Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প214 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    জিনার দিনকাল

    —জিনা-আ-, জিনা-আ—উগ্রমেজাজি চিৎকারটা মাঝের দরজা দিয়ে ঢুকে ফাটা বোমার ধোঁয়ার মতো ঘরে ঘরে ঢুকে যায়, সিঁড়ি দিয়ে হুড়মুড় করে নীচে নামতে থাকে। মাম্পি ঝুম্পার দিকে চায়, ঝুম্পা ছুটে বেরিয়ে যায়। তার হ্যান্ডলুমের কাফতান পায়ের ওপর কড়া ঝাপটা মারে। সিঁড়ির মুখে দাঁড়িয়ে ডাকে—কাকি-ই, ও কাকিমা! তারপর তরতর করে নীচে নেমে যায়, ঝংকার দিয়ে ওঠে—উঃ কাকিমা, ওদিকে যে পারা ক্রমে চড়ছে। শুনতে পাচ্ছ না! কতবার বলেছি না, কাকা থাকলে এদিকে আসবে না!

    জিনা ধীরেসুস্থে বেরিয়ে, হঠাৎ দুপদাপ করে সিঁড়ি ভাঙতে থাকল। পেছন ফিরে ফিক করে হেসে বলল—দেখেছিস? হনুমতী। চিলিম্পা।

    দরজা পার হবার সময়ে তার গতিবেগ প্রায় মেল-ট্রেনের সমান হয়ে যাচ্ছে দেখা গেল। ঝুম্পা তার মায়ের দিকে তাকিয়ে অর্ধেক-রাগ অর্ধেক-মজায় বলল, উঃ কাকিমাটা পারেও। তারপরে সুর পালটে বলল, রোজ রোজ ভাল লাগে না। তোমরা না…

    মল্লিকা বলল, আমি কিন্তু ওকে ডাকিনি। ও-ই চেতল মাছের গাদা নিয়ে এসে বসল। ছাড়িয়ে দাও। আমি কাঁটা ছাড়াতে পারি না, করিনি কখনও…।

    —আর সময় পায় না?

    —আহা মাছটা তো সকালেই আসে, তোর ওই কাকাই তো শখ করে এনেছে।

    হন্তদন্ত হয়ে জিনা ঘরে ঢুকতে তোয়ালে পরা নিখিল ফেটে পড়ে—আমি বলে অফিস বেরোচ্ছি, এখন তোমার গালগপ্পো মারবার সময়?

    —গালগল্পের চিতলমৎস্য কে এনেছে? কাঁটা ছাড়াচ্ছিলুম! কণ্টক!

    —গুষ্টির পিণ্ডি!

    —রাতে যখন পড়বে পাতে তখন বলো পিণ্ডি না মন্ডা!

     

     

    —আমার রুমাল?

    —এই তো।

    —গ্রে মোজা-জোড়া?

    —জুতোর সঙ্গে রেখেছি, নীচে।

    —শার্ট? প্যান্ট?

    —কী আশ্চর্য! এই তো সামনে রেখেছি, দেখতে পাচ্ছ না?

    —তুমি যা রাখবে তাই পরতে হবে? পিন-স্ট্রাইপটা দাও, সাদার ওপর নীল। ঝট করে আলমারি খুলে ফট করে ইপ্সিত শার্ট বার করে দেয় জিনা।

     

     

    —আর কিছু?

    —কেন? ও বাড়ির রান্নাঘরে মন পড়ে আছে নাকি দ্রৌপদী মহারানির।

    জিনা চুপচাপ দাঁড়িয়ে মিটিমিটি হাসে। আর কী-ই বা সে করতে পারে! কারও রাগী মেজাজের সামনে মুখে মুখে তর্ক করতে নেই, জবাব দিতে নেই। দমদমের বাড়িতে দেখেছে জেঠু রেগে তুলকালাম করলে জেঠিমা এক্কেবারে চুপ। আবার জেঠিমা রাগলে মা-কাকিমারা চুপ। এ ওর দিকে আড়ে আড়ে চায়। কেউ কান্না চাপছে, কেউ হাসি চাপছে। কিন্তু ভুলেও একটি কথা না।

    নিখিলবাবু শার্ট বদলালেন, তোয়ালের ভেতর দিয়ে প্যান্টফ্যান্ট গলালেন। একটু যে বে-আব্রু হলেন না তা নয়, সে সময়ে জিনা চট করে কড়িকাঠের দিকে চোখ ফেরাল। চুলে একবার ব্রাশ চালালেন। গরগর করে বললেন, টাইটা তো বউরাই বেঁধে দেয় জানি।

    —বউরা গলায় গামছা বাঁধে, আর নাকে দড়ি। টাইটা আজ নিজেই বাঁধতে হবে আজ্ঞে—সাতসকালের তুলকালামের জন্য জিনা তার বরকে এইটুকু দণ্ড বিধান করে।

     

     

    —ও—আয়নার দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে সটাসট টাইটা বেঁধে ফেলতে লাগলেন নিখিলচন্দ্র। বাঁধতে বাঁধতে মুরুব্বি স্টাইলে বললেন, ভাসুরঠাকুরের টিফিন তৈরি করার জন্যে তোমায় আনা হয়নি। শ্বশুরঠাকুরকে ফুলতুলসী দেবার জন্যেও না। আনা হয়েছে এই নিখিলচন্দ্রের জন্যে, নিখিলচন্দ্রের সুখসুবিধের জন্যে।

    জিনা বলল, যা বাব্বা, আমি তো ভেবেছিলুম আসছি আমার নিজেরই সুখসুবিধের জন্যে। কাটবার জন্যে বেশ ভারী একটা পকেট পাব, ঠোনা মারবার একটা গাল পাব, চাপবার একটা কান পাব, তেমন দরকার পড়লে ঘাড়টা মটকাতেও পারি—

    নিখিলচন্দ্রের মুখে একটু হাসি ফুটব ফুটব করেও শেষ পর্যন্ত ফুটল না। বললে, ও বাড়ির দরজাটা কি সিল করে দেব?

    —কেন জানতে পারি?

    —সেই কথায় আছে না, ভূতের ভয়ে উঠলাম গাছে, ভূত বলে তোরে পেলাম কাছে।

     

     

    —ভূতটা কে? দাদা? দিদিভাই? ওদের ওপর তোমার এত রাগ কেন বলো তো? নিজেরই তো দাদা-বউদি! তোমার কোন বাড়া ভাতে ছাই দিয়েছে?

    —এ-বাড়ি থেকে ও-বাড়ি অনবরত জিনিস চলে যাচ্ছে। এই চেতল না পেতল সেটাও যাবে।

    —যাবেই তো। দিদিভাই কদিন আগেই তো কচুরশাক দিয়ে গেল। খাওনি? বিদ্রূপ ফুটে ওঠে নিখিলচন্দ্রের মুখে—কচুরশাক? কচুরশাক মাঠেঘাটে ফলে থাকে জিনুরানি, আর চেতল মাছ নগদ আড়াইশো টাকা কিলো দরে বাজার ঢুঁড়ে কিনে আনতে হয়। উপরন্তু এপারে মাত্র দুজন, ওপারে শত্তুরের মুখে ছাই দিয়ে পাঁচজন।

    জিনা ছি ছি করে ওঠে। বলে, তুমি এইসব মেয়েদের ব্যাপারে নাক গলাবে না তো! আমার ঘেন্না করে। যা দিচ্ছ তাইতে আমি চালাতে পারলেই তো হল? বেশি চেয়েছি তোমার কাছ থেকে? ইন ফ্যাক্ট তুমি এগজ্যাক্ট কত মাইনে পাও তা পর্যন্ত আমি জানি না। জানি?

    উত্তরে নিখিল বলল, হুঃ!

     

     

    নিখিল বেরিয়ে গেলে জিনা চটপট রান্না সেরে ফেলল। এরপর খাওয়া ছাড়া সত্যি কথা বলতে কি তার আর কোনও কাজ নেই। চানটা সে অনেকক্ষণ সময় নিয়ে করে। চানের আগে পরে, যোগাসন, হাত-পা ঘষা, চুলের পরিচর্যা অনেক রকম আছে তার। নতুন বাথরুমটা ভাল বানিয়েছে তার বর। একটা ছোটখাটো ঘরই। বাথটব বসেছে একটা। ডুবে চান করার মজা এই যে উঠতে মনে থাকে না। জলের মধ্যে শুয়ে শুয়ে আকাশপাতাল ভাবনা আসে। শুধু চানই বা কেন, কোনও কাজই তার বহতা চিন্তাস্রোতকে বন্ধ করতে পারে না। আশাবাদী, ইতিবাচক চরিত্রের মানুষ সে। অথচ খুব উচ্চাকাঙ্ক্ষী নয়। এটা তাদের পরিবারেরই চরিত্র। মুশকিল হচ্ছে আশাবাদ-এর ‘আশা’ আর ইতিবাচকের ‘ইতি’টুকু যদি জীবনে একটা কথার কথা মাত্র না হতে হয়, তা হলে সেগুলোর ওপর তার কিছুটা নিয়ন্ত্রণ দরকার। কিন্তু সে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। জিনার ‘কিছু-না-মনে-করা’ ‘আচ্ছা-বাবা-ঠিক-আছে’ ‘সব ঠিক হয়ে যাবে’.. আনুগত্য, রসবোধ কিছুতেই কিছু হচ্ছে না। সে অনেক কিছু মেনে নেয় বটে, কিন্তু সেটা বোকা বলে নয়, অলস বলেও নয়। ভাল পাসটাস করেছে, গান শিখেছে, অথচ কোনও কেরিয়ারে তার মন নেই। অবশ্য, পাশের বাড়ির মিতালিদির মতো গোল্ড মেডালিস্ট হলে, কিংবা বন্ধু সুনন্দিনীর মতো স্বর্ণকণ্ঠী হলে কী হত বলা যায় না। সে যতটুকু ভাল, তাতে করে প্রতিষ্ঠা পেতে হলে তাকে অনেক লড়াই করতে হবে—এই তার ধারণা। জিনা জানে না, সব ব্যাপারেই ‘ভাগ্যং ফলতে’ বলে একটা কথা আছে। হয়তো মিতালিদির কিছু হল না, সুনন্দিনীর কিছু হল না অথচ জিনারই হয়ে গেল, এরকমটা ঘটতেই পারত। কিন্তু সে চেষ্টার পথে সে যায়ইনি। নাগ-বাড়ির বেশির ভাগ মেয়ের ক্ষেত্রেই কুড়ি-একুশ বড় জোর বাইশ হলেই পিতৃব্য-মহলে সাজ সাজ রব পড়ে যায়। যা খুশি করো, কিন্তু আগে আমাদের দায় থেকে মুক্ত করো—এই তাঁদের বুলি। জিনার এক দিদি বিয়ের পর এম ফিল করে কলেজে পড়াচ্ছে, আর এক দিদি স্বামীর সহায়তায় আর্ট-স্কুল খুলেছে। কিন্তু বেশির ভাগই বিশুদ্ধ গৃহিণী। কারওই সে নিয়ে খেদ নেই। বেশ আছে। কাজেই জিনার যখন অতি সহজেই বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে এগজিকিউটিভ বর জুটে গেল, ঘর পছন্দ, দু পক্ষে চমৎকার মনের মিল তখন কেউই দ্বিধা করেনি। জিনাই একমাত্র এত বড় বর বিয়ে করতে চায়নি। এগারো-বারো বছরের বড়? ওরে বাবা, সে তো একটা লোক! নাগ-বাড়িতে সব রকমের নজিরই আছে। ছোট কাকা নিজেই একটি কেস। বললে—বৃদ্ধস্য তরুণী ভার্যা হবার এমন চান্স আর পাবি না। নিয়ে নে। সারা জীবন নাকে দড়ি দিয়ে ঘোরাতে পারবি, তোর কাকি যেমন আমায় ঘোরাচ্ছে।

     

     

    এখন, কে কাকে ঘোরাচ্ছে ছোট কাকাকে ডেকে এনে দেখাতে ইচ্ছে যায়। এইজন্যেই জিনার ধেড়ে কার্তিক লোককে বিয়ে করতে অনিচ্ছে ছিল। সব বিষয়ে কর্তাত্বি ফলাবে। সব সময়ে একটা হামবড়া আদেশের ভাব। ধুত। ঝুম্পা-মাম্পি-দিদিভাইকে নিয়ে কী চমৎকার একটা গ্রুপ তৈরি হয়েছিল তাদের, উপদেষ্টার ভূমিকায় দাদা আর বাবা। এই বেরসিক লোকটা সব ভেস্তে দিল। কেন রে বাবা? সে কী সুন্দর মাম্পিকে স্কুল থেকে আনতে যেত এক এক দিন। ওই ছুতোয় একটু বেরোনো আর কি। পায়ে যে মরচে পড়ে গেল! তা ফট করে একদিন হবি তো হ, সাদা মাতিজের সামনে। মাতিজে স্টিয়ারিং ধরে নিখিলচন্দ্র। একেবারে ক্যাচ, কট, কট। তক্ষুনি দুজনকে গাড়িতে তুলে নিল, পৌঁছে দিয়ে ডাঁটের মাথায় সাঁ করে চলে গেল, তারপর রাতে বাড়ি ফিরে সে কী তুলকালাম! আমার বউ কারও দাসী-বাঁদি নয়, মেয়ে-আনুনি ঝিগিরি তাকে দিয়ে করানো চলবে না। জিনা যত বলে আমি নিজে গেছি, কেউ আমাকে বলেনি, ততই সে ঝটকা মারে। জিনা বলল—আমি তবে করবটা কী? চুপচাপ বসে থাকব? উত্তর হল—বসে থাকতে না পার তো শুয়ে থেকো।…কী লজ্জার কথা! কী দুঃখের কথা! বাবা বাড়ি ছিলেন। তাঁর মুখের ওপর সুদ্ধু চোপা করল। তারপরই বাবা দু ভাইকে আলাদা করে দিলেন।

     

     

    কেন? এটাই জিনা অবাক হয়ে ভাবে। জিনার জন্যে ভেবে ভেবে ঘুম হচ্ছে না, কী বউয়ের আঁচল ধরে বসে থাকতে পছন্দ করছে এমনটা তো নয়। কতটুকু থাকে বাড়িতে? নটায় বেরিয়ে আবার নটায় ফেরা। বেশির ভাগ দিনই আরও রাত হয়। অফিসের পর ক্লাবে যায় নাকি এক এক দিন, ক্লায়েন্টফ্লায়েন্টের সঙ্গে নাকি সর্বক্ষণই দরকার তার। শনি-রবিবারে অবশ্য প্রায়ই তাকেও ক্লাবে নিয়ে যায়। কিন্তু এই যে এতক্ষণের অনুপস্থিতি এতে জিনার খারাপ লাগছে কি না, সে কেমন ছিল এ নিয়ে তো ভদ্রলোকের কোনও মাথাব্যথা নেই? দমদমে, কি কোনও বন্ধুর বাড়িটাড়ি যেতে চাইলে কোনও আপত্তি নেই। খালি নিজের দাদা-বউদিদি আর তাদের পরিবারকেই সে একেবারে দেখতে পারে না। তার বিয়ের আগে কোনও টেনশন ছিল না। দুই ভাইয়ের সম্পর্ক অবশ্য কোনওদিনই খুব স্বাভাবিক নয়। দাদা এমনিতেই খুব কম কথা বলেন। ছোট ভাইয়ের সঙ্গে বয়সের তফাতও অনেকটা। কিন্তু মাত্র দুটি ভাই, তাদের মধ্যে কোনও আদানপ্রদান নেই এটা তার কেমন অদ্ভুত লাগে। কিন্তু এরা এইরকমই। বড় হয়ে যাবার পর যে-যার নিজের জগতে বাস করে। কিন্তু ব্যাপারটার মধ্যে কোনও মনোমালিন্য ছিল বলে তার মনে হত না। দাদা হয়তো কোনওদিন খেতে বসে বললেন, অমলকে তোমার মনে আছে?

     

     

    ভাই বলল, কোন অমল?

    —ফুটবলের। তার সঙ্গে হঠাৎ দেখা। তোমার কথা খুব জিজ্ঞেস করছিল।

    —আচ্ছা! আজকাল আছে কোথায়?

    —জে সি টি-তে আছে বলেই তো জানি।

    ব্যাস।

    আবার কোনওদিন ছোট ভাই উবাচ—

    —তোমাদের ক্লাবের শিবেন ব্যানার্জি কেমন লোক, জান?

    —কেন? মানে কী সেন্সে!

     

     

    —এই অনেস্ট কি না।

    —খুব একটা মনে হয় না। কেমন একটু সিক্রেটিভ টাইপ৷ কেন?

    —আমাদের অফিসে একটা টেন্ডার ধরেছিল, খুব ঢুকতে চাইছে, ইনফ্লুয়েন্স খাটিয়ে।

    —ওহ্‌।

    অর্থাৎ মনোমালিন্য থেকে কথা বন্ধ এমনটা নয়। দুজনের জগৎ, বন্ধুবান্ধব, ভাল লাগার জিনিস সবই এত আলাদা যে কোনও বিষয় নেই ওদের কথা বলার। জিনাদের ভাইয়েরা একত্র হলেই ফুটবল, ক্রিকেট নিয়ে তাদের উত্তেজনা তুঙ্গে ওঠে। রাগারাগিও হয়ে যায়। হাতাহাতির ঠিক আগেটায় জেঠিমা কি মা কি কাকিমা প্রত্যেকের মাথায় একটা কেটলি করে একটু একটু জল ঢেলে দিয়ে যান।

    —এটা কী হল?।

     

     

    —এ হেহে আমার নতুন পাঞ্জাবিটা…

    —কী হল কাকিমা, মোস্ট আনপার্লামেন্টারি। এই শীতে মাথায় হঠাৎ ঠান্ডা জল…

    —তা হলে কি গরম জল দেব বলছিস?

    —তাই বলে কথা বলব না?

    —কথা বলতে কেউ বারণ করেনি বাবা, মারমুখো হতে শাপশাপান্ত করতে বারণ করা হচ্ছে…

    —মারমুখো? কে মারমুখো হল?

    —শাপশাপান্ত? সে আবার কী?

    পাঁচ-ছয়জন নানা বয়সের ‘ইয়াং ম্যান’ আকাশ থেকে পড়ে।

     

     

    কোনও তর্কের মধ্যে আর মাতৃকুল ঢুকতে চান না। মারমুখো কে, শাপশাপান্ত কী, এসব অব্যাখ্যাত থেকে যায়।

    শ্লেষের হাসি হাসতে হাসতে ‘ইয়াং’রা খাওয়া শেষ করে। সকলেই একমত এই ওল্ড ‘জেনারেশন’কে নিয়ে আর পারা গেল না। একটা ‘ফ্রেন্ডলি’ হচ্ছিল, বুঝল না।

    আমাদের ইডিয়ম তোমরা বুড়ো-বুড়িরা বুঝবে না…

    ছোট কাকিমা আস্তে করে ফুট কাটবে—ইডিয়টের আবার ইডিয়ম—পেছন থেকে, নিরাপদ দূরত্ব ও আড়াল থেকে।

    ব্যস, আর যায় কোথায়। বিরোধীরা সব এককাট্টা। —কে বললে? কেন বললে? তাকে সারেন্ডার করা হোক। না হলে খুব খারাপ হয়ে যাবে…আসলে ওদের ধারণা বোনেরা কেউ বলেছে। জিনার ওপরেই সবচেয়ে বেশি সন্দেহ। বাতাবরণ ঘোরালো হতে জেঠিমা তাঁর চওড়া ভোমরা পাড় দাঁতালো শাড়ি আর জমজমে গলা নিয়ে ফ্রন্ট লাইনে এগিয়ে আসবেন—এই নে, আমি বলেছি বেশ করেছি, করছি সারেন্ডার। কী করবি কর। শেষ পাতে আলুবখরার চাটনি ছিল, পাবি না।

    জিনা এইরকম সম্পর্ক দেখেছে। হুল্লোড়, মজা, এসব না-ই থাক। সম্পর্কটা তো থাকবে? সে নিখিলকে জেরা করতে ছাড়ে না।

    —প্রথম প্রথম তো দেখেছি একসঙ্গে খেতে বসা হচ্ছে। মাঝে মাঝে কথাও বলছ পরস্পর। ক্রমশ কী হল?

    —ধান্দাবাজি আমার ভাল লাগে না।

    —ধান্দাবাজি কার?—জিনা আকাশ থেকে পড়ে।

    —ওই তো। রান্না করছ, পরিবেশন করছ, বাসন মাজছ, সবই তো আস্তে আস্তে মিসেস নিখিলের কাঁধে উঠে আসছে।

    —ওমা! বাসন মাজলাম কোথায়? সেদিন আমার নিজের বোনচায়নার ডিনার সেট আমি নিজে পরিষ্কার করে নিয়েছি। ডলিকে দিলে যদি ভেঙে যায়? ঝুম্পাকেও হাত লাগাতে দিইনি। আর রান্না? ও তো সবই দিদিভাই করছে, আমি একটু সাহায্য করি শুধু, পরিবেশনটা আমিই করি তাই বাড়িতেও করতুম, ভাল লাগে আমার।

    —ও-ই করো! স্টেটাস যে বোঝে না, তাকে কী বোঝাব?

    —স্টেটাস? সেদিন কোথায় পড়ছিলাম ইন্দিরা গান্ধী সুদ্ধু রাতে ডিনারের সময়ে টেবিলে বসে ছেলেদের এটা-সেটা পরিবেশন করতেন। এসব কেউ আমার ওপর চাপিয়ে দেয়নি। ছিঃ ছিঃ!

    —এখন কি তুমি আমায় ম্যানার্স শেখাবে না কি?

    জিনা দুঃখিত গলায় বলেছিল, বিয়ের পর স্বামীদের অভদ্রতার দায় বউয়েদের ওপরেই পড়ে, এটা অন্তত মনে রেখো।

    —কেন, দিনরাত যে সব্বাইকে তেল মারছ?

    জিনা মনে মনে হাসে। মনে মনেই বলে তোমাকেও কম তেল মারি না বাবা। ফল হচ্ছে না কেন কে জানে!

    অথচ সে বিয়েটাতে প্রায় এককথায় রাজি হয়ে গিয়েছিল একটু বেশি স্বাধীনতার জন্যে। তাদের দমদমের বাড়িতে কতকগুলো অদৃশ্য, অকথিত নিয়ম আছে। সেগুলো মেনে চলতে হয়। কেউ জবরদস্তি করে না, কিন্তু সবাই-ই মানে। নিয়মগুলো বলাই বাহুল্য মেয়েদের ক্ষেত্রেই বেশি প্রয়োগ হয়। যেমন বন্ধুদের সঙ্গে কোথাও রাত কাটানো চলবে না, অর্থাৎ এক্সকার্শন—নো। দেশান্তরে, প্রদেশান্তরে, বাড়ি ছেড়ে একা একা পড়াশোনা কাজকর্ম করতে যাওয়া চলবে না। তার পিসতুত দিদি ইয়েল য়ুনিভার্সিটি থেকে ডাক পেয়েছিল, ভাল স্কলারশিপ, উপরন্তু পার্ট টাইম কাজ ক্যাম্পাসের মধ্যে। শুনতে পেয়ে জেঠু গোটা পঁচিশ যুবকের ছবি বায়োডেটা সহ নিয়ে গিয়ে ফেলে দিলেন। ক্ষমতা আছে বটে মানুষটার। দিন দশেকের মধ্যে বিদেশ যাবে পাত্রী খুঁজছে এমন পঁচিশটা কেস জোগাড় করেছেন।

    বললেন—নাও পছন্দ করো।

    —কী ব্যাপার? কাকে পছন্দ? কেন পছন্দ!

    —রুমা বিলেত যেতে চায়, এই তো কথা! তা যাক, এইসব সোনার চাঁদেদের খবর এনেছি। এদের কারও সঙ্গে সিদুঁরটিঁদুর পরে একেবারে যাক।

    —সে কী? ইয়েল-এ যে…পিসেমশাই হতবাক।

    —আচ্ছা সুবীর, তোমারও যা বয়েস আমারও তাই বয়স, আমিও য’ টাকা মাইনে পাই তুমিও ত’ টাকা মাইনে পাও। মাথায় গ্রে ম্যাটার এত কম হয়ে গেল কী করে। রুমু একা একা ইয়েলে যাবে, তারপর কোনও সাতঘাটের জল খাওয়া সায়েব ওকে পাকড়াও করলে? জান, ওরা দাঁত মাজে না!

    —সে কী! ওরা কোনকালে দাঁত মাজা চান করা সব শিখে গেছে।

    —তুমি আর ‘সে কী’ ‘সে কী’ করো না। কথায় কথায় আকাশ থেকে পড়া তোমার একটা রোগ। টিভি দেখ? যে কোনও সায়েব হাসলেই দাঁতগুলো খেয়াল করে দেখো…আমাদের যেমন বাঁধা গোয়ালা, ওদের তেমনি বাঁধা ডেনটিস্ট।

    —তা যদি বলেন বাঁধা গোয়ালা ওই আপনাদের নাগ বাড়িতেই এখনও টিকে আছে, এখন কেউ বাঁধা…

    চুলোয় গেল ইয়েল, চুলোয় গেল রুমাদির ভাল রেজাল্ট, স্কলারশিপ নিয়ে বিদেশ যাবার আশা। কটা বাড়িতে এখনও গোরুর দুধ খায়, তার পরিসংখ্যান নিয়ে দুজনে ধুন্ধুমার তর্ক লেগে গেল।

    অবশেষে কাঁদো কাঁদো মুখে রুমুদি একটা ছবি তুলে নিয়ে বলে বড় মামু এইটে পছন্দ, ঠিক যেন শাড়ি পছন্দ করছে।

    অতঃপর সেই সানাই, সেই পাঁচশো লোক, লুচি থেকে আইসক্রিম, সেই তত্ত্ব। এখন রুমু জামাইবাবু স্টেট য়ুনিভার্সিটি অফ মিনেসোটায়। রুমুদিদি রুম্যানি বীক্ষ্য করছে।

    মেয়েদের বাড়ি-ফেরা নিয়ে জেঠু এত বাতিকগ্রস্ত যে পাশের বাড়ির মিতালিদি পর্যন্ত যতক্ষণ না বাড়ি ফেরে জেঠু ঘরবার করে। মিতালিদি ফিজিক্সের মেয়ে, পি এইচ ডি করছে, স্বভাবতই তার ফিরতে দেরি হয়। এক এক দিন তো বেশ দেরি। তার নিজের বাড়ির লোকের মাথাব্যথা নেই, জেঠু ঠায় সদরে দাঁড়িয়ে থাকবে। গলির মোড়ে মিতালিদির হিলের খুটখুট শোনা যাবে, তবে জেঠুর ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়বে।

    —মিতু এলে মা? খবর সব ভাল তো?

    —হ্যাঁ জ্যাঠামশাই, খবর খারাপ হবে কেন?

    —না। রাস্তাঘাটে বিপদআপদ আজকাল লেগেই আছে কি না!

    —একটু জ্যাম ছিল, আর কিছু না।

    জেঠিমা রাগ করে বলেন, তোমার খবরদারির কী দরকার বলো তো! মেয়েটা কী মনে করে কে জানে!

    —কী আবার মনে করবে? আমি একটা পিতৃতুল্য মানুষ। মেয়েটার ভাল-মন্দর জন্যে চিন্তা-ভাবনা করছি। এতে আবার মনে করার কী আছে? রাত দশটা পর্যন্ত ঘরের মেয়ে বাইরে থাকলে ভাবনা হয় না? দিনকাল জান? যেখানে-সেখানে মেয়েগুলোকে মুখে কাপড় বেঁধে আরবে চালান করে দিচ্ছে। জান না তো আর…

    —হ্যাঁ, অমনি চালান করে দিলেই হল। দুনিয়ার মেয়ে তা হলে দোরে খিল এঁটে কাজকর্ম বিসর্জন দিয়ে বসে থাক!

    —কাজকর্মটা কী শুনি? কী? মাদাম কুরি হবে?

    হয় মাদাম কুরি নয় হাতা বেড়ি। এই দুটোই জেঠুর কাছে একমাত্র গ্রহণীয় বিকল্প। এইটে নাগ-বাড়ির জীবনদর্শনের অন্ধকার দিক। তাই একটা সময়ের পরে মুক্তির জন্যে প্রাণটা একটু আঁকুপাঁকু করে বই কী! জিনার ধারণা ছিল বিয়ে মানে সেই মুক্তি। বিয়ে মানেই তুমি একটা গোটা লেডি হয়ে গেলে। তোমার মাথায় সিঁদুর, সুতরাং সম্ভাব্য সব অনাকাঙিক্ষত ক্যানডিডেটরা জানবে এ কেস খতম। এ দিকে আর নজর দিয়ে লাভ নেই। দ্বিতীয়ত, তুমি গৃহিণী। মানে কর্তৃকারক। নিজে নিজে সিদ্ধান্ত নেবে, নিজের মতামত দেবে, নিজের বিদ্যাবুদ্ধির ওপর নির্ভর করে চলবে এখন থেকে।

    প্রথম প্রথম ব্যাপারটা ভালই ছিল। সব আত্মীয়স্বজনের বাড়ি জোড়ে নেমন্তন্ন সারতে সারতেই বছর পার। প্রত্যেক রবিবার বা ছুটির দিন নতুন নতুন শাড়িটাড়ি পরে সাজগোজ করে বরের সঙ্গে বেরোনো। ফুরফুরে মেজাজ, হাসি, রসিকতা, বরের বন্ধুদের মনোযোগ আর বরের তো কথাই নেই। চক্ষে হারাচ্ছে। দুঃখের বিষয় এ সবই জীবনে বাসি হয়ে যায়। পাটভাঙা, ধোপদুরস্ত অবস্থায় যতটা আকর্ষক থাকে, পরে কিছুতেই আর ততটা থাকে না। শুধু তাই নয়। আগের হাসি আনন্দ তামাশার মধ্যে থেকেও অনেক খুঁত বেরোতে থাকে। অনেকটাই যেন ঠকে যাওয়া, ফাঁকি। যেটাকে প্রশংসা বলে মনে হয়েছিল সেটা ঈর্ষা, স্নেহটা স্নেহ নয়— তোষামোদ, অন্তরঙ্গতাটা আসলে হাঁড়ির খবর জেনে নেবার কৌশল। এইরকম। কিন্তু শ্বশুরবাড়ির গণ্ডির মধ্যে তার তেমন খেদের কোনও কারণ ছিল না। মল্লিকার সঙ্গে তার খুব পটে গেছে। যদিও মল্লিকার কিছু কিছু দোষ আছে। সে বাইরের জগতের কোনও খোঁজ রাখে না। ভয়ানক ভিতু, অকপট নয়, নিজের সব কথা জিনা যেমন উজাড় করে বলে দেয়, মল্লিকা তেমন নয়, কিন্তু এগুলোর কোনও গুরুত্বই থাকে না, তার গুণের পরিচয় একবার পেলে। এত স্নেহ, এত আন্তরিক মনোযোগী ভালবাসা আর কোথাও পেয়েছে বলে জিনা মনে করতে পারে না। দিদিভাইয়ের কোনও ইগো-প্রবলেম নেই। জিনাকে নিয়ে তার গর্বের শেষ নেই। জিনা এই পারে, জিনা ওই পারে। সে নিজে যে হোটেলের শেফদের হার মানিয়ে দেবে অনেক রান্নায় সে কথা কে বলে! জিনার গুণপনায় তার চোখ কপালে উঠেই আছে। মল্লিকার ধারণা তার বুদ্ধি বলে কিছু নেই। তাই সে সব ভুলে যায়। এলোমেলো করে ফেলে। জিনা দেখেছে বুদ্ধি না থাকার কথাটা ঠিক নয়। কোনও একটা মনস্তাত্ত্বিক কারণ আছে মল্লিকার ভুলের। ছোটবেলায় মা মারা যাওয়ায় নিরাপত্তার অভাববোধ? শাশুড়ি কি খুব দোর্দণ্ডপ্রতাপ ছিলেন? দাদার শীতলতাও একটা কারণ হতে পারে। মেয়েদুটো বুদ্ধিমতী, কাকিমার অ্যাসিস্ট্যান্ট হবার জন্য এক পায়ে খাড়া। ওদেরও খুব ভালবাসে জিনা। আর শ্বশুরমশাই? একটু চুপচাপ, ভাবুক ধরনের। কত যে পড়েন, কত যে জানেন, কত রকমের আগ্রহ, ওঁকে এখনও জিনা বুঝতে আরম্ভ করতেই পারেনি। তবে একটু দূরের মানুষ, নিঃসন্দেহে। বাড়ির দুই ছেলে অর্থাৎ তার ভাসুর এবং তার পতিদেব— এরা দুজনেই তাকে নিরাশ করেছে। দাদা তো দিদিভাইয়ের উপযুক্ত বর বলেই তার মনে হয় না। এ আবার কী! যার এমন সুন্দরী গুণী স্ত্রী, এত সুন্দর প্রাণোচ্ছল দুটো মেয়ে, তিনি এরকম তাসে-সমর্পিত-প্রাণ হয়ে থাকতে পারেন কী করে? কী ভীষণ চুপচাপ, ঠান্ডা প্রকৃতির! প্রথম প্রথম জিনা তার স্বভাবমতো ওঁকে ঠেলাঠেলি করতে ছাড়েনি। উনিও কদিনের জন্য নড়েচড়ে বসেছিলেন। কিন্তু কদিন। ক’মাস। ব্যস আবার যে কে সেই। আর নিখিল? নিখিল এক হিসেবে দাদার উলটো। সব সময়ে তপ্ত লোহা, ছ্যাঁক করে উঠলেই হল। নিখিলের সব কাজকর্ম কথাবার্তার কার্য-কারণ সে সত্যিই বুঝতে পারে না। সে নিজেকে সবটা দিতে চায়। পারে না। কোথাও নিখিলের মধ্যে একটা লৌহকপাট আটকানো আছে। তা ছাড়া ভীষণ গোঁয়ার। অহমিকা সাঙ্ঘাতিক। যদি একবার বুঝতে পারল কোনও জিনিস তার মতে হচ্ছে না, জিনার মতটাই জিতে গেল, অমনি বেঁকে বসবে। অমন বাবার ছেলে, জীবনে কোনও কিছুর অভাব হয়নি, বাইরে পালিশ আছে, সবই ঠিক। কিন্তু ভেতরে কোথাও একটা ভীষণ রূঢ় অমার্জিত মানুষ বাস করে যাকে জিনা চেনে না, স্বীকার করতে চায় না, কিন্তু আশা ছাড়ে না, একদিন না একদিন তাকে সে বুঝবেই, পোষ মানাবেই।

    ইতিমধ্যে সে ধৈর্য ধরে আছে। সুতো ছাড়ছে। সময় দিচ্ছে। যাদের জীবনটা সম্পূর্ণ স্বামী-নির্ভর সে তো সে জাতীয় নয়ও। আরও তো আছে। অনেক অনে-ক রকম আছে। তাদেরও তো দুর্ধর্ষ লাগে তার! ঝুম্পার সঙ্গে ওয়ার্ড-মেকিং, মাম্পির সঙ্গে সাপলুডো, দিদিভাইকে নিয়ে একজনদের জন্মদিনের আর একজনদের অন্নপ্রাশনের উপহার কিনতে যাওয়া। টিভি সিরিয়াল নিয়ে ফোনে মায়ের সঙ্গে তুমুল তর্ক। হঠাৎ কলেজ-জীবনের তিন-চার জন বন্ধু বাড়িতে হাজির। একেবারে অপ্রত্যাশিত। তার ওপরে সে উপন্যাসের পোকা, বিশেষ করে থ্রিলার। ‘হরি হে, তুমি আমার সকল হবে কবে!’ জাতীয় মন নিয়ে বরের মুখ চেয়ে থাকতে তার বয়ে গেছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমোহানা – বাণী বসু
    Next Article খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    যখন চাঁদ এবং – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }