Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমি সিরাজের বেগম – শ্রীপারাবত

    August 4, 2026

    চলো দিকশূন্যপুর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 4, 2026

    গাত্রহরিদ্রা – সমীরণ গুহ

    August 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তোমাকে আমি ছুঁতে পারিনি – সন্মাত্রানন্দ

    সন্মাত্রানন্দ এক পাতা গল্প173 Mins Read0
    ⤷

    ১. কহিল অনঙ্গ মার

    ১. কহিল অনঙ্গ মার

    থামো। আর অগ্রসর হয়ো না। পিছনে ফিরে তাকাও। বাহিরে স্তব্ধবাক নীল রাত্রি। আর কক্ষের ভিতর ঘৃতপ্রদীপের আলোক। দুগ্ধফেননিভ শয্যায় শায়িতা, সুষুপ্তা তোমার স্ত্রী—জগতের সকল সৌন্দর্যের কলানিধি—সুন্দরী গোপা যশোধরা। আর তারই ঘুমন্ত বুকের পাশে দ্বিতীয়ার চাঁদের মতো নিদ্রিত শিশুপুত্র রাহুল। এইদিকে তাকাও। এই তোমার সুখের পৃথিবী। এই সুখশয্যা ছেড়ে কোন অনিশ্চিত জগতের দিকে তুমি চলে যাবে, বলো? কী চাও আর? কী পেতে বাকি আছে তোমার? কোন উন্মাদনা তোমাকে নিশিডাকের মতো বাহিরে নিয়ে যাচ্ছে আজ?

    থামো, সিদ্ধার্থ, থামো! জীবনে সুস্থিতির মূল্য আছে। অনেক শ্রম করে সেই সুস্থিতি অর্জন করতে হয়। এটুকু পেতে অনেকের সমস্ত জীবন চলে যায়, কেউ বা একে সারাজীবনেও লাভ করতে পারে না। তুমি সেই সুস্থিতিকে, সমৃদ্ধিকে জন্মসূত্রেই পেয়ে গেছ। একে এখন অবহেলা কোরো না। কোন উন্মাদনা তোমার মস্তিষ্ককে উত্তপ্ত করেছে এই নিগূঢ় নিশীথে?

    এইতো, এইতো তুমি আমার কথা শুনতে পেয়েছ। গ্রীবা ঘুরিয়ে দেখছ। তোমার ভ্রমরের মতো কালো আয়ত চক্ষুদুটি শয্যায় ঘুমন্ত স্ত্রী-পুত্রের উপর এক মুহূর্ত ন্যস্ত হল। কত স্মৃতি, সিদ্ধার্থ, কত স্মৃতি এই নারীকে কেন্দ্র করে তোমার, মনে পড়ে? এ যে তোমার কৈশোরের প্রেমিকা, তোমার নমসহচরী, মর্মসঙ্গিনীও! সেসব বাসন্তী দিন, চৈতি চাঁদের রাত্রি তুমি কি সব ভুলে গেছ? নাকি, ভুলে যাওয়ার ভান করছ? দ্যাখো, ভালো করে ওকে দ্যাখো। তোমার সোনার হরিণীকে দ্যাখো।

    কিন্তু, না। দৃষ্টি তোমার আবার ঘুরছে। তোমার অন্বেষী চক্ষু ঘরের ভিতর কাকে যেন খুঁজছে! আমাকে? তুমি কি আমাকে খুঁজছ? ভাবছ, পিছন থেকে কে তোমাকে এমন করে ডাকে? খুঁজতে খুঁজতে স্তিমিতালোকে আমাকে তুমি দেখতে পেলে। স্থির, অপলক নেত্রে আমার মুখপানে তাকিয়ে রয়েছ। বিহ্বল স্বরে প্রশ্ন করলে, ‘তুমি কে?’

    আমি আর কেউ নই। আমি তোমারই অপর সত্তা। তোমার অন্ধকার সত্তা। আমি আসলে তুমিই। আমি মার। আমি প্রত্যেকের মধ্যে আছি। আমি সকলকে জীবনযাপনে ব্যাপৃত রেখেছি। আমি বলে চলেছি, জীবনকে ভালোবাসো। মৃত্যুকে নয়। জীবন বড়ো লোভনীয়। একে তীব্র আলিঙ্গনে জড়িয়ে ধরো। চুম্বন করো জীবনের ওষ্ঠে।

    তুমি বলে উঠলে, ‘জীবন এক আদিম সর্পিণী। কোনো না কোনো সময় সে দংশন করবে। তার দংশন আসবে রোগ, জরা আর মৃত্যুর রূপ ধরে।’

    আহ্, সিদ্ধার্থ! মূর্খ! ভুলে যাও। ভুলে যাও। দংশনের কথা ভুলে যাও। জীবনকে উপভোগ করো তার সমস্ত উপচারের ভিতর। জীবনকে অতিক্রম করতে যেয়ো না, কারণ জীবনকে অতিক্রম করা যায় না। আমি মার, আমি মূর্তিমান প্রলোভন। আমি তোমাকে ছুটিয়ে নিয়ে বেড়াব জীবনের সব প্রমোদ কাননের ভিতর দিয়ে। স্বাদ নেওয়াব সুখের। তোমার অধরে তুলে ধরব মধুভরা জীবনের পানপাত্র। তুমি সেই ফেনিল সুরা পান করে উন্মাদ হয়ে যাবে। এসো, সিদ্ধার্থ, আমার সঙ্গে মৈত্রী স্থাপন করো।

    তুমি মাথা ঝাঁকালে। গ্রন্থিবদ্ধ তোমার কেশভার খুলে ছড়িয়ে পড়ল তোমার সুন্দর মুখের চারিপাশে। অসহিষ্ণুর মতো বলে উঠলে, ‘দুক্‌খং দুক্‌খং সব্বং দুক্‌খং!’

    তোমার আসলে কী হয়েছে, সিদ্ধার্থ? তোমার পিতা শাক্যকুলপতি শুদ্ধোদন। তোমার জন্মলগ্নেই কে এক ভবিষ্যদ্বক্তা গণনা করে বলেছিল, তুমি সন্ন্যাসী হবে। প্রব্রজ্যা গ্রহণ করে দুঃখের শেষ কোথায়, তা অন্বেষণ করবে। যেমনটা এ দেশের একদল উন্মাদ গৃহত্যাগী প্রতি যুগেই করে থাকে। ওরা কিছুই পায় না। শুধু পাওয়ার ভান করে। তুমি সেই পথে যাবে শুনে তোমার পিতা শাক্যকুলপ্রদীপ তোমাকে প্রাসাদে আকণ্ঠ ভোগের ভিতর ডুবিয়ে রাখার ব্যবস্থা করেছিলেন। আমি মার; মূর্তিমান প্রলোভন। সেসব আমারই রচনা। ছ-টি ঋতুতে তোমার জন্যে ছ-টি প্রমোদভবন রচনা করেছি আমিই। তোমার পিতা উপলক্ষ্য মাত্র। জগতের সকল সুন্দরী স্ত্রীলোক তোমাকে ঘিরে ছিল। উপভোগের সমস্ত আয়োজন রচেছি তোমার চারিপাশে। এরই মধ্যে তোমার জীবনে এসেছে প্রেম, বিবাহ, সন্তান। তুমি তো এর মধ্যে ডুবেই ছিলে। এখন কী তোমার হল বলো তো, যার জন্য তুমি সব ছেড়ে বেরিয়ে পড়তে চাও অনিশ্চয়তার অন্ধকার পথে?

    ‘আমি দেখেছি ব্যাধি, জরা আর মৃত্যুর রূপ… দেখেছি সেদিন রাজপথে…’

    হাঃ! সে কে না দেখে? ছন্দক সারথি তোমাকে রথে চড়িয়ে নগরভ্রমণে নিয়ে গিয়েছিল। সেই পথে জীবনে প্রথম এক ব্যাধিগ্রস্ত ব্যক্তিকে দর্শন করেছিলে। তারপর এক জরাগ্রস্ত ব্যক্তি। তারপর চতুর্বাহকের দ্বারা বাহিত এক মৃতদেহ। এই দেখেই তোমার ভাবান্তর হয়ে গেল?

    ‘আমি দেখলাম রোগগ্রস্ত ব্যক্তির শরীরে অসুখের বীজ বজ্রকীটের মতো প্রতি মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ছে… বার্ধক্যপীড়িত মানুষটির সর্বাঙ্গ জরা প্রতি পলে গ্রাস করে চলেছে… আর শতদীর্ণ পাত্রের মতো নিঃশেষিতায়ু মৃতদেহটি হিমশীতল হয়ে পড়ে আছে… ওহ্, আমিও এমন হব… আমারও এমন হবে… আমিও একদিন ব্যাধিঘোরে অসুস্থ হব, জরা আমাকেও একদিন গ্রাস করবে… আমারও মৃত্যু হবে… হায়! জীবনের এই অনিবার্য পরিণাম?’

    বেশ তো! অনিবার্য বলেই যখন জেনেছ, তবে আর কেন এই মিথ্যা প্ৰয়াস? একে তুমি কখনও অতিক্রম করতে পারবে না। ব্যাধি, জরা, মৃত্যু—এ তো আসবেই। এসব নিয়ে ভেবে কী হবে? তার থেকে যতদিন সুযোগ পাচ্ছ, এ জীবনকে নিঃশেষে উপভোগ করে নাও। কথা দিচ্ছি, আমি তোমাকে দীর্ঘায়ু করব।

    ‘তারপর? তারপর একদিন তো সেই আয়ুষ্কাল শেষ হবে। তখন? অবধারিতভাবে দেখা হবে রোগের সঙ্গে, জরার সঙ্গে, মৃত্যুর সঙ্গে। হে মার, দেখা হবে তোমার সঙ্গে। আর দীর্ঘায়ু হয়েই বা কী হবে? সেই একই জীবনের ক্লান্তিকর পুনরাবর্তন। এর থেকে মুক্তি কই? নিষ্ক্রান্তি কোথায়?’

    না, না, সিদ্ধার্থ, তুমি তোমার পক্ষে যুক্তি সাজাচ্ছ মাত্র। দ্যাখো, স্ত্রীর প্রতি কি তোমার কোনো কর্তব্য নেই? নবজাত পুত্রের প্রতি? বৃদ্ধ পিতার প্রতি? তোমার রাজত্বের প্রতি? তোমার প্রজাদের প্রতি? কোনো দায়িত্ব নেই?

    ‘আছে। শুধু স্ত্রী-পুত্র-রাজ্য – প্রজাদের প্রতিই নয়, পৃথিবীর সমস্ত প্রপীড়িত মানুষের প্রতি আমার কর্তব্য আছে। সমস্ত জগৎ দুঃখে পুড়ে খাক হয়ে যাচ্ছে। কোথাও কোনো আলো নেই। যে-আলোতে তারা নিজেদের মুখ দেখবে, নিজেদের মার্গ খুঁজে পাবে, সেই আলো প্রজ্ঞার আলো। আমি সেই আলোক খুঁজে বের করব। সকলের জন্য।’

    আরে, ভাবুক, সেই আলো থাকলে তো তাকে খুঁজে বের করবে! সেরকম কোনো কান্তিময় আলো নেই কেনোদিকে, সিদ্ধার্থ! যা আছে, তা এই জীবন, একে উপভোগ করো। আচ্ছা, তোমাকে একটা প্রশ্ন করি। এই যা বলছ, এসব আসলে তোমার নিজ দুর্বলতাকে আচ্ছাদিত করার কৌশল নয় তো?

    ‘কী দুর্বলতা?’

    রোহিণী নদীর জল নিয়ে শাক্য ও কোলিয়দের সেই রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম, মনে নেই? সে বিবাদ তুমি ঠেকাতে পারোনি। রক্তে নদীর জল লাল হয়ে গেছে। আর তা দেখে তোমার ভিতর ভয় জেগেছে। রাজ্যশাসনের ভয়। সিংহাসন কখনও নিষ্কণ্টক নয়। রাজা হলে এরকম মানুষের রক্ত মাঝে মাঝেই তোমাকে দুই হাতে মেখে নিতে হবে। তারপর বহিঃশত্রুর আক্রমণ—সে-ও থাকবে। নৃপতি কখনও আরামে নিদ্রা যেতে পারেন না। অশান্তি থাকে, উদ্‌বেগ লেগেই থাকে। এই কঠিন রাজধর্ম থেকে তুমি কি পালাচ্ছ না, সিদ্ধার্থ? নিরুদ্‌বেগ, নিশ্চিন্ত শ্রমণের জীবন রাজার জীবনের তুলনায় আরামদায়ক, শান্তিপ্রদ। দুঃখের নিবৃত্তি অন্বেষণ আসলে তোমার অজুহাত। বস্তুত, তুমি জীবনকে ভয় পেয়েছ, তাই না?

    ‘না। আমি জানি আমার অন্তরের পিপাসাকে। জীবন-সমস্যার নিষ্পত্তি করতে আমি বদ্ধপরিকর। একদিন নিশ্চয়ই আমি সমস্ত মানুষের জন্য এনে দিতে পারব স্বচ্ছতোয়া নদীর জল—সে-নদী এ পৃথিবীর নয়। সে বোধিনদী। এনে দিতে পারব এক শান্তিরাজ্যের মৃত্তিকা—সে-রাজ্য এ জগতের নয়। সে প্রজ্ঞাভূমি।’

    তার থেকে আমি বলি কী, সিদ্ধার্থ, আমার কথা শোনো। তোমার ও কাল্পনিক নদী, স্বকপোলকল্পিত রাজ্যের থেকে এই যে তোমার পিতার সাম্রাজ্য, একেই তুমি শাসন করো। কাল্পনিক প্রজ্ঞার থেকে বাস্তব রাজনৈতিক প্রজ্ঞা অনেক সুখপ্রদ সুখ-দুঃখ ভরা একটা বাস্তব জীবনকে উপভোগ করা অনেক বেশি বুদ্ধিমানের কাজ। তা ছাড়া শাক্য আর কোলিয়দের এই দ্বন্দ্ব মেটাতে গিয়ে যদি তোমার মৃত্যু হয়, তবে তো তুমি বীরগতি প্রাপ্ত হবে। জানো না, বীরের জন্যই স্বর্গদ্বার অপাবৃত? প্রাচীন যুগের প্রথিতযশ নৃপতিদের মতো ইতিহাস-পুরাণে তোমারও নাম পরিকীর্তিত হবে। তুমি কি জীবনান্তে কীর্তি রেখে যেতে চাও না?

    এই দ্যাখো, তুমি আমার থেকে মুখ ঘুরিয়ে নিলে। তোমার চোখে নির্বোধ প্রতিজ্ঞার আলো। ওষ্ঠ, অধর দৃঢ়সংবদ্ধ। তুমি আমাকে উপেক্ষা করছ। জীবনকে উপেক্ষা করছ। অনুচিত এই উপেক্ষা। শ্রমণজীবনের প্রতি অনুচিত এই আগ্রহ। আর শ্রমণ বললেই তো আর শ্রমণ হওয়া যায় না। সে-পথ অনেক কঠিন, অনেক

    ভয়প্রদ, রাজকুমার!

    তুমি আত্মগত স্বরে বললে, ‘সে-পথ যতই কঠিন হোক, আমি সেই পথে যাব। যদি তাতে আমার মৃত্যু হয়, তবু সেই পথই আমি বরণ করে নিলাম। রক্তাক্ত হোক সে পথে আমার সত্তা, চুর্ণবিচূর্ণ হোক আমার অহং, নিজেকে হারিয়ে আমি নিজেকেই খুঁজে পাব। আমার সামনে অন্য পথ নেই আর…’

    আবারও একবার ভেবে দ্যাখো, সিদ্ধার্থ! হঠকারিতা কোরো না। তাকিয়ে দ্যাখো, এই ঘর, প্রাসাদের এই অন্তঃপুর… এখানেই তো তুমি কাটিয়েছ আশৈশব। তোমার মা, মুখ যার আজ আর তোমার মনেও পড়ে না, একদিন এই কক্ষেই তিনি তোমাকে গর্ভে ধারণ করেছিলেন। মায়াদেবী! কত কষ্টে কত পীড়া সহ্য করে তিনি তোমাকে গর্ভে ধরেছিলেন। এই পর্যঙ্কে শায়িত হয়েই তিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন চাঁদের আলোর মতো এক শ্বেত হস্তী যেন তাঁর উদরে প্রবেশ করছে। তারপরেই তুমি এলে। লুম্বিনী উদ্যানে তোমার জন্ম হল। তুমি জাত হবার পরেই অল্পকালের মধ্যে মায়াদেবীর সঙ্গে মৃত্যুর দেখা হল। তোমাকে কোলে তুলে নিলেন তোমার মাতৃসা গৌতমী। আর তার থেকেই তুমি হলে গৌতম। সেসব এই কক্ষেই তো অনুষ্ঠিত হয়েছে। কত মায়া দিয়ে গড়া এই ঘর! তুমি একে ছেড়ে চলে যাবে, সিদ্ধার্থ?

    তারপর ঊষাচঞ্চল শৈশব পার হয়ে এল সোনালি কৈশোর, কোন অজানা জগৎ থেকে নেমে এল এক অচিনপারের দূতী, সে তোমারই হৃদয়ের বোন। নাম তার গোপা যশোধরা। সে তোমাকে চিনিয়েছিল জীবনের অর্থ। লাস্যে, হাস্যে, বিভঙ্গে তোমার চিত্তে সে এনেছিল যৌবনের প্রথম লাবণ্যজ্যোৎস্না। তুমি তাকে ভালোবেসেছিলে, হৃদয় দিয়ে পড়েছিলে হৃদয়ের প্রথম দ্রাবিত অক্ষর। এই কক্ষে একদিন এক বাসন্তী পূর্ণিমার রাত্রে তুমি তাকে কথা দিয়েছিলে পুরুষ যেমন করে কথা দেয় তার নারীর কাছে। তোমাদের প্রণয় রূপ নিয়েছিল পরিণয়ে, তোমাদের ভালোবাসা ধীরে ধীরে পৃথিবীর ধুলো আর ফেনা মেখে রূপ নিয়েছিল এক শিশুর। সেই শিশু জাত হলে তুমি তার নাম দিলে ‘রাহুল’। ‘রাহুল’ শব্দের অর্থ তো বাধা। শিশুসন্তানের জন্মে তুমি কোন বাধা অনুভব করেছিলে, সিদ্ধার্থ? এত দ্রুত তোমার মন পরিবর্তিত হয়ে গেল? তুমি ভুলে গেলে সব? আজ এই নৈশ প্রহরে, তুমি যখন গৃহত্যাগে উদ্যত হয়েছ, সেসব আশ্চর্য মায়াবী কথা দিয়ে গড়া এই স্বপ্নের ঘর—এ কি তোমাকে পায়ে পায়ে জড়িয়ে ধরছে না?

    ওই তো তোমার চক্ষু সজল হয়ে উঠেছে, আমার অস্ফুট পরামর্শ তোমার হৃদয়ে প্রবেশ করেছে, কেন তুমি আজ হৃদয়কে কঠিন করেছ, বলো? পিতা শুদ্ধোদন বৃদ্ধ হয়েছেন, ঝরাপাতা হেমন্তপ্রহরী। তোমাকে নিয়ে তাঁর কত স্বপ্ন! তুমি রাজ্যের দায়ভার স্কন্ধে নিয়ে রাজা হবে, কালক্রমে হবে একচ্ছত্র সম্রাট, এটুকু স্বপ্ন দেখা তাঁর পক্ষে কি অন্যায়? তুমি তাঁর স্বপ্নপূরণ করবে, উজ্জ্বল তোমার ভবিষ্যৎ! এসব ছেড়ে তুমি চলে যেয়ো না নির্জন প্রব্রজ্যায়। রৌদ্রে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে, শীতে বিকম্পিত হয়ে তুমি বেছে নিয়ো না সেই সর্ববৈনাশিক তপস্যার কঠিন পন্থা। আজ এই রাত্রে তোমার পার্শ্বে বধূ শুয়ে ছিল, শিশুটিও ছিল, তবে এই গবাক্ষপথে দেখা দিল কোন ভূত? কে তোমাকে এই ভ্ৰান্ত পথে আজ অনির্বার পরিচালিত করছে?

    হৃদয় তোমার বধির হয়নি, তবু তুমি দুই চোখ থেকে অশ্রুমার্জনা করে আবার কঠিন হয়ে উঠছ। আমার কথা শুনেও শুনছ না। তোমার ওষ্ঠের প্রান্তে আমার জন্য অবজ্ঞা ফুটে উঠছে। তুমি কোন বিচিত্র ধাতুতে নির্মিত, যুবক?

    তুমি পুনরায় ফিরে দাঁড়ালে; এবার দ্বারপথের দিকে তোমার অয়স্কান্ত মুখ এক মুহূর্তে অর্গল ঠেলে অন্ধকারের ভিতর বাহির হয়ে গেলে ঘর থেকে। পরিত্যক্ত কক্ষে পড়ে রইল রুপালি জ্যোৎস্নার মতো সুন্দরীশ্রেষ্ঠা যশোধরা, শিশুপুত্র রাহুল আর আমার ব্যর্থ পরামর্শ।

    কিন্তু না। আমি তোমাকে এভাবে ছেড়ে দিতে পারি না। আমি তোমার সঙ্গে সঙ্গে যাব। তোমাকে অনুসরণ করব, তোমাকে বাধা দেব প্রতি পদে পদে। কারণ, আমি তোমারই ছায়া, তোমারই কৃষ্ণাত্মা। আমি মার, তোমার প্রতিদ্বন্দ্বী, আমিই তোমার অন্তর্নিহিত পাপপুরুষ!

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপিঙ্গল আকাশ – শওকত আলী
    Next Article গাত্রহরিদ্রা – সমীরণ গুহ

    Related Articles

    সন্মাত্রানন্দ

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমি সিরাজের বেগম – শ্রীপারাবত

    August 4, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমি সিরাজের বেগম – শ্রীপারাবত

    August 4, 2026
    Our Picks

    আমি সিরাজের বেগম – শ্রীপারাবত

    August 4, 2026

    চলো দিকশূন্যপুর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 4, 2026

    গাত্রহরিদ্রা – সমীরণ গুহ

    August 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }