Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পুষ্পমঞ্জরি – বুদ্ধদেব গুহ

    বুদ্ধদেব গুহ এক পাতা গল্প780 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    স্যেশেলস দ্বীপপুঞ্জ

    পৃথিবীর ম্যাপ দেখে কোনো দেশ বলে বোঝা যায় না। ভারত মহাসাগরের মধ্যে আফ্রিকা এবং মরিশাস ও জাঞ্জিবারের মধ্যে কয়েকটি সরষেদানার মতো বিন্দু দেখা যায় শুধু সমুদ্রের মধ্যে।

    প্লেনটা যখন মুম্বাই, ডার-এস-সালাম অথবা মরিশাস থেকে স্যেশেলস আইল্যাণ্ডস-এর রাজধানী ভিক্টোরিয়াতে নামবে বলে উচ্চতা হারাতে থাকে, তখনই নীচে বহু ছোটো ছোটো দ্বীপ বড়ো হতে থাকে। মনে হয়, যেন কোনো স্বপ্নের দেশের দিকে নেমে চলেছে প্লেন। প্রত্যেকটি দ্বীপই প্রবাল দিয়ে ঘেরা। আর সে প্রবালের কী রঙের বাহার। হলুদ, কমলা নীল, লাল এবং আরও নানা-রঙা নিমজ্জিত প্রবাল শুয়ে থাকতে দেখে মনে হয় যেন কোনো রাজকুমারীর সঙ্গে দেখা হয়ে যাবে ওইসব দ্বীপের কোনো একটি দ্বীপে নামলেই।

    প্রবাল দেখা যায় আমাদের দেশের কোভালাম এবং আন্দামান উপসাগরে। আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের পোর্ট ব্লেয়ার থেকে জলি-বয় আইল্যাণ্ড গিয়ে। অথবা ইউনাইটেড স্টেটস-এর হাওয়াইয়ান দ্বীপপুঞ্জে গেলেও।

    আমাদের দেশে প্রবাল দেখতে হয় ‘গ্লাস-বটম’ বোটে চড়ে। সেই নৌকোগুলি ডিঙি নৌকোর মতো কাচ-এর একটি টুকরো, তাও ঘোলা এবং অস্বচ্ছ, তারই মধ্যে দিয়ে দেখতে হয় প্রবাল (যেখানে যেখানে দেখা যায়)।

    হাওয়াইয়ান আইল্যাণ্ডস-এ বিরাট বিরাট ‘গ্লাস-বটম’ বোটে করে সমুদ্রের গভীরে গিয়ে দেখা যায়। সেইসব প্রকান্ড ও পুরু কাচের ওপরে নাচ, গান এবং খাদ্য-পানীয়র বন্দোবস্তও থাকে। যদিও নামেই ‘বোট’ সেগুলি ছোটোখাটো জাহাজ এক-একটি। ‘আমেরিকা’ বলে ব্যাপার। সে এক এলাহি কান্ড। অত্যন্ত জোরালো সাউণ্ড সিস্টেমে গান ও বাজনা শোনা যায়। আর নীচের কাচের মধ্যে দিয়ে বড়ো ও ছোটো নানারঙা মাছের ঝাঁককে দেখা যায় সাঁতরে যেতে, নানা-রঙা প্রবালের পটভূমিতে। সে এক অভিজ্ঞতা। কিন্তু স্যেশেলস-এর মতো প্রবালের শান্ত স্নিগ্ধ সৌন্দর্য এবং রংবাহার আর কোথাওই আছে বলে জানি না। আমি অবশ্য অস্ট্রেলিয়াতে যাইনি। সেখানের কথা বলতে পারব না। ভিক্টোরিয়া যে দ্বীপে তার নাম হচ্ছে ‘মাহে’। স্যেশেলস-এর রাজধানী বুকে-করা মাহে, সতেরো-আঠেরো মাইল লম্বা আর তিন চার মাইল চওড়া। এই-ই যদি দ্বীপের রাজধানীর আয়তন হয় তবে অন্যান্য ছোটো দ্বীপগুলির কেমন আয়তন হতে পারে তা সহজেই অনুমেয়।

    স্যেশেলস দ্বীপপুঞ্জ পালতোলা জাহাজের যুগে ছিল জলদস্যুদের আড্ডা। ফরাসি, ডাচ, ইংরেজ এবং নানা জায়গার জলদস্যুরা এখানে তাদের লুন্ঠিত ধনরত্ন পুঁতে রাখত। ফরাসিদের আধিপত্যই বেশি ছিল এই দ্বীপে। সেইসব ধনরত্নের খোঁজে আজও এই দ্বীপে খননকার্য চলেছে সমানে, বিভিন্ন জায়গাতে। বোভাঁলোতে, মাহেরই একটি জায়গা, একটি কোম্পানি গুপ্তধনের খোঁজে খননকার্য চালাচ্ছে। যদি কিছু পাওয়া যায় তবে তার অর্ধেক দিতে হবে স্যেশেলস-এর সরকারকে। ‘এখনও’ বলতে আমি বলছি ১৯৭৯-এর কথা। আমি যখন স্যেশেলস-এ গেছিলাম আফ্রিকা থেকে ফেরার পথে। প্রায় ত্রিশ বছর আগে।

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে স্যেশেলস ছিল রাশিয়ার ডুবোজাহাজের ঘাঁটি। আমি যখন গেছি তখনও সব দেশের বিমানকে স্যেশেলস-এর মাটিতে অবতরণ করতে দেওয়া হত না। তবে আমি গেছিলাম এয়ার তানজানিয়ার প্লেনে, ডার-এস-সালাম থেকে।

    স্যেশেলস এয়ারপোর্টটি ছোট্ট। প্লেন ল্যাণ্ড করার পর প্লেন যখন ট্যাক্সিং করে তখন মনে হয় সমুদ্রে পড়েই যাবে বুঝি।

    সন্ধের একটু পরে পরে গিয়ে পৌঁছেছিলাম। এয়ার তানজানিয়া বলেছিল মাহের হোটেল-খরচ তারাই দেবে। ডাহা মিথ্যে কথা। কিছুই দেয়নি।

    অচেনা-অজানা জায়গাতে রাতে পকেট প্রায় শূন্য। তখন ক্রেডিট কার্ড-এর সুবিধেও ছিল না। সেখানে জানাশোনাও কেউই ছিল না। এয়ারপোর্টের অফিসারেরা বললেন, এয়ারপোর্টের খুবই কাছে একটি গেস্ট হাউস আছে। একজন ফরাসি মহিলা সেটি চালান। মাত্র দুটি ঘর আছে। সমুদ্রের একেবারে ওপরে। তবে গেস্ট হাউসটি সস্তা।

    অগত্যা সেখানেই গিয়ে উঠলাম। ভদ্রমহিলা মাঝবয়েসি। বললেন, তাঁর ইংরেজ স্বামী ছিলেন পুব-আফ্রিকার পেশাদার বিগ-গেম হান্টার। বহুদিন আগে একবার আমেরিকান লেখক আর্নেস্ট হেমিংওয়ের বাৎসরিক শিকারযাত্রাতে তিনি সঙ্গী হয়েছিলেন। কয়েক বছর পরে অন্য এক শিকারি দ্বারা নিযুক্ত হয়ে হাতির আক্রমণে ভদ্রমহিলার স্বামী মারা যান। একথা শোনার পরে স্বভাবতই তাঁর প্রতি এক দুর্বলতা জন্মে গেল। যাইহোক, অন্য একজন শিকারির বিধবা বলে কথা!

    উনি বললেন, এখানে তোমার অসুবিধে হবে না। আমার গেস্ট হাউসটি একেবারে সমুদ্রের ওপরেই, দেখতেই পাচ্ছ। যদি আর কোথাও যেতে না চাও তো বারান্দায় বসে সমুদ্রের সান্নিধ্যেই কাটিয়ে দিতে পারো। তবে ভিক্টোরিয়ার বিখ্যাত সমুদ্রতটে অবশ্যই যেয়ো। গেস্ট হাউসের সামনে তেমন তটভূমি নেই। অত সুন্দর সাদা বালির তটভূমি পৃথিবীর আর কোথাওই নেই। একটি ক্রেওল মেইড আছে আমার। সে-ই রান্নাবান্না করে, বিছানা-টিছানা করে, ঝাড়পোঁছও। রাতে কী খাবে বলো? মাটন, পর্ক, চিকেন, যা বলবে তাই রেঁধে দেবে। পর্ক-চপ খাবে? আমার ডিপ-ফ্রিজে সবই রাখা আছে।

    বললাম, প্লেনেই তো ডিনার খেয়ে এসেছি। রাতে আর কিছুই খাব না।

    তিনি বললেন, আমার কাছে আমেরিকান হুইস্কি আছে। এক আমেরিকান অতিথি নিয়ে এসেছিলেন। আমাকে দিয়ে গেছেন একটি বোতল, এখনও খোলা হয়নি। খাবে? অন্য দ্য হাউস।

    হেসে বললাম, আজ থাক। তাড়াতাড়ি ঘুমোব।

    আই হোপ ইউ উইল এনজয় ইয়োর স্টে হিয়ার। আই হ্যাভ ওনলি ওয়ান রিকোয়েস্ট। ডোন্ট ব্রিং এনি গার্লস।

    বললাম, ওক্কে।

    মনে মনে বললাম, কড়ি না থাকলে কি তেল মাখা যায়? তা ছাড়া, অনুরাগিণীর কি কিছু কমতি আছে আমার? পয়সা দিয়ে যারা নারীশরীর কেনে তারা সোশ্যালি কনডেমড। তারা অসহ্য।

    গেস্ট হাউসের ঘরে শুয়ে জানালা দিয়ে রাস্তার ওপারের একটি গাছগাছালিভরা টিলা দেখা যাচ্ছিল। তার মাথাতে একটি ছবির মতো ভিলা। পথ দিয়ে এয়ারপোর্টের দিকে কোনো গাড়ি যাচ্ছিল না। সন্ধের পর থেকেই প্লেনের যাতায়াত বন্ধ সেই ছোট্ট এয়ারপোর্টে। চাঁদের আলো, সেই পাহাড়, গাছগাছালি এবং সমুদ্রপারের অতিথিশালাকে গা-ছমছমে এক রহস্যে মুড়ে রেখেছিল।

    সকালে ঘুম ভেঙে বাইরে আসতেই রোদ-ঝলমল সমুদ্র আর এয়ারপোর্ট যাওয়ার পথ, উলটোদিকের পাহাড় সব যেন স্বপ্নের মতো মনে হল। মেইডটির নাম হেনরিয়েটা। সে আমার ব্রেকফাস্টের জন্যে হ্যাম, বেকন এবং ডিমের পোচ তৈরি করছে। বেকন কুড়মুড়ে করে ভাজছে। সঙ্গে কড়া করে ব্রাউন গার্লিক ব্রেড-এর টোস্ট আর আফ্রিকান কফি। কিচেন থেকে তার গন্ধ উড়ছে হাওয়াতে। পুরো সকালটিই যেন খুশিতে ঝলমলে হয়ে উঠেছে।

    স্যেশেলস-এর মানুষ ইংরেজি বোঝে কারণ সারাপৃথিবী থেকে ট্যুরিস্টরা আসেন এখানে। কিন্তু এখানের স্থানীয় ভাষার নাম ‘ক্রেওল’। ফ্রেঞ্চ আর আফ্রিকান মেশানো এক ভাষা। ফ্রেঞ্চ তো বোঝেই।

    ব্রেকফাস্টের পরে একটি ট্যাক্সি নিয়ে শহরে গেলাম। এয়ারপোর্ট থেকে ট্যাক্সি চলে এল পাঁচ মিনিটে, ফোন করতেই। এরকম সুন্দর ছোট্ট শহর খুব কমই দেখেছি। ছবির মতো। তুলনা করতে হলে কানাডার ‘কিবেক’ সিটির সঙ্গেই করতে হয়। তাও আধুনিক শহরটির নয়, পুরোনো ‘কিবেক’ সিটির।

    পথের একপাশে পাহাড় একপাশে সমুদ্র। মাঝে মাঝে পথটি সমুদ্র কেটে গেছে—ছোটো ছোটো Causeway। যেখানে ফরাসিদের প্রাধান্য সেখানে পৃথিবীবিখ্যাত স্থপতিদের হাতের ছাপ তো থাকারই কথা। শহরের সবচেয়ে জমজমাট জায়গাতে সারি দেওয়া ভালো ভালো হোটেল। তানজানিয়ান এয়ারলাইনস আমার সঙ্গে তঞ্চকতানা করলে, এয়ারপোর্টের কাছের গর্তে না থেকে এখানেরই কোনো হোটেলে থাকতে পারতাম। ডানদিকে সমুদ্র।

    এইরকমই সারি সারি হোটেল আছে হাওয়াইয়ান আইল্যাণ্ডস-এর ‘ওয়াইকিকি’ বিচ-এ। তবে আমেরিকানদের ব্যাপারস্যাপার যেমন হয় আর কী। সবকিছুই ভীষণ Loud, তার চেয়ে এই স্যেশেলস অনেক ভালো। ছোটো কিন্তু মনোরম।

    তটভূমির রং দুধের মতো সাদা। এর কারণ আছে। এই তটভূমি বালির নয়, সাদা প্রবালের গুঁড়োর নাকি। কত বৈচিত্র্যই যে আছে এই পৃথিবীতে।

    একটি শপিং মল আছে দেখলাম। দোকানগুলির মালিকের মধ্যে অনেকেই দক্ষিণ ভারতীয়। সিন্ধি আর পাঞ্জাবিদের পরে এরাই হয়তো সবচেয়ে অ্যাডভেঞ্চারাস। সিন্ধু ও পাঞ্জাবে না-হয় দেশভাগের ধাক্কা লেগেছিল কিন্তু দক্ষিণ ভারত তো ভাগ হয়নি। দেশ ভাগ হওয়া সত্ত্বেও সেই প্রজন্মের বাঙালিরা নিজেদের রাজ্য ছাড়া বিশেষ বাইরে যাননি। তবে বি কে খান্না সাহেব ভালোবেসে তাদের আন্দামানে আর দন্ডকারণ্যে পাঠিয়েছিলেন। ভিটেছাড়া হওয়ার পরেই সে এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতা।

    স্যেশেলস দুটি জিনিসের জন্যে বিখ্যাত। একটি হল সামুদ্রিক নারকেল, যার নাম কোকো-দ্য মেয়ের। আর অন্যটি হল বিশালাকার সামুদ্রিক কচ্ছপ। যদিও নাম সামুদ্রিক নারকেল এই গাছ কিন্তু সমুদ্রে জন্মায় না। মাহের কাছেই Praslin Island (উচ্চারণ প্রাঁলে)। সেখানের ভ্যালি দ্য মেইতে সেই প্রকান্ড প্রকান্ড ছাতার মতো গাছগুলি আকাশ ঢেকে রাখে। নানারকম সরীসৃপ ডাকাডাকি করতে করতে এ-গাছ থেকে ও-গাছে দৌড়ে বেড়ায় উঁচু ডালে ডালে। গাছের তলায় গভীর রহস্যময় জঙ্গল। মনে হয় যেন বহুদূর থেকে স্যেশেলস দ্বীপপুঞ্জের কালো টিয়ারা শিস দিতে দিতে দ্বীপ পরিক্রমা করবে। সেই বনভূমি দূর থেকে দেখলেও মনে সম্ভ্রম জাগে। এই বনভূমিতে সব গাছই ঊর্ধ্বমুখী, সূর্যমুখী। যেন নিজের নিজের আকাশটুকুর জন্যে সকলেই সংগ্রাম করছে। এখানে গেলে শুধু ওপর দিকেই তাকাতে হয়। গভীর ছায়াচ্ছন্ন বনভূমিতে দৃষ্টি চলে না। একটি অতিকায় পাতা খসে নীচে পড়লে বনের পাতায় পাতায় এমন আওয়াজ ওঠে তেমন আওয়াজ যে নিজকানে না শুনেছেন, তাঁর পক্ষে অনুমান করাও মুশকিল। তারই মধ্যে ধুপ করে শব্দ করে একটি কোকো-দ্য-মেয়ের হয়তো খসে পড়ে নীচে। রোদভরা দিনের আলোয় ওপরে রোদ ঝলমল করলে কী হয়, সে-রোদ যখন বড়ো বড়ো পাতার আস্তরণ ভেদ করে নীচে নামে তখন তা সবুজাভ হয়ে যায়। বনরোদ্দুরে সবুজ অন্ধকারে।

    স্যেশেলস দ্বীপপুঞ্জেও অসংখ্য দ্বীপ আছে। আন্দামান দ্বীপপুঞ্জেরই মতো। অগণ্য দ্বীপের অনেকগুলোরই এখনও নামকরণই হয়নি। এমনকী তাদের সার্ভেও করা হয়নি। সেইসব দ্বীপে কী কী গাছ আছে, কী প্রাণী, তার খবরও নেওয়া হয়নি। এখানের অনেক গাছ ও অনেক প্রাণীই Endemic আন্দামানেরই মতো। সেসব অন্য কোথাওই পাওয়া যায় না।

    আউটার আইল্যাণ্ডস-এ চারটি পুঞ্জ আছে। ইনার আইল্যাণ্ডস-এর দ্বীপের কথা তাও কিছু কিছু মানুষে জেনেছে। আউটার আইল্যাণ্ডসে যে-চারটি পুঞ্জ আছে তাদের নাম হল আসিরান্তেস, আলফোঁস, ফারকুহার আর আলডাবরা। এদের মধ্যে মধ্যে স্বর্গের মতো সুন্দর অ্যাটলও আছে অনেক।

    অনেক দ্বীপেই মাহে থেকে ছোটো আইল্যাণ্ডার প্লেনে করে যাওয়া যায়। এয়ারস্ট্রিপ নেই—নারকেল গাছের বনের মধ্যেই ফাঁকা জায়গাতে প্লেনের একটি ফ্লিট আছে। আট-দশজন পাইলটও আছে। তাদের ক্যাপ্টেন হচ্ছে একজন পাঞ্জাবি অল্পবয়েসি ছেলে। জেনে ভালো লাগল। এই প্লেনে করেই গেছিলাম প্রাঁলে দ্বীপে।

    লাল ঠোঁট লাল ল্যাজ-এর টুপিক বার্ড দেখা যায় এখানে। শরীরটা মসৃণ সাদা। নানারকমের টার্ন আছে। নডি টার্নদের আমাদের দেশের ধনেশদের মতো দুটি রকম আছে। গ্রেটার এবং লেসার। ব্রাউন নডি টার্ন, সুটি টার্ন আছে। ওদের আরেক নাম ওয়াইড-অ্যাওয়েক টার্ন। কিছু দেখলেই জোরে চিৎকার করে ওঠে। ওরকম নাম, কারণ, তারা সদা জাগ্রত। আমাদের দেশের টিটি পাখি বা ল্যাপউইং-এর মতো। সাদা-কালো আরও একরকমের টার্ন দেখা যায় এখানে। ওদের নাম ফেরারি টার্ন। পুরো সাদা ঠোঁট, পা আর চোখ কালো। একরকমের Ibis আছে যা Endemic। আলডাবরা দ্বীপেই পাওয়া যায়। ওদের বলে স্যাক্রেড আইকিস। ‘স্যাক্রেড’ বলে ওদের চোখের জন্য। আশ্চর্য নীল চোখ ওদের—চায়না ব্লু।

    আলডাবরাতে আর একরকম পাখি দেখতে পাওয়া যায়—রেইল। রেইল পাখি হলেও উড়তে পারে না। যেহেতু উড়তে পারে না, এদের প্রজাতিরা ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। সামুদ্রিক দ্বীপগুলিতেই এসব পাখি বেশি দেখতে পাওয়া যায়। যেমন আন্দামানের-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের মেগাপাড। মরিশাসের ডোডো এবং হাওয়াইয়ান দ্বীপপুঞ্জের নেনে।

    অ্যাস্টর দ্বীপে পাখিদের স্যাংচুয়ারি আছে। টুরিস্টরা সেখানে যান পাখি দেখতে, বিশেষ করে পাখিপ্রেমীরা।

    আপনারা যদি কেউ স্যেশেলস-এ যান বেড়াতে তবে মিস্টার Tom Bowers-এর সঙ্গে দেখা করে আসবেন যদি অবশ্য এখনও তিনি বেঁচে থাকেন। আমি তো গেছিলাম প্রায় ত্রিশ বছর আগে। এতদিনে কত কী পরিবর্তন এসেছে কে জানে!

    কত গাছ যে আছে ওখানকার নিজস্ব। কত ফুল। Sangdragon নামের একরমের বড়ো বড়ো গাছ হয়, তাদের নীচে নীচে আলো-ছায়ার দোলনায় দুলে দুলে বনপথে চলতে ভারি ভালো লাগে। সাদা সাদা ছোটো ছোটো ফ্যাঙ্গিপ্যানি ফুল যখন ফোটে তখন সারাদ্বীপকে সুগন্ধে ভরে দেয় ছোটাছুটি করা হাওয়া। একরকমের বড়ো বড়ো গাছ হয়, অনেকটা আমাদের কৃষ্ণচূড়ার মতো। তাদের নাম ফ্ল্যামবয়্যান্ট। তাদের নামেই তাদের পরিচয়। লালের যে কতরকম হতে পারে কী বলব। সারাবনে রঙের বন্যা বইয়ে ফোটে সে-ফুল। হাইবিসকাস-এর যে কতরকম। না দেখলে বিশ্বাস হয় না। হাইবিসকাস মানে আমাদের জবা।

    এখানে প্রত্যেক বাড়িতেই সজনে গাছ দেখতে পাওয়া যাবে কিন্তু সজনের ডাঁটা ওরা খেতে জানে না। ‘সজনের ফুল উড়ে উড়ে পড়ে দূরে, নরম দুপুরে মাছরাঙা পাখি ঝিমোয়’।

    স্যেশেলস আমার বড়ো প্রিয় জায়গা। তাই সে জায়গার কথা বলতে বসে খেই হারিয়ে ফেলি। এই বাচালতা ক্ষমা করবেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রত্যানীত – বুদ্ধদেব গুহ
    Next Article পাখসাট – বুদ্ধদেব গুহ

    Related Articles

    বুদ্ধদেব গুহ

    বাবলি – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্ৰ ১ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ২ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৩ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৪ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    অবেলায় – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Our Picks

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }