Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পুষ্পমঞ্জরি – বুদ্ধদেব গুহ

    বুদ্ধদেব গুহ এক পাতা গল্প780 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ডাক

    প্ল্যাটফর্ম-এ দু-চারজন মানুষ তিন-চারটে কুকুর এবং একজন ফেরিওয়ালা, জনা কয়েক বেকার। উঠবেও দু-একজন নামবেও তাই। মধ্যপ্রদেশের কয়লাখাদান এলাকার অত্যন্ত ছোট্ট জায়গাটা এইরকমই। ট্রেনটা এসে গেল। দু-মিনিট স্টপেজ। প্ল্যাটফর্ম বলতেও এই জঙ্গুলে জায়গাতে কিছু নেই, রুখু কাঁকরময় জমি থেকেই উঁচু সিঁড়িতে পা দিয়ে উঠতে-নামতে হয়। শ্রীতমা এখন স্বচ্ছন্দে হাঁটতে পারেন না। হাঁটু দুটিতে জোর পান না একেবারেই। লাঠি নিয়ে চলতে হয়। তাই শালিখ লাঠিঠা ওঁর হাত থেকে নিয়ে প্রায় কাঁধে করেই শ্রীতমাকে দিল থার্ড ক্লাস স্লিপারে। দরজাতে দাঁড়ানো দুজন মানুষ অবশ্য প্রৌঢ়াকে হাত ধরে ভেতরে টেনে নিলেন। শ্রীতমার লাঠিটা উঁচু করে তুলে ধরলেন শালিখ। ওঁরাই টেনে নিলেন সেটা। শালিখ একটু দ্বিধার সঙ্গে বললেন, একটু দেখবেন ওঁকে। আপনারাও হাওড়াই যাবেন কি?

    জি হাঁ। কোই ফিক্কর মত কিজিয়ে বাবা, মাহিজি কা দেখভাল করেগা হামলোগোঁনে। একেলি যা রহা হ্যায় ক্যা?

    জি হাঁ।

    এবারে শালিখ বলল, ট্রেনটা ছেড়ে দিল। শ্রীতমা মনে হল, দরজার কাছে এসে কিছু একটা বলতে চাইলেন, কিন্তু সময়াভাবে পারলেন না। শালিখ লাফ দিয়ে ট্রেনের সিঁড়ি থেকে নেমে পড়লেন। আগেকার স্টিমইঞ্জিনের ট্রেন আর নেই যে ধুস-ধুস-ধুস করতে করতে ‘রেডি, গেট সেট, গো’ ইঙ্গিত পেয়ে ধীরে ধীরে চলা আরম্ভ করে গতিজাড্য বাড়াবে ধীরে। শালিখও আগের শালিখ নেই। তাঁরও হাঁটু কটকট করে। তবে শ্রীতমা বয়েসে তাঁর বছর তিন-চারের ছোটো। তা ছাড়া মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে তাড়াতাড়ি বুড়োও হয়ে যায়। শালিখ প্ল্যাটফর্ম-এ দাঁড়িয়ে দেখলেন ট্রেন-এর পেছনের লাল বাতিসমেত গার্ডসাহেবের কামরাটিও গভীর জঙ্গলের মধ্যে ক্রমশ সরু হয়ে আসা রেলের লাইন দুটোর ওপরে একসময়ে অদৃশ্য হয়ে গেল। অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার পরও কিছুক্ষণ দাঁড়িয়েই রইলেন ফাঁকা হয়ে যাওয়া প্ল্যাটফর্ম-এ।

    কে গেলেন? আপনার ওয়াইফ কি?

    হঠাৎই কে যেন বলে উঠলেন শালিখ-এর কানের পাশে।

    নতুন আসা এই মিরিমাড় স্টেশানের স্টেশানমাস্টার সর্বদমনবাবু জিজ্ঞেস করলেন।উত্তর কলকাতার বাসিন্দা এই উত্তর চল্লিশের সর্বদমন ঘোষ মানুষটাকে প্রথম দর্শনেই খারাপ লেগেছিল শালিখবাবুর। বড়ো বেশি কৌতূহল মানুষটির। আর তাঁর জগৎটাও বড়ো বেশি ছোটো। আজকাল সংসারে এমন ইতর, ক্ষুদ্রমনা পুরোপুরি গন্তব্যহীন মানুষই বেশি দেখা যায়। একজন ভদ্রলোকের পক্ষে অন্যের ব্যাপারে কতখানি কৌতূহল শোভন সে-সম্পর্কেও কোনো ধারণাই নেই মানুষটির। তা ছাড়া বড়ো বেশি পরনিন্দা-পরচর্চা করেন। যাঁর নিজের জীবনেই কোনো গন্তব্য নেই, তিনি সকালসন্ধে বিভিন্ন গন্তব্যে রওনাও করাচ্ছেন খয়েরি সরীসৃপের মতো নানা ট্রেনকে। তাঁর মানসিকতা কিন্তু এমনই এক পর্যায়ের যে, শ্রীতমা যে শালিখবাবুর ঠিক কে, তাই শোনবার জন্যেই সর্বদমন আকুলিবিকুলি করছেন। কিন্তু সত্যি কথা বললেও তা হজম করার মতো ঔদার্য সর্বদমনবাবুর কখনোই হবে না। ছোটো জায়গাতে বাস করা, ছোটো বৃত্তের ঘেরাটোপের মধ্যে সাধারণ একজন অর্ধশিক্ষিত মানুষকে শ্রীতমা তাঁর কে হন, তা বলে কোনো লাভও হত না। কারণ, মানুষ-মানুষীর মধ্যে ‘হাজব্যাণ্ড-ওয়াইফ’ ছাড়া অন্য কোনো সম্পর্কও যে আদৌ থাকতে পারে সে-সম্বন্ধে এমন গন্ডিবদ্ধ মানুষের কোনো ধারণাই নেই। তাই, শালিখ মুখে কিছু না বলে হ্যাঁ-ও বোঝায়, না-ও বোঝায় এমনইভাবে মাথাটা নাড়লেন। শ্রীতমা যেদিন মিরিমাড়-এ আসেন তখন সর্বসন্ধিৎসু সর্বদমন স্টেশানে ছিলেন না।

    সর্বদমনবাবু বললেন, দেখেই বুঝেছিলাম। এখনও এত সুন্দরী। যৌবনে কীরকম যে ছিলেন তা সহজেই অনুমান করা যায়।

    তার পর বললেন, আপনারা তো মেসোমশায়, যৌবনে ‘মেড ফর ইচ আদার’ কম্পিটিশানে নাম দিতেও পারতেন।

    সামান্য পরিচিত মানুষদের মেসোমশাই বা কাকাবাবু সম্বোধন শালিখের একেবারেই পছন্দ নয়। বাঙালিরা ছাড়া অন্য কোনো প্রদেশীয় মানুষদেরই সম্ভবত এতজন স্বামীবিচ্ছিন্ন মাসি অথবা এতজন ভ্রাতাময় পিতৃদেব হয় না।

    শালিখবাবু কিছু না বলে, মাস্টারমশাইকে নমস্কার জানিয়ে এগোলেন।

    প্রয়োজন যে একেবারেই বোধ করেন না, তা নয়, তবুও লাঠি নেন না শালিখবাবু। যতদিন বাঁচেন কারো ওপরেই নির্ভরশীল হতে চান না। এমনকী লাঠির ওপরেও নয়। সন্ধে নেমে যাবে একটু পরেই। তাড়াতাড়িতে টর্চটাও আনেননি। কৃষ্ণপক্ষ এখন। আর দু-দিন পরেই কালীপুজো।

    কালীপুজোর দিন শ্রীতমার মেয়ে এবং জামাই তাঁর কাঁকুড়গাছির দু-কামরার ফ্ল্যাটে আসবে নাতি-নাতনিকে নিয়ে। নিজে হাতে লুচি আর পাঁঠার মাংস রেঁধে খাওয়াবেন শ্রীতমা। সঙ্গে আলুবোখরার চাটনি। তাঁর নাতনি এ-চাটনি খেতে খুব ভালোবাসে। আসবে মানে, আসবার কথা আছে। শেষপর্যন্ত আসবেই যে, তা জোর করে বলতে পারেন না।

    শ্রীতমা ভালো করেই জানেন, তাঁর জামাই, সমাজের যে-তলার বাসিন্দা, তার জীবনযাত্রা যেরকম, ওল্ড আলিপুরের লনওয়ালা বাড়ি থেকে তাজবেঙ্গল, টলি এবং ক্যালকাটা ক্লাবের পরিমন্ডল থেকে ওপেল গাড়িতে করে বেরিয়ে কাঁকুরগাছির বিবর্ণ পাঁচিল এবং বারান্দাতে লুঙ্গি, শায়া, গামছা এবং আণ্ডারওয়ার ঝোলানো পায়রার ঘরের মতো ফ্ল্যাটগুলিতে ঢুকতে তার গা ঘিনঘিন করে। তাঁর মেয়ে পরমারও নিশ্চয়ই করে। তবু পরমারা আসে বছরের ওই একটি দিনই দয়া করে পুজোর পরে, যে-বছর দেশে বা বিদেশে কোথাও হলিডে করতে না যায়। শ্রীতমার ওই এল আই জি ফ্ল্যাটের প্রতিবেশীর ছেলে-মেয়েরা ঝকঝকে মেটালিক রঙের লাল ওপেল গাড়িটা ঔৎসুক্যের আধিক্যে আঁচড়ে-কামড়ে দেয়। অন্য গ্রহ থেকে উড়ে আসা ইউ এফ-ওর মতো সে-গাড়ির গায়ে হাত বুলোয়। গাড়ির পালিশ নষ্ট হয়ে যায় তাতে। মেয়ে-জামাই প্রায়ই বিরক্ত হয় যদিও, মুখে কিছু বলে না। শ্রীতমার কাছে নিজেই চালিয়ে আসে জামাই। কোম্পানির ড্রাইভারকে দেখাতে চায় না, তার শাশুড়ির এই দৈন্যদশা। সবই জানেন শ্রীতমা। তাঁর মুখের হাসি এসবে একটুও অমলিন হয় না। মুখে কিছুই বলেন না। নাতিটাকে দেখতে ইচ্ছে করে বড়ো….. তাই….।

    শ্রীতমার একমাত্র ছেলে শুভম স্টেটস-এর বস্টনে থাকে তার মেক্সিকান স্ত্রীকে নিয়ে। তাদের ছেলে-মেয়ে নেই। খুবই দায়িত্বের চাকরি। ছুটিছাটা পায়ই না। পেলেও হাওয়াই বা বারমুডাজ বা ইজিপ্ট-এ হলিডে করতে যায়। এবারে ভারতের কাছেই মালডিভস-এ এসেছিল। কাছেই। তবু এদের টাইট স্কেজুল-এর জন্যে কলকাতাতে আসার সময় করতে পারেনি। টাকাপয়সাও পাঠায় না কিছুই। শ্রীতমাও চান না। মেয়ে জোর করেই বছরে চারজোড়া শাড়ি, শায়া, জামা দেয়। দিব্যি চলে যায় শ্রীতমার। নিজের পেনশন এবং অনিকেত-এর সঞ্চয়ের ওপরে যা সুদ পান তাতে নুন আনতে পান্তা ফুরোয়। টাকা তো কাগজই হয়ে গেছে। কিন্তু এই বয়েসে পৌঁছে খাদ্যের চেয়ে ওষুধের খরচই বেশি। তবু দিন কেটে যায়। কাটাতে হবে বলে। সংসারের চিড়িয়াখানার নানা খাঁচার মোটা মোটা লোহার গরাদগুলো বাইরে থেকে খালি চোখে দেখা যায় না কিন্তু এই বৃদ্ধজীবনের সঙ্গে চিড়িয়াখানার জন্তুজানোয়ারের বদ্ধজীবনের তফাত বিশেষ নেই।

    শ্রীতমা থার্ড ক্লাস স্লিপারের জানলার পাশে বসে এসব কথা ভাবছিলেন। দু-পাশে শুধু জঙ্গল, লাল মাটি, ছিপছিপে নদী, মেঘের মতো পাহাড়শ্রেণি শেষবিকেলের ম্লান হলুদ আলোতে ভারি স্বপ্নময় দেখাচ্ছে। স্বামী অনিকেত-এর সঙ্গে একবার রেণুকুট-এ গেছিলেন বেড়াতে। সেখানেও এমন পাহাড়-বন ছিল, রিহাণ্ড বাঁধ। তখনকার দিনে স্কুলমাস্টারি করে অনিকেত বা তাঁর নিজের পক্ষেও এর চেয়ে বেশি বেড়ানো সম্ভব হয়নি। তবে দার্জিলিং এবং পুরীতে একবার করে গেছিলেন। নিজেরা নিজেদের নানাভাবে বঞ্চিত করেও একমাত্র ছেলে ও একমাত্র মেয়েকে যে, ‘মানুষের মতো মানুষ’ করে তুলতে পেরেছিলেন সে-বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

    কিন্তু অনিকেত বলতেন, আমরা ফালতু শিক্ষক তমা, ছেলে-মেয়ে দুটোকে পুথিই পড়ালাম শুধু, তাদের চরিত্র গঠন করতে পারলাম না। মানুষের যদি চরিত্রই না থাকে তবে শুধু চেহারাতে মানুষ হলেই কি কেউ মানুষ হয়? তবে ছেলে-মেয়েরা দুজনে যার যার ক্ষেত্রে কৃতী হয়েছে। তাদের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের অন্ত নেই। এর চেয়ে বেশি চাইবার আর কী-ই বা থাকে সন্তানদের কাছে মা-বাবার?

    শ্রীতমা ভাবেন, সন্তান আর ইনশিয়োরেন্স পলিসি তো এক নয়। স্নেহ সততই নিম্নগামী। ছেলে-মেয়ের কাছ থেকে কোনো বাবা-মায়েরই কিছু প্রত্যাশার থাকে না। তাদের সুখই বাবা-মায়ের সুখ। যদি আজকালকার কোনো ছেলে-মেয়ে বাবা-মায়ের জন্যে কিছু করে, সেটা প্রমত্ত ঝড়ে ঝরে-পড়া আমেরই মতো, অপ্রত্যাশিত প্রাপ্তি, হিসেবের বাইরের WINDFALL। তার দাম অপরিসীম। কিন্তু অন্য মা-বাবাদের কথা বলতে পারেন না শ্রীতমা কিন্তু তাঁর কিছুমাত্রও প্রত্যাশা নেই কারো কাছ থেকেই। প্রার্থনা করেন, এই আত্মসম্মানটুকু নিয়েই যেন যেতে পারেন।

    শ্রীতমা জানলা দিয়ে আসা ঠাণ্ডা হাওয়ার থেকে বাঁচার জন্যে গায়ের চাদরটা ভালো করে জড়িয়ে নিলেন। একটুপরেই অন্ধকার হয়ে গেলে, জানলা বন্ধ করে দিতে হবে। শীত কিন্তু করছে না একটুও। পাঁচটা দিন শালিখদার কাছে কাটিয়ে শ্রীতমা যেন জীবনের এক অন্য মানে খুঁজে পেয়েছেন। কেন জানেন না, তাঁর আবারও খুব বাঁচতে ইচ্ছে করছে। অনিকেত চলে গেছেন আজ বারো বছর। একযুগ। শালিখদা অনিকেতেরই বন্ধু। শ্রীতমা ভাবছিলেন, সংসারে বন্ধু বলে যাদের আমরা জানি তাদের মধ্যে সকলেই কি বন্ধু? শ্রীতমা শালিখ সেনকে শ্রদ্ধাই করে এসেছেন চিরদিন। শ্রদ্ধার মধ্যেও যে ভালোবাসা লুকিয়ে থাকে, সেকথা তেমন করে বুঝতে বুঝতে জীবন তাঁর শেষ করে ফেললেন যে একথা ভেবেই আশ্চর্য হচ্ছেন উনি। শালিখও কোনোদিন মুখ ফুটে কিছু বলেননি। আজকে শালিখ-এর এই নি:শব্দ কিন্তু অপ্রতিরোধ্য ডাককে উপেক্ষা করেন, এমন জোর কি তাঁর অনেক আঘাতে ক্ষতবিক্ষত বুকে আছে? কী করবেন, জানেন না শ্রীতমা। কে জানে! কলকাতাতে এই হয়তো তাঁর শেষবারের মতো যাওয়া। কালীপুজোর পরে পরেই হয়তো ফিরে আসবেন উনি এখানে। বাকিজীবনটা কাটিয়ে দেবেন শালিখের সঙ্গেই।

    কথাটা মনে হতেই হাসি পেল তাঁর। তাঁর এখন তেষট্টি আর শালিখের সাতষট্টি। ‘বাকিজীবন’ বলতে এখনও কিছু আছে কি? যতটুকু আছে, যদি থাকে, তাকেই পরম মমতাতে প্রলম্বিত করে নেবেন দুজন একা মানুষ। শরীর এখন প্রায় ঘুমিয়েই পড়েছে। কিন্তু মন আছে তরুণই।

    শেষ বিকেলের উষ্ণতাকে সুগন্ধি বালাপোশেরই মতো শরীর-মনে জড়িয়ে নিয়ে সেই সুগন্ধের ওম ও শিশির-ঝরা কবোষ্ণ রাতগুলি একে-অন্যকে বুকের মধ্যে জড়িয়ে কেটে যাবে রমরম করে। শ্রীতমা এসব ভাবতে ভাবতে যেন কলেজের মেয়ে হয়ে গেলেন। উনিশ বছরের লেডি ব্রাবোর্ন-এর শ্রীতমা।

    ২

    বসিরের ছেলে ইয়াসিন গোরুবাছুরগুলোকে জঙ্গল থেকে নিয়ে এল। অন্ধকার হয়ে গেছে।

    এত দেরি করলি কেন ইয়াসিন? শালিখ জিজ্ঞেস করলেন।

    জানিস না, বাঘ আছে জঙ্গলে?

    বড়ো বাঘে প্রধানের একটা গোরুকে ধরেছে। তাইজন্যে আজ সকলের গোরুই ভয়ে এদিক-ওদিক ছাটকে গেছিল। খুঁজে পেতে আনতে দেরি হল। তাই।

    তোকে যদি ধরত?

    তা ধরতে পারে।

    তাড়াতাড়ি যাবি, দিনে দিনে ফিরবি।

    হুঁ।

    বাঘে গোরু ধরবে না? বাঘের যা খাদ্য, তা না পেলে বাঘ কী করবে? শালিখ বললেন। আম্মির গাড়ি কি চলে গেল?

    ইয়াসিনের আব্বা বসির জিজ্ঞেস করল।

    হ্যাঁ।

    আবার আসবেন তো?

    কেন? এখানে আসবেন কেন বারে বারে? এখানে ওঁর কে আছে?

    আমরা তো আছি আব্বা। আমাদের জন্যে আসবেন। উনি এলে আপনারও খুব সুবিধে হবে, আনন্দ হবে। দেখবেন ফতিমা, আমি আর ইয়াসিন মিলে তাঁকে কত যত্নআত্তি করি। জানি না, আসবেন কি না।

    এলে তো চিরজীবনের মতোই আসতে হয়। তোরা চিঠি লেখ সকলে।

    উর্দু কি আম্মি বুঝবেন?

    আমি তর্জমা করে দেব। কথা বুঝতে, ভাষা না জানলেও চলে। আমার চিঠির সঙ্গে তোদের চিঠিও জুড়ে দেব। লিখলে, আজ রাতেই লিখে ফেল। আমিও আজ রাতেই লিখব। আর শোন বসির, ফতিমাকে বলবি রাতে আমি কিছুই খাব না। দুপুরে আজ বড়ো দেরিতে খাওয়া হয়েছে। বেশি খাওয়া হয়েছে।

    দুধ-খইও খাবেন না?

    না। ইসাবগুল খাব শুধু। শোবও তাড়াতাড়ি।

    কাল স্কুল আছে। মনে আছে তো?

    হ্যাঁ আব্বা, মনে আছে।

    কী শীত, কী গ্রীষ্ম রাতে গরম জলে চান না করলে ঘুম হয় না শালিখ-এর। চান-টান করে উঠে, আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে চুল আঁচড়াতে আঁচড়াতে নিজেকে ভালো করে দেখলেন।

    একবার। বহুবছর পরে। বুড়ো তো হয়েছেনই, চুল পাতলা হয়ে গেছে। পেটের কাছে মেদ হয়েছে। চোখ নিষ্প্রভ, কিন্তু তার মধ্যে আয়নায় প্রতিফলিত আলোতে দেখলেন যে, তাঁর মুখে কেমন একটা আলগা দীপ্তি লেগেছে। মেয়েদের মুখে বিয়ের পরে পরে যেমন লাগে। শ্রীতমার সঙ্গে যখন ওঁর প্রথম আলাপ হয়, তখন শ্রীতমা লেডি ব্রাবোর্ন কলেজে পড়তেন, থার্ড ইয়ারে। শ্রীতমা প্রায়ই বলতেন তখন, ময়দানে বা বটানিকাল গার্ডেনে, শালিখ দেখলে, One for Sorrow, Two for Joy কথাটা কেন মনে পড়ল তা জানে না শালিখ। কিন্তু অবশ্যই পড়ল। মনে পড়াতে তাঁর মনে, একচিলতে হাসি ফুটে উঠল। একলা শালিখ কি বুড়োবয়েসে এসে দোকলা হবেন? কে জানে, কী হবে! মানুষের জীবন প্রথম বর্ষণের পরে পাহাড়ি নদীরই মতো। খড়কুটো, বহুবর্ণ লতাপাতা, নুড়ি-পাথর সব ভাসিয়ে নিয়েই যে যায় সে শুধু তাই নয়, কখন যে-কোথায় কোন বাঁক নেয় তা, খরস্রোতা হঠাৎ ঘুমভাঙা পাহাড়ি নদীরই মতন জীবনও জানে না।

    গরম চাদরটা জড়িয়ে নিয়ে বসলেন। শালিখ চিঠিটা এখনই লিখে না ফেললে পরে হয়তো আর লেখাই হবে না। সব কিছুই বলার বা লেখার একটা নির্দিষ্ট সময় থাকে, হয়তো দেওয়ারও, সেই সময় উত্তীর্ণ হয়ে গেলে ঋণের মেয়াদেরই মতো কথা বা চিঠির বা উপহারের মেয়াদও ফুরিয়ে যায়। তামাদি হয়ে যায়, সেইসময় অতিক্রান্ত হয়ে গেলে, জীবনের খতিয়ানের নাজাই খাতে তা লিখে দিয়ে, তা বাতিল করতে হয়।

    মিরিমাড়

    ধৌরি, মধ্যপ্রদেশ

    রবিবার

    কল্যাণীয়াসু শ্রী,

    এখন তুমি বোধ হয় চলন্ত ট্রেনে বসে রাতের খাওয়া খাচ্ছ। ফতিমা পরোটা আর গুলহার কাবাবটা ভালোই করে। তোমার জন্যে আরও বেশি যত্ন নিয়ে করেছে। আশা করি, তোমার ভালোই লাগবে। খাবার-জল আর-একবোতল দিয়ে দিলে ভালো হত। শোয়ার সময়ে মাফলারটা গলাতে জড়িয়ে শুয়ো। মহাকাল রেঞ্জ-এর নীচের খাদের মধ্যে দিয়ে ট্রেনটা যখন যায়, তখন ঠাণ্ডা আরও বেশি লাগে। মনে পড়ে, তোমার ক-টি প্রিয় পঙক্তি ছিল রবীন্দ্রনাথের, আমার মুখে শুনতে ভালোবাসতে তুমি খুব। ‘রাতের রেলগাড়ি, দিল পাড়ি, গাড়িভরা ঘুম, রাত নিঝুম।’

    তোমাকে ট্রেনে তুলে দিয়ে ফিরে আসতে আসতে কত কথাই যে মনে আসছিল শ্রী, তা কী বলব। তোমার সঙ্গে আমার আলাপ হয়েছিল আজ থেকে প্রায় পঁয়তাল্লিশ বছর আগে। তোমাদের কলেজের ফেস্ট ছিল। একটি ডিবেটও হয়েছিল। আমি ডিবেটের ফাইনালে গেছিলাম আমার এক বন্ধুর বোন (সে স্কটিশ চার্চ-এ পড়ত) তার সঙ্গে। আশ্চর্য। তার নামটা পর্যন্ত আজ আর মনে নেই অথচ তোমার সঙ্গে সে-ই আমার আলাপ করিয়ে দিয়েছিল। আমি তখন প্রেসিডেন্সি থেকে ইংরেজিতে গ্র্যাজুয়েশান করে ক্যালকাটা ইউনিভার্সিটিতে এম এ পড়ছি। তোমার সঙ্গে আলাপ হয়ে মনে হয়েছিল, জন্মাবধি তোমাকেই যেন খুঁজে বেড়াচ্ছিলাম। তোমার দীর্ঘ গ্রীবা, তোমার উজ্জ্বল দুটো চোখ, তোমার হালকা ছাই-রঙা শাড়ি, অত্যন্ত সুরুচিবান অথচ কমদামি গয়না, তোমার স্মার্ট অথচ নরম ইংরেজি উচ্চারণ মাইকের সামনে দাঁড়িয়ে, আমাকে অভিভূত করেছিল।

    তার পরের কথা তো তুমি জানোই। আমি যদি শিলচরে লেকচারারশিপ নিয়ে চলে না যেতাম, তাহলে সম্ভবত তোমার সঙ্গে অনিকেতের নৈকট্য হত না। তোমরা বড়োলোক ছিলে। তোমার বাবা যে গরিব আমাকে পছন্দ করতেন না, তা বুঝতে পারতাম। তুমিও তো কখনো একটিও চিঠি লেখোনি তখন আমাকে। অনিকেত তখন ডক্টরেট-এর জন্যে তৈরি হচ্ছিল। আমার চেয়ে সুদর্শনও ছিল। তার সঙ্গে আমি পারবই বা কেন?

    সেই পরাজয়ের মধ্যে লজ্জা হয়তো ছিল কিন্তু গ্লানি ছিল না কোনো। তবু, আমাকে এমন করেই বিবশ করেছিলে যে, তোমাকে ভুলে যাওয়াও আমার পক্ষে সম্ভব ছিল না। ‘এনক’ আর ‘আর্ডেন’-এর মধ্যে কাকে যে মেয়েদের চিরন্তন পছন্দ তা সেদিনই জেনেছিলাম, যেদিন ডাকে তোমার বিয়ের চিঠিটা পেয়েছিলাম।

    তার পরে সব যোগাযোগই ছিন্ন হয়ে গেছিল। তোমার বিরুদ্ধে এক অন্ধ অভিমান বুকে নিয়ে তোমার সঙ্গে কোনো যোগাযোগই আর রাখতে চাইনি। অনিকেত দুই সন্তান রেখে অনন্তলোকে চলে গেছিল তা আমি জানতামও না। এখন বুঝি যে, তার পর থেকে তুমি অনেকই করেছ, আজও করছ। আমি ঘুণাক্ষরেও জানতে পারলে তখন, তোমার পাশে গিয়ে দাঁড়াতাম। ‘শ্রীতমা প্রাইমারি স্কুল’-এর কথা তুমি এখানকার গণেশ ব্যানার্জির কাছে অ্যাকসিডেন্টালি না শুনলে এবং আমার এখনকার ঠিকানাতে চিঠি না লিখলে, এ-জীবনে যোগাযোগই হয়তো আর হত না।

    আমার স্কুলের নাম তোমার নামে কেন দিলাম তা পরে তোমাকে বলব। বাগান করা ছাড়া ছোটো ছেলে-মেয়েদের পড়ানো এবং তাদের মানুষের মতো মানুষ করে গড়ে তোলার মতো আনন্দ আমি আর কিছুতেই পাইনি। আমার জীবনের সব সঞ্চয়ই মধ্যপ্রদেশের এই প্রত্যন্ত অঞ্চলে, গোন্দ বাইগাদের এবং কিছু মধ্যপ্রদেশীয় মুসলমানদের ছেলে-মেয়েদের মানুষ করার জন্যে ব্যয়িত হয়ে গেছে। আরও টাকার দরকার। তাই ইনকামট্যাক্স-এর ‘আশি জি’ ধারাতে যাতে দানের ওপরে ছাড় পাই, গণেশকে পাঠিয়েছিলাম ভোপালের আয়কর দপ্তরে, ডিরেক্টর অফ এগজেম্পশন-এর কাছে। সেখানেই তোমার প্রতিবেশী রাজেন ঘোষ-এর সঙ্গে গণেশের দেখা না হলে আমাদের এই পুনর্মিলন আদৌ সম্ভব হত না।

    চলে এসো শ্রী, কলকাতার পাট চুকিয়ে দিয়ে বাকিজীবন আমার কাছেই থাকবে বলে এসো। তোমার লা-মার্টস আর লোরেটোতে পড়া নাতি-নাতনিরা তোমার যত আপন তার চেয়ে অনেকই বেশি আপন অনেক নাতি-নাতনি তুমি তোমার নামাঙ্কিত স্কুলে পাবে। তোমার নিজের নাতি-নাতনিরা কোনো মালটিন্যাশনাল কোম্পানির সি ই ও হওয়ার সাধনাই করবে। ভালো থাকা, ভালো খাওয়াই এখন মনুষ্যজীবনের সাফল্যের পরাকাষ্ঠা। তারা আমেরিকান হবে, তারা ভারতীয় হবে না। আসল ভারতবর্ষ গ্রামেই আছে, পাহাড়ে-জঙ্গলে। সেই অজগর এখনও ঘুমিয়ে আছে। তাকে না জাগাতে পারলে, এই দেশের কোনোই ভবিষ্যৎ নেই।

    মানুষের মতো মানুষই শুধুমাত্র নিজের জন্যেই বাঁচে না। শুধুমাত্র নিজের জন্যে বাঁচে শুধু জানোয়ারেরাই। প্রকৃত মানুষ সব সময়েই বাঁচে পরের জন্যেই। কিছু মানুষের কাঁধ চওড়া করে পাঠান এখানে বিধাতা, অন্যদের বোঝা বইতে। তারাই মনুষ্যপদবাচ্য মানুষ।

    চলে এসো শ্রী। জীবনের যেটুকু বাকি আছে আমরা নতুন নতুন গাছ লাগাব, ফুল ফোটাব, বাজরা, আর মকাই, ধান আর মটরশুঁটির খেতে ঘুরে বেড়াব, মাটির কাছাকাছি থাকব। আর এই শিশুদের যথার্থ ভারতীয় করে তোলার সাধনাতে নিয়োজিত করব আমাদের। বাঙালি নয়, আসামি নয়, বিহারি নয়, ওড়িয়া নয়, যথার্থ ভারতীয়ত্বে সম্পৃক্ত ভারতীয়। আমার আর তোমার প্রেম আবার নতুন করে পাপড়ি মেলবে এখানে, ম্যাগনোলিয়া গ্র্যাণ্ডিফ্লোরারই মতো। তার গন্ধ ছুটবে দিকে দিকে। আমরা দুজনে সেই সুগন্ধের কান্ডারি হব।

    জীবনের বছরগুলো উদ্দেশ্যহীনভাবে ক্ষয় করা আর বাঁচা সমার্থক নয় শ্রী। প্রতিমুহূর্তে তোমার চলার পথের দু-পাশে নতুন নতুন ফুল ফুটিয়ে যেতে পারার নামই মনুষ্যত্ব। আমি অথবা তুমি শুধুমাত্র আমরা অথবা তোমরাই নই, আমরা আমাদের দেশের। চলে এসো, আমার প্রথম যৌবনের প্রেমিকা শ্রীতমা, প্রকৃত ভারতীয় হিসেবে আমরা আমাদের বাকিজীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে সার্থক, ফলপ্রসূ করে তুলি। এর চেয়ে বড়ো পরিপ্লুতি একজন প্রেমিক ও প্রেমিকার জীবনে আর কীই বা হতে পারে? শারীরিক মিলনের সাধ আমাদের দুজনেরই হয়তো আছে কিন্তু সাধ্য হয়তো আর নেই। আমাদের মন-মিলন, শরীর-মিলনের চেয়ে অনেক বড়ো হবে। এসো, তোমার একলা শালিখদাকে জীবনের শেষে এসে দোকলা করো। তুমিই না বলতে, একলা শালিখ দেখলেই, One for sorrow two for Joy? এসো, আমরা যৌবনে ফিরে গিয়ে, এই সুন্দর জীবনে, একটামাত্র জীবনকে নতুন করে মালা পরাই।

    এসো, এসো, এসো শ্রীতমা। এসো, আমরা দুজনে মিলে এই হতভাগ্য, বঞ্চিত, দেশের জন্যে কিছু করি। মিথ্যের ফুলঝুরি ফোটানো বক্তৃতাবাজদের হাত থেকে দেশটাকে বাঁচাই।

    ইতি—

    তোমার শালিখদা

    দ্রুতগামী ট্রেনের মধ্যে কম্বলটা মুড়ি দিয়ে পাশ ফিরে শুলেন শ্রীতমা। ঘুমের মধ্যে মনে হল কোনো পুরুষকন্ঠ যেন তাঁর নাম ধরে বড়ো আদরে, বড়ো স্নেহে তাঁকে ডাকছে, ছেলেবেলায় তাঁর মা যেমন করে ডাকতেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রত্যানীত – বুদ্ধদেব গুহ
    Next Article পাখসাট – বুদ্ধদেব গুহ

    Related Articles

    বুদ্ধদেব গুহ

    বাবলি – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্ৰ ১ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ২ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৩ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৪ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    অবেলায় – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Our Picks

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }