Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আবুল হাসান গল্প সংগ্রহ

    লেখক এক পাতা গল্প85 Mins Read0
    ⤷

    তরু

    সবাই বোলবে গাছ। বোলবে গাছ কি? কিন্তু গাছ। গাছের আর একটি নাম আছে বৃক্ষ। অর এক নাম তরু। আমি এই পর্যন্ত গাছের ইতিহাস জানি। আমি গাছকে বহুভাবে দেখেছি। কিন্তু গাছকে গাছ বলি। কেউ বৃক্ষ! কেউ তরু! হঠাৎ মনে হলো আমি ভুল কোরছি। অনেক নাম আছে গাছের অনেক রকম গাছ। পৃথিবীর স্থলভাগের চারিপাশে ভিন্ন ভিন্ন প্রকৃতির গাছ আছে। আমি যেমন একটি মানুষ। কিন্তু অনেক রকম মানুষ আছে। অনেক প্রকৃতিতে বিভক্ত। কেউ গাড়ী চড়তে ভালোবাসে। কেউ কৃষি কাজে মগ্ন। কেউ নেকটাই উড়িয়ে দালালী করে। কেউ ফল বিক্রেতা। আর কেউ ভ্ৰামণিক, যেমন আমি। তোমাকে নওয়াবপুর রেল ক্রসিংএ দেখেছিলাম। তুমি ফলের দোকানের সামনে গিয়ে দাঁড়ালে। কিন্তু আমি আসলে দেখেছিলাম একটি গাছ, গাছের মধ্যে অনেক ধরনের গুণ থাকে। আমার মাত্র সেদিন অপরূপ একটি দৃষ্টিগুণ কাজ করছিল।

    কিন্তু তুমি দেখতে পাওনি। তোমার চুলের কম্পন পর্যন্ত আমি দেখেছিলাম। কিন্তু তুমি বাস্তবে তৎপর ছিলে। সভ্যতায় মগ্ন ছিলে। অনেক লোকোমোটিবের শহরে অনেক দৃষ্টি অনেকের অগোচরে থেকে যায়।

    তোমাকে একবার আমি সেই কবে দেখেছি। মনে নেই। কেবল মনে আছে তুমি সাদা শাড়ী পরেছিলে। চোখে অপর্যপ্ত মায়া, তুমি বোলেছিলে আসুন না।

    একটি দেয়াল ঘেরা বাড়ী। চারদিকে নরোম কলার বাগান। দু একটি আম গাছ। লাল পিঁপড়ের একটি স্তূপ ছিল কোথাও। আমি দেখে ফেলতেই তুমি বোলেছিলে পিঁপড়ে থাকা ভালো জানেন। সংসারের লক্ষ্মীর আভাষ। তখোন আমি চোখ দিয়ে তোমাকে দেখিয়ে দিয়েছিলাম।

    কিন্তু সে অনেক দিনের কথা। একবার বৃষ্টি হলে হয়তো আবার ঠিক মনে পড়তো সব। তুমি তো জানোনা প্রকৃতি মানুষের মনে কী প্রভাব বিস্তার করে। মানুষের শরীরে প্রকৃতির কি পরিমাণ প্রভাব!

    যেমন বহুদিন পরে তুমি আমাকে চিনতে পারবে না। ঠিক বলেছি চিনতে পারবে না। মশারী টানানোর মতো ভঙ্গি করে হয়তো একবার তাকাবে যেমন স্ত্রী শোবার আগে স্বামীর দিকে তাকায়। কিন্তু তুমি আমাকে চিনতে পারবে না। আমি অনেক বদলে গেছি।

    হয়তো তোমার কাছ থেকে নয়। অন্য যে কেউ এখন বলতে পারে, বলবে।

    : আপনি কত বদলে গেছেন।

    : আমি বলবো : প্রকৃতির প্রভাব।

    অন্য কেউ বোলবে, রাখেন প্রকৃতি। প্রকৃতি না ছাই! প্রকৃতি আমরা চিনি! প্রকৃতি হলো আমাদের শরীর।

    শরীর শব্দটা হঠাৎ আমাকে কোথায় নিয়ে যেতে পারে?

    : তুমি শরীর কথাটাকে বাদ দিয়ে এমন নম্র ভাবে বোলতে।

    : আপনি কি ভালোবসেন?

    : আমি বলতাম, আমি শরীর ভালোবাসি।

    : হয়তো এখন তোমাকে চেনা মনে হবে। এ রকম কোরে হয় তো।

    এই চেনার পটভূমি ও একদিন বিকেল বেলা তোমাদের বাড়ীতে গেলাম। তোমার স্বামীর সাথে দেখা। কাগজ পড়ছেন। বিশ্ব লেহন কোরছেন। আমি কাগজের খবরে বিশ্বাসী নই। মিথ্যা কথায় ভরা কাগজে বিশ্বাস স্থাপন করা যায় না। যেমন বিশ্বাস রাখা যায় না সৌহার্দে। কিন্তু তুমি তখোনও বোলবে : অনেক দিন পর এলেন, আসুন।

    : কতদিন?

    : তা তিন বছর!

    : আমি বলি এক হাজার বছর।

    : আমি বলি আমাদের সন্ধির পর তো আমাদের সাথে কারোরই দেখা হয়নি।

    : আপনি মিথ্যে বলেন। কিন্তু মিথ্যা কত সুন্দর। তুমি একথা হয়তো তখন বোলেও বোলবেনা। বোলবে–

    : পরিচয় করিয়ে দেই ইনি জনাব..

    আর ইনি আমার স্বামী।

    আচ্ছা;

    কেমন মিহি ভাবে দিন বদলে যায়। এই সেই দিনের কথা। তোমার কথায় একদিন আমার বাড়ী থেকে চলে এসে আর যাওয়া হলোনা। শূন্য একটি কাঠের বাড়ী। কাঠের দোতলা সিঁড়ি। সেখানে একটি বাস ইস্টিশন আছে। একটি ছোট্ট খাল। দুটি কাঠের পুল। একটি বাজার। একটু এগোলেই সেখানে একটি নামকরা কলেজ। আমি সেখানে থাকি। খুব কোনো একটা অসুবিধা হয়না। পাজামা পরে কলেজে যাই। শার্ট পরে কলেজে যাই। একসঙ্গে অনেকগুলো পোষাক পরে আমাদের উল্লেখযোগ্য জায়গায় কেন যে যেতে হয়। আমার ভিতরে উলঙ্গতা ভালো লাগতো। তোমাকে তখন নিশ্চয় আর ঢেকে রাখা যেতনা। শাড়ী উপরের জিনিষ। আসলে আবরণ হলো মন। তোমাকে তখন একটি দেবীর মতো নগ্ন কোরে নিতাম। সামনে গিয়ে কেন যেন বলে উঠতাম,

    : বিজ্ঞান ক্লাস কয়টায় জানেন?

    : তুমি হেসে বলতে? কেন আমি কি রুটিন?

    : রুটিন ইতো!

    : কিসের?

    আমি হেসে বোলতাম মহাকালের; হয়তো কোনো নাটকীয় হতো বলাটা! কিন্তু তুমি শুনে হাসতে।

    বিকেলের সোনালী চায়ের কাপে সবুজ চায়ের ধোঁয়ার মতো হঠাৎ চোখের কোনায় তোমার বাম্প দেখা দিত। তুমি হাসতে না গুম মেরে থাকতে না কান্না চেপে রাখতে!

    : আপনি কিছু বোঝেন না?

    : কী বিজ্ঞান?

    : ইস্! কি বোলছি! কী বলে!

    : ওহ!

    আমি বুঝে নিতাম ঠিকই। কিন্তু তোমার কথাগুলিই অন্য রকম ছিল। ভালো লাগতো। শুনে নিতাম। তোমার কথাগুলি আমি খুব বেশি ভাবে শুনতে চাইতাম।

    .

    এক একদিন জ্যোৎস্না রাতে হঠাৎ এরকম মনে হতো। যেমন দরোজা জানালা সব খোলা। বাইরে লাল সুরকির রাস্তা। একটি হিন্দু বাড়ীর পাঁচিল। সুন্দর দুটি মেয়ে আছে বাড়ীতে। জ্যোত্সা রাতে সারসের মতো ছাদের উপর উড়তো তাদের শাড়ী। চুল বাধতে তোমার মতো। আমের বোলের গন্ধে আমার রক্ত দেখি ভীষণ অনুভূতিশীল। একদিন তুমি টেবিলের ধুলো মুছতে গিয়ে আঙ্গুল দিয়ে লিখেছিলে?

    অনুভুতি : অনু

    তোমার নাম। তোমাকে হঠাৎ ঠোনা দিয়েছিলাম। এই প্রথম। এরকম কোরে চিবুকে ঠোনা দিয়ে আমি অপ্রস্তুত হয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু স্বাভাবিক ভাবে তাকিয়ে আমাকে হতভম্ব কোরে দিয়েছিলে।

    : তা হলে কী এই?

    : কি?

    আমি কথাটা অন্য ভাবে ঘুরিয়ে নিলাম। বোলতে চেয়েছিলাম অন্য কিছু। বোলোম তুমি ধুলোর অনু?

    : না, রক্তের।

    : আমার রক্ত ভীষণ কালো।

    : আমি কালো জিনিস খুব ভালোবাসি। খু-উ-ব? এমন ভাবে ঘাড় বাকিয়ে বোললে যে হঠাৎ আমার জ্যোত্সার কথা মনে পড়ে গেল।

    তোমাকে কখন কী বলি? তুমি একবার বিকেলে রিকশায় কোথাও যাচ্ছিলে। জেলা শহরে সব দেখা যায়। তা ছাড়া এরকম সুন্দর জায়গায় সৌন্দর্যের আলাদা প্রকরণ। আলাদা ব্যবহার। তোমার সব মনে পড়ে?

    সিঁড়ি দিয়ে নাবছিলে
    তুমি আমার হাত ধরেছিলে।
    আমি তোমাকে কোনো দিন ভুলবোনা
    আমি তোমাকে কোনো দিন ভুলবোনা।
    দেখি দেখি তোমার আঙ্গুল।

    : কেমন?

    : খুব সুন্দর।

    তোমার পা দুটে দেখি।

    তোমার খরগোসের মতো পা। হাতে তুলে নিলাম। তুমি আমার।

    খরগোশ। তুমি আমার শয়তান। হঠাৎ বোলে উঠলে দুষ্টু কোথাকার।

    যাহ! কোনো কিছু তো ঘটেনি। অন্ধকার সিঁড়ি তোমাদের বাড়ীতে কেউ নেই। বাইরে জ্যোৎস্না সারসের গলারমতো ধবধবে এক চিলতে জ্যোৎ উড়ছিল রেলিং এর ধার ঘেসে। তুমি আমাকে বাইরে ইজিচেয়ার এনে দিলে। ঘড়িতে তাকালে। বোললে। সময় কত ছোট্ট। দীর্ঘশ্বাস ছাড়লে। মানুষের সময় এত ছোট্ট এত সংক্ষিপ্ত কেন?

    : আমি উত্তরে কী বোলেছিলাম মনে নেই। তবে তোমাকে বোলেছিলাম। সৌন্দর্য আর সময় এ দুটি ভীষণ প্রতারক! তুমি তখন আমার আঙ্গুল ঝেকে দিয়েছিলে। চলো বাইরে কোথাও যাই। কোথায়? পুকুর ঘাটে। তোমাদের বাড়ীর সুন্দর পুকুর আছে। পাশে আবার কৃষ্ণচূড়ার গাছ। চৈত্রের জ্যোত্স। কৃষ্ণচূড়া গাছের উপর শুয়ে আছে রোদের মতো।

    : তুমি আমাকে একটি ফুল দেখিয়ে দিলে,
    : পরীর বুকের কোন জায়গাটার মতো ঐ ফুলটা?
    : তুমি বুকের কাপড় আঁটসাট কোরলে।
    তৎপর তাকিয়ে বোললে দিন দিন এসব কী হচ্ছে!
    আমি বুঝিনা, না? এই এদিকে এসো তো, দেখি,
    তুমি আমার চিবুক তুলে ধরে হঠাৎ চুমু খেলে ইস দুধের গন্ধ যায়নি! দুষ্ট!

    এখন আমার এ অবস্থা। দুষ্টু, তোমার কথাটা এখন আমার কাছে অন্যরকম। কোনো নির্দোষ শব্দকে আর নির্দোষ ভাবে রাখতে পারিনা। অনেক নারীর সংস্পর্শে এসে এই হয়েছে। তোমার মতো কোথায় পাই। তোমাদের বাড়ীর মতো ওরকম নির্জন বাড়ী পৃথিবীর আর কোথায় আছে? তোমার চিবুকের মতো এমন সুন্দর চিবুক? তোমার পায়ের মতো অমন সুন্দর পা। তুমি খরগোশের চেহারা ভালোবাসতে। তোমাকে আমি একটি কচি খরগোশের বাচ্চা কিনে দিয়েছিলাম। তোমার টেবিল ঘড়ির মতো নীল ডায়ালের তারা দুলছিল আকাশে। তখন তুমি আবার খরগোশটাকে আমার কাছে দিয়ে বোলেছিলে দিলাম প্রত্যুপহার। একে যত্নে রেখো। আবার কী ভাবে না কি ঘটে যায়। যে সাহস! তুমি একে যত্নে রেখো।

    তোমার বুকের কাপড়ে তখোন আমার সারা হাত মুখ ঢেকে গিয়েছিল।

    .

    তুমি আমাকে একবার তোমার এ্যালবাম দেখিয়েছিলে। একটি ছবি আমার খুব ভালো লেগেছিল। যেটাকে তুমি সবুজ বই বাবলার নীচে বাবলা কুড়োচ্ছো। সাদা সাদা কপরা। কপালে লাল টিপ। তোমার হাতগুলি তখোন একটু লাজুক ধরনের ছিল। ফটোতে তাই মনে হলো। তুমি উবু হয়ে আছো। কেবল বয়স হচ্ছে। তার রেশ বেশ স্পষ্ট।

    আমি তোমার ওখানটায় আঙ্গুল রেখে হঠাৎ তোমার বুকের দিকে তাকালাম। হঠাৎ জিভ থেকে বেরিয়ে গেল প্রকৃতির কী শক্তি! সব বদলে দিতে পারে! সব বদলে যায়।

    আমার আঙ্গুল আর উঠছেনা দেখে তুমি আমার আঙ্গুল উঠতে গিয়ে হঠাৎ তোমার ওষ্ঠে আঘাত পেলে ও দস্যু! তুমি কৃত্রিম রোষে ঘড়ি নিয়ে নাড়া চাড়া কোরলে।

    : এরকম তোমার কাছে থাকতে চাই আজীবন! আমি তখোন সবেমাত্র কবিতা পড়া শিখেছি। অনেক দিনের কথা।

    : তুমি আমার হাত উঠিয়ে বোললে, জাহাপনা এবার উঠুন। কেমন হয়ে যায় সব। এমন একদিন আসবে। যখোন আমাদের সবাই এক কোঠায় এসে দাঁড়াবে। তুমি শিমুল গাছকে বোলতে শিউলী। শিউলীকে শিমুল। কারণ জেনেছিলাম কিছুদিন পরে। বোলেছিলে ক্ষণস্থায়ীকে কিছুদিন স্থায়ী করা আমার স্বভাব।

    : আমার তখনো স্বস্তি লেগেছিল।

    কেনা জানে, আমাদের সংসারে ক্ষণস্থায়ী ধর্মী লোকই বেশী?

    .

    একদিন তোমার ওখানে গিয়ে উঠবে আবার। আমাদের তো অনেক দিন কেটে গেল। এখন আর ওসবের বালাই থাকবে কি? কিন্তু থেকে যায়। কাগজে লেখার মতো স্বচ্ছ, অঙ্গারের মতো রক্তে একটা কিছু আমাদের বাস করে। শত বার বয়স আমাদের বাড় ক। পৃথিবীতে আরো নগরের পত্তন হোক। আরো পেশা বৃদ্ধি পাক। আরো চাকুরীজীবীদের ভীড় হোক। টাইপরাইটার। ব্যাঙ্ক। বড় বড় দালান। সভ্যতা। সব কিছুতে ঢেকে দিয়ে যাক পৃথিবী। ভূগর্ভের ভিতর দিয়ে ট্রেন ছুটে যাক। বাড়ী বসত নির্মিত হোক। বোমার বিস্ফোরণ চলুক। বিভিন্ন পরীক্ষা নীরিক্ষা। বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি ।সাহিত্যের নুতন আঙ্গিক। দুঃখ দুর্দশার মোচন উন্মোচন। যতই কিছু হোকনা কেন। যতই আমাদের দেশের মানুষের খাদ্যের রুচি পাল্টে যাক। শন ব্যবস্থা অন্য হোক। একই নিয়মে উঠুক বসুক ছোট থেকে বড় ব্যক্তি। কিন্তু তবু রক্তের কোনো পরিবর্তন হবেনা। রক্তে আমাদের সেই সুন্দর সর্বনাশ থাকবে। মনে পড়বে। যেমন মনে পড়ে যায়। মাঝে মাঝে তুমিও কি মনে করোনা? ধরো সস্প্যান তুলে রাখছো আলমিরায়। মশারী খাটাচ্ছো। সুন্দর সবুজ চাদরে ঢাকা পরিপাটি শয্যা। মিহি পর্দা। ফুটফুটে দিন বাইরে। সকালে একক বরাদুরে বসে তুমি আর তোমার স্বামী চা খাচ্ছো। ফ্লেভারে ভরে উঠছে আঙ্গিনা। দু একটি তামাক পাতার গন্ধ। তোমার স্বামী ভার্জিনিয়া টোবাকো খান। কৌটা ভরা। নিজে সিগ্রেট তৈরী করেন। মাঝে মাঝে পাইপ টানেন। ইনসিওরেন্সের বড় দালাল। অনেক টাকা। তবু রক্তের মধ্যে সুন্দর সর্বনাশ উড়িয়ে নিয়ে যায় নাকি সুন্দর মিহি পর্দা? টেরেলিনের সবুজ শার্ট? সিল্কের মশারী? মাংসের চৌকিতে আমি আজকাল শুয়ে থাকি। সেদিন একজন সদ্য বিবাহিত পুরুষ হঠাৎ বোলে ফেলেছিলেন। তোমার স্বামীটিও কি তাই?

    .

    আমার অযথা সময় নষ্ট। আমি একটি গাছকে গাছ বোলতে গিয়ে হঠাৎ তরু বলে উঠি। বৃক্ষ নয় গাছ নয়, কেবল তরু। মানুষের ভিতর অনেক শুচিবাইগ্রস্থতা থাকে। আমার একম শুচিবাইগ্রস্থতা রয়েছে ছোট বেলা থেকে। মাকে ভালোবাসার প্রয়োজনএদখি সবাই ভালোবাসে। আমার মাকে কোনোদিন ভালোবাসা হয়ে উঠলোনা। পিতাকে খুন করার অবদমিত বাসনা একবার ছিল। এখন ভদ্রলোকের প্রতি আমার দয়া হয়ে গেছে। কারণ আমি তার কোনো উপকারেই এলামনা বোলে।

    .

    একটি পরিবারের কত রকম সমস্যা। তার ছিটে ফোঁটা আমার এক একটি ব্যক্তি সত্তার মধ্যে এখনো বিদ্যমান; মনে আছে তোমার? না হলে শোনো আমার একটি বোন আছে। সুন্দর নিজের বোন বলে নয়। যে কোনো লোকের হলে আমি ঐ কথাই বলতাম। ভালো গলা। হারমোনিয়ামে আষাঢ় শ্রাবণ মানেনাতো মন গেয়েছিল এক শ্রাবণ রাতে। আমি তাকে আমার কাছে আসতে দেইনি আর। সংক্রমিত হয়ে গিয়েছিলাম বলে। সংক্রমন বড় মারাত্মক রোগ। যার দ্বারা সংক্রমিত হয় তাকে আর সহ্য হয়না পরে। সে এখন আরো সুন্দরী হয়ে উঠছে। খবর এসেছে। গ্রামের বাড়ীতে কী পড়াশুনা হয়? দু একটা চিঠিও আমাকে লিখেছে। দরিদ্রের যে অভ্যাস। তাই ও এখন থেকে ধারণ কোরে নিয়েছে। প্রতি চিঠিতে সাংসারিক ফিরিস্তি বর্ণনা। দাদা তোমাকে কত আশা করিয়া.. আমার প্রতি তুমি একবারও ফিরিয়া তাকাওনা। তুমি কি আমার সেই গলার চেনটা বিক্রি করিয়া দিয়াছ? মা তোমার কথা বলিয়া কাঁদেন। তিনি ভীষণ অসুখী হইয়া পড়িয়াছেন। আমাদের সংসারে কত অভাব। দাদা তুমি কি বুঝিয়াও বোঝনা, ইত্যাদি ধরনের লিখন ভর্তি, কয়েকটি পত্র তার, এখনো আমার খয়েরী ডায়েরীতে যথারীতি রক্ষিত আছে। আর আমিও তেমন। কোনো কাজে আমি স্থাপিত নেই আর। কোনো সত্য মিথ্যায়। আমি যে কোনো সময়ে যে কোন প্রকার ঘটনাকেই সত্য বলে মেনে নিয়েছি। মানুষের মনস্তত্ব একে কী বলে আমার জানা নেই। তুমি একবার জ্যোৎস্নায় একটি বিড়াল দেখে হঠাৎ হো হো কোরে হেসে উঠছিলে আমি বোলেছিলাম কী হাসলে ক্যানো?

    তুমি আমার দিকে তাকিয়ে বোলেছিলে এমনি, কিন্তু আমার মনে হয়েছিল তুমি আরো কিছু একটা বোলেও আর বোললেনা। পরে কোনো এক বইয়ে জেনেছিলাম মানসিক অবদমনের কথাটা এবং বিভিন্ন বিভিন্ন জিনিসে মানসিক প্রতিক্রিয়ার কথা। তোমার তখন যৌন বোধ জেগেছিল। তুমি তা লুকিয়ে গিয়েছিলে।

    .

    আমিও অনেক কিছু অমন লুকিয়ে যাই। খামাখাই কোনো কার্যকরণ সূত্র নেই। এমনি। ইচ্ছে হলো। হঠাৎ হয়তো একটি প্রচণ্ড রকমের মিথ্যা কথা বোলে ফেললাম। কোনো মানে হয়না যদিও। তবু অনেক কিছুরই তো মানে হয় না। আমার পরিবারবর্গের দারুণ দারিদ্রের কথা এই যে তোমাকে বোলোম। এর মানে হয়? বন্ধুকে একবার বোলেছিলাম মা অনেক আগে মারা গেছেন। তখন আমার মানসিক প্রতিক্রিয়া হয়নি। কারণ একটি কথা তখনো বার বার মনে এসেছিল, অনুপস্থিতি। এখান থেকে একশো মাইল তার দক্ষিণে একশো মাইল। তারপর পূর্ব পশ্চিমে এগিয়ে একটি নদী। একটি ইস্টিশন। সেখানে লঞ্চ ভেড়ে। সেখান থেকে অল্প কিছু দূর। একটি বাদাম গাছের তলায় একটি কবর। তারপর দু একটি ঘর এগিয়ে একটি সুন্দর স্বপ্নীল ঘর। টিন শেড দেয়া। বাগান চারিদিকে। আমগাছ রয়েছে গোটা কতক। টিউবঅয়েল। ফিলিপস রেডিওতে কোথাকার খবর শোনা যায়। সেখানে হয়তো এ মুহূর্তে মা আয়না দেখছেন। এত বয়সের উত্তরাধিকারিণী। আমার মা। সুন্দরী এখনো। সোনার ঘড়ি সোনার চেন ক্ষয়ে যায় ব্যবহারে। কিন্তু রূপ থেকে যায়। ঘর্ষণে ব্যবহারে ফুরায় না। মা আছেন। তেমন রূপে আর বাকী ঘর্ষণে যা ফুরিয়েছে। এখনো রয়েছে অনেক। তোমার মতোন কোঁকড়া নয় তার চুল। লম্বা। এখনো খোঁপা করলে দু মুঠোয় ভরা যাবে না। তোমার গ্রীবার মতো সাদা গ্রীবা। নাক। আমাকে তো দেখেছ? এরকম চোখ আমার মতো! পা, রং গড়ন আমার মতো। অনেকে বলে মার চেহারা পেলে সন্তান ভাগ্যবান হয়। কথাটা সত্যি। তুমি শুনে হাসবে। কিন্তু কিছু করি না। চাকরী নেই। পড়া ছেড়ে দিলাম। কোনো পার্থিব কার্যে আমার হাত পাকা হলোনা। কিন্তু তাতে কি। আমি কত ভাগ্যবান। তুমি ভেবে দেখোনি। আমি গাছকে কত সুন্দর ভাবে চেয়ে দেখি। একটি ফুল। এক রকম প্রজাতি আছে তাদের ঘ্রাণশক্তি ভীষণ প্রখর। তারা ফুলের গন্ধ চিনে তারপর সেখানে বসে। আমার ইন্দ্রিয়ের শক্তি তেমন প্রজাপতির মতো। আমি কত ভাগ্যবান। আমি তোমার সাথে তোমার নিজস্ব পাপড়িতে ঠিক গন্ধ বর্ণ চিনে বসতে পেরেছিলাম একদিন।

    ঢাকা শহরের আয়তন তুমি জানো? ভূগোলের আয়তন? একটি বৃক্ষের ব্যাস কত? তুমি একবার কাছে এসেছিলে। তোমার কোথায় কোন তিল আছে আমি এখনো বোলে দিতে পারি। তোমার সেই তিলটি কী নরোম আর লাল! আমি বলতাম আমার আর পাথরের অভাব হবে না।

    : কেমন

    : পাথরের অভাব হবে না বলছি?

    : কি পাথর? এবং কিসের জন্যই বা?

    তুমি বুঝতে পারছিলেনা। আমি বোললুম। অনেকেই তো কত দামী দামী পাথরের অঙ্গুরি হাতে নেয়। তিব্বত হিমালয়ের পাদদেশ থেকে পাথর আনিয়ে নেয়। লাল নীল বর্ণের। দামী পাথর। আংটি পরে। আমি দেখো সবচেয়ে মূল্যবান অঙ্গুরি পরবো। সবচেয়ে মূল্যবান পাথরের। তুমি তবুও বুঝতে পারছিলেন। তোমার রাগ হচ্ছিল। আঙ্গুল ঝকাচ্ছিলে। তোমার বুকের কাপড়ের নিচে সরে আসছিল ছায়া। ব্লাউজের উপর থেকে লজ্জা সরে গিয়েছিল; তুমি রাগত স্বরে বোলে উঠেছিলে রাখো তোমার হেঁয়ালি।

    আমি আস্তে তোমার বুকের তিলটার উপর আঙ্গুল রেখে বোলোম : এই, এই আমার তিব্বত এই আমার রক্তিম পাথর। এই আমার মহামূল্যবান অঙ্গুরি।

    তুমি তাড়াতাড়ি ঢেকে দিয়েছিলে। দিন দিন কী হচ্ছো তুমি। কপট ভাষণ কোরে আবার স্বাভাবিক হয়ে পড়েছিলে!

    .

    তুমি অনেক জায়গায়ই তো যাওনি? একবার সিনেমায় গ্যান্ডোলার সার দেখে ভাসমান নদীর উপর বাজার দেখে হংকং এর উপর তোমার নজর পড়ে গিয়েছিল। তুমি আমার নাকটা বোচা করে দিতে শুরু কোরলে। উঃ কী পাগলামিতেই না দিন কেটেছে! এখন অনেক বছর হয়ে গেল। এখন যদি যাই। আমার তো সেই গোপন সংক্রমণগুলি আর নেই। ক্ষয় হয়ে গেছে নিত্য ব্যবহারে। অথচ নারী শরীরের কত অক্ষত গোপন রহস্য। কিন্তু কী আশ্চর্য! শুধু বাড়ে আর বাড়ে। এখন বুঝি একটা লোক একটা মেয়ে বিয়ে করে কেন অন্য নারী গমন না কোরেও সারা জীবন কাটিয়ে দিতে পারে।

    একবার দেখা হতে যদি। আমাদের এ নগর মহানগর হবে একদিন। অনেক রকমের দালান স্থাপিত হবে। অনেক আত্মহত্যা। অনেক সাইকিয়াট্রিস্ট বাড়বে। মোড়ে মোড়ে লন্ড্রীর সংখ্যা দ্বিগুণ হবে। মাঝে মাঝে এক একবার আমার মনে হয় আমাদের সভ্যতা মানেই লন্ড্রী আর সেলুন আর ওষুধের দোকান কারণ যেখানেই যাই আর কিছু চোখে না পড়ুক ও তিনটি চিনিস চোখে পড়বেই পড়বে। যাকগে ভালো হলো, আবার যদি দেখা হয়। তোমার সুন্দর বাড়ীতে। অবশ্য বাড়ীতে আমি কোনোদিন যেতে পারবোনা। আমার কুকুর দেখলে সঙ্গমের কথা মনে পড়ে যায়। মাঝে মাঝে টাকা থাকেনা। তখোন সিগ্রেট বাসের উপর খুব যত্নসহকারে খানকিপাড়া লিখে বাসনা নিবৃত্তি করি। তুমি হঠাৎ কোরে ভাববে যে লোক তরু শব্দের মতো সুন্দর কোমল, স্নিগ্ধ শব্দ ভালোবাসে সে ওরকম যথেচ্ছাচারী কর্কশ দুরগন্ধযুক্ত শব্দটিকে কি কোরে লিখতে পারে। আমারও তাই মনে হয়। অথচ আশ্চর্য, আমি লিখতে বা কোরতে বসলে আর দ্বিধা করি না। মানুষের গোপনে কত অতিক্রমণ ঘটে যায়। সে বুঝতে পারে না। সে কী কোরছে। প্রভু যীশু খালি খালি কী আর বোলেছিলেন! থাক কথাটা বড় ব্যবহার দুষ্ট। তুমি অনেক কিছুই ইশারা দিলেই বুঝতে; এটা বুঝে নিও। একবার কি আমাদের দেখা। হবে না? এ শহর আরো কত বড় শহর হবে। এরোড্রাম। সুন্দর সভ্যতার শো শো আওয়াজ শুনছি আমি। চারিদিকে দেয়ালে দেয়ালে কত বিপ্লবের সুন্দর পোস্টার। গাছ। বৃক্ষ। আত্মহত্যা। কবি হলে ভালো ভালো লিখে নিতে পারতাম সব। হেঁকে নিতে পারতাম। বোধ ও বোধ। কত রকম ভাবে জীবনযাপন করে। এ নিয়ে কত গল্প লেখা হয়। কত গল্পকার আসে আর ছিটে ফোঁটা অভিজ্ঞতা ঢেলে দেয়। ঢেলে দেয় কেন বলি তারা দলে দণ্ডিত হয়। তুমি কতবার আমাকে এমন ধারায় দণ্ডিত কোরেছ এখন কী আর তা মনে আছে।

    মনে আছে কেবল জোৎস্না! মনে আছে কেবল লাল দালান মনে আছে কেবল আমের বোলের গন্ধ। কোকিল আমাদের বিশ্ব সংসার থেকে যেনো কোথাও পালিয়ে গেছে। তুমি একদিন কোকিলের স্বর নকল কোরে শুনিয়েছিলে। অবিকল সে রকম। তখন হঠাৎ ঘরে বসন্ত এসেছিল। যদিও ছিল সেটা শীতকাল। তবুও কেন জানি বসন্তু এসে গিয়েছিল। আমি তোমার চোখের উপর চোখ রেখে বোলেছিলাম এমন কাউকে পেলে আজীবন কত কোকিল ডাকে! আর, আর কত বসন্ত আসে।

    তুমি বোলেছিলে মাথা খারাপ হলো নাকি তোমার! এটা তো শীতকাল। গলায় মাফলার জড়িয়েও টের পাওনা।

    তোমার গায়ে সাদা স্কার্ফ! তুমি সাদা স্কার্ফ ভালোবাসো। আমি বোলোম। হা হা শীতকাল।

    কিন্তু তুমিও তো জানতে আমি কী বুঝাতে চেয়েছিলাম! বাস্তবের নামে কত হেয়ালীই যে তুমি কোরেছ!

    আজ যদি দেখা হয়। আমি তো গল্প লিখতে পারিনে। অনেকেই দেখি গল্পের প্রারম্ভে একটি ট্রেন ইস্টেশন দেয়। কতগুলি ভীড়। তারপর নায়ক হয়তো কোথাও চলে যায় সমুদ্রে না হলে কাছাকাছি কোথাও। আমার আবার ও সব ধাতে সয়না। আমি একবারই বোধ হয় সমুদ্রে গিয়েছিলাম। কিন্তু সে অন্য কারণে। তোমার জন্য। আমার অসুখ হয়েছিল। হাওয়া বদলের জন্যে বোলেছিলে। নগদ টাকা দিয়েছিলে। আমি তোমার কপালের, মাথায় ছুঁয়ে তারপর একবার এক হাস্যমুখী পূর্ণিমায় কক্সবাজারে গিয়েছিলাম। আর একবার একটি ছোট খাটো বনের মতোন জায়গায়। তোমার সঙ্গে। তাও পিকনিক কোরতে। আমাদের মনে আছে একটি পুরো মুরগীর রোস্ট খেতে হয়েছিল? কী সুগন্ধ ছিল সেদিনের মাংসে। তুমি মাংসে কামড় দিতে গিয়ে হঠাৎ বোলেছিলে না তুমিই খাও! একটু পরে কলা রুটি খেয়ে নেবো; ভালোলাগছে না।

    আমি বুঝেছিলাম তোমার মানসিক প্রতিক্রিয়া আরম্ভ হয়ে গেছে। এক ধরনের মেয়ে আছে নাকি যারা নির্জনে একলা পুরুষের সামনে মাংস খেতে পারে না। তুমি বোধ হয় সেরকমের। কিন্তু হয়তো তাও নয়। তুমি আমাকে একা নির্জনে পেয়ে মাংস খাওয়ার নামে অন্যকিছু ইশারা কোরেছিলে। আমি বুঝতে পারিনি। না হলে ফিরে আসার পথে এ রকম বোকা শব্দটি একশো বার তোমাকে বানান কোরতে হবে…এ রকম ভিক্টোরিয়া মার্কা আদেশ কেউ দেয় নাকি?

    .

    আমি এখন আর ডায়েরী লিখিনা। কোনোদিন লিখতাম না। তবে কয়েক দিন একটি পাতায় তোমার পরিচয় পত্রটা লিখে রেখেছিলাম। আমাদের এই ঢাকা। আমরা যেখানে থাকি। এই নগর কত বদলাবে। আমাদের মতো। তুমি যে রাস্তা দিয়ে অনেক দূর হাঁটতে। তোমার যে গাছটা ভালোলাগতো! তুমি হয়তো দেখবে অনেক বদলে গেছে আমাদের সংসার। আমাদের সম্ভাষণ, আমাদের সমস্যা। কত বড় দোতলা বাস এসে গেছে ইতিমধ্যে। মেয়েরা সব চুল খোলা অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে বাসের অপেক্ষায়। কত মেয়ে পুরুষের ভীড়। জীবন যাপন দ্রুত চলছে। হৃদয় লয় পাচ্ছে। রোদে পোড়া ভালোবাসার এখন কতটুকুই বা আর জ্যোৎস্নার প্রয়োজন। এখন আমের বোল গন্ধ দেয় না। সেটা প্রয়োজন। আম ফলে প্রয়োজনের আম। যাই হয় প্রয়োজনের হয় সব কিছু। ভবিষ্যতে আমি হয়তো যে বাসায় থাকবে। তারই পাশে এক ভদ্র মহিলা। ধরো এমনও তত হতে পারে অবিবাহিতা, কোনোদিন বিয়ে করবেন না। কিন্তু অনেকে আবার বিয়ে না করেও বিবাহিত রাত্রি যাপন করে শুনেছি। এ রকম নারী পুরুষ এখনও তো আছে লোকালয়ে! সে রকম হয়তো হতে পারে মহিলাটি! ঠুকঠাক আওয়াজ বাড়বে তারপর মধ্যরাতে। কিন্তু হয়তো আমারই ভুল। একদিন হয়তো আবিষ্কার কোরলাম। তিনি শিল্পী। মূর্তি গড়েন কাঠের। নিঃসঙ্গ নির্জন। এ রকম একটি নগর যদি হয় এই ঢাকা। প্যারিসে কত ক্যাফে রোস্তার। আড়। আমাদের এ আর হয়ে উঠছেনা। কবে হবে? অপেক্ষায় আছি। সে রকম মানুষের ভীড়। উচ্ছল উজ্জ্বল মানুষ। যুক্তিসম্মত। ম্যাটেরিয়ালিস্ট। প্রতি রবিবারে সেট কোরে বের হয়ে গেল ফ্রেন্ডদের সাথে। আড্ডা দেয়। কাজে যায়। এ রকম একবার যদি আমার এই নগরের চেহারা দেখতে হয়। তখন আমি তোমকে একটি রেস্তোরাঁয় আবিষ্কার কোরবো। তুমি বসে আছো। আমারও তখনো বয়স হয়ে গেছে। চিরকাল স্বপ্নেরপুষ্টি ছাড়া শরীরে আমার আর কিছু নেই। দেখতে পেলে, বসে আছি। আমি তোমাকে দেখতে পেলাম। অনেক লোকজন।

    কে কার খেয়াল রাখে? সবাই লাঞ্চের পিরিয়ডে লাঞ্চ সেরে নেয় রেস্তোরাঁয়। আড্ডা দেয়, বাড়ীতে আর মন বসে না। মানুষ বড় নিঃসঙ্গ হয়ে যাবে তখোন। মানুষের বাড়ীতে আর মন বসবে না। রাজনৈতিক আলাপ চালাবে। দন্তসুলের, হৃদরোগের আলাপ চালাবে। বোলবে, কতদিন ভোরে উঠলে স্বাস্থ্য হয়? তবু কিছুতেই কিছু হয় না। এক ভাই অন্য ভাইয়ের খোঁজ না নিলে যেমন সম্পত্তির অবস্থা, কিছুতেই কিছু হয় না। সব পাল্টে গেলেও সেই যে গাছ। গাছ তেমন থাকবে। আমি তখোন হয়তো গাছকে তরু বোলবো। তরু শব্দটি তখোন একমাত্র আমার মূলধন। আমার একটি নীল নোটবুক থাকবে। যাতে আমি কোনোদিন কোনো কিছু লিখিনি। তোমাকে দেখবো। মনোময় ভঙ্গিতে তুমি তোমার এক পুরুষের সাথে বসে আছো!

    নারীর চেহারা থেকে তোমার উত্তরণ ঘটেছে। নির্বিকার সুন্দরের অধিষ্ঠাত্রীতে। তোমাকে সুন্দর বোলে ডেকে উঠবো। কিন্তু তোমার সাথে পুরুষ। তা ছাড়া বয়স কত হলো? ষাট? সত্তর? আশি? হাজার? কত হলো? কিন্তু বয়স কি? অনুভূতি কি? ভালোবাসা কি? জীবন কি? মানুষ তার প্রয়োজনের সংসারে আপনাপন বিকৃতি ও দর্শন নিয়ে সুখী। আমি সেই যে একবার গাছকে তরু বোলেছিলাম। একমাত্র সেই তরুই জেনে নেবে আমাদের সবকিছু। আর আমরা জানি আমরা শুধু নিমিত্ত!

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর – আবুল মনসুর আহমদ
    Next Article গল্পসম্ভার – আব্দুর রউফ চৌধুরী

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }