Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অথর্ববেদ সংহিতা (সম্পাদনা : দিলীপ মুখোপাধ্যায়)

    দিলীপ মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1733 Mins Read0
    ⤶

    ২০।৯ বিংশ কাণ্ড : নবম অনুবাক

    নবম অনুবাক
    প্রথম সূক্ত
    [ঋষি : কলি। দেবতা : ইন্দ্র। ছন্দ : প্রগাথ (বৃহতী)।]

    বয়মেনমিদা হ্যোপীপেমেহ বজ্বিণ। তম্মা উ অদ্য সমনা সুতং ভরা নূনং ভূষত শুতে৷ ১৷ বৃকশ্চিদস্য বারণ উরামথিরা বয়ুনেষু ভূষতি। সেমং নঃ স্তোমং জুজুষাণ আ গহীন্দ্র প্র চিত্রয়া ধিয়া ॥ ২॥ কদু স্যাকৃতমিন্দ্রস্যাস্তি পৌংস্য। কেননা নু কং শ্রোমতেন ন শুবে জনুষঃ পরি বৃহা। ৩

    সূক্তসার— হে স্তোতাগণ! আমরা ইন্দ্রকে সোমের দ্বারা পুষ্ট করেছি। আপনারা প্রসন্ন মনে তাকে সংস্কারিত সোম প্রদান করুন। হে ইন্দ্রদেব! আপনি এই যজ্ঞে আগমন করুন। …ইতুল্য। পরাক্রমী আর কেউ নেই।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –বৃহস্পতিসবে বয়মেনমিদা হ্যঃ ইত্যস্য তৎ বো গায় সুতে সচা (২০।৭৮) ইত্যনেন সহ উক্তো বিনিয়োগঃ।..তথা ত্রিকিকুদ্দশাহে অস্য বিনিয়োগঃ ক ঈং বেদ সুতে সচা (২০৫৩) ইত্যনেন সহ উক্ত। (২০কা, ৯অ. ১সূ.)।

    টীকা— বৃহস্পতি যজ্ঞে উপযুক্ত সূক্তটি ২০কা, ৭অ. ৭ সূক্তের (তৎ বো গায় ইত্যাদির) সাথে বিনিযুক্ত হয়। তথা সর্বজিতি যজ্ঞে মরুৎস্তোমে ও সাহস্রান্ত্যে ঐ দুটি সূক্তের একত্র বিনিয়োগ পরিলক্ষিত হয়। তথা ত্রিবৃৎ ইত্যাদি সূত্রোক্ত সপ্ত ত্রিরাত্রিক একাহে উভয়ং শৃণবচ্চ নঃ (২০কা।১১৩), উপযুক্ত সূক্তটি এবং পিবা সোমমিন্দ্র মন্তু ত্ব (২০কা।১১৭.) এগুলি আজ্যস্তোত্রিয় হয় এবং বিকল্পিত পৃষ্ঠস্তোত্রিয় হয়। বৈতানে (৮।২) এই সম্পর্কে যথাযথ নির্দেশ আছে। আবার ত্রিককুৎ দশাহে উপযুক্ত সূক্তটির বিনিয়োগ ২০কা, ৫অ. ১৬ সূক্তের (ক ঈং বেদ সুতে সচা ইত্যাদির) সাথে উক্ত হয়। (২০কা.. ৯অ. ১সূ.)।

    .

    দ্বিতীয় সূক্ত

    [ঋষি : শযু। দেবতা : ইন্দ্র। ছন্দ : প্রগাথ (বৃহতী)।]

    জ্বামিদ্ধি হবামহে সাতা বাজস্য কারবঃ। ত্বং বৃত্ৰেম্বি সৎপতিং নরাং কাষ্ঠাস্ববর্তঃ ॥১॥ স ত্বং নশ্চিত্র বজ্রহস্ত ধৃষ্ণুয়া মহ স্তবানো অদ্রিবঃ। গামশ্বং রথ্যমিং সং কির সত্রা বাজং ন জিষে ॥২॥

    সূক্তসার –হে ইন্দ্র! আমরা আপনার স্তুতিকারী ও অন্নপ্রাপ্তবান জনগণ আপনাকে এই যজ্ঞে আহ্বান জ্ঞাপন করছি। আপনি সজ্জনের রক্ষক ও জলের প্রেরক। হে বজ্রধারী! আপনি এই বিজয়াকাঙ্ক্ষী নরেশকে অশ্ব, রথ ইত্যাদি প্রদান করুন।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ— শ্যেনসন্দংশাজিরবর্জ্যেষু একাহেষু ত্বামিদ্ধি হবামহে ইতস্য বিনিয়োগঃ সুরূপকৃতুমূতয়ে (২০৫৭) ইত্যনেন সহ উক্তঃ।-ইত্যাদি। (২০কা, ৯অ. ২সূ.)।

    টীকা –২০শ কাণ্ডের ৫ম অনুবাকের ২০শ সূক্তের (অর্থাৎ সুরূপকৃতুমূতয়ে সুদুঘামিব ইত্যাদির) বিনিয়োগ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে যে, উপযুক্ত সূক্তটি উল্লিখিত সূক্তের সাথে বিনিযুক্ত হয়। এই স্থলে তারই প্রসঙ্গক্রমে বলা হয়েছে যে, ঐ দুই সূক্তের একত্র বিনিয়োগ হবে শ্যেন, সন্দংশ, আজির ও বর্জনামক একাহে। আবার তনূপৃষ্ঠে ষড়হে উপযুক্ত সূক্তটি যৎ দ্যাব ইন্দ্রতে শতং (২০কা./৭অ.।১০সূ.) ইত্যাদির সাথে বিনিয়োগ হবে। (২০কা, ৯অ. ২সূ) ৷৷

    .

    তৃতীয় সূক্ত

    [ঋষি : মেধ্যাতিথি। দেবতা : ইন্দ্র। ছন্দ : প্রগাথ (বৃহতী)।]

    অভি ত্বা পূর্বপীয় ইন্দ্র স্তোমেভিরায়বঃ। সমীচীনাস ঋভবঃ সমস্বর রুদ্রা গৃণন্ত পূৰ্যম্ ॥১৷৷ অস্যেদিন্দ্রো বাবৃধে বৃষ্ণং শবো মদে সুতস্য বিষ্ণবি। অদ্যা তমস্য মহিমানমায়বোহনু বন্তি পূর্বথা ॥ ২॥ সূক্তসার– হে ইন্দ্রদেব! আপনি প্রথম সোমপায়ী। সোমপানের নিমিত্ত ঋভু দেবতা ও রুদ্র দেবতা আপনারই স্তুতি করে থাকেন। সোমপানে তৃপ্ত হয়ে ইন্দ্রদেব যজমানের নিমিত্ত ধনবর্ষণ ও বলবর্ধন করে থাকেন!

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –অপূর্বাশ্যে একাহে অভি ত্বা পূর্বপীতয়ে ইত্যেষ পৃষ্ঠস্তোত্রিয় ভবতি। তৎ উক্তং বৈতানে।–ইত্যাদি৷৷ (২০কা, ৯অ. ৩সূ)।

    টীকা— অপূর্ব নামক একাহ যাগে উপযুক্ত সূক্তটি পৃষ্ঠস্তোত্রিয় হয়। বলা হয়েছে–অপূর্বেভি ত্বা পূর্বপ্রীতয় ইতি (বৈতনিক ৮।১)। (২০কা, ৯অ, ৩সূ.)।

    .

     চতুর্থ সূক্ত

    [ঋষি : নৃমেধ। দেবতা : ইন্দ্র। ছন্দ : উষ্ণিক।]

    অধা হীন্দ্র গির্বণ উপ জ্বা কামান্ মহঃ সমৃঙ্খহে। উদেব যন্ত উদভিঃ ॥১। বার্ণ ত্বা যব্যাভিধন্তি শূর ব্রহ্মাণি। বাবৃধ্বংসং চিদড্রিবো দিবেদিবে ৷ ২৷৷ যুঞ্জন্তি হরী ইষিরস্য গাথয়োরৌ রথ উরুযুগে। ইন্দ্ৰবাহা বচোযুজা ॥৩॥

    সূক্তসার –হে ইন্দ্রদেব! জলের কামনাশীল মনুষ্য যেমন জলের দ্বারাই জল প্রাপ্ত হয়, তেমনই আপনাকে কামনাকারী মনুষ্য সোমের দ্বারাই আপনাকে প্রাপ্ত হয়। আপনি প্রতিটি স্তুতির সাথেই বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়ে থাকেন। এই স্তুতিমন্ত্রগুলি যুদ্ধোদ্যত ইন্দ্রের রথে অশ্ব যোজিত করে।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –ব্রাত্যস্তোমাখ্যেষু একাহেষু আ ত্বেতা নি যীদত (২০।৬৮।১১) অধা হীন্দ্র গির্বণঃ (২০।১০।০) ইতি আজ্যপৃষ্ঠস্তোত্রিয়ৌ যথাক্ৰমং ভবতঃ। তৎ উক্তং বৈতানে।-ইত্যাদি। (২০কা, ৯. ৪সূ.)৷৷

    টীকা –২০কা। ৬.। ১১ মন্ত্র (অর্থাৎ আ ত্বে নি যীদতেন্দ্রমভি প্র গায়ত ইত্যাদি মন্ত্র) ও উপযুক্ত সূক্তটি ব্রাত্য-স্তোম নামক একাহ যাগে যথাক্রমে আজ্যপৃষ্ঠ ও স্তোত্রিয় হয়। বৈতানে (৮১) বলা হয়েছে ব্রাত্যস্তোমেম্বা ত্বেতা নি যীদতাধা হীন্দ্র গির্বন ইতি। আবার পবিত্র ইত্যাদি রাজসূয় একাহ যাগে ২০কা. ৯অ.১৫সূ. (অর্থাৎ যৎ সোমমিন্দ্র বিষ্ণবি ইত্যাদি), উপযুক্ত সূক্তটি, ২০কা।৯অ.১৮সূ. (অর্থাৎ অভ্রাতৃব্যো অনা ত্বং ইত্যাদি), ও, ২০কা.। ৯অ.১২সূ. (অর্থাৎ তং ন ইন্দ্রা ভর ইত্যাদি)–এগুলি যথাসম্ভব উথ-স্তোত্রিয় হয়। বৈতানে (৮।২) আরও কিছু বিনিয়োগ উক্ত হয়েছে। (২০কা, ৯অ. ৪সূ.)।

    .

    পঞ্চম সূক্ত

     [ঋষি : মেধ্যাতিথি। দেবতা : অগ্নি। ছন্দ : গায়ত্রী।]

    অগ্নিং দূতং বৃণীমহে হোতারং বিশ্ববেদসম্। অস্য যজ্ঞস্য সুক্ৰতুম্ ॥১॥ অগ্নিমগ্লিং হবীমভিঃ সদা হবন্ত বিল্পতি। হব্যবাহং পুরুপ্রিয়ম্ ॥ ২॥ অগ্নে দেবাঁ ইহা বহ জজ্ঞানো বৃক্তবহিঁষে। অসি হোতা ন ঈড্যঃ ॥ ৩৷৷

    সূক্তসার –সর্বজ্ঞাতা ও হোতরূপ অগ্নি যজ্ঞ কর্মকে উৎকৃষ্টে পরিণত করেন। হ্যবাহক, সর্বপ্রিয় অগ্নিকে প্রজাপতিও হবিঃ সমর্পন করে থাকেন। অতএব আমরাও তার উদ্দেশে হবিঃ সমর্পণ করবো। হে অগ্নি! দেবতাগণকে যজ্ঞে আনয়ন করুন।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –অগ্নিষ্ঠুৎসু একাহেষু ঈলেন্যো নমস্যঃ (২০।১০২) অগ্নিং দূতং বৃণীমহে (২০।১০১) অগ্ন আ যাহ্যগ্নিভিঃ (২০।১০৩।২) এ আদৌ আজ্যস্তোত্রিয়ৌ বিকল্পিতৌ ভবতঃ। উত্তরেী পৃষ্ঠস্তোত্রিয়ৌ বিকল্পিতৌ ভবতঃ। তৎ উক্তং বৈতানে।-ইত্যাদি। (২০কা, ৯অ. ৫সূ.)।

    টীকা –অগ্নিষ্ঠুৎ একাই যাগে ঈলেন্যো নমস্যঃ (উপযুক্ত সূক্তটির পরবর্তী সূক্ত), উপযুক্ত সূক্ত, অগ্নিমীলিম্বাবসে গাথাভিঃ (পরবর্তী সপ্তম সূক্ত) এবং ঐ সূক্তেরই দ্বিতীয় মন্ত্র (অগ্ন আ যাহগ্নিভিঃ ইত্যাদি) বিকল্পিত আজ্য স্তোত্রিয় হবে। বিকল্পে উত্তর পৃষ্ঠ স্তোত্রিয়ও হয়। বৈতানে (৮।১) এ সম্পর্কে নির্দেশ পাওয়া যায়।–ইত্যাদি৷৷ (২০কা, ৯অ. ৫সূ.)।

    .

    ষষ্ঠ সূক্ত

    [ঋষি : বিশ্বামিত্র। দেবতা : অগ্নি। ছন্দ : গায়ত্রী।]

    ঈলেন্যো নমস্যস্তিরস্তমাংসি দর্শতঃ। সমগ্নিরিধ্যতে বৃষা॥১॥ বৃষো অগ্নিঃ সমিধ্যতেইশ্বা ন দেববাহনঃ। তং হবিষ্মন্ত ঈলতে ॥ ২॥ বৃষণং ত্বা বয়ং বৃষ বৃষণঃ সমিধীমহি। অগ্নে দীদ্যতং বৃহৎ ॥ ৩॥

    সূক্তসার— অগ্নিদেব স্তুত্য, নমস্কার্য এবং দর্শনীয়। তিনি দেবতাগণকে বহনকারী অশ্বসদৃশ ফলবর্ষণকারী এবং হবিঃ-প্রদানকারী যজমানগণ কর্তৃক পূজিত। সেই বৃষ অগ্নি প্রদীপ্ত হোন।

    টীকা— অগ্নিষ্ঠুৎ একাহ যাগে উপযুক্ত সূক্তটির বিনিয়োগ পূর্ব সূক্তের সাথে উক্ত হয়েছে। (২০কা. ৯অ. ৬সূ.)।

    .

    সপ্তম সূক্ত

     [ঋষি : সুদীতিপুরুমীড় (১), ভর্গ (২–৩)। দেবতা : অগ্নি। ছন্দ : বৃহতী।]

    অগ্নিমীলিম্বাবসে গাথাভিঃ শীরশোচিষম্। অগ্নিং রায়ে পুরুমী তং নবোহল্পিং সুদীতয়ে ছর্দিঃ ॥১॥ অগ্ন আ যাহ্যগ্নিভিহোতারং ত্বা বৃণীমহে। আ স্বামন প্রয়তা হবিষ্মতী যজিং বহিরাসদে ॥২ অচ্ছা হি ত্বা সহসঃ সূনো অঙ্গিরঃ সুচশ্চন্ত্যধ্বরে। ঊর্জো নপাতং ঘৃতকেশমীমহেহগ্নিং যজ্ঞেষু পূর্ব ৩

    সূক্তসার –হে মনুষ্য! তুমি অন্নপ্রাপ্তির নিমিত্ত সেই প্রসিদ্ধ, দীপ্ত এবং শোভায়মান অগ্নির পূজা করো। হে অগ্নি! প্রযতা হবিষ্মতী বহ্নি আপনার সাথে সুসংগতা হোন। অঙ্গিরা গোত্রীয় আপনি জলের পুত্ররূপ। সদা নবীন, বলবান আপনাকে আমরা যজ্ঞে আহ্বান করছি।

    টীকা –উপযুক্ত সূক্তটির বিনিয়োগ ইত্যাদি পূর্ববর্তী ৫ম সূক্তে উক্ত হয়েছে। (২০কা, ৯অ. ৭সূ.)।

    .

    অষ্টম সূক্ত

    [ঋষি : মেধ্যাতিথি (১–২), নৃমেধ (৩–৪)। দেবতা : ইন্দ্র। ছন্দ : প্রগাথ (বৃহতী)।]

    ইমা উ জ্বা পুরূবসো গিরো বর্ধন্তু যা মম। পাবকবর্ণাঃ শুয়ো বিপশ্চিতোহভি স্তোমৈরনূষত ॥১॥ অয়ং সহস্ৰমৃষিভিঃ সহস্কৃতঃ সমুদ্র ইব পথে। সত্যঃ সো অস্য মহিমা গৃণে শবো যজ্ঞেসু বিপ্ররাজ্যে ॥ ২॥ আ নো বিশ্বাসু হব্য ইন্দ্রঃ সমৎসু ভূষতু। উপ ব্ৰহ্মাণি সবনানি বৃত্ৰহা পরমজা ঋচীষমঃ ৷ ৩৷৷ ত্বং দাতা প্রথমো রাধসামস্যসি সত্য ঈশানকৃৎ। তুবিদ্যুম্নস্য যুজ্যা বৃণীমহে পুত্রস্য শবসো মহঃ ॥৪॥

    সূক্তসার –অসীম ঐশ্বর্যবান হে ইন্দ্রদেব! আমাদের স্তুতিরাশি আপনাকে প্রবৃদ্ধ করুক। হে স্তোতাগণ! তোমরা ইন্দ্রের স্তুতি করো। জলের দ্বারা বর্ধমান সমুদ্রের মতো হবিরাশির দ্বারা অগ্নি প্রবৃদ্ধ হচ্ছেন। যজ্ঞে অগ্নিবল দর্শনীয় হয়ে উঠছে। হে ইন্দ্রদেব! আপনি হবির যোগ্য। আপনি আমাদের সকল যজ্ঞকে সুশোভিত করুন। হে ইন্দ্র! আপনি আমাদের সূক্তসমূহকে, হবিসমূহকে, মন্ত্রসূহকে সুশোভিত করুন। হে জলপুত্র অগ্নি! আমরা আপনাকে বরণ করছি।

    টীকা— উপযুক্ত সূক্তের বিনিয়োগ এই কাণ্ডের ৫ম অনুবাকের ৮ম সূক্তের (অয়মু তে সমতসি ইত্যাদির) সাথে উক্ত হয়েছে। (২০কা, ৯অ, ৮সূ.)।

    .

    নবম সূক্ত

     [ঋষি : নৃমেধ (১–৩), পুরুহন্মা (৪–৫)। দেবতা : ইন্দ্র। ছন্দ : প্রগাথ (বৃহতী)

    মিন্দ্র প্রভৃর্তিভি বিশ্বা অসি স্মৃধঃ। অশস্তিহা জনিতা বিশ্বপ্রসি ত্বং তুর্য তরুষ্যতঃ ॥১॥ অনু তে শুষ্মং তুরয়ন্তমীয়তুঃ ক্ষোণী শিশুং ন মাতরা। বিশ্বান্তে স্পধঃ শ্লথয়ন্ত মন্যবে বৃত্ৰং যদি বসি। ২৷৷ ইত উতী বো অজরং প্রহেরমপ্রহিতম্। আশুং জেতারং হেতারং রথীতমমর্তং তুগ্র্যাবৃধ৷ ৩৷৷ যো রাজা চর্ষণীনাং যাতা রথেভিরখ্রিঃ। বিশ্বাসাং তরুতা পৃতনানাং জ্যেষ্ঠা যো বৃত্ৰহা গৃণে ॥৪॥ ইং তং শুম্ভ পুরুন্নবসে যস্য দ্বিতা বিধৰ্তরি। হস্তায় বজ্রঃ প্রতি ধায়ি দর্শতো মহো দিবে ন সূর্যঃ ॥ ৫৷৷

    সূক্তসার— হে ইন্দ্রদেব! আপনি কল্যাণকর্তা, যুদ্ধে প্রতিস্পর্ধা করণশীল এবং ত্বরায় গমনশালী। আপনার পশ্চাতে দ্যাবাপৃথিবী গমন করে থাকেন। আপনি যখন বৃত্ৰহননে রত ছিলেন তখন দ্যাবা ও পৃথিবীই আপনাকে বলপ্রেরণ করেন। আমি বৃহন্তা, জ্যেষ্ঠ, সেনাগণের উল্লঙ্ক ইন্দ্রের স্তুতি করি। সেই ইন্দ্রদেবের সত্তা অন্তরিক্ষ ও স্বর্গে বিদ্যমান। এই যজ্ঞে আপনারা (ঋত্বিকগণ) সেই ইন্দ্রকেই সুশোভিত করুন।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ— প্রীতীচীনস্তোমে একাহে মিন্দ্র প্রতুর্তি ইত্যেব আজ্যপৃষ্ঠস্তোত্রিয়ো ভবতি। তৎ উক্তং বৈতানে।–ইত্যাদি৷৷ (২০কা, ৯অ, ৯সূ)।

    টীকা –উপযুক্ত সূক্তটি প্রতীচীন স্তোমে একাহ যাগে আজ্যপৃষ্ঠ স্তোত্রিয় হয়ে থাকে। বৈতানে (৮।১) উক্ত হয়–প্রতীচীনস্তোমে ত্বমিন্দ্র প্রতুর্তিতি ইতি। রাজি একাহে এই সূক্তের ৪র্থ মন্ত্র (যো রাজা চর্ষণীনাং ইত্যাদি) পৃষ্ঠস্তোত্রিয় হয়। বৈতানে (৮।১) উক্ত হয়–রাজি যো রাজা চর্ষণীনাং ইতি ॥ (২০কা, ৯অ. ৯সূ.)।

    .

    দশম সূক্ত

     [ঋষি : গোষূক্তি ও অশ্বসূক্তি। দেবতা : ইন্দ্র। ছন্দ : উষ্ণিক।]

    তব ত্যদিন্দ্ৰিয়ং বৃহৎ তব শুম্মমুত ক্রতুম। বজ্ৰং শিশাতি ধিষণা বরেণ্যম্ ॥১॥ তব দ্যৌরিন্দ্র পৌংস্যং পৃথিবী বর্ধতি শ্ৰবঃ। মাপঃ পর্বতসশ্চ হিন্বিরে। ২ ত্বাং বিষ্ণুবৃহন ক্ষয়য়া মিত্রো গৃণাতি বরুণঃ। ত্বং শখো মদত্যনু মারুত ॥ ৩

    সূক্তসার— হে ইন্দ্রদেব! আপনার বৃহৎ বল বুদ্ধির দ্বারা বরণের যোগ্য। বহু কর্মরূপী বজ্রকে আপনি তীক্ষ্ণ করেন। আকাশ আপনার বীর্য, জল ও পর্বত আপনার প্রেরক; পৃথিবী আপনারা। দ্বারাই অন্নের বৃদ্ধি সাধিত করে থাকেন। সূর্য, বরুণ, যম ও বিষ্ণু আপনারই প্রশংসক। বায়ুর অনুগত বল আপনিই প্রদান করেন।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ— ইন্দ্রস্তোমাখ্যে একাহে তব ত্যদিন্দ্রিয়ং বৃহৎ ইত্যস্য ইন্দ্র ক্রতুং ন আ ভর (২০।৭৯) ইত্যনেন সহ উক্তো বিনিয়োগঃ ৷৷ (২০কা, ৯ম, ১০সূ.)৷৷

    টীকা— ইন্দ্রস্তোম নামক একাহ যাগে উপযুক্ত সূক্তটির বিনিয়োগ ২০শ কাণ্ডের ৭ম অনুবাকের ৮ম সূক্তের (ইন্দ্র তুং ন আ ভর ইত্যাদির) মতো হবে; অর্থাৎ এই দুটি সূক্ত পৃষ্ঠ, উথ ও স্তোত্রিয় হয়। বৈতানিকে (৮।১) উল্লেখিত হয়েছে-ইন্দ্রস্তোম ইন্দ্ৰ ক্ৰং ন আ ভর তব ত্যদিন্দ্রিয়ং বৃহদিতি ॥ (২০কা. ৯অ. ১০সূ)।

    .

    একাদশ সূক্ত

     [ঋষি : বৎস (১–৩), বৃহদ্দিব (৪–১৩), কুৎস (১৪–১৫)। দেবতা : ইন্দ্র, সূর্য (১৪–১৫)।  ছন্দ : গায়ত্রী, ত্রিষ্টুপ, জগতী।]

    সমস্য মন্যবে বিশো নমন্ত কৃষ্টয়ঃ। সমুদ্ৰায়েব সিন্ধবঃ ॥১॥ ওজস্তদস্য তিত্বিষ উভে যৎ সমবর্তয়ৎ। ইন্দ্ৰশ্চর্মের রোদসী ॥ ২॥ বি চিদ বৃত্রস্য দোধতো বজ্রেণ শতপর্বণা। শিরো বিভেদ বৃষ্ণিনা ॥ ৩৷৷ তদিদাস ভুবনেষু জ্যেষ্ঠং যততা জজ্ঞ উগ্রস্তেষঃ। সদ্যো জজ্ঞানো নি রিণাতি শৰ্জননু যদেনং মদন্তি বিশ্ব উমাঃ ॥৪॥ বাবৃধানঃ শবসা ভুর্যোজাঃ শৰ্দাসায় ভিয়সং দধাতি। অব্যনচ্চ ব্যনচ্চ সম্নি সং তে নবন্ত প্রভৃতা মদেযু ॥৫৷৷ ত্বে ক্রতুমপি পৃঞ্চন্তি ভূরি দ্বির্যদেতে ত্ৰিৰ্ভবমাঃ। স্বাদোঃ স্বাদীয়ঃ স্বাদুনা সৃজা সমদঃ সু মধু মধুনাভি যোধীঃ ॥ ৬৷ যদি চিনু ত্বা ধনা জয়ন্তং রণেরণে অনুমদন্তি বিপ্রাঃ। ওজীরঃ শৃষ্মিৎস্থিরমা তনুষ মা ত্বা দভ দুরেবাসঃ কলোকাঃ ॥৭॥ ত্বরা বয়ং শাশন্মহে রণেষু প্রপশন্তো যুধেন্যানি ভূরি। চোদ্দয়ামি ত আয়ুধা বচোভিঃ সং তে শিশামি ব্ৰহ্মণা বয়াংসি ॥ ৮। নি ত দধিষেহবরে পরে চ যস্মিন্নাবিথাবসা দুরোণে। আ স্থাপয়ত মাতরং জিগতুমত ইন্বত করাণি ভূরি ॥৯৷৷ স্তম্ব বৰ্মন্ পুরুত্মানং সমৃভাণমিনতমমাপ্তমাপ্ত্যানাম। আ দর্শতি শবসা ভূর্যোজাঃ প্ৰ সক্ষতি প্রতিমানং পৃথিব্যাঃ ॥১০৷ ইমা ব্ৰহ্ম বৃহদ্দিঃ কৃণৰদিন্দ্রায় শূষমগ্রিয়ঃ স্বর্ষাঃ। মহো গোত্রস্য ক্ষয়তি স্বরাজা তুরশ্চিদ্ বিশ্বমৰ্ণবৎ তপস্বান্ ॥১১৷৷ এবা মহান বৃহদ্দিবো অথবাবোচৎ স্বাং তন্বমিমেব। স্বসারৌ মারিভৃরী অরিপ্রে হিন্বস্তি চৈনে শবসা বর্ধয়ন্তি চ ॥১২। চিত্রং দেবানাং কেতুরনীকং জ্যোতির্মান প্রদিশঃ সূর্য উদ্য। দিবাকরোহতি দুমুৈস্তমাংসি বিশ্বাতারী দুরিতানি শুক্রঃ ॥১৩৷ চিত্রং দেবানামুদগাদনীকং চক্ষুর্মিত্রস্য বরুণস্যাগ্নেঃ। আপ্রাদ দ্যাবাপৃথিবী অন্তরিক্ষং সূর্য আত্মা জগতস্তষশ্চ॥১৪৷৷ সূর্যো দেবীমুষসং নোচমানাং মর্যো ন যোষামভ্যেতি পশ্চাৎ। যত্রা নরো দেবয়ন্তো যুগানি বিতন্বতে প্রতি ভদ্ৰায় ভদ্রম্ ॥১৫৷৷

    সূক্তসার— সমুদ্রের প্রতি নদীসমূহের ন্যায় রাজা ইন্দ্রের প্রতি সকল প্রজা আকৃষ্ট হয়ে থাকেন। ইন্দ্রের এমন পরাক্রম যে, দ্যাব-পৃথিবীকে তিনি চর্মের ন্যায় বেষ্টন করে থাকেন। ক্রুদ্ধ বৃত্রের শিরকে তিনি বজ্রের দ্বারা কর্তিত করেন। ইনি বলে ও ধনে ভুবনের মধ্যে উৎকৃষ্ট তিনি উৎপত্তি হওয়া মাত্রই শত্রুকে বধ করে থাকেন। হে ইন্দ্রদেব! জন্ম, সংস্কার ও যুদ্ধে দীক্ষা গ্রহণের কারণে মহাবীর আখ্যায় ভূষিত যে জনকে ত্ৰিজন্মা বলে, সেই হেন বীরকে স্বাদিষ্ট পদার্থে সম্পন্ন করুন। আপনি বীরগণের মধ্যে প্রবিষ্ট হয়ে সংগ্রামে তৎপর হোন। হে স্তোতা! পরম তেজস্বী, বিচরণশীল, শ্রেষ্ঠ স্বামী ইন্দ্রের স্তুতি করো। সেই পৃথিবীরূপী ইন্দ্র যজ্ঞস্থানে ব্যাপ্ত হয়ে আছেন। এই স্বর্গাধিপতি রাজা ইন্দ্রের স্তুতির মাধ্যমে স্বর্গপ্রাপ্তি কামনা করো। ইন্দ্রদেব জলের বর্ষণে সংসারকে জলপূর্ণ করে থাকেন। এই ইন্দ্রদেবই দিনকে প্রকটিত করেন এবং সকল অন্ধকার ও পাপকে উত্তীর্ণ হয়ে থাকেন। আপন মহিমায় তিনি আকাশ পৃথিবী ও অন্তরিক্ষকে পূর্ণ করেন।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ — বিঘনে একাহে সমস্য মন্যবে বিশঃ (২০।১০৭) তদিদাস ভুবনে জ্যেষ্ঠং (২০।১০৭।৪) ইত্যেতৌ আজ্যপৃষ্ঠস্তোত্রিয়ৌ ভবতঃ। তৎ উক্তং বৈতানে।–ইত্যাদি৷৷ (২০কা, ৯অ. ১১সূ.)।

    টীকা –বিঘন একাহ যাগে উপযুক্ত সূক্তটি এবং ঐ সূক্তেরই ৪র্থ মন্ত্র (তদিদাস ভুবনেষু ইত্যাদি) আজ্যপৃষ্ঠ ও স্তোত্রিয় হয়। বৈতানে (৮।১) উক্ত হয়–বিঘনে সমস্য মনবে বিশস্তদিদাস ভুবনে জ্যেষ্ঠমিতি। (২০কা, ৯অ. ১১)।

    .

     দ্বাদশ সূক্ত

     [ঋষি : নৃমেধ। দেবতা : ইন্দ্র। ছন্দ : গায়ত্রী, ককুভ, উষ্ণিক।]

    ত্বং ন ইন্দ্রা ভর ওজো নৃণং শতক্রতো বিচৰ্ষণে। আ বীরং পৃতনাযহম্ ॥১॥ ত্বং হি নঃ পিতা বসো ত্বং মাতা শতক্রতো ভূবিথ। অধা তে সুমীমহে৷ ২৷ ত্বাং শুস্মিন্ পুরুহুত বাজয়ন্তমুপ ব্ৰুবে শতক্রতো। স নো রাস্ব সুবীর্যম্ ॥৩॥

    সূক্তসার— শতকর্মা ইন্দ্রদেব আমাদের ধন, বল ও শত্ৰু-পরাভবক্ষম সন্তান প্রদান করুন। আমাদের পিতৃ ও মাতৃসদৃশ তোমার নিকটে আমরা সুখ যাচ্ঞা করছি। হবিরম্ন কামনাকারী আপনার স্তুতি করছি। আমার বীর পুত্র সহ ধন প্রদান করুন। সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –বজ্ৰপুনঃস্তোমাখ্যয়োরোহয়ো ত্বং ন ইন্দ্রা ভর ইত্যেষ উথস্তোত্রিয়ো ভবতি। তৎ উক্তং বৈতানে।…তথা পবিত্রাদিযু রাজসূয়ৈকাহেষু এতস্য বিনিয়োগঃ অধা হীন্দ্র গির্বণঃ (২০।১০০) ইত্যনেন সহ উক্তঃ।–ইত্যাদি। (২০কা, ৯অ. ১২.)।

    টীকা –বজ্র ও পুনঃস্তোম নামক একাহ যাগে উপযুক্ত সুক্ত উথস্তোক্রিয় হয়। বৈতানে (৮।১) বলা হয়েছে–বজে পুনঃস্তোমে ত্বং ন ইন্দ্রা ভরেতি। আবার পবিত্র ইত্যাদি রাজসূয় একাহ যাগে এর বিনিয়োগ ২০কা.।.৯অ.৪ সূক্তের সাথে উক্ত হয়। এইভাবে এই সূক্তটির বিভিন্ন রকম বিনিয়োগ বিভিন্ন সূক্তের সাথে উক্ত হয়। যেমন,-শ্রায়ন্ত ইব সূর্যং (২০।৫।২১) সূক্তের সাথে এই সূক্তটি পৃষ্ঠ, উথ ও স্তোত্রিয় হয়; পৃষ্ঠ্য ষড়হের তৃতীয় দিবসে এই সূক্তের বিনিয়োগ ইন্দ্রেণ সং হি দৃক্ষসে (২০।৫।৩) সূক্তের সাথে উক্ত হয়।–এইরকম আরও অনেক বিনিয়োগের নির্দেশ বৈতানে (৮।৩, ৮।৪) উক্ত হয়েছে। (২০কা, ৯অ. ১২সূ.) ॥

    .

    ত্রয়োদশ সূক্ত

    [ঋষি : গোতম। দেবতা : ইন্দ্র। ছন্দ : পংক্তি।]

    স্বাদোরিখা বিমূবতে মধ্বঃ পিবন্তি গৌর্যঃ। যা ইন্দ্রেণ সোবরীবৃষ্ণা মদন্তি শোভসে বম্বীরনু স্বরাজ্য ॥১॥ তা অস্য পৃশনাযুবঃ সোমং শ্রীণন্তি পৃশ্লয়ঃ। প্রিয়া ইন্দ্রস্য ধেনর্বো বজ্ৰ হিন্তি সায়কং বীরনু স্বরাজ্য ৷৷ ২। তা অস্য নমসা সহঃ সপৰ্যন্তি প্রচেতসঃ। ব্ৰতান্যস্য সশ্চিরে পুরূণি পূর্বচিত্তয়ে বীরনু স্বরাজ্য৷৩৷৷

    সূক্তসার –স্তোত্ররূপ বাণীসমূহ বিষুবত যজ্ঞের স্বাদিষ্ট মধুকে এইভাবে পান করুক, যাতে রাত্রিসমূহ পর্যন্ত ইন্দ্র সুসঙ্গত ও হর্ষিত হয়ে থাকেন। তার পরেই যজমান আপন রাজ্যে সুশোভিত হবেন। বাণীসমূহ হবির দ্বারা ইন্দ্রের পূজা করছে, এবং যজমানের মহান ব্রত ইন্দ্রের সাথে মিলিত হচ্ছে।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –সাহাখ্যাশ্চত্বার একাহা ব্রাহ্মণপঠিতাঃ। তেষাং প্রথমদ্বিতীয়য়োঃ স্বাদোরিখা বিষুবতঃ ইতি পৃষ্ঠস্তোত্রিয়ো ভবতি। তৎ উক্তং বৈতানে।–ইত্যাদি৷৷ (২০কা, ৯অ. ১৩সূ.)।

    টীকা –ব্রাহ্মণে পঠিত সাহস্র নামক চারটি একাহ যাগের প্রথম ও দ্বিতীয় দিবসে উপযুক্ত সূক্তটিতে পৃষ্ঠস্তোত্রিয় হয়ে থাকে। বৈতানে (৮।১) উক্ত হয়–সাহাদয়ো স্বাদোরি বিমূবত ইতি।আবার অশ্বমেধ যজ্ঞের তিন দিবস সাধ্য যাগের দ্বিতীয় দিবসে এই সূক্তটির বিনিয়োগ বাচমষ্টাপদীমহং (২০কা. ৫অ. ৫সূ.) সূক্তের দ্বারা আজ্যপৃষ্ঠ ও স্তোত্রিয় হয় ॥ (২০কা, ৯অ. ১৩সূ.)।

    .

    চতুর্দশ সূক্ত

     [ঋষি : শ্রুতকক্ষ বা সুকক্ষ। দেবতা : ইন্দ্র। ছন্দ : গায়ত্রী।]

    ইন্দ্রায় মদ্বনে সুতং পরি ষ্টোভন্তু নো গিরঃ। অর্কমচন্তু কারবঃ ॥১॥ যস্মিন বিশ্বা অধি শিয়ো রণন্তি সপ্ত সংসদ। ইন্দ্রং সুতে হবামহে ॥ ২॥ ব্রিককেষু চেতনং দেবাশো যজ্ঞমত্নত। তমিৎ বর্ধন্তু নো গিরঃ ॥৩॥

    সূক্তসার –সেবার যোগ্য এই যজ্ঞে নিষ্পন্ন সোমের সাথে যুক্ত আমাদের বাণীসমূহ স্তুতিরূপে ইন্দ্রের পূজা করুক। সকল বিভূতিময়ী সভায় প্রাপ্তব্য ইন্দ্রকে সোম সংস্কারিত হবার পরে আহূত করছি। এই জ্ঞানদায়ক যজ্ঞকে আমাদের বাণীসমূহ প্রবৃদ্ধ করুক।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ — বিরাডাদিষু সপ্তস্বেকাহেষু ইন্দ্রায় মদ্বনে সুতং (২০।১১০) যৎ সোমমিন্দ্র বিষ্ণবি (২০।১১১) এতৌ আজ্যোথস্তোত্রিয়ৌ ভবতঃ। তৎ উক্তং বৈতানে।-ইত্যাদি। (২০কা, ৯অ. ১৪সূ.)।

    টীকা –উপযুক্ত সুক্তটি ও এর পরবর্তী সূক্তটি বিরাট ইত্যাদি সপ্তসংখ্যক একাহ যাগে আজ্য, উথ, ও স্তোত্রিয় হয়। বৈতানে (৮।২) উক্ত আছে-বিরাজি ভূমিস্তোমে বনস্পতিসবে ত্বিষ্যপচিতোরিন্দ্রা গ্লোঃস্তোম ইন্দ্রাগ্ন্যোকুলায় ইন্দ্রায় মদ্বনে সুতং যৎ সোমমিন্দ্র বিষ্ণবীতি।(২০কা. ৯অ. ১৪সূ.)।

    .

     পঞ্চদশ সূক্ত

    [ঋষি : পর্বত। দেবতা : ইন্দ্র। ছন্দ : উষ্ণিক।]

    যৎ সোমমিন্দ্র বিষ্ণবি যদ্বা ঘ ত্রিত আপ্ত্যে। যদ্বা মরুৎসু মন্দসে সমিন্দুভিঃ ॥১॥ যদ্বা শক্র পরাবতি সমুদ্রে অধি মন্দসে। অস্মাকমিৎ সুতে রণা সমিন্দুভিঃ ॥২॥ যদ্বাসি সুম্বততা বৃঘো যজমানস্য সৎপতে। উথে বা যস্য রণ্যসি সমিন্দুভিঃ ॥৩৷৷

    সূক্তসার –ত্রিতে, যজ্ঞে, আপ্ত্যে ও মরুৎ-সকলের মধ্যে যে ইন্দ্র হর্ষিত হন, যিনি দূরস্থ সমুদ্র বা আমাদের যজ্ঞে হর্ষিত হন, যিনি সোমের সংস্কারক যজমানকে প্রবৃদ্ধ করেন, যিনি উথ মন্ত্রে। বিহার করেন–সেই ইন্দ্রদেব সোমের দ্বারাই হর্ষিত হয়ে থাকেন।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –যৎ সোমমিন্দ্র বিষ্ণবি ইত্যস্য বিনিয়োগঃ পূর্বসূক্তেন সহ উক্তঃ ..তৎ উক্তং বৈতানে।–ইত্যাদি। (২০কা, ৯অ: ১৫সূ.)।

    টীকা –উপযুক্ত সূক্তটির বিনিয়োগ পূর্বসূক্তের সাথে উক্ত হয়। তথা পবিত্র ইত্যাদি রাজসূয় যজ্ঞের একাহে ও চতুর্থ দিবসে এই সূক্তের বিনিয়োগ অধা হীন্দ্র গির্বণঃ (২০।৯৪) ইত্যাদি সূক্তের সাথে উক্ত। তথা অভিপ্লবের ষষ্ঠ দিবসে য এক ইৎ বিদয়তে (২০ কাণ্ডের ৫ অনুবাকের ২৬ সূক্তের ৪ মন্ত্রে) ও উপযুক্ত সূক্ত উথ ও স্তোত্রিয় বিকল্পিত হয়। বৈতানে উক্ত হয়েছে-যষ্ঠমুকথ্যং চেৎ য এক ইং বিদয়তে যৎ সসামমিন্দ্র বিষ্ণবীতি (বৈ. ৮।৩) ৷ (২০কা, ৯ম, ১৫সূ.)।

    .

    ষোড়শ সূক্ত

     [ঋষি : সুকক্ষ। দেবতা : ইন্দ্র। ছন্দ : গায়ত্রী।]

    যদদ্য কচ্চ বৃত্ৰহমুদগা অভি সূর্য। সর্বং তদিন্দ্র তে বশে ॥১॥ যদ্বা প্রবৃদ্ধ সৎপতে ন মরা ইতি মন্যসে। উতত তৎ সত্যমিৎ তব ॥২৷৷ যে সোমাসঃ পরাবতি যে অর্বাবতি সুন্বিরে। সর্বাংস্তা ইন্দ্র গচ্ছসি॥৩৷৷

    সূক্তসার –হে সূর্যাত্মক ইন্দ্র! আপনি আপন অধীনস্থ কালে উদিত হয়ে থাকেন। আপনি যাকে কৃপা করেন, তার মৃত্যু হয় না। দূরে বা নিকটে যেখানেই সোম অভিযুত হোক না কেন, সেখানেই ইন্দ্রের আগমন সংঘটিত হয়।

    টীকা— বিনুতি অভিভূতি ইত্যাদি অষ্টসংখ্যক একাহ (দ্বকৈাহে8) যাগে উপযুক্ত সূক্তটি এবং পরবর্তী উভয়ং শৃণুবচ্চ ন–এই দুটি আজ্যপৃষ্ঠ ও স্তোত্রিয় হয়। বৈতানে (৮।২) উক্ত হয়– বিনুত্যভিভূতো রাশিমরাশয়ঃ শদোপশদয়োঃ সম্রাট্রস্বরাজোৰ্যদদ্য কচ্চ বৃহন্নভয়ং শৃণুবচ্চ ন ইতি। (২০কা, ৯অ. ১৬সূ.)।

    .

    সপ্তদশ সূক্ত

     [ঋষি : ভর্গ। দেবতা : ইন্দ্র। ছন্দ : প্রগাথ।]

    উভয়ং শূণৰচ্চ ন ইন্দ্রো অর্বাগিদং বচঃ সত্ৰাচ্যা মঘবা সোমপীতয়ে ধিয়া শবিষ্ঠ আ গমৎ ॥১॥ তং হি স্বরাজং বৃষভং তমোজসে ধিষণে নিষ্টততুঃ। উতোপমানাং প্রথমে নি যীদসি সোমকামং হি তে মনঃ ॥ ২॥

    সূক্তসার –ইন্দ্রদেব দ্যাবা ও পৃথিবী–উভয় লোকে হিতকর কার্য করণশালী। তিনি আমাদের কথা শ্রবণ পূর্বক বা আমাদের আহ্বান রক্ষার্থে সোম পানের নিমিত্ত এই স্থানে আগমন করছেন। তিনি অভীষ্টবর্ষক, তেজস্বী এবং আকাশ ও পৃথিবীরূপ তনুধারী।

    টীকা –উপযুক্ত সূক্তটির বিনিয়োগ পূর্ববর্তী সূক্তের বিনিয়োগের টীকা অংশে বিধৃত। (২০কা, ৯অ. ১৭সূ.)।

    .

    অষ্টাদশ সূক্ত

    [ঋষি : সৌভরি। দেবতা : ইন্দ্র। ছন্দ : গায়ত্রী।]

    অভ্রাতৃব্যো অনা মনাপিরিন্দ্র জনুষা সনাদসি। যুধেদাপিত্বমিচ্ছসে ॥ ১৷৷ নকী রেবন্তং সখ্যায় বিন্দসে পীয়ন্তি তে সুরাশ্বঃ। যদা কৃগোষি নদনুং সমূহস্যাদিৎ পিতেব হুয়সে ॥ ২॥ সূক্তসার –ইন্দ্র প্রকটিত হওয়া মাত্রই যুদ্ধে আপিত্ব কামনা করেছিলেন। তাঁর কোন শত্রু নেই। তাঁকে সুরাশ্ব পুষ্ট করে। তিনি গর্জনশীল হয়ে পিতার ন্যায় আহ্বান করেন এবং মনুষ্যগণকে সখ্যভাব প্রাপ্ত করান।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –পবিত্ৰাদিষু রাজসূয়ৈকাহেষু অভ্রাতৃব্যো অনা ত্বং ইত্যস্য বিনিয়োগঃ অধা হীন্দ্র গির্বণঃ ইত্যনেন সহ উক্ত।–ইত্যাদি৷৷ (২০কা, ৯অ. ১৮সূ.)।

    টীকা –পবিত্র ইত্যাদি রাজসূয় একাহ যাগে ২০কা। ৯৩।১৫, ২০কা। ৯অ ৪সূ, উপযুক্ত সূক্তটি ও ২০কা। ৯অ.।১২সূ.-এগুলি যথাসম্ভব উথ স্তোত্রিয় হয়। তথা অভিপ্লব ষড়হে গবাশ্য দিবসেও উপযুক্ত সূক্তের দারা উথ স্তোত্রিয় হয়। বৈতানে (৮ ।৩) এই সম্পর্কে উক্তি আছে ৷৷ (২০কা, ৯অ. ১৮সূ.)।

    .

    ঊনবিংশ সূক্ত

    [ঋষি : বৎস। দেবতা : ইন্দ্র। ছন্দ : গায়ত্রী।]

    অহমিদ্ধি পিতুরি মেধামৃতস্য জগ্রভ। অহং সূর্য ইবাজনি॥১॥ অহং প্রত্নেন মন্মনা গিরঃ শুম্ভামি কবৎ। যেনেঃ শুম্মমিৎ দধে ॥ ২॥ যে ত্বামিন্দ্র ন তুষ্টুবুঋষয়ো যে চ তুষ্টুবু। মমেৎ বর্ধস্ব সুষ্ঠুতঃ ॥৩৷৷ সূক্তসার –আমি সূর্যের ন্যায় উৎপন্ন হয়েছি এবং পিতা ব্রহ্মার ন্যায় বুদ্ধি প্রাপ্ত হয়েছি। প্রাচীন স্তোত্রবাণীর দ্বারা আমি ইন্দ্রকে শক্তিমান্ করেছি। হে ইন্দ্রদেব! আপনার স্তোতা বা অস্তোতাগণের প্রতি উদাসীন থাকুন এবং আমার স্তুতিতে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হোন।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –সদ্যঃক্রাভিধানেষু একাহেষু শ্যেনযাগবর্জিতেষু অহমিদ্ধি পিতুম্পরি ইত্যাজ্যস্তোত্রিয়ো ভবতি।-ইত্যাদি। (২০কা, ৯অ. ১৯সূ)।

    টীকা –উপযুক্ত সূক্তটির উল্লিখিত বিনিয়োগ প্রসঙ্গে বৈতানিকে (৮২) বলা হয়েছে-সাদ্যক্রেযু শ্যেনবর্জং অহমিদ্ধি পিতুষ্পরীতি চ। সুতরাং শ্যেনাগবর্জিত সাদ্যঃক্রাভিধান একাহে এই সূক্তটিতে আজ্য স্তোত্রিয় হয়ে থাকে৷৷ (২০কা, ৯অ. ১৯সূ)।

    .

    বিংশ সূক্ত

    [ঋষি : মেধ্যাতিথি। দেবতা : ইন্দ্র। ছন্দ : বৃহতী।]

    মা ভূম নিষ্ট্যা ইবেন্দ্র ত্বরণা ইব। বনানি ন প্রজহিতান্যদিবো দুরোসো অমহি ॥১॥ অমন্মহীদনাশবোহনুগ্রাসশ্চ বৃহন। সকৃৎ সু তে মহতা শূর রাধসানু স্তোমং মুদীমহি ॥২॥ সূক্তসার– হে ইন্দ্রদেব! আমরা আপনার ঋণ পরিশোধ করতে অক্ষম হওয়ায় যেন দুষ্ট শত্রুর ন্যায় মনে করবেন না। আপনার দ্বারা ত্যাজ্য সামগ্রীকে আমরাও দাবানলের ন্যায় ত্যাজ্য মনে করি। হে বৃহ! বিনাশরিহত আমরা আপনার বৃদ্ধিতেই সুখী।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ— অতিরাত্ৰাণাং সর্বস্তোমাখ্যয়োঃ মা ভূম নিষ্ট্যা ইব (২০।১১৬) বিধুং দদ্রাণং সলিলস্য পৃষ্ঠে (৯।১০।৯) এতৌ পৃষ্ঠস্তোত্রিয়ৌ যথাক্ৰমং ভবতঃ। তৎ উক্তং বৈতানে। ইত্যাদি৷৷ (২০কা, ৯অ, ২০সূ.)৷

    টীকা –অতিরাত্রে সর্বস্তোম নামক যাগে উপযুক্ত সূক্তটি ও ৯ম কাণ্ডের ৫ম অনুবাকের ২য় সূক্তের ৯ম মন্ত্র (বিধুং দদ্রাণং সলিলস্য ইত্যাদি) যথাক্রমে পৃষ্ঠ ও স্তোত্রিয় হয়। বৈতানে উক্ত হয়–অতিরাত্ৰাণাং সর্বস্তোময়োর্মা ভূম নিষ্টা ইব বিধুং দদ্রাণং সলিলস্য পৃষ্ঠ ইতি (বৈ. ৮।২)। তথা চতুরহণের সকল দিবসেও এগুলি বিকল্পিত পৃষ্ঠ ও স্তোত্রিয় হয়। বৈতানে (৮।৩) এই সম্পর্কে যথাযথ নির্দেশ আছে। (২০কা, ৯অ. ২০সূ)।

    .

    একবিংশ সূক্ত

     [ঋষি : বসিষ্ঠ। দেবতা : ইন্দ্র। ছন্দ : বিরাট।]

    পিৰা সোমমিন্দ্র মন্তু ত্বা যং তে সুষাৰ হযশ্বাদ্রিঃ। সোতুবাহুভ্যাং সুযতো নাৰ্ব ॥১॥ যস্তে মদো যুজ্যশ্চারুরস্তি, যেন বৃত্রাণি হযশ্ব হংসি। স কামিন্দ্র প্রভূবসো মমভু ॥ ২॥ বোধা সু মে মঘবন বাচমেমাং যাং তে বসিষ্ঠো অর্চতি প্রশস্তিম। ইমা ব্ৰহ্ম সধমাদে জুষস্ব ॥৩।

    সূক্তসার –হে হ্যবান্ ইন্দ্রদেব! সোম-পেষণকারী পাষাণ সোম-সংস্কর্তার হস্তেই রয়েছে; আপনি এই সোম পান পূর্বক হর্ষান্বিত হোন। যে মদে অন্বিত হয়ে আপনি মেঘকে বিদীর্ণ করেন, তার দ্বারাই আপনি হর্ষিত হোন। মুনিবর বশিষ্ঠ কর্তৃক গীত আপনার যশরূপ মন্ত্ররাশি, আমাদের বাণীর মধ্যেও ধ্বনিত হচ্ছে; আপনি সেগুলি স্বীকার করুন।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –ত্রিবৃদাদিযু পিবা সোমমিন্দ্র মন্তু ত্ব ইত্যস্য বিনিয়োগঃ বয়মেন মিদা হ্যঃ (২০।৯৭) ইত্যনেন সহ উক্তঃ।-ইত্যাদি৷৷ (২০কা, ৯অ. ২১সূ.)।

    টীকা –ত্রিবৃৎ ইত্যাদি যাগে উপযুক্ত সূক্তটির বিনিয়োগ এই কাণ্ডের এই অনুবাকের ১ম সূক্তের বিনিয়োগ অংশে বিধৃত, অর্থাৎ দুটি সূক্তই একত্রে বিনিযুক্ত হয়। আবার তনুপৃষ্ঠ ষড়হ যাগে উপযুক্ত সূক্তটি, এই কাণ্ডের ৭ম অনুবাকের ১০ম সূক্ত (যৎ দ্যাব ইন্দ্র তে শতং ইত্যাদি), এবং অপর কতকগুলি সূক্ত যথাক্রমে পৃষ্ঠস্তোত্রিয় হয়। বৈতানে (৮।৪) উক্ত আছে-তনুপৃষ্টেভি ত্বা শূর নোনুমজ্বামিদ্ধি হবামহে যৎ দ্যাব ইন্দ্র তে শতং পিবা সোমমিন্দ্র মন্তু ত্বা কয়া নশ্চিত্ৰ আ ভুবৎ রেবতীনঃ সধমাদ ইতি। (২০কা, ৯অ. ২১সূ.)।

    .

    দ্বাবিংশ সূক্ত

     [ঋষি : ভর্গ (১–২), মেধ্যাতিথি (৩–৪)। দেবতা : ইন্দ্র। ছন্দ : প্রগাথ।]

    শঙ্কু শচীপত ইন্দ্র বিশ্বাভিরূতিভিঃ। ভগং ন হি ত্বা যশসং বসুবিদমনু শূর চরামসি ॥১॥ পৌরো অশ্বস্য পুরুকৃদ গবামস্যুৎসো দেব হিরণ্যয়ঃ। নকিহি দানং পরিমধিষৎ ত্বে যদ্যদ্যামি তদা ভর। ২৷৷ ইন্দ্রমিৎ দেবতাতয় ইন্দ্রং প্ৰয়ত্যধ্বরে। ইন্দ্রং সমীকে বনিনো হবামহ ইন্দ্রং ধনস্য সাতয়ে ॥৩৷৷ ইন্দ্রো মা রোদসী পথচ্ছব ইন্দ্রঃ সূর্যময়োচয়ৎ। ইন্দ্রে হ বিশ্বা ভুবনানি যেমির ইন্দ্রে সুবানাস ইন্দবঃ ॥৪॥

    সূক্তসার –আমার যাচনা এই যে, আমি যেন ইন্দ্রের সকল রক্ষা-সাধনের দ্বারা যশ ও সৌভাগ্য লাভ করি। ইন্দ্র নগরবাসীগণকে অশ্ব-গো-হিরণ্য ও অপরিমিত ধন প্রদান করে থাকেন। ইন্দ্ৰই সূর্যকে তেজোময় করেছেন এবং আপন মহিমায় দ্যাব-পৃথিবীকে বিস্তৃত করেছেন। সকল ই ভুবন এই ইন্দ্রেই আশ্রিত। এই সোম সেই ইন্দ্রদেবের নিমিত্তই নিষ্পন্ন হচ্ছে।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –চাতুর্মাস্যবৈশ্বদেবাদীনাং সপ্তানাং হাণাং প্রথমেম্বহঃসু শঙ্কু যু শচীপতে ইত্যেব পৃষ্ঠস্তোত্রিয় ভবতি। তৎ উক্তং বৈতানে।..তথা ত্রিককুদ্দশাহাহীনে অস্য বিনিয়োগঃ ক ঈং বেদ সুর্তে সচা (২০।৫৩) ইতনেন সহ উক্তঃ।–ইত্যাদি৷৷(২০কা, ৯অ. ২২সূ.)।

    টীকা –চাতুর্মাস্যে বৈশ্বদেব ইত্যাদি সাতটি এ্যহ যাগের প্রথম দিবসগুলিতে উপযুক্ত সূক্তে পৃষ্ঠস্তোত্রিয় হয়। এই সম্পর্কে বৈতানে (৮৩) যথাযথ উল্লেখ আছে। আবার, ত্রিককুৎ দশাহ যাগে এই সূক্তের বিনিয়োগ ক ঈং বেদ সুতে সচা (২০৫১৬) সূক্তের সাথে উক্ত হয়। সাকমেধ হ যাগের প্রথম দিবসগুলিতে উপযুক্ত সূক্তের ৩য় মন্ত্র (ইন্দ্ৰমিৎ দেবতাতয়ে ইত্যাদি) পৃষ্ঠস্তোত্রিয় হয়। যেমন, সাকমেধস্যেন্দ্রমিৎ দেবতাতয় ইতি (বৈ. ৮৩)। (২০কা, ৯অ. ২২)।

    .

    ত্রয়োবিংশ সূক্ত

     [ঋষি : আয়ু (১), শ্রুষ্টিগু (২)। দেবতা : ইন্দ্র। ছন্দ : প্রগাথ।]

    অস্তাবি মন্ম পূৰ্যং ব্রহ্মেন্দ্রায় বোচত। পূর্বীঋতস্য বৃহতীরন্ষত স্তোতুর্মেধা অসৃক্ষত ॥১॥ তুরণ্যবো মধুমন্তং ঘৃতশ্রুতং বিপ্রাসো অকমান্চুঃ। অস্মে রয়িঃ পথে বৃষ্ণং শবোহস্মে সুবানাস ইন্দবঃ ॥২॥

    সূক্তসার— ঋত্বিকবৃন্দ আমার মতোই প্রাচীন স্তোত্রে ইন্দ্রের আরাধনা করুন। এর দ্বারাই, যজমানের ধন ও বল বৃদ্ধি লাভ করবে।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ— বৈশ্বদেবাদিহে অস্তাবি মন্ম পূৰ্বং ইত্যস্য বিনিয়োগঃ তমিং বাজায়ামসি (২০।৪৭) ইত্যনেন সহ উক্ত৷৷ (২০কা, ৯অ. ২৩সূ.)।

    টীকা— বৈশ্বদেব ইত্যাদি এ্যহ যাগের দ্বিতীয় দিবসে উপযুক্ত সূক্তটির বিনিয়োগ এই কাণ্ডের ৫ম অনুবাকের ১০ম সূক্তের (তমিং বাজয়ামসি মহে ইত্যাদির) সাথে উক্ত হয়। অবশ্য বৈতান সূত্র (৮।৩) অনুসারে উল্লিখিত যাগে ও দিবসে তমিং বাজয়ামসি, অস্তাবি মন্ম পূৰ্বং, তং তে মদং গৃণীমসি (২০।৫। ২৪)–ইত্যাদি সূক্ত যথাসম্ভব আজ্য, পৃষ্ঠ্য, উথ ও স্তোত্রিয় হয় ॥ (২০কা, ৯অ. ২৩সূ.)।

    .

    চতুর্বিংশ সূক্ত

     [ঋষি : দেবাতিথি। দেবতা : ইন্দ্র। ছন্দ : প্রগাথ।]

    যদি প্রাগপাগুদন্যগ বা হুয়সে নৃভিঃ। সিমা পুরু নৃতো অস্যানবেইসি প্রশর্ধ তুর্বশে॥১॥ যদ্বা রুমে রুশমে শ্যাবকে কৃপ ইন্দ্র মাদয়সে সচা। কথাসস্থা ব্রহ্মভি স্তোমবাহস ইন্দ্রা যচ্ছত্যা গহি। ২।

    সূক্তসার –ইন্দ্রদেব চতুর্দিকস্থায়ী মনুষ্যগণ কর্তৃক আহূত হয়েছেন। কথ-গোত্রিয় ঋষি কর্তৃক প্রদত্ত হবিতে প্রকটিত-আনন্দময় ইন্দ্রদেব এই যজ্ঞে আগত হোন।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –দশাহস্য গবাময়ানিকস্য অষ্টমেহনি যদিন্দ্র প্রাগপাগুদঙন্যগ ইত্যেব উকথস্তোত্রিয় ভবতী। উক্তং বৈতানে।–ইত্যাদি৷৷ (২০কা, ৯অ. ২৪সূ.)৷৷

    টীকা –দশাহ গবাময়নিকের অষ্টম দিবসে উপযুক্ত সূক্তে উথস্তোত্রিয় হয়। বৈতানিকে (৮।৪) বলা হয়েছে–দশাহস্যাষ্টমে যদিন্দ্র প্রাগপাগুদগিতি। তথা ত্রিককু দশাহ অহীনের উপযুক্ত সূক্তের বিনিয়োগ ক সং বেদ সুতে সচা (২০।৫।১৬)–এই সূক্তের সাথে উক্ত হয়। (২০কা, ৯অ. ২৪সূ.)।

    .

    পঞ্চবিংশ সূক্ত

    [ঋষি : বসিষ্ঠ। দেবতা : ইন্দ্র। ছন্দ : প্রগাথ।]

    অভি ত্বা শূর নোনুমোহদুগ্ধা ইব ধেনবঃ। ঈশানমস্য জগতঃ স্বদৃশমীশানমিন্দ্র তস্তুষঃ ॥১৷৷ ন ত্বাবা অন্যো দিব্যো ন পার্থিবো ন জাতো ন জনিষ্যতে। অশ্বায়ন্তো মঘবন্নি বাজিনো গব্যস্তত্ত্বা হবামহে ॥ ২॥

    সূক্তসার –ইন্দ্রদেব সংসারের ঈশ্বর এবং স্বর্গের দ্রষ্টা। কোন পার্থিব বা দিব্য প্রাণী তার সমকক্ষ নয়। আমরা গো, অশ্ব ও অন্নের কামনায় তাকে আহ্বান জ্ঞাপন করছি।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –তনূপৃষ্ঠে ষড়হে অভি ত্বা শূর নোনুমঃ ইত্যস্য বিনিয়োগঃ যৎ দ্যাব ইন্দ্র তে শতং (২০।৮১) ইত্যনেন সহ উক্তঃ। (২০কা. ৯অ. ২৫সূ.)।

    টীকা— তনুপৃষ্ঠে ষড়হ যাহে উপযুক্ত সূক্তটির বিনিয়োগ এই কাণ্ডের ৭ম অনুবাকের ১০ম সূক্তের বিনিয়োগের টীকা অংশে দ্রষ্টব্য। (২০কা, ৯অ. ২৫সূ.)।

    .

    ষড়বিংশ সূক্ত

    [ঋষি : শুনঃশেপ। দেবতা : ইন্দ্র। ছন্দ : গায়ত্রী।]

    রেবতীর্নঃ সধমাদ ইন্দ্ৰে সন্তু তুবিবাজাঃ। ক্ষুমন্তো যাভিৰ্মদেম ॥১॥ ও আ ঘ ত্বাৰাত্মনাপ্ত স্তোতৃভভ্যা ধৃষ্ণবিয়ানঃ। ঋণোরক্ষং ন চক্র্যোঃ ॥ ২॥ আ য দুবঃ শতক্রতবা কামং জরিতৃণা। ঋণোবক্ষং ন শচীভিঃ ॥৩॥

    সূক্তসার –যজ্ঞে ইন্দ্রের আগমনের পর আমরা অন্নের বিভিন্ন বিভূতির দ্বারা সুখ লাভ করবো। ইন্দ্রের দয়াপ্রাপ্ত মনুষ্য রথচক্রের অক্ষের ন্যায় দৃঢ়তা লাভ করে। ইন্দ্রের উপাসকগণও তাঁর বল প্রাপ্ত হয়।

     সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –তনুপৃষ্ঠে ষড়হে রেবতীর্ন সধমাদে ইত্যস্য বিনিয়োগঃ যৎ দ্যাব ইন্দ্র তে শতং (২০।৮১) ইত্যনেন সহ উক্তঃ। (২০কা, ৯অ. ২৬সূ.)৷৷

    টীকা— পূর্ববর্তী সূক্তের বিনিয়োগ প্রসঙ্গে টীকা অংশ দ্রষ্টব্য। প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ্য যে, দুটি ঋক্‌ সম্বলিত উল্লিখিত যৎ দ্যাব ইন্দ্র তে শতং (২০কা, ৭অ. ১০সূ.)–সূক্তটি ৮ম অনুবাকের ২য় সূক্তের শেষ দুটি ঋরূপে পাওয়া যায়। (২০কা, ৯অ. ২৬সূ.)।

    .

    সপ্তবিংশ সূক্ত

    [ঋষি : কুৎস। দেবতা : সূর্য। ছন্দ : ত্রিষ্টুপ।]

    তৎ সূর্যস্য দেবত্বং তন্মহিত্বং মধ্যা কর্তোর্বিততং সং ভার। যদেদযুক্ত হরিতঃ সধস্থাদাদ্রাত্রী বাসস্তনুতে সিমস্মৈ ॥১॥ তন্মিত্রস্য বরুণস্যাভিচক্ষে সূর্যো রূপং কৃণুতে দ্যোরূপস্থে। অনন্তমন্যদ রুশদস্য পাজঃ কৃষ্ণমন্যদ্ধরিতঃ সং ভরন্তি ॥ ২॥

    সূক্তসার –আপন মহিমার দ্বারা যখন সূর্য আপন কিরণরাশিকে আপনার মধ্যে সংহত করে নেন, তখন জগতের সকল কার্যও আপনার মধ্যে সঙ্কুচিত করে থাকেন। এই কালে অন্ধকার সমগ্র পৃথিবীকে বস্ত্রাবৃত করে থাকে। মিত্রাবরুণ সূর্যরূপে স্বর্গে আপন রূপ রচনা করেন। সূর্যের প্রকটিত তোজোরাশির একটি কৃষ্ণবর্ণের।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ — বিষুবতি সৌর্যপৃষ্ঠে মাধ্যন্দিনে চিত্রং দেবানামুদগাদনীকং (২০।১০৭।১৪) তৎ সূর্যস্য দেবত্বং তন্মহিত্বং (২০।১২৩) ইতি পৃষ্ঠস্তোত্রিয়ানুরূপৌ ভবতঃ। তৎ উক্তং বৈতানে। ইত্যাদি৷৷ (২০কা, ৯অ. ২৭সূ.)।

    টীকা –বিষুব সৌর্যপৃষ্ঠ মাধ্যন্দিন যাগে এই কাণ্ডের অনুবাকের ১১শ সূক্তের ১৪শ ঋক্ ও উপযুক্ত সূক্ত পৃষ্ঠস্তোত্রিয় ও অনুরূপ হয়। যেমন,চিত্রং দেবানামুদগাদনীকং তৎ সূর্যস্য দেবত্বং তন্মহিত্বং ইতি পৃষ্ঠস্তোত্রিয়ানুরূপৌ (বৈ. ৬।৩)। (২০কা. ৯অ. ২৭সূ.)।

    .

    অষ্টাবিংশ সূক্ত

    [ঋষি : বামদেব (১–৩), ভুবন (৪–৬)। দেবতা : ইন্দ্র। ছন্দ : গায়ত্রী (১–২), পাদনিচৃৎ (৩), ত্রিষ্টুপ (৪–৬)।]

    কয়া নশ্চিত্র আ ভুবদূতী সদাবৃধঃ সখা। কয়া শচিয়া বৃতা ॥১॥ কস্তুা সতত্যা মদানাং মংহিষ্ঠা মৎসন্ধসঃ। দৃ চিদারুজে বসু ॥ ২॥ অভী যুণঃ সখীনামবিতা জরিতৃণা। শতং ভবাতিভিঃ ॥৩৷৷ ইমা নু কং ভুবনা সীধামেন্দ্ৰশ্চ বিশ্বে চ দেবাঃ। যজ্ঞং চ নস্তং চ প্রজাং চাদিত্যৈরিন্দ্রঃ সহ চীপাতিঃ ॥৪॥ আদিতৈরিন্দ্রঃ সগণণা মরুদ্ভিরস্মাকং ভূত্ববিতা তন্নাম। হয় দেবা অসুরা যদায় দেবা দেবত্বমতিরক্ষমাণাঃ ॥৫ প্রত্যঞ্চমৰ্কৰ্মনয়ং ছচীভিরাদিৎ স্বধামিষিরাং পর্ষপশ্য। অরা বাজং দেবহিতং সনেম মদেম শতহিমাঃ সুবীরাঃ ॥ ৬।

    সূক্তসার –সদা বর্ধনশীল মিত্ৰদেবের রক্ষাত্মক বৃত্তি কিভাবে পূর্ণ হবে? হে ইন্দ্রদেব! হর্ষজনক হবির সোমরূপ অন্নের কোন্ শ্রেষ্ঠ অংশ আপনি আপনার ভক্তদের মধ্যে বন্টন করেন? আপনি সখারূপে শত শত বার আমাদের সম্মুখে আবির্ভূত হোন। আদিত্যবান্ আপনি মরুৎ-বর্গের সাথে আমাদের দেহ ও সন্তানকে সশক্ত করুন। ইন্দ্রদেব আমাদের শত সম্বৎসরকাল আয়ু প্রদান করুন।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –তনুপৃষ্ঠে ষড়হে কয়া নশ্চিত্ৰ আ ভুবৎ ইত্যস্য বিনিয়োগঃ যৎ দ্যাব ইন্দ্র তে শতং (২০।৮১) ইত্যনেন সহ উক্তঃ। (২০কা, ৯অ, ২৮সূ.)।

    টীকা –উপযুক্ত সূক্তটির বিনিয়োগ ২৬শ সূক্তের মতো। (২০কা, ৯অ. ২৮সূ.)।

    .

     ঊনত্রিংশ সূক্ত

    [ঋষি : সুকীর্তি। দেবতা : ইন্দ্র, অশ্বিনীকুমারদ্বয় (৪–৫)। ছন্দ : ত্রিষ্টুপ, অনুষ্টুপ (৪)।]

    অপেন্দ্র প্রাচো মঘবন্নমিত্রানপাপাচো অভিভূতে নুদস্ব। অপোদীচো অপ শূরাধরাচ উরৌ যথা তব শর্মন্ মদেম। ১। কুবিদঙ্গ যবন্তো যবং চি যথা দন্ত্যনুপূর্বং বিমূয়। ইহেহৈষাং কৃণুহি ভোজনানি যে বহিষো নমোবৃক্তিং ন জম্মুঃ ॥ ২॥ নহি স্থূতুথা যাতমস্তি নোত শ্রবো বিবিদে সঙ্গমেষু। গব্যন্ত ইন্দ্ৰং সখ্যায় বিপ্রা অশ্বায়ন্তো বৃষণং বাজয়ন্তঃ ॥৩॥ যুবং সুরামমশ্বিনা নমুচাবাসুরে সচা। বিপিপানা শুভশতী ইন্দ্রং কর্মবতম। ৪পুত্রমিব পিতরাবশ্বিনোভেন্দ্রাবথুঃ কাব্যৈর্দংসনাভিঃ। যৎ সুরামং ব্যপিৰঃ শচীভিঃ সরস্বতী জ্বা মঘবন্নভিষ্ণক॥ ৫৷৷ ইন্দ্রঃ সুত্রামা স্ববা অবোভিঃ সুমৃড়ীকো ভবতু বিশ্ববেদাঃ। বাধতাং দ্বেষো অভয়ংনঃ কৃপোতু সুবীর্যস্য পতয়ঃ স্যাম ৷৬৷৷ স সুত্ৰামা স্ববা ইন্দ্রো অম্মদারাচ্চিদ দ্বেষঃ সতর্যযোতু। তস্য বয়ং সুমতৌ বজ্ঞিয়স্যাপি, ভদ্রে সৌমনসে স্যাম ॥ ৭৷৷

    সূক্তসার –ইন্দ্রদেব সর্ব দিক হতে শত্রুদের আক্রমণ প্রতিরোধ করুন, যাতে আমরা সুখী থাকতে পারি। অগ্নিদেব হবিঃ সংযুক্ত হয়ে কুশে অবস্থান করুন। আমরা আবশ্যকতানুসারে অন্নপ্রাপ্ত না হওয়ায় অশ্ব, গাভী ও অন্ন প্রার্থনা করছি। নমুচি রাক্ষসের সাথে যুদ্ধের সময়ে সোম পান করে অশ্বিদ্বয় ইন্দ্রকে রক্ষা করেছিলেন। সুশোভিত সোম পানকারী ইন্দ্রদেবকে দেবী সরস্বতী আপন বিভূতিসমূহের দ্বারা সিঞ্চন করে থাকেন। রক্ষক এবং ঐশ্বর্যবান ইন্দ্রদেব তাঁর মঙ্গলময় ভাবনায় আমাদের সদা রক্ষা করুন।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –পৃষ্ঠ্যস্য ষষ্ঠেহনি. অপেন্দ্র প্রাচো মঘূবন্নমিত্রান ইতি সুকীর্ত্যাখ্যস্য সকলসূক্তস্য পচ্ছঃ শংসনে প্রাপ্তে চতুর্থীং অর্ধচশঃ শংসতি। তৎ উক্তং বৈতানে।–ইত্যাদি৷৷ (২০কা, ৯অ. ২৯সূ.)।

    টীকা— পৃষ্ঠ যাগের ষষ্ঠ দিবসে উপযুক্ত সূক্তটি সুকীর্তি নামক সকল সূক্তের দ্বারা প্রশ্নকর্তাকে উত্তরদান ব্যপদেশে চারটি ঋমন্ত্র (সূক্তের অর্ধাংশপ্রায়, অর্থাৎ অপেন্দ্র প্রাচ্যে ইত্যাদি থেকে কর্মস্বাবতম পর্যন্ত) উচ্চারণ করা হয়। বৈতানে (৬।২) উক্ত আছে–অপেন্দ্র প্রাচো মঘবন্নমিত্রা ইতি সুকীর্তিং চতুর্থীমধৰ্চশঃ। আবার সৌত্ৰামণি যাগে গৃহীত আজ্যে কুবিদঙ্গ যুবমন্তঃ ইত্যাদি, অর্থাৎ ২য় মন্ত্রের দ্বারা পয়োগ্রহ (যজ্ঞীয় দুগ্ধাধার পাত্র) গ্রহণকারী অধ্বর্য অভিমন্ত্রণ করেন। বৈতানে (৫।৩) উক্ত হয় গৃহীতেদাজ্যেষু কুবিদঙ্গ যবমন্ত ইতি পয়োগ্রহান্ গৃহ্নং। সেইরকম বপামার্জনের পর উপযুক্ত সূক্তের ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ ও ৭ম ঋকের দ্বারা পয়ঃসুরাহ (যজ্ঞীয় দুগ্ধ ও সুরাধার পাত্র) গ্রহণ পূর্বক হোম অনুমন্ত্রিত করা হয়। এই সম্পর্কেও বৈতানে (৫।৩) উক্তি পাওয়া যায় ॥ (২০কা, ৯অ. ২৯সূ.)।

    .

    ত্রিংশ সূক্ত

     [ঋষি : বৃষাকপি ও ইন্দ্রাণী। দেবতা : ইন্দ্র। ছন্দ : পংক্তি।]

    বি হি সোতোরসৃক্ষত নেন্দ্রং দেবমমংসত। যত্ৰামদদ বৃষাকপিরঃ পুষ্টেষু মৎসখা বিশ্বম্মাদিন্দ্র উত্তরঃ ॥১॥ পরা হীন্দ্র ধাবসি বৃষাকপেরতি ব্যথিঃ। নো অহ প্র বিন্দস্যন্যত্র সোমপীয়ে বিশ্বম্মাদিন্দ্র উত্তরঃ ২ কিময়ং ত্বাং বৃষাকপিশ্চকার হরিতে মৃগঃ। যম্মা ইস্যসীদু স্বর্যো বা পুষ্টিমদ বসু বিশ্বম্মাদিন্দ্র উত্তরঃ ৩যমিমং ত্বং বৃষাকপিং প্রিয়মিন্দ্রাভিরক্ষসি। শ্বা নৃস্য জম্ভিষদপি কর্ণে বরাহয়ুর্বিশ্বম্মাদিন্দ্র উত্তরঃ ॥৪॥ প্রিয়া তষ্টানি মে কপিৰ্যক্তা ব্যদূদুষৎ। শিরো নৃস্য রাবিষং ন সুগং দুষ্কৃতে ভূবং বিশ্বম্মাদিন্দ্র উত্তরঃ ॥ ৫ন মৎ স্ত্রী সুভসত্তরা ন সুশুতরা ভুবৎ। ন মৎ প্রতিচ্যৰীয়সী ন সকথদ্যমীয়সী বিশ্বম্মাদিন্দ্র উত্তরঃ ৬উবে অম্ব সুলাভিকে যথেৰাঙ্গ ভবিষ্যতি। ভসন্মে অম্ব সথি মে শিরো মে বীব হৃষ্যতি বিশ্বস্মাদিন্দ্র উত্তরঃ ॥৭॥ কিং সুবাহো স্বজুরে পৃথুষ্টো পৃথুজাঘনে। কিং শূরপত্নি নমভ্যমীষি বৃষাকপিং বিশ্বম্মাদিন্দ্র উত্তরঃ ॥ ৮৷ অবীরামিব মাময়ং শরারুরভি মন্যতে। উতাহমস্মি বীরিণীন্দ্রপত্নী মরুৎসখা বিশ্বম্মাদিন্দ্র উত্তরঃ ॥৯৷৷ সংহোত্রং স্ম পুরা নারী সমনং বাব গচ্ছতি। বেধা ঋতস্য বীরিণীন্দ্রপত্নী মহীয়তে বিশ্বম্মাদিন্দ্র উত্তরঃ ॥১০৷৷ ইন্দ্রাণীমাসু নারিষু সুভগামহমবম্। নহ্যস্যা অপরং চন জরসা মরতে পতির্বিশ্বম্মাদিন্দ্র উত্তরঃ ॥১১৷ নাহমিন্দ্রাণি রারণ সখুবৃর্ষকপেঋতে। যস্যেদমপ্যং হবিঃ প্রিয়ং দেবেষু গচ্ছতি বিশ্বম্মাদিন্দ্র উত্তরঃ ॥১২। বৃষাকপায়ি রেবতি সুপুত্র আদু সুমুষে। ঘসৎ ত ইন্দ্র উক্ষণঃ প্রিয়ং কাচিকরং হবিৰ্বিশ্বম্মাদিন্দ্র উত্তরঃ ॥১৩৷৷ উক্ষ্মো হি মে পঞ্চদশ সাকং পচন্তি বিংশতিম। উহমদ্মি পীব ইদুভা কুক্ষী পৃন্তি মে বিশ্বম্মাদিন্দ্র উত্তরঃ ॥ ১৪৷৷ বৃষভো ন তিগ্নশৃঙ্গোহন্তৰ্যথেষু রোরুবৎ। মন্থস্ত ইন্দ্ৰ শং হৃদে যং তে সুনোতি ভারয়ুর্বিশ্বম্মাদিন্দ্র ঊত্তরঃ ॥ ১৫৷৷ ন সেশে যস্য রম্বতেহরা সথ্যা কপৃৎ। সেদীশে যস্য রোমশং নিষেদুষো বিম্ভতে বিশ্বম্মাদিন্দ্র উত্তরঃ ॥১৬৷৷ ন সেশে যস্য রোমশং নিষেদুষো বিম্ভতে। সেদীশে যস্য রম্বতেহরা সথ্যা কপৃদ বিশ্বম্মাদিন্দ্র উত্তরঃ ॥১৭ অয়মিন্দ্র বৃষাকপিঃ পরস্বন্তং হতং বিদৎ। অসিং সূনাং নবং চরুমাদেধস্যান আচিতং বিশ্বম্মাদিন্দ্র উত্তরঃ ॥১৮ অয়মেমি বিচাকশদ বিচিন্বন্ দাসমার্য। পিবামি পাকসুত্বনোহভি ধীরমচাকশং বিশ্বম্মাদিন্দ্র উত্তরঃ ॥ ১৯৷৷ ধন্থ চ যৎ কৃন্তং চ কতি স্বিৎ তা বি যোজনা। নেদীয়সো বৃষকপেস্তমেহি গৃহাঁ উপ বিশ্বম্মাদিন্দ্র উত্তরঃ ॥ ২০। পুনরেহি বৃষকপে সুবিতা কল্পয়াবহৈ। য এষ স্বপ্ননংশনোস্তমেষ পথং পুনর্বিশ্বম্মাদিন্দ্র উত্তরঃ ॥২১। যদুদঞ্চো বৃষকপে গৃহামিন্দ্রাজগন্তন। ক স্য পুঘো মৃগঃ কমগং জনযোপনো বিশ্বম্মাদিন্দ্র উত্তরঃ ॥ ২২৷৷ পশুই নাম মানবী সাকংসসূব বিংশতি। ভদ্রং ভল ত্যস্যা অভূৎ যস্যা উদরমাময় বিশ্বম্মাদিন্দ্র উত্তরঃ ॥২৩৷

    সূক্তসার— বৃষাকপির দ্বারা পুষ্টিপ্রাপ্ত ইন্দ্রদেব বেগশালী, শত্রুকে ব্যথিত-করণশালী। যেস্থানে সোমপান সাধিত হয় না, ইন্দ্রদেব সেই স্থানে গমন করেন না। শূরপত্নী ইন্দ্রাণী সুন্দরভূজা, সুন্দর অঙ্গুলিসম্পন্না, পৃথুষ্ঠ এবং গুপ্ত জঙ্শালিনী। তিনি বীর পতির সাথে যুক্ত এবং তার পতি মরুৎ-গণের মিত্র। এই বীরপত্নী ইন্দ্রাণী স্তুতির যোগ্যা।….আমি ইন্দ্রাণীকে সৌভাগ্যশালিনী বলে স্বীকার করছি, কারণ এঁর পতি ইন্দ্র অজর ও অমর। হে ইন্দ্রাণী! আমি বৃষাকপি ব্যতীত আর কারো নিকটে গমন করি না। তিনি আমার সর্বাধিক প্রিয়। তাঁর হবিঃ জলের দ্বারা সংস্কারিত হচ্ছে।…আমি ইন্দ্র সকল দেবতা অপেক্ষা উৎকৃষ্ট। হে বৃষাকপিরূপ সূর্যপত্নী! আপনি সুপুত্রসম্পন্না এবং ধনযুক্তা। আপনার জলযুক্ত হবিঃ সর্বোৎকৃষ্ট ইন্দ্র সেবন করে থাকেন। হে ইন্দ্রদেব! তীক্ষ্ণ শৃঙ্গশালী বৃষভ কর্তৃক গাভীগণের মধ্যে শব্দের সমান যার হৃদয়ে ইন্দ্রের মন্থ সুখ দান করে, সেই-ই সুখ লাভের অধিকারী।…হে বৃষাকপি! আপনি উদিত হয়ে থাকেন, স্বপ্নকে বিনষ্ট করে থাকেন এবং অস্তও প্রাপ্ত হয়ে থাকেন।..আপনি উত্তর দিকে অবস্থান পূর্বক ভুবনকে প্রদক্ষিণ করতে করতে লুক্কায়িত হয়ে পড়েন; তখন সর্বলোক অন্ধকারে বিস্ময়যুক্ত হয়ে বলতে থাকে–সূর্য কোথায় গমন করলেন?… ইন্দ্র সর্বশ্রেষ্ঠ…ইন্দ্র সর্বশ্রেষ্ঠ…ইন্দ্র সর্বশ্রেষ্ঠ।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ — পৃষ্ঠস্য ষষ্ঠেহনি বি হি সোতোরসূক্ষত ইতি বৃষাকপ্যাখ্যং সূক্তং সূত্রোক্ত চ) ধর্মকং শংসতি। তৎ উক্তং বৈতানে।-ইত্যাদি। (২০কা, ৯অ. ৩০সূ.)।

    টীকা— পৃষ্ঠ্য যাগের ষষ্ঠ দিবসে উপযুক্ত বৃষাকপি নামক সূক্তটিকে সূত্রোক্তধৰ্মক বলা হয়। বৈতানে (৬।২) বলা হয়েছে–বি হি সোতোরসৃক্ষতেতি বৃষাকপি ইত্যাদি। (২০কা, ৯অ. ৩০সূ.).

    .

    .

    —অথ কুন্তাপসূক্তানি—

    একত্রিংশ সূক্ত

    [খিলানি ]

    ইদং জনা উপ শ্রুত নরাশংস শুবিষ্যতে। ষষ্টিং সহস্রা নবতিং চ কৌরম আ রুশমেষু দদ্মহে ॥১॥ উষ্ট্রা যস্য প্রবাহণণা বধূমন্তো দ্বির্দশ। বৰ্মা রথস্য নি জিহীড়তে দিব ঈষমাণা উপস্পৃশঃ ॥ ২॥ এষ ইষায় মামহে শতং নিষ্কান্ দশ স্বজঃ। ত্রীণি শতান্যবর্তং সহস্রা দশ গোনাম৷৩৷৷ বচ্যস্ব রেভ বচ্য বৃক্ষে ন পক্কে শকুনঃ। নষ্টে জিহ্বা চৰ্চরীতি ক্ষুরো ন ভুরিজোরিব ॥৪॥ প্র রেভাসো মনীষা বৃষা গাব ইবেরতে। অমোতপুত্ৰকা এষামমোত গা ইবাসতে ৫প্র রেভ ধীং ভরস্ব গোবিদং বসুবিদ। দেবক্রেমাং বাচং শ্ৰীণীহীযুনাবীরস্তার৷৬৷৷ রাজ্ঞো বিশ্বজনীনস্য যো দেবোহমা অতি। বৈশ্বানরস্য সুষ্ঠুতিমা সুনোতা পরিক্ষিতঃ ॥৭॥ পরিচ্ছিন্নঃ ক্ষেমমকরোৎ তম আসনমাচর। কুলায় কৃথন্ কৌরব্যঃ পতিবদতি জায়য়া ॥ ৮৷ কতরৎ ত আ হরাণি দধি মন্থং পরি তম। জায়াঃ পতিং বি পৃচ্ছতি রাষ্ট্রে রাজ্ঞঃ পরিক্ষিতঃ ॥৯॥ অভীবঃ প্র জিহীতে যবঃ পঃ পথে বিল। জনঃ স ভদ্রমেধতি রাষ্ট্রে রাজ্ঞঃ পরিক্ষিতঃ ॥১০৷ ইন্দ্রঃ কারুময়ূবুধদুত্তিষ্ঠ বি চরা জন। মমেদুগ্রস্য চকৃধি সর্ব ইৎ তে পৃণাদরিঃ ॥১১। ইহ গাবঃ প্ৰজায়ধ্বমিহাশ্বা ইহ পুরুষাঃ। ইহো সহস্রদক্ষিণোহপি পূষা নি যীদতি ॥১২। নেমা ইন্দ্র গাবো রিষ মো আসাং গোপ রীরিষৎ। মাসামমিত্রয়ুর্জন ইন্দ্র মা স্তেন ঈশত ॥১৩ উপ নো ন রমসি সূক্তেন বচসা বয়ং ভদ্রেণ বচসা বয়। বনাদধিধ্বনো গিরো ন রিয্যেম কদা চন ॥ ১৪৷

    সূক্তসার –হে নরাশংস! অন্নপ্রাপ্তির নিমিত্ত আমি বহু শত অশ্ব, বহু সহস্ৰ ধেনু ও বহু সংখ্যক দ্রব্যসামগ্রী দান করছি। হে স্তোতা! যেমন ফলযুক্ত বৃক্ষে উপবিষ্ট পক্ষী শব্দ করতে থাকে, তেমন তুমিও স্তুতিগুলিকে ধ্বনিত করো। হে স্তুতিশালিনী জিহ্বা! যজ্ঞকর্মের সমাপ্তির পরেও তুমি স্তব্ধ হয়ো না। এই মনীষী স্তোতা বীর্যবান বৃষভের ন্যায় বর্তমান। বাণের দ্বারা যেমন মনুষ্য রক্ষিত হয়, তেমনই বাণীর দ্বারা ইনি রক্ষিত হয়ে থাকেন। বৈশ্বানবের উদ্দেশে মঙ্গলময়ী স্তুতির কারণে রাজা পরীক্ষিতের রাজ্যে প্রজাগণ সুখলাভ করেছিলেন। আমরা ইন্দ্রদেবকে মঙ্গলময়ী বাণীর দ্বারা প্রসন্ন করছি। আমরা কখনও যেন নাশ প্রাপ্ত না হই।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –পৃষ্ঠস্য ষষ্ঠেহনি ইদং জনা উপশ্রুত ইতি কুন্তাপং অর্ধচশঃ শংসতি। তত্র প্রথমাশ্চতুর্দশ ঋচঃ পদাবগ্রাহং শংসতি। তৎ উক্তং বৈতানে।–ইত্যাদি৷৷ (২০কা, ৯অ. ৩১সূ.)।

    টীকা –উপযুক্ত সূক্তটি কুন্তাপ নামক সূক্তাবলীর অবশিষ্ট অংশ বিশেষ। পৃষ্ঠ্য যাগের ষষ্ঠ দিবসে এই সূক্তটি পঠিত হয়। ৪০শ সূক্ত পর্যন্ত কুন্তাপসূক্ত বিস্তৃত। কুন্তাপসূক্তের নির্দিষ্ট ঋষি বা দেবতা নেই। বৈতানিকে উক্ত হয়–ইদং জনা উপতেতি কুন্তাপং অর্ধচশঃ। চতুর্দশ পদাবগ্রাহং (বৈ.৬।২) ৷ (২০কা, ৯অ. ৩১সূ.)।

    .

    দ্বাত্রিংশ সূক্ত

    যঃ সভেয়ো বিদথ্যঃ সুত্বা যজ্বাথ পূরুষঃ। সূর্যং চামূ রিশাদসস্তদ দেবাঃ প্রাগকল্পয়ন্ ॥১॥ যো জাম্যা অপ্ৰথয়স্তদ যৎ সখায়ং দুধূর্ষতি। জ্যেষ্ঠো যদপ্রচেতাস্তদাহুরধরাগিতি ॥ ২॥ যদ ভদ্রস্য পুরুষস্য পুত্রো ভবতি দাসৃষিঃ। তদ বিপ্রো অব্রবীদু তদ গন্ধর্বঃ কাম্যং বচঃ ৷৩৷৷  যশ্চ পণি রঘুজিষ্ঠ্যো যশ দেব অদাশুরিঃ। ধীরাণাং শশ্বতামহং তদপাগিতি শুক্রম ॥৪॥ যে চ দেবা অজন্তাহো যে চ পরাদদিঃ। সূর্যো দিবমিব গত্বায় মঘবা নো বি রপশতে ॥৫যোনাক্তাক্ষো অনভ্যক্তো,অমণিবো অহিরণ্যবঃ। অব্রহ্মা ব্ৰহ্মণঃ পুত্ৰস্তোতা কল্পে সম্মিতা ॥ ৬৷৷ য আক্তাক্ষঃ সুভক্তঃ সুমণিঃ সুহিরণ্যবঃ। সুব্রহ্মা ব্ৰহ্মণঃ পুত্ৰস্তোতা কল্পে সম্মিতা ॥৭॥ অপ্রপাণা চ রেশস্তা রেবা অপ্রতিদিশ্যয়ঃ। অয়ভ্যা কন্যা কল্যাণী তোতা কল্পে সম্মিতা ॥ ৮সুপ্রোণা চ বেশন্তা রেবাৎসুপ্রতিদিশ্যয়ঃ। সুয়ভ্যা কন্যা কল্যাণী তোতা কল্পে সম্মিতা ॥৯॥ পরিবৃক্তা চ মহিষী স্বস্ত্যা চ যুধিঙ্গমঃ। অনাশুরশ্চামী তোতা কল্পে সম্মিতা। ১০। বাবাতা চ মহিষী স্বস্ত্যা চ যুধিমঃ। শ্বাশুরশ্চায়ামী তোতা কল্পে সম্মিতা ॥১১. যদিন্দ্রাদো দাশরাজ্ঞে মানুষং বি গাহথাঃ। বিরূপঃ সর্বম্মা আসীৎ সহ যক্ষায় কল্পতে ॥১২। ত্বং বৃক্ষুং মঘবং মর্যাকরো রবিঃ। ত্বং রৌহিণং ব্যাস্যো বি বৃত্রস্যাভিনচ্ছিরঃ ॥১৩৷ যঃ পর্বতা ব্যদধাদ যো অপো ব্যােহথাঃ। ইন্দ্রো যো বৃত্রহান্মহং তস্মাদিন্দ্র নমোহস্তু তে॥১৪ পৃষ্ঠং ধাবন্তং হর্যোরেীচ্চৈঃশ্রবসমব্রুবন্। স্বস্ত্যশ্ব জৈত্রায়েন্দ্রমা বহ সুজম্ ॥ ১৫ যে ত্বা শ্বেতা অজৈবসসা হার্যো যুঞ্জন্তি দক্ষিণম্। পূর্বা নমস্য দেবানাং বিভ্রদিন্দ্র মহীয়তে ॥১৬।

    সূক্তসার— সোমাভিষবকর্তা ও যজ্ঞকর্তা পুরুষ সূর্যলোক ভেদ করে উধ্বলোকে গমন করে থাকেন। যে স্তোতা যজ্ঞ এবং দান করে থাকেন, তিনি সূর্যের সমানই স্বর্গে গমন করেন। ইন্দ্র দাশরাজের অযাজ্ঞিক পুত্রগণকে বিনষ্ট করেছিলেন এবং তিনি সকলের নিমিত্ত রূপরহিত হয়েছিলেন; তথাপি তিনি যজ্ঞের সাথে কল্পিত হয়ে থাকেন। বৃত্রের শিরচ্ছেদনকারী, জলকে গতি-দানকারী এবং পর্বতকে পক্ষচ্ছেদন পূর্বক অচলকারী, বৃহন্তা ইন্দ্রের উদ্দেশে আমি নমস্কার জ্ঞাপন করি।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –যঃ সভেয়ো বিদথ্যঃ ইতি ষোড়শর্চঃ..এতস্য শংসনপ্রকারঃ পূর্বসূক্তে উক্তঃ। (২০কা, ৯অ. ৩২সূ.)।

    টীকা –উপযুক্ত ষোড়শ সংখ্যক ঋবিশিষ্ট সূক্তটির বিনিয়োগের প্রকার পূর্ববর্তী সূক্তে উক্ত আছে; অর্থাৎ ঐ সূক্তের মতোই এই সূক্তটির বিনিয়োগ কর্তব্য। (২০কা, ৯অ. ৩২সূ.)।

    .

    ত্রয়স্ত্রিংশ সূক্ত

    এতা অশ্বা আ প্লবন্তে ॥১॥ প্রতীপং প্রাতি সুত্বন। ২। তাসামেকা হরিক্লিকা ॥৩॥ হরিক্লিকে কিমিচ্ছসি ॥৪৷৷ সাধুং পুত্রং হিরণ্যয়ম্ ॥ ৫৷৷ কাহতং পরাস্যঃ ॥ ৬৷৷ যত্ৰামূস্তিস্রঃ শিংশপাঃ ॥৭৷৷ পরি ত্রয়ঃ ॥ ৮ পৃদাকবঃ ॥৯॥ শৃঙ্গং ধমন্ত আসতে ॥১০অয়ন্মহা তে অর্বাহঃ ॥১১। স ইচ্ছকং সঘাঘতে ॥১২। সঘাঘতে গোমীদ্যা গোগতীরিতি ॥১৩৷৷ পুমাং কুস্তে নিমিচ্ছসি ॥১৪। পল্প বদ্ধ বয়ো ইতি ॥১৫৷৷ বদ্ধ বো অঘা ইতি॥১৬৷৷ অজাগার কেবিকা ॥১৭ অশ্বস্য বারো গোশপদ্যকে ॥ ১৮শ্যেনীপতী সা॥১৯৷ অনাময়োপজিহিকা ॥ ২০৷

    সূক্তসার— এই অশ্বগুলির আগমন ঘটছে। সোম-নিম্পাদক বিপরীত মুখে সোম সম্পন্ন করছে। এর মধ্যে এক হরিক্লিকা আছে। হে হরিকিকা! তোমার কি ইচ্ছা? সাধু পুত্র হিরণ্যতুল্য।… সকল দিক তিন। সর্পের ন্যায়। হে বদ্ধ! তোমার এই পাপরাশি। সেই উপজীবিকা অনাময়। ইত্যাদি।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ— এতা অশ্ব আ প্লবন্তে ইতি ষট্‌সপ্তত্যষ্টাদশপদান্তাঃ প্রণবত্যষ্ট প্রতি ত্বা ৷..এতা অশ্বা (২০।১২৯) ইত্যাদি নীলশিখণ্ডবাহনঃ (২০।১৩২) ইত্যন্তং ঐতশপ্রলাপাখ্যং ষট্‌সপ্ততিপাদসমুদায়ং পদাবগ্রাহং সূত্রোক্তপ্রকারেণ শংসতি।-ইত্যাদি। (২০কা, ৯অ, ৩৩সূ.)।

    টীকা— উপযুক্ত সূক্তটি এবং এর পরবর্তী ৩টি সূক্তের (৩৪,৩৫, ও ৩৬ সূক্তের) মোট ৭৬টি ঋক্‌ (২০+২০+২০+১৬ = ৭৬) ঐতশ প্রলাপ নামে পরিচিত। এই মন্ত্রগুলি আভিচারিক ও শান্তিকর্মে পারদর্শী পণ্ডিত ব্যতীত অপরের নিকট অবশ্যই অনর্থক বাক্য বলে মনে হবে। কারণ সাধারণ দৃষ্টিতে এগুলির দ্বারা কোন বিশেষ ক্রিয়ার উদ্দেশ্য দ্যোতিত হয় না। তবে গুহ্য ক্রিয়ায় এগুলির বিনিয়োগ আছে বলেই এই বেদে গৃহীত হয়েছে। বৈতানে (৬২) উক্ত হয়–এতা অশ্বা আপ্লবন্ত ইত্যৈতশপ্রলাপং পদাবগ্রাহং। তাসামুত্তমেন পদেন প্রণৌতি৷ (২০কা, ৯অ. ৩৩সূ.)।

    .

     চতুস্ত্রিংশ সূক্ত

    কো অর্য বহুলিমা ইষুনি ॥১॥ কো অসিদ্যাঃ পয়ঃ ॥২॥ কো অৰ্জুন্যাঃ পয়ঃ ॥ ৩৷৷ কঃ কাষ্ণাঃ পয়ঃ ॥৪॥ এতং পৃচ্ছ কুহং পৃচ্ছ ॥৫কুহাকং পকং পৃচ্ছ৷৬৷৷ যবানো যতিস্বভিঃ কুভিঃ ॥৭॥ অকুপান্তঃ কুপায়কুঃ ৮আমণকো মণৎসকঃ ॥৯॥ দেব ত্বপ্রতিসূর্য ॥১০৷ এনশ্চিপঙক্তিকা হবিঃ ॥১১৷৷ প্রদুদো মঘাপ্রতি ॥১২। শৃঙ্গ উৎপন্ন ॥১৩। মা বাভি সখা নো বিদ৷ ১৪৷৷ বশায়াঃ পুত্রমা যন্তি ॥১৫৷৷ ইরাবেদুময়ং দত ॥ ১৬। অথো ইয়ন্নিয়ন্নিতি ॥১৭ অ ইয়ন্নিতি ॥ ১৮অথো শ্বা অস্থিবো ভবন্ ॥১৯৷ উয়ং যকাংশলোককা। ২০

    সূক্তসার –প্রভূত বাণকে আপন অধিকারে মধ্যে কে রাখেন? ১অসিদ্যাপয় কোন বস্তু? ॥ ২॥ অর্জুনতাপয় কোন বস্তু? ৷ ৩৷৷ …যতির সমান পৃথিবীর সাথে যুক্ত। ৭। কুপায়কুক্রোধিত হয়ে গিয়েছে। ৮…হে সূর্যদেব!! ১০। …আমার মিত্র তোমার ও আমার সাথে মিলিত ৷ ১৪ বশা পুত্রের সাথে মিলিত হচ্ছে। ১৫৷৷ …পুনরায় শ্ব অস্থির হচ্ছে। ১৯। …ইত্যাদি।

    টীকা— এই সূক্তটির বিনিয়োগ পূর্ব সুক্তের সাথে উক্ত। এইটি ঐতশ প্রলাপ নামক সূক্ত। পূর্ব সূক্তের পরিচয়-প্রসঙ্গে যা বলা হয়েছে, এই ক্ষেত্রেও তাই-ই প্রযোজ্য। (২০কা, ৯অ, ৩৪সূ.)।

    .

    পঞ্চত্রিংশ সূক্ত

    আমিনোনিতি ভদ্যতে ॥১॥ তস্য অ নিভঞ্জনম্ ॥২॥ বরুণো যাতি বস্তুভিঃ ॥ ৩ শতং বা ভারতী শবঃ ॥৪॥ শতমাখা হিরণ্যয়াঃ। শতং রথ্যা হিরণ্যয়াঃ।  শতং কুথা হিরণ্যয়াঃ। শতং নিষ্কা হিরণ্যয়াঃ ॥৫॥ অহল কুশ বর্তক ॥৬॥ শফেন ইব ওহতে। ৭। আয় বনেনতী জনী ॥ ৮ বনিষ্ঠা নাৰ গৃহ্যন্তি ॥৯॥ ইদং মহ্যং মদূরিতি ॥১০। তে বৃক্ষাঃ সহ তিষ্ঠতি ॥ ১১৷৷ পাক বলিঃ ॥১২৷ শক বলিঃ ১৩৷৷ অশ্বথ খদিরো ধবঃ ॥১৪৷৷ অরদুপরম! ১৫ ৷৷ শয়ো হত ইব। ১৬৷ ব্যাপ পূরুষঃ ॥১৭৷ অদূহমিত্যাং পূষকম্ ॥ ১৮, অত্যধৰ্চ পরস্বতঃ ॥১৯৷৷ দৌব হস্তিনো দৃতী। ২০

    সূক্তসার –…তার পশ্চাতে নিভঞ্জন। ২৷৷ রাত্রির সাথে বরুণ গমন করছেন৷ ৩৷৷ বাণীর শতসংখ্যক বল ॥৪॥ শত সুবর্ণময় অশ্ব, শত স্বর্ণময় রথ, শত স্বর্ণিম কুশ, শত হিরণ্যয় নিষ্ক ॥ ৫॥ …পক্ক বলি। ১২। শক গতি ॥ ১৩। অশ্বথ, খদির, ঘৃত। ১৪ বিরাম লাভ করো। ১৫। শয়নকর্তা মৃতের সমান। ১৬ ইত্যাদি।

    টীকা –উপযুক্ত সূক্তটির বিনিয়োগ, পরিচয় প্রসঙ্গ ইত্যাদি পূর্ববর্তী সূক্তে উক্ত। (২০কা. ৯অ. ৩৫সূ)

    .

    ষট্‌ত্রিংশ সূক্ত

    আদলাবুকমেককম্ ॥১॥ অলাবুকং নিখাতকম৷ ২৷৷ করিকো নিখাতকঃ ॥৩৷৷ তদ বাত উন্মথায়তি ॥৪॥ কুলায়ং কৃণবাদিতি ॥ ৫৷৷ উগ্রং বনিষদাততম ৷৷ ৬৷৷ ন বনিষদনাততম ॥৭॥ ক এষাং কৰ্করী লিখৎ ৮ ক এষাং দুন্দুভিং হনৎ ॥৯॥ যদীয়ং হনৎ কথং হনৎ॥১০ দেবী হনৎ কুহনৎ ॥১১। পর্যাগারং পুনঃপুনঃ ॥১২। ত্ৰীষ্ট্রস্য নামানি ॥ ১৩ হিরণ্যং ইত্যেকে অব্রবীৎ। ১৪। দ্বৌ বা যে শিশবঃ ॥১৫৷৷ নীলশিখণ্ডবাহনঃ ॥১৬৷৷

    সূক্তসার — জলপাত্রকে খোদাইকারী ॥ ৩। বায়ুকে স্থানচ্যুত করা হচ্ছে ॥৪॥ বাসস্থান করা। হচ্ছে ৷৷ ৫৷৷ বিস্তৃত উগ্রের সেবা করছে ॥ ৬ অবিস্তারশালীর সেবা করে না। ৭। জলপাত্রকে এর মধ্যে কে খোদিত করেছে? ৮ দুদুভীকে এর মধ্যে কে মারছে? ৯। এ যদি হিংসা করে, তবে কেমন করে হিংসা করে? ১০৷৷ দেবী হিংসা করেছেন, মন্দরূপে হিংসা করেছেন। ১১। নিবাস স্থানের সকল দিক পুনঃ পুনঃ (লক্ষণীয়) ॥ ১২৷ উটের তিনটি নাম ॥ ১৩৷ একটি হরিণ এই কথা বলে। ১৪ দুইটি বালক ॥ ১৫৷৷ নীলশিখণ্ডী বাহন। ১৬৷৷

    টীকা –উপযুক্ত সূক্তটির বিনিয়োগ, পরিচয়-প্রসঙ্গ ইত্যাদি পূর্ববর্তী সূক্তে উক্ত৷৷ (২০কা. ৯অ. ৩৬সূ.)।

    .

    সপ্তত্রিংশ সূক্ত

    বিততৌ কিরণৌ দৌ তাবা পিনষ্টি পূরুষঃ। ন বৈ কুমারি তৎ তথা যথা কুমারি মন্যসে॥১॥ মাতুষ্টে কিরণৌ দ্বৌ নিবৃত্তঃ পুরুষাতে। ন বৈ কুমারি তৎ তথা যথা কুমারি মন্যসে॥ ২॥ নিগৃহ্য কর্ণকৌ ঘৌ নিরাচ্ছসি মধ্যমে। ন বৈ কুমারি তৎ তথা যথা কুমারি মনসে ৷৷ ৩ উত্তানায়ৈ শয়ানায়ৈ তিন্তী বাব গৃহসি। ন বৈ কুমারি তৎ তথা যথা কুমারি মন্যসে॥৪৷৷ শ্রক্ষ্মায়াং শক্ষুকায়াং ক্ষ্মমেবাব গৃহসি। ন বৈ কুমারি তৎ তথা যথা কুমারি মন্যসে। ৫অবশ্লষ্মামিব ভ্রংশদন্তলোমমতি হ্রদে। ন বৈ কুমারি তৎ তথা যথা কুমারি মন্যসে ৷৬৷৷

    সূক্তসার— হে কুমারী! তুমি যেমন বুঝেছো, তারা তেমন নয়। দুটি কিরণ বিস্তৃত রয়েছে, যা পুরুষ উদ্ভাসিত করছে। হে পুরুষ! তুমি মিথ্যা হতে মুক্ত হয়েছে। তোমার মাতা দুটি কিরণস্বরূপ। হে মধ্যমা! তুমি দুটিকে ধারণ করে দিতে পারছে না। মনোহারিত্বহীনের ন্যায় ভগ্ন দন্ত এবং রোমযুক্ত সারোবরে সেই কিরণ দুটি অবস্থান করছে। হে কুমারী! তুমি তাদের যেমন বুঝেছো, তারা তেমন নয়।

    টীকা— উপযুক্ত সূক্তটি প্রবহিক নামে পরিচিত। এই ঋকের অর্ধাংশ অর্ধাংশ করে পাঠ করা বিধি। সাধারণের নিকট প্রহেলিকাময় অর্থ সর্বস্ব এই সূক্তটি প্রসঙ্গে বৈতানিকে উক্ত হয়-বিততৌ কিরণে দ্বাবিতি প্রবহ্রিকাঃ (বৈ. ৬।২)। (২০কা. ৯অ. ৩৭সূ.)।

    .

    অষ্টত্রিংশ সূক্ত

    ইহেথ প্রাগপাগুদগধরাগ-অরালাগুদভৎর্সথ ॥১॥ ইহেথ প্রাগপাগুদগধরাগ-বৎসাঃ পুরুষন্ত আসতে ॥২॥ ইহেথ প্রাগপাগুদগধরাগ–স্থালীপাকো বিলীয়তে ॥৩॥ ইহেথ প্রাগপাগুদগধরা–স বৈ পৃথু লীয়তে। ৪৷ ইহেথ প্রাগপাগুদগধরা–আষ্টে লাহণি লীশাথী ॥৫৷৷ ইহেথ প্রাগপাগুদগধরাগ-অশ্লিলী পুচ্ছিলীয়তে। ৬।

    সূক্তসার— এইস্থানে চারিদিকের রক্ষক গজর দ্বারা উদ্ভর্সন করো। পুরুষরূপে পরিণতি প্রাপ্তির কামনায় বৎস অপেক্ষিত রয়েছে। স্থালীপাক বিলীন হয়ে যাচ্ছে।–ইত্যাদি।–

    টীকা –উপযুক্ত কুন্তাপসূক্তান্তর্গত প্রতিমখ্য ঋকের অর্ধাংশ অর্ধাংশ করে পাঠ করা বিধি। বৈতানিকে উক্ত হয়–ইহেথ প্রাগপাগুদগধরা ইতি প্রতিরাধা। ন সন্তনোতি (বৈ. ৬।২) ॥ (২০কা, ৯অ. ৩৮সূ.)।

    .

    ঊনচত্বারিংশ সূক্ত

    ভূগিত্যভিগতঃ শলিত্যপক্ৰান্তঃ ফলিত্যভিষ্ঠিতঃ। দুন্দুভিমাহননাভ্যাং জরিতরোথামো দৈব ॥১॥ কোশবিলে রজনি গ্রন্থেধানমুপানহি পাদ। উত্তমাং জনিমাং জনানুত্তমাং জনী বয়ঁন্যাৎ॥ ২॥ অলাবুনি পৃষাতকান্যশ্বখপলাশ। পিপীলিকাবটশ্বসসা বিদ্যুৎস্বাপর্ণশফোগোশফোজরিতরোহথামো দৈব ৷ ৩৷৷ বীমে দেবা অক্রংসতাধ্বর্যো ক্ষিপ্রং প্রচর। সুসত্যমিদ গৰামস্যসি প্রখুদসি ॥৪ পত্নী ষদৃশ্যতে পত্নী যক্ষ্যমাণা জরিতরোহথামো দৈব। হোতা বিষ্টীমেন জরিতরোহথার্মো দৈব ॥৫আদিত্যা হ জরিতরঙ্গিরোভ্যো দক্ষিণাময়। তাং হ জরিতঃ প্রত্যায়ংস্তামু হ জরিতঃ প্রত্যায়ন্ ॥৬॥ ত্বাং হ জরিতঃ প্রত্যগুভাংস্তামু হ জরিতঃ প্রত্যগৃঃ। অহানেতরসং ন বি চেতনানি যজ্ঞানেরসং ন পুরোগবামঃ ॥ ৭। উত শ্বেত আশুপত্বা উতত পদ্যাভিবিষ্ঠঃ। উতেমাশু মানং পিপর্তি। ৮৷৷ আদিত্যা রুদ্ৰা বসন্তেনু ত ইদং রাধঃ প্রতি গৃত্নীহ্যঙ্গিরঃ। ইদং রাধো বিভু প্রভু ইদং রাধো বৃহৎ পৃথু ॥৯॥ দেবা দদাসুরং তদ বো অস্তু সুচেতনম্। যুগ্ম অস্তু দিবেদিবে প্রত্যেক গৃভায়ত ॥১০। ত্বমিন্দ্র শর্মরিণা হব্যং পারাবতেভ্যঃ। বিপ্ৰায় স্তবতে বসুরনিং দুরশ্রবসে বহ। ১১। মিন্দ্র-কপোয় চ্ছিন্নপক্ষায় বঞ্চতে। শ্যামাকং পং পীলু চ বারম্মা অকৃপোবহুঃ ॥১২৷৷ অরঙ্গরো বাবদীতি শ্ৰেধা বন্ধো বরত্রয়া। ইরামহ প্রশংসত্যনিরামপ সেধতি ॥১৩৷৷

    সূক্তসার –স্তুতিকারীগণ দুন্দুভি বাদিত করুন; পৃষাতক, লাউ, পিপুল, পলাশ, বট, বিদ্যুৎ ইত্যাদির সাথে ক্রীড়া করুন। হে অধ্বর্য! এই দীপ্তিমান দেবগণের সম্মুখে শীঘ্রই মন্ত্রোচ্চারণ করুন। : হ আঙ্গিরস! আদিত্য, বসু, রুদ্র–এঁরা সকলে আপনাকে অনুগ্রহ করছেন, আপনি ধন গ্রহণ করুন। এই ধন বিশাল, বৃহৎ, বিভু এবং প্রভূতা সম্পন্ন। দেবতাগণ আপনাকে প্রাণ, বল ও চৈতন্য। প্রদান করেছেন।–ইত্যাদি।

    টীকা –উপযুক্ত সূক্তের আজিজ্ঞাসেন্যা নামে পরিচিত প্রথম তিনটি ঋ পঠনীয়। বৈতানে (৬।২) উক্ত হয়–বুগিত্যভিগতঃ ইত্যাজিজ্ঞাসেন্যাস্তিঃ। আবার অবশিষ্ট অতীবাদ নামে পরিচিত ঋকগুলির অর্ধাংশ অর্ধাংশ করে পাঠ করা বিধি। বৈতানে (৬।২) বলা হয়েছে–বীমে দেবা অক্রংসততত্যতীবাদং। অবশ্য প্রথম তিনটি ঋকের মতো শেষ তিনটি ঋকের বিনিয়োগ প্রসঙ্গে স্বতন্ত্রভাবে কিছু উক্তি আছে, যা কেবলমাত্র আভিচারিক কর্মকুঁলশ ব্যক্তির পক্ষেই অনুধাবনীয় ॥ (২০কা, ৯অ. ৩৯সূ.)।

    .

     চত্বারিংশ সূক্ত

    যদস্যা অংহুর্ভেদ্যা কৃধু স্কুলমুপাতসৎ। মুক্কাবিদস্য এজতো গোশফে শকুলাবিব ॥১॥ যদা স্তুলেন পসসাণৌ মুষ্কা উপাধী। বিষ্ণা বস্যা বর্ধতঃ সিকতাবে গর্দভৌ॥ ২॥ যদল্পিকাসুল্পিকা কর্কধূকেবষ্যতে। বাসন্তিকমিব তেজনং যন্ত্যবাতায় বিপতি৷৷ ৩৷৷ যদ দেবাশো লোমগুং প্রবিষ্টীমিনমাবিষুঃ। সকুলা দেদিশ্যতে নারী সত্যস্যাক্ষিভুবো যথা ॥৪॥ . মহানগ্নতৃদ্বি মোক্ৰদদস্থানাসর। শক্তিকাননা স্বচমশকং সঞ্জু পদ্যম। ৫৷৷ মহানগ্লখলমতিক্রামন্ত্যব্রবীৎ। যথা তব বনস্পতে নিরঘুন্তি তথৈবতি। ৬ মহানগ্লপ ৰূতে ভ্রষ্টোহথাপ্যভূভুবঃ। যথৈব তে বনস্পতে পিপতি তথৈবতি ॥৭॥ মহানগ্লপ ব্রুতে ভ্রষ্টোইথাপ্যভূভুবঃ। যথা বয়ো বিদাহ্য স্বর্গে নমবদহ্যতে ॥ ৮ মহানথুপ ব্রুতে স্বসাবেশিতং পসঃ। ইখং ফলস্য বৃক্ষসে শূৰ্পে শূর্পং ভজেমহি৷ ৯. মহানগ্নী কৃকবাকং শম্যয়া পরি ধাবতি। অয়ং ন বিদ্ম যো. মৃগঃ শীষ্ণা হরতি ধাণিকাম্ ॥১০৷ মহানগ্নী মহানগ্নং ধাবমনু ধাবতি। ইমাস্তদস্য গা রক্ষ যভ মামদ্ধ্যোনম্ ॥১১৷৷ সুদেবা মহানগ্নীৰ্বাধতে মহতঃ সাধু খোদন। কুসং পীরবো নবৎ ॥১২॥ বশা দহ্মামিমাঙ্গুরিং প্রসৃজতোহগ্রতং পরে। মহান্ বৈ ভদ্ৰো ষভ মামদ্ধ্যোনম্ ॥১৩৷৷ বিদেবস্তুা মহানগ্নীর্বিবাধতে মহতঃ সাধু খোদন। কুমারিকা পিঙ্গলিকা কার্দ ভস্ম কু ধাবতি ॥১৪৷৷ মহান্ বৈ ভদ্ৰো বিদ্ৰো মহান ভদ্ৰ উদুম্বরঃ। মহা অভিক্ত বাধতে মহতঃ সাধু খোদম্ ॥ ১৫ যঃ কুমারী পিঙ্গলিকা বসন্তং পীবরী লভেৎ। তৈলকুণ্ডমিমাং লোদন্তং শুদমুদ্ধরেৎ ১৬৷

    সূক্তসার— পাপের ক্ষয়কারিণী শক্তি ক্ষীণ হয়ে গিয়েছে। কোলিবৃক্ষের ন্যায় অবষদন করণশালিনী ও যা অল্প হতেও অল্পতর হয়ে বাসন্তিক তেজের ন্যায় আবাতের নিমিত্ত গমন করে, সেই তেজের কথা বলা হচ্ছে।…মহান্ অগ্নির উপরে দণ্ডায়মান জন তাঁকে উক্রমণ করতে সক্ষম না হলে তৃপ্তি প্রাপ্ত হন।…মহান্ অগ্নি উলুখলকে (কাষ্ঠনির্মিত যজ্ঞপাত্র) লঙ্ন করে বনস্পতিকে সম্বোধন করে বলেন–তুমি লোপ প্রাপ্ত হয়েও বারম্বার উৎপন্ন হয়ে থাকো।…মহান অগ্নি মহানগ্নের পশ্চাতে ধাবিত হন।…মহান্ অগ্নি উৎপীড়ন প্রয়াসী বৃহৎ বৃহৎ অবয়বশালীকেও বিনষ্ট করেন। মহান অগ্নি একাধারে অত্যন্ত কল্যাণময় ও বিশিষ্ট পীড়াদায়ক।…অগ্নিতে আহুতি যোগ্য বিশ্ব ও উদুম্বর দুই-ই মহান্ এবং ভদ্র।–ইত্যাদি।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –যদস্যাইতি ষোড়শ আহনস্যা বৃষাকপিলা বৈশিষমুওমেন পাদেন প্রণৌতি। যদস্যা অংভেদ্যাঃ ইত্যাহনস্যাখ্যা ষোড়শর্চঃ বৃষাকপিশস্ত্রবচ্ছংসতি। তৎ উক্তং বৈতানে।-ইত্যাদি। (২০কা, ৯অ. ৪০সূ.)।

    টীকা –আহনস্যা নামে খ্যাত উপযুক্ত সূক্তটির ষোড়শ সংখ্যক ঋকের বিনিয়োগ বৃষাকপি শস্ত্রের ন্যায় করণীয়। বৈতানে (৬২) উক্ত হয়–যদস্যা অংহুর্ভেদ্যা ইত্যাহনস্যা বৃষাকপিবৎ–ইত্যাদি। (২০কা. ৯অ. ৪০সূ.)।

    [ইতি কুন্তাপসুক্তানি]

    .

    একচত্বারিংশ সূক্ত

     [ঋষি : শিরিম্বিঠি (১), বুধ (২), বামদেব (৩), যযাতি, (৪–৬), তিরশ্চিরাঙ্গিরস বা দ্যুতান (৭–১১), সুকক্ষ (১২–১৪)। দেবতা : অলক্ষ্মীনাশ (১), ইন্দ্র (২), দধিক্রা (৩), সোম পবমান (৪–৬) ও ইন্দ্র (৭–১৪)। ছন্দ : অনুষ্টুপ, জগতী, ত্রিষ্টুপ, গায়ত্রী।]

    যদ্ধ প্রাচীরজগন্তোরা মণ্ডুধাণিকীঃ। হতা ইন্দ্রস্য শত্ৰবঃ সর্বে বুদ্বুদয়াশবঃ ॥১কন্নরঃ কপৃথমুদ দধাতন চোদ্দয়ত খুদত বাজাতয়ে। নিষ্টিগ্রঃ পুত্ৰমা চ্যাবয়োতয় ইন্দ্রং সবাধ ইহ সোমপীতয়ে ॥ ২ দধিক্রাবণে অকারিষং জিষ্ণোরশ্বস্য বাজিন। সুরভি নো মুখা করৎ প্ৰণ আয়ুংষি তারিষৎ ৩সুতাসো মধুমত্তমাঃ সোমা ইন্দ্রায় মন্দিনঃ। পবিত্রবন্তো অক্ষর দেবান্ গচ্ছন্তু বো মদাঃ ॥৪॥ .. ইন্দুরিন্দ্রায় পবত ইতি দেবালো অব। বাচস্পতিমখস্যতে বিশ্বসেশান ওজসা। ৫৷৷ সহস্রধারঃ পবতে সমুদ্ৰো বাচমীঙ্খয়ঃ। সোমঃ পতী রয়ীণাং সখেস্য দিবেদিবে ৷৬৷ অব দ্রন্সে অংশুমতীমতিদিয়ানঃ কৃষ্ণো দশভিঃ সহঃ। আবৎ তমিন্দ্রঃ শচ্যা ধমন্তমপ স্নেহিতীৰ্মণা অধত্ত ॥৭॥: দ্রক্ষমপশ্যং বিষুণে চরন্তমুপহুরে নদ্যো অংশুমত্যাঃ। নভো ন কৃষ্ণমবতস্থিবাংসমিষ্যামি বো বৃষপণা যুধ্যতাজৌ ॥ ৮ অধ দ্রন্সে অংশুমত্যা উপহেইধারয়ৎ তন্বং তিত্বিষাণঃ। বিশো অদেবীরভ্যাহচরীবৃহস্পতিনা যুজেন্দ্রঃ সসাহে৷৷৷৷ ত্বং হ ত্যৎ সপ্তভভ্যা জায়মানোহশত্রুভ্যো অভবঃ শরিন্দ্র। গুত্নে দ্যাবাপৃথিবী অন্ধবিন্দো বিভুমভ্যো ভুবনেভ্যো রণং ধাঃ ॥১০৷ ত্বং হ ত্যদপ্রতিমানমোজো বজ্রেণ বজ্বি সৃষিততা জঘন্থ। ত্বং শুষ্ণস্যাবাতিরো বধত্রৈস্তুং গা ইন্দ্র শচ্যেদবিন্দঃ ॥১১৷৷ তমিং বাজয়ামসি মহে বৃত্ৰায় হবে। স বৃষা বৃষভো ভুবৎ ॥১২। ইন্দ্রঃ স দামনে কৃত ওজিষ্ঠঃ স মদে হিতঃ। দুমী শ্লোকী স সোম্যঃ ॥১৩ গিরা বজো ন সস্তৃতঃ সবলো অনপচ্যুতঃ। ববক্ষ ঋধ্যে অস্তৃতঃ ॥১৪

    সূক্তসার –মানব! তুমি অন্ন-প্রাপ্তির নিমিত্ত প্রেরণ করো, রক্ষার নিমিত্ত পুত্রোৎপত্তি করো এব সোম পানের নিমিত্ত ইন্দ্রকে আহ্বান করো।..ইন্দ্রের আরোহণের নিমিত্ত আমি বেগবান্ অশ্বের পূজা সাঙ্গ করেছি।…ইন্দ্রের কৃপায় আমরা যেন উৎকৃষ্ট জীবনশালী হই।…সহস্র ধারাসম্পন্ন হৰ্ষৰ্ভদ সোম ইন্দ্রের নিমিত্ত সংস্কারিত হয়েছে। সোমের শক্তি দেবগণকে হর্ষান্বিত করুক।..দশ সহস্র রশ্মির দ্বারা আকৃষ্ট-করণশালী সূর্য আপন তেজে পৃথিবীকে হিংসিত করতে উদ্যত হলে ইন্দ্ৰ আপন বলপ্রভাবে সেই স্থান হতে তাকে অপসারিত করে পৃথিবীকে রক্ষা করেন। …বিষম বিচরণশীল শুক্রকে : অংশুমতীর নিকটে পরিক্রমণ করতে দেখা যাচ্ছে। সূর্যের ন্যায় শুক্রও আকাশে নিবাস করেন। আমি একা তার আশ্রিত এবং তিনি আমাকে অভিমত ফল দান করেন।…ইন্দ্রদেবও অভীষ্টবর্ষক এবং শ্রেষ্ঠ। তিনি সৌম্য, প্রসিদ্ধ এবং তেজস্বী। তিনি শ্রেষ্ঠ যজমানকে শত্রুর ধন লাভ করিয়ে থাকেন।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –সোমযাগে দধিক্রাঃ (২০।১৩৭।৩) ইত্যস্যা ঋচ আগ্নীস্ত্রীয়ে দধিভক্ষণে বিনিয়োগঃ। তৎ উক্তং বৈতানে।…তথা পৃষ্ঠ্যষড়হ দধিক্ৰাৰ্কঃ ইত্যেতামৃচং অর্ধচশঃ শংসতি। তৎ উক্তং বৈতানে।–ইত্যাদি। (২০কা, ৯অ, ৪১সূ)৷৷

    টীকা –উপযুক্ত সূক্তের তৃতীয় ঋটি (দধিক্রাঃ ইত্যাদি) সোমযাগে আগ্নীপ্রীয়ে দধিভক্ষণে বিনিয়োগ করা হয়। বৈতানে (৩।১৩) উক্ত হয়–আগ্নীপ্ৰীয়ে দধি ভক্ষয়ন্তি দধিক্ৰাণ ইতি। সেই মতো, পৃষ্ঠ্যষড়হ যাগে এই ঋটি অর্ধাংশ অর্ধাংশ করে পাঠ করণীয়। বৈতানে (৬।২) উক্ত হয়–দধিক্রাবণো অকারিশমিত্যধৰ্চশঃ ইতি। সেই মতে, উপযুক্ত সূক্তের চতুর্থ, পঞ্চম ও ষষ্ঠ (অর্থাৎ সুতাসো মধুমত্তমাঃ, ইন্দুরিন্দ্রায় পর্বত ও সহস্রধারঃ পবতে ইত্যাদি তিনটি) পাবমানী নামে চিহ্নিত ঋকের অর্ধাংশ অর্ধাংশ। করে পঠনীয়। বৈতানে (৬।২) উক্ত হয়–সুতাসসা মধুমত্তমা ইতি পাবমানীঃ। আবার সপ্তম অষ্টম ও নবম (অর্থাৎ অব দ্রন্সে অংশুমতী, দুষ্পমপশ্যং বিষুণে ও অধ দ্রন্সে অংশুমত্যা ইত্যাদি তিনটি) ঋকের অর্ধাংশ অর্ধাংশ করে পঠনীয়। যেমন-অব দ্রন্সো অংশুমতীমতিষ্ঠদিতি পচ্ছঃ ইতি (বৈ. ৬।২)। (২০কা, ৯অ. ৪১সূ.)।

    .

    দ্বিচত্বারিংশ সূক্ত

    মহা ইন্দ্রো য ওজসা পর্জনো বৃষ্টিমা ইব। স্তোমৈবৎসস্য বাবৃধে ॥১৷৷ প্রজামৃতস্য পিপ্রতঃ প্র যদ ভরন্ত বয়ঃ। বিপ্ৰা ঋতস্য বাহসা॥ ২॥ কথা ইন্দ্রং যদক্রত স্তোমৈর্যজ্ঞস্য সাধন। জামি ব্রবত আয়ুধ ॥ ৩৷৷

    সূক্তসার –মহান্ ইন্দ্র বৎস স্তোত্রের দ্বারা প্রবৃদ্ধ হয়ে থাকেন। অশ্বিনীকুমারদ্বয় যে যে সত্যনিষ্ঠ প্রজাকে পালন করেন, সেই প্রজাকে অগ্নিগণ পুষ্ট করেন এবং ব্রাহ্মণ তাদের রক্ষা করেন।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –অতিরাত্রে অতিরিক্তোথেষু মহাঁ ইন্দ্রো য ওজসা ইত্যস্য বিনিয়োগঃ তমিং বাজুয়ামসি (২০।৪৭) ইত্যনেন সহ উক্তঃ। …তথা ত্রিককুদ্দশাহস্য অষ্টমেহনি এষ আজ্যস্তোত্রিয়ো ভবতি।-ইত্যাদি। (২০কা, ৯অ. ৪২সূ.)।

    টীকা— অতিরাত্র যাগে অতিরিক্ত উথের মধ্যে উপযুক্ত সূক্তের বিনিয়োগ এই কাণ্ডের ৫ম অনুবাকের ১০ম সূক্তের (তমিন্দ্র বাজয়ামসি ইত্যাদির) সাথে উক্ত হয়। তথা ছন্দোমাখ্য তিন দিবসীয় যাগে এই সূক্তের বিনিয়োগ বিহিত আছে। তবে তৃতীয় দিবসে এই সূক্তের বিনিয়োগ অভি প্র বঃ সুরাধসং। (২০।৫।১৪) ইত্যাদির সাথে উক্ত হয়। তথা চারি দিবসীয় যাগের চতুর্থ দিবসে এই সূক্তটি ও য এক ইৎ  বিদয়তে (২০।৫।২৬।৪ মন্ত্র) ইত্যাদি মন্ত্র আজ্য ও উস্ত্রোত্রিয় হয়। বৈতানে (৮৩) উক্ত হয়– চতুর্থেষু মহা ইন্দ্রো য ওজসা য এক ইৎ বিদয়ত ইতি ইতি। তথা ত্রিককুৎ দশাহ যাগের অষ্টম দিবসে এই সূক্তের আজ্যস্তোত্রিয় হয়। যেমন–অষ্টমে মহাঁ ইন্দ্রো য ওজসেতি (বৈ….৪) ৷ (২০কা, ৯অ. ৪২সূ.)।

    .

    ত্রয়শ্চত্বারিংশ সূক্ত

     [ঋষি : শশকর্ণ। দেবতা : অশ্বিনীকুমারদ্বয়। ছন্দ : অনুষ্টুপ, গায়ত্রী, বৃহতী, ককুপ।]

    আ নূনমশ্বিনা যুবং বৎসস্য গন্তমবসে। প্রাস্মৈ যচ্ছতমবৃকং পৃথুং চ্ছদিযুয়ুতং যা অরাতয়ঃ ॥১॥ যদন্তরিক্ষে যদ দিবি যৎ পঞ্চ মানুষ অনু। নৃণং তদ্ ধমশ্বিনা ॥ ২॥ যে বাং দংসাংস্যশ্বিনা বিপ্রাসঃ পরিমামৃশ্য। এবেৎ কাস্য বোধতম্ ॥৩॥ অয়ং বাং ঘৰ্মো অশ্বিনা স্তোমেন পরি ষিচ্যতে। অয়ং সোমো মধুমান্ বাজিনীবসু যেন বৃত্ৰং চিকেতথঃ ॥ ৪৷৷ যদন্দু যদ বনস্পতৌ যদোষধীষু পুরুংসসা কৃতম। তেন মাবিষ্টমশ্বিনা ॥৫॥

    সূক্তসার –হে অশ্বিদ্বয়! অন্তরিক্ষ ও স্বর্গলোকে যে ধন আছে, তা আমাদের প্রদান করুন। এই হবিঃ ধনের সাথে যুক্ত, এই স্তোম ধর্মের দ্বারা সিঞ্চিত এবং এই সোম মাধুর্যময়। আপনি এগুলি গ্রহণ করুন। জলরাশি, ওষধিসমূহ ও বনস্পতিরাজিতে যে কর্ম নিহিত আছে, তার দ্বারা আমাকে সমৃদ্ধ করুন।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –অতিরাত্রে অতিরিক্তোথেষু স্তোত্রিয়ানুরূপয়োরনন্তরং আ নূনমখিনা যুবং (২০।১৩৯) তং বাং রথং (২০।১৪৩) ইতি সূক্তে শংসতি। …তৎ উক্তং বৈতানে। (২০কা, ৯অ, ৪৩সূ.)।

    টীকা –অতিরাত্র যাগে অতিরিক্ত উথে স্তোত্রিয় ও অনুরূপের পরে উপযুক্ত সূক্তটি, পরবর্তী ৪৭শ সূক্তের সাথে পঠনীয়। আবার, পূর্ববর্তী ৪১শ সূক্তের দশম, দ্বাদশ ঋক্ ও পরবর্তী ৪৪শ সূক্তের সাথে পঠনীয়। বৈতানে (৪।৩) উক্ত হয়–আ নূনমশ্বিনা যুবং তা বাং রথমিতি সুক্তে। পূর্বস্য দশমীং দ্বাদশীমুত্তরং চ পচ্ছঃ ইতি। (২০কা, ৯অ. ৪৩সূ.)।

    .

    চতুশ্চত্বারিংশ সূক্ত

     [ঋষি : শশকর্ণ। দেবতা : অশ্বিনীকুমারদ্বয়। ছন্দ : বৃহতী, ত্রিষ্টুপ।]

    যন্নাসত্যা ভুরণ্যথো য বা দেব ভিষজ্যথঃ। অয়ং বাং বসো মতিভিৰ্ন বিন্ধতে হবিষ্মন্তং হি গচ্ছথঃ ॥১॥ আ নূনমশ্বিনোঋষি স্তোমং চিকেত বাময়া। আ সোমং মধুমত্তমং ঘর্মং সিঞ্চাদথর্বণি ॥২॥ আ নূনং রঘুবর্তনিং রথং তিষ্ঠাথে অশ্বিনা। আ বাং স্তোমা ইমে মম নভো ন চুচ্যবীরত ৷৩৷৷ যদদ্য বাং নাসত্যোথৈরাচুচ্যুবীমহি। যদ বা বাণীভিরশ্বিনেবেৎ কান্ধস্য বোধতম ॥৪॥ যদ বাং কক্ষীবাঁ উত যদ ব্যশ্ব ঋষির্যদ বাং দীর্ঘতমা জুহাব। পৃথী যাং বৈন্যঃ সাদনেষেবেদতো অশ্বিনা চেতয়েথাম্ ॥ ৫৷৷

    সূক্তসার –হে অশ্বিদ্বয়! আপনারা দ্রুতগামী, চিকিৎসাকর্মে কুশল এবং হবিঃসম্পন্নের নিকটে গমনকারী। ঋষিগণ অশ্বিনীকুমার যুগলের স্তোত্র জ্ঞাত আছেন। অশ্বিদ্বয় দ্রুতগতি-সম্পন্ন রথে আরূঢ় থাকেন এবং তাঁদের উদ্দেশে উচ্চারিত স্তুতি ব্যোমস্পর্শী হয়ে থাকে। আমরা উথ মন্ত্রে তাদের আশ্রয় গ্রহণ করি এবং বাণীর দ্বারা তাদের সেবা করতে থাকি।

    টীকা –উপযুক্ত সূক্তের বিনিয়োগ পূর্বসূক্তে উল্লিখিত ৷ (২০কা, ৯অ, ৪৪সূ.)।

    .

    পঞ্চচত্বারিংশ সূক্ত

     [ঋষি : শশকর্ণ। দেবতা : অশ্বিনীকুমারদ্বয়। ছন্দ : বিরাট, জগতী, অনুষ্টুপ, বৃহতী।]

    যাতং ছর্দিষ্প উত নঃ পরম্পা ভূতং জগৎপা উত নস্তনূপা। বর্তিস্তোকায় তনয়ায় যাতম্ ॥১॥ যদিণে সরথং যাথো অশ্বিনা যদ বা বায়ুনা ভবথঃ সমোক। যদাদিত্যেভিঋভুভিঃ সজোষসা যদ বা বিষ্ণোর্বিক্রমণেষু তিষ্ঠথঃ ২৷৷ যদদ্যাশ্বিনাবহং হুবেয় বাজসাতয়ে। যৎ পৃৎসু তুর্বণে সহস্তহ্ৰেষ্ঠমশ্বিনোরবঃ ॥৩॥ আ নূনং যাতমশিনেমা হব্যানি বাং হিতা। ইমে সোমাসো অধি তুর্বশে যদাবিমে কন্বেষু বামথ ॥৪॥ যন্নাসত্যা পরাকে অবাকে অস্তি ভেষজম। তেন নূনং বিমদায় প্রচেতসা ছর্দিৰৎসায় যচ্ছতম্ ॥ ৫

    সূক্তসার –হে অশ্বিদ্বয়! আপনারা আমাদের শরীরের, গৃহের, পুত্র-পৌত্র ইত্যাদির এবং সংসারের রক্ষক রূপে আগমন করুন। আপনারা ইন্দ্রের সাথে এক রথে আরোহণ করেন এবং বিষ্ণুর বিক্রমের সাথেও সংযুক্ত থাকেন। আপনারা যজমানের পক্ষে শীঘ্র-লভ্য। আপনারা শত্রুবশে সক্ষম। …এই সোম তুবশ, যদু ও কথের নিমিত্ত সংস্কারিত। আপনারা এই স্থানে অবশ্য আগত হোন। আপনারা দূর বা নিকটস্থ ওষধিসমূহকে আপন দানী মনের দারা প্রদান করুন।

    টীকা –উপযুক্ত সূক্তের বিনিয়োগ পূর্ব সূক্তের অনুরূপ ॥ (২০কা, ৯অ. ৪৫সূ.)।

    .

    ষট্‌চত্বারিংশ সূক্ত

     [ঋষি : শশকর্ণ। দেবতা; অশ্বিনীকুমারদ্বয়। ছন্দ : অনুষ্টুপ, গায়ত্রী।]

    অভুৎস্য প্র দেব্যা সাকং বাঁচাহমশ্বিনোঃ। ব্যাবর্দেব্যা মতিং বি রাতিং মর্তেভ্যঃ ॥১॥ প্র বোধয়োযো অশ্বিনী প্র দেবি সূনৃতে মহি। প্র যজ্ঞহোতরানুষ প্র মদায় এবো বৃহৎ ॥ ২॥ যদুষো যাসি ভানুনা সং সূর্যেণ রোচসে। আ হায়মশ্বিনো রথো বৰ্তির্যাতি নৃপায্যম৷৩৷৷ যদাপীতামো অংশবো গাবো ন দুহূ ঊধভিঃ। যদ্বা বাণীরনুষত প্র দেবয়ন্তো অশ্বিনা ॥ ৪৷ প্র দ্যুম্নায় প্র শবসে প্র নৃহ্যায় শর্মণে। প্র দক্ষায় প্রচেতসা ॥৫॥ যনূনং ধীভিরশ্বিনা পিতুর্যোনা নিষীদথঃ। যদ্বা সুশ্নেভিরুথ্যা ॥ ৬৷৷

    সূক্তসার –আমি স্বীকার করছি যে অশ্বিনীকুমার যুগল জ্ঞান-বুদ্ধিশালী হয়ে বিরাজমান। ..মেধা আমার বুদ্ধিকে প্রকাশিত করুন। স্তোতাগণ প্রাতঃসময়ে অশ্বিদ্বয়কে প্রবোধিত করুন। সত্যরূপা দেবী তাঁদের প্রশংসনীয় করুন। হোতৃগণ তাঁদের ফলস্বরূপ যশঃ প্রদান করুন।… অশ্বিনীকুমারদের রথ আপন তেজে উষার সাথে মিলিত হয়ে সূর্যের সাথে দীপ্তিময় হয়ে ওঠে। সেই কালে ঋত্বিকগণ অশ্বিনীকুমারদ্বয়ের উদ্দেশে স্তোত্রবাণী ধ্বনিত করতে থাকেন। আমরা ঐশ্বর্য, বল ও কল্যাণ লাভের নিমিত্ত তাদের স্তুতি করছি। তারা কল্যাণকরী কারণের নিমিত্ত প্রশংসার যোগ্য।

    টীকা –উপযুক্ত সূক্তের বিনিয়োগ পূর্ব সূক্তের অনুরূপ ৷ (২০কা, ৯অ. ৪৬সূ.)।

    .

    সপ্তচত্বারিংশ সূক্ত

     [ঋষি : পুরুমীঢ় ও আজমীঢ় (১–৭), বামদেব (৮), মেধ্যাতিথি ও মেধাতিথি (৯)। ছন্দ : ত্রিষ্টুপ।] 

    তং বাং রথং বয়মদ্যা হুবেম পৃথুজ্ৰয়মশ্বিনা সঙ্গতিং গোঃ। যঃ সূৰ্যাং বহতি বন্ধুরায়ুর্গির্বাহসং পুরুতমং বসূয়ুম্ ॥১॥ যুবং শিয়মশ্বিনা দেবতা তাং দিবো নপাতা বনথঃ শচীভিঃ। যুবোৰ্বপুরভি পৃক্ষঃ সচন্তে বহন্তি যৎ ককুহাসসা রথে বাম ॥২॥ কো বামদ্যা করতে রাতহব্য উতয়ে বা সুতপেয়ায় বার্কৈঃ। ঋতস্য বা বনুষে পূৰ্য্যায় নমো যেমাননা অশ্বিনা ববর্তৎ ৩হিরণ্যয়েন পুরুভূ রথেনেমং যজ্ঞং নাসতত্যাপ যাত। পিবাথ ইন্মধুনঃ সোম্যস্য দধথো রত্নং বিধতে জনায় ॥৪ আ নো যাতং দিবো অচ্ছা পৃথিব্যা হিরণ্যয়েন সুবৃতা রথেন। মা বামনে নি যম দেবয়ন্তঃ সং যদ দে নাভিঃ পূর্বা বাম্ ॥ ৫৷৷ নূ নো রয়িং পুরুবীরং বৃহন্তং দা মিমাথামুভয়েম্বম্মে। নরো যদ বামশ্বিনা স্তোমমাবৎসধস্তুতিমাজমীসো অগ্মন্ ॥ ৬৷৷ ইহেহ যদ বাং সমনা পপৃক্ষে সেয়মস্তে সুমতিবাজরত্ন। উরুষ্যতং জরিতাং যুবং হ শিতঃ কামো নাসত্যা যুবদ্রিক ॥৭॥ মধুমতীরোষধীৰ্দাৰ আপো মধুমন্নো ভবত্বন্তরিক্ষম। ক্ষেত্রস্য পতিমধুমানো অরিষ্যন্তো অন্বেনং চরেম ॥৮॥ পনায্যং তদখিনা কৃতং বাং বৃষভো দিবো রজসঃ পৃথিব্যাঃ। সহস্রঃ শংসা উত যে গবিষ্টেী সর্বা ইৎ তা উপ যাতা পিবধ্যৈ ৯৷৷

    সূক্তসার –হে অশ্বিদ্বয়! আপনাদের বেগবান্ রথ উচ্চ-নীচ স্থানে গমনকারী এবং সূর্যকে বহনকারী। এই রথ বাণীকে গ্রহণকারী এব গাভীগণের দ্বারা সুসংহত আমি এই রথকে আহ্বান করছি। হে অশ্বিদ্বয়! আপনারা লক্ষ্মীর অধিষ্ঠাত্ দেবতা। কোন্ হবিদাতা রক্ষা-প্রাপ্তির নিমিত্ত এবং সংস্কারিত সোম পানের নিমিত্ত আপনাদের আহ্বান করছেন এবং সেবা করছেন? আপনারা আপন স্বর্ণিম রথের দ্বারা এই যজ্ঞে আগত হোন এবং সোমপান পূর্বক এই সেবককে রত্ন-ধন প্রদান করুন। আপনারা স্তোতা যজমানদের পুত্র-পৌত্র ইত্যাদি প্রদান করুন। আপনারা তাঁদের সকলকে এমন সুবুদ্ধি প্রদান করুন, যাতে তারা পরস্পর সমান মতিসম্পন্ন হয়ে যান, এবং আপনাদের উপর নির্ভরশীল হয়ে যান। আপনারা এঁদের রক্ষা করুন।…আমাদের নিমিত্ত আকাশ মধুময় হোক, অন্তরিক্ষ মধুময় হোক, ওষধি সমূদয় মধুমতী হোক, ক্ষেত্ৰপতিও মধুময় হোক, আমরা অমৃতত্ব প্রাপ্ত হয়ে তার অনুগামী হয়ে যেন পরিভ্রামিত হই।…হে অশ্বিনীকুমারদ্বয়! আপনাদের স্তোত্র। দ্যাবাপৃথিবীতে ফলবর্ষক হোক।–ইত্যাদি।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –তং বাং রথংইত্যস্য বিনিয়োগঃ আ নূনমশ্বিনা যুবং (২০।১৩৯) ইত্যত্র উক্তঃ। অতিরাত্রে অতিরিক্তোথে মধুমতীরোষধীঃ (২০।১৪৩।৮,৯) ইতি দ্বে ঋচৌ পরিধানীয়াশস্ত্র যাজ্যে ক্রমেণ ভবতঃ তৎ উক্তং বৈতানে।–ইত্যাদি। (২০কা. ৯অ. ৪৭সূ.)।

    টীকা –উপযুক্ত সূক্তটির বিনিয়োগ ৪৩শ সূক্তের সাথে উক্ত হয়। অতিরাত্র যাগে অতিরিক্ত উথে : উপযুক্ত সূক্তটির ৮ম ও ৯ম সংখ্যক ঋকদ্বয় (অর্থাৎ মধুমতীরোষধীৰ্দাব ইত্যাদি ও পনায্যং তদশ্বিনা ইত্যাদি মন্ত্র দুটি) যথাক্রমে পরিধানীয়া ও শস্ত্রযাজ্যারূপে নির্ধারিত হয়েছে। যেমন, বলা হয়েছে মধুমতীরোধীরিতি পরিধানীয়া। উত্তরা যাজ্যা ইতি (বৈ. ৪।৩) –উপযুক্ত সূক্তটিতে দেববৈদ্য অশ্বিনীকুমার যুগলের নিকট অথর্বণি ঋষির প্রার্থনা–আকাশ মধুময় হোক.ইত্যাদি অপর বেদেও ধ্বনিত হয়েছে। এই পরম মঙ্গলময় প্রার্থনা আধুনিকতম কালেও উচ্চারিত হওয়ার যোগ্য, বরং অধিকতর প্রয়োজনীয়তার সাথে উচ্চারিতব্য। ব্যাধি হতে নিমুক্তির সাথে সাথে বাতাস, জল, শব্দ ইত্যাদির দূষণ হতেও রক্ষার আকাঙ্ক্ষা ও প্রার্থনা আধুনিকতম কালে কত অপরিহার্য তা সহজেই অনুমেয়। ঋগ্বেদেও বহু স্থানে এমন প্রার্থনা দেখা যায়। যেমন-মধুবাতা ঋতায়তে ইত্যাদি।বায়ুসকল যজমানের জন্য মধুবর্ষণ করুক, নদীসমূহ মধুক্ষরণ করুক, ওষধি সকলও মাধুর্যযুক্ত হোক। আমাদের রাত্রি ও উষা মধুর হোক; পার্থিব জনপদ মাধুর্যবিশিষ্ট হোক, সকলের পালয়িতা আকাশও মধুযুক্ত হোক। বনস্পতি আমাদের প্রতি মধুর হোক; সূর্যও (অর্থাৎ সূর্যালোকও) মধুর হোক, ধেনুসকলও (দুগ্ধও) মধুর হোক–ইত্যাদি। (ঋগ্বেদ, ১।৯০।৭-৯) (২০কা, ৯অ. ৪৭সূ.)।

    ॥ ইতি বিংশং কাণ্ডং সমাপ্ত ৷৷

    অথর্ববেদসংহিতা সমাপ্তা।

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহারুকি মুরাকামির শ্রেষ্ঠ গল্প – অনুবাদ : দিলওয়ার হাসান
    Next Article শ্যামাপ্রসাদ : বঙ্গবিভাগ ও পশ্চিমবঙ্গ – দীনেশচন্দ্র সিংহ
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }