Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অথর্ববেদ সংহিতা (সম্পাদনা : দিলীপ মুখোপাধ্যায়)

    দিলীপ মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1733 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৪।৪ চতুর্থ কাণ্ড : চতুর্থ অনুবাক

    চতুর্থ অনুবাক
    প্রথম সূক্ত : সত্যানৃতসমীক্ষকঃ
    [ঋষি : ব্রহ্ম। দেবতা : বরুণ। ছন্দ : অনুষ্টুপ, ত্রিষ্টুপ, জগতী ]

    বৃহন্নেষামধিষ্ঠাতা অন্তিকাদি পশ্যতি। যস্তায়ন্মন্যতে চরন্তসর্বং দেবা ইদং বিদুঃ ॥১॥ যস্তিষ্ঠতি চরতি যশ্চ বঞ্চতি যো নিলায়ং চরতি যঃ প্রতঙ্ক। দৌ সংনিষদ্য যন্ত্রয়েতে রাজা তদ বেদ বরুণস্তৃতীয়ঃ ॥ ২॥ উতেয়ং ভূমিৰ্বরুণস্য রাজ্ঞ উতাসৌ দ্যৌবৃহতী দূরেঅন্তা। উততা সমুদ্রেী বরুণস্য কুক্ষী উতাস্মিন্নল্প উদকে নিলীনঃ ॥ ৩॥ উত যো দ্যামতিসপাৎ পরস্তা স মূচ্যাতৈ বরুণস্য রাজ্ঞঃ। দিব স্পশঃ প্র চরন্তীদমস্য সহস্রাক্ষা অতি পশ্যন্তি ভূমিম ॥ ৪সর্বং তদ রাজা বরুণো বি চষ্টে যদন্তরা রোদসী যৎ পরস্তাৎ। সংখ্যাতা অস্য নিমিষো জনানামক্ষানিব শয়ী নি মিনোতি তানি॥ ৫৷৷ যে তে পাশা বরুণ সপ্তসপ্ত ত্রে তিষ্ঠন্তি বিষিতা রুশন্তঃ। ছিনন্তু সর্বে অনৃতং বদন্তং যঃ সত্যবাদ্যতি তং সৃজন্তু ॥ ৬৷৷ শতেন পাশৈভি ধেহি বরুণৈনং মা তে মোচ্যনৃতবা নৃচক্ষঃ। আস্তাং জান্ম উদরং শংসয়িত্বা কোশ ইবাবন্ধঃ পরিকৃত্যমানঃ ৭৷ যঃ সমামো বরুণো যো ব্যাম্যো যঃ সংদেশ্যো বরুণো যো বিদেশ্যঃ। যো দৈবো বরুণো যশ্চ মানুষঃ ॥ ৮ তৈত্ত্বা সর্বেরভি ষ্যামি পাশৈরসাবামুয্যায়ণামুয্যাঃ পুত্র। তানু তে সর্বাননুসন্দিশামি ॥

    বঙ্গানুবাদ –যে বরুণদেব সদা অধিষ্ঠানশীলা বস্তুসমূহের এবং নাশবান্ পদার্থ সমূহের জ্ঞাতা। যে মহিমাবান্ বরুণদেব পাপাচারী শত্রুগণের উপর নিয়ন্ত্রণ রক্ষা করে থাকেন এবং তাদের অন্যায় কর্মসমূহকে সমীপবর্তী হয়েই দর্শন করে থাকেন; তিনি অতীন্দ্রিয় জ্ঞানসম্পন্ন হওয়ার কারণে সকল বৃত্তান্তই আতশালী ॥ ১

    যে শত্রু ছলনার দ্বারা প্রতারণাশীল, যে শত্রু অদৃশ্য বা দৃশ্যরূপে সঞ্চরণশীল এবং যে কৃচ্ছসাধনের দ্বারা জীবন বিপন্ন করে চলে, রাজা বরুণ তাদের সকলকেই জানেন, কেননা তিনি সর্বজ্ঞ। মন্দ কর্মের ইচ্ছাপরায়ণ হলেও (অর্থাৎ অন্যায় কর্ম করার পূর্বেই) বরুণ তাদের দণ্ড প্রদানে সমর্থ। ২৷

    এই পৃথিবী বরুণের বশীভূতরূপে অবস্থিত, এই বৃহৎ দ্যুলোকও বরুণের অধীন; পূর্ব-পশ্চিমের দুই সমুদ্র ও বরুণদেবের দক্ষিণ-উত্তরস্থ দুই পার্শ্বের ন্যায় > বর্তমান। এই রকমে বরুণদেব জগৎসংসারের সর্বত্র ব্যাপ্ত করণশালী হয়ে সরোবর ইত্যাদির স্বল্প জলেও বর্তমান আছেন ৷ ৩৷৷

    পাপ-সাধনশীল শত্রু গোপনে কুপথে গমন করলেও, সে বরুণের পাশবন্ধন হতে মুক্ত হতে পারে না। বরুণের দূতগণ (বা চরবর্গ) এই পৃথিবীর উপর বিচরণ পূর্বক সকল বৃত্তান্ত (বা সকলের আচরণ) সূক্ষ্ম রীতির (বা দর্শনের উপায়ের) দ্বারা দর্শনে সমর্থ হয়ে থাকে। ৪।

    আকাশ-পৃথিবীর মধ্যস্থানে অবস্থানকারী এবং আপন সম্মুখে অবস্থানকারী প্রাণীবর্গকে বরুণ বিশেষভবে দর্শন করে থাকেন; এই নিমিত্ত সকল কর্ম-অকর্ম অনুসারে, পাপ করণশালীগণকে অক্ষক্রীড়কের অক্ষ-পাতনের (অর্থাৎ জুয়ারীর দ্বারা পাশা ফেলার) ন্যায়, উত্তোলিত করে নিক্ষেপ করেন ॥৫॥

    হে বরুণ! তোমার উত্তম, মধ্যম ও অধম ভেদে তিন রকম পাপীদের বন্ধনের নিমিত্ত যে সাত-সাতটি পাশ আছে, সেই সত্যরূপী পাশ মিথ্যাভাষী শত্রুদের সন্তাপ-দানশীল হোক এবং পুণ্যাত্মাগণের পক্ষে সুখপ্রদ হোক ॥ ৬

    হে বরুণ! এই মিথ্যাভাষী শত্রুদের বন্ধন পূর্বক তুমি দণ্ডদান করো। তুমি মনুষ্যগণের সত্য-অসত্য কর্মসমূহকে আপন বিবেকের দ্বারা দর্শন করে থাকো; অতএব তোমা দ্বারা কোন মিথ্যাভাষী জন যেন রক্ষা না পায় এবং তার উদর জলোদর ব্যাধির দ্বারা আক্রান্ত (বা নষ্ট) হয়ে ছিন্নতা প্রাপ্ত হোক ॥ ৭।

    বরুণের সামান্য নামক পাশ (বন্ধন) সামান্য রূপে ব্যাধিগ্রস্ত করে দেয়; ব্যাম্য নামক পাশ অনেক রূপে ব্যাধিগ্রস্ত করে দেয়; সংদেশ্য নামক পাশ স্বদেশে ও বিদেশ্য নামক পাশ বিদেশে, দৈব নামক পাশ দেবতাগণের মধ্যে এবং মানুষ নামক পাশ মনুষ্যবর্গের উপর প্রভাবকারী হয়ে থাকে। ৮

    হে অমুক (যথা) নাম, অমুক (যথা) গোত্র ও অমুক (যথা) মাতার পুত্র! পূর্ব ঋক্‌-মন্ত্রে বর্ণিত বরুণের সকল পাশের দ্বারা আমি তোমাকে বন্ধন করছি। তুমি হেন শত্রুকে সেই পাশের দ্বারা বশীভূত করছি। ৯।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ— চতুর্থেবাকে পঞ্চ সূক্তনি। তত্র বৃহন্নেষাম ইতি আদ্যেন সূক্তেন অভিচারকর্মণি শত্ৰুং ক্রোশং অনুক্ৰয়াৎ (কৌ. ৬/২)। ধূমকেতুৎপাতশান্তৌ বারুণপশুপ্রয়োগে উতেয়ং ভূমিঃ ইত্যেষা (কৌ. ১৩/৩৫)। (৪কা. ৪অ. ১সূ)।

    টীকা –চতুর্থ অনুবাকের পাঁচটি সূক্ত। তার মধ্যে এইটি আদ্য বা প্রথম সূক্ত। এই সূক্তটির দ্বারা অভিচার কর্মে শত্রুর পরাভব সাধিত হয়। ধূমকেতু জনিত উৎপাতের শান্তি ইত্যাদিতে উতেয়ং ভূমি এই তৃতীয় মন্ত্রের বিনিয়োগ দেখা যায়। (৪কা. ৪অ. ১সূ)।

    .

    দ্বিতীয় সূক্ত : অপামার্গ

    [ঋষি : শুক্র। দেবতা : অপামার্গ বনস্পতি। ছন্দ : অনুষ্টুপ। ]

    ঈশানাং ত্বা ভেষজানামুজ্জেষ আ রভামহে। চক্রে সহস্রবীর্যং সর্বম্মা ওষধে ত্ব।১। সত্যজিতং শপথযাবনীং সহমানাং পুনঃসরা। সর্বাঃ সমহোষধীরিতো নঃ পারয়াদিতি ॥ ২॥ যা শশাপ শপনেন যাঘং মূরমাদধে। যা রসস্য হরণায় জামারেভে তোকম সা॥ ৩৷৷ যাং তে চক্রামে পাত্রে যাং চকুনীললোহিতে। আমে মাংসে কৃত্যাং যাং চক্রুস্তয়া কৃত্যাকৃত জহি ॥৪॥ দৈষপ্ল্যং দ্যৌজীবিত্যং রক্ষো অভৃমরাষ্যঃ। দুর্ণামীঃ সর্বা দুর্বাচস্তা অম্মন্নাশয়ামসি ॥ ৫৷৷ ক্ষুধামারং তৃষ্ণামারমগোতামনপত্যতা। অপামার্গ ত্বয়া বয়ং সর্বং তদপ মৃহে ॥ ৬৷ তৃষ্ণামারং ক্ষুধামারমথো অক্ষপরাজয়। অপামার্গ ত্বয়া বয়ং সর্বং তদপ মৃহে ॥ ৭৷৷ অপামার্গ ওষধীনাং সর্বাসামেক ইদ বশী। তেন তে মৃন্ম আস্থিতমথ ত্বমগদশ্চর ॥৮॥

    বঙ্গানুবাদ –হে সহদেবী! তুমি ঔষধি রূপে গৃহীতা অপর ঔষধিসমূহের অধীশ্বরী। শত্রুদ্বারা কৃত অভিচারের দোষকে নষ্ট করার নিমিত্ত আমরা তোমাকে স্পর্শ করছি এবং সকল দোষকে দূর করার নিমিত্ত তোমাকে সামৰ্থযুক্ত করছি। ১

    অভিচার (বা পাপজনিত) দোষকে বিনাশশালিনী সত্যজিতা, অভিচারকে সহ্য-করণশালিনী–সহমানা, অন্যের আক্রোশকে দূরীকরণশালিনী শপথযাবনী এবং বারংবার অনেক ব্যাধিনাশিনী–পুনঃসরা, এই ঔষধিসমূহকে অন্য ঔষদিসমূহের অভিচারজনিত দোষ দূর করার উদ্দেশ্যে প্রাপ্ত হতে হয় ॥ ২॥

    ক্রোধ পূর্বক শাপ প্রদানশালিনী যে পিশাচী মূৰ্ছিত-করণে বা শরীরের রক্তকে হরণ করার নিমিত্ত অপরের পুত্রকে আলিঙ্গন করে, সেই সকল পিশাচী আমার প্রতি অভিচার-করণশীলেরই পুত্রকে ভক্ষণ করুক৷ ৩৷৷

    হে কৃত্যা! যে অভিচারিকগণ ধূমের দ্বারা নীল ও জ্বালার দ্বারা লোহিত তোমাকে অগ্নিস্থানে স্থাপিত করেছে, অপক্ক (কাঁচা) মৃৎপাত্রে, অপক্ক কুকুট ইত্যাদির মাংসের দ্বারা অভিচার কর্ম করেছে, তুমি সেই কৃত্যাকারীদেরই বিনাশ করে দাও। ৪।

    ব্যাধি দর্শনরূপ দুঃস্বপ্নকে, রাক্ষসগণকে, অভিচারের দ্বারা উৎপন্ন ভীষণ ভয়কে, দুষ্ট নামধারিণী ও দুষ্ট বচনশালিনী পিশাচিকাগণকে এবং অসমৃদ্ধিকারিকা অলক্ষ্মীবর্গকে আমরা এই অভিচারগ্রস্ত পুরুষ হতে বিতাড়িত করে দেবো ॥ ৫॥

    ক্ষুধার দ্বারা পুরুষের মারণ, পিপাসার দ্বারা পুরুষের মারণ বা ক্ষুৎপিপাসায় নষ্ট হওয়ার কারণে পুরুষকে মৃত্যুগ্রস্ত-করণ, পুরুষকে গো-হীনতা ও সন্তান রাহিত্য করণরূপ হে অপামার্গ! তুমি উপায় স্বরূপ; তোমার দ্বারা আমরা এই সন্তাপসমূহকে দূর করছি। ৬।

    পিপাসা বা ক্ষুধার দ্বারা মরণ, দ্যুতক্রিয়ায় পরাজয় ইত্যাদি সকল কারণকে, হে অপামার্গ! তোমার দ্বারা দূর করে দিচ্ছি। ৭৷

    হে অভিচারগ্রস্ত পুরুষ! কৃত্যার দ্বারা ব্যাপ্ত ব্যাধিসমূহকে আমরা অপমার্গের দ্বারা দূরীভুত করে দিচ্ছি। পুনরায় তুমি রোগ-রহিত হয়ে চিরকাল ব্যাপী (অর্থাৎ পুর্ণ আয়ুষ্কাল পর্যন্ত) জীবিত থাকো। এই অপামার্গ অন্য সকল ঔষধিকে বশীভূত করে থাকে। ৮।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –স্ত্রীশূদ্রকাঁপালাদিকৃতাভিচারদোষ নিবৃত্ত্যর্থং দর্ডাপামার্গ-সহদেব্যাদ্যা মন্ত্রোক্তা ওষধীঃ শান্তুদককলশে প্রক্ষিপ্য তদনুমন্ত্রণবিনিযুক্তে মহাশান্তিগণে ঈশানাং ত্ব ইত্যাদি সূক্তত্রয়ং আবপনীয়ং। সূত্রিতং হি৷ দুষ্যা দুষিরসি (২কা/১১সু অর্থাৎ ২কা, ২অ. ১সূ) যে পুরস্তাৎ (৪/৪০) ঈশানাং ত্বা (৪/১৭) সমং জ্যোতিঃ (৪/১৮) উততা অস্য বন্ধুকৃৎ (৪/১৯) সপর্ণা (৫/১৪) ৪ যাং তে চক্রুঃ (৫/৩১) অয়ং প্রতিসরঃ (৮/৫) যাং কল্পয়ন্তি (১০/১১) ইতি মহাশান্তিং আবপতে ইতি (কৌ.৫/৩)। এতৎসূক্তসঙ্ঘস্য কৃত্যাপ্রতিহরণগণত্বাদ অস্য গণস্য যত্রতত্র বিনিয়োগস্তত্র সর্বত্র অস্য সূক্তাত্রয়স্যাপি বিনিয়োগো দ্রষ্টব্যঃ। (৪কা. ৪অ. ২সূ)।

    টীকা –স্ত্রী-শূদ্র-কাঁপালিক ইত্যাদি কৃত অভিচারজনিত দোষ নিবৃত্তির নিমিত্ত দর্ভ, অপামার্গ, সহদেবী ইত্যাদি মন্ত্রোক্ত ওষধিসমূহ শান্তু্যদক কলশে প্রক্ষিপ্ত করে তার অনুমন্ত্রণে এই সূক্তটি এবং এর পরবর্তী দুটি সূক্তের মন্ত্র মহাশান্তিগণে বিনিযুক্ত হয়।…ইত্যাদি ॥ (৪কা. ৪অ. ২সূ)।

    .

    তৃতীয় সূক্ত : অপামার্গ

    [ঋষি : শুক্র। দেবতা : অপামার্গ, বনস্পতি। ছন্দ : অনুষ্টুপ ]

    সমং জ্যোতিঃ সূর্যেণাঙ্গা রাত্রী সমাবতী। কৃণোমি সত্যমূতয়েহরসাঃ সন্তু কৃত্বরীঃ ॥ ১। যো দেবাঃ কৃত্যাং কৃত্বা হরাদবিদুষো গৃহ। বৎসসা ধারুবির মাতরং তং প্রত্যগুপ পদ্যতাম্ ॥ ২॥ অমা কৃত্বা পাম্মানং যন্তেনান্যং জিঘাংসতি। অশ্মানস্তস্যাং দধায়াং বহুলাঃ ফট্‌ করিতি ॥ ৩৷৷ সহস্রধামন্ বিশিখা বিগ্রীবাং ছায়য়া ত্ব। প্রতি স্ম চক্রুষে কৃত্যাং প্রিয়াং প্রিয়াবতে হর ৷ ৪৷৷ অনয়াহোষধ্যা সর্বাঃ কৃত্যা অদূদুষ। যাং ক্ষেত্রে চক্র্যাং গোষু যাং বা তে পুরুষেষু ॥ ৫৷৷ যশ্চকার ন শোক কর্তৃং শশ্রে পাদমসুরি। চকার ভদ্রমস্মভ্যমাত্ননে তপনং তু সঃ ॥ ৬৷৷ অপমার্গোহপ মার্ক্স ক্ষেত্রিয়ং শপথশ্চ যঃ। অপাহ যাতুধানীরপ সর্বা অরায্যঃ ॥ ৭ ৷৷ আপমৃজ্য যাতুধানানপ সর্বা অরায্যঃ। অপামার্গ ত্বয়া বয়ং সর্বং তদপ মৃহে ॥ ৮।

    বঙ্গানুবাদ –আদিত্যের আভা, কখনও আদিত্য হতে পৃথক হয় না। রাত্রিও সমান প্রসারশালিনী হয়ে থাকে। যেমন আভা আদিত্যের এবং দিন তথা রাত্রির সমানত্ব সত্য, তেমনই আমি অভিচার-গ্রস্ত পুরুষের রক্ষার্থে সত্য (বা যথার্থ) কর্ম সাধিত করছি, যাতে হিংসাত্মক কৃত্যাসমূহ ব্যর্থ হয়ে যায়। ১৷৷

    হে দেবগণ! যে শত্রু সন্তাপ-দানশালিনী কৃত্যাকে অপর অজ্ঞাত পুরুষের গৃহে খনন পূর্বক স্থাপন করতে আসে, কৃত্যা প্রত্যাবৃত্ত হয়ে সেই অভিচারীকেই আলিঙ্গন ও ই করুক, যেমন দুগ্ধ পানকারী বৎস আপন মাতার সাথে আঠার মতো লেগে থাকে। ২৷৷

    যে বিশ্বাসঘাতী, এক সাথে থেকে কৃত্যা খনন পূর্বক মারণ করতে চায়, সেই শত্রুর কৃত্যা প্রতিকার কর্মের দ্বারা অসমর্থ হয়ে যাক এবং মন্ত্র-বলের দ্বারা উৎপন্ন অনেক প্রস্তরের সাহায্যে সেই শত্রুকে বিনাশ করে দিক৷ ৩৷৷

    হে সহদেবী! তুমি অনেক স্থানে উৎপন্ন হয়ে থাকো! তুমি আমাদের শত্রুগণকে ছিন্ন গ্রীবা ও কর্তিত কেশশালী করে বিনাশ করে দাও। তুমি শত্রুগণের হিতকারিণী কৃত্যাকে সেই কৃত্যাকারীর উপরেই প্রত্যাবৃত্ত করে দাও ৷৷ ৪।

    যে কৃত্যাকে বীজ-বপনের ক্ষেত্রে খনন করে দেওয়া হয়েছে, যে কৃত্যাকে গো-গণের গোষ্ঠে প্রথিত করে দেওয়া হয়েছে, যে কৃত্যাকে বায়ু-সঞ্চরণের স্থানে রক্ষিত করা হয়েছে এবং যে কৃত্যাকে মনুষ্যের চলাচলের পথে খুনন করা হয়েছে, সেই সকল কৃত্যা এই সহদেবীর দ্বারা নিবীর্য (কর্মক্ষমতাহীন) হয়ে যাক ॥ ৫॥

    যে দুষ্ট জন কৃত্যার দ্বারা এক পাদ ও এক অঙ্গুলীকেও নষ্ট করতে চায়, (অর্থাৎ কারো অঙ্গহানি করতে চায়), সে যেন আপন উদ্দেশ্য সাধনে সফল না হয় এবং তার অভিচারকর্মকে নিষ্ফলকারিণী ঔষধিসমূহ এবং মন্ত্রের শক্তিতে আমাদের নিমিত্ত মঙ্গলময় হয়ে সেই কৃত্যাকারী শত্রুকে পীড়িত করুক ॥ ৬৷৷

    হে অপামার্গ! মাতা-পিতা হতে প্রাপ্ত (অর্থাৎ বংশগত) কুষ্ঠ, ক্ষয় ইত্যাদি সংক্রামক রোগকে এবং শত্রুর আক্রোশকে আমাদের হতে পৃথক্ করে দাও। পিশাচী ও অলক্ষ্মীবর্গকে বন্ধন পূর্বক আমাদের নিকট হতে দূর করে দাও। ৭।

    হে অপামার্গ! তুমি যক্ষ রাক্ষস ই্যদিকে এবং সকল অলক্ষ্মীকরী ও পাপদেবতাগণকে আমাদের নিকট হতে দূর (বা পৃথক) করে দাও ৮৷৷

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –সমং জ্যোতি ইতি সূক্তস্য পূর্বসূক্তেন সহ উক্তো বিনিয়োগঃ … ইত্যাদি৷ (৪কা, ৪অ. ৩সূ)।

    টীকা –সমং জ্যোতি এই সূক্তের বিনিয়োগ পূর্ব সূক্তে উক্ত হয়েছে।…ইত্যাদি। (৪কা, ৪অ. ৩সূ)।

    .

    চতুর্থ সূক্ত : অপামার্গ

    [ঋষি : শুক্র। দেবতা : অপামার্গ, বনস্পতি। ছন্দ : অনুষ্টুপ, পংক্তি]

    উততা অস্যবন্ধুকৃদুতো অসি ন জামিকৃৎ। উতত কৃত্যাকৃতঃ প্রজাং নডমিবা চ্ছিন্ধি বার্ষিক ॥ ১৷ ব্রাহ্মণেন পযুক্তাসি কন্বেন নার্যদেন। সেনেবৈষি ত্বিষীমতী ন তত্র ভয়মস্তি যত্র প্রাপ্লেষ্যোষধে ॥ ২॥ অগ্রমেয্যোধীনাং জ্যোতিষেবাভিদীপয়ন্। উত ত্রাতাসি পাকস্যাথো হন্তাসি রক্ষসঃ ॥ ৩৷৷ যদদো দেবা অসুরাংস্কৃয়াগ্রে নিরকুর্বত। ততমধ্যোষধেইপামাগো অজায়থাঃ ॥৪॥ বিভিন্দতী শতশাখা বিভিন্ন নাম তে পিতা। প্রত্যগ বি ভিন্ধি ত্বং তং যো অম্মা অভিদাসতি ॥ ৫॥ অসৎ ভূম্যাঃ সমভবৎ তদ্যামেতি মহৎ ব্যচঃ। তৎ বৈ ততো বিধূপায়ৎ প্রত্যক কর্তারমৃচ্ছতু ॥ ৬৷৷ প্রত্যঙ হি সম্বভূবিথ প্রতীচীনফলস্তু। সর্বান মচ্ছপথ অধি বরীয়ো যাবয়া বধম। ৭। শতেন মা পরি পাহি সহস্রেণাভি রক্ষ মা। ইন্দ্ৰস্তে বীরুধাং পত উগ্র ওমানমা দৎ ॥ ৮

    বঙ্গানুবাদ –হে সহদেবী! তুমি আমাদের শত্রুবর্গের বিনাশকারিণী হও। তুমি কৃত্যাকারী শত্রুর পুত্র-পৌত্র ইত্যাদিকে বর্ষায় উৎপন্ন নলতৃণের (নলখাগড়া ঘাসের) মতোই ছেদন পূর্বক বিনষ্ট করে দাও। ১।

    হে সহদেবী! ষদ-পুত্র কম্ব ঋষি তোমার বিনিয়োগ করেছিলেন। তুমি যজমানের রক্ষার্থে সেনার ন্যায় গমন করে থাকো। তুমি যেস্থানে গমন করো, সেস্থানে অভিচারের ভয় থাকে না ॥ ২

    প্রকাশের (অর্থাৎ আপন জ্যোতির) দ্বারা তেজস্বী সূর্য যেমন সকল জ্যোতিষ্কের মধ্যে শ্রেষ্ঠ, তেমনই হে সহদেবী! তুমি সকল ঔষধির মধ্যে শ্রেষ্ঠ। হে অপামার্গ! তুমি আপন শক্তির দ্বারা কৃত্যার নিষ্ফলকর্তা রূপে নির্বলের রক্ষায় ও রাক্ষসগণের হত্যাকর্মে সমর্থ হয়ে থাকো ॥ ৩ ৷৷

    হে ঔষধি! পূর্বকালে ইন্দ্র ইত্যাদি দেবগণ তোমার দ্বারাই রাক্ষসবর্গকে অধীনস্থ করে ফেলেছিল। তুমি অন্য ঔষধির উপর-স্থানে অবস্থিত হয়ে অপমার্গের দ্বারা উৎপন্ন হচ্ছো। ৪।

    হে অপামার্গ! তুমি অসংখ্য শাখাসম্পন্ন হওয়ায় বিভিন্দতী নামশালিনী হয়ে আছে। তোমার উৎপাদক হলো বিভিন্দন। এই নিমিত্ত যারা আমাদের বিনাশ করতে ইচ্ছুক, সেই শত্রুদের সমক্ষে গমন পূর্বক তাদের বিদীর্ণ করে দাও ॥ ৫

    হে ঔষধি! তোমার ব্যাপ্ত তেজ যে ভূমি লাভ করে থাকে, তাতে অর্থাৎ সেই ভূমিতে খনিত কৃত্যা নিরর্থক হয়ে কার্য-সমর্থ হয় না, বরং সেই কৃত্যা নিষ্ফল হয়ে, সেই স্থান হতে নির্গমন পূর্বক কৃত্যাকারীকেই নাশ করুক ॥ ৬।

    হে অপামার্গ! তুমি প্রত্যক্ষ ফলশালী। তুমি শত্রুর আক্রোশকে আমার নিকট হতে দূর করে এবং তারই উপর পাতিত করো (অর্থাৎ তারই প্রতি আরোপিত করো)। শত্রুর হিংসা-সাধন শস্ত্র বা কৃত্যাকে আমাদের হতে পৃথক্ করে দাও। ৭।

    হে সহদেবী! তুমি রক্ষা-যোগ্য সকল উপায়ের দ্বারা আমাদের রক্ষা করো এবং কৃত্যাজনিত দোষকে বিযুক্ত করো। মহাতেজস্বী ইন্দ্রদেব আমাতে তেজঃ স্থাপিত করুন ॥ ৮৷৷

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –উতো অসি ইতি সূক্তস্য, পূর্ববৎ বিনিয়োগঃ। (৪কা. ৪অ, ৪সূ)।

    টীকা –এই সূক্তটির বিনিয়োগ পূর্বের মতো ॥ (৪কা. ৪অ. ৪সূ)।

    .

    পঞ্চম সূক্ত : পিশাচান্তয়ণম

    [ঋষি : মাতৃনামা। দেবতা : ওষধি। ছন্দ : অনুষ্টুপ ]

    আ পশ্যতি প্রতি পশ্যতি পরা পশ্যতি পশ্যতি। দিবমন্তরিক্ষমাৎ ভূমিং সর্বং তৎ দেবি পশ্যতি ॥১॥ তিম্রো দিবস্তিঃ পৃথিবীঃ ষট চেমাঃ প্রদিশঃ পৃথক। ত্বয়াহং সর্বা ভূতানি পশ্যানি দেব্যোষধে ॥ ২॥ দিব্যস্য সুপর্ণস্য তস্য হাসি কনীনিকা। সা ভূমিমা রুরোহিথ বহ্যং শ্রান্তা বধূরিব ॥ ৩ তাং মে সহস্রাক্ষো দেবো দক্ষিণে হস্ত আ দধৎ। তয়াহং সর্বং পশ্যামি যশ্চ শূদ্র উর্ষঃ ॥ ৪৷৷ আবিষ্কৃণুম্ব রূপাণি মাত্মানমপ গৃহথাঃ। অথো সহস্রচক্ষো ত্বং প্রতি পশ্যাঃ কিমীদিনঃ ॥ ৫৷৷ দর্শয় মা যাতুষানান্ দর্শয় যাতুধান্যঃ। পিশাচান্তসর্বান্ দর্শয়েতি ত্বা রভ ওষধে ॥ ৬ কশ্যপস্য চক্ষুরসি শুন্যাশ্চ চতুরক্ষ্যাঃ। বীর্ধে সূর্যমিব সন্তং মা পিশাচং তিরস্করঃ ॥৭॥ উদগ্রভং পরিপাণাদ যাতুধানং কিমীদিন। তেনাহং সর্বং পশ্যামত শূদ্রমুতাম ॥ ৮ যো অন্তরিক্ষেণ পততি দিবং যশ্যাতিসৰ্পতি।  ভূমিং যো মন্যতে নাথং তং পিশাচং প্র দর্শয় ॥ ৯৷৷

    বঙ্গানুবাদ –হে সদম্পু নাম্নী ঔষধি! এই পুরুষ তোমার মণিকে ধারণ করে আসন্ন (বা, ভাবী) ভীতিকে, বর্তমান ভীতিকে এবং দূরস্থিত ভীতিকে সন্দর্শন করতে পারে। (অর্থাৎ সেই ভীতিগুলিকে পরিহার করতে সক্ষম হয়ে থাকে)। স্বর্গ, অন্তরিক্ষ ও পৃথিবী এই তিন লোকে নিবাসকারী সকল প্রাণী হতে উৎপন্ন ভয়কে ত্রিসন্ধ্যামণির ধারণকারী সাধক সন্দর্শন করতে পারে। (অর্থাৎ ব্রহ্মগ্রহ ইত্যাদি যে ভয়-কারণ-সমূহ ত্রিলোকে ব্যাপ্ত হয়ে আছে, তা ত্রিসন্ধ্যামণির ধারণ মাহাত্মে ধারক পরিহার করতে সক্ষম হয়ে থাকে) ॥১।

    হে ঔষধি! তিন স্বর্গ, তিন পৃথিবী, তিন ঊর্ধ্ব-দিক, তিন নিম্ন-দিক ও সেগুলিতে নিবাসকারী সকল প্রাণীকেও আমি তোমাকে মণিরূপে ধারণের প্রভাবে সন্দর্শন করছি। ২৷

    হে সদম্পু! তুমি স্বর্গের দেবতা রূপ, সুন্দর পক্ষসম্পন্ন গরুড়ের নেত্রের কনীনিকা (চোখের মণি) স্বরূপ। যেমন পরিশ্রান্তা স্ত্রীলোক বহনযোগ্য শিবিকায় আরোহিতা হয়, তেমনভাবেই তুমি গরুড়ের নেত্র হতে স্খলিত হয়ে ভূমিতে ঔষধিরূপে সমুৎপন্ন হয়েছে ॥৩॥

    দান ইত্যাদি গুণে বিভূষিত ইন্দ্রদেব সদম্পুস্পাকে আমার দক্ষিণ বাহুতে ধারণ করিয়েছেন। হে ঔষধি! তোমার দ্বারা আমি ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, শূদ্র সকলকেই বশীভূত করে রাক্ষস ইত্যাদিকেও নিরাকৃত করার নিমিত্ত যত্ন করছি ৷৷ ৪

    হে ঔষধি! তুমি রাক্ষস ইত্যাদিকে, দূরীকরণশালী আপন গুণসমূহকে প্রকট করো, আপন স্বরূপকে সংগুপ্ত করে রেখো না। তুমি সহস্র দর্শন-সাধনের দ্বারা দর্শনশালী হয়ে আছো; তুমি গূঢ়ভাবে বিচরণশীল রাক্ষসদের উপর দৃষ্টি রক্ষা করে, (অর্থাৎ তাদের আক্রমণাত্মক গতিবিধির উপর লক্ষ্য রেখে), আমাদের রক্ষা করো ॥৫৷

    হে সদস্পা। তুমি রাক্ষসদের আমাদের দর্শন করিয়ে দাও (অর্থাৎ আমরা যেন রাক্ষসদের দেখতে পারি), যাতে তারা গুপ্তরূপে অবস্থান পূর্বক আমাদের পীড়া দিতে না পারে; সেইসঙ্গে রাক্ষসীদেরও সন্দর্শন করিয়ে দাও। এই নিমিত্ত আমি তোমাকে ধারণ করছি ৷৬৷৷

    হে ঔষধি! তুমি কশ্যপ ঋষির নেত্রস্বরূপা। তুমি দেব-কুকুরী সরমার ও নেত্রস্বরূপা। গ্রহ-নক্ষত্র ইত্যাদি সমম্বিত অন্তরিক্ষলোকে সূর্যের মতোই বিচরণশালী পিশাচদের অন্তর্হিত হতে দিও না ॥৭॥

    আমি রক্ষণের উপায়ের উদ্দেশ্যে যাতুনবর্গকে (অর্থাৎ নিশাচর রাক্ষসদের) বশীভূত করে নিয়েছি, যাতে তাদের দ্বারা শূদ্রজাতি যুক্ত নীচ অথবা ব্রাহ্মণজাতিযুক্ত উচ্চ সকল গ্রহকে (অর্থাৎ পিশাচবর্গকে) লক্ষ্য করতে সমর্থ হই ॥৮॥

    যে পিশাচ অন্তরিক্ষলোকে এবং দুলোকে বিচরণপূর্বক পৃথিবীকে আপন অধিকৃত (বা বশীভূত) বলে মনে করে, সেই ত্রিলোক-ব্যাপ্ত পিশাচদের আমাকে দেখিয়ে দাও; আমি তার জন্য প্রযত্ন করছি (অর্থাৎ তাদের নিরাকৃত করার জন্য চেষ্টিত আছি) ॥৯॥

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –আ পশ্যতি ইতি সূক্তেন ব্রহ্মগ্রহাদিজনিতভয় নিবৃত্তয়ে ত্রিসন্ধ্যামণিং সম্পাত্য অভিমন্ত্র বধুীয়াৎ। সূত্রিতং হি।..ইত্যাদি। (৪কা. ৪অ. ৫সূ)৷৷

    টীকা –ব্রহ্মগ্রহ ইত্যাদি জনিত ভয় নিবারণকল্পে এই সূক্ত-মন্ত্রের দ্বারা ত্রিসন্ধ্যামণি অভিমন্ত্রিত পূর্বক ধারণীয়।..ইত্যাদি ॥ (৪কা. ৪অ. ৫সূ) ॥

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহারুকি মুরাকামির শ্রেষ্ঠ গল্প – অনুবাদ : দিলওয়ার হাসান
    Next Article শ্যামাপ্রসাদ : বঙ্গবিভাগ ও পশ্চিমবঙ্গ – দীনেশচন্দ্র সিংহ
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }