Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026

    কুবেরের বিষয় আশয় – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প131 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বুকের মধ্যে আগুন – ৩

    ॥ তিন ॥

    রফিক আর সুকুমার বর্ধমান স্টেশনে প্ল্যাটফর্মে শুয়ে রাতটা কাটিয়ে দিল। সুকুমার তখনও ছটফট করছে। সারা রাত সে ঘুমলো না। চোখের পাতা বুজলেই সিনেমার মতন ভেসে উঠেছে সেই দৃশ্য-গুলি খেয়ে নেপালী ভদ্রলোকটি চুপ করে পড়ে গেলেন, মাটিতে মুখখানা কি দারুণ কুঁকড়ে গেচে সুকুমার পালাতে চাইছে তবু পালাতে পারছে না!

    রফিকও জেগে রইলো সারা রাত। থার্ডক্লাস ওয়েটিং রুমের গাদা গাদা মানুষের পাশে ওরা দু’জনেও ঘাপটি মেরে আছে। রফিকের চোখ বাইরের দিকে। খবর রটে গেছে এতক্ষণে- সারা রাত ধরেই পুলিশের আনাগোনা চলছে। শোনা যাচ্ছে ভারী বুট জুতো পরা পায়ের দাপাদাপি।

    এবার কয়েকজন পুলিশ এই ওয়েটিং রুমের মধ্যেও ঘুরে গেল। সেই সময় ওরা দম বন্ধ করে গাঢ় ঘুমের ভান করে রইলো। পুলিশ অবশ্য করুকেই ঘাঁটলো না।

    সুকুমার মাঝে মাঝে কেঁপে কেঁপে উঠছে আর ভয়ে জড়িয়ে ধরছে রফিকের হাত। রফিক ফিসফিস করে বললো, আরে আমার এ হাতে ব্যথা। অন্য হাতটা ধর।

    আহত আঙ্গুলটা রফিক একবার চোখের সামনে এনে দেখলো স্পষ্ট তিনটে দাঁতের দাগ। মানুষের দাঁত। মানুষের দাঁতের নাকি বিষ থাকে? তবে ব্যথাটা আর বেশি বাড়ে নি।

    ভোর হতে না হতেই মানুষজন জাগতে শুরু করেছে। রফিক আর সুকুমার তখনও উঠলো না। লোকজনের ভিড়ে যখন প্লাটফর্ম একেবারে গম্ গম্ করতে লাগলো, তখন ওরা জাগলো। চা-ওয়ালার কাছ থেকে দু:ভাড় চা কিনে নিয়ে রফিক সুকুমারকে বললো, যা, গোসলখানা থেকে ঘুরে আয়।

    সুকুমার ফিরে আসার পর তাকে বসিয়ে রেখে রফিক গেল বাথরুমে সেরে আসতে। ফিরে এসে দেখলো সুকুমার নেই। তার বুকের মধ্যে ছ্যাঁৎ করে উঠলো। টাকার থলে ও রিভরভারটা সে সুকুমারের কাছে জমা দিয়ে গিয়েছিল।

    রফিক তীব্র চোখে এদিক ওদিক তাকাতে লাগলো। প্লাটফর্মের বাইরে এসে খুঁজতে লাগলো সুকুমারকে। এইটুকু সময়ের মধ্যে সে কোথায় যাবে? সাইকেল স্ট্যাণ্ডে তার সাইকেলটা এখনো রয়েছে।

    একটু বাদে দেখলো, দূরে একটা গাছতলায় দাঁড়িয়ে সুকুমারতাকে হাতছানি দিয়ে ডাকছে। রফিক প্রায় দৌড়ে তার কাছে এসে বললো, চলে এলি কেন? সুকুমার ঠোটে আঙ্গুল দিয়ে বললো, চুপ! পুলিশ।

    রফিক পেছনে তাকিয়ে দেখলে, স্টেশনে গেটের কাছে দু’জন অ্যাংলো ইন্ডিয়ান পুলিশ নিজেদের মধ্যে কি সব কথা বলছে।

    রাগে রফিকের গা জ্বলে গেল। ইচ্ছা হলো সুকুমারকে এক চড় কষাতে। চাপা গলায় বললো, আরে বেকুব, ঠোঁট থেকে হাত নামা!

    – রফিকদা, পুলিশ দুটো আমার দিকে বারবার তাকাচ্ছিল।

    বেশ করেছে। পুলিশ দেখে ওরকম ভয় পেলে এক্ষণি ধরা পড়বি।

    রফিক বুঝতে পারলো, সুকুমারের মুখ চোখের চেহারা অস্বাভাবিক। গত রাত্রের ঘটনায় সে এমন একটা ধাক্কা খেয়েছে যে অনেকটা মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছে। বড্ড ছেলেমানুষ!

    রফিক ওর হাত থেকে নিজের পুটলিটা কেড়ে নিয়ে বললো, তুই এবার কোন দিকে যাবি? আমি তো ট্রেনে উঠবো।

    সুকুমার রফিকের হাত জড়িয়ে ধরে বললো, রফিকদা আমাকে ছেড়ে যেও না! আমি তোমার সঙ্গে যাবো।

    -না, না, এখন এক সঙ্গে থাকা ঠিক নয়। এখন সবাইকে আলাদা থাকতে হবে।

    সুকুমার তবু ছেলেমানুষের মতন বললো, রফিকদা আমাকে ছেড়ে যেও না।

    সুকুমারের সম্পর্কে রফিকের মনে খানিকটা মায়া আছে। বিপ্লবীদের মনে এরকম দয়া- মায়ার প্রশয় ঠিক নয়। তাতে কাজে ভুল হয়ে যায়। তবু রফিক সুকুমারকে এই অবস্থায় ছাড়তে পারলো না।

    খানিকটা নরমভাবে বললো, চল আমার সঙ্গে। কিন্তু একদম চুপ-চাপ থাকবি। ঐ পুলিশ দু’জনের সামনে দিয়েই আমাদের স্টেশনে ঢুকতে হবে আবার, পারবি তো?

    -পারবো।

    বাইরের কাউন্টার থেকে রফিক দু’খানা’ টিকিট কিনে নিল কলকাতার। তারপর গুণগুণ করে। একটা গান গাইতে গাইতে এগোলো ষ্টেশনের দিকে।

    পুলিশ দু’জন তখনও গেটের পাশে দাঁড়িয়ে আছে। রফিক তাদের কাছাকাছি এসে একজন পুলিশকেই জিজ্ঞেস করলো, সাব, আপকা ঘড়ি মে কিনা বাজা হ্যায়?

    একজন সার্জেন্ট বিরক্তভাবে ঘড়ি দেখে বললো, সাড়ে আট। তারপরেই সে অন্য জনের সঙ্গে কথা বলায় আবার ব্যস্ত হয়ে পড়লো।

    ভেতরে এসে হাসি মুখে রফিক তাকালো সুকুমারের দিকে। সুকুমারের মুখখানা পুরোনো কাগজের মতন বিবর্ণ। সে যেন আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারছে না।

    রফিক বললো, আচ্ছা ডরপুক দেখছি তুই। চল, নাস্তা করে নিলেই সব ঠিক হয়ে যাবে। সুকুমার বুঝতে না পেরে বললো কি, করবো?

    -জলখাবার! খিদে পায় নি? একটু কিছু খাবার-টাবার খেলেই জোর আসবে।

    খাবার দোকানের সামনে এসে অর্ডার দেবার আগে রফিক সুকুমারকে জিজ্ঞেস করলো, তোর কাছে কিছু টাকা পয়সা আছে তো? আমি রেলের টিকিট কাটলাম, আমার কাছে বেশী পয়সা নেই।

    রফিকের কাছে এক লক্ষ দশ হাজার টাকা রয়েছে, কিন্তু সে টাকা খরচ করার অধিকার নেই তার।

    সুকুমার পকেট থেকে সাতটা টাকা বার করে বললো, এই আছে।

    -যথেষ্ট।

    ওরা দু’জনে ডিম সেদ্ধ, টোস্ট, জিলিপি, চা খেল পেট পুরে। খাওয়া তখনো শেষ হয়নি। এই সময় ঝম ঝম করে, একটা কলকাতাগামী ট্রেন এসে দাঁড়ালো।

    রফিক বললো, তাড়াতাড়ি চা-টা শেষ কর, আমার এই ট্রেনে উঠবো।

    -সাইকেলটা কি হবে?

    জাহান্নামে যাক্ সাইকেল।

    ছুটির দিন, ট্রেনের বিশেষ ভিড় নেই। তবে প্রত্যেক স্টেশনেই পুলিশ এসে উকি মেরে যাচ্ছে। কি তারা দেখছে কে জানে। রফিক নিশ্চিন্ত মনে জানলার ধারে বসে গান গাইছে। সুকুমার এখন একটু একটু ঘুমে ঢুলছে।

    কিছুক্ষণবাদে দু’জন সহযাত্রী গায়ে পড়ে আলাপ করতে এলো রফিকের সঙ্গে। রফিক এখন পৃথিবীতে কারুকে বিশ্বাস করতে পারে না। এই লোক দুটি অনায়াসে ইনফরমার হতে পারে। রফিকের চেহারাটা এমনই যে তাকে চট করে বাঙালী কি অবাঙালী ঠিক বোঝা যায় না। সে অনর্গল উর্দু মেশানো হিন্দী বলা শুরু করতেই লোক দু’টি দমে গেল একটু।

    হাওড়া স্টেশনে আসবার আগেই ওরা নেমে পড়লো বেলুড়ে। সেখান থেকে বাস ধরলো। গঙ্গার ঘাট থেকে ফেরি নৌকায় চলে এলো এপারে। তারপর একটা রিক্শা চেপে চললো খিদিরপুরের দিকে।

    রফিক জিজ্ঞেস করলো, কলকাতায় তোর মেসে তো ফেরা যাবে না। আর কোনো থাকবার জায়গায় নেই?

    – সুকুমার বললো, না।

    – সে রকম কোনো বন্ধু নেই?

    – রফিকদা, আমি তোমার সঙ্গে যাবো।

    কি মুশকিল, তুই কি আমার সঙ্গে আঠার মতন লেগে থাকবি নাকি? রতনলাল কি বলেছে শুনিস নি? এখন সবাইকে আলাদা থাকতে হবে।

    -আমি তা হলে কোথায় যাবো?

    সুকুমার কথাটা এমন অসহায়ভাবে বললো যে রফিকের বুকটা মুচড়ে উঠলো। এই ছেলেটার মন এখন অবশ হয়ে আছে। ওকে একা ছেড়ে দেওয়া যায় না। ওর কাঁধে হাত রেখে বললো, চল!

    -কোথায়?

    – মুসলমান পাড়ায় থাকতে পারবি?

    – কেন পারবো না?

    – মুসলমান পাড়ায় পুলিশ বিশেষ সন্দেহ করবে না। কিন্তু পাড়ার লোক যদি চিনে ফেলে? আমি লুকিয়ে থাকবো।

    – চল্‌ তো, দেখা যাক্।

    বস্তির ধার ঘেষে একটা দোতলা বাড়ি। এক তলায় দু’ঘর ভাড়াটে। ওরা সিঁড়ি দিয়ে উঠে এলো দোতলায়। সিঁড়ির মুখেই দরজা, সেটা বন্ধ। কয়েক বার ধাক্কা দিতেই একজন বৃদ্ধ বাবুর্চি ধরনের লোক সেটা খুলে দিল। সে রফিককে দেখে দু’হাত ছড়িয়ে একটা হতাশার ভঙ্গি করে বললো, আ— কোনোদিন কি একটু খবর দিয়ে আসতে নেই? আগে থেকে খবর দিলে-

    রফিক হাসতে হাসতে বললো, ব্যবসার কাজের কি সময় ঠিক থাকে? করিম ভাই, আমার এক দোস্তকে নিয়ে এসেছি। বহুৎ আচ্ছা সে দেখভাল কর্ না, হ্যাঁ?

    করিম বললো, তোমার দোস্ত্ এত দুবলা কেন? এখানে এক মাহিনা দো থাকো – আমি ভালো করে খাইয়ে জোওয়ান করে দেবো!

    – দেখি, আজ দুপুরে ভালো করে খাওয়াও তো!

    ওরা এসে ঢুকলো চমৎকার সাজানো গোছানো ঘরে। করিম চলে আসার পর রফিক বললো, এটা আমার চাচার বাড়ি। চাচা থাকেন মুর্শিদাবাদে, ব্যবসার কাজে এখানে মাঝে মাঝে আসেন। একটা আলমারি ভর্তি জামা কাপড়। সেটা খুলে রফিক বললো, যেটা খুশি পরতে পারিস তবে, দিনের বেলা বেশির ভাগ সময় লুঙ্গি পরে থাকবি, বুঝলি?

    – আচ্ছা।

    -আর একটা কথা। এখানে অনেক খুবসুরত জানান আছে। তাদের দিকে তাকাবি না। মুসলমান মেয়ের প্রেম তুই সহ্য করতে পারবি না।

    সুকুমার লাজুকভাবে হাসলো।

    স্নানটান সেরে দুপুরে খাওয়া দাওয়া করে ওরা দু’জনেই দারুণ ঘুম দিল। জেগে উঠলো একেবারে অন্ধকার হয়ে যাবার পর।

    করিম পট ভর্তি চা বানিয়ে কোথায় যেন বেরিয়েছে। ঠান্ডা হয়ে গেছে চা।

    রফিক বিরক্তির শব্দ করে বললো, এখন কে আবার চা বানায়। এই, তুই চা করতে পারিস?

    সুকুমার বললো, চেষ্টা করে দেখতে পারি।

    তার কথা শুনলেই বোঝা যায়, সে কোনোদিন রান্নাঘরে ঢোকে নি। সবাই জানে সুকুমার একটু কবি প্রকৃতির ছেলে। লুকিয়ে লুকিয়ে কবিতাও লেখে, কিন্তু কারুকে দেখায় না। রান্নাবান্নার মতন ব্যাপারে তার কোনো অভিজ্ঞতাই নেই।

    রফিক হেসে বললো, তুই কি ভেবেছিস, এখানে শুধু বসে বসে খাবি? কাজকর্ম করতে হবে!

    এই সময় দরজার কাছে কার যেন ছায়া পড়লো। রফিক চমকে উঠে বললো, কে? কুণ্ঠিত মেয়েলী গলায় ডাক শোনা গেল, রফিক ভাই!

    রফিক হুট করে দরজাটা খুলে ফেললো। একটা উনিশ কুড়ি বছরের মেয়ে, শ্যালেয়ার কামিজ পরা, হাতে একটা বড় গোল বাটি। মেয়েটির গায়ের রং ফুটফুটে, মাথার চুল ঘন কালো।

    রফিক রুক্ষ গলায় বললো, তোমার এখানে কি চাই?

    মেয়েটি লাজুকভাবে বললো, আপনি আজ এসেছেন তো, তাই দেখতে এলাম।

    -তুমি যখন তখন ওপরে উঠে আসো বুঝি? দরজা বন্ধ থাকে না।

    -আমরা তো ছাদে কাপড় মেলতে আর উঠাতে যাই, তাই করিম ভাই সকালে আর বিকালে দরজা খুলে রাখেন।

    -কেন, নিচে কাপড় শুকাতে দেবার জায়গা নেই?

    -রফিক ভাই, আপনি আমাকে বকছেন?

    -না, বকছি না। এখন নিচে যাও!

    -রফিক ভাই, আমি আপনার জন্য একটু কাবাব নিয়ে এসেছি। আমি নিজের হাতে বানিয়েছে।

    -এর মধ্যেই এসব শুরু হয়ে গেছে! এসো, ভেতরে এসো!

    রফিক রীতিমতন ধমক দিয়ে কথা বলছিল মেয়েটির সঙ্গে। মেয়েটি তবু হাসি মুখে ঘরের মধ্যে এসে দাঁড়ালো। খাটের ওপর সুকুমার জড়োসড়ো হয়ে বসে আছে।

    রফিক মেয়েটিকে বললো, এর নাম সুকু মিয়া। আমার ফুফাতে ভাই। তুমি একে আগে দেখো নি।

    তারপর সুকুমারের দিকে তাকিয়ে বললো,এই মেয়েটির নাম তিশনা। তৃষ্ণা নয়, তিশনা। ভারী ফাজিল মেয়ে।

    তিশনা বললো, রফিকভাই, আপনি আমাকে দেখলেই বড় বকেন।

    – বকবো না! তোমার নানী বারণ করেছেন না যখন তখন আমাদের এখানে আসতে?

    -নানীর এখন খুব অসুখ, বিছানা থেকে ওঠে না।

    -বা বা বা নানীর এখন অসুখ, আর সেই সুযোগ নিয়ে ও এসেছে পালিয়ে! আবার কাবার বানানো হয়েছে! ঠিক আছে, এনেছো যখন, দাও দুটো প্লেটে।

    তিশনা রান্নাঘরে থেকে দুটো প্লেট এনে যত্ন করে কাবাব সাজিয়ে দিল। দুটো গেলাসে নিয়ে এলা ঠান্ডা পানি।

    রফিক বললো, গেলাস-বর্তন সব ধুয়ে রেখো আবার। নইলে করীম ভাই আবার রাগারাগি করবে।

    -করীম ভাই আমাকে কিছু বলে না।

    -আগে থেকেই ভাব জমিয়ে রাখা হয়েছে! যাও তাহলে চা বানিয়ে নিয়ে এসো!

    তিশনা চা বানাতে চলে গেল রান্নাঘরে। রফিক কাবাব আস্বাদ করতে করতে বললো, তিশনা এ বাড়ির নিচের তলায় ভাড়াটেদের মেয়ে। ভাবী ছটফটে।

    সুকুমার বললো, খুব সরল মেয়েটি।

    -বড় বেশী সরল। এই বয়সে মেয়েদের এত সরল থাকা ভালো না।

    -আপনি ওকে বড্ড বেশি বকছিলেন।

    মেয়েছেলেদের সব সময় বকে বকে ঠান্ডা রাখতে হয়। নইলে ওরা বড় বেশি লাই পেয়ে যায়। তুই ছেলে মানুষ, তুই কি বুঝবি?

    -আপনি আমার থেকে ক’বছরের বড়? সাত আট বছর?

    -তবু আমি অনেক পোড়া খাওয়া মানুষ। এই জীবনেই অনেক কিছু দেখেছি। যাই হোক, মেয়েটা যে হঠাৎ এসে পড়েছে, এটা আমার একটু ও ভালো লাগছে না।

    – কেন?

    -মেয়েদের তো চিনিস না। ওরা পেটে কোন কথা রাখতে পারে না। তুই যে একটা নতুন লোক এখানে এসে রয়েছিস, এ কথা পাঁচজনকে বলে বেড়াবে। লোকের কৌতূহল হবে। বুড়োরা দেখতে আসবে।

    -আমার লুকিয়ে পড়া উচিত ছিল।

    -একটা জলজ্যান্ত মানুষ সব সময় লুকিয়ে থাকতে পারে না। দরজা বন্ধ করে রাখতে হবে সব সময়করীমকে সাবধান করে দিতে হবে।

    তিশনা দু’কাপ চা দু’হাতে ধরে ব্যালেন্স করতে করতে ঢুকলো ঘরে। বললো খেয়ে দেখুন তো, কি রকম বানিয়েছি?

    রফিক চায়ে এক চুমুক দিয়েই মুখ বিকৃত করে বললো এঃ হে। একেবারে বাজে! মুখটাই খারাপ হয়ে গেল।

    সুকুমার হেসে বললো, আমার কিন্তু বেশ ভালো লাগছে।

    তিশনা অভিমান করে বললো, রফিক ভাই তো আমার কোনোকিছুই ভালো বলেন না!

    রফিক হঠাৎ গম্ভীর হয়ে গিয়ে চ-টা শেষ করলো। তারপর কাপটা নামিয়ে রেখে তীব্র চোখে তিশনার দিকে তাকিয়ে বললো, শোনো, তোমাকে একটা দরকারী কথা বলছি। আমাদের এখানে আর একদম আসবে না। আর আমার এই যে ভাইটি এখানে রয়েছে, এর কথা কারুকে বলবে না।

    তিশনা সঙ্গে সঙ্গে উত্তর দিল, আমি কারুকে কিছু বলবো না। তাহলে আমাকে আসতে দেবেন না কেন?

    – তুমি বেশি এলে তোমার পেছনের অন্য লোক আসবে।

    -আমি লুকিয়ে লুকিয়ে আসবো!

    -আরে, একে নিয়ে তো খুব মুশকিয়ে পড়া গেল দেখছি! আমাকে যা বলছি তাই শুনবে। বেশি বেয়াদপি করলে কান মলে দেবো!

    তিশনার ঝলমলে মুখখানা স্নান হয়ে গেল। দেখে মনে হলো এক্ষণি বুঝি কেঁদে ফেলবে। সুকুমার ভাবলো, তার কিছু একটা সান্ত্বনা দেওয়া দরকার। কিন্তু মুখে তার কোনো ভাষা এলো না। তারপর ভাবলো, চুপ করে থাকাই তার উচিত। সে এখানে নতুন লোক, রফিকদা যা ভালো বুঝবে তাই করবে।

    তিশনা আবার মুখ তুলে দারুণ কৌতুহলের সঙ্গে দেখছে সুকুমারকে। তারপর এক সময় থাকতে না পেরে আবার জিজ্ঞেস করলো, ভাইয়ার কি হয়েছে? ভাইয়া লুকিয়ে থাকবে কেন?

    রফিক ছদ্ম গাম্ভীর্যের সঙ্গে বললো, ভাইয়াকে ওর বাবা -মা জোর করে শাদী দিয়ে দিয়েছে। ওর শ্বশুরবাড়ি থেকে ওকে ধরে নিয়ে যেতে চায় তাই পালিয়ে এসেছে।

    তিশনা সুকুমারের দিকে তাকিয়ে ফিকফিক করে হাসতে লাগলো। বললো, ভাইয়া শ্বশুরবাড়িকে এত ভয় পায়?

    – হুঁ। সবাই ভয় পায়।

    -ঠিক আছে আমি কারুক বলবো না।

    চায়ের কাপগুলো ওদের কাছ থেকে নেবার সময় তিশনার নজর পড়লো রফিকের আহত আঙুলটার দিকে।

    শিউরে উঠে বললো ইস, একি হয়েছে?

    রফিক বললো, ও কিছু না।দরজায় ছেঁচে গিয়েছে।

    -দাওয়াই লাগনার নি? দেখি, দেখি।

    – না, কিচ্ছু দরকান নেই, এমনি সেরে যাবে।

    -আমাদের ঘরে দাওয়াই আছে নিয়ে আসবো?

    রফিক এবার তাড়া দিয়ে বললো, বলছি না, কিচ্ছু দরকার নেই তুমি এবার যাও, আমাদের এখন কাজের কথা আছে।

    তিশনা কাপ প্লেটগুলো নিয়ে চলে গেল। রফিক একটা সিগারেট ধরালো, সুকুমার পড়তে লাগলো সেদিনকার খবরের কাগজ। ট্রেন ডাকাতির ব্যাপারটা প্রথম পৃষ্ঠাতেই বড় বড় অক্ষরে বেরিয়েছে। পুলিশ থেকে ইঙ্গি করা হয়েছে, এটা সাধারণ ডাকাতি নয়, এর পেছনে স্বদেশীয়দের হাত থাকা খুবই সম্ভব।

    একটু বাদেও বাইরে মেয়েলী হাতের চুড়ির রিনিঝিনি শব্দ শুনে রফিক বেরিয়ে আলো। দেখলো, দরজার কাছে দেয়ালের দিকে মুখ করে তিশনা দাঁড়িয়ে আছে অভিমানী মুখে। চোখে জলের ধারা।

    রফিক কাছে এগিয়ে এসে বললো, এই, আবার কি হয়েছে?

    তিশনা কোনো উত্তর দিল না। মুখও ফেরালো না।

    – এই কি হয়েছে বলো না?

    -আপনি আমাকে আজ সব সময় বকছিলেন।

    -আরে এই জন্য কান্নাকাটি? তুমি কি এতই ছেলেমানুষ?

    তিশনা হঠাৎ ঝাঁপিয়ে পড়লো রফিকের বুকে। সেখানে মুখ ঘষতে ঘষতে বললো, আমাকে কেন আসতে বারণ করছেন? কেন? আমি কি এতই খারাপ?

    রফিক খুব সাবধানে তিশনাকে ছাড়িয়ে নিল নিজের বুক থেকে। তাকে একটু দুরে দাঁড় করিয়ে বললো, তুমি দেখছি সত্যি বড্ড ছেলেমানুষ আছো। এ রকম, আর কখনো করো না।

    রফিকের গলার আওয়াজে এক রকমের দৃঢ়তা ছিল, তিশনা চট করে সামলে নিল নিজকে। চোখ মুছে বললো, আমি আর কিছু চাই না। আমাকে শুধু এখানে আসতে বারণ করবেন না বলুন? আমি শুধু দেখতে আসবো।

    আচ্ছা, দিনে মাত্র একবার। কিন্তু আমি যা বলবো, তাই শুনতে হবে।

    -শুনবো ঠিক শুনবো।

    – এখন তাহলে ভালো করে চোখ মুছে ফেলে নিচে যাও।

    তিশনা চলে যাবার পর রফিক দরজা বন্ধ করে এলো ঘরে। তার মুখখানায় ঈষৎ উত্তেজনার চিহ্ন, চট করে কোনো কথা বলতে পারছে না।

    সুকুমার বললো, রফিকদা একটা কথা বলবো?

    -কি?

    -ঐ মেয়েটা আপনাকে খুব ভালোবাসে।

    রফিক হেসে বললো, তাই নাকি? তুই কি করে বুঝলি?

    -মুখ দেখেই বোঝা যায়।

    -বেশী কিছু দেখে ফেলিস না যেন।

    -আপনি ঠাট্টা করে কথা ঘোরাচ্ছেন।

    -ওর বাড়ির লোকেরা ওর সঙ্গে আমার শাদী দিতে চেয়েছিল। আমার চাচাকে ধরেছিল খুব। আমি রাজি হইনি।

    – কেন? মেয়েটা কিন্তু খুব ভালো। এত সরল।

    মেয়েটা ভালো ঠিকই। কিন্তু এখন কি আমাদের বিয়ে করার সময়? এখন কারুকে বিয়ে করা মানে তো সর্বনাশ করা। ঐ মেয়েটা কিছুতেই বোঝে না। কি যেন রবীন্দ্রাথের সেই কবিতাটি-

    আমি পরানের সাথে খেলিবি আজিকে মরণ খেলা।
    নিশীথ বেলা।
    সঘন বরষা, গগণ আঁধার।
    হেরো বারিধারা কাঁধে চারিধারা
    ভীষণ রঙ্গে ভব তরঙ্গে ভাসাই ভেলা;
    বাহির হয়েছি স্বপ্নশয়ন করিয়া হেলা
    রাত্রিবেলা?

    রফিক একটু থেমে বললো, এর পরে কি যেন?

    সুকুমার এই কবিতার পরের লাইনগুলো আবৃত্তি করতে লাগলো গলা ছেড়ে

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকুবেরের বিষয় আশয় – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    কৈশোর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    অর্ধেক মানবী – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ফুলমণি-উপাখ্যান – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026
    Our Picks

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026

    কুবেরের বিষয় আশয় – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }