Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পুষ্পমঞ্জরি – বুদ্ধদেব গুহ

    বুদ্ধদেব গুহ এক পাতা গল্প780 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ডরিয়ান গ্রে-র ছবি

    সকালে চায়ের সঙ্গে খবরের কাগজের পাঁজা দিয়ে ঘুম ভাঙায় তমা। সরকারসাহেব যে খুব রাত করে শুতে যান এমন নয়, কিন্তু তাঁর ঘুমটি একটু বেশি। লোকে বলে, বেশি ঘুম ‘সুখী’ মানুষের লক্ষণ। তা সরকারসাহেব নিজেও জানেন যে, তিনি বিলক্ষণ সুখী মানুষ। এই বাজারেও মাইনের মোটা চেকটা ব্যাঙ্কে জমা দিয়ে, তা থেকে সামান্যই তোলেন। সংসার তো চলেই উপরির টাকাতে, তা ছাড়া যাবতীয় ফুটানিও চলে তা থেকে। তিনি ইচ্ছে করলেই তা পূরিত হয়ে যায়। তাঁর হাতে এতই ক্ষমতা যে, তাঁর কলমখানির একটি সই এবং তাঁর চেয়ারটির বিনিময়ে বছরে লক্ষ লক্ষ টাকা উপরি তাঁর।

    এক বিশ্বস্ত বন্ধুকে ধরে আমড়াতলার এক উকিলের মাধ্যমে স্ত্রী তমা এবং বড়োছেলে সুখময়ের নামে ইনকাম ট্যাক্সের ফাইল করে নিয়েছেন। তাঁর এক ভ্যাগাবণ্ড এবং জামাইবাবু-নির্ভর শালা রামজীবনের নামেও ফাইল করে নিয়েছেন। গালুডির বাড়ি, নরেন্দ্রপুরে বাগানবাড়ি, শেয়ার এবং অন্যান্য ইনভেস্টমেন্ট তো আছেই। ওঁদের তিন জনের মিলিয়ে প্রায় দেড় কোটি টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি হয়েছে, অত খরচ করার পরও। তাজবেঙ্গল, গ্র্যাণ্ড, হিন্দুস্থান ইন্টারন্যাশনাল তো ছিলই, নতুন-হওয়া মেইনল্যাণ্ড চায়না, হায়াত, আই টি সি-র সোনার বাংলা এবং আরও কত হোটেল-রেস্তরাঁতে তাঁর অ্যাকাউন্ট।

    সব মেয়ে একরকম কি না, জানেন না সরকারসাহেব, কিন্তু তাঁর স্ত্রী তমা পাঁচ-শো কী হাজারের বাণ্ডিল পেলেই খুশি। তার মুখ আনন্দে একেবারে ডগমগ করে। সরকারসাহেবের যদি কোনো রক্ষিতাও থাকত, তাতেও বোধ হয় তমার কোনো আপত্তি থাকত না। তবে সরকারসাহেবের অন্য কোনো দোষ নেই। ঘুস খাওয়া যদি দোষের মধ্যে গণ্য হয় তবে ওই একমাত্র দোষ। তবে সরকারসাহেব জানেন যে, গুণের মধ্যেও তাঁর ওই একটিই গুণ—ঘুস খাওয়া। খাবার খাওয়া, সিগারেট খাওয়া, মদ খাওয়াও তিনি সহজে ছাড়তে পারেন, কিন্তু ঘুস খাওয়া ছাড়া তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়। ঘুসই তাঁর স্টেপল ফুড।

    মাঝে মাঝে একথা মনে হয় না, তা নয়, মানে, ধরা পড়ার কথা। আজকাল মানুষ বড়ো ট্যাঁটোন হয়ে গেছে। এই তো সেদিন ধরসাহেবকে এক সাপ্লায়ার ফাঁসিয়ে দিল। এফিডেভিট ফাইল করে দিয়েছে ভিজিলেন্স কমিশনে। এনকোয়ারি আরম্ভ হবে শিগগিরি। এখন কোথাকার জল কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, কে বলতে পারে! তবে সরকারসাহেবরা সবাই মিলে এককাট্টা হয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে, ওই সাপ্লায়ারকে টাইট করে ছেড়ে দেবেন। ওঁদের সরকারি দফতরে তাকে আর এ-জন্মের মতো করে খেতে হবে না।

    মুশকিল হয়েছে কিছুদিন হল, নতুন-আসা চেয়ারম্যানকে নিয়ে। সে-লোকটা হান্ড্রেড পার্সেন্ট অনেস্ট তো বটেই, তার ওপর অন্য দশটা সরকারি অনেস্ট অফিসারের মতো নিজের চাকরি বাঁচিয়ে ‘সততা’ ধুয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না-নিয়ে চাকরিজীবন মানে-মানে পার করে, পেনশন নিয়েই অবসরের বৈতরণী পার করার মতো মিনমিনে লোক তিনি নন। ডিসঅনেস্টিকে শিকড়সুদ্ধু উপড়ে ফেলতে চান। ইডিয়ট। দেশ চলছে এক দিকে, একভাবে, আর উনি চলছেন স্রোতের বিপরীতে। লোকটা জানে না যে, বাবারও বাবা থাকে। সেক্রেটারি এবং মিনিস্টারকে সরকারসাহেবরা কিনে রেখেছেন। এই ভান-ভন্ডামির দিনে, এই আপাদমস্তক অসাধুতার দিনে নতুন চেয়ারম্যানের আয়ু ঘনিয়ে আসবে শিগগির। সরকারসাহেবরা তো বিনি পয়সাতে চেয়ারগুলো পাননি। রীতিমতো নিলামে চড়ানো হয় আজকাল সরকারের বিশেষ বিশেষ দফতরের সব চেয়ার। ওঁরা তো খয়রাতি করবার জন্যে চড়া দামে চেয়ার কেনেননি। ইনভেস্টমেন্ট হিসেবে কিনেছেন। ইনভেস্টমেন্ট-এর রিটার্ন তো পেতে হবে, নইলে ইনভেস্টমেন্ট করে লাভ কী?

    সেদিন চেয়ারম্যান তাঁদের মিটিং-এ বলেছিলেন, ইফ ইউ ডোন্ট হ্যাভ ফিয়ার অফ গড, ইউ মাস্ট হ্যাভ ফিয়ার অফ দ্য চেয়ারম্যান, ইফ ইউ ওয়ান্ট টু সারভাইভ। আই উইল নট টলারেট ডিসঅনেস্টি অফ এনি কাইণ্ড ইন মাই ডিপার্টমেন্ট।

    ইডিয়ট শালা! কোন দেশে বাস করছে জানে না।

    চায়ে চুমুক দিয়ে, প্রথম কাগজটা খুললেন আধশোয়া হয়ে বসে। প্রথম পাতাতেই একটি খবর : ‘ঘুস’। লাল-রঙা লেডিজ শাল গায়ে দেওয়া চশমাচোখে এক ভদ্রলোকের ছবি বেরিয়েছে প্রথম পাতায়। পুলিশের গাড়িতে তাঁকে তোলা হচ্ছে। ভদ্রলোক লজ্জায় অধোবদন হয়ে আছেন। খুনিরা এই সময়ে মুখে চাপা দেয়—বোকা মানুষটা তা করেননি। মুখের মধ্যে অনুশোচনা। সম্ভবত অনুশোচনাটা ঘুস নেওয়ার কারণে নয়, ধরা পড়ারই জন্যে। চুরিবিদ্যা বড়ো বিদ্যা যদি না পড়ো ধরা। ভদ্রলোক নাকি অনেকদিন ধরে একজন কনট্রাক্টরের কাছ থেকে ঘুস নিচ্ছিলেন—সবসুদ্ধু মিলিয়ে নাকি লাখ খানেক টাকা নিয়েছেন—কে জানে! হাতেনাতে ধরা পড়ার সময়ে কত নিচ্ছিলেন—হয়তো পাঁচ-দশ হাজারই হবে। ধরা পড়ে নাকি বলেছেন, অভাবই এই ঘুস নেওয়ার কারণ। মুখটা দেখে মনে হয় ইউনিয়নবাজিও করেন। ডুবে ডুবে জল-খাওয়া লোক।

    হঠাৎ একটা হেঁচকি উঠল সরকারসাহেবের। তিনি তো লাখ-দু-লাখের কমে কথাই বলেন না। আর অভাব? কোনো অভাবই তো তাঁর নেই। যদি বরাত দোষে কখনো ধরা পড়েন, তখন কী হবে? মান-ইজ্জত, স্থাবর-অস্থাবর সব সম্পত্তি নিয়েই তো টান পড়তে পারে। কোনো খচ্চর পার্টি তো তাঁকেও মিসলিড করে পুলিশ কি ভিজিলেন্সকে বলে এমন করে ফাঁসিয়ে দিতে পারে যেকোনো দিন। কার কপালে কী আছে কে বলতে পারে!

    তমা ছোটু-বেয়ারাকে দিয়ে আর এককাপ চা পাঠাল। কিন্তু হেঁচকিটা যাচ্ছে না কিছুতেই। প্রথম কাপ চা-ই পড়ে আছে এখনও। সরকারসাহেব বললেন, লে যাও।

    তমা এসে বলল, কী হয়েছে?

    না, কিছু না। সরকারসাহেব বললেন।

    ২

    এয়ার-কণ্ডিশানারটা ঝিরঝির শব্দ করছিল। সরকারসাহেবের বিরাট চেয়ারে গানেরিওয়ালা বসেছিল।

    গানেরিওয়ালা বলল, আজ ক্যা হো গ্যয়া সরকারসাহেব। মুড অফ দেখতা হুঁ। ম্যায় তো পুরাই লেকর আয়া। পুরাই হ্যায় ইস ব্রিফকেসমেঁ, পাঁচ-শো কি নোট।

    সরকারসাহেব বললেন, নো, নো, নট হিয়ার।

    তো? আজ হুয়া ক্যা?

    বহুত কুছ হোনে শকতা। ডিড ইউ সি টুডেজ পেপার?

    ক্যা পেপার? ম্যায় টিভি দেখতা হুঁ, পেপার-উপার নেহি পড়া।

    সরকারসাহেব বললেন, নেহি পড়া?

    নেহি তো।

    শুনো ভাই গানেরিওয়ালা। তুম ই লে কর চলা যাও আভি।

    তো? বাদমে আয়েগা?

    নেহি, হিঁয়া নেহি।

    তো কাঁহা? ক্লাবমেঁ আওবেগা রাত মেঁ?

    নো, নো ক্লাবেও নয়। ওখানেও যে পুলিশের লোক….

    হাঁ। কী যে বোলেন সোরকারসাহাব। পুলিশরা বুঝি সোব ধোওয়া তুলসীপাতা হচ্ছে?

    তা জানি না বাবা। কপাল যখন খারাপ হয়….

    প্রবাদের পরের অংশটুকু আর বললেন না।

    তার পর বললেন, গাঁড়ে হনুমান হয়ে যাবে গানেরিওয়ালা। ভগবান যখন বিরূপ হন তখন বাঁচাবে কে?

    এ তো মহা গোলমেলে কোথা বোলছেন আজকে আপনি। আমার অর্ডারটি কিন্তু কাল সকালেই চাই। সব রেডিই আছে—শুধু আপনার সইটার অপেক্ষা।

    শোনো গানেরিওয়াল, আমি যখন অফিস থেকে বেরিয়ে প্রিটোরিয়া স্ট্রিটের মোড়ে পৌঁছোব, তখন তুমি আমার গাড়ির সামনে পড়বে, তার পর যেন আমাকে হঠাৎ-ই দেখেছ, এমনভাবে বলবে, আরে সরকারসাহেব। আমাকে একটু নামিয়ে দেবেন পার্ক স্ট্রিটের মোড়ে?

    আমি বলব, আসুন। তুমি এসে পেছনের সিটে আমার পাশে বসবে। তার পর তোমার ব্রিফকেসটা গাড়ির সিটের নীচে রেখে দিয়ে নামবার সময় খালি হাতে নেমে যাবে। ড্রাইভার বাড়ি চলে গেলে চাকরেরাও সব কোয়ার্টারে চলে গেলে আমি নিজে গিয়ে নিয়ে আসব।

    সিম্পল ব্যাপারটাকে এত কমপ্লিকেটেড করতেছেন যে কেন!

    যা বলছি, তাই করো।

    তার পর বললেন, আমার গাড়িটা চেনো তো? সাদা অ্যাম্বাসাডার—মাথায় লালবাতি—পেছনে ও সামনে গভর্নমেন্ট অফ ইণ্ডিয়া লেখা।

    জানি, জানি সাব।

    নাম্বার জানো?

    নাম্বার জানার দরকার নেই, ড্রাইভারকে আমি চিনি।

    চেনো?

    না-চিনলে হবে? সারথিকে না চিনলে ভোগোয়ানকে চিনব কী করে? আপনি কোথায় যান, কোখোন খান, কার কার সঙ্গে উঠেন-বোসেন, সব খবর আমাকে রাখতে হয় স্যার।

    হাউ ডেণ্ডারাস।

    উত্তেজনাতে ডেঞ্জারাস শব্দটা ডেণ্ডারাস করে উচ্চারণ করলেন সরকারসাহেব।

    তারপরই বিরক্তির গলাতে বললেন, তুমিই তো আমাকে ফাঁসাতে পারো যেকোনো দিন।

    গানেরিওয়ালা হেসে বলল, তোবে যে, আমিও ফাঁসব। আপনি স্যার বেগড়বাই করলে কোনোদিন ফাঁসাতেও পারি। আমরা বিজনেসম্যান—আমাদের কাজ চাই—বাই হুক অর বাই ক্রুক। পথে যে বাধা হোবে তাকেই আমরা সরিয়ে দেব।

    চেয়ারম্যান?

    তারও বন্দোবস্ত হচ্ছে। বড্ড বাড়াবাড়ি করছে লোকটা। ইডিয়ট হচ্ছে শালা মিস্টার অনেস্ট।

    তাহলে যাও এবারে।

    ঠিক আছে। কিন্তু আপনি ক-টার সময়ে প্রিটোরিয়া স্ট্রিটের মোড়ে আসবেন?

    সাড়ে-পাঁচটা।

    ঠিক আছে। সাড়ে-পাঁচটায় দেখা হোবে।

    ৩

    গানেরিওয়ালা তো চলে গেল, কিন্তু সরকারসাহেবের বুক ঢিপ ঢিপ করতে লাগল। এত বছর যেরকম ডোন্ট কেয়ার করে করেছেন, ধরা পড়ার ভয় কোনোভাবেই যখন তাঁর মনে আসেনি, এমন সুখেই এবং সম্মানেই কেটে যাবে নিরবধিকাল যখন ধরেই নিয়েছিলেন, তখন সকালবেলার কাগজে দেখা লাল লেডিজ-শাল গায়ে বেচারি ভদ্রলোকের অধোবদন ছবিটি তাঁকে বড়োই ভীত করে তুলেছে। মান আর অসম্মানের মধ্যে একচুল ফাঁক। পর্দাটা কোনোক্রমে উঠে গেলেই সারাপৃথিবী ছ্যা: ছ্যা: করে উঠবে, এমনকী ঘুসের টাকাতেই যাঁদের জন্যে এতকিছু করে এলেন, সেই তারাও ছ্যা-ছ্যা করবে, ভাবখানা এমন, যেন তাঁরা ঘুণাক্ষরেও জানতেন না, টাকাপয়সার উৎস। এই পৃথিবী নিমকহারাম। তেমন দুর্দৈব এলে তাঁর পাশে কাকপক্ষীও থাকবে না। মাথা নীচু করে পুলিশের গাড়িতে উঠতে হবে। ভাবলেই হৃৎকম্প উঠছে। কপাল যখন খারাপ হয়….। গাঁড়ে হনুমান।

    গানেরিওয়ালা ঠিক সময়ে পাকা অভিনেতার মতো, যেন তাঁকে হঠাৎই দেখতে পেয়েছে, এমনিভাবে রাস্তা পেরোতে গিয়ে সরকারসাব, স্যার বলে চেঁচিয়ে উঠল।

    তাকে গাড়িতে তুলে সরকারসাহেব ড্রাইভারকে শুনিয়ে বললেন, তোমার গাড়ি কী হল?

    আর বলবেন না স্যার। হায়দরাবাদ থেকে সাডুভাই এসেছে, সে নিয়ে গেল এই এখুনি—আগে বললেও না হয়, গাড়ি ভাড়া করে নিতুম—কিন্তু সে-সময় পেলাম কই? অথচ নাগবেকার সাহেবের সঙ্গে অ্যাপয়েন্টমেন্ট আছে সাড়ে পাঁচটাতে, এখুনি না-বেরোলেই নয়—অন্য গাড়িগুলোও সব বেরিয়ে গেছে। ট্যাক্সি ধরবার জন্যে ছুটোছুটি করছি, কিন্তু শালার ট্যাক্সিদেরও যে কী হল!

    তা সাডুভাইকে গাড়িটা কি না দিলেই হতনা?

    কী যে, বোলেন স্যার। সারি দুনিয়া ইক তরফ আর জরুকি ভাই ইক তরফ। ইভি তো জরুকি বহিন কি হাজব্যাণ্ড-ই না হচ্ছে। তা ছাড়া, হায়দরাবাদে গেলে আমার জন্যে ওনেক করেভি।

    পার্ক স্ট্রিটের মোড়ে যখন সরকারসাহেবের গাড়ি পৌঁছোল, তখন কথামতো গানেরিওয়ালা নেমে গেল ব্রিফকেসটা পেছনের সিটের নীচে রেখে, চলে সাব, থ্যাঙ্ক ইউ বলে।

    গানেরিওয়ালা ভিড়ে হারিয়ে যাওয়ার পর এবং গাড়িটা মিনিট তিনেক যাওয়ার পর যেন হঠাৎই চোখে পড়ল এমনভাবে সরকারসাহেব স্বগতাক্তি করলেন, দেখেছ যতীন, ব্রিফকেসটাই ফেলে গেল।

    কী করবেন স্যার?

    কী আর করব? আমাকে যদি বাড়িতে ফোন করে, তাহলে এসে নিয়ে যেতে পারবে নইলে কাল অফিস থেকে নেবে। এরমধ্যে জরুরি জিনিস চাবিটাবি আছে কি না, সে তো সে-ই জানবে। বাড়ি ফেরার আগে তো আর যোগাযোগ করা যাবে না।

    যতীন মন্ডল জানে যে, গানেরিওয়ালা সাহেবের মোবাইল নম্বর সরকার সাহেবের জানা। কারণ বহু বার তিনি গাড়ি থেকে যে কথা বলেছেন তা শুনেছে যতীন। কিন্তু যতীন সব জেনেও চুপ করে থাকল। তার পর বলল, ভারি ভুলোমনের লোক তো।

    কাল অফিসে বেরুবার আগে মনে কোরো তো যতীন ওর ব্রিফকেসটার কথা। ভুলে না যাই নিতে।

    হ্যাঁ স্যার। মনে করিয়ে দেব।

    প্ল্যানটা যে বদলালেন তার কারণ ছিল। গ্যারাজ থেকে এই ব্রিফকেস রাতের বেলা উদ্ধার করাটা অনেক বেশি বিপজ্জনক হত। সরকারি আবাসনের ফ্ল্যাট—সিকিউরিটির লোক আছে, নাইট ওয়াচম্যান আছে, অন্য ফ্ল্যাটের চাকরবাকর ড্রাইভাররা তো আছেই, তার ওপরে আছে সহকর্মীরা। এই ভালো হল।

    ফ্ল্যাটে পৌঁছোতেই ছোটু বলল, মেমসাহেব রিনিদিদির সঙ্গে ছবি দেখতে গেছেন।

    রিনিদিদিমণি মানে তাঁর ছোটোশালি। একসময়ে একটু ছুক-ছুকও করেছিলেন। এখন একটা হামবাগ-এর সঙ্গে বিয়ে হয়ে যাওয়ায় সম্পর্কর মাধুর্য একটু নষ্ট হয়েছে।

    কী ছবি?

    তা তো জানি না স্যার। কী বলছিলেন, শুভ মহরত না কী যেন!

    অ।

    চা খাবেন?

    না। আমার মাথাটা একটু ধরেছে। ঘর অন্ধকার করে আমি শুয়ে থাকব কিছুক্ষণ। বিরক্ত কোরো না আমাকে।

    জি সাব।

    বলে ছোটু ব্রিফকেস দুটো ঘরে পৌঁছে দিয়ে গেল। বলল, একঠো গ্যয়া থা, দোঠো হো গ্যয়া।

    হ্যাঁ। অন্য লোকে ভুল করে গাড়িতে রেখে নেমে গেছে। কাল অফিস যাওয়ার সময়ে মনে করে দিয়ে দিবি। মাধোকে জিজ্ঞেস করে আয়, কী রান্না করেছে।

    চিলি চিকেন, ফ্রায়েড রাইস আর নুডল স্যুপ। মেমসাব এই অর্ডার দিয়ে গেছেন। রিনিদিদিও খেয়ে যাবেন। আজ থাকতেও পারেন। জামাইবাবু মুম্বাই গেছেন তো।

    থাম তো তুই। এত ফিরিস্তি দিয়ে আমার দরকার নেই। আমি দরজা বন্ধ করে শোব। আটটার সময়ে তুলে দিবি এককাপ কফি দিয়ে। আমি লক করে শুচ্ছি। ফোন এলে বলবি আটটার পরে করতে, যে-ই করুক।

    ঘরের দরজাটা বন্ধ করার আগে ছোটু পায়জামা পাঞ্জাবি দিয়ে গেল, স্যুট তুলে রাখল। এখন শীতকাল। স্নান করবেন না, তবে হাত-মুখ ধোবেন। ছোটু চলে গেলে, বাথরুমে গেলেন সরকারসাহেব। তার আগে গানেরিওয়ালের ব্রিফকেস থেকে পাঁচ-শোর বাণ্ডিলগুলোসেফ-এ তুলে রাখলেন। এই সেফ-এর ডুপ্লিকেট চাবি তমার কাছেও নেই। এ তাঁরই একার সাম্রাজ্য।

    বাথরুমে ঢুকে মস্ত চওড়া আয়নাটার সামনে দাঁড়িয়ে মুখে-চোখে জল দিলেন। তার পর মুখ মোছার জন্যে হ্যাণ্ড-টাওয়েলটা হাত বাড়িয়ে নিয়ে আয়নার দিকে ফিরে তাকাতেই হঠাৎ চমকে উঠলেন। এ কে দাঁড়িয়ে আছে আয়নার সামনে? এ তো তিনি নন। এ যে সেই লাল লেডিজ শাল-পরা, রোগাসোগা চশমা-পরা তীক্ষ্ণনাসা মানুষটা, যাঁর ছবি দেখেছেন আজ সকালে। তফাতের মধ্যে, সে-মানুষটার মুখে একটা অসহায়তা ছিল, মানুষটা ঘুস খেয়েছিলেন অভাবের তাড়নায়, আর সরকারসাহেব ঘুস খান অভ্যেসে। কিন্তু মুখটা অবিকল সেই মানুষটির মুখ। স্তম্ভিত হয়ে চেয়ে রইলেন আয়নার দিকে সরকারসাহেব। বিশ্বাস করতে পারছিলেন না নিজের চোখ দুটিকেই। আশ্চর্য। আয়নাতে এ কার ছবি?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রত্যানীত – বুদ্ধদেব গুহ
    Next Article পাখসাট – বুদ্ধদেব গুহ

    Related Articles

    বুদ্ধদেব গুহ

    বাবলি – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্ৰ ১ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ২ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৩ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৪ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    অবেলায় – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }