Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শিকলি কাটা পাখি – আশাপূর্ণা দেবী

    লেখক এক পাতা গল্প148 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শিকলি কাটা পাখি – ৭

    ৭

    পার্থর মত নির্মল পবিত্র আর ভদ্র সভ্য ছেলের সঙ্গে কোনো সন্দেহই জোড়া চলে না। বিষয় সম্পত্তির ব্যাপারও এখানে অনুপস্থিত। যে বিষে আচ্ছন্ন হলে কাকা ভাইপোকে খুন করে, ছেলে বাপকে খুন করে।

    হত্যাকাণ্ডের রীতি পদ্ধতিও যেমন অশেষ অনন্ত, তার কারণও তেমনি সংখ্যাতীত। আবার তার ‘চরিত্রের’ও ঠিক ঠিকানা নেই। জগতে যে কত অস্বাভাবিক হত্যাকাণ্ড ঘটে, তার কিছুটা সাক্ষী হয়তো বিচারশালার দপ্তর।

    তবু সরকারী দপ্তরের সেই পার্থসারথি সেন নামের মাঝারি কেরাণীটির হত্যাকাণ্ডটা যেন লোককে বিস্ময়ের চরম সীমায় নিয়ে গিয়ে পৌঁছেছে।

    তাই তার স্ত্রী নন্দিতা সেনকে ঘিরে দিন—রাত্তির মানুষের জটলা। দিন—রাত্রির জটিলতা সৃষ্টির আকিঞ্চন।

    নন্দিতা যেন ক্রমশঃ ভুলে যাচ্ছে, সে একদা একটা শান্তছন্দ সংসারের ‘লক্ষ্মী প্রতিমা’ বৌ ছিল। ভুলে যাচ্ছে, সভ্যতা আর শালীনতার জন্যে তার খ্যাতি ছিল। ভুলে যাচ্ছে একদা স্নেহময় প্রেমময় শান্তিময় একটি স্বামী নিয়ে সুখে সংসার করেছে সে।

    নন্দিতার শুধু মনে রয়েছে, তার হৃৎপিণ্ডটা যেমন একজন নখে করে ছিঁড়ে উপড়ে নিয়েছে, আর একজনের হৃৎপিণ্ডটাও তেমনিভাবে ছিঁড়ে নিতে হবে তাকে। সেইটাই নন্দিতার কাছে এখন পরম পবিত্র কর্তব্য।

    ‘অপঘাত মৃত্যু’র অপরাধে যে প্রেতটার যথোচিত শ্রাদ্ধ হল না, তার তৃষিত আত্মাকে তৃপ্তি দিতে হবে বৈকি! আর সে কর্তব্য তো নন্দিতারই। নিজেই তাই নন্দিতা শ্মশানের প্রেতিনীর মত দুই চোখে ধকধক করা নারকীয় আগুন জ্বেলে ঘুরে বেড়াচ্ছে—

    তাছাড়া বড় একটা জটলায় যে রাতদিন ঘিরে আছে তাকে। কখন সে নিঃসঙ্গ চিত্তের ভয়ঙ্কর শূন্যতাকে বুকে নিয়ে স্মৃতির পাথারে ডুবে যাবে? কখন সে ভাবতে চেষ্টা করবে প্রথম শুভদৃষ্টির সময় পার্থ কেমন করে তাকিয়েছিল তার দিকে? প্রথম ভালবাসার মালাখানি কেমন করে দুলিয়ে দিয়েছিল তার বুকে? আর নিজে সে দিনে দিনে তিলে তিলে কেমন করে উন্মীলিত হয়েছিল সেই আলোয় ভরা মুখটার দিকে তাকিয়ে?

    না! কেউ নন্দিতাকে একবারও সেই পাথারে ডুবতে দিতে চায় না। কেউ একবারও ওকে একলা থাকতে দেয় না।

    ডাক্তারে নাকি বারণ করেছে।

    একা থাকলেই ও নাকি সেই ভয়ঙ্কর রাত্রির ঘটনা স্মরণ করবে, আর তাতে শিউরে উঠবে, চেঁচিয়ে উঠবে, পাগল হয়ে যাবে।

    অজিতা দেবীর বিষয় কিছু বলেনি ডাক্তার।

    বলবার প্রয়োজনও অনুভব করেনি।

    যিনি অতবড় ‘দুর্ঘটনার পরও লোকসঙ্গ’র জন্যে আকুল না হয়ে যথারীতি তাঁর সেই তিনতলার পূজোর ঘরে আসন স্থাপন করে একা বসে থাকছেন, বসে থাকতে পারছেন, ছুটে বেরিয়ে আসছেন না, বেরিয়ে এসে মাথায় ঘটি ঘটি জল থাবড়াচ্ছেন না, এমন কি তীক্ষ্ন করুণ কান্নায় আকাশ বিদীর্ণ করে ফেলছেন না। তাঁর জন্যে ভাবনার কি থাকতে পারে?

    তিনি শক্ত। তিনি পাথর। তিনি ভয়ঙ্কর একটা সন্দেহের বস্তুও।

    কে জানে কেমন করে হঠাৎ তাঁর পরিচয়টা যেন নন্দিতার শত্রুপক্ষের দলে পড়ে গেছে। নতুন কোনো ঘটনাই ঘটেনি, তবু যেন মনে করা যাচ্ছে, নন্দিতার সুখ দুঃখ সম্পর্কে তিনি উদাসীন, নন্দিতার ভয়ঙ্কর দাহর সম্পর্কে তিনি নির্বিকার, তাঁর সেই আদরের মেয়ের সিঁথির শূন্যতা পূর্ণতা নিয়েই ভাবছেন তিনি।

    অন্ততঃ নন্দিতার পিতৃগোষ্ঠীর এই ধারণা। সংক্রামক ব্যাধির মত নন্দিতারও বুঝি ক্রমশঃ সেই ধারণাই বদ্ধমূল হচ্ছে।

    অজিতা দেবী পূজোর ঘরে বাসা বেঁধেছেন, এ বদনামটা বোধকরি কতকটা সত্যি, কতকটা মিথ্যে। অজিতা দেবীর প্রাণটা হয়তো সেখানেই বাসা বেঁধে রেখেছে, কিন্তু অজিতা দেবীর দেহটাকে নীচের তলায় নামিয়ে আনা হচ্ছে।

    কারণ অজিতারও পিতৃকূল আছে।

    আছে শ্বশুরকুলের আত্মীয়।

    দ্যাওরপো ভাসুরপো ভাগ্নে ননদাই। তারা কি চিরদিনের আত্মমগ্ন অজিতা দেবীকে হাতে পাবার এত সুযোগ পেয়ে ছেড়ে দেবে? তারা তাঁর পিঠে হাত বুলোতে আসবে না? বুদ্ধি দিতে আসবে না? উকিল ব্যারিস্টার নিয়ে আসবে না?

    তাছাড়া তারা তো সত্যিই মর্মান্তিক কষ্ট পেয়েছে। পার্থকে ভালবাসতো না এমন কে আছে তার পরিচিত সমাজে?…

    বরং অহঙ্কারী রাজেন্দ্রভূষণ সম্পর্কে সকলের মনোভাব সমান অনুকূল ছিল না, সে শুধু অহঙ্কারী বলেই নয়, বড়লোক বলেও।

    তাই সকলে মিলে অজিতা দেবীকে সতর্ক করে দিচ্ছে—’মায়ায় পড়ে যেন সত্যভ্রষ্ট হয়ো না। আদালতে দাঁড়িয়ে যেন নার্ভাস হয়ে গিয়ে উল্টোপাল্টা বলে বসো না।…তোমার ওই পাজী মেয়ে ভারতীর মুখটা চিন্তা করে ফেলো না তখন। তুমি শুধু তোমার পার্থর সেই মৃত্যু—মলিন মুখ মনে কোরো, সেই অব্যক্ত যন্ত্রণায় বিস্ফারিত হয়ে ওঠা চোখ দুটো মনে কোরো।’

    হ্যাঁ, অজিতা দেবীকে ধরে ধরে উপদেশ দিচ্ছে সবাই, ‘সেটা মনে কোরো।’

    অথচ অজিতা দেবী চীৎকার করে উঠেছেন না। বলছেন না, ‘বেরিয়ে যাও তোমরা, বেরিয়ে যাও ঘর থেকে।’

    অজিতা দেবী তখন হঠাৎ হয়তো তাঁর দ্যাওরপোকে জিগ্যেস করে বসছেন, ‘তোর ছেলে—মেয়ে কেমন আছে?’…হয়তো তাঁর ভাগ্নেকে জিগ্যেস করে বসছেন, ‘মেয়ের বিয়ের কিছু করছিস নাকি? বেশ তো বড় হল।’…হয়তো তাঁর ননদাইকে জিগ্যেস করে বসছেন, ‘আপনার নূতন চিকিৎসায় কিছু ফল পেলেন?’…হয়তো বা নিজের কাকা—কি মামাকে বলছেন, ‘রোদে এসেছো, একটু শরবৎ দিতে বলি।’

    আর উকিলকে?

    তাকে তো হরদম অর্থহীন অবান্তর আর অপ্রয়োজনীয় সব প্রশ্ন করছেন।

    ভাড়াটেরা যদি দুর্ব্যবহার করে, বাড়িওলার কেন তাকে উঠিয়ে দেবার ক্ষমতা থাকে না, বিবাহ বিচ্ছেদ আইন পাশ হবার পর সত্যিই দলে দলে মেয়ে বিচ্ছেদ করতে ছুটেছে কিনা, কাউকে টাকা ধার দিয়ে শোধ দিতে না পারলে যে ‘তামাদি’ হয়ে যাওয়া বলে সেটার মেয়াদ ক’বছর, এইসব জরুরী তথ্যগুলো যেন তদ্দণ্ডেই না পেলে নয় অজিতা দেবীর।

    উকিল পর্যন্ত অবাক হয়ে যাচ্ছে।

    আড়ালে এসে নাকি আর সবাইকে প্রশ্ন করছে, ‘উনি প্রকৃত মা তো? না বিমাতা?…উনি কি ছেলেকে দেখতে পারতেন না? ছেলের সঙ্গে কি ওঁর মুখ দেখাদেখি ছিল না? উনি কি বরাবরই এরকম অপ্রকৃতিস্থ বা অস্বাভাবিক ধরনের?’

    প্রশ্নের সীমা নেই।

    নন্দিতাকে ঘিরে এক ঝাঁক মৃদু মৌমাছি।

    অজিতাকে ঘিরে এক ঝাঁক ভীমরুল।

    কারণ নন্দিতার ওপর সকলেরই সহানুভূতি। নন্দিতার দীর্ঘ জীবনটা পড়ে আছে, আর নন্দিতার সেই জীবনটা—একটা মানুষের নৃশংসতায় ধ্বংস হয়ে গেছে। নন্দিতা রিক্ত সর্বস্বান্ত।

    অজিতার কি?

    অজিতার কতটুকুই বা গেছে?

    অজিতার তো ছেলের সঙ্গে যোগাযোগই ছিল না। দিনান্তে একবার দেখা হতো কি না হতো। যেদিন সকালবেলা তাঁর পূজোর প্রথম পর্ব সেরে একটু তাড়াতাড়ি নীচে নামতেন, হয়তো দেখতেন ছেলে খেতে বসেছে, হয়তো দেখতেন জামা জুতো পরে বেরিয়ে যাচ্ছে। কথার বিনিময় হতো কি না হতো।

    ছেলের জন্যে অস্থির হয়ে বা ত্রুটির লজ্জায় অপ্রস্তুত হয়ে পরদিন যে তাড়াতাড়ি কথা বলবেন নেমে এসে, সেটুকু সৌজন্যও তো দেখা যেত না।

    তবে? তবে কি করে বলা যায় ছেলে তাঁর ‘প্রাণ’ ছিল?

    তবে কি করে বলা যায় নন্দিতার মতন হাহাকারে গুঁড়ো গুঁড়ো হচ্ছেন তিনি?

    হচ্ছেন না। তাঁর প্রাণ ওই ঠাকুরঘরের পাথরের পুতুলে বিভোর।

    অজিতা দেবীর নিজের বোনই তো আড়ালে এসে বলেছে, ‘কি জানি বাবা ওঁর ঠাকুর ওঁকে কী শক্তি দিয়েছেন! ঠাকুর ভজে যদি মানুষ পাথরের পুতুল বনে যায়, হৃদয়বৃত্তি বলে কিছু না থাকে, তা’হলে ঠাকুর না ভজাই ভাল। ঠাকুর! ঠাকুর! এখনো চন্দন ঘষছেন, তুলসী দিচ্ছেন। আশ্চর্য, ঠাকুর ওঁর কত ভাল করলেন? …ইচ্ছে হচ্ছিল ওঁর ঠাকুরকে তাঁর সিংহাসন সুদ্ধু টান মেরে ছাত ডিঙিয়ে ফেলে দিই!’

    বলছে, সকলেই প্রায় ওই ধরনের কথা বলছে। আর শেষ পর্যন্ত অজিতার ঠাকুরকেই দোষী বানিয়ে ছাড়ছে। মানুষের কোর্টে বিচার হচ্ছে তাঁর।

    বলা হচ্ছে, ‘যে মানুষটা এতদিন ধরে তোমায় ভজলো, তুমি তার দিকে একবার ফিরেও তাকালে না। তার এই সর্বনাশটা করেও দিব্যি চুড়ো বাঁশী নিয়ে বসে আছো।’

    কিন্তু শুধু কি ওরাই বলছে?

    অজিতা দেবী নিজে বলছেন না?

    ধিক্কারে ধিক্কারে জরাজীর্ণ করে ফেলছেন না তাঁর ঠাকুরকে। বলেছেন না, কী নির্লজ্জ তুমি, কী নির্লজ্জ! নিজের হাতে খেলাঘর সাজিয়ে দিয়ে, নিজের পায়ে ভেঙে দাও তুমি সে ঘর!…মানুষের থেকেও হৃদয়হীন তুমি, মানুষের থেকেও পাষণ্ড!

    বলছেন।

    তবু হয়তো বা কেবলমাত্র অভ্যাসের বশেই চন্দন ঘষছেন, তুলসী দিচ্ছেন। অভ্যাসের বশেও নয়, ধিক্কার দিতেই। যেন, দেখো তুমি যত নির্লজ্জই হও, যত দুর্ব্যবহারই করো, আমি তোমার সঙ্গে ভদ্র ব্যবহারই করে চলবো। আমি তোমায় বুঝিয়ে ছাড়বো তোমার থেকে মানুষ ভালো।

    কিন্তু এসব ঘরে বসে।

    যখন নীচের তলায় নেমে আসেন?

    তখনও কি মানুষ সম্পর্কে ধারণা একই থাকে অজিতা দেবীর? যখন তাঁরা অজিতা দেবীকে পাখীপড়া করতে থাকে, ‘তোমার ছেলের সেই অব্যক্ত যন্ত্রণায় বিস্ফারিত চোখ দুটো খুব করে মনে রাখবে।’

    যখন তারা বলতে বসে, ‘দয়া মায়া স্নেহ মমতা, সব একদিকে আর একদিকে হচ্ছে ধর্ম! সত্য ধর্ম। সেই সত্য ধর্মের মুখ চেয়ে আদালতে দাঁড়িয়ে স্পষ্ট করে বলতে হবে, ‘হ্যাঁ আমি নিজের চক্ষে দেখেছি! দেখেছি সেই ভয়ঙ্কর হত্যাকাণ্ড! আমার চোখের সামনেই মুহূর্তে ঘটে গেছে সে ঘটনা! কারণ তখন আমি—।’

    হ্যাঁ তখন যে অজিতা দেবী উপস্থিত ছিলেন, অজিতা দেবীর চোখের সামনেই ঘটে গিয়েছিল ঘটনাটা তার প্রমাণ আছে। কারণ তখনই অজিতা দেবী তীব্র একটা চীৎকার করে উঠে সেইখানেই অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলেন। পাড়ার লোকেরা যখন নন্দিতার চীৎকারে, নন্দিতার চার বছরের মেয়েটার চীৎকারে, ভারতীর চীৎকারে আর বছর বারোর বাচ্চা চাকরটার চীৎকারে বিহ্বল হয়ে নিজেদের বিপদের চিন্তা না করেই ছুটে এসেছিল, তখন দেখছেন ঘরের মধ্যে রক্তাক্ত কলেবর ছেলের পায়ের কাছে অজিতা দেবী পড়ে রয়েছেন জ্ঞান হারিয়ে।

    আর অজিতা দেবীর জামাই গাড়ি হাঁকিয়ে পালাবার তাল করছে।

    অবশ্য সে তাল তার সফল হয়নি।

    ভগবানের বিচার।

    অনেকক্ষণ ঝড় বৃষ্টির মধ্যে পড়ে থাকার জন্যে গাড়িটা স্টার্ট নিতে দেরী করছিল, ততক্ষণে পুলিশ এসে পড়েছিল। অতএব রাজেন্দ্রভূষণের আর নিজের গাড়ি চড়ে বাড়ি ফেরা হয়নি, পুলিশের গাড়ি চড়ে হাজতে যেতে হয়েছিল, আজও সেখানে আছে।

    পাড়ার লোকেরা অবশ্য ভাবেনি, যুগপৎ যে ওই চীৎকারটা উঠেছে ওদের বাড়ি থেকে, তার কারণটা এমন একটা অদ্ভুত হতে পারে।

    ওরা ভেবেছিল ‘ভগবানের মার।’

    অকস্মাৎ কেউ ভগবানের শিকার হয়েছে।

    বিনা আয়োজনে, বিনা নোটিশে এমন শিকার তো করেই থাকেন তিনি হরদম!

    তাই ভেবেই এসেছিল। এমন দৃশ্যের সম্মুখীন হতে হবে, সে সন্দেহ থাকলে কিছুতেই আসতো না। কানে তুলো দিয়ে বসে থেকে রাত কাটিয়ে, পরদিন সকালে শিশুর সারল্য নিয়ে বলতো, ‘কী আশ্চর্য! কিচ্ছু টের পাইনি তো!’

    কিন্তু সে সারল্য দেখাবার সুযোগ তাদের হয়নি। তাই পুলিশকে খবর দিতে বাধ্য হয় তারা।

    অতএব পুলিশ এসেও দেখেছে অজিতা দেবীকে ঘটনাস্থলে।

    তবে?

    ‘দেখিনি জানিনা’ বললে তো ছাড়ান নেই তাঁর। তিনিই সবচেয়ে বেশী জানেন, তিনিই সব আগে দেখেছেন।

    কিন্তু তিনি সত্য ধর্মের মুখ চাইবেন কিনা, সেটাই হচ্ছে ভাবনার কথা!

    হতে পারে ‘ঠাকুর ঠাকুর’ করেন, কিন্তু সে করা কি এতখানি আছাড়ের ধোপে টিঁকবে? তিনি তো ভাবতেই পারেন, ছেলে তো গেছেই, আবার মেয়েটার কেন সর্বস্ব ঘোচাই। কোন মতে বানিয়ে—টানিয়ে কিছু বলতে পারলেই যদি জামাইটা উদ্ধার পায়।

    এই সন্দেহ সকলের।

    সন্দেহ আরো ঘনীভূত হচেছ, ওঁর নীরবতায়। একবারও উনি বলছেন না ঠিক কী দেখেছিলেন, ঠিক কোন মুহূর্তে ঘরে ঢুকছিলেন, ঘরের মানুষগুলো কে কোথায় কোন পজিশনে বসেছিল। এইগুলোর সঠিক নির্ভুল হিসেব পেয়ে গেলে উকিল—টুকিলরা তো দৃশ্যটাকে ছবির মত সাজিয়ে ফেলতে পারে।

    তা’ নয় অজিতা দেবী শুধু কেবল বলছেন, ‘কিছু মনে করতে পারছি না। মাথার মধ্যেটা সমস্ত গুলিয়ে গেছে।’

    তা মানছি—গেছে গুলিয়ে। এমন অবস্থায় যেতেই পারে। কিন্তু তুমি যখন পাগল হয়ে যাওনি, তুমি যখন নিয়মমাফিক স্নান করছো, পূজো করছো, কথা বলছো, খাচ্ছ—দাচ্ছও, তখন সেই গুলিয়ে যাওয়া মাথাটাকে ঠিক করে নিতে হবে বৈ কি! ভেবে ভেবে বলতে হবে বৈ কি!

    সেটা না নিলেই বলতে হবে, তুমি ইচ্ছে করে সুযোগ নিচ্ছো।

    এঘরে, নন্দিতার ঘরেও সেই আলোচনাই চলছে।

    উনি ইচ্ছে করে সুযোগ নিচ্ছেন।

    নন্দিতা এখানেই আছে। নন্দিতার মা বুঝি একবার নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন, কিন্তু উকিলরা নাকি বারণ করেছে। বলেছে সেই অনুপস্থিতির সুযোগে মেয়ে এসে ওঁকে ‘হাত’ করে ফেলতে পারে।

    অতএব অজিতার বাড়িতে বসেই অজিতার সমালোচনা চলছে।

    ‘উনি ইচ্ছে করে সুযোগ নিচ্ছেন।’

    ‘তাছাড়া দেখছো না’ নন্দিতার মা বলেন, ‘বৌয়ের প্রতি কী ভাব? একবার এ মুখো হচ্ছেন? একবার ‘বৌমা’ বলে ডেকে এক গেলাস শরবৎ হাতে ধরে দিচ্ছেন? ওর ভেতরটা কী খাক হয়ে যাচ্ছে, তা অনুভব করতে চেষ্টা করছেন? এমন উদাসীন হয়ে আছেন, যেন নন্দিতাই কোন পাপের পাপী! মিঠুকে আমি নিয়ে চলে গেছি, তাই মেয়েটা বেঁচে গেছে। কই উনি একবার হাঁ হাঁ করে বলেছেন, ‘ও আমার পার্থর স্মৃতি, আমার কাছে থাকুক। বলেন নি। কঠোর কঠিন কাঠ প্রাণ!’

    নন্দিতার মায়ের কথায় সায় দিচ্ছে অজিতা দেবীর পক্ষের লোকও। অজিতা দেবীর ভাগ্নে ভাসুরপো ননদ ননদাই। তাঁরা তো দুঘরেই ঢুকছেন কিনা। তাঁরা এ ঘরের তথ্য সংগ্রহ করে ও ঘরে পরিবেশন করছেন। আর বলছেন, ‘আশ্চয্যি শক্ত প্রাণ! কোথায় ওই অভাগা বৌটাকে বুকে নিয়ে পড়ে থাকবেন, তা না বৌটার ঘরেই ঢুকছেন না। বলতে গেলাম, ‘তোমার তো তবু ইহকালের পালা চুকে এসেছে, আর পরকালের চিন্তা তো আজীবনই করছে, বৌমার দিকে চাওয়া যায় না। বলা হলো কি না ‘তোমার শান্তি শ্বশুরবাড়ি থেকে এসেছে? কবে বাচ্চা হবে ওর?’…অবাক বাবা অবাক! বললাম বৌমাকে তোমার একটু দেখা উচিত, বললো কিনা, ‘সবাই তো দেখছে। বৌমার মা রোজ আসছেন।’

    অথচ পার্থ থাকতে, কী ‘বৌমা’ বৌমাই ছিল। যেন বৌমায় বিগলিত। যেন বৌমা সর্বেসর্বা মাথার মণি! আর কিছুই নয়, ছেলেকে দেখানো! ছেলের সুয়ো হওয়া! আর সংসারটি বৌয়ের ঘাড়ে চাপিয়ে নিশ্চিন্দি হওয়া। …ঠাকুর—ভজা লোকরা ওইরকম ধূর্তই হয়। সুবিধেবাদীর রাজা। জামাইয়ের শাস্তি হবার ভয়ে অতবড় যে পুত্রশোক তা পর্যন্ত গিলে ফেললো।

    তা ঠাকুর ভজা অজিতা দেবী অন্য এক স্বার্থের খাতিরে শোক গিলে ফেলতে পারলেও, নন্দিতার মা বাপ তো মেয়ের বৈধব্যশোক ভুলতে পারেন না, তাঁরাই লড়ছেন জোর তলবে। গহনা বেচেও চালাবেন। দোষীকে শাস্তি না দেওয়া পর্যন্ত শান্তি কোথায়! তাছাড়া খুনের কেস তো তুলে নেওয়া যায় না। তোমার ক্ষমতা না থাকলে সরকার পক্ষই চালাবে।

    তবে কথা হচ্ছে—ঘুষের কথা।

    কে জানে ও পক্ষ ঘুষ দিয়ে পার পেয়ে যাবে কিনা। ঘুষেরই রাজত্ব, ঘুষেরই পৃথিবী। ভগবান পর্যন্ত ঘুষে নরম, তো মানুষ কোন ছার। হয়তো ওই গালফুলো রাজেন্দ্রভূষণ, হাজতের ভাত খেয়ে গালটা অবশ্য শুকিয়ে গেছে এখন, ওটা প্রমাণের অভাবে বেকসুর খালাস পেয়ে যাবে। হয়তো পার্থসারথির মৃত্যুটা আত্মহত্যা বলে গোঁজামিল করে চালিয়ে দেওয়া হবে। বিচারের প্রহসনে কী হয় আর কী না হয়।

    হয়তো তাই।

    জগতে এমন সব ঘটনা ঘটে, যা লিখতে গেলে পাঠক বলবে ‘অসম্ভব, অসম্ভব, অতি নাটকীয়।’

    অথচ তা ঘটে।

    তবু এরকম ঘটনা বুঝি আর কখনো ঘটেনি। এই পটভূমিকায়, আর একরকম পাত্র—পাত্রীর পরিবেশে।

    সেদিন সকালেও তো ওদের পৃথিবী নিত্যছন্দে আবর্তিত হচ্ছিল। রাত্রিশেষের স্নিগ্ধ চেতনার উপর নিত্যকার মতই অজিতা দেবীর ঠাকুরঘরে ‘মঙ্গলারতি’র মৃদু ঘণ্টাধ্বনি ধ্বনিত হয়েছিল।… সকাল—বেলা মিঠু ঠিক প্রতিদিনের মতই বাবাকে ঠেলা দিয়ে দিয়ে বলেছিল, ‘ও বাবা আর কত ঘুমোবে। তুমি কি কুম্ভকর্ণ?’

    এটি মিঠুর মায়ের শিক্ষা।

    এই ভাব, ভাষা, তাড়না।

    পার্থ বলেছিলো, ‘চমৎকার শিক্ষা। এই তো চাই। ঘরে ঘরে মায়েরা যদি ছেলেমেয়েদের এইভাবে সুশিক্ষিত করে তুলতে পারে, কিছু দিনের মধ্যেই দেশ মাতৃতান্ত্রিক হয়ে যাবে।…বাবারা ওই কুম্ভকর্ণ বনেই পড়ে থাকবে।’

    নন্দিতা হেসে বলেছিল, ‘তা তাইতো চাও তোমরা! কী দেখো আজকাল তোমরা সংসারের?’

    পার্থ বলেছিলো, ‘সংসারের সারাৎসারকে দেখি।’

    নন্দিতা ‘আহা!’ বলে মুখের একটা ভঙ্গী করে মেয়েটাকে নিয়ে স্কুলের জন্যে তৈরি করাতে নিয়ে গিয়েছিল।

    হ্যাঁ, সেদিন সকালেও মিঠুকে তার সেই ‘শিশু মন্দির বিদ্যায়তনে’ নিয়ে গিয়েছিল নন্দিতা, আলনার ওপর ওই যে নীল শাড়িখানা এখনো ঝুলছে, ওইটা পরে। শাড়িটা যেমন তেমনই রয়েছে। ওকে যে নন্দিতা আর পরলো না, আর কখনো পরবে না, সে নিয়ে ওর কোনো দুঃখ নেই।

    মেয়েকে স্কুলে পৌঁছে দিয়ে এসে বাড়িতে ঢুকতে ঢুকতেই ঝিকে প্রশ্ন করেছিল নন্দিতা, ‘হারুর মা, উনুন ধরিয়েছিস?’

    স্কুল থেকে ফিরেই তাড়াতাড়ি রান্না চাপানো কাজ নন্দিতার। চায়ের জল গরম করে নিয়ে ভাত চড়িয়ে দিয়ে চা ছাঁকে, বরকে দেয়, নিজে খায়।

    অজিতা দেবীকে দেবার প্রশ্ন নেই।

    অজিতা দেবী তো সেই ছেলের ভাত খাবার সময় পূজোর ঘর থেকে নামেন। নন্দিতা হুটোপাটি করে রান্না করে, কুটনো কোটে, মাছ কোটে।

    হয়তো অজিতা দেবীর এটা অমানবিকতা, হয়তো তাঁর উচিত বৌকে কিছুটা সাহায্য করা, কিন্তু তিনি সেই উচিত কাজটি করেন না।

    এ ধরনের প্রশ্ন কেউ ওঠালে উনি নির্লিপ্ত গলায় বলেন, ‘বৌমা তো খুব পটু। সবই পারে, আমি বুড়ি গিয়ে পড়ে আর ঝঞ্ঝাট বাড়াই কেন? কাজের বদলে অকাজই করে বসবো হয়তো।’

    ‘আশ্চর্য! ছেলেকে একদিন নিজের হাতে করে রেঁধে খাওয়াতেও ইচ্ছে করে না?’ একথা বলেন নন্দিতার মা।

    আর নন্দিতা হেসে হেসে বলে, ‘অথচ জামাই মেয়ে আসুক দিব্যি খাটবেন। বলবেন, এলাম বৌমা তোমার একটু সাহায্য করতে।’

    তার মানে ছেলের চেয়ে জামাইয়ের ওপর টান বেশী।

    হবেই তো, ছেলে গরীব, জামাই বড়লোক।

    এসব সমালোচনা চলতো। জোর তলবেই চলতো।

    তবে সিঁড়ি বেয়ে অজিতা দেবীর ঠাকুর ঘরে গিয়ে ঢুকতো কি না, তা জানা যেত না।

    অজিতা দেবী নীচে নামতেন প্রসন্ন প্রশান্ত মুখে।

    সেদিনও তাই নেমেছিলেন।

    ছেলের খাওয়া হয়ে গিয়েছিল তখন।

    অজিতা দেবী তার যাত্রাকালে যথারীতি ‘গোবিন্দ’ নাম স্মরণ করেছিলেন।

    কিন্তু ‘গোবিন্দ’ নাম তো বিফল হয়নি?

    পার্থ তো নিরাপদে ফিরে এসেছিল বাড়িতে সন্ধ্যায় অফিসের পর। তারপর—

    হ্যাঁ, তারপর!

    ঠিক তারপর এসে হাজির হয়েছিল ভারতী। স্বামীকে নিয়ে, গাড়ি—ভর্তি জিনিসপত্র নিয়ে। আর গল্প করে, খাওয়া—দাওয়া করে, যখন উঠি—উঠি করছে তখন উঠেছিল সেই ঝড়।

    ভয়ঙ্কর এলোমেলো ঝড়।

    তারপর উদ্দাম বৃষ্টি।

    পার্থ তার বোন ভগ্নিপতিকে বলেছিল, ‘পাগল হয়েছো, এই আবহাওয়ায় বেরোবে কি? থেকে যাও রাতটা।’

    ওরা বলেছিল, ‘বাড়িতে ভাববে।’

    ‘কে ভাববে? বাড়িতে তোমার আছে কে? শুধু চাকর—বাকর ছাড়া?’ নন্দিতাও সায় দিয়েছিল সে কথায়।

    কথাটা সত্যি, তখন তো আর রাজেন্দ্রভূষণ হাজতে যায়নি, অতএব তার দুই দাদা তার জন্যে সহানুভূতিতে বিগলিত হয়নি। তারা বাড়ির মাঝখানে মাঝখানে দেয়াল তুলে যে ব্যবধান রচনা করে নিয়েছিল তার অন্তরালেই ছিল তখন।

    তাই পার্থ বলেছিল ‘কে ভাববে শুনি? বাড়িতে কে আছে?’

    ওরা তখন বলেছিল, ‘তোমাদের তো আর গ্যারেজ নেই, গাড়িটা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ভিজবে।’

    পার্থরা বলেছিল, ‘তোমাদের ভেজার থেকে গাড়ি ভেজাটা কম লোকসান।’

    তবু ওরা বেরোতে চেষ্টা করছিল, পার্থ তখন বলেছিল। বলেছিল, ‘তার মানে গরীবের ঘরে একটা রাতও কাটাতে পারবে না তোমরা, এই তো?’

    তার মানে নিজের মৃত্যুর পথ প্রশস্ত করেছিল পার্থসারথি। নিজের হাতে নিজের মৃত্যুবাণ গড়েছিল।…

    আর সে কাজে সাহায্য করেছিল তার মা বৌ!

    অজিতা দেবী বলেছিলেন, ‘এই দুর্যোগে মানুষ রাস্তা থেকে দরজা ঠেলে অচেনা বাড়িতে ঢুকেও আশ্রয় নেয়, আর তুই বাড়ির মেয়ে, চলে যাবি?’

    ভারতী বলেছিল, ‘আমি তো বলিনি, ও বলছে।’

    ‘ও’ বলেছিল, ‘আপনাদের অসুবিধের জন্যেই, হঠাৎ আমরা দু—দুটো মানুষ শুতে চাইবো, ছোট্ট বাড়ি—’

    ‘তা’ সেটাই কথা।’ নন্দিতা বলে উঠেছিল, ‘ছোট বাড়ি বলেই থাকা সম্ভব হবে না আপনাদের।’

    রাজেন্দ্রভূষণ বলেছিল, ‘তবে নাচার! রয়েই গেলাম।’

    অর্থাৎ অদৃশ্যলোকের অন্ধকার থেকে যে জাল ফেলা হচ্ছিল, সে জালে সবাই পড়েছিল।

    আর বেশ আনন্দ চিত্তেই পড়েছিল।

    বৃষ্টিতে যখন পৃথিবী ভেসে যাচ্ছিল, ওরা চারজনে তখন তাস খেলছিল।

    অনেক রাত পর্যন্ত খেলেছিল।

    অজিতা দেবী সেই সময়টায় মেয়ে জামাইয়ের জন্যে বিছানা প্রস্তুতের ব্যবস্থা করছিলেন, ছোট চাকরটাকে সঙ্গে নিয়ে।

    তাঁর নিজের ঘরেই শুতে দেবেন ওদের।

    একদা যে সেকেলে ধরণের ভারী পায়া, জোড়া খাটটায় তাঁর নিজের জীবনের যুগল—শয্যা রচিত হতো, আর এখন সারা বাড়ির বাড়তি বিছানা লেপ কম্বলের আশ্রয় হয়েছে, সেইটাকেই ভারমুক্ত করে ওদের জন্য বিছানা বানালেন।

    না, স্বামী মারা যাবার পর তিনি আর কোনদিন খাটে শোননি। তাই হঠাৎ এই খাটটায় ফরসা বিছানা পেতে ঘরটাকে কেমন অদ্ভুত দেখতে লাগলো অজিতা দেবীর। জঞ্জালের স্তূপ হয়েই পড়ে থাকে ঘরটা, তিনি অধিক রাত্রে এসে মাটিতে একটা বিছানা পেতে শুয়ে পড়েন।

    বড়লোকের বাড়ি মেয়ের বিয়ে দিয়ে এমনই অধিকারচ্যুত হয়ে আছেন যে সাহস করে একদিন বলতে পারতেন না ‘তোরা একদিন থাক না। একটা রাত এ বাড়িতে রাত্রিবাস কর না।’

    বলতে পারেন না।

    অধিকারচ্যুত বলে।

    বলতে পারেন না, তাঁর কোনো সাধ প্রকাশ করবেন না বলে।

    তাঁর সম্পূর্ণ আপত্তির ওপর জোর করে মেয়ে বিয়ে দেওয়ার কাল থেকেই তীব্র একটা অভিমানে যেন পাথর হয়ে গিয়েছিলেন অজিতা দেবী, তারপর সেই মেয়ের তিলে তিলে রূপ পরিবর্তনে যেন ক্রমশঃই সে কাঠিন্য অচল—অনড় হয়ে উঠেছে।

    স্বামীর সঙ্গে হৃদয়ের যোগও ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। নিজেকে ইচ্ছে করে দূরে সরিয়ে রেখেছিলেন।

    তারপর স্বামী মারা গেলেন।

    সেই অভিমান কেমন একটা অপরাধবোধের অনুভূতিতে নির্লিপ্ত করে দিল অজিতা দেবীকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসোনার কৌটো – আশাপূর্ণা দেবী
    Next Article অনবগুন্ঠিতা – আশাপূর্ণা দেবী

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }