Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পুষ্পমঞ্জরি – বুদ্ধদেব গুহ

    বুদ্ধদেব গুহ এক পাতা গল্প780 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অনীশের জন্মদিন

    গতরাতে খুব বৃষ্টি হয়েছিল।

    বনের মধ্যের এই পর্ণকুটিরের টালির ছাদ ভেদ করে অনেক জায়গায় জল গড়িয়ে পড়েছিল। বাথরুমের বালতি, প্লাস্টিকের মগ, রান্নাঘরের ডেকচি সব বিভিন্ন জায়গায় পাততে হয়েছিল মেঝেতে মাঝরাতে উঠে।

    শুধু ওর চৌপাই এবং বিছানাটা শুকনো ছিল। তবে সেজন্যে চৌপাইটাকে নিয়ে ক্রমান্বয়ে ঘরের মধ্যে চারপাশে ঘুরপাক খেতে হয়েছিল।

    এতসব ঝামেলা-ঝক্কি পুইয়ে ও যখন বাইরের গাছগাছালি, বাথরুমের টিনের চাল এবং টালির ছাদে বৃষ্টির শব্দ শুনতে শুনতে আবার ঘুমিয়ে পড়েছিল, তখন রাত প্রায় দুটো।

    চতুর্দিক থেকে পুলকভরা পাখির ডাক শুনতে শুনতে বর্ষাভোরের ঠাণ্ডা মিষ্টি আমেজে চাদর গায়ে-দিয়ে-শোওয়া অনীশ যখন চোখ মেলল, তখন ওর হঠাৎ মনে পড়ে গেল যে, আজ ওর জন্মদিন।

    বিছানা ছেড়ে উঠে মুখ-হাত ধুয়ে বাইরে চাদর-গায়ে দিয়ে পায়চারি করে বেড়াতে লাগল অনীশ। হাওয়া নেই কোনো। কিন্তু নানারকম গাছগাছালি, লতাপাতা, পাখপাখালির নরম গা থেকে একটা সোঁদা সোঁদা বৃষ্টিভেজা বর্ষার গন্ধ উঠছিল। নানারকম পাতা, ফুল, ঘুঘুর বুকের খসে-পড়া পালক সব ঝরেছিল জঙ্গলের মধ্যে এদিকে ওদিকে।

    চাদরটাকে ভালো করে জড়িয়ে নিয়ে নিজের মনে বলল, আজ আমার জন্মদিন! হঠাৎই, সম্পূর্ণ বিনা কারণে নির্জনবাসের একাকী—অনীশের, এই সকালে, এই প্রাকৃতিক পরিবেশে বড়ো ভালো লাগতে লাগল।

    জন্মদিন ব্যাপারটা চিরদিনই ওর কাছে একান্ত নিরুত্তাপের ছিল। মধ্যবিত্ত একান্নবর্তী পরিবারে জন্মদিন ব্যাপারটা নিয়ে সাধারণত কোনো সমারোহ হয় না। অন্তত ওদের বাড়িতে হত না। বরাবর জন্মদিনের ভোরে ও একা নিজের ঘরের আয়নার সামনে দাঁড়াত। নিজের মুখ সেদিন সকালের আলোয় নতুন করে দেখত। কিন্তু প্রতিজন্মদিনে ওর ভীষণ খারাপ লাগত। মনে হত, একটা পাতা ঝরে গেল, একটা ফুল ঝরে গেল সাজানো তোড়া থেকে।

    প্রতিজন্মদিনে বেলা বাড়লে ও বইয়ের দোকানে গিয়ে একটা বই কিনে তাতে লিখত, ‘আমার জন্মদিনে আমাকে দিলাম। ইতি—অনীশ।’

    অনলাইনে বেস্টসেলিং বই কিনুন

    যৌবনে পা দিয়ে প্রথম ও জানতে পেরেছিল যে জন্মদিনটি, যে-জন্মায় তার কাছে ততটা না হলেও, যারা তাকে ভালোবাসে তাদের কাছে তা দারুণ একটা দিন। ও ওর জীবনে জন্মদিনের প্রথম উপহার পেয়েছিল মুনমুনের কাছ থেকে। এক শ্রাবণের বিকেলে বৃষ্টিভেজা গড়ের মাঠে মুনমুন ওর সঙ্গে দেখা করতে এসেছিল। একটা হালকা গোলাপি এবং খুব হালকা নীলের কাজ করা টাই এবং ওই কাজের একজোড়া মোজা নিয়ে। উপহারের ওপর মুনমুনের হাতের ভালোবাসার গন্ধ লেগেছিল, ওর বুকের সমস্ত তরুণ নিষ্কলুষ আন্তরিক উত্তাপ সে উপহারকে উষ্ণ করে রেখেছিল।

    এ পর্যন্ত আর কোনোদিন, আর কোনো উপহারে এত খুশি হয়নি ও।

    ও তার আদরের মুনমুনের সঙ্গে একদিন ঘর বেঁধেছিল। সেই বাঁধা-ঘর অনেক বছরের জলে-রোদে কালবোশেখির ঝড়ে বড়ো একঘেয়ে, বিবর্ণ, বৈচিত্র্যহীন হয়ে গেছিল। আজ মুনমুন ইচ্ছে করলেও আর তেমন করে অনীশকে কোনো উপহার দিতে পারবে না। তা ছাড়া, বোধ হয় মুনমুনের সেই ইচ্ছেটাও আজ মরে গেছে।

    ওর জীবনের খুশির, ভালো লাগার গ্রাফগুলো চুড়োতে পৌঁছেছিল যৌবনের প্রথমে, সেই প্রথম প্রদোষে, কিন্তু তার পর থেকেই সব উষ্ণতা, সব সুখ, সব আনন্দ নিম্নমুখী ঢাল বেয়ে ক্রমান্বয়ে জোরে নামতে থেকেছে।

    আজ ও মধ্য যৌবনের সমতল উপত্যকায় একা দাঁড়িয়ে আছে। এখানে আর কেউ নেই। এই পাখিরা ছাড়া, এই ভোরের আশ্চর্য আবেশ ছাড়া, চতুর্দিকের ঘন গহন বন ছাড়া ওকে আনন্দিত করে, বা ওকে নিয়ে আনন্দিত হয় এমন কেউই আর অবশিষ্ট নেই।

    গিফ্টের বাস্কেট

    তার প্রতি অনেকেরই ব্যবহার দেখে অনীশের মনে মাঝে মাঝে সন্দেহ জাগত যে, ও আদপে জন্মেছিল কি না। ওর মনে হত ও বোধ হয় ভেসে এসেছিল। যে ভেসে আসে, তার কাছে পৃথিবীর কোনো সম্পর্কেরই কোনো শিকড় থাকে না। জন্মসূত্রে যেসব আত্মীয়তা ও পেয়েছিল সেসব সম্পর্কের কথা বাদ দিলেও, ব্যবহারের গুণে যেসব সম্পর্ক ও প্রতিষ্ঠা করেছিল তাতেও বুঝি কোনো শিকড় ছিল না। তার মনকে সে সর্বতোভাবে অন্য অনেক মনে ওতপ্রোতভাবে, অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়াতে চাইলেও কোনো মনেই তার সত্তা প্রোথিত থাকেনি। জোরে হাওয়া উঠলেই, স্বার্থের ঢেউ লাগলেই, তাদের নিজেদের সুখ, নিজেদের সাধ, নিজেদের ঘরের সঙ্গে কোনোরকম সংঘাত উপস্থিত হলেই তারা সজোরে তার কাছ থেকে সরে গেছে। ফলে, অনীশের কেবলই মনে হয়েছে যে, ও সত্যিই কোনো ভাসমান অনাদরের উদ্ভিদ। এ পৃথিবীতে ওর সত্যিই কোনো শিকড় নেই—নেই অপত্য স্নেহের উষ্ণ আশ্রয়ে, নেই প্রেমেরও পরমপেলব মাটিতে।

    তাই, একা থাকলেই আজকাল বড়ো আত্মহত্যা করতে ইচ্ছে করে ওর। ওর নিজের জন্যে একা একা স্বার্থপরের মতো ও কখনো কোনোদিন বাঁচতে চায়নি। কেউই হয়তো চায় না। কিংবা কে জানে, হয়তো একদল লোক থাকে, সব সময়ই ছিল; যারা শুধু নিজেদের জন্যেই নিজেদের সুখ ও স্বার্থর চরিতার্থতার জন্যেই এ পৃথিবীতে বেঁচে থাকে, বাঁচতে চায়। অনীশ যেহেতু তেমনভাবে বাঁচতে চায়নি এবং যেহেতু আজ অনীশের জীবন সম্বন্ধে কারোরই বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই—যেহেতু তার শুধুমাত্র নিজের জন্যেই তাকে এ পৃথিবীতে একজন লোকও চায়নি, অনীশের কেবলই আত্মহত্যা করতে ইচ্ছে করে।

    অনীশ এমন কোনো বিরাট প্রতিভাবান কেউ নয় যে, সে মরে গেলে ময়দানে তার স্ট্যাচু হবে। অনীশের এমন কোনো জাগতিক বা অজাগতিক বিরাট কর্ম ও কর্তব্য নেই করার যে, তাকে যেকোনোভাবেই হোক বেঁচে থাকতে হবেই। তার মতো একজন, নির্গুণ,সাধারণ, সস্তা লোকের বেঁচে থাকা বা মরে যাওয়াতে কারোরই কোনো ক্ষতিবৃদ্ধি নেই। সে এ পৃথিবী ছেড়ে চলে যাবার সময় তার জন্যে চোখের জল ফেলার মতো একজনও লোক যে নেই, তাও অনীশ জানে। জানে যে, তাকে কেউই মিস করবে না তার নিজের জন্যে। অন্য অনেকের স্বার্থপূরণ করা ছাড়া, নিজের জন্যে কিছুই না পেয়ে, শুধু অন্য অনেক স্বার্থপর লোকদের স্বার্থসিদ্ধির যন্ত্র হিসেবে বেঁচে থাকবার কোনো মানে যে নেই, একথা অনীশের বার বার মনে হয়।

    অনীশ জানে না কেন আজকাল অনীশের কেবলই মরে যেতে ইচ্ছা করে। কতবার সে কুয়োর সামনে একা একা নিস্তব্ধ মধ্যাহ্নে স্থির হয়ে দাঁড়ায়—কতবার বন্দুকের নল কপালে ঠেকিয়ে কীভাবে ঘোড়া টানবে তা ভাবে।

    এই সকালে অনীশ এক প্রাপ্তিহীন জীবন ও বিফল; ব্যর্থ শীতল মৃত্যুর মধ্যে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থেকে ভাবে আজ ও কী করবে? কী ওর করা উচিত।

    কিন্তু জীবন, জীবনের নিরন্তর প্রবহমান স্রোত কারো জন্যেই থেমে থাকে না। অনীশের জন্যে তো নয়ই। তাই অনীশকেও উদ্দেশ্যহীনভাবে সে স্রোতে ভাসতে হয়, যতদিন না নিজের চেষ্টায় নিজেকে ও অকালে থামায়।

    তাড়াতাড়ি তৈরি হয়ে নিল অনীশ। আজ ওদের যেতে হবে টোড়িতে। চান্দোয়া-টোড়ি। সেখানে বড়ো হাট বসবে শনিবারে। ধানের বীজ কিনতে যাবে ও। বর্ষা নেমে গেছে। এখন না লাগালে আর ধান লাগানো যাবে না। সকলেই বলছে, এবার দেরি করে এলেও ভালোই বর্ষা হবে।

    চা-জলখাবার খেয়ে চান-টান করে তৈরি হয়ে নিয়ে পাকদন্ডীর পথ দিয়ে মানি এবং মানির শাকরেদকে নিয়ে স্টেশনের দিকে চলল ও।

    পথ গেছে উঁচু-নীচু টাঁড় পেরিয়ে। এখানে ওখানে মহুয়া গাছ, কুঁচ ফলের গাছ, পিটিসের ঝোপঝাড়; বুনো নিম। মাথার ওপর মেঘলা বিষণ্ণ আকাশ।

    ওদের পায়ের শব্দে চমকে উঠে তিতির উড়ে গেল ঝোপ থেকে ডানা ফরফরিয়ে। হাঁটতে হাঁটতে অনীশের আবার খুব ইচ্ছা হল মরে যেতে। কেবলই মনে হতে লাগল যে জীবনে বেঁচে থাকার মতো যথেষ্ট কারণ না থাকলে শুধু শুধু বেঁচে লাভ কী? তেমন করে তো লক্ষ লক্ষ কোটি কোটি লোকই বেঁচে থাকে, শুধু বাঁচবার জন্যে। কিন্তু তা কি বেঁচে থাকা?

    ও সবসময় খুব ভাবে, একা থাকলে বেশি ভাবে। ওই ওরাঁওদের সঙ্গে জংলি টাঁড় পেরোতে পেরোতে ওর মনটা হঠাৎ এক বিধুর বিষাদে ভরে যায়।

    ওর জন্মদিনে ওর ভীষণ মরবার ইচ্ছা করতে থাকে।

    ট্রেনটা এসে গেল। বাঁশের সঙ্গে বাঁধা দড়ি এবং ঝুড়ি নিয়ে মানিরাও ওর সঙ্গে উঠল। ওদের নিয়ে জনাকীর্ণ একটা থার্ডক্লাস কামরায় উঠে জানলার ধারে বসল।

    বাইরে বৃষ্টি পড়ছিল। পাহাড়ে, জঙ্গলে, উঠতি-যৌবনের পাহাড়ি নদীর শরীরে নি:শব্দে ভরাট বৃষ্টি পড়ছিল।—ট্রেনটা সেই বৃষ্টি মাথায় করে ছুটে চলল হু-হু করে—‘মহুয়া-মিলন’ পেরিয়ে।

    দেখতে দেখতে এসে গেল টোড়ি। ট্রেন থেকে নেমে সব যাত্রীরা শোভাযাত্রা করে হাটে গিয়ে পৌঁছোল।

    অনেকখানি জায়গাজুড়ে স্টেশান থেকে কিছু দূরেই হাট লেগেছে। মুরগি, ছাগল, টায়ার-সোলের জুতো, কাচের চুড়ি, তাজা সবজি, ছাতু-ভুজিয়া, নাপিত ভায়ার ব্রিক-সেলুন সবই আছে, নেই শুধু ধানের বীজ, যার জন্যে অনীশের আসা।

    ওদের সঙ্গে নিয়ে সারাহাট তন্ন তন্ন করে খুঁজল অনীশ; কিন্তু কোথাও বীজ পাওয়া গেল না। ভুল খবর নিয়ে এসেছে সে। ভুল জীবনের মতো। এখানে।

    এদিকে দুপুর প্রখর হয়েছে। মেঘের আড়ালে-থাকা সূর্যের যে তেজ তা আড়ালহীন সূর্যের তেজের চেয়েও অনেক বেশি। প্রখর খিদেও পেয়েছে। আজ যাইহোক ওর জন্মদিন, কিছু একটা ভালোমন্দ খেতে হয় তা সেলিব্রেট করার জন্যে। সকলেই তা করে, সেজন্যেই।

    মানি আর কিনুকে অনীশ ছিটের জামা আর টায়ার সোলের চটি কিনে দিল। ওরা মহা খুশি। তার পর ছাতু খাওয়াল ওদের পেট পুরে।

    এর পর ওরাই বলল, তুই কিছু খেলি না বাবু? ছাতু খাবি?

    ও হাসল, বলল, ছাতু খেয়ে অভ্যেস নেই।

    ওরা দূরের একটা হলুদ ফুল ফুল চাদরের শামিয়ানা-টাঙানো দোকান দেখিয়ে বলল, বাবু, ওখানে যা। গোস্তরুটি পাবি।

    দোকানের সামনে ভিড় ছিল। মাটিতে একটা চাটাই পাতা। তাতে মিয়াভাইরা হুমড়ি খেয়ে পড়ে খাচ্ছেন। ওর ভিড় ভালো লাগে না। একটু দূরে গাছতলায় বসে ও খাওয়ার ফরমাশ করল।

    দূরে একটা অশ্বত্থগাছে অনেক কবুতর ওড়াউড়ি করছিল। একবার উড়ছিল, আর একবার বসছিল। সামনে সারি-বাঁধা খাপরার চালের ঘরগুলি। পেছনের স্টেশনে মালগাড়ি শান্টিং হচ্ছে। তার গদাম গদাম শব্দ ভেসে আসছিল। কাছেই একটা লাল-রঙা ঘোড়া, চরে চরে নতুন-গজিয়ে ওঠা ঘাস খাচ্ছিল। ঘোড়াটার নাকের সামনে একটা ঘাসফড়িং ঘুরে ঘুরে উড়ছিল।

    ও গাছতলায় হেলান দিয়ে বসে দূরের কোনো নির্দিষ্ট বস্তু নয়; দূরের দিগন্তের বাড়িঘর, গাছপালা, আকাশ, সবকিছুর দিকেই চেয়েছিল। ওর চোখের লেন্স দুটোকে কোনো অদৃশ্য ক্যামেরাম্যান ‘ইনফিনিটি’তে ঘুরিয়ে দিয়েছিল। দেখছিল, আবার দেখছিলও না। ও জেগেছিল, আবার ঘুমিয়েও ছিল। ওর সমস্ত সত্তার অস্তিত্ব এবং অনস্তিত্বও একইসঙ্গে এক অলস অঙ্গে বিরাজ করছিল।

    এমন সময় একটা লুঙ্গি-পরা বাচ্চা ছেলে এসে বলল, বাবু।

    দেখল, লাল গোলাপফুল আঁকা কলাইকরা রেকাবিতে লাল দগদগে গোস্ত—এবং সঙ্গে মোটা রুটি—অন্য রেকাবিতে।

    ছেলেটি বলল, খানা লায়া।

    রেকাবিটা হাতে নিল, দগদগে গোস্তের দিকে একবার চাইল, ঠিক এমন সময় একটা সাদা দুধেল গোরু পেছন থেকে চরতে চরতে এসে ওর পাশে দাঁড়াল। গোরুটার বড়ো বড়ো কালো চোখ, গায়ে গোরুসুলভ মিষ্টি মিষ্টি গন্ধ। গোরুটা দু-বার কান নাড়ল পট পট করে। তার পর চরতে চরতে আবার চলে গেল।

    ছেলেটাকে ডাকল। বলল, হো গায়া।

    রেকাবিতে একটু আমড়ার চাটনি ছিল। চাটনিটুকু রুটির ওপর ঢেলে দিয়ে অনীশ একটি রুটি রেখে দিল। আর সব নিয়ে যেতে বলল।

    রুটিটা খেতে খেতে ভাবতে লাগল, সে জন্মে থেকে এপর্যন্ত দারুণ কিছু ভালোভাবে না কাটলেও এত খারাপভাবেও আর কখনো ওর জন্মদিন কাটেনি। তাকে আজ সবাই ত্যাগ করেছে। তার জন্যে পৃথিবীর কারোরই আর কিছুমাত্র নরম অনুভূতি অবশিষ্ট নেই।

    রুটিটা গলায় আটকে গেল, তার পর জল দিয়ে দিয়ে কোনোক্রমে খেল সেটাকে ও। ওর ভেতরের অবুঝ ইমোশনাল লোকটার চোখ দুটো জলে ভরে এল।

    রুমাল দিয়ে মুখটা মুছছিল। এমন সময় দেখতে পেল একজন ভদ্রলোক হাটের ভিড় থেকে ছিটকে বেরিয়ে যেন দ্রুতপায়ে ওরই দিকে আসছেন।

    ভদ্রলোকের পরনে একটা সবুজ লুঙ্গি, মাথায় তালিমারা একটা ছাতা, হাতে হাট-করার লাল-রঙা কাপড়ের থলে।

    ভদ্রলোক কাছে এসেই ছাতাধরা হাতের সঙ্গে অন্য হাত ঠেকিয়ে নমস্কার করলেন।তার পর অবাক-গলায় বললেন, আপনি? এখানে?

    অনীশ চিনতে পারল না ভদ্রলোককে। বলল, আপনাকে…।

    ভদ্রলোক হাসলেন, বললেন, ইন্দিরা গান্ধি কি সকলকে চেনেন?

    অনীশ বলল, মানে?

    ভদ্রলোক বললেন, আপনারা বিখ্যাত লোক, আপনাদের অনেকে চেনে, তা বলে কি আপনারা আপনাদের সব অ্যাডমায়ারাদের চিনতে পারেন? তা কি সম্ভব? আমাকে আপনি চেনেন না। একবার কলকাতায় একটা ঘরোয়া সাহিত্য-সভায় আপনাকে দেখেছিলাম।

    পরক্ষণেই ভদ্রলোক আঁতকে উঠে বললেন, ওকী? আপনি এখানে খেলেন নাকি? উঠেছেন কোথায়? কবে এসেছেন?

    অনীশ বলল, আমি খিলারিতে আছি। এখানে এসেছিলাম ধানের বীজ কিনতে। কিন্তু পেলাম না। এ ছাড়া তো খাওয়ার কোনো জায়গা নেই দেখলাম।

    ভদ্রলোক একদৃষ্টে অনীশের মুখের দিকে চাইলেন।

    বললেন, ফিরবেন তো বিকেলের গাড়িতে? গাড়ি সাড়ে তিন ঘণ্টা লেট। বীজ যখন পেলেনই না, তো চলুন আমার সঙ্গে, আমার কোয়ার্টারে।

    ও অবাক হল। বলল, কেন বলুন তো?

    ভদ্রলোক রাগ রাগ গলায় বললেন, কেন আর? খাবেন, বিশ্রাম করবেন; আর কেন? আমরা থাকতে এই রোদের মধ্যে মাঠে বসে গোস্ত-রুটি খাচ্ছিলেন আপনি? ছি: ছি:।

    খাইনি। মানে কখনো খাইনি যে তা নয়। তবে এখানে বিশেষ করে আজ এ পরিবেশে খেতে পারলাম না।

    ভদ্রলোক পাশে পাশে হাঁটছিলেন। ওর মাথায় ছাতা ধরে। অনীশ যেন সত্যিই ভীষণ কোনো দামি লোক।

    হঠাৎ ভদ্রলোক বললেন, আজ মানে? আজ কি কোনো বিশেষ দিন?

    ভদ্রলোকের কথার ভঙ্গিতে হেসে ফেলল, বলল, বিশেষ দিন কিছু নয়। তার পর অনিচ্ছার সঙ্গে বলে ফেলল, আজ আমার জন্মদিন।

    ভদ্রলোক উৎসাহে চেঁচিয়ে উঠলেন। বললেন কী দারুণ খবর শোনালেন আপনি। মা শুনে খুব খুশি হবেন।

    ও কোনো কথা বলল না।

    মানিদের বলে দিয়েছিল স্টেশনে গিয়ে প্ল্যাটফর্মে যেন ওর জন্যে অপেক্ষা করে। ট্রেন যখন এত লেট তখন ভদ্রলোকের সঙ্গে যেতে ওর কোনো আপত্তির কারণ ছিল না।

    রেললাইন পেরিয়ে ওপাশে ভদ্রলোকের বাড়ি। বাড়ি মানে কোয়ার্টার। দুটি ঘর, মধ্যে একফালি উঠোন, বাইরে একটু বারান্দা। বাড়ির সামনে বেড়ামতো দিয়ে লাউ কুমড়ো লাগানো হয়েছে।

    ভদ্রলোক বলেছিলেন, আমার নাম অনিমেষ। অনিমেষ রায়।

    অনিমেষ দরজার কড়া নাড়লেন।

    একটি বাচ্চা ছেলে এসে দরজা খুলল।

    অনিমেষ ডাকলেন, মা, ও মা, দেখো কাকে এনেছি। এক্ষুনি পায়েস রাঁধো। আজ অনীশবাবুর জন্মদিন।

    অনিমেষ অনীশকে নিয়ে একেবারে মহিলার ঘরে ঢুকে পড়লেন।

    ভদ্রমহিলার বয়েস পঁয়ষট্টি-ছেষট্টি হবে। উনি জানলার পাশের ইজিচেয়ারে শুয়ে কী একটা বই পড়ছিলেন। উঠে দাঁড়িয়ে অনীশের গায়ে মাথায় হাত বোলালেন।

    অনলাইনে বেস্টসেলিং বই কিনুন

    বললেন, ওমা! এ যে দেখছি ছেলেমানুষ। তুমি বাবা এমন এমন বই লেখো কী করে?

    অনিমেষ বলল, মা, উনি কিন্তু খাবেন।

    ভদ্রমহিলা বললেন, খাবেন বই কী। আমাদের কী সৌভাগ্য বল দেখি। তুই এঁকে পেলি কোথায়?

    অনিমেষ বলল, সেসব বলব মা, তুমি আগে পায়েসটা রেঁধে ফেলো।

    বলেই অনিমেষ অনীশকে নিয়ে ওর ঘরে এলেন। বললেন, দেখুন। দেখেছেন?

    ও অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল।

    দেখল, এই গন্ডগ্রামে বিহারের এই জঙ্গল-পাহাড়ে ঘেরা ছোটো জায়গাতে অনিমেষের ঘরের দেওয়ালের তাকে অনীশের লেখা সমস্ত ক-টি বই-ই পর পর পাশাপাশি সাজানো আছে।

    ও অনেকক্ষণ কোনো কথা বলল না। মুখ নীচু করে চুপ করে রইল।

    অনিমেষ একটা মোড়া এগিয়ে দিয়ে বলল—বসুন।

    অনলাইনে বেস্টসেলিং বই কিনুন

    জানলা দিয়ে অনিমেষের মুখে আলো এসে পড়েছিল। ক্লান্ত ক্লিষ্ট মুখ, কিন্তু মুখের মধ্যে ভারি একটা শান্ত নির্লিপ্ত ভাব। এ-ধরনের মুখে কখনো বিরক্তি দেখা দেয় না। এঁরা বোধ হয় বিরক্তি কাকে বলে জানেনই না।

    অনিমেষ নিজেই কথা বলল। বলল, সামান্য একটা চাকরি করি কাঠের বড়ো ঠিকাদারের কাছে। মা ও ছেলের চলে যায় কোনোরকমে।

    বিয়ে করেননি?

    অনিমেষ লজ্জা পেল। বলল, মা চাপ দেন খুব, কিন্তু যা মাইনে পাই তাতে দুজনেরই চলে না ভালো করে। কিছু মনে করবেন না, আমার ভাবতেই খারাপ লাগে যে, একজন জলজ্যান্ত সুশ্রী যুবতী মেয়ে আমার জন্যে, আমারই কারণে কোনো দুঃখ পাবে। সত্যি ভাবলে খারাপ লাগে, বিশ্বাস করুন। কাউকে আদর করে রাখতে না পারলে এই ব্যাপারটা আমার কাছে স্বার্থপরতা বলেই মনে হয়।

    তার পর অনিমেষ আবার বলল, আপনার লেখাগুলো পড়লে বড়ো কষ্ট হয়। কিন্তু জমজমাট মিলনান্তক লেখা লেখেন না কেন?

    ও হাসল।

    বলল, হয়তো লেখকের নিজের জীবনটা মিলনান্তক নয় বলে।

    অনিমেষ উজ্জ্বল চোখ তুলে বলল, আপনার কি কোনো গভীর দুঃখ আছে?

    কথাটা এড়িয়ে গেল। বলল, এমন মানুষ কি আছে, যার কোনো-না-কোনো দুঃখ নেই? যার নেই, বলতে হবে তার দুঃখবোধই নেই।

    জানি না, তবে জানেন, আমার না মাঝে মাঝেই খুব মরে যেতে ইচ্ছা করে। যতদিন মা আছেন, ততদিন অবশ্য উপায় নেই। মা না থাকলে কিছু একটা করেও ফেলতে পারি। বলা যায় না। আমি খুব ইমোশনাল, সেন্টিমেন্টাল। আপনার লেখা তাই-ই বোধ হয় পড়তে এত ভালো লাগে। আপনার লেখা পড়লেই কিন্তু আমার খুব বাঁচতে, বেঁচে থাকতে ইচ্ছে করে, জানেন? বিশ্বাস করুন, আপনার লেখা পড়লে মনে হয় দুঃখেরও একটা মহানুভবতা আছে, ঔদার্য আছে। মনে হয় দুঃখ, বোধ হয় শুধু ভয় করারই নয়, সমস্ত দুঃখ ছাপিয়েই বোধ হয় কোনো গভীর আনন্দ শেষপর্যন্ত হৃদয়ের ঘরে জমা হয়। জানি না কেন, সত্যি বলছি, আমার ভীষণভাবে একথা মনে হয়। মনে হয় দুঃখী লোকদের সুখটা কেবল দুঃখী লোকরাই বোঝে।

    পরক্ষণেই অনিমেষ ছেলেমানুষের মতো অনীশের হাঁটু ছুঁয়ে বলল, দেখুন, আপনার কিন্তু অনেক দিন বাঁচতে হবে, আপনার ওপরে আমার বাঁচা-মরা নির্ভর করছে। বিশ্বাস করুন, বানিয়ে বলছি না। আপনার জন্মদিনে আমাকে কথা দিতে হবে।

    অনীশ হাসল। বলল, আপনি বড়ো ছেলেমানুষ।

    তা যা বলেছেন। আপনার চেয়ে মোটে দু-বছরের বড়ো।

    এত বেশি ইমোশনাল হলে শুধু কষ্টই পাবেন। ইমোশনাল হওয়া বা ইমোশনাল লেখা, কোনো গুণের কথা নয়।

    অনিমেষ হঠাৎ চুপ করে গেল। বলল, দোষ গুণ জানি না। বড়ো ভালো লাগে। যতদিন বাঁচব এমনি করে বাঁচতেই ভালো লাগে।

    যাকগে এসব কথা। আপনি যে এসেছেন, আমার ঘরে বসে আছেন—একথা আমার বিশ্বাস হচ্ছে না। জন্মদিনে, সকলে কী যেন বলে, কী যেন বলতে হয়—ওই যে, কী একটা বলে না ইংরিজিতে, ওঃ মনে পড়েছে। বলেই বলল, মেনি মেনি হ্যাপি রিটার্নস অফ দ্য ডে।

    অনীশ জানলা দিয়ে বাইরে চেয়েছিল।

    ও মনে মনে বলছিল, এমন সার্থক জন্মদিন ওর জীবনে আর বুঝি কখনো আসেনি।

    অনিমেষের শীর্ণ, অভাবগ্রস্ত, যুদ্ধরত সুন্দর সুপুরুষ মুখের দিকে তাকিয়ে অনীশ স্বগতোক্তি করল, বেঁচে থাকবেন অনিমেষ, আপনি আপনারা; আমার মতো কোনো হতভাগ্য স্বল্পখ্যাত লেখকের জন্যে। বদলে আমরা বেঁচে থাকব আপনাদের জন্যে। একজন সিনসিয়ার পাঠকের দেখা পাওয়ার চেয়ে বড়ো সার্থকতা, বড়ো পরিপূরণ, একজন স্বল্পখ্যাত লেখকের জীবনে আর কী থাকতে পারে?

    ও বলল, মনে মনে, আপনি জানেন না, কখনো জানবেন না অনিমেষ, আজকে আপনি কী এক আশ্চর্য উপহার দিলেন। আমার সবচেয়ে বেশি মন খারাপের, একা একা জন্মদিনের সমস্ত মেঘলা আকাশের আদিগন্ত দ্বিধাকে আপনি কী দারুণভাবে দ্বিখন্ডিত করলেন।

    গিফ্টের বাস্কেট

    ও আবারও মনে মনে বলল, এমন উপহার আমাকে আর কখনো কেউই দেয়নি, হয়তো দেবেও না কেউ, কোনো জন্মদিনে।

    অনিমেষ একদৃষ্টে অনীশের মুখের দিকে চেয়ে বসেছিলেন। কথা বলছিলেন না কোনো। এমনভাবে চেয়ে যেন অনীশ মানুষ নয়, কোনো দেবতা-টেবতা।

    ওই ঘরে বসে, হঠাৎ এক ক্বচিৎ কৃতজ্ঞতায় ওর সমস্ত মন নুয়ে এল। ও ভাবল, ও মনে মনে বলল, ওর কী সৌভাগ্য! ও একটু লিখতে পারে, ওর মনের জমানো কথাকে ও সত্যর কাঠামোতে বসিয়ে কল্পনার তুলি বুলিয়ে কত অচেনা লোকের মনে ছড়িয়ে দিতে পারে।

    মনে হল, আজ থেকে প্রতিদিন, প্রতিক্ষণকেই ও ওর জন্মদিন বলে মনে করবে।

    নিজের জন্যে না হলেও, অন্যের জন্যে, অনিমেষদের জন্যে ওর বাঁচতে হবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রত্যানীত – বুদ্ধদেব গুহ
    Next Article পাখসাট – বুদ্ধদেব গুহ

    Related Articles

    বুদ্ধদেব গুহ

    বাবলি – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্ৰ ১ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ২ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৩ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৪ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    অবেলায় – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Our Picks

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }