Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হেমন্ত বেলায় – বুদ্ধদেব গুহ

    বুদ্ধদেব গুহ এক পাতা গল্প826 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ব্যাংডাকির মেয়ে

    ব্যাংডাকির মেয়ে

    কীহল অরোরা? আমার রেসিডেন্সের ফোনের লাইন পাওয়া গেল না এখনও? একটু উষ্মার সঙ্গেই বলল শ্রাবণ।

    অরোরা ঘাবড়ে গিয়ে টেলিফোন অপারেটর মিস মালপানিকে রাগের গলায় বলল, সংগীতা রায় সাহাবকো রেসিডেন্সকা লাইন কি ক্যা হুয়া?

    —আই অ্যাম ট্রাইং স্যার।

    —হোয়াট ট্রাইং? গেট ইট বাই অল মিনস গেট ইট অন ডিম্যাণ্ড অর লাইকিং।

    —তুমহারা দেল্লি, কলকাত্তাকি বরাবর হো গায়ি। টেলিফোনকি বারেমে।

    শ্রাবণ বলল।

    —নেহি সাব। মিল তো যাতা লাইন। ইয়ে সংগীতাকি বদনসিবি।

    এবারে ফোনটা বাজল।

    অরোরা রিসিভার তুলেই বলল, লিজিয়ে সাব। মিলা।

     

     

    —হ্যালো। কে?

    —আমি। ভাতি।

    —বাড়িতে আর কেউ নেই?

    —বাড়িতে আর কেউই নাই!

    —শ্যাম কোথায়?

    —শ্যাম কাইল চইল্যা গেছেগিয়া। বউদি চইল্যা যাইতে কইছিল।

    —কেন?

    —আমার সাথে খুবই ঝগড়া করতাছিল। জলের বোতল নিয়া মারতে আইছিল আমারে। ডাকাইত একডা! বুড়া, তায় আবার কলপ কইর‌্যা হিরো বনবার চায়!

     

     

    —থাক ওসব কথা। বউদি কোথায়?

    —বউদি বাইরাইছে। কইতাছিল বুনের বাড়ি যাইব।

    —বুনটা কে?

    —আঃ। বুইন।

    —কী যে বলিস তুই!

    —আরে! চাঁপাদিদি। বুন না?

    —ও চাঁপা। বোন বলবি তো। কী বুন-বুইন করছিস! বউদি এলে বলিস যে, ফোন করেছিলাম।

    —তুমি আসবা কবে দিল্লি থিক্যা?

     

     

    শনিবার। বলে দিস। ছোটোদাদাবাবু আর বউদি কোথায়?

    —ও মা! অফিসে আর স্কুলে। জানো না য্যান তুমি?

    —জানি।

    —আর কী কইবা, কও।

    —তোরা সকলে ভালো আছিস তো?

    —হ।

    —বউদিকে বলিস। ওদেরও।

    —শনিবার কখন আসবা?

     

     

    —দুপুরে।

    —কী মাছ খাবা কও। বউদিরে কমু। ভালো কইর‌্যা রাইধ্যা রাখুম।

    —যা খুশি।

    —কও-না। না জাইন্যা নিলে বউদি আবার রাগ করব। বাড়িতে তো খাও না কত্তদিন।

    —ঠিক আছে, ছাড়ছি। বলে দিস ফোন করেছিলাম।

    বলেই, শ্রাবণ ফোনটা ছেড়ে দিল।

    —ইজ ইট ওভার স্যার?

    মিস মালপানি শুধোলেন।

     

     

    —ইয়েস। থ্যাঙ্ক ইউ ভেরি মাচ।

    ফোন ছেড়ে দিয়েই ওর চিন্তা হচ্ছিল। ভাতি, ওদের বাড়ির রান্নার মেয়েটি ন-তলার মালহোত্রার ফ্ল্যাটের চাকর পাঁচুর সঙ্গে প্রেম করছে। উনিশ-কুড়ি বছরের মেয়ে। সুযোগ পেলেই সার্ভেন্টস কোয়ার্টারে চলে যায়। কখন যে কী ঘটে যাবে!

    যূথী বলেছিল, আজকাল অল্পবয়সি কাজের মেয়ে ফ্ল্যাটবাড়িতে রাখার অনেকই নাকি বিপদ। তা ছাড়া, একদল নাকি বাবুদের ব্ল্যাকমেইল করতেই আসে। নিজের প্রেমিকের বা স্বামীর সঙ্গে শুয়ে প্রেগন্যান্ট হয়ে, বাবুদের নামে দোষ চাপিয়ে টাকা আদায় করে, স্ক্যাণ্ডাল রটানোর ভয় দেখিয়ে।

    বন্ধ জানলার কাচ দিয়ে বাইরে চেয়ে দেখল শ্রাবণ। আঁধি বইছে দুপুরের দিল্লির বুকে। ঘোড়দৌড়ের দলবদ্ধ মেটে-লালরঙা ঘোড়াদের মতো হু-হু করে দৌড়ে যাচ্ছে মেটেরঙা ধুলো তাড়িয়ে দিয়ে হাওয়াটা। তারপর আকাশ, গাছপালা সব লাল ধুলোর মেঘে ছেয়ে যাচ্ছে।

    ভাতি বাড়িতে একলা আছে একথাটা ভেবেই আতঙ্ক উপস্থিত হল শ্রাবণের। শ্যামটা অনেকই পুরোনো লোক ছিল। কিন্তু যতই পুরোনো হচ্ছে ততই ছিঁচকে চোর আর লোভী হচ্ছে। তা ছাড়া প্রচন্ড চিৎকার চেঁচামেচিও করে। চরম উক্ত্যক্ত হয়েই হয়তো ছাড়িয়ে দিয়েছে যূথী।

     

     

    কিন্তু…

    দুই

    দিল্লি থেকে কলকাতায় আসার সকালের ফ্লাইটটা দশটা দশ-এ। কিন্তু ছাড়ল এক ঘণ্টা দেরিতে। দমদমে নামল সাড়ে বারোটা নাগাদ।

    লিফটে উঠে ফ্ল্যাটের দরজাতে পৌঁছেই কলিংবেল টিপে টিপে হাত ব্যথা হয়ে গেল কিন্তু কেউই খুলল না। বিরক্ত, ক্রুদ্ধ এবং অবাক হয়ে পাশের ফ্ল্যাটে খোঁজ নেবে কি না ভাবছে এমন সময় একমুখ হেসে দরজা খুলল ভাতি।

    রাগের গলায় শ্রাবণ বলল, ছিলি কোথায়?

    —আর কন ক্যান দাদা? একটা পাগল কোকিল কাল রাত থিক্যা এমনই ডাকতাছে যে কী কমু!

    —কোকিল?

     

     

    আকাশ থেকে পড়ে বলল শ্রাবণ। এগারোতলার ফ্ল্যাটে কোকিল!

    —হ্যাঁ। কোকিলের ডাক, গাছে গাছে নতুন চিকন পাতা। রোদ পইড়া কী দারুণ চমকাইতেছে তারা। বারান্দায় দাঁড়াইয়াছিলাম আর ওই বাঁ-দিকের ভাঙা বাড়িটায় একটা কাঞ্চন গাছ আছে, দ্যাখছ দাদাবাবু? কী ফুলই-না ফুটছে! আইসো আইসো, দেইখ্যা যাও একবার!

    হাতের ওভারনাইটারটা নামিয়ে রেখে শ্রাবণ ওর কথাতে ওর সঙ্গে হেঁটে গিয়ে বারান্দাতে দাঁড়াল। ওরই ঘরের বারান্দাতে। কলকাতায় এগারো-তলা ফ্ল্যাটবাড়িতে থেকে, সারাদিন কী কলকাতা, কী দিল্লি, কী বোম্বে সবসময়ই এয়ার-কণ্ডিশনড অফিসে কাজ করে, কোকিল, গাছেদের নতুন কচি কলাপাতারঙা পাতা, আর কাঞ্চন ফুলের জগৎ যে এখনও আছে তা সে ভুলেই বসেছিল। বারান্দায় এসে দাঁড়িয়ে ভাতিকে বকতেই ভুলে গেল। মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে দুপুর একটার সময় আবহাওয়া বদলে-যাওয়া পৃথিবীর এককোণে এগারো তলার বারান্দাতে দাঁড়িয়ে ভাতির চোখ দিয়ে কলকাতারই এই অঞ্চলকে সে একেবারে নতুন চোখে দেখল।

    বারান্দায় এসে দাঁড়ালে সত্যিই তো ভেতরের কোনো শব্দই কানে আসে না! মনের বারান্দাতে দাঁড়ানোরই মতো। কলিংবেল-এর আওয়াজ না-শোনাতে ভাতির কোনো দোষ ছিল না সেকথাও বুঝল।

     

     

    —ওই দ্যাখো। দ্যাখছ? কী ফুলই-না আইছে কাঞ্চন গাছটায়!

    —হুঁ।

    বলল, শ্রাবণ।

    তারপরই ভাবল, ফুলের গাছ নিয়ে ভাতির সঙ্গে কাব্য করেছে জানলে যূথী ভীষণ রেগে যাবে। পুরুষ হয়ে জন্মেছে। ষোলো বছরের বেশিবয়সি নারীমাত্রকেই লোডেড রিভলবারের মতো হ্যাণ্ডল করতে হয় যে, তা-ও শিখেছে। বড়ো বিপদ!

    —চান করবা না?

    —করব। বউদি কোথায়?

    —নি মার্কেটে।

    নিউ মার্কেট। বুঝল শ্রাবণ।

     

     

    —কখন আসবে?

    —আইস্যা যাইবেন। খাবার কি গরম করুম?

    —না। বউদি আসুক। আমি চান করতে যাচ্ছি বউদি বেল দিলে খুলিস যেন—আমি তো দশ মিনিট দাঁড়িয়েছিলাম।

    —খুলুম, খুলুম। বসন্তকাল আইল তো! সেই লগ্যে তো! মনটা হুড়দুম-দুরগুম করে।

    চান করতে করতে শ্রাবণ ভাবছিল, ভাতি যে চোখ দিয়ে এই পৃথিবীকে দেখে বা শোনে, সেই চোখ দিয়ে ও কেন দেখতে পারে না! শহরে শহরে ঘুরে, জীবিকার ঘানিতে নিরুপায়ভাবে জুড়ে গিয়ে ওর মনের মধ্যের অনেক ভালো জিনিসই মরে গেছে। নষ্ট হয়েছে কিছু অঙ্কুর; কিছু বীজ। যেসব বীজ আর কোনোদিনও অঙ্কুরিত হবে না।

    ভাতিদের বাড়ি কোচবিহারে। শহরে নয়, গ্রামে। ওর নাকি মা-বাবা কেউই নেই। দাদারা আছে। কিন্তু বউদিরা একদিন খারাপ ব্যবহার করাতে ও বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে আসে। শ্রাবণের বেকার খুড়তুতো ভাই কমলের শ্বশুরবাড়ি কোচবিহারে। কাজের লোকজনের বড়ো অসুবিধা একথা যূথীর কাছে শুনেছিল কমল। শ্বশুরবাড়ি থেকে আসার সময় সোজা স্টেশন থেকে নেমে ভাতিকে এক রবিবারের দুপুরে শ্রাবণদের বাড়িতে তুলে দিয়ে চলে যায়। তারপরই কমল চাকরি পেয়ে চলে যায় পারাদ্বীপে।

     

     

    শ্রাবণ খুব রাগ করেছিল, কমলের কাছ থেকে যূথী ভাতির দেশের বাড়ির ঠিকানাও রাখেনি বলে। কমলকে চিঠি লেখা হয়েছে পারাদ্বীপে। কিন্তু উত্তর আসেনি। কমলের বউ ধানি বলেছে, তেমন কিছু হলে ওকে জানালেই হবে। কুচবিহারে ভাতিকে পৌঁছে দেবার লোকের অভাব হবে না। কিন্তু শ্রাবণ চিন্তায় মরে যায়। যদি কিছু ঘটে যায়।

    যূথীর সঙ্গে মনোমালিন্য হলে, টি.ভি. দেখতে না দিলে; ভাতি এমন জংলি পশুর মতো রেগে ওঠে যে, ভয় হয় কোনদিন-না দশ-তলার বারান্দা থেকে লাফিয়েই পড়ে। পাঁচুর সঙ্গে প্রেমটাও ওর পাশবিক। তোরসা নদীর গন্ধ এখনও ভাতির গায়ে লেগে আছে। তোরসারই মতো ওর চালচলন। ব্যাংডাকি জঙ্গলের কটুগন্ধি ফুলেরা ওর মস্তিষ্ক প্রভাবিত করে রেখেছে। পুরোপুরিই জংলি মেয়ে এই ভাতি। এই মালটিস্টোরিড বাড়ির ছোট্ট ফ্ল্যাটের সীমার মধ্যে ওর দম বন্ধ হয়ে আসে। বুঝতে পারে শ্রাবণ। গ্রামবাংলার ছেলে ও। ওরও প্রথম প্রথম দম বন্ধ হয়ে আসত। কিন্তু যূথী কলকাতার মেয়ে। এসব কথা ও বোঝে না। যারা গ্রাম দেখেনি, গ্রামে থাকেনি, তাদের এসব কথা বলাও মিছিমিছি। দিগন্তমেলা আকাশ, তোরসার বান, ব্যাংডাকি জঙ্গলের আলোছায়ার, গাছপালার গভীর রহস্য ভাতির চোখের মণিতে যেন মালটিকালারড বৈদ্যুতিক বালব-এর মতো খেলা করে। বুঝতে পারে শ্রাবণ। কিন্তু ও একা। ওই প্রবলযৌবনা বাড়ন্ত গড়নের জংলি মেয়েকে, তার চাপল্য ও দুঃখকে বোঝে, এমন আর কেউ এই ফ্ল্যাটে ছিল না।

     

     

    তাই ভারি ভয় করে ভাতির জন্যে।

    যূথী অনেক দিন বুঝিয়েছে ওকে। ফ্ল্যাটবাড়িতে পঞ্চাশটি ফ্ল্যাট। কতরকম লোক বাস করে এই ফ্ল্যাটে। তোর মতো অল্পবয়সি মেয়েদের পক্ষে নষ্ট হয়ে যাওয়াটা কোনো ব্যাপারই নয়। তারপর কোনো নরকে নিয়ে গিয়ে তুলবে তোকে। তখন আমাদের দোষ দিস না।

    ভাতি রাগে বেড়ালনির মতো ফুলে ওঠে এসব কথা শুনল। বলে, ইসস। অত্ত সোজা। চুল ছিঁইড়া দিমু না। নাক কামড়াইয়া দিমু।

    যূথী হতাশ হয়ে দু-হাতের পাতা উপরে তুলে, মেলে, কিছু বলতে চায় ওকে, এই মহানগরীর ভয়াবহতা সম্বন্ধে বোঝাতে চায়; কিন্তু নিরুপায়ে চেয়ে থাকে ওর মুখের দিকে।

    চান সেরে উঠে শ্রাবণ বলল, খাবার লাগা ভাতি। দিতে দিতে বউদি এসে যাবে।

    —ওমা! দাঁড়াও। আমি চান কইরা লই। এক মিনিট।

    এই চান করা নিয়েও অনেকই সমস্যা।

    সার্ভেন্টস কোয়ার্টারের যে বাথরুম, তার দরজাতে অনেক ফুটো। নীচটাও ফাঁকা। বিহারি, উত্তরপ্রদেশীয় হিন্দু, কাজের লোকেরা ও দক্ষিণ বাংলার কিছু নানা পেশার মুসলমানের বাস এইসব সার্ভেন্ট কোয়ার্টারে। অনেকের আত্মীয়স্বজনও এসে থাকে। প্রতিতলার মেজানিন ফ্লোরে ওদের কোয়ার্টার। প্রথম দিন ভাতি চান করতে গিয়ে কেঁদে ফিরে এসে বলেছিল, মেলা চোখ। দরজার ফুটার মধ্য দিয়া চক্ষুগুলান আমারে গিল্যা ফ্যালাইতে চায়। বাঁদর কতগুলান।

    তারপর থেকে যূথী বলেছিল, রান্নাঘরের লাগোয়া কাভারড বারান্দাতে চান করতে।

    প্রথম দিনই ভাতি রান্নাঘরের লাগোয়া বারান্দা ভেতর থেকে বন্ধ করে চান করে এসে বলল, সামনের আর পাশের বাড়ির দারোয়ানগুলা আমারে হাতছানি দিয়া ডাকতাছিল বউদি। আমিও লাথথি দেখাইয়া দিছি!

    —করিস কী ভাতি?

    যূথী বলেছিল! আতঙ্কিত গলায়।

    —তা, এতদূর থিক্যা আর কী করুম? কাছে পাইলে তো কান কামড়াইয়া ছিঁড়্যা থুইতামনে।

    যূথী বারান্দাটা এখন কাচ দিয়ে পুরো ঢেকে দিয়েছে ওর চানের জন্যে। যাতে আব্রু রক্ষা হয়।

    কিছুক্ষণ পর ভাতি চান করে এল। শ্রাবণ ‘দেশ’-এর পাতা উলটোচ্ছিল বসবার ঘরে বসে বসে।

    একটা কচি কলাপাতারঙা সস্তা পুরোনো তাঁতের শাড়ি পরেছে ভাতি। তেল দিয়েছে মাথায়। যত্ন করে চুল আঁচড়েছে। মুগ্ধ চোখে তাকাল শ্রাবণ। এ মুগ্ধতা প্রেমের মুগ্ধতা নয়, কামের মুগ্ধতাও নয়। মুগ্ধতার অনেক রকম হয়!

    ভাতি শ্রাবণের চোখ পড়ে বলল, কী? বলবা কিছু বুঝি আমারে?

    —না:।

    —তবে? তাকাইয়া আছো ক্যান?

    শ্রাবণ হেসে বলল, এমনিই!

    এই হীন, কুচক্রী, নীচ, কংক্রিটের জঙ্গলের মধ্যে ভাতি শ্রাবণদের জন্যে এক দারুণ পৃথিবী নিয়ে এসে এই এগারো-তলার ছোট্ট ফ্ল্যাটে ছেড়ে দিয়েছে। ফ্ল্যাটের মধ্যে দিয়ে তোরসা বয়ে যাচ্ছে। দূরের রায়ডাক আর তিস্তার গন্ধ আসছে নাকে। কাঞ্চন ফুলের নরম বেগুনি আলো আর কোকিলের ডাক, ব্যাংডাকি জঙ্গলের অপার সব রংবেরঙা-রহস্য বন্দি হয়েছে এখানে ভাতিরই কল্যাণে। শ্রাবণ একথা জেনে খুবই কৃতজ্ঞ বোধ করে। তাই….

    —দিমু খাবার?

    —দাঁড়া।

    —তাইলে আমি বারান্দায় যাই? কোকিলে ডাক শুনি গিয়া?

    —যা।

    —দরজাটা খুইল্যা দিয়ো বউদি আইলে, নইলে আমি বকা খামু।

    —দেব।

    ভাতি বসবার ঘরে কচি কলাপাতারং ছড়িয়ে ওর চুলের তেলের গন্ধ উড়িয়ে বারান্দায় চলে গেল।

    যূথী এবং শ্রাবণের ছোটোভাই ভাদ্রর স্ত্রী জিনি, মাথায় কখনোই কোনো তেল দেয় না। শ্যাম্পু করার দিন ছাড়া। সিঁদুর পরে না সিঁথিতে। ভাতি এই ফ্ল্যাটের জীবনে এক অন্য জীবনকে মিশিয়ে দিয়েছে। সেই মিশ্রণ ক্রমশই ঘন হচ্ছে। শ্রাবণ বুঝতে পারে। শ্রাবণ ভাবে, কোনোদিন একটি কাঞ্চন ফুলের গাছের জন্য, কাঞ্চন ফুলের জন্যে; ওদের এই মেকি অভ্যেসের জীবনে, ক্লান্তিকর জীবনে, ভাঙন না-ধরে যায়! আস্ত ব্যাংডাকি জঙ্গলটাই উঠে এসে বসতে পারে ফ্ল্যাটের মধ্যে কোনোদিন। তোরসা নদীর জলও বয়ে যেতে পারে।

    শ্রাবণ একথাটা মনে করেই ভীত হয়ে ওঠে।

    যূথী আর জিনি ভাতিকে ‘বাঙাল’ বলে খ্যাপায়।

    ভাতিকে ওরা আণ্ডার এস্টিমেট করছে। ভাতিকে এখান থেকে তাড়াতে হবে এমন কথা যূথী আর জিনি প্রায়ই বলে।

    মেয়েরা তাদের ঘরের মধ্যে তাদের মনোনীত গন্ধ ছাড়া অন্য কোনো গন্ধই পছন্দ করে না। তাদের যুক্তি মানে না শ্রাবণ। কিন্তু তা নিয়ে কিছু বলেও না। ভাতি সত্যিই হয়তো চলে যাবে কোনোদিন। যূথী আর জিনিই ছাড়িয়ে দেবে। তাড়িয়ে দেবে। তখন এই ফ্ল্যাটে কোকিলের ডাক, কাঞ্চন ফুলের শোভা, তোরসার জলের গন্ধ আর ব্যাংডাকি জঙ্গলের মিশ্র শব্দ; বনজ্যোৎস্নার আর সবুজ অন্ধকারের আভাস কিছুই আর থাকবে না।

    শ্রাবণ জানে, ভাতিকে ওরা শিগগিরই ছাড়িয়ে দেবে। পাঁচুর সঙ্গে প্রেম করছে বলে নয়। সম্পূর্ণ অন্য এক মেয়েলি কারণে।

    ভাতি বলল; খাবা, আইসো!

    শ্রাবণ বলল, হুঁ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকোয়েলের কাছে – বুদ্ধদেব গুহ
    Next Article হাজারদুয়ারি – বুদ্ধদেব গুহ

    Related Articles

    বুদ্ধদেব গুহ

    বাবলি – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্ৰ ১ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ২ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৩ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৪ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    অবেলায় – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Our Picks

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }