Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ২৫টি নতুন ভূত – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায় এক পাতা গল্প282 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মাস্টারমশাই – প্রচেত গুপ্ত

    ঘর থেকে বেরিয়ে ডাক্তারবাবু কাশ্যপকে কাছে ডাকলেন। তার কাঁধে হাত দিয়ে নীচু গলায় বললেন, ”তোমার বাবা আর বেশিদিন বাঁচবেন না কাশ্যপ। আত্মীয়স্বজনকে খবর দাও। তারা শেষবারের মতো এসে মানুষটাকে দেখে যাক। মাস্টারমশাইয়ের নিজের যদি কোনো শেষ ইচ্ছে থাকে সেটাও জেনে নিও। পূরণ করবার চেষ্টা কোরো।”

    একটু থামলেন ডাক্তারবাবু। মাথা নামিয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। বললেন, ”আর কী বলব বলো? মানুষ চিরকাল বেঁচে থাকে না। তাকে একদিন চলে যেতেই হয়। ইচ্ছে করে না তবু যেতে হয়। মানুষ জন্মের এটাই সবথেকে বড়ো দুঃখ। মাস্টারমশাই শুধু তোমাদের বাবা নন, এই চাঁপাডাঙা গ্রামের সকলের প্রিয় মানুষ, শ্রদ্ধার মানুষ। তার কত ছাত্র দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে আছে। কেউ ডাক্তার, কেউ ইঞ্জিনিয়ার, কেউ শিক্ষক বা গবেষক। তুমি দুঃখ করো না, এইসব মানুষের মৃত্যু হয় না। তারা ছাত্রদের মাঝখানে বেঁচে থাকেন।” আর কথা বাড়াতে পারলেন না ডাক্তারবাবু। শোকে তার গলা বুঁজে এল। তিনি বেরিয়ে পড়লেন।

    কাশ্যপ চিন্তায় পড়ল। ডাক্তারবাবু বলে গেলেন, সময় আর বেশি নেই। সবাইকে খবর দিতে হবে। তারা বাবাকে শেষবারের মতো দেখে যাবে। কিন্তু কীভাবে খবর দেবে? আত্মীয়স্বজনদের ঠিকানা, ফোন নম্বর সে কিছুই জানে না। দীর্ঘ কুড়ি বছর বিদেশে রয়েছে। সিডনিতে? চাকরি করে। বেশি আসতে পারে না। মাঝে মাঝে আসে। এবার এসেছে তিন বছর পর। বাবার শরীর খারাপ শুনে এসেছে। কারও সঙ্গেই তার প্রায় যোগাযোগ নেই। কাশ্যপ বহুবারই বাবাকে সিডনিতে নিজের কাছে নিয়ে যেতে চেয়েছিল। বাবাই রাজি হননি। কেন রাজি হননি কে জানে। কাশ্যপের মা মারা গেছেন অনেকদিন হয়ে গেল। গ্রামের এই ছোট্ট বাড়িতে উনি একাই আছেন। বাইরে যাওয়ার কথা শুনলে বলেছেন, ”অসম্ভব। এই বাড়ি, এই গ্রামের সঙ্গে আমার নাড়ির যোগাযোগ। এসব ছেড়ে যেতে পারব না। তা ছাড়া ওই যে স্কুলটা দেখছিস, চাঁপাডাঙা হাইস্কুল, ওখানে আমি তেত্রিশ বছর মাস্টারি করেছি। এই স্কুলবাড়িটা দিনের মধ্যে একবার না-দেখলে আমি বাঁচব না।”

    অনেক বুঝিয়েও লাভ হয়নি। বাধ্য হয়ে হাল ছেড়ে দিয়েছে কাশ্যপ। কিন্তু এখন কী হবে? বাবার ঘরেও এল কাশ্যপ। মেঘনাদ সামন্ত চোখ বুঁজে খাটে শুয়ে আছেন। একাশি বছরের বৃদ্ধ। গলা পর্যন্ত চাদরে ঢাকা। মাথাটা দুটো বালিশের ওপর উঁচু হয়ে আছে। কে বলবে মানুষটার আয়ু শেষ হয়ে এসেছে? মাথার ওপরের খোলা জানলা দিয়ে মুখে সকালের আলো এসে পড়েছে। ঝলমল করছে। যারা খুব ভালো মানুষ হন তাদের বেলাতে সম্ভবত এরকমই হয়। মৃত্যুর ছায়া মুখে পড়তে পারে না। সবসময় ঝলমল করে। কাশ্যপ খাটের পাশে রাখা মোড়ায় বসল। মেঘনাদবাবুর গায়ে হাত রেখে বলল, ”বাবা, বাবা।”

    মেঘনাদবাবু চোখ খুললেন, ”কিছু বলবি?”

    কাশ্যপ একটু চুপ করে থেকে বলল, ”বাবা, তোমার কাছে একটা ডায়েরি ছিল না?”

    ”ডায়েরি! কীসের ডায়েরি?”

    ”একটা ছোটো বাঁধানো ডায়েরি। যেখানে বড়োমামা, জেঠুমণি, ন-কাকা, ফুলমাসিদের ফোন নম্বর, ঠিকানা সব লেখা ছিল।”

    মেঘনাদবাবু দম টেনে বললেন, ”ওদের ফোন নম্বর, ঠিকানা দিয়ে কী হবে?”

    কাশ্যপ একটু থমকে গেল। কী বলবে? কোনো মানুষকে কি বলা যায়, তোমার সঙ্গে শেষবারের মতো দেখা করার জন্য সবাইকে খবর দেব? বলা যায় না। সে বলল, ”তোমার শরীরটা ভালো নেই সেই খবরটাই বলব।”

    মেঘনাদবাবু হাসলেন। তার হাসি এখনও উজ্জ্বল। বললেন, ”কী হবে খবর দিয়ে? তারা আমাকে এই অবস্থায় দেখে দুঃখ পাবে। থাক কাউকে খবর দিতে হবে না।”

    কাশ্যপ মুহূর্তখানেক চুপ করে রইল। গাঢ় স্বরে বলল, ”তোমার যদি বিশেষ কারও সঙ্গে দেখা করতে ইচ্ছে করে, তুমি বলতে পারও বাবা। আমি অবশ্যই যোগাযোগ করবার চেষ্টা করব।”

    মেঘনাদ মাথা তুলে জানলা দিয়ে বাইরে তাকালেন। উদাস গলায় বললেন, ”যদি মনে আসে বলব।”

    দূরের কাউকে খবর দেওয়া না-হলেও, চাঁপাডাঙা গ্রামের অনেকেই ‘মাস্টারমশাই’কে দেখতে এলও। আসাটাই স্বাভাবিক। মানুষটা এই গ্রামের জন্য কম করেননি। একদিন বিকেলে চাঁপাডাঙা হাইস্কুলের মাস্টারমশাইরা সবাই দলবেঁধে এলেন। সঙ্গে এখনকার হেডমাস্টারমশাই বিশ্বম্ভরবাবু। মেঘনাদবাবু খুব খুশি হলেন। মানুষটা চাঁপাডাঙা স্কুলের সঙ্গে জড়িত কাউকে দেখলেই খুশি হন। শিক্ষক, ছাত্র, কর্মচারী সবাইকে ভালোবাসেন। কুড়ি বছরের বেশি হয়ে গেল উনি স্কুলের চাকরি থেকে অবসর নিয়েছেন, কিন্তু মন থেকে স্কুলকে সরাতে পারেননি। অবসর নেওয়ার পর উনি বহুদিন স্কুলে গিয়ে বিশেষ ক্লাস নিতেন। তার জন্য কখনও একটা পয়সাও নেননি। বিশেষ ক্লাসে অঙ্ক শেখাতেন। মেঘনাদস্যারের কাছে অঙ্ক শেখার জন্য ছেলেরা উন্মুখ হয়ে থাকত। অঙ্কের মাস্টারমশাইরা সাধারণত রাগি হন। মেঘনাদবাবু ছিলেন একেবারে উলটো। অঙ্কের জন্য কোনো ছাত্রকে তিনি কখনও বকাঝকা, মারধোর করেননি। তিনি বলতেন, ”অঙ্ক কঠিন লাগার আসল কারণ ভয়। যুগযুগান্ত ধরে মাস্টারমশাইরা নিয়ম করে দিয়েছেন, অঙ্ক না-পারলেই পিঠে বেত পড়বে। এই কারণেই ছেলে-মেয়েরা ভয়ে সিঁটিয়ে থাকে। অঙ্কে পুরো মন দিতে পারে না। আমি এই নিয়ম মানি না।”

    চাঁপাডাঙা স্কুলের মাস্টারমশাইদের বসতে বলে মেঘনাদ সামন্ত বললেন, ”তোমাদের দেখে মনটা ভরে গেল। তোমাদের মধ্যে আমি নিজেকে দেখতে পাই। আমি চলে যাচ্ছি, তোমরা স্কুলটাকে প্রাণ দিয়ে রক্ষা করবে।”

    বিশ্বম্ভরবাবু ভারি গলায় বললেন, ”ওভাবে বলবেন না মাস্টারমশাই। আপনাকে আমরা কোথাও যেতে দেব না।”

    মেঘনাদ সামন্ত একটু শুকনো হাসলেন। বললেন, ”ঠিক আছে ওসব কথা থাক। স্কুলের খবর বলো। খেলার মাঠটাকে ঠিক করা গেছে? ছেলেদের খাবার জলের জন্য আর একটা ডিপটিউবওয়েল বসানোর কথা ছিল। সেটার কী হল? মাস দুয়েক আগে শুনেছিলাম, ক্লাস নাইন, টেনের বেঞ্চের অবস্থা মোটে ভালো নয়। মেরামত করেছ? নতুন কিনলেই তো ভালো হয়।”

    মেঘনাদবাবুর কথায় স্কুলের মাস্টারমশাইরা অবাক হলেন। অসুস্থ অবস্থাতেও উনি স্কুলের ব্যাপারে এত খোঁজখবর নিচ্ছেন! এত উৎসাহ দেখাচ্ছেন! বিশ্বম্ভরবাবু মাথা নামিয়ে বললেন, ”টাকাপয়সার টানাটানি চলছে। এতগুলো কাজ করতে লাখ দুয়েক টাকা লাগবে। তা ছাড়া, ভেবেছিলাম, একটা লাইব্রেরির ঘর বানাব। কিন্তু সবটাই আটকে আছে।”

    মেঘনাদবাবু চিন্তিত গলায় বললেন, ”তোমরা সরকারের কাছে আবেদন করছ না কেন?”

    বিশ্বম্ভরবাবু বললেন, ”করেছি, এখনও কোনো সাড়া পায়নি। সেই আবেদনের চিঠি হারিয়ে গেছে কিনা তাও জানি না। আপনি তো জানেন মাস্টারমশাই, গাঁয়ের স্কুলের কথা সবার শেষে মনে পড়ে।”

    মেঘনাদবাবু বললেন, ”ঠিকই বলেছ। আমার সময়েও এরকম সমস্যায় পড়তাম। একবার ক্লাস এইট বি-এর ক্লাসরুমের ছাদ দিয়ে বৃষ্টির জল পড়তে লাগল। আমি সরকারের কাছে চিঠি পাঠালাম। ছাদ মেরামতের জন্য টাকা চাই। সেই টাকা এল বর্ষা পেরিয়ে শীতের শেষে। আচ্ছা, তোমরা ব্যক্তিগত উদ্যোগে কিছু টাকা তুলতে পারো না? আমার সময়ে কিন্তু আমি ঘুরে ঘুরে স্কুলের জন্য টাকা তুলতাম। চাঁপাডাঙা গ্রামের ধনী মানুষদের বাড়িতে যেতাম। অনেকেই টাকা দিত। দোতলাটা তো ওই টাকাতেই হয়েছিল।”

    বিশ্বম্ভরবাবু হেসে বললেন, ”মাস্টারমশাই, সেই দিন আর নেই। এখন ধনী মানুষরা আর চট করে স্কুলটুলের জন্য টাকাপয়সা দিতে চায় না। টাকা থাকলে অন্য জায়গায় লাগায়। যাতে টাকা আরও বাড়ে। তা ছাড়া চাঁপাডাঙায় আর ধনী মানুষ কে আছে? যারা ছিলেন বাড়িতে তালা দিয়ে শহরে চলে গেছে।”

    মেঘনাদ সামন্ত বিষণ্ণ গলায় বললেন, ”তাও ঠিক। তবু তুমি চেষ্টা করো। সরকারের অফিসে দরবার করো। একটা ভালো লাইব্রেরি ছাড়া স্কুল কী করে চলবে?”

    বিশ্বম্ভরবাবু বললেন, ”মাস্টারমশাই আপনার জন্য একটা সামান্য উপহার এনেছি।”

    মেঘনাদ সামন্ত অবাক হয়ে বললেন, ”উপহার! এই সময়ে উপহার কী দেবে?”

    বিশ্বম্ভরবাবু ব্যাগ থেকে কাগজ মোড়া একটা চৌকো মতো জিনিস বের করলেন। কাগজ খুলতে দেখা গেল, চাঁপাডাঙা হাইস্কুলের একটা হাতে আঁকা ছবি। ভারি সুন্দর। জল রং দিয়ে আঁকা হয়েছে। তবে ছবিটা বেশ কয়েকবছর আগের। সোনালি ফ্রেম দিয়ে যত্ন করে বাঁধানো হয়েছে। মেঘনাদ সামন্ত হাতে ছবিটা নিয়ে অস্ফুটে বললেন, ”বাঃ। অপূর্ব।”

    বিশ্বম্ভরবাবু উৎসাহ নিয়ে বললেন, ”মাস্টারমশাই ছবিটা কার আঁকা আপনি কি বলতে পারবেন?”

    ছবির গায়ে হাত বোলাচ্ছেন মেঘনাদবাবু। যেন পরমযত্নে তার সন্তানের গায়ে হাত বোলাচ্ছেন। বিড়বিড় করে বললেন, ”কার আঁকা?”

    ”আমাদের স্কুলেরই এক ছাত্রের। আপনার সময়েই স্কুলে পড়ত। স্কুলের পুরোনো কাগজপত্র পরিষ্কার করতে গিয়ে হঠাৎ পাওয়া গেছে। দোমড়ানো-মোচড়ানো অবস্থাতে পাওয়া গেছে।”

    মেঘনাদবাবু উজ্জ্বল চোখে বললেন, ”তাই নাকি! কী নাম?”

    ”তীর্থঙ্কর রায়। ক্লাস টেনে পড়ত।”

    মেঘনাদবাবু চোখ বুজে মনে করার চেষ্টা করলেন। নিজের মনে মনে বললেন, ”তীর্থঙ্কর…. তীর্থঙ্কর…তীর্থঙ্কর…ছবি আঁকত…এখনই ঠিক মনে করতে পারছি না।”

    চাঁপাডাঙা স্কুলের ড্রইং স্যার জীবন চক্রবর্তী বসেছিলেন হেডমাস্টার মশাইয়ের পাশে। বললেন, ”মাস্টারমশাই আর আপনাকে কষ্ট করে মনে করতে হবে না। খবর পেয়েছি, সেই ছেলে আর এখন এদেশে থাকে না। বিদেশে গিয়ে খুব বড়ো আর্টিস্ট হয়েছে। ছবি আঁকার স্কুল খুলেছে।”

    বিশ্বম্ভরবাবু বললেন, ”মাস্টারমশাই, আমরা কাশ্যপকে বলে যাচ্ছি, সে যেন ছবিটা আপনার সামনে ওই দেয়ালে টাঙিয়ে দেয়। আপনি চোখ খুললেই দেখতে পাবেন।”

    মেঘনাদবাবু ধীরগলায় বললেন, ”ভালো করেছো। খুব ভালো করেছো। এখন তো আর নিজে গিয়ে স্কুলটাকে দেখে আসতে পারি না। এই ভালো। যতদিন বাঁচব চোখ খুললেই দেখতে পাব। তবে তীর্থঙ্করকে মনে করতে পারছি না! এত সুন্দর ছবি আঁকত, এই ছেলেকে ভুলে যাওয়াটা আমার ঠিক হয়নি। খুবই অন্যায় হয়েছে।”

    কাশ্যপের খুব ভালো লাগল। বাবা কত আনন্দ নিয়ে মাস্টারমশাইদের সঙ্গে কথা বললেন! মনেই হচ্ছিল না, মানুষটা অসুস্থ। আসলে ভালো লাগার বিষয় নিয়ে কথা বললে মানুষ কষ্ট ভুলে যায়। সে দরজা পর্যন্ত সবাইকে এগিয়ে দিল। বিশ্বম্ভরবাবুকে বলল, ”আপনারা যদি মাঝেমধ্যে আসেন খুব ভালো হয়। চাপাডাঙা স্কুলের কাউকে দেখলে বাবা খুব খুশি হন।”

    সন্ধেবেলা ছেলেকে কাছে ডাকলেন মেঘনাদ সামন্ত।

    ”আমার একটা ইচ্ছে আছে।”

    কাশ্যপ বাবার মুখের ওপর ঝুঁকে পড়ে বলল, ”কী ইচ্ছে বাবা?”

    ”আমি মৃত্যুর আগে আমার এক ছাত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করতে চাই।”

    ”কে?” কাশ্যপ উৎসাহ নিয়ে বলল।

    ”তার নাম তীর্থঙ্কর। তীর্থঙ্কর রায়। ওই যে দেয়ালে ছবিটা দেখছ ওটা তারই আঁকা। আমি তাকে মনে করতে পারছি না, এর জন্য আমি ভেতরে ভেতরে ছটফট করছি। যে ছেলে এত সুন্দর ছবি আঁকত, তাকে আমি কেন ভুলে যাব? যে করেই হোক তুমি তার সঙ্গে আমার একবার কথা বলিয়ে দাও। শুনলাম সেও তোমার মতো বিদেশে থাকে। আমেরিকা বা ইউরোপের কোনো শহরে।”

    ”নিশ্চয় দেব বাবা। তুমি তার টেলিফোন নম্বর বা মেইল আই ডি দিতে পারবে? আমি ল্যাপটপ থেকে আজই তার সঙ্গে যোগাযোগ করে নিচ্ছি।”

    ”ওসব কিছুই আমার কাছে নেই। এবার দেখো তুমি যদি কিছু পারো।”

    এতটা কথা বলে মেঘনাদ সামন্ত হাঁপিয়ে উঠেছেন। তিনি চোখ বুজলেন। চিন্তিত মুখে কাশ্যপ বলল, ”ঠিক আছে দেখছি।”

    কাশ্যপ মনে মনে প্রতিজ্ঞা করল যে করেই হোক তীর্থঙ্কর রায়কে বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেবে। তার মেইল আইডির সন্ধান পেলে আর সমস্যা হবে না। আধুনিক প্রযুক্তিতে তো এটাই সবথেকে বড়ো সুবিধে। পৃথিবীটা হাতের মুঠোয় এসে গেছে। কাশ্যপ রাতের খাওয়া সেরে ল্যাপটপ খুলে বসল। ‘আর্টিস্ট তীর্থঙ্কর রায়’ লিখে ‘সার্চ’-এ ক্লিক করতেই একশো ছাপান্নজন তীর্থঙ্কর রায়ের তালিকা ভেসে উঠল পর্দায়। সকলেই শিল্পী! এর মধ্যে বাবার ছাত্র কোন জন? জানতে হলে সকলের পরিচয় ঘাঁটতে হবে। একশো ছাপান্ন জনের পরিচয় দেখা কঠিন বিষয়। তার ওপর আর একটা সন্দেহ আছে। সেই তীর্থঙ্কর রায় কি চাঁপাডাঙার কথা লিখবে। গ্রামের স্কুলের কথা অনেকে চেপে যায়। এড়িয়ে চলে। অনেক সময় বানিয়ে বড়ো কোনো শহরের স্কুলের কথা বলে। এই ছেলেও যদি সেরকম হয়? তাহলে তো কিছুই করা যাবে না। যাই হোক, বাবার এই ইচ্ছে পূরণ করবার চেষ্টা করতেই হবে। নিজে গিয়ে রান্নাঘরে কফি বানাল কাশ্যপ। তারপর কফির মগ নিয়ে বসে একশো ছাপান্নজন তীর্থঙ্করের প্রোফাইল খুঁজতে শুরু করল কাশ্যপ। কিন্তু রাত দুটো পর্যন্ত হাতড়েও কোনো লাভ হল না। চাঁপাডাঙার তীর্থঙ্কর কোথাও নেই। যদি থেকেও থাকে সে ‘চাঁপাডাঙা’র নাম গোপন করেছে। কাশ্যপ হতাশ। এতটা এগিয়েও লাভ হল না। বাবার ইচ্ছেটা মেটানো গেল না। খানিকটা রেগেই কাশ্যপ এবার একটা কাণ্ড করল। নিজে একটা বার্তা লিখল। তারপর ‘সেন্ড’ করে দিল একশো ছাপান্ন জন ‘শিল্পী তীর্থঙ্কর রায়’-এর কাছে। ইংরেজিতে লেখা সেই বার্তার মানে এরকম—

    ”নমস্কার, আমার নাম কাশ্যপ সামন্ত। আমার বাবার নাম মেঘনাদ সামন্ত। তিনি পশ্চিবঙ্গের এক গ্রামে থাকেন। সেই গ্রামের নাম চাঁপাডাঙা। একসময়ে আমার বাবা চাঁপাডাঙা হাইস্কুলের প্রধানশিক্ষক ছিলেন। সেই সময় ক্লাস টেনের এক ছাত্র খুব সুন্দর ছবি আঁকত। সে জলরং দিয়ে স্কুলের একটা ছবিও এঁকেছিল। সম্প্রতি সেই ছবিটি স্কুলের পুরোনো কাগজপত্রের ভেতর থেকে উদ্ধার করা গেছে। ছেলেটি নাকি এখন একজন বড়ো শিল্পী। বিদেশে আছে। কিন্তু বাবা কিছুতেই তাকে মনে করতে পারছেন না। আমার বাবা অসুস্থ, মৃত্যুশয্যায়। তার খুব ইচ্ছে, ছেলেটির সঙ্গে তার একবার যোগাযোগ হোক। তার ঠিকানা, ফোন নম্বর, ইমেইল আইডি আমরা কিছুই জানি না। আমি আপনার কাছে এই বার্তাটি পাঠাচ্ছি কারণ সেই ছেলের নামও আপনার মতো তীর্থঙ্কর রায়। আপনি যদি চাঁপাডাঙার তীর্থঙ্কর রায় হন. তাহলে দয়া করে আমার মেইলে খুব তাড়াতাড়ি জবাব পাঠান। আমি টেলিফোনে বা কম্পিউটারে বাবার সঙ্গে আপনার একবার কথা বলিয়ে দেব। একজন মৃত্যুপথ যাত্রী মাস্টারমশাইয়ের শেষ ইচ্ছার কথা ভেবে আশা করি আপনি নিশ্চয় সাড়া দেবেন। আমি এখন চাঁপাডাঙায় বাবার কাছেই আছি। আমার মোবাইল ফোন নম্বর সঙ্গে দিয়ে দিলাম।”

    একদিন, দু-দিন, তিনদিন কেটে গেল। কাশ্যপ রোজই কম্পিউটারে তার মেইল চেক করে। না, কোনো জবাব নেই। এদিকে মেঘনাদবাবুর অবস্থার অবনতি হয়েছে। শনিবার শরীরটা বেশি খারাপ হল। কাশ্যপ বসে ছিল পাশে। দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ। কে এল! গ্রামের কেউ বাবার খবর জানতে এসেছে? হতে পারে। শুধু সকালে কেন, কেউ কেউ রাত করেও খবরাখবর নিতে আসে। কাশ্যপকে বলে যায়, ”কোনও চিন্তা করবে না, যত রাতই হোক দরকার হলেই আমাদের ডাকবে।” নিশ্চয় সেরকম কেউ। কাশ্যপ উঠোন পেরিয়ে গিয়ে দরজা খুলল। খুলে চমকে গেল।

    না, গ্রামের কেউ নয়। লম্বা চওড়া চেহারার একটি ঝকঝকে ছেলে, দাঁড়িয়ে আছে। প্রায় তারই বয়সি। ধোপদুরস্ত শার্ট প্যান্টে ঝলমল করছে। পিছনে, বাড়ির বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা একটা চকচকে বড়ো গাড়িও দেখা যাচ্ছে। বোঝাই যাচ্ছে যুবক এই গাড়িতে এসেছে। কাশ্যপ জিজ্ঞাসু চোখে তাকাল। ছেলেটি হাত বাড়িয়ে বলল, ”আপনি নিশ্চয় কাশ্যপ? আমি তীর্থঙ্কর। তীর্থঙ্কর রায়। আপনার বাবার ছাত্র। মাস্টারমশাই কেমন আছেন?”

    কাশ্যপ প্রায় লাফিয়ে উঠল। ইচ্ছে করল ছেলেটিকে জড়িয়ে ধরতে। তার মুখের কথা জড়িয়ে গেল।

    ”আপনি, আপনি তীর্থঙ্কর? উফ আপনাকে যে কীভাবে খুঁজছি।”

    তীর্থঙ্কর সামান্য হাসল। বলল, ”আর খুঁজতে হবে না, আমি এসে গেছি। আপনার মেইল পেয়েছি। মনটা খুব খারাপ হয়ে গেল। মাস্টারমশাইয়ের কাছে আমি যে কতখানি কৃতজ্ঞ উনি নিজেও জানেন না। উনি না-থাকলে আমি আজ শিল্পীই হতে পারতাম না। সকালে কলকাতা থেকে নিজে গাড়ি চালিয়ে চলে এলাম। তবে আমার হাতে সময় খুব কম।”

    ”ধন্যবাদ। বাবার শরীরটাও খুব খারাপ। আর কতদিন বাঁচবেন জানি না। আপনি যদি দেরি করে ফেলতেন তাহলে হয়তো দেখাই হত না।”

    কাশ্যপ আর কথা বাড়াল না। তীর্থঙ্করকে বাবার কাছে নিয়ে গেল। মেঘনাদ সামন্ত চোখ খুললেন। কাশ্যপ ঝুঁকে পড়ে বলল ”বাবা, দেখ কে এসেছে। তোমার সেই ছবি আঁকিয়ে ছাত্র তীর্থঙ্কর। দেখো তো চিনতে পারো কিনা।”

    মেঘনাদ সামন্ত চিনতে পারলেন না। তিনি জড়ানো গলায় বিড়বিড় করে বললেন, ”কেন এমন হচ্ছে! কেন আমি তোমাকে চিনতে পারছি না?”

    তীর্থঙ্কর মেঘনাদ সামন্তর হাতটা ধরে বলল, ”সেটাই তো স্বাভাবিক মাস্টারমশাই, আপনার তো চিনতে পারার কথা নয়। অনেক বছর আগের কথা। আমার চেহারাও অনেক বদলে গেছে। তখন আমি হাফপ্যান্ট পরতাম। স্কুলের ইউনিফর্ম। কালো হাফপ্যান্ট, সাদা শার্ট।”

    বালিশে শুয়েই আক্ষেপে মাথা নাড়লেন মেঘনাদ সামন্ত। বললেন, ”সে তো সবাই পরত। তবু তো অনেক ছাত্রকে চিনতে পারি। তোমার মতো একজন গুণী ছেলের কথা আমার অবশ্যই মনে থাকা উচিত ছিল। আমার খারাপ লাগছে।”

    তীর্থঙ্কর তার মাস্টারমশাইয়ের কপালে হাত রাখল। বলল, ”যাদের সঙ্গে আপনার নিয়মিত যোগাযোগ আছে তাদের হয়তো চিনতে পারেন। আপনি দুঃখ পাবেন না, আপনার আমাকে মনে না-থাকুক, আমার তো আপনাকে মনে আছে। মনে আছে, ভূগোল ক্লাসে পড়া না-শুনে, ম্যাপ খাতার পাতায় ছবি এঁকেছিলাম। স্কুলের ছবি। ভূগোলের মাস্টারমশাই ধরে ফেললেন। রেগে আগুন। কান ধরে নিয়ে গেলেন হেডমাস্টার মশাইয়ের ঘরে। আপনি ছবি দেখে কটমট করে আমার দিকে তাকালেন। বললেন, সঙ্গে রং তুলি এনেছিস? আমি কাঁদোকাঁদো গলায় বললাম, না, রং কেনার পয়সা নেই। আপনি বললেন, ঠিক আছে আমি রং কিনে আনাচ্ছি। আমি দারুণ ভয় পেয়ে গেলাম। বললাম, মাস্টারমশাই আর কখনও করব না। ছবি আঁকব না। আপনি ধমক দিয়ে বললেন, চোপ। এই ছবি এখনই এখানে বসে রং করবি। এটাই তোর শাস্তি। ভূগোল মাস্টারমশাই তো অবাক! এমন শাস্তির কথা তিনি কখনও শোনেননি। কান ধরে দশবার ওঠবোস নয়, পিঠে দু-ঘা বেত নয় তার বদলে পেনসিলে আঁকা ছবি রং করা! তাও আবার নিজের পকেটের পয়সা খরচ করে রং তুলি কিনে আনার ব্যবস্থা করলেন। আমিও শাস্তির মাথা মুণ্ডু কিছু বুঝতে পারলাম না। ভয়ে হাত-পা ঠান্ডা হয়ে গেল। স্কুলের পিয়োনকাকু রং তুলি কিনে আনার পর আপনার ঘরে বসে ছবি রং করলাম চোখের জল মুছতে মুছতে। মাস্টারমশাই, আপনি চলে গেলেন ক্লাস নিতে।”

    কাশ্যপ বলল, ”চোখে জল কেন!”

    তীর্থঙ্কর হেসে বলল, ”বাঃ, তখনও তো আমি জানি এরপরেই আমার বিরাট কোনো বিপদ আসছে।”

    মেঘনাদ সামন্ত নীচু গলায় বললেন, ”তারপর?”

    ”তারপর আপনি ফিরে এসে আমার ছবি দেখলেন। দেখে আমাকে জড়িয়ে ধরে বললেন, তুই একদিন খুব বড়ো শিল্পী হবি। সবার মুখ উজ্জ্বল করবি। এই ছবিটা রেখে দিলাম। এটা চাঁপাডাঙা স্কুলের সম্পত্তি হল। তুই এই রং তুলি রাখ। এটা তোর সারাজীবনের সঙ্গী হবে। আমার যে কী আনন্দ হল আমি বুঝিয়ে বলতে পারব না।”

    কথা শেষ করে তীর্থঙ্কর দেয়ালের দিকে তাকাল। তার চোখে জলের বিন্দু। সেখানে তার আঁকা ছবিটা ঝুলছে। তীর্থঙ্কর এবার তার হাতের ব্রিফকেস খুলে স্কুলের জন্য একটা চেক বের করল। মেঘনাদ সামন্ত বললেন, ”এটা কী!”

    ”দু-লক্ষ টাকার চেক। চাঁপাডাঙা হাইস্কুলের নামে লিখে এনেছি। এটা আসলে আমার আপনাকে প্রণাম। আমি জানি চাঁপাডাঙা স্কুলকে আপনি কত ভালোবাসেন। এটা আপনি না করতে পারবেন না। আপনাদের আশীর্বাদে বিদেশে ছবি বিক্রি করে, আর ছবি আঁকা শিখিয়ে কিছু টাকাপয়সা রোজগার করেছি। দয়া করে আপনি এটা স্কুলে পাঠিয়ে দেবেন। টাকাটা যদি স্কুলের কোনো কাজে লাগে আমি বড়ো খুশি হব। আজ আমি উঠব।”

    মেঘনাদ সামন্ত তীর্থঙ্করের হাত ধরে কিছু বলতে গেলেন। পারলেন না। তার দু-চোখ বেয়ে জল গড়িয়ে পড়ছে।

    ”মাস্টারমশাই, আপনি কি এবার আমাকে চিনতে পারলেন?”

    মেঘনাদ সামন্ত এবার চোখ বুজে ফিসফিস করে বলতে লাগলেন, ”না। বড়ো কষ্ট হচ্ছে।”

    দীর্ঘশ্বাস ফেলে উঠে দাঁড়াল তীর্থঙ্কর। মুহূর্তখানেক ভুরু কুঁচকে তাকিয়ে রইল তার প্রিয় মাস্টারমশাইয়ের দিকে। তারপর ধীর পায়ে বেরিয়ে এল ঘর থেকে। গাড়িতে ওঠবার সময় কাশ্যপ বলল, ”আপনি যে এতদূর এসেছেন এর জন্য কী বলে যে ধন্যবাদ দেব…। কিছু মনে করবেন না। বাবা যে অবস্থায় আছেন, তাতে অনেকদিন আগে দেখা কাউকে মনে করাটা তার পক্ষে কঠিন।”

    অন্যমনস্ক ভাবে তীর্থঙ্কর বলল, ”আমি কিছু মনে করছি না। উনি কষ্ট পাচ্ছেন এটাই খারাপ লাগছে।”

    তীর্থঙ্করের গাড়ি চলে যাওয়ার পর বাইরে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে রইল কাশ্যপ। এমন মানুষ আজও আছে! উঠোন পেরিয়ে বাবার ঘরের দিকে এগিয়ে গেল কাশ্যপ। আজ সারাদিন সে বাবার পাশেই থাকবে। চাঁপাডাঙা স্কুলে একটা খবর দিতে হবে। তীর্থঙ্কর রায়ের চেকটা দিতে হবে। ভাবতে ভাবতে বাবার ঘরের দরজার কাছে পৌঁছে গেল কাশ্যপ। তারপরই থমকে দাঁড়াল।

    একি! ঘরে ও কে বসে আছে! কে? ছোটো একটা ছেলে। সাদা জামা, কালো প্যান্ট। স্কুলের ইউনিফর্ম পরেছে যেন! বসে আছে মেঘনাদ সামন্তর মাথার কাছে। মাথায় হাত বোলাচ্ছে পরমযত্নে! পায়ের আওয়াজ পেয়ে দরজার দিকে মুখ ফেরাল ছেলেটা। ঠান্ডা একটা স্রোত শিরদাঁড়া বেয়ে নেমে গেল কাশ্যপের! মুখটা সে চিনতে পেরেছে। তীর্থঙ্কর রায়!

    কাশ্যপের চারপাশ অন্ধকার হয়ে গেল। সে দরজা ধরে মেঝেতে বসে পড়ল।

    মেঘনাদ সামন্ত মারা গেলেন সেদিন দুপুরেই। মুখে কোনো কষ্টের ছাপ নেই। যেন দীর্ঘজীবন তাকে পরমতৃপ্তি দিয়েছে।

    পরদিন সকালে খবরের কাগজে একটা ছোট্ট খবর পড়ল কাশ্যপ। খবরের শিরোনাম ‘শিল্পীর মৃত্যু।’ লণ্ডনে এক ভয়ংকর পথদুর্ঘটনায় তীর্থঙ্কর রায় নামে এক বাঙালি শিল্পীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। চাঁপাডাঙা নামের এক অখ্যাত গ্রামে এই শিল্পী তার বাল্যকাল কাটিয়েছিলেন। তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার দিন তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে হিথরো বিমানবন্দরে যাচ্ছিলেন। কারণটা বড়ো অদ্ভুত। তিনি দু-দিনের জন্য দেশে যাচ্ছিলেন। যাচ্ছিলেন তার পুরোনো চাঁপাডাঙা গ্রামে। সেখানে তার স্কুলের এক শিক্ষক খুব অসুস্থ। তিনি নাকি তাকে দেখতে চান। সেই কারণেই……।’

    কাশ্যপ কাগজ ফেলে উঠে পড়ল। আলমারি থেকে চেকটা বের করল। চেকের ওপর দুর্ঘটনার দিনের তারিখ! কাশ্যপের সারাশরীর ঝিমঝিম করে উঠল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Article২৫টি শ্রেষ্ঠ কিশোর গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
    Next Article ২৫টি রোমাঞ্চকর কল্পবিজ্ঞান – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    অসুখের পরে – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    সাঁতারু ও জলকন্যা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ৫০টি প্রেমের গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দুর সেরা ১০১ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ঘুণপোকা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    বাসস্টপে কেউ নেই – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }