Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ২৫টি নতুন ভূত – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায় এক পাতা গল্প282 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শেষ বংশধর – শ্যামল দত্তচৌধুরী

    প্রথম রাতেই টের পেয়েছিল অনির্বাণ। টিমটিমে আলোয় সে তার সারাদিনের অভিজ্ঞতা মাকে লিখতে বসেছিল। অবনীকাকা নাতনির হোমটাস্কের খাতা থেকে কয়েকটা পাতা ছিঁড়ে ওকে দিয়েছেন। এক-একটা পাতায় লিখছে আর পাশে সরিয়ে রাখছে অনির্বাণ। আজ সকালে এখানে পৌঁছোবার পর থেকে অনেক ঘটনা ঘটে গেছে।

    বেশ গুমোট আবহাওয়া। জানলাগুলো খোলা থাকলেও বাইরের গাছপালাতে নিশ্বাস-প্রশ্বাসের হাওয়া নেই। অথচ এই অবস্থায় হঠাৎ অনির্বাণের কাগজগুলো ঘরের মধ্যে উড়ে বেড়াতে লাগল। ওর মাথার উপরে, এদিকে-ওদিকে কাগজ ভেসে বেড়াচ্ছে। এই প্রক্রিয়ার কোনও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা খুঁজে পেল না পদার্থবিদ্যার ছাত্র অনির্বাণ।

    গ্রামে অনির্বাণদের পিতৃপুরুষের ভিটে প্রায় ধবংস হতে বসেছে। সে মার কাছে শুনেছে যে, একসময় নাকি বিশ মাইলের মধ্যে ওদের মতো পাকাবাড়ি আর একটাও ছিল না।

    নরোত্তম রায় ছিলেন এই অঞ্চলে সেকালের এক ডাকসাইটে প্রতাপশালী জমিদার। বারান্দার শেষপ্রান্তে নরোত্তম রায়ের এক অয়েল পেন্টিং আজ দেখেছে অরিন্দম। ধূলিমলিন, মাকড়সার জালে প্রায় অদৃশ্য। তবু বোঝা যায় তামাটে চওড়া মুখ, ঘাড়েগর্দানে দশাসই চেহারা কুস্তিগীরের মতো। ক্রোধী চোখদুটো ছবিতেও যেন ঠিকরে বেরোচ্ছে। পূর্বপুরুষের জমিজিরেত চাষবাস ছিল, কিন্তু নিন্দুকেরা বলত তাদের প্রকৃত উপার্জনের উপায় ছিল ডাকাতি।

    সাধারণত তারা নিজেরা ডাকাতি করতে বেরোতেন না। একদল বিশ্বস্ত লেঠেলকে পাঠানো হত, যারা জান দেবে তবু মুখ ফুটে কর্তার বিরুদ্ধে রা কাড়বে না। লেঠেলরা ছিপ নৌকায় চড়ে কিংবা পায়ে রণ-পা বেঁধে দূরদূরান্তরের গ্রামে গিয়ে নৃশংস ডাকাতি করে আসত।

    শোনা যায়, নরোত্তম রায় নাকি কখনও-সখনও স্বয়ং যেতেন ডাকাতি করতে এবং কোনো কোনো সময়ে তাঁর হিংস্র আচরণ লেঠেল ডাকাতদের বুকেও ভয় ধরিয়ে দিত। লোকে বলে কোনো এক বিধবা নারীর চার ছেলে-মেয়েকে হত্যা করার অভিশাপে নাকি নরোত্তম রায় নিজেও নির্বংশ হয়ে যাবেন।

    নরোত্তম রায়ের ছিল সাত ছেলে, তারা সাবালক হয়ে ওঠার আগে একে একে মারা গিয়েছিল। তিনি কেবল ছোটো ছেলে সুরেশ্বরের বিয়ে দিতে পেরেছিলেন।

    মৃত্যুর আগে সুরেশ্বর দুটি সন্তানের জনক হয়েছিলেন। ছেলের নাম মনোহর, মেয়ের নাম ভাগীরথী। বালক বয়স থেকেই মনোহর শান্তশিষ্ট স্বভাবের। লেখাপড়ায় আগ্রহ ছিল তাঁর। প্রজাদের দুঃখদুর্দশার সময় তাদের পাশে গিয়ে দাঁড়াতেন। কিন্তু ভাগীরথী একেবারে ভিন্ন প্রকৃতির। সে ছিল দুরন্ত, ডানপিটে, নিষ্ঠুর। ওই কিশোরী বয়সেই তার স্বভাবের হিংস্রতা প্রজাদের সন্ত্রস্ত করে তুলত। একবার একটা বিড়ালছানা রাত্রিবেলা কেঁদে কেঁদে বাড়ির কাউকে ঘুমোতে দেয়নি। কনকনে শীতের রাত। সকালের আলো ফুটতেই ভাগীরথী খিড়কির বাইরে ছাইয়ের গাদা থেকে বিড়ালছানাটাকে তুলে ছুড়ে ফেলে দিয়েছিল পুকুরের মাঝখানে। বাড়ির দাসী-চাকররা ওকে যমের মতো ডরাত।

    ঠাকুরদা নরোত্তমের স্নেহ বাপ-মা মরা নাতনি ভাগীরথীর উপর গভীরভাবে নেমে এসেছিল। নিরীহ মনোহরকে তিনি খুব একটা আমল দিতেন না। হয়তো ভাগীরথীর স্বভাবে নরোত্তম নিজের প্রতিচ্ছবি দেখতে পেয়েছিলেন।

    কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, বৃদ্ধ নরোত্তম মৃত্যুর কিছুকাল আগে আইনের মাধ্যমে প্রিয় নাতনি ভাগীরথীকে ত্যাগ করেছিলেন। বিশেষ আদেশ দিয়ে তাঁর জমিদারির ত্রিসীমানায় ভাগীরথীর প্রবেশ নিষিদ্ধ করে দিয়েছিলেন, এর কারণ কেউ জানে না।

    লোকমুখে শোনা যায়, শ্মশানের ভবানী মন্দিরে তখন ভাগীরথী তন্ত্রসাধনা করত। কে যেন দেখেছিল, ঘোর নিশিরাতে জটাধারিণী এক ভৈরবী একলা হেঁটে হেঁটে প্রান্তর পার হয়ে চলে যাচ্ছে। তার কয়েকদিনের মধ্যেই অসুস্থ নরোত্তম রায়ের মৃত্যু হয়েছিল।

    মনোহর রায়ের পুত্র সুদর্শন এই এলাকায় প্রথম প্রাইমারি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। রায়বংশের পুরুষ স্বল্পায়ু। সুদর্শন রায়ও বেশিদিন বাঁচেননি। ইনি অনির্বাণের পিতা। দু-বছরের ছেলে অনির্বাণকে নিয়ে তার মা চলে আসেন মামাদের কাছে মথুরাপুরে। আদি গ্রামের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যায়। অনির্বাণ মেধাবী ছাত্র। আগাগোড়া পরীক্ষায় ভালো ফল দেখিয়ে সে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিদ্যায় মাস্টার্স করেছিল। এখন রিসার্চ করছে।

    ওদিকে সুদর্শন রায়ের মৃত্যুর পরে দেশের বাড়ি দেখাশোনার অভাবে অবহেলায় ভেঙে পড়ছিল। রায়বাড়ির নায়েব অবনীকাকা চিঠিপত্রে যোগাযোগ রাখতেন অনির্বাণের মায়ের সঙ্গে। অবনীকাকার সনির্বন্ধ অনুরোধে এত বছর পরে মা অনির্বাণকে পাঠিয়েছেন ওই বসতবাড়ির আর জমিজমার একটা আইনসম্মত বিলিব্যবস্থা করার জন্য।

    সকালে নদীর ঘাটে নামতেই কাদায় পা ডুবে গিয়েছিল অনির্বাণের। ধানখেতের আলে-আলে আধ ঘন্টাটাক হেঁটে শেষে পৌঁছেছে পিতৃপুরুষের গ্রামে। অবনীকাকাকে আগে থেকেই জানানো ছিল। তিনি বৃদ্ধ হয়েছেন, একজন মুনিষ গিয়েছিল অনির্বাণকে পথ চিনিয়ে আনতে। ওদের বাড়ির দরজা খুলিয়ে, একটা ঘর বাসের উপযোগী করে রাখা ছিল। এল মুড়ি আর গুড়। দুপুরের খাওয়া হবে অবনীকাকার বাসায়।

    অনির্বাণের মার প্রশংসায় বৃদ্ধ পঞ্চমুখ। বললেন, তিনি রায়পরিবারের সঙ্গে ষাট বছর জড়িয়ে আছেন কিন্তু কখনও এমন লক্ষ্মীমন্ত ও বুদ্ধিমতী বউ দেখেননি। শুনে অনির্বাণের খুব ভালো লাগল।

    বেলার দিকে বৈষয়িক আলোচনা হল অবনীকাকার সঙ্গে। তারপর রোদ একটু পড়লে ঘুরে দেখা। সন্ধে হওয়ার আগেই কয়েকজন মাতব্বর মতন লোক এল শলাপরামর্শ দিতে। পরদিন পঞ্চায়েত অফিসে যাবে অনির্বাণ। অন্ধকার নামার আগে তারা চলে গেল তড়বড় করে।

    একটা বিদ্যুতের পোল থেকে কারেন্ট টেনেছে ক্লাবঘরে। অনির্বাণ আসছে খবর পেয়ে অবনীকাকা ছেলেদের ধরেকরে রায়বাড়ির একটা ঘরে টিমটিমে বালবের আলোর ব্যবস্থা করে রেখেছিলেন। অবনীকাকার লোক বারান্দায় একটা হারিকেনও জ্বালিয়ে গেছে। বাইরে যেতে দরকার হবে অনির্বাণের।

    আজ সারাদিনে যত তথ্য জোগাড় করেছে অণির্বাণ, তার বিশদ বিবরণ লিখে সে মার কাছে পাঠাবে তাঁর মতামতের জন্য। অবনীকাকার সঙ্গে কথা বলে ঠিক করা আছে। তিনি কাল সকালেই একটা লোককে পাঠাবেন ওই চিঠি সমেত মথুরাপুরে।

    কিন্তু লিখতে বসে এই বিপত্তি। কাগজগুলো হাওয়ায় ভেসে ভেসে উড়ছে, যদিও বিন্দুমাত্র হাওয়া চলাচল করছে না ঘরটায়।

    একটু থমকে গেল অনির্বাণ। এমন অদ্ভুত ঘটনার মানে কী? ভূতুড়ে কাণ্ড! ভূত বলে আবার কিছু আছে নাকি?

    হঠাৎ কে যেন সজোরে ধাক্কা মারল তাকে। তার হাত ধরে টানছে। চেয়ারের হাতল আঁকড়ে ধরল অনির্বাণ, কিছুতেই সে চেয়ার ছেড়ে উঠবে না। কিন্তু কোনোও প্রবল অদৃশ্য শক্তি ওকে টেনেহিঁচড়ে তুলে দিল। তারপর পিঠে ধাক্কা মারতে মারতে বের করে দিল ঘর থেকে। হতভম্ব অনির্বাণ অসহায়ের মতন দাঁড়িয়ে রইল বারান্দায়। তার চোখের সামনে ঘরের দরজাটা দড়াম করে বন্ধ হয়ে গেল। অনির্বাণ ঠেলে দেখল ভিতর থেকে বন্ধ। ঘুটঘুটে অন্ধকারে তার গা শিরশির করে উঠল।

    বারান্দার কোণ থেকে হারিকেনটা তুলে নিভু নিভু শিখা বাড়িয়ে দিল অনির্বাণ। তারপর ঠান্ডা মাথায় ভাবতে বসল এই ঘটনার বুদ্ধিগ্রাহ্য ব্যাখ্যা কী হতে পারে।

    সে আজ গ্রামে ঘুরে বুঝতে পেরেছে অনেকেই তার আবির্ভাব ভালো চোখে দেখছে না। বিষয়সম্পত্তির ভাগবাঁটোয়ারা কোনো কালেই সরল-সোজা ছিল না। এখনও নেই। তবে কি কোনো কায়েমি স্বার্থ কাজ করছে? অনির্বাণকে ভূতের ভয় দেখিয়ে তাড়াতে চাইছে? অবনীকাকা পাকাপোক্ত বিষয়ী মানুষ। তাঁর স্বার্থে কী আঘাত লাগল?

    পরদিন দেখা হলে অবনীকাকাই কথাটা তুললেন—রাতে ভালো ঘুম হয়েছিল তো?

    অনির্বাণ তাঁর মুখের দিকে তীক্ষ্ণ চোখে তাকাল, বলল,—আপনি কি ভাবলেন একলা পোড়োবাড়িতে আমি ভূতের ভয় পাব? ও বাড়িতে ভূতটুত আছে নাকি!

    অবনীকাকা চোখ সরিয়ে নিয়ে বললেন,—তুমি বড়ো হয়ে প্রথম এখানে আসছ, ভেবেছিলাম আমার ভিটেতেই তোমার থাকার ব্যবস্থা করব। কিন্তু তোমরা শহরে লেখাপড়া শেখা ছেলে, আমার বাসায় হয়েতো কষ্ট হত তোমার। তাই শেষে তোমাদের বসতবাটিতেই থাকার বন্দোবস্ত করলাম। রাতের দিকে ওদিকে কেউ সেঁধোয় না তো, তাই এখনও চোর-গুন্ডাদের আস্তানা হয়ে ওঠেনি।

    —ব্যাপারটা আমাকেও খুব অবাক করেছে অবনীকাকা। ওরকম একটা বিশাল বাড়ি শূন্য পড়ে আছে অথচ কেউ জবর দখল করেনি। অ্যান্টিসোশ্যালদের আড্ডা হয়ে ওঠেনি-এর কারণ কী?

    —তোমার বাবা সুদর্শন রায় খুব বিদ্বান মানুষ ছিলেন। এলাকার সকল মানুষ তাঁকে ভক্তিশ্রদ্ধা করত। কিন্তু প্রয়োজনে শাসন করতে পারার ক্ষমতাও ছিল তাঁর। তোমার ঠাকুরদা মনোহর রায় আবার সেই তুলনায় একেবারে নরম-সরম মাটির মানুষ। তিনি জেলেপাড়ায় এক প্রজার ঘরে পড়ে থাকতেন। যেজন্য তাঁর অপযশ রটেছিল। তাঁর আমলেই প্রথম টের পাওয়া যায়, কোনো অশরীরী দুষ্ট আত্মা রায়বাড়িতে বাসা বেঁধেছে। মনোহরের পিতামহ নরোত্তম রায় তখনও বেঁচে। বুড়ো হয়ে ধুঁকছে রোগব্যাধিতে। দু-পা পঙ্গু, শরীরে ঘা। বিছানা ছেড়ে নড়তে পারে না। একদিন দেখা গেল পশ্চিমে বাঁশঝাড়ের ভিতরে তার লাশ পড়ে আছে। তাকে যেন কেউ টেনেহিঁচড়ে বাড়ির বার করে দিয়েছে।

    একটা বড়ো নিঃশ্বাস ফেলে অবনীকাকা বলতে লাগলেন,—তোমাকে আজ বলি বাবা আমার ধারণা মনোহর রায় বাইরে বাইরে রাত কাটাতেন কিছু একটা ভয়ানক ভয়ে। তোমার বাবার আমলেও একই দৌরাত্ম্য চলেছিল। সেই জন্য সুদর্শন রায় বাড়ির পশ্চিম অংশটায় তালা মেরে স্ত্রী-পুত্র নিয়ে চলে আসেন পুবের দিকটায়। অনেক ওঝাবদ্যি এসেছিল কেউ কিছু সুরাহা করতে পারেনি। তারপর তোমার বাবা মারা গেলেন অপঘাতে, তোমার মা শিশুকোলে চলে গেলেন মথুরাপুরে। রায়বাড়ি বন্ধ হয়েই পড়েছিল। মাঝে অবশ্য বদমাশদের আড্ডা হয়ে উঠেছিল। একরাতে তাদের চারটে লাশ পাওয়া যায় মজাপুকুরের কাদায়। মুখেচোখে নিদারুণ ভয়ের চিহ্ন ছিল তাদের।

    অনির্বাণ সেই রাতেও থেকে গেল পিতৃপুরুষের বসতভিটেয়। অবনীকাকার গেঁয়ো গল্প বিশ্বাস হয়নি তার। বাড়িটা ঘিরে কিছু একটা রহস্য নিশ্চয় আছে, কিন্তু তা যে বুদ্ধির অগম্য, অনির্বাণের বিজ্ঞানী মন যে কথা মানতে পারছে না। তবু, পরিবেশের জন্যই হয়তো, একটা গা-ছমছমে ভাব মাঝেমাঝেই চেপে ধরছে।

    ঘরে টিমটিমে বালব জ্বলছে। তবু হারিকেনের আলোটা উসকে দিয়ে টেবিলের উপর রাখল। মাকে লেখা অসমাপ্ত চিঠিটা শেষ করতে হবে। টেবিলে পাতাগুলো পরপর সাজানো, ছোটো একটা পাথর চাপা। অবনীকাকার মুখে শোনা গল্পটাও লিখবে মাকে। কাল সকালে চিঠিটা খামে ভরে পাঠাবে মথুরাপুরে।

    শুতে-শুতে রাত হয়ে গেল। লন্ঠনের আলো একটু কমিয়ে শুয়ে পড়ল অনির্বাণ। হঠাৎ তার মাথার বালিশটা কেউ সড়াৎ করে টেনে নিল। অনির্বাণ অবাক হয়ে দেখল বালিশ তছনছ হয়ে তুষারপাতের মতন তুলো ঝরছে তার গায়ে-মাথায়।

    তড়াক করে বিছানায় উঠে বসল সে। যথাসাধ্য শান্তকণ্ঠে বলল,—তুমি কে? কেন ভয় দেখাবার চেষ্টা করছ? এটা আমার বাড়ি, আমি রায়বাড়ির বংশধর। এখান থেকে আমাকে তাড়াবার অধিকার কারও নেই।

    সাহস করে বলল বটে অনির্বাণ, কিন্তু অনুভব করল তার হৃৎপিণ্ড দ্রুততালে চলছে। সহসা ওর চোখের সামনে টেবিলের পাথরটা সরে গিয়ে একটা করে মাকে লেখা চিঠির পাতা ভাসতে ভাসতে জানালা দিয়ে বেরিয়ে যেতে লাগল। ভয়ের সঙ্গে এবার বেদম রাগ হল তার।

    অনির্বাণ চিৎকার করে বলে উঠল,—তবে রে ! আয় দেখি তোর কত ক্ষমতা, আমাকে বাড়ি থেকে তাড়াবার চেষ্টা? এই আমি প্রতিজ্ঞা করছি, বাড়িঘর সাফ করিয়ে আমি এবার নিজে এখানে বাস করব। দেখি তুই আমার কী করতে পারিস!

    কিছুক্ষণ সব চুপচাপ। কেবল লন্ঠনের শিখা বেয়ে গেল নিজে থেকে। তারপর টেবিলের উপরে কলমটা চলতে শুরু করল। সাদা কাগজে খসখস শব্দে কিছু লিখছে। অনির্বাণ সাহস সঞ্চয় করে কাছে গিয়ে পড়ল আঁকাবাঁকা অক্ষরে লেখা আছে,—আমি ভাগীরথী।

    চমকে উঠল অনির্বাণ। ভাগীরথী? তার ঠাকুরদা মনোহর রায়ের সেই ডানপিটে, নিষ্ঠুর বোন? সে নাকি ত্যাজ্য হওয়ার পরে নিরুদ্দেশ হয়ে গিয়েছিল!

    আজই বিকেলে গ্রামের একজন বৃদ্ধ লোকের কাছে অনির্বাণ শুনেছে, ভাগীরথী গোপনে তন্ত্রসাধনা করত। রায়বাড়ির পশ্চিমদুয়ার পেরিয়ে মজাপুকুরের ধারে বাঁশঝাড় ছাড়িয়ে নদীতীরের শ্মশানে ছিল তাঁর পঞ্চমুণ্ডির আসন। অমাবস্যার রাত্রে সিদ্ধিলাভের আশায় ভবানী মন্দিরে সে শিশু বলি দিত। গাঁয়ের লোকে সন্দেহ করত, কিন্তু নরোত্তম রায়ের ভয়ে ঘটনা থানা-আদালত পর্যন্ত গড়াতে পারেনি।

    ক্রমে নরোত্তম রায়ের কানে গেল কথাটা। তিনি তখন ঘোরতর রোগশয্যায়। খুব রেগে গিয়ে তিনি আদরের নাতনি ভাগীরথীকে উইল বানিয়ে ত্যাজ্য ঘোষণা করেছিলেন। মনোহরকে ডেকে কিছু নির্দেশ দিয়েছিলেন গোপনে। তারপর ভাগীরথীকে কেউ আর চোখে দেখেনি। অবনীকাকা কী আর এসব ঘটনা জানেন না? ইচ্ছে করেই বোধহয় পরিবারের কলঙ্কের কথা অনির্বাণের কাছে চেপে গেছেন।

    আবার কলমটা আঁকাবাঁকা অক্ষরে চলতে শুরু করেছে।

    …এই বাড়ি আমার …দাদু ত্যাগ করেছে…কোথায় যাব… দাদা মনোহর আমাকে পশ্চিমের উঠোনে কুপিয়ে মেরে… পুঁতে রেখেছে গোয়ালঘরে… প্রতিশোধ চাই… রক্ত …রক্ত এ বাড়ি আমার… দাদুর—দাদার… সুদর্শনের রক্তপান করেছি… এবার তোর…

    হঠাৎ অনির্বাণ দেখল লন্ঠনটা তীব্র বেগে তার দিকে ছুটে আসছে। যেন কেউ ছুড়ে মেরেছে জোরে। সে কোনোমতে মাথা বাঁচিয়ে দৌড়ে ঘরের বাইরে পালায়। শুনতে পেল পিছনে লন্ঠনটা দেয়ালে ধাক্কা খেয়ে চুরমার হয়ে গেছে। মশারি তোশক মুহূর্তে জ্বলে উঠল দাউদাউ করে।

    ঊর্ধ্বশ্বাসে অনির্বাণ ছুটতে লাগল গ্রামের লোকবসতির দিকে। ওদিকে ধীরে ধীরে আগুন বাড়তে বাড়তে সম্পূর্ণ বাড়িটাকে গ্রাস করে ফেলল। ছুটতে-ছুটতে অনির্বাণ অনুভব করল একটা মিশকালো ঝোড়ো হাওয়ার স্তম্ভ দ্রুত এসে তাকে ঘিরে ঘুরপাক খাচ্ছে। সেটা অনির্বাণকে প্রান্তরের উপর দিয়ে সবলে টানতে-টানতে নিয়ে চলল শ্মশানের দিকে।

    পরদিন ওকে ভবানী মন্দিরের গর্ভগৃহে খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল। অনির্বাণ তখন বদ্ধ উন্মাদ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Article২৫টি শ্রেষ্ঠ কিশোর গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
    Next Article ২৫টি রোমাঞ্চকর কল্পবিজ্ঞান – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    অসুখের পরে – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    সাঁতারু ও জলকন্যা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ৫০টি প্রেমের গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দুর সেরা ১০১ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ঘুণপোকা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    বাসস্টপে কেউ নেই – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }