Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অথর্ববেদ সংহিতা (সম্পাদনা : দিলীপ মুখোপাধ্যায়)

    দিলীপ মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1733 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৩।৬ তৃতীয় কাণ্ড : ষষ্ঠ অনুবাক

    ষষ্ঠ অনুবাক
    প্রথম সূক্ত : দিক্ষু আত্মরক্ষা
    [ঋষি : অথর্বা। দেবতা : সাগ্নয়ো হেতয় প্রভৃতি। ছন্দ : জগতী ]

    যেহস্যাং স্থ প্রাচ্যাং দিশি হেতয়ো নাম দেবাস্তেষাং বো অগ্নিরিষবঃ। তে নো মৃড়ত তে নোহধি ব্ৰত তেভ্যো বো নমস্তেভ্যো বঃ স্বাহা। ১। যেহস্যাং স্থ দক্ষিণায়াং দিশ্যবিষ্যবো নাম দেবাস্তেষাং বঃ কাম ইষবঃ। তে নো মৃড়ত তে নোহধি দ্রুত তেভ্যো বো নমস্তেভ্যো বঃ স্বাহা ॥ ২॥ যেহস্যাং স্থ প্রতীচ্যাং বৈরজা নাম দেবাস্তেষাং ব আপ ইষবঃ। তে নো মৃড়ত তে নোহধি ক্ৰত তেভ্যো বো নমস্তেভ্যো বঃ স্বাহা ॥ ৩ যেইস্যাং ছোদীচ্যাং দিশি প্রবিধ্যন্তো নাম দেবাস্তেষাং বো বাত ইষবঃ। তে নো মৃড়ত তে নোহধি ক্ৰত তেভ্যো বো নমস্তেভ্যো বঃ স্বাহা ॥ ৪৷ যেহস্যাং স্থ বায়াং দিশি নিলিম্পা নাম দেবাস্তেষাং ব ওষধীরিষৰঃ। তে নো মৃড়ত তে নোহধি ক্ৰত তেভ্যো বো নমস্তেভ্যো বঃ স্বাহা ॥ ৫৷৷ যেহস্যাং হোধ্বায়াং দিশ্যবস্বন্তো নাম দেবাস্তেষাং বো বৃহস্পতিরিষবঃ। তে নো মৃড়ত তে নোহধি ক্ৰত তেভ্যো বো নমস্তেভ্যো বঃ স্বাহা ॥ ৬৷৷

    বঙ্গানুবাদ –হে গন্ধর্বগণ! তোমরা দান ইত্যাদি গুণসমূহে যুক্ত আছো। তোমরা আমাদের পূর্ব দিকে হেতয় নামধারী হয়ে উপদ্ৰবকারীদের নাশক রূপে নিবাস করে থাকো। তোমাদের বাণ অগ্নির ন্যায় তীক্ষ্ণ। তোমরা আমাদের রক্ষাকরণে সমর্থ। অতএব আমাদের সুখ প্রদান করো। আমাদের শত্ৰু সৰ্প-বৃশ্চিক ইত্যাদিকে বিনাশ করো। এবং অধিক অধিক ভাবে বলো–এরা (অর্থাৎ আমরা) আমাদের (অর্থাৎ তোমাদের)। তোমাদের উদ্দেশে প্রণাম জ্ঞাপন করছি। তোমরা আমাদের এই আহুতি প্রাপ্ত হও। ১৷

    হে গন্ধর্ববর্গ! তোমরা আমাদের দক্ষিণ দিকে অবস্যব নামধারী হয়ে পালনেচ্ছু রূপে নিবাস করে থাকো। তোমাদের বান আমাদের ইচ্ছাকে পূর্ণ-করণে সমর্থ। তোমরা আমাদের সুখ প্রদান করো। তোমাদের উদ্দেশে প্রণাম জ্ঞাপন করছি। তোমরা আমাদের এই আহুতি প্রাপ্ত হও। ২।

    হে গন্ধর্বরূপী দেবতাগণ! তোমরা আমাদের পশ্চিম দিকে বৈরাজ নামধারী হয়ে অন্নপ্রদাতা রূপে নিবাস করে থাকো। বৃষ্টির জল হলো তোমাদের বাণ। তোমরা আমাদের রক্ষা-করণে সমর্থ। অতএব তোমরা আমাদের সুখ প্রদান করো। আমরা তোমাদের উদ্দেশে প্রণাম নিবেদন করছি। তোমরা আমাদের এই আহুতি প্রাপ্ত হও ৷ ৩৷৷

    হে দান ইত্যাদি গুণসম্পন্ন গন্ধর্বগণ! তোমরা প্রবিধ্যন্ত নামধারী হয়ে আমাদের শত্রুবর্গকে তাড়নাকারী রূপে আমাদের উত্তর দিকে অবস্থান করে থাকো। তোমাদের বাণ বায়ুর ন্যায় বেগবান্। তোমরা আমাদের রক্ষা-করণে সমর্থ। অতএব আমাদের সুখ প্রদান করো। তোমাদের উদ্দেশে আমরা প্রণাম জ্ঞাপন করছি। তোমরা আমাদের এই আহুতি গ্রহণ করো। ৪

    হে দেবতাগণ! তোমরা নিলিম্পা নামধারী হয়ে সর্বথা লিপ্ত রূপে এই নিম্ন দিকে অবস্থান করে থাকো। ধান্য, যব, বৃক্ষ, গুল্ম ইত্যাদি ঔষধিসমূহই তোমাদের বাণ। তোমরা আমাদের রক্ষাকরণে সমর্থ। অতএব আমাদের সুখ প্রদান করো। তোমাদের উদ্দেশে আমরা প্রণাম জ্ঞাপন করছি। তোমরা আমাদের এই আহুতি গ্রহণ করো। ৫।

    হে অবস্বন্ত নামক রক্ষকরূপী দেবতাগণ! তোমরা আমাদের উধ্বদিকে বাস করে থাকো। মন্ত্রের দেবতা (বা অধিপতি) বৃহস্পতি তোমাদের বাণ। তোমরা আমাদের রক্ষা-করণে সমর্থ। অতএব। আমাদের সুখী করো। নমস্কার যুক্ত এই ঘৃত ইত্যাদির দ্বারা সম্পন্ন হবিঃ তোমাদের নিমিত্ত অর্পিত হচ্ছে, তোমরা তা গ্রহণ করো। ৬।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –ষষ্ঠেনুবাকে ষট্‌ সূক্তনি। তত্র যে অস্যাম্ স্থ ইত্যাভ্যাং সূক্তাভ্যা স্বসেনায়া ও উৎসাহজননকর্মণি প্রত্চং প্রতিদিশং উপস্থানং কুর্যাৎ.তথা আভ্যাং সূক্তাভ্যাং স্বস্ত্যয়নকর্মণি আজ্যপালাশাদি ত্রয়োদশ দ্রব্যাণি জুহুয়াৎ।…তথা চ সর্পবৃশ্চিকাদিভয়নিবৃত্তিকামং গৃহক্ষেত্রাদিযু সিকতা অভিমন্ত্র পরিতঃ প্রকিয়েৎ। তথা (আভ্যং) সূক্তাভ্যাং তৃণমালাং সম্পাত্য গৃহনগরাদিদ্বারে বধীয়াৎ। তথা আভ্যাং গোময়ং অভিমন্ত্র তস্য গৃহে বিসর্জনং দ্বারি নিখননং অগ্নৌ হোমং (চ) কুর্যাৎ।…ইত্যাদি। (৩কা, ৬অ. ১সূ)।

    টীকা— আপন সৈন্যবর্গকে যুদ্ধে উৎসাহজনন কর্মে ষষ্ঠ অনুবাকের ছয়টি সূক্তের মধ্যে এই প্রথম সূক্তটি বিনিযুক্ত হয়ে থাকে। স্বস্তয়ন কর্মে এই সূক্তমন্ত্রগুলির দ্বারা আজ্যপলাশ ইত্যাদি ত্রয়োদশ দ্রব্য সহকারে হোম করণীয়। সেইরকম সর্প-বৃশ্চিক ইত্যাদির ভয় নিবৃত্তির কামনায় গৃহক্ষেত্রের চারিদিকে এই সুক্তমন্ত্রে অভিমন্ত্রিত:সিকতা বিক্ষিপ্ত করা কর্তব্য। এই সূক্তের দ্বারা তৃণমালা অভিমন্ত্রিত করে গৃহ নগর ইত্যাদির দ্বারে (প্রবেশ পথের সম্মুখে) বন্ধন করণীয়। এই সূক্তমন্ত্রে গোময় অভিমন্ত্রিত করে গৃহে বিক্ষেপণ, দ্বারদেশে নিখনন ও অগ্নিহোম করণীয়।…ইত্যাদি। (৩কা, ৬অ. ১সূ)।

    .

    দ্বিতীয় সূক্ত : শত্রুনিবারণম

    [ঋষি : অথর্বা। দেবতা : প্রাচী, অগ্নি প্রভৃতি। ছন্দ : অষ্টি, পঞ্চপদা।]

    প্রাচী দিগগ্নিরধিপতিরসিতো রক্ষিতাদিত্যা ইষবঃ। তেভ্যো নমোহধিপতিভ্যো নমো রক্ষিতৃভ্যো নম ইষুভ্যো নম এভ্যো অস্তু। যোহম্মান দ্বেষ্টি যং বয়ং দ্বিম্মস্তং বো জম্ভে দধঃ ॥১॥ দক্ষিণা দিগিদ্ৰোহধিপতিস্তিরশ্চিরাজী রক্ষিতা পিতরঃ ইষবঃ। তেভ্যো নমোহধিপতিভ্যো নমো রক্ষিতৃভ্যো নম ইষুভ্যো নম এভ্যো অস্তু। যোহম্মান দ্বেষ্টি যং বয়ং দ্বিম্মস্তং বো জম্ভে দঃ ॥ ২॥ প্রতীচী দিগ বরুণোহধিপতিঃ পৃদাকূ রক্ষিতান্নমিষবঃ। তেভ্যো নমোহধিপতিভ্যো নমো রক্ষিতৃভ্যো নম ইষুভ্যো নম এভ্যো অস্তু। যোহম্মান দ্বেষ্টি যং বয়ং দ্বিম্মস্তং বো জম্ভে দঃ ॥ ৩ উদীচী দিক সোমোহধিপতিঃ স্বজো রক্ষিতাশনিরিষবঃ। তেভ্যো নমোহধিপতিভ্যো নমো রক্ষিতৃভ্যো নম ইষুভ্যো নম এভ্যো অস্তু। যোহম্মান দ্বেষ্টি যং বয়ং দ্বিষ্মস্তং বো জম্ভে দধুঃ ॥ ৪৷৷ ধ্রুবা দিগ বিষ্ণুরধিপতিঃ কল্মষগ্রীবো রক্ষিতা বীরুধ ইষবঃ। তেভ্যো নমোহধিপতিভ্যো নমো রক্ষিতৃভ্যো নম ইষুভ্যো নম এভ্যো অস্তু। যোহশ্ম দ্বেষ্টি যং বয়ং দ্বিম্মস্তং বো জম্ভে দাঃ ॥৫৷ ঊর্ধ্বা দিগ বৃহস্পতিরধিপতিঃ শ্বিত্রো রক্ষিতা বর্ষমিষবঃ। তেভ্যো নমোহধিপতিভ্যো নমো রক্ষিতৃভ্যো নম ইষুভ্যো নম এভ্যো অস্তু। মোহশ্মন্ দ্বেষ্টি যং বয়ং দ্বিম্মস্তং বো জম্ভে দপ্তঃ ॥ ৬৷৷

    বঙ্গানুবাদ –পূর্ব দিক আমাদের প্রতি কৃপাশালিনী হোক। সেই দিকের অধিস্বামী হলেন অগ্নি এবং জগৎসংসারের রক্ষার নিমিত্ত সেই দিকে নিবাসকারী হয়ে আছে কৃষ্ণকায় সর্প; ধাতা অৰ্মা ইত্যাদি অদিতির পুত্রগণ সেই দিকের বাণ বা আয়ুধস্বরূপ; অগ্নি ইত্যাদি, অদিতি ইত্যাদি সকলের উদ্দেশে নমস্কার জ্ঞাপন করছি। আমাদের এই নমস্কার তাদের সকলকে প্রসন্ন করুক। হে অগ্নি প্রমুখ দেবতাগণ! আমাদের পীড়াদানকারী শত্রুকে তোমাদের জম্ভে (অর্থাৎ উন্মুক্ত মুখবিবরস্থায়ী দন্তে) নিক্ষেপ করছি। তাকে ভক্ষণ করো ৷ ১।

    দক্ষিণ দিক আমাদের নিমিত্ত কল্যাণময়ী হোক। সেই দিকের অধিস্বামী হলেন ইন্দ্র এবং দিক-রক্ষক হয়ে আছে তির্যকরূপী সর্প; সেখানকার দুষ্ট-নাশক বাণরূপ হলেন পিতৃদেব; এঁদের সকলকে নমস্কার। আমাদের এই নমস্কার তাদের সকলকে হর্ষিত করুক। যে আমাদের শত্রুতা করে এবং আমরা যাকে বিদ্বেষ করি, তাকে তোমাদের জম্ভে (দন্তে) ভক্ষণার্থ নিক্ষেপ করছি। ২।

    পশ্চিম দিক আমাদের প্রতি অনুগ্রহ-করণশালিনী হোক। সেই দিকের অধিস্বামী হলেন বরুণ; রক্ষক পৃদাকু নামক কুৎসিত শব্দকারী সর্প; ধান-যব ইত্যাদিরূপ অন্ন তার বাণ। এঁদের সকলকে নমস্কার। আমাদের এই নমস্কার এঁদের সকলকে প্রসন্ন করুক। যে আমাদের সাথে বৈরিতা করে এবং আমরা যার বৈরিতা করি, তাকে আমরা তোমাদের জম্ভে ভক্ষণার্থ অর্পণ করছি ৷ ৩৷৷

    উত্তর দিক আমাদের প্রতি অনুগ্রহশালিনী হোক। সেই দিকের অধিপতি হলেন সোম, স্বয়ং উৎপন্ন স্বজ নামক সর্প হলো রক্ষক এবং দুষ্টকে শমন-করণশালী অশনিই তার বাণ। এঁদের সকলকে নমস্কার। এই নমস্কার এঁদের সকলকে প্রসন্ন করুক। যে আমাদের প্রতি শত্রুতাচরণ করে এবং আমরা যার প্রতি শত্রুভাবাপন্ন, তাকে তোমাদের জম্ভে ভক্ষণের নিমিত্ত নিক্ষেপ করছি। ৪।

    যে নিম্ন দিক ধ্রুব নামে প্রসিদ্ধ, সে আমাদের প্রতি কৃপাদৃষ্টি করুক। এই দিকের অধিপতি হলেন বিষ্ণু। কল্মষগ্রীব নামে কৃষ্ণবর্ণের গ্রীবাশালী সর্প এর রক্ষক এবং ঔষধিই তার বাণ। এঁদের সকলকে নমস্কার করছি। এই নমস্কার এঁদের সকলকে প্রসন্ন করুক। আমরা যার বিদ্বেষী এবং যে আমাদের বিদ্বেষ করে, তাকে আমরা তোমাদের জম্ভে (দন্তে) নিক্ষেপ করছি। তোমরা তাকে ভক্ষণ করো ৷৷ ৫

    উপরে স্থিত যে দিক, তা আমাদের অভিলাষ-পূরণকারিণী হোক। সেই দিকের অধিপতি হলেন বৃহস্পতি, রক্ষক হলো শিত্র নামক শ্বেতবর্ণশালী সর্প, এবং তার বাণ বা আয়ুধ হলো দুষ্টকে নিগ্রহকারী বৃষ্টির জল। আমরা এই সকলের উদ্দেশে নমস্কার জ্ঞাপন করছি। এই নমস্কার এঁদের সকলকে প্রসন্ন করুক। আমরা যার সাথে শত্রুতা করে থাকি এবং আমাদের সাথে যে শত্রুতা করে, তাকে ভক্ষণের নিমিত্ত তোমাদের জম্ভে নিক্ষেপ করছি। ৬

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –প্রাচী দিক ইতি সূক্তস্য পূর্বসূক্তেন সহ স্বসেনোৎসাহজনন কর্মণি স্বস্ত্যয়নকর্মাদৌ চ বিনিয়োগোভিহিতঃ।..ইত্যাদি। (৩কা, ৬অ. ২সূ)।

    টীকা — এই সূক্তমন্ত্রগুলি পূর্ববর্তী সূক্তের সাথে আপন সৈন্যগণের উৎসাহজনন কর্মে ও স্বস্তয়নকর্মে বিনিয়োগ হয়।..ইত্যাদি ৷ (৩কা, ৬অ. ২সূ)।

    .

    তৃতীয় সূক্ত : পশুপোষণম

    [ঋষি : ব্রহ্ম। দেবতা : যামিনী। ছন্দ : অনুষ্টুপ, ককুভ, ত্রিষ্টুপ]

    একৈকয়ৈষা সৃষ্ট্যা সং বভূব যত্র গা অসৃজন্ত ভূতকৃতো বিশ্বরূপা। যত্র বিজায়তে যমিন্যপর্তুঃ সা পশূ ক্ষিণাতি রিফতী রুশতী ॥১ এষা পশূন্যসং ক্ষিতি ক্ৰব্যাদ ভূত্বা ব্যদ্বরী। উতৈনাং ব্ৰহ্মণে দদ্যাৎ তথা স্যোনা শিবা স্যাৎ ॥ ২॥ শিবা ভব পুরুষেভ্যো গোভ্যা অভ্যেঃ শিবা। শিবাস্মৈ সর্বস্মৈ ক্ষেত্রায় শিবা ন ইহৈধি ॥ ৩৷৷ ইহ পুষ্টিরিহ রস ইহ সহস্রসাতমা ভব। পশূন্ যমিনি পোষয় ॥ ৪৷৷ যা সুহাদঃ সুকৃত মদন্তি বিহায় রোগং তন্বঃ স্বায়াঃ। তং লোকং যমিন্যভিসংবভূব সা নো মা হিংসীৎ পুরুষান্ পশূংশ্চ ॥ ৫॥ যা সুহাদাং সুকৃতামগ্নিহোত্রহুতাং যত্র লোকঃ।তং লোকং যমিন্যভিসংবভূব সা নো মা হিংসীৎ পুরুষা পশূংশ্চ। ৬।

    বঙ্গানুবাদ –পৃথিবী ইত্যাদির আদি রচয়িতা ভূতকৃৎ নামক ঋষিগণ একটি একটি করে অনেক বর্ণশালিনী গো-ইত্যাদি সৃষ্টি করেন। এক এক বারে একটি করে সন্তান জাত হওয়া রূপ শুভসৃষ্টি সম্পর্কিত এই বিধান বিধাতারই রচনা। এই সৃষ্টির মধ্যে নিকৃষ্ট বীজ (বীর্য) ও রজের দ্বারা যদি কোন গাভী যমজ সন্তান উৎপন্ন করে, তবে তা যজমানের গো-ইত্যাদি পশুসমূহের ক্ষয় এবং চোর, সিংহ ইত্যাদির দ্বারা নাশের কারণ হয়ে থাকে। ১।

    এই যমজ-সন্তান-প্রসবকারিনী গাভী তেমন ভাবেই নাশক হয়ে ওঠে (অর্থাৎ পরিগণিত হয়), যেমন মাংসভক্ষক জীব হয়ে থাকে। সেই অভিচার ইত্যাদির সন্তাপপ্রদ ফলের কারণে যজমানের গাভীগুলি হিংসার কারণ হয়ে ওঠে। এইরকম গাভী ব্রাহ্মণকে দান করলে তবে সে পুত্র-পৌত্র ইত্যাদির সাথে যুক্ত হয়ে সৌভাগ্যবতী হয়ে থাকে। ২।

    হে যমজ-বৎস-প্রসবকারিণী ধেনু! তুমি মনুষ্যকে সুখী করণশালিনী হও; অপর গাভী ও অশ্বের পক্ষেও সুখের হেতুভূতা হও। যজমানের সকল শস্যক্ষেত্রের নিমিত্তও সুখদায়িনী হও ৩

    এই গৃহে গো-ইত্যাদি ধন পুষ্ট হোক, দুগ্ধ ঘৃত ইত্যাদি বৃদ্ধিপাপ্ত হোক। হে যমজ বৎসবতী মাতা! তুমি এই যজমানের পশুসমূহকে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত করাও এবং যজমানকে সহস্র ধন প্রদান করো। ৪

    যে লোকে সুন্দর হৃদয়সম্পন্ন ও উত্তম কর্মশালী পুরুষগণ স্বস্থ (অর্থাৎ নিরুদ্বিগ্ন) ও প্রসন্ন হয়ে থাকে, সেখানে যদি যমজ-বস-প্রসবিনী গাভী সম্মুখে আগত হয়ে যায়, তবু সে যেন আমাদের মনুষ্য ও পশুগণের হিংসক না হয়। ৫।

    যে লোকে সুন্দর হৃদয়শালী, শোভন জ্ঞানসম্পন্ন এবং সুকর্মকুশল মনুষ্যগণ যজ্ঞ ইত্যাদি শ্ৰেষ্ঠ কর্ম সাধন করে থাকেন, সেই স্থানে যমসূ (যমজ বৎস-প্রসবিত্রী) ধেনু যদি আগতা হয় তবে সে যেন আমাদের মনুষ্য ও পশুগণের বিনাশ না। করে ৷ ৬ ৷৷

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ— একৈকয়ৈষা সৃষ্ট্যা ইত্যনেন গবাশ্বাগদভীমানুষীণাং যমলজননে অদ্ভুতে তন্ত্যর্থং আজ্যং হুত্বা মাতৃপুত্ৰয়োমূরি সম্পাতং আনীয় উদপাত্রে উত্তরসম্পাতং কৃত্বা তেনোদকেন আচমনং প্রোক্ষণং চ কুর্যাৎ। সূত্রিতং হি। ….ইত্যাদি। (৩কা, ৬অ. ৩সূ)।

    টীকা –গাভী, অশ্বা, গর্দভী ও মনুষ্য-স্ত্রীগণের গর্ভে যমজ-সন্তানের জন্ম হলে তার শান্তির নিমিত্ত এই সূক্ত-মন্ত্রের দ্বারা আজ্যাতি প্রদান করে মাতা ও পুত্রের মস্তকে সম্পাত আনয়ন পূর্বক জলপাত্রে উত্তর সম্পাত করে সেই জলের দ্বারা আচমন ও পোক্ষণ করণীয়।…ইত্যাদি। (৩কা, ৬অ. ৩সূ)।

    .

    চতুর্থ সূক্ত : অবিঃ

     [ঋষি : উদ্দালক। দেবতা : অবি, কাম, ভূমি। ছন্দ : পংক্তি, অনুষ্টুপ]।

    যদ রাজানো বিভজন্ত ইষ্টাপূর্তস্য যোড়শং যমস্যামী সভ্যসদঃ। অবিস্তস্মাৎ প্র মুঞ্চতি দত্তঃ শিতিপাৎ স্বধা ॥১॥ সর্বান্ কামান্ পূরয়ত্যাভবন প্রভব ভব.. আকুতিতোহবিদর্ডঃ শিতিপাদ্যোপ দস্যতি ॥ ২॥ যো দদাতি শিতিপাদমবিং লোকেন সংমিত। স নাকমভ্যাবোহতি যত্র শুল্কো ন ক্রিয়তে অবলেন বলীয়সে ৷ ৩৷৷ পঞ্চাপূপং শিতিপাদমবিং লোকেন সংমিত। প্রদাতোপ জীবতি পিতৃণাং লোকেহক্ষিত। ৪পঞ্চাপূপং শিতিপাদমবিং লোকেন সংমিত। প্রদাতোপ জীবতি সূর্যামাসয়োরক্ষিতম্ ॥ ৫ইরেব নোপ দস্যতি সমুদ্র ইব পয়ো মহৎ। দেবৌ সবাসিনাবিধ শিতিপান্নোপ দস্যতি ॥ ৬৷৷ ক ইদং বম্মা অদাৎ কামঃ কামায়াদাৎ। কামো দাতা কামঃ প্রতিগ্রহীতা কামঃ সমুদ্রমা বিবেশ। কামেন ত্ব প্রতি গৃহ্নামি কামৈতৎ তে। ৭৷৷ ভূমি প্রতি গৃহ্বাত্বন্তরিক্ষমিদং মহৎ। মাহং প্রাণেন মাত্মনা মা প্রজয়া প্রতিগৃহ্যবি রাধিষি ॥ ৮৷৷

    বঙ্গানুবাদ –আকাশের ঐ দক্ষিণদিকে দৃশ্যমান যমের সভাসঙ্গণ হলেন পাপীবর্গকে দণ্ড দানকারী তথা ধর্মাত্মাগণের উপর কৃপা বর্ষণশীল। এঁরা ইষ্টাপূর্ত কর্মের অধিস্বামী, অর্থাৎ শ্রুতি অনুসারী যজ্ঞ ইত্যাদি (ইষ্ট) কর্মে তথা স্মৃতি অনুসারী তড়াগ-কূপ ইত্যাদি (পূর্ত) কর্মে ঘটে যাওয়া পাপকে পুণ্য হতে পৃথক করে থাকেন ॥১॥

    এঁরা যজ্ঞকে সকল দিক হতে বৃদ্ধি করণশালী এবং– ফলদানে সমর্থ। এঁরা আমাদের সকল অভিলাষকে পূর্ণ করে থাকেন। (যজ্ঞে) প্রদত্ত এই অবি কখনও ক্ষয়পাপ্ত হয় না ॥ ২

    যে যজমান সকল ফলদানশীল এই মেষকে প্রদান করেন, তিনি দুঃখরহিত স্বর্গের ভাগী হয়ে থাকেন। সেই লোকে দুর্বল ব্যক্তিদের পক্ষে সবলদের মানতে হয় না ॥ ৩৷৷

    যে পশুর চারটি পদে ও নাভিতে পাঁচটি অপূপ (পিষ্টক) রাখা হয়, সেই প্রঞ্চ-অপূপযুক্ত শ্বেতপাদ মেষের দাতা বসু ইত্যাদি পিতৃলোকে গমন করে অক্ষয় ফল ভোগ করেন ॥৪॥

    যে পশুর (অর্থাৎ মেষের) চারটি পদে এবং নাভির উপর পাঁচটি অপূপ রক্ষিত হয়, সেই পঞ্চ অপূপযুক্ত শ্বেতপাদশালী মেষের দাতা সূর্য-চন্দ্র লোকে গমন করে অক্ষয় ফল ভোগ করেন ॥৫।

    শ্বেত-পদশালী, যজ্ঞে দানকৃত মেষের কখনও ক্ষয় হয় না। যেমন সমুদ্রের গহন জল এবং সাথে অবস্থানকারী অশ্বিদ্বয়ের ক্ষয় হয় না, তেমনই এ-ও (অর্থাৎ এই মেষও) অক্ষয় হয়ে থাকে ৷ ৬ ৷৷

    প্রজাপতিই দাতা, তিনিই গ্রহী। পারলৌকিক ফলাকাঙ্ক্ষী দানদাতা তথা ইহলৌকিক ফলাভিলাষী প্রতিগ্রহীতা, উভয়ই কামাত্মা। অতএব কামই কামকে প্রদান করেছিল; এইরকমে আত্মাকে পৃথক রাখায় প্রতিগ্রহে দোষ লাগে না। ৭৷

    হে দানযোগ্য দ্রব্য! পৃথিবী ও অন্তরিক্ষ তোমাকে গ্রহণ করুক। আমি প্রতিগ্রহের দোষের দ্বারা প্রাণকে হারিয়ে বসবো না এবং পুত্র-পৌত্র ইত্যাদি হতে বিচ্ছিন্ন হবো না ॥ ৮

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –য রাজানঃ ইতি পঞ্চর্চেন ও দনসবে কর্মণি পশ্ববয়বেষু পঞ্চাপূপনিধানং নিরুপ্তহবিরভিমৰ্শনাদিকং চ কুর্যাৎ। তথা চ সূত্রং।…ইত্যাদি। (৩কা, ৬অ. ৪সূ)।

    টীকা— এই সূক্তের প্রথম পাঁচটি মন্ত্রের দ্বারা ওদনসবের কর্মে পশুর অবয়বে পাঁচটি অপূপ স্থাপন ও নিরুপ্ত হবির অভিমৰ্শন ইত্যাদি করণীয়। অবশিষ্ট তিনটি মন্ত্রের দ্বারা দোষাবহ কিংবা সাধারণ প্রতিগ্রহ ও সেই সম্পর্কিত দ্রব্যসম্ভার অভিমন্ত্রণ পূর্বক গ্রহণ করা হয়ে থাকে। ইত্যাদি ॥ (৩কা, ৬অ. ৪সূ)৷৷

    .

    পঞ্চম সূক্ত : সাংমনস্যম

    [ঋষি : অথর্বা। দেবতা : সাংমনস্যম্। ছন্দ : অনুষ্টুপ, জগতী, ত্রিষ্টুপ]

    সহৃদয়ং সাংমনস্যমবিদ্বেষং কৃপোমি বঃ। অনন্যা অন্যমভি হত বৎসং জাতমিবাগ্না ॥ ১। অনুব্রতঃ পিতুঃ পুত্রো মাত্রা ভবতু সংমনাঃ। জায়া পত্যে মধুমতীং বাচং বদতু শন্তিম্ ॥ ২॥ মা ভ্রাতা ভ্রাতরং দ্বিক্ষন্মা স্বসারমুত স্বস্য। সম্যঞ্চঃ সব্রতা ভূত্বা বাচং বদত ভদ্রয়া ॥ ৩॥ যেন দেবা ন বিষন্তি নো চ বিদ্বিষতে মিথঃ। । তৎ কৃন্মো ব্ৰহ্ম বো গৃহে সংজ্ঞানং পুরুষেভ্যঃ ॥ ৪৷ জ্যায়স্বন্তশ্চিত্তিনো মা বি যৌষ্ট সংরাধয়ন্তঃ সধুরাশ্চরন্তঃ। অনন্যা অন্যস্মৈ বন্তু বদন্ত এত সস্ত্রীচীনা বঃ সংমনসস্কৃণোমি ॥ ৫॥ সমানী প্রপা সহ বোহন্নভাগঃ সমানে যোত্রে সহ বো যুনজিম। সমঞ্চোইগ্নিং সপষর্তারা নাভিমিবাভিতঃ ॥ ৬ সচীনা বঃ সমনসস্কৃণোম্যেকষ্টীন্তসংবননেন সর্বান্। দেবা ইবামৃতং রক্ষণাঃ সায়ংপ্রাতঃ সৌমনসো বো অস্তু ॥ ৭৷

    বঙ্গানুবাদ –হে বিবাদী পুরুষগণ! তোমাদের নিমিত্ত আমি বিদ্বেষভাব-দূরীকরণশালী, প্রীতিযুক্ত সাংমনস্য কর্ম করছি। গাভী যেমন আপন বৎসকে স্নেহ করে, তেমনই তোমরা পরস্পর ব্যবহার (আচরণ) করো। ১।

    পুত্র পিতার অনুগত হোক, মাতাও পুত্রের প্রতি অনুকূল মনঃসম্পন্না হোক, পত্নী পতির প্রতি প্রিয়বাদিনী হোক ৷ ২

    (সম্পত্তির) অংশ-বিভাজনের নিমিত্ত ভ্রাতা যেন ভ্রাতার প্রতি মন্দ আচরণ না করে। ভগ্নী যেন ভ্রাতা বা ভগ্নীর প্রতি শত্রুতা না করে। এরা সকলে সমান কর্ম ও সমান গতিসম্পন্ন হয়ে মঙ্গলময় কথাবার্তা বলুক ॥ ৩॥

    যে মন্ত্রবলের দ্বারা দেবতাগণ বিভিন্ন মতিসম্পন্ন হন না কিংবা পরস্পরের প্রতি বৈরভাবাপন্ন হয়ে থাকেন না, সেই সমানতার কারণরূপ মন্ত্রের সাথে সম্বন্ধিত সাংমনস্য কর্মকে আমি তোমাদের নিমিত্ত সাধিত করছি। ৪।

    তোমরা সমান মনঃসম্পন্ন হয়ে, সমান কার্যশালী হয়ে, জ্যেষ্ঠ-কনিষ্ঠ সকলের প্রতি সমান মনোযোগী হয়ে এবং পরস্পর শোভন বচনে প্রবৃত্ত হয়ে আগমন করো। হে মনুষ্যগণ! আমিও তোমাদের সমান কার্যে প্রবৃত্ত করছি ॥ ৫

    হে সমানতাকাঙ্ক্ষী মনুষ্যগণ! তোমাদের ক্ষুধার অন্ন ও তৃষ্ণার জলের উপভোেগ সমান (বা একই রকম) হোক। আমি তোমাদের এক প্রেম-সূত্রে বন্ধন করছি। যেমন চক্রের অর বা কীলকগুলি (গোঁজগুলি) নাভিকে (অর্থাৎ মধ্যমণ্ডলকে) আশ্রয় করে থাকে, তেমনই তোমরা সকলে এক অগ্নির আশ্রয়ে অবস্থান পূর্বক তার সেবা করো ৷৷ ৬ ৷

    আমি তোমাদের সমান মনঃসম্পন্ন করে দিয়ে একসাথে কর্ম সাধনে প্রবৃত্ত করছি; তোমাদের এক রকম অন্নের ভোক্তা করছি; এমন কর্মে আমি তোমাদের বশীভূত করছি। স্বর্গে এক সাথে অমৃত রক্ষাকারী ইন্দ্র প্রমুখ সকল দেবতাগণের মন যেমন একীভূত হয়ে শ্রেষ্ঠতা লাভ করে থাকে, সেই রকমে প্রাতে বা সন্ধ্যায়, সকল সময়, তোমাদের মন সমান ও শোভন-সুন্দর হয়ে থাকুক ॥৭॥

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –সহৃদয়ং সাংমনস্য ইতি সূক্তেন সাংমনস্যকর্মণি গ্রামমধ্যে সম্পাতিতোদকুম্ভনিনয়নং তদ্বৎ সুরাকুম্ভনিনয়নং ত্রিবর্ষবৎসিকায়া গোঃ পিশিতানাং প্রাশনং সম্পতিতান্নপ্রাশনং সম্পাতিতসুরায়াঃ পায়নং তথাবিধপ্রপোদপায়নং চ কুর্যাৎ। সূত্রিতং হি।..ইত্যাদি। (৩কা, ৬অ. ৫সূ)৷৷

    টীকা –সাংমনস্য কর্মে এই সূক্তের বিনিয়োগ উপযুক্ত নির্দেশ অনুসারে করণীয় ॥(৩কা, ৬অ. ৫সূ)।

    .

    ষষ্ঠ সূক্ত : যক্ষ্মনাশনম্

    [ঋষি : ব্রহ্ম। দেবতা : অগ্নি ইত্যাদি। ছন্দ : অনুষ্টপ, পংক্তি ]

    বি দেবা জরসাবৃত বি ত্বমগ্নে অরাত্যা। ব্যহং সর্বেণ পাস্নানা বি যক্ষ্মেণ সমায়ুষা ॥১॥ ব্যার্তা পবমাননা বি শক্রঃ পাপকৃত্যয়া। ব্যহং সর্বেণ পাশ্মনা বি যক্ষ্মেণ সমায়ুষা ॥ ২॥ বি গ্রাম্যাঃ পশব আরণ্যৈৰ্যাপস্তৃষ্ণয়াসর। ব্যহং সর্বেণ পাগনা বি যক্ষ্মেণ সমায়ুষা ৷ ৩৷ বীহমে দ্যাবাপৃথিবী ইতো বি পন্থনো দিশংদিশম্। ব্যহং সর্বেণ পাগনা বি যক্ষ্মেণ সমায়ুষা ॥৪॥ ত্বষ্টা দুহিত্রে বহতুং যুনত্তীতীদং বিশ্বং ভুবনং বি যাতি। ব্যহং সর্বেণ পামনা বি যক্ষ্মেণ সমায়ুষা ॥ ৫॥ অগ্নিঃ প্রাণান্তসং দধাতি চন্দ্রঃ প্রাণেন সংহিতঃ। ব্যহং সর্বেণ পাগনা বি যক্ষ্মেণ সমায়ুষা ॥ ৬। প্রাণেন বিশ্বততাবীৰ্ষং দেবাঃ সূর্যং সমৈরয়। ব্যহং সর্বেণ পাগনা বি যক্ষ্মেণ সমায়ুষা ॥৭॥ আয়ুষ্মতামায়ুষ্কৃতাং প্রাণেন জীব মা মৃথাঃ। ব্যহং সর্বেণ পাগনা বি যক্ষ্মেণ সমায়ুষা ॥ ৮৷ প্রাণেন প্রাণতাং প্রাণেহৈব ভব মা মৃথাঃ। ব্যহং সর্বেণ পাগনা বি যক্ষ্মেণ সমায়ুষা ॥ ৯৷ উদায়ুষা সমায়ুযোদোষধীনাং রসেন। ব্যহং সর্বেণ পাগনা বি যক্ষ্মেণ সমায়ুষা। ১০ আ পর্জন্যস্য বৃষ্ট্যোদস্থামামৃতা বয়ম্।। ব্যহং সর্বেণ পাগনা বি যক্ষ্মেণ সমায়ুষা। ১১।

    বঙ্গানুবাদ –হে অশ্বিদ্বয়! এই উপনয়নসংস্কৃত মাণবককে (অর্থাৎ বালককে) আয়ু-হানি করণশালিনী বৃদ্ধাবস্থা বা জরা হতে দূরে রক্ষা করো। হে অগ্নি! তুমি একে অদানশীলতা ও শত্রুগণ হতে দূরে রক্ষা করো। আমি একে পাপ হতে বিযুক্ত (পৃথক) পূর্বক যক্ষ্মাব্যাধি হতে মুক্ত করছি এবং দীর্ঘ আয়ুষ্মন্ করে দিচ্ছি। ১।

    রোগের হেতুভূত উৎপন্ন দুঃখ হতে বায়ু একে রক্ষা করুন। ইন্দ্র একে পাপ হতে বিযুক্ত করুন। আমি একে রোগের কারণ রূপ পাপ হতে বিযুক্ত করে, যক্ষ্মা ব্যাধি হতে দূরে রক্ষিত করে, দীর্ঘ আয়ুষ্মন্ করে দিচ্ছি ॥ ২॥

    সিংহ ইত্যাদি বন্য পশুসমূহ হতে গো-ইত্যাদি গ্রাম্য পশুগণ, যেমন স্বভাবতঃ বিযুক্ত হয়ে অবস্থান করে, জলাভাব জনিত কারণে পিপাসার্ত প্রাণীগণ হতে জল যেমন বিযুক্ত হয়ে থাকে, সেই রকমেই আমি এই ব্রহ্মচারীকে পাপ হতে বিযুক্ত করছি। একে ক্ষয়রোগ হত মুক্ত করে দীর্ঘ আয়ুর সাথে যুক্ত করে দিচ্ছি ৷ ৩৷৷

    এক দি হতে অপর দিকে গমনের পথ যেমন পৃথক-পৃথক হয়ে থাকে, আকাশ ও পৃথিবীও যেমন স্বভাবতঃ পৃথক পৃথক হয়ে থাকে, তেমনই আমি এই বালককেও স্বভাবতঃ পাপ হতে বিযুক্ত হয়ে অবস্থানশালী করে দিচ্ছি। যক্ষ্মা রোগ হতে বিযুক্ত করে একে দীর্ঘ আয়ুষ্মত্তা প্রদান করছি। ৪

    ত্বষ্টা আপন কন্যার বিবাহের অবসরের পরে যে যৌতুক প্রেরণ করেন, সেগুলিকে নির্গমনের স্থান। ও দানের নিমিত্ত এই পৃথিবী ও অন্তরিক্ষ পরস্পর পৃথক হয়ে গিয়েছিল। সেই রকমে আমি এই নব স্ব যজ্ঞ সূত্রধারী মানবকে পাপ হতে পৃথক করে দিচ্ছি। একে যক্ষ্মা রোগ হতে পৃথক করে দীর্ঘায়ুম্মান করে দিচ্ছি ৷ ৫

    ভুক্ত দ্রব্যকে পরিপাকশালী জঠরাগ্নি নেত্র ও প্রাণকে অন্নের রস প্রাপ্ত করান এবং তাদের আপন আপন কর্ম সাধনের সামর্থ্য দান করেন। ঐ রকমেই চন্দ্রমা প্রাণবায়ুর সাথে যুক্ত হয়ে অমৃতময় রসের দ্বারা আত্মাকে পোষিত করে থাকেন। আমি এই মাণবককে সকল পাপ হতে বিযুক্ত করে দিচ্ছি এবং একে যক্ষা রোগ হতে বিযুক্তকরণ পূর্বক দীর্ঘ আয়ুর সাথে যুক্ত করে দিচ্ছি। ৬।

    দেবগণ সূর্যকে প্রাণ রূপে প্রকট করেছিলেন। আমিও এমনইভাবে সূর্যকে এই বালকের আয়ু বৃদ্ধির নিমিত্ত স্থাপিত করছি। আমি একে সকল পাপ হতে বিযুক্ত করে দিচ্ছি এবং একে যক্ষ্মা হতে বিযুক্তকরণ পূর্বক দীর্ঘ আয়ুঃশালী করে দিচ্ছি। ৭।

    আয়ুষ্মন্ পুরুষগণের দীর্ঘ আয়ুর দ্বারা এবং দেববর্গের চিরস্থায়ী প্রাণবায়ুর দ্বারা, হে উপনীত বালক! তুমি আপন প্রাণকে সুদীর্ঘকাল পর্যন্ত ধারণ করো। আমি তোমাকে সকল পাপ হতে বিযুক্ত করে দিচ্ছি এবং ক্ষয় হতে রহিতকরণ পূর্বক দীর্ঘায়ু যুক্ত করে দিচ্ছি ॥ ৮।

    হে বালক! শ্বাস-গ্রহণশীল সকল প্রাণীর শ্বাসের (অর্থাৎ প্রাণবায়ুর) সাথে তুমি শ্বাস গ্রহণ করো (অর্থাৎ প্রাণবায়ুকে ধারণ করে রাখো)। তুমি মৃত্যুপ্রাপ্ত না হয়ে এই লোকে অবস্থান করো। আমি তোমাকে সকল পাপ হতে বিযুক্ত করে দিচ্ছি এবং ক্ষয়রোগ হতে বিমুক্ত করে দীর্ঘায়ুষ্মন্ করছি ॥ ৯

    আমরা আয়ুর শক্তিতেই মৃত্যু হতে জীবিত হয়ে থাকি (অর্থাৎ আয়ু থাকে বলেই বেঁচে থাকি), এবং তার দ্বারা এই লোকে বাস (বা অবস্থান) পূর্বক যব ধান্য ইত্যাদির আয়ুষ্কারক রসের দ্বারা বৃদ্ধি প্রাপ্ত হই। আমি তোমাকে (অর্থাৎ তুমি হেন মাণবককে) সকল রোগের জনক পাপ হতে পৃথক্ করে দিচ্ছি, তোমাকে ক্ষয়-রহিত করে দিচ্ছি এবং দীর্ঘায়ু সম্পন্ন করে দিচ্ছি। ১০।

    আমরা পর্জন্যদেবের বর্ষার জলের দ্বারা অমৃতত্ব লাভ করে উত্থান ও উপবেশন (ওঠাবসা) করে থাকি। এই বর্ষার জল সংসারের প্রাণভূত। হে উপবীতধারী ব্রহ্মচারী মাণবক! আমি তোমাকে সকল রোগের উৎপত্তির জনকপাপ হতে বিযুক্ত করে যক্ষ্মা-ব্যাধি হতেও বিযুক্ত করে দিচ্ছি। আমি তোমাকে দীর্ঘ আয়ুর সাথে সংযুক্ত করছি ॥ ১১

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ — বি দেবা জরসা ইতি সূক্তেন উপনয়নান্তরং আয়ুষ্কামস্য মাণবকস্য শরীরং আচার্যঃ অভিমন্ত্রয়েত। তথা চ কৌশিকসূত্রং।…ইত্যাদি। (৩কা, ৬অ. ৬সূ)।

    টীকা— এই সূক্ত মন্ত্রগুলির দ্বারা উপনয়নের পর মানবকের আয়ুষ্কামনার উদ্দেশে তার শরীর আচার্য কর্তৃক অভিমন্ত্রিত করণীয়।…ইত্যাদি। (৩কা, ৬অ, ৬সূ)।

    [ইতি তৃতীয়ং কাণ্ডং সমাপ্তম্।]

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহারুকি মুরাকামির শ্রেষ্ঠ গল্প – অনুবাদ : দিলওয়ার হাসান
    Next Article শ্যামাপ্রসাদ : বঙ্গবিভাগ ও পশ্চিমবঙ্গ – দীনেশচন্দ্র সিংহ
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }