Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অথর্ববেদ সংহিতা (সম্পাদনা : দিলীপ মুখোপাধ্যায়)

    দিলীপ মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1733 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৪।৫ চতুর্থ কাণ্ড : পঞ্চম অনুবাক

    পঞ্চম অনুবাক
    প্রথম সূক্ত : গাবঃ
     [ঋষি : ব্রহ্ম। দেবতা : গাবঃ। ছন্দ : ত্রিষ্টুপ, জগতী]

    আ গাবো অগুনুত ভদ্রমন্তসীদন্তু গোষ্ঠে রণয়ন্ত্রশ্মে। প্রজাবতীঃ পুরুরূপা ইহ সারিন্দ্রায় পূর্বীরুষসো দুহানাঃ ॥১॥ ইন্দ্রো যজ্বনে গৃণতে চ শিক্ষত উপেৎ দদাতি ন স্বং মুয়তি। ভূয়োভূয়ো রয়িমিদস্য বয়ন্নভিগ্নে খিল্যে নিদধাতি দেবয়ুম। ২৷৷ ন তা নশন্তি ন দভাতি তস্করো নাসামামিত্রো ব্যথিরা দধর্ষতি। দেবাংশ্চ ষাভির্যজতে দদাতি চ জ্যোগিৎ তাভিঃ সচতে গোপতিঃ সহ। ন তা অর্বা রেণুককাটোহমুতে ন সংস্কৃতত্রমুপ যন্তি তা অভি। উরুগায়মভয়ং তস্য তা অনু গাবো মর্তস্য বিচরন্তি যজ্বনঃ ॥ ৪৷৷ গাবো ভগো গাব ইন্দ্রো ম ইচ্ছাদ গাবঃ সোমস্য প্রথমস্য ভক্ষঃ। ইমা যা গাবঃ স জনাস ইন্দ্র ইচ্ছামি হৃদা মনসা চিদিম্ ॥ ৫৷৷ ঘূয়ং গাবো মেদয়থা কৃশং চিদশ্রীরং চিৎ কৃণুথা সুপ্রতীক। ভদ্রং গৃহং কৃণুথ ভদ্রবাচো বৃহৎ বো বয় উচ্যতে সভাসু। ৬। প্রজাবতীঃ সূবসে রুশন্তীঃ শুদ্ধা অপঃ সুপ্রপাণে পিবন্তীঃ। মা ব স্তেন ঈশত মাঘশংসঃ পরি বো রুদ্রস্য, হেতিৰ্বণ ॥ ৭ ৷৷

    বঙ্গানুবাদ –গো-বর্গ আমাদের অভিমুখে আগমন করুক, আমাদের মঙ্গল করুক। তারা আমাদের গোষ্ঠে উপবেশন পূর্বক দুগ্ধ ইত্যাদির দ্বারা আমাদের প্রসন্ন করুক। সন্তানবতী অনেক বর্ণশালিনী গাভী যজমানের গৃহে বর্ধিত হতে থাকুক এবং অনেক উষাকালে দোহন-কৃতা (দুহ্যমানা) হয়ে ইন্দ্রকে আহ্বানকারিণী হোক৷ ১৷

    স্তুতি-করণশীল জনকে ইন্দ্র গাভী প্রাপ্তির উপায় বলে দিয়ে থাকেন এবং নিজেও বহু গাভী দান করে থাকেন। তিনি যজ্ঞকারী (যজমান) এবং স্তুতি-করণশীল জন, কারও ধন হরণ করেন না। সূর্যদেব সেই যজমান ও স্তোতাকে দুঃখরহিত স্বর্গে প্রতিষ্ঠিত করে থাকেন। সেই স্বর্গে অযাজ্ঞিক জন গমন করতে পারে না। ২।

    ইন্দ্র প্রদত্ত গো-বর্গ যেন নাশ প্রাপ্ত না হয়, চোরও যেন তাদের অপহরণ করতে না পারে। শত্রুবর্গের শস্ত্র তাদের যেন পীড়িত করতে না পারে। যজমান যে গাভীসমূহের দুগ্ধে দেবতাগণের পূজন (বা যজ্ঞানুষ্ঠান) করেন, এবং যে গাভীসমূহ দক্ষিণাস্বরূপ প্রদত্ত হয়ে থাকে, সেই যজমান চিরকাল ব্যাপী সেইরকম গাভীর দ্বারা সমৃদ্ধ হয়ে থাকুন ৷ ৩৷

    হিংসক ব্যাঘ্র ইত্যাদি পশু এই গো-বর্গের নিকটে না আসতে পারে! গো-কে হত্যা করে তার মাংস রন্ধনকারী ব্যক্তিগণের দিকে (এই গো-গণ) যেন গমন করতে না পারে। এই যজমানের ভয়রহিত স্থানের দিকে (এই গো-গণ) বিচরণ করতে থাকুক। ৪৷

    যাতে আমার নিকট গো-বৰ্গ অবস্থান করতে পারে, ইন্দ্র তেমন করুন। এই গো-বৰ্গই পুরুষের নিমিত্ত ধনস্বরূপ। অভিযুত সোম গোদুগ্ধে সিদ্ধকৃত হয়ে থাকে। হে মনুষ্যগণ! এই গো-বর্গই ইন্দ্রস্বরূপ (অর্থাৎ গাভীগণ যেমন ইন্দ্রের আশ্রিত, ইন্দ্রও তেমনই গাভীগণের মাধ্যমে পূজিত)। এই গাভীবর্গের দুগ্ধ-ঘৃত ইত্যাদির দ্বারা যুক্ত হবির দ্বারা আমি হৃদয়গত ভাব (বা কামনা) নিয়ে ইন্দ্রের উদ্দেশে যাগানুষ্ঠান করছি। ৫৷৷

    হে গাভীবর্গ! তোমরা আপন দুগ্ধ ইত্যাদি রসের দ্বারা (অর্থাৎ সারবস্তুর দ্বারা) নির্বল প্রাণীগণকে পুষ্ট করো; অসুন্দর অঙ্গশালী পুরুষকে সুন্দর করে দাও। তোমরা আমাদের গৃহকে সুশোভিত করো। তোমাদের দুগ্ধ-ঘৃত ইত্যাদি সকলের দ্বারা প্রশংসিত হয়ে থাকে। ৬।

    হে গো-বর্গ! তোমরা সুন্দর ঘাসসম্পন্ন ভূমিভাগে বিচরণ করতে করতে স্বচ্ছ জল পান করো। তোমরা সন্তান-সন্ততিদের সাথে যুক্ত হয়ে থাকো। হিংসক ব্যাঘ্র যেন তোমাদের প্রাপ্ত না হয় এবং চোরও যেন তোমাদের অপহরণ করতে না পারে। জ্বরের অভিমানী দেবতা রুদ্রের শস্ত্র যেন তোমাদের উপর নিপতিত না হয়। ৭

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –পঞ্চমেনুবাকে পঞ্চ সূক্তানি। তত্র আ গাবঃ ইত্যাদিসূক্তদশকস্য মৃগারসংজ্ঞত্বাৎ মৃগারৈমুগ্ধেত্যাপ্লাবয়তি (কৌ. ৪/৩) ইত্যাদি সূত্রবিহিতে সর্বভৈষজ্যকর্মণি হোমসম্পাতাবসেকাদিষু বিনিয়োগঃ। তত্র আ গাবঃ ইতি প্রথমেন সূক্তেন গং রোগোপশমন পুষ্টিপ্রজনন কর্মসু সলবণং কেবলং বা উদকং অভিমন্যু গাঃ পায়য়েৎ। সূত্রিতং হি।…ইত্যাদি। (৪কা, ৫অ. ১সূ)।

    টীকা— পঞ্চম অনুবাকে পাঁচটি সূক্ত। তার মধ্যে আ গাবঃ ইত্যাদি সূক্ত দশকের মৃগার-সংজ্ঞত্বের। কারণে (মৃগারৈমুঞ্চেত্যাপ্লাবয়তি ইত্যাদি সূত্রবিহিতে) সকল ভৈষজ্য কর্মে এবং হোম, সম্পাত ও অবসেক ইত্যাদি কর্মে এর বিনিয়োগ হয়ে থাকে। এই আ গাবঃ সূক্তের দ্বারা গো-ব্যাধি উপশম, পুষ্টি ও প্রজনন কর্মে লবণযুক্ত বা কেবল জল অভিমন্ত্রিত করে গাভীকে পান করানো কর্তব্য।…ইত্যাদি। (৪কা, ৫অ. ১সূ)।

    .

    দ্বিতীয় সূক্ত : অমিত্ৰক্ষয়ণম

    [ঋষি : বশিষ্ঠ বা অথর্বা। দেবতা : ইন্দ্র, ক্ষত্রিয় রাজা। ছন্দ : ত্রিষ্টুপ]

    ইমমিন্দ্র বর্ধয় ক্ষত্রিয়ং ম ইমং বিশামেকবৃষং কৃণু ত্ব। নিরমিত্রানফ্লুহ্যস্য সর্বাংস্তান রন্ধয়াম্মা অহমুত্তরেষু ॥১॥ এমং ভজ গ্রামে অশ্বেযু গোষু নিষ্টং ভজ যো অমিত্রো অস্য। বৰ্ম ক্ষত্রাণাময়মস্তু রাজেন্দ্ৰ শত্ৰং রন্ধয় সর্বৰ্মস্মৈ ॥ ২॥ অয়মস্তু ধনপতির্ধনানাময়ং বিশাং বিপতিরস্তু রাজা। অস্মিনিদ্র মহি বৰ্চাংসি ধেহ্যবৰ্চসং কৃণুহি শত্রুমস্য ॥ ৩৷৷ অম্মৈ দ্যাবাপৃথিবী ভূরি বামং দুহাথাং ঘর্মদূঘে ইব ধেনু। অয়ং রাজা প্রিয় ইন্দ্রস্য ভূয়াৎ প্রিয়ো গবামোষধীনাং পশূনা ॥৪॥ যুনমিত উত্তরাবন্তমিং যেন জয়ন্তি ন পরাজয়ন্তে। যস্তৃা করদেকবৃষং জনানামুত রামুত্তমং মানবানাম্ ॥ ৫৷৷ উত্তরমধরে তে সপত্ন যে কে চ রাজ প্রতিশবস্তে। একবৃষ ইন্দ্ৰসখ জিগীবাং ছক্ৰয়তমা ভরা ভোজনানি ॥ ৬৷৷ সিংহপ্রতীকো বিশশা অদ্ধি সর্বা ব্যাঘ্রপ্রতীকোইব বাধস্ব শত্রু। একবৃষ ইন্দ্রসখা জিগীবাং ছয়মা খিদা ভোজনানি ॥ ৭

    বঙ্গানুবাদ –-হে ইন্দ্রদেব! এই রাজাকে পুত্র, পৌত্র, রথ, সম্পতি ইত্যাদির দ্বারা যুক্ত করো; বীর পুরুষগণের মধ্যে এই রাজাকে কারও মুখামুক্ষি করো না। এঁর সকল শত্রুকে নির্বীর্য করে দিয়ে এঁর বশীভূত করে দাও। আমি আপন মন্ত্রবলে এঁকে শ্রেষ্ঠ লোকপাল রূপে প্রতিষ্ঠিত করছি৷৷ ১।

    হে ইন্দ্রদেব! এই রাজাকে জনগণের সাথে গভীর সম্পর্কে যুক্ত করো। এই রাজার শত্রুকে গাভী, অশ্ব এবং মনুষ্যের সাথে সম্পর্কশূন্য করো। এই রাজা সকল ক্ষত্রিয়ের মুকুট স্বরূপ হোন। সকল রাজ্য (রাষ্ট্র) ও শত্রুবর্গকে এঁর বশীভূত করে দাও। ২।

    এই রাজা সুবর্ণ ইত্যাদি ধনসমূহের এবং প্রজাগণের অধিপতি হোন। হে ইন্দ্রদেব! শত্রুবর্গকে পরাভব-করণশালী তেজকে এই রাজার মধ্যে প্রতিষ্ঠিত করো ৷ ৩৷

    হে দ্যাবাপৃথিবী (অর্থাৎ আকাশ ও পৃথিবী)! আমাদের রাজাকে প্রভূত ঐশ্বর্য প্রদান করো, যেমন প্রবর্গের জন্য দুটি ধেনু দোহনকারীকে প্রচুর ধন দান করে। ধন-সমৃদ্ধির পর এই রাজা বহু যজ্ঞকর্মের অনুষ্ঠানের দ্বারা ইন্দ্রের স্নেহপাত্র হোন। ইন্দ্রের স্নেহপাত্র হওয়ায় বৃষ্টির ফলে এই রাজা ঔষধিসমূহ ও পশুগণেরও প্রিয় হয়ে উঠুন। ৪

    হে রাজন! পরম শ্রেষ্ঠ ইন্দ্রকে। তোমার মিত্র করে দিচ্ছি। ইন্দ্রের প্রেরণায় তোমার মিত্রবর্গ শত্রুসেনার উপর বিজয় লাভ করুক। যে, ইন্দ্রদেব তোমাকে বীরবর্গ ও রাজন্যবৃন্দের মধ্যে মুখ্যস্থানে অধিষ্ঠিত করেছেন এবং যিনি মনুবংশীয় পুরুরবা ইত্যাদি রাজগণকে অত্যন্ত বীর ও গুণযুক্ত করেছেন, আমি সেই ইন্দ্রদেবকে তোমার মিত্র করে দিচ্ছি। ৫।

    হে রাজন! তোমার শত্রু তোমার দ্বারা অবদমিত হয়ে থাকুক, তুমি? সকলের শ্রেষ্ঠ হও। ইন্দ্রের মিত্র হয়ে তুমি বৃষভের ন্যায় পরাক্রমী হও এবং শত্রুগণের নিকট হতে ভোগ-সাধন ঐশ্বর্যকে অপহরণ করো (ছিনিয়ে নাও)। ৬।

    হে রাজন্! তুমি আপন আজ্ঞাক্রমে আপন প্রজাদের উপর শাসন করো। তুমি ব্যাঘ্রের সমান পরাক্রমী; এই নিমিত্ত ব্যাঘ্রের মতোই আক্রমণ পূর্বক শক্রবর্গকে সন্তাপময় করে তোলে। ইন্দ্রের মিত্রতার সৌজন্যে বৃষভের ন্যায় অত্যন্ত পরাক্রমী হয়ে শত্রুবর্গের ঐশ্বর্যরাশি বিনষ্ট করো। ৭।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ— ইমং ইন্দ্র ইতি সূক্তেন সংগ্রামজয়ার্থং আজ্যহোমং সত্তুহোমং ধনুরিধানং ইসমিদাধানং রাজ্ঞে অভিমন্ত্রিতধনুঃ প্রদানং চ কুঠাৎ। সূত্রিতং হি।..ইত্যাদি। (৪কা, ৫অ. ২সূ)।

    টীকা –এই সূক্তের দ্বারা সংগ্রামজয়ার্থে আজ্যহোম, সঞ্জুহোম ধনুঃ-ইধান, ইষু-সমিদাধান এবং ধনুঃ অভিমন্ত্রিত করে রাজাকে প্রদান কর্তব্য।…ইত্যাদি। (৪কা, ৫অ. ২সূ)।

    .

    তৃতীয় সূক্ত : পাপমোচনম

    [ঋষি : মৃগার। দেবতা : অগ্নি। ছন্দ : ত্রিষ্টুপ, অনুষ্টুপ, পংক্তি ]

    অগ্নের্মন্ধে প্রথমস্য প্রচেতসঃ পাঞ্চজন্যস্য বহুধা যমিন্ধতে। বিশোবিশঃ প্রবিশিবাংসমীমহে স নো মুঞ্চত্বংহসঃ ॥ ১৷৷ যথা হব্যং বহসি জাতবেদো যথা যজ্ঞং কল্পয়সি প্রজান। এবা দেবেভ্যঃ সুমতিং ন আ ব স নো মুঞ্চত্বংহসঃ ॥ ২॥ যামন্যামনুপযুক্তং বহিষ্ঠং কর্মকর্মন্নাভগ। অগ্নিমীডে রক্ষোহণং যজ্ঞবৃধং ঘৃতাহুতং স নো মুঞ্চত্বংহসঃ ॥ ৩৷৷ সুজাতং জাতবেদসমগ্নি বৈশ্বানরং বিভূম। হব্যবাহং হবামহে স নো মুঞ্চত্বংহসঃ ॥ ৪৷ যেন ঋষয়ো বলমদ্যোতয় যুজা যেনাসুরাণাময়ুবন্ত মায়া। যেনাগ্নিনা পণীনিদ্ৰো জিগায় স নো মুঞ্চত্বংহসঃ ॥ ৫॥ যেন দেবা অমৃতমন্ববিন্দ যেনৌষধীৰ্মধুমতীরকৃষ্ণ। যেন দেবাঃ স্বরাভরন্তস নো মুঞ্চত্বংহসঃ ॥ ৬৷ যমোদং প্রদশি যৎ বিবোচতে যজ্জাতং জনিতব্যং চ কেবলম। স্তৌম্যগ্নিং নাথিতো জোহবীমি স নো মুঞ্চত্বংহসঃ ॥ ৭

    বঙ্গানুবাদ— যে পাঞ্চযজ্ঞ অগ্নিদেবকে দেবাগ, পিতৃযাগ, ভূতগ, মনুষ্যযাগ ও ব্রহ্মযাগের দ্বারা আরাধনা করা হয়, যার মধ্যে নিষাদ সহ পঞ্চ বর্ণের মনুষ্য বর্তমান (অর্থাৎ যিনি বহুরূপে চ সন্দীপ্তমান হয়ে থাকেন), সেই পঞ্চ বর্ণে বা পঞ্চযজ্ঞে যিনি বিরাজমান এবং গন্ধর্ব-অপ্সরা-দেবতা- রাক্ষস ও অসুরের দ্বারা অনুষ্ঠিত যজ্ঞে যাঁকে আরাধনা করা হয়ে থাকে, সেই অগ্নির মাহাত্ম্যকে আমি পরিজ্ঞাত আছি। আমরা যে অগ্নিকে প্রদীপ্ত করে থাকি; যিনি সকল প্রাণীর মধ্যে জঠরাগ্নি রূপে বিরাজমান আছেন, সেই অগ্নিদেব সকল পাপ হতে আমাদের রক্ষা করুন। ১।

    হে অগ্নি! তুমি জাবেদা অর্থাৎ উৎপন্ন প্রাণীমারেই জ্ঞাতা। তুমি পূজনীয় দেবতার সমীপে যেভাবে হবিঃ বহন করে নিয়ে যাও, এবং যজ্ঞের ভেদকে পরিজ্ঞাত হয়ে যেভাবে সেগুলির রচনা করে থাকো, সেইভাবেই আমাদের শোভন বুদ্ধি প্রাপ্ত করিয়ে পাপসমূহ হতে রক্ষা করো ॥ ২॥

    যজ্ঞের আধার, হবির বাহক অগ্নিকে আমি স্তুতি করছি। তিনি রাক্ষসগণের নাশক এবং যজ্ঞের সমৃদ্ধি-করণশীল। সেই অগ্নিকে ঘৃতাহুতির দ্বারা প্রদীপ্ত করছি; তিনি পাপ হতে আমাকে রক্ষা করুন ৷ ৩৷৷

    মন্ত্রের দ্বারা শোভন জন্মশালী উৎপন্ন মাত্রেরই জ্ঞাতা (জাতবেদা), সকল প্রাণী যাঁকে জানে, এমন মনুষ্যহিতৈষী ও হবি-বাহক অগ্নিকে আমরা আহ্বান করছি; তিনি আমাদের পাপসমূহ হতে রক্ষা করুন। ৪।

    অঙ্গিরা-ঋষিগণ যে অগ্নির সাথে মিত্রতা স্থাপন পূর্বক আত্মশক্তিকে জাগ্রত করেছিলেন, যার দ্বারা দেবতাগণ আসুরী মায়াকে পৃথক করেছিলেন এবং পাণি নামক অসুরদের পরাজিত করেছিলেন, সেই অগ্নিদেব আমাদের পাপসমূহ হতে মুক্ত করুন ॥ ৫॥

    ইন্দ্র ইত্যাদি দেবগণ যে অগ্নির সহায়তাতেই অমৃত লাভ করেছিলেন এবং যার দ্বারা বৃক্ষ ইত্যাদি ঔষধিসমূহকে মধুর রসে সমৃদ্ধ করেছিলেন, যে অগ্নির দ্বারা যজমান বা স্তোতৃবর্গ স্বর্গলাভ করে থাকেন, সেই অগ্নিদেব আমাদের পাপ হতে বিযুক্ত করুন। ৬।

    এই সংসার যাঁর শাসনাধীন, যাঁর তেজের দ্বারা এই গ্রহ নক্ষত্র ইত্যাদি প্রকাশিত হচ্ছে, পৃথিবীতে উৎপন্ন প্রাণীমাত্রই যে অগ্নির বশবর্তী হয়ে থাকে, আমি সেই অগ্নিদেবের উদ্দেশে স্তুতি পূর্বক বারংবার তাকে প্রভুরূপে প্রাপ্তির নিমিত্ত আহ্বান করছি। সেই অগ্নিদেব আমাদের পাপসমূহ হতে মুক্ত করুন ॥ ৭।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ— অগ্নেমন্তে ইতি সূক্তসপ্তকস্য বৃহঙ্গনে পাঠাৎ শান্তুদকাদৌ বিনিয়োগ।…ইত্যাদি। (৪কা, ৫অ. ৩সূ)।

    টীকা –অগ্নেমন্বে এই সূক্তসপ্তকের বৃহঙ্গণে পঠিত শান্তুদক কর্মে বিনিয়োগ হয়ে থাকে ইত্যাদি ॥ (৪কা, ৫অ. ৩সূ) ॥

    .

    চতুর্থ সূক্ত : পাপমোচনম

    [ঋষি : মৃগার। দেবতা : ইন্দ্র। ছন্দ : শক্করী, ত্রিষ্টুপ]

    ইন্দ্রস্য মন্মহে শশ্বদিদস্য মন্মহে বৃত্ৰগ্ন স্তোমা উপ মেম আগুঃ। যো দাশুষঃ সুকৃতত হবমেতি স নো মুঞ্চত্বংহসঃ ॥ ১। য উগ্ৰীণামুগ্রবাহুয়ুর্যো দানবানাং বলমারুবরাজ। যেন জিতাঃ সিন্ধবো যেন গাবঃ স নো মুঞ্চত্বংহসঃ ॥ ২॥ যশ্চৰ্ষণিপ্রো বৃষভঃ স্ববিৎ যস্মৈ গ্রাবাণঃ প্রবদন্তি নৃণম্। যস্যাধ্বরঃ সপ্তহোতা মদিষ্ঠঃ স নো মুঞ্চত্বংহসঃ ॥ ৩৷৷ যস্য বশাস ঋষভাস উক্ষণো যস্মৈ মীয়ন্তে স্বরবঃ স্বৰ্বিদে। যস্মৈ শুক্রঃ পবতে ব্রহ্মশুম্ভিতঃ স নো মুঞ্চত্বংহসঃ ॥ ৪। যস্য জুষ্টিং সোমিনঃ কাময়ন্তে যং হবন্ত ইষুমন্তং গবিষ্টে। যস্মিন্নকঃ শিশ্রিয়ে যস্মিন্নোজঃ স নো মুঞ্চত্বংহসঃ ॥ ৫৷৷ যঃ প্রথমঃ কর্মকৃত্যায় জজ্ঞে যস্য বীর্যং প্রথমস্যানুবুদ্ধম। যেনোদ্যতো বজ্রোইভ্যায়হিং স নো মুঞ্চত্বংহসঃ ॥৬॥ যঃ সংগ্ৰামান নয়তি সং যুধে বশী যঃ পুষ্টানি সংসৃজতি দ্বয়ানি। স্তোমীং নাথিতো জোহবীমি স নো মুঞ্চত্বংহসঃ ॥৭॥

    বঙ্গানুবাদ –আমরা ইন্দ্রের ঐশ্বর্যযুক্ত মহত্বকে জ্ঞাত আছি। বৃত্ৰনাশক ইন্দ্রের সমক্ষে উচ্চরিতব্য স্তোত্রসমুহ আমার নিকট আছে। যে ইন্দ্র উত্তম মর্মশালী যজমানের আহ্বানকে অনাদর করেন না, তিনি আমাদের পাপসমূহ হতে মুক্ত করুন ॥১॥

    সেই ইন্দ্রদেব শত্রুসেনাগণের মধ্যে বিরোধ সাধন করে থাকেন, যিনি মেঘগুলিকে বিদীর্ণ করে জলকে উদ্ধার করেছিলেন এবং দানবদলের শক্তিকে বিনষ্ট করে দিয়েছিলেন, যিনি বৃত্রকে বধ করে নদীসমূহ ও সমুদ্রগুলি হতে পণি নাম, অসুরদের দ্বারা অপহৃত গো-সমূহকে উদ্ধার (বা জয়) করেছিলেন, সেই ইন্দ্রদেব আমাদের পাপসমূহ হতে বিযুক্ত করুন ॥ ২॥

    যে ইন্দ্রদেব ফল প্রদানের দ্বারা মনুষ্যগণের অভিলাষ পূর্ণ করেন, যিনি স্বর্গপ্রাপ্তি করাতে সমর্থ, যাঁর ইচ্ছানুসারে সোমকে সিদ্ধকৃত (অভিযুত) করা হয়, যার উদ্দেশে অনুষ্ঠিত সোমযাগ হোতা-মৈত্রাবরুণ- ব্রাহ্মণাচ্ছংসী-পোতা-নেষ্টা-আগ্নীব্র এই সপ্তসংখ্যক হোতার (বষকর্তার) দ্বারা হর্ষকারী হয়ে ওঠে, সেই ইন্দ্রদেব আমাদের পাপ হতে মুক্ত করুন ॥৩৷৷

    যে ইন্দ্রের নিমিত্ত গর্তের মধ্যে ঘূপসমূহ স্থাপন করা হয়, যাঁর যজ্ঞের নিমিত্ত সেচন-সমর্থ বৃষভ ও বন্ধ্যা গাভী প্রদত্ত হয়ে থাকে, যাঁর নিমিত্ত সোমরস দশা-পবিত্র (ছাঁকনি) হতে বিন্দু বিন্দু ধারায় নিঃসৃত হয়, তিনি আমাদের পাপ হতে মুক্ত করুন ॥৪॥

    সোমযুক্ত যজমান যে ইন্দ্রের কৃপালাভের কামনা করে থাকেন, পণিগণ কর্তৃক অপহরণের পর গাভীগণকে উদ্ধারের নিমিত্ত যাঁকে আহ্বান করা হয়, যার মধ্যে অসাধারণ বল দৃষ্ট হয়, সেই ইন্দ্র আমাদের পাপ হতে মুক্ত করুন ॥৫॥

    যে ইন্দ্র যজ্ঞ-কর্মের নিমিত্ত গমন করে থাকেন, যাঁর বৃত্রহনন ইত্যাদি কর্মসকল প্রশংসাত্মক হয়ে আছে, যাঁর বজ্র বৃত্রাসুরকে হত্যা করেছিল, সেই ইন্দ্র আমাদের পাপ হতে রক্ষা করুন ॥৬॥

    যে ইন্দ্র যুদ্ধক্ষেত্রে সম্যক উপস্থিত হয়ে থাকেন, যে ইন্দ্র জোড়ায় জোড়ায় (অর্থাৎ মিথুনে মিথুনে) সংসৃষ্ট (অর্থাৎ মিলন) সংঘটিত করিয়ে দেন। স্তোতারূপী আমি সেই হেন ইন্দ্রকে বারংবার আহূত করছি, তিনি পাপ হতে আমার রক্ষা সাধিত করুন ॥ ৭।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –অগ্নয়োহোমুচেষ্টাকপালঃ (তৈ. সং. ৭৫।২১১) ইত্যাদিনা দশহবিষ্কা মৃগারেষ্টিরাধ্বর্যবে বিহিতা। তত্র…অগ্নেরংহোমুচ স্তাবকং অগ্নের্মন্বে (পূর্বসূক্ত) ইতি ব্যাখ্যাতং। ইন্দ্রস্যাংহোমুচ স্তাবকং ইন্দ্রস্য মন্মহে ইতি সূক্তং। তস্য পূর্বসূক্তেন সহ উক্তো বিনিয়োগঃ ॥ (৪কা, ৫অ. ৪সূ)।

    টীকা — এই সূক্তটি পূর্ব সূক্তের সাথে বিনিযুক্ত হয়ে থাকে।.ইতাদি ॥ (৪কা. ৫অ. ৪সূ)।

    .

    পঞ্চম সূক্ত : পাপমোচনম

    [ঋষি : মৃগার। দেবতা : বায়ু ও সবিতা। ছন্দ : ত্রিষ্টুপ, বৃহতী ]

    বায়োঃ সবিতুর্বিদথানি মন্মহে যাবাত্মন্বৎ বিশথো যৌ চ রক্ষথঃ। যৌ বিশ্বস্য পরিভূ বভূবথুস্তেী নো মুঞ্চতমংহসঃ ॥ ১। যয়োঃ সংখ্যাতা বরিমা পার্থিবানি যাভ্যাং রজো যুপিতমন্তরিক্ষে। যয়োঃ প্রায়ং নাম্বানশে কশ্চন তৌ নো মুঞ্চতমংহসঃ ॥ ২॥ তব ব্রতে নি বিশন্তে জনাসষদিতে প্রেরতে চিত্রভাননা। যুবং বায়ো সবিতা চ ভুবনানি রক্ষথস্তেী নো মুঞ্চতমংহসঃ ॥ ৩৷৷ অপেতো বায়ো সবিতা চ দুষ্কৃতমপ রক্ষাংসি শিমিদাং চ সেধত। সং হর্জয়া সৃজথঃ সং বলেন তৌ নো মুঞ্চতমংহসঃ ॥ ৪৷৷ রয়িং মে পোষঃ সবিতোত বায়ুস্ত দক্ষমা সুবতাং সুশেবম্। অযক্ষ্মতাতিং মহ ইহ ধং তৌ নো মুঞ্চতমংহসঃ ॥ ৫৷৷ প্র সুমতিং সবিতায় উতয়ে মহন্তং মৎসরং মাদয়াথঃ। অবাগ বামস্য প্রবতো নি যচ্ছতং তৌ নো মুঞ্চতমংহসঃ ॥ ৬। উপ শ্রেষ্ঠা ন আশিযষা দেবয়োধামন্নস্থির। স্তোমি দেবং সবিতারং চ বায়ুং তৌ নো মুঞ্চতমংহসঃ ৭

    বঙ্গানুবাদ –আমরা বায়ু দেবতা ও সূর্য বা সবিতা দেবতার কর্মসমূহকে জ্ঞাত আছি। হে বায়ু! হে সূর্য! তোমরা সমস্ত প্রাণীবর্গের মধ্যে ব্যাপ্ত থেকে সংসারকে রক্ষা করণে ও তাকে ধারণ-করণে নিয়োজিত আছে। তোমরা সকল মন্দ কর্মের মূলীভূত পাপ হতে আমাদের রক্ষা করো ॥১॥

    বায়ু ও সবিতা দেবতার শ্রেষ্ঠ কর্মসকল পৃথিবীতে উত্তম রকমে প্রসিদ্ধ আছে। তাদের দ্বারা আকাশে জল ধৃত হয়ে থাকে; অন্য কোন দেবতা তাঁদের শ্রেষ্ঠ চালচলনের ঊর্ধ্বে উঠতে পারে না। সেই বায়ু ও সূর্য আমাদের পাপ হতে রক্ষা করুন। ২।

    হে সূর্য! তোমার সেবা-করণের নিমিত্ত মনুষ্যগণ নিয়মবদ্ধ হয়ে থাকে। তোমার উদয় হওয়ার পরে সকলে আপন আপন কর্মে নিয়োজিত হয়ে থাকে। হে বায়ু ও সূর্য! তোমরা উভয়েই সকল প্রাণীর রক্ষক, অতএব পাপ হতে আমাদের রক্ষা করো। ৩

    হে বায়ু! তুমি ও সূর্য, রাক্ষসবর্গ ও তেজোময়ী কৃত্যা হতে আমাদের দূরে রক্ষা করো। অন্ন-রস হতে উৎপন্ন পুষ্টি আমাদের প্রাপ্ত হোক। তোমরা পাপ হতে আমাদের পৃথক করে দাও। ৪

    সবিতা দেব আমাদের ঐশ্বর্য প্রদান করুন, শরীরে বল প্রদান করুন, সুখের দ্বারা আমাদের পূর্ণ করুন। হে বায়ু ও সূর্য! এই যজমানকে অত্যন্ত তেজ ও আরোগ্যতার সাথে যুক্ত (বা পরিপূর্ণ) করে দাও ॥ ৫।

    হে সবিতা! হে বায়ু! এই হর্ষদ (বা মদকর) সোমের দ্বারা তৃপ্ত হয়ে আমাদের রক্ষার নিমিত্ত সুবুদ্ধি প্রদান করো এবং মহান্ ঐশ্বর্য প্রদান পূর্বক পাপ হতে আমাদের রক্ষা করো ॥ ৬

    বায়ু ও সূর্যের সমক্ষে আমাদের উত্তম ফলশালিনী স্তুতিসমূহ উপস্থিত হোক। সেই দান ও ইত্যাদি গুণসম্পন্ন দুই দেবতা আমার অনর্থ-জনিত মূলীভূত পাপ হতে আমাকে রক্ষা করুন। আমি তাদের উদ্দেশে স্তুতি করছি। ৭।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –বায়োঃ সবিতু ইত্যস্য সূক্তস্য অগ্নের্মন্বে ইত্যনেন সূক্তেন সহ উক্তো বিনিয়োগঃ। ….ইত্যাদি। (৪কা, ৫অ. ৫)। টীকা –এই সূক্তটির বিনিয়োগ পূর্ববর্তী অগ্নের্মন্বে ইত্যাদি সূক্তের সাথে উক্ত হয়।…ইত্যাদি। (৪কা. ৫অ. ৫সূ)

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহারুকি মুরাকামির শ্রেষ্ঠ গল্প – অনুবাদ : দিলওয়ার হাসান
    Next Article শ্যামাপ্রসাদ : বঙ্গবিভাগ ও পশ্চিমবঙ্গ – দীনেশচন্দ্র সিংহ
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }