়ি-অফিস করতে লাগলেন। গৃহিণীর সঙ্গে সিনেমা-থিয়েটার করতে লাগলেন, বড় ছেলেটিকে সাধ্যমতো মাজাঘষা করতে থাকলেন, ছোটটি গোঁয়ার। তাঁকে এড়িয়ে গেল। এবং এইসময় থেকেই কল্যাণবাবু টুকটাক পথশিশুদের পড়ানো, ব্লাইন্ড-স্কুলে গল্পের ছলে বিজ্ঞান—এইসব করতে লাগলেন। তাঁর ধারণা সব ভারতীয়রই ব্যক্তিগতভাবে দেশের মানুষের জন্য কিছু করা উচিত। কেননা এখানে রাজনীতি বলতে যা আছে তা হল আত্মনীতি লুঠেরা নীতি। সরকার একটা জ্ঞানপাপী অকর্মা। গোষ্ঠীর ভাঁড়ার ভর্তি করার উদ্দেশ্য নিয়ে চলে। কবে যে বিমান বাবার ক্লাবে ঢুকে গেছে, শূন্যস্থান পূরণ করে ফেলেছে তিনি জানতেনও না। এক তাসুড়ে বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে সে-ই বলল —‘তোমার ছেলে যে কার্লবার্টসন-ফন্‌ ব্রিজতত্ত্ব সব গুলে খেয়েছে হে!’ তা খেলুক। শুধু সময় কাটাতে তো খেলছে না। বুদ্ধির চর্চা করতেই খেলছে। তবু তাসের নেশায় সংসারকে যে সে খানিকটা অবহেলাই করে এটা তাঁর ভাল লাগে না। মেয়েদু’টিকে গোড়ার দিকে নতুন নতুন উৎসাহ-উদ্দীপনায় খুব দেখাশোনা করত। এই বেড়াতে নিয়ে যাচ্ছে। এই গল্পের বই কিনে দিচ্ছে। এই এনসাইক্লোপিডিয়ার পুরো সেট এনে ফেলল। এখন উৎসাহে ভাটা পড়ে গেছে। এক ধরনের লোক আছে মুড়ির মতো, একটু হাওয়া লাগল কি না লাগল মিইয়ে যায়। এখন নাতনিদের তিনি খানিকটা দেখেন। বাকিটা কোচিং। তবে এক বছর অন্তর এল.টি.সি-র দরুন পুরো পরিবার নিয়ে বেড়াতে যাওয়াটা বড় ছেলে নিষ্ঠার সঙ্গে করে আসছে। এসব সময়ে মল্লিকাকে খানিকটা সজীব, খুশি খুশি লাগে। এটাই তা হলে ওর আসল সমস্যা! একাকিত্ব! দুই মেয়ের বাপ হওয়া ছেলেকে কি আর বলা যায় বউয়ের দিকে একটু মন দাও বাবাজীবন! কিন্তু কথাটা তাঁর বলতে ইচ্ছে করে। অনেক কষ্ট করে— আত্মসংবরণ করেন। স্ত্রীর প্রতি মনোযোগের অভাব তাঁর তো কোনওদিন হয়নি! তাঁর স্ত্রী বলতেন—সংসার সুখের হয় পুরুষের গুণে।

     

    আরও দেখুন
    গল্প, কবিতা
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    লেখকের বই
    ডিজিটাল বই
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    অনলাইনে বই
    গ্রন্থাগার
    বাংলা হস্তলিপি কুইল

     

    নারীভাগ্য ভাল হলে পুরুষের দু’ রকম প্রতিক্রিয়া হতে পারে। একটা হল মেয়েদের পড়ে-পাওয়া বলে গণ্য করা। বিমানের মা সুদক্ষ, কর্তব্যপরায়ণ, স্নেহশীল ছিলেন। —স্ত্রী, রূপসী, লেখাপড়া জানে, অনুগত, সে-ও স্নেহশীল ও কর্তব্যপরায়ণ, ফলে বিমানবাবু ধরেই নিয়েছেন মায়েরা ও স্ত্রীয়েরা এইরকমটাই হয়ে থাকে। হওয়া উচিত। সুতরাং তাদের জন্য আলাদা করে কোনও ভাবনা-চিন্তা খাতির-খয়রাত করবার দরকার নেই। মেয়েমাত্রই এইরকম হয়। ঝুম্পা-মাম্পিও বাবার দেখাশোনা আদর যত্ন ছাড়াই এমনটাই হয়ে উঠবে। বিমান তাদের বিশেষ আদর দিক বা না দিক তারা বাবাকে ঠিকই যত্নআত্তি, সেবাশুশ্রূষা করবে। কল্যাণবাবুর এটা ভাল লাগে না। তাঁর ক্ষেত্রে প্রতিক্রিয়াটা হয়েছে দ্বিতীয় রকম। মেয়েদের প্রতি তাঁর অগাধ শ্রদ্ধা এবং করুণা। কোনও মেয়েকেই তিনি ঠিক ‘খারাপ’ ভাবতে পারেন না। কেউ যদি নিজেকে ‘মন্দ’ প্রমাণ করে তা হলে সেটা হল ঘটনাচক্র। এমনটাই তাঁর থিয়োরি।

    তবু বিমান কিছুটা তাঁর আয়ত্তের মধ্যে। কিন্তু নিখিলকে তিনি ততটা ঘনিষ্ঠভাবে জানেন না। একটু বড় হতে না-হতেই তার বিশাল নিজস্ব বন্ধুবাহিনী হয়ে গেল। লেখাপড়ার জন্যেও সে কখনও বাপের ধার ধারেনি। সবই বন্ধুদের পরামর্শে ও সাহায্যে। বেসরকারি অফিসে এগজিকিউটিভ পদে প্রতিষ্ঠিত হতে তার একটু সময় লাগছিল। বিমানের যে বয়সে বিয়ে দিয়েছিলেন, নিখিলের সে বয়সটা পার হয়ে গেল। তারপর স্ত্রীর মৃত্যুতে তিনি খানিকটা দমেও গিয়েছিলেন। বড় বউমার ব্যস্ততায় তিনি নিখিলকে ডেকে পাঠালেন। উঠতে-বসতে তাঁকে তাড়া দিচ্ছিল মল্লিকা।।

     

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার
    Books
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বইয়ের
    গল্প, কবিতা
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ

     

    —তোমার এবার বিয়ের একটা ব্যবস্থা করতে হয়। নিজের কেউ পছন্দটছন্দ আছে।

    —না।

    —তা হলে কি আমরা দেখব?

    —হ্যাঁ।

    —দেখে প্রাথমিকভাবে পছন্দ হলে তোমাকে বলব দেখে আসতে, না কী?

    —হ্যাঁ।

    —কোনও বিশেষ চাহিদা আছে তোমার?

    —না।

    একাক্ষরী এইমতো উত্তরে কল্যাণবাবু আরও দমে গেলেন। কিন্ত দু-চারটি পাত্রীকে ছেলে অপছন্দ করায় বুঝলেন— না, যতটা উদাসীন ভেবেছিলেন, বাবাজি ততটা নয়। শেয়ানা আছে।

    জিনাকে প্রথমে তিনি আর মল্লিকা দেখতে গিয়ে ভীষণ পছন্দ করে এসেছিলেন। নিখিলেরও পছন্দ হল।

    মেয়েটি মল্লিকার ঠিক উলটো। পরিপূরক যাকে বলে। কল্যাণবাবুর ঘর হাসিতে খুশিতে ভরে উঠল। সবাইকার সঙ্গেই জিনার বন্ধুত্ব। ঝুম্পা-মাম্পি তার ডান হাত বাঁ হাত। একের নম্বরের বন্ধু মল্লিকা। বিমানকেও সে রেয়াত করে না। ‘বটঠাকুর’ বলে ডাকতে শুরু করে তাকে হাসিয়ে ছাড়ল। বিমান বলল ‘দোহাই বউমা সাপ, ব্যাঙ, ইঁদুর, বাঁদর যা খুশি বলো আমাকে, ওই বটঠাকুরটি বলো না’।

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    রেসিপি বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বই ডাউনলোড
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    Library
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বাংলা সাহিত্য

     

    —আপনিও তা হলে বউমা বলবেন না। আর ঘোমটা দিয়ে থাকবেন না। একটু সকাল সকাল বাড়িও আসবেন, কেননা আমার ঠিক ন’টায় খিদে পায়। আর… বিমান বলল, তোমার এই শর্তাবলির কি কোনও ল্যাজামুড়ো আছে? না এ চলবেই?

    মল্লিকা তো আত্মসমর্পণ করে বসেই আছে। ইগো বলতে মেয়েটার কিছু নেই। কিন্তু জিনার স্বাভাবিক কাণ্ডজ্ঞান দেখে তিনি চমৎকৃত হলেন। এত সহজে সে দিদিভাইকে ওপরে বসাল অথচ তাকে সব কিছুতে সাহায্য করে সংসারে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে দিল যে তার মুনশিয়ানার বাহবা দিতেই হয়। একদিন দেখলেন, বিমান দুই বউমাকে নিয়ে থিয়েটার যাচ্ছে, একদিন কোনও মিউজিক কনফারেন্সে গেল। কল্যাণবাবুকে নিয়েও সে যথেষ্ট টানাটানি করে। কিন্তু তিনি জানেন, বেশি বাড়াবাড়ি ভাল নয়। জিনার ব্যবহারে লোক দেখানো কিছু নেই, এ বিষয়ে তিনি আঠারোআনা নিশ্চিত। কেননা তার দমদমের বাপের বাড়ি একটা নামকরা হুল্লোড়ে বাড়ি। গিয়ে দেখেছেন, মানুষগুলি কতকগুলো নিয়ম মেনে নিজেদের বেশ একত্রে ধরে রেখেছেন। জিনার জ্যাঠামশাই খুব জমাটি লোক। বলেন— বুঝলেন দাদা, আমাদের পিতৃদেবটি ছিলেন বিশেষ শেয়ানা, না হলে পাঁচটি পুত্তুর একেবারে এক পদের হয়? ভাবতে পারেন পাঁচটি ভাই-ই আমরা ইন্দিরা গান্ধীর ন্যাশন্যালাইজেশনের সুফল পেলুম একেবারে নিক্তি মেপে? বড় দু’জন আমরা অয়েলে, ছোট তিনটি ব্যাংকে। দুটি বোন, কেউ কারও চেয়ে কম বুঁচি নয়। ঈশ্বর এবং পিতৃদেব উভয়ে ষড়যন্ত্র করে যদি একান্ন পীঠের আইডিয়্যাল কনস্টিট্যুশন তৈরি করে থাকেন তো একটা প্রমোদ বা একটা প্রবীর নাগের বা তাদের নাগিনীদের সাধ্য কী তা নাকচ করে?

    জিনার জেঠিমা-ও খুব রসিক মানুষ। তিনি বললেন—শুধু তাই না কি? জানেন দাদা, আমার আর মেজর বিয়ে হয়ে গেছে, সেজর জন্যে কত অপ্সরী, বিদ্যাধরী আসছে। কে কলেজ লেকচারার, কে ডক্টরেট, কে ডাবলু বি. এস. এস, কে দুধেআলতা, কে বা তপ্তকাঞ্চন, ইনি ঘটককে কী বললেন জানেন? —উহুঁ, এসব চলবে না। ঘটক বললে—পাত্রী খারাপ হল? কত খুঁজেপেতে আনলুম। তা ইনি বললেন—পাত্রী সব সোনার চাঁদ। রাজরানি হোক। সে কথা নয়, আমার আর আমার মেজভাইয়ের পত্নী উভয়েই খেঁদিবুঁচি, কোনওমতে পাস। তা সেজভাইয়ের কি বউদিদিদের মনে দুঃখু দিয়ে অপ্সরী বিদুষী বিয়ে করা উচিত? ভাল করে দেখে শুনে পাঁচাপাঁচি আনুন। পাঁচাপাঁচি আনুন।

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাইশে শ্রাবণ
    বাংলা ই-বুক রিডার
    অনলাইনে বই
    বইয়ের তালিকা
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ

     

    সেই বাড়ির মেয়ে হয়ে লঘিষ্ঠ সাধারণ গুণিতকের ম্যাজিক তাঁর ছোট বউমা আয়ত্ত করেই এসেছে। তার ওপরে, সে কোনওদিক দিয়ে সত্যি সত্যি লঘিষ্ঠ নয়। গুণের সঙ্গে যদি কাণ্ডজ্ঞান ঠিক পরিমাণে মেশে তা হলে একটা জিনা তৈরি হয়। কল্যাণবাবু বড় বউমাকে ভালবাসেন। ভালবাসার সঙ্গে একটু করুণা, মমতা মিশে থাকে। কিন্তু ছোট বউমাকে তিনি বেশ অ্যাডমায়ার করেন, গর্ব করার কারণ খুঁজে পান। তবে তিনিও খুব কাণ্ডজ্ঞানসম্পন্ন, বিবেচক মানুষ, মনের কোনও ভাবই কখনও মুখে প্রকাশ করেন না। আরতি থাকলে হয়তো কোনও দাম্পত্য আলাপের দুর্বল মুহূর্তে বলে ফেলতেন। কিন্তু সে-পরিস্থিতি না থাকায় তাঁর ব্যবহারে বিচক্ষণতা, সমদর্শিতা, প্রসন্ন সহযোগিতা ছাড়া আর কিছু খুঁজে পাওয়া শক্ত।

    তবু যে, ছোট পুত্রের বিয়ের বছর দুইয়ের মধ্যে বাড়ি ভাগ করতে হল, তার জন্যে কল্যাণবাবু পুত্রবধূদের দায়ী করেন না। সমস্তটাই তাঁর গোঁয়ার, দুর্মুখ ছোট পুত্রেরই কীর্তি। এখানে আর দ্বিতীয় কোনও পক্ষ নেই। একটা সুখী পরিবারের মধ্যে থেকেও বেয়াড়া সন্তান বেরোতে পারে দেখা যাচ্ছে। চমৎকার শান্তি আর আনন্দের পরিবেশ ছিল। নিখিল চন্দরের সেটা পছন্দ হল না। তার বউ যে সবার বন্ধু হবে, সবার সঙ্গে হেসেখেলে থাকবে এটা তার চক্ষুশূল হল। সে জিনাকে তার একার সম্পত্তি করে রেখে দিতে চায়। এমন অশান্তি, অভদ্রতা শুরু করল যে বিরক্ত হয়ে তিনি বাড়ি ভাগ করে দিলেন। তাঁর ঘরটা পড়েছিল জিনাদের অংশে। ছেড়ে চলে আসছিলেন। ছোট বউমাই কেঁদে কেটে আটকাল। পুরো ব্যাপারটা তাঁর অত্যন্ত অরুচিকর ঠেকেছে। অরুচিকর এবং অপ্রয়োজনীয়। সন্দেহ নেই, অন্যদেরও তাঁরই মনোভাব। ঝুম্পা-মাম্পির স্বতঃস্ফূর্ততা কমে গেছে। তারা আর কাকিমার অ্যাসিস্ট্যান্ট হবার উচ্চাকাঙ্ক্ষা পোষণ করছে বলে মনে হয় না, বিমান আবার নিজের অ্যালফা-বিটা ক্লাবে ফিরে গেছে, মল্লিকা একা। জিনা আরও একা। কেননা, আশ্চর্যের বিষয়, নিখিল জিনাকে যৌথ পরিবার থেকে ছিঁড়ে আলাদা করে ফেললেও, খুব যে বউকে সময় দেয়, এমন মনে হয় না। আগে ফিরত নটা, এখন দশটা, কখনও কখনও এগারোটাও হয়ে যায়। আগেও জিনাকে নিয়ে মাঝে মাঝেই বেরোত, এখনও বেরোয়, নতুনের মধ্যে, বাড়িতে বন্ধুবান্ধবদের খুব ডাকে। এবং বছর পাঁচ-ছয় হয়ে গেল ওদের কোনও বাচ্চাকাচ্চা হয়নি। অর্থাৎ ‘ম্যান প্রপোজেস গড ডিসপোজেস’ বলে আপ্তবাক্যটির যে আধুনিক পাঠ তৈরি হয়েছে ‘ম্যান প্রপোজেস, উয়োম্যান ডিসপোজেস’ বলে, তার একটি আধুনিকতর ও বিশেষ পাঠ তৈরি হতে দেখলেন কল্যাণবাবু! ‘ওয়ান ম্যান প্রপোজেস, অ্যানাদার ম্যান ডিসপোজেস।’ অবশ্য তাঁর কোনও কৃতিত্ব কোনওদিনই সেভাবে ছিল না। পরিবারটা তাঁর আপনা থেকেই হয়ে উঠছিল। তাঁর ভূমিকাটা ছিল শুধু তাকে রক্ষা করবার। সে ভূমিকা তিনি পালন করেছেন। সবাইকে যথাযোগ্য মর্যাদা দিয়েছেন। কোনও জায়গাতেই কঠোর কর্তৃত্ব ফলাতে যাননি। তাঁরই ছোট পুত্র যে সেই সংসারকে সম্পূর্ণ বিনা কারণে এভাবে দু টুকরো করে দেবে, দিতে পারবে, এ তিনি কখনও ভাবেননি। হ্যাঁ, কোনও না কোনওদিন হয়তো দরকার পড়ত। দুই ভাই যখন। তখন ভবিষ্যৎ হাঙ্গামা এড়াতে তিনি নিজেই হয়তো দুজনের অংশ আলাদা করে নির্দেশ করে দিয়ে যেতেন। কিন্তু নিখিল যা করল, তার কোনও মানে হয় না। সেই নিখিল তাঁর আঙুল ধরে হেদুয়ায় বেড়াতে যেত। সেখানেই সাঁতার শিখল বেশ ছোট বয়সেই। তিনি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তার ডাইভ খাওয়া না দেখলে বাবুর রাগ হত। আর ঠাকুর দেখতে যাওয়া? ওরে বাবা! ‘ও বাবা, ফায়ার ব্রিগেড হয়নি।’ ‘ও বাবা মহম্মদ আলি পার্কে রাত্তিরবেলায় নিয়ে চলো।’ ‘ও বাবা কাল সাউথে নিয়ে যেতে হবে!’ কত বায়না! কবে থেকে, কখন থেকে, কেন যে বাপের সঙ্গে তার অসম্পর্ক তৈরি হল তিনি ভেবে পান না। বড় হয়ে গেলে ছেলেরা আর বাপের কাছে ঘেঁষে না, তাদের নিজের নিজের মতো চলতে দেওয়াই ভাল, এটা তিনি মানেন। এমন সেন্টিমেন্টাল লোক নন যে কথায় কথায় অভিমান করবেন। কিন্তু নিখিলের আচরণটা তাঁর হিসেবে মেলে না। জিভের ভেতর একটা বাজে কষা মতো স্বাদ বরাবরের জন্যে রেখে দিয়ে গেছে যেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমোহানা – বাণী বসু
    Next Article খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    যখন চাঁদ এবং – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026
    Our Picks

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }