Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প214 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    চুলের আমি চুলের তুমি

    —চুল তুমি কার?

    —আগে ছিলাম মাথার, এখন মাটির।

    পার্লারের মেঝেয় ছড়িয়ে থাকা অসহায় চুলের গোছাগুলোর দিকে চেয়ে জিনার বুক ঠেলে কান্না এল। সে বলল, প্লিজ, চুলগুলো আমাকে দিয়ে দিন।

    —আগে বলবেন তো! মেঝেতে পড়ল! ঠিক আছে ওয়াশ করে দিচ্ছি।

    গোছা করে চুলগুলো সযত্নে তুলল মেয়েটি। এলোমেলোগুলো বাদ দিয়ে দিল, তারপর শ্যাম্পু লাগিয়ে চড়া জলের ধারার তলায় ধুয়ে, ড্রায়ার দিয়ে শুকিয়ে, রাবার ব্যান্ড আটকে ওর হাতে তুলে দিল। বলল, এত মন খারাপ তো কাটলেন কেন ম্যাডাম? আমাদের ব্যবসা, আমরা তো বলবই চুল কাটুন, ডাই করুন, ব্লিচ করুন…

    জিনা হাসল, বলল, স্বীকার করছেন তা হলে!

    মেয়েটি বলল, দুপুরবেলা, আর কাস্টমার নেই, আমাদের ম্যাডামও লাঞ্চে গেছেন তাই বলে ফেললাম। সাহেবের শখ, না?

    জিনা চমকে উঠল, এ কথা কেন মনে হল আপনার?

    —বা! সাহেবের শখেই তো বেশির ভাগ কাস্টমার চুল কাটে। আপনার মতো এমন সুন্দর ন্যাচারাল ওয়েভঅলা চুল যাদের, তারা বড় জোর একটু শেপ করে নিতে ভালবাসেন। আমাদের এমন কাস্টমারও আছে, জানেন, হাঁটু ছাড়িয়ে ঘন চুল। পার্লারে এসে শ্যাম্পু করাতে হয় এত। কিছুতেই চুল কাটবে না। চুল কাটে কারা? বয়স হয়েছে, চুল কমে বিশ্রী হয়ে গেছে, কী করলে ভাল লাগবে বুঝতে পারছে না… আপনার বয়সে আপনার মতো চুলে…ওসব সাহেবদের শখ।

    জিনার হঠাৎ একটু স্বস্তি বোধ হল। যাক বাবা, আর পাঁচজনেরও তার মতো বর আছে। সে একলাই দুখিনী নয়।

    টাকা মিটিয়ে সে একটা রিকশা নিয়ে বাড়ি চলে এল। বর্ষার আকাশ থমথম করছে। যে কোনও মুহূর্তে ঢালতে পারে। ভিজে স্যাঁতসেঁতে দিন। চাবি দিয়ে নিঃশব্দে দরজাটা খুলল সে। দরজার কপাট, ভেতরের দেয়াল, পিয়ানো-রিড সিঁড়ি সব তার দিকে হাঁ করে তাকিয়ে আছে। চিনতে পারছে না। ‘কে তুমি রঙ্গিণী, আগে তো দেখিনি’ গোছের ভাব। নিজের বাড়িতেই জিনা চোরের মতো পা টিপে টিপে চলাফেরা করছে। বাবা যদি উঠে পড়েন! এই সময়টায় উনি ওঁর আরামচেয়ারে পড়তে পড়তে টুক করে একটু ঘুমিয়ে পড়েন। পাতলা একটা ফুরফুরে নাক ডাকার শব্দে উঁকি মেরে সে দেখেছে দৃশ্যটা। কিন্তু খুব পাতলা ঘুম। এক্কেবারে বোনচায়নার মতো ভঙ্গুর। নিজের নাকের ডাকেই ভেঙে যায়। চুপচাপ নিজের ঘরে গিয়ে সোজা বাথরুমে ঢুকে গেল সে। বাথটবে জল ভরল, ও ডি কলোন দিল। তারপর পা খালি করে আস্তে আস্তে ছলাত ছলাত। এই ব্যাটা বাথটবই যত নষ্টের গোড়া।

     

     

    বাবু বাথটব বসালেন, একসঙ্গে নাকি চান করবেন। এমা! ঠিক আছে বাবা তাই তা-ই। আয়না বসিয়েছে একখানা মানুষ-মাপের। টব থেকে উঠে তাকে যে এড়িয়ে যাবে তার উপায় নেই। একটা লেসের ঢাকা দিয়ে তাকে মোটামুটি ঘোমটা দিয়ে রাখা গেছে। তা এই টবে যুগল-স্নান করতে করতে গোছাসুদ্ধু তার চুলগুলো ধরে একদিন মারল এক টান। এই বাথটবে এরকম চুল মানাচ্ছে না যা-ই বলো! কেমন ঠাকুর ঠাকুর লাগছে। এখানে ঠাকুর নয়, মেমসাহেব দরকার। চুলগুলো কেটে ফেলো।

    মানে? ভেরি অবজেকশনেব্‌ল্‌! তোমার বাথটবের সঙ্গে ম্যাচ করার জন্যে আমার চুল কাটতে হবে? সাব্বাস, কোনওদিন বলবে তোমার মুন্ডুটা বেডরুমের সঙ্গে যাচ্ছে না, তখন কি মুন্ডুটাও ঘ্যাঁচ করে…

    —ঠিক আছে, আর বলব না। আমার ভাল লাগা না-লাগায় তোমার যদি কিছু এসে না যায়, কী আর করা যাবে!

    অভিমান? বাব্বাঃ, নতুন জিনিস! জিনার গায়ে পুলক লাগে। গ্যাটম্যাট রাগ নয়, লাল-চোখ আদেশ নয়, মুখ-কুঁচকোনো ঘেন্না বা তাচ্ছিল্য নয়। তার বরের অভিমান হয়েছে। পুরনো ইয়ার্কিবিলাসী মন তাকে সুড়সুড়ি দেয়, সে মিটিমিটি হেসে ঠোঁট ফুলিয়ে বলে—আমার ভাল লাগা না-লাগাতেও তো তোমার কিচ্ছু যায় আসে না। দাও না বাবা তোমার নেয়াপাতিটুকু স্লাইস করে কেটে। ভুঁড়িতে সে আচ্ছা করে কাতুকুতু দেয়।

     

     

    এই কী হচ্ছে? কী হচ্ছে? নিখিল হাসতে হাসতে কেশে ফেলে। জলে খানিকটা খাবি খায়। জল গিলে ফেলে। জিনা বাথরোব গায়ে জড়িয়ে লম্বা লম্বা পা ফেলে পগার পার।

    কিন্তু রোজ যদি একই ঘ্যানঘ্যান করে? ভাল লাগে? বিনুনি করা কি হাতখোঁপা করা বাঙালি মেয়ে রান্নাঘরে মানায়, ক্লাবে মানায় না। কেমন ভেতো ভেতো লাগে, কিছু না হোক চুলগুলো সোজা করে খুলে রাখো।

    —আমার হালকা চুল বাবা, উড়বে, এলোমেলো হয়ে যাবে, চুল খুলে রাখলে আমার ভীষণ অস্বস্তি হয়। কেন? তোমাদের ওই মিসেস শিবদাসানি তো আমার খোঁপার কত প্রশংসা করলেন।

    —বোঝে না। ওটা প্রশংসা নয়।

    —ব্যাজস্তুতি?

    —ইয়েস।

     

     

    —জিনা কষে সাবানের ফেনা তোলে, বিজ্ঞাপনের মেয়েদের মতো। আয়নায় নিজের চেহারা দেখে। নতুন জিনা আড়চোখে তার দিকে তাকিয়ে মুখ ভ্যাংচায়, বলে—তুই আর তুই নেই।

    কত লোকেই তো চুল কাটে। ভালও দেখায়, নতুন দেখায়। নিজেকে নতুনরূপে দেখবার জন্যেই তো এত কাণ্ড! জিনার একারই কেন এমন স্যামসনের মতো অবস্থা! মাথাটা হালকা লাগছে, মান মর্যাদা গরিমা সব কিছুই কেন হালকা লাগছে? বাইবেলে গল্প আছে স্যামসনের চুল কাটলে শক্তি কমে যেত। তারও নিজেকে কেমন বলহীন, সত্যিকারের অবলা লাগছে। বিয়ের সময়ে শুনেছিল এই চুলই নাকি বিশেষ পছন্দ হয়েছিল নিখিলের। সে যখন খোলা চুলে পেছন ফিরে চলে যাচ্ছিল সেই দৃশ্য নাকি নিখিলের চোখে লেগে আছে, চিরকাল থাকবেও। জিনা এমনিতে নিজের কোনও বিশেষ অঙ্গের প্রশংসা শুনতে ভালবাসে না। তার কেমন অস্বস্তি হয়। কেউ যদি বলে—ইস জিনা তোর হাতগুলো কী সুন্দর!

    —দেখিস আবার, হাতগুলোকেই আমি ভেবে বসিস না।

     

     

    যখন ষোলো-সতেরো বছর বয়স কে এক বন্ধু হাঁ করে তার দিকে তাকিয়ে আছে।

    —কী রে, আমাকে দেখছিস?

    —তোর স্কিন দেখছি। কী মাখিস রে?

    —ব্রণ উঠলে ডাকব দেখে যাস—জিনা রাগ করে বলেছিল। এ এক অদ্ভুত বিদঘুটে ছেলেমানুষি, নিজের অঙ্গপ্রত্যঙ্গকেই নিজের প্রতিদ্বন্দ্বী ভাবা। কিন্তু নিখিল যখন প্রথম বিয়ের পর তার চুল নিয়ে আদিখ্যেতা করত, তার খারাপ লাগেনি। যেন গোড়ার থেকে জানাই ছিল, তার থেকে প্রায় বারো বছরের বড় এই লোকটা তাকে খণ্ডখণ্ডভাবে ছাড়া দেখতে পাবে না। হাত পা চুল চোখ নাক কান বুক—এ সবের ক্যালাইডোস্কোপ। কিন্তু সেই চুলই অমন নির্মমভাবে কেটে ফেলতে বলল? তার মানে কি ও খণ্ড থেকে শেষ পর্যন্ত জিনার সামগ্রিকতায় পৌঁছোল? নাকি সমগ্রকে দেখতে পেল না, আবার খণ্ডও গেল! এই জাতীয় কিছু অস্পষ্ট ভাবনা তার ভেতরে কাঁকরের মতো ফুটছিল। নতুন চুল আঁচড়াতে আঁচড়াতে তার মনে হচ্ছিল—এই খুশি করার কি কোনও শেষ নেই? ‘খুশি থাকো, আমার পানে চেয়ে চেয়ে খুশি থাকো’ এই তো ছিল তার নিজের মনোভাব। মানুষটা রাগী, জটিল, খেয়ালী, দাম্ভিক, আত্মকেন্দ্রিক। ঘটনাচক্রে যদি এমন মানুষের সঙ্গেই জড়িয়ে পড়তে হল তাকে, কুছ পরোয়া নেই, মতিঝিলের নাগিনী ওতে ঘাবড়ায় না। যাতে খুশি থাক, খুব অদেয় না হলে তাই-ই দিচ্ছি। বন্ধুদের আসরে যেতে হবে? ডাকতে হবে? বানাচ্ছি কাবাব, শিখে নিচ্ছি ককটেলের কায়দা। কিন্তু তাতেও শান্তি নেই। একদিন বাড়ি ফিরে নিখিলবাবুর ক্রুদ্ধ মন্তব্য— খুব যে। এবার কি ওই রণেনকে নিয়েই কাটবে না কি?

     

     

    রণেন ওর এক নম্বরের বন্ধু। তার বাড়িতেই সবচেয়ে জমাটি আসরগুলো বসে।

    —কাটতে হবে কেন? তোমার কি তা হলে ভাস্বতীকে নিয়ে কাটতে সুবিধে হয়?

    ভাস্বতী রণেনের স্ত্রী। তার সঙ্গে নিখিলের ফস্টিনস্টি খুব জমে। রেগে অগ্নিশর্মা হয়ে নিখিল বলল—মেরে মুখ ভেঙে দেব একেবারে।

    শুনে—জিনা হাঁ। নিজেকে চিমটি কেটে দেখে স্বপ্ন দেখছে কিনা। বলে কী রে লোকটা? সত্যি সত্যি মারবে না কি? তুমি ঢিল ছুড়েছ আমিও একটা ছোট্ট করে পাটকেল ছুড়ে দিয়েছি। এতে মারধরের কথা ওঠে কেন? নাগ-বাড়ির চৌহদ্দিতে কোনও মারধরের ব্যাপার নেই। জিনা যাকে বলে শক্‌ড্‌।

    আর কিছুতেই সে যাবে না। কোনও বন্ধুবান্ধবের জমায়েতে সে যাবে না তো!

    সাধাসাধি শুরু হল তখন।—প্রেসটিজ থাকছে না আমার। সব্বাই জিজ্ঞেস করছে তোর বউয়ের কী হল!

     

     

    —বলোগে বউ ফিউজ হয়ে গেছে।

    —ঠিক আছে বাবা, যত খুশি ঢলাঢলি করো, আর কিচ্ছু বলব না।

    —ঢলাঢলি? মানে? যাব না, আমি কিছুতেই যাব না।

    বললেই কি আর জেদ বজায় থাকে! বন্ধুরাই সস্ত্রীক এসে উপস্থিত হয়। টুকটাক রাঁধতেও হয়, বোতলও খুলতে হয়, হাসি-ঠাট্টাতেও যোগ দিতে হয়। কিন্তু সে প্রবলভাবে আত্মনিয়ন্ত্রণ জারি রাখে। তার স্বাভাবিক দমদম-সুলভ ফুর্তিবাজ স্মার্টনেসকে, তার বর লাস্যফাস্য ভেবে খেপে ষাঁড় না হয়ে যায়। খুশি থাকো বাবা, খুশি থাকো।

    কিন্তু এই সবটাই জিনার কাণ্ডজ্ঞান। তার আপসপ্রিয়তা, শান্তিপ্রিয়তা। এর চৌহদ্দিতে কোথাও ভয় নেই। নিখিলের বহু নির্দেশ সে পালন করে চলে। যেমন চায় তেমনই থাকে, সবই ঠিক, কিন্তু এ সবই তার অকৃপণ দান। সে ইচ্ছে করলেই না দিতে পারত। যেখানে দেবে না ঠিক করে, সেখানে সে অনায়াসে নিজের মতো চলে। যেমন, শ্বশুরমশাইকে সে তাঁর নিজের ঘর থেকে সরতে দেয়নি। তিনি বলেছিলেন আমি থাকলে তোমাদের ভাগে একটা ঘর কম পড়বে। শুধু ঘর কেন, শান্তির জন্য আমি আরও অনেক বেশি স্যাক্রিফাইস করতে পারি ছোট বউমা।

     

     

    মনে মনে জিনা বলেছিল—আমিও।

    কিন্তু কিছুতেই ওঁকে ঘর ছাড়তে দেয়নি। দিদিভাইদের পরিবারের সঙ্গে সে ঠিক আগেকার মতো সম্পর্ক বজায় রেখেছে। এখনও গিয়ে সে দিদিভাইয়ের ভাঁড়ার গুছিয়ে দিয়ে আসে। ঝুম্পা-মাম্পিকে গান শেখাতে বসে। এখনও দাদার সঙ্গে ইয়ার্কি মারে। ভাল কিছু রাঁধলেই বাটি করে ওদের দিয়ে আসে। নিয়েও আসে। একেবারে শতকরা শতভাগ সহজ স্বচ্ছন্দ, যেন মাঝখানে কোনও পাঁচিল নেই। তোমার প্রয়োজনে তুমি পাঁচিল তুলেছ তোলো, আমার কাছে ওর অস্তিত্ব নেই। তোমার রাগারাগি করে নিজের গুরুত্ব জাহির করতে ইচ্ছে হয় করো, আমি দমছি না। ডিজাইনার ড্রেস এনে দিয়েছ? পরলে ভাল দেখাচ্ছে না। এটা আমার বিচার, তোমার চোখের বিচার বলছে ভাল। ঠিক আছে বাড়িতে পরলাম, নিভৃতে। এই জর্জেট কাপড়ের নদীস্রোতের মতো ড্রেস পরে আমি কোনও পার্টিতে যাচ্ছি না। চুল কাটতে বলেছিলে, ঘ্যানঘ্যান করে কানের পোকা বার করে দিচ্ছিলে, ঠিক আছে চুলগুলোও আমার শান্তিপ্রিয়তার আর তোমার খুশি থাকার বেদিমূলে নামিয়ে রাখলাম। কিন্তু এটা আমার পক্ষে বড্ড বেশি, মানে টু মাচ হয়ে যাচ্ছে, হয়ে গেল, এত বেশি ইচ্ছার বিরুদ্ধে কাজ করলে একটা উলটো প্রতিক্রিয়া হয়। তুমি যদি একটা ভারী জিনিসকে ঘুসি মার, তোমার হাতে লাগবে, তখন তোমার মলম লাগবে। ব্যথাহারী মলম।

     

     

    জিনা ফোনটা তুলে নিল।

    —মুকুট? যাক বাবা ফিরেছিস। আমি জিনা বলছি বুঝতে পেরেছিস তো?

    —বুঝতে পারব না, এমন ধারণা তোর হল কী করে? কেন?

    —কী জানি বাবা, এক পৃথিবী লোকের সঙ্গে তোর ওঠা-বসা, গলা গুলিয়ে যাওয়া কোনও ব্যাপারই না।

    —লোক যতই এক পৃথিবী হোক, ছোটবেলার বন্ধুর গলা একটাই হয়। যাক, কেমন আছিস?

    —ভাল। শোন আমার দুপুরবেলা একদম সময় কাটে না। তুই কীসব সোশ্যাল ওয়ার্কটোয়ার্ক করিস, আমাকে একটু কাজে লাগা না।

    —তোকে? সোশ্যাল ওয়ার্ক?

     

     

    —কেন রে? আমি কি খুব আনসোশ্যাল, না কি অ্যানটিসোশ্যাল?

    হাসির শব্দ শোনা গেল—তুই একদম একরকম আছিস।

    —দু’রকম হবার চান্স আর পেলাম কই?

    —জিনা তুই তো অনেক আগেই স্কুলে-কলেজে চেষ্টা করতে পারতিস!

    —তোকে কি খুব বিপদে ফেললুম?

    —মানে?

    —যা আগে হয়ে গেছে, হতে পারত, সেসব নিয়ে কে ভাবে রে মুকুট? করিনি, করার ইচ্ছে হয়নি। এখনও করতে চাইব না। আমি একটু অন্য ধরনের কিছু চাইছি। পারিস যদি তো দেখ, তাড়া কিছু নেই।

     

     

    —জিনা ফোনটা রেখে দিল।

    সঙ্গে সঙ্গে বাজল ফোনটা। মুকুট।

    —কী রে? কী হয়েছে?

    —কই? কিছু হয়নি তো!

    —রাগ করলি কেন শুধু শুধু?

    —অনুরাগের ভাগটা আমার দিক থেকে বোধহয় একটু বেশি হয়ে যাচ্ছে। সব জায়গায়। জিনার চোখে জল আসছে। প্রাণপণে চাপল জল। গলায় আসতে দেওয়া হবে না। মুকুট বলল, কাল যাব। থাকবি তো?

    —কোথায় আর যাব?

    —ঠিক আছে। কাল কথা হবে।

    ফোনটা রেখে দিলে মুকুট বারান্দায় এসে বসল। বৃষ্টি নেমেছে। ঝমঝম করে না হলেও ঝিরঝিরেও বলা যায় না। একটু একটু ছাট এসে গায়ে লাগছে। এইভাবে বৃষ্টি গায়ে লাগলে খুব আরাম লাগে। চেয়ারের পিঠে মাথা হেলিয়ে রেখে বারান্দার গ্রিলে পাদুটো তুলে দিল সে। আজ মুকুট পৃথিবীর কাঁহা কাঁহা মুলুকে একলা একলা কাজ করছে। কত দায়িত্ব তার, কত গুরুত্ব। আর জিনা দুপুরে-কী-করবে-ভেবে-না-পাওয়া কর্মহীন অবলা। কিন্তু দমদমের যে স্কুলে পড়তে গিয়ে ওর সঙ্গে ভাব সেখানে ওদের ভূমিকা ঠিক উলটো ছিল। জিনা ঝকঝকে স্মার্ট করিৎকর্মা ক্লাস-মনিটর। আর মুকুট ভিন্ন স্কুল থেকে আসা ভ্যাবাচাকা একটা মোটাসোটা গোলগাপ্পা মেয়ে, যাকে সব্বাই মিলে উঠতে বসতে র‍্যাগিং করছে। বাবা তখন সবে কলকাতায় বদলি হয়েছেন। ওরা থাকে এয়ারপোর্টের কাছে। মুকুট ছিল ভীষণ লাজুক, নতুন স্কুলে তার একদম ছোট করে ছাঁটা চুল, ভালমানুষ ভালমানুষ গোল মুখ আর থতমত ভাব নিয়ে সবাই যত মজা পাচ্ছে, সে ততই গুটিয়ে যাচ্ছে। টিচাররা পর্যন্ত নিষ্ঠুরভাবে তাকে প্রশ্ন জিজ্ঞেস করছেন এবং সে বলতে পারছে না। জিনা তার প্রতি যে কী শুভ দৃষ্টি দিল, ঈশ্বর জানেন। তার মধ্যস্থতায় পুরো ক্লাসের সঙ্গে মুকুটের সম্পর্ক সহজ হয়ে গেল।

    জিনাদের সেই বিশাল বাড়ির কথা ভোলা যায় নাকি?

    —বাবা এয়ারলাইনস-এ কাজ করেন? ও মা। ও দিদি দেখো জিনুর বন্ধু এসেছে-এ। এইটুকু বয়সেই এগারোবার প্লেনে চড়েছে-এ। জিনার এক কাকিমা চেঁচিয়ে ঘোষণা করলেন—আমি একবারও চড়িনি—তারপরেই তাঁর খেদোক্তি। সঙ্গে সঙ্গে লুচি রাবড়ি আলুভাজা এসে গেল। জিনার যেসব দিদি দাদা ভাইরা বাড়ি ছিল, সব্বাই ভাব করে গেল। মুকুট-জিনার এই জুটি গ্র্যাজুয়েশন পর্যন্ত অটুট ছিল। তার পরেই দুজনের পথ আলাদা হয়ে গেল। জিনা রয়ে গেল—আশুতোষ বিল্ডিং-এ, মুকুট চলে গেল রাজাবাজার। তখনও যোগাযোগ ছিল, কিন্তু মুকুট ক্রমশই জড়িয়ে পড়ছিল তার কাজে। চলে গেল প্রথমেই থাইল্যান্ড। সেখান থেকে মালয়েশিয়া নরওয়ে কত দ্রুত কত কী শিখল। তারপর গেল স্টেটস। তার মামা গ্যারান্টর ছিলেন, আরও সুবিধে। মাঝখানে লন্ডনে কনফারেন্সে যোগ দিয়েছে। স্টকহোলমে গেছে। সত্যি সত্যিই বিপুল অভিজ্ঞতা নিয়ে দেশে ফিরেছে সে। জিনার বিয়ের সময়ে সে ছিল না। জিনা ফট করে বিয়ে বসে যাওয়ায় সে একটু অবাকই হয়েছিল। এমন নয় যে নিজে প্রেমট্রেম করে আহ্লাদে গলে গিয়ে জিনা বিয়েটা করছে। ঠিক এইরকম ব্যাপারটা মুকুটের বাড়িতে কেউ ভাবতে পারে না। গলদটা সম্ভবত জিনাদের বাড়ির মনোভাবে, পরিবেশে। ঋত্বিকের সেই ‘পরিবেশ’।

    অনেককাল পরে কালবৈশাখীর মেঘ ঝড়বৃষ্টির মাঝখানে জিনাকে দেখল সে। চেহারায় খুব একটা বদল হয়নি। চোখা ভাবটা একটু ভোঁতা হয়ে গেছে। মোটা না হলেও একটু ভরা ভরা। খুব খাওয়াল, অনেক হাসল, ফাজলামি করল। কিন্তু কেন যেন মুকুটের ওর বাড়ির পরিবেশ ভাল লাগেনি। এমনিতেই উত্তর কলকাতার পুরনো বড় বড় বাড়িগুলোর মধ্যে কেমন একটা প্রাচীনতা গুমোট বেঁধে থাকে। তার মধ্যে অবশ্য পরিবর্তন আনা হয়েছে। ঘরের মধ্যে ঘোরানো সিঁড়ি দোতলায় উঠে গেছে। খুব কায়দা। জিনিসপত্র অনেক। কিন্তু তার মনে হল এই জিনিসগুলোই যেন এখানে মানুষদের ব্যবহার করে। জিনাকে ব্যবহার করে। এই সূক্ষ্ম অনুভূতিগুলো ব্যাখ্যা করে বোঝানো যায় না।

    জিনার বরের সঙ্গে দেখা হয়নি। ছবি দেখল। বেশ নবকুমার নবকুমার চেহারা। মাংসল মুখ, চকচকে চুল। জিনার জা বললেন জিনাকে চক্ষে হারায় নাকি! ছ বছর বিয়ে হয়ে গেছে এখন জিনার একটা বাচ্চা হওয়ার কথা। প্রথম দিনেই এসব প্রশ্ন তো করা যায় না! যতই বন্ধু হোক! কিন্তু প্রশ্নটা তার মনে উঠেছে। দম্পতির উভয়েই চাকরি করলে, বাচ্চার জন্মটা অনেকেই পিছিয়ে দেয়। জিনার তো সেরকম কারণ নেই। এবং আজ যেভাবে ও কাজকর্ম চাইছে, দুপুর না কাটার কথা জানাচ্ছে, তাতে মুকুট প্রায় নিঃসন্দেহ বাচ্চা নিয়ে একটা কোনও সংকট এসেছে জিনার জীবনে।

    তার কাজকর্ম নিয়ে কেউ জিজ্ঞেস করলে মুকুট ভাসা ভাসা উত্তর দিয়ে থাকে। তার কারণ সে দেখেছে এই সোশ্যাল ওয়ার্ক ব্যাপারটা এখানে বেশির ভাগ লোকই বোঝে না। অনেকে মনে করে এটা ভ্যারেন্ডা ভাজা, ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো গোছের একটা ব্যাপার। অনেকে আবার ভাবে এটা একটা মহান কাজ। প্রচুর আত্মত্যাগ, স্বার্থত্যাগ আছে এর মধ্যে, আর বাকিরা ভাবে এটা একটা চালাকি। সোশ্যাল সার্ভিসের আড়ালে আবডালে অনেক কুকর্ম হচ্ছে, মুখোশের আড়ালে অনাচার। সবগুলোই হয়তো আংশিক সত্য, কিন্তু কোনওটাই যে পুরো সত্য নয়, এটা লোককে বোঝানো শক্ত। সোশ্যাল ওয়ার্ক যে রীতিমতো একটা উপার্জনের রাস্তা আজকাল, পেশাদারি দক্ষতার সঙ্গে উপযুক্ত ট্রেনিংপ্রাপ্ত কর্মীদের দিয়ে কাজটা চলে, এবং সেখানে আবেগতাড়িত নভেলি ব্যাপারস্যাপারের কোনও জায়গা যে নেই, সোশ্যাল ওয়ার্ক করা মানেই যে সন্ন্যাসী-সন্ন্যাসিনী হয়ে যাওয়ার দরকার হয় না—এসব আমজনতাকে বোঝানো শক্ত। তার অনেক আত্মীয়ই সভয়ে তাকে জিজ্ঞেস করে থাকেন—বন্যাত্রাণে যাস? ভয় করে না? আমেরিকার জায়গায় জায়গায় তো ফ্ল্যাশ-ফ্ল্যাড হয় বলে শুনেছি। ভয়াবহ টর্নেডো হয় পশ্চিমে। বাপরে সেখানে যেতে হয় তো! এরা ভাবে সোশ্যাল সার্ভিস মানেই প্রাকৃতিক দুর্ঘটনা ঘটলেই সেখানে ছুটে যাওয়া। যায়নি শুনে আবার অনেকের মুখে শ্লেষের হাসি খেলে যায়। ভাবটা—দিব্যি গা বাঁচিয়ে চলছ বাবা!

    এর পরে নিজের কাজের ক্ষেত্র নিয়ে কথা? ওরে বাবা! তা হলে আর দেখতে হবে না। তার অত আলোকপ্রাপ্ত বাবা মা? তাঁরাই কি খুব খুশি! ঋত্বিক বাচ্চাদের নিয়ে কাজ করছে শুনে দুজনেই নিশ্বাস ফেলে বেঁচেছে। —বুঝলি মুকু। তুইও আস্তে আস্তে ঋত্বিকের প্রজেক্টটাতে চলে যা। এটা অফ করে দে।

    —কেন বাবা?

    —না, বাবা ঢোঁক গেলে, ঋত্বিককে তো তোর সাহায্য করা দরকার।

    —সে তো করছিই। এর চেয়ে বেশি সাহায্য ওর লাগবে না, ব্যাস। আমার কাজটা আলাদা, আলাদাই থাকবে।

    মা বলবে, তোর সবেতেই বাড়াবাড়ি। কেন, দুজনে মিলে একটা কী সুন্দর প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবি, এটাই তো ভাল।

    মুকুট হেসে ফেলে। বলে—এটাও ভাল। ওটাও ভাল মা, বুঝলে তো? কিন্তু সবার চাইতে ভাল নিজের কাজ আর নিজের সুখ।

    এখন জিনা যে সোশ্যাল ওয়ার্ক করতে চাইছে সে ওই আত্মত্যাগের, সন্ন্যাসীর স্পেশ্যাল ওয়ার্ক নাকি স্রেফ ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানোর সোশ্যাল ওয়ার্ক? সেটাই কথা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমোহানা – বাণী বসু
    Next Article খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    যখন চাঁদ এবং – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }