Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026

    কুবেরের বিষয় আশয় – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প131 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বুকের মধ্যে আগুন – ২

    ॥ দুই ॥

    সব্যসাচীকে পিছনে বসিয়ে অরিন্দম সাইকেল চালাচ্ছে। সব্যসাচী একহাতে জড়িয়ে ধরে আছে তার কোমর। কাঁধে এখনও কাঁচ ঢুকে আছে, অসহ্য যন্ত্রণায় তার শরীরটা ক্রমেই অবশ হয়ে আসছে! অরিন্দম কথা বলে বলে তাকে ভুলিয়ে রাখার চেষ্টা করছিল, সব্যসাচীর শরীরটা এলিয়ে পড়েছে তার পিটের ওপর। আর পারছে না। এই অবস্থায় যদি থাকতে পারে, তাতেও ক্ষতি নেই। পড়ে না যায়।

    অরিন্দম জিজ্ঞেস করলো, কি রে, তোর খুব কষ্ট হচ্ছে?

    সব্যসাচী বললো, উঃ না বেশি না-

    -যেতে পারবি, না কোথাও থামবো?

    -না, থামাতে হবে না। চালা, আরও জোরে চালা।

    -এত সহজে যে আমাদের কাজ হয়ে যাবে, ভাবতেই পারি নি। শুধু যদি তোর কাঁধে না লাগতো।

    -আমার কিছু হয় নি। কিছু হয় নি!

    খানিকটা বাদে পেছনে ফরফর করে কাগজের শব্দ হতে অরিন্দম চমকে ঘাড় ঘুরিয়ে তাকালো। কান্ড দেখে তার দম বন্ধ হয়ে যাবার যোগাড়। সব্যসাচীর গলায় ঝোলানো একটা কাপড়ের ব্যাগ ভর্তি টাকা। এক লাখ দশ হাজার টাকা। সব্যসাচী অচৈতন্য হয়ে আছে, আর হাওয়ায় সেই টাকাগুলো উড়ে যাচ্ছে ফরফর করে। কতক্ষণ থেকে এ রকম শুরু হয়েছে কে জানে।

    অরিন্দম তাড়াতাড়ি সাইকেল থামালো। ঝাঁকুনিতে চোখ মেলে সব্যসাচী জিজ্ঞেস করলো, কি হলো?

    অরিন্দম বললো, সর্বনাশ হয়েছে। টাকাগুলো উড়ে যাচ্ছে!

    – যাঃ, টাকা কি করে উড়ে যাবে। কিছু খরচ করি নি তো!

    -তুই ঘুমিয়ে পড়েছিলি। তোর ব্যাগ থেকে উড়ে পড়ে যাচ্ছে।

    বিকারের ঘোরে সব্যসাচী বললো, যাক! যাচ্ছে যাক।

    কিন্তু যাক বললেই তো ছেড়ে দেওয়া যায় না। হিসেবের টাকা। রতনলাল সবাইকে সাক্ষী রেখে বলে দিয়েছে, পাই, পয়সা পর্যন্ত হিসেব করে দিতে হবে। হাওয়ায় টাকা উড়ে গেছে, এটা কি কোনো হিসেব হতে পারে? এত কষ্টের টাকা। কতক্ষণ থেকে পড়ছে কে জানে।

    তাছাড়া,রাস্তায় টাকা ছড়িয়ে আছে। কাল সকালেই লোকের চোখে পড়ে যাবে। চেঁচামেচি শুরু হবে। পুলিশ আসবে। পুলিশ ওদের পালাবার পথের একটা পরিষ্কার চিহ্ন পেয়ে যাবে।

    অরিন্দম সাইকেল থেকে নেমে পড়লো। সব্যসাচীর হাত ধরে বললো, নেমে একটু বোস। আমি দেখছি।

    সব্যসাচীর গা জ্বরে পুড়ে যাচ্ছে। শরীর থেকে নিশ্চয়ই অনেক রক্ত ঝরেছে সে জন্য তার মতন শক্তিশালী লোকও এত দুর্বল হয়ে পড়েছে। অরিন্দমের হাত ধরে টলতে টলতে এসে সে একটা গাছতলায় শুয়ে পড়লো।

    অরিন্দম তাকে এক ঝুকুনি দিয়ে বললো, একটু চেষ্টা করে জেগে থাক। সঙ্গে এতগুলো টাকা, তাছাড়া সাইকেলটা যদি চুরি যায়- তাহলে আমরা গেছি।

    সব্যসাচী নড়ে চড়ে কোনোক্রমে উঠে বসলো গাছটাতে হেলান দিয়ে। সুস্থ হাতটা দিয়ে রিভরবারটা ধরে রাখলো সামনের দিকে

    অরিন্দম টাকাগুলো খুঁজতে গেল। সব টাকা তো রাস্তার মাঝখানেই পড়ে নি, হাওয়ায় এদিক ওদিক উড়ে গেছে। টর্চ জ্বেলে দেখতে দেখতে কয়েকটা পাওয়া গেল। আরও কয়েকটা চোখের আড়ারে রয়ে যাচ্ছে কি না কে জানে।

    বেশ কিছুটা রাস্তা ধরে ফিরে এসে অরিন্দম অনেকগুলো নোট জড়ো করলো। আরও কত আগে থেকে টাকা পড়তে শুরু করেছে তার ঠিক নেই। রতনলাল টাকাটা অরিন্দমের কাছে দেয় নি, দিয়েছে সব্যসাচীকে। কারণ, সেই রকমের ঠিক করা ছিল আগে থেকে। সব্যসাচী যে এতটা অসুস্থ হয়ে পড়বে, আজ কেউ বুঝতে পারে নি।

    কিন্তু এইভাবে সময় নষ্ট করাও তো খুব বিপজ্জনক। কিছু টাকা যদি কম পড়ে, সবাইকে ব্যাপারটা বুঝিয়ে বললে বিশ্বাস করবে না? কি জানি!

    অরিন্দমের মুখে একটা তেতো স্বাদ এলো, খুবই ক্লান্ত বোধ করতে লাগলো সে। এরকমভাবে রাত্রির অন্ধকারে টাকা খোজাখুজির কোনো মানেই হয় না। একবার তার একথাও মনে হলো, টাকাটা ঠিকঠাক রাখার দায়িত্ব তো তার নয়, সব্যসাচীর। সে কেন এত খেটে মরছে। সঙ্গে সঙ্গে সে চিন্তাটা মন থেকে তাড়িয়ে দিল। সব্যসাচীকে নিরপদে পৌঁছে দেবার দায়িত্ব তার। সেটা সে কি করে অস্বীকার করে।

    দূরে কিছু লোকের গলায় আওয়াজ পেয়ে অসম্ভব ভয় পেয়ে গেল অরিন্দম। টাকার গোছা হাতে নিয়ে প্রাণপণে ছুটতে লাগলো।

    গাছতলায় এসে দেখলো সব্যসাচী আবার ঘুমে ঢলে পড়েছে।

    এই অবস্থায় একটা বাচ্চা ছেলেও এসে ওর কাছ থেকে রিভলবার এবং টাকাগুলো চুরি করে নিয়েযেতে পারতো। অরিন্দম তাকে ধাক্কা দিয়ে বললো, এই, ওঠ।

    সব্যসাচী অতি কষ্টে চোখ মেরে বললো, আমার খুব ঘুম পাচ্ছে। রাত্রিটা এখানেই ঘুমিয়ে থাকি না।

    -লোকজনের গলা শুনতে পাচ্ছি। আর এক মিনিট দেরী করা যাবে না।

    – আমায় তুলে ধর।

    টাকার থলির মুখটা ভালো করে বেধে অরিন্দম প্রথমে সেটা নিজের গলায় ঝোলালো। তারপর কি ভেবে আবার সেটা খুলে পরিয়ে দিল সব্যসাচীর গলায়। তার পর তাকে টেনে তুললো সাইকেলের পেছনে। নিজে সাইকেলের প্যাডেলে পা দিয়ে বললো, আমাকে শক্ত করে ধরে থাকিস।

    সব্যসাচী বললো, তোর চিন্তা নেই। আমি ঠিক পারবো।

    অরিন্দম মরিয়া হয়ে সাইকেল চালাতে লাগলো। শনশন্ করে হাওয়া বইছে, মাঝে মাঝে কয়েকটা কুকুর তাড়া করে আসছে,তবু কোনো দিকে তার ভ্রুক্ষেপ নেই। তার পিঠের ওপর সব্যসাচীকে সম্পূর্ণ দেহের বোঝা।

    প্রায় দু’ঘন্টা সাইকেল চালিয়ে অরিন্দম একটা ছোট মফঃস্বল শহরে এসে পৌছালো। সারা শহরটা ঘুমন্ত। একটা দোতলা বাড়ির পেছনে দিকের বাগানে এসে থামলো অরিন্দম। সাইকেলটাকে দেয়ারে হেলান দিয়ে রেখে সবসচাীকে টানতে টানতে নিয়ে এলো বাগানের গেটের কাছে।

    গেট খোলাই ছিল। বাগান বলতে কয়েকটা গোলাপ ফুলের গাছ, আর এক ঝাড় গাঁড়া আর জবা। বেশ একটা হালকা সুন্দর গন্ধ ছড়িয়ে আছে সেখানে।

    বাগান পেরিযে এসে বাড়িটার পেছনের দরজায় টোকা মারলো অরিন্দম। তিনবার টোকা মারতেই দরজা খুলে গেল। সেখানে দুটি নারী দাঁড়িয়ে, একজন মধ্যবয়স্ক, আর এক জনের বয়স আঠারো উনিশ।

    অরিন্দম সব্যসাচীকে নিয়ে টপ করে ভেতরে ঢুকে দরজায় পিঠ দিয়ে দাড়িয়ে হাঁপাতে লাগলো। এতক্ষণ তার দারুণ পরিশ্রম হয়েছে, এখন সে যেন আর দাঁড়াতে পারছে না। হাঁপাতে হাঁপাতে বললো, মেজদি, জামাইবাবু বাড়িতে নেই তো!

    পৌঢ়া মহিলা বললেন, না ট্যুরে গেছেন। এর কি হয়েছে?

    সব্যসাচী নিজে বললো, আমি শোবো। আমার বিছানা লাগবে না, মাটিতে একটু জায়গা হলেই –

    অরিন্দম বললো, চল ভেতরের ঘরে চল-

    সব্যসাচী তবু জড়িত গলায় বললো, না, আমি ভেতরে যাবো না। আমি কাল সকালেই চলে যাবো। এখন এখানে একটু শুয়ে থাকতে পারি।

    অরিন্দম তাকে জোর করে টেনে বললো, কি হচ্ছে কি? চল ভেতরে শোবার জায়গা আছে। অরিন্দম একা তাকে নিয়ে যেতে পারছেনা, পৌঢ়া মহিলাটিও ধরলেন সব্যসাচীকে। যুবতী মেয়েটি অবাক বিস্ময়ে এদের দু’জকে দেখছে।

    বারান্দা পেরিয়ে সিঁড়ি। সিঁড়ির এক পাশে একটি ছোট ঘর। অরিন্দমের মেজদি বললেন, ওপরে উঠতে পারবে তো?

    অরিন্দম বললো . তার দরকার নেই। এই ঘরটা খালি আছে তো?

    সিড়ির পাশের ঘরটা ছোট। তাতে শুধু একটা খাট ও মাদুর পাতা। ওরা সেই ঘরে ঢুকলো। সব্যসাচী টলতে টলতে গিয়ে হুড়মুড় করে শুয়ে পড়লো। খাটে। আচ্ছন্ন গলায় বললো আমি কালকেই ঠিক হয়ে যাবো!

    সব্যসাচী কাঁধের বিরাট ক্ষতটা দেখে শিউরে উঠে মেজদি বললেন, ইস! এ কি হয়েছে? অরিন্দমও বসে পড়েছে মাটিতে। ক্লান্ত ভাবে বললো, জল, আমাকে এক গ্লাস জল খাওয়াবে?

    মেজদি বললেন, খাবার তৈরি আছে। একটু দাঁড়া শুধু জল খেতে হবে না।

    তেষ্টায় বুক ফেটে যাচ্ছে। খাবার খাবো না শুধু জল দাও।

    এই কুন্তলা, জল নিয়ে আঁয় তো।

    যুবতী মেয়েটি চকিত পায়ে বেরিয়ে গেল ঘর থেকে। একটু পরেই এক থালা সন্দেশ আর বড় ঘটিতে জল নিয়ে ফিরে এলো।

    একটা সন্দেশ মুখে পুরে অরিন্দম ঢক ঢক করে প্রায় সব জলটুকু শেষ করে ফেললো। খানিকটা সুস্থ হয়ে নিশ্বাস ছেড়ে বললো, আ! প্রায় দশ আটকে আসছিল আমার!

    মেজদি সব্যসাচীর দিকে ইঙ্গিত করে বললেন, ও কিছু খাবে না?

    – ওর কিছু খাবার ক্ষমতা নেই।

    -অতখানি কাটলো কি করে? ইস এখনো রক্ত পড়ছে।

    -পরে সব বলছি। খানিকটা গরম জল আর তুলো আনতে পারবে? ওর ঐ জায়গাটা এখনই ড্রেস করে দেওয়া দরকার।

    কুন্তলা নিজে থেকেই বললো, আমি জলগরম করে আনছি।

    সে চলে যাবার পর মেজদি জিজ্ঞেস করলেন। কোনো গণ্ডগোল হয় নি তো?

    অরিন্দম বললো, সব একেবারে ঠিকঠাক হয়েছে। শুধু রফিকুলদার একটা আঙ্গুল জখম হয়েছে, আর সব্যসাচীর এই চোট লেগেছে। ওরটাই বেশি।

    তোরা কারুকে মারিস-টারিস নি তো?

    একটু ইতস্তত করে অরিন্দম বললো না! আমি অন্তত জানি না টাকা অনেক পাওয়া গেছে। এবারে বড় রকম কাজ শুরু করতে হবে।

    -এখন কয়েক মাস চুপচাপ থাকিস। তোদের যেন কেউ সন্দেহ না করে।

    – মেজদি, তোমার এখানে ক’দিন থাকা যাবে?

    -তোর জামাই বাবু ফিরবে আর দু’দিন বাদে।

    – ওঃ. তার মধ্যে সব্যসাচী ঠিকঠাক হয়ে যাবে। ওর স্বাস্থ্য খুব ভালো। তারপর আমরা কলকাতয় চলে যাবো। সেখানে আমাদের ভালো জায়গা আছে।

    মেজদি অরিন্দমের পিঠে হাত দিয়ে কম্পিত গলায় বললেন, অরু শেষ পর্যন্ত সব ঠিকঠাক হবে তো?

    অরিন্দম বললো, আমরা কতটা পারবো জানি না। কিন্তু আমাদের যার যেটুকু সাধ্য তা করে যেতে হবে। সব কিছুরই দাম আছে। আমরা যদি বৃটিশ রাজত্বের একটা ভিতও আলগা করে দিতে পারি-

    সে না হয় বুঝলাম। কিন্তু তোরা যে নিজেদের প্রাণের ঝুঁকি নিচ্ছিস।

    -তুমি ভয় পেয়ো না। আমাদে কিছু হবে না।

    – হ্যা রে, এই রকম মারামারি খুনোখুনি ছাড়া অন্য কোন পথে যাওয়া যায় না?

    -এত বড় শত্রু আমাদের সামনে, যে তাকে আমাদে র শক্তি না দেখালে সে কিছুই মেনে নেবে না। আঘাতের উত্তরে পাল্টা আঘাত করতে হবে।

    হঠাৎ কথা খামিয়ে অরিন্দম জিজ্ঞেস করলো, তোমার ননদ সব দেখছে। ও কি রকম? শক্ত মেয়ে তো?

    ওর জন্য চিন্তা করিস না। ওর খুব মনের জোর। ওকে তোরা তোদের দলে নিতে পারিস! -এখন আমাদের দলে মেয়েদের নেবার দরকার নেই। মেয়েদের নিলেই অনেক গণ্ডগোল দেখা দেয়।

    -তোরা এটা ভুল করছিস। মেয়েরা অনেক কাজ পারে যা ছেলেরা পারে না। শুধু শুধু তোরা মেয়েদের দূরে ঠেলে রাখছিস।

    – তোমরা এই যে আমাদের নানাভাবে সাহায্য করছো এটাও তো একটা মস্ত বড় কাজ।

    এই সময় কুন্তলা এক বাটি গরম জল আর তুলো নিয়ে ফিরে এলো। অরিন্দম উঠতে যেতেই মেজদি বললেন, তুই বোস। আমরা দেখছি!

    কুন্তলা গরম জলে তুলো ভিজিয়ে সব্যসাচীর কাঁধের ক্ষতস্থান থেকে রক্ত মুছে দিতে গেল। সেখানে তখন কয়েকটা কাঁচের টুকরো গেঁথে রয়েছে দেখে শিউরে উঠলো সে।

    মেজদি বললেন, এই কাঁচগুলো এক্ষুনি তুলে না ফেললে সেপটিক হয়ে যাবে যে! কুন্তলা বললো, আমার বন্ধু বিজয়ার বাবা ডাক্তার, তাকে ডেকে আনবো?

    অরিন্দম বললো না। এখন কারুকে ডাকার দরকার নেই।

    – উনি খুব ভালো লোক।

    এখন কারুকেই বিশ্বাস করা যায় না।

    কুন্তলা নিজের চেষ্টায় একটা কাচের টুকরো তুলতে যেতেই যন্ত্রণায় জেগে উঠলো সব্যসাচী। বিরক্তভাবে বললো, আঃ কি হচ্ছে কি?

    অরিন্দম উঠে এসে ঝুকে পড়ে বললো, একটু ধৈর্য ধরে থাক্ – কাঁচগুলো তুলে ফেলতে হবে।

    -কিছু তুলতে হবে না।

    কুন্তলা বললো, আস্তে, খুব আস্তে তুলবো, আপনার বেশী লাগবে না।

    – বলছি না, কিছু তুলতে হবে না।

    কুন্তলা বললো, অরিন্দমকে বললো, আপনি ওকে চেপে ধরে থাকুন। বৌদি, তুমি কাঁধটা ধরো-

    ওরা সেই রকমভাবে ধরলো। কুম্বলা আবার নিচু হয়ে কাঁচ তুলতে যেতেই সব্যসাচী জোরে একটা ঝটকা মারলো, একটা হাত তার এত জোরে উঠেছিল যে দড়াম করে লাগলো কুন্তলার মুখে। সে বেচারী এক পলকের জন্য অন্ধকার দেখলো চোখে।

    সব্যসাচী এবার উঠে বসলো। তারপর বললো, কি হচ্ছে এসব? কেন আমাকে জ্বালাতন করা হচ্ছে?

    অরিন্দম ভৎসনার সুরে বললো, কেন এরকম ছট্‌ফট্ করছিস? কাঁচগুলো না তুললে কি হবে জানিস?

    -যা হয় হোক। আমি এখন চুপ করে ঘুমাতো চাই আমাকে বিরক্ত করিস না।

    -অরিন্দম এবার কণ্ঠস্বর নরম করে বললো, সব্যসাচী কেন ছেলেমানুষী করছিস? তোর ভালোর জন্যই তো-

    সব্যসাচী বললো, ভীষণ যন্ত্রণা। পারছি না। আচ্ছা, আমি চুপ করে আসছি, এবার তোল। কুন্তলা কাছে এসে বললো, আবার আমার মুখে মারবেন না তো?

    -খুব লেগেছে?

    – না, খুব না।

    – এবার তুলুন।

    ধারালো কাঁচের টুকরোগুলো খালি হাতে তোলা বিপজ্জনক। কুন্তলা হাতে একটা রুমাল জড়িয়ে নিয়েছে। সেইজন্য ভালো করে ধরতে পারছে না।

    সব্যসাচী নিজেই বললো, ও ভাবে হবে না। একটা কাঁচি গরম করে নিন্ -তারপর দেখুন। সেই ভাবেই চেষ্টা হলো কিছুক্ষণ। স্পিরিট ল্যাম্প জ্বেলে একটা কাঁচিকে গরম করে ক্ষতস্থানটা আরও খুচিয়ে খুচিয়ে কাঁচ তোলা হতে লাগলো। কয়েকটা বেরিয়ে এলো। দুটো ছোট টুকরো বার করা যাচ্ছে না। সব্যসাচী দাঁতে দাঁত চেপে বসে রইলো, একবারও টু শব্দ করলো না। কুন্তলা পাকা নার্সের ভঙ্গিতে খোঁচাখুঁচি করে যাচ্ছে। এক সময় সব্যাসাচী বললো, আজ থাক।

    -দুটো টুকরো অনেক ভেতরে ঢুকে গেছে। কিছুতেই বেরুচ্ছে না। আর একটু চেষ্টা করি?

    সব্যসাচী করুণ মুখ তুলে বললো, আমি আর পারছি না। ভীষণ লাগছে যে।

    মেজদি বললেন, কি হবে তা হলে?

    -দুটো কাঁচের টুকরো শরীরের মধ্যে থাকলে কিছু হবে না।

    -তা কি হয়?

    কুন্তলা বললো, আমিও সাহস পাচ্ছি না। যদি বেশি লেগে টেগে যায়?

    অরিন্দম বললো, এখন থাক তাহলে। জায়গায় বরং যেঞ্জিন দিয়ে ভিজিয়ে দাও। বেঞ্জিন আছে বাড়িতে?

    -আছে।

    কে না জানে, বেঞ্জিন লাগালে দারুণ জ্বালা করে। সব্যসাচী অরিন্দমকে বললো, তুই আমার মুখটা চেপে ধর। যদি আমি চেঁচিয়ে ফেলি।

    অরিন্দম সব্যসাচীর মুখে হাত চাপা দিল। কিন্তু তার দরকার ছিল না। নিজেই দম বন্ধ করে রেখেছে সব্যসাচী, তার শরীরটা কেঁপে কেঁপে উঠছে

    বেঞ্জিন লাগাবার পর তুলো চাপিয়ে একটা ব্যান্ডেজ বেঁধে দেওয়া হলো। তারপর সব্যসাচী ধপ করে শুয়ে পড়লো আবার। মাথায় নিচে বালিশ নেই।

    কুন্তলা দৌড়ে বালিশ এনে দিল দুটো। অরিন্দম সেই বলিশের নিচে টাকার থরে আর রিভলবারটাা রেখে দিল। তাপর বললো, এবারও ঘুমোক্। রাত্রিরটা তো কাটুক।

    ঘরের আলো নিভিয়ে ওরা বেরিয়ে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকুবেরের বিষয় আশয় – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    কৈশোর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    অর্ধেক মানবী – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ফুলমণি-উপাখ্যান – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026
    Our Picks

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026

    কুবেরের বিষয় আশয় – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }