Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মা – আনিসুল হক

    লেখক এক পাতা গল্প410 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২৯. মা

    ২৯
    রুমী সকালবেলা উঠে এক কাপ ব্লাক কফি খায় ৷ হাতে থাকে টাটকা দৈনিক পত্রিকা ৷ ইত্তেফাকই তার বেশি প্রিয় ৷ তবে সঙ্গে দৈনিক পাকিস্তানটাও সে পড়ে থাকে ৷ আজকে পত্রিকা পড়তে গিয়ে সে উত্তেজিত হয়ে চিৎকার করতে থাকে ৷ ‘আম্মা, আম্মা…’
    জাহানারা ইমাম এগিয়ে আসেন ৷ ‘কী হলো রুমী!’
    ‘দ্যাখো সিকান্দার আবু জাফরের কী কবিতা বের হয়েছে পেপারে ৷’ রুমী গলা চড়িয়ে আবৃত্তি করতে শুরু করেছে:
    অনেক মাপের অনেক জুতোর দামে
    তোমার হাতে দিয়েছি ফুল হৃদয় সুরভিত
    যে-ফুল খুঁজে পায়নি তোমার চিত্তরসের ছোঁয়া
    পেয়েছে শুধু কঠিন জুতোর তলা ৷
    আজকে যখন তাদের স্মৃতি অসম্মানের বিষে
    তিক্ত প্রাণে শ্বাপদ নখের জ্বালা,
    কাজ কি চোখের প্রসন্নতায়
    লুকিয়ে রেখে প্রেতের অট্টহাসি!
    আমার কাঁধেই দিলাম তুলে
    আমার যত বোঝা :
    তুমি আমার বাতাস থেকে
    মোছো তোমার ধুলো
    তুমি বাংলা ছাড়ো ৷
    জাহানারা ইমাম ছেলের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকেন ৷ রুমী আবৃত্তিটা ভালোই করে ৷ করবেই ৷ সে তো ডিবেটে চ্যাম্পিয়ন ৷ কলেজের কালচারাল উইকে অনেকগুলো পুরস্কার পেয়েছে ৷ আবৃত্তি শুনতে শুনতে, বিশেষ করে যখন রুমী বলে উঠছে তুমি বাংলা ছাড়ো, জাহানারা ইমামের সমস্তটা শরীর কাঁটা দিয়ে ওঠে ৷
    আবৃত্তি শেষ হলে তিনি বলেন, ‘রুমী, আজকে তাড়াতাড়ি নাশতা করে নে ৷ তোরা তো রেসকোর্সের জনসভায় যাবি ৷ সুবহানও যাবে জেদ ধরেছে ৷ এর আগের দিন ‘না’ করেছি ৷ আজকে তো বাবা আর ‘না’ করা যায় না ৷ আজকে শেখ সাহেব নিশ্চয় ইম্পর্ট্যান্ট কিছু বলবেন ৷’
    রুমী বলে, ‘ওকে ওকে ৷ আই অ্যাম গোয়িং টু হ্যাভ মাই ব্রেকফাস্ট ৷ বাট, আজকের পেপারটা পড়ে একটু বোঝা দরকার, শেখ মুজিব আজকে কী বলবেন, কিছু আঁচ অনুমান করা যায় কি না ৷’
    টগর পড়ে জগন্নাথ কলেজে ৷ সে আজাদের আরেক খালাতো ভাই ৷ জায়েদেরও খালাতো ভাই সে ৷ আজাদদের মগবাজারের বাসায় থেকে সে জগন্নাথ কলেজে ইন্টারমিডিয়েট ক্লাসে পড়ছে ৷ তার বাবার ব্যবসা পটুয়াখালীতে ৷ সেখানে সে পড়েছে স্কুলে ৷ সেখানে সে যুক্ত ছিল ছাত্র ইউনিয়ন মতিয়া গ্রুপের সঙ্গে ৷
    আজাদ দাদা বয়সে তার চেয়ে অনেক বড় ৷ তার বন্ধুবান্ধবরাও আলাদা ৷ কাজেই টগরের সঙ্গে আজাদের সারা দিন দেখা হয় কেবল বাসাতেই ৷ সকালে বা গভীর রাতে ৷

    আজ ৭ই মার্চ ১৯৭১ ৷
    টগর সকাল থেকেই উত্তেজিত ৷ আজ রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভাষণ দেবেন ৷ ১লা মার্চই বঙ্গবন্ধু হোটেল পূর্বাণীতে ঘোষণা দিয়ে রেখেছেন, বাংলার মানুষের আত্মনিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির ঘোষণা তিনি দেবেন ৭ই মার্চ, জনসভা করে, রেসকোর্স ময়দানে ৷ এরই মধ্যে দেশের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ পাল্টে গেছে ৷ পুরোটা দেশ যেন এক উত্তাল বিক্ষুব্ধ সমুদ্র, সব রাজপথ আজ যেন মিছিল, প্রতিটা মানুষ আজ মিছিলম্যান, প্রতিটা কন্ঠ আজ যেন স্লোগান ৷ মিছিল, মিটিং, প্রতিবাদ, ব্যারিকেড, কারফিউ-জারি, কারফিউ ভঙ্গ, গুলি ৷ রোজ রাজপথে গুলি খেয়ে মারা যাচ্ছে মানুষ ৷
    এ অবস্থায় গতকাল প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান ভাষণ দিয়েছেন ৷ তাতে নতুন কোনো কথা নাই ৷ ২ শে মার্চ জাতীয় পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করেছেন ৷ আর বলে দিয়েছেন, ‘আমি এখনও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আছি, পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক আছি ৷ আমি যতক্ষণ আছি, পাকিস্তানের পুরোপুরি অখণ্ডতা বজায় রাখার চেষ্টা আমি করবই ৷ আমি জেনেশুনেই পূর্ব পাকিস্তান কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছি যেন আইন অমান্যকারীদের লুট, হত্যা ও অগি্নসংযোগ করার জন্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা অবলম্বন করা হয় ৷’
    তাঁর এই ধমক শুনে কি বঙ্গবন্ধু পিছিয়ে যাবেন ? নাকি আজ রেসকোর্সের ভাষণে তিনি বাংলার স্বাধীনতা ঘোষণা করবেন ? সর্বত্র এই আলোচনা ৷
    তরুণ টগর যে এত কিছু বোঝে তা নয় ৷ সে শুধু বোঝে আজ রেসকোর্স ময়দানে যেতে হবে ৷
    আজাদ বেরিয়ে গেছে দুপুরবেলাতেই ৷ তার সঙ্গে আছে তার বন্ধুরা ৷ আশরাফুল হক, জুয়েল, হ্যারিস, ইব্রাহিম সাবের প্রমুখ ৷ কে আছে এই ঢাকায়, যার যৌবন আছে, কিন্তু যে আজকের জনসভায় যাবে না ? আজকে সবাই উঠে গেছে রাজনীতির ঊর্ধে, দলের পরিচয়ের ঊর্ধে, রেসকোর্স ময়দানে সবাই যাচ্ছে দেশের টানে ৷
    জুয়েল বলে, ‘আশরাফুল যখন বউ ছাইড়া আসতে পারছে, তখন সবাই আজকা মিটিংয়ে যাইব ৷ আইজকা আর মিটিংয়ে জায়গা পাওয়া যাইব না ৷’
    ইব্রাহিম সাবের বলে, ‘আমার কিন্তু আজকে শেখ সাহেব কী বলেন, এইটা বড় ইন্টারেস্ট না ৷ আমার বড় ইন্টারেস্ট আরেকটা ৷ আমি চোখ-কান খোলা রাখব আর একজন নেতার দিকে ৷ বল তো কে ?’
    আশরাফুল বলে, ‘কে ?’
    ইব্রাহিম সাবের বলে, ‘নাজিম কামরান চৌধুরী ৷’
    আজাদ, জুয়েল, হ্যারিস সবাই হো হো করে হেসে ওঠে ৷
    আশরাফুল মুখে কৌতূহল ফুটিয়ে তুলে বলে, ‘ক্যান ?’
    ইব্রাহিম সাবের বলে, আমাদের বন্ধু নাজিম কামরান চৌধুরী, ডাকসুর ডাকসাইটে নেতা, যিনি কিনা ঊনসত্তরের গণঅভু্যত্থান থাইকাই গণআন্দোলন সমর্থন করতেছেন, তিনি তার সিলেটি বচনে কেমন ভাষণ দেন, এটাই আমার প্রিন্সিপ্যাল অ্যাট্রাক্শন ৷
    হ্যারিস বলে, ‘আমার মনে হয় না নাজিম ভাই আজকে ভাষণ দেবেন ৷ আজকে শুধু বঙ্গবন্ধু একাই বলবেন ৷ আর কোনো বক্তারই আজকে কোনো চান্স নাই ৷’
    ইব্রাহিম সাবের বলে, ‘দেখি গিয়া ৷’
    তারা হাঁটছে ৷ মার্চের আকাশ ঘন নীল ৷ রোদটা গায়ে মিষ্টিই লাগছে ৷ একটু একটু করে বইছে বসন্তের বিখ্যাত বাতাস ৷
    জুয়েল বলে, ‘এই, দেখছস, বাতাসটা কত মজা লাগতেছে ৷ কপালের ঘামের মধ্যে বাতাস লাগলে মনে হইতেছে, বউ আঁচল দিয়া বাতাস করতেছে ৷ আশরাফুল, ক তো দেখি এই বাতাসের নাম কী ?’
    আশরাফুল বলে, ‘বাতাসের আবার নাম কী ?’
    জুয়েল বলে, ‘আছে ৷ এই বাতাসটার নাম হইল ছমিরন বিবি ৷’
    আজাদ বলে, ‘যাহ্ ৷’
    জুয়েল বলে, ‘আমরা কই ছমিরন বিবি ৷ আর বইয়ের ভাষায় সমীরণ ৷ মৃদুমন্দ সমীরণ ৷ হালায় মৃদুটা না হয় বুঝলাম, মন্দটা বুঝলাম না ? ছমিরন বিবির মনে হয় ক্যারেক্টার লুজ ৷’
    আজাদরা হাঁটে ৷ মগবাজার থেকে রেসকোর্স ময়দান, বেশি দূর নয় ৷ আর পুরোটা ঢাকা যেন আজ ছুটে চলেছে রেসকোর্সের দিকে ৷ কত দূরদূরান্ত থেকে আসছে এইসব মানুষ-কে জানো ? সবার হাতে লাঠি, কারো কারো হাতে রড ৷ ওই যে টঙ্গী থেকে আসছে শ্রমিকদের মিছিল ৷
    ‘হায় হায় দ্যাখো দ্যাখো’-হ্যারিস আঙুল তুলে দেখায়, একটা শাদাছড়ি মিছিল যাচ্ছে ৷ সবাই অন্ধ ৷ অন্ধরাও যাচ্ছে আজ মিছিলে ৷
    জায়েদ রওনা দিয়েছিল একটু বেলা করে ৷ মগবাজার থেকে রমনা পর্যন্ত এসে সে আর এগোতে পারে না ৷ কাকরাইল মোড় পর্যন্ত গিজগিজ করছে মানুষ ৷ সে ভিড়ের মধ্যে তার ছোট্ট শরীরটা সুইয়ের মতো গলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে ৷ কিন্তু সমস্যা করছে পায়ের স্পঞ্জের স্যান্ডেলগুলো ৷ লোকের পায়ের পাড়া পড়ে স্যান্ডেলের গোড়ায়, স্বাধীনমতো এগোনো যায় না ৷ দুরো শালার স্যান্ডেল ৷ সে পা থেকে স্যান্ডেল দুটো খুলে হাতে নেয় ৷ তারপর তার এগোতে সুবিধা হয় বটে, কিন্তু পাবলিকের গায়ে স্যান্ডেলের ছোঁয়া লাগতে থাকে ৷ না, এটা অন্যায় হবে ৷ এরা সবাই জয় বাংলার লোক ৷ এদের গায়ে স্যান্ডেলের স্পর্শ লাগলে এদের অকল্যাণ হতে পারে ৷ সে স্যান্ডেল দুটো বিসর্জন দেয় জনতার ভিড়ে ৷
    আকাশে হঠাৎই হেলিকপ্টার উড়তে দেখা যায় ৷ জনতা ক্ষণিকের জন্যে গুঞ্জরণ করে ওঠে ৷ তারা সবাই তাকিয়ে আছে আকাশের দিকে ৷ ব্যাপার কী ? হেলিকপ্টার কেন ? বোমা ফেলবে নাকি ? নাকি বাঙালিকে ভয় দেখাচ্ছে ? বাঙালি ভয় পাওয়ার পাত্র নাকি ?
    জাহানারা ইমাম তার বাড়ির ছাদে উঠেছেন রেডিও নিয়ে ৷ একটু আগেও রেডিওতে আমার সোনার বাংলা গান হচ্ছিল ৷ এখন কোনো সাড়াশব্দ নাই ৷ ব্যাপার কী ? তার স্বামী শরীফ ইমাম, তার দুই ছেলে রুমী আর জামী, বাড়ির কাজের লোক সবাই গেছে শেখ মুজিবের জনসভায় ৷ তিনি ভেবেছিলেন রেডিওতে এই ভাষণ সরাসরি প্রচার করা হবে যখন, তিনি রেডিওতেই শুনবেন ৷ এখন দেখি কোনো আওয়াজ হচ্ছে না ৷ ব্যাপার কী ? ছাদে উঠে তিনি দেখতে পান হেলিকপ্টারের চক্কর ৷ তার বুকটা একটু কেঁপে ওঠে ৷
    টগর লম্বায় তেমন বেশি নয় ৷ এমন গাদাগাদি ভিড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে সে মঞ্চটা দেখতে পাচ্ছে না ৷ সে এখন করেটা কী ? বঙ্গবন্ধুকে তার এক নজর দেখা চাই-ই চাই ৷ ওই তো একটা গাছ দেখা যায়, তাতে একজন দুজন ছেলে-ছোকরা উঠে পড়েছে ৷ সেও তো এই কাজটা পারে ৷ গাছে ওঠার ব্যাপারে তার দক্ষতা সে পটুয়াখালীর দিনগুলোতে প্রমাণ করেছে ৷ সে তাড়াতাড়ি গাছের নিচে চলে যায় ৷ একটা কৃষ্ণচূড়াগাছ ৷ গোড়াটা বেশ লকলকে, ডালপালাহীন ৷ চড়াটা সহজ হবে না ৷ সুপারিগাছে ওঠার মতো করে বেয়ে বেয়ে উঠতে হবে ৷ তাই সই ৷ টগর গাছে উঠতে লেগে যায় ৷ গাছের একটা সুবিধাজনক জায়গায় সে পৌঁছয় ৷ একটা ডালের ওপরে পা, একটা ডালের ওপরে তার পশ্চাদ্দেশ ঠেকিয়ে সামনে আরেকটা ডালকে সে হাতে ধরার জন্যে পেয়ে যায় ৷ এই জায়গায় এসে তার নিজেকে খুবই সৌভাগ্যবান আর বুদ্ধিমান বলে মনে হয় ৷ সে পুরোটা মাঠ, গাছের পাতার আড়ালে পড়া কিছু কিছু অংশ ছাড়া, বেশ আরামেই দেখতে পাচ্ছে ৷ ওই যে নৌকার মতো করে বানানো মঞ্চটা ৷ চারদিকে কলরেডির মাইক্রোফোন ৷ হায়, কত মানুষ এসেছে! মানুষ ছাড়া তো আর কিছুই দেখা যায় না ৷ ওই দ্যাখো, কত কত মহিলাও এসেছেন ৷ সবার হাতে লাঠি, অনেকের হাতে সবুজের পটে লাল সূর্যের ভেতরে সোনালি মানচিত্র-খচিত স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা ৷
    আর ওই দ্যাখো, গাছটার একটু ওপরের দিকে একটা পাখির বাসাও দেখা যাচ্ছে ৷ বসন্তকালে পাখিরা বুঝি ঘর বাঁধে! ভালো করে তাকিয়ে টগর বোঝার চেষ্টা করে ভেতরে ডিম আছে কি নাই ৷
    বাঙালির একটা সমস্যা আছে ৷ একজনকে সে যা করতে দেখে, সে নিজেও তা-ই করে বসে ৷ তার দেখাদেখি আরো আরো মানুষ এই কৃষ্ণচূড়াগাছটায় ওঠার চেষ্টা করছে ৷ ‘ভাই, করেন কী ?’ টগর চিৎকার করে বলে, ‘এই ভাই, কৃষ্ণচূড়ার ডাল খুব নরম ৷ এত লোক উইঠেন না ৷ ভাইঙ্গা যাইব ৷’
    কিন্তু মাইকের গগনবিদারী আওয়াজ, জনসমুদ্রের কল্লোলের তলায় তার একাকী কন্ঠ কোথায় মিলিয়ে যায় ৷
    লোকেরা গাছ পেয়ে উঠতেই থাকে ৷
    তারপর যা হওয়ার তা-ই হয় ৷ এক সময় তাকে নিয়ে গাছের একটা ডাল চড়চড় শব্দ করে ভাঙতে থাকে ৷ টগরের সুবিধা ছিল, সে আরেকটা ডাল ধরে ছিল ৷ সে সেই ডাল দু হাতে ধরে বাদুড়ের মতো ঝুলতে থাকে ৷ এবার সে আরেকটা ডালে পা রাখতে যাবে, কিন্তু তার আগে দেখতে পায় তার হাতে ধরা ডালটায় তার মতো আরো আরো মনুষ্য-বাদুড় ঝুলে আছে, আর এই চিকন ডালটাও সেই ভর সহ্য করতে না পেরে চড়চড় শব্দ করতে শুরু করেছে ৷ টগর বুকে সাহস সঞ্চয় করে ৷ ডালটা ধীরে ধীরে নিচে নেমে যাচ্ছে ৷ মাটির সঙ্গে তার দূরত্ব আসছে কমে ৷ সে একটা লাফ দেবার কথা ভাবে ৷ তাকে লাফ দিতে হয় না, শুধু হাতের মুঠো আপনা-আপনিই আলগা হয়ে এলে সে নিচে পড়ে যায় ৷ ভাগ্যি নিচে ঘাস ছিল ৷ আর ততক্ষণে নিচে দাঁড়িয়ে থাকা জনতা পরিমড়ি করে চারপাশে ঝাপ্টা তুলে সরে গিয়েছে ৷ টগরের পা মাটিতে পড়ে ৷ আর টাল সামলাতে না পেরে সে সামনের দিকে উপুড় হয়ে পড়ে যায় ৷ এটাও তার জন্যে বিপরীতে হিত হয় ৷ সেকেন্ডখানেক পরই গাছের ডালটা এসে তার পায়ের ওপর পড়ে ৷ পা বলেই ব্যথাটা সহ্য করা যায় ৷ মাথা হলে সইত কি না, আল্লাহ জানে ৷ টগর উঠে বসে ৷ তাকে সাহায্য করতে দুজন হাত বাড়িয়ে দেয় ৷ একজনের হাত ধরে উঠতে গিয়ে তার চোখ পড়ে মাটিতে পড়ে থাকা একটা পাখির বাসার দিকে ৷ আহা, বাসাটা মাটিতে পড়ে গেছে ৷ ভেতরে ডিম দেখা যাচ্ছে ৷ মানুষের পায়ের চাপে না ডিম নষ্ট হয়ে যায় ৷ টগর পাখির বাসাটা কুড়িয়ে বুকের কাছে আলতো করে ধরে রাখে ৷ ভিড়টা একটু কমলে সে বাসাটাকে আবার গাছের ওপরের দিকের ডালে রেখে আসবে ৷ বঙ্গবন্ধু বক্তৃতা দিতে দাঁড়িয়েছেন ৷ মুহূর্তে সমস্ত জনসমুদ্র উৎকর্ণ হয়ে ওঠে ৷
    বঙ্গবন্ধু জমাট জলের মেঘের মতো মায়া আর বজ্রমাখা কন্ঠে বলে ওঠেন : আজ দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি ৷ আপনারা সবই জানেন, সবই বোঝেন ৷
    নিজের পায়ের ব্যথা ভুলে গিয়ে টগর হা করে গিলছে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ ৷ সে সমস্ত ইন্দ্রিয় কেন্দ্রীভূত করে শুনতে চাইছে স্বাধীনতা শব্দটা ৷ ২৩ বছরে বাঙালির ওপর পরিচালিত পাকিস্তানিদের শোষণ নিপীড়নের বিরুদ্ধে বাঙালির সংগ্রামের কাহিনী বর্ণনা করে শেখ মুজিব বলেন, আর যদি একটা গুলি চলে, আর যদি আমার মানুষকে হত্যা করা হয়, তোমাদের প্রতি আমার অনুরোধ রইল, প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ করে তোলো ৷ তোমাদের যার যা কিছু আছে, তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে…
    রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দেব ৷ এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব ইনশাল্লাহ ৷ এবারের সংগ্রাম, আমাদের মুক্তির সংগ্রাম ৷ এবারের সংগ্রাম, স্বাধীনতার সংগ্রাম ৷
    তখন টগর যেন আর কিছুতেই নিজের মধ্যে থাকে না ৷ স্বাধীনতা শব্দটা ধ্বনিত-প্রতিধ্বনিত হয়ে তাকে আকাশে তুলে ধরে, সমস্তটা জনসমুদ্র একেবারে গর্জন করে উঠেছে, তার ঢেউয়ের মাথায় চড়ে টগর যেন ভাসছে আর ভাসছে… তখন আশ্চর্য হয়ে টগর লক্ষ করে, তার হাতে ধরে রাখা পাখির বাসায় ডিম দুটো ফেটে যায়, দুটো বাচ্চা বেরিয়ে আসে, আর দুটো খয়েরি রঙের পাখি বিমানের মতো নেমে আসে আকাশ থেকে, পা দুটো নামিয়ে তারা ছোঁ মেরে তুলে নিয়ে যায় শাবক দুটোকে, আর আকাশে উড়ে গিয়ে চক্কর দিতে দিতে তারা চিৎকার করে ডেকে ওঠে স্বাধীনতা স্বাধীনতা বলে, তখন আরো আরো পাখি উড়ে ওঠে আকাশে, বিচিত্র সব পাখি, তারা একটা যেন আরেকটাকে ডেকে বলছে স্বাধীনতা স্বাধীনতা, টগরের সমস্ত পৃথিবীজুড়ে তখন আর কোনো শব্দ নাই, কেবল স্বাধীনতা ছাড়া…
    জাহানারা ইমাম চিন্তিত ৷ রেডিওতে শেখ মুজিবের ভাষণ সরাসির প্রচারিত হওয়ার কথা ছিল, হলো না কেন ? কী বললেন শেখ সাহেব ? তিনি বাসায় একা একা পায়চারি করছেন ৷ আর তার সঙ্গে আছে কিটি, বিদেশিনী তরুণ-অতিথি ৷
    ডোরবেল বেজে ওঠে ৷
    জাহানারা দরজা খোলেন ৷ স্বামী শরীফ ইমাম, আর তাঁর বন্ধু ফখরুদ্দিন এসেছেন ৷ খানিক পরে আসে গৃহপরিচারক সুবহান ৷ আর সবার শেষে আসে রুমী আর জামী ৷
    রুমী দরজা থেকেই নাটকীয় কায়দায় বলতে শুরু করে, ‘এবারের সংগ্রাম, আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম, স্বাধীনতার সংগ্রাম ৷’
    ফখরুদ্দিন বলেন, ‘ভাবি, চা খাওয়ান ৷’ সুবহান চা বানাতে রান্নাঘরে যায় ৷
    তারপর শুরু হয় হিসাব-নিকাশ ৷ আজকে কত লোক হয়েছে ? ২০ লাখ নাকি ৩০ লাখ ?
    এক সময় রুমী মাথা নাড়তে থাকে ৷ সে বলে, ‘আরে আজকে একটা বড় সুযোগ শেখ সাহেব মিস করলেন ৷ তাঁর উচিত ছিল আজকেই স্বাধীনতা ডিক্লেয়ার করে দেওয়া ৷’
    ফখরুদ্দিন সাহেব বলেন, ‘চ্যাংড়া-প্যাংড়ারা কী রকম হঠকারী কথা বলে শুনছেন ৷ আজকে এইখানে স্বাধীনতা ডিক্লেয়ার করলে তো পাকিস্তানি মিলিটারি এখনই ঝাঁপিয়ে পড়ত ৷ সারা দুনিয়াকে বলত, দ্যাখো, ওরা রাষ্ট্রদ্রোহী, ওরা বিচ্ছিন্নতাবাদী ৷ বরং আমি মনে করি, শেখ সাহেবের ভাষণটা এর চেয়ে ভালো করে আর দেওয়া যেত না ৷ তিনি গেরিলা যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে বলেছেন ৷ যার যা আছে, তাই নিয়ে শত্রুর বিরুদ্ধে লড়তে হবে… না যেন কী বললেন না ৷ আর শেষ করলেন কী দিয়ে… এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম ৷ স্বাধীনতাও ডিক্লেয়ার করা হলো, আবার দায়দায়িত্ব সব পশ্চিমাদের ঘাড়ে চাপানো হলো ৷ মাথা গরম করে তো কিছু হবে না ৷ ডিপ্লোম্যাটিক হতে হবে…’
    রুমী ঠিক যেন এই যুক্তি মেনে নিতে পারছে না ৷ সুবহান ততক্ষণে চা দিয়ে গেছে ৷
    জামী এল পাশের ঘর থেকে ৷ তার কাছে নতুন খবর ৷ ‘জানো মা, আজ বিকালের প্লেনে জেনারেল টিক্কা খান এসেছে গভর্নর হয়ে ৷’
    সবাই খবরটার তাৎপর্য বোঝার চেষ্টা করছে ৷ এক সপ্তাহের মধ্যে দুবার গভর্নর বদল হলো ৷ ব্যাপার কী ?
    আজাদ বাসায় ফিরে আসে গভীর রাতে ৷ বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে আড্ডা দিয়ে তারপর ৷
    কাপড় পাল্টাতে পাল্টাতে বলে, ‘কই, বাশার কই ৷ তোমাদের কী খবর বলো তো ৷ আজকে মিটিংয়ে কত লোক হয়েছিল ?’
    বাশার তখন একমনে একটা বই পড়ছিল ৷ বলল, ‘একটা সোর্স বলছে তিরিশ লাখ ৷ আমার বিশ্বাস হয় না ৷’
    টগরকে সামনে পেয়ে আজাদ জিজ্ঞেস করে, ‘কিরে তুই যাস নাই মিটিংয়ে ?’
    ‘গেছলাম ৷’
    ‘কই ছিলি ?’
    ‘গাছের উপরে উঠছিলাম ৷ ডাল ভাইঙ্গা নিচে পড়ছি ৷ তখন ব্যথা বুঝি নাই ৷ অহন তো হেভি ব্যথা করতেছে ৷’
    ‘পা ভাঙ্গিস নাই তো ?’
    ‘না ৷’
    ‘আয়োডেন লাগা ৷’
    ‘লাগাইছি ৷’
    ‘দাদা’-জায়েদ উঁকি দেয় ৷
    আজাদ বলে, ‘কিরে জায়েদ, তুই যাস নাই মিটিংয়ে ?’
    জায়েদ বলে, ‘রমনা পার্ক পর্যন্ত যাইতে পারছিলাম ৷ মাইনষের গুঁতায় আর যাইতে পারি নাই ৷’
    মা আসেন এ ঘরে ৷ তার চোখেমুখে ঘুম ৷ তিনি শাড়ির আঁচল ঠিক করতে করতে বলেন, ‘আজাদ এসেছিস ৷ ভাত খাবি না ?’
    ‘না মা ৷ ক্যাফে ডি তাজে খেয়েছি ৷ তুমি আবার উঠলা কেন ?’
    ‘দিনকাল ভালো না ৷ তোরা বাইরে থাকলে কি আর আমার ঘুম হয় ৷ এই, রেডিওতে না শেখ সাহেবের ভাষণ প্রচার করার কথা ছিল, করল না কেন ?’
    আজাদ বলে, ‘বুঝতে পারলাম না ৷ বাশার, তোমাদের খবর কী বলো তো, রেডিও বন্ধ কেন ?’
    বাশার বলে, ‘ভাষণ রিলে করার জন্যে রেডিওর লোকেরা রেডিই ছিল ৷ কিন্তু মার্শাল ল অথরিটি অর্ডার দিয়েছে ভাষণ প্রচার করা যাবে না ৷ এ জন্যে রেডিওর লোকেরা স্ট্রাইক করে সব প্রোগ্রামই বন্ধ করে দিয়েছে ৷’
    মা বলেন, ‘তা-ই হবে ৷ তাই তো বলি রেডিওতে কোনো সাড়াশব্দ নাই কেন ? আজাদ, তাড়াতাড়ি হাতমুখ ধুয়ে শুয়ে পড় ৷ যা ৷’
    পরদিন সকালবেলা ৷ রোদ এসে পড়েছে জানালার পর্দায়, পর্দার ফাঁক দিয়ে ঘরের মেঝেতে ৷ আজাদ আর আবুল বাশার আজকে তাড়াতাড়িই ঘুম থেকে উঠেছে প্রধানত গতকালকের উত্তেজনাবশত ৷ কালকের এত এত ঘটনা ঘটে গেল দেশে, আজকের পত্রিকাগুলো সেগুলো নিয়ে কে কী লিখেছে, সেটা দেখা দরকার ৷
    তবে আবুল বাশার মর্নিং নিউজ পত্রিকাটা হাতে নিয়েই প্রথমে খুঁজতে থাকে নিজের লেখা নিউজটা ৷ বহু কষ্টে সেটা খুঁজে পায় ৷ তার তৈরি করা খবরের ট্রিটমেন্ট দেখে ভুরু কুঁচকে ফেলে সে ৷ বিড়বিড় করে বলে, ‘থ্রি সি নিউজ করায়া নিয়া সিঙ্গেল কলাম ছাপানোর কী মানে ?’
    আজাদের হাতে ইত্তেফাক ৷ তার সামনে চায়ের কাপ ৷ চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে আজাদ বলে, ‘শোনো, কালকে রেসকোর্সের পাবলিক মিটিং ছাড়া আর কিছু দুনিয়ায় ঘটে নাই ৷ তুমি যে নিউজ করেছ, এটা যে সিঙ্গেল কলাম দিয়েছে, এটাই বেশি ৷ এই দ্যাখো বাঙালি জেগে আছে, রেডিও সেন্টারে অলরেডি বোমা ছোড়া সারা ৷ দাঁড়াও তো রেডিওটা ছাড়ি ৷ আজকে কী অবস্থা, দেখা দরকার ৷’
    রেডিওর নব ঘোরাতেই ঢাকা সেন্টার শোনা যায় ৷ খুলেছে তাহলে ৷ একটু পরে ঘোষণা, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ভাষণ প্রচার করা হবে আজ সকাল সাড়ে ৮টায় ৷’
    আজাদ বিছানার কাছে গিয়ে বালিশের নিচ থেকে ঘড়িটা বের করে ৷ আরে, সাড়ে ৮টা তো প্রায় বাজেই ৷ ‘মা, মা’-সে চিৎকার করে ওঠে ৷ ‘মা, মা…’
    রান্নাঘর থেকে মায়ের কন্ঠ শোনা যায়, ‘কী, বল ৷’
    ‘এদিকে আসো ৷ রেডিওতে শেখ সাহেবের ভাষণটা বাজাবে এখন ৷ শুনবা না ?’
    ‘হাত বন্ধ তো ৷ কচি, কচি, এদিকে আয় তো মা ৷ চচ্চড়িটা তুই একটু দেখ ৷ যেন তলায় না লেগে যায় ৷ নাড়া দিবি ৷’
    কচি বলে, ‘তুমি কই যাও ?’
    ‘শেখ মুজিবরের ভাষণ নাকি হবে ৷ আজাদ ডাকে…’
    ‘আমি শুনব না ?’
    ‘তুইও শুনবি ?’
    ‘শুনব তো ৷’
    ‘আচ্ছা তাহলে চচ্চড়িটা নামিয়েই রাখি ৷’
    আজাদের মা হাত ধুয়ে আঁচলে মুছতে মুছতে আজাদদের ঘরে আসেন ৷ ততক্ষণে ভাষণ শুরু হয়ে গেছে ৷ আজাদ ভলিউম বাড়িয়ে দেয় ৷ জায়েদ, টগর, টিসুও এসে দাঁড়ায় ঘরের ভেতরে ৷ বঙ্গবন্ধু বলে চলেন, ‘আর যদি একটা গুলি চলে, আর যদি আমার মানুষকে হত্যা করা হয়, তোমাদের প্রতি আমার অনুরোধ রইল, প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলো ৷ তোমাদের যা কিছু আছে, তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে… এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম…’ স্বাধীনতা কথাটা শোনার সঙ্গে সঙ্গে আবারও টগরের মাথার ওপর দিয়ে হাজার হাজার পাখি উড়তে শুরু করে, যেন ডিম ভেঙে বেরিয়ে আসছে তারা, হাজারে হাজারে, আকাশ ঢেকে দিচ্ছে, আর স্বাধীনতা এই কলতানে মুখর করে তুলছে জগৎটাকে ৷

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাগানবাড়ি রহস্য – আনিসুল হক
    Next Article মাসুদ রানা ৪৪৮ – মৃত্যুঘণ্টা

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }