Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পিঙ্গল আকাশ – শওকত আলী

    শওকত আলী এক পাতা গল্প189 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পিঙ্গল আকাশ – ৭

    ৭

    বর্ষা শেষ হয়েছে সেই কবে। এখন প্রকৃতি পরিপূর্ণ। সাদা সাদা মেঘ দেখি আকাশে ভাসতে। আমাদের বাড়ির দুয়ারে কামিনী ফুলের গাছে অজস্র ফুল ফোটে, সারারাত গন্ধে গন্ধে মাতাল থাকে হাওয়া। আমি অলস দৃষ্টিতে শুধু দেখি। আর তো কিছু করবার নেই। এখন শুধু অপেক্ষা করে থাকা। নিজের অনেক আশার আর সাধের ভবিষ্যৎটার দিকে তাকিয়ে অপেক্ষা করা।

    এমনি দিনে আমার বন্ধুরা আসে। বন্ধু বলতে পাড়ার মেয়েরা। পুরনো জানাশোনাদের মধ্যে আসে তাজিনা। ওর স্বামী তিন বছরের জন্যে বিদেশ গিয়েছে। ও এসে প্রেমের গল্প জমায়। সব ওর নিজের প্রেমের গল্প।

    যদি আমি এ ব্যাপারে কিছু বলি তো হাসে ও। বলে, তুমি অতো সিরিয়াসলি দেখো কেন ব্যাপারটা। আমার স্বামী বিদেশে যে তিন তিনটা বছর কাটাবে, তা কি শুধু ব্রহ্মচর্য পালন করে। নিশ্চয়ই কোনো না কোনো মেয়ের সঙ্গে ওর জানাশোনা হবে। জীবনের উপভোগটা কি ও বাদ দিয়ে রাখবে! আফটার অল লাইফ ইজ সামথিং টু এনজয়।

    এ যুক্তির ওপর ও সিদ্ধান্ত টানে। বলে, তাহলেই দেখো, আমারও শুধু চিঠি লিখে আর চোখের জল ফেলে তিন তিনটে বছর কাটিয়ে দেয়ার কোনো মানে হয় না।

    ওর কথা শুনে ভয় করে আমার। এমন কথা কেউ বলে নি আমাকে। কোথাও শুনি নি। ইস্ কি ভয়ঙ্কর কথা ওর!

    রঞ্জুর যে খবর বললো সেটাও অবাক করে দেয়ার মতো। রঞ্জুরা ঢাকায় রয়েছে। ওর চিঠি খুলে দেখায় তাজিনা। সে চিঠিতে ওর বন্ধুদের কথা। সবগুলো এখন পুরুষ বন্ধু ওর। ওর চিঠি পড়ে শেষটা মন্তব্য করে তাজিনা, মেয়েটা ভীষণ বোকা ছিলো এখানে, এবার যদি কিছুটা চালাক হয়।

    চেষ্টা করেও আমি চুপ থাকতে পারি না। জিজ্ঞেস করি, তাহলে ওকে যে ভালোবেসেছে—তার কি হবে।

    আমার কথায় সে কি হাসি তাজিনার। যেন আমি খুব হাসির কোনো কথা বলছি বললো, অমন প্রেম কে না করেছে দু’চারটা। স্কুল ছাড়াতে ছাড়াতেই একটা মেয়ে কতবার করে প্রেম করে। ওর তো মোটে একটা—তুমিও যেমন!

    ও একেকদিন টেনে নিয়ে গিয়েছে ওদের বাড়িতে। গিয়ে দেখি, কোনো কোনোদিন চায়ের জমজমাট আসর বসেছে। একদিন বেনুকেও দেখলাম। তাজিনা সেদিন ওর এক বন্ধুর সঙ্গে আলাপ করিয়ে দিলো। আমি তো অবাক। এই নাকি বন্ধু। বছর চল্লিশের বিরাট একটা পুরুষ মানুষ। কোথাকার যেন ব্যবসায়ী। এখানে এসেছে দিন কয়েকের জন্যে।

    মেয়েদের যে পুরুষ বন্ধু হয়, এই যেন প্রথম জানলাম। না, জানলাম না, দেখলাম। গল্পে পড়েছিলাম এতোদিন। এখন দেখলাম সত্যি সত্যি। তাজিনা আমার কাছে যেমন সহজ হতে পারে, একটুতেই গায়ের ওপর হুমড়ি খেয়ে পড়তে পারে—তেমনি সহজ হতে পারে কাসেম সাহেবের কাছেও, তেমনি হুমড়ি খেয়ে পড়তে পারে তার গায়ের ওপর। কথায় কথায়, কারণে অকারণে হাসতে পারে খিলখিল করে।

    আমি যতোই দেখি, ততোই অবাক হই। আশ্চর্যের বিষয় মনে হলো, বেনু ওদের সাথে অনেক দিনের পুরনো বন্ধুর মতো ব্যবহার করছে।

    আরও আশ্চর্য ব্যাপার, সে ঘরে এতো খিলখিল হাসি, এতো কথা – কিন্তু কেউ ভুল করেও উকি দিয়ে দেখলো না, ঘরের ভেতর কী হচ্ছে।

    জানলাম একটু পর আরও ভালো করে, কাসেম খান ব্যবসায়ী নয় তেল কোম্পানীর চাকুরে। তাজিনার বাবা একটা ফিলিং স্টেশন বসাবেন সেই ব্যাপারে প্রায়ই আসতে হয় ভদ্রলোককে।

    ফিলিং স্টেশন কি? একটু আড়াল পেয়ে জিজ্ঞেস করলাম তাজিনাকে।

    ও-মা, জানো না। মেয়েটা আমার অজ্ঞতা দেখে করুণা করলো যেন। বললো পেট্রোল পাম্প-এর আমেরিকান নাম ওটা।

    ভদ্রলোকের কথায় আরও অনেক বিদেশী শব্দ ছিলো। কতক বুঝলাম, কতক বুঝলাম না। আমি জানতাম না মোটর গাড়িকে অটোমবিল বলে, ভাড়াটে ট্যাক্সির নাম ক্যাব, পুলিশের নাম ক’প। আরও যেন কী কী সব শব্দ।

    আই’ড লাইক টু গেট য়ু এ পিকনিক দ্য মোমেন্ট আই গেট থ্রু মাই জব হিয়ার আইল জাম্প আপন এ ক্যাব এ্যান্ড পিক্ য়ু অল্ আপ্।

    এই নাকি ইংরেজি। তবু তো এ অংশটুকু বোঝা যায়। এমন ইংরেজি কিন্তু খবরের কাগজেও থাকে না। আমার হাসি পাচ্ছিলো ভীষণ। কাসেম সাহেবের কালো আর মোটা মোটা ঠোঁট আর শক্ত মাংসল ঘাড় থেকে যেন শব্দগুলো খসে খসে পড়ছিলো। দেখছিলাম ভদ্রলোক গলা খুলে হাসছেন আর আমার দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছেন। তারপর হঠাৎ, হ্যাঁ হঠাৎ দেখলাম ভদ্রলোকের চোখ দুটো। আমি স্তব্ধ হয়ে গেলাম মনে মনে। সেই হাসি আর উল্লাসের মাঝখানে কেন জানি না আমার ভয় লাগলো। ভদ্রলোকের চোখে কি বিশ্রী রকমের একটা আবিলতা। মানুষের নজরেও যে গা ঘিনঘিন করে ওঠা নোংরামি থাকতে পারে—এই প্রথম দেখলাম।

    একটু পর আবার হেসে উঠলেন ভদ্রলোক। আমাকে ডেকে বললেন, তুমি আসতে পারবে না?

    না, না, আমি কেন আবার, আমি বিব্রত হয়ে উঠেছি তখন।

    হ্যাঁ হ্যাঁ যাবে ও। কেন যাবে না। আমি যখন যাচ্ছি, দুলু ভাবী যখন যাচ্ছে—তখন ও যাবে না কেন?

    বেও হেসে হেসে বলেছে দূর থেকে, যাবে না কেন। নিশ্চয় যাবে। ও তো বাইরে বেরুবার সুযোগই পায় না আজকাল।

    আমি সেদিন বাড়িতে ফিরলাম অনেকটা সহজ আনন্দ নিয়ে। আজ বহুদিন পর একটু হেসেছি। হাল্কা মন নিয়ে বাড়ি ফিরে বহুদিন পর আমার সেদিন ভালো লাগলো। মনের ভেতরে কোথায় যেন একটুখানি অস্বস্তি খচ খচ করছিলো। সেটা হয়তো কাসেম সাহেবকে ঠিক বুঝতে না পারার জন্যে। কিন্তু মানুষকে অতো সহজে আর কেই বা বুঝতে পেরেছে কবে। আজকের এই বিকেলটা আমার ভালো লাগলো, এই তো যথেষ্ট। ওদের মধ্যেকার যে অস্পষ্ট সম্পর্কই থাক, তাতে আমার কি?

    যদি তেমন মনে করি তো না হয় যাবো ওদের সঙ্গে পিকনিকে। কতোদিন আমি বাইরে যাই না।

    হায়রে। যদি না যেতাম। তখন বুঝেও যেন বুঝতে চাই নি। আমার ভেতরে যে হ্যাংলা মেয়েটা রয়েছে সে-ই আমাকে নিয়ে গিয়েছে। সেই মেয়েটা, যে একটুতেই অবুঝের মতো খুশি হয়ে উঠতে পারে, লোভে হাত বাড়াতে পারে—সেই আমার সর্বনাশ করলো। যদি জানতাম, হায়রে! যদি জানতাম!

    আনিসের চিঠি এলো আবার। ও লিখেছে, রাহুলের কাছে বাড়ির সব খবর পেলাম। আমার ট্রেনিং শেষ হয়ে এলো। এ মাসের শেষেই ফিরছি। কী আনবো তোমার জন্যে?

    আনিস আসবে। আমার সারা মন খুশিতে ছলছল করে উঠলো। এ যেন জীবনের সব চাইতে পরম সার্থকতার জন্যে অধীর হওয়া। আমার সারা মনে গান হয়ে বাজতে লাগলো তার আসার খবর। রাতে আমার ঘুম এলো না সেদিন, জানালার কাছে দাঁড়িয়ে আকাশটাকে দেখলাম। আনিস আমাকে চিনিয়ে দিয়েছিলো আকাশের কতগুলো তারাকে। সবগুলোকে খুঁজে খুঁজে বার করলাম। উত্তরের সেই গ্রেটবিয়ার, মাঝ আকাশের ক্যাসিওপিয়া, পূর্ব আকাশে অরিয়ন, তার পাশে গ্রেট ডগ আর একপাশে রক্তিম উজ্জ্বল অরাগল।

    কিন্তু সব ছাড়িয়ে দৃষ্টি বারবার গিয়ে পড়লো পশ্চিম আকাশে স্কোপিও নক্ষত্রের উপর। বৃশ্চিক রাশির দাঁড়া দু’টো স্পষ্ট দেখতে পেলাম। কে জানে কেন, কেবলই মনে হতে লাগলো সারা আকাশে বুঝি একটি কাঁকড়া বিছে তার বিশাল বিষাক্ত দাঁড়া দুটো ছড়িয়ে দিয়েছে কোনো কিছুকে ধরবার জন্যে।

    সেই প্রকাণ্ড আকাশ আর নিঃশব্দ রাত্রি—মাঝখানে একা আমিই জেগে। আমার সেই জেগে থাকা নিঃস্ব সময়ে এক সময় আমি আনিসকে ভুলে গেলাম। ওর চিঠির কথা মনে এলো না। কেবলই মনে হতে লাগলো কাঁকড়া বিছেটা ক্রমেই যেন স্পষ্ট হচ্ছে, ক্রমেই যেন নিচে নেমে আসছে আর যতোই নিচে নামছে, ততই তার বিশাল দাঁড়া দুটো আরও বড় হয়ে উঠছে।

    জানালাটা বন্ধ করে দিলাম। সরে এলাম বিছানার কাছে। শিয়রের জানালার কাছ থেকে দেখলাম অরাগল নক্ষত্রটাকে। শুয়ে শুয়ে একেক বার বৃশ্চিক রাশির ছায়াটা ভাসতে দেখলাম চোখের ওপর। আমি নজর ফিরিয়ে নিলাম আকাশের দিকে। চেয়ে থাকলাম সেই রক্তিম আর উজ্জ্বল অরাগল নক্ষত্রের দিকে। একটি তারার দিকেই তাকিয়ে তাকিয়ে আমি ডাকলাম, আনিস আনিস! আমার ঘুম পাচ্ছে না কেন?

    সেই তারাটা ক্রমে লাল হতে হতে একটি রক্ত বিন্দুর মতো হয়ে গেলো। সেই রক্ত বিন্দুটা আমার চেতনায় জেগে রইলো কিছুক্ষণ, তারপর আমি এক সময় ঘুমিয়ে পড়লাম।

    বেনু আজকাল কম আসে। যখন আসে, তখন দু’ পাঁচ টাকা দিয়ে যায় মা’র হাতে। সে টাকা খরচ হয় মা’র জন্যে ওষুধ-পত্তর কিনতে। মম পুতুলের দুধ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। বেনুকে সে কথা মা জানালো। বেনুৱ সে কি রাগ। বললো, আমি যে তোমাদের টাকা দেবো, তাতে আমার কী লাভ?

    মা কাতরাতে কাতরাতে বললো, বেনুরে তুই আজ এ কথা বলছিস।

    হ্যাঁ আমিই এ কথা বলছি। আজ প্রায় একটা বছর ধরে তোমাদের সংসার দেখাশোনা করছি, তাতে কী লাভ হয়েছে আমার। একটা ভাঙা দোকান কাঁধে চাপিয়ে দিয়েছিলে, সেই বোঝা টানতে টানতে প্রাণান্ত হয়ে গেলাম।

    তুই ছাড়া আমার আর কেউ নেই বাবা! মা’র অস্ফুট কাতর স্বর শোনা যায়।

    আমি ছাড়া কেউ নেই। বেনু বিদ্রূপ করে বাঁকা মুখে। বলে, কেন তোমার ছেলে রয়েছে তো! যার সঙ্গে তোমার মেয়ে পীরিত জমিয়েছে।

    মা চুপ করে গেলো। আমি শুনলাম। একটু পর বেনু ঘর থেকে বেরিয়ে গেলো।

    আমি বুঝতে পারি না কেন বেনু আমার সঙ্গে আজকাল খুব ভালো ব্যবহার করে। ওর অমন সুন্দর আচরণ দেখে মাঝে মাঝে মনেও থাকে না যে ও এক সময় আমার দিকে লোভী হাত বাড়িয়েছিলো। ওর জন্যে একেক সময় আমার কষ্ট হয়। সত্যি তো, ওর দোষ তো কিছু নেই। স্বাভাবিক মানুষের মতোই ও লোভী হয়েছিলো। মাঝে মাঝে আমার কেমন যেন মনে হয়, ওর একটা সচেতন মন রয়েছে আমারই কাছে পড়ে। এ জন্যে নিজেকে সময় সময় এত অপরাধী মনে হয়।

    ও কখনোও বলে মাথা নিছু করে, তোর রাগ আজো পড়লো না। আমার এই এক দুঃখ থেকে গেলো চিরকালের জন্যে।

    কখনোও বলে, মানুষ কি চিরকালই এক রকম থাকে? যদি জানতাম, আনিসের সঙ্গে তোর কোনো রকম সম্পর্ক হয়েছে, তাহলে কি আমি তোর কথা এমন করে ভাবতাম! ভাবতাম না, ভাবলেও তোকে অন্ততঃ টের পেতে দিতাম না। আমিও বুঝি মঞ্জু, ভালোবাসা কাকে বলে?

    আমি শুনেছি ওর কথা। আর দেখেছি, কেমন মাথা নিচু করে আসে, কেমন চুপচাপ চলে যায়। কখনোও সহজ স্বরে বলে, মঞ্জু লক্ষ্মী বোনটি, যদি এককাপ চা খাওয়াতে পারিস।

    আমি অবাক হয়ে যেতাম। ভালো লাগত আমার। কিন্তু তবু সংশয় কেন যেন জেগে থাকতো। আর তার কারণ ছিলো ওর চোখ দু’টো। কি বিষণ্ণ অথচ তীব্র সে চাহনি। যেন কোনো পশুর চোখ। দেখি আর মাঝে মাঝে চমকে উঠি আমি। তারপর আবার নিজেরই মনে ভেবেছি, এ হয়ত আমারই মনের ভুল। ওর সম্বন্ধে আমার পুরনো ধারণাগুলো মরে যায় নি বলেই আমি ওকে সহজভাবে গ্রহণ করতে পারছি না। যা দেখছি, ভুল দেখছি।

    কিন্তু মনের সেই সংশয়টাকেও যে স্থির বিশ্বাসে দাঁড় করাতে পারি না। আর সে জন্যেই হয়তো বেনু যখন আমার সঙ্গে কথা বলতে আসে, আমি ওর সঙ্গে কথা না বলে পারি না। আবার ও চলে গেলে তখন ভাবতে বসি, কেন এমন ভাবে কথা বললাম।

    আর যদি বা এড়িয়ে যাই ওকে, তখন ও চলে গেলে ভাবতে বসি, কেন ওকে এড়িয়ে গেলাম। ওর সঙ্গে কথা বললে ক্ষতিটা ছিলো কোথায়? আমি এতো দুর্বল কেন?

    আমি সহজ হতে চাইলাম এবার। শেষবারের মতো।

    মা’র রোগার্ড দীর্ঘশ্বাস শুনি। মা বলে, আমি আর বাঁচব না রে মঞ্জু, তুই মম আর পুতুলকে দেখিস।

    তাজিনা আসে মাঝে মাঝে। গল্প করে। ওর সেই পুরনো গল্প। ওর দুলু ভাবীকে নিয়ে এসেছিলো একদিন। মহিলার একটু বয়স হয়েছে। কিন্তু মোটে বোঝা যায় না। ভারী সুন্দর করে সাজতে পারে মহিলা।

    মার সঙ্গে অনেক গল্প করলো মহিলা। আমার সঙ্গে বন্ধুত্ব জমাবার চেষ্টা করলো। যাবার সময় বলল, চলো একদিন পিকনিক করে আসা যাক।

    মা শুনে শুধু সপ্রশ্ন চোখ তুলে চাইলো। আর দুলু ভাবী হেসে বললো, না, না, ভাববেন না কিছু। দিনে দিনেই ফিরে আসবো। আপনাদের বেনুও যাবে সঙ্গে, তাছাড়া তাজিনা ত’ আছেই।

    .

    আমি জানি না, আজ আমার মতো অবস্থায় অন্য কোনো মেয়ে কী করতো। এ ডায়েরী লিখছি মোটে কটা মাস ধরে। কিন্তু কতো অদল-বদল ঘটলো আমার ধারণার। কতো পরিবর্তন দেখলাম আমার দু’পাশে। দেখলাম আর ভাবলাম, এই বোধ হয় চরম ঘটনা ঘটে গেলো আমার জীবনে। কিন্তু দেখেছি, ঘটনার পরও ঘটনা আছে। জীবনের শেষ কথা বলে কিছু নেই। কোনো এক সময় ভেবেছি, আমি কী করবো এরপর? কোনো পথ খুঁজে পাই নি। ভেবেছিলাম আমার জীবনের আশ্রয় শেষ হয়ে গেলো, বাঁচবার আর পথ খোলা নেই। কিন্তু তবু দেখছি, আমি ঠিক বেঁচে রয়েছি। আর দশজনের মতো ঠিকই চলে ফিরে বেড়াতে পারছি, আমার মনও ঠিকই কাজ করে চলেছে। দাদুর মৃত্যুর পর ভেবেছিলাম, এই শেষ হলো আমার জীবনের সব চাইতে চরম ঘটনাটি। পরে দেখলাম, না, তারও পরে ঘটনা আছে। আনিস যখন আমাকে জাগিয়েছে, তখন সেই জাগার লগ্নে ভেবেছি, এটাই তো আমার জীবনের সবচাইতে বড় ঘটনা। আমি সুখী হতে চেয়েছি সেই জেগে ওঠার পর থেকে। তারপর আকরাম আর মার সম্পর্ক, বাবার মৃত্যু—একের পর এক ঘটনাগুলো ঘটলো। দেখলাম চৌধুরী বাড়ি ভেঙে পড়লো আমার চোখের সামনে। তবু আমি বেঁচে গেলাম। বাবা মরলো, মা থেকেও সেই কবেই মরে গিয়েছে। মম্ পুতুল মরে যাবে—শুধু বাঁচল আনিস, বাঁচলাম আমি আর বাঁচলো রাহুল। আনিস রাহুল হয়তো অনেক আগেই এ বাড়ির সঙ্গে সম্পর্ক চুকিয়ে দিয়েছিলো বলেই বাঁচতে পারল। কিন্তু আমি? আমি এই বাড়ির প্রতিটি তুচ্ছ মুহূর্তেও জড়িয়ে ছিলাম। সব ঘটনা ঘটে গিয়েছে আমারই চোখের সম্মুখে। সব দেখেও, সব জেনেও, আমি বেঁচে গেলাম। আমার মনে হয়, এই ধ্বংসের স্রোত থেকে কোথায় যেন আমি কিছুটা দূরে সরিয়ে রেখেছিলাম নিজেকে। সেই জন্যেই ওদের আর সবার থেকে সরে থাকতে পেরেছি। কিন্তু এখন? সেই ধ্বংসের স্রোত থেকে গা বাঁচিয়েও তো নিজেকে বাঁচাতে পারলাম না।

    আমার জোর ছিলো একটাই। জীবনকে আমি সুন্দর করে গড়ে তুলতে চেয়েছি। বারবার আমি প্রার্থনা করেছি—আমি শুভ্র হবো, আমি সুন্দর হবো।

    জীবনের কাছে আমি বরাবর হাত পেতেছি। বেঁচে থাকবার জন্যে। সব সুখ সব সাধ নিয়ে সফল হয়ে ওঠার জন্যে আমি বারবার ছুটে গিয়েছি আনিসের কাছে। কেন না জানি, আনিসই আমাকে বাঁচতে বলবে। ওরই কাছে রয়েছে আমার সেই সাহস।

    আমার কতো সাধ ছিলো আনিসকে পাবার। আনিস ফিরে আসছে আমার কাছে। কিন্তু আমি কি আর পারবো ওর সম্মুখে গিয়ে দাঁড়াতে মনেৱ সেই জোর নিয়ে। যে আমাকে বাঁচতে বলেছে, যার কাছ থেকে আমি মনের সেই জোর পেয়েছি—তাকে হারিয়ে আমি বাঁচবো কেমন করে।

    আমার সব গেলো। যে শক্তি নিয়ে, যে সাহস নিয়ে আমি বিপদের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছি এতকাল সেই শক্তি নিয়ে আমি ওদের রুখতে পারলাম না। নিজে রইলাম স্থির আর একাগ্র হয়ে কিন্তু তাতে ওদের তো কোনো অসুবিধা হলো না। আমাকে আমারই ভেতরকার আর কোনো একটা সত্ত্বা দুর্বল করে রেখেছিলো। অনেক আগেই সেটা আমাকে হারিয়ে দিয়ে বসে আছে। অথচ আমি তা জানতাম না। সেই সত্ত্বাটা লোভী, সেই সত্ত্বাটা হিংসুটে। সেটাই আমাকে বারবার করে বাইরের লোভ দেখিয়েছে।

    আমি ওদের ওপর প্রতিহিংসা নিতে পারি। কিন্তু তাতে আমার লাভ কি? আনিসকে তো আর ফিরে পাবো না। আনিসও তো মানুষ, তারও তো ঘৃণা আছে। তারও তো ঈর্যা আছে। আর সেই ঘৃণা আর ঈর্ষা যদি কোনোদিন জেগে ওঠে— তাহলে আমি দাঁড়াবো কোথায়?

    আজ ক’দিন হলো আমি ভাবছি। কিন্তু কোনো পথ খুঁজে পাচ্ছি না। কেন না আমি জানি, আমার শত্রু রয়েছে আমারই ভিতরে, আমারই বাইরে। আমার নিজেরই অনুভূতির কতো আঁকাবাঁকা গতিপথ। যেসব অনুভূতিকে চিনতাম না, সেইসব অনুভূতি আমাকে শক্তিহীন করে ফেলেছে অনেক মুহূর্তে। আমার সেই রিক্ততার কথা, নরক যাত্রার বর্ণনা, আমার সেই নিহত হওয়ার কাহিনী কাউকে জানাতে পারলাম না। যদি কেউ জানতো! হায়রে!

    এখন আমাকে মরতে হবে। মৃত্যু ছাড়া এখন আর অন্য কোনো পথ দেখি না। ছোট আপার মতো অবস্থা আমার তো নয়। ছোট আপা শুধু ঘর বাঁধতে চেয়েছিলো, খুঁজে বেড়িয়েছিলো সেই সব মানুষকে। ও ঘৃণার পাথার পেরিয়েও হয়তো পেয়ে যাবে কোনো ডাঙা। আবার হয়তো ফিরে আসতে পারবে। কিন্তু আমি? আমার যে ঘৃণার অবধি নেই। নিজেরই ওপর ঘৃণা হচ্ছে আমার। আমি এখন এই ঘৃণার সাগরে ডুবে মরবো। এখন এছাড়া অন্য গতি দেখি না।

    নিজেকে সুন্দর বলতে পারবো না। কোনোদিন না। যদি আমি নিজেকে নিষ্কলুষ ভাবতে পারতাম, হায়রে!

    না, মানুষের দেহ কলুষিত হতে পারে—এমন গোঁড়ামি আমার নেই। কোনো শ্বাপদ যদি মানুষের ক্ষতি করে, তাহলে আমি সেই মানুষকে দোষী করবো কোন যুক্তিতে? আমার যতো ঘৃণা সব যে এখন নিজেরই দুর্বলতার জন্যে। আমার প্রতিরোধের সব ক্ষমতা কেমন করে সেদিন হারিয়ে গেলো সেই সময়? সেই ভয়ঙ্কর নগ্নতার কথা মনে পড়লে আমি এখন আর্তনাদ করে উঠি। ঘুমের ঘোরে স্বপ্নে যদি কাসেম খানের মুখটা দেখি কোনো রাতে, তাহলে চিৎকার করে উঠি।

    সেদিন সেই সময় আমার অনুভূতিগুলোই আমার সঙ্গে প্রতারণা করেছে। আমার মনের চাইতেও শরীরটা হঠাৎ যেন বড় হয়ে উঠলো। আমি কেন হেরে গেলাম? এ শুধু বাইরে বাইরে হেরে যাওয়া নয়। মনের ভেতরেও যে আমি হেরে বসেছিলাম একটা পশুর কাছে। যে পশুটা ছিলো আমারই ভেতরে লুকিয়ে। অথচ আমি কিছুই জানতাম না। এখন জেনেছি আর এই হার আমাকে এনে ফেলেছে ঘৃণার কূলহীন পাথারে। যা আমি কোনোদিনই অতিক্রম করতে পারবো না।

    .

    কোনোদিন আমি আর বলতে পারবো না, আমি সুন্দর হতে চাই, আমি শুভ্র হতে চাই। কোনোদিন আমি আর আনিসকে ছুঁতে পারবো না। এতোকাল ধরে ভেতরে বাইরে এতো বাধার পাহাড় পার হয়ে এসে শেষ মূহূর্তে আমি আনিসকে হারিয়ে ফেললাম।

    আমি জানি, কেউ জানবে না ব্যাপারটা। হয়তো আমি আনিসকে নিয়ে দূরে কোথাও চলে যেতে পারি। ও আমাকে হয়তো সারাজীবন বিশ্বাসও করবে। কিন্তু আমার এই একবারের নিহত হওয়ার কথা কেমন করে নিজের কাছে লুকিয়ে রাখবো? লুকিয়ে রাখলেও, সেই নিয়ত আত্মগোপনের প্রতিটি মুহূর্তে কি আমার বিন্দুমাত্র সুখ-সাধকে বাঁচিয়ে রাখতে পারবো? আমার সুখ-সাধ সব যে মরে যাবে। সেই পরাজয় দিনে দিনে আমাকে কুরে কুরে খেয়ে ফেলবে। বার বার আমি হাত বাড়িয়েছি, অন্ধকার একটা ঘরের দরজা খুলে আলোকিত পথে বের হয়ে আসার জন্যে, আর বার বার কেউ যেন আমাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়েছে সেই অন্ধকারেই। ফেলে দিয়েছে আর সশব্দে নিষ্ঠুর হাতে দরজা বন্ধ করেছে।

    এই শক্তিকে নিয়তি বলবো না। ভাগ্য বলে মেনে নিতেও আমার বাধে। এ শক্তি আছে মানুষেরই ভেতরে। সেই লোভ, সেই ঈর্ষা আর ঘৃণা মানুষকে ফাঁদ তৈরি করতে শিখিয়েছে। বাইরের জগতটাকে সাজিয়ে তুলছে ইচ্ছে মতো। তারপর সেই বাইরের জগতটাকে দেখেই মানুষ নিজে নিজে তৈরি হচ্ছে। নিজে তৈরি হয়ে সেই মানুষই আবার তৈরি করছে বাইরের পৃথিবীকে। আর সেই পৃথিবী আবার তাকে দুর্বল পেয়ে হত্যার দিকে, অন্ধকারের দিকে বার বার ঠেলে দিচ্ছে।

    আমাকে বাঁচতে দেবে না ওরা। আমি বারবার চেষ্টা করলাম, আর ওরা বারবার ফিরিয়ে দিলো।

    মা, মম, পুতুল, আনিস, রাহুল—এরা একে একে মরে যাবে সবাই।

    আমি জানি, মা এবার মরবে। যে সন্তান এসেছে তার পেটে তাকেও মরতে হবে। মম পুতুল মরবে। আর মরবে আনিস। সুন্দর হয়ে বাঁচতে পারবে না ও। ও আবার ঘৃণার লোভের আর ঈর্ষার কাদায় গড়াগড়ি খাবে।

    আমি সেই কুটিল ক্লেদাক্ত দিনের কথা মৃত্যুর আগের মুহূর্ত পর্যন্ত ভুলতে পারবো না। মা বাবাকে হত্যা করেছে আর আমাকে হত্যা করলো এরা সবাই মিলে।

    আমার এই যন্ত্রণার জীবনে নীল পাহাড়ের পাখির মতো এসেছিলো সুন্দর সাধের কটা দিন। সেই সাধের দিন কটাকে আমি বুকে করে রাখতে চেয়েছিলাম, কিন্তু কেউ দিল না তা রাখতে। কার কাছে আমি প্রতিবাদ করবো? কে শুনবে আমার কথা?

    আইন শাসনের কথা জানি না। কাসেম খানের বিরুদ্ধে লড়ে আমি কিছু করতে পারবো না। আর কী নিয়ে আমি দাঁড়াবো ওদের বিরুদ্ধে। জন্ম থেকেই তো আমি একটা অস্থির পাহাড়ের চুড়োয় পা রেখেছি। টলমল করছি নিজেকেই দাঁড় করিয়ে রাখতে।

    না, আমি কাঁদছি না। যা কাঁদবার সেদিনই আমি কেঁদে নিয়েছি।

    আনিসকে এখন আমি কেমন করে মুখ দেখাব? আমারই ভেতরে এখন কেউ বার বার করে বলবে, মঞ্জু তুই মিথ্যুক! সারাজীবন মিথ্যার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে শেষ পর্যন্ত তুই নিজেই মিথ্যুক হলি। আর যখন জানবে আনিস, তখন ওর সুন্দর শুভ্র মুখের ওপর ঘৃণা কেমন করে সহ্য করবো আমি। বিপদে পড়ে আমি আকুল হয়ে খোদাকে ডেকেছি। আমার সেই বিপদ, সেই সঙ্কট খোদাকে ডেকেও কাটে নি। আজকের এই বিপদের দিনে কোনো বিধাতা আমার পাশে এসে দাঁড়াবে!

    এ বিপদকে তো বিপদ বলে মনে হয় না আজকাল। বিপদ বুঝবো তখনই যখন তার একটা সমাধানের পথ থাকে। যে বিপদের পর সেই তাকে অতিক্রান্ত হয়ে যাওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকে। আমার এই সময়ের চারপাশে তো এখন অতিক্রান্তির কোনো সম্ভাবনা নেই, সমাধানের কোনো পথ নেই। যে লোক চিরকালের জন্যে অন্ধকারের ভেতরে চলে গিয়েছে, সে অন্ধকারকে আর অন্ধকার বলবে কেমন, করে।

    এর চাইতে বড় বিপদ আমার জীবনে আর কিছু হতে পারে না। এর চাইতে বড় কোনো বিপদ মানুষের জীবনে আসতে পারে না। এখন কী নিয়ে বাঁচবো, নিজেরই বিশ্বাসকে যে আমি হারিয়ে ফেলেছি।

    পরকালের জন্যে আমি বাঁচতে চাই না। কী লাভ? নিজের বিশ্বাস হারিয়ে প্রেতাত্মার মতো বেঁচে থেকে কী লাভ!

    মাঝে মাঝে একাকী ঘরে আমি চিৎকার করে উঠি। বার বার বলি, তোমরা আমাকে বাঁচতে দিলে না।

    গতকাল আনিসের চিঠি এসেছে। আমি খুলি নি। সেই চিঠি হাত দিয়ে ছুঁতে এখোন আমার সাহস হয় না। মনে হয় না, আমার কোনো অধিকার আছে।

    হারালাম আমি। আমার সব কিছু হারালাম। আমার সাহস, আমার সাধ, আমার অধিকার—সব কিছু নিঃশেষে হারালাম।

    নদী পার হবার সময় ব্রীজটা কেন জীপসুদ্ধ ভেঙে পড়লো না সেদিন।

    .

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রথম আলো ২ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article তোমাকে আমি ছুঁতে পারিনি – সন্মাত্রানন্দ
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Our Picks

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }