Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দুর্গম পথের যাত্রী – আসাদ বিন হাফিজ

    লেখক এক পাতা গল্প267 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দুর্গম পথের যাত্রী – ৬

    ৬

    মক্কার চারদিকে সাজসাজ রব পড়ে গেল। প্রতিটি যুবক ঘর ছেড়ে বেরিয়ে এলো অস্ত্র হাতে। তাদের অন্তরে মক্কার মর্যাদা রক্ষার সংকল্প। আপন ধর্মের সম্মান রক্ষার সংকল্প। সর্বোপরি নিজেদের সহায়-সম্পদ এবং আপন নারীদের ইজ্জত রক্ষার দৃঢ় সংকল্প। ‘মুহাম্মাদ (সাঃ) আসছে’ এ খবর বিদ্যুতের মতো সারা শহরে ছড়িয়ে পড়ল। আবু সুফিয়ান ও মক্কার বিভিন্ন গোত্রের নেতারা বৈঠকে বসল আসন্ন পরিস্থিতি মোকাবিলা করার উপায় ঠিক করার জন্য। কিন্তু ঠান্ডা মাথায় বৈঠক করার মতো ধৈর্য অনেকেরই ছিল না। যুবকরা নেতাদের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা না করে নিজেরাই সংগঠিত হতে লাগল। নেতাদের একজন বলল—’এটা কী করে হয়? মুহাম্মদের এত সাহস, সে মক্কা আক্রমণ করতে আসছে।’

    অন্য একজন বলল—’এতে অবাক হওয়ার কী আছে! তাঁর জন্মভূমি থেকে তাকে আমরা তাড়িয়ে দিয়েছিলাম। এখন সে হয়তো মনে করছে, তাঁর এমন শক্তি হয়েছে যে, সে আমাদের সাথে টক্কর দিয়ে এখানে থাকতে পারবে।’

    ‘তোমাদের এমন পণ্ডিতি আলাপ রাখো। কী করে তাঁর মোকাবিলা করবে সে কথা বলো।’ বলল আবু সুফিয়ান।

    এক প্রবীণ সরদার দাঁড়িয়ে বলল—’সৈন্যদের দুর্গ থেকে বের করে শহরের চারদিকে অবস্থান নিতে বলুন আর সারা শহরের শিশু ও মহিলাদের দুর্গে ঢুকিয়ে তাদের বাইরে থেকে তালাবদ্ধ করে রাখুন।’ আবু সুফিয়ান বৈঠক দীর্ঘায়িত না করে মক্কার সব শিশু ও মহিলাদের দুর্গে ঢুকিয়ে দিলো। কিন্তু যুবতিরা দুর্গে ঢুকতে অস্বীকার করে বসল। তারা দলবেঁধে মক্কার অলিগলিতে যুদ্ধের গান গাইতে লাগল। মহল্লার প্রতিটি গলিতে, গলির মোড়ে মোড়ে জটলা করে যুবতিরা উদ্দীপনামূলক গান গেয়ে যুবকদের মনে আগুন ধরিয়ে দিতে চাইল। মক্কার প্রতিটি ঘর খালি হয়ে গেল। শিশু ও মহিলারা সবাই দুর্গে অবস্থান নিয়েছিল। যুবতিরা গান গাইছিল রাস্তায়। যুবকরা অস্ত্র হাতে নেমে পড়ল মক্কার নিরাপত্তায়। যারা অস্ত্র হাতে নিতে পারল না, বসে রইল না তারাও। তারা নানা রকম খাদ্যদ্রব্য এনে রাস্তার যুবতিদের ও সৈনিকদের খাবার ও পানি সরবরাহ করছিল।

    খালিদের মনে পড়ে গেল সেদিনের কথা। এ ঘটনায় সবচেয়ে বেশি উত্তেজিত ও তৎপর হতে হয়েছিল খালিদকে। সে তাঁর বন্ধু আকরামাকে বলল—’আবু সুফিয়ানের সিদ্ধান্ত শোনার দরকার নেই। বংশানুক্রমে মক্কার নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষার দায়িত্ব আমাদের পরিবারকেই পালন করতে হয়েছে। আমাদের পূর্বপুরুষদের কারও গায়ে কলঙ্কের কালি নেই। সর্বশেষ এ দায়িত্ব পালন করেছেন আমাদের পিতা। এখন এ দায়িত্ব আমার কাঁধে বর্তেছে। আমি আমার বংশের মুখে ছাই পড়তে দেবো না। আচ্ছা আকরামা, মদিনার মুসলমানদের মতো আমরাও মক্কার চারদিকে পরিখা খুঁড়লে কেমন হয়?’

    ‘না খালিদ, খন্দকের কথা ভুলে যাও। মুহাম্মাদের হাজার দেড়েক সৈন্যকে নিয়ে এত পেরেশান হওয়ার কিছু নেই। তাঁরা পথশ্রমে ক্লান্ত, অস্ত্রশস্ত্রও তাঁদের নিতান্তই অল্প। সামনাসামনি লড়াই করে তাঁদের নিশ্চিহ্ন করার মওকা আমি নষ্ট করতে চাই না।’

    ‘আকরামা, মুহাম্মাদের মনে কী আছে জানা নেই আমার? তাঁর বুদ্ধিমত্তা ও রণকৌশলকে আমি খাটো করে দেখতে চাই না। তুমি যদি খন্দক খোঁড়ার পক্ষে মত না দাও, তবে আমি ভিন্ন পথে এগোব। সামনাসামনি লড়াই করে তাদের কাবু করার তোমার চিন্তার চাইতে এ পথ অনেক নিরাপদ ও ফলপ্রসূ হবে।’

    ‘সেটা কী রকম?’ প্রশ্ন করল আকরামা।

    খালিদ বলল—’আমি আমার এক দল সৈন্যকে এক্ষুনি শহরের বাইরে পাঠিয়ে দেবো। তারা ওত পেতে মুহাম্মাদের আগমনের অপেক্ষা করবে। মুহাম্মাদ (সাঃ) আমাদের ওপর আক্রমণ করলে পেছন থেকে তারা হামলে পড়বে মুহাম্মাদের ওপর। কিন্তু তারা যুদ্ধ করবে না, মুহাম্মাদের বাহিনীর মনোযোগ আকর্ষণ করে তারা পিছিয়ে যাবে এবং পালিয়ে যাবে। এভাবে তারা বারবার মুহাম্মাদের ওপর আক্রমণ করবে এবং সরে পড়বে। মুহাম্মাদের বাহিনী এর ফলে আমাদের ওপর জোরাল আক্রমণ চালাতে পারবে না। এই সুযোগটাই নেব আমরা। এই সুযোগে তাদের কচুকাটা করে নিঃশেষ করে দেবো।’

    ‘খালিদ, সত্যি তোমার বুদ্ধির তারিফ করতে হয়। এই না হলে সেনাপতির ছেলে!’

    খালিদ আর কথা বাড়াল না। আকরামার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে নিজের বাহিনীর কাছে গেল। সেখান থেকে একটি দল বাছাই করে তাদের কী করতে হবে ভালোভাবে বুঝিয়ে দিলো। তারপর তাদের বলল—’যাও, যেভাবে বলেছি সেভাবেই কাজ করবে। আমার পরবর্তী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত তোমরা এ কাজ চালিয়ে যাবে।’

    খালিদের সৈন্যরা শহর থেকে বেরিয়ে গেল। সে নিজ দলের সৈনিকদের দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়ে যুবকদের দিকে মনোযোগ দিলো। যুবকরা পাহাড়ের চূড়ায় উঠে দূর দিগন্তে দৃষ্টি মেলে খুঁজছিল মদিনার বাহিনী। মেয়েরা ছাদে উঠে তাকিয়েছিল মরুভূমির দিকে। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নেমে এলো। যুবকদের কয়েকটি দল ঘোড়া ও উটে চড়ে শহর থেকে বেরিয়ে গেল। উদ্দেশ্য, পথেই মুসলিম বাহিনীকে মোকাবিলা করা। সন্ধ্যার রক্তিম আকাশ আর লাল সূর্য ওদের যেন বলছিল—মুহাম্মাদ (সাঃ) আসছে। ওর ওপর তোমরা যে অত্যাচার করেছ, তার বদলা নিতে এগিয়ে আসছে সে। এবার রক্তের গঙ্গা বয়ে যাবে মক্কার ওপর দিয়ে। তলোয়ারে ঠোকাঠুকি হবে। রক্তের বদল রক্ত। হয় রক্ত দিতে হবে, নয়তো নিতে হবে। তোমাদের প্রমাণ দিতে হবে তোমরা এ শহরকে ভালোবাসো কি না, আপন ধর্মকে ভালোবাসো কি না, তোমাদের সন্তান ও নারীদের ভালোবাসো কি না।

    লোকজন বলাবলি করছিল—’কই, মুহাম্মাদের বাহিনীর তো কোনো খবর নেই। কোনো কাফেলা এগিয়ে এলে যে ধূলিঝড় সৃষ্টি হয়, তেমন কোনো ধূলিঝড়ও তো নজরে আসছে না। খালিদ তো বলেছিল, অনেক আগেই তারা পাহাড় অতিক্রম করেছে। বলেছিল, তীব্র গতিতে তারা ছুটে আসছে।’

    ‘শেষ মুহূর্তে হয়তো সিদ্ধান্ত পালটে ফেলেছে মুসলিম বাহিনী।

    ‘আরে না, মুহাম্মাদ (সাঃ) সে রকম লোকই না। মদিনা থেকে এত দূর এসে হামলা না করার কোনো কারণই নেই। সে অবশ্যই হামলা করবে। হয়তো আমাদের দৃষ্টির বাইরে এসে সফরের ক্লান্তি দূর করার জন্য কোথাও থেমেছে। হয়তো রাতের জন্য অপেক্ষা করছে। ভাবছে, আমরা যখন ঘুমিয়ে থাকব, তখন অতর্কিত হামলে পড়বে। সে তো আমাদের শক্তি সম্পর্কে জানে। জানে, সামনাসামনি লড়তে এলে টিকতে পারবে না।

    সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত নেমে এলো মক্কা শহরে। মেয়েরা বাড়ির ছাদে, রাস্তার মোড়ে মোড়ে গান গেয়েই চলেছে। যুবকরা টহল দিয়ে ফিরছে। যারা শহর ছেড়ে বাইরে গেছে, তাদের কাউকেই এখন আর দেখা যাচ্ছে না। খালিদের বাহিনী ওত পেতে আছে মদিনার পথে। আকরামা ও খালিদ অপেক্ষা করছে কখন তাঁরা আসবে, কখন তাঁদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়বে তারা।

    রাত ক্রমেই গভীর হলো। দিনের উত্তাপ কমে গিয়ে ঠান্ডা হাওয়া বইতে শুরু করেছে, কিন্তু মুহাম্মাদের বাহিনীর হদিস নেই; আক্রমণ তো পরে, তাদের অস্তিত্বই নেই কোথাও। অপেক্ষার পালা বাড়তেই লাগল। রাত আরও গভীর হলো। ক্লান্ত যুবতিদের কারও কারও চোখে নেমে এলো ঘুম। কিন্তু তাতে জটলা ও হট্টগোল বিন্দুমাত্র কমেনি। কমেনি যুবকদের উত্তেজনাও। তারা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতে লাগল মুহাম্মাদের বাহিনীর।

    দুর্গের ভেতরে শিশুরা ঘুমিয়ে পড়েছে। নারী ও বুড়োরা কান পেতে শুনছে বাইরের হট্টগোল। অর্ধেক রাত অতিবাহিত হয়ে গেল, মুহাম্মাদের বাহিনীর কোনো আক্রমণের শিকার হলো না তারা। উত্তেজনা ও অপেক্ষার মধ্য দিয়ে রাতটি কেটে গেল যুদ্ধ ছাড়াই।

    আবু সুফিয়ান বলল—’খালিদ, তারা কোথায়? মুহাম্মাদ (সাঃ) কি হাওয়া হয়ে গেছে? নাকি তুমি ভুল দেখেছ?’

    খালিদ বলল—’আবু সুফিয়ান, তুমি যদি ভেবে থাকো তারা আসবে না, তবে তা হবে একটা ভয়াবহ ধোঁকা; যা তুমি নিজেই নিজেকে দিচ্ছ। মুহাম্মাদের বুদ্ধির ধারের কাছেও তুমি নও। সে যা চিন্তা করে, তুমি তা কল্পনাও করতে পারবে না। তারা আসবে, অবশ্যই আসবে।’

    আবু সুফিয়ানের বুদ্ধি নিয়ে ব্যঙ্গ করার পরও সে ক্ষিপ্ত না হয়ে বলল—’মানছি মুহাম্মাদের বুদ্ধি আছে। এ পর্যন্ত যে কয়টা যুদ্ধ হয়েছে, তাতে সে বুদ্ধির জোরেই বেঁচে গেছে।’

    খালিদ বলল—’যুদ্ধ করে করে তারা এখন পরিপক্ব হয়েছে। উহুদ যুদ্ধে মুসলিমরা যে ভুল করেছিল, তেমন ভুল তারা আর করবে না। খন্দকের যুদ্ধে মুহাম্মাদ (সাঃ) যে অসাধারণ নৈপুণ্য ও কৌশল প্রদর্শন করেছে, তাতেই বলা যায়— প্রচলিত কৌশলের ওপর ভর করে সে চলে না। নিত্য-নতুন কৌশল উদ্ভাবনে সে ওস্তাদ। তাঁর এই হাওয়া হয়ে যাওয়াটাও একটা কৌশল। সে আমাদের ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছে। অপেক্ষা করতে করতে আমরা যখন ক্লান্ত হয়ে পড়ব, ক্লান্তিতে আমাদের বাহুগুলো শিথিল হয়ে পড়বে, তখন সে আঘাত হানবে।’

    আবু সুফিয়ান কিছু বলতে যাচ্ছিল, এমন সময় সে দেখতে পেল একজন ঘোড়সওয়ার দ্রুতগতিতে ছুটে আসছে তাদের দিকে। খালিদকে বলল—’ওই দেখ! কেউ আসছে।’

    তারা আগন্তুককে স্বাগত জানানোর জন্য উভয়েই বসা থেকে উঠে দাঁড়াল। আগন্তুক কাছে এসে লাফিয়ে নামল ঘোড়া থেকে। বলল—’আমার চোখ যা দেখেছে, তা তোমরা বিশ্বাস করবে না। আমি মুসলমানদের হুদাইবিয়াতে তাঁবু গেঁড়ে বসে থাকতে দেখেছি।’

    আবু সুফিয়ান বলল—’না, তারা মুহাম্মাদ (সাঃ) ও তাঁর বাহিনী হতে পারে না। আমি মুহাম্মাদকে খুব ভালো করেই চিনি। খোদার কসম! মুহাম্মাদ (সাঃ) কোনো আহাম্মক নয় যে, সে আমাদের এত কাছে এসে এভাবে তাঁবু গেড়ে জাবর কাটবে।’

    ‘এটা আমারও মনে হয়েছিল। নিশ্চিত হওয়ার জন্য আমি তাদের কাছে গিয়েছিলাম। সেখানে এমন কিছু লোকের সাথে আমার দেখা হয়েছে, যারা কিছুদিন আগেও মক্কার অধিবাসী ছিল। আমি তাদের সঙ্গে দেখা করেছি এবং কথা বলেছি। মুহাম্মাদ (সাঃ) নিজেও তাদের সাথেই আছে।’

    হুদাইবিয়া মক্কা থেকে মাত্র তেরো মাইল পশ্চিমের একটি গ্রাম। রক্তপাত এড়ানোর জন্য এ গ্রামে তাঁবু টানিয়েছেন মহানবি (সাঃ)। উদ্দেশ্য, এখান থেকে মক্কার কাফিরদের সাথে যোগাযোগ করে কাবা শরিফ তাওয়াফের অনুমতি নেওয়া।

    খালিদ বলল—’আমরা রাতের আঁধারে আক্রমণ চালাব। আমার বাহিনী মদিনার পথে পথে ওত পেতে বসে থাকবে, কাউকে পালিয়ে যাওয়ার মওকা দেবো না। যাদের ইচ্ছা লড়াই করে মরুক, নাহয় পালিয়ে যাওয়ার পথে আক্রান্ত হয়ে মরুক। মৃত্যুই তাদের একমাত্র বিধিলিপি।’

    এর ওপর কোনো ফয়সালা হয় না। রাতের আঁধারে আক্রমণ করার স্বপ্ন নিয়ে বসে আছে তারা। স্বপ্নটা ঠিকই থাকবে, তবে জায়গা বদল করে। আক্রমণ করার বদলে তারা হবে আক্রান্ত আর আক্রমণটা করব আমরা। সৈন্যদের আক্রমণ করার জন্য প্রস্তুত হতে বলো।’

    মক্কায় আবার সাজ সাজ রব পড়ে গেল। বেজে উঠল যুদ্ধের দামামা।

    হুদাইবিয়া। মহানবি (সাঃ) তাঁবুর চারপাশে মজবুত পাহারা বসালেন। সবাইকে বিশ্রামের অনুমতি দিয়ে উসমান-কে ডেকে পাঠালেন। তাকে বললেন— ‘আমার দূত হয়ে তুমি মক্কায় যাও। আবু সুফিয়ানকে বলবে, আমরা যুদ্ধের জন্য আসিনি, আমরা এসেছি উমরা করতে। তোমরা আমাদের উমরা করার অনুমতি দাও। আমরা উমরা শেষ করেই ফিরে যাব।’

    উসমান রওয়ানা করার আগেই আরেক ঘটনা ঘটল। মক্কার আরেকটি টহল দলের চোখে পড়ল মুসলমানদের তাঁবু। দূর থেকে চক্কর দিয়ে চলে গেল তারা। একটু পরে আবার ফিরে এলো। তাঁবুরক্ষীদের শক্তি পরীক্ষার জন্য তাদের ওপর হামলা করে বসল দলটি। মামুলি লড়াইয়ের পর ফিরে গেল তারা। ফিরে গেল মানে, নিরাপদ দূরত্বে গিয়ে মুসলমানদের তৎপরতার দিকে নজর রাখল। আশা করল—মুসলমানদের নিরাপত্তা বেষ্টনীতে একসময় না একসময় কিছুটা ঢিল তো অবশ্যই পড়বে, তখন আবার হামলা করবে তারা। এই হট্টগোলের মধ্যে সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসায় উসমান-এর আর বের হওয়া হয়ে উঠল না। মহানবি (সাঃ) বললেন—’আজ বাদ দাও, আগামীকাল যেয়ো। ‘

    কাফিরদের দলটি মক্কায় ফিরে যেতে পারত, কিন্তু মুসলমাদের তারা চোখের আড়াল করতে চাইল না। ফলে ওখানেই অপেক্ষা করতে লাগল তারা।

    পরের দিন আরও একটি কুরাইশ বাহিনীর নজরে পড়ল মুসলমানদের তাঁবু। তারা নিরাপদ দূরত্ব রেখে তাঁবুর চারদিকে চক্কর দিলো। এরপর শিকারি বিড়ালের মতোই ওত পেতে অপেক্ষা করতে শুরু করল। দলটি থেকে একজন বীর যোদ্ধা আরও কাছ থেকে মুসলমানদের অবস্থা দেখার জন্য পায়ে পায়ে এগিয়ে গেল, কিন্তু টহল বাহিনীর হাতে ধরা পড়ে গেল সে। তাকে কমান্ডারের কাছে নেওয়া হলে কমান্ডার বলল—’একে ছেড়ে দাও। আমরা এখানে লড়াই করার জন্য আসিনি। লড়াই করতে চাইলে এদের কেউ প্রাণ নিয়ে পালাতে পারত না।’

    ছাড়া পেয়ে সে তার দলবল নিয়ে ফিরে এসে আবু সুফিয়ানকে বলল- ‘হুদাইবিয়ায় আমি মুসলিম বাহিনীকে দেখেছি। আমি গোপনে তাদের খবরাদি নেওয়ার জন্য এগিয়ে গেলে ওরা আমাকে বন্দি করে তাদের কমান্ডারের কাছে নিয়ে গেল। কমান্ডার আমাকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য বলল। বলল—’আমরা এখানে লড়াই করার জন্য আসিনি। লড়াই করতে চাইলে এদের কেউ প্রাণ নিয়ে পালাতে পারত না।’’

    আবু সুফিয়ান বলল—’তাহলে ওরা কেন এসেছে, তামাশা দেখার জন্য? তোমার কথার মাথামুণ্ডু কিছুই আমি বুঝতে পারছি না! লড়াই করতে না চাইলে ওরা হুদাইবিয়ায় এসে তাঁবু গেড়েছে কেন? ওরা তোমাকে ধোঁকা দিয়েছে, যাতে আমরা লড়াইয়ের প্রস্তুতি না নিই। আর সেই সুযোগে ওরা এসে আমাদের পরাজিত করতে পারে। কিন্তু খোদার কসম! আমি মুহাম্মাদের এ চাল সফল হতে দেবো না। আজ রাতেই আমাদের বাহিনী তাদের এ দুঃসাহসের ফল কী হতে পারে তা বুঝিয়ে দেবে।’

    এ ঘটনার একটু পর। হুদাইবিয়ার দিক থেকে এক আগন্তুককে আসতে দেখল মক্কাবাসী। লোকটি এসে আবু সুফিয়ানকে কোথায় পাওয়া যাবে জানতে চাইল। লোকজন দলবেঁধে তাকে ধরে আবু সুফিয়ানের কাছে হাজির করল। আবু সুফিয়ান বলল—’বলো, তুমি কী জন্য এসেছ? আমাকেই-বা খুঁজছিলে কেন?’

    ‘আমি মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর কাছ থেকে দূত হিসেবে এসেছি। আপনার জন্য তাঁর পক্ষ থেকে একটি পয়গাম আছে।’

    ‘কী পয়গাম?’

    ‘আমরা যুদ্ধ করার জন্য মক্কা আসিনি; এসেছি উমরাহ করতে। উমরা করেই আমরা চলে যাব।’

    ‘যদি আমরা তাঁর অনুমতি না দিই? তুমি ভালো করেই জানো, আমাদের অনুমতি ছাড়া তোমরা উমরাহ সম্পন্ন করতে পারবে না।’

    ‘হ্যাঁ, জানি বলেই আপনার অনুমতি নিতে এসেছি। কিন্তু যদি অনুমতি না দেন, তাহলে শুনে রাখুন, আমরা মক্কার লোকদের আদেশ-নিষেধ মানতে এখানে আসিনি। আমরা একমাত্র আল্লাহর হুকুমই মান্য করি।’ আগন্তুক বলল—’কাবা আমাদের কিবলা। কাবার তাওয়াফ আমাদের দ্বীনের অঙ্গ। আমাদের ইবাদতে কেউ বাধা দিক তা আমরা চাই না। দিলেও সে বাধা আমরা গ্রাহ্য করি না। যদি মক্কার জনগণ আমাদের ইবাদতে বাধার সৃষ্টি করে, তবে অহেতুক রক্তপাত ঘটবে। মক্কার জনগণের রক্তে সিক্ত হবে কাবার মাটি। আমরা এমনটি চাই না। কিন্তু বাধ্য করলে আমরা এই জনপদকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করতেও পিছপা হব না। আমি শান্তির বার্তা নিয়ে এসেছি। আমাদের শান্তিতে উমরাহ করতে দাও, আমরা তোমাদের দিকে চোখ তুলেও তাকাব না। আর যদি বাধা দাও, মক্কার অলিগলিতে রক্তের স্রোত বয়ে যাবে। অস্ত্র ও জনবলকে আমরা ভয় পাই না। তুমি জানো, ভয় আমাদের অভিধানে লেখা নেই। জীবন আমাদের কাছে যতটা প্রিয়, দ্বীনের জন্য জীবন দেওয়া আমাদের কাছে তার চেয়েও বেশি প্রিয়।’

    আবু সুফিয়ান আগন্তুককে থামিয়ে দিয়ে বলল—’থামো! তুমি কি আমাদের ভয় দেখাচ্ছ? এত বড়ো শহর, বিশাল বাহিনী, আমাদের নিরাপত্তাবেষ্টনী, সর্বোপরি মক্কার বিপুল জনগণ যার পক্ষে, তাদের কি গুটিকয়েক আগন্তুককে দেখে ভয় পাওয়া উচিত?’ আবু সুফিয়ান উপস্থিত লোকজনের চিৎকার ও চেঁচামেচির কারণে কথা বলতে পারছিল না। মক্কার লোকজন তখন তারস্বরে চিৎকার করে বলছিল—’এই উদ্ধত লোকটিকে হত্যা করো, কতল করো ওকে।’ খালিদের রক্তও গরম হয়ে উঠেছিল। আবু সুফিয়ান লোকদের দিকে ফিরে হাত তুলে সবাইকে থামতে বলল। বলল—’দুর্বলরা সব সময় বড়ো বড়ো কথা বলে নিজেদের দুর্বলতা ঢাকতে চায়। নিজেদের মনে সাহস সঞ্চয় করতে চায়। এ লোক একজন দূত। দূতকে হত্যা করে দুনিয়াবাসীর সামনে নিজেদের কলঙ্কিত করতে চাই না। তোমরা থামো। এখানে খালিদ আছে, বিভিন্ন গোত্রের নেতারা আছেন। আমাদের ওপর আস্থা রাখো। আমরা মক্কাবাসীর সম্মান ও মর্যাদার কথা মনে রেখেই এর ফয়সালা করব।’ তিনি খালিদকে ইশারা করলেন জনতাকে শান্ত করতে।

    আগন্তুকের কথা শুনে খালিদের রক্তও গরম হয়ে উঠেছিল। কিন্তু জটিল পরিস্থিতিতে মাথা ঠান্ডা রাখা নেতৃত্বের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। খালিদের ইশারায় তাঁর রক্ষীরা লোকজনকে শান্ত করল এবং একটু দূরে সরিয়ে দিলো।

    আবু সুফিয়ান উপস্থিত নেতৃবৃন্দের দিকে তাকিয়ে বললেন—’এ লোক এখন আমাদের মেহমান। একজন দূতকে এভাবেই গ্রহণ করা দুনিয়ার নিয়ম। ইচ্ছে করলে এ লোককে আমরা অবশ্যই হত্যা করতে পারি, কিন্তু দূতকে কোনো বীর জাতি হত্যা করে না, এটা কাপুরুষতার নামান্তর। আমার মনে হয় তাকে আমরা আমাদের পছন্দমত শর্তে সন্ধি করার জন্য বলতে পারি। যদি ওরা আমাদের শর্ত মানতে রাজি না হয়, তখন তাদের হত্যা করলে অন্যায় কিছু করা হবে না। কি বলো তোমরা, আমরা কি তাদের সন্ধির প্রস্তাব দিতে পারি?’

    উপস্থিত নেতৃবৃন্দের সম্মতি পেয়ে আবু সুফিয়ান আগন্তুককে বলল – – ‘তুমি মুহাম্মাদকে গিয়ে বলো, সে যদি আমাদের পছন্দমতো শর্তে সন্ধি করতে রাজি থাকে, তাহলে সন্ধিচুক্তির মাধ্যমে এর ফয়সালা হতে পারে। দুই পক্ষের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা একত্রে বসে এই সন্ধিচুক্তির শর্ত নির্ধারণ করবে।’

    খালিদের ঘোড়া ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে মদিনার দিকে। ঘোড়ার পিঠে বসে আছে খালিদ, মনে তোলপাড় করছে পুরোনো দিনের অসংখ্য ঘটনা। খালিদ যেন স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছে সেই আগন্তুককে। কী নির্ভীক তাঁর চাহনি! কথা বলার ভঙ্গিতে অনমনীয় দৃঢ়তার কী অপূর্ব ছাপ! চারদিকে শত্রু পরিবেষ্টিত হয়েও কী অদ্ভুত সাহসে উচ্চারণ করছে আপন বিশ্বাসের স্বপক্ষে!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকবিতাসমগ্র – আসাদ চৌধুরী
    Next Article ক্রুসেড-১ : গাজী সালাহউদ্দীনের দুঃসাহসিক অভিযান

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Our Picks

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }