Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026

    কুবেরের বিষয় আশয় – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প131 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বুকের মধ্যে আগুন – ৫

    ॥ পাঁচ ॥

    সব্যসাচীর কাঁধের ক্ষতস্থানে সেপ্‌টিক হয়ে গেছে, কয়েকদিন ধরেই তার খুব জ্বর। ওঠার শক্তি নেই।

    পরিকল্পনা ছিল যে, অরিন্দম সব্যসাচীকে মাত্র একটা দিন তার দিদির আশ্রয়ে রাখবে। তারপর সব্যসাচীর ফরাসী চন্দননগরে আশ্রয় নেবে। দলের মধ্যে একমাত্র সব্যসাচীর পুলিশ রেকর্ড আছে। বরিশাল টাউনে সত্যগ্রহ করতে গিয়ে সে একবার সাত দিনের জন্য জেল খেটেছিল। তা ছাড়া, কাশীপুর বোমার মামলায় পুলিশ তার যোগাযোগ ধরে ফেলেছিল, অন্য আর সাত জনের জেল এবং দ্বীপান্তর হলেও সব্যসাচী সেবার ধরা পড়ে নি, তার নামে, এখনো হুলিয়া ঝুলছে। সুভাষবাবু তাকে আত্মগোপন করে থাকার অনুরোধ করেছিলেন, তবু সব্যসাচী এই ট্রেন ডাকাতির অ্যাকশনে নিজের থেকেই এসেছে। পুলিশ যদি এর সঙ্গে তার যোগসূত্র একবার অনুমান করতে পারে-তা হলেই তার ছবি ও বর্ণনা সমেত ইস্তাহার বেরিয়ে যাবে।

    রতনলালও আগের কয়েকটিতে অংশ নিয়েছে বটে, কিন্তু পুলিশের হাতে ধরা পড়েনি। সুতরাং পুলিশের কাছে সে এখন পর্যন্ত অচেনা।

    অরিন্দম বেশ বিপদে পড়েছে সব্যসাচীকে নিয়ে। তার জামাইবাবু সরকারী অফিসার। তাঁর বাড়িতে এরকম বিপজ্জনক আসামীকে লুকিয়ে রাখতে কতদিন সম্ভব? যদিও তার মেজাদির পুরোপুরি সমর্থন আছে তাদের দিকে, কিন্তু জামাইবাবু সে কথা ঘুনাক্ষরেও জানেন না। সব্যসাচীকে তো এখন কোথাও নড়নোও অসম্ভব।

    ডাক্তার ডাকতে পারা যায়নি। যদিও স্থানীয় ডাক্তারটি কুন্তলার বান্ধবীর বাবা, কিন্তু তিনি খুব গোঁজা রাজভক্ত বলে শোনা গেছে। এখন একটু ঝুঁকি নেওয়া যায় না। অরিন্দমের জামাইবাবু এসে পড়লে যে কি হবে সেও আর এক কথা।

    একতলার ঘরে হঠাৎ বাইরের লোক এসে পড়ে দেখে ফেলতে পারে বলে সব্যসাচীকে ধরাধরি করে নিয়ে আসা হয়েছে তিন তলার ঘরে। তিন তলার এই একটি মাত্র ঘর, বাকিটা ছাদ। কুন্তলা সব্যমাচীকে ব্যাণ্ডেস বদলে দিতে এসেছে। সব্যসাচী আজও জ্বরের ঘোরে আচ্ছন্ন। তার কপালে জলপট্টি লাগানো।

    কুন্তলা প্রথমে জলপট্টিটা ভিজিয়ে দিল। তারপর ব্যাণ্ডেজটা খুলতে লাগলো। পুঁজ ও রক্তে ব্যাণ্ডেজটা নোংরা হয়ে গেছে।

    গরম জল দিয়ে ঘষে ঘষে তুলোটা পরিষ্কার করার সময় সব্যসাচী যন্ত্রণায় চোখ মেলে তাকায়। চোখের সামনে সে দেখে একটি যুবতীর মুখ, তবু সে অস্ফুট গলায়, বলে, অরিন্দম অরিন্দম।

    কে?

    কুন্তলা বললো, অরিন্দম নিচে আছে। ডাকবো।

    -হ্যাঁ ডাকো।

    -আচ্ছা এই জায়গাটা আগে পরিষ্কার করে দিই।

    -সব্যসাচী আবার ভালো করে চোখ মেলে মেয়েটিকে দেখে। তারপর জিজ্ঞেস করে, তুমি

    -আমার নাম কুন্তলা। কালকে যে আমার সঙ্গে কথা বললেন?

    -কালকে? কালকে আমি কোথায় ছিলাম?

    – এখানেই তো।

    -এখানে মানে? এটা কোন জায়গা?

    -এটা আমাদের বাড়ি।

    -আমাদের মানে কাদের?

    কুন্তলা একটু হেসে বললো, এই সব কথাই কিন্তু কালকে বলেছি। আপনার একটুও মনে পড়ছে না?

    -তুমি অরিন্দমকে ডাকো। লক্ষ্মী মেয়ে, কথা শোনো তো।

    কুন্তলা উঠে গিয়ে অরিন্দমকে ডেকে নিয়ে এলো। অরিন্দমের মুখখানা দারুন দুশ্চিন্তাগ্রস্ত এখন সেই ভাবটা গোপন করে বললো, কি রে আজ কেমন আছিস?

    সব্যসাচী বললো, অরিন্দম, আমরা এখানে কি করছি? আমাদের তো এখনো অনেক কাজ বাকী আছে।

    অরিন্দম একটু হাসবার চেষ্টা করে বললো, তা তো অনেক কিছুই বাকী আছ। তুই যে উঠতে পারছিস না!

    -আমি ভালো হয়ে গেছি। আমি ঠিক যেতে পারবো।

    -তোর গায়ে এখনো একশো চার ডিগ্রী জ্বর।

    – ওতে কিছু হবে না। আমি খালি গায়ে কেন? আমার শাটটা কোথায়?

    সব্যসাচী উঠতে যাচ্ছিল, কুন্তলা তাকে এক ধমক দিয়ে বললো, কি করছেন কি?

    চুপ করে শুয়ে থাকুন তো!

    সব্যসাচী অরিন্দমের দিকে তাকিয়ে বললো, এই মেয়েটি কে রে? এ আমার সব সময় ব্যথা লাগিয়ে দেয়? আঃ।

    অরিন্দম বললো, ব্যথা লাগিয়ে দেয় কি রে? ওই তো তোকে বাঁচিয়ে তুলছে।

    কুন্তলা বললো, আমি আপনাকে ব্যথা লাগিয়ে দিই? ঠিক আছে, আরো বেশী করে ব্যথা লাগবো। এইবার?

    কুন্তলা শক্ত করে ব্যাণ্ডেজের বাঁধন দিতে সব্যসাচী যন্ত্রণায় আ-আ করে উঠলো। তারপর বললো, আমাকে কি মেরে ফেলতে চাও।

    -তাহলে যে বললেন, আপনি সব কিছু করতে পারবেন এখন?

    সবসাচী তার সুস্থ হাতখানা উচুতে তুলে ধরলো। তারপর বললো, একটা হাত তো ঠিকই আছে। এক হাতে আমি অনেক কিছু করতে পারি। এই জ্বরটা এলো কোথা থেকে?

    -তোর আঘাতটা বড্ড বেকায়দায় লেগেছিল।

    -আমাকে তাড়াতাড়ি এখান থেকে চলে যেতে হবে।

    -সেই চেষ্টাই তো হচ্ছে।

    -অরিন্দম তুই আমার ওপর রাগ করিস নি তো?

    -না, না।

    সব্যসাচী কুন্তলাকে বললো, আমাকে একটু ধরো তো ভাই!

    -কে? আবার কি করতে চান?

    -গদিওয়ালা খাটে শুয়ে থেকে মেয়েলি হাতের সেবা ভোগ করবো, এই ভাগ্য নিয়ে তা আমরা জন্মাই নি!

    -আপনি বড্ড বড় বড় কথা বলেন।

    সব্যসাচী একটু চুপ করে গেল। দুঃখিতভাবে তাকালো অরিন্দমের দিকে। বড় একটা নিশ্বাস ফেলে বললো, অরিন্দম, আমি নিজেকে খুব অপরাধী বোধ করছি। তোর দিদি-জামাইবাবুর ঘাড়ে চেপে থাকার ইচ্ছে আমার একটুকুও নেই।

    অরিন্দম শুকনোভাবে বললো, তা আর কি করা যাবে। অ্যাকসিডেন্ট ইজ অ্যাকসিডেন্ট।

    -আর কারুর সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে?

    -না। এখানে বেরোই নি।

    -রতনলালের কাছে যে করেই হোক একটা খবর পাঠাতেই হবে।

    -দেখি।

    তারপর দুই বন্ধু মুখোমুখি চেয়ে বসে রইলো। ওরা অনেক কথা ভাবলো। ট্রেন ডাকাতির জন্য একটু যেন অপরাধ বোধ জেগেছে মনে। মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলে, চুরি-ডাকাতিকে এখনো, কোনো শুভ উদ্দেশ্যের জন্য হলেও-মন থেকে সমর্থন করতে পারে না। বোমা-পিস্তল নিয়ে মানুষ খুন করার একটা যুক্তি পেয়ে গেছে অবশ্য গীতা থেকে অর্জুনাকে কৃষন যে সব বাছা-বাছা যুক্তি শুনিয়েছিলেন।

    ডাকাতির টাকায় ওর ভেবেছিল কিছু ডিনামাইট কিনবে। সেগুলো পাঠাতে হবে পাঞ্জাবে। পাঞ্জাবের বিপ্লবীরা অনেক আশা করে আছে। পাঞ্জাবে পুলিশ এখন নৃশংস অত্যাচার চালাচ্ছে। এর একটা পাল্টা জবাব না দিতে পারলে সাধারণ মানুষের মনোবল একেবারে নষ্ট হয়ে যাবে। জেল থেকে ছাড়িয়ে আনতেই হবে কয়েকজনকে।

    কিন্তু কিছুই করা যাবে না। টাকার বান্ডিল বালিশের তলায় রেখে শুয়ে আছে সব্যসাচী। অপরের টাকা ডাকাতির টাকা। ভাবলেই একটু গা ঘিনঘিন করে।

    অরিন্দমের জামাইবাবু রমেশ মিত্র ট্যুর থেকে ফিরলেন পরের দিন। অরিন্দমকে দেখে তিনি একটু বিব্রত বোধ করে। তিনি শান্তি প্রিয় মানুষ। সরকারের সঙ্গে কোনো প্রকার গন্ডগোলের মধ্যে যেতে চান না। মাথা গরম ছেলে -ছোকরারা পুঁচকে পুঁচকে অস্ত্র নিয়ে মহাশক্তিশালী ইংরেজকে তাড়াবার স্বপ্ন দেখছে। কিস্যু হবে না। শুধু নিজেরা মরবে আর -মাকে জ্বালাবে।

    শ্যালক হচ্ছে বড় টুকুম, সে বাড়িতে এলে যত্নটুত করতেই হয়। তাকে তো আসতে বারণ করা যায় না। কিন্তু হঠাৎ এই সময় এসে উপস্থিত হয়েছে কেন, কে জানে। ওর সঙ্গে রাজনীতির যোগ আছে তিনি জানেন।

    অরিন্দমের জামাইবাবুকে সব্যসাচীর কথা জানানোই হলো না।

    অরিন্দম তাকে বললো, জামাইবাবু আমি এসেছি চাকরির সন্ধানে। একটা চাকরিবাকরি না পেলে আর চলছে না। যতদিন না পাচ্ছি, ততদিন দিদির বাড়িতে থেকে অনু-ধ্বংসে করবো ঠিক করেছি।

    রমেশ হেসে বললেন, কেন, তোমার দেশোদ্ধারের কাজ কি হলো?

    -এখন একটু থেমে আছে। খেয়ে দেয়ে কিছু একটু গায়ের জোর করে নিই, তারপর আবার দেখা যাবে।

    -ইংরেজদের সঙ্গে গায়ের জোরে পারবে?

    -না পারি, যুযুৎসুর প্যাঁ মারবো। তাতে অনেক পালোয়ানও ধরাশায়ী হয়ে যায়।

    -কিন্তু ব্রাদার, এসব মতলব থাকলে তো চাকর করা যায় না। কে তোমাকে চাকুরি দেবে বলো!

    -আপনার তো অনেকগুলো ব্যবসা। একটা কোথাও ঢুকিয়ে দিন না।

    রমেশ সরকারী চাকুরে হলেও সেই সূত্র ধরেই কয়েকরকম সাপ্লাইয়ের ব্যবসা করেন অন্য নামে। দু’হাতে টাকার রোজগার করছেন, তাই নিয়েই মনের খুশীতে আছেন।

    রমেশ গম্ভীর হয়ে বললেন, নিজের আত্মীয়-টুকুম্বের মধ্যে কারুকে চাকরি দেওয়া পছন্দ করি না। সেটা ভালো দেখায় না। তার চেয়ে এখানে থাক না যতদিন ইচ্ছে।

    রমেশের ঘর দোতলায়। সন্ধেবেলা তিনি একটু মদ্য পান করেন। লুকিয়ে করতেই ভালোবাসেন! নিজের স্ত্রী ছাড়া আর কেউ জানতে পারে না।

    এবং কাজটা তিনি

    জানলার ধারে তিনি একটা গেলাস নিয়ে বসে ছিলেন। হঠাৎ মাথার ওপরে, ছাদে কি একটা শব্দ পেলেন।

    স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করলেন, কিসের শব্দ হলো?

    -কোথায় আবার শব্দ? আমি তো শুনি নি?

    ছাদের ঘরে চেয়ারে টানার শব্দ হল না?

    -তাই বলো, ও ঘরে তো অরু থাকে।

    -অরিন্দম? তাকে যে দেখলাম, এইমাত্র রাস্তায় গেল।

    -ফিরে এসেছে বোধ হয়।

    -ফিরে এসেছে কি? এই তো গেল। চোরটোর নয় তো!

    -এই সন্ধেবেলা চোর আসবে কোথায় থেকে?

    রমেশ তাঁর ব্যবসার টাকা পয়সা বাড়িতে সিন্দুকেই রাখেন। অফিসে করুকে বিশ্বাস করেন না, ব্যাঙ্কে রাখারও অসুবিধে আছে। সব সময় সেই জন্যেই তার চোরের ভয়। তিনি বললেন, একবার দেখতে হচ্ছে।

    -তুমি বসে আছো, বসো না। আমি দেখছি।

    -না, চলো। আমি যাই।

    রমেশ ঘর থেকে বেরুতেই তার স্ত্রী চেঁচিয়ে বললেন, ও কুন্তলা, কুন্তলা? ছাদের সিঁড়িতে আলো জ্বালা আছে?

    এটা একটা ইশারার কথা! কুন্তলার ঘর সিঁড়ির পাশেই। সে বৌদির কথা শুনেই তরতর করে উঠে গেল ওপরে। কোনো সাড়া দিল না।

    সব্যসাচী তখন বিছানা থেকে নামবার চেষ্টা করছিল। কুন্তলা ঘরে ঢুকে তাকে চেপে শুইয়া দিল খাটে। ঠোটে আঙুল দিয়ে বললো, চুপ? একটাও শব্দ করবেন না।

    তারপর মরা মানুষকে যেমন ঢাকে, সেই রকম একটা কম্বল দিয়ে আপাদমস্তক ঢেকে দিল তাকে।

    দরজা বন্ধ করে দিয়ে কুন্তলা দাঁড়িয়ে রইলো। উত্তেজনায় তার মুখখানা লালচে। রমেশ এসে দরজা ধাক্কাতেই কুন্তলা বলে উঠলো, কে?

    রমেশ জিজ্ঞেস করলেন, কে রে, ভেতরে? কুন্তলা নাকি?

    -হ্যাঁ, দাদা। আমি!

    -তুই এখানে কি করছিস?

    কুন্তলা দরজা খুললো, ভেতরটা আড়াল করে দাঁড়িয়ে বললো, এখানে বসে একটু পড়াশুনা করছি

    রমেশ ভুরু কুঁচকে বললেন, অরিন্দম এখানে শোয়। আর তুই এখানে পড়াশুনা করছিস মানে? বাড়িতে আর জায়গা নেই?

    -অরিন্দমদা বেরিয়ে গেলেন, তাই আমি একটু এলাম। এখানে খুব হাওয়া।

    – আজ আবার গরমটা কোথায়?

    কুন্তলা বেরিয়ে হেসে বললো, দাদা, তুমি রেগে গেছো মনে হচ্ছে? আমি এখানে পড়তে বসেছি তো কি হয়েছে?

    রমেশ একটু থতমত খেয়ে গেলেন। তাঁর এই বোনটি বড় আদরের। সকলের মুখের ওপর টকাস টকাস করে কথা বলে। রমেশের বাবা-মা তীর্থ করতে গেছেন, কুন্তলা সঙেগ যায় নি, পরীক্ষার পড়া পড়বে বলে।

    রমেশ অবিবাহিত ছেলে মেয়েদের মেলামেলা বেশি পছন্দ করেন না। অরিন্দমের সঙ্গে কুন্তলা হাসিঠাট্টা করে- এটা খুব একটা ভালো নয়। মুখে কিছু বলতে পারেন না যদিও। কুন্তলা মেয়ে অবশ্য খুবই ভালো, তার চরিত্র সম্পর্কে সন্দেহ করা যায় না। তবু, বলা তো যায় না, (ঘি আগুন এত কাছাকাছি থাকা)-অরন্দিমের সঙ্গে কুন্তলার বিয়ে দিয়ে কেমন হয়? তাতে যদি ছেলেটার মতিগতি ফেরে-তাহলে না হয় একটা চাকরি-বাকরির ব্যবস্থা করা যেতে পারে। আর যদি ঘরজামাই হয়ে-থাকতে চায়, আপত্তি নেই।

    এই সব ভাবতে ভাবতে রমেশ নিচে নেমে এলেন।

    কুন্তলা সিঁড়িতে উঁকি দিয়ে দাদার নিচে যাওয়া দেখে নিশ্চিত হয়ে আবার ঘরে ঢুকলো। কম্বলটা সরিয়ে ফেলে জিজ্ঞেস করলো, খুব কষ্ট হচ্ছিল?

    সব্যসাচী প্রথমে কিছুক্ষণ কোনো কথা বললো না। তারপর নিজের চেষ্টাতেই উঠে বসলো। বললো, দ্যাখো তো, অরিন্দম কোথায় সিগারেট রেখে গেছে। অনেকদিন সিগারেট খাই নি।

    টেবিলের ড্রয়ার থেকে পাওয়া গেল সিগারেট আর দেশলাই। বাড়িয়ে দিল সব্যসাচীর দিকে।

    সব্যসাচীর একটা হাত আশক্ত। দেশলাই জ্বালাবার ক্ষমতা নেই। সে কিছু বললো না, কুন্তলা বুঝতে পারলো। কুন্তলা ওর ঠোটে সিগারেট গুঁজে দিয়ে দেশলাই জ্বেলে বললো, এই নিন!

    সব্যসাচী সিগারেট ভালো করে টান দিয়ে বললো, শোন কুন্তলা তুমি আমাদের জন্যে এত করছো কেন?

    -কি করছি?

    -এই যে আমার সেবাযত্ন করছো, এর ফল জানো? পুলিশ আমাকে ধরার পর তোমাকেও ধরবে।

    – ধরুক!

    -জেলে যেতে চাও তুমি? ভাবছো জেলটা খুব রোমান্টিক জায়গা? অনেক পাগল হয়ে যায়। যাই হোক তোমাদের ওপর নির্ভর করে আছি বলে আমার নিজের ওপর ঘেন্না আর লজ্জা হচ্ছে।

    -লোকের কি অসুখ করে না?

    -আমার করে না। সাত বছর বয়সের পর আমি অর কোনো অসুখে শুয়ে থাকি নি। তাছাড়া মেয়েদের হাতের সেবা নেওয়া আমার পছন্দ হয় না।

    -আমি মেয়ে না হয়ে কোনো ছেলে হলে এমন কি তফাত হতো?

    -অনেক তফাত হতো। মেয়েদের সংসর্গ আমাদের এড়িয়ে থাকা উচিত। এতে আমাদের ব্রত নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

    -আপনি মেয়েদের ভয় পান?

    -নিজেকের ভয় পাই। তুমি বুদ্ধিমতী মেয়ে, আশা করি তুমি সব বুঝবে তাই তোমাকে খোলাখুলি বলছি। আমাদের রক্ত-মাংসের শরীর। এই শরীরে কি কামনা বাসনা নেই? সবই আছে। ব্রত পালনের জন্যে সেসব দমন করে থাকতে হয়। নির্জন ঘরে তোমার মতন সুন্দরী মেয়ে এত কাছাকাছি থাকলে আমাদের সংযমের বাঁধ ভেঙ্গে যেতে পারে।

    কুন্তল ঠোঁট টিপে হেসে বললো, আমি সুন্দরী বুঝি?

    -কেন, তুমি আয়না দেখো না? সুন্দরের প্রতি আমার একটা মোহ আছে। এক সময় আমি কবিতা-টবিতা লিখতাম এখন সেসব ঘুচিয়ে দিয়েছি। তবু মাঝে মাঝে মন দুর্বল হয়ে যায়। তাছাড়া অরিন্দমের বোধ হয় তোমার সম্বন্ধে –

    কুন্তলা সব্যসাচীকে থামিয়ে দিয়ে বললো, আপনি তো অনেক কথা বললেন, এবার আমি কিছু বলি? আপনি মেয়েদের সম্পর্কে কি ভাবেন জানি না। মেয়েদের সঙ্গে পুরুষদের বঝি শুরু কামন বাসনার সম্পর্ক? আপনারা দেশের জন্য চিন্তা করতে পারেন, কোনো মেয়ে বুঝি তা পারে না?

    -তেমন তো দেখি না বিশেষ। আমাদেরই দলের অনেক ছেলে মেয়েদের জন্য নষ্ট হয়ে গেল। শুধু বিয়ে করার জন্যে পুলিশের ইন-ফর্মারও হয়েছে কেউ কেউ।

    কুন্তলা বললো, আমার কথাটা এখনো শেষ হয়নি। আমি দেখছি, ছেলেদের মধ্যেও অনেকে দেশের কথা ভাবে না। খায়-দায়, ফুর্তি করে কিংবা শুধু নিজের জীবনের কথা ভাবে। সেই জন্যই যখন শুনি কেউ কেউ নিজের ঘর সুখসম্ভোগ ছেড়ে দেশের কাছে ঝাঁপিয়ে পড়েছে- তখন তাদের ওপর আমার খুব শ্রদ্ধা হয়। তাদের যদি কখনো সামান্য সাহায্য করতে পারি, তাহলে নিজেদের ধন্য মনে করবো। সে রকম কারুকে তো আগে কাছ থেকে দেখিনি, আপনাদেরই প্রথম দেখলাম। কিন্তু আপনারও যদি সাধারণ প্রেম ভালোবাসার কথা বলেন কিংবা ন্যাকামি করতে আসেন, তাহলে আমি খুব দুঃখ পাবো। শুধু দুঃখ পাবো না, দরকার হলে আপনাদের মুখে থুতু ছিটিয়ে দেবো।

    সব্যসাচী স্নান গলায় বললো, তাহলে তুমি আমার মুখে থুতু দাও। আমি দুর্বল হয়ে পড়েছি। শুধু যে আমার শরীরটাই এখন দুর্বল তা-ই নয়, আমার মনটাও দুর্বল এখন। তুমি যখন আমার ব্যাণ্ডেজ বেঁধে দাও কিংবা আমার গায়ে তোমার হাতের ছোঁয়া লাগে আমি ভেতরে ভেতরে শিউরে উঠি!

    ছি!

    কুন্তলা এত কঠোর হয়ো না। কঠোর হওয়া মেয়েদের মানায় না। আমি তো এই কথাটা স্বীকার না করলেও পারতাম। কিন্তু নিজের দুর্বলতা আমি গোপন রাখতে চাই না। তুমি কেন আমাকে এভাবে নষ্ট করে দিচ্ছো?

    -প্লিজ এরকম করে বলবেন না। মেয়ে হওয়া কি আমার অপরাধ?

    -অপরাধ কি না, ঠিক তা জানি না। তুমি আর এ ঘরে এদম এসো না। আমার বাণ্ডেজ- ফ্যাণ্ডেজ যা বদলবার তা অরিন্দমই করে দেবে। এভাবে বেশী দিন থাকারও কোনো মানে হয় না।

    -আপনার ইয়েটার জন্য একজন ডাক্তার বিশেষ দরকার।

    -মনে হচ্ছে, আমার হাতটা পচে যাচ্ছে। বোধ হয় হাতটা কেটে বাদ দিতে হবে।

    কুন্তলা মুখ দিয়ে একটা ভয়ের শব্দ করলো।

    সব্যসাচী বললো, মৃত্যুর সঙ্গে আমাদের গাঁটছড়া বাঁধা হয়ে গেছে। আজ হোক কাল হোক, আমাকে মরতেই হবে। রাসবিহারী বোস ছাড়াও এ পর্যন্ত ভারতবর্ষের কোনো বিপ্লবই বৃটিশ পুলিশের হাত থেকে রক্ষা পায় নি। দেশের কাজ বলতে তোমার মনে নিশ্চয়ই একটা আবছা ধারণা আছে। আমরা কি করেছি, তা কি তুমি জানো? আমরা একটা রেল-ডাকাতি করতে গিয়েছিলাম-সেখানে একজন বা দু’জন লোককে আমরা মেরে ফেলেছি। ফাঁসির দড়ি আমার মাথার ওপর ঝুলছে।

    কুন্তলা এগিয়ে এসে ব্যাকুলভাবে বললো, মৃত্যুর কথা বলবেন না। আপনাকে বাঁচতে হবে। সব ছুড়ে সন্নাসী হয়ে গেলে হয়তো বাঁচা যায়। কিন্তু আমার ধর্মবিশ্বাস নেই। বিবেককে ফাঁকি দিয়ে আমি বাঁচতে চাই না। তবে, মরার আগে একটা প্রচন্ড লড়াই দিয়ে যেতে চাই। তাও যদি না পারি, তাহলে আমার দুঃখের শেষ থাকবে না।

    – সেই জন্যও তো আপনার সেরে ওঠার দরকার। আমি কি এইটুকু সাহায করতেও পারি না?

    সব্যসাচী বললো, তোমার হাতটা আমার কপালে একবার রাখো।

    কুন্তলা বিনা দ্বিধায় তার ডান হাতটা ছোঁয়ালো সব্যসাচীর কপালে। সব্যসাচী তার ওপর নিজের সুস্থ হাতটা রাখলো। বললো, আঃ কি নরম আর ঠাণ্ডা তোমার হাতা। কপালটা জুড়িয়ে যায়। এই রকম সময় মনে হয় কি জানো, কি হবে যুদ্ধ বিগ্রহ করে। বাইরে ছোটাছুটি করাই বা কি দরকার। এই রকম একটা জায়গায় সারাজীবন শুয়ে থাকি, তোমার হাতটা আমাকে ছুঁয়ে থাকুক।

    মাথাটা সরিয়ে সব্যসাচী হঠাৎ আবার রুক্ষভাবে বললো, এই জন্যই বলছিলাম, তোমার আর এ ঘরে আসবার দরকার নেই। কক্ষনো আর আমার সমানে আসবে না।

    কুন্তলাও দীপ্তভাবে জবাব দিল, হ্যাঁ, নিশ্চয়ই আসবো। যতদিন না আপনি সেরে ওঠেন, আমি আপনার সেবা করবো। তারপর আপনি সুস্থ হয়ে উঠলে, জোর করে আপনাকে পাঠিয়ে দেবো যুদ্ধে। তখন আর আমার দেখা পাবেন না।

    রমেশ নিচে নিজের ঘরে ফিরে মদের পাত্রটি নিয়ে বসে নানা কথা ভাবছিলেন। ভাবতে ভাবতে তার চৈতন্য উদয় হলো।তিনি এবার স্ত্রীকে কিছু না বলে সোজা উঠে এলেন ওপরে। দরজা ঠেলে ভেতরে ঢুকলেন।

    কুন্তলা মেঝেতে বসে ছিল সব্যসাচীর খাটের পাশে। তাড়াতাড়ি উঠে দাঁড়লো। সব্যসাচী তার বালিশের তলায় হাত ঢুকিয়ে চেপে ধরলো রিভলভারটা।

    রমেশ জিজ্ঞেস করলেন, এ কে?

    কুন্তলা সপ্রতিভ হবার চেষ্টা করে বললো, দাদা, তুমি তো কখনো সন্ধেবেলায় ওপরে আসো না?

    – এ কে? জবাব দিচ্ছিস না কেন?

    সব্যসাচী শান্তভাবে বললো, আপনি বসুন। আমিই সব বলছি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকুবেরের বিষয় আশয় – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    কৈশোর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    অর্ধেক মানবী – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ফুলমণি-উপাখ্যান – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026
    Our Picks

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026

    কুবেরের বিষয় আশয় – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }