Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অথর্ববেদ সংহিতা (সম্পাদনা : দিলীপ মুখোপাধ্যায়)

    দিলীপ মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1733 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৪।২ চতুর্থ কাণ্ড : দ্বিতীয় অনুবাক

    দ্বিতীয় অনুবাক
    প্রথম সূক্ত : বিষঘ্নম
    [ঋষি : গরুত্মান। দেবতা : ব্রাহ্মণ প্রভৃতি। ছন্দ : অনুষ্টুপ]

    ব্রাহ্মণণা জজ্ঞে প্রথমো দশশীর্ষো দশাস্যঃ। স সোমং প্রথমং পপৌ স চকারারসং বিষম্ ॥১॥ যাবতী দ্যাবাপৃথিবী বরিমণ যাবৎ সপ্ত সিন্ধবো বিতষ্ঠিরে। বাচং বিষস্য দূষণীং তামিতো নিরদিষম্ ॥ ২॥ সুপর্ণা গরুত্মা বিষ প্রথমমাবয়ৎ। নামীমদো নারূরুপ উম্মা অভবঃ পিতুঃ ॥৩॥ যস্ত আস্যৎ পঞ্চাঙ্গুরির্বক্রাচ্চিদধি ধন্বনঃ। অপস্কম্ভস্য শল্যান্নিরবোচমহং বিষম্ ॥৪৷ শল্যাদ বিষং নিরবোচং প্রাঞ্জনাদুত পর্ণধে। অপাষ্ঠাছুঙ্গাৎ কুল্মলানিরবোচমহং বিষম্ ॥ ৫৷৷ অরসস্ত ইমো শল্যোহথো তে অরসং বিষম উতারসস্য বৃক্ষস্য ধনুষ্টে অরসারসম্ ॥ ৬৷৷ যে অপীষ যে অদিহন য আস্য যে অবাসৃজ। সর্বে তে বয়ঃ কৃতা বর্ধির্বিষগিরিঃ কৃতঃ ॥৭॥ বয়স্তে খনিতানো বস্তুমস্যোষধে। বখ্রিঃ স পর্বতো গিরিতে জাতমিদং বিষম৷৷ ৮

    বঙ্গানুবাদ –তক্ষক হলো প্রথম ব্রাহ্মণ জাতীয় সর্প; তার দশটি ফণা এবং দশটি মুখ। এ ক্ষত্রিয়-জাতীয় সর্পগণের মধ্যে প্রথম হওয়ার কারণে আকাশস্থ সোমকে পান করেছিল। সেই অমৃতময় সোম পানকারী ব্রাহ্মণ সর্প কল-মূল ফল ইত্যাদি হতে উৎপন্ন এই বিষকে নিঃপ্রভাব করুক ॥১॥

    দ্যাবাপৃথিবী যত পরিমিত স্থান ব্যেপে বিস্তৃত আছে, সমুদ্র যতদূর পর্যন্ত বিস্তৃত আছে, ততদূর পর্যন্ত স্থানব্যাপী কলমূল, ফল ইত্যাদি জনিত বিষকে দূরীকরণ শালিনী মন্ত্রযুক্ত বাণীকে প্রযুক্ত করছি। ২।

    হে বিষ! বৈনতেয় গরুড় তোমাকে প্রথম ভক্ষণ করেছিল, তাতে তুমি নির্বীর্য হয়ে গিয়েছিলে। এখন এই বিষের দ্বারা পীড়িত পুরুষের জ্ঞানকে নষ্ট করো না। তুমি এর নিমিত্ত অন্নের ন্যায় জীর্ণতা প্রাপ্ত হও৷ ৩৷

    পাঁচটি অঙ্গুলীশালী যে হস্ত মুখ-যন্ত্ৰ হতে তোমার (অর্থাৎ পুরুষের) শরীরে প্রক্ষিপ্ত হয়েছে, সেই বিষ ও বিষ প্রদানকারী হস্তকে আমি ক্ৰমুক অর্থাৎ শুপারি বৃক্ষের খণ্ডের দ্বারা মন্ত্রশক্তির প্রভাবে প্রভাবহীন করে দিচ্ছি। ৪।

    বাণের ফলকের দ্বারা যে বিষ তোমার শরীরে প্রবিষ্ট হয়েছে, তাকে আমি মন্ত্রবলে দূর করে দিচ্ছি। প্রলেপ হতে, বিষময় পত্র হতে, শৃঙ্গ হতে এবং মল (বা বিষ্ঠা) ইত্যাদির দ্বারা যে বিষ উৎপন্ন হয়েছে, তাকেও আমি মন্ত্রশক্তির দ্বারা পৃথক করে দিচ্ছি। ৫।

    হে বাণ! তোমার বিষযুক্ত ফলক নিবীর্য হোক, তোমার বিষ নিষ্ফল হোক। আরও, তোমার ধনুকও ব্যর্থ হয়ে যাক ৷ ৬ ৷৷

    বিষময়ী ঔষধি প্রদানকারী, লেপনের দ্বারা বিষ প্রয়োগশালী, দূর হতে বিষ প্রক্ষেপশালী, নিকটে অবস্থিত থেকে অন্ন ও জলে বিষ মিশ্রণকারী– এই সকল বিষ-দাতৃগণকে এবং বিষের উৎপত্তির কারণ রূপ পর্বত ইত্যাদিকেও আমি নির্বীর্য করে দিয়েছি। ৭

    হে বিষযুক্ত ঔষধি! তোমাকে খননকারী জন নিবীর্য হোক; তুমিও মন্ত্রবলের দ্বারা নিষ্প্রভাব হও; যে পর্বতের উপরে এই বিষযুক্ত কন্দ, মূল, ফল ইত্যাদি উৎপন্ন হয়ে থাকে, সেই পর্বতও নির্বীর্য হয়ে যাক ॥ ৮

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ— ব্রাহ্মণো জজ্ঞে বারিদং ইত্যাভ্যাং কন্দবিষভৈষজ্যার্থং উদকং অভিমন্ত্র বিষাবৃতং পুরুষং পায়য়েৎ। তথাবিষোদকেন প্রোক্ষেৎ। তথা কৃমুকবৃক্ষশকলং সহোদকং অভিমন্ত্র পায়য়েৎ প্রোক্ষেচ্চ। তথা আভ্যাং জীর্ণহরিণচর্মাবজ্বালিতং পতিতমির্জনিকাশকলৈৰ্বা অবজ্বালিতং উদকং আভ্যাং অভিমন্ত্ৰা তেনোদকেন বিষাবৃতঃ অবসিঞ্চেৎ। তথা আভ্যাং সুক্তাভ্যাং উদপাত্রং সম্পত্য অভিমন্ত্র তেন প্লাবয়েৎ। তথা বিষলিপ্তাভ্যাং ঊধ্বফলভ্যাং সমন্থং মথিত্বা অভিমন্ত্র পায়য়েৎ। তথা মদনফলানি প্রত্চং অভিমন্ত্র যথা ছদৰ্ভবতি তথা প্রত্চং ভক্ষয়েৎ। সর্পিষা সহিং হরিদ্রাং অনেনৈবাভিমন্ত্র আবিষ্টবিষং পায়য়েৎ। সূত্রিতং হি।…ইত্যাদি৷৷ (৪কা, ২অ. ১সূ)৷

    টীকা— কন্দবিষের ভৈষজ্যার্থে এই সূক্তের দ্বারা জল অভিমন্ত্রিত করে বিষাবৃত জনকে পান করানো কর্তব্য। তথাবিধ জলের দ্বারা প্রেক্ষণ করণীয়। কৃমুক (বা ক্রমুক অর্থাৎ শুপারী) বৃক্ষের বল্কলখণ্ডের সাথে জল অভিমন্ত্রিত করে পান করানো ও প্রক্ষেপ করানো কর্তব্য। ইত্যাদি আরও নানাভাবে নানারকম বিষক্রিয়ার দূরীকরণে এই সূক্তের বিনিয়োগ উপযুক্ত সূক্তস্য বিনিয়োগঃ অংশে দ্রষ্টব্য ॥ (৪কা, ২অ. ১সূ)।

    .

    দ্বিতীয় সূক্ত : বিষনাশনম্

    [ঋষি : গরুত্মান। দেবতা : বনস্পতি। ছন্দ : অনুষ্টুপ]

    বারিদং বারয়াতৈ বরণাবত্যামধি। তত্রামৃতস্যাসিক্তং তেনা তে বারয়ে বিষম্ ॥১॥ অরসং প্রাচ্যং বিষমরসং যদুদীচ্য। অথেদমধরাচ্যং করম্ভেণ বি কল্পতে ॥২॥ করম্ভং কৃত্বা তিং পীবর্ম্পকমুদারথি। ক্ষুধা কিল ত্বা দুষ্টনো জক্ষিবান্তস ন রুরুপঃ ॥ ৩৷৷ বি তে মদং মদাবতি শরমিব পাতয়ামসি। প্র ত্বা চরুমিব যেষন্তং বচসা স্থাপয়ামসি ॥ ৪৷৷ পরি গ্রামমিবাচিতং বচসা স্থাপয়ামসি। তিষ্ঠা বৃক্ষ ইব স্থাষ্যভ্রিখাতে ন রূরুপঃ ॥৫॥ পরস্তৈা পৰ্যক্ৰীণন দূর্শেভিরজিনৈরুত। প্রক্রীরসি ত্বমোষধেহভ্রিখাতে ন রূরুপঃ ॥৬॥ অনাপ্তা যে বঃ প্রথমা যানি কর্মাণি চক্রিরে। বীরা নো অত্র মা দভন্ ত ব এতৎ পুরো দধে ॥৭ ৷৷

    বঙ্গানুবাদ— বরণ নামক বৃক্ষউৎপন্ন-করণশালিনী বরণাবতীর জল আমাদের বিষকে দূরীভূত করে দিক। এর জলে দ্যুলোকস্থিত অমৃতের স্বরূপ বিদ্যমান রয়েছে। সেই অমৃতময় জলের দ্বারা কন্দ ইত্যাদির দ্বারা উৎপন্ন তোমার বিষকে নিবারণ করছি। ১।

    পূর্ব দিকের বিষ নির্বীর্য হোক; উত্তর, দক্ষিণ সকল দিকের বিষ মন্ত্রশক্তির দ্বারা নিবার্য হয়ে যাক। পৃথিবীর নিম্নপ্রদেশে উৎপাদিত বিষ করম্ভ নামক বিষহরি মন্থের দ্বারা নিবীর্য হোক ৷ ২৷৷

    হে বিষ! তুমি শরীরকে দূষিত-করণশালী। জেনে করম্ভরূপ মন্থ মনে করে পীড়াজনক তোমাকে এই পুরুষ ভক্ষণ করে ফেলেছে। তুমি একে চেতনা-রহিত করো না ॥ ৩॥

    হে চেতনা-বিলোপকারিণী ঔষধি! তোমার বিষকে আমরা ধনু হতে বিক্ষিপ্ত তীরের ন্যায় শরীর হতে দূর করে দিচ্ছি। হে বিষ! গুপ্তভাবে বিচরণশীল দূতের (বা চরের) ন্যায় গোপনরূপে এই বিষোপহত পুরুষের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে ব্যাপ্ত হয়ে অবস্থানকারী তোমাকে মন্ত্রশক্তির দ্বারা নিষ্ক্রান্ত করে দূর করে দিচ্ছি। ৪

    হে খননের দ্বারা লব্ধ ঔষধি! তুমি বৃক্ষের ন্যায় আপন স্থানে অটল থাকো, এই পুরুষকে মূৰ্ছিত করো না। আমরা তোমার বিষকে মন্ত্ররূপ বাক্যের দ্বারা দূর করে দিচ্ছি ৷৷ ৫

    হে বিষাক্ত ঔষধি! মহর্ষিগণ তোমাকে শুদ্ধকরণের নিমিত্ত ক্রয় করেছিলেন। তুমি হরিণচর্মের বিনিময়ে ক্রীত হয়েছিলে। অতএব তুমি ক্রীত হয়ে (আত্মাধিকারহীনের মতো) এই স্থান হতে দূর হও এবং এই পুরুষকে অচেতন করো না। ৬।

    হে মনুষ্যগণ! যে শক্রবর্গ যজ্ঞ ইত্যাদি মুখ্য কর্ম সাধন করেছিল, তারা আপন সেই মুখ্য কর্মের দ্বারা আমাদের পুত্র পৌত্র ইত্যাদির যেন নাশক না হতে পারে। এই (বিপদ) হতে রক্ষিত হওয়ার নিমিত্ত আমি চিকিৎসা রূপ কর্মকে প্রস্তুত (বা উপস্থাপিত) করছি ॥৭॥

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –বারিদং বারয়াতৈ ইতি দ্বিতীয়সূক্তস্য পূর্বসূক্তেন সহ উক্তো বিনিয়োগঃ। (৪কা, ২অ. ২সূ)।

    টীকা— এই সূক্তটির বিনিয়োগ পূর্ব সূক্তে উক্ত হয়েছে। (৪কা, ২অ. ২সূ)৷৷

    .

    তৃতীয় সূক্ত : রাজ্যাভিষেকঃ

    [ঋযি : অথর্বাঙ্গিরা। দেবতা : রাজ্যাভিষেক, আপ। ছন্দ : ত্রিষ্টুপ, অনুষ্টুপ]

    ভূত ভূতেষু পয় আ দধাতি স ভুনামধিপতিবর্ভূর্ব। তস্য মৃত্যুশ্চরতি রাজসুয়ং স রাজা রাজ্যমনু মন্যতামিদম্ ॥১॥ অভি প্রেহি মাপ বেন উগ্রশ্চেত্তা সপত্নহা। আ তিষ্ঠ মিত্রবর্ধন তুভ্যং দেবা অধি ব্রুবন্ ॥২॥ আতিষ্ঠন্তং পরি বিশ্বে অভূষংচ্ছ্বিয়ং বসানশ্চরতি স্বরোচিঃ। মহৎ তদ বৃষ্ণো অসুরস্য নামা বিশ্বরূপো অমৃতানি তস্থৌ ॥৩॥ ব্যাঘ্ৰো অধি বৈয়াঘ্ৰে বি ক্রমস্ব দিশো মহীঃ। বিশষ্যা সর্বা বাঞ্ছাপো দিব্যাঃ পয়স্বতীঃ ॥৪॥ যা আপো দিব্যাঃ পয়সা মদন্ত্যন্তরিক্ষ উত বা পৃথিব্যাম। তাসাং ত্বা সর্বাসামপামভি ষিঞ্চামি বৰ্চসা ॥৫॥ অভি ত্বা বৰ্চসাসিচন্নাপো দিব্যাঃ পয়স্বতীঃ। যথাসসা মিত্রবর্ধনস্তথা ত্বা সবিতা করৎ ॥৬॥ এনা ব্যাঘ্রং পরিষস্বজানাঃ সিংহং হিম্বন্তি মহতে সৌভগায়। সমুদ্রং ন সুভুবস্তস্থিবাংসং মজ্যন্তে দ্বীপিনম স্বন্তঃ ॥৭॥

    বঙ্গানুবাদ –অভিষিক্ত হওয়ার পর ঐশ্বর্য লাভকারী ও অনুজীবী বা আশ্রিত জনগণকে অন্ন দানশীল রাজাই প্রাণধারীগণের অধিস্বামী হয়ে থাকেন। যমরাজ প্রাণীগণের উপর শাসন-করণে এবং দুষ্টকে দণ্ড দানের নিমিত্তই রাজার দ্বারা রাজসূয় যজ্ঞ অনুষ্ঠিত করিয়ে থাকেন ৷৷ ১।

    হে রাজন! তুমি হস্তী, অস্ব, রথ, রাজ্য, সিংহাসন ইত্যাদির প্রতি উদাসীন হয়ো না। তুমি কার্যাকার্যের বিভাবের (অর্থাৎ পরিচয়ের) জ্ঞাতা ও মহাবলী হও। ইন্দ্র ইত্যাদি দেবতাগণ তোমাকে লক্ষ্য করে এই জন আমাদের বলে অধিকরূপে ঘোষণা করুন। ২।

    সিংহাসনে আরূঢ় রাজাকে সকলে সেবা করুক এবং রাজাও প্রজাপালনে তৎপর হোন। অভিষেকের দ্বারা উৎপন্ন রাজ্য-তেজ (বা রাজার যশ) দশ দিকে ব্যাপ্ত হোক এবং শত্রুগণ ভয়ত্রস্ত হয়ে পলায়ন করুক। এই রাজা শত্রু, মিত্র, স্ত্রী ইত্যাদিতে বিভিন্ন প্রকার আচরণশীল রূপে দণ্ড, যুদ্ধ ও অধ্যয়ন ইত্যাদি কার্য সাধন-সম্পন্ন হোন ৩

    হে রাজন্! তুমি ব্যাঘ্র চর্মের উপর উপবশন পূর্বক পূর্ব ইত্যাদি দিকসমূহকে বিজয় করো। তুমি তেজস্বী হও। তোমাকে এই সকল প্রজা নিজেদের অধিপতি রূপে স্বীকার করুক। তোমার রাজ্যে অনাবৃষ্টি রূপ অকাল যেন না হয় ॥ ৪।

    হে রাজন! দ্যুলোকস্থ যে জল প্রাণীগণের তৃপ্তিকারক হয়ে থাকে, যে জল পৃথিবী এবং অন্তরিক্ষে বর্তমান, সেই তিনলোকে ব্যাপ্ত জলরাশির অপরিমিত পরাক্রম সমৃদ্ধ তোমাকে অভিষিক্ত করছি ॥ ৫৷৷

    হে রাজ! (সেই) দিব্য জলরাশি আপন তেজের দ্বারা তোমাকে অভিসিঞ্চিত করুক। তুমি আপন মিত্রবর্গকে যে স্থিতিতে বৃদ্ধি করতে আকাঙ্ক্ষা করো, সূর্য সেই রকমে তোমাকে সামর্থ্যবান্ করুন ॥ ৬

    বীর রাজাকে জলসমূহ মাতার ন্যায় হর্ষিত করছে এবং তাঁকে সৌভাগ্য প্রাপ্ত করানোর নিমিত্ত বীর্যের দ্বারা তৃপ্ত করছে। নদী রূপ জলরাশি যেমন সমুদ্রকৈ সমৃদ্ধ করে থাকে, তেমনই অভিষেকের সময় এই জলরাশি রাজাকে তৃপ্ত করছে। সেবকবৃন্দ বস্ত্র, মুকুট, অলঙ্কার ইত্যাদির দ্বারা রাজাকে সুশোভিত করছে ॥ ৭

     সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –ভূতো ভূতেষু ইতি তৃতীয়সূক্তেন মহতি লঘৌ বা রাজাভিষেক কর্মণি শান্তু্যদককলশেন উদপাত্রেণ চ অভিষেকং জপং চ পুরোহিতং কুর্যাৎ। তথা সম্পাতিতস্থালীপাকপ্রাশনং অভিমন্ত্রিতং অশ্বং আরোহ্য অপরাজিতদিশং প্রতি গমনং চ কারয়েৎ। সূত্রিতং হি।…ইতাদি। (৪কা, ২অ. ৩সূ)।

    টীকা –এই সূক্তের দ্বারা মহতী বা লঘু রাজ্যাভিষেক কর্মে শান্তিজলের কলশ ও জলপাত্র অভিমন্ত্রিত। করে রাজার অভিষেক করণীয় এবং পুরোহিত কর্তৃক এই মন্ত্রগুলি জপনীয়। তথা সম্পাতিত স্থালীপাক প্রাশনে এবং এই সূক্তমন্ত্রে অভিমন্ত্রিত অশ্বে আরোহণ করিয়ে রাজাকে অপরাজিত দিকে প্রেরণ করা হয়।…ইত্যাদি। (৪কা, ২অ. ৩সূ)।

    .

    চতুর্থ সূক্ত : আঞ্জনম

    [ঋষি : ভৃগু। দেবতা : ত্রৈককুদাঞ্জনম। ছন্দ : অনুষ্টুপ, পংক্তি]

    এহি জীবং ত্ৰায়মাণং পর্বতস্যাস্যক্ষ্যম। বিশ্বেতিদেবৈদত্তং পরিধিজীবনায় কম্ ॥১॥ পরিপাণং পুরুষাণাং পরিপাণং গবামসি। অশ্বানামবাং পরিপাণায় তস্থিষে ॥২॥ উতাসি পরিপাণং যাতুজনমাঞ্জন। উমৃতস্য ত্বং বেখাথে অসি জীবভোজনমথো হরিতভেষজম্ ॥৩৷৷ যস্যাঞ্জন প্রসৰ্পস্যঙ্গমঙ্গং পরুষ্পরুঃ। ততো যক্ষ্মং বি বাধস উগ্রো মধ্যমশীরিব ॥৪॥ নৈনং প্রাপপ্লাতি শপথো ন কৃত্যা নাভিশোচন। নৈনং বিষ্কন্ধমতে যা বিভর্তাঞ্জন ॥৫॥ অসন্মন্ত্রাদ দুম্বপ্ন্যাদ দুষ্কৃতাচ্ছমলাদুত। দুহাশ্চক্ষুষো ঘোরাৎ তাস্মান্নঃ পাহ্যাঞ্জন ॥৬॥ ইদং বিদ্বানাঞ্জন সত্যং বক্ষ্যামি নানৃত। সনেয়মশ্বং গামহমাত্মানং তব পুরুষ ॥ ৭৷৷ এয়ো দাসা আঞ্জনস্য তা বলাস আদহিঃ। বর্ষিষ্ঠঃ পর্বর্তানাং ত্রিককুন্নাম তে পিতা ॥ ৮ যদাঞ্জনং ত্রৈককুদং জাতং হিমবতস্পরি। যাংশ্চ সর্বান্ জয়সর্বাশ্চ যাতুধান্যঃ ॥৯॥ যদি বাসি ত্রৈককুদং যদি যামুনমুচ্যসে। উভে তে ভদ্রে নাম্নী তাভ্যাং নঃ পাহাঞ্জন ॥১০

    বঙ্গানুবাদ –হে অঞ্জনমণি! তুমি ত্রিকূদ (বা ত্রিকূট অর্থাৎ তিনটি শৃঙ্গশালী) নামক পর্বতের চক্ষু স্বরূপ। তুমি জীবধারীগণকে রক্ষা পূর্বক প্রাপ্ত হও। ইন্দ্র ইত্যাদি সকল দেবতা আমাদের রোগরহিত থাকার নিমিত্ত তোমাকে পরিধি (প্রাচীর বা বেষ্ঠন রেখা) রূপে প্রদান করেছিলেন ৷৷ ১।

    হে ত্রিদেব অঞ্জন! তুমি মনুষ্য, গে, অশ্ব, ঘোটকী–এদের সকলের রক্ষার নিমিত্ত অবস্থিতিশীল ২

    যার দ্বারা নেত্র স্বচ্ছীকৃত হয়, যা রাক্ষস ইত্যাদি-জনিত পীড়াকে বিনাশ করণশালী, এমনই [ হে অঞ্জন! তুমি আকাশে স্থিত অমৃতের জ্ঞাতা এবং জীবিত প্রাণীসমূহের অনিষ্টকে দূরীকরণশালী। এ : তুমি পাণ্ডু ইত্যাদি রোগজনিত নীলপীত বর্ণত্বেরও নিবারক ॥ ৩॥

    হে অঞ্জন! তুমি যার শরীরে অঙ্গ ব্যাপ্ত হয়ে থাকো, তার শরীরকে ক্ষয়রহিত করতে ক্ষণকালের মধ্যে মেঘজাল ছিন্নকারী বায়ুর ন্যায় প্রচণ্ড বেগশালী হয়ে থাকো। ৪

    হে অঞ্জন! যে পুরুষ তোমাকে ব্যবহৃত (বা ধারণ) করে, তাকে অপরের শাপ প্রাপ্ত হতে হয় না, অন্যের দ্বারা হওয়া অভিচার রূপ কৃত্যা তথা শোক ও বিঘ্ন ইত্যাদি প্রাপ্ত হতে হয় না। ৫

    হে অঞ্জনমণি! অভিচারাত্মক অসৎ মন্ত্রাবলী হতে, সেই মন্ত্রসমূহের দ্বারা প্রাপ্ত দুঃখ হতে, দুঃস্বপ্ন বা পাপ হতে উৎপন্ন হওয়া শোক হতে, দূষিত মন ও অপরের ক্রুর দৃষ্টি হতে আমাকে রক্ষা করো। ৬।

    হে অঞ্জন! আমি তোমার মহিমা জ্ঞাত আছি; সেই জন্য এই কথা আমি মিথ্যা বলছি না। এই কারণে আমি তোমার সেবকরূপে গে, অশ্ব এবং প্রাণীমাত্রের সেবা লাভ করবো। ৭।

    কাঠিন্যের দ্বারা জীবন অতিবাহনশীল জ্বর, সন্নিপাত (ত্রিদোষজ রোগ), সর্প ইত্যাদির বিষ,–এই প্রাণ হরণশীল বিকার অঞ্জনের প্রভাবে নিবারিত হয়। হে অঞ্জন! ত্রিকূদ পর্বত তোমার জনক ॥ ৮

    পর্বতশ্রেষ্ঠ হিমালয়ের উপর ত্রিকূদ নামক পর্বতের অঞ্জন রাক্ষসবর্গের বিনাশে তৎপর হয়ে থাকে; এই নিমিত্ত সেই অঞ্জন আমাদের রোগ ইত্যাদি বিকারগুলিকে নষ্ট করুক। ৯

    হে অঞ্জন! যদি তুমি ত্রিকূদ হতে উৎপন্ন বলে অথবা যমুনা হতে সৃষ্ট বলে কথিত হতে ইচ্ছা করো; তাহলে ত্রৈককুদ ও যামুন, এই দুটি নামই আমাদের পক্ষে কল্যাণ-সাধনশীল রূপে প্রতিভাত। তুমি তোমার আপন সেই নামদ্বয়ের দ্বারাই আমাদের রক্ষা করো। ১০৷৷

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –এহি জীবং ইতি সূক্তেন উপনয়নানন্তরং আয়ুষ্কামস্য মাণবকস্য আঞ্জনমনিং সম্পত্য অভিমন্যু বীয়াৎ। সূত্রিতং হি।…ইত্যাদি। (৪কা, ২অ. ৪সূ)।..

    টীকা –উপনয়নের পর আয়ুষ্কামী মাণবককে এই সূক্ত-মন্ত্রের দ্বারা অভিমন্ত্রিত অঞ্জনমণি ধারণ করানো কর্তব্য।..ইত্যাদি ৷ (৪কা, ২অ. ৪সূ)।

    .

    পঞ্চম সূক্ত : শঙ্খমণিঃ

    [ঋষি : অথর্বা। দেবতা : শঙ্খমণি, কৃশন। ছন্দ : অনুষ্টুপ, পংক্তি]

    বাতাজ্জাতে অন্তরিক্ষা বিদ্যুতো জ্যোতিষম্পরি। স নো হিরণ্যজাঃ শঙ্ঃ কৃশনঃ পাত্বংসঃ ॥১॥ যো অগ্রতো নোচনানাং সমুদ্ৰাদধি জজ্ঞিষে। শঙ্খেন হত্বা রক্ষাংস্যভ্রিণো বি সহামহে ॥ ২॥ শঙ্খেনামীবামমতিং শঙ্খেনোত সদাম্বাঃ। শঙ্খো নো বিশ্বভেষজঃ কৃশনঃ পাত্বংহসঃ ॥৩৷৷ দিবি জাতঃ সমুদ্রজঃ সিন্ধুতস্পর্ষাভূতঃ। স নো হিরণ্যজাঃ শঙ্খ আয়ুপ্রতরণো মণিঃ ॥৪৷ সমুদ্ৰাজ্জাত মণিবৃত্ৰাজ্জাতে দিবাকরঃ। স অম্মান্তসর্বতঃ পাতু হেত্যা দেবাসুরেভ্যঃ ॥৫ হিরণ্যানামেকোহসি সোমাৎ ত্বমধি জজ্ঞিষে। রথে ত্বমসি দর্শত ইষুধে রোচনং প্ৰণ আয়ুংষি তারিষৎ ॥৬॥.. দেবানামস্থি কৃশনং বভূব তদাত্মম্বচ্চরত্যস্বন্তঃ। তৎ তে বম্যাথুষে বসে বলায় দীর্ঘায়ুত্বায় শতশারদায় কার্শনাভি রক্ষতু ॥৭॥

    বঙ্গানুবাদ –বায়ুর দ্বারা অন্তরিক্ষে উৎপন্ন, জ্যোতিমণ্ডলেরও উপরিভাগে জাত এবং সুবর্ণে সৃষ্ট শঙ্খ শত্রুগণকে নির্বল-করণশালী হয়ে থাকে; সেই শঙ্খ আমাদের পাপ হতে রক্ষা করুক। ১।

    হে শঙ্খ! যে তুমি প্রকাশিত (ভাস্বর) নক্ষত্র ইত্যাদির সম্মুখ-সমুদ্রের মধ্যে উৎপত্তিশালী; সেই হেন দীপ্তিময় তোমার দ্বারা আমরা রাক্ষসগণকে ও পিশাচবর্গকে বশীভূত করছি। ২৷

    মণি রূপে প্রাপ্ত শঙ্খের দ্বারা ব্যাধি ও অজ্ঞানকেও বশীভূত করছি এবং অলক্ষ্মীকেও তিরস্কার করছি। এই সুবর্ণের দ্বারা উৎপন্ন, সন্তাপনাশক শঙ্খমণি আমাদের পাপসমূহ হতে রক্ষা করুক ৷৷ ৩৷৷

    শঙ্খ প্রথমে বায়ু হতে উৎপন্ন পুনরায় সমুদ্রে জাত হয়েছিল। নদীর উম স্থান হতে সংগৃহীত বা সুবর্ণ হতে উৎপন্ন শঙ্খের বিকার রূপ মণি আমাদের আয়ুকে বৃদ্ধি করুক। ৪ ॥

    অন্তরিক্ষ হতে বা সমুদ্র হতে উৎপন্ন শঙ্খ, মণির উপাদান রূপ। এটি মেঘ হতে উৎপন্ন বা মেঘ-বিদীর্ণকারী সূর্যের ন্যায় দীপ্যমান। এই শঙ্খের বিকার রূপ মণি দেবতা ও দৈত্যবর্গের উপদ্রব হতে আমাদের রক্ষা করুক ৫

    হে শঙ্খ! তুমি সুবর্ণ, রৌপ্য ইত্যাদি উজ্বল সামগ্রীর মধ্যে মুখ্য, কেননা তোমার উৎপত্তি অমৃতময় চন্দ্রমণ্ডল হতে হয়েছিল। তুমি যুদ্ধকালে রথের উপর দর্শন দিয়ে থাকে। এই হেন শঙ্খের বিকার মণি আমাদের আয়ুকে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত করুক। ৬

    শঙ্খের কারণ রূপ সুবর্ণ শঙ্খরূপ দেহের সাথে যুক্ত হয়ে জলে অবস্থান করে। হে যজ্ঞোপবীত-ধারণশালী মাণবক! এই হেন শঙ্খকে তোমার আয়ু, দেহকান্তি এবং বলের নিমিত্ত তোমাকে বন্ধনযুক্ত করে দিচ্ছি। এই মণি তোমাকে শতায়ুষ্য করে রক্ষা করুক ৭

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ— বাতাজ্জাতঃ ইতি সূক্তেন উপনয়নানন্তরং আয়ুষ্কামুস্য মাণবকস্য শঙ্খমণিং সম্পত্য অভিমন্যু বধীয়াৎ। তদ্ উক্তং কৌশিকেন।…ইত্যাদি। (৪কা, ২অ. ৫সূ)।

    টীকা –উপনয়নের পর আয়ুষ্কামী মানবককে এই সূক্ত মন্ত্রের দ্বারা অভিমন্ত্রিত শঙ্খমণি ধারণ করানো কর্তব্য।…ইত্যাদি। (৪কা, ২অ. ৫সূ)।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহারুকি মুরাকামির শ্রেষ্ঠ গল্প – অনুবাদ : দিলওয়ার হাসান
    Next Article শ্যামাপ্রসাদ : বঙ্গবিভাগ ও পশ্চিমবঙ্গ – দীনেশচন্দ্র সিংহ
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }