Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ২৫টি নতুন ভূত – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায় এক পাতা গল্প282 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    তেরাখোলে এক রাত – দীপান্বিতা রায়

    এমন ঘোর বর্ষায় গোয়া বেড়াতে যাওয়া। বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন যেই শুনেছে আঁতকে উঠেছে। কিন্তু রণিত আর দীপকের কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই। অনেক চেষ্টায় দুজনে যখন একসঙ্গে ছুটি পেয়েছে তখন যাবেই। আর ওসব বর্ষা-টর্ষা তাদের কাছে কোনও ব্যাপার নয়। দুজনেরই মতে দেখার যদি চোখ থাকে আর মনে যদি ফুর্তি থাকে তাহলে প্রকৃতিদেবী সঙ্গে থাকবেনই।

    আসলে দীপক-রণিত এক কথায় অভিন্নহৃদয় বন্ধু। ভবানীপুরে মুক্তদলের কাছে একই গলিতে বাড়ি। পড়াশোনা, খেলাধুলো সবই একসঙ্গে। ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করে রণিত এখন একটা প্রাইভেট ফার্মে চাকরি করে। দীপক ডক্টরেট করছে। গবেষণার পাশাপাশি অন্যান্য লেখালেখিও করে। পড়াশোনা কিংবা কাজের ফাঁকে পিঠে রুকস্যাক নিয়ে বছরে দু-একবার একসঙ্গে বেড়িয়ে পড়াটা অনেকদিনের অভ্যাস। কিন্তু গত একবছর ধরে কিছুতেই আর সুযোগ হচ্ছিল না। রণিতের নতুন চাকরি। ছুটি পাওয়া মুশকিল। দীপকের বাড়িতে নানা ঝামেলা চলছিল। তাই এতদিন পরে যখন দুজনের সময় মিলেছে তখন আর অপেক্ষা নয়। পাহাড় অনেক হয়েছে। এবার সমুদ্র। বর্ষায় গোয়া।

    তবে দীপক আর রণিতের বেড়াতে যাওয়াটা ঠিক আম-ট্যুরিস্টের মতো নয়। নাম-ডাকওলা কোনো একটা জায়গায় তারা বেড়াতে যায় ঠিকই, কিন্তু তারপর খোঁজ চলে তার আশপাশের নাম-না-জানা কোনো সুন্দরীকে খুঁজে বের করার। এরকমভাবেই দার্জিলিং বেড়াতে গিয়ে ওরা খুঁজে পেয়েছিল চটকপুর। শিলং পাহাড়ের কাছে বড়াপানি।

    এবারের বেড়ানোটাও যে আলাদা কিছু হবে না তেমন কথাবার্তা হয়ে গেছিল আগেই। খাণ্ডবী নদীর ধারে গোয়ার রাজধানী প্যানাজিস বা পানাজিতে হোটেল বুক করা ছিল। প্রথম দিনটা সেখানে উঠে ঘোরাঘুরির ফাঁকে চলছিল অচেনা জায়গার সন্ধান। খোঁজ মিলল দ্বিতীয় দিনেই। হোটেলের মালিকই খবর দিলেন কুলু নদীর মোহনায় আছে তেরাখোল দুর্গ। পানাজি থেকে গাড়িতে গেলে লাগবে ঘন্টা তিনেক। ছোটো ছোটো গ্রামের মধ্য দিয়ে যাওয়ার রাস্তাটিও চমৎকার। মাঝে দু-একটা ছোটো নদী পড়বে। সব জায়গাতেই বার্জে চড়ে পেরোনর ব্যবস্থা। তবে মুশকিল একটাই। পোর্তুগিজদের তৈরি তেরাখোল দুর্গ এখন একটা হোটেল। ওটি ছাড়া ওখানে আর কোনো থাকার জায়গা নেই। তবে এখন বর্ষাকাল। তাই ট্যুরিস্ট কম। থাকার জায়গা পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। আর থাকতে যদি পাওয়া যায়, তাহলে পাহাড়, নদী, সমুদ্র, জঙ্গল সব মিলিয়ে তেরাখোল একেবারে জমজমাট।

    শুনে থেকে তো দুই বন্ধুর আর তর সইছে না। হোটেলের মালিকের সঙ্গে কথাবার্তা বলে ব্যবস্থা হল একটা মোটর সাইকেলের। দুজনেই দিব্যি বাইক চালাতে পারে। রাস্তাও যথেষ্ট ভালো। তাই ব্যাগ ঘাড়ে সকাল সকাল বেরিয়ে দুপুরে আগেই দুজনে পৌঁছে গেল তেরাখোল।

    গোয়া আর মহারাষ্ট্রের সীমানার খুব কাছেই তেরাখোল। কুলু নামের একটা ছোট্ট নদী এসে মিলেছে আরব সাগরে। সেই মোহনার পাশেই পাহাড়ের মাথায় দুর্গটা। সমুদ্রের ধার থেকে উঠে গেছে খাড়া পাহাড়। আরব সাগরের ঢেউ যেন বারবার ধাক্কা মেরে সরিয়ে দিতে চাইছে ওকে। কিন্তু প্রতিবারই ব্যর্থ হয়ে ভেঙে যাচ্ছে সাদা ফেনায়। পাহাড়ের মাথায় ঠিক রাজার মুকুটের মতো বসে আছে তেরাখোল। কুলু নদীর ধারে বার্জের জন্য অপেক্ষা করতে করতে দূর থেকে দুর্গটিকে দেখে দারুণ পছন্দ হয়ে গেল রণিত আর দুজনেরই।

    ভাগ্য ভালো। হোটেলের রিসেপশনে গিয়ে শোনা গেল একটিমাত্র ঘর খালি আছে। তবে সেটা সমুদ্রের দিকে নয়। পিছনের দিকে, মানে জঙ্গলের দিকে। তাই সই। চটপট সইসাবুদ সেরে দুজনে চলল ঘরের দিকে।

    হোটেলের ভিতরটা ভারি অন্যরকম। দুর্গের স্বাভাবিক গঠন যতখানি সম্ভব না বদলে ব্যবস্থা হয়েছে অতিথিদের থাকার। তাই সরু সরু গলি, বাঁক, খাড়া সিঁড়ি, সবই আছে। আবার আধুনিক সুযোগ-সুবিধারও কোনো অভাব নেই। সব মিলিয়ে বেশ একটা রোমাঞ্চকরভাব। ঘর দেখেও দিব্যি পছন্দ হল। সমুদ্র দেখা যায় না ঠিকই, কিন্তু জানলা খুললেই চোখে পড়ে দুর্গ প্রাচীর, তার ওপাশে ঘন জঙ্গল। জিনিসপত্র নিয়ে এসেছিল যে ছেলেটি, সে অবশ্য বলল জঙ্গল গভীর হলেও হিংস্র জন্তুজানোয়ার কিছু নেই। ওপাশে মারাঠী গ্রাম আছে। সেখানকার লোকজন এই জঙ্গলের পথ দিয়েই যাতায়াত করে।

    হাতমুখ ধুয়ে একটু ফ্রেশ হয়ে নিয়েই বেরিয়ে পড়ার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু আকাশভেঙে নামল বৃষ্টি। একটা বেলা পুরো মাটি। বিকেল নাগাদ বৃষ্টি থামলে বেরোল দুজনে। পায়ে হেঁটে একটু ঘুরে আসার ইচ্ছে। বিশেষ করে সমুদ্রের ধারটা। পাহাড়ী পথের বাঁক বেয়ে কিছুদূর নামতেই দেখে পাথরের ওপর বসে আছে এক বুড়ো। পরনে তাপ্পিমারা জামা আর ঢোলা প্যান্ট। মাথায় টুপি। তাদের দুজনকে দেখেই সে মাথার টুপি নামিয়ে পরিষ্কার ইংরেজিতে বলল, ‘আমাকে যদি পাঁচটা টাকা দাও, তাহলে আমি তোমাদের একটি সুন্দর গোয়ান কবিতা শোনাতে পারি।’ ‘আমরা কবিতা শুনতে ভালবাসি না’, গম্ভীর গলায় বলল রণিত। ‘দশ টাকা দিলে আমি একটা চমৎকার গোয়ান গান শোনাতে পারি।’ ‘আমাদের এখন গান শুনতে ইচ্ছে করছে না,’ ফের বলল রণিত। ‘কুড়িটা টাকা দিলে, আমি এই তেরাখোল ফোর্টের গল্পটা তোমাদের বলতে পারি। সেটা কিন্তু এখানকার খুব কম লোকই জানে।’ রণিত ফের কি একটা বলতে যাচ্ছিল কিন্তু দীপকের ততক্ষণে মজা লেগেছে। সে হেসে ফেলে বলল, ‘ঠিক আছে গল্পটা আমরা শুনবো, কুড়িটা টাকাও দেবো। কিন্তু এখানে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে গল্প শুনতে হবে কী?’ ‘না না তা কেন?’ গম্ভীরভাবে বললে বুড়ো, ‘আমরা সমুদ্রের ধারে গিয়ে বসতে পারি। সেখানে বসেই গল্প বলব।’

    বুড়োর পিছন পিছন নামতে নামতে রণিত বলল, ‘কী যে করিস না তুই। এখন বসে বসে বুড়োর গাঁজাখুরি গল্প শুনতে হবে। কুড়িটা টাকাও গচ্চা।’ আর গল্প তো গল্পই।

    ‘শুনতে দোষ কী আছে? আর যে কোনো জায়গারই এইসব লোকমুখে চালু গল্পে অনেক রকম ইন্টারেস্টিং ব্যাপার থাকে।’ হাসতে হাসতে চলল দীপক।

    সমুদ্রের ধারের বালিতে গিয়ে বসল তিনজন। মাথা থেকে টুপিটা খুলে পাশে রেখে বুড়ো শুরু করল, ‘সে অনেক বছর আগের কথা। গোয়াতে তখন পোর্তুগিজদের রাজত্ব। এই দুর্গের কেল্লাদারও ছিলেন একজদন পোর্তুগিজ। নাম রোবার্তো গঞ্জালেস। কেল্লাদারের চেহারা যেমন বিশাল, মানুষটিও তেমনি নিখুঁত, দুর্গের চাকর-বাকর, সিপাই-শান্ত্রী। সবাই তাকে যমের মতো ভয় করত। কথায় কথায় চড়-থাপ্পর মারতে, চাবুক চালাতে তার জুড়ি ছিল না। কেল্লাদারের অত্যাচার থেকে রেহাই পেত না আশপাশের গ্রামের লোকজনও। সৈন্যসামন্ত নিয়ে গ্রাম লুট করা ছিল তার কাছে খুবই আমোদের ব্যাপার।

    এই কেল্লাতেই থাকত দামিনিক রোবার্তো। ফর্সা ছিপছিপে মানুষটির মনটি ছিল ভারি ভালো। কেল্লার চাকর-বাকর থেকে শুরু করে সিপাই-শান্ত্রী—সবাই ভালোবাসতো তাকে। আর সেজন্যই গঞ্জালেস দু-চক্ষে দেখতে পারতো না রোবার্তোকে। কিন্তু কিছু বলতেও সাহস পেতো না। কারণ রোবার্তো ছিল চিকিৎসক। নানারকম ওষুধ-বিষুধ জানতো সে। তখনকার দিনে যুদ্ধবিগ্রহ লেগেই থাকতো। তাই কাটা-ছেঁড়া হতই। তা ছাড়া জঙ্গুলে জায়গা। অসুখ-বিসুখও হত নানারকম। কেল্লায় একজন ডক্তার থাকাটা জরুরি ছিল। তাই অপছন্দ করলেও রোবার্তোকে কেল্লা থেকে তাড়িয়ে দিতে পারত না গঞ্জালেস।

    রোবার্তো মাঝে মাঝেই জঙ্গল পেরিয়ে আশপাশের মারাঠী গ্রামেও ঘুরতে যেত। কাছেই কুণ্ডা নামের গ্রামে থাকত এক বুড়ো কবিরাজ। তার সঙ্গে দিব্যি ভাব ছিল রোবার্তোর। বুড়ো তাকে গাছ-গাছড়া থেকে নানারকম ওষুধ তৈরি করতে শেখায়। সেই কুণ্ডা গ্রামেরই ছেলে শিবাও ছিল রোবার্তোর খুব বন্ধু। দুজনে একসঙ্গে বেড়াত। তরোয়াল খেলত, লাঠি খেলত। শিবার বোন কুঙ্কু রোবার্তোর জন্য চমৎকার একখানা পাগড়ি বানিয়ে দিয়েছিল। সেটা পরে রোবার্তো যেদিন কেল্লায় ফিরল, সেদিন অন্যরা হাসি-তামাশা করলেও গঞ্জালেস কিন্তু রেগেছিল খুব। দেশি মানুষদের সঙ্গে এরকম ভাব-সাব গঞ্জালেস একটুও পছন্দ করত না। বিশেষত শিবা তো ছিল তার দু-চক্ষের বিষ।

    তখন থেকেই সুযোগ খুঁজছিল গঞ্জালেস। একদিন রোবার্তো শহরে গেছে। ফিরতে তার রাত হবে। সেই সুযোগে নিজের সঙ্গীসাথীদের নিয়ে গঞ্জালেস গিয়ে হানা দিল কুন্ডা গ্রামে। তাদের লুটপাট চালাতে দেখে তরোয়াল নিয়ে তেড়ে এল শিবা। গঞ্জালেসের সঙ্গীরা ছিল সংখ্যায় অনেক বেশি। তাই খুব সহজেই তারা শিবাকে বন্দি করে নিয়ে এল কেল্লায়। গঞ্জালেস জানিয়ে দিল পরদিন সকালে ফাঁসি হবে শিবার। সন্ধ্যায় কেল্লায় ফিরে সবকথা শুনে চমকে উঠলো রোবার্তো। গঞ্জালেসের কাছে গিয়ে শিবাকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য অনেক অনুনয়-বিনয়ও করলো। কিন্তু গঞ্জালেস সাফ জানিয়ে দিল শিবাকে ফাঁসি সে দেবেই।

    রাত বাড়ছে। নিজের ঘরে ছটফট করছে রোবার্তো। কী করে বন্ধুকে বাঁচাবে সে…।

    গল্পের মধ্যে এমনভাবে ডুবে গেছিল দুই বন্ধু; যে কখন একটা হাতির পালের মতো বিশাল মেঘের দল ঠিক মাথার ওপর এসে হাজির হয়েছে বুঝতেই পারেনি। বুড়ো কিন্তু ঠিক খেয়াল করেছে। টুক করে টুপিটা মাথায় পরে লাফ দিয়ে উঠে বললো, ‘তাড়াতাড়ি পা চালিয়ে হোটেলে ফেরো। নইলে এক্ষুনি ভিজে চুপ্পুড় হয়ে যাবে।’ ‘কিন্তু গল্পের শেষটা শোনা হল না তো?’ অবাক হয়ে বলল রণিত। ততক্ষণে পা চালিয়ে বেশ খানিকটা এগিয়ে গেছে বুড়ো। থেমে পড়ে কীরকম একটু অদ্ভুত হেসে বললে, ‘তোমরাও তো দুই বন্ধুই আছ। আজ রাতে নিজেদের মত করে শেষটা ভাব। কাল সকালে আমি বরং শুনে দেখব গল্পের সঙ্গে মেলে কীনা।’

    প্রায় ছুটতে ছুটতে হোটেলে ফিরতে না-ফিরতেই বৃষ্টি নামল মুষলধারে। বৃষ্টির মধ্যেই আস্তে আস্তে নিভে এল দিনের আলো। আর অন্ধকার একটু গাঢ় হতে বন্ধ হয়ে গেল বিদ্যুৎ সরবরাহ। হোটেলের অবশ্য নিজস্ব জেনারেটর আছে। সেটি চালু হতে কিছু কিছু আলো জ্বলল। তবে একটু পরেই ঘরে ঘরে হোটেলের বেয়ারারা গিয়ে বলে এল ‘এরকম বৃষ্টি-বাদলায় কারেন্ট চলে গেলে সাধারণত আর মাঝরাতে ফেরে না। কিন্তু সেক্ষেত্রে তো আর সারারাত জেনারেটর চালু রাখা যাবে না। তাই রাতের খাওয়া সেরে নিতে হবে তাড়াতাড়ি। সবাই খেয়েদেয়ে নিজের ঘরে চলে গেলে জেনারেটর বন্ধ করে দেওয়া হবে।’

    হোটেলের ডাইনিং হলে সব অতিথিদের ডিনার হয়ে গেল রাত দশটার মধ্যেই। ঘরে ফিরে জুত করে বসল দীপক আর রণিত। জেনারেটর বন্ধ হয়ে গেছে। ঘর অন্ধকার। মস্ত খোলা জানলার ওপাশে আরও নিশ্ছিদ্র অন্ধকার জঙ্গল। তবে গরম নেই মোটেই। বৃষ্টি ভেজা হাওয়ায় কেমন একটা শীতশীত ভাব। হঠাৎ দীপক বলে উঠল, ‘আশ-পাশটা দেখে কেমন মনে হচ্ছে না, আমরা সেই গঞ্জালেস আর রোবার্তোর সময়ে ফিরে গেছি।’ ‘যা বলেছিস’, ‘হাসতে হাসতে বললে রণিত,’ মনে হচ্ছে যেন ওই জঙ্গলের ওপাশেই কুন্ডা গ্রাম। কুপি জ্বলছে। শিবা আর কুঙ্কু শোবার আয়োজন করছে। বুড়ো কিন্তু গল্প বলে ভালো।’ ‘আমার কিন্তু একটু অদ্ভুত লাগছিল। বুড়োর কথাবার্তায় কেমন যেন একটা রহস্যের ভাব আছে। যেন সব বলছে না। কিছু কথা চেপে রাখছে।’ দীন্যকর কথা শুনে রণিত বলল, ‘ওটা তো টাকা নেওয়ার কৌশল। কাল দেখবি শেষটা বলার জন্য আবার টাকা চাইবে। আর টাকা যখন দিতেই হবে তখন আমরা আর কষ্ট করে কেন ভাবব। তার থেকে চল এখন শুয়ে পড়ি। কাল ভোরে উঠে বেরোব।’

    রাত তখন কটা জানা নেই। ঘুম ভেঙে গেল দীপকের। অভ্যাসমতো সময় দেখতে বালিশের পাশে মোবাইল হাতড়ে দেখে মোবাইল নেই। চমকে উঠে বসে দীপক। একী ঘরটা এরকম অন্যরকম হয়ে গেল কী করে? দুটো খাটের বদলে এখন একটা খাট। ঝালর লাগানো মশারি। কিন্তু রণিত কোথায় গেল? খাট থেকে তাড়াতাড়ি নামতেই সামনের আয়নায় চোখ পড়ল। একজন ছিপছিপে চেহারা পোর্তুগিজ যুবক। ফর্সা মুখে দারুণ উদ্বেগের ছাপ। পরনে ফ্রিল দেওয়া জামা আর পাতলুন। কিন্তু রণিত কোথায়? নিঃশব্দে দরজা খুলে বেরিয়ে এল যুবক। দুর্গের সংকীর্ণ গলিপথ ধরে এসেছে। একটা ঘর থেকে প্রবল নাকা ডাকার আওয়াজ আসছে। হালকা হাতে সেই ঘরের দরজা ঠেলে ঢুকল যুবক। খাটের ওপর একজন কেউ ঘুমোচ্ছে। অন্ধকারে একটু চোখ সইয়ে নিয়ে যুবক দেওয়ালে ঝোলানো আংটা থেকে সাবধানে খুলে নিল একটি বড়ো চাবি। ঘর থেকে বেরিয়ে গলি পথ ধরে আরও কিছুটা এগিয়ে বেশ কয়েকটা বাঁক পেরিয়ে তারপর নামতে লাগল নীচে। সিঁড়ির একেবারে শেষপ্রান্তে লোহার দরজা। চাবি দিয়ে খুলে ভিতরে ঢুকতেই লাফিয়ে উঠল রণিত, ‘রোবার্তো? তুমি কী করে এলে?’ ‘চুপ কথা বোলো না। রক্ষীরা সব ঘুমোচ্ছে। এই সুযোগে তোমাকে পিছনের দরজা দিয়ে বার করে দেব।’ “কিন্তু তুমি? তোমার কী হবে? গঞ্জালেস ঠিক বুঝতে পারবে তুমিই আমাকে ছেড়ে দিয়েছো। তুমিও আমার সঙ্গে চল।’ ‘তা হয় না শিবা। এরা আমার জাতভাই। আমাকে এদের সঙ্গেই থাকতে হবে। কিন্তু তুমি আর দেরি কোরো না। কেউ জেগে গেলে তোমাকে আর বাঁচাতে পারব না।’ শিবা একটু ভাবলে, তারপর বললে, ‘তুমি শুধু ভোর হওয়া পর্যন্ত সাবধানে থেকো। সকাল হতেই আমি সব গ্রামের ছেলেদের নিয়ে আসব দুর্গ আক্রমণ করতে।’ দুজনে নিঃশব্দে উঠে এল ওপরে। খুব সাবধানে পাহারাদারদের নজর এড়িয়ে রোবার্তো শিবাকে নিয়ে এল জঙ্গলের দিকে দুর্গের খিড়কির দরজায়। কিন্তু দরজা খোলার সময় হাত ফসকে পড়ে গেল লোহার খিল। মুহূর্তে জেগে উঠল রক্ষীরা। ‘পালাও শিবা পালাও’ কোনোরকমে শিবাকে দরজার বাইরে ঠেলে দিয়ে বললে রোবার্তো। বিদ্যুৎগতিতে অন্ধকারে মিলিয়ে গেল শিবা। রক্ষীরা ছুটে এসে ধরে ফেলল রোবার্তোকে। খবর গেল গঞ্জালেসের কাছে।

    ‘কেন ছেড়ে দিয়েছ তুমি বন্দীকে?’ ক্রুর হেসে জানতে চাইল গঞ্জালেস। তার নিষ্ঠুর মুখের দিকে তাকিয়ে রোবার্তো বলল, ‘ও আমার বন্ধু। তুমি ওকে অন্যায়ভাবে আটকে রেখেছিলে।’ ‘কেল্লাদারের আদেশ অমান্য করেছ তুমি। তোমার শাস্তি মৃত্যু। কাল সকালের সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গেই ফাঁসিকাঠে ঝোলানো হবে রোবার্তোকে। হুকুম দিয়ে চলে গেল বিশালদেহী গঞ্জালেস।

    ফাঁসিকাঠ তৈরি। হাত-পা বেঁধে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে রোবার্তোকে। পূবের আকাশ আস্তে আস্তে লাল হচ্ছে। আর বেশিক্ষণ নয় বুঝতে পারছে দীপক। সূর্য উঠলেই গঞ্জালেসের হুকুম তামিল হবে। কিন্তু দুর্গের বাইরে কীসের অত গণ্ডগোল? কারা ভেঙে ফেলতে চাইছে মূল ফটক? রক্ষীরা দৌড়াদৌড়ি করছে কেন?

    ধড়মড় করে উঠে বসল দীপক। সকাল হয়ে গেছে। সূর্যের আলোয় ঘর ভেসে যাচ্ছে। জানলার বাইরে বৃষ্টি ভেজা সবুজ বন। পাশের খাটে বসে কীরকম যেন অস্বাভাবিকভাবে তার দিকে তাকিয়ে আছে রণিত? ‘তুই কি কোনো স্বপ্ন দেখলি?’ ভাঙা গলায় জানতে চাইল দীপক। ‘হ্যাঁ’ একটু চুপ করে থেকে কেমন যেন নিশ্চিত গলায় রণিত ফের বলল ‘একই স্বপ্ন।’

    বেলা বেড়েছে। আজই পানাজিতে ফিরছে দীপক আর রণিত। হোটেলের বিল চুকিয়ে বেড়িয়ে পড়ল দুজনে। রণিত বাইক চালাচ্ছে, পিছনে দীপক। বাঁক ঘুরতেই পাথরে বসা টুপি মাথায় বুড়ো। একটুও স্পিড না কমিয়ে বেরিয়ে গেল রণিত। টুপিটা মাথা থেকে খুলে বুড়ো শুধু একটু অদ্ভুত হাসলে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Article২৫টি শ্রেষ্ঠ কিশোর গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
    Next Article ২৫টি রোমাঞ্চকর কল্পবিজ্ঞান – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    অসুখের পরে – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    সাঁতারু ও জলকন্যা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ৫০টি প্রেমের গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দুর সেরা ১০১ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ঘুণপোকা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    বাসস্টপে কেউ নেই – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }