Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হেমন্ত বেলায় – বুদ্ধদেব গুহ

    বুদ্ধদেব গুহ এক পাতা গল্প826 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রক্ত

    ওয়ার্ড বয়টি বলল, খেয়ে ফেলুন।

    আমার সামনে দু-হাতে দু-গ্লাস গ্লুকোজ-গোলানো জল ধরে সে দাঁড়িয়ে ছিল। ঢক ঢক করে গ্লাস দুটি নি:শেষ করে আবার তার হাতে ফিরিয়ে দিলাম।

    যিনি ক্লিনিকের চার্জে ছিলেন, সেই প্যাথোলজিস্ট বললেন, ঘড়ি দেখুন। ঠিক দু-ঘণ্টা পরে রক্ত নেওয়া হবে।

    দু-ঘণ্টা?

    বিরক্তির গলায় শুধোলাম ওঁকে।

    উনি নৈর্ব্যক্তিক গলায় অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে বললেন, হ্যাঁ! ঠিক তাই।

    দু-টি ঘণ্টা সময় ওইখানে বসে নষ্ট করতে হবে ভেবেই অস্বস্তি লাগতে লাগল।

    আজ অনেক দিন হয়ে গেছে সেই দু-ঘণ্টা। অনেক ঘণ্টা, দিন, মাস বছর পেরিয়ে এসেছি। কিন্তু পেছন ফিরে তাকালে মনে হয়, ভাগ্যিস সেদিন দু-ঘণ্টা ওখানে বসে ছিলাম, নইলে সাকচুদের সঙ্গে পরিচিত হতাম না কখনো। ওদের সম্বন্ধে কিছু জানতেও পেতাম না।

     

     

    ওখানে বসে থাকতে থাকতেই একটু পরেই চার-জন গুণ্ডা প্রকৃতির লোক একই সঙ্গে সেই এয়ার কণ্ডিশানড ক্লিনিকে দরজা ঠেলে ঢুকল। কাউন্টারে এক জন ক্যাশিয়ার টাকাপয়সা জমা নিচ্ছিলেন। অন্য-জন রক্তের রিপোর্ট টাইপ করছিলেন। তাঁদের দু-জনেরই এই লোকগুলোকে দেখে চমকে ওঠার কথা ছিল, কারণ ওই পরিবেশে, ওই সময়ে, ওই লোকগুলোকে একেবারেই মানাচ্ছিল না।

    কিন্তু ওঁরা একবার চোখ তুলেই, সঙ্গে সঙ্গে চোখ নামিয়ে নিলেন।

    বুঝলাম, ওরা ওদের চেনা লোক।

    পার্টিশানের ভেতর থেকে একটি ভারী গলা ওই লোকগুলোকে উদ্দেশ করে বললেন, এক এক-জন করে ভিতরে এসো তোমরা।

    সেই গলার স্বর শুনে মনে হল, এই লোকগুলোর কোনো নাম নেই, পরিচয় নেই। ওরা এক ভিন্ন জগতের প্রাণী যেন। এমনকী গায়ে কোনো নম্বর বা দাগও নেই।

     

     

    কয়েক মিনিটের মধ্যে ওরা এক এক করে ভেতরে গেল এবং এক এক করে ফিরে এল কনুইয়ের উলটোদিকে হাতের শিরায় এক টুকরো করে তুলো গুঁজে।

    বুঝলাম, রক্ত দিয়ে এল ওরা।

    চার-জন একসঙ্গে হতেই আবার যেমন দলবদ্ধ হয়ে এসেছিল তেমনি দলবদ্ধ হয়ে দরজা ঠেলে বাইরে বেরিয়ে গেল একটিও কথা না বলে।

    ওদের মধ্যে এক-জন লুঙ্গি পরে ছিল। কাঁধের কাছে অনেকখানি ছেঁড়া একটা নীল টুইলের শার্ট ছিল তার ঊর্ধ্বাঙ্গে। কিন্তু তার চোখ-জোড়ায় চোখ পড়লে চোখ ফেরানো সম্ভব ছিল না। লাল টকটকে বাঘের চোখের মতো চোখ।

    তারা অদৃশ্য হলে, আমি ফিস ফিস করে ওয়ার্ড বয়কে শুধোলাম, এরা কারা?

    ওয়ার্ড বয় বলল, ডোনার।

     

     

    মানে?

    মানে, রক্ত দেয়, দিয়ে পয়সা রোজগার করে।

    পয়সার জন্যে রক্ত দেয়?

    হ্যাঁ। আজ তো শনিবার, রেসের মাঠে যাবে ওরা আজ।

    ওই লুঙ্গি পরা লোকটার নাম কী? নিয়মিত রক্ত দিয়েও ওইরকম গুণ্ডার মতো চেহারা ও রাখে কী করে? চোখের দিকে তাকালে মনে হয় গিলে খাবে।

    ওয়ার্ড বয় হাসল।

    বলল, ওরা ও-রকমই। ও গুরুদেব। ওর নাম সাকচু সিং। ও গুণ্ডা সর্দার।

    কত পায় রক্ত দিয়ে?

     

     

    যতবার দেয় ততবার ছাব্বিশ টাকা। সাকচু অনেক বেশি। কারণ ওর নেগেটিভ।

    নেগেটিভ মানে?

    আমি বললাম।

    ওয়ার্ড-বয়টি বলল, মানে নেগেটিভ গ্রূপের রক্ত।

    ও। কিন্তু এতেই চলে যায়? রোজ তো আর রক্ত দিতে পারে না!

    রোজ দেয়ও না। মাঝে মাঝে দেয়, বাদবাকি সময় পকেট মারে, ছিনতাই করে, মদ খায়, লোকের পেটে চাকু চালায়। কী করে না?

    তারপরই বলল, আপনার পকেটে হাত দিয়ে দেখে নিন একবার। সব ঠিকঠাক আছে তো?

    তাড়াতাড়ি বুক-পকেটে হাত দিয়ে দেখলাম। প্রেসক্রিপশন, টাকা সব বুক পকেটেই রেখেছিলাম।

     

     

    না:, ঠিকঠাকই আছে।

    বসে থাকতে থাকতে দু-ঘণ্টা হয়ে গেল। রক্ত দিলাম আমিও। পরীক্ষার জন্যে। পয়সা নিয়ে নয়। দিয়ে, তারপর বেরিয়ে এলাম।

    ওই লোকগুলোর কথা, সাকচুর কথা তারপর ভুলেই গেছিলাম। কাজেকর্মে, নিজেদের নানা ধান্দায়।

    আমার ছোটোবেলার বন্ধু পরিতোষের স্ত্রী রমার হার্টের সাংঘাতিক অসুখ। রমার মতো এমন সুন্দরী মেয়ে বড়ো একটা দেখা যায় না। যেমন চেহারা, তেমনি নম্র শান্ত মিষ্টি স্বভাব। অথচ এমন মেয়েকে ভগবান এমন কঠিন অসুখ দিয়ে পাঠালেন কেন ভেবে পেতাম না। তিন বছর হল বিয়ে হয়েছিল। ছেলে-মেয়ে হয়নি। হবার সম্ভাবনাও ছিল না হার্টের ওই অবস্থায়। স্বামী-স্ত্রী দু-জনেই ওরা আড্ডা মারতে খুব ভালোবাসত। প্রতি রবিবার সকালে আমার আড্ডাখানা ছিল ওদের বসার ঘর। প্রথম সকালে বসবার ঘরে কাপের পর কাপ চায়ের সঙ্গে আড্ডা জমত। তারপর খাওয়া-দাওয়ার পর শোবার ঘরে। আমরা তিন-জন পাশাপাশি শুয়ে গল্প করতে করতে শেষ বিকেলে ঘুমিয়ে পড়তাম। ছাড়াছাড়ি হত সেই সন্ধের মুখে চা খাওয়ার পর।

     

     

    রমা বলত, আপনার একটা বিয়ে না দিলে আমাদের দাম্পত্য জীবনে প্রাইভেসি বলতে কিছুই থাকবে না দেখতে পাচ্ছি। স্বামীকে যে রবিবারেও একটু একলা পাব, তারও কী উপায় আছে?

    আমি হাসতাম।

    বলতাম, আমার বন্ধুর মতো কৃতী ছেলেকে বিয়ে করেই আপনার হার্ট অকেজো। আমাকে যে বিয়ে করবে, সে তো হার্টফেল করেই মারা যাবে তিন দিনের মধ্যে।

    রমা হাসত উত্তরে। রমার হাসিটা ছিল ভারি বুদ্ধিদীপ্ত ও মিষ্টি।

    পরিতোষ বর্তমানে আই-বি-ডিপার্টমেন্টের অফিসার। ওর কাজের কোনো সময় অসময় ছিল না, ছিল না ছিরিছাঁদো, যখন তখন যার তার বাড়ি হানা দিতে হত। হানা দিয়ে অনেক সময় নিজেদের এবং কিছু সময় যাদের বাড়ি হানা দিত, তাদেরও অহেতুক বিব্রত করত।

    রমা এই নিয়ে হাসাহাসি করত। পরিতোষ বলত, আই-পি-এসদের সকলেই এই আনপ্লেজেন্ট কাজের মধ্য দিয়ে যেতে হয় জীবনের কোনো-না-কোনো সময়ে। ওপর তলায় ওঠার সিঁড়ি কি সবসময়েই মোজাইক টাইলসের হয়?

     

     

    এক বৃহস্পতিবারেই ফোন পেলাম পরিতোষের কাছ থেকে যে, রমার অবস্থা হঠাৎই বিপজ্জনক ভাবে খারাপ হয়ে গেছে। নার্সিংহোমে রিমুভ করেছে কাল। ক্রিটিকাল কণ্ডিশন। শনিবার সকালে ওর অপারেশন হবে। এ ছাড়া নাকি কোনো উপায়ই ছিল না। কলকাতার খুব নামজাদা নার্সিংহোমইে ভরতি করেছে রমাকে। বাঁচা-মরা একেবারে ভগবানের হাতে।

    কলকাতাতেও এ-রকম অপারেশন নাকি বড়ো একটা হয় না। হচ্ছে, তাই হই হই পড়ে গেছে পুরো নার্সিংহোমে এমনকী ডাক্তার মহলেও।

    রমাকে দেখতে গেলাম সেদিনই অফিস ফেরতা। ওকে নার্সিংহোমের দুধ-সাধা বিছানার উঁচু বালিশে হেলান দেওয়া অবস্থা আরও সুন্দর দেখাচ্ছিল; ও চাঁপাফুল খুব ভালোবাসে। ওর জন্যে চাঁপাফুলের তোড়া নিয়ে গেছিলাম।

    রমা ফুলগুলো নিয়ে বলল, রবিদা, এবার আপনাকে বিয়ে করতেই হবে। আপনার জন্যে নয়, বলেই পরিতোষের দিকে চেয়ে বলল, ওর জন্যে। আপনার বউ যেন আপনাদের দু-জনেরই হয়। আমার অনুরোধ পান্ডব হবেন আপনারা।

    পরিতোষ চাপা ধমক দিল।

     

     

    ঘর ভরতি রমা ও পরিতোষের আত্মীয়স্বজনরা ছিলেন। তাঁরাও বিব্রত হলেন।

    আমি বললাম, আমি বাইরে আছি কেমন? যাওয়ার আগে দেখা করে যাব।

    নার্সিংহোমের করিডরে দাঁড়িয়ে ভাবছিলাম প্রত্যেক মানুষেরই হৃদয় থাকে। কিন্তু রমার মতো নরম, সহানুভূতিশীল সংবেদনশীল মেয়ের হৃদয় নিয়েই কাটাছেঁড়া কেন? ভগবান লোকটার সেন্স বলে কোনো পদার্থ নেই।

    শনিবার ছিল। অফিস ছুটি নিলাম। সকাল সাতটার মধ্যেই নার্সিংহোমে এসে হাজির হলাম। পরিতোষ স্বাভাবিক কারণে খুব নার্ভাস হয়ে পড়েছিল। আমিও হয়েছিলাম। কিন্তু ওকে বল দেওয়ার জন্যে হইনি যে তার প্রমাণ করার চেষ্টা করছিলাম।

    অপারেশন আরম্ভ হবে সকাল আটটায়। শেষ কখন হবে ঠিক নেই। এ অপারেশনে নাকি দশ-বারো ঘণ্টা লাগে।

    নার্সিংহোমে পৌঁছোনোর সঙ্গে সঙ্গেই পরিতোষ বলল, একটা খুব গোলমাল হয়েছে বুঝলি?

    ওর গলার স্বরে চিন্তা ঝরে পড়ল।

     

     

    আমি বললাম, কী?

    রমার ব্লাড নেগেটিভ গ্রূপের। যদিও এখানে ওদের যথেষ্ট স্টক আছে, তবুও যদি কম পড়ে! আমার রক্ত পরীক্ষা করলাম, পজিটিভ। রমার সঙ্গে মিলবে না।

    আমি বললাম, আমারটা পরীক্ষা করে নিতে বলো।

    পরিতোষ মনে মনে খুশি হলেও একুট সংকোচের সঙ্গে বলল, তুই রমার জন্য রক্ত দিবি? যদি অনেক রক্ত লাগে?

    পরিতোষ জানে না, রমা পরিতোষের স্ত্রী বলে আমার যেমন আনন্দের শেষ নেই, দুঃখেরও না। আজ রমার জীবন সংশয় না হলে আমি কখনো বুঝতে পারতাম না হাসি-ঠাট্টা-আড্ডার মধ্য দিয়ে কোন মুহূর্তে, কেমন করে রমাকে আমি ভীষণ ভালোবেসে ফেলেছি। আজ সকালে রমার জন্যে কিছুমাত্র করতে পারার সম্ভাবনাও আমাকে মনে মনে দারুণ খুশি করে তুলেছে।

    আমি দেখতে ভালো না। সাধারণ চাকরি করি, চাল-চুলো নেই, কিন্তু আমি তো বদলে কিছু চাইনি রমার কাছ থেকে, শুধু ভালোবাসতেই চেয়েছি। ভালোবাসা বোধটা যে এত গভীর, এত গাঢ়, নিজের রক্তের চেয়েও গাঢ়—এই মুহূর্তের আগে কখনো যেন বুঝতে পারিনি।

     

     

    আমার রক্ত পরীক্ষা করল যখন ওরা, আমার কেবল-ই মনে হচ্ছিল, আমার গ্রূপ যেন নেগেটিভ হয়। যেন রমার জন্যে, রমার কারণে আমি রক্তশূন্য হয়ে নীল হয়ে যেতে পারি। হঠাৎ এমন ভাবনাতে নিজেই আশ্চর্য হলাম।

    আজকের পৃথিবীতে উঁচু ঘোড়ায় চড়ে, খোলা তলোয়ার হাতে নিয়ে শিভালরি, দেখাবার কোনো উপায় নেই। পুরুষের পুরাকালীন, সহজে দৃশ্যমান সমস্ত শিভালরি আজ এমনই ছোটো ছোটো টুকরো টুকরো সূঞ্জাতিসূঞ্জ ক্ষণস্থায়ী ও ক্ষণজন্ম অনুভূতিতে ছড়িয়ে গেছে। যখন সেই অনুভূতির শরিক হই নিজেরা তখনও যেন বুঝতে পারি না যে, এই অনুভূতিকেই ব্লো-আপ করলে আমি এই কেরানি রবি সেনই টগবগানে ঘোড়াছুটোনো প্রবল প্রতাপান্বিত বর্মাকৃত মহাবল যোদ্ধাতে রূপান্তরিত হয়ে যাব।

    আমার রক্ত পজিটিভ।

    রমার কোনো উপকারেই আমি আসব না।

    পুরাকালটাই ভালো ছিল।

     

     

    অপারেশন আরম্ভ হল। রমার হৃদয়, আমাদের সকলের হৃদয়, সার্জেনের হৃদয়, প্রত্যেকের হৃদয় ঘড়ির সেকেণ্ডের কাঁটার সঙ্গে লাফিয়ে লাফিয়ে চলতে লাগল। চলতেই লাগল।

    রক্ত। রক্ত চাই রক্ত।

    বেলা বারোটা বাজল দেখতে দেখতে। অপারেশন শেষ হবে কি না এবং হলেও কখন শেষ হবে তা এখনও জানার উপায় নেই। সার্জেন টাকা নেননি। নেবেন না। এ অপারেশনটা তার পৌরুষের পরীক্ষা। এ-ও এক রকমের শিভালরি।

    ভেতরে কী হচ্ছে আমরা জানি না। শুধু জানি যে, জীবন ও মৃত্যুর মধ্যবর্তী আঙিনায়, ওর শোবার ঘরের আর বসার ঘরের মধ্যের চওড়া বারান্দারই মতো শান্তিনিকেতন মোড়া পেতে রমা বসে আছে। ওর নিয়তির নির্দেশের অপেক্ষায়।

    ঘড়ি দেখলাম। আড়াইটে। অন্য শনিবারে হলে রমা বলত, এবার চলুন তো মশায়, খেয়ে নেবেন। আপনার জন্যে কি আমার বরের গ্যাসট্রিক আলসার হবে?

    পরিতোষ মিনিটে মিনিটে সিগারেট খাচ্ছে। এটাও কি একরকমের শিভালরি? না শিভালরি দেখাবার কিছুমাত্র না করতে পারার গ্লানি থেকে মুক্ত হবার পথ?

    ওর আঙুলগুলো হলুদ হয়ে গেছে পুড়ে।

    বললাম, কী করছিস কী?

    ও বিড়বিড় করে বলল, কিছু তো করতে হয় একটা।

    মাঝে মাঝে অপারেশন থিয়েটারের দরজা খুলছে। শাদা অ্যাপ্রন পরা অ্যাসিট্যান্ট একটাই শব্দ ছুড়ে মারছেন আমাদের দিকে।

    রক্ত।

    বারেবার।

    আমরা দৌড়ে যাচ্ছি।

    এক-এক বোতল কিনে আনছি।

    নার্সিংহোমে আট বোতল নেগেটিভ রক্ত ছিল সবসুদ্ধু।

    ওরা বললেন, আরও রক্তের দরকার হলে কিন্তু এখন থেকেই বন্দোবস্ত করুন। পুরো কলকাতা শহর ঢুঁড়েও চট করে নেগেটিভ রক্ত পাওয়া মুশকিল।

    পরিতোষ ব্যাংক থেকে অনেক টাকা তুলেছে। বুকপকেট ভারী টাকায়, বেদনায়, চিন্তায়। আমার দু-হাতের পেশি ও ঘাড়ের পেশি ফুলে উঠেছে। উত্তেজনায়।

    রক্ত চাই। নেগেটিভ।

    এখন আমি মানুষ খুন করতেও পারি। রমাকে বাঁচানোর জন্যে রক্ত চাই।

    পরিতোষ বলল, একটা ট্যাক্সি নিয়ে ব্লাড ব্যাংকে যাবি? গাড়িটা রেখে যা। কখন কী হঠাৎ দরকার হয়!

    আমি হঠাৎ বলে উঠলাম, সাকচু সিং।

    পরিতোষ অবাক ও বিরক্ত গলায় বলল, সে কে?

    আমি উত্তর না দিয়ে বললাম, দাঁড়া।

    বলেই দৌড়োলাম।

    পরিতোষ বলল, টাকা নিয়ে যা।

    আমি বললাম টাকা আছে।

    আমিও কাল টাকা তুলেছিলাম।

    দৌড়োতে দৌড়োতে মনে মনে বললাম, তুই না হয় বড়োলোক। আমি না হয় গরিবই। কিন্তু রমা কি আমার কেউ-ই নয়? তোর বউ বলেই কি ও তোরই একার? সমস্তটুকু রমাই কি তোর? আমার কি ও একটুও নয়? আমাকেও কিছু করতে দে পরিতোষ। প্লিজ, পরিতোষ। এটা আমার আনন্দ। তোর বা রমার কাছ থেকে যা পেয়েছি, পাই, তাতেই আমি সুখি। এটা পাওয়ার ব্যাপার নয়। দেওয়ার ব্যাপার। আমাকে ভুল বুঝিস না ভাই। রমার জন্যে কিছুমাত্রও করতে পারলে বড়ো ভালো লাগবে আমার।

    নিজেই বললাম, নিজেই শুনলাম। পরিতোষ জানতেও পেল না। ভাগ্যিস পেল না। পেলে লজ্জিত হতাম।

    ট্যাক্সিওয়ালা বলল কাঁহা?

    আমি চমকে উঠলাম।

    বললাম, সাকচু সিং!

    কেয়া?

    ট্যাক্সিওয়ালা ধমকাল আমাকে।

    আমি বললাম, পার্ক স্ট্রিট।

    সেদিনও ক্লিনিকে ক্যাশিয়ারবাবু, টাইপিস্টবাবু কাজ করছিলেন। আমি ঝড়ের মতো দরজা ঠেলে ঢুকে বললাম, ওদের ঠিকানা জানেন?

    ক্যাশিয়ারবাবু পেনসিল হাতে শামুকের মতো ধীরে ধীরে একটা বিলের টোটাল দেখছিলেন।

    আমি ধমকে বললাম, ক্যালকুলেটর কেনেন না কেন আপনারা?

    ক্যাশিয়ারবাবু চমকে চোখ তুলে তাকাতেই বললাম, ওদের ঠিকানা?

    কাদের ? উনি বিরক্ত ও রাগি গলায় বললেন।

    বললাম, সাকচু সিং-এর। ভীষণ দরকার।

    আমার বে-এক্তিয়ারের ধমকে উনি চটে গেলেন। বোধ হয় দিতেন না।

    টাইপিস্টবাবু আমার চোখে তাকিয়ে ব্যাপারটার গুরুত্ব বুঝলেন।

    ঠিকানাটা পেলাম।

    বেকবাগান।

    ট্যাক্সি, বেকবাগান।

    সাকচু সিং বস্তির উঠোনের মধ্যে খাটিয়াতে হাঁটুর ওপর লুঙ্গি তুলে বসে একটা নেড়ি কুকুরকে কোলে নিয়ে আঠালি বাছছিল।

    দড়াম করে দরজা পড়তেই বলল, কওন বে?

    আমি হাঁপাতে হাঁপাতে বললাম, ভাই, এক আওরাতকি জান বাঁচানো হ্যায়।

    সাকচু সিং অনেক্ষণ পূর্ণদৃষ্টিতে আমার দিকে চেয়ে থাকল।

    তারপর হাসল। অদ্ভুত হাসি।

    বলল, তুম গলদ গল্লিমে আয়া ইয়ার। হিঁয়া জান লেনেকা মামলা লেকে আয়া, কারও জান বাঁচানেকা নেহি।

    আমি বললাম, আপকা খুন নেগেটিভ। এক জওয়ান খুবসুরত আওরতকি জান বাঁচানা হ্যায়। বড়ো ভারী অপারেশান চল রহ হ্যায়।

    সাকচু সিং একটা বড়ো আঠালি কুকুরটার ঘাড় থেকে ক্যাজুয়ালি তুলে খাটিয়ার পায়ায় আরও ক্যাজুয়ালি টিপে মারল।

    ঘন, কালো রক্ত বেরোল আঠালিটার শরীর থেকে। ওর আঙুলেও রক্ত লাগল।

    সাকচু সিং আঙুলটা আমার দিকে তুলে বলল, খুন সিরিফ খুনই হোতা হ্যায়। উসমে খাবসুরতিকা সওয়াল ক্যা? সব হি খুন লাল হোতা হ্যায়—মরদ কি, আওরত কি, কুত্তে কি,……খাটমল কি…..।

    বললাম, চালিয়ে, মেহেরবানি করকে চালিয়ে। ট্যাক্সি খাড়া হ্যায়।

    সাকচু সিং আমার-হেতুক আত্মবিশ্বাস ও হয়তো ধৃষ্টতাও দেখে আমার দিকে কিছুক্ষণ অবাক চোখে চেয়ে থাকল।

    তারপর বলল, সাচমুচ। জানকা সওয়াল?

    বললাম, সাচমুচ।

    সাকচু মুখ নীচু করে কী ভাবল একটু, তারপর বলল, তব চলিয়ে।

    আমি বললাম, কিতনা রুপেয়া?

    সাকচু সিং একরাশ কালো আবিরের মতো আমার মুখময় ঘৃণা ছুড়ে দিয়ে বলল, ম্যায় আদমি হুঁ। জানোয়ার নেহি।

    নার্সিংহোমে সাকচু সিংকে সঙ্গে নিয়ে ফিরে আসতে আসতে ভাবছিলাম দিনের মধ্যে কত রক্তই চোখের সামনে নষ্ট হয়। মাছের রক্ত, খাসির রক্ত, ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়া ন্যাপকিনে লেগে থাকা রক্ত। পৃথিবীতে এত রক্তারক্তি কিন্তু রমাকে বাঁচাবার জন্যে রক্ত পাওয়ার এত অসুবিধে?

    ভাবলাম, রমার মতো যারা অসামান্য তাদের বোধ হয় আনকমন নেগেটিভ রক্ত দিয়েই পাঠান ভগবান।

    নার্সিংহোমে পৌঁছেই প্যাথোলজি ডিপার্টমেন্টে বললাম, ডোনার এনেছি।

    ওঁরা মুখ চুন করে বসেছিলেন। সব রক্ত শেষ হয়ে গেছে। পরিতোষ পাগলের মতো ছুটে গেছে রক্তের খোঁজে।

    প্যাথোলজি ডিপার্টমেন্টের অ্যাসিস্টান্ট সাকচু সিংকে দেখে সামনেই বললেন, ভেনারের ডিজিস-টিজিস নেই তো?

    সাকচু সিং বলল, নেহি নেহি, মেরা খুন সাচ্চা হ্যায়। ম্যায় সাচ্চা হুঁ।

    রক্ত পরীক্ষা হল নেগেটিভ।

    কিন্তু তারপরেই উনি বললেন, এখনও কত বোতল রক্ত লাগবে কে বলতে পারে? ও একা দেবে কী করে? মরে যাবে তো?

    সাকচু সিং হাসল। বলল, মেরি মওত?

    তারপর একটু চুপ করে থেকে স্বগতোক্তির মতো বলল, মেরি মওত ইতনি আসামিসে নেহি।

    তারপরই হাত বাড়িয়ে দিয়ে বলল, লিজিয়ে খুন। কিতনা চাহিয়ে।

    সাকচু সিঙের রক্তে দেখতে দেখতে বোতলটা ভরে উঠতে লাগল। ঘন কালচে—লাল রক্ত।

    গুণ্ডা বদমাশদের রক্তের রং কি আলাদা? ভাবছিলাম আমি।

    এমন সময় পরিতোষ দৌড়ে এসে ঢুকল। দু-বগলে দু-বোতল রক্ত নিয়ে।

    হাঁপাতে হাঁপাতে বলল, আর পাওয়া গেল না, যাবে না।

    পরক্ষণেই, সাকচু সিংকে দেখে আমার দিকে চেয়ে নাক সিঁটকে বলল, এ কী, এর রক্ত? রমার শরীরে যাবে?

    এমন ভাবে বলল কথাটা, যেন সাকচু সিং রমার শ্লীলতাহানিই করেছে।

    সাকচু সিং শুয়ে শুয়ে রক্ত দিতে দিতেই বলল, খুন সব বরাব্বর হোতা হ্যায় সাহাব। গরিবোঁ, আমিরোঁ, বদসুরত, খাবসুরত; সবহিকা বরাব্বর।

    পরিতোষ শকড হল কথাটা শুনে। বোতল দুটো পৌঁছোতে গেল অপারেশন থিয়েটারে।

    সেখান থেকে খবর নিয়ে ফিরল আরও রক্ত হলে ভালো হয়।

    এক বোতল রক্ত দিয়ে উঠে বসল সাকচু সিং।

    বলল, জরুরত হোগি তো ফির লিজিয়ে গা। ম্যায় তৈয়ার হুঁ। জান কবুল।

    তারপর আমার দিকে ফিরেই ফিস ফিস করে বলল, আপসে ঔর ই খাবসুরত মারিজসে মুহব্বত হ্যায়? না? কিঁউ জি? দুসরা কোই রিস্তা?

    আমি তাড়াতাড়ি এদিক ওদিক চেয়ে নেতিবাচক ভাবে মাথা নাড়ালাম।

    ও বলল, বি-ফিক্কর রহিয়ে, ম্যায় ভাগেগা নেহি। আজতক খুন তো কিতনা বরবাদ কিয়া, মগর আজ মেরা খুনকা বড়ি ইজ্জত মিলা।

    এমন সময় পরিতোষের এক বন্ধু ক্লিনিকে ঢুকে সাকচু সিঙের দিকে তাকিয়েই পরিতোষকে ইশারায় ডাকল বাইরে।

    আমার সন্দেহ হতে আমিও বাইরে এলাম।

    পরিতোষের বন্ধুও পুলিশ অফিসার। স্থানীয় থানার লোক।

    আমাকে বললেন, একে পেলেন কোথায়? গত তিন মাস গোরু খোঁজা খুঁজে বেড়াচ্ছি। একে আমি অ্যারেস্ট করব।

    পরিতোষ বলল, ডোন্ট বি সিলি। রমার জন্যে আর কত রক্ত লাগবে কে জানে? রমার কারণ যতক্ষণ ওকে দরকার ততক্ষণ ওর রক্ত চুষে নেওয়া যাক। তারপর বেরোলেই অ্যারেস্ট করিস। রমা বেঁচে উঠলে প্রমোশনের খাওয়ার নেমন্তন্ন করতে ভুলিস না।

    আমি ভেতরে গিয়ে সাকচু সিঙের পাশে বসলাম।

    বসলাম, কিন্তু কী করব, আমার কী করা উচিত বুঝতে পারছিলাম না।

    সাকচুকে ক্লান্ত দেখাচ্ছিল।

    বললাম, কেয়া? থক গ্যয়া?

    নহি। ঠিক্কে হ্যায়। ও বলল।

    পরিতোষের বন্ধুর মুখটা দরজার কাচে একবার ফুটে উঠেই সরে গেল।

    আমি জানি, ও বাইরে থাকবে। ওর প্রমোশন আটকে আছে এই কাচে।

    আমার সেই মুহূর্তে মনে হল, হঠাৎই মনে হল, যেন এই রুক্ষ পুরুষ অশিক্ষিত সাকচু সিংকে আমি নরম মিষ্টি সুশ্রী শিক্ষিতা রমার চেয়েও অনেক বেশি ভালোবাসি। চিরদিনই যেন বেশি ভালোবেসে এসেছি।

    ক্লিনিকের দরজা, দেওয়াল সব যেন মিলিয়ে গেল। আমার মনে হল আমি যেন সেই পুরাকালেই ফিরে গেছি, যে যুগে মঙ্গল গ্রহের মাটি খুঁড়ত না মানুষ, হার্ট-ট্রান্সপ্ল্যানটেশান করতে জানত না, সেই যুগে আমি আর সাকচু সিং দুটো পাশাপাশি সাদা ঘোড়ায় খোলা তলোয়ার হাতে ধুলো উড়িয়ে জোড়ে ছুটে গিয়ে পরিতোষকে তলোয়ারের এক কোপে কেটে ফেলে, রমাকে মৃত্যুর হাত থেকে ছিনিয়ে ঘোড়ায় তুলে নিয়ে টগবগিয়ে বুক ফুলিয়ে ফিরে আসছি। ফিরে আসছি তো আসছিই!

    পরিতোষের বড়োশালা দরজা খুলে এসে আমাকে উত্তেজিত হয়ে বললেন, অপারেশন সাকসেসফুল। খুব সম্ভব রমা বেঁচে যাবে এ যাত্রা।

    বলেই, সাকচু সিঙের রক্তের বোতলটা উনি নিয়ে গেলেন রমার জন্যে।

    আমি জানতাম যে, রমা বেঁচে যাবে। আগে থেকেই জানতাম।

    ভাবলাম আমি।

    ভেবে, একটা শুঁয়োপোকার মতো নিজের ওপরই নিজে ঘৃণায় বেঁকে গিয়ে, সাকচু সিঙের দিকে একটা সিগারেট এগিয়ে দিলাম। বড়ো ভালোবাসার সঙ্গে, গভীর কৃতজ্ঞতার আঙুলে।

    সাকচু সিং যখন সিগারেটটা ধরাল, যখন আগুনটা এক এক লাফে নীচে নামতে লাগল, তখন আমার মনে হল যে সিগারেটটার সঙ্গে আমি আমার হৃদয়ের মধ্যে যা কিছু শুদ্ধ, পবিত্র, সৎ উৎপাদন ছিল তার সবকিছুর সঙ্গে কোনো কটুগন্ধ তামাকেরই মতো অতিদ্রুত পুড়ে যাচ্ছি।

    ভাবছিলাম, সাকচু সিং ভুল বলেছিল, একেবারেই ভুল।

    রক্তে রক্তে অনেকই তফাত!!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকোয়েলের কাছে – বুদ্ধদেব গুহ
    Next Article হাজারদুয়ারি – বুদ্ধদেব গুহ

    Related Articles

    বুদ্ধদেব গুহ

    বাবলি – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্ৰ ১ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ২ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৩ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৪ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    অবেলায় – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }