Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বি.টি. রোডের ধারে – সমরেশ বসু

    সমরেশ বসু এক পাতা গল্প177 Mins Read0
    ⤶

    ৭. আকাশে লেগেছে বৈশাখী রং

    আকাশে লেগেছে বৈশাখী রং, ঝলসানো তামাটে আভা।

    মামলার ফলের একদিন আগে, ভোরবেলা সবাই উঠে বিকৃত মুখে নাকে কাপড় চাপা দিল। অসহ্য দুর্গন্ধে ভরে উঠেছে চারদিক।

    সবাই বাইরে এসে দেখল, বস্তির চারপাশে যেন সারা শহরের ময়লা ঢেলে দেওয়া হয়েছে। কী ব্যাপার! কে ফেলল এত ময়লা?

    একটু পরেই এল মিউনিসিপ্যালিটির হেলথ অফিসার। সঙ্গে স্যানিটারি ইনস্পেক্টর আর উল্লসিত বিরিজমোহন।

    বিরিজমোহনই প্রথম বলে উঠল, একেবারে জানোয়ারের ডেরা বাবুসাব! তারপর হেসে বলল বাড়িওয়ালাকে, এই যে বাবুসাহেব, জয় গোপালজি। হে অপসর সাব আপনার সঙ্গে হোড়া মোলাকাত করতে এসেছেন।

    বাড়িওয়ালা খানিকটা হতভম্ব হয়ে গেছে ব্যাপার দেখে। কেবল অসহ্য রাগে ও ঘৃণায় গোবিন্দ বাকরুদ্ধ হয়ে গেছে। কোটরাগত চোখ দুটো তার জ্বলে উঠছে ধ্বক ধ্বক করে। সে বুঝতে পারল, একটা সর্বনাশের ষড়যন্ত্র হয়েছে। হয়তো সেই ষড়যন্ত্রের ফাঁদে পড়ে গেছে সবাই। আর মাত্র কয়েকদিন বাকি মামলার রায় বেরুবার। হয়তো মিউনিসিপ্যালিটির চেয়ারম্যান স্বয়ং যাবে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে হেলথ অফিসারের রিপোর্ট নিয়ে।

    হ্যাটকোট পরা হেলথ অফিসার ঘৃণায় মুখ কুঁচকে, নাকে রুমাল চেপে, চোখে গগলস পরে চারদিক ঘুরে ঘুরে দেখতে লাগল। পেছনে স্যানিটারি ইনস্পেক্টর।

    গোবিন্দ তীব্র গলায় চেঁচিয়ে উঠল, হুজুর, চোখের ঠুলিটা খুলে ফেলে দিন, নইলে রঙ রোঝা যাবে না।

    অফিসার সত্যি গগলসটা খুলে ফেলে ভূ কুঁচকে তাকাল গোবিন্দের দিকে–কী বলছ?

    গোবিন্দের মুখটাই আগুনের মতো জ্বলে উঠল। কাছে এসে চিবিয়ে চিবিয়ে বলল, বলছি, হুজুরের তো সবই জানা আছে। আর দেখে কী হবে?

    হোয়াট? হেলথ অফিসারের মুখটা গোল আর লাল হয়ে উঠল।

    গোবিন্দ আবার বলল, ময়লা মেথর দিয়ে না ফেলিয়ে দুদিন আগে এলেন না কেন হুজুর?

    হেলথ অফিসার যেন গোবিন্দের ভাবটা বুঝতেই পারেনি, এমন ভাবে ফিরে তাকালেন স্যানিটারি ইনক্টেরের দিকে। বললেন, কী বলছে লোকটা?

    ইনস্পেক্টর ভীত মানুষ। বলল, বুঝতে পারি না স্যার।

    হেলথ অফিসার গোবিন্দকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি বাড়িওয়ালা?

    আমি ছুতোর, কিন্তু রাঁধিয়ে। বলে হাসতে গিয়ে হিংস্রভাবে দাঁত বের করে হিসিয়ে উঠল, কিন্তু হুজুর, জমিদারের পয়সা খাওয়া বেজন্মা নই। চোরের মতো মিছে রিপোর্ট লেখা আমার পেশা নয়।

    মানে? হেলথ অফিসার হয়তো রাগেই কাঁপতে থাকে থরথর করে।

    বিরিজমোহন ধমকে উঠল গোবিন্দকে, এও কামবাক্ত!

    চোপ শালা! গোবিন্দের বাঁ হাতের এক থাপ্পড়ে বিরিজমোহন একেবারে ময়লার মধ্যে গড়িয়ে পড়ল।

    অমনি সবাই হেসে উঠে ধেয়ে এল এ-দিকে।

    স্যানিটারি ইনস্পেক্টর সরু গলায় ককিয়ে উঠল, স্যার চলে আসুন, দে আর গুণ্ডাজ।

    তবে গুণ্ডার হাতেই আজ জান রেখে যেতে হবে, তাদের, যে শুয়ারের বাচ্চারা এ ময়লা ফেলিয়েছে। বলে গোবিন্দ হেলথ অফিসারের দিকে এগুতেই কে তাকে শক্ত হাতে ধরে ফেলল। সে তাকিয়ে দেখল, বাড়িওয়ালা।

    হেলথ অফিসার ততক্ষণ স্যানিটারি ইনস্পেক্টরের পিছে পিছে সরে পড়তে আরম্ভ করেছে। আর বিড়বিড় করছে, ইয়েস, গুণ্ডাজ! মাডারার্স! এদিকে বিরিজমোহনকে নিয়ে হল্লা চলেছে। অনেক কষ্টে উঠে বিরিজমোহন খিস্তি করতে করতে একটা উল্লুকের মত চলতে আরম্ভ করল। তার সারা গায়ে ময়লা মাখা। এমনকী মুখে হাতেও। কেবল গোবিন্দ জ্বলন্ত চোখে তাকিয়ে রইল পথের দিকে। বাড়িওয়ালা বলল, আমাকে বুঝিয়ে বল ফোরটুয়েন্টি, এ-সবের মানে কী?

    সবাই ঘিরে এল গোবিন্দকে। কী হয়েছে, কেন এল এরা। কে ফেলল বস্তিটার চারপাশে এত ময়লা।

    গোবিন্দ বলল, বুঝতে পারলে না? মামলার শেষ রক্ষে করতে চাইছে ওরা। মিসিপালটির বাবুরা আরজি করবে ধর্মাবতারের কাছে, এ ময়লা বস্তিটা যাতে তুলে দেওয়া হয়।

    সবাই অবাক হয়ে এ বিচিত্র গল্প শুনল। কে বলল, আগে জানলে আমি সারারাত পাহারা দিতাম। দেখতাম কেমন করে শালা ময়লা ফেলে।

    আগে জানলে! গোবিন্দ মনে মনে বলে, আগে জানলে অনেক কিছুই করা যেত। জমিদার এ মামলা-ই করতে পারত না। কিন্তু সে আর দেরি করতে পারে না। ছুটে চলে গেল উকিলের কাছে।

    উকিলের কাছ থেকে ব্যারিস্টারের বাড়ি। এখন মনে পড়েছে, ব্যারিস্টার বাবু জিজ্ঞেস করেছিলেন বাড়িটার আশেপাশে সব পরিষ্কার আছে কিনা।

    গোবিন্দ এল ব্যারিস্টার বাড়ি। অন্ধ ব্যারিস্টারবাবু। গেঞ্জি গায়ে দিয়ে বসে বসে লাল ফুটকি দেওয়া কাগজ হাতড়াচ্ছেন। সদাশিব মানুষ। গরিবের বন্ধু। কথার ফাঁকে ঝাঁকে টেবিলে টোকা দেন। আবার লাল ফুটকি কাগজ হাতড়ান। গোবিন্দ জানে না, ওটায় কী পাওয়া যায়। পাশে বসে থাকা কর্মচারীকে বলেন, সে লিখে নেয় সব কথা। আবার থেকে থেকে হঠাৎ গুনগুন করে ওঠেন।

    গোবিন্দ এসে নমস্কার জানাতেই বললেন, কে, গোবিন্দ কী খবর?

    গোবিন্দ সব কথা বলল। শুনে তিনি নীরব রইলেন অনেকক্ষণ। তারপর বললেন, গোবিন্দ, শয়তানের সঙ্গে শয়তানীতে পাল্লা দেওয়া যায় না। ওদের অন্যভাবে কাবু করতে হয়। বু মানুষ শয়তানের কাছে হার মানে মাঝে মাঝে। তোমাদের হয়তো হার মানতে হবে। গোবিন্দ নিস্তব্ধ। তার বুকের মধ্যে এক অদৃশ্য শাণিত নখ খোঁচাতে লাগল।

    তিনি আবার বললেন হঠাৎ, আচ্ছা গোবিন্দ, বস্তি যায় যাক, ওখানে তো সত্যি মানুষ থাকতে পারেন। বলে অন্ধকার চোখ দুটো তুলে তাকালেন যেন ঠিক গোবিন্দের দিকেই। গোবিন্দ বলল, কে থাকতে চায়। কিন্তু কোথায় থাকবে বাবু? এখান থেকে গেলে বিরিজমোহনের বস্তিতে যাবে। সে যে আরও নোংরা।

    কেন, গরিবের মতো ভাল বাড়িতে?

    সে কোথায় বাবু? সবই যে বস্তি। ভাল বাড়ির পয়সা কোথায়?

    কেন, কোম্পানির কোয়াটারে?

    লাইনে? সেও যে নরক বাবু। আর কটা লোক সেখানে থাকতে পারে? শতকরা পাঁচজন। আর এ বাড়ি যদি উঠিয়ে দেওয়া হয়, মানুষগুলো যাবে কোথায়?

    তাঁর অন্ধ চোখের পাতা কেঁপে উঠল। বললেন, সব জায়গায় আঁটঘাট বাঁধা, না?

    আপনি তো সবই জানেন।

    নিশ্বাস ফেলে বললেন, সব কি জানি গোবিন্দ। তোমার কাছ থেকে জানলুম। তোমার কথাগুলিই শেষদিন বলব হাকিমকে। এ ছাড়া তো কোনও যুক্তি নেই।

    গোবিন্দের কথা হাকিমকে! ছিঃ তা কি হয়। গোবিন্দের বুকটা ভেঙে দুমড়ে যেতে লাগল নিঃশব্দে।

    দুপুরবেলা। নির্বাক নিস্বন্ধ বস্তি। যেন নেশা করে পড়ে আছে। হাওয়া নেই, বদ্ধ প্রমোট। বসন্ত গিয়ে গ্রীষ্ম আসছে। আসছে বৈশাখ। সবাই উন্মুখ হয়ে বসে আছে খবরের প্রত্যাশায়।

    দুপুরের পর কোর্ট থেকে সবাই ফিরে এল খবর নিয়ে। জজ বলেছে-আইনত যদিও জমিটা প্রজারই ঠিকা স্বত্ব, তবু মিউনিসিপ্যালিটির রিপোর্ট অনুযায়ী এরকম একটা নোংরা আস্তানাবিশেষকে রাখা স্বাস্থ্য ও সমাজের পক্ষে ক্ষতিকারক। যত শীঘ্র এর অপসারণ হয়, ততই মঙ্গল। মাত্র এক মাসের নোটিশ দিয়ে জানিয়েছেন, যেন এ বস্তিটি অপসারিত করা হয়। অন্যথায় উক্ত সময়ের পর সাত দিনের মধ্যে দখলকারী প্রজাকে উচ্ছেদ করা যাবে।

    গোবিন্দের সমস্ত প্রচেষ্টা ভেসে গেছে। তার দু-হাত ধরে আক্ষেপ জানিয়ে গেছেন ব্যারিস্টার। বললেন, গোবিন্দ ওদের আইন যে বেআইনি হতে পারে এটা ওরা জানতে দিতে চায় না। এ আইন একদিন বদলাবে। উকিল আপসোস করেছে।

    উঠোনে সবাই হাঁ করে বসে আছে। গোল হয়ে গেছে সকলের চোখগুলো বিস্ময়ে, দুশ্চিন্তার। একটা খাটিয়ার উপর খালি গায়ে শূন্য দৃষ্টিতে বসে আছে বাড়িওয়ালা। তার চোখের সামনে যেন সব অন্ধকার হয়ে গেছে। তার চিরজীবনের ব্যর্থতা যেন তার সামনে এসে খলখল করে হাসছে। বুড়ো আঙুল দেখিয়ে।

    গলির মুখটায় এসে দাঁড়াল গোবিন্দ। হাড্ডিসার ক্ষীণজীবী চেহারা, উসকো খুসকো চুল, চোয়াল দুটো ছুঁচলো হয়ে বেরিয়ে পড়েছে। গায়ের জামাটা এখানে সেখানে ছেড়া। সর্বাঙ্গ ধুলিমলিন।

    সবাই তার দিকে ফিরে তাকাল, কিন্তু কথা বলল না।

    বাড়িওয়ালা মুখ ফিরিয়ে রইল তার দিক থেকে।

    এমন সময় বাড়ির বাইরে গণ্ডগোল শুনে সবাই বেরিয়ে এল।

    জমিদার এসেছে, এসেছে শাবল কুড়ল হাতে এক দঙ্গল মানুষ। তারা একদিনও সবুর করতে পারবে না। আর এসেছে বিরিজমোহন।

    নাজির ঘোষণা করল গম্ভীর গলায় : মামলার রায় হতেই এ জমির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, জমি খালি করে দাও।

    জমি খালি করে দাও? এ বস্তিটা সুদ্ধ?…হঠাৎ একটা চিল্কার আর হট্টগোল লেগে গেল।

    হট্টগোল আর কান্না। ঘর খালি করো…খালি করা…

    আকাশের গুমোট কেটে হাওয়া দিতে শুরু করেছে, অকাল বৈশাখী মেঘ হু-হু করে মাথা উঁচিয়ে ধেয়ে আসছে উত্তর পুব কোণ থেকে। গুমগুম শব্দে ভেসে আসছে রুদ্রের পদধ্বনি।

    সারা বস্তিময় কোলাহল, কান্না, ছুটোছুটি জিনিসপত্রের দুমদাম আওয়াজ। …কোথা যাব…কোথা যাব!…

    হঠাৎ দেখা গেল শাবল কুড়ল হাতে দলটা বস্তির একদিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে ভাঙতে আরম্ভ করেছে। মাটি আর ছিটে বেড়া, বাঁশ আর কঞ্চিপুরনোখোলা চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে ছড়িয়ে পড়ছে, ধুলো উড়ছে।

    গোবিন্দ নিথর। যেন আচমকা আক্রমণ বুদ্ধিবিভ্রম হয়ে বিহ্বল হয়ে পড়েছে। তার পাশে দাঁড়িয়ে বাড়িওয়ালা পড় পড় করে টেনে ছিড়ছে বুকের চুল।

    ছুটির ভোঁ বেজে উঠলো গোঁ-গোঁ করে। কালবৈশাখীর আভা উঠে আসছে মাঝ আকাশে। ঝলসে উঠছে বিদ্যুৎ।

    মেয়ে আর শিশুর গলার আর্তনাদ ভেসে এল।

    আচমকা সম্বিত ফিরে পেয়ে যেন গোবিন্দ তীব্র গলায় চিৎকার করে উঠল, না—না মিথ্যে কথা। এখনও সময় আছে। ভাঙতে পারবে না।

    বলে সে ছুটে গিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ল শাবল কুড়লওয়ালাদের উপর। রোখ..থাম।…

    জমিদার হুকুম করল, চালাও!

    কিন্তু থেমে গেল ভাঙা। লোকগুলো অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল গোবিন্দের দিকে। গোবিন্দ বলল, এখনও সময় হয়নি। এখনও উপর কোর্টে মামলা যাবে। কোনও পরচা না দেখিয়ে তোমরা ভাঙতে পারবে না। এতগুলি লোক কোথায় যাবে।

    জাহান্নামে। বলে বিরিজমোহন চেঁচিয়ে উঠল। হটাও বদমাইসটাকে।

    একটা ঠেলাঠেলি লাগল। একটা চাপা গুলতানি। তারপর হঠাৎ খানিকটা খোলার চালা ভেঙে পড়ল আর চিক্কার উঠল।

    বাড়িওয়ালা ছুটে এল, ছুটে এল বস্তির সবাই। একমুহূর্তে যেন নাটকের মঞ্চে বিরতি নেমে এসেছে।

    কে একজন চিৎকার করে উঠল, খুন!—

    হা হা রবে মেঘ ছুটে আসছে, কালবৈশাখীর অট্টহাসি ভেসে আসছে আকাশ থেকে। অন্ধকার ঘনিয়ে আসছে।

    বাড়িওয়ালা চিৎকার করে ডাকল, ফোরটুয়েন্টি!

    নির্বাক গোবিন্দ, সারা গা মাথা রক্তারক্তি। আধবোজা চোখে যেন সামনের দিকে তাকিয়ে আছে। রোগা শরীর, উসকো-খুসকো চুল। অনেকগুলো গলা সমস্বরে চিৎকার করে ইঠলো, খুন করেছে।–

    জমিদারের দলটা পালাচ্ছে সকলের এ বিহুলতার ফাঁকে। শাবল কুড়লের দলটাও চেঁচাচ্ছে, খুন! কে খুন করল। কে? কে?

    বিরিজমোহন চিৎকার করে বলল, ভূত। ভূতে মেরেছে ওকে।

    তারা সব মেঘাচ্ছন্ন গাঢ় অন্ধকারে পালাল।

    বাড়িওয়ালা গোবিন্দকে তুলে নিয়ে এল বস্তির উঠোনে।

    বস্তির পূর্ব দিকটা প্রায় সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত। সেই মুক্তপথে হু-হু করে হাওয়া আসছে। গোবিন্দ তখনও মরেনি। বোধ করি শেষবারের জন্য সে ও-দিকে ফিরে তাকাল। ওই উত্তর দক্ষিণে বিলম্বিত নিউ কর্ড রোড, পুর্বে ঝোপে ঝাড়ে ছাওয়া বাঁকা রাস্তা চলে গেছে রেললাইন পেরিয়ে, বহু দূরে বারাসাত…বসিরহাট..ইটিভেঘাট…ইচ্ছামতী! ছুতোর বউ, ছেলে…

    বায়ুকোণ থেকে গোঁ গোঁ করে হাওয়াছুটে এল। গোবিন্দের মাথার চুলগুলি এলোমেলো হয়ে গেল। পূর্ব দিকটা বিধ্বস্ত হয়ে যেন বস্তিটা মাঠের সঙ্গে একাত্ম হয়ে গেছে যেন আকাশ এসে ছুঁয়েছে উঠোনটা। দুলারী এসে দাঁড়িয়েছে সামনে। গোবিন্দের দোস্তানি। কিন্তু গোবিন্দের চোখের দৃষ্টি তখন স্থির হয়ে গেছে। সে আধখোলা চোখের দৃষ্টি যেন শান্ত, কিন্তু ক্ষুব্ধ।

    কে একজন বলে উঠল, দ্যাখ, শাবল নয়, পেটের কাছে ছুরি মারার দাগ রয়েছে। লুকিয়ে মেরেছে, নইলে…

    বাড়িওয়ালা বিড়বিড় করছে, জমিদার…দালাল!

    একটা শিশুগলা ফিসফিসিয়ে উঠল, মেরে ফেলেছে ফোটুন্টি চাচাকে! খোলা পুব দিক থেকে ঝড়ের ঝাপটা বয়ে যেতে লাগল। সাপের ‘চেরা জিভের মতো যেন হিসিয়ে উঠছে বিদ্যুৎ। গুমগুম শব্দে ধরিত্রী কাঁপছে।

    সমস্ত এলাকা খালি করে লোক আসছে, ভরে উঠছে উঠোনটা। সবাই দেখতে আসছে ফোরটুয়েন্টিকে।

    একজন চেঁচিয়ে উঠল, আমি জানি ওকে কে মেরেছে। কিন্তু মাঝ পথেই অসহ্য তিক্ত গলাটা যেন চেপে বন্ধ হয়ে গেল।

    বাড়িওয়ালা ছুটে ঘরে চলে গেল। অসহ্য একটা অপরাধ বোধের যন্ত্রণা তাকে কামড়ে ধরেছে, তার জীবনের শেষ সম্বল তিনশো টাকার থলিটা ছুড়ে ফেলে দিল মাটিতে। কার জন্য এ-সব! আমি বেইমান! আমি আসল ফকির বনেছি-ফকির।

    দুলারী সকলের অলক্ষ্যে নিজের ঘরে গিয়ে মাটিতে মুখ দিয়ে হু-হু করে কেঁদে উঠল, আমার কলিজার দুটো পাশ; একটা জেলবন্দি আর একটা আমি আপন হাতে টিপে দিয়েছি, শেষ করেছি। আমার ভাঙা ঘর…।

    সেই রুগ্ন ছেলেটির মধ্যবয়সী মা গোবিন্দের পাশে বসে তার কপাল থেকে চুলগুলো সরিয়ে দিল, মুখের রক্ত মুছিয়ে দিতে দিতে বলল, আমি তোকে যম বলেছি, আমার সোনার বাছা। তোর যম যেন কোনওদিন রেহাই না পায়।

    তারপর সব নিস্তব্ধ। আস্তে আস্তে একটা অদ্ভুত গুলতানি উঠতে লাগল ভিড়ের মধ্যে। উঠোনের বাইরে মাঠে ছড়িয়ে পড়ছে ভিড়। আকাশের কালবৈশাখীর ঝোড়ো হাওয়ার ঝাপটা গুলতানি হু-হু করে তাড়িয়ে নিয়ে চলেছে দিগন্তে।

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগোগোল অমনিবাস – সমরেশ বসু
    Next Article বাঘিনী – সমরেশ বসু

    Related Articles

    সমরেশ বসু

    প্রজাপতি – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    গঙ্গা – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    বিবর – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    অকালবৃষ্টি – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    নয়নপুরের মাটি – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    সমরেশ বসু

    শ্রীমতি কাফে – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }