Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ২৫টি নতুন ভূত – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায় এক পাতা গল্প282 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ভুল হয় না ভূতের – বলরাম বসাক

    এক যে ছিল মাস্টারমশাই। তার ছিল এক ছাত্র। অবশ্যই তাঁর অনেক ছাত্র ছিল, কিন্তু তাদের মধ্যে একটা এমন গুরুতর ছাত্র যে কিনা বড্ড বে…।

    এমনিতেই ছেলেটার নাম বেণুবদন। তার ওপর তার সঙ্গে জুড়ে যায় অনেকগুলো বে… বেয়াদব, বেয়াড়া, বেচারা, বেহায়া, বেপরোয়া, বেভুলু, বেঢপ, বেশরম, বেখাপ্পা…।

    আর তার মাস্টারমশাই-এর নাম ভীষণ ভৈরব ভট্টাচার্য। তার সবই ‘ভ’ দিয়ে—ভয়ানক স্যার। কখনো বা ভস্মলোচন স্যার। কখন? যখন তাঁর দেখা পরীক্ষার খাতায় কেউ যদি গোল্লা পায়, তখন সেই গোল্লা পাওয়া ছাত্রটি তাঁর চোখের সামনে দাঁড়াতে পারে না। বিলকুল ভস্ম হয়ে যাবে। শোনা গেছে, অনেক মা-বাবাই তাঁদের ছেলে গোল্লা পাবার মতো পরীক্ষা দিয়েছে টের পেলে পড়ি-মরি করে ছুটে এসে ভস্মলোচন স্যারের পায়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন। বলেন ‘ক্ষমা করে দিন স্যার, আর ভুল হবে না স্যার, আমাদের ছেলে নেক্সট পরীক্ষায় কমসে কম ‘এক’ তো পাবেই—কথা দিচ্ছি আর গোল্লায় যাবে না…।’ এ ছাড়া তাঁর আরেকটা নাম ‘ভল্লধর’ (কারণ তিনি যে বেত হাতে নিয়ে সারা ইস্কুল ওপর-নীচ করে বেড়ান, সেই বেতটা কোথাও মোটা কোথাও লিকলিকে সরু, ওপরটা ছুঁচোলো, দেখতে নাকি ভল্ল মতন ছেলেদের চোখে, যারা তাঁকে ‘ভল্লধর’ খেতাব দিয়েছে।)

    যাই হোক, বর্তমানে ইস্কুল প্রতিদিনের মতোই কলকল খলখল করে চলছে। কেবলমাত্র বেণুবদনদের ক্লাসঘরে কোনো আওয়াজ নেই।

    সেখানে ভীষ্মভৈরববাবু চোখ পাকিয়ে প্রত্যেকটি ছেলের দিকে তাকাচ্ছেন। এই মুহূর্তে তাঁর ভস্মলোচন নামটাই মজবুত কারণ ওনার দেখা পরীক্ষার খাতাগুলো উনি জুল-জুল চোখো ছাত্রদের সামনে হাজির করেছেন। বেণুবদন ছাড়া প্রত্যেকেই ‘4’, ‘3’ ’10’, ‘7’, ‘5’ ইত্যাদি নম্বর পেয়েছে। বেণুবদন শুধু পেয়েছে ‘1’। ভাগ্যিস জিরো কেউ পায়নি, পেলে কে জানে বাবা তাকে হয়তো সত্যি সত্যি ভস্ম হয়ে যেতে হত। বেণু অল্পের জন্যে বেঁচে গেছে। বেণু ‘1’ পেয়েছে কারণ পরীক্ষার খাতায় উত্তরগুলো লিখতে সে মোট চারশো বারোটা শব্দ লিখেছে, তার মধ্যে চারশো এগারোটা শব্দের বানান ভুল। একটা শব্দের বানান সঠিক হওয়াতে দয়ালু ভস্মলোচন স্যার তাকে ‘1’ নম্বর দিয়েছেন। দিলেও খুশি হননি। বিপুল সংখ্যক বানান ভুলের জন্যে বেণুবদনকে শাস্তিস্বরূপ পেতে হবে চারশো এগারোটা বেত্রাঘাত ( ভল্লাঘাত)। উরে বাপরে। ওটা পেতে হবে বুঝতে পেরে বেণুবদন ক্লাস থেকে দে চম্পট।

    পালাবে কোথায়? চম্পট দিলেই হল? ভস্মলোচন স্যার, থুড়ি, এবারে আর ভস্মলোচন নামটা ব্যবহার না-করে বলা যাক ভল্লধর স্যার ‘ভল্ল’ হাতে দাঁত-মুখ খিঁচিয়ে বেণুবদনের পেছন পেছন ছুট লাগালেন।

    বেণুবদন পাঁই পাঁই করে ছুটে ইস্কুলের নীচতলা থেকে দোতলা, দোতলা থেকে তিনতলা, থেকে চারতলায়, ছাদে উঠল।

    চারতলার ছাদে একটি মাত্র ঘর। সবসময় খালি পড়ে থাকে। জানালাগুলো বন্ধ থাকে একটা মাত্র দরজা ভেজানো থাকে। ও ঘরে কেউ আসে না। উঁচুতলার এই খালি ঘরটাকে চামচিকে-ভূত, পেচকিনী-পেতনি, গিটার বাদক গুঁফো ভূত, সূচনখা শাঁকচুন্নি, বংশীবাদক নেকো ভূত, বেঁটেমোটা ঢাকি ভূত, কলসি ভূত, গামবুট-ভূত, ঝুল ঝাড়ু-পেতনি, সব্বাই মিলে তখন এক থঁড়ি ‘ইসপিশাঁল সাঁইজ’ ভূতুড়ে পানতুয়া নিয়ে বসে ছিল। আর সব্বাই মিলে ভূজ্জাতীয় (ভূত + জাতীয়) সংগীত সমবেত কণ্ঠে ফিসফিসিয়ে গাওয়ার মহড়া চালাছিল। কণ্ঠস্বর অতিমিষ্টি রাখার জন্যে একটি করে পানতুয়া কোঁৎ করে গিলছিল। মিষ্টি-মিহি-চিঁচিঁ-স্বরে ফিসফিসিয়ে এই গানের মহড়া চালাতে হচ্ছিল কারণ এ যে দিঁবাকাঁল—চোঁপ ইঁসকুল চোঁলছে’। ‘নিশাঁকাল’ হলে গলা ছেড়ে দাপিয়ে মহড়া হত।

    চারতলার ছাদের এই একমাত্র ঘরটাতে বেঞ্চি-টেঞ্চি আছে কয়েকটা, ব্ল্যাকবোর্ডও একটা ঝুলছে দেয়ালে। কিন্তু ভূতের ঘর বলে কেউ এ ঘরে ক্লাস করতে চায় না। তবে মাঝে মাঝে অভিযান হয় মাস্টারমশাইদের। ‘দেখিতো কেমন ভূত’ বলে তাঁরা একটা ছেঁড়া রামায়ণ হাতে নিয়ে ঘরে ঢোকেন। তাঁদের পেছনে পেছন বুক দুরু দুরু ছাত্রদলও ঢোকে। হাতে থাকে বেত, ডাস্টার, টিনের স্কেল, ইস্পাতের স্কেল, ইস্পাতের এল স্কেল। ছেঁড়া রামায়ণটাকে ঢাল করে সামনে ধরে অস্ত্রধর স্যাররা বেতগুলোকে শূন্যে সপাং সপাং করে চালাতে থাকেন, প্রচণ্ড জোরে ডাস্টার ঠুকতে থাকেন বেঞ্চিতে, উঁচু ক্লাসের ‘বীর’ ছাত্রেরা টিনের স্কেল, ইস্পাতের স্কেল তলোয়ারের মতো শূন্যে এদিক-ওদিক ঘোরাতে থাকে। ভূত-পেতনিরা অবশ্য তখন কেউই ভেতরে থাকে না। ওরা ঘরটাতে ঢুকবার আগেই কেটে পড়ে।

    যাইহোক, আজ এই মুহূর্তে বেণুবদন ছুটতে ছুটতে ওই ঘরেই দরজা ঠেলে ঢুকে পড়েছে। তাকে ঢুকতে দেখে ‘ভূজ্জাতীয়’ সংগীত গানের মহড়ায় রত ভূত-পেতনি-শাঁকচুন্নিরা আঁৎকে উঠেছিল। মনে করেছিল ‘জ্যান্ত’রা ভূত তাড়ানোর অভিযান করতে ভেতরে ঢুকছে। তখন সবকটা ভূত-পেতনি-শাঁকচুন্নি দরজা দিয়ে পালাতে চাইছিল। কিন্তু দরজায় ‘ভল্ল’ হাতে ভল্লধর স্যার—ওঁরে বাঁপুরে বলে তারা তাড়াতাড়ি যার যার শরীর খুদে টিকটিকির ছানার মতো করে ফেলল, কেউ কেউ মাকড়সারূপ ধারণ করল। তারপর দেয়াল বেয়ে ওপরে উঠে ভেন্টিলেটার গলে পালাতে লাগল। তখন ভেন্টিলেটারে ট্রাফিক জ্যামের মতো ভৌতিক জ্যাম হয়ে গেছিল। তাই কলসি-ভূত পালাতে পারেনি। তখন সে কী করে ? একটা বেঞ্চির ওপর দাঁড়ায়, এবং দ্রুতগতিতে বেণুবদনের রূপ ধারণ করে ফেলে। কারণ ও ভেবেছে বেণুবদনরা ভল্লস্যারকে নিয়ে ভূত তাড়াতে এসেছে। ওরা তো জ্যান্ত মানুষকে পেটাবে না, ভূত পেটাবে। তাই সে খুউব বুদ্ধি করে তক্ষুনি বেণুবদনের রূপ ধারণ করেছিল। করে যে কী ভুল করেছিল—ওহ।

    যা ঘটল…! ঘরের দরজা বন্ধ করে ভীষণভৈরব ওরফে ভস্মলোচন ওরফে ভল্লধরবাবু বেঞ্চির ওপর দাঁড়ানো বেণুবদন-রূপ ধরা কলসি ভূতকে হুমম হুমম চোখ গুড়ুম করে বললেন ‘ইবার, ইবার যাবি কুথায়…’ বলেই সঙ্গে সঙ্গে ‘ভল্ল’-টাইপ বেত চালিয়ে গেলেন বেধড়ক। কলসি ভূতকে বেদম পিটিয়ে দিতে দিতে বললেন ‘তুই আমার পরীক্ষার খাতায় বানান ভুল লিখিস অ্যাঁ… একটি দুটি নয় অ্যাত্তো অ্যাত্তো বানান ভুল, অ্যাঁ বানান ভুলের সুনামি …. যত বানান ভুল করেছিস তত ঘা বেত তোকে খেতেই হবে।…’

    কলসি ভূত পিটুনি খেতে খেতে মিনমিন করে বলেছিল, ‘আঁমি বেঁণুবঁদন নঁই স্যাঁর….। আঁমাকে ছেঁড়ে দিঁন স্যাঁর…।’ এমন খিনখিন গলার স্বর তার ওপর চন্দ্রবিন্দু বসানো—যে ভীষ্মস্যারের কানে কথাগুলো ঠিক ঠাক প্রবেশ করেনি। ওইরকম মিহি কণ্ঠস্বরে সে বলে চলছিল ভূতের কক্ষনো বানান ভুল হয় না। মানুষ মাত্রেরই ভুল হয়। আসলে বেণুবদন তো মানুষের ছানা। সে করেছে বানান ভুল। আর মার খেতে হচ্ছে তার মতো কলসি ভূতকে। ‘ভেঁউ ভেঁউ—ওই গঁদা নাঁকি ভঁল্ল দিয়ে-উঁরে বাঁপুরে-ভেঁউ ভেঁউ ভেঁউ …অঁত বেঁতপিঁটুনি খেঁলে স্যাঁর কঁলসি ভেঁঙে যাঁবে। ত্যাঁখন যেঁ মোঁর নাঁম ভাঁঙা কঁলসি ভূঁত হঁয়ে যাঁবেন স্যাঁর… সেঁ বঁড়ো বিঁচ্ছিরি নাঁম-ভেঁউ ভেঁউ ভেঁউ।’ কাঁদতে কাঁদতে কলসি-ভূত কথা দিল যে সে এবার থেকে বেণুবদনের মাথায় ভর করে বসবে। এবং দেখবে পরীক্ষার সময়—ওর বাংলা বানান কিছুতেই যেন ভুল না-হয়—ভুল করে ফেললে কলসি ভূত নিজে সংশোধন করে দেবে… ‘ভেঁউ… ভেঁউ… ভেঁউ। করতে করতে কলসি ভূত ওপরে তাকাল। দেখল ভেন্টিলেটারে ভৌতিক জ্যাম শেষ হয়ে গেছে। তাই সে তাড়াতাড়ি ভিমরুল রূপ ধারণ করে ভেন্টিলেটার দিয়ে ভোঁ করে বেরিয়ে গেল।

    ওদিকে চোখ বুজে ভীষ্মবাবু বেত পেটানোর ঘোরে দেয়াল পেটাচ্ছেন। টেবিল পেটাচ্ছেন। হাইবেঞ্চি পেটাচ্ছেন। বন্ধ দরজা পেটাচ্ছেন। পরে খেয়াল হল—আরে কাকে পেটাচ্ছি।—কই—? বেণুবদনতো নেই। পালাল কোনদিক দিয়ে? দরজা জানালাতো বন্ধ।

    বেণুবদন, স্যারের ঢুকবার কয়েক সেকেন্ড আগেই ভূতদের পানতুয়ার হাঁড়িটা বগলদাবা করে বেঞ্চির তলা গলিয়ে হামাগুড়ি দিয়ে চম্পট দিয়েছিল। ‘ভল্ল’ হাতে স্যার ততক্ষণে দরজার সামনে এসে পড়েছিলেন, দেখে বেণুবদন স্যারের পেছনে চলে গিয়ে ছুট লাগিয়ে দিল। আর স্যারও বেত লাগানোর ঘোরে কিচ্ছুটি খেয়াল না-করে ঘরে ঢুকেই বেঞ্চির ওপর দাঁড়ানো বেণুবদনকে (যে কিনা আসলে কলসি ভূত) দেখতে পেয়ে দরজাটা দড়াম করে বন্ধ করে দিয়েছিলেন। তারপর বেণুবদনরূপ ধরা কলসি ভূত যা পিটুনি খেল। ভেন্টিলেটার দিয়ে বেরিয়ে কলসি ভূত পিঠ বেঁকিয়ে কোমর বেঁকিয়ে আঁহ ওঁহ আওয়াজ করতে করতে তেঁতুলতলার বাসায় ফিরল। তারপর পিঠে কোমরে পায়ে হাতে বিচুটি পাতার তেলমালিশ করতে বসল। মালিশ করতে সাহায্য করল বেঁটেমোটা ঢাকি ভূত। হাতপাখা-পেতনি হাওয়া করতে বসে গেল। উঁহ ইহঁ করতে করতে হঠাৎ মনে পড়ে গেল—সে যে বেণুবদনের স্যারকে কথা দিয়ে এসেছে।

    ভূতেরা কথা দিলে কথা রাখে। নইলে ভূতের বাবা চরখিডিগবাজি শাস্তি দেন। চরখির মতো বনবন ঘুরপাক খাওয়া ডিগবাজি কমসে কম দশহাজার বার। কাজ নেই কলসি ভূত ভাবল। তার চেয়ে কথা রাখা ভালো। বেণুবদনের মাথায় ঢুকে, ওর মাথায় ভর করে পরীক্ষার সময় ওর বানান ভুল শুদ্ধ করে দিতে হবে—এ যে কথা দিয়ে ফেলেছে কলসি ভূত ভীষ্মভৈরব বাবুকে। এবারে কথা রাখার প্রথম ধাপ হচ্ছে কলসি ভূত বেণুবদনের মাথায় ঢুকবে। কী করে ঢুকবে?

    মাঝরাতে ঘুম ভেঙে যায় বেণুবদনের…। চোখ পাকিয়ে তাকিয়ে দেখে একটা ইয়া লম্বা ছায়া, যার বুক নেই, গলা থেকেই শুরু হয়ে গেছে ইয়া গোল পেট—যেন একটা কলসি—তার ওপর এইটুকুন মাথা, বড়ো বড়ো কান, লালবাতি চোখ—দাঁতকিড়িমিড়ি হেসে বলল, ”বঁৎসো বেঁণুবদন, ভঁয় পেওনা ভঁয় পেওনা। আমি তোমায় মারব না। শুধু আমার হাতে এই ছেনি, আর ওই হাতে হাতুড়ি মেরে ছেনির ঘায়ে আমি তোমার মস্তক ফুটো করিব। সেই ফুটো দিয়া আমি তোমার মস্তকে প্রবেশ করিব। করিয়া তোমার বানান ভুল…।” সঙ্গে সঙ্গে বেণুবদনের কী জোরে গলাফাটানো চিৎকার—কলসি ভূতকে পুরো বলতে দিল না। তার আগেই প্রচণ্ড জোরে হাঁউমাঁউ চেঁচামেচি করে ধড়মড় করে উঠে বসল বেণুবদন। আর বাড়িশুদ্ধু লোক দাদু-বাবা-মা-দিদি-দাদা সব ছুটে এল।

    ‘কী হয়েছে…কী হয়েছে…!’

    ‘একটা ভূত। বলে কি মাথায় ছেনি বসিয়ে হাতুড়ি ঠুকে মাথা ফুটো করবে…অ্যাঁ-অ্যাঁ।’ কেঁদে ফেলল বেণুবদন।

    ‘কোথায় ভূত?’ সবাই সারা ঘর-দালান-বারান্দায় খুঁজে দেখল। বেণুবদনের দিদি বলল ‘যাহ-একটা বাজে স্বপ্ন দেখেছিস…।’

    বেণুবদনের মাথায় ঢোকা হল না। কিন্তু ঢুকতেই হবে যে। কথাতো রাখতে হবে কলসি ভূতকে। হাতুড়ি ছেনি ফেলে দিয়ে সফেদাগাছের ডালে পা ঝুলিয়ে বসে, সফেদা পেড়ে, তারপর সফেদার শাঁস খামচে খামচে ফেলে দিয়ে, তার বিচিগুলো কড়মড় করে চিবিয়ে ভাবতে লাগল। তার পাশে বসে বেঁটেমোটা ঢাকি ভূতও ওইরকম করে সফেদার বিচি চিবুচ্ছিল। সে বলল,’ ‘অ্যাক কাজ করো। বেণুটা নিশ্চয় ভূতের অত বড়ো বড়ো পানতুয়া খেয়েছে।’

    ‘তা খেয়েছে।’

    ‘তবে ওর মুখের হাঁ বড়ো হয়ে গেছে। যখন দেখবি হাঁ করে ঘুমোচ্ছে, তখন তুই তোর বডির সাইজটা পানতুয়ার মতন করে ফেলে ওর হাঁ-এর ভেতরে ঢুকবি।’

    ‘বেশ তো না-হয় ঢুকলাম। সোজা পেটের ভেতর চলে গেলাম…।’

    ‘খবরদার না। পেটে গেলে তোকে হজম করে ফেলবে। অত্তোগুলো পানতুয়া হজম করে ফেলল ছোঁড়াটা—তাও কিনা ভূতের পানতুয়া। তুই ওর গলা পর্যন্ত ঢুকবি, তারপর তোর বডিটাকে সেদ্ধ চাউমিনের মতো সরু লম্বা করে ফেলবি। ফেলে ওর শরীরের ভেতরে শিরা ধমনির লাইন ধরে মাথার ভেতরে ঢুকে পড়বি…।’

    যাইহোক পরীক্ষা এলে বেণুবদন টের পেল মাথাটা কী ঝাঁ-ঝাঁ করছে। করুক পরীক্ষায় তো বসতেই হবে। পরীক্ষার খাতায় উত্তর লিখতে লিখতে ঘুম পাচ্ছিল। মাথা ঝাঁকিয়ে ঝাঁকিয়ে লিখতে হচ্ছিল। পরীক্ষা-শেষে বাড়ি গিয়ে শুয়ে পড়ল। একেবারে ঘুমে বেহুঁশ। হাঁ করে নাক ডাকা শুরু করে দিল। হাঁ-থেকে একটু পরে বেরিয়ে এল গোল পানতুয়ার মতন কলসি ভূত। হাঁ কথা রাখা হয়ে গেছে।

    হ্যাঁ সত্যি সত্যি কথা রেখেছে কলসি ভূত। পরীক্ষার খাতায় বেণুবদনের একটা বানানও ভুল হতে দেয়নি। প্রত্যেকটা বানান শুদ্ধ। যেখানে ‘স’ বসাবার কথা সেখানে ‘শ’ বা ‘ষ’ বসানো হয়নি। ‘স’ ই বসানো হয়েছে। ‘ণ’ লিখবার কথা যে শব্দে সেখানে ‘ণ’ লেখা হয়েছে ‘ন’ নয়। কিন্তু তবু ভস্মলোচন স্যার খাতা দেখবার সময় কিন্তু-কিন্তু করে উঠলেন। সবগুলো বানানেই শব্দের মাথায় চন্দ্রবিন্দু বসানো। এ যে ভূতের ভাষায় বিশুদ্ধ বানান—চন্দ্রবিন্দু লাগানো। এ্যহ্ এ যে প্রত্যেকটা শব্দে চন্দ্রবিন্দু। বসিয়ে দেবেন নাকি জিরো’?

    নাহ। ‘জিরো’ বসাতে পারলেন না ভস্মলোচন ওরফে ভীষ্মভৈরববাবু—কারণ পুরো লেখা খাতায় যতটা শব্দ আছে তার মধ্যে কিছু শব্দের বানানতো উচ্চারণে ভূতের আর মানুষের একই—যেমন ইঁদুর, চাঁদ, কাঁধ, ঝাঁপ, পঁচিশ, দাঁত… এমন করে গোটা ছাব্বিশ শব্দ পাওয়া গেল বেণুবদনের খাতায়—যেগুলো ভূতে যা লেখে মানুষেও তাই লেখে। অগত্যা বেণুবদনকে নম্বর দিতেই হবে—দিয়ে দিলেন ভীষ্মভৈরববাবু ছাব্বিশ নম্বর দরাজ হাতে।

    আহা কী আনন্দ বেণুবদনের…।

    আর কী আনন্দ ভূত-পেতনি শাঁকচুন্নির—কলসি ভূত কথা রেখে দারুন ‘ছাঁকছেঁচফুল। সব ভূত-পেতনিরা আনন্দে ডগমগ হয়ে ইস্কুলের ছাদে নাচতে শুরু করে দিয়েছে…. হৈঁ হৈঁ হঁল্লা হঁল্লা রৈঁ রৈঁ রৈঁরাঁ-রা রাঁ-রা’ নাচের মধ্যে ধাক্কা খেয়ে নীচে দড়াম করে পড়ে গেল কলসি ভূত—চুঁক চুঁক চুঁক। পড়ে গিয়ে না মাথা ফাটেনি কোমরও ভাঙেনি (ভূতদের ওসব ভাঙেটাঙে না), শুধু কলসি ভূতের কলসি ভেঙে গেল—এঁ হেঁ হেঁ। গা ঝাড়া দিয়ে উঠে দাঁড়ায় ভাঙা কলসি ভূত। নামটাও যে হয়ে গেল ‘ভাঙা কলসি ভূত’—ইঁস্সস…।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Article২৫টি শ্রেষ্ঠ কিশোর গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
    Next Article ২৫টি রোমাঞ্চকর কল্পবিজ্ঞান – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    অসুখের পরে – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    সাঁতারু ও জলকন্যা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ৫০টি প্রেমের গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দুর সেরা ১০১ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ঘুণপোকা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    বাসস্টপে কেউ নেই – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }