Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পুষ্পমঞ্জরি – বুদ্ধদেব গুহ

    বুদ্ধদেব গুহ এক পাতা গল্প780 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ডিড ইউ ডু ইট?

    অশেষেরও বিয়ে হয়েছিল মুঙ্গেরে। যদিও অনেক করে বলেছিল কিন্তু আমার পক্ষে বরযাত্রী যাওয়া সম্ভব হয়নি। বিয়ে করে নতুন বউ নিয়ে হাজারিবাগে ফিরেছিল।

    আমি মৃন্ময়ের বিয়েতে হাজারিবাগ গিয়েছিলাম বরযাত্রী। মৃন্ময়ের বিয়ে রাঁচির ডুরাণ্ডার এক বড়ো ব্যাবসায়ীর একমাত্র মেয়ের সঙ্গে হয়। বিয়ের পর ওদের সীতাগড়া পাহাড়ের কাছের বাড়িতে ছিলাম। ওরা দুই ভাই। মৃন্ময় আর মৃত্যুঞ্জয়। মৃত্যুঞ্জয়দা আমাদের চেয়ে বয়েসে বেশ বড়ো। বড়ো মানে, বছর দশেকের বড়ো। মৃত্যুঞ্জয়দার বিয়ে আগেই হয়ে গেছিল। তার শ্বশুরবাড়ি ছিল পাটনাতে। বউদির নাম সজনি।

    মৃন্ময়ের বিয়ের পর ক-দিন খুবই হইচই হল। বউভাত হল ওদের বাড়ির হাতাতে। মস্ত বড়ো হাতা। তারমধ্যে অনেক ইউক্যালিপটাস গাছ। খুব ভালো ল্যাংড়া আমের গাছ। আরও অনেক ফুল-ফলের গাছ ছিল। সেই হাতাতে শামিয়ানা টাঙিয়ে বউভাত হল। সেই শামিয়ানা আমাদের কলকাতার শামিয়ানার মতো নয়। খুব মোটা কাপড়ের শামিয়ানা, যেমন দিল্লিতে ও গোটা উত্তর ভারতে দেখা যায়। তাঁবুও বানানো হয়েছিল। এক তাঁবুতে খাওয়া, অন্য তাঁবুতে পানীয়র বন্দোবস্ত হয়েছিল। অনেক লোক এসেছিল। খুব ধুমধাম করে বউভাত হল।

    অনেক দিন পরে হাজারিবাগ গিয়েছিলাম তাই ঠিক করলাম ক-টা দিন থেকেই আসব। ছেলেবেলার একটা সময় আমার কেটেছে হাজারিবাগে। হাজারিবাগের সেন্ট-জেভিয়ার্স স্কুলে পড়তাম। হস্টেলেই থাকতাম। মৃন্ময়ও পড়ত আমার সঙ্গে তবে ও ওদের নিজেদের বাড়িতেই থাকত। হাজারিবাগকে ঘিরে অনেকই স্মৃতি ছিল শেষ-কৈশোর এবং প্রথম যৌবনের সেইসব দামাল দিনের।

    অঘ্রান মাস, মিষ্টি ঠাণ্ডা পড়েছে। একদিন নতুন বউকে নিয়ে হাজারিবাগ ন্যাশনাল পার্কে যাওয়া হল। পার্কের মধ্যে গ্রীষ্মকালেই ঠাণ্ডা থাকে। অঘ্রান মাসে তো ঠাণ্ডা ছিলই। একটা বাস ভাড়া করে ন্যাশনাল পার্ক যাওয়া হয়েছিল সকলে মিলে। বাসে অনেক গান, অনেক পুরোনো কথা, অনেক হাসি। খুবই আনন্দের সঙ্গে আমরা ন্যাশনাল পার্ক ঘুরে এলাম।

    মৃন্ময় তখন কলকাতাতে চাকরি করে সি ই এস সি-তে। ও রাঁচিতে একটা ভালো চাকরি খুঁজছিল। অনেকদিন ধরে। কারণ, হাজারিবাগের কাছেই এক গ্রামে ওদের অনেক জমিজমা ছিল। তার দেখাশোনা করছিল। আমি থাকতে থাকতেই ওর একটা ইন্টারভিউ-এর চিঠি এল। ওকে যেতেই হবে। ইন্টারভিউ রাঁচিতে। হেভি ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানির চাকরি। মৃন্ময় তার স্ত্রীকে নিয়ে রাঁচি চলে গেল। দিন চার-পাঁচের জন্যে। দ্বিরাগমনও হবে, চাকরির ইন্টারভিউও হবে। দুই কাজই সম্পন্ন করা হবে। মৃন্ময়ের শ্বশুরবাড়িও তো রাঁচির ডুরাণ্ডাতে। ইতিমধ্যে মৃত্যুঞ্জয়দার ট্যুর পড়ল বিহারেরই নানা জায়গায়। উনি একটি বড়ো ওষুধ কোম্পানির সেলস ম্যানেজার ছিলেন। তাঁর হেড কোয়াটার্স ছিল পাটনাতে। এমনিতেই ভাইয়ের বিয়ের জন্য বেশ কয়েক দিন ছুটি নিয়েছিলেন। তাই তাঁকে যেতেই হল। ছুটি আর বাড়ানো সম্ভব হচ্ছিল না। বাড়িতে রইলাম শুধু আমি আর সজনিবউদি।

    মৃত্যুঞ্জয়দার বিয়ে হয়েছিল বছর দশেক আগে কিন্তু কোনো ছেলে-মেয়ে হয়নি। কেন হয়নি, সেটা আমার জানার কথা নয়। সেই না হওয়ার দোষ মৃত্যুঞ্জয়দা না সজনিবউদির তাও আমার জানার কথা ছিল না।

    সজনিবউদিকে আমার খুবই ভালো লাগত। মৃত্যুঞ্জয়দার বিয়ের সময়ও আমি রাঁচিতে বরযাত্রী গেছিলাম। এবং বিয়ের রাত্তিরেই সজনিবউদিকে দেখে মুগ্ধ হয়েছিলাম আমি। কালোর মধ্যে মিষ্টি চেহারা। বেশ ভালো গান গাইতে পারেন। রবীন্দ্রসংগীত, রজনীকান্ত, অতুলপ্রসাদ। তার চেয়ে বড়ো কথা, গান খুব ভালোবাসতেন উনি।

    মৃত্যুঞ্জয়দা বললেন, খুব ভালো হয়েছে। তুই এখন রয়েছিস, তুই সজনির দেখাশোনা কর। আমি ফিরে আসব দিন সাতেকের মধ্যেই। কিন্তু আমার না গেলেই চলবে না। মৃন্ময় ফিরলে তবে তুই যেতে পারিস।

    মৃত্যুঞ্জয়দাও চলে গেলেন আর মৃত্যুঞ্জয়দার ভাই, আমার বন্ধুও চলে গেল রাঁচিতে তার স্ত্রীকে নিয়ে।

    আমি যে একা থাকব বাড়িতে সজনিবউদির সঙ্গে—এটা ভেবেই আমার ভয় ভয় করতে লাগল। কারণ, আমি ছেলেবেলা থেকেই অত্যন্ত বেশি রোমান্টিক এবং বড়ো ঘন ঘন প্রেমে পড়তাম। আর সজনিবউদিকে তো বিয়ের দিন থেকেই দারুণ ভালো লেগেছিল।

    যদিও তখন আমার বিয়ের বয়েস হয়ে গেছিল, প্রেম কাকে বলে তা জানতাম না। এখন যেমন ছেলে-মেয়েরা প্রেম বলতে ভাবে শুয়ে পড়া কারোর সঙ্গে, আমাদের সময়ে সেরকম ছিল না। আমরা অত্যন্ত রক্ষণশীল ছিলাম এবং প্রেম একটা মানসিক সম্পদ অথবা বিপদ বলেই গণ্য হত তখন।

    সজনিবউদি বললেন, খুব ভালো হল। চিন্ময়, (মানে, আমি) থাকবে, ওর গান শুনব, আর ও যা খেতে চায় রান্না করে খাওয়াব।

    সজনিবউদির রান্নার হাতও খুব ভালো ছিল। রান্না যে মেয়েদের কতবড়ো গুণ সেটা অনেক মেয়েরা নিজেরাও জানেন না। রান্না করে খাইয়ে অনেক নারী অনেক পুরুষের মন জয় করতে পারেন। তখনও পারতেন, এখনও পারেন। নিজে রান্না করার মধ্যে কোনো হীনম্মন্যতা তখনকার দিনে ছিল না। বরং রান্না করাটাই একটা সুন্দর কর্তব্য বলে মনে করতেন অধিকাংশ নারী এবং রান্না করতে খুব ভালোও বাসতেন।

    আমি সকালবেলা উঠে সাইকেল নিয়ে চলে যেতাম হাজারিবাগের ‘পার্ল’ মোটর কোম্পানির কাছে জলের ট্যাঙ্কের নীচে। সেখানে মাছ নিয়ে আসত মাছওয়ালারা। তারমধ্যে অধিকাংশই তিলাইয়া ড্যামের মাছ। বড়ো বড়ো রুই, কাতলা। ছোটোমাছ কমই পাওয়া যেত। যতক্ষণে বাজার করে ফিরে আসতাম ততক্ষণে সজনিবউদি আমার জন্যে জলখাবার করে বসে থাকতেন। আমি ফিরলে আমরা একসঙ্গে খাবার ঘরে প্রাতরাশ সারতাম। জানলা দিয়ে সীতাগড়া পাহাড় দেখা যেত। বেশ উঁচু পাহাড়।

    হাজারিবাগ শহরের তিন দিকে তিনটি পাহাড় ছিল। সিলওয়ার, সীতাগড়া আর কানহারি। সীতাগড়া পাহাড়ের ওপর একটি পিঞ্জরাপোল ছিল। তাতে অনেক গোরু-বলদ থাকত এবং সেই গোরু-বলদের লোভে একটি বড়ো বাঘ আস্তানা গেড়েছিল তখন সীতাগড়া পাহাড়ে। সে প্রায়ই পিঞ্জরাপোলের গোরু-বলদ মারত এবং আমি যাওয়ার ক-দিন আগেই, সে একটি মানুষও মেরেছিল। আমি যাওয়ার পরে একটি শিশুকে ধরে খেয়েছিল। সেই বাঘ মারার জন্যে নানা শিকারির দল তখন সীতাগড়াতে যাওয়া-আসা করতেন। মাচা বেঁধে বসতেন। কিন্তু তখন পর্যন্ত সেই বাঘ মারা পড়েনি।

    সীতাগড়া পাহাড়ের নীচ দিয়ে চলে গেছে যে লাল কাঁকরের রাস্তা, সোজা গিয়ে শেষ হয়েছে সীতাগড়া গ্রামে, সেই রাস্তারই পাশে পাহাড়ি নালার ভিজে বালিতে সেই বাঘের পায়ের দাগ দেখেছিলাম আমি আর সজনিবউদি দুজনেই। কারণ, আমরা প্রতিদিন সকালে ও বিকেলে নিয়ম করে ওই পথে হাঁটতে যেতাম। ঘন জঙ্গলের মধ্যে গিয়েছিল সেই পথ। দু-পাশে হরজাই জঙ্গল। বাঁ-দিকে সীতাগড়া পাহাড় উঠে গেছিল। অল্প-অল্প শীতের মধ্যে সকালের রোদ এবং বিকেলের রোদ এক আশ্চর্য মায়াময় পরিবেশ তৈরি করত। নানা পাখির ডাক এবং তাদের কলকাকলি, বিশেষ করে সন্ধের আগে আমাদের মুগ্ধ করত।

    সকালে হেঁটে ফিরে এসে যেতাম মাছ কিনতে। আর সন্ধে নামার আগেই বিকেলের হাঁটা সেরে বাড়িতে ফিরে আসতাম।

    একটি কাজের লোক ছিল। তার নাম ছিল ফাগুয়া। তার বাড়ি ছিল সীতাগড়া গ্রামে। সে আসত সকাল আটটা নাগাদ আর চলে যেত রাত আটটা নাগাদ। বাড়ি ফেরার সময় সে খুব ভয়ে-ভয়ে যেত। কারণ সেই রাস্তার দু-পাশেই ছিল সেই, সীতাগড়ার বাঘের আস্তানা। ওর টর্চ ছিল না। সজনিবউদির কাছ থেকে একটা লণ্ঠন চেয়ে নিয়ে হাতে দোলাতে দোলাতে সে চলে যেত গ্রামে।

    গ্রামাঞ্চলের মানুষ চিরদিনই ঈশ্বরবিশ্বাসী এবং শত বিপদ-আপদের মধ্যেও তাদের সেই বিশ্বাসে কোনো চিড় ধরত না। এবং ঈশ্বর-ভরসাতেই তারা বেঁচে থাকত এবং নানান বিপজ্জনক কাজও করত।

    ফাগুয়া বলত, বাঘোয়া খা লেনে সে, খা লেগা। কেয়া কিয়া যায়গা? হামারা বাবা ঔর মা বহতই বুঢ্ঢা-বুঢঢি হো গয়া। ঘর যাকে খানা ভি পাকানা হোতা। উন লোঁগোকো দেখভাল করনা পরতা হায়। উসি লিয়ে হামকো যানাই হোগা। যো হোগা সো হোগা।

    ফাগুয়ার জন্য আমাদের চিন্তা থাকত কিন্তু যখন পরের দিন সকালবেলায় হাসিমুখে সে আবার এসে হাজির হত তখন তাকে দেখে আমরা খুবই আনন্দিত হতাম এই ভেবে যে, যাক অন্তত কাল রাত্তিরে সে বাঘের হাত থেকে বেঁচেছে।

    সজনিবউদি স্নান করে উঠে রান্নাঘরে গিয়ে বসতেন। রান্নাঘরের লাগোয়া ছিল খাবার ঘর ও একটি খোলা বারান্দা। সেই বারান্দায় একটি কোলাপসেবল গেট ছিল। দিনের বেলা খোলাই থাকত। সেই বারান্দা দিয়ে বহুদূর অবধি দেখা যেত। দূরের পথ দিয়ে ক্বচিৎ ট্রাক বা বাস যেত। বেশিরভাগই গেরুয়া-রঙা টাঁড় জমি। লাল ধুলোয় ভরা। মাঝে মাঝে পুটুস আর লিটপিটিয়ার জঙ্গল। নানা বনজ গন্ধ ভেসে আসত হাওয়াতে। আর যখন হাওয়া থাকত না তখনও সেই গন্ধ থম মেরে থাকত।

    মৃত্যুঞ্জয়দা চলে যাওয়ার পরদিনই সজনিবউদি বললেন, গান গাও। আমার ঘরের বিছানার ডান দিকের তাকে গীতবিতান আছে, নিয়ে এসো। তুমি গান গাও, আমি তোমার গান শুনতে শুনতে রান্না করি।

    আগেই বলেছি, সজনিবউদির রান্নার হাত ছিল অপূর্ব। এমন ভালো অমলেট বানাতেন যে, সে কী বলব। সে-অমলেটের সঙ্গে একমাত্র তুলনীয় আমাদের টেনিস খেলার ক্যালকাটা সাউথ ক্লাবের আবদুল বেয়ারার অমলেট। ডিম ভেঙে তারমধ্যে কাঁচা দুধ দিয়ে অনেকক্ষণ ধরে ফেটানোর পর পেঁয়াজ কুচি, কাঁচালঙ্কা কুচি, ধনে পাতা ইত্যাদি দিয়ে সেই অমলেট বানাতেন। সঙ্গে মুচমুচে টোস্ট। কোনোদিন পাটনা থেকে আনানো শিরমাল, তার সঙ্গে আগের রাতের বানানো কাবাব। বেঙ্গল সুইটস-এর মিষ্টি, রাবড়ি। খাওয়া-দাওয়ার কোনো কমতি ছিল না। আর তার চেয়েও বড়ো কথা ছিল সজনিবউদির সান্নিধ্য।

    কোনো দিন স্নান করে উঠে খোলা চুল পিঠময় ছড়িয়ে দিয়ে রাঁধতে বসতেন সজনিবউদি। কোনো দিন বা খোঁপা করতেন। বিনুনি করতেন না। কিন্তু আমি খুব পছন্দ করতাম সজনিবউদির বিনুনি করা চেহারাটি। তাই আমার অনুরোধে তিনি মাঝে মাঝে বেণীও বাঁধতেন। বাগান থেকে আমি ফুল নিয়ে আসতাম তুলে। এনে বলতাম, আপনার চুলে একটু গুঁজুন। চুলে ফুল গুঁজলে মেয়েদের মুখের চেহারাটাই পালটে যায়।

    সজনিবউদি টিপ পরতেন না। আমি বলতাম, টিপ না পরলে অমন সুন্দর কপালটা যেন কেমন ফাঁকা ফাঁকা লাগে।

    আমি একদিন বড়া মসজিদ-এর পাশের বাজার থেকে নানা রঙের টিপ নিয়ে এলাম সজনিবউদির জন্য। এবং বললাম, শাড়ির সঙ্গে ম্যাচ করে টিপ পরবেন বউদি।

    বউদি হেসে বলতেন, এত শখ যদি তোমার দাদার থাকত? সে তো আমার মুখের দিকে ভালো করে তাকায়নি কোনোদিন।

    আমি বলতাম, আপনি ভাবেন তাই। দাদা আপনাকে ভীষণই ভালোবাসেন।

    কপট গাম্ভীর্যের সঙ্গে বউদি বলতেন, তাই বুঝি? তুমি কত বোঝো। ভালোবাসার তুমি কী বোঝো?

    আমি বলতাম, ভালোবাসার হয়তো আমি কিছুই বুঝি না কিন্তু ভালো লাগাই তো ভালোবাসা। ভালোলাগা তীব্রতর হলেই তো তা ভালোবাসায় গড়িয়ে যায়। আপনিই বোধ হয় ভালো করে দাদার দিকে তাকাননি। খোঁজেননি আপনার জন্য তাঁর ভালোবাসা আছে কি নেই।

    সজনিবউদি বলতেন, কী জানি? সে-ই জানে তার মনের কথা।

    স্নান করে ওঠার পর তাঁর গায়ের সাবানের গন্ধ, পারফিউমের গন্ধ ম-ম করত চারদিকে ফুলের গন্ধের সঙ্গে।

    বউদি বলতেন, তুমি যাকে বিয়ে করবে সে খুব ভাগ্যবতী।

    আমি বলতাম, সে পোড়াকপালি। নইলে আমাকে বিয়ে করতে যাবে কেন? আমার না আছে রূপ, না আছে গুণ, না বড়ো চাকরি করি। আমাকে কোন মেয়ে বিয়ে করবে?

    বউদি হাসতেন আর বলতেন, করবে। করবে। বিয়ের ফুল যখন ফুটবে তখন ঠিকই করবে।

    আমি খুবই বুঝতে পারতাম যে, বউদির মনের কোণে আমার জন্যে এক বিশাল ভালোবাসা আছে। কী কারণে আমি জানি না কিন্তু বউদি যে আমাকে বিশেষ পছন্দ করতেন তা তাদের বিয়ের পর পরই আমি বুঝতে পেরেছিলাম এবং মৃন্ময়ের বিয়েতে বরযাত্রী আসার পেছনে একটা বিশেষ কারণও ছিল। ইচ্ছে ছিল, কয়েক দিন সজনিবউদির সান্নিধ্যে কাটিয়ে যাব হাজারিবাগে।

    বউদি যখন আমার দিকে তাকাতেন তাঁর চোখের মধ্যে কী যেন এক আকুতি দেখতে পেতাম। উনি কী যেন চাইছেন আমার কাছ থেকে। কিন্তু সেই চাওয়াটা যে কী, তা আমি ঠিক বুঝে উঠতে পারতাম না। এই করে দিন যায়। একদিন, দু-দিন, তিনদিন হয়ে গেল। মৃত্যুঞ্জয়দার ফেরার সময় হয়ে আসছে। আর দু-দিন পরেই উনি আসবেন।

    সেদিন রাত্তিরে খাওয়া-দাওয়ার পর ফাগুয়া চলে গেলে বউদি আমার ঘরে এসে বসলেন। বসে, বেশি কথা বললেন না। আমার অনুরোধে গানও করলেন না। খালি আমার মুখের দিকে চেয়ে বসে রইলেন। ফাঁকা বাড়ি। বাড়িতে আর তৃতীয় মানুষ নেই। আমি আর বউদি। সম্পর্কে বড়ো হলেও আমার চেয়ে মাত্র দু-তিন বছরের বড়ো ছিলেন। সেদিন একটা খড়কে-ডুরে শাড়ি পরেছেন। খয়েরি আর সাদা ডুরে শাড়ি। একটা খয়েরি-রঙা ব্লাউজ। খয়েরি-রঙা একগুচ্ছ ফুল গুঁজেছেন চুলে। গলায় একটি টোপাজ অথবা অ্যামেথিস্ট পাথরের মালা। চোখে কাজল, কপালে আমার দেওয়া টিপ। একটি লো-কাট ব্লাউজ পরেছেন। সেই ব্লাউজের মধ্যে দিয়ে তাঁর প্রস্ফুটিত দুটি স্তন উদবেল হয়ে উঠেছে। বউদির দিকে তাকিয়ে আমার যুবনাশ্বর কবিতা মনে পড়ে গেল। সেই বিখ্যাত লাইন দুটি।

    বল্কলমুক্ত শুভ্র স্তনদয়সহসা উদ্বেল হল শুভ্র বক্ষময়।

    সীতাগড়া পাহাড়তলির নীচের আলো-আঁধারিভরা রহস্যময় প্রান্তরে ঝাঁকি দিয়ে-দিয়ে দুটি টি টি পাখি ডেকে বেড়াচ্ছিল। ডিড ইউ ডু ইট? ডিড ইউ ডু ইট? বলতে বলতে। বউদি বললেন, রাতে বাথরুমে যেতে আমার ভীষণ ভয় করে।

    কেন?

    ওই বাড়িতে কোনো ঘরেই অ্যাটাচড বাথরুম ছিল না। পুরোনো দিনের বাড়ি। বাথরুমটি একটু দূরেই ছিল। বসার ঘরের লাগোয়া। একটিই বাথরুম ছিল বাড়িতে, যদিও ঘর ছিল তিনটি। বউদির ঘর থেকে সেই বাথরুমে যেতে হলে একটা খোলা বারান্দা দিয়ে যেতে হত। যদিও বারান্দায় কোলাপসেবল গেট ছিল। কিন্তু বারান্দার পরেই বাংলোর হাতা। ঝুপড়ি ঝুপড়ি গাছ। ঝিকমিক করা তারা। চাঁদ থাকলে চাঁদ। ওই পথটি পেরিয়ে কোলাপসেবল গেটটি পার হয়ে পৌঁছোতে হত বাথরুমে।

    আমি বললাম, কেন? ভয় করে কেন বউদি?

    তিনি বললেন, তুমি জানো না, এ-বাড়িতে ভূত আছে?

    সত্যি? এর আগেও তো কতবার থেকেছি এবাড়িতে। কেউ তো বলেনি ভূতের কথা।

    আমিই কি সেই ভূত?

    বউদি হেসে বললেন, তুমি ভূত হলে তো ভালোই হত। সে ভূতকে আমার ভয় পাওয়ার কী ছিল? কিন্তু এ সে-ভূত নয়। এ ভূত কথা কয় না। ছায়া ফেলে হাঁটে। তাকে দেখা যায় না। তার গায়ের গন্ধ পাওয়া যায়। অতটুকু রাস্তা পেরিয়ে বাথরুমে যেতেই আমার প্রচন্ড ভয় করে। তুমি কি আমার ঘরে শোবে আজ রাতে?

    আমি বউদির প্রশ্ন শুনে স্তম্ভিত হয়ে গেলাম। এই নয় যে আমি সেই প্রস্তাবে প্রচন্ড পুলকিত হইনি। কিন্তু আমার সংস্কার। আমার ন্যায়-অন্যায় বোধ। আমার বিবেক এবং মৃত্যুঞ্জয়দার প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা সব মিলেমিশে আমি উত্তরে কী বলব বউদিকে, বুঝতে পারলাম না। তখনকার দিনে কৃতজ্ঞ করার জন্য কোনো মানুষকে বিশেষ কিছু করতে হত না। সম্পর্কের গুণেই সেই কৃজ্ঞতার জন্ম হত। যেহেতু মৃত্যুঞ্জয়দা আমার ছোটোবেলার বন্ধুর দাদা এবং বয়েসের ব্যবধান বেশ বেশি, প্রায় দশ বছর মতো, সেই কারণেই মৃত্যুঞ্জয়দা আমার শ্রদ্ধার পাত্র ছিলেন। আমি কৃতজ্ঞ ছিলাম, তাদের বাড়ির প্রত্যেকের কাছ থেকে যে স্নেহ-ভালোবাসা আমি পেয়েছি তারজন্যে। যখন আমি হাজারিবাগ সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুলে পড়তাম এবং হোস্টেলে থাকতাম তখন প্রত্যেক ছুটির দিনে আমাকে মৃত্যুঞ্জয়দাই সাইকেলে করে এসে সাইকেলের ক্যারিয়ারে বসিয়ে তাঁদের বাড়িতে নিয়ে যেতেন। তখন মৃত্যুঞ্জয়দা ও মৃন্ময়ের মা, মাসিমা বেঁচেছিলেন। আমাকে তাঁরা সকলে মিলে খুব আদরযত্ন করতেন। আমাদের পরিবারের সঙ্গে যদিও তাঁদের পরিবারের কোনো রক্তের কিংবা বৈবাহিক সম্পর্ক ছিল না। আমার বাবার সঙ্গে মৃত্যুঞ্জয়দার বাবার আলাপ ছিল এইপর্যন্ত। সেইসূত্রে বাবা যখন আমাকে সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে ভরতি করেন তখন মৃত্যুঞ্জয়দার বাবাকে অনুরোধ করে গেছিলেন যে ছুটিছাটায় ছেলেকে একটু সঙ্গ দেবেন আপনারা। বাবা, মৃত্যুঞ্জয়দার বাবা মথুর কাকাকেই আমার লোকাল গার্জেনও করে দিয়েছিলেন। যাইহোক সেসব নানা কারণে একটা কৃতজ্ঞতাবোধ আমার মধ্যে প্রোথিত হয়েছিল। এবং সেইজন্যেই বউদির এই প্রস্তাবে আমি কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে গেছিলাম। আহ্লাদে আটখানা যেমন হয়েছিলাম, আবার ভয়ে সিঁটিয়েও গিয়েছিলাম।

    বউদি অনেকক্ষণ আমার মুখের দিকে তাকিয়ে বললেন কী হল? উত্তর দিলে না যে?

    চলো আজ রাতে আমরা একঘরে শোব। আমার নতুন বালাপোশ এসেছে জানো, সেজোমামা বহরমপুর থেকে পাঠিয়ে দিয়েছেন।

    আমি বললাম, বালাপোশ? সে আবার কী জিনিস? কখনো দেখিনি তো?

    বালাপোশ দেখোনি? আজকে বালাপোশ আবিষ্কার করবে। আমরা, মানে আমি আর তুমি একই বালাপোশের নীচে শুয়ে থাকব।

    শিমুল তুলো পরতে-পরতে ধুনে সেই তুলোর পরতের পর পরত ফিনফিনে মখমলের ওপর জমিয়ে তারও পরতে পরতে আতর লাগিয়ে, ওপরে মুর্শিদাবাদ সিল্কের ময়ূরকন্ঠি-রঙা, অথবা লাল-রঙা, অথবা গাঢ় নীল কিংবা সবুজ-রঙা কাপড় দিয়ে কাঁথার মতো সেলাই করে বালাপোশ বানায় মুর্শিদাবাদের গুণী মানুষেরা। সেইসব শিল্প আতরের শিল্পের মতোই আজকাল আস্তে আস্তে ম্রিয়মাণ হয়ে যাচ্ছে। কারণ, তরুণ প্রজন্মের মানুষেরা এসব ব্যাবসায় আসছেনও না আর এইসব জিনিসের ব্যবহারকারীর সংখ্যাও কমে যাচ্ছে দিন দিন। কিছুদিন পরে হয়তো বালাপোশ কিংবা আতর আর পাওয়াই যাবে না। যাইহোক, বালাপোশটি আসা থেকে আমি ব্যবহার করিনি। আজকে রাত্রে ব্যবহার করব, তুমি যখন আমার পাশে শুয়ে থাকবে, আমাকে পাহারা দিয়ে।

    আমি কী উত্তর দেব ভেবে পেলাম না। এদিকে রাত গড়িয়ে যাচ্ছে। সেই পাহাড়তলির পাখিগুলো সমানে প্রশ্ন করে যাচ্ছে ডিড ইউ ডু ইট? ডিড ইউ ডু ইট?

    একসময় আমি উঠে বউদির সঙ্গে গেলাম বউদির ঘরে। ঘরে ধূপ জ্বলছে। সুন্দর গন্ধ। ফুলদানিতে ফুল রয়েছে। সেই ফুলের গন্ধ, ধূপের গন্ধ এবং বউদির গায়ের পারফিউমের গন্ধ মিলে এক আশ্চর্য আবেশ তৈরি হয়েছে। আমি রীতিমতো রোমাঞ্চিত হলাম। তার পর বউদির খাটেও গিয়ে বসলাম।

    বউদি বললেন, তুমি কোন দিকে শোবে? ডান দিকে না, বাঁ-দিকে। তুমি কি কোলবালিশ ব্যবহার করো? করলেও, আজকে তোমার কোলবালিশের দরকার নেই। আমিই তোমার কোলবালিশ হব।

    একথাতে আমার আরও উত্তেজনা বাড়ল।

    বউদি বললেন, তুমি একটু বোসো, আমি একটু বাথরুম থেকে আসি। এখন যেতে ভয় করবে না। এখন তো বড়ো আলোটাও জ্বলছে বারান্দায়।

    বউদি যখন বাথরুমে গেলেন আমি তখন বিবশ হয়ে বউদির খাট থেকে উঠে খাটের পাশে রাখা চেয়ারটিতে গিয়ে বসলাম। বেশ কিছুক্ষণ পরে বউদি ফিরে এলেন। ফিরে আসায় সাবানের গন্ধ আবার তীব্র হল। হয়তো কানের লতিতে ও ঘাড়ে ওডিকোলনও মেখেছিলেন। ওডিকোলনেরও গন্ধ পেলাম যেন, মনে হল। তার পরে আমি বউদির দু-গালে আমার দুই হাতের পাতা রেখে বউদির কপালে এবং দু-চোখে চুমু খেয়ে বউদিকে বললাম, আপনি দুঃখ পাবেন না। আমি অনেক কিছু পারি, আবার পারিও না। তাই আমাকে আপনার সঙ্গে শুতে বলবেন না। এরকমভাবে কিছু পাওয়ার মধ্যে কিছু বাহাদুরি নেই। কারণ, এই পাওয়া আমাকে অর্জন করতে হয়নি। ফাঁকা বাড়িতে দাদা স্থানীয় একজনের স্ত্রীর সঙ্গে শুতে, তাঁরই আহ্বানে, কোনো বাহাদুরির দরকার হয় না, কোনো সাহসেরও দরকার হয় না। কোনো প্রতিবন্ধকতা পেরোতে হয় না। সেইজন্যেই এই জয় আমার কাছে কোনো জয়ই নয়। আপনি হয়তো দুঃখিত হলেন। আপনার হয়তো অনেক দুঃখ বুকের মধ্যে জমে আছে। আমার মাধ্যমে হয়তো সেই শূন্যতা আপনি ভরাতে চেয়েছিলেন, কিন্তু আমি অপারগ। আমাকে ক্ষমা করুন বউদি।

    তার পর ঘর থেকে চলে আসার সময় বউদির স্তনসন্ধিতে আমি দীর্ঘক্ষণ ধরে একটি চুমু খেলাম। বউদি আমাকে জড়িয়ে ধরলেন দু-হাতে। তার পর পাগলের মতো আমার ঠোঁটে চুমুর পর চুমু খেতে লাগলেন। বউদির মুখের জর্দার গন্ধ আমাকে আবিষ্ট করে ফেলল।

    তার পর সজনিবউদিকে দু-হাতে ধরে খাটে বসিয়ে আমি ঘর থেকে বেরিয়ে এলাম। বললাম, দরজাটা ভালো করে বন্ধ করে দিন।

    আমি আমার ঘরে ফিরে গেলাম। সেই পাখি দুটো শিশির-ভেজা জ্যোৎস্নাভেজা টাঁড়ে তখন বুকের মধ্যে চমক তুলে ডাকছিল ডিড ইউ ডু ইট? ডিড ইউ ডু ইট?

    ঘরের আলো নিভিয়ে দিয়ে খোলা জানালার সামনে চেয়ার টেনে নিয়ে বসে বাইরের টাঁড় আর সীতাগড়া পাহাড়ের পাহাড়তলির দিকে চেয়ে বসে রইলাম টি-টি পাখিদের ডাকের মধ্যে।

    ভাবছিলাম, অনেক কিছুই করতে খুব ইচ্ছে করলেও করা যায় না। করা উচিত নয়। তা ছাড়া যে একদিন আমার ঘরনি হয়ে আসবে, দেরি করে এলেও আসবে তো নিশ্চয়ই, তার জন্যে কিছু শুদ্ধতা, কিছু বিশ্বাস অবশ্যই রেখে দেওয়া উচিত। নি:স্বতার ওপরে কোনো সম্পর্কই গড়ে তোলা উচিত নয়।

    দূরের পাখিগুলোর দিকে চেয়ে, মনে মনে বললাম, বিলিভ মি, আই ডিডনট ডু ইট।

    সজনিবউদির জলভরা চোখ দুটি আমার চোখের সামনে ভাসছিল, জানি ভাসবে সারারাত, বাইরের চাঁদের আলোতে ভেসে বেড়ানো পাখিগুলিরই মতো, কিন্তু…

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রত্যানীত – বুদ্ধদেব গুহ
    Next Article পাখসাট – বুদ্ধদেব গুহ

    Related Articles

    বুদ্ধদেব গুহ

    বাবলি – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্ৰ ১ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ২ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৩ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৪ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    অবেলায় – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }