Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ২৫টি নতুন ভূত – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায় এক পাতা গল্প282 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সাইকেল সাথি – শরদিন্দু কর

    আশ্বিন মাস। সামনে পুজো। মেয়ের শ্বশুরবাড়িতে পুজোর তত্ত্ব পৌঁছে দিয়ে সাইকেলে গ্রামে ফিরছিল বাসুদেব ফৌজদার। মেয়ের বাড়িতে দুপুরে খাওয়ার সময় ঝমঝমিয়ে মুষলধারে বৃষ্টি নেমেছিল। অবশ্য সে-বৃষ্টি থেমে গিয়ে কিছুক্ষণ পরে সাদা মেঘের ফাঁকে ফাঁকে চোখে পড়েছিল আকাশের নীল রং। শরৎকাল এরকমই হয়—এই রোদ এই বৃষ্টি।

    এখান থেকে দশ কিলোমিটার দূরে ওদের আনন্দপুরে পৌঁছানোর রাস্তা এক জায়গায় এসে দু-ভাগ হয়ে গেছে। একদিকে রাঙা মাটির পথ অন্যদিকে পাকা পিচ রাস্তা। তবে পাকা রাস্তা ধরে অনেকখানি ঘুর পথে গ্রামে পৌঁছাতে হয়। তাই পায়ে হাঁটা বা সাইকেল চালানো মানুষজন অনেক সময় কাঁচা রাস্তাটি পছন্দ করে। প্রায় তিন কিলোমিটার কাঁচা রাস্তার দু-পাশে পুরোনো কালের বিশাল সব বট-অশ্বত্থ-পাকুড়-অর্জুন গাছের পাশাপাশি শালগাছের ঘন জঙ্গল।

    রাস্তা যেখানে দু-ভাগ হয়েছে সেখানে তেমাথার মোড় থেকে রাঙা মাটির পথ ধরে বেশ কিছুদূর এগিয়ে যাওয়ার পর মেঘ গুড় গুড় করে তুমুল বৃষ্টি শুরু হল। তার সাথে কান ফাটানো চড়াৎ চড়াৎ শব্দে বজ্রপাত। একটা বড়োগাছের নীচে দাঁড়িয়ে বৃষ্টির হাত থেকে যথাসাধ্য নিজেকে বাঁচাল বাসুদেব। তবে আশেপাশে বাজ পড়ার বিকট আওয়াজে ভয়ে বুক হিম হয়ে যাচ্ছিল। এভাবে অনেকটা সময় বয়ে গিয়ে দেখতে দেখতে বিকেল ফুরিয়ে এল।

    এখন সাবধানে সাইকেল চালাতে হচ্ছে। কাঁচা মাটির রাস্তা গত বর্ষার সময় এবড়ো-খেবড়ো হয়ে গিয়েছিল যা এখনো সারানো হয়নি। তার উপরে আজকের বৃষ্টিতে রাস্তার অবস্থা আরও খারাপ। অনেক জায়গায় জল জমে আছে। মাঝে মাঝে বড়ো গর্ত রয়েছে যা অন্ধকারে চোখে পড়ে না। জলে ডোবা গর্তের মধ্যে যদি একবার সাইকেলসুদ্ধ পড়ে তখন কী হবে? হাত-পা ভেঙে রাস্তার মধ্যে দুর্দশার অন্ত থাকবে না। অজানা বিপদের কথা ভেবে বুক কেঁপে ওঠে বাসুদেব ফৌজদারের। পূর্বপুরুষরা একসময় রাজার ফৌজে সেনাপতি ছিল তাই উপাধি পেয়েছিল ফৌজদার। সে-সব দিন কবে শেষ হয়ে গেছে। এখন সংসার চালাতে একটা দোকান দিয়েছে। কাগজ-খাতা-পেন পেনসিল এসবের সাথে মিলিয়ে নানা রকমের কেক-বিস্কুট-চকলেটও রাখে। দোকানটা ভালোই চলে।

    সাঁজের আঁধারে একা একা সাইকেল চালাতে চালাতে মনে হয় এ সময় কেউ সঙ্গী-সাথি থাকলে ভালো হত। কিন্তু শুনশান কাঁচা মাটির পথে ঝড়-বৃষ্টির সময় লোকজন কোথায় পাবে? বাসুদেব যখন এরকম ভাবনা নিয়ে অনেকখানি হতাশ হয়ে পড়েছিল তখনই মনে হল ওর পিছনে পিছনে কে যেন আসছে। জলকাদার রাস্তায় সাইকেলের চাকার ছপ ছপ আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছিল। যা শুনে বুকে তবু কিছুটা বল এল।

    দু-পাশের বড়ো বড়ো গাছগুলির নীচে চাপ চাপ অন্ধকার। চোখে সব কিছু ঠাহর হয় না। এসব রাস্তায় অনেকখানি আন্দাজে সাইকেল চালাতে হয়। সেই ভাবেই বাসুদেব চলছিল হঠাৎ শুনতে পেল, ওদিকে নয়, ওদিকে নয় সামনে জলে ভরা গর্ত আছে, বাঁ-দিকে আসুন।

    অজানা লোকটির কথা শুনে তাড়াতাড়ি হ্যান্ডেল ঘুরিয়ে সাইকেল সামলে নিল বাসুদেব। যাক, বড়ো একটা ফাঁড়া কাটল। ততক্ষণে লোকটি ওর পাশে চলে এসেছে। বিপদ থেকে রক্ষা পেয়ে মানুষটিকে বলতে হয়, তুমি খুব বাঁচিয়ে দিলে ভাই না-হলে গর্তে পড়তাম। তারপর নির্জন পথে ওর সাথে আলাপ জমানোর চেষ্টায় বলল, তুমি কোথায় থাকো?

    উত্তর এল, জোড়া বকুলতলা।

    বাহ ভালোই হল। তোমার সাথে অনেকটা পথ একসাথে যাওয়া যাবে। আমি জোড়া বকুলতলার কিছুদূর আগে আনন্দপুরে থাকি।

    আমি জানি। আপনার ফৌজদার স্টোর্সে বেশ কয়েকবার গেছি।

    গলার আওয়াজ শুনে আগেই মনে হয়েছিল বয়স কম এখন আকাশের তারার আভায় যতটুকু অন্ধকার দূর হয় তার মধ্যে নজর রেখে বাসুদেব বুঝতে পারল ওর পাশে চলা সাইকেল সঙ্গীটির বয়স ষোলো-সতেরোর বেশি নয়। ওর মুখে নিজের দোকানের নাম শুনে সে উৎসাহে বলল, তাই নাকি? তাহলে তুমি আমার চেনাজানা।

    আলো আঁধারের মধ্যে চেহারা দেখে ছেলেটিকে চিনতে চেষ্টা করল বাসুদেব। কিন্তু মুখখানা পরিষ্কার দেখতে পেল না।

    আপনার দোকানে যখন খাতা-পেন কিনতে যেতাম দেখতাম কত কেক বিস্কুট থরে থরে সাজানো আছে। তখন খুব নিতে ইচ্ছে হত কিন্তু পকেটে পয়সা থাকত না বলে কোনোদিন নিতে পারিনি।

    ছেলেটি সহজ ভাবে মনের কথা শুনিয়ে দিল।

    বাসুদেবের মায়া হল। তা ছাড়া সদ্য ওকে জলে ডোবা গর্তে পড়া থেকে বাঁচিয়ে যে উপকার করেছে তার বিনিময়ে ছেলেটিকে কিছু প্রতিদান দেওয়া দরকার এই চিন্তা নিয়ে বলল, এরপর তুমি যেদিন আমার দোকানে আসবে তোমাকে এক প্যাকেট ক্রিমবিস্কুট দেব। ছেলেটি তাড়াতাড়ি বলল, না না তার কোনো দরকার নেই। আমার এখন ক্রিমবিস্কুট লাগে না।

    বাসুদেব ভাবল ছেলেটি নিশ্চয় টাকাপয়সার কথা ভেবে সংকোচ বোধ করছে তাই দরাজ গলায় বলল, তোমাকে দাম দিতে হবে না। পুরোপুরি ফ্রিতে দেব।

    ছেলেটি কোনো উত্তর দিল না।

    আরও কিছুক্ষণ পাশাপাশি চলার পর বাসুদেব দেখতে পেল রাস্তার একপাশে অনেকখানি জল জমে আছে এবার সতর্ক হয়ে অন্যপাশ ধরে সে সাইকেল চালাতে শুরু করেছিল। কিন্তু সাথে সাথে হুঁশিয়ারি এল, ও দিকে নয় ও দিকে যাবেন না। জল এড়িয়ে ও দিকে গেলে কাঁটা গাছের মধ্যে পড়বেন। সামনে ফণীমনসার ঝোপ আপনি অনেকখানি ডানদিকে সরে আসুন।

    আশ্চর্য! কথাটি তো ষোলো আনা সত্যি। ততক্ষণে ঝাউগাছের মতো চাপ বাঁধা ফণী-মনসার কাঁটাগাছগুলি ওর নজরে পড়ল। এবারেও ছেলেটির কথা শুনে বাসুদেব ডানদিকে ভালো রাস্তায় সরে এল।

    এভাবে দুর্ভোগ এড়িয়ে বেশ খুশি মনে সে আবার আগের মতন উদার গলায় বলল, এবার তুমি যখন আমার দোকানে আসবে তখন তোমাকে একটা চকলেট বার দেব। ছেলেটির স্বভাব ভালো। যদি কিছু নিতে রাজি না-হয় এই চিন্তা করে বাসুদেব তাড়াতাড়ি জানিয়ে দিল, না না তোমাকে এক পয়সাও দিতে হবে না তবে চকলেট তোমাকে নিতেই হবে।

    ছেলেটি নীচু স্বরে বলল, আমি চকলেট নিয়ে কী করব। থাক না।

    বাসুদেবের ধারণা হল গরিব ঘরের ছেলে তাই হয়তো চকলেটের দিকে অত টান নেই। কিন্তু উপকারের বদলে টাকাপয়সা দেওয়া ঠিক নয়। তবে এরপর দিন যখন ওর দোকানে আসবে বাসুদেব সিদ্ধান্ত নিল তখন ওর হাতে জোর করে একটা বড়ো চকলেট বার গুঁজে দেবে।

    জলকাদা ভেঙে সাইকেল চালাতে বেশ কষ্ট হয়। সাইকেলের চাকা নরম মাটিতে এঁটে যায়। কয়েক কিলোমিটার রাস্তা পার হতেই বাসুদেবের কপালে ঘাম জমে। বিকেলে বৃষ্টির হাত থেকে মাথা বাঁচালেও জামাকাপড় কিছুটা ভিজে গিয়েছিল। শরীরে আধভেজা জামা আর কপালে ঘাম নিয়ে এই সামান্য পথও যেন অনেক দীর্ঘ মনে হয়। সাইকেলের পেডেল ঠেলতে ঠেলতে পায়ে ব্যথা ধরে গেছে। এখন একটু বিশ্রাম নিতে পারলে ভালো হয়। এই ভেবে রাস্তার পাশে বাসুদেব দাঁড়িয়ে পড়ল।

    সঙ্গী ছেলেটির উদ্দেশ্যে সে বলল, এসো একটু জিরিয়ে নিই তারপর আবার চলব।

    কথাশুনে ছেলেটিও থেমে গেল।

    গায়ে ঠান্ডা বাতাস লাগানো দরকার এই ভেবে জামাটা খুলে ফেলল বাসুদেব। একটা গাছের ডালে ওটা ঝুলিয়ে দিয়ে সাইকেলটি গুঁড়িতে ঠেসিয়ে আরাম করে দাঁড়াল। ছেলেটি রইল সামান্য দূরে। বাসুদেব চিন্তা করল ছেলেটার স্বভাব কেমন যেন লাজুক চাপা ধরনের। নিজে থেকে কোনো কথা বলে না। যা জিজ্ঞাসা করা হয় শুধু সেইটুকু উত্তর দেয়।

    এসময় গাছের একটি ডাল থেকে ঝটপট শব্দে কোনো পাখি উড়ে গেল।

    পাখিটির ডাক বড়ো বিচিত্র—চ্যাঁও চ্যাঁও। যে কর্কশ আওয়াজ শুনে বাসুদেবের বুক শিরশির করে উঠল। ছেলেটি বোধহয় ওর মনের কথা আন্দাজ করে নিয়েই অভয় দেয়, আতঙ্কের কিছু নেই। প্যাঁচা ডাকছে। হয়তো সাপখোপ দেখেছে। শিকারের আগে প্যাঁচা ওরকম ডাক দেয়।

    তুমি এসব জানলে কী করে?

    আমিতো এদিকেই থাকি, দেখেশুনে সব শিখে গেছি। তবে ভয় পাবেন না সাপখোপ যদি আশেপাশে থাকেও তবে ওই ডাকশুনে নিজেরাই আড়ালে লুকিয়ে পড়বে। অন্ধকারে প্যাঁচারা সব পরিষ্কার দেখতে পায়। ওদের নাগাল থেকে রেহাই পাওয়া কঠিন। তবে আপনার কোনো চিন্তা নেই। প্যাঁচা মানুষের কোনো ক্ষতি করে না।

    বাসুদেব অনেকখানি আশ্বস্ত হল কিন্তু এ জায়গায় বেশিক্ষণ থাকতেও মন চাইছিল না। ঘরে ফেরার টান। বলল, চল আমরা এখান থেকে যাই। কথার শেষে গাছের ডাল থেকে জামাটি টেনে গায়ে চড়িয়ে নিল।

    সাইকেল চালাতে চালাতে অনেকটা পথ পার হল নির্বিঘ্নে। কোনো গর্ত বা কাঁটাঝোপের সামনে পড়ল না। এভাবে বেশ কিছু দূর চলার পর একসময় ছেলেটিই ওকে ডেকে উৎসাহ নিয়ে দেখাল, ওই তো আপনাদের আনন্দপুরের আলো দেখা যাচ্ছে। আর কোনো চিন্তা নাই। এবার আপনি সো-জা চলে যান। একটি বিশাল ঝুপসি তেঁতুলগাছের নীচে এসে ছেলেটি দাঁড়িয়ে পড়ে বলল, আপনার সাথে আমার রাস্তা এখানেই শেষ। আপনি এগিয়ে যান।

    তুমি কোথায় যাবে? প্রশ্ন করল বাসুদেব।

    বাঁ-দিকে আমাদের জোড়া বকুলতলা। এই রাস্তা ধরে চলে যাব। আঙুল তুলে জঙ্গলের মধ্যে সরু পায়ে চলা পথটি দেখাল।

    গরিব ছেলেটি ওকে সারাপথ যে ভাবে বিপদআপদ থেকে বাঁচিয়ে নিয়ে এসেছে তা দেখে বাসুদেব মনে মনে দারুণ খুশি। সে চিন্তা করল আবার কবে দেখা হবে কে জানে? সবচেয়ে ভালো হয় এখনই ওর হাতে কিছু নগদ টাকাপয়সা ধরিয়ে দেওয়া। উপকারীর ঋণ বেশিদিন ফেলে রাখতে নেই।

    এইসব চিন্তাভাবনা করে বুক পকেটে হাত দিল। বাসুদেব খুব একটা মানিব্যাগ ব্যবহার করে না। পকেটে পাতলা প্লাস্টিকের খামে সাধারণত টাকাপয়সা রাখে। কিন্তু এখন বুক-পকেটে হাত দিয়ে দারুণ চমকে উঠল। সর্বনাশ! টাকা ভরা খামটা পকেটে নেই। খুব কম করেও ওতে দশ-পঞ্চাশ একশো মিলিয়ে সাড়ে পাঁচশো টাকা ছিল। খামটা কোথায় গেল?

    বাসুদেবের মাথায় এতক্ষণ রাস্তার খানাখন্দের দুর্ভাবনা ছিল। এখন টাকার চিন্তায় বুক হু হু করে উঠল। ওর মতো ছোটো দোকানদারের কাছে ওই টাকা অনেক কষ্টের ধন। মেয়ের বাড়ি যাচ্ছে যদি কোনো দরকার পড়ে এই ভেবে বেশি টাকা হাতে নিয়েছিল।

    এখন দুখি দুখি মুখে নিজের মনে মাথা দোলাতে লাগল, হায়রে, অতগুলো টাকা চলে গেল? ছেলেটি ওর হাবভাব দেখে কিছু একটা আন্দাজ করে জিজ্ঞাসা করল, কী হল?

    নিরাশ স্বরে বাসুদেব জানাল আমার টাকাসুদ্ধ খামটা পকেট থেকে রাস্তায় পড়ে গেছে। ওতে অনেকগুলি টাকা ছিল।

    একথা শুনে ছেলেটি ঠান্ডা গলায় বলল পথে যখন আসছিলেন নিশ্চয় টাকাগুলি সম্পর্কে আপনার হুঁশ ছিল। ভালো করে ভেবে দেখুন কতদূর পর্যন্ত আপনি টাকার কথা খেয়ালে রেখেছিলেন?

    বাসুদেব বলল তুমি ঠিক বলেছ। একটু আগে যেখানে বসেছিলাম সেখান পর্যন্ত খামটা পকেটে ছিল বেশ মনে পড়ছে।

    কিন্তু জামাটি গাছের ডাল থেকে নামাবার পর আপনি দেখেছিলেন সব কিছু ঠিক ঠাক আছে কিনা?

    বাসুদেব অবাক, ঠিক কথাই তো। ওখান থেকে জামাটি নিয়ে গায়ে দেবার পর তার পরিষ্কার মনে পড়ছে না পকেটে টাকাটি ছিল, না ছিল না।

    আপনি এখানেই দাঁড়িয়ে থাকুন। আমি একবার দেখে আসি। কথাগুলি বলেই ঝপ করে সাইকেলে লাফিয়ে উঠে সে আবার চলে আসা পুরোনো পথে সাত তাড়াতাড়ি রওনা হল।

    সাইকেল সাথি ছেলেটি চলে যাওয়ার পর বাসুদেবের কেমন যেন গা ছমছম করছিল। বনবাদাড়ে শুধু মাত্র জন্তুজানোয়ার নয় এরকম অন্ধকারে তেনারাও ঘোরাফেরা করেন এ কথা ভেবে ভয়ে ভয়ে একবার রাম নামও জপে নিল।

    এরকম পরিস্থিতিতে ওর মাথায় সব তালগোল পাকিয়ে যাচ্ছে। চিন্তাগুলি ঠিকমতো সে সাজাতে পারছে না। ছেলেটি পদে পদে ওর সাথে রয়েছে। দারুণ বাহাদুর ছেলে মানতেই হবে। কিন্তু ও যেভাবে চলে গেল তা থেকে চিন্তা হয় অন্ধকারের মাঝে যদি টাকার প্যাকেটটি কোথাও পড়ে থাকে ছেলেটি খুঁজে পাবে কী ভাবে? ওর তো প্যাঁচার মতো চোখ নয় যে অন্ধকারে সবকিছু দেখতে পাবে?

    টাকাপয়সা অনেক সময় মানুষের চিন্তা ঘোলাটে করে দেয়। ওরকম ঘোলা জলে নেমে বাসুদেব চিন্তা করল, ছেলেটি ওর উপকার করেছে সত্যি। কিন্তু অতগুলি টাকা হাতে পেয়ে গরিবের ছেলে টাকার খামটি নিয়ে পালিয়ে যাবে না তো? যতই হোক মানুষের মতিগতি বোঝা দায়।

    সাত-পাঁচ চিন্তা নিয়ে যখন বাসুদেব মগ্ন ছিল ঠিক তখনই শুনতে পেল ছেলেটির গলার স্বর, এই নিন আপনার টাকার প্যাকেট, ওই গাছের নীচে পড়েছিল।

    বাসুদেব আনন্দে চমকে উঠল একই সাথে দারুণ লজ্জা পেল। ছিঃ ছিঃ। সে ছেলেটি সম্বন্ধে কত মন্দ কথা চিন্তা করছিল এতক্ষণ ধরে।

    এবার বাড়ি যান। আমি চলি, যেন ওর কাজ শেষ এই ভাবে কথাটি বলে ছেলেটি চলে যাওয়ার জন্যে ব্যস্ত হয়ে পড়ল। তখন বাসুদেবের মনে হল এখনও ওর হাতে কিছু টাকা দেওয়া হয়নি কিন্তু ওতো চলে যাচ্ছে। ছেলেটির সম্পর্কে অন্তত কিছু খোঁজ নেওয়া দরকার। এবার তাই প্রশ্ন করল, তোমার নাম কী? প্রশ্ন শুনে সে থামল না। বাঁ-দিকের পায়ে চলা সরু ঝোপঝাড়ের রাস্তায় এগিয়ে যেতে যেতে দূর থেকে বলল, আমার নাম ঝড়ু।

    ব্যাস, এই কথা বলেই অন্ধকারেই সে যেন তাড়াতাড়ি চলে গেল নজরের বাইরে। তখনই একটা ঝড়ো বাতাসে আশেপাশের গাছগুলির ডালপালা কেঁপে উঠল। দূরে আনন্দপুরের ক্ষীণ আলো দেখা যাচ্ছে তবু বুকের ভিতর অজানা শিরশিরানি। এতক্ষণ ছেলেটি ছিল তার মনে কোনো ভয়ডর ছিল না। ভূতপ্রেতের কথা চিন্তার মধ্যেও আসেনি। কিন্তু এখন কেন এমন অস্বস্তি লাগছে? চারপাশের আবহাওয়া বড়ো ভূতুড়ে মনে হয়। তেনাদের কথা মনে এলে এরকম সুনসান পথে ভয় যেন পাথরের মতো ভারি হয়ে বুকে চেপে বসে। এখন মনে হয় ছেলেটি বাকি পথটুকু সঙ্গে থাকলে ভালো হত।

    শেষপর্যন্ত এক বুক উৎকণ্ঠা নিয়ে বাকি পথটুকু পার হয়ে নির্বিহ্নে গ্রামে পৌঁছে গেল বাসুদেব। বাড়িতে ঢোকার সাথে সাথে বাসুদেব দেখতে পেল ওর স্ত্রী মায়ারানির ভাই রামকৃষ্ণ এসেছে। রামকৃষ্ণ এখানকার একটি স্কুলের শিক্ষক। চারপাশের অনেক কিছু খোঁজখবর রাখে। বেশ ভালোমানুষ। মায়ারানিও সরলা প্রকৃতির। ওরা ভাই-বোনে একজোট হয়ে উঠোনে দাঁড়িয়ে রয়েছে বাসুদেবের অপেক্ষায়।

    ওকে দেখে রামকৃষ্ণ এগিয়ে এসে খুশি খুশি গলায় বলল, যাক তোমাকে অক্ষত দেখে আমরা নিশ্চিন্ত হলাম। কিন্তু অন্ধকারের মধ্যে বৃষ্টি ভেজা এতটা পথ জল কাদা পার হয়ে কী করে এলে? আমরা দারুণ চিন্তায় ছিলাম।

    খুব সহজ গলায় বাসুদেব বলল, একজন ষোলো-সতেরো বছরের ছেলে সাইকেলে একই পথে আসছিল। সে আমাকে ঠিকঠাক পথ দেখিয়ে নিয়ে এল।

    কথাটি শুনে রামকৃষ্ণ অবাক। কী যেন ভেবে নিয়ে বলল, তুমি ওর পরিচয় নিয়েছ ও কোথায় থাকে, কী নাম? বাসুদেব সামান্য চিন্তা করে বলল, ওর নামটি বেশ অদ্ভুত—ঝড়ু। ওরা থাকে জোড়া বকুলতলার ওদিকে। এবার রামকৃষ্ণের কপালে ভাঁজ দেখা দিল। তবে কোনো একটি বিষয়ে যেন নিশ্চিন্ত হয়ে বলল, ছেলেটি ঠিক কথাই বলেছে। ওর মায়ের নাম রজনি। ওরা খুব গরিব। ছেলেটি বাসুদেবপুর হাইস্কুলে পড়ত। ওর ভালো নাম স্বপন। ঝড়-জলের রাতে জন্ম হয়েছিল বলে ডাকনাম ঝড়ু।

    বাসুদেব চোখবুজে কী যেন চিন্তা করে বলল, তাইতো তাইতো, মনে হচ্ছে আমি যেন ওকে চিনি।

    রামকৃষ্ণ স্মরণ করিয়ে দেয়, মনে আছে বাসুদেবদা সেবার দ্বারকেশ্বরের বন্যার সময় যখন চারপাশে থইথই জল তখন কলাগাছের ভেলায় চেপে একটি ছেলে জল ও কাদা ভেঙে কতজন মানুষকে জল থেকে ডাঙায় তুলেছিল। সে হল ওই ঝড়ু। এ ছাড়া তুমি নিশ্চয় শুনেছিলে বদ্যিপাড়ার আনন্দীবুড়ি যার নিকট আত্মীয়স্বজন কেউ নেই তার যখন কলেরা হয়েছিল কেউ ওর চিকিৎসার জন্যে এগিয়ে আসেনি। তখন ডাকাবুকো স্বপন ওই আনন্দীবুড়িকে পাঁজা কোলা করে তুলে হেলথসেন্টারে পৌঁছে দিয়েছিল।

    রামকৃষ্ণ এখন স্বপন সম্পর্কে উচ্ছ্বসিত। বলল, ছেলেটার আরও গুণ আছে। পোস্ট অফিসে টাকা তুলে বাড়ি ফেরার পথে স্কুলের রিটায়ার পণ্ডিতমশাই বাণীকণ্ঠবাবুর অনেকগুলি টাকা কোনো ভাবে রাস্তায় পড়ে গিয়েছিল। তিনি খেয়াল করেননি। ভাগ্য ক্রমে টাকাগুলি অন্য কারও নজরে পড়েনি। ওই ছেলেটি টাকাগুলি কুড়িয়ে পেয়ে থানায় জমা দিয়েছিল। পণ্ডিতমশাই পুরোটাকা ফেরত পেয়েছিলেন।

    বাসুদেব এসব শুনে উল্লসিত হয়ে বলল, বাঃ বেশ সমাজসেবী ছেলেতো, এরপর যখন আমার দোকানে আসবে তখন ও রকম পরোপকারী ছেলেকে নিশ্চয় কিছু উপহার দেব তার সাথে বড়ো একটা কেক খাওয়াব।

    গলার স্বর ভারি হয়ে এল রামকৃষ্ণের, বলল, সে সুযোগ হবে না বাসুদেবদা, জঙ্গলের রাস্তায় দেখা তোমার সাইকেল সাথি স্বপন কোনোদিনই তোমার কাছে আসবে না।

    কেন, আসবে না কেন? অবাক হয়ে জানতে চাইল বাসুদেব।

    ইতিমধ্যে কাজের মেয়ে মানদা ওদের কাছে এসেছিল। শুধু শেষের দিকের কয়েকটি কথা শুনে হাউমাউ করে চিৎকার করে উঠল, কী কাণ্ড দ্যাখো, বাবু আমাদের সাইকেল ভূতের পাল্লায় পড়েছিল। ওই ভূতের কথা আমরা শুনেছি। বনের রাস্তায় থাকে।

    ভূত? সে কী কথা। সাইকেল ভূত সত্যি নাকি গো? ওখানে ভূত আছে? সাধাসিধে মায়ারানির চোখ বড়ো বড়ো হয়ে উঠে আতঙ্কে। চোখ-মুখের ভাব বদলে যায়।

    আঃ তুমি চিৎকার করো না ওভাবে। কী সব উলটা-পালটা বক বক করছ সেই থেকে। সাইকেল ভূত আবার কী? মানদার দিকে তাকিয়ে কড়া সুরে ধমকে উঠল বাসুদেব।

    রামকৃষ্ণ কিন্তু ধীর গলায় বলল, মানদা বোধ হয় সবটাই ভুল বলছে না। এর আগে শুনেছি ওই রাস্তায় দু-একজন সময় বিশেষে ওর দেখা পেয়েছে।

    মোটেই না, আমি তোমাদের কথা একফোঁটা বিশ্বাস করি না। নিজের চোখে অমন একজন জলজ্যান্ত ছেলেকে দেখলাম সেটা কি মিথ্যা? বাসুদেব মাথা ঝাঁকিয়ে প্রবলভাবে প্রতিবাদ জানাল।

    তুমি ছেলেটিকে ঠিকই দেখেছ। স্বপন নামের ওই ছেলেটি আজ থেকে দশমাস আগে এক ঝড়জলের রাত্রে সাইকেল চালিয়ে বাড়ি ফিরছিল। কিন্তু জলে ডোবা চোরা গর্তে পড়ে গিয়ে মাথায় দারুণ চোট পেয়েছিল। সেই অবস্থায় কোনোভাবে সে ঘরে ফিরে এসেছিল। তবে তারপর থেকেই শুরু হয়েছিল বেদম জ্বর। ওর চোট লেগেছিল মাথার ভিতরে যা বাইরে থেকে বোঝা যায়নি। এখানকার হেলথসেন্টারে ছেলেটির যথাসাধ্য চিকিৎসা হয়েছিল কিন্তু জ্বরে জ্বরে সাতদিন বেহুঁস থেকে স্বপন মারা গিয়েছিল। গরিব ঘরের ছেলে তাই এনিয়ে কোনো হইচই হয়নি। তোমরাও ওর মৃত্যু সংবাদ জানতে পারোনি। জঙ্গলের রাস্তায় যেখানে তোমার সাথে শেষ দেখা ওই ঝুপসি তেঁতুলগাছের নীচেই ও সাইকেল থেকে গর্তে পড়ে গিয়েছিল।

    ওমা সত্যি সত্যি ভূত! তুমি এতক্ষণ ভূতের সঙ্গে কাটিয়ে এলে? মায়ারানির সারাশরীর ভয়ে ও বিস্ময়ে থরথর করে কেঁপে উঠল।

    কিন্তু অবিচল থাকে বাসুদেব। সে শান্ত স্বরে বলল ভূত! তোমাদের কথায় মেনে নিলাম সে ভূত। কিন্তু তোমাদেরও মানতে হবে সে মানুষের ভালো করে, একজন পরোপকারী ভূত। এতক্ষণ ধরে রামকৃষ্ণের বৃত্তান্ত মন দিয়ে শুনে সে জোর গলায় ভূতের পক্ষে সওয়াল করল।

    স্বামীর মুখের ভাষায় পুরোপুরি বল ভরসা পেল মায়ারানি। মনও বদলে গেল তাড়াতাড়ি। তারপর বাসুদেবের সুরে সুর মিলিয়ে বলল, ঠিক বলেছ তুমি ওতো উপকারী ভূত। এবার চোখেমুখে স্বস্তি ফুটিয়ে নিজের মতো করে বলল, এতদিন ধরে একটা কথা অনেক বার শুনেছি খারাপ লোককে দোষী ঠাউরে ঠাট্টা করে বলা হয় স্বভাব যায় না মলে। এখন দেখেশুনে বুঝতে পারছি কথাটি মন্দ ভালো সব দিক থেকেই কত খাঁটি। যে ভালো মানুষ সে মরণের পরও ভালোই থাকে তার স্বভাব কোনো দিনই বদলায় না।

    কথাগুলি বলতে বলতে স্বপন নামের অজানা ছেলেটি যে অন্ধকারে জলে ডোবা খানাখন্দের রাস্তায় ওর স্বামীকে বিপদ থেকে আগলে আগলে রক্ষা করে সুস্থভাবে ঘরে পৌঁছাতে সাহায্য করেছে সেই চোখে না-দেখা ছেলেটির জন্যে ওর বুক গভীর আবেগে উথলে উঠল। সরল মনের মায়ারানি ভাবল, আহা! কী সোনার টুকরো ছেলে!

    ভাবনার উচ্ছ্বাসে বরাবরের অভ্যাস মতো বুক থেকে বেরিয়ে আসছিল একজন মায়ের মুখের ভাষা, ভালো থেকো, বেঁচেবর্তে থেকো বাবা।

    কিন্তু চকিতে সে হুঁশ ফিরে পেল। বুকের কথাগুলি মুখে এলেও ঠোঁটের মধ্যে আটকে রইল।

    তবে চোখের জল আটকাল না। মায়ারানির গালের উপর গড়িয়ে পড়ল জলের ধারা।

    যা দেখে কাজের মেয়ে মানদা দারুণ অবাক হয়ে গালে হাত দিয়ে নিজের মনেই বিড় বিড় শুরু করল, ওমা এমন কাণ্ড জেবনে দ্যাখিনি। ভূতের জন্যে চোখের জল?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Article২৫টি শ্রেষ্ঠ কিশোর গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
    Next Article ২৫টি রোমাঞ্চকর কল্পবিজ্ঞান – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    অসুখের পরে – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    সাঁতারু ও জলকন্যা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ৫০টি প্রেমের গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দুর সেরা ১০১ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ঘুণপোকা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    বাসস্টপে কেউ নেই – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }