Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পুষ্পমঞ্জরি – বুদ্ধদেব গুহ

    বুদ্ধদেব গুহ এক পাতা গল্প780 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ছৌ

    শ্যামবাজার কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন থেকে গতশনিবার শিশির মঞ্চে আমরা রবীন্দ্রনাথের ‘পণরক্ষা’ ছোটোগল্পটি নাট্যরূপ দিয়ে মঞ্চস্থ করলাম। সকলে বললেন, ভালো। খুবই ভালো। দু-একটা বড়ো কাগজেও প্রশংসা বেরোল। বাংলা ছাপার অক্ষরে জীবনে এই প্রথমবার আমার নাম ছাপা হতে দেখে, বাসিমুখে সেই কাগজ হাতে নিয়ে শরীরে বড়ো রোমাঞ্চ বোধ করলাম।

    নাটক মঞ্চস্থ হওয়ার পর থেকেই মাথাটা বড়োই হালকা লাগতে লাগল। মনোসংযোগ, উত্তেজনা, টেনশানের নিরসন হল। পরীক্ষা শেষ হলে যেমন হয়। নাটককে মঞ্চে উপস্থিত করাটা সর্বশেষ পর্ব। তার আগে দীর্ঘ একমাস ধরে উইকডেইজ-এ রাতে এবং রবিবার দুপুর থেকে রাত অবধি আমাদের মহড়া চলত। এই মহড়ার মধ্যে রোজই ছোটো-বড়ো নাটক ঘটতে থাকত। সেই টুকরো-টাকরা নাটকগুলি আমাকে অভিভূত করে রাখত। বিভিন্ন অভিনেতা-অভিনেত্রীর কথা বলার ঢং, তাঁদের নিয়মানুবর্তিতাজ্ঞান এবং জ্ঞানহীনতা, তাঁদের রসবোধ বা রসবোধের অভাব এসবের মধ্যে দিয়ে তাঁদের প্রত্যেকের সামগ্রিক চরিত্র উপস্থাপিত হত।

    আমি অভিনয়-টভিনয় জীবনে করিনি। তবে এই নাটকের একটি চরিত্রে কয়েকটি গান ছিল। সাদামাটা গান। চরিত্রটিকে অভিনবত্ব দেওয়ার জন্যে এবং সাধারণ দর্শকদের ভালো লাগানোর জন্যে নাট্যরূপদাতা গান ক-টি সংযোজিত করেছিলেন। সুরও তিনিই দিয়েছিলেন।

    ইদানীং শ্যাম্পু করার দিন ছাড়া গান গাই না আমি। আমার গান বাইরের লোককে শোনাবার মতোও নয়। তবে গান আমি ভালোবাসি। ছেলেবেলায় আমাদের বাড়িতে সামুকাকা গান শেখাতে আসতেন আমাকে। পশ্চিমের ঘরে সন্ধের পর আমরা বসতাম। চাঁদের আলোয় ভরা বারান্দায় জাফরির নকশা-কাটা ছায়া পড়ত। দিলরুবা বাজিয়ে সামুকাকা শেখাতেন, আমি তানপুরা বাজিয়ে গাইতাম।

    অভিনয়ের মহড়ায় অনেক মানুষের সঙ্গে আলাপ হল। রোজ দেখা হতে হতে ঘনিষ্ঠতা জন্মাল। কাউকে ‘দাদা’, কাউকে ‘বউদি’, কাউকে নাম ধরেই ডাকতে লাগলাম।

    আমি মূলত অসামাজিক। নিজের ঘরে আমার বইপত্রর মধ্যেই একা একা সময় কাটাতে ভালোবাসি, বা গান শুনতে, যখনই জীবিকার নিরুপায় প্রহর-গোনা শেষ হয় আমার। কিন্তু সমাজের মধ্যে আমাকে কেউ হাত ধরে এনে ফেললে সত্যি সত্যিই আনন্দিত হই। মানুষকে, সব মানুষকেই আমি আন্তরিকভাবে ভালোবাসি। কতখানি যে ভালোবাসি, তা ঘরের বাইরে এলেই বুঝি। ভালোবাসার একটা সহজ ক্ষমতা আছে আমার মধ্যে। প্রত্যেককে ভালোবাসার। এবং সকলেই যে আমাকে অনুরূপ ভালোবাসে এমন একটা বিশ্বাসে অকপটে ও গভীরভাবে বিশ্বাস করার ক্ষমতাও আমার আছে। ভালো না বেসে বা ভালোবাসা না পেয়ে আমি থাকতে পারি না, বাঁচতে পারি না। একথা প্রতিবারই সমাজে এসে আবিষ্কার করে নিজেই চমৎকৃত হই।

    অভিনয় শেষ হওয়ার পরই এখন আরম্ভ হয়েছে নিমন্ত্রণের পালা। দলের মধ্যে আমি শুধু বয়ঃকনিষ্ঠই নই, সব দিক দিয়ে নিকৃষ্ট। সকলেই হোমরা-চোমরা লোক। কেউ বা ডাকসাইটে উকিল, দু-একজন বড়ো ব্যাবসাদার। তাঁদের পরিপ্রেক্ষিতে আমা-হেন সামান্যজনের কোনো ভূমিকাই নেই। কিন্তু বড়োলোক না হতে পারি, বড়ো না হতে পারি, সকলকে আপন মনে করে বুকের কাছে অনুভব করতে তো পারি।

    তাই কয়েকবাড়ি নেমন্তন্ন খাওয়ার পর রাণুকে আমি ধরে পড়লাম যে, একদিন আমিও এঁদের খাওয়াব। রাণু বলল, তোমার মাথা খারাপ হয়ে গেছে। অত বড়ো বড়ো লোককে তুমি কী খাওয়াবে? তা ছাড়া সবসুদ্ধু তো প্রায় তিরিশজন হবেন ওঁরা।

    আমি বললাম, ভালোবেসে নুন-ভাত দিলেও লোকে ভালোবেসে খাবে। খাওয়াটাই কী বড়ো? আন্তরকিতার কি কোনোই দাম নেই?

    এবছরের গরমের ছুটিতে পুরীতে যাওয়ার কথা বলেছিল রাণু। পুরী হোটেলে চিঠিও লিখেছিলাম।

    রাণু বলল, এই খাওয়া-দাওয়া করতে গেলে কিন্তু পুরী যাওয়া হবে না।

    আমি বললাম, লক্ষ্মীটি। পরের বছর তোমাকে নিশ্চয়ই নিয়ে যাব।

    রাণুর দাদা উকিল, তাঁর এক মাছের ব্যবসায়ী মক্কেল আছেন। তাঁকে ধরে কই আর ইলিশমাছ জোগাড় করলাম একটু সস্তায়। একটু ভালো চাল। বিশেষ বন্দোবস্ত করে রাবড়ি। আমাদের সাদামাটা অবস্থানুযায়ী মেনুটা পছন্দই হল। মুরগির বন্দোবস্তও হল। কিন্তু রাণুর মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল এই চিন্তায় যে, আমাদের পাখির বাসায় এতসব গণ্যমান্য মানুষদের কোথায় বসাবে, কী করে যত্ন করবে? আমি আবারও বললাম, খেতেই তো মানুষ মানুষের বাড়ি আসে না। আসল কথা হচ্ছে হৃদয়ের উত্তাপ।

    আমাদের নাটকের দলের একজন ছিলেন মাধবদা। তিনি বড়ো ব্যাবসাদার। স্মিতহাস্য, শিক্ষিত, বুদ্ধিমান এবং রসিক ভদ্রলোক। প্রথম দর্শনেই প্রেমে পড়ে গেছিলাম আমি। তাঁর সঙ্গে কারোরই কোনো ব্যাপারে মতানৈক্য ছিল না। আমার অসামাজিকতাজনিত অমার্জিত ব্যবহার ও চাপল্য উনি নিজগুণে মার্জনা করে আমাকে এক বিশেষ স্নেহের চোখে দেখতেন। মাধবদাকে বলেছিলাম, সবচেয়ে আগে। বউদির শরীর ভালো নয়। কোথাও যান না তিনি। তবু আমার বাড়িতে তিনি যখন আসতে রাজি হলেন তখন আনন্দের সীমা রইল না।

    মেঝেতে শতরঞ্চি পেতে পাড়াপ্রতিবেশীর কাছে চেয়ার ও মোড়া ধার করে রজনিগন্ধার ডাঁটি এনে ধূপ জ্বালিয়ে যখন রাণু আমাদের একটুকু বাসাকে অতিথিদের জন্যে সাজাল, তখন আমার দারুণ আনন্দ হচ্ছিল।

    বেচারির সারাদিন খুব পরিশ্রম গেছে। ও কোনো কিছুই খারাপ করে করতে পারে না। বড়ো খুঁতখুঁতে ও। এই ওর মস্ত দোষ। এবং মস্ত গুণও।

    অভিনয়ের দল ছাড়া একমাত্র একজনকে বলেছিলাম। তিনি আমার অফিসের বস। বিবেকদা। অবিবাহিত। প্রগাঢ় পন্ডিত লোক। উনি বলতেন, পড়াশুনো যাতে বিঘ্নিত না হয় সেই কারণেই সরকারি চাকরির হালকা কাজ, অনিয়মানুবর্তিততা এবং দায়িত্বজ্ঞানহীনতা উনি নিজেই বেছে নিয়েছিলেন। ওঁর সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিল নিজের দাদার মতো।

    একে একে সকলেই এলেন। আমার মতো সাধারণ লোকের বাড়িতে এতসব মান্যগণ্য সুদর্শন সুবেশ-সুবেশা নর-নারীর ভিড় এবং মোটরগাড়ির লাইন দেখে প্রতিবেশীরা জানলা দিয়ে উঁকিঝুঁকি মারতে লাগলেন। একজনকে বলেই ফেললাম আমি যে, উত্তরপ্রদেশের লটারি জিতেছি, মাত্র তেরো লাখ টাকা।

    ওঁরা আসাতে আমার আনন্দের যে পরিমাপ তা টাকায় প্রকাশ করা গেলে তার দাম তেরো লাখেরও বেশি হত। রাণু আমপোড়া শরবত বানিয়েছিল লেবু পাতা দিয়ে। সকলে তা খেয়ে আহা! আহা! করতে লাগলেন। রাণু আমাকে আড়ালে পেয়ে বলল, বেশি বেশি! ওঁরা বিলিতি হুইস্কি-টুইস্কি খান তা আমাদের খাওয়াবার সামর্থ্য নেই বলেই ওঁরা এত বেশি খুশি হয়েছেন বলে দেখাচ্ছেন। আমি বললাম, ওরকম ভেবো না। ওঁরা সকলেই যে বড়ো ভালো লোক। তা ছাড়া আমাকে যে সকলেই ভীষণ ভালোবাসেন।

    আড্ডা যখন বেশ জমে উঠেছে, রাণু আমার পড়ার ঘরের মেঝেতে ও আমাদের শোয়ার ঘরের মেঝেতে আসন করতে ব্যস্ত। রাম হ্যাজাকটাকে ঠিকঠাক করছে হঠাৎ বাতি চলে যাবে বলে। এমন সময় হরেনদা শ্যামাবউদিকে ধরলেন গান গাইবার জন্যে। সকলে ‘হ্যাঁ হ্যাঁ’ করে উঠলেন। শ্যামাবউদি গান ধরলেন। মাধবদা শ্যামা বউদির একটু সামনে মেঝেতে বসে শ্যামলদার স্ত্রীর সঙ্গে গুজগুজ ফুসফুস করে নীরবে কীসব রসিকতা করছিলেন।

    শ্যামাবউদির পর শ্যামলদা গান গাইলেন। সেইসময়ও মাধবদা সমানে কথা বলে চললেন। তার পর রমাবউদি গাইলেন। তখনও মাধবদা….।

    প্রত্যেক মানুষের কতগুলো হাস্যকর দুর্বলতা থাকে। কোনো মানুষের থুতনিতে হাত দিলে সে মারতে আসে। কাউকে ‘ইউ আর টকিং ননসেন্স’ বললে সে ইংরেজি জ্ঞানের অপ্রতুলতাহেতু প্রচন্ড অপমানিত বোধ করে। আমারও সেইরকম একটা দুর্বলতা ছিল। গানের মধ্যে কেউ কথা বললে আমার সমস্ত শরীর চিড়বিড় করে ওঠে। ছোটোবেলা থেকেই।

    হঠাৎ, কখন বললাম, কী বললাম— আমি নিজেই জানি না, হয়তো খুশির আধিক্যে আমি সাহসী হয়ে গেছিলাম, হয়তো বেহিসেবি কিন্তু আমারই বাড়িতে নিমন্ত্রণ করে আনা এবং আমার বাড়িতে এসে আমাকে কৃতার্থ-করা মাননীয় অতিথি মাধবদাকে আমি হঠাৎ বলে বসলাম যে, আপনি মানুষ খুন করতে পারেন। যিনি গানের মধ্যে কথা বলেন, যিনি গান ভালোবাসেন না, যিনি গায়ককে অপমান করেন, তিনি খুনও করতে পারেন।

    একথা ক-টি বলার সঙ্গে সঙ্গে লোডশেডিং হওয়ার অনেক আগেই আমার ছোট্ট বাড়িতে লোডশেডিং নেমে এল। সমস্ত ঘর নিস্তব্ধ। মাধবদা মুখ নামিয়ে নিলেন। অনেকক্ষণ কেউ কোনো কথা বললেন না। রাণু ওঘর থেকে দৌড়ে এসে আমার দিকে একবার তাকাল।

    ওর মুখ দেখে মনে হল ও এক্ষুনি কেঁদে ফেলবে।

    ওই দুর্ঘটনার পর আড্ডার ভোল্টেজ একেবারে কমে গেল। এক সময় রাণু খেতে ডাকল সবাইকে। কে যেন বললেন, কইমাছটা ভালো। কেউ বললেন, রাণু তোমার রান্না চমৎকার। কেউ বললেন, কোথা থেকে এত ভালো রাবড়ি পেলে? আমি কারো মুখের দিকেই তাকাতে পাচ্ছিলাম না। রাণুর দিকে চেয়ে আমার কান্না পাচ্ছিল। আমার ইচ্ছে করছিল বাথরুমে গিয়ে আমি ফিনাইল খেয়ে মরে যাই। মাধবদার মনে আমি দুঃখ দিলাম, আমারই বাড়িতে তাঁকে ডেকে এনে? ছি:? ছি:? অভদ্র আমি!

    খেয়ে-দেয়ে পান মুখে দিয়ে এক এক করে ওঁরা চলে গেলেন। অনেক ভালো ভালো কথা বললেন পান খেতে খেতে রাণুকে। আমি চোরের মতো একপাশে দাঁড়িয়ে রইলাম।

    শেষ অতিথি যখন চলে গেলেন, এক বিবেকদা ছাড়া তখন রাণু দরজাটা বন্ধ করে আমার দিকে ফিরে দাঁড়িয়েই বলল, তুমি একটি জন্তু।

    আমি মুখ নীচু করে দাঁড়িয়েছিলাম। আমার মন বলছিল, আমি তাই-ই। কিন্তু আমি এই ইট-কাঠ সিমেন্টের জঙ্গলে থাকতে চাই না। আমি আসল জঙ্গলেই থাকতে চাই। কিন্তু পেটের জন্যে, রুজির জন্যে, বিয়ে করে এ জীবনের মতো ফেঁসে গিয়ে এক জঙ্গলের জন্তুকে অন্য জঙ্গলে দমবন্ধ হয়ে মরতে হচ্ছে।

    বিবেকদা রাণুকে বললেন, রাণু এবার আমাদের খেতে দাও। আমরা তিনজনে একসঙ্গে বসব।

    রাণু বলল, আমার খাওয়ার ইচ্ছে নেই। আপনাদের জায়গা করে দিচ্ছি।

    বিবেকদা আমার সামনে এসে বসলেন। বললেন, তুই একটা ইডিয়ট।

    আমি মাথা নামিয়ে দোষ স্বীকার করলাম। বিবেকদা বললেন, অতিথি, এমন করে বলা অত্যন্ত অন্যায়।

    আমি বললাম, মাধবদা যে কিছু মনে করবেন আমি বুঝতে পারিনি। আমি ওঁকে আপন ভেবেই বলেছিলাম। নইলে তো চুপ করেই থাকতাম।

    চুপ করে তুই থাকতে পারতিস না। কারণ তুই সমাজের খেলা শিখিসনি, হয়তো শিখবিও না কখনো।

    আমি ব্যথিত হয়ে বললাম, আমার অন্তরের, হৃদয়ের উত্তাপটা ওঁরা দেখলেন না, আমার মুখের একটা ফসকানো কথাই বড়ো হল? কিন্তু খেলাটা কী? বিবেকদা বললেন, খেলাটা খেলা। দাবার মতো, পাশার মতো। এখানে সকলকেই খিলাড়ি হতে হয়। ওঁরা গেলে, দরজা বন্ধ করে তুই যদি রাণুর সঙ্গে খেতে বসে মাধবদাকে নিয়ে আলোচনা করতিস, তাহলে তুই যথার্থ ‘সামাজিক ভদ্রলোক’ হতিস।

    আমি উত্তেজিত হয়ে বললাম, আমি তো কিছু খারাপ ভেবে বলিনি। আমি যাঁকে ভালোবাসি, শ্রদ্ধা করি, তাঁকে সরলভাবে একটা কথা বলা কি অন্যায়?

    অন্যায়! ঘোরতর অন্যায়! আজকের সন্ধের সামাজিক নাটকে তোমার ভূমিকা ছিল হোস্টের ভূমিকা। এই খেলার নিয়মে বলে যে, অতিথি বাড়ি ছেড়ে চলে গেলে তুমি অতিথির আদ্যশ্রাদ্ধ নির্বিঘ্নে এবং পরমানন্দে সম্পন্ন কোরো। কিন্তু অতিথির সামনে এই অসভ্যতার ক্ষমা নেই।

    বললাম, আপন যাকে ভাবি তাকেও একটা কথা বলা এত বড়ো অপরাধ? আড়ালে কিছু বলার কথা আমি ভাবতে পারি না। উনি কি আমার আপনজন নন?

    আপন কাকে ভাবিস?

    মাধবদাকে। আমি তাঁকে ভালাবাসি, সত্যি সত্যি শ্রদ্ধা করি। আমাকেও তিনি ভালোবাসেন।

    তুই একটা ক্লাস ওয়ান, গ্রেড ওয়ান ইডিয়ট বলেই মনে করিস সকলেই তোকে ভালোবাসে।

    ভালোবাসে না?

    আমি গুলি-খাওয়া জানোয়ারের মতো কঁকিয়ে উঠলাম যন্ত্রণায়।

    না! বিবেকদা নিষ্ঠুর গলায় বললেন।

    উনি আমার আপন নন? আমাকে উনি কাছের ভাবেন না?

    উনি কেন? কেউই তোর আপন নন। আমিও নই। এমনকী রাণুও নয়।

    তবে? আমার আপন কে?

    তুই। তুই একা। এই সংসারে তুই নিজে ছাড়া তোর আপন আর কেউই নেই। আর একজন অবশ্য আছে। জড় পদার্থ। তোর বাথরুমের আয়না। যে তোর সত্যিকারের মুখটিকে তোর সামনে বিনা অভিমানে, বিনা অভিনয়ে, বিনা স্বার্থে প্রতিবিম্বিত করে।

    স্তম্ভিত হয়ে আমি বললাম, আর তোমার?

    আমারও নেই।

    অন্যদের?

    ওদেরও নেই।

    একটু চুপ করে থেকে বিবেকদা বললেন, শিশির মঞ্চে উঠে পরচুলা পরে অভিনয় করতে গেলি কেন? সমস্ত জীবনটাই তো এক মস্ত মঞ্চ। যেখানে শহর, যেখানে শিক্ষা নামক বিকৃতি, যেখানে সভ্যতা নামক নোংরামি, সেইখানেই অভিনয়। তোর বাবা যে-তোকে চান, তুই সেই-তুই না হলেই তুই খারাপ। তাই অভিনয় কর যে, তুই তাঁর সেই-তুই। রাণু তার ছোটোবেলার কল্পনা দিয়ে যে-স্বামীকে মনে মনে গড়ে রেখেছিল, তুই সেই-স্বামী না হতে পারলেই আহত করবি ওকে। তাই অভিনয় কর যে তুই সেই স্বামী। ভদ্রলোকেরা সামাজিক নিয়মে কতগুলো তোতাপাখির মতো ব্যাবহারিক সৌজন্য মেনে চলেন। তুই সেইগুলো মেনে না চললেই তাঁদের আহত করবি। নিজেও আহত হবি। বাঁচতে চাস তো জীবনের নাটকে অনুক্ষণ অভিনয় কর। বুঝলি?

    আমি চুপ করে বসে রইলাম। বললাম, কিন্তু আমি যে সকলকে সহজভাবে যে-কথা সহজে মনে আসে তা বলতে ভালোবাসি। বিবেকদা, আমি তো কোনো পরচুলা-পরা, মুখে রং-মাখা অভিনেতা নই। আমি যে আমিই!

    বিবেকদা আমার দিকে অনেকক্ষণ চেয়ে রইলেন।

    তার পর এক অদ্ভুত হাসি হেসে বললেন, তোর জীবনের সবচেয়ে মর্মান্তিক ট্যাজেডি হচ্ছে এই যে, তোর একটাও মুখোশ নেই, তুই, তুই-ই। হোপলেস।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রত্যানীত – বুদ্ধদেব গুহ
    Next Article পাখসাট – বুদ্ধদেব গুহ

    Related Articles

    বুদ্ধদেব গুহ

    বাবলি – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্ৰ ১ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ২ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৩ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৪ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    অবেলায় – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }