Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026

    ছাতিম – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    August 14, 2026

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পুষ্পমঞ্জরি – বুদ্ধদেব গুহ

    বুদ্ধদেব গুহ এক পাতা গল্প780 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    একলা বৈশাখ

    সুমি রবিবারের নাটক শুনছিল রেডিয়োর। রাঘবকে আসতে দেখেই বন্ধ করে দিল।

    সারাসপ্তাহটা দুজনেই ব্যস্ত। সুমি স্কুলে পড়ায়, রাঘব ইনকামট্যাক্স ডিপার্টমেন্টে কাজ করে। পোদ্দার কোর্টে ওর অফিস। সুমির আজ ছ-বছর থেকে যেকোনো দিনই ওর স্কুলের অ্যাসিস্ট্যান্ট হেডমিস্ট্রেস হয়ে যাবার কথা হচ্ছে। রাঘবও অফিসারের পরীক্ষা পাস করে বসে আছে পাঁচ বছর। যেকোনো দিনই ও অফিসার হতে পারে। কিন্তু আজ অবধি হয়নি। দুজনেরই এই অবস্থা।

    কুশলই একমাত্র সন্তান, ওদের ভবিষ্যৎ, সাধ-আহ্লাদ, ওদের দুজনের জীবনে যা কিছুই হয়নি, সেইসব শূন্যতাই পূর্ণ করতে চায় ওরা কুশলের মধ্যে। নিজেদের বঞ্চিত করেও কুশলের জন্যে কিছুমাত্র করতে ত্রুটি করে না।

    কুশল রবিবার পাশের ঘরে বই-টই পড়ে, নইলে একা একা ক্যারাম খেলে। বয়েস নয় হল। ও জেনে গেছে যে, মা-বাবা রবিবার দুপুরটাতেই একটু একসঙ্গে থাকে। নানা কথাবার্তা বলে। রাতে ও মায়ের সঙ্গেই শোয়।

    কুশলের যেটা জানার কথা নয় সেটা হচ্ছে এই-ই যে, কথাবার্তা তো বটেই, প্রতিরবিবার দুপুরেই, মাঝেমধ্যে সুমি ও রাঘব একটু আদর-টাদরও করে এবং খায়।

    জীবন এখন এতই ঝামেলার, ক্লান্তির এবং একঘেয়েমির হয়ে গেছে যে, কোনো কিছুই আর ভালো লাগে না ওদের। মানুষ কেন বিয়ে করে, সংসার করে, কেনই বা ছেলে-মেয়ে হয়, কেনই বা এই বুড়োবয়েসের পুতুল খেলাতে নিজেরা জীবনগুলো এমন করে মাটি করে ফেলল এসব কথা প্রায়ই ওদের দুজনের মনে হয়, কিন্তু এ নিয়ে ভাবার মতো সময়টুকু পর্যন্ত ওদের নেই।

    অন্য লক্ষ লক্ষ দম্পতিরই মতো, ওদেরও জীবনে একদিন অনেক সুখ, সাধ, কল্পনা, ভালোবাসাও ছিল। সবই যেন এখন মরে গেছে। তবু দুজনে সাত তাড়াতাড়ি তৈরি হয় প্রতিসকালে সপ্তাহে ছ-দিন। নাকে-মুখে খেয়ে দুজনেই বেরিয়ে পড়ে। কুশলকে রাঘব স্কুলে পৌঁছে দিয়ে মিনি ধরে অফিসে যায়। নিয়ে আসে সুমি স্কুল ছুটির পর। বিয়ের সময় ওরা দুজনে মিলে যা রোজগার করত, এখন রোজগার তার চেয়ে বেড়েছে অনেকই। কিন্তু তবু আগের থেকে অনেকই গরিব ওরা এখন। নুন আনতে পান্তা ফুরোয় এমনই অবস্থা। টাকা কাগজ হয়ে গেছে।

    অ্যাই! বালিশটা দাও তো।

    রাঘব পান চিবোতে চিবোতে বলল।

    সুমি একহাতে বালিশটা ছুড়ে দিয়ে বলল, বেশ লোক। একটা পান তো আমার জন্যেও আনতে পারতে?

    সিগারেট কিনতে গিয়েই পয়সা ফুরিয়ে গেল। ঠাকুরটা নেই পানের দোকানে। ওর মামা না কাকা কে জানে, সবে এসেছে ঢেনকানল থেকে, বাংলাও শেখেনি এখনও, আমাকে চেনেই না। ধারে দিল না। চেয়েছিলাম।

    সুমি কিছু বলল না।

    পাখাটা ঘুরছিল মাথার ওপরে কিচিক কিচিক একটানা শব্দ করে। কার্বনটা বোধ হয় ক্ষয়ে গেছে। নীলচে আগুন বেরোয় সব সময়। কিন্তু আগুনটা ঠাণ্ডা মেজাজের, স্নিগ্ধ। রাগী আগুনের মতো নয়।

    সুমি বেডকভারের ওপর পা দুটি টানটান করে মেলে দিল। ওর এই পা-টানটানের একটা বিশেষ রকম আছে। আদর খাওয়ার ইচ্ছে হলে বেড়ালনিরা যেমন করে।

    ঘরের পর্দা সব টানাই ছিল। ধূপকাঠি জ্বেলে দিয়েছিল সুমি। আয়নাও ঢেকে দিয়েছিল লেসের ঢাকনাতে। ঘরের মধ্যে বেশ ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা, আধো অন্ধকার। রোমান্টিক। আদর করা এবং খাওয়ার মতোই পরিবেশ।

    রাঘব বলল, হবে নাকি? ইচ্ছে?

    সুমির মাথাটা বালিশের এককোনায় নেমে এসেছিল। মুখটা তির্যকভাবে রাঘবের দিকে ফিরিয়ে উদাসীন নিরুত্তাপ চোখে চেয়েছিল ও। হারের লকেটটা বুকের বাইরে এসে বালিশের প্রান্তে ঝুলে ছিল। সুমি একবার চোখ দুটি বন্ধ করে আবার চোখ মেলে দেখল রাঘবের মুখ। তার পর বলল, না:।

    কেন? না কেন? গত রবিবারেও তো…

    ভালোই লাগে না।

    কেন?

    অত্ত বলতে পারব না। আজকাল এসব ভালোই লাগে না।

    বলো, আমাকে ভালো লাগে না, অন্য কেউ হলে, পরেশ হলে…

    সুমি চোখের চকিত চাবুক মেরে বলল, যা মনে করো তাই। হয়তো, সত্যিই তোমাকে আর ভালো লাগে না। অনেকদিন তো হল। একজনকে আর কতদিন ভালো লাগে?

    আমারও তো সেরকম মনে হতে পারে? কখনো।

    হতে তো পারেই। আমি কি বলেছি যে, পারে না? হয় না যে কেন, সেইটা ভেবেই আশ্চর্য লাগে। আচ্ছা, এই বিয়ে ব্যাপারটা কোন খারাপ লোক চালু করেছিল বলো তো?

    গলায় একটু অভিমানের সুর লাগল রাঘবের। বলল, বেশ তা! বেলা তো যায়নি। পরেশের সঙ্গেই না হয়… আমি ডিভোর্স দিয়ে দেব। চাইলেই। এককথায়।

    না। আমি জানি তুমি খুব উদার। অন্তত দেখাতে চাও যে তাই।

    তবুও না। আমার দরকার নেই। জীবনের আর বাকিটা আছে কী?

    এই ভগ্নাংশ নিয়ে কাকে পূর্ণ করতে যাব? নিজেও কি হব?

    কেন? না কেন?

    কাউকেই ভালো লাগে না আমার। মানে, লাগে। কিছুক্ষণের জন্যে, কিছুদিনের জন্যে। বেশিক্ষণ, বেশি দিন কোনো পুরুষকেই ভালো লাগে না।

    এসব হয়েছে তোমাদের আর্থিক স্বাধীনতার জন্যে। যেই-ই তোমরা রোজগার শুরু করেছ, স্বাবলম্বী হয়েছ; অমনি তোমাদের যত খারাপ-লাগা শুরু হয়েছে। এত বছরের পরাধীনতার পর স্বাধীনতা! তা নিয়ে কী যে করবে, তা ভেবে উঠতে পাচ্ছ না পর্যন্ত। আমার মা অথবা তোমার মায়ের কথা একবার ভাবো তো! কত সুখী ছিলেন তাঁরা।

    সুমি হাসল। শ্লেষের হাসি। বলল, তা বটে। আমার বাবা ও তোমার বাবাও বোধ হয় এই ভেবেই খুশি থাকতেন। তাঁরা ছিলেন মেল শভিনিজম-এর শেষ ধ্বজাধারী। নিজেদের চোখকে চোখ ঠাওরাতেন। ভন্ড ছিলেন ওঁরা। আমার মা কি তোমার মা মানুষের জীবনযাপন করেছেন কি? কলুর বলদরাও তো ওঁদের চেয়ে স্বাধীন ছিল। সব কালে।

    কিন্তু যাই-ই বলো, কখনো দুঃখী দেখিনি। ওঁদের কাউকেই। এটা কি কম কথা?

    দেখার চোখ নেই পুরুষদের! তাই-ই দেখোনি। হাজার হাজার বছর ধরে চোখ ব্যবহার না করায় তোমাদের চোখই খারাপ হয়ে গেছে। তা ছাড়া দুঃখবোধের ব্যাপারটাও একটা মিনিমাম শিক্ষা এবং কিছুটা ব্যক্তিস্বাধীনতার প্রতি ভালোবাসা থেকে হয়তো জন্মায়। যাকগে। তাঁদের জীবন তাঁদেরই ছিল। আমার কী?

    এ রবিবারটাও কি ঝগড়াই করবে? রাঘব বলল।

    করতে তো চাই না। হয়ে যায়।

    এবারে নববর্ষে কী হবে? আর তো পাঁচদিন মাত্র বাকি! কাল অফিস থেকে বেরিয়ে ভাবছি তোমার জন্যে একটা শাড়ি কিনে আনব।

    একদম না।

    কেন?

    তোমার কেনা শাড়ি আমার পছন্দই হয় না। কত নতুন ডিজাইনের, কতরকম শাড়ি বেরিয়েছে আজকাল। কত যেন খোঁজ রাখো!

    অ! তা হলে আনব না। ঠিক আছে। তা হলে না হয় কুশলের জন্যেই আমাদের অফিসের কাছেই একটা দোকানে রিডাকশন সেল হচ্ছে, সেখান থেকে সস্তায় ভালো জিনিস নিয়ে আসব।

    সারাটা জীবনই তুমি সস্তায় ভালো জিনিস খুঁজে মরলে। এই-ই তোমার জীবনের ট্র্যাজেডি! সস্তায়, ভালো কিছু পাওয়ার নয় যে এ সংসারে, এই সোজা কথাটা তোমার মগজে ঢুকল না। বরং নিজের একটা পায়জামা-পাঞ্জাবি কিনে এনো। নববর্ষের দিনে চন্দনার বাড়িতে একবার যাবে তো সেজেগুজে, নাকি? এত ভালোবাসে তোমাকে!

    রাঘব বিরক্ত হল। বলল, যেতেও পারি। না যাওয়ার কী! তা ছাড়া ভালো যে বাসে, সেটা তো মিথ্যে নয়।

    সুমি চুপ করেই রইল। তারপর রেডিয়োটা খুলল আরেকবার। খুলেই বন্ধ করে দিল। বলল, দুসস…

    কার নাটক?

    কে জানে? নাটকের দোষ নয়। দোষটা আমার। মাঝে মাঝেই এরকম হয়। কোনো কোনো দিন। কিছুই ভালো লাগে না।

    টেবিলঘড়িটা টিক টিক করছিল টেবিলের ওপর।

    রাঘব বলল, মিলিকে কালই একটা মানিঅর্ডার করে দেব ভাবছি। দেরি হয়ে গেছে অনেক। আসানসোলে। কমপক্ষে এক-শো টাকা পাঠানো উচিত, কী বলো? মিলির শাড়ি আর চুমকির ফ্রকের জন্যে?

    আমাকেই যদি জিজ্ঞেস করো তো বলব পাঠানোর কোনোই দরকার নেই। তোমার ভগ্নীপতি অত বড়ো কোম্পানির পারচেজ ম্যানেজার, অমন দারুণ ফ্ল্যাটে থাকে, বছরে দু-বার করে ফ্যামিলি নিয়ে রাজার হালে বেড়াতে যায়, সবই বলতে গেলে নিখরচায়, তুমি কে বড়োলোক এসেছ তাদের প্রত্যেকবার নববর্ষে প্রেজেন্ট দেবার? তা ছাড়া তারা কি তোমার ছেলেকে কি আমাকে কোনোবারই কিছুমাত্রও দেয়? গত পনেরো বছরে তো অনেকই করলে। পেলে কী?

    নাই-ই বা দিল! রাঘব স্বগতোক্তির মতো বলল, এ তো বিনিময় নয়। কাউকে দেওয়ার মতো আনন্দ আর কীই-বা আছে? কাউকেই দিতে মানা কোরো না। যতদিন পারি, দিই। ওরা বদলে কী দেবে, তা ভেবে তো দিই না ওদের। ছোটোবোন! সংসারে টাকাটাই তো সকলে বোঝে। কিন্তু টাকার চেয়েও বড়ো অনেক ব্যাপার আছে। এবং আছে বলেই, এই নোংরা, কালি-ঝুলি মাখা, ঘুণধরা পৃথিবী চলছে। ওঃ ভালো কথা। রুমিকে কি পাঠানো যায়? তোমার একমাত্র বোনকে?

    না। একদম না। প্রভিডেণ্ড ফাণ্ড থেকে টাকা উঠিয়ে বোনের বিয়ে দিলাম। তারাই এখন বড়োলোকি দেখায় আমার কাছে। বাকি জীবনে কারো জন্যে কিছুই করব না আমি। সত্যি বলছি, কারো জন্যেই না। পৃথিবীর চেহারা আমি দেখেছি।

    রাঘব হেসে ফেলল। বলল, ঈশশ, জীবনানন্দ বাংলার মুখ দেখেছিলেন, আর তুমিও দেখলে! একটু উঁচু হও সুমি, আকাশের দিকে চেয়ে দেখো।

    রাখো তো তোমার কবিত্বর কথা। কবিতা, অবিবাহিত ছেলে-মেয়েদেরই জন্যে! না, আমি তোমাকেও করতে দেব না। দেখি, তুমি কী করে করো! আর কিছু দিয়ে দেখোই একবার! তোমাকে যে সকলেই কত বোকা ভাবে, তোমার এই বোকা-বোকা বড়োলোকি নিয়ে যে হাসিঠাট্টা করে তোমার পেছনে তা বোঝার মতো ক্ষমতা তোমার থাকলে তো হয়েই যেত। কী আমার বড়োলোক এসেছেন! বড়োলোকির রকম আর কেউ না জানুক, আমি তো জানি!

    রাঘবের গলায় দুঃখ লাগল।

    বলল, সকলেই হাসিঠাট্টা করে? আমাকে নিয়ে? কেন? হবে হয়তো! আজকাল ভালোবাসা ব্যাপারটা তো একটা ঠাট্টা হয়ে গেছে। দাদার ভালোবাসা, জামাইবাবুর ভালোবাসা বোধ হয় আর ভালোবাসার ক্যাটেগরিতেই পড়ে না। যাই হোক, তা হলে এবার নববর্ষে কী করবে? নতুন বছরটা যে আসবে, তা তো বোঝাই যাবে না। নতুন তাঁতের শাড়ির গন্ধ, সন্দেশের প্যাকেট হাতে, সকালে উঠে চান করে আত্মীয়স্বজনের বাড়ি যাওয়া, এসব না থাকলে তো…। দিনকাল সব কেমন বদলে গেল, না?

    মোড়ের ফুটপাথে একটা ফুলুরির দোকান দাও। দিলে, খেরো-খাতা নিয়ে সাতসকালে কালীবাড়ি যেতে পারবে, পুজো দিতে, হালখাতার। তা হলে মনে হবে, কিছু একটা করলে। আমদানিও ভালো হবে। বাণিজ্যে বসতে লক্ষী:! ঘুস না খেলে আজকাল সরকারি চাকরিতে আছেটা কী? তোমার মতো লোকের বাঁ-হাতে পক্ষাঘাত হওয়া উচিত। আকাট মূর্খ তুমি!

    রাঘব কথা ঘোরাল। বলল, কী খাওয়াবে? এই নববর্ষে আমাদের? মানে, আমাকে আর কুশলকে? রুমি আর চাঁদুকেও খেতে বলে দেবে নাকি?

    না। না। না। একেবারেই না।

    তা হলে, আমাদেরই।

    পোলাও, মাংস, রুইমাছের কালিয়া, রাবড়ি, গিরিশের আম-সন্দেশ আরও যা বলবে। হিরে, মুক্তো সব খাওয়াব। বাজার তো দিনে হয় দশ টাকার।

    ঠাট্টা করছ? সেদিন নববর্ষের দিন না হয় কুড়ি টাকাই দেব। একটাই দিন।

    ঠাট্টা! ঠাট্টা কেন করব? তোমার বাড়ি। তোমার টাকা। তুমি খাবে। আমি ঠাট্টা করার কে? যা দেবে, তার মধ্যে যা হবে, তাই খাবে। তা দিয়ো না। জগুর মা বলছিল, পটলের কেজি নাকি বাহান্ন টাকা। কারা খায় বলো তো? তীর্থে না গিয়ে একবার সেই লোকগুলোকে দেখতে যাওয়া উচিত মানুষের।

    ঠাট্টাই করছ। বছরে একটা দিন—তাও এরকম করো? সত্যি। অনেক অনেক বছর হয়ে গেল তেল-কই খাইনি।

    মিথ্যে কথা বোলো না। গতবছরই জামাইষষ্ঠীতে খেয়েছিলে। আর খাবে কি না কখনো তা অবশ্য বলতে পারছি না। মাই-ই চলে গেল। বাড়িটাই অন্যরকম হয়ে গেছে। দাদারা ব্যস্ত; বড়োলোক।

    হঠাৎই গলা ধরে এল সুমিতার। বলল, ওরা কেমন মানুষ সব বলো তো?

    তুমি কী না করেছ ওদের জন্যে। সবই ভুলে গেল? লজ্জা করে বড়োই আমার।

    কই-এর কথা বলছ, মানে, আমার মা যেমন করে রাঁধতেন?

    না, না তোমার মা তো পোস্ত আর সরষে দিয়ে রাঁধতেন। তা নয়। তেল-কই। বেশ বড়ো, বুঝলে এই ইয়া বড়ো বড়ো কই, স্রেফ সরষের তেলে কালোজিরে-কাঁচালঙ্কা দিয়ে। সঙ্গে সামান্য ধনেপাতা। আঃ।

    রাঁধবে কে? আমি ওসব রাঁধতে জানি না। অত জম্পেশ করে রান্না। যেসব মেয়েদের কোনো বাইরের কাজ করতে হয় না, তাদের পক্ষেই পোষায়। আমাদের পক্ষে ওসব সম্ভব নয়। তা ছাড়া, কইমাছ অত্যন্ত খারাপ মাছ। এই সময়ে খেলে চিকেন-পক্স বা মিজলস হতে পারে কুশলের। ও অন্যভাবে মানুষ। ইমিউনিটি কম। আর কাঁটা? অমন মাছ ভদ্রলোকে খায় না। ভদ্রলোকে খাবে রুই, কাটা-পোনা, বড়ো মাগুর, গলদা কি বাগদা চিংড়ি। ম্যাক্সিমাম চলতে পারে, পাবদা। একটাই কাঁটা তো। কুশল তো কোনো মাছ খেতেই পারে না। মাছ খেতে চায়ও না। বোনলেস চিকেন শুনে শুনে বলে, মা বোনলেস ফিশ দাও।

    বোনলেস ফিশ! রাঘব আজব গলায় বলল।

    রাঘবের মাঝে মাঝে সবই গোলমাল হয়ে যায়। ওদের ছোটোবেলায় সব কিছুই কত অন্যরকম ছিল। ফ্রি-স্কুল স্ট্রিটের বাসিন্দাদের হেদোর ছেলেরা খ্যাপাত: ‘ড্যাডি। ড্যাডি। ছাপ্পর-পর পিজন বৈঠে বৈঠে।’ ‘কান্ট, শান্ট’ করে সে ছোঁড়ারা ইংরিজি বলত। আজ তার একমাত্র ছেলে কুশলও প্রায় সেই ‘ছাপ্পর-পর পিজন বৈঠে’র সংস্কৃতিরই হয়ে গেল। বইমেলায় তিন দিন ওকে নিয়ে গেছিল রাঘব। পীড়াপীড়ি করা সত্ত্বেও, একটিও বাংলা বই কিনল না। রাঘবের ছেলে, বাংলা বই পড়ে না, কইমাছ খেতে পারে না…। দুশশ শালা। এমন সাহেব ছেলের দৌলতে নিজেই বিএনজিএস হয়ে গেল। কী পরিহাস ভাগ্যের। ছোটোবেলায় ওরা বলত বিএনজিএস। অর্থাৎ বিলেত-না-গিয়ে সাহেব!

    অনলাইনে বেস্টসেলিং বই কিনুন

    রাঘবের খুবই রাগ হল হঠাৎ। কুশলের ওপর। কিন্তু আসলে দোষটা তো ওদেরই। দোষ তো বাবা-মায়েরই। তাদের ছাড়া আর কার? যে ছেলে-মেয়েরা মাতৃভাষায় ভালো করে কথা বলতে পারে না, মাতৃভাষার সাহিত্য সম্বন্ধে যারা কোনো খোঁজই রাখে না, যারা বাংলা গান পর্যন্ত ভালোবাসে না সেইসব কলকাতাবাসী বঙ্গসন্তানদের বাবা-মা হিসেবে ওদের তো লজ্জা রাখার সত্যিই জায়গা নেই। বড়জামদা, ভুবনেশ্বর, ভোপাল, চেন্নাই, এটাওয়া, ইতারসিতে যেসব বাঙালি বাবা-মা অত্যন্ত ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও সুযোগের অভাবে ছেলে-মেয়েদের হাতে বাংলা বই তুলে দিতে পারেন না, পারেন না দিতে বাংলা খবরের কাগজ, সাপ্তাহিক বা মাসিক; তাঁদের কথা আলাদা। তাঁদের দোষ ক্ষমা করা যায়। দোষটা তাঁদের আদৌ নয়। দোষ কলকাতার বাঙালিদেরই, যাঁরা তাঁদের হাতে বাংলা পত্র-পত্রিকা, খবরের কাগজ পৌঁছে দেওয়ার কোনো চেষ্টাই করেন না। কিন্তু রাঘব আর সুমির দোষ?

    এমন সময় দরজায় টোকা পড়ল। বিশেষ কারণ না থাকলে দুপুরে দরজাতে খিল তোলে না ওরা।

    সুমি বলল, কে রে? জগুর মা? কুশল?

    হ্যাঁ মা। কুশল বলল। মে আই কাম ইন?

    আয়!

    আই হ্যাভ আ প্রবলেম।

    অনলাইনে বেস্টসেলিং বই কিনুন

    কী?

    একলা বৈশাখ মানে কী মা? অ্যাণ্ড হোয়াট ইজ বৈশাখ? তিনরা আষাঢ় মানেই বা কী?

    সুমি একবার রাঘবের দিকে তাকাল।

    রাঘব মুখ ফিরিয়ে দেওয়ালের দিকে মুখ করল।

    সুমি বলল, একলা নয়, কুশু, কথাটা পয়লা। মানে প্রথম। লেখা হয় ওইভাবে। মাসের প্রথম তারিখকে বলে পয়লা। তিনরাও নয়। ওটা বাংলায় লেখা হয় ৩রা করে, কিন্তু উচ্চারণ হবে তেসরা। অর্থাৎ তিন তারিখ। আষাঢ়ের তিন তারিখ।

    ফানি!

    বলল, কুশল। তার পর বলল, হোয়াট ইজ বৈশাখ মা?

    বৈশাখ একটা মাসের নাম বাবা। আমাদের বাংলা ক্যালেণ্ডারের প্রথম মাস হচ্ছে বৈশাখ। এবং পয়লা বৈশাখ হচ্ছে আমাদের নববর্ষ, মানে নিউ-ইয়ার।

    ডোন্ট বি সিলি, মা! নববর্ষ তো ফার্স্ট জানুয়ারি। তুমি আমাকে মিছিমিছি বলছ!

    না কুশু। মিছিমিছি বলিনি।

    আমি যাচ্ছি। অধৈর্য গলায় কুশল বলল।

    তুমি কী করছিলে?

    হুইজ-বিজ পড়ছিলাম দ্য টেলিগ্রাফের। দারুণ লাগে আমার টেলিগ্রাফ। শুধু রবিবারে না রেখে রোজই রাখোনা কেন মা? তোমাদের আনন্দবাজারের নামটাই কেমন বাজার বাজার। বন্ধ করে দাও।

    রাঘব বলল, কুশু, আনন্দবাজার, শুধু একটা খবরের কাগজই নয়, আমাদের দেশ যখন পরাধীন ছিল তখন এই কাগজ অন্য আরও কিছু কাগজের সঙ্গে, আমাদের স্বাধীন করতে সাহায্য করেছে। আনন্দবাজার বাঙালির জীবনের সঙ্গে মিশে রয়েছে। ছাপা ঝকঝকে বা কাগজ সাদা হওয়ার চেয়েও আরও বড়ো ব্যাপার থাকে কুশু। তুমি বড়ো হয়ে বুঝবে। জানি না বুঝবেই কি না। হয়তো বুঝবে।

    কুশল চলে যেতে, রাঘব সুমির মুখের দিকে চাইল।

    বলল, তোমাদের স্কুলের সব ছেলে-মেয়েও কি এরকম?

    তা কেন হবে? বাড়িতে আমরা যদি একটুও ওকে নিয়ে না বসি, আমাদের ভাষা, আমাদের সংস্কৃতি, আমাদের গান সম্বন্ধে ছোটোবেলা থেকেই ইন্টারেস্টেড না করে তুলতে পেরে থাকি, তা হলে দোষটা কার? ওর? না আমাদের?

    তুমি কি বসতে পারতে না ওকে নিয়ে? নিজে টিচার হয়েও? দু-দিন পর অ্যাসিস্ট্যান্ট হেডমিস্ট্রেস হবে তুমি।

    না। আমার স্কুলের বকবকানির পর রান্নাবান্নাতেও কিছু সাহায্য তো করতে হয়। রান্না ছাড়াও অনেকই কাজ থাকে। তুমিই একমাত্র পারতে! তা নয়, অফিস থেকে এসে তাস পিটতে যাবে। ইংরেজি, জার্মান, আমেরিকান আর্টফিলম দেখতে হবে। ছেলের জন্যে দেওয়ার সময় কোথায় তোমার? তুমিও তো একজন ইন্টারন্যাশনাল পার্সোনালিটি! ছেলে বাঙালি হল না বলে তোমার দুঃখ করা মানায় না।

    রাঘব উত্তর না দিয়ে উঠে বসল বিছানাতে। অত্যন্ত চিন্তিত মুখে বলল, আমি যা দেখছি, এইভাবে চলতে থাকলে, পঞ্চাশ বছর পরে বাঙালি বলে কোনো জাতই বোধ হয় আর থাকবে না। যে মধ্যবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্ত বাঙালি এতদিন আমাদের সংস্কৃতি সাহিত্য, সংগীত সব কিছুকেই বাঁচিয়ে রেখেছে, তারা একেবারেই নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।

    যাবে। সুমি ওর হারের লকেটটা চিবোতে চিবোতে বলল। যারাই ছেলে-মেয়েদের ভালো চাকর বানাতে চায়, বেশি টাকা রোজগারের মেশিন করতে চায়; ব্রিফকেস হাতে, টাই-পরা চাকর, মেয়েদের বেশি রোজগেরে ছেলেদের সঙ্গে বিয়ে দিতে চায়, তারাই ইংলিশ-মিডিয়াম স্কুলে ছেলে-মেয়েকে পড়তে পাঠাবে। তারা বাংলার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবে না কখনোই। বাবা মা যথেষ্ট ইন্টারেস্ট না নিলে।

    রাঘব বলল, ইংরিজির মতো রিচ ভাষা তো হয় না। আমাদের বাপ-ঠাকুরদা কি আমাদের চেয়ে কম ভালো ইংরিজি জানতেন? কিন্তু ইংরিজি মিডিয়াম স্কুলে পড়লেই যে ইংরিজিয়ানা শিখতে হবে একথা আমি বিশ্বাসই করি না। তোমরা যে শিক্ষা ছেলে-মেয়েদের দিচ্ছ, তাতে কাঁটাচামচে নিখুঁতভাবে খেতে পারা আর শিক্ষিত হওয়া ব্যাপারটা সমার্থক হয়ে যাচ্ছে। এ তো সাংঘাতিক ব্যাপার।

    সাংঘাতিকই। কিন্তু তোমার এই হঠাৎ কনশাসনেস, হঠাৎ জ্ঞান, ভালো লাগছে না আর। বলিনি, শরীরটা ভালো নেই আমার।

    হ্যাঁ।

    নববর্ষর দিন মাছ খাবে বলো। জগুর মাকে বলে রাখব। পটলাকে বলে আগের দিনই…

    চৈত্র-সংক্রান্তির দিন সব বাড়িঘর পরিষ্কার-টরিষ্কার করবে না? মনে আছে, মা ও বাবা প্রতিবছর ওইদিন বাজার করতে বেরুতেন? দাদুর ফতুয়া, বাড়ির পাপোশ, কুকুরের বকলস। নতুন বছর, নববর্ষ যে আসছে, বেশ বোঝা যেত। আমাদের সকলের জন্যে নতুন জামা।

    নববর্ষের দিন কী মাছ খাবে বলো?

    ঠাণ্ডা নৈর্ব্যক্তিক গলায় সুমি আবার বলল। কইমাছ?

    না। থাক। রাঘব বলল, বৈশাখ সত্যিই একলা হয়ে গেছে। একলা বৈশাখে কিছুই করার দরকার নেই। যা কিছু করার সব একলা-জানুয়ারিতে কোরো।

    সুমি তখনও লকেট চিবোচ্ছিল।

    ননশালান্টলি বলল, যা তোমার ইচ্ছে। তাই-ই হবে। রাঘবের মনে হল, সুমি যেন বেঁচে গেল একলা বৈশাখ, কাঁটাওয়ালা কই এবং তারও ওপর কালো জিরে, কাঁচালঙ্কা ধনেপাতা দেওয়া তেল-কইয়ের অত্যাচার থেকে। ক্লোরোস্ট্রোল, বাজে খরচা। ঝামেলা…

    রাঘব জানে যে, ‘একলা বৈশাখ’-এর দুপুরে হয় সসেজ এবং পাউরুটি, নয় ভাত এবং পোর্ক-ভিন্দালু, রাঁধবে জগুর মা। সুমির অর্ডারমতো। ইদানীং বিফও আনাচ্ছে মাঝে মাঝে। কারণ অকাট্য। সুমি বলছে, ফাস্ট-গ্রোয়িং ছেলে কুশলের জন্যে চিপেস্ট প্রোটিন। দিনকাল যা পড়েছে! উপায়ই বা কী? একলা একলা থেকেও এই-ই অবস্থা সকলের।

    বৈশাখ, পয়লা বৈশাখ হয়তো সব বছরই আসবে ঘুরে ঘুরে, কিন্তু সকালে স্নান-করা কোরা তাঁতের শাড়ির গন্ধে-মোড়া, উজ্জ্বল মরুকেতনের মতো ঢলঢলে মুখের, ভেজা চুলের বাঙালি মেয়েদের আর বেশিদিন দেখা যাবে না। গুরুজনদের বাড়ি সন্দেশের প্যাকেট হাতে করে প্রণাম করতেও যাবে না কেউ। কাঁটাওয়ালা মাছ এবং তেল-কই রান্না হবে না কারোর বাড়িতে।

    বোনলেস চিকেন, বোনলেস ফিশেরই মতো, বাঙালি জাতটাই একটি বোনলেস জাত হয়ে গেছে, যার কোনো নিজস্বতা আর অবশিষ্ট নেই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রত্যানীত – বুদ্ধদেব গুহ
    Next Article পাখসাট – বুদ্ধদেব গুহ

    Related Articles

    বুদ্ধদেব গুহ

    বাবলি – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্ৰ ১ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ২ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৩ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৪ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    অবেলায় – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026
    Our Picks

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026

    ছাতিম – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    August 14, 2026

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }