Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পুষ্পমঞ্জরি – বুদ্ধদেব গুহ

    বুদ্ধদেব গুহ এক পাতা গল্প780 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মগধী, তৃণা এবং সব আধুনিকাদেরই জন্যে

    মগধী, তৃণা এবং সব আধুনিকাদেরই জন্যে

    ফোনটা অনেকক্ষণ ধরেই বাজছিল। বাথরুমে স্নান করছিল শুদ্ধ। ফোনটা ধরতেও পারছিল না অথচ অন্যায় হচ্ছে না-ধরা, এই ভেবেই ভীষণ টেনশান হচ্ছিল। ওর কারণে কেউ কষ্ট পান তা ভেবেই ওর কষ্ট হয়। তাড়াতাড়িতে বেরিয়ে এসে যখন ফোন ধরল ওপাশ থেকে তৃণার গলা, সিদ্ধদা?

    গত দু-দিন ধরে গলাতে ভীষণই ব্যথা। নুন-জল এবং ডিসপিরিন দিয়ে গার্গল করেও কোনো উপশমই হচ্ছে না। গান ছিল রবীন্দ্রসদনে। গজুদার সঙ্গে ডুয়েট ছিল অনেকগুলো।উনি সি সার্প-এ গান। ওর গলা কষ্টেসৃষ্টে বি ফ্ল্যাট অবধি ওঠে। চেহারা ষাঁড়ের মতন হলে কী হয়! আজকেই অমিদার কাছে যাবে ভাবছিল। আবিরদার কাছেও যেতে পারে, আবিরদার চেম্বার ওর অফিস থেকে ঢিল মারলেই পড়ে।

    শুদ্ধর গলাটা তৃণা একেবারেই চিনতে পারেনি, বলাই বাহুল্য। কিন্তু নাম্বার ডায়াল করার সময়ে ও শুদ্ধর নাম্বারই ডায়াল করেছিল। তাই উত্তর পাওয়ার পরে কে? সিদ্ধদা? বলার কী মানে তা বুঝল না শুদ্ধ। তা ছাড়া ও সিদ্ধ নয়।

    এরকম বোকা বোকা ব্যাপার সকলেই করে ফেলে অবশ্য অনবধানে। পরশু বম্বে এয়ারপোর্টে জেট এয়ারওয়েজের ফ্লাইট থেকে নেমেই টুটু আর তাপসের সঙ্গে দেখা। আর্কিটেক্ট দম্পতি। ব্যাগেজ ক্লেইম-এর কনভেয়র বেল্ট-এর সামনে ট্রলিতে হাত রেখে দাঁড়িয়েছিল। শুদ্ধ-ও তাই।

    টুটু বলল, কোত্থেকে?

    শুদ্ধ বলল, তুমিও যেখান থেকে আমিও সেখান থেকেই।

    তার পরে ও হেসে ফেলে বলল সত্যি কী বোকা বোকা! না? জুয়েলারের দোকানে সেদিন অমৃতার সঙ্গে দেখা হয়ে যাওয়াতে ও বলল, এখানে কী করতে?

    তার পর, দুজনেই হেসে উঠেছিলাম।

    সেইরকমই আর কী। অবধান আর অনবধানে তফাত তো থাকবেই!

    তৃণা আবারও বলল, সিদ্ধদা?

    শুদ্ধ বলল, না। আমি অসিদ্ধ। অথবা আধ-সিদ্ধও বলতে পারো। এমনকী নিপাতনেও সিদ্ধ নই।

    সরি, রং নাম্বার। বলে, ছেড়েই দিচ্ছিল তৃণা।

    শুদ্ধ তাড়াতাড়ি বলল, ছেড়ো না। ছেড়ো না। আমি অসিদ্ধও নই আধসিদ্ধও নই। আমি, শুদ্ধ। এবং পবিত্র।

    তার পর বলল, তোমার কোয়ার্টার-বয়েলড কোনো দাদা নেই তৃণা? এত দাদা থাকতে আমার মতন অভাগার খোঁজ করা কেন? তবে এটা ঠিক যে, ফোনে রোজই তোমার গলাটা একবার শুনতে না পেলে মন খারাপ লাগে।

    খুব জোরে হেসে উঠল তৃণা। বলল, সত্যি! কত জনকে যে দিনে এইকথাটি বলেন।

    শুদ্ধ কিছু বলল না জবাবে। ও জানে না যে, সত্যিই ওর গলা শুনতে পেলে ভারি ভালো লাগে শুদ্ধর।

    পারেনও! আচ্ছা! সত্যি করে বলুন তো আপনার কতজন গার্ল-ফ্রেণ্ড আছে?

    সত্যিই যদি জানতে চাও তাহলে বলব যে, গোনা-গুনতি নেই কোনো। কিন্তু একটা কথা অবশ্যই বলব যে, প্রত্যেকটি সম্পর্কই শুদ্ধ। আমার সব গার্ল-ফ্রেণ্ড-ই সদ্যস্নাতা, সুগন্ধি। তাদের গরদের বা সুতির লালপেড়ে শাড়ির নীচের ব্লাউজের পিঠে ভিজে চুল ছড়ানো, তারা পুজোর নৈবেদ্যর জোগাড় দেয় ফুলের আর সদ্যকাটা ফলের গন্ধের মধ্যে বসে ঢাকের শব্দ আর কাঁসরের শব্দর মধ্যে। কেউ বা দুব্বো ঘাস থেকে মধ্যের ছোটো অংশটি আলাদা করে ছেঁড়ে। তারা সবাই অস্পৃশ্য, দেবীরই মতন পবিত্র।

    আপনার জন্য আমার দুঃখ হয়।

    তৃণা বলল।

    কেন?

    এমন সুন্দর করে কথা বলেন, লেখেন না কেন আপনি শুদ্ধদা?

    ধন্যবাদ। এই জগৎ-সংসারে বিনা স্বার্থে কারোকে কারো জন্যেই দুঃখিত হতে দেখলে বড়ো আহ্লাদ হয় আমার। তা ছাড়া লিখলেই কি আর লেখক হওয়া যায় তৃণা? লেখক হওয়া অত সোজা নয়। প্রাইজ পাওয়া সোজা, লিখে গাড়ি-বাড়ি করাও কঠিন নয় কিন্তু লেখক হওয়া?

    কেমন আছেন? রোজ আপনার গলাটা একবার শুনতে না পেলে আমারও মনে হয় কী যেন হারালাম। মনে হয়, দিনটাই অসম্পূর্ণ রইল। মাঝে মাঝে আপনার গলাটা উত্তমকুমারের মতন শোনায়। সত্যি বলছি।

    উত্তমকুমারের দিন কি এখনও আছে? মানুষটাও বোধ হয় আমারই মতন হতভাগা ছিলেন। নিজের জীবনের সবচেয়ে ভালো সময়ে কুলুঙ্গির ঠাকুর না হয়ে থেকে একটু নীচে নেমে এলে উনি হয়তো সগর রাজা হতে পারতেন।

    কেন? সগর রাজা কেন?

    ষাট হাজার সন্তান থাকতে পারত তাঁর।

    ভারি অসভ্য আপনি।

    হা:।

    হাসল, শুদ্ধ।

    বলল, শুদ্ধতার মতো মূর্খামি যে হয় না সেটাও যেমন সত্যি তেমন কুলুঙ্গির দেবতা হয়ে থাকার মধ্যে যে এক আশ্চর্য সুগভীর আত্মপ্রসাদ তারও কোনো তুলনা নেই। দেবতা যাঁরাই হতে পেরেছেন তাঁরাই সেই গভীর সুখের কথা জানেন। সেই আত্মবঞ্চনারসুখের কাছে শরীরের এক বিশেষ সামান্য সুখের কোনো তুলনাই চলে না।

    তার পর শুদ্ধ তৃণাকে বলল, এখন বলো তোমার প্রিয় সখী মগধী কেমন আছে? বহুদিন তো সে ফোন করে না। ফোন ছাড়া অন্য কোনোভাবে যোগাযোগ করার উপায় তো আমার নেই কারো সঙ্গেই।

    তৃণা ভাবছিল, শুদ্ধর দুটি-পা-ই যে গতবছর বম্বে রোডে গাড়ি দুর্ঘটনাতে কেটে ফেলতে হয়েছে এই নির্মম সত্য ওরা সকলেই ভুলে থাকতে চাইলেও পারে না। কিন্তু শুদ্ধ নিজে মনে করে যে, পা হারানোর ক্ষতি কোনো ক্ষতিই নয়। মানুষের বেঁচে থাকার সঙ্গে যে তার দুটি পায়ের কোনো সাযুজ্য নেই, মানুষ বাঁচে তার মনের জোরে, ভ্রমণ করে তার তীব্র কল্পনাশক্তিতে, ভালোবাসতে পারে শুধু মন দিয়েও— একথাটাই যেন, জোরের সঙ্গে বলতে চায় শুদ্ধ সারাপৃথিবীকে। কোনো প্রতিবন্ধকতাই যে প্রতিবন্ধকতা নয় একজন প্রকৃত মানুষের কাছে, সেই কথাই সারাপৃথিবীকে জানাতে চায় যেন।

    ওর দাম্পত্যতে যে-চিড় ধরেছিল এবং তাতে তুমি যে তোমার নিজস্ব বুদ্ধি প্রয়োগ করেছিলে, তাতে কি কাজ হল কিছু?

    শুদ্ধ শুধোল।

    কার কথা বলছেন?

    মগধীর কথা। আর কার?

    না:। মনটা ভারি খারাপ লাগে শুদ্ধদা ওর কথা ভেবে।

    তৃণা, তুমি আমাকে বিশুদ্ধ বলে সম্বোধন কোরো এখন থেকে।

    কেন?

    শুদ্ধতার ওপরেও একটা প্রোটেক্টিভ কোটিং থাকবে অন্তত। ফর অ্যাডিশনাল প্রোটেকশান। তাতে অন্যর ব্যাপারে এতখানি উৎসুক হওয়াতেও কেউ আমাকে ভুল বুঝবে না। ভালো হওয়াই তো যথেষ্ট নয়, তুমি যে-ভালো, একথাটা অন্যকে বোঝাতেও তো হবে।

    ওদের খবর খুব খারাপ শুদ্ধদা। মানে মগধীদের।

    কেন? আরও খারাপ? ভেরি স্যাড।

    খারাপ হবে জানতাম। দীনেশ দেবাংশীর মতন সোনার টুকরো ছেলেকে হেলা করে ও আভাস দাড়িপার সঙ্গে যেদিন রেজিস্ট্রি করল আমি সেদিনই জানি গোলমাল একদিন হবেই।

    কেন? আভাস কি খারাপ ছেলে? কত গুণ তার।

    দেখো, দাম্পত্যে দোষ-গুণ ছাড়াও আরও অনেক কিছু উপাদান, উপচার লাগে। মজার কথা হচ্ছে এই যে, তা দাম্পত্যে প্রবেশ করার আগে পর্যন্ত বোঝাই যায় না। জলে না নামিলে কেহ শেখে না সাঁতার!

    তাই?

    তাই মানে? তুমি কি অবনের সঙ্গে পনেরো বছর ঘর করেও এই সরল সত্যটি বোঝোনি?

    ঘর আর করলাম কোথায় শুদ্ধদা? মণিপুরের নাচুনে হরিণেরা যেমন বাদার মধ্যের পুরু ঘাসের গালচেয় ঘর বাঁধে তেমনই ঘর। সে-ঘর নড়ে যায়, সরে যায় প্রতিনিয়ত। নেচেনেচেই বেঁচে থাকতে হয়। আমার ঘরের আর্কিটেক্ট কি বালকৃষ্ণা ভিঠলদাস দোশী?

    প্রত্যেকের দাম্পত্যের ঘরই ওইরকমই।

    শুদ্ধ বলল।

    আসলে একটা কথা তোমরা ভুলে যাও তৃণা, তোমাদের মতন সর্বক্ষণ অনুযোগ-করা সব মানুষ-মানুষীই যে, জীবনে কোনো সত্য, কোনো বোধ, কোনো অনুভূতিই Static নয়। তা সতত সঞ্চরমাণ। মনের মধ্যে ফুলশয্যার রাতের ছবিটাকেই শুধুমাত্র ধরে রাখলে চলবে কী করে? সে-ছবি শুধু দেওয়ালেই টাঙিয়ে রাখা উচিত। সে-ছবি শুধু দেওয়ালেরই। তার পর তুমি তোমার জীবনের কাজ নিয়ে থাকো। অধ্যাপনা তো নিছক কোনো কাজ নয়, সেও তো এক ব্রতই। অবনও অবনের জীবনের কাজ নিয়ে থাকবে। বিয়ে-টিয়ে নয়, কাজই প্রত্যেক আধুনিক শিক্ষিত মানুষের জীবনের সব। জীবনের সংজ্ঞা। দাম্পত্য তারমধ্যে একটা Relief মাত্র। মূল ব্যাপার নয়। একজন মানুষের সারাজীবনের কাজের প্রেক্ষিতে বিয়েটা একটা ঘটনামাত্র। বিয়েকে বেশি প্রাধান্য দেয় অশিক্ষিত মানুষেরা। এক্সকিউজ মাই সেইং সো।

    তার পরে শুদ্ধ বলল, এই সামান্য অথচ সহজ কথাটা তো মানুষে জন্তুজানোয়ারদের একটু মনোযোগের সঙ্গে লক্ষ করলেও জানতে পারত!

    সেকথা নয় শুদ্ধদা, আপনি ব্যতিক্রম হতে পারেন কিন্তু অধিকাংশ পুরুষই বড়ো Gross, স্থূল। নারী বলতে তারা শুধু নারীর শরীরকেই বোঝে। মগধীর স্বামী সেরকম। তৃণা বলল।

    তা কী করবে বেচারারা। মানে, পুরুষ বেচারারা! ঈশ্বর তাদের তেমন করেই যে গড়েছেন। হনুমানের যেমন ল্যাজ থাকে, ক্যাঙারুর পেটে থলে, ইঁদুরের দাঁত, যে-দাঁতে সবসময়ে কাটাকুটি না করলে তাদের মগজ ফুঁড়ে তাদের নিজেদেরই মেরে ফেলে, সেইরকমই। তাই ইঁদুর বেচারারা সর্বক্ষণ বালিশ কাটে, কাগজ কাটে বলে আমরা যেমন ইঁদুরদের দুষি, তেমন পুরুষদেরও দোষী করি। তারা নারীকে এক বিশেষ চোখে দেখে বলে। তাদের মনকেও কেটে কুচিকুচি করে বলে।

    বা:! আমরাও কি মানুষ নই? বাসে, ট্রেনে বা মিনিতে আমাদের বুকে আর পেছনে চিমটি কাটার জন্যেই কি আপনার মহান ঈশ্বর এই ন্যক্কারজনক পুরুষ প্রজাতিকে সৃষ্টি করেছিলেন?

    শুদ্ধ হেসে ফেলল এবারে। তার পর চেয়ার টেনে বসল পাখার নীচে। ক্রাচ নামিয়ে।

    বলল, আমরাও মানুষ, তোমরাও মানুষ। ইকুয়ালি। কিন্তু আমাদের শরীর এমন আলাদা করে গড়লেন কেন বিধাতা? চক্রান্তটা তো তাঁরই! তুমি কি ষাঁড়, কি পাঁঠা, কি কুকুরকে, গোরু বা ছাগল বা কুকুরিদের সঙ্গে পথে-ঘাটে অশোভন ব্যবহার করতে দেখোনি কখনো? রীতিমতো অশ্লীল আচরণও? আমরা এই হতভাগা পুরুষরাও তো সেই পুংলিঙ্গরই জীব! অনেক কায়দার জামাকাপড়, অনেক ডিগ্রির বোঝাতে নিজেদের ভারাক্রান্ত করে অনেক সংস্কৃতিসম্পন্ন হয়েও আমাদের ভেতরের সেই আদিম প্রবণতা ও প্রবৃত্তিকে ছাই-চাপা দিয়ে রাখতে যে পারা যায়নি। এতদিনেও যায়নি। তোমাদের মধ্যেও সেই প্রবৃত্তি নেই যে তা নয়। তবে সেটা পুরুষদের মতন অমন অশোভনভাবে উগ্র নয়। না-থাকলে পুরুষ-এর সঙ্গে প্রকৃতির মিলন সম্ভব হত না। তবে তোমাদের ভূমিকাটা গ্রহীতারই দাতার নয়। পরোক্ষ, প্রত্যক্ষ নয়। তাই বাইরে থেকে দেখে মনে হয় তোমরা বুঝি অন্যরকম। তা তো হয় না, হতেই পারে না। তাই এই ব্যাপারে শুধুমাত্র পুরুষদেরই দোষ দেওয়াটা অনুচিত তোমার।

    তার পরই শুদ্ধ বলল, তুমি কিন্তু মগধীর কথা বললে না।

    হ্যাঁ। আপনাকে তো বলেছিলাম যে, আভাস প্রতিসপ্তাহে ক্যানিং-এ যায়, সেখানে ওদের কোম্পানির কীসব কনস্ট্রাকশন হচ্ছে। সেখানে একটি ক্যাম্প-অফিস মতো আছে ওদের। ও-ই তার ইনচার্জ। তা সেই অফিসে একটি অল্পবয়েসি টাইপিস্ট মেয়ে আছে। হায়ার সেকেণ্ডারি পাস। দেখতে মোটামুটি, কিন্তু…। কাজে নাকি যাচ্ছেতাই। ক-দিন আগে Venerable শব্দটাকে টাইপ করেছিল veneral। আভাসের মুখেই শুনেছি। কিন্তু তার স্বাস্থ্য ভালো। হাসিখুশি। লাস্যময়ী। সবসময়ে সাজুগুজু করে থাকে, মাথায় ফুল থাকেই। যে ফুলই হোক।

    বা:।

    শুদ্ধ বলল।

    তার পর বলল, মগধীর মতন বেশি পড়াশুনো করে শরীরকে অকালে বুড়িয়ে ফেলেনি বলছ? তোমরা মেয়েরা লেখাপড়া শিখলেই জোর করে অন্যরকম হতে চাও কেন বলো তো? সেজেগুজে থাকা বা চুলে ফুল গোঁজা কি পাপ?

    কেন? মগধী তো যথেষ্টই সুন্দরী। স্লিম। তার ছাত্রীরা তো তার রূপের আর মেধার প্রশংসাতে পঞ্চমুখ।

    তাই? তার পর বলো। কী করে জানব আমি? দেখিনি তো কখনো তাকে।

    তার পর আর কী! সেই টাইপিস্ট মেয়েটির কোয়ার্টার ওদের ক্যাম্প-অফিসের কাছেই। আভাস দুপুরে হোটেলে যেত লাঞ্চ ব্রেকে। সেই মেয়েটিই তাকে বাড়িতে নিয়ে যায়। বিধবা মা আর সে একাই থাকে। তার পর ভালো ডাল, মাছের সঙ্গে ধীরে ধীরে আরও অন্য কিছু খেতে আরম্ভ করে আভাস।

    এমন করে বলছ যে, দোষটা যেন আভাসেরই একার। খাদক না থাকলে খাদ্যর কোনো ভূমিকাই থাকত না। মেয়েটি খাদ্য হয়েছে বলেই না, আভাস খেয়েছে। এবং আভাসও নিশ্চয়ই সেই খাদ্যকে সুখাদ্যর মধ্যেই গণ্য করেছে। তা ছাড়া, পুরুষ যে বড়ো ভঙ্গুর জাত। কাচের বাসনের চেয়েও ভঙ্গুর। তাদের ভাঙাটা কোনো ব্যাপারই নয় মেয়েদের পক্ষে।

    তার পর আর কী? মগধীর আত্মসম্মানে এমনই লেগেছে যে, বলার নয়। ও পিএইচ ডি করেছিল ইংরেজিতে। ইয়েটস-এর ওপরে। ক্যানিং-এর একটা অশিক্ষিত হায়ার সেকেণ্ডারি পাস অশিক্ষিত দেহসর্বস্বী মেয়ে যে Venerable-কে veneral লেখে, সেই কিনা হারিয়ে দিল তার মতন একজন এত বড়ো বিদুষীকে! না না। আপনি যাই বলুন, আভাস একটি থার্ডক্লাস রুচিহীন দেহসর্বস্বী মেয়ের সঙ্গে…না:। আনথিঙ্কেবল। ডিগ্রেডিং। মগধী কাজপাগলা মেয়ে। কাজ ছাড়া আর কিছুই জানে না। তা ছাড়া কোম্পানি কী দেয়নি ওকে? ফ্ল্যাট, গাড়ি, ফার্নিচার, ফ্রিজ, মাইক্রোআভেন। এর তুলনাতে আভাস একটা… একটা… কী বলব….কোনো ম্যাচ-ই নয়।

    তবুও আভাস কেন ক্যানিং-এর সেই হায়ার সেকেণ্ডারি পাস venerable-কে veneral টাইপ করা মেয়েটির প্রতি আকৃষ্ট হল? কত মাইনে পায় মেয়েটি?

    শুদ্ধ বলল।

    তার পর বলল, ব্যাপারটার গভীরে গিয়ে ভাববে একটু?

    মেয়েটির মাইনে কত হবে? হাজার দুয়েক বড়োজোর। টিনের চালের বাড়ি। ছি:।

    আর মগধী?

    কুড়ি হাজার পায়, পার্কস-টার্কস নিয়ে। বাড়িতে বইয়ের পাহাড়। হুসেন-এর ছবি আছে, সোমনাথ হোড়ের কাজ, পিকাসোর ব্লু-পিরিয়ডে আঁকা কিছু ছবির প্রিন্ট, অতুলপ্রসাদের গান গায় মগধী অত্যন্ত ভালো। সেদিনই সুমন চট্টোপাধ্যায় গান গেয়ে গেলেন ওর বাড়িতে…কী আর বলব? যাকে বলে অ্যাকমপ্লিশড।

    অনলাইনে বেস্টসেলিং বই কিনুন

    শুদ্ধ বলল, একটা কথা বলবে আমাকে? তৃণা?

    কী? বলুন?

    মগধী কি সাজে-গোজে?

    মানে?

    মানে, আভাস যখন তার আউটডোর সাইট থেকে ফেরে বাড়িতে…

    তার পরই বলল… কখন ফেরে?

    মগধী ফেরে সাতটা নাগাদ আর আভাসের ফিরতে ফিরতে ন-টা হয়ে যায়।

    অতক্ষণে মগধী কি গা ধুয়ে নেয়? মগধী তো আগেই ফেরে অনেক আভাসের তুলনাতে। একটা শাড়ি পরে কি, পাটভাঙা? গায়ে পাউডার এবং সুগন্ধি কি মাখে? কখনো খোঁপা বা বেণীতে ফুল কি গোঁজে? ভুল করেও।

    আমাদের সকলেরই তো চুল ছোটো করে কাটা। বেণীই বা কোথায় আর চুলই বা কোথায় যে ফুল গুঁজবে।

    সেইটাই তো কথা! একজন পুরুষমানুষ যে কত অল্পে সন্তুষ্ট হতে পারে, সে-সম্বন্ধে তোমাদের এই আধুনিকাদের কোনো ধারণাই নেই। মেয়েদের বড়ো চুল, চুলে তেলের সুগন্ধ, বেণীতে একটি চন্দ্রমল্লিকা বা জুঁyইয়ের মালা পুরুষের কাছে যে কত বড়ো যৌনতার দ্যোতক সে সম্বন্ধে তোমরা একেবারেই অনবহিত।

    একটুক্ষণ চুপ করে রইল শুদ্ধ। এবং তৃণাও।

    তার পর শুদ্ধ বলল, পুরুষেরা তোমাদের মাথায় করে রেখেছিল এতদিন। পুরুষদের যা কিছুই দুর্বলতা, তাই তোমাদের বল। অথচ তোমরা মাথা থেকে নেমে এসে পথে নেমে মারামারি শুরু করলে পুরুষেরই সমান হতে। পুরুষের মতন পোশাক পরতে শুরু করলে, তাদের মতন চুল ছাঁটলে। সব ব্যাপারে তাদের টেক্কা মেরেই নয়, তাদের চেয়ে বড়ো হয়েও তোমাদের এত যুগের মিথ্যে হীনম্মন্যতা ছিঁড়ে ফেললে বলে মনে করলে, অথচ একথা একবারও ভেবে দেখলে না যে, বিধাতা, পুরুষ আর নারীকে আলাদা করে গড়েছেন, চেহারায়, মনে, নমনীয়তায়, চরিত্রে। একের মধ্যে যা নেই, অন্যের মধ্যে তাই দেখে পুরুষ ও নারী চিরদিন একে অপরের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছে, তাই দিয়েই একে অন্যকে সুখী করেছে। এতে লজ্জার কী আছে? ইন্দিরা দেবী চৌধুরানী কি ফরাসি, ইংরেজি বা সংস্কৃত জানতেন না? তিনি কি তাঁর যৌবনে চুলে ফুল দিতেন না? ইন্দিরা গান্ধি? কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়? এমনকী হালফিলের ভারতী রায়, এখন রাজ্যসভার সদস্যা? বিদুষী হওয়ার সঙ্গে, ইয়েটস-এর ওপরে পি এইচ ডি করার সঙ্গে ‘মেয়েলি মেয়ে’ হতে অসুবিধেটা কোথায়? মনের সৌন্দর্যের সঙ্গে শারীরিক সৌন্দর্যকেও সমানভাবে বিকশিত করতে, মনের সংগমের সঙ্গে শরীরের সংগমকেও সমান মর্যাদা দিতে অপরাধবোধ আদৌ জাগে কেন তোমাদের মনে? বুঝি না আমি। সত্যিই বুঝি না।

    আপনি কী বলতে চাইছেন শুদ্ধদা?

    বলতে চাইছি যে, শুদ্ধ হও, প্রাকৃত হও, প্রাকৃতিক হও, স্বাভাবিক হও। কোনো মেয়েকে ‘দেহসর্বস্বী’ বলে দুষো না। তাহলে সেও তোমাদের ‘মনসর্বস্বী’ বলে দুষতে পারে। শরীর আর মনের সুস্থ-স্বাভাবিক-সুন্দর মেলবন্ধনই একজন নারীকে তো বটেই, পুরুষকেও পূর্ণ নারী বা পূর্ণ পুরুষ করে তোলে।

    আপনি এমন করে কথা বলেন, না শুদ্ধদা যে মনে হয় আপনার কথা ঘণ্টার পর ঘণ্টা শুনি।

    তা বলে, ফোনে নয়। তোমার অনেক বিল উঠে গেল আজ।

    উঠুক। ইচ্ছে করে, আপনার সঙ্গে কোনো জঙ্গলে যাই। নিজেকে শরীরে-মনে নবীকৃত করে ফিরি।

    যখন দিন ছিল তখনই গেলে না। জঙ্গলে গেলে জঙ্গলের নির্জন পথে হেঁটে বেড়াতে না পারলে মজাই নেই। কিন্তু…। দুই বগলের নীচে ক্রাচ নিয়ে, হাঁটতে বড়ো লাগে। আর কি হবে সেসব? এখন বি বি সি-র ট্রাভেল স্লট দেখি। কোথাও আমার হারিয়ে যাওয়ার নেই মানা, মনে মনে।

    এবার ছাড়ি শুদ্ধদা। অবনের আসার সময় হল। আজকে আমরা জোয়ার দেখতে যাব।

    বা:। তবে দেখো। এ বছরের অগাস্টের জোয়ার নাকি সাংঘাতিক হবে। দেখো, আবার ভেসে যেয়ো না যেন।

    তৃণা হেসে বলল, জোয়ারে ভাসার সাহস বা কপাল করে কি এসেছিলাম? তাহলে তো ছ-বছর আগে আপনার হাত ধরেই ভেসে যেতাম।

    হো হো করে হাসল শুদ্ধ। বলল, জোয়ারের মধ্যে, বন্যার মধ্যে কিছু নতুনত্ব আছে বই কী! উন্মাদনা। কিন্তু যখন জল সরে যায়, নেমে যায়, তখন কি চোখ মেলে দেখেছ? মৃত গবাদি পশু, পেট-ফোলা, ভেসে যাওয়া গাছপালা, বাড়িঘর, মৃতদেহ, শকুন, মহামারি, ওলাওঠা, ম্যালেরিয়া, আন্ত্রিক। কোনো কিছুই জীবনে বা সংসারে অবিমিশ্র ভালো নয় তৃণা। —এই কথাটা মানতে পারলেই মগধী হেরে যেত না ওই ‘দেহসর্বস্বী’র কাছে। এখনও সে বাঁচতে পারে। মিথ্যে অহং ছাড়তে হবে। শরীরকে নিজের এবং পরেরও ঘৃণা করলে চলবে না।

    অনলাইনে বেস্টসেলিং বই কিনুন

    তার পর বলল, আভাস কি আর থাকেই না মগধীর সঙ্গে?

    থাকে। এখনও থাকে। তবে বলেছে যে, ও ক্যানিং-এ গিয়েই থাকবে। এবার থেকে। ডিভোর্সও চাইবে নাকি!

    তাই? ভেরি স্যাড। মগধী কি নিজের দেহের প্রতি আর একটু মনোযোগী হতে পারে না?

    মনই যদি সরে যায় তখন দেহ তো মৃতদেহ। কী করতে বলেন ওকে আপনি? নিজের দেহ দেখাবে নিজের স্বামীকে?

    তাতে দোষের কী? স্বামীও তো একজন পুরুষই। পুরুষেরা সবাই একজাত, মানে বজ্জাত।

    তা ঠিক। অবশ্যই ঠিক। খুব দামি কথা বলেছেন।

    দেহে প্রাণ থাকতে আর প্রাণে দেহ থাকতে সকলেরই একটু ভেবে দেখা দরকার। সম্পর্ক ভাঙাটা তো অতিসহজ, গড়ে তোলাটাই বড়ো কঠিন। বাঁচিয়ে রাখাটা আরও কঠিন। বহু বছর ধরে তিল তিল করে গড়ে তোলা সম্পর্ক ভেঙে ফেলতে একসেকেণ্ড লাগে।

    হুঁ। তৃণা বলল।

    তার পর বলল, আজ ছাড়ি।

    শুদ্ধ বলল, মগধীকে বোলো যে, আমি ওর জন্যে দুঃখিত। দাম্পত্যর ব্যাপারে বাইরের মানুষের দুঃখ পাওয়া ছাড়া আর কিছুই তো করার নেই। আমার পূর্বঅভিজ্ঞতা বলে যে, অন্যর দাম্পত্য-কলহে সালিশি করতে যাওয়াটাও পরমমূর্খামি। যদি আবার জোড় বাঁধে তারা, তখন দুজনে মিলে একইসঙ্গে সেই আব্রিটেটরকেই মারে।

    ছাড়ছি! শুদ্ধদা। অবনের আসার সময় হল।

    আপনি করবেন আমাকে কালকে ফোন?

    ঠিক আছে।

    ঠিক তো?

    বলেই, হেসে ফোনটা ছেড়ে দিল তৃণা।

    রিসিভারটা নামিয়ে রাখার পর কিছুক্ষণ জানলার পাশে দাঁড়িয়ে পথের দিকে চেয়ে রইল তৃণা। ভাবল অনেক কিছু। তার পর বেডরুমের আয়নার সামনের টুলে এসে বসল। ভালো করে দেখল নিজেকে। কতদিন যে নিজেকে ভালো করে দেখে না ও আয়নাতে। না মুখের দিকে তাকায়, না শরীরের আর কিছুর প্রতি। অথচ মনে পড়ে, কলেজে পড়ার সময়ে চানঘরের দেওয়ালজোড়া আয়নার সামনে নিজের নিরাবরণ শরীরের ছায়া দেখে সেই ছায়াকে, সেই ছায়ার আনাচ-কানাচকে কতই না ভালোবাসত! তখন কল্পনা ছিল, সম্ভাবনা ছিল, ভবিষ্যতের স্বপ্ন ছিল, জীবনের নানা রহস্য অজানা, অদেখা, অননুভূত ছিল। আজ তো সবই জানা হয়ে গেছে। রহস্য-রোমাঞ্চ সেসবের কিছুই যেন আর নেই।

    আগামীকালই ‘সানফ্লাওয়ার’-এ ওর চুল কাটতে যাওয়ার অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছিল। ক্যানসেল করে দেবে। ভাবল, চুল বাড়তে দেবে। চুল বড়ো করবে আবার। সেই পুরোনো দিনের মতন ‘জবাকুসুম’ তেল মাখবে মাথায়। শোয়ার সময়ে চুল বেঁধে শোবে। মুখে এবং সারাশরীরেই নিয়ম করে ‘বসন্তমালতী’ অথবা ‘তুহিনা’ মাখবে শুতে যাওয়ার আগে। এবং শাড়ি পরবে। শুধুই শাড়ি। ঋতু অনুযায়ী ফুল গুঁজবে মাথায়, খোঁপাতে অথবা বেণীতে। ‘যে রাঁধে সে কি চুল বাঁধে না?’ ঠাকুমা বলতেন। তার অত্যন্ত আধুনিক, শিক্ষিত মনের সঙ্গে সঙ্গে শরীরকেও সময় দেবে তৃণা এবার অনেক বেশি।

    অবনও আজকাল প্রত্যেক উইকএণ্ডে বাগনানে যায় একটি হাসপাতালে রোগী দেখতে। সেখানেও যে কোনো ‘দেহসর্বস্বী পুরুষখেকো বাঘিনি’ নেই, তা কে বলতে পারে! Prevention is always Better than cure।

    তৃণা ঠিক করল যে, ও-ও আজ থেকে সময়ে সময়ে দেহসর্বস্বী হবে। কিন্তু অবন যদি সাড়া না দেয়? তবে? তবে কী হবে?

    শুদ্ধদা ঠিকই বলেছিলেন, পুরুষেরা ওদের কাছে যে কী চায়, সেই চাওয়া যে কত সামান্য সে কথাটা অতিঅল্প নারীরাই বোধ হয় জানেন।

    জানলেও হয়তো মানেন না।

    মগধীকেও বলবে।

    সব বলবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রত্যানীত – বুদ্ধদেব গুহ
    Next Article পাখসাট – বুদ্ধদেব গুহ

    Related Articles

    বুদ্ধদেব গুহ

    বাবলি – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্ৰ ১ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ২ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৩ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৪ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    অবেলায় – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Our Picks

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }