Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অদ্ভুতুড়ে সিরিজ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    July 13, 2026

    হায়নার গুহা – সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ

    July 13, 2026

    কারামাজভ ভাইয়েরা – ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি (অসম্পূর্ণ)

    July 13, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শব্দ পড়ে টাপুর টুপুর – নবনীতা দেবসেন

    নবনীতা দেবসেন এক পাতা গল্প198 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হাসতে মোদের মানা

    বাঙালি মেয়ের কৌতুকবোধ নেই, তাদের রসিকতাজ্ঞান নেই, এ কথা বললে কোনও শালি শুনবেন না। আর সমস্ত বাঙালি জামাইবাবু সেধে তাঁদের সাক্ষী হবেন। অথচ রসসাহিত্যে বাঙালি লেখিকা ক’জন? সত্যি বলতে কি, বাঙালি কেন, সারা বিশ্বেই এই প্রশ্নটির একই চেহারা—রসসাহিত্যে মেয়েদের আনাগোনাই বড় কম। কিন্তু এমনটা কেন হবে? বাঙালি মেয়েদের মোটে শ্লেষ ব্যঙ্গ বক্রোক্তির ক্ষমতাই নেই, একথা একবার বাঙালি স্বামীদের বলেই দেখুন না? ঠিকঠাক জবাব পেয়ে যাবেন। অথচ মেয়েরা না লেখেন রঙ্গ কৌতুকের কাহিনী, না ব্যঙ্গবিদ্রূপ। এই তো এত ভাল ভাল মেয়ে চিত্রশিল্পী আছেন জগৎজুড়ে এবং আছেন স্বনামধন্যা একাধিক বাঙালিনীও। ভাস্কর্যেও তো অসামান্যা বাঙালিনী দু’ একজনের নাম প্রত্যেকেরই মনে আসছে। অথচ ব্যঙ্গচিত্রশিল্পী মেয়ে? কারও নাম মনে পড়ছে কি? মেয়ে কার্টুনিস্ট সারা পৃথিবীতেই অতি দুর্লভ প্রাণী। কিন্তু কেন? এমনটা কেন হয়?

    ডাবলিউ এইচ অডেন ১৯৭২-এ মাইকেল নিউম্যানকে লিখেছিলেন, “কোনও নারীই নন্দনবিদ্যায় পটু নন। কোনও নারী কখনও আজগুবি ছড়া লেখেননি। জগতে পুরুষেরই উৎসাহ রঙ্গলীলায়, মেয়েরা বাস্তবধর্মী। তুমি যদি একটা মজার গল্প শোনাও, কেবল একজন মেয়েই তোমায় প্রশ্ন করবে, এটা কি সত্যি ঘটনা?

    অড়েন একা নন, সারা পৃথিবী জুড়েই মেয়েদের সম্পর্কে এইরকম একটা পুরুষ মানুষের মনগড়া ধারণা ছড়িয়ে আছে। মেয়েরা ঠাট্টা তামাসা সইতে পারে না, রেগে যায় (পুরুষেরা কিন্তু পারে, কেউ কখ্খনও রেগে যায় না!) তাদের সেন্স অব হিউমার নেই। ‘সেন্স অব হিউমার’ মানে হচ্ছে, অন্যে তোমায় নিয়ে রঙ্গ রস করবে, তুমি মৃদু হাস্য দিয়ে তাদের তাচ্ছিল্য দেখাবে। বা মহা আহ্লাদে হেসে হেসে সেই রসিকতা উপভোগ করবে। কিন্তু তুমি যদি অন্যকে নিয়ে ঠাট্টা তামাশা করতে চাও, হে নারী, তার আগে দু বার ঠাণ্ডা মাথায় ভেবে নিও। বাসরঘরে বন্দী অন্য লোকের নতুন বর ছাড়া জগতে কেউই সেটা সহজে সহ্য করবে না কিন্তু। কেনই বা করবে? তুমি তোমার সীমানা ছাড়িয়ে যাবে, আর অন্যে তা মেনে নেবে?

    সব সমাজেরই কিছু বাঁধাধরা প্রত্যাশা আছে। তার ধরন পুরুষের কাছে একরকম, আর নারীর কাছে আর একরকম। বাঙালি সমাজও তার ব্যতিক্রম নয়। আমার একটা ব্যাখ্যা আছে, কেন যে বাঙালি মেয়েরা এতকাল ধরে এত গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যসৃষ্টি করে গেছেন কিন্তু বিশেষ রঙ্গরসের চর্চা করেননি। কেন তাঁরা ছবি আঁকেন অথচ কার্টুন আঁকেন না। আমার ধারণাটি আমি সবিনয়ে পেশ করি।

    বাঙালি কি অবাঙালি, ভারতীয় কি অভারতীয় প্রায় সব ‘সভ্য’ সমাজেই পিতৃতন্ত্র চালু, আর এই পিতৃতান্ত্রিক সমাজে মেয়েদের অত্যন্ত জরুরি একটি ভূমিকা আছে। যে ভূমিকার সঙ্গে ঠাট্টাতামাশা, রঙ্গরসিকতা, বিশেষত ব্যঙ্গবিদ্রূপ তো একেবারেই খাপ খায় না। জাতিধর্ম নির্বিচারে মেয়েদের কাছে আমাদের সমাজের প্রত্যাশাই এই যে, তাঁরা তাঁদের জীবনে ও কর্মে সমাজের প্রচলিত প্রথাগুলি, স্বীকৃত মূল্যবোধগুলি প্রতিষ্ঠিত করবেন। প্রাচীন ঐতিহ্যগুলিকে ধরে রাখা, চালু সংস্কৃতির আইনকানুন মেনে তার চরিত্র বজায় রাখা, ‘প্রগতি’র নামে সমাজের ‘ভাঙন’ রোধ করে সমাজের রীতিনীতিকে সংরক্ষণ করা, এ সব মেয়েদেরই পবিত্র কর্তব্য। যুগ যুগ ধরে সনাতন মূল্যবোধের ও সামাজিক বিধিবিধানের প্রধান আধার হিসেবে মেয়েরাই ব্যবহৃত হয়ে এসেছেন। কোনও প্রশ্ন না করে প্রচলিত প্রথার পুনরাবৃত্তি করাই আমাদের পক্ষে স্বাভাবিক, আমাদের স্বধর্ম বলেই আমাদের মানানো হয়েছে। আমরাও দিব্যি তা মেনে নিয়েছি। বিবেকের ওপরে সমাজকে ধরে রাখার এই পুণ্যময় বোঝা নিয়ে আমরা মেয়েরা জীবনযাপন করি। এই সমাজের বিধিনিষেধের নীচে নিজেরাই সবচেয়ে বেশি নিষ্পেষিত হলেও কেমন করেই বা আমরা সেই সমাজকে উপহাস করি? কেমন করেই বা তার দোষ ধরি? আমরা না সমাজের ধাত্রী? আমাদের আচারে, আচরণে, মহত্ত্বে, ত্যাগে, আমরাই তো সমাজের চিরাচরিত চেহারা অনড় রাখব। এমনটাই যেন হবার কথা। উট্‌কো পুরুষমানুষের মতো সমাজের রীতিনীতি নিয়ে হাস্যপরিহাস করা কি আমাদের মানায়? সমাজ সংসারের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার স্যাপার নিয়ে ঠাট্টাতামাশা করা কি মেয়েমানুষকে সাজে? সমাজের ত্রুটিবিচ্যুতির দিকে আড়চোখে চাওয়াটাও মেয়েদের কাছে প্রত্যাশিত নয়। সমাজ-বিধানের প্রতি প্রশ্ন তোলা নয়, শ্রদ্ধাহীনতা নয়, তাকে সম্পূর্ণ সমর্থন জানানোই আমাদের কর্তব্য। ত্রুটির দিকে চোখ বুজে থেকে, প্রচলিত ধারাকেই আমরা স্থিতি দেব, কদাচ আপত্তি তুলে স্থির জলে ঢিল ফেলব না, ঢেউ তুলব না, তবেই না আমরা আদর্শ বাঙালি নারী? হাস্যকৌতুক করতে হলে তো ঢিল ছুড়তে হয়।

    তবে হ্যাঁ, এ কথা ভাবা ঠিক নয় যে বৃহত্তর হাস্যকৌতুকের জগৎ থেকে মেয়েদের বাদ দেওয়া হয়েছে। বাদ দিলে চলবে কেন? পুরুষের ব্যঙ্গবিদ্রূপের বলি হবে কে? উপহাসের পাত্রী হিসেবেই তো আমরা মেয়েরা হাস্যকৌতুকের রাজ্যের আধখানা জুড়ে রাজত্ব করছি। কি দেশে কি বিদেশে, ডিভেলপড বা ডিভেলপিং যেমনই হোক না যে দেশের অর্থনীতি, অনর্থের নীতিটা সর্বত্র একই। প্রথম দ্বিতীয় তৃতীয় সব ভুবনেই দেখি নারীকে পুরুষের রঙ্গরসের উপলক্ষ হতে হয়। বরং বোধ করি ভারতবর্ষেই বিলেত আমেরিকার চেয়ে এটার চল তুলনায় একটু কমতি। তবে ভারতবর্ষের মধ্যে, উত্তর দক্ষিণে পূর্ব পশ্চিমে খুব একটা তফাত যে নেই, তা বোঝা যাবে মেয়েদের নিয়ে যে সব প্রবাদ প্রবচন চালু আছে, সেগুলোর তুলনা করলেই। সর্বত্রই ব্যঙ্গবিদ্রূপের লক্ষ্য হিসেবে নারী অগ্রগণ্যা। মেয়েরা হয় পুরুষের কামের লক্ষ্যবস্তু নয়তো কৌতুকের, এটা সব দেশের পুরুষরা শৈশবেই শিখে যান। এবং শিখে যাই সঙ্গে সঙ্গে আমরা, মেয়েরাও। পুরুষ নারী কেউই এটাকে প্রশ্ন করি না। এটাই প্রকৃতির নিয়ম বলে ধরে নিই। কিন্তু এ নিয়মটা তো প্রকৃতির তৈরি নয়। নিয়মটা সমাজের তৈরি। মানুষের তৈরি। অথাৎ পুরুষ মানুষের। এবং মেয়েদের নিঃশব্দে মেনে নেওয়ায়, দিনে দিনে জোরালো হয়ে ওঠা। পশ্চিমী দেশে শাশুড়িকে নিয়ে জামাইদের ঠাট্টাতামাশায় অসতী স্ত্রীর অদৃশ্য শিং গজানো স্বামীকে নিয়ে রঙ্গ রসিকতায় যে মনোভাবের প্রকাশ, তাতে মেয়েদের প্রতি অসম্মান ছাড়া আর কোনও ‘মজা’ই নেই। মেয়েদের নিয়ে রসিকতাতে মেয়েদের নির্বোধ, বা অসৎ, বেহিসেবি, বা বোঝাস্বরূপ, অকর্মণ্য বা স্বার্থপর বা রূপসর্বস্ব, গুণহীন, এই সবই বলা হয়ে থাকে। আমাদের দুর্ভাগ্য, যে আমরা মেয়েরাও অনেক সময় এইসব পুরুষের তৈরি মূল্যবোধগুলিকে পরিপূর্ণ আত্মসাৎ করে নিই। নিজেদের দিকে নিজের মতো করে চাইতে, আলাদাভাবে চিন্তা করতে ভুলে যাই। তখন আমরাও পুরুষমানুষের ধরনেই মেয়েদের নিয়ে রঙ্গব্যঙ্গ ঠাট্টাবিদ্রূপ করি, যেন নিজের মেয়ে নই। তাদের চেয়ে উচ্চশ্রেণীর অন্য কোনও জীব। মেয়েরা মেয়েদের নিয়ে ঠাট্টা করবে সে তো খুব ভাল কথা, কিন্তু তার ঢংটা পুরুষদের চেয়ে আলাদা হওয়াই উচিত। কিন্তু বেদনাদায়ক হলেও স্বীকার করতে হবে যে আমরা প্রায়ই ভুলে যাই যে পুরুষের ঢং অনুসরণ করে নিজেদের উপহাস করার মধ্যে ‘মজা’র চেয়ে ‘অসম্মান’ আছে বেশি।

    পিতৃতান্ত্রিক সমাজে আমরা মেয়েরা না ভেবেচিন্তে প্রচলিত পুরুষশাসিত মূল্যবোধগুলিকে সমাজসিদ্ধ ও সর্বসম্মত বলে ধরে নিয়ে, অনেক সময়ে নিজেদের লক্ষ করে নিজেরাই ঢিল ছুঁড়ে বসি। এমনকি শ্ৰীমতী লীলা মজুমদারের মতো এমন একজন তুলনাহীন তীক্ষ্ণমেধাবিনী, সংবেদনশীলা রসশিল্পীও (সুরসিকা বাঙালিনী লেখিকা বলতে তো লীলা মজুমদার ও আশাপুর্ণা দেবীকেই মনে পড়ে? কবিতায় অপরাজিতা দেবী, আর মিষ্টি প্রণয়লীলার ঠাট্টায় প্রতিভা বসুকে) এই ধরনের সামাজিক অভ্যাসজনিত ভুল করে বসেন। নির্মল কৌতুকবোধে, আজগুবি কল্পনায় যাঁর সত্যিই তুলনা মেলে না (স্ত্রীপুরুষ নির্বিশেষেই) তিনিও যখন এই ফাঁদে পড়ে যান তখনই টের পাই কী ভয়ানক এই ফাঁস। একটি বইতে তাঁর রেডিওর চাকরির প্রসঙ্গে তিনি সহকর্মিণী চাকুরে মেয়েদের কিছু বিদঘুটে কাণ্ডজ্ঞানহীন কার্যকলাপ নিয়ে রসিকতা করেছেন, কিন্তু নিজের আচরণ তাঁদের চেয়ে আলাদা (অর্থাৎ কাণ্ডজ্ঞানসম্পন্ন) বলে বর্ণনা করেছেন। ঠিক এই ধরনের রসিকতাই ট্রামেবাসে পুরুষরা করে থাকে চাকুরে মেয়েদের নিয়ে। চাকুরে মেয়েদের নিজেদের চোখে সহকর্মিণীদের প্রতি সহানুভূতিপূর্ণ অন্য দৃষ্টি আশা করা যায়। এই উপহাসটুকু আমাকে যথেষ্ট অবাক করলেও, ঈশ্বরের দয়ায় লীলা মজুমদারের সর্বাঙ্গীন অবদানের তুলনায় এটুকু তুচ্ছ বিচ্যুতি কিছুই নয়। তাঁর উচ্ছল, প্রাণবন্ত, মানবিক, স্নেহশীল, অনুভূতিপ্রবণ রচনার প্রাচুর্যের মধ্যে এটি হারিয়ে যাবে। কিন্তু আমরা এতেই যেন আয়নায় দেখতে পাই চিনতে পারি নিজেদের মুখ। বাংলায় তাঁর মতো ধীমতী নারী ক’জন? অথচ তিনিও তো এমনি ভুল করেন। তবে আর আমরা করব না কেন?

    আরও একটা কথা। লীলা মজুমদারের মতো উঁচু দরের রসশিল্পী বাংলায় স্ত্রীপুরুষ মিলিয়ে কত ক’টি? অথচ তাঁকে মহিলা সাহিত্যিক হিসেবেই ধরা হয়, আর ধরা হয় শিশু সাহিত্যিক বলে। রসসাহিত্যিক হিসেবে তাঁকে আলাদা মর্যাদা দেওয়া হয় না। অথচ তাঁর রসসৃষ্টি শুধুই শিশুদের জন্য নয়, সব বয়সের পাঠককেই তা মোহিত করে। সেই স্বীকৃতি কি তিনি পেয়েছেন? কেন পাননি?

    কেন না এই হল মেয়েদের কাছে আমাদের বাঁধা প্রত্যাশার চেহারা। এর কাছে এইটুকু, ওর কাছে সেইটুকু। কোনও লেখিকার একটি বিশিষ্ট দিকেই আলো ফেলি আমরা, অন্যান্য দিকগুলিকে অবহেলা করি। মেয়েরা কবি হবেন, শিশুসাহিত্যিক হবেন, কিংবা লিখবেন ঘরকন্নার উপন্যাস, অথবা প্রেমপ্রণয়ের মিঠে গপ্পো। যদি বা তাঁরা হাত দিয়ে ফেলেন রাজনীতিতে, কি সমালোচনায়, প্রবন্ধে তক্ষুনি তাঁরা নিজেরাও নিজেদের ‘মহিলা’ লেখক বলতে চান না, আর সমালোচকরাও তাঁদের বলেন, “ঠিক পুরুষের মতোই এঁর বলিষ্ঠ লেখনী”। পুরুষ কেন রে বাবা? মেয়েদের বুঝি বলিষ্ঠ লেখনী থাকতে নেই? আশাপূর্ণা কি এই ঘোর মনুষ্যজীবন নিয়ে দুর্বল লেখনীতে লেখেন? তা হলে চার্লস ডিকেন্সও তাই। এই কঠোর মহাকালকে নিয়ে, এই জটিল মানবচরিত্র নিয়ে লিখতে বুঝি বলিষ্ঠ লেখনী লাগে না? কেবল রাজনীতি নিয়ে গল্প ফাঁদতেই কলমের বলবত্তার প্রয়োজন? আর রাজনীতি যেমন পুরুষের নীতি, পুরুষের ক্ষেত্র বলেই চিহ্নিত, সাহিত্যে রঙ্গরসও তাই। বর্তমান সময়ের নাগরিক মধ্যবিত্ত মূল্যবোধের ভাঙাগড়ার সবচেয়ে কুশলী কলাকার আশাপূর্ণাকে আমরা শরৎ, রবীন্দ্র, অকাদেমি, জ্ঞানপীঠ, যাবতীয় সাহিত্য পুরস্কার সবই তুলে দিতে বাধ্য হয়েছি, তবুও তাঁকে তথাকথিত বুদ্ধিজীবী মহল সাহ্লাদে নির্লজ্জ উপেক্ষা করে চলেছেন, “ঘরকন্নার খুচরো গল্প” বলে। আরে, ঘরকন্নাটা নেই কার? আশাপূর্ণার তীক্ষ্ণ আয়রনি, বুদ্ধি-উজ্জ্বল কৌতুক, মানবচরিত্রকে নিয়ে মার্জিত রুচিসম্মত ব্যঙ্গবিদ্রুপ, নেহাত পরিহাসচ্ছলে প্রতীয়মান বাস্তবতার উর্ধ্বে দৃষ্টি তুলে জীবনের গভীরতর সত্যকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেবার অমূল্য ক্ষমতাকে আমরা কী সহজেই না অবহেলা করি! তাঁর ওপরে যে হায়, না আছে কাফকা কামুর ছাপ, না সোজাসুজি তুলনা চলে তাঁর সঙ্গে মার্কোয়েজ কি আচিবির, না বোরহেস কি কুন্দেরার। অথচ বাংলায় তিন বাঁড়ুজ্যের পরেই যদি নাম করতে হয় কারুর, তিনি আশাপূর্ণা। নেহাত বাঙালি মেয়ে হয়ে জন্মেছেন, পুড়বে মেয়ে উড়বে ছাই, তবে মেয়ের গুণ গাই। অশীতিপূর্ণা আশাপূর্ণার জীবৎকালে তাঁর সাহিত্য মূল্যের সম্যক যাচাই ‘লিখিত’ভাবে হবে কি না কে জানে? বাংলা সাহিত্যে ব্যঙ্গ কৌতুকের রচয়িতা হিসেবে তিনিও অবহেলিত—লীলা মজুমদারের পাশেই। লীলা মজুমদারের নির্মল কৌতুকই বেশি, আশাপূর্ণার নারী চরিত্রগুলি তীব্র ব্যঙ্গনিপুণা। কবিতায় যেমন ব্যঙ্গনিপুণা ছিলেন অপরাজিতা। সেই নিয়ে তাঁকে নিন্দেও শুনতে হয়েছে প্রচুর। স্বয়ং শরৎচন্দ্রও অপরাজিতার রঙ্গরসিকতাকে ‘অশ্লীল’ মনে করেছেন। মেয়ে হয়ে এ আবার কি বেআক্কেলেপনা? নির্মল হাস্যকৌতুকের দিকে আমাদের সমাজবিধানে তবুও মেয়েদের নরম হাতটি বাড়ানো চলে, কিন্তু ব্যঙ্গবিদ্রুপ? তীব্র শ্লেষ? না, ও সব একেবারেই মেয়েদের ‘মেয়েলি’ থাকতে দেয় না। ও সব ‘পুরুষালি’ কঠোর অভ্যেস।

    জীবনের মতোই সাহিত্যেও ক্ষেত্র বিভাজন করা আছে, কোনটা নারীর, কোনটা পুরুষের। মানবিক ভাবাবেগ নিয়ে মাথা ঘামাবে মেয়েরা, তারা লিখবে প্রেমের কবিতা, শোকের গীতি, প্রশস্তি গাথা, হালকা প্রেমের গল্প। নইলে ঘরকন্নার জট পাকানো হাঁড়ি হেঁশেলের কাহিনী। অর্থাৎ রূপকথা লিখবে তারা, কি ছোটদের, কি বড়দের। আর সত্যি বড়দের জন্য সত্যি সিরিয়াস ভাবনাচিন্তার ব্যাপার স্যাপার, যাতে দর্শন, জীবনদর্শন, এ সব এসে পড়ছে, আর হাস্যপরিহাস রঙ্গরস (তাতেও যে দর্শন, জীবনদর্শন ঢুকে পড়ে) এই সব বুদ্ধিনির্ভর উন্নততর মননশীলতার ক্ষেত্র তো পুরুষেরই হবার কথা। জীবনের যেখানটিতে দুর্বলতা, অসংলগ্নতা, ত্রুটি বিচ্যুতির ফাঁক সেইখানে মোটে নজর দেবার কথাই নয় আমাদের মেয়েদের। কী কাজ তাহার সাথে? তার সাথে? মিথ্যাকে উপহাসে উড়িয়ে দেওয়ার কঠোর কর্ম মেয়েদের জন্য নয়। কেন না ওটা বিপজ্জনক ব্যাপার, ওতে আছে ছদ্মবেশী ক্রোধ। আছে সমাজের ত্রুটি ধরার চেষ্টা। আছে হাসির অস্ত্রে সত্যকে অনাবৃত করার বুদ্ধির খেলা। এ সব অধিকার আবার মেয়েরা কবে কোথায় পেয়েছে? মেয়েদের অধিকার বিলাপে, প্রণয়ে, স্বপ্নে, আতঙ্কে, শ্লেষে নয়। তারা তো চালিত হয় বুদ্ধির দ্বারা নয়, অন্তঃশীলা এক বোধের ধারায়। ইন্টেলেক্টে নয় ইনস্টিংক্টেই মেয়েদের স্বতঃসিদ্ধ অধিকার। কিন্তু রঙ্গব্যঙ্গ ইনস্টিংক্টের ব্যাপার নয়, বুদ্ধির খেলা। রসসাহিত্যিক সম্পূর্ণ বুদ্ধি নির্ভর স্বাধীনচেতা শিল্পী।

    সত্যি বলতে কি, আমাদের সমাজে স্ত্রী লেখক ও পুরুষ লেখককে কোনও কালেই এক চোখে দেখা হত না, এখনও হয় না। রসসাহিত্য বিশেষ করে এমনই এক ক্ষেত্র যেখানে স্ত্রী পুরুষের কাছে পাঠকের আলাদা আলাদা প্রত্যাশা। ভাষার ওপরেও মেয়ে ও পুরুষের অধিকারের ধরন আলাদা। যে ভাষা পুরুষের লেখনীতে দিব্যি স্বাভাবিক, নারীর লেখনীতে সেইটাই ঘোর অশালীন দেখাতে পারে। যে রসিকতাটি পুরুষের পক্ষে মানানসই, সেই রসিকতাই নারীর পক্ষে রীতিমত আপত্তিকর। এমনিতেই স্ত্রী ও পুরুষ যে যাই লিখুন না কেন, তাতে পাঠকের দৃষ্টি নিরপেক্ষ থাকে না, নারীর লেখার বেলায় সমাজের একটা আলাদা নজরদারি থাকেই। পুরুষের আছে ‘শিল্পীর স্বাধীনতা’, নারীর কিন্তু নেই! ধরুন, কবি শক্তি চাটুজ্যে যেমন ‘কবি জীবন’ যাপন করেন, আমিও সেই জীবনটি যাপন করে দেখি তো? না, তারপর তাঁর ছেলেমেয়ের আর আমার ছেলেমেয়ের ইস্কুলে একরকম অবস্থা হবে না। বাঙালি মধ্যবিত্ত সংসারে দু রকমের হিসেব চলে। বাবাদের যা মানায়, মায়েদের তা মানায় না। সে মা কবি হলেই বা কি! ঠিক একই নিয়মে বাংলায় একজন মেয়ে লেখকের কাছে মধ্যবিত্ত পাঠকের আশা শোভনতা নম্রতা, সামাজিক, নৈতিক, বিধিবিধানের প্রতি শ্রদ্ধা, এক কথায় ঠিক সেই সব বস্তুর প্রতি বিশ্বাস, একটি তরুণ পুরুষ লিখতে বসেই যে মূল্যবোধকে সাধারণভাবে চ্যালেঞ্জ করেন।

    এইগুলিই আবার জীবনের সেই সব দিক, একজন রসসাহিত্যিক যাকে অদৃশ্য ফুঁ দিয়ে উড়িয়ে দিতে পারেন, সত্যের খাতিরে। বিদ্রোহের সাতরঙা ধ্বজা না উড়িয়েও। ব্যঙ্গবিদ্রুপের সঙ্গে ভদ্রতা নম্রতা, শালীনতা শোভনতার একটা অন্তর্গত বিরোধ আছে, দুয়ের মিলন সাধান সহজ নয়। প্রায়ই একটির জন্য অন্যটির মায়া ত্যাগ করতে হয়। নারী পুরুষের বাক স্বাধীনতা সমান নয়। আমাদের ভাষাগত শোভনতার মানদণ্ডও এক নয়। ছাত্রবয়সে একটি বিতর্ক প্রতিযোগিতায় আমার মস্ত এক শিক্ষা হয়ে গিয়েছিল। নিতান্ত দুর্ভাগ্যবশত আমাকে বলতে হচ্ছিল স্পুটনিকের বিরুদ্ধে। পৃথিবীর প্রথম মহাকাশযান, যাকে নিয়ে সারা বিশ্ব তখন উত্তেজনায় মত্ত, প্রশংসায় সহস্রমুখ। অগত্যা সমস্ত বিষয়টি নিয়ে ঠাট্টা তামাশা করা ভিন্ন আমার কোনও পন্থা ছিল না। আমি জানতাম একজন পুরুষের মুখে যা শুনতে খুবই মজাদার, মোটেই অমার্জিত শোনায় না, তাই-ই একজন মেয়ের মুখে অতি কুরুচিপূর্ণ এবং একটুও মজাদার নয়, এমন মনে হতেই পারে। একই শব্দ একজন ছাত্রী উচ্চারণ করলে সেটা ত্রুটি, কিন্তু ছাত্র উচ্চারণ করলে ত্রুটি নয়। কেন না কানেই ধরা পড়ে না। স্পুটনিকের যাত্রী ছিল লাইকা নামে একটি মেয়ে কুকুর। আমি ‘ডেড বিচ’ শব্দটি ব্যবহার করে বলেছিলাম, কোটি কোটি ডলার খরচ করে একটি মৃত কুক্কুরীকে হঠাৎ সশরীরে স্বর্গে পাঠানোর কী দরকার ছিল? তাও তো সে মর্তে ফিরেই এল! ব্যর্থ এক্সপেরিমেন্ট! পরবর্তী বক্তাটি উঠে গুরুগম্ভীরভাবে বললেন মৃত কুক্কুরীকে স্বর্গে পাঠানোটা মোটেই স্পুটনিকের উদ্দেশ্য ছিল না। তিনি আমার বক্তব্যকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে খণ্ডন করে জানালেন বৈজ্ঞানিক তথ্যাদির অনুসন্ধানই স্পুটনিকের ব্যোম অভিযানের উদ্দেশ্য! প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণায় জানা গেল আমি ‘ডিসকোয়ালিফায়েড’ কেন না একটা মন্দ শব্দ (বিচ্) ব্যবহার করেছি পাবলিকে। মহিলা হয়ে প্রকাশ্যে অশোভন ভাষা ব্যবহার অমার্জনীয়। মজা এই যে, আমার পরবর্তী সিরিয়াস পুরুষ বক্তাটিও ওই শব্দটিই ব্যবহার করেছিলেন বিচারকটির কানে কিন্তু তা ধাক্কা মারেনি। পুরুষের মুখে শোনা বলেই সম্ভবত। ‘ডেড ডগ’ কিংবা ‘ডেড ফিমেল ডগ’ বললেও ঠিক হত, ‘বিচ্’ বলাটা না কি ঠিক হয়নি। আমার বিশ্বাস ওই শুধু একটা শব্দই নয় আমার পুরো বক্তব্যটার মধ্যেই ছিল আজগুবি চিন্তা ও শ্রদ্ধার অভাব। যে লঘু রস—বড় ব্যাপারকে ছোট করে মজা করার মনোভাব আমার মধ্যে কাজ করছিল, সেটিকেই রক্ষণশীল বিচারকটি মেনে নিতে পারেননি। আমার মুখে যে শব্দ ব্যবহার তাঁর সামাজিক সম্ভ্রমবোধে আঘাত করেছে, আমার পরবর্তী তরুণ বক্তার মুখেও সেই একই শব্দ তো তাঁকে বিব্রত করেনি?

    রসসাহিত্যিক জগতে অকারণ অহংভাবের ফুলকো বেলুনে ছুঁচ ফুটিয়ে হাওয়া বের করে দেন। মিথ্যের রহস্যময়তাকে অট্টহাস্যের ইট মেরে ঘুচিয়ে সত্যকে উন্মোচন করেন।

    পুরুষশাসিত সমাজে মেয়েদের কাজ ঠিক এর বিপরীত। ধ্বংসাত্মক নয়, তা রক্ষণশীল। আমাদের কাজ ছেঁড়াখোঁড়া টুটাফুটা রীতিনীতিকে সেলাই ফোঁড়াই দিয়ে রিপু করে তালি মেরে চালু রাখা। মিথ্যের হাঁড়ির মুখে সরা চাপা দিয়ে তাকে রহস্যে লুকিয়ে রাখা। শতছিন্ন থাকে যেন তেন প্রকারেণ অসীম সহ্যশক্তির দ্বারা চিরায়ত করা। এইখানে বাঙালি মেয়ের সামাজিক দায়িত্ব আর রসসাহিত্যিকের সামাজিক দায়িত্বের মধ্যে বিরোধ এসে যাচ্ছে। সমাজ সংশোধকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাটি সাধারণের চেয়ে উন্নতমানের বুদ্ধিমত্তা ও মননশীলতার প্রত্যাশা রাখে। সেটা যেহেতু নারীদের কাছে প্রত্যাশিত নয়, সেইহেতু নারীকে কার্টুনে কিংবা রসসাহিত্যে দেখা যায় না। শুধু বাংলায় কেন, পৃথিবীর প্রায় কোথাও নয়। আমরা নিজেরাই নিজেদের এই শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করে না নিলে, ‘অন্যে পরে আমাদের ‘মুক্তি’ উপহার এনে দেবে না। আমাদের মেয়েদের মধ্যে সচেতন আত্মচিন্তার প্রয়োজন। নতুন করে নিজেদের দেখতে শিখতে হবে। নিজেদের কাছেই নিজেদের মূল্য না থাকলে অন্যের কাছে মূল্য আশা করব কী করে?

    সমাজের ধারণা তা হলে মোটামুটি এইরকম: যেহেতু মেয়েরা নিজেরাই হালকা পলকা, তাদের খুব একটা তলিয়ে ভাববার মতো ওজনই নেই, সুতরাং তারা লিখবে পলকা বিষয়বস্তু নিয়ে গুরুগম্ভীর গদ্য পদ্য, গুরুগম্ভীর বিষয় নিয়ে হালকা চালে কলম চালানোর কম্মোটি তাদের নয়। গম্ভীর বিষয়ে হালকা সুরে কথা বলবার অধিকার শুধু মগজপ্রধান পুরুষের। আর হালকা বিষয়ে সিরিয়াস সুরে লেখার কথা আবেগপ্রধান নারীর। মোটামুটি এমন একটা অলিখিত প্রত্যাশার হিসেব বাঙালির মনে মনে তৈরি। বাঙালি কেন, জগৎ জুড়ে উদার সুরে এই আনন্দ গানই বাজছে। মেয়েরা লিখছেন প্রেমের কবিতা, ভূতের গল্প, রোমান্স, আর ডরোটি মেয়ার্স, আগাথা ক্রিস্টির মতো প্রচণ্ড মেধাবিনীরা নেহাত এসে ঢুকে পড়েছিলেন, তাই। নতুবা রহস্য রোমাঞ্চের অঞ্চলপ্রধান এলাকাতেও মেয়েরা ঢুকতেন কি না সন্দেহ। বাঙালি মেয়ে তো খুব একটা ঢোকেনওনি।

    সমাজে নারীর স্থান এমনই নির্দিষ্ট, যে নিজেকে নিয়ে নিজের মত করে হাসতেও আমরা শিখিনি। নিজেকে যে আকর্ষণীয় করে রাখতে হবেই। নম্রমধুর শ্রীময়ী (জ্বালাময়ী হলেও শ্রী চাই) করে রাখতেই হবে। সং সাজলে ক্লাউনিং করলে তো চলবে না। লোকে হাসবে যে! লোকের ‘সম্মান’ চাই যে। হায়, সম্ভ্রমসর্বস্ব বাঙালিনী।

    তাই আমরা লায়ন টেমার হতে রাজি। প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে শূন্যে ঝুলন দুলতে রাজি, রাজি সিংহের খাঁচায় মাথা গলাতে। কিন্তু হাস্যকর সং সেজে ইচ্ছে করে লোক হাসাতে রাজি নই। সার্কাসে মেয়ে ক্লাউন দেখা যায় না, কিন্তু প্রাণ হাতে করে ট্রাপিজ খেলতে দেখা যায়। মেয়ে লায়ন টেমার বহু। রাজ্ঞী সম্রাজ্ঞী ভারতের ইতিহাসে অনেক, কিন্তু রাজসভার বিদূষকের ভূমিকায়, সাহিত্যেও কখনও নারীকে দেখা যায়নি। আমার তো মনে হয় আজও বাঙালি মেয়ের পক্ষে নিজেকে ভারতের শাসনকর্ত্রীর ভূমিকায় চিন্তা করা বরং তুলনায় সহজ, নিজেকে বিদূষক হিসেবে ভাববার চেয়ে।

    আনন্দবাজার ১ বৈশাখ, ১৯৯০

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅপারেশন কোডেক্স : ডান্স অফ দ্য ডেভিল – রণদীপ নন্দী
    Next Article হামারটিয়া – শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য

    Related Articles

    নবনীতা দেবসেন

    মায়া রয়ে গেল – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    নবনীতা দেবসেনের গল্প

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    করুণা তোমার কোন পথ দিয়ে – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    হে পূর্ণ, তব চরণের কাছে – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    ভ্রমণের নবনীতা – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    ভ্রমণ সমগ্র ১ – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অদ্ভুতুড়ে সিরিজ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    July 13, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অদ্ভুতুড়ে সিরিজ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    July 13, 2026
    Our Picks

    অদ্ভুতুড়ে সিরিজ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    July 13, 2026

    হায়নার গুহা – সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ

    July 13, 2026

    কারামাজভ ভাইয়েরা – ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি (অসম্পূর্ণ)

    July 13, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }