Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মরুস্বর্গ – আবুল বাশার

    লেখক এক পাতা গল্প255 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মরুস্বর্গ – ৮

    ০৮.

    দ্বিতীয় পর্ব

    তারপর বেশ কিছু বছর কেটে গেছে মধুদুগ্ধের দেশে। রিবিকার সঙ্গে সাদইদের দেখা হয়নি। সাদইদ তার জীবন শুরু করেছিল একটি বৃক্ষের মত। একটি ছোট গ্রামে নদীর তীরে ছোট কুটির বেঁধেছিল। চাষীর চোখে ছিল তার প্রতি ঘৃণা আর করুণা। পশুদল নিয়ে সে প্রবেশ করেছে, যাযাবর যেমন প্রবেশ করে। রাত্রির অন্ধকারে হানা দিয়েছিল যেন সে। চাষীরা তার পশুগুলি কেড়ে নিয়ে বলেছিল–যা ভাগ! এ লোক যুদ্ধ বাধাবার জন্য এসেছে নিশ্চয়। শোন ভাই, এখানে ওসব চলবে না।

    মাথা নিচু করে চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকার পর চাষীদের সাদইদ বলল–পশুগুলি আমি তোমাদের জন্যই কষ্ট করে এনেছি। আমি যুদ্ধ-ফেরত একজন সাধারণ সৈনিক। চাষবাস জানিনে। এই সব গরু আমার কোনই কাজে লাগবে না। তোমরাই রাখো। তবে আমায় তাড়িয়ে দিও না। এ আমার বন্ধু হেরা। নিনিভের লোক। ওর বউ মড়কে মরেছে। শিশুপুত্র হারিয়ে গিয়েছে। বাচ্চাটিকে আমরা খুঁজছি। আমাদের আশ্রয় দাও। মহাত্মা ইহুদের কাছে আমাদের ছেলেটি রয়েছে, ওঁর এক মেয়ের কোলে আমরা তাকে দিয়েছি।

    –কোন্ মেয়ে সেকথা বলবে তো! তাঁর কি মেয়ের শেষ আছে? অবিবাহিত ইহুদের চোখে মেয়ে মাত্রই হয় মা, নয় মেয়ে। অতএব সঠিক করে বলতে হবে কার বউ, কার কী, কোথায় থাকে–গ্রামের নাম–সবকিছু বলতে হবে! ইহুদ থাকেন পাহাড়ে–কোন্ পাহাড়ে তাও আমরা দেখিনি। কত শিশুই যে তাঁর দয়ায় বেঁচেছে! তিনি তো মহাপুরুষ! হলফ করে বলতে পারি ওই ছেলে নষ্ট হয়নি। মহাত্মা বহাল রাখেন, নষ্ট করেন না!

    একজন মধ্যবয়স্ক চাষী গড়গড় করে বলে যেতে লাগল। একজন বৃদ্ধ তাকে সমর্থন করে বলল–হ্যাঁ, হ্যাঁ ঠিক! মড়কের মুখ থেকে তিনি রক্ষা করেন, যুদ্ধের হাত থেকে বাঁচান। রাজা হিতেনের অতবড় সৈন্যদল তাঁর লাঠির ইশারায় মাটিতে শুয়ে গিয়েছিল, আর ওঠেনি! রাজা মুখে রক্ত তুলে পথের ওপর পড়ে গেল। সেই যে পড়ল, আজও পড়ল, কালও পড়ল। বলি কি, ছেলে নিশ্চয় আছে, নষ্ট হয়নি।

    মহীপাল নামে একজন সম্পন্ন কৃষকের গোয়ালে গরুগুলিকে লোকেরা বেঁধে দিল–ভেড়াগুলিকে খোঁয়াড়ে ঢুকিয়ে দিল। তারপর বলল–যাও, ঢুঁড়ে দ্যাখো!

    এইভাবে মধুদুগ্ধের দেশ সাদইদ আর হেরাকে অভ্যর্থনা জানায়। হেরা ধৈর্য, রিয়ে বলে ওঠে–শিশুকে আমি আর পাব না সাদ!

    –পাবে। নিশ্চয় পাবে। অতবড় একটা নগরের স্থপতি তুমি। একদিনে সই নগরী গড়ে ওঠেনি। তুমি কত ধৈর্যে সেই রূপ তোয়ের করেছ। আগে কিটু ঠাঁই দরকার। তারপর শিশুকে খুঁজব আমরা।

    –ঠাঁই তুমি কোথাও পাবে না! তখন সেদিন রাগ করেছিলে, এখন দেখলে তা যাযাবর ভাড়াটে সৈনিকের কোথাও জায়গা নেই। মড়কের নগরী থেকে সেছি বলে এই একটা ভাঙা কুঁড়ের কাছে ফেলে রেখে ওরা দিব্যি চলে গেল! লো ফিরে যাই।

    –কোথায় যাব! জীবনভর এই একটা দেশের স্বপ্ন দেখেছি হেরা! সন্যদের বলতাম যদি কখনও একটা গ্রামের অধিকার পাই… থাক সে কথা। এলাম তো যাযাবরের মত। অথচ এ আমার নিজের জন্মস্থান। কেউ আমায় চনে না। আবার আমি মরুভূমিতে ফিরে যাবো! সেই তাঁবুর জীবন, সেই উটের গাম ধরে পথ চলা।

    –তাহলে ইহুদের শরণাপন্ন হও। তার ধর্ম গ্রহণ করো।

    –অসম্ভব!

    –কেন?

    –ইহুদের ধর্ম মরুভূমির ধর্ম! মাটি ছাড়া মূর্তি হয় না। ভেবে দ্যাখো!

    –হ্যাঁ! সেকথা ঠিক।

    –বালি মুঠো করলে মূর্তি তো হবে না!

    –না।

    –মরুভূমি একঘেয়ে। ধূসর। যতদূর চাও কোন ছবি নেই।

    –নেই বটে।

    –ইহুদের ধর্মের ঈশ্বর পাহাড়ে থাকেন। তাঁর কোন রূপ নেই। আছে কবল আগুন-ঝরা দুটি চোখ। চোখ দু’টিও দেখা যায় না। কল্পনা করা যায় ত্র। রূপ মানে তো মাটি। মানে গ্রাম + ছবি। ঠিক তোমায় বোঝাতে রছিনে।

    –বুঝতে কিছুটা পারা যে না যায়, তা নয়। তবে সেই ইহুদই জিতে গছেন। মূর্তিহীন ঈশ্বরই সব দখল করেছেন–এখন তুমি কী করবে!

    –তবু রূপ যে খুব গুরুতর বিষয় হেরা! তা যে একটা প্রজাপতি!

    –তোমার কথা আর বোঝা গেল না।

    –আমিও ঠিক বুঝি না, বালিতে মূর্তি হয় না কেবল এটুকু তোমায় বলতে পারি। দ্যাখো, রূপ, আকৃতি, জ্যামিতি, একটা ছায়া–এসব আমার চাই। পরমায়ু যখন ফুরায় তখন একটা পিরামিড খাড়া হয়। পাহাড়ের গুহায় আঁক শিকার শিকারী–এ তো ছায়া। নিনিভের গায়ে আঁকা রাজা চলেছে মৃগয়ায়–রাজা থাকল কি গেল সেটা কথা নয়। ছায়াটাই আসল। রূপ তাছাড় কী? তুমি কেন আমার সঙ্গে এসেছ! নিনিভে নেই। কিন্তু তোমার হৃদয়ের ভিতর সেটা দেখতে পাও! পাও না?

    –পাই।

    –তবে? বল, এমন কেন হয়! আমি কেন দুটি প্রজাপতি আর লোটার করুণ মুখখানা ছাড়া কিছুই দেখতে পাইনে। লোটা হিতেনকে বশবিদ্ধ করে মারে। এইজন্যই মারে যে,রাজা হিতেন তাকে বধ্যভূমিতে নিয়ে গিয়ে বধ করতে চেষ্টা করে। সেই সময় আকাশ ছেয়ে যায় ঈগল পাখিতে-পাখিরা মড়ব সংকেতকারী লাল ইঁদুর নখে ধরে উড়ে আসে, কারণ ইঁদুর তাদের খাদ্য। ভয়ে রাজা তার দলবল নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে–ছুটে চলেছে–এমন সময় লোট বশ ছোঁড়ে। এটা একটা অভিজ্ঞতা। তারপর লোটা পশুদল নিয়ে বালি ছেড়ে মাটির দিকে যাচ্ছিল। সে একটা ছবি হতে চাইছিল। আকাশে একটি যুদ্ধ চলছিল ঈগলে আর ইঁদুরে। নিচে ঘটছিল হিতেন আর লোটার যুদ্ধ। তাহলে বল, এখানে ইয়াহোর ইশারা কোথায় ছিল!

    হেরা অনেকক্ষণ মুখ বুজে থেকে বলল–তোমার অভিজ্ঞতা স্বাভাবিক কিন্তু কারো কাছে সেটা স্বাভাবিক না-ও হতে পারে। ক্রমাগত যুদ্ধ সমস্ত রূপ আকৃতি, ছবি, জ্যামিতি, তাঁবু, গৃহ সব–সমস্ত ভেঙে দেয়। তামাম কিছু অদৃশ করে দেয়। তাহলে অদৃশ্য একটা জগৎ আছে কোথাও। ইহুদ মনে করেন ইয়াহো সেই জগতে থাকেন। তোমাকেও ভেবে দেখতে হবে এসব কথা লোটা ছিল, লোটা নেই।

    সাদইদ হেসে ফেলে বলল–এভাবে আমায় বোঝাতে পারবে না হেরা! য কিছু অদৃশ্য হয় তা মানুষ আবার ফিরিয়ে আনতে পারে। সব ছবি । এবং তা আরো সুন্দর করে আনতে পারে। সব রূপ। সমস্ত।

    –হ্যাঁ পারে! পারে বইকি!

    বলতে বলতে দূরে কুটিরের আলোর দিকে চাইল হেরা। একটি বউ ছোট মশাল ধরিয়ে আলোর শিখার দিকে উপরে চোখ তুলে চেয়ে আছে। অন্যমনস্ক সুরে হেরা অতঃপর বলল–কিন্তু লোটা আর ফিরবে না!

    –সে তো ইয়াহোর ইচ্ছে! সেই ইচ্ছেয় আমার আগ্রহ নেই। কারণ লোটাকে ফেরানোর ক্ষমতা আকাশের খোদারও নেই। রেগে যেও না স্থপতি! যা তিনি ফিরিয়ে দেন না নিয়ে ব্যাখ্যা চলতে পারে কিন্তু সেই ব্যাখ্যায় অদৃশ্য জগৎটা অদৃশ্যই থেকে যায়–আলো পড়ে না সেখানে। সেই অন্ধকার আমি চাই না।

    –রেগে তো তুমিই গেছ সাদইদ! তর্ক তুমিই করছ!

    –তর্ক তো এক মুখে হয় না। যা আমি সবচেয়ে ঘৃণা করি, সেই অদৃশ্য জগতের কথা তুললে! বরং একটি বীজ থেকে একটি গাছ কীভাবে উঠে আসছে, সেই পর্যবেক্ষণ অনেক সুন্দর। তোমার শিশুকে যেদিন নলখাগড়ার কাগজে তৈরি নৌকা, উপহার দিলাম–সেদিন সে হেসে উঠেছিল। আজও সেই হাসি দেখতে পাই। এর চেয়ে সুন্দর আর কী আছে! এই নৌকা আমার পিতা নোহ বানিয়েছিলেন। জীব এবং বীজের সুরক্ষার জন্য। আমি কাগজের নৌকা বানাতে বানাতে ভেবেছি আসল নৌকা জ্যামিতি মাত্র কাঠের বাহু ছোটবড় করে গাঁথা–এই বুদ্ধি নোহের ছিল।

    হেরা বলল–কিন্তু এখন আমার সমস্ত বুদ্ধি লোপ পেয়েছে সাদ। ভয়ংকর রাত। কড়িয়ে শীত পড়বে! বাঁচব তো? দাঁড়াবার মত মাটিও যে পাইনি!

    একটু ভেবে হঠাৎ সাদইদ বলে উঠল–একটা উপায় হতে পারে হেরা! চলো ওই বউটার কাছে গিয়ে প্রার্থনা করি! যুদ্ধ নারীকে সবচেয়ে বেশি ক্ষয় করে–কিন্তু চাষীর ঘর–দয়ামায়া থাকতে পারে! একখানা কাঁথা যদি দেয়, রাতটা তাহলে কোনরকমে কাটিয়ে দিতে পারব!

    কাঁথা চাইতে গিয়ে আশ্চর্য ঘটনা হয়! বউটি ওদের দেখে স্তম্ভিত হয়ে চুপচাপ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকে। তারপর ফিক করে হেসে ফেলে মেঝেয় পড়ে থাকা কাঁথা জড়ানো এক বুড়িকে ধাক্কা দিয়ে দিয়ে জাগিয়ে তোলে। বৃদ্ধা ঘুম জড়ানো চোখে সাদইদকে দেখে ভয়ানক আশ্চর্য হয়। এ যে সাদইদ! সারগন!

    বোবা বুড়ি অদ্ভুত অব্যক্ত আহ্লাদে চাপা স্বর তোলে মুখে। বউ বুঝতে পারে লোক দুটি খারাপ নয়। বুড়ির চেনাজানা ঠাহর হচ্ছে। বুড়ি তার আঁচল খুলে কুমীরের প্রতীকগুলি দেখিয়ে অভিমানের সুরে জিভ ঠেলে ঠেলে একটা শব্দই কেবল বার করতে পারে বহু কষ্টে–লোটা! লোটা!

    শিউরে ওঠে সাদইদ।

    –তুমি চেন? প্রশ্ন করে হেরা!

    অশ্রুরুদ্ধ স্বর চেপে বুড়ির মুখের কাছে মুখ নামিয়ে সাদইদ বলল–লোটা আসবে বুড়ি-মা! একদিন লোটা কি আসবে না! দ্যাখো, কেঁদো না!

    কুমীর বুড়ি এ সংসারে কী করে এল? কপাল চাপড়াচ্ছে বোবা ভাষায় করাঘাত করতে করতে! মশালের আলো কাঁপছে! নদী থেকে বাতাস বহে আসছে! বাতাসে আঁশের গন্ধ! বোধহয় কোথাও মাছের জালও অন্ধকার উঠোনে টাঙানো আছে। নইলে গন্ধ এত স্পষ্ট হবে কেন! এ তবে চাষী পুরোপুরি নয়, জেলেও বটে। কুমীর সেই নদী অববাহিকার ত্রাস। দেবতা মাত্র।

    কাঁথা ওরা পেল। ভাঙাকুটিরে ফিরে এল। সমস্ত রাত দাঁত কাঁপানো শীত। কাঁথা গায়ে দেওয়া দুটি সুন্দর বলিষ্ঠ গাভী সারারাত শীতে নাদলো আর প্রস্রাব করল ছড়ছড় শব্দে। একই ভাঙা কুটিরে বাঁধা থাকল দুজন মানুষ আর দুটি গরু।

    ভোরের দৃশ্য আলাদা। বুড়ি ছুটে এল সাত সকালে। এসেই সে যেমন করে লোটার গায়ে হাত বুলিয়ে দিত, ঠিক তেমনই ভালবাসায় সাদইদের গায়ে হাত বুলিয়ে চলল। সে যেন যুদ্ধের রক্ত মুছিয়ে দিচ্ছে। লোকে সবাই ভিড় করে এল। বুড়ির আহ্লাদ ধরে না। যুদ্ধের দ্বাত্মক রুদ্রতার আড়ালে বোবা এই বুড়ি পড়ে ছিল! এককোণে। যুদ্ধ তাকে কী করে যেন ধর্তব্যই ভাবেনি। অথচ সে ছিল। এই বউটি তার ছেলের বউ। তাদের সে ফিরে পেয়েছে। কিন্তু তার থাকাটাই বিস্ময়কর!

    হেরা বলল–তুমি বুড়িকে মিথ্যে কথা বললে কেন?

    –বুড়ি শুনতে পায় না হেরা! ওর কাছে লোটার মৃত্যু নেই! আর এরকম একজন মানুষকে সবাই বিশ্বাস করে। ও না থাকলে জীবনটা শুরু করাই যেত না।

    এইভাবে গ্রামে ঠাঁই পেল ওরা। কিন্তু শিশুর সন্ধান তারা পেল না। হেরা একদিন নির্জন দুপুরে ফুঁপিয়ে উঠল নদীর মৃদু কলোলিত স্রোতের দিকে চেয়ে। তার বুকের ভিতর রয়েছে অবলুপ্ত বিধ্বস্ত নগরীর স্মৃতি। সে প্রসিদ্ধ স্থপতি। কিন্তু আজ তার কোন কাজ নেই। গ্রামের কুঁড়েঘরে তাকে থাকতে হয়। অত্যন্ত নিম্নমানের পরিবেশ। স্যাঁতসেতে ঘর। কখনও বৃষ্টিতে মাটি ফুলে ওঠে জোঁকের মত। মরুভূমির তপ্ত হাওয়ায় সেই গৃহ হাহাকার করে কখনও বা। নদীর বন্যায় সেই কুটির তলিয়ে যায়। এখানকার চাষবাস অত্যন্ত পুরনো ধরনের। বীজ ছিটিয়ে তার উপর দিয়ে ছাগল ভেড়ার পাল দৌড় করানোর বুদ্ধিও জানে না–যাতে করে পশুর পায়ের দাপানিতে বীজ পুঁতে গিয়ে তোফা উদ্ভিদ দিতে পারে। কিছুই জানে না। এত খাদ্যাভাব এখানে। আকাশে মুখ তুলে হাহাকার করা আর রাতদিন ঢোল বাজিয়ে বালদেবের মন্দির মাত করা এদের কাজ। চারিদিক থেকে নানান জনপ্রবাহ এসে মিশেছে–কাউকে এরা খেদায় না। নানান দেশে পৌঁছনোর রাজপথগুলি এই দেশের বুকের উপর দিয়ে চলে গেছে। রথ, অশ্ববাহী সেনা, পদাতিক ছুটাছুটি করেছে এই পথে। চাষী তা চেয়ে চেয়ে দেখেছে।

    চোখের সামনে সৈন্যরা ঘর জ্বালিয়ে দেওয়ার খেলা খেলে চলে গেছে–চাষী মুখ বুজে থেকেছে। মিশরের দূতরা এসে লোভ দেখাতোযুদ্ধে চলো, প্রচুর উপহার দেব–মাতব্বর যদি হ্যাঁ করে মাথা নেড়ে দেয়,রাজা করে দেব। চাষী প্রলোভনে ভোলেনি। যুদ্ধ করা নয়, যুদ্ধ দেখা এদের রোমাঞ্চ। যুদ্ধ থামলে এরা বীরের গল্প ফাঁদে–আরে ভাই অমুক সারগনের কথা বোলো না–এমনি হাঁকলে ওই দেওদার তলায় দাঁড়িয়ে যে, লেডুর গর্ভবতী বউটা ছেলে বিইয়ে বসলে! লাও লেঠা!

    বলেই বিবরণকতা মাড়ির দাঁত বার করে এমনি নিঃশব্দে হাসলে যে, সেই হাসিটা গাঁময় ছড়িয়ে গেল, যারা দেখেছে তারাও তো আকুল, হেসে অস্থির, যারা মাড়ির বর্ণনা শুনল তারাও নিরাকুল হাসিতে আকাট হয়ে রইল। তারপর দলে দলে শুঁটকি মাছের চাট দিয়ে আঙুর তাল খেজুরের চোলাই মেরে তামাম রাত দেবী ইস্তারের ভাসান শুনল। দেবী কী করে পাতালে যেতে যেতে ক্রমশ নগ্ন হয়ে যাচ্ছে, বস্ত্রহরণের সেই দৃশ্যে মেতে গেল গ্রাম। তখন নদীর জল ফেপে উঠে মরাই তলিয়ে মাটির গোলার তলা ফাঁক করে ডিহি ছুঁয়ে এসে ভাসান শ্রোতাদের পাছার কাপড় ভিজিয়ে দিলে। সবাই তখন চমকে লাফিয়ে উঠে বলল–ওরে বাপ। হায় দেবী–এ যে বান বটে গো!

    এরা নদীতে বাঁধ দিতেও জানে না। নালা কেটে জলাশয় তৈরি জানে না। বান হলে পূজা দেয়। বজ্ৰ গজালে পূজা দেয়। মাটি শুকালে জিভ ফুড়ে একটা লগির সঙ্গে শেকল বেঁধে ঝোলে। বলে, লে মাতৃকা রক্ত খা! এ হল এদের দুর্ভিক্ষের শুখা মাটির মাদল বাজানো উৎসব। এই উৎসবে হঠাৎ জড়ো হওয়া কোন বহিরাগতকে দেখলেই হোতা ব্যক্তিটি শুধায়–মশাইয়ের যুদ্ধ জানা আছে নাকি! ভাড়াটে, না আসল! বহিরাগত মিটকি মিটকি হাসছে দেখে বললে–আচ্ছা নিবে নগরে একটা পাঁচিল ছিল শুনেছি। দেখতে কেমন ছিল মশাই! শুনেছি প্রস্থে আপনার কত গুণিতক কত হাত যেন পুরু। তা বেশ! শুনি সেই পাঁচিল নাকি ধ্বসে গেল তিনতলা সাঁজোয়ার ধাক্কায় । মিথ্যা বলব না। দু’ একখানা দেখেছি! এই রাস্তা ধরে গেছে…তিনতলা–সব চোলাই আর দেবদাসী ভর্তি হয়ে চলে গেল! দেখবেন, ঈষৎ রঙ লাগলে বলবেন, কথায় রঙ দেওয়া ঠিক নয়।

    –না না। বলুন। বেশ বলছেন আপনি। পাঁচালী শুনেছি তো, তাও এত ভাল লাগে না।

    উৎসাহিত দ্রাক্ষাবাগিচার মালী বলল–একথা শুনে ইহুদ বললেন, মেয়েলোক বাড়লে, দেবদাসী বাড়লে, বেশ্যা বাড়লে জানবে–এটা যুদ্ধের লক্ষণ! দ্যাখো আর নাই দ্যাখো, এটা যুদ্ধ। পুরুষ কমে যাচ্ছে, এটা যুদ্ধ! একথা মহাত্মার কাছে কোথায় শুনলাম শুনবেন! গত মাসে ওলাওঠা দেবীর থানে। না ভাই ঈষৎ ভুল হল। শুনলাম ভোমরাতলীর হাজারী থানে। ও গাঁয়ে কুমারী বলি হচ্ছে সেদিন। মহাত্মা এসে ঢাকের কাঠি হাত থেকে কেড়ে নিয়ে বললেন কুমারী মেরে বৃষ্টি নামে না–ইয়াহোকে ডাকো! তা আমরা ইয়াহোকে ডাকি না এমন নয়। ডাকি। অবসর পেলে ডাকি! বাপঠাকুদ্দা কুমারী বলি দিয়েছে, চারটা দশটা বিয়ে করেছে–আমরাও করছি। পূজা করলে কি আর ইয়াহোকে ডাকা যায় না। খুব যায়। ধম্ম ঠাকুর জানে, এই দিগরে দশটা কুমারী বলি হলে হুড়মুড়িয়ে আকাশে মেঘ জমে যাবে। ফলে সবাই মহাত্মাকে মারতে তেড়ে গেল! ইহুদ আকাশে লাঠি উচিয়ে বললেন, আমি নোটাকে মৃত্যুর মুখ থেকে উদ্ধার করেছি। আমি পারি! মেঘ জমবে। ওই দ্যাখ পাহাড়ে আগুন জ্বলছে। আকাশের তলায় রুদ্র জিহ্বা নীল রঙ চাটছে। মেঘ জমবে। ইয়াহোকে ডাকো।

    তারপর কী বলব ভাই, দুদিন যেতে না যেতেই আকাশ ফেড়ে ঢল নেমে গেল!

    হেরা বলল–সবই শুনলাম। কিন্তু আমি নালা কেটে জল ধরে রাখার কথা বলছি। নিনিভের গ্রামগুলিতে এই প্রণালীর চাষাবাদ ছিল। জলকেও বাঁধা যায় মালী। পাথর ফেলে, তক্তা বসিয়ে বন্যা ঠেকানো যায়। এ তোমার ঢাকের কাঠির সঙ্গে হাতের লাঠির তজা নয়। সেটা শ্রম ঢালবার অন্য চেহারা। তা ওহে মালী, সেই কুমারী মেয়েটা তো বেঁচে আছে!

    –আজ্ঞে আছে বইকি! যাবেন নাকি দেখতে! বাঁচার পর, মানে বলি তো হল না–সেই থেকে মেয়েটা বোবা হয়ে রয়েছে! দেখতে খুবই খাসা!

    –আচ্ছা যাব! কোথায় থাকে!

    –ওই আপনার উট-পাড়ায়!

    –উট?

    –আজ্ঞে!

    ক্ষুব্ধ হেরা এই প্রথম কনানের মাটি খামচে তুলল হাতে। তৈরি করল একটি উটের মূর্তি। মরুভূমিতে পায়ে হেঁটে গিয়ে শুকিয়ে আনল। রঙ করল। সাদইদ ঘোড়া নিয়ে কোথায় চলে যায়, অনেক রাতে ফেরে না। উটের মূর্তি দেখে বলল–এটাও তো কাজ হেরা!

    হেরা বলল–এটাই একমাত্র কাজ! এটা এক মূর্তিমান দেবতা। যে মেয়েটি বলি হয়ে যাচ্ছিল তার জন্য উপহার। আমি ভাস্কর নই। কারিগর। অজস্র মূর্তি দিয়ে এই দেশকে ভরে দেব সাদইদ। ইট কাঠ পাথর মাটি–সকল বস্তুকে দেবতা করে না তুললে মূর্তিহীন ঈশ্বর ডরাই না। ইহুদ কোথায় আছে–দেখে নাও, এরপর আত্মপ্রকাশ করে কিনা! আমার শিশুকে আমিই বহাল রাখব, সে নয়! সে কে?…

    সাদইদ বলল–আমার এখন কিছু মিস্ত্রী, কারিগর আর শিক্ষিত নালা প্রস্তুতকারক চাষীর দরকার। আমি বিধ্বস্ত নগরী থেকে তাদের তুলে আনতে চাই। বাড়তি ফসল–উদ্বৃত্ত ফসল না হলে তোমায় কাজ দেওয়া যাবে না। আমার চাই প্রচুর খাদ্য। পরিধান। পশম। আতর। সুম। ফুল। প্রচুর প্রজাপতি।

    –আমার এই উট–এই যথেষ্ট এখন।

    মালী এসে হেরাকে নিয়ে গেল কুমারী মেয়েটির কাছে। হেরা তাকে উট উপহার দিয়ে সম্ভোগ করল। মেয়েটি বাধা দিল না। সম্ভোগ শেষ হলে মেয়েটি ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগল। সেই দৃশ্য দেখতে দেখতে হেরা পাগলের মত ভাঙা ঘরটি ছেড়ে ছিটকে বেরিয়ে চলে এল পথে। মালী তাকে প্রচুর মদ খাইয়ে বলল–আপনি এবার কেঁদে হালকা হোন–আমরা জানি আপনার খুব কষ্ট ।

    –কিছুই জানো না তুমি,আহাম্মক! আমাকে ঠকালে কেন? বলেই চড় মারতে গেল হেরা। পারল না। তারপর হাউমাউ করে কাঁদতে লাগল। পড়ে রইল পথের উপর। মুখ ঘষড়াতে থাকল। বমি করল।

    মালী বলল-শালা রসের নাগর। কুত্তা!

    হেরা মদ খায়। মূর্তি তৈরি করে। দোকানপাটে সেই মূর্তি দিয়ে আসে। তার মন ভাল থাকে না। তার কষ্ট হয়, বুকের মধ্যে রয়েছে তার নিনিভে নগরী। তার পাগলামি কিন্তু সত্যিই ব্যর্থ হয় না। ইহুদ লক্ষ্য করেন, এইসব মূর্তি নিনিভের বাজারে পাওয়া যেত। দোকানপাটে সেই মূর্তি ছেয়ে গেছে। এই কারিগর কোথা থেকে এল! এ তো নাগরিক-বিদ্যার জিনিস!

    লোক দিয়ে সাদইদকে ডেকে পাঠালেন ইহুদ–তোমার সঙ্গে কথা বলার তেমন কোন প্রবৃত্তি আমার নেই সাদইদ। তবু তোমায় ডেকে পাঠাতে হল!. বললেন ইহুদ।

    সাদইদ বলল–আপনাকে আমি অনেকদিন ধরে খুঁজছি। আপনার সঙ্গে আমার বোঝাঁপড়ার শেষ হয়নি। আমি কাজের লোক। ধর্ম আপনার জিনিস! কিন্তু সেই ধর্ম যেন সত্য কথা বলে আমি চাইব! লোটাকে আপনি মৃত্যুর মুখ থেকে বাঁচিয়েছেন একথা সত্য নয়। লোটা বাঁচেনি।

    –তাহলে তুমিই তাকে হত্যা করেছ।

    কথার শুরুতেই পা থেকে বক্ষস্থল অবধি এবং দাঁড়া বরাবর একটা হিম স্রোত বহে গেল সাদইদের। উচ্চাসনে বসে দিব্যতা-মুগ্ধ চোখে কথা বলছেন শান্ত তীব্রখরে ইহুদ। সাদইদ বুঝতে পারল মূর্তিহীন ঈশ্বর তুচ্ছ নয়। তথাপি খানিক ইতস্তত করে সাদইদ বলল-লোটা মারা গিয়েছে, হত্যা তাকে কেউ করেনি। হেরা দেখেছে!

    –হেরা তো একজন পাপী মানুষ সাদইদ। মূর্তি বানায়। তা সে বানাক। কিন্তু নাগরিক পাপ যেন কুমারী মেয়েকে না দংশায়। নিভাকে আমি বলির হাত থেকে বাঁচিয়েছি–তাকে সে উটের মূর্তি উপহার দিয়ে বলাৎকার করেছে। বোবা মেয়েকে ধর্ষণ করার শাস্তি কী হতে পারে বিধান দাও হিতেনের পোলা। কী হে ভিত্তি! নিভাকে ডেকে আনো! আমি সমস্ত আঙুল কর্তন করব না। খালি ডান হাতের বুড়া আঙুলটা কেটে দেব। নদীতে বাঁধ বাধলেই হয় না সাদইদ। বাঁধ বাঁধো চরিত্রে! অবশ্য তোমার আর আমার সত্যের ধারণা আলাদা। কিন্তু তোমার ধারণা অনুযায়ী হেরার মৃত্যুই অনিবার্য ছিল।

    –এতবড় শাস্তি ওকে দেবেন না মহাত্মা ইহুদ!

    –কেন দেব না?

    সাদইদ কোন উত্তর দিতে পারল না। চুপচাপ মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে রইল। শিশু কোলে করে দাঁড়িয়ে ছিল রিবিকা,ইহুদের আসনের আড়ালে। লোটার মৃত্যুর কথা সে বিশ্বাস করতে পারছিল না। তার জানতে ইচ্ছে করছিল কোথায় কীভাবে লোটা মরেছে। তার চোখের সামনে বারবার লাফিয়ে উঠতে থাকল। দিগন্তাভিসারী এক কৃষ্ণ অষ। তার গলায় আজ আর কোন কান্না এল না। সে অপেক্ষা করেছে দিগন্তের দিকে চেয়ে। কেঁদেছে। কিন্তু কান্না এক সময় নিজেই থেমে গেছে।

    আজ মাথা নিচু করে থাকা সাদইদকে দেখে তার অন্তর কেমন মুচড়ে উঠল। একজন সামান্য চাষীর পোশাক পরা এই কি সারগন! মহা অপরাধীর মত দাঁড়িয়ে রয়েছে।

    ইহুদ সহসা কঠোর স্বরে বললেন–ঠিক আছে। দুটি শর্ত তোমায় পালন করতে হবে। প্রথমত হেরা আর মূর্তি বানাবে না। দ্বিতীয়ত নিভাকে সে বিবাহ করবে। যাও! ওহে কে আছে ওকে ওর শিশুকে দিয়ে দাও!

    রিবিক এগিয়ে এল সামনে! সাদইদের বলতে ইচ্ছে করল–এই নারীকে আমি চাই মহাত্মা ইহুদ। এর সঙ্গে আমার পাপের সম্বন্ধ!

    কিছুই কিন্তু বলতে পারল না সাদইদ। কেবল রিবিকার বিমর্ষ আর গভীর চোখ দুটির দিকে চেয়ে মৃদুস্বরে বলল–কেমন আছে প্রজাপতি!

    রিবিকা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল-জানি না সারগন!

    –শোন সাদইদ। লোটাকে আমি বাঁচাইনি। ইয়াহো বাঁচিয়েছিলেন! তোমার কথাই ঠিক। লোটা যদি না ফেরে কখনও, তবু এই সত্য স্থির থাকবে!

    বললেন ইহুদ।

    রিবিকা বলল-যুদ্ধ থেমেছে। তবু যুদ্ধ থামেনি সারগন। ভয় পেও না!

    কালো অষের পিঠে ওরা তিনজন। শিশু, নিভা আর সাদই। এ এক আশ্চর্য অশ্বারোহণ। চকিতে অন্য এক দৃশ্য ভেসে উঠল রিবিকার মনে। সাদা অশ্ব ছিল। সেটি। কিন্তু আজকের অশটি তো কৃষ্ণকায়। মুহূর্তে ম্লান হয়ে আসে চোখ।

    ভয় পেও না। যুদ্ধ থামেনি সারগন! আজ সাদইদের মনে হল, লোটা নেই, তবু তার অশ্ব আছে যেমন, তেমনি যুদ্ধও ফুরোয়নি। একদিন যুদ্ধ থামবে মনে হলে জীবনে আর কিছু বুঝি নেই, মনে হত! আজ মনে হচ্ছে, সব আছে তার। কিছুই হারায়নি। শুধু একটি শব্দ–ভয় পেও না। এ কী বিষম শক্তিধর। কুমারী বলি হয় যে দেশে, দেবী থাকেন নাঙা, বাবা মেয়ে ধর্ষিত হয়–সেই। দেশের নারীকণ্ঠে এত জোর থাকে কী করে! যুদ্ধ সব রূপ ভাঙে, আকৃতি ভাঙে, স্বর্গ ধ্বংস করে, ঈগল ওড়ায় আকাশে, যোদ্ধা ঘুমিয়ে পড়ে পথে, আর জাগে না, মরুশকুনের চোখ টলটল করে, সমেরু ঝোলে ডালে, তাঁবু আওয়াজ করে। ফটফটসু বহে, দুর্ভিক্ষ হয়, বান ডাকে, শোকে স্তব্ধ হয় পৃথিবী–তারপরও নারী বলে, ভয় পেও না। সামান্য চাষীকে, অতি তুচ্ছ যাযাবরকে, ভাড়াটে ফেরতা সৈনিককে ডাকে সারগন! সেই এক কোমল নারী ডেকে ওঠে, যাকে দুটি অদ্ভুত বর্ণবহুল ডানা কাঁপানো প্রজাপতি ফুল ভেবে অধিকার করেছিল! এ কী বিস্ময় ব্যাকুল চন্দ্রকলার দেশ। এ মরুমর্ত অশেষ শোকেও গান গায়!

    হঠাৎ কতকাল পর আকাশে চোখ তুলে চাইল সাদইদ। মনেই ছিল না, মাথার’পর আকাশ রয়েছে। সেখানে চাঁদ আর নক্ষত্ররাজি ওঠে। তার একদা পাহাড় ছিল, তথায় চাঁদ উঠত। রিবিকা সেই চাঁদের কথা বলেছিল। এই চাঁদ ওই পাহাড় ছেড়ে কোথাও যাবে না। এইরকম মনে হত! আজ আকাশ এমন করে সেজেছে কেন। চাঁদ তার চারপাশে নীল কস্তুরী আভায় জড়িয়েছে এক গোল পুরু বৃত্ত। যেমন নীল তেমনি সাদা। কী দারুণ ছবি! সমস্ত রাতেই চাঁদ একটি তারকা সঙ্গে করে উদিত হয়। সেই তারকাকে চাঁদ ছাড়ে না। আজ অজস্র তারকা চাঁদের চারপাশে ঘিরে বসেছে। চাঁদ যেন কথা বলছে, তারকারা ঝুঁকে পড়ে শুনছে–এইসব তারকা কোথায় ছিল। এভাবে চাঁদের চারিদিকে জুটল কী করে! চাঁদ যেন সভা বসিয়েছে আকাশে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসিমার – আবুল বাশার
    Next Article দ্য গড ইকুয়েশন : থিওরি অব এভরিথিংয়ের খোঁজে – মিচিও কাকু

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }