Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অথর্ববেদ সংহিতা (সম্পাদনা : দিলীপ মুখোপাধ্যায়)

    দিলীপ মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1733 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৪।৩ চতুর্থ কাণ্ড : তৃতীয় অনুবাক

    তৃতীয় অনুবাক
    প্রথম সূক্ত : অনডবান
    [ঋষি : ভৃগ্বঙ্গিরা। দেবতা : অনডবান ইন্দ্ররূপ। ছন্দ : জগতী, ত্রিষ্টুপ, অনুষ্টুপ ]

    অনড়া দাধার পৃথিবীমুত দ্যামনড়ান্ দায়রাবন্তরিক্ষম। অনড়ান্ দাধার প্রদিশঃ ষডুবীরনভৃন্ বিশ্বং ভুবনমা বিবেশ ॥১॥ অনড়ানিন্দ্রঃ স পশুভ্যো বি চষ্টে এয়াং ছক্ৰো বি মিমীতে অধ্বনঃ। ভূতং ভবিষ্যদ ভুবনা দুহানঃ সর্বা দেবানাং চরতি ব্ৰতানি। ২। ইন্দ্রো জাতো মনুষ্যেম্বন্তর্ঘর্মস্তপ্তশ্চরতি শশাশুচানঃ। সুপ্রজাঃ সস উদারে ন সর্ষদ যো নাশীয়ানডুহে বিজান ৷ ৩৷৷ অনড়া দুহে সুকৃতস্য লোক ঐনং প্যায়য়তি পবমানঃ পুরস্তাৎ। পর্জন্যো ধারা মরুত ঊধো অস্য যজ্ঞঃ পয়ো দক্ষিণা দোহো অস্য ॥৪॥ যস্য নেশে যজ্ঞপতির্ন যজ্ঞো নাস্য দাতেশে ন প্রতিগ্রহীতা। যো বিশ্বজিত্ বিশ্বভূদ বিশ্বকর্মা ঘর্মং নো ৰূত যতমশ্চতুষ্পৎ ॥৫॥। যেন দেবাঃ স্বরারুরুহুৰ্হিত্বা শরীরমমৃতস্য নাভিম। তেন গেষ্ম সুকৃতস্য লোকং ঘর্মস্য ব্ৰতেন তপসা যশস্যবঃ ॥ ৬৷ ইন্দ্রো রূপেণাগ্নিহেন প্রজাপতিঃ পরমেষ্ঠী বিরাট। বিশ্বানরে অক্ৰমত বৈশ্বানরে অক্ৰমতানডুহ্যক্ৰমত। সোহদৃংহয়ত সোহধারয়ত ॥৭॥ মধ্যমেতদনডুহো যত্ৰৈষ বহ আহিতঃ। এতাবদস্য প্রাচীনং যাবান প্রত্যঙ সমাহিতঃ ॥৮॥ যো বেদানডুহো দোহা সপ্তানুপদস্বতঃ। প্রজাং চ লোকং চাপপাতি তথা সপ্তঋষয়ো বিদুঃ ॥৯॥ পদ্ভিঃ সেদিমবক্ৰামন্নিরাং জঙ্ভিরুৎখিদন। শ্রমোেনড়া কীলালং কীনাশশ্চাভি গচ্ছতঃ ॥১০৷৷ দ্বাদশ বা এ রাত্রীব্ৰত্যা আহুঃ প্রজাপতেঃ। তত্ৰোপ ব্ৰহ্ম যো বেদ তদ বা অনডুহে ব্ৰতম্ ॥১১ দুহে সায়ং দুহে প্রাতর্দুহে মধ্যন্দিনং পরি। দোহা যে অস্য সংযন্তি তা বিদ্যানুপদস্বতঃ ॥১২৷৷

    বঙ্গানুবাদ— শকটাকর্ষণকারী বৃষ হাল-চালনায় এবং ভার বহন রূপ কর্মের দ্বারা পৃথিবীর পোষণ করছে। সেই-ই কর্ষণ ইত্যাদির দ্বারা নিষ্পন্ন চরু, পুরোডাশ ইত্যাদির উৎপত্তিতে সহায়ক হয়ে আকাশকে পোষণ করছে। সেই-ই অন্তরিক্ষ, এবং পূর্ব ইত্যাদি মহাদিসমূহকে ধারণ করছে। এইরকমে সেই অনড্রান (বৃষভ) সকল ভুবনে তাদের রক্ষার্থে প্রবিষ্ট হচ্ছে। ১।

    এই বৃষভ ইন্দ্র রূপে প্রতীত হয়। যেমন ইন্দ্র বৃষ্টিজলের দ্বারা এই চরাচরাত্মক সংসারকে পালন করছেন, সেইরকমেই এই বৃষভ বীর্য সিঞ্চনের দ্বারা পশুগণের উৎপত্তি সাধন করে, দুগ্ধ দধি ধান্য ইত্যাদি। প্রাপ্ত করিয়ে সংসারকে পোষণ করছে। এই ভাবে এই বৃষভ অতীত, অনাগত ও বর্তমান–এই ত্রিকালব্যাপী সকল সামগ্রীকে উৎপন্ন করছে এবং (যজ্ঞ ইত্যাদি) সকল কর্মানুষ্ঠানকে পূর্ণ করাচ্ছে ॥ ২॥

    মনুষ্যগণের নিকট এই বৃষভ ইন্দ্রের তুল্য। এই বৃষভ সূর্য রূপে এই জগৎকে প্রকাশিত করে দিয়ে বিচরণ করছে। আমাদের বৃষভের এই হেন মহিমাকে জ্ঞাতশালী জন সুন্দর সন্তান-সম্পন্ন ই হয়ে থাকে এবং মরণের পর পুনরায় সংসারে প্রত্যাগমন করে না ৷ ৩৷

    যজ্ঞ ইত্যাদি কর্মর্জনিত পুণ্যের স্বরূপে এই বৃষভ অক্ষয় ফলের দাতা হয়ে থাকে। সোমযাগে সংস্কৃত সোম আপন রসের দ্বারা বৃষভকে পূর্ণ করে থাকে। বর্ষার কারক (পর্জন্য) দেবতা এরা ধারা রূপ হয় এবং মরুৎ-গণ তার উধরূপ (স্তনরূপ) হয়। এই সম্পূর্ণ যজ্ঞই দোহন যোগ্য দুগ্ধ এবং দক্ষিণা এর দোহন ক্রিয়া হয়ে থাকে। অতএব যজ্ঞরূপী বৃষভকে দোহন-করণই অক্ষয় ফলময় হয়ে যায়। ৪৷৷

    যজমান এই বৃষভের অধিস্বামী নন; যজ্ঞ ক্রিয়া, দাতা ও প্রতিগ্রহীতাও এবং নিয়ামক নয়। এ সম্পূর্ণ বিশ্বের বিজেতা; বায়ুরূপে বিশ্বের ভরণ-পোষণকর্তা। সংসারের সকল কর্মই এর অধীন; এই চতুষ্পদশালী বৃষভ আমাদের সূর্যস্বরূপ প্রেরণা প্রদান করে থাকে ॥ ৫॥

    যে যজ্ঞরূপী বৃষভের দ্বারা পার্থিব দেহকে ত্যাগ করে এই দেবতাগণ মুক্তিদ্বার স্বর্গে আরোহণ করেছেন, তার দ্বারা আমরা সূর্যের উপাসনা করে সুখের অভিলাষে পুণ্যের ফল লাভ করছি। ৬।

    এই বৃষভ ইন্দ্রাকার, অগ্নি রূপ, প্রজাপতি ব্রহ্মার সমান। এই তিন বিশ্বানর ইত্যাদিতে তাদাত্ম রূপে প্রবিষ্ট হয়ে গিয়েছেন ॥ ৭।

    অখিল বিশ্বের হিতৈষী বৈশ্বানর অগ্নিতে ব্রহ্মা প্রবিষ্ট হয়ে গিয়েছেন এবং পূর্বোক্ত বৃষভে বিরাট তাদাত্ম রূপের দ্বারা প্রবেশ করে গিয়েছেন; অতএব এই বৃষভ বিরাটের সমান ॥ ৮৷৷

    বৃষভের সপ্ত অক্ষয় দোহের জ্ঞাতা পুরুষ পুত্র-পৌত্র ইত্যাদি সন্তান, এবং শুভ কর্ম সমূহের ফলরূপ স্বর্গ ইত্যাদি লোক-সমুদায়কে লাভ করে থাকে। বৃষভের মহিমা সম্পর্কে এই যা কিছু কথিত হলো, তা সত্যরূপী সপ্ত ঋষিই পরিজ্ঞাত আছেন। ৯।

    এই বৃষভ অলক্ষ্মীকে অবোমুখে পাতিত করে তার উপর আরোহন করে; এবং আপন জঙ্ঘার দ্বারা ভূমিকে উভিন্ন করে আপন সম্মুখে আগুয়ান পরিশ্রমী কৃষককে অন্ন প্রদান করছে ॥ ১০

    যজ্ঞ সম্বন্ধী প্রজাপতির ব্রতযোগ্য দ্বাদশ রাত্রির কথা বিদ্বানগণ বলে থাকেন। সেই সময়ে এই বৃষভরূপে আগত প্রজাপতিকে যে জানতে পারে, সে-ই এই বৃষভ-ব্রতের (অনডুই-ব্রতের) অধিকার রক্ষা করে থাকে। এই জ্ঞানই প্রজাপতি-সম্বন্ধী অনডুহ নামক অনুষ্ঠান। ১১।

    পূর্বোক্ত লক্ষণসম্পন্ন বৃষভকে আমি, সায়ংকালে প্রাতঃকালে এবং মধ্যাহ্নেও দোহন করবো। সকল অনুষ্ঠান করণশালীরও ফলসমূহকে আমি দোহন করবো। এই রকমে এই দোহন কর্মের সাথে যে ফলসমূহ যুক্ত হয়ে থাকে, সেই অক্ষুণ্ণ দোহন-কর্মগুলিকে আমি জ্ঞাত আছি। ১২।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ— অনড়ান্ দাধার ইতি আদ্যেন সূক্তেন অনডুৎসবে নিরুপ্তহবি রভিমৰ্শনং সম্পাতং দাতৃবাচনং চ কুর্যাৎ। তদ্ আহ কৌশিকঃ।….ইত্যাদি। (৪কা, ৩অ. ১সূ)।

    টীকা –এই প্রথম সূক্তের দ্বারা অনডুৎসবে (অনডুহ ব্রতে বা যজ্ঞে) নিরুপ্ত হবির দ্বারা অভিমৰ্শন, সম্পাত ও দাতৃবাচন করণীয়।..ইত্যাদি ॥ (৪কা, ৩অ. ১সূ).।

    .

    দ্বিতীয় সূক্ত : রোহণী–বনস্পতি

    [ঋষি : ঋভু। দেবতা : রোহিণী বনষ্পতি। ছন্দ : গায়ত্রী, অনুষ্টুপ, বৃহতী ]

    রোহণ্যসি বোহণ্যচ্ছিন্নস্য রোহণী। রোহয়েদমরুন্ধতি ॥ ১৷ যৎ তে রিষ্টং যৎ তে দুমস্তি প্রেষ্ঠং ত আত্মনি। ধাতা তৎ ভদ্রয়া পুনঃ সং দধৎ পরুষা পরুঃ ॥ ২॥ সং তে মজ্জা মজ্ঞা ভবতু সমু তে পরুষা পরু। সং তে মাংসস্য বিস্তং সমস্থ্যপি রোহতু ॥ ৩৷৷ মজ্জা মজ্ঞা সং ধীয়তাং চর্মণা চর্ম রোহতু। অসৃক তে অস্থি রোহতু মাংসং মাংসেন রোহতু। ৪ লোম লোমা সং কল্পয়া ত্বচা সং কল্পয়া ত্বচ। অসৃক তে অস্থি মোহতু ছিন্নং সং ধেহ্যোষধে ॥৫স উৎ তিষ্ঠ প্রেহি প্ৰ দ্ৰব রথঃ সুচক্রঃ সুপবিঃ সুনাভিঃ। প্রতি তিষ্ঠোধ্বঃ ॥ ৬৷৷ যদি কর্তং পতিত্বা সংশশ্রে যদি বাশ্ম প্রহৃত জঘান। ঋভু রথস্যেবাঙ্গানি সং দধৎ পরুষা পরুঃ ॥ ৭৷৷

    বঙ্গানুবাদ –হে রক্তবর্ণশালিনী লাক্ষা! তুমি রোহণী (উৎপত্তিকারিণী)। তুমি মাংসের ক্ষতকে পূরণ করতে সমর্থ, এই নিমিত্ত খঙ্গ ইত্যাদির দ্বারা ছিন্ন অঙ্গ হতে প্রবাহিত রুধিরকে তুমি সেখানেই রেখে দাও। এই বিন্দু বিন্দু রূপে ক্ষরণশীল রক্তকে শরীরেই ব্যাপ্ত করে রাখো। ১।

    হে পুরুষ! তোমাকে শস্ত্র ইত্যাদির দ্বারা আঘাতপ্রাপ্ত (বা আহত) করা হয়েছে এবং তার জন্য ঘটিত বেদনার কারণে তোমার শরীর প্রদাহিত হচ্ছে এবং তোমার শরীর মুরাঘাতে চূর্ণ হয়ে গিয়েছে; তোমার সেই অঙ্গকে বিধাতা জোড়ের সাথে জোড়কে মিলিত করে (অর্থাৎ অঙ্গের একটি ভগ্ন অংশের সাথে অপর ভগ্ন অংশটি যথযথভাবে মিলিয়ে) লাক্ষার দ্বারা যোগ করে দিন। ২।

    হে আঘাতপ্রাপ্ত পুরুষ! প্রহারের কারণে তোমার যে মজ্জা পৃথক হয়ে গিয়েছে, অথবা তোমার যে অস্থি ভগ্ন হয়ে গিয়েছে, সেই মজ্জা ও অস্থি সুখের সাথে যুক্ত হোক এবং যে মাংস কর্তিত হয়ে গিয়েছে তা-ও অনায়াসে পূর্বের মতো হয়ে যাক ৷ ৩৷

    মজ্জা নামক ধাতু মজ্জা নামক ধাতুর সাথে মিলিত হোক, চর্ম চর্মের সাথে যুক্ত থোক; অস্থির সাথে অস্থির জোড় লাগুক, তোমার শরীর হতে ক্ষারিত রক্ত পুনরায় উৎপন্ন হোক। ৪

    হে লাক্ষা! প্রহারের দ্বারা পৃথক হয়ে যাওয়া লোমকে পুনরায় উৎপন্ন লোমের সাথে মিলিয়ে ঠিক করো, ছিন্ন চর্মকে চর্মের সাথে যুক্ত করে দাও; অস্থির উপর রক্ত বাহিত হতে থাকুক। এইভাবে, যে অঙ্গই ভঙ্গ হয়ে গিয়েছে, তাকে ঠিকমতো কর্মের যোগ্য করে তোলো। ৫৷৷

    হে পুরুষ! শস্ত্র ইত্যাদির প্রহারে যদি তোমার কোন অঙ্গ পৃথক্ (অর্থাৎ বিচ্ছিন্ন) হয়ে গিয়ে থাকে, তবে তুমি মন্ত্র ও ঔষধির শক্তিতে ঠিক হয়ে গিয়ে উঠে দণ্ডায়মান হও। রথ যেমন ধাবমান হয়ে কর্মরত হয়ে থাকে, তেমনই তুমিও দৃঢ় শরীরশালী হও এবং উখিত হয়ে বেগের সাথে গমন করো। ৬।

    যদি ছেদনকারী কোন শস্ত্র শরীরের উপর পতিত হয়ে তাকে কর্তিত করতে থকে, অথবা অপরের দ্বারা নিক্ষিপ্ত (ছুঁড়ে ফেলা) প্রস্তরের আঘাতে দেহে পীড়া (বা যন্ত্রণা) হতে থাকে তবে সেই আঘাতের দ্বারা বিভগ্ন হয়ে যাওয়া অস্থি এই মন্ত্রবলের দ্বারা যুক্ত হয়ে (জুড়ে) যাক। এই সূক্ত-মন্ত্রের দ্রষ্টা অঙ্গিরাতনয় ঋভু যেমন রথের বিভিন্ন অঙ্গকে মিলিয়ে এক করে থাকেন, তেমনই এই অথর্ব মন্ত্রও শরীরের বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া অঙ্গগুলিকে যথাযথভাবে যে যুক্ত করে (অর্থাৎ ঠিকমতো মিলিয়ে) দিক ॥৭

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ— রোহিণ্যসি ইতি সূক্তেন শস্ত্রাদ্যভিঘাতজনিত রুধিরপ্রবাহনিবৃত্তয়ে অস্থ্যাদিভঙ্গনিবৃত্তয়ে চ লাক্ষোদকং কথিতং অভিমন্ত্র ঔষঃকালে ক্ষতপ্রদেশং অবসিঞ্চেৎ। তথা অনেন সূক্তেন ঘৃতদুগ্ধং অভিমন্যু ক্ষতাঙ্গং পুরুষং পায়য়েৎ। তথা, তেনৈব দ্রব্যেণ ক্ষতদেশং অভ্যঞ্জ্যাৎ। সূত্রিতং হি।…ইত্যাদি। (৪কা, ৩অ. ২সূ)।

    টীকা –শস্ত্র ইত্যাদির আঘাত জনিত কারণে রুধির প্রবাহের ও অস্থি ইত্যাদি ভঙ্গ নিবৃত্তির নিমিত্ত লাক্ষা মিশ্রিত জলের কথ এই মন্ত্রে অভিমন্ত্রিত করে উষাকালে ক্ষতস্থানে সিঞ্চন করণীয়। এবং এই সূক্তমন্ত্রে ধৃত ও দুগ্ধ অভিমন্ত্রিত করে তা আহত পুরুষকে খাওয়ানো কর্তব্য এবং তার দ্বারা ক্ষঙ্গে প্রলেপ প্রদান করণীয়…ইত্যাদি। (৪কা. ৩অ. ২সূ)।

    .

    তৃতীয় সূক্ত : রোগনিবারণম

    [ঋষি : শংতাতি। দেবতা : সকল দেবতা। ছন্দ : অনুষ্টুপ, বৃহতী ]

    উত দেবা অবহিতং দেবা উন্নয়থা পুনঃ। উগশ্চষং দেবা দেবা জীবয়থা পুনঃ ॥ ১৷৷ দ্বাবিমৌ বাতৌ বাত আ সিন্ধোরা পরাবতঃ। দক্ষং তে অন্য আবাতু ব্যন্যো বাতু যদ রপঃ ॥ ২॥ আ বাত বাহি ভেষজং বি বাত বাহি য রপঃ ত্বং হি বিশ্বভেষজ দেবানাং দূত ঈয়সে ৷ ৩৷৷ ত্রায়ন্তামিমং দেবাস্ত্রায়ন্তাং মরুতাং গণাঃ। ত্রায়ন্তাং বিশ্বা ভূতানি যথায়মরপা অসৎ ॥ ৪৷৷ আ জ্বাগমং শন্তাতিভিরথো অরিষ্টতাতিভিঃ। দক্ষং ত উগ্ৰমাভারিষং পরা যক্ষ্মং সুবামি তে ॥ ৫ অয়ং মে হস্তো ভগবানয়ং মে ভগবত্তরঃ। অয়ং মে বিশ্বভেষজোহয়ং শিবাভিমৰ্শনঃ ৬ হস্তাভ্যাং দশশাখাভ্যাং জিহ্বা বাচঃ পুরোগবী। অনাময়িকুভ্যাং হস্তাভ্যাং তাভ্যাং ত্বাভি মৃশামসি ॥ ৭।

    বঙ্গানুবাদ –হে দেববৃন্দ! এই উপনীত বালককে ধর্মবিষয়ে প্রমাদ-হীন করো। একে অধ্যয়ন ও জ্ঞান ইত্যাদির ফলে সমৃদ্ধ করো। অজ্ঞান বশে এর দ্বারা অনুষ্ঠিত পাপ হতেও একে রক্ষা করো। যে অপরাধ সমূহের দ্বারা (লোকে) আয়ুহীন হয়ে থাকে, তা হত একে দূরে রক্ষিত করে শতায়ুষ্য করে দাও। ১।

    প্রাণ ও অপান এই বায়ুদ্বয় শরীরের মধ্যে সঞ্চারিত হয়ে স্বেস্থান এবং তারও দূর পর্যন্ত সঞ্চারিত হোক। হে উপনীত! এই বায়ুসমূহে যে প্রাণ আছে, তা তোমাকে বলযুক্ত করুক এবং অপান বায়ু তোমাকে পাপ হতে বিযুক্ত রাখুক। ২।

    হে বায়ু সকল রোগের বিনাশকারী ঔষধি নিয়ে আগত হও। রোগের উৎপত্তিকারক পাপকে আমাদের নিকট হতে দূর করে দাও। তুমি সকল রোগকে দূরীকরণে সমর্থ। তুমি দেবতাগণের দূত রূপে বিশ্বজগৎকে রক্ষার্থে বিচরণ করে থাকো এবং ইন্দ্রিয়বর্গকে দূত হয়ে তাদের পোষণ-কর্ম করতে থাকো। ৩।

    এই উপনীত বালককে সকল দেবতা রক্ষা করুন। ইন্দ্রিয় সমূহের অধিষ্ঠাত্রী দেবতা এর ইন্দ্রিয়সকলকে কর্ম-সমর্থ করুন! মরুৎ-বর্গের সপ্ত গণ, প্রাণাপানের গণ তথা অন্য সকল প্রাণী এইরকমে একে রক্ষা করুক, যাতে এ পাপে লিপ্ত না হয়। ৪

    হে উপনীত বালক! আমি তোমাকে সুখদায়ক মন্ত্র ও কল্যাণময় কর্মের দ্বারা প্রাপ্ত হয়েছি। আমি তোমাকে অতুল বলের প্রাপ্তি সাধিত করেছি। তোমার যক্ষ্মা ইত্যাদি ব্যাধিকেও আমি তোমা হতে বিযুক্ত করছি। ৫৷৷

    আমার এই ঋষি হস্ত পরম ভাগ্যশালী; এতে সকল রোগ-শোককে দূরীকরণশালিনী ঔষধিসমূহের প্রভাব বর্তমান। আমার এই প্রকার গুণশালী হস্তের সুখপ্রদানশীল স্পর্শের দ্বারা পূর্ণ হোক৷ ৬ ৷

    হে উপনীত; যে প্রজাপতির হস্তের দ্বারা নির্মিত বাণীরূপ ইন্দ্রিয়ের আশ্রয়ভূত জিহ্বা প্রথমেই চলতে (প্রযুক্ত হয়ে) থাকে, সেই প্রজাপতির হস্তের দ্বারা তোমাকে স্পর্শ করছি ॥ ৭ ৷৷

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ— উত দেবাঃ ইতি সূক্তেন উপনয়নান্তরং আয়ুষ্কামং মাণবকং অভিমৃশ্য অনুমন্ত্রয়েত। সূত্রিতং হি।….ইত্যাদি। (৪কা, ৩অ. ৩সূ)।

    টীকা –উপনয়নের পর আয়ুষ্কামী মাণবককে স্পর্শ পূর্বক এই সূক্ত-মন্ত্রে অভিমন্ত্রণ করণীয়।… ইতাদি ৷ (৪কা, ৩অ. ৩সূ)।

    .

    চতুর্থ সূক্ত : স্বর্জ্যোতিঃপ্রাপ্তি

    [ঋষি : ভৃগু। দেবতা : অগ্নি, আজ্য। ছন্দ : ত্রিষ্টুপ, অনুষ্টুপ, জগতী ]

    অজো হ্যগ্নেরজনিষ্ট শোকাৎ সো অপশ্যজ্জনিতারমগ্রে। তেন দেবা দেবতামগ্র আয় তেন রোহান্ রুরুহুর্মেধ্যাসঃ ॥১॥ ক্রমধ্বমগ্নিনা নাকমুখ্যান হস্তেষু বিভ্রতঃ। দিবসৃষ্ঠং স্বর্গত্বা মিশ্রা দেবেভিরাধ্বম্ ॥ ২॥ পৃষ্ঠাৎ পৃথিব্যা অহমন্তরিক্ষমারুহমন্তরিক্ষা দিবমারুহ। দিবো নাকস্য পৃষ্ঠাৎ স্বর্জ্যোতিরগামহম্ ॥ ৩॥ স্বর্যন্তো নাপেক্ষন্ত আ দ্যাং রোহন্তি রোদসী। যজ্ঞং যে বিশ্বততাধরং সুবিঘাংসো বিতেনিরে॥ ৪৷ অগ্নে প্রেহি প্রথমো দেবতানাং চক্ষুর্দোনামুত মানুষাণা। ইয়ক্ষমাণা ভৃগুভিঃ সজোষাঃ স্বর্যন্ত যজমানাঃ স্বস্তি ॥ ৫॥ অজমনজ্ঞি পয়সা ঘৃতেন দিব্যং সুপর্ণং পয়সং বৃহন্ত। তেন গেষ্ম সুকৃতস্য লোকং স্বরারোহন্তো অভি নাকমুত্তমম্ ॥ ৬। পঞ্চৌদনং পঞ্চভিরলিভির্দবোদ্ধর পঞ্চধৈমোদন। প্রাচ্যাং দিশি শিরো অজস্য ধেহি দক্ষিণায়াং দিশি দক্ষিণং ধেহি পার্শ্বম্ ॥ ৭ প্রতীচ্যাং দিশি ভসমস্য ধেহুত্তরস্যাং দিশু্যত্তরং ধেহি পার্শম। ঊর্ধ্বায়াং দিশ্যজস্যান্কং ধেহি দিশি বায়াং ধেহি পাজস্যমন্তরিক্ষে মধ্যতো মধ্যমস্য ॥ ৮ শৃতমজং শৃতয়া পোর্ণহি ত্বচা সর্বৈরঙ্গৈঃ সম্ভতং বিশ্বরূপ। স উৎ তিষ্ঠেতো অভি নামমুত্তমং পশ্চিতুর্ভিঃ প্রতি তিষ্ঠ দিক্ষু ॥ ৯৷

    বঙ্গানুবাদ –অজ (ছাগ) পবিত্র অগ্নির তাপ হতে উৎপন্ন হয়েছে। এ (অর্থাৎ সেই ছাগ) সকলের প্রথমে (বা অগ্রে) উৎপাদক প্রজাপতি বা অগ্নিকে দর্শন করতে পেরেছিল। প্রথম রচিত (অর্থাৎ সৃষ্ট) সেই অজের দ্বারা ইন্দ্র ইত্যাদি দেবত্ব লাভ করতে পেরেছিলেন এবং তারই সাধনে (অর্থাৎ সেই অজের দ্বারা যজ্ঞ সাধিত করে) অপর ঋষিগণও উচ্চ লোকসমূহকে লাভ করেছিলেন। এই রকম অজাত্মক যজ্ঞ দেবত্ব ইত্যাদি ফলকে সিদ্ধ করে থাকে। ১।

    হে মনুষ্য! অগ্নির দ্বারা যজ্ঞ সাধন করে তুমি স্বর্গ ইত্যাদি শ্রেষ্ঠ লোকসমূহকে প্রাপ্ত হও। পুনরায় অন্তরিক্ষের পৃষ্ঠের সমান স্বর্গে উপনীত হয়ে (পৌঁছিয়ে) দেবতাগণের মধ্যে স্থান প্রাপ্ত হয়ে তাদের সমানই ঐশ্বর্যশালী হও। ২।

    আমি পৃথিবী হতে অন্তরিক্ষে এবং অন্তরিক্ষ হতে স্বর্গলোকে আরোহণ করছি। সেই স্বর্গলোকে দুঃখ নেই। তার উধ্বস্থ সূর্যমণ্ডলের জ্যোতিতে আমি লীন হয়ে যাচ্ছি। ৩।

    যজ্ঞফলের দ্বারা স্বর্গলাভকারীগণ সাংসারিক সুখসমূহের কামনা করে না। যে যজমান অভীষ্ট ফলপ্রাপ্তির সাধনভৃত যজ্ঞকে জ্ঞাত ও তাকে সাধন করে থাকেন, তাঁরা অন্তরিক্ষ-স্বর্গ-মর্ত্য এই লোকত্রয়ের উপর বিজয় প্রাপ্ত হয়ে থাকে। ৪

    হে অগ্নি! তুমি দেবতাগণের মধ্যে মুখ্য; এই আহ্বান যোগ্য স্থানে আগমন করো। এই অগ্নি ইন্দ্র ইত্যাদি দেববৃন্দের নিকট হবিঃবহনকারী হওয়ায় তাঁদের নেত্রের সমান প্রিয় এবং মনুষ্যকে শ্রেষ্ঠ লোকসমূহ প্রদর্শনকারী হওয়ায় তাদেরও নেত্রের সমতুল্য। অতএব তাঁর প্রকাশে প্রথমে পূজন, তারপর যজ্ঞ-সাধনশীল কর্মের ফলরূপ স্বর্গকে প্রাপ্ত হওয়া যায় ॥ ৫॥

    হবিঃ রূপ অজকে দুগ্ধের ন্যায় রসযুক্ত ঘৃতের দ্বারা লিপ্ত করছি। এই অজ যজমানকে স্বর্গে প্রেরণ করতে সমর্থ। এই রকম অজের দ্বারা আমরা শ্রেষ্ঠ স্বর্গলোক লাভ করে পুনরায় সূর্যরূপ পরম জ্যোতিতে একাকার হয়ে যাচ্ছি। ৬।

    হে পাবক! পঞ্চ প্রকারে বিভক্ত হওনশীল এই অজকে পঞ্চাঙ্গুলিরূপ দীর সাহায্যে স্থালী হতে উত্তোলিত করে কুশে রক্ষিত পঞ্চভাগে রক্ষিত ওদনে স্থাপিত করো (বা বন্টন করো)। এর পনকৃত শিরোভাগকে পূর্ব দিকে এবং পশ্চাদবর্তী ভাগকে দক্ষিণ দিকে স্থাপন করো। ৭।

    কটিদেশের মাংসকে পশ্চিম দিকের ওদনের সাথে উত্তরপার্শ্বস্থ মাংসকে উত্তর দিকের ওদনের সাথে, পৃষ্ঠভাগের মাংসকে ঊর্ধ্ব দিকের ওদনের সাথে, উদরভাগের মাংসকে নিচের দিকের ওদনের সাথে এবং মধ্যভাগের মাংসকে মধ্যবর্তী দিকের ওদনের সাথে স্থাপিত করো ॥ ৮

    (এটি অজ অথবা জীবাত্মার আত্মসমর্পণের মন্ত্র, যাতে, কিনা আপন সমস্ত শরীরকে বিশ্ব-হিতের নিমিত্ত সমর্পিত করার ভাবনা ব্যক্ত করা হয়েছে। এই তথ্যকে প্রকট করার নিমিত্ত এই কথা বলা হয়েছে যে, আমার শির পূর্ব দিকের উদ্দেশে অর্পণকৃত হয়েছে–দক্ষিণ দিকের উদ্দেশ্যে আমার দক্ষিণ কক্ষ (বাহুমূল) অর্পিত করা হয়েছে পশ্চিম দিকের উদ্দেশে আমার পশ্চাৎ-ভাগ অর্পিত হয়েছে–উত্তর দিকের উদ্দেশ্যে আমার বাম কক্ষ অর্পণ করা হয়েছে–ইত্যাদি। এই রকমে আমার সম্পূর্ণ শরীর সকল দিকের উদ্দেশ্যে সমর্পিত হয়েছে এবং আমি সকল জগতের নিমিত্ত জীবিত আছি। এইরকমে সম্পূর্ণ জগতের উদ্দেশে আমার আত্মসমর্পণ পূর্ণ হয়ে গিয়েছে)। এই রকমে সকল অঙ্গে বিশ্বরূপ রূপে পরিপূর্ণ অজ-কে পরমাত্মার আচ্ছাদনে আচ্ছাদিত করো। হে অজ! তুমি এই লোক হতে স্বর্গাভিমুখে উত্থিত হয়ে চারি দিকে ব্যাপ্ত হও। ৯।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –অজো হ্যগ্নেঃ ইতি সূক্তেন অজৌদনসবে হবিরভিশনাদিকং কুর্যাৎ.. সোমযাগে উত্তরবেদগ্নি প্রণয়নেপি এষা জপ্যা। …ইত্যাদি। (৪কা, ৩অ. ৪সূ)।

    টীকা –এই সূক্তমন্ত্রের দ্বারা অজৌদন-যজ্ঞে হবিঃ-অভিমৰ্শন ইত্যাদি করণীয়। সোমবাগে উত্তরবেদগ্নি প্রণয়নেও এই মন্ত্র জপনীয়।…ইত্যাদি। (৪কা, ৩য়, ৪সূ)।

    .

    পঞ্চম সূক্ত : বৃষ্টিঃ

    [ঋষি : অথর্বা। দেবতা : দিক্ প্রভৃতি। ছন্দ : জগতী, ত্রিষ্টুপ্ প্রভৃতি ]

    সমুৎপতন্তু প্রদিপশা নভস্বতীঃ সমভ্রাণি বাতজুতানি যন্তু। মহঋষভস্য নদতো নভস্বততা বাত্রা আপঃ পৃথিবীং তৰ্পয়ন্তু ॥১॥ সমীক্ষয়ন্তু তবিষাঃ সুদানবোহপাং রসা ওষধীভিঃ সচন্তাম্। বর্ষস্য সৰ্গা মহয়ন্তু ভূমিং পৃথগ জায়ন্তামোষধয়ো বিশ্বরূপাঃ ॥ ২॥ সমীক্ষয়স্ব গায়তো নংসপাং বেগাসঃ পৃথগুদ বিজন্তাম্। বর্ষস্য সৰ্গা মহয়ন্তু ভূমিং পৃথগ জায়ন্তাং বীরুধো বিশ্বরূপাঃ ॥ ৩ ৷৷ গণাস্ত্রোপ গায়ন্তু মারুতাঃ পর্জন্য ঘোষিণঃ পৃথক। সর্গা বৰ্ষস্য বর্ষতো বর্ষন্তু পৃথিবীমনু ॥৪॥ উদীরয়ত মরুতঃ সমুদ্রতত্ত্বেষো অর্কো নভ উৎ পাতয়াথ। মহঋষভস্য নদতো নভস্বতো বাশ্ৰা আপঃ পৃথিবীং তৰ্পয়ন্তু ॥ ৫॥ অভি ক্ৰন্দ স্তনয়ার্দয়োদধিং ভূমিং পর্জন্য পয়সা সমচ্ছি।  ত্বয়া সৃষ্টং বহুলমৈতু বৰ্ষমাশারৈষী কৃশগুরেত্বস্তম্ ॥ ৬৷৷ সং বোহবন্তু সুদানব উৎসা অজগরা উত। মরুদ্ভিঃ প্রচ্যুতা মেঘা বর্ষন্তু পৃথিবীমনু ॥ ৭। আশামাশাং বি দ্যোতং বা বান্তু দিশোদিশঃ। মরূদ্ভিঃ প্রচ্যুতা মেঘাঃ সং যন্তু পৃথিবীমনু ॥ ৮ আপো বিদ্যুদভ্রং বর্ষং সং বোহবন্তু সুদানব উৎসা অজগরা উত। মরুদ্ভিঃ প্রচ্যুতা মেঘাঃ প্রাবন্তু পৃথিবীমনু ॥ ৯৷ অপামগ্নিস্তভিঃ সংবিদানো য ওষধীনামধিপা বভূব। স নো বর্ষং বনুতাং জাতবেদাঃ প্রাণং প্রজাভ্যো অমৃতং দিবম্পরি॥ ১০ প্রজাপতিঃ সলিলাদা সমাদ্রাদাপ ঈর্দয়নুদধিময়াতি। প্র প্যায়তাং বৃষ্ণো অশ্বস্য রেতোহর্বাঙেতেন স্তনয়িতুনেহি ॥১১৷৷ অপো নিষিঞ্চন্নসুরঃ পিতা নঃ শ্বসন্তু গর্গরা অপাং বরুণাব নীচীরপঃ সৃজ। বদন্তু পৃশ্নিবাহবো মণ্ডুকা হরিণানু ॥ ১২৷৷ সংবৎসরং শশয়ানা ব্রাহ্মণ ব্রতচারিণঃ। বাচং পর্জন্যজিন্বিতাং প্র মন্ডুকা অবাদিষুঃ ॥ ১৩৷৷ উপপ্রবদ মঞ্জুকি বর্ষমা বদ তাদুরি। মধ্যে হ্রদস্য প্লবস্ব বিগৃহ্য চতুরঃ পদঃ ॥ ১৪। খন্বখা ই খৈমখা ই মধ্যে তদুরি। বর্ষং বনুধ্বং পিতরো মরুতাং মন ইচ্ছত। ১৫। মহান্তং কোশমুদচাভি ফিঞ্চ সবিদ্যুতং ভবতু বাতু বাতঃ। তন্বতাং যজ্ঞং বহুধা বিসৃষ্টা আনন্দিনীরোষধয়ো ভবন্তু ॥ ১৬

    বঙ্গানুবাদ –পূর্ব ইত্যাদি দিমূহ মেঘের সাথে উদয় (বা মিলিত) হোক। জল-বৃষ্টিশালী: মেঘ, বায়ুর দ্বারা প্রেরিত হোক এবং একত্রীভূত হয়ে মহা বৃষভের ন্যায় গর্জন পূর্বক ভূমিকে তৃপ্ত করুক ॥১॥

    সুন্দর দানশালী মরুৎ-গণ বৃষ্টিপাত করুক। বপনকৃত যব, ধান্য ইত্যাদির বীজসমূহে বৃষ্টির জল মিলিত হোক। বর্ষার ধারারাশি পৃথিবীর অভিষেক করুক। তাতে অনেক রকমের শস্য ও ঔষধি বিবিধ রূপে উৎপন্ন হোক। ২।

    হে মরুৎ-বর্গ! আমাদের স্তুতির দ্বারা প্রেরিত হয়ে তোমরা জলপূর্ণ মেঘগুলিকে প্রদর্শন করাও। জলের প্রবাহ পৃথক পৃথক ভাবে উৎক্ষিপ্ত হয়ে পৃথিবীকে অভিষিক্ত করুক। পুনরায় পৃথিবীতে অনেক রকমর বনস্পতি উৎপন্ন হোক ॥ ৩৷৷

    হে বর্ষার অভিমানী পর্জন্যদেব! গর্জনশীল মরুঙ্গণ তোমাদের স্তাবক হোক। তোমরা জলের বিন্দুসমূহের দ্বারা পৃথিবীকেসিক্ত করো। ৪

    হে মরুৎ-গণ! বর্ষার জলকে সমুদ্র হতে উপর দিকে প্রেরিত করো। জল-বর্ষণশালী মেঘ, বায়ুর দ্বারা প্রেরিত হোক এবং একত্রীভূত হয়ে মহা বৃষভের ন্যায় গর্জনশীল জলের প্রবাহ ভূমিকে তৃপ্ত করুক। ৫।

    হে পর্জন্য দেবতা! তুমি সকল দিক হতে শব্দ ধ্বনিত করো। মেঘের মধ্যে প্রবিষ্ট হয়ে গর্জন করো। তোমার দ্বারা প্রেরিত মেঘরাশি জলপূর্ণ বৃষ্টিকে আনয়ন করুক। সূর্য আপন কিরণসমূহকে সূক্ষ্ম (ক্ষীণ) করে অদৃশ্য হয়ে যাক ॥ ৬।

    হে মনুষ্যগণ! সুন্দর দানশীল মরুৎ-গণ তোমাদের তৃপ্ত করুক। অজগরের তুল্য স্থূল জল-প্রবাহ উৎপন্ন ও হোক এবং প্রেরিত মেঘরাশি পৃথিবীর উপর বর্ষণ করুক। ৭।

    প্রতিটি দিকে মেঘকে প্রেরণকারী বায়ুসমূহ সঞ্চারিত হোক। দিকে দিকে বিদ্যুৎ চমকিত হোক এবং বায়ুর প্রেরণায় মেঘের দল পৃথিবীর উপর বৃষ্টিপাতের উদ্দেশ্যে একত্ৰকৃত হোক। ৮।

    হে শোভন দানশীল মরুৎ-বর্গ! মেঘে পরিব্যাপ্ত জল, বিদ্যুৎ, জলযুক্ত মেঘ, বৃষ্টির জল তথা অজগর তুল্য স্কুল তোমাদের প্রবাহ সংসারের তৃপ্তিকর হোক। তোমাদের দ্বারা প্রেরিত মেঘ পৃথিবীকে জলে পূর্ণ করে দিক ॥ ৯৷

    মেঘের দেহ রূপ জলের দ্বারা প্রকট বিদ্যুৎরূপ অগ্নি উৎপদ্যমান (বা উৎপন্ন-হওনশীল) বনস্পতিসমূহের ঈশ্বরস্বরূপ। সেই জাতবেদা (উৎপন্ন হওনশীল-সকলের জ্ঞাতা) অগ্নি, আমাদের অর্থাৎ প্রাণীগণের প্রাণদায়িনী ও অমৃত প্রাপনশীল বৃষ্টি প্রদান করুক ॥ ১০৷৷

    হে সূর্য! তুমি প্রজাপালক; সমুদ্র হতে বৃষ্টি রূপ জলকে প্রেরিত করো। তারা অশ্বের ন্যায় বেগশালী, ব্যাপনশীল বৃষ্টিরূপ মেঘের বীর্য-বর্ধনকে প্রাপ্ত হোক। হে পর্জন্য! এই প্রবৃদ্ধ বীর্যের সাথে তুমি আমাদের সম্মুখে আগত হও ॥ ১১

    বৃষ্টির জল প্রদান পূর্বক সূর্য, তির্যক বৃষ্টির দ্বারা প্রাণীগণকে তৃপ্ত করুন। জলের প্রবাহগুলি উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠুক। হে বরুণ! জলরাশিকে মেঘসমূহ হতে বিযুক্ত করে ভূমির উপর আনয়ন করো। পুনরায় তৃণহীন ভূমির উপর শ্বেত-বাহুসম্পন্ন মণ্ডুকগণ (রেঙ্গুলি) সুন্দর শব্দ করতে থাকুক ॥ ১২৷৷

    ব্রত ও আচার পূর্বক অবস্থানকারী ব্রাহ্মণবর্গের মতো সারাটি বর্ষব্যাপী বায়ু ও সৌরতাপজনিত কষ্ট সহ্য করে শয়নশীল মণ্ডুকগণ বর্ষার জলের দ্বারা জাগ্রত হয়ে মেঘের উদ্দেশে প্রীতিপূর্ণ বাক্য বলে থাকে ॥ ১৩৷৷

    হে মকী! তুমি হর্ষিত হও, উৎকৃষ্ট রবে মুখরিত হয়ে ওঠো। হে মণ্ডুক-দুহিতা! তুমি (বা তোমরা) বর্ষার জলে পরিপূর্ণ সরোবরে সন্তরণ পূর্বক বর্ষার ন্যায়ই শব্দ করো ॥ ১৪৷

    হে খন্বখা! হে খৈমখা! হে তাদুরী! তোমরা তিন প্রকার মণ্ডুক দল মিলিতভাবে আপন নির্ঘোষে বৃষ্টি প্রদান করো। হে মকগণ! তোমরা মরুৎ-গণের বৃষ্টি করণের কামনাশালী মনে নিজেদের শব্দের দ্বারা বৃষ্টির-প্রেরণা সঞ্চারিত করো। ১৫৷৷

    হে পর্জন্য! তুমি সমুদ্র হতে মেঘ উত্তোলিত পূর্বক আনয়ন করো এবং পৃথিবীর সর্ব দিকে সিঞ্চন করো। বায়ু বৃদ্ধির অনুকূল হোক, অন্তরিক্ষ বিদ্যুতে সাথে যুক্ত হোক, জল বহু প্রকারে যজ্ঞ-কর্মকে বিস্তৃত (বা বৃদ্ধি সাধন) করুক। বর্ষার জলে ধান্য যব ইত্যাদি এবং ঔষধি সমূহ পুষ্ট হয়ে উঠুক ॥ ১৬৷৷

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –সমুৎপতন্তু ইতি সূক্তেন বৃষ্টিকামঃ মরুদ্ভো মান্ত্রবর্ণিকীভ্যো বা দেবতাভ্য আজ্যহোমঃ। কাশদিবিধুবকবেতসাখ্যা ওষধীঃ একস্মিন্ পাত্রে কৃত্বা সম্পত্য অভিমন্যু জলমধ্যে অধোমুখং নিনয়নং। তাসামেব কাশাদীনাং সম্পাতিতাভিমন্ত্রিতানাং অঙ্গু প্লাবনং। শশিরসো মেষশিরসশ্চ অভিমন্ত্রিতস্য অঙ্গু প্রক্ষেপনং। মানুষকেশজরদুপানহাং বংশাগ্রে বন্ধনং তুষসহিতং আমপাত্র (ম অভি) মন্ত্রিতোদকেন সম্মোক্ষ্য ত্রিপাদে শিক্যে নিধায় অষ্ণু প্রক্ষেপণং চ ইত্যেতানি অভিবর্ষণকর্মাণি কুর্যাৎ। সূত্রিতং হি।….ইত্যাদি৷ (৪কা, ৩অ. ৫সূ)।

    টীকা –সমুৎপতন্তু ইত্যাদি সূক্তের দ্বারা বৃষ্টি কামনা পূর্বক মরুৎ-দেবতাগণের বা মন্ত্রবর্ণিত দেবতাগণের উদ্দেশে আজ্য হোম সাধনীয়। কাশ ইত্যাদি ওষধিসমূহকে একটি পাত্রে গ্রহণ পূর্বক্ত এই মন্ত্রে অভিমন্ত্রিত করণ ইত্যাদিরূপ হোম-প্রক্রিয়া উপযুক্ত সূক্তস্য বিনিয়োগ অংশে দ্রষ্টব্য ॥ (৪কা, ৩অ. ৫সূ)।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহারুকি মুরাকামির শ্রেষ্ঠ গল্প – অনুবাদ : দিলওয়ার হাসান
    Next Article শ্যামাপ্রসাদ : বঙ্গবিভাগ ও পশ্চিমবঙ্গ – দীনেশচন্দ্র সিংহ
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }