Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পুষ্পমঞ্জরি – বুদ্ধদেব গুহ

    বুদ্ধদেব গুহ এক পাতা গল্প780 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    লাভ-বার্ডস

    তুমি যেন কী করছিলে। কী করছিলে প্রথমে বুঝতে পারিনি। মনে আছে, মোমবাতির কাঁপা-কাঁপা আলোয় ঘর ভরেছিল, বারান্দার কাছে দাঁড়িয়ে তুমি তোমার পাখিগুলোকে খাবার দিচ্ছিলে।

    তুমি আমার দিকে পেছন ফিরে দাঁড়িয়েছিলে। কাঁধ-অবধি তোমার কালো রেশমি চুলে আলোর আঙুলগুলি পিছলে যাচ্ছিল।

    ঘরের দরজা খোলা ছিল, ব্ল্যাক-আউটের সময় এমন করে দরজা খোলা রাখতে নেই, তবু তুমি দরজা খুলে রেখেছিলে।

    আমার পায়ের শব্দ শুনে তুমি চমকে উঠেছিলে, চমকে উঠে পেছন ফিরে চেয়েছিলে, হেসে বলেছিলে, বোসো আমি আসছি।

    আমি বসে তোমাকে দেখছিলাম, তোমার পাখিগুলো দেখছিলাম। অনেকগুলো পাখি। ছোটো ছোটো হলুদ, নীল পাখি। বোকা বোকা গোল গোল মুখ, ভাষাহীন চোখ, কিন্তু ভীষণ নরম, সুখী, আদুরে পাখিগুলো। তুমি একদিন বলেছিলে, ওগুলোর নাম লাভ-বার্ডস।

    পাখিগুলো প্রতিমুহূর্তে স্বাধীনতা চায়—যতক্ষণ ক্লান্তিতে না ঘুমিয়ে পড়ে ততক্ষণ খাঁচার এ-দেওয়ালে ও-দেওয়ালে আছড়ে মরে। দিনের বেলায় তোমার বারান্দা থেকে আকাশ দেখা যায়, একটা পুরোনো অশ্বত্থ গাছ দেখা যায়। অশ্বত্থ গাছে টাগরা-বের করা কাকেরা ভিড় করে। ওরা দেখতে ভালো নয়, তাই ওদের কেউ বন্দি করেনি। স্বাধীনতার আকাশভরা উষ্ণ রোদ্দুরে ওরা শীতের দুপুরে উড়ে উড়ে বেড়ায়। আর তোমার পাখিগুলো নরম সুন্দর ভালোবাসার পাখিগুলো শুধু সুন্দর বলেই খাঁচায় বন্দি থাকে আর ডানা আছড়ায়।

    তুমি ফিরে এলে, আসার আগে পর্দাগুলো ভালো করে টেনে দিয়ে এলে যাতে বাইরে আলো না যায়, তার পর আমার সামনে, সাদা টাইলের মেঝেতে আসন-পিঁড়ি হয়ে বসলে, বসে বললে, কী খবর বলো?

    ফলসা-রঙা তাঁতের শাড়িতে তোমাকে মোমের আলোর মতো নরম দেখাচ্ছিল।

    আমি বললাম, কোনো খবর নেই। মাঝে মাঝে বাইরের এই অন্ধকার সাঁতরে তোমার কাছে এসে বড়ো শান্তি লাগে। মনে হয়, আমি যেন একটা গুলি-খাওয়া হরিণ, তোমার এই নরম নির্জন ঘরে একবার এসে পৌঁছোতে পারলে আর কোনো ব্যাধ বুঝি আমাকে খুঁজে পাবে না।

    তুমি কানের পাশের চুল সরিয়ে হাসলে। তোমার দাঁতগুলো ভারি সুন্দর। হাসলে তোমাকে দারুণ লাগে। তুমি বললে, তুমি একটা বোকা।

    কেন? বোকা কেন। আমার যা মনে হয় তা কি ঠিক নয়?

    তুমি চুল ঝাঁকালে, বললে, ঠিক নয়।

    ঠিক নয় কেন?

    ঠিক নয় এইজন্যে যে, শান্তি তোমার বুকের মধ্যেই থাকে সবসময়ে, অশান্তির পাশাপাশি—তবে তুমি হয়তো তা খুঁজে পাও না, বিশল্যকরণীর মতো তা হয়তো তোমার বুকের মধ্যে জমাঢ-বাঁধা পাথরের আড়ালে আড়ালে লুকিয়ে থাকে। বুঝলে?

    তার পর একটু থেমে বললে, আমার কাছেও শান্তি নেই। তা ছাড়া তুমি যেমন জানো, তোমার মতো অত বড়ো বড়ো ভাবনা, বড়ো বড়ো কথাও আমার জানা নেই। আমি আমার জীবনকে ভীষণ ভালোবাসি, এ জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত আমি ভালোবাসি, জীবন সম্বন্ধে আমার দারুণ উচ্ছ্বাস। এটা করব, সেটা করব, যা করতে ভালোবাসি তাই-ই করব, কারো বারণ শুনব না, মানা মানব না, তোমার মতো অতশত ভাবনা ভাবার সময় কোথায় আমার? যাকগে, এসব কথা যাক। তুমি কী খাবে বলো।

    কী রান্না করেছ?

    আজ? ঝাল ঝাল ভেটকি মাছের ঝোল, তপসে মাছ ভাজা আর ভাত।

    আমি আসব, তুমি জানতে বুঝি?

    জানতাম। আমার মন বলছিল।

    রজত এখনও ফেরেনি?

    তিনি আজ দেরিতে ফিরবেন।

    অফিসের কাজ?

    তুমি বড়ো কৌতূহলী। রোজই তো সময়মতোই আসে, মাঝে মাঝে দেরি করে এলে ভালো লাগে। আমি নিজেকে নিয়ে একটু একা সময় পাই, একটু ভাবি, জীবনে কী চেয়েছিলাম, কী পেলাম এবং এই পাওনাটুকুর বদলে কতখানি মূল্য দিলাম এসব কথা ভাবি। ভালো লাগে, বিশ্বাস করো; একা থাকতে খুব ভালো লাগে। আমি যে একটা আলাদা মানুষ, আলাদা ব্যক্তি, আমার মনের মধ্যে যে একটা আলাদা জগৎ আছে আমার, যা একেবারেই আমার, আমার নিজস্ব, তা ভেবে ভারি ভালো লাগে।

    এত কথা একনিশ্বাসে বলে ফেলে তুমি বললে, কী? তুমি চুপ করে আছ যে? কথা বলবে না?

    তুমিই বলো। শুনতে ভালো লাগছে।

    যাই বলো, তোমরা পুরুষমানুষরা কিন্তু কোনো সময়েই আমাদের শরীর পেরিয়ে আমাদের দেখতে শিখলে না। আমরা প্রত্যেকটি মেয়েও যে মানুষ, তোমাদের মতোই এক একজন ইন্টারেস্টিং বিচিত্র মনের মানুষ, এ খবর তোমরা কখনো রাখলে না। মাঝে মাঝে ভগবানের ওপর রাগ হয়, এই মেয়েদের শরীর নিয়ে জন্মেছি বলে।

    তুমি কি আমাকেও বলছ?

    ঠিক তোমাকে বলিনি, সকলকেই বলছি। তুমি অন্যরকম, জানি, নইলে তোমার বই পড়ে তোমার সঙ্গে এমন করে আলাপ করতে দৌড়ে যাব কেন? তুমি জানো না, কতদিন আমি ফোন ডায়াল করে রিসিভার নামিয়ে রেখেছি, কতদিন। কতদিন কত চিঠি লিখেছি তোমাকে, লিখে ছিঁড়ে ফেলেছি, পোস্ট করা হয়নি। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ভেবেছি, আমার চেহারাটা যে সুন্দর, (বলো? সুন্দর না?) তাই তোমার চোখ বুঝি-বা আমার শরীরটাতেই এসে দাঁড়িয়ে পড়ে, শরীরের আড়ালে, শরীর ছাপিয়ে যে মন, যে মনের জন্যেই আমরা মানুষ সেই মনটা ; বুঝি তোমার চোখ এড়িয়ে যায়। সত্যি বলছি, বড়ো ভয় ছিল। বড়ো ভয়।

    এখনও আছে?

    তুমি মুখ নীচু করে কথা বলছিলে এতক্ষণ। হঠাৎ মুখ তুললে, হাসলে, বললে, তোমার কী মনে হয়?

    জানি না।

    তুমি আবার হাসলে, বললে, তাহলে নাই বা জানলে। তার পরই বললে, তুমি কী ভাবো বলো তো সবসময়ে? কী ভাবো এত?

    আমি কথা বললাম না।

    আবার তুমি বললে, আমি জানি তোমার খুব দুঃখ আছে কোনো, সে দুঃখ তোমাকে কেবলই অন্যমনস্ক করে দেয়।

    কীসের দুঃখ?

    তোমার সেদিনের লেখাটা পড়লাম, আচ্ছা, তোমার নায়িকারা সব অমন নিষ্ঠুর কেন? বলতে পারো? তোমার নায়করাও অন্য দশটা পুরুষের মতো নয়।

    কীরকম?

    মানে, তারা কেউ কিছু কেড়ে নিতে শেখেনি। পুরুষমানুষরা বড়ো অধৈর্য হয়—তারা তোমার নায়কদের মতো ধৈর্যবান নয়—যা তাদের চাইবার তা তারা তখনই চায়, না পেলে কেড়ে নেয়।

    জানি না কেন? বোধ হয় আমার নায়কেরা বিশ্বাস করে যে, কেড়ে-নেওয়া কোনো কিছুই চিরদিন থাকে না। যা আপনি আসে, শুধুমাত্র তাই থাকে। চিরদিন।

    বুঝলাম না। তোমার কথাবার্তাও তোমার গল্পের নায়কদের মতো। হেঁয়ালি হেঁয়ালি। মেয়েরা তো পুরুষদের হাতের পুতুল। তোমরা আবার চিরদিনের পাওয়াতে বিশ্বাস করো নাকি? আজ যা চাও, কালই তা ধুলোয় ফেলে, আবার নতুন কিছু খুঁজে বেড়াও। তোমাদের মুখে ওসব কথা ভালো শোনায় না। মনে হয়, বানানো কথা।

    এই অবধি বলে তুমি আবার বললে, কী? কথা বলছ না কেন?

    আমি বললাম, এসব কথা থাক। আমার গল্পের নায়িকাদের তুমি বুঝবে না—তারা একজন দাম্ভিক মেয়ের ছায়া, যে মেয়ে তার দম্ভের জন্য সব কিছু করতে পারে।

    মানুষ খুনও করতে পারে? দম্ভ বোলো না, বলো, স্বার্থপরতা। অমন মেয়ে আমি অনেক দেখেছি—যারা জীবনে শুধু নিতেই শিখেছে, বদলে দিতে শেখেনি এককণা। হয় তাই, নইলে বলব তুমি ইনিয়ে বিনিয়ে মিথ্যা গল্প লেখো। তুমি, মানে তোমার মতো ছেলে এমন করে ভালোবাসে অথচ তোমার সে ভালোবাসা ফেরত দেয় না এমন মেয়ে থাকতে পারে না।

    ইশ, কথাটা শুনতে ভারি ভালো লাগল। একটা কাগজে লিখে দিয়ো। বাঁধিয়ে রাখব। বলো তো, গলায় ঝুলিয়েও রাখতে পারি। তবে কথা কী জানো, তাকে দোষ দিই না আসলে সেই বাজপাখিটার দোষ! তুমি তো কতদিন বলেছ যে তোমার পাখিগুলোকে তুমি মুক্ত করে দেবে, কই তাদের দিলে কোথায় মুক্তি? তারা যে দিনরাত খাঁচার চার দেওয়ালে আছড়ে মরছে—তা বুঝি তুমি দেখেও দেখো না। তা ছাড়া ওদের মধ্যে কেউ তোমার উচ্ছ্বাস নিয়ে, পৃথিবীর সব ভালোলাগা নিয়ে, জীবনকে দারুণ ভালোবেসে যদি খাঁচা ছেড়ে বেরিয়ে পড়েও, তো দেখতে পাবে সেই পুরোনো অশ্বত্থের পুরোনো বাজটা ছোঁ মেরে তার নরম গলাটা ক্ষতবিক্ষত করে দিল। কেন? তুমি নিজে কি কখনো তার আঁচড় খাওনি, জানোনি কেমন লাগে? তবে তোমার সাহস ছিল, সাহস আছে, যা হয়তো অন্য অনেকের নেই। তাই তোমাকে আমি সম্মান করি।

    সম্মান করো? আমাকে তবে তুমি সম্মান করো, জ্যাঠামশায়ের মতো? আর কিছু করো না?

    আর কিছু করব কী করে বলো। তেমন করে দিতে পারি এমন যা কিছু আমার ছিল সবই যে একজন নিয়ে গেছে। দেওয়ার মতো কিছুই আর অবশিষ্ট নেই আমার। যা দিতে পারি, তা শুধুই সখ্যতা; বন্ধুত্ব। এ ছাড়া দেবার মতো কিছু তো আমার বাকি নেই।

    তোমার কি অতটুকুই ছিল? এত সামান্যই? কখনো কি ভালো করে বুকের মধ্যে খোঁজ করেছ, বাকি কিছু আছে কি নেই?

    জানি না, কখনো খোঁজ করার প্রয়োজন হয়নি আগে।

    এর পর তুমি অনেকক্ষণ চুপ করে থাকলে, তার পর বললে, তোমার নায়িকাকে আমার একবার দেখতে ইচ্ছে করে, জানতে ইচ্ছে করে কী তার আছে যা আমার নেই। তার কাছে তুমি কী পেতে পারতে যা তোমাকে পৃথিবীর অন্য কোনো মেয়ে দিতে পারে না? সে কি আমার চেয়েও সুন্দরী? বলেই তুমি আয়নার দিকে সরে গিয়ে বসলে। তোমার ছায়া পড়ল আয়নায়। একটা গলা-বন্ধ বাদামি ব্লাউজ, ফিঙের গায়ের মতো উজ্জ্বল ও কালো কাঁধ-সমানচুল দু-কাঁধে নেমে এসেছে। তোমার নিখুঁত শরীর ঘিরে ফলসা-রঙা শাড়ি। আমি বিস্ময়ে তোমার ছায়ার দিকে চেয়ে রইলাম।

    তুমি আবার বললে, বলো না, সে কি আমার চেয়েও সুন্দর?

    আমি হাসলাম, জবাব দিলাম না কোনো।

    তার পর তুমি আবার বললে, শরীরের কথা না হয় ছেড়েই দিলাম, সে কি আমার মতো করে ভালোবাসতে পারে? আমি একজন বিবাহিত ভদ্রলোককে ভালোবেসে যে ত্যাগ স্বীকার করেছি, তোমার সেই বাজপাখির হাতে প্রতিদিন যে লাঞ্ছনা সহ্য করেছি সে কি তা করতে পারত তোমার জন্যে?

    না। সে তা পারত না।

    তাহলে?

    তাহলে কী? সব মেয়েরা তোমার মতো নয়। তুমি ব্যতিক্রম। তোমার মতো মেয়ে বেশি নেই। মেয়েরা বড়ো স্বার্থপর। তারা নিজেদের সুখ, নিজেদের ক্ষুদ্রতা, নিজেদের চাওয়া নিয়ে সবসময়ে এতই ব্যস্ত যে, কখনো তারা অন্যের কথা ভাবে না। তারা জন্মদিনে ফুল পাঠায়, টেলিফোনে তোতাপাখির মতো ‘মেনি মেনি হ্যাপি রিটার্নস’ বলে, নিউ মার্কেট থেকে সোয়েটার কিনে নিজের হাতে-বোনা বলে প্রেজেন্ট করে, উঁচু কলারওয়ালা জামা কিনে দেয় বয়-ফ্রেণ্ডদের। কিন্তু ভালোবাসা যে একটা মেকানিক্যাল উইশ করা নয়, জামা নয়, উপহার নয়; ভালোবাসা যে তার চেয়ে অনেক অনেক গভীরতাসম্পন্ন বোধ তা বোঝার মতো মেয়ে বেশি নেই। নেই যে তা নয়; কিন্তু বেশি নেই।

    তোমার নায়িকা তোমাকে বোঝে না, তোমার মতো লোকের মনটুকু পর্যন্ত বুঝতে পারে না, তবুও তুমি তাকে ভালোবাসো কেন? তুমি তাকে ভুলে যাও না কেন? তোমার জীবনে একটা সামান্য মেয়েকে ভোলার মতো কোনো উপকরণ নেই? নেই বন্ধু-বান্ধবী? নেই আড্ডা-সিনেমা ক্লাব-পার্টি? নেই তোমার লেখা? তুমি এমন করে নিজেকে নষ্ট করছ কেন? তোমাকে দেখলে আমার কষ্ট লাগে।

    আমি হাসলাম, বললাম, তোমার লাগে। হয়তো আমার নিজেরও লাগে, যখনই আয়নার সামনে দাঁড়াই, কিন্তু তার লাগে না। তার আমার জন্যে কিছুই করার নেই।

    তবে? কেন তুমি এখনও তাকে ভুলতে পারো না?

    পারি না, সে কী করব বলো? তার সঙ্গে তো আমি অভিনয় করিনি কোনোদিন; সে যেমন আমার সঙ্গে করেছিল। কোনোদিনও আমি তাকে আমার প্রয়োজনের যন্ত্র হিসেবে, আমার মুশকিল আসান বলে দেখিনি, তাকে যে আমার যা ছিল সব কিছু দিয়ে আমি ভালোবেসেছিলাম। ভোলা কি অতই সোজা? তার প্রতি আমার যে প্রীতি বা অনুভূতি তা চিরদিন একই থাকবে। কাজের মধ্যে, ছুটির মধ্যে, দিনের মধ্যে, রাতের মধ্যে তাকে বার বার মনে পড়বে, অনুক্ষণ; কিন্তু তাকে তা আর জানতে দেব না। অনেক ভেবে দেখলাম, আমার পক্ষে নিজেকে ঠকানো অন্যকে ঠকানোর চেয়ে অনেক সোজা।

    তুমি অনেকক্ষণ আমার দিকে চেয়ে চুপ করে বসে রইলে। পাখিগুলো খাঁচায় ঝাঁপাঝাঁপি করতে লাগল। বাইরে ওয়ার্ডেনের বাঁশি শোনা গেল, কারো বাড়ি থেকে বোধ হয় আলো বাইরে যাচ্ছিল।

    তুমি হঠাৎ বললে, আমার আজ সকাল থেকে খুব মন খারাপ। তুমি এলে বলে খুব ভালো লাগছে।

    মন খারাপ কেন?

    দেখো না, এই যুদ্ধ লেগেছে, আমরা হয়তো জিতব, কিন্তু কত তাজা তাজা সুন্দর ছেলেরা মরে যাচ্ছে—প্রতিমুহূর্তে মরছে। যুদ্ধ থেমে যাবে, একদিন পর্দা সরিয়ে ফেলব আমরা সকলে জানালা থেকে—আবার আলো ঝলমল করবে শহরে, কিন্তু সেই ছেলেগুলোআর ফিরে আসবে না। তাদের মায়েরা, তাদের বান্ধবীরা সেদিনও পর্দা টেনে রাখবে ঘরের। একথা কেবলই আমার মনে হচ্ছে, আর মনে হয়ে মনটা যে কী পাগল পাগল করছে তোমাকে কী বলব।

    তোমার মন নরম, তাই দুঃখ হচ্ছে, কিন্তু পৃথিবীতে কত লোকের কত দুঃখ, সকলের দুঃখ দূর করার ক্ষমতা তো আমার-তোমার নেই। আমরা শুধু যাদের জানি, যাদের কাছাকাছি থাকি, তাদের দুঃখ দূর করার চেষ্টা করতে পারি—তাও পারি কই—তবু চেষ্টা করতে হয়তো পারি। চেষ্টাটুকু নিয়েই আমাদের খুশি থাকা উচিত। তাই নয়?

    তুমি ঠিক আমার বাবার মতো কথা বলো। বাবার কথা মনে হয়—বাবা আমাকে ভীষণ ভালোবাসতেন অথচ আমি রজতকে বিয়ে করায় বাবা আর কোনোদিন আমার মুখ দেখতে চান না, আমাদের বাড়িতে আমার ঢোকা বারণ, কারণ আমি বাবাকে সকলের কাছে ছোটো করেছি—আমার জন্যে অনেক লাঞ্ছনা-গঞ্জনা সহ্য করতে হয়েছে বাবাকে। কিন্তু আমি জানি, বাবা আমাকে আজও ভালোবাসেন তেমনি করে। মাকে ফোন করি। মা বলেন, বাবা কেমন হয়ে গেছেন, কারো সঙ্গে কথা বলেন না, চুপ করে থাকেন সবসময়ে, মাঝে মাঝে আমার ঘরে গিয়ে একা বসে থাকেন, আমার আলমারি খুলে আমার ফেলে আসা শাড়িগুলো দেখেন, আমার ড্রয়ার খুলে ছোটোবেলায় কুড়িয়ে আনা কাশফুল আর কুঁচফল, কাচের চুড়ি আর পুঁতির মালা নাড়াচাড়া করেন। বাবার জন্যে ভীষণ কষ্ট হয়।

    একদিন চলে যাও না কেন? চলে গিয়ে ছোটোবেলার মতো গলা খুলে বাবা বলে একবার ডেকে ওঠো না কেন? দৌড়ে গিয়ে বাবাকে জড়িয়ে ধরো না কেন? একবার গিয়েই দেখো বাবা ক্ষমা করেন কি না?

    ক্ষমার কথা বলছ কেন? আমি তো কোনো দোষ করিনি। কাউকে ভালোবাসা কি দোষ? আমার ইচ্ছেমতো কাউকে আমি জীবনে বেছে নিয়েছি—এটা কি আমার এত বড়ো হীন অপরাধ?

    তা যদি জানোই তবে আর দুঃখ পাও কেন? এসব কথা ভেবো না তাহলে।

    না ভেবেও যে পারি না।

    তাহলে দুঃখ পেয়ে মরো।

    তাই তো মরছি।

    তার পরেই তুমি বললে, মরব কোন দুঃখে? আমি বাঁচতে চাই, জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত আমি দারুণভাবে বাঁচতে চাই। জানো তো, আমি বিশ্বাস করি যে নবজন্ম নেই। ওসব বোগাস। যা চাইবার যা পাবার সবই এ জন্মে, এক্ষুনি। পরজন্মের ভরসায় এ জন্ম নষ্ট করতে রাজি নই।

    তার পর তুমি হঠাৎ বললে, শোনো, আমার কাছে এসে মাটিতে বোসো, আমাকে একটু আদর করো না। আমার বাবার মতো করে—বাবা খালি আমার চোখে চুমু খেতেন আর বলতেন আমার মেয়েটাকে আমি বড়ো ভালবাসি। খাও না গো, আমার চোখে আমার বাবার মতো করে একটু চুমু খাও না?

    আমি মাটিতে নেমে এসে তোমার চোখে চুমু খেলাম, তুমি ভালো লাগায় দু-চোখ বন্ধ করে ফেললে। তার পর বললে, আমাকে একটু কোলে নেবে? আমার বাবার মতো করে আমাকে একটু কোলে নেবে?

    আমি হাসলাম। বললাম বুড়োমেয়েকে কোলে নেওয়া যায় নাকি? তার পর তোমাকে পাঁজাকোলা করে কোলে তুলে দাঁড়িয়ে উঠলাম, উঠে তোমার আয়নার সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। আয়নায় তাকিয়ে তুমি খিলখিল করে হেসে উঠলে, বললে অ্যাই, তুমি আমার কে গো?

    আমি বললাম, আমি তোমার বন্ধু।

    শুধুই বন্ধু?

    শুধুই বন্ধু নই, আমি তোমার দুঃখের ও সুখের বন্ধু।

    বন্ধুত্ব ছাড়া তুমি আমাকে আর কিছু দিতে চাও না, নিতে চাও না আমার কাছ থেকে? সত্যি করে বলো? তোমার বুকে হাত ছুঁইয়ে বলো।

    আমি ওকে কোল থেকে নামিয়ে বললাম, বিশ্বাস করো, চাই না। বন্ধুকে বন্ধুত্ব ছাড়া আর কিছু দিতে নেই, তার কাছ থেকে আর কিছু চাইতেও নেই। তাহলে বন্ধুত্ব থাকে না। সখ্যতা থাকে না। এই নির্বান্ধব জগতে তোমার সখ্যতা ছাড়া আমার আর কিছু চাইবার নেই। তার পর বললাম, তুমি বুঝি আমাকে পরীক্ষা করছিলে?

    তুমি হাসলে, বললে, পরীক্ষা কীসের?

    আমি বললাম, বিশ্বাস করো কি না জানি না, জীবনের সব পরীক্ষাতেই আমি হেরে গেছি—এই প্রথম তোমার পরীক্ষায় জিতলাম। আমার সেই একজন, তোমার তুলনায় কিছুই সুন্দরী নয়, কিন্তু তাকে তো তার সৌন্দর্যের জন্যে আমি ভালোবাসিনি, আমি তাকে তার সমস্ত-কিছুর জন্যে ভালোবেসেছিলাম। তার চোখ-চাওয়া, তার হাসি, তার ব্যবহার, তার আত্মসম্মানজ্ঞান এবং তার হৃদয়হীনতা এই আমার destiny। ভাগ্যকে খন্ডাব, এমন কোনো জোর তো আমার নেই।

    বিশ্বাস করো, আজ আমিও এই প্রথম হেরে গেলাম। জীবনে এই প্রথমবার। আমি কোনো পুরুষমানুষ দেখিনি আজ পর্যন্ত যে আগুন নিয়ে এমন নির্ভয়ে খেলতে পারে। তোমাকে কিন্তু আমি একটু ভালো-লাগা দিতে চেয়েছিলাম, তোমার এই মন খারাপ, তোমার এই নিজেকে নষ্ট করা, একটি বাজে মেয়ের জন্য তোমার জীবন নষ্ট করা এ আমার সহ্য হয় না। দেখলাম, জোর করে কাউকে, বিশেষ করে তোমাকে, সুখী করা যায় না।

    আমি হাসলাম, বললাম তাকে বাজে বোলো না, আমার কষ্ট হয়। সে বাজে হলে যে আমার সমস্ত জীবনটাই বাজে, আমার এই চাওয়া, আমার এই কষ্ট, সবই একটা বাজে মূল্যহীন কারণের জন্যে। তা আমি কী করে মানি বলো? আমার কাছে সে ভীষণ দামি; সে অদ্বিতীয়া।

    আচ্ছা, একটা কথা বলবে? সে যে তোমার মানসী, তোমার সমস্ত লেখার অনুপ্রেরণা—একথা সে জানে?

    জানার তো কথা। সে তো বোকা নয়; মূর্খও নয়।

    তাহলে, সব জেনেও সে গর্বিত হয় না, আমি তো ভাবতে পারি না। একজন মেয়ের জীবনে একজন লেখকের অনুপ্রেরণা হবার মতো সৌভাগ্য আর কী থাকতে পারে? এর চেয়ে বড়ো সম্মান আর কী হতে পারে? সব মেয়েই তো ঘর করে, সংসার করে, ছেলে-মেয়ে মানুষ করে, স্বামীর সঙ্গে একঘরে একখাটে বছরের পর বছর শোয়—এইসব দৈনন্দিনতার মাঝে এত বড়ো একটা গায়ে কাঁটা-দেওয়া আনন্দ, এত বড়ো একটা প্রাপ্তির কোনো দাম নেই তার কাছে; এ আমার বিশ্বাস হয় না।

    আমি হেসে বললাম, তার আমার লেখা পড়ার সময়ই নেই। আমার কোনো লেখা সে পড়ার মতো উৎসাহ পায় না। সে হয়তো ধরেই নিয়েছে ছোটোবেলা থেকে যে, তাকে নিয়ে তো আমি লিখবই, লিখিই, এতে বিশেষ কিছু আর কী আছে? তাকে নিয়ে আমি লিখি, এতে আমিই ধন্য হয়ে গেছি, এর চেয়ে বেশি আর কী আছে এতে?

    তুমি বড়ো মিথ্যা কথা বলো। এমন কখনো হতে পারে না। আমি বিশ্বাস করি না এমন কখনো হতে পারে বলে।

    পৃথিবীতে যত কিছু ঘটে সবই কি আমাদের বিশ্বাসযোগ্য? এও মনে করো এক আশ্চর্য। সপ্তম আশ্চর্যের এক আশ্চর্য।

    তাহলে তুমি…

    আমি বাধা দিয়ে বললাম, এসব কথা থাক। এসব কথা আলোচনা করে লাভ নেই। তোমার সঙ্গে তার আলাপ থাকলে তুমি হয়তো ওর কথা জানতে পারতে। হয়তো বুঝতে পারতে ওর কথা, যে কথা আমি কখনো বুঝিনি, ও হয়তো বলত যা কিছু পাইনি আমি, তার সমস্ত দোষ আমারই, আমার স্বভাবের, আমার কপালের। ওকে দোষ দিই না আমি। ও কী বলে জানো? বলে ও আমাকে এমন দুঃখ না দিলে আমি নাকি কখনো লিখতে পারতাম না। ও বলে যাকে চাইতে হয়, তাকে কখনো জীবনে পেতে নেই, জীবনে তা পেলেই তা সস্তা, বাজে, দৈনন্দিনতার লেবেল-মারা হয়ে যায়। হয়তো তাই-ই, হয়তো ও ঠিকই বলে। আমি শুধু ভাবি ও যদি কোনোদিনও আমার কষ্টটুকু বুঝতে পেত সেদিন ওর সমস্ত মহত্ত্ব সতীত্বর সব মুখোশ খুলে ফেলে হয়তো দৌড়ে এসে বলত, আমাকে ক্ষমা করো; আমাকে ক্ষমা করো।

    তোমার কি মনে হয় ও কখনো তা বলবে?

    আমি আবার হাসলাম, বললাম না। কোনোদিনও না। এটা আমার একটা প্রিয় স্বপ্ন, সেই স্বপ্ন এ জীবনে কোনোদিনও সত্যি হবে না। আর তুমি যেমন বলো, আমাদের একটাই জীবন, পাঁচটা নয় দশটা নয় ; মাত্র এক ও একমাত্র জীবন। এ জীবনে স্বপ্নগুলোনেড়েচেড়ে দিন যাবে। এমন করেই দিন যাবে। এমন করে দিন কাটাতে হয়। কাটায় লক্ষ লক্ষ মানুষ। কেউ বড়োলোক হবার স্বপ্ন দেখে, কেউ কাউকে পাবার স্বপ্ন দেখে, স্বপ্নের মধ্যে, ঘোরের মধ্যে থাকি বলেই তো আমরা এত দুঃখ-কষ্ট ভরা পৃথিবীতে এখনও বেঁচে আছি। এই স্বপ্ন হচ্ছে পেথিড্রিন ইনজেকশান। আমরা সকলেই কম-বেশি এ ওষুধে অভ্যস্ত। কম-বেশি আমরা সকলেই এই স্বপ্নের ওষুধের বশ; ড্রাগ-অ্যাডিক্ট।

    কথায় কথায় রাত বাড়ছে, তোমার বাড়ি যেতে হবে না? চলো একটু কিছু খাবে। তুমি বললে।

    আজ খাব না। তার চেয়ে আমি তোমার কাছে অন্য কিছু চাই আজ।

    কী তা?

    বারান্দায় এসো।

    কী করবে? তুমি কি বারান্দা থেকে অন্ধকারে ঝাঁপ দেবে নাকি? তোমার কিছুই অসাধ্য নেই।

    চলোই না, বলে তোমার হাত ধরে আমি তোমার বারান্দায় এলাম।

    তোমার হলুদ লাভ-বার্ডসগুলো খাঁচার জালে তখনও ঝাঁপাঝাঁপি করছিল—ওদের ঘুম নেই, ওদের শ্রান্তি নেই, বাইরে বিরাট উদার আকাশ, রাতের নিস্তব্ধ তারাভরা আকাশ, ওরা সেদিকে চেয়ে ওদের ছোটো ছোটো সুন্দর চোখে দিনরাত স্বপ্ন দেখে, স্বপ্ন দেখে এই গন্ডিমাপা, বদ্ধ, হিসেবি জীবন থেকে ওরা বুঝি একদিন মুক্তি পাবে, একদিন ওরা যা করতে চায় তাই-ই করতে পারবে। সমাজ, সমাজের বাজপাখির পাহারা পেরিয়ে দূ—রে উড়ে গিয়ে ওরা একে অন্যকে যেমন করে চায়, তেমন করে পেতে পারবে। কোনো বাধা থাকবে না, কোনো শাসন থাকবে না, ভুল বোঝাবুঝি, মন-কষাকষি, ভাবনা কিছুই থাকবে না। সে জগতে এই হলুদ পাখিগুলো তাদের নরম সঙ্গিনীদের সহজে পাবে, আমি পাব আমার পাখিকে; তুমি পাবে তোমার পাখিকে।

    তুমি বললে, ও কী করছ? রজত ভীষণ রাগ করবে।

    তোমার বাবাও ভীষণ রাগ করেছিলেন, তুমি তো শোনোনি; তুমি তো তোমাদের সুখের খাঁচা ছেড়ে দুঃখের আকাশে উড়ে গেছিলে। ওরা কেন যাবে না?

    তুমি কিছু বললে না, ব্ল্যাক-আউটের রাতের বারান্দায় আমার মুখের দিকে চেয়ে রইলে।

    তার পর, অনেকক্ষণ পর, তুমি আর আমি এই অন্ধকার নির্বান্ধব জগতে আমরা একসঙ্গে আমাদের নরম ভালোবাসার হাতে লাভ-বার্ডসদের খাঁচার দুটি দরজা মেলে ধরলাম।

    অন্ধকারে কতগুলি ছটফট ফরফর আওয়াজ হল। তার পর অন্ধকারতর আকাশে কতগুলি হলদে-সাদা বিন্দু মুক্তির আনন্দে স্পন্দিত হতে হতে উড়ে চলল। যেখানে সমাজ নেই, ডিজেলের ধোঁয়া নেই, যেখানে বাধা নেই পদে পদে। দেখতে দেখতে সেই বিন্দুগুলি অন্ধকারে হারিয়ে গেল।

    আমি আর তুমি শুধু দাঁড়িয়ে রইলাম, আর নিরুচ্চারে শুধোলাম, জানি না কাকে, এই ইট-কাঠ-পাথরের খাঁচা থেকে আমাকে, তোমাকে, আমাদের মতো লক্ষ লক্ষ ভালোবাসার নরম পাখিদের কে মুক্ত করবে? কেউ কি মুক্ত করবে?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রত্যানীত – বুদ্ধদেব গুহ
    Next Article পাখসাট – বুদ্ধদেব গুহ

    Related Articles

    বুদ্ধদেব গুহ

    বাবলি – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্ৰ ১ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ২ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৩ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৪ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    অবেলায় – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }