Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অথর্ববেদ সংহিতা (সম্পাদনা : দিলীপ মুখোপাধ্যায়)

    দিলীপ মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1733 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৪।৮ চতুর্থ কাণ্ড : অষ্টম অনুবাক

    অষ্টম অনুবাক
    প্রথম সূক্ত : সত্যৌজা অগ্নিঃ
    [ঋষি : চাতন। দেবতা : সন্তৌজা অগ্নি। ছন্দ : অনুষ্টুপ]

    তান্তসত্যৌজাঃ প্ৰ দহত্বগ্নিবৈশ্বানরা বৃষ। যো নো দুরস্যা দিন্সাচ্চাথো যো নো অরাতিয়াৎ। ১। যো নো দিদদিম্মততা দিপ্সততা যশ্চ দিম্পতি। বৈশ্বানরস্য দংষ্ট্রয়োরগ্নেরপি দমি তম্ ॥ ২॥ য আগরে মৃগয়ন্তে প্রতিক্রোশেইমাবায্যে। ক্ৰব্যাদো অন্যান্ দিক্ষতঃ সর্বাংস্তান্তসহসা সহে ॥ ৩॥ সহে পিশাচাসহসৈষাং দ্রবিণং দদে। সর্বান্ দুরস্যতো হন্মি সং ম আকুতিঋধ্যতাম্ ॥৪॥ যে দেবাস্তেন হাসন্তে সূর্যেণ মিমতে জব। নদীষু পর্বতেষু যে সং তৈঃ পশুভিৰ্বিদে। ৫৷৷ তপনো অস্মি পিশাচানাং ব্যাঘ্রো গোমতামিব। শ্বানঃ সিংহমিব দৃষ্টা তে ন বিন্দন্তে ন্যঞ্চনম্ ॥ ৬৷৷ ন পিশাচৈঃ সং শক্লোমি ন স্তেনৈর্ন বনগুভিঃ।। পিশাচাস্তস্মান্নশ্যন্তি যমহং গ্রামমাবিশে। ৭। যং গ্রামমাবিশত ইদমুগ্ৰং সহো মম। পিশাচাস্তম্মান্নশ্যন্তি ন পাপমুপ জানতে ॥৮ যে মা ক্রোধয়ন্তি লপিতা হস্তিনং মশকা ইব। তানহং মন্যে দুহিতান্ জনে অল্পশয়ুনিব ॥ ৯৷৷ অভি তং নির্ঋতিধামশ্বমিবাস্বাভিধান্যা। মন্বো যো মহ্যং ধ্যতি স উ পাশান্ন মুচ্যতে। ১০।

    বঙ্গানুবাদ –যে শত্রু আমাদের হিংসা করতে অভিলাষ করে; যারা আমাদের মধ্যে যে অবগুণ (দোষ) নেই, সেই মিথ্যা দোষ, আমাদের উপর আরোপিত করে; মনুষ্যের উপকার করণশালী সেচনসমর্থ অগ্নিদেব সেই শত্রুগণকে প্রচণ্ডরূপে ভস্ম করে ফেলুন। ১।

    যে শত্রু আমাদের দুঃখ প্রদান করে এবং যে আমাদের আঘাত করতে আকাঙ্ক্ষা করে, এই দুই রকমের শত্রুগণকে আমাদের সকলের হিতৈষী অগ্নির দুই হনুর (চোয়ালের) অভ্যন্তরস্থ দন্তের মধ্যে নিক্ষেপ করছি। ২৷

    যে যুদ্ধে মাংস ও রক্ত নষ্টকৃত হয়ে থাকে, সেখানে পিশাচ ইত্যাদি আমাদের হনন পূর্বক ভক্ষণের নিমিত্ত অন্বেষণ করে (অর্থাৎ তাকে তাকে থাকে), এবং শত্রুদের দ্বারা প্রেরিত করণের পর যে পিশাচ ইত্যাদি অমাবস্যার অর্ধ-রাত্রির সময়ে হনন করতে আকাঙ্ক্ষা করে, তাদের সকলকে আমরা আমাদের মন্ত্রশক্তির দ্বারা বশীভূত করছি ৷ ৩৷

    আমরা এই রাক্ষসবর্গের বল সম্পর্কে জ্ঞাত আছি এবং এদের মন্ত্র-শক্তির প্রভাবে ক্ষীণ করে দিচ্ছি। দুষ্ট আচরণশীল আপন শত্রুদেরও আমি বিনাশ করে দিচ্ছি। আমাদের কাম্য সংকল্প সুখময় এবং সমৃদ্ধির সাথে যুক্ত হোক। ৪

    যে পিশাচ আপন মায়ারূপ বিকারের দ্বারা হাস্য করায় এবং সূর্যের ন্যায় ঝলকিত হতে থাকে, যে পিশাচ পর্বত নদী ইত্যাদি স্থানে সঞ্চরণ করে থাকে, আমি তাদের সকল প্রতিবন্ধকতা বা প্রবঞ্চনা হতে মুক্ত হয়ে গো-ইত্যাদি পশুসমূহে সমৃদ্ধ হবো ৷ ৫

    সিংহ যেমন গো-ইত্যাদির পালকগণের চিন্তার কারণ হয়ে থাকে, তেমনই আমি আমার আপন মন্ত্র-বলে রাক্ষসগণকে দুঃখ-দানের কারক হবো; সিংহ হতে ভয়ভীত কুকুরেরা যেমন লুকিয়ে থাকে, তেমনই এই পিশাচ ইত্যাদি গণ আমাদের মন্ত্র-বলের প্রভাবে অধঃপতিত হয়ে যাক ৷৷ ৬ ৷

    চোর ও দস্যুগণ কখনও আমার সাথে মিলিত হয় না (অর্থাৎ সম্মুখীন হয় না), পিশাচগণ আমাতে বা আমার অধ্যুষিত স্থানে প্রবিষ্ট হতে সক্ষম হয় না। আমি যে গ্রামে গমন করি, সেই গ্রামের পিশাচগণ বিনাশ প্রাপ্ত হয়ে যায় ৷৷ ৭৷

    আমার মন্ত্র-বল যে গ্রামে বর্তমান থাকে, সেখানে পিশাচগণ বিনষ্ট হয়ে যায়। এই কারণে সেই স্থানের অধিবাসী মনুষ্যগণ ঐ পিশাচবর্গের হিংসান্বিত কার্যকলাপকে কখনও জানতেই পারে না ॥ ৮

    যেমন ক্ষুদ্রকায় কীট জনসমূহের চলাচলে পিষ্ট হয়ে যায় (বা সঙ্কুচিত হয়ে যায়), যেমন হস্তীর শরীরলগ্ন মশক হস্তীর ক্রোধকে বর্ধিত করে, তেমনই আমি আমার শরীরে বিলগ্ন পিশাচগণকে আপন মন্ত্র-রূপ ক্রোধের দ্বারা বিনষ্টের বিষয়ীভূত বলে মনে করি। ৯।

    যেমন দুষ্ট অশ্বকে রশ্মির দ্বারা বন্ধন করা হয়, সেই রকমে পাপ দেবতা নির্ঋতি সেই বৈরীকে পাশবদ্ধ করে নিন, যে আমার উপর ক্রোধপরায়ণ হয় (বা আমি যার প্রতি ক্রুদ্ধ হয়ে থাকি), সে যেন নিঋর্তির পাশ হতে অব্যাহতি না পায় ॥ ১০।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –অষ্টমেনুবাকে পঞ্চ সূক্তানি। তত্র তান্তসত্যৌজা ত্বয়া পূর্বং (৪/৩৭) ইতি দ্বয়েঃ সূক্তয়েশ্চাতনগণে পাঠাৎ চাতনানাং অপনোদনেন ব্যাখ্যাতং (কৌ.৪/১) ইতি বিহিতে্যু ভূতগ্রহাদি-উচ্চাটনকর্মসু বিনিয়োগঃ। (৪কা, ৮অ. ১সূ)।

    টীকা –অষ্টম অনুবাকে পাঁচটি সূক্ত। তার মধ্যে এই প্রথম সূক্তটি এবং এর পরবর্তীটির দ্বারা ভূত চি গ্রহ ইত্যাদির উচ্চাটনকর্মে বিনিয়োগ হয়ে থাকে। (৪কা. ৮অ. ১সূ)।

    .

    দ্বিতীয় সূক্ত : কৃমিনাশনম্

    [ঋষি : বাদরায়ণি। দেবতা : ওষধি প্রভৃতি। ছন্দ : অনুষ্টুপ প্রভৃতি।]

    ত্বয়া পূর্বমথর্বাণো জম্মু রক্ষাংস্যোষধে। ত্বয়া জঘান কশ্যপস্তুয়া কম্বো অগস্ত্যঃ ॥১॥ ত্বয়া বয়মন্সরসো গন্ধর্বাংশ্চাতয়ামহে। অজশৃঙ্গ্যজ রক্ষঃ সর্বান্ গন্ধেন নাশয় ॥ ২॥ নদীং যন্তুষ্পরসোহপাং তারমবশ্বসম। গুল্লুলুঃ পীলা নলদ্যৌগন্ধিঃ প্রমন্দনী। তৎ পরেতারসঃ প্রতিবুদ্ধা অভূতন ৷ ৩৷৷ যত্ৰাশ্বত্থা ন্যগ্রোধা মহাবৃক্ষাঃ শিখন্ডিনঃ। তৎ পরেতারসঃ প্রতিবুদ্ধা অভূতন ॥৪॥ যত্র বঃ প্রেঙ্খ হরিতা অর্জুনা উত যত্ৰাঘাটাঃ কর্কর্যঃ সংবদন্তি। তৎ পরেতারসঃ প্রতিবুদ্ধা অভূতন ॥ ৫৷৷ এয়মগন্নেষধীনাং বীরুধাং বীর্যাবতী। অজশৃঙ্গরাটকী তীক্ষ্ণশৃঙ্গী বৃষ ॥ ৬ আনৃত্যতঃ শিখন্ডিনো গন্ধর্বস্যাপ্সরাপতেঃ। ভিনন্নি মুম্বাবপি যামি শেপঃ ॥৭॥ ভীমা ইন্দ্রস্য হেতয়ঃ শতমৃষ্টীয়স্ময়ীঃ। তাভিহবিরদা গন্ধবানবকাদা ব্যতু ॥ ৮ ভীমা ইন্দ্রস্য হেতয়ঃ শতমৃষ্টীৰ্হিরণ্যয়ীঃ।  তাভিহবিরদা গন্ধবানবকাদান ব্যষতু ॥৯॥ অবকাদানভিশোচানৰ্ম্ম জ্যোতয় মামকা। পিশাচা সর্বানোষধে প্ৰ মৃণীহি সহস্ব চ ॥ ১০ শ্বেবৈকঃ কপিরিবৈকঃ কুমারঃ সর্বকেশকঃ। প্রিয় দৃশ ইব ভূত্বা গন্ধর্বঃ সচতে স্ত্রিয়স্তমিতো নাশয়ামসি ব্ৰহ্মণা বীৰ্য্যাব ॥ ১১। জায়া ইদ বো অরসো গন্ধর্বাঃ পতয়ো ঘূয়ম। অপ ধাবতামর্তা মর্ত্যা মা সচধ্বম্ ॥ ১২৷৷

    বঙ্গানুবাদ –হে ঔষধি! অথবা, কশ্যপ, কথ ও অগস্ত্য ইত্যাদি মহর্ষিগণ তোমাকে সাধিত (বা চ উপাসিত) করে রাক্ষসগণকে বিনষ্ট করেছিলেন। সেইরকমেই আমিও করছি (অর্থাৎ তোমার ধারণ, হোম ইত্যাদি সাধনের দ্বারা রাক্ষসগণের বিনাশ সাধিত করছি)। ১।

    হে অজশৃঙ্গী (অর্থাৎ অজের শৃঙ্গের আকৃতি বিশিষ্টা)! হে ঔষধি! তোমার দ্বারা আমরা, উপদ্রবী গন্ধর্ব ও অপ্সরাগণকে নাশ করবো। তোমার উগ্র গন্ধের দ্বারা আমরা রাক্ষস, পিশাচ ইত্যাদিদের দূরে বিতাড়িত করবো ২

    যেমন পারে উত্তরণ-কুশল নৌকা-চালকের নিকট উপস্থিত হতে হয়; তেমনই গুগুল, পীলা (পীলু), নলদী (নলদ), ঔক্ষগন্ধী, প্রমন্দনী–এই পাঁচ হবন-দ্রব্যসম্ভারের ভয়ে গন্ধর্ব-স্ত্রীগণ (অপ্সরাবৃন্দ) আপন স্থানে প্রত্যাবর্তন করুক ॥ ৩

    হে অপ্সরাগণ! তোমরা পীপল, বট, প্লক্ষ ইত্যাদি বৃক্ষসমূহ এবং ময়ূর ইত্যাদিতে সমাকীর্ণ আপন স্থানে প্রত্যাবর্তন করো এবং সেখানে গতি-হীনা হয়ে পড়ে থাকো। ৪

    হে অপ্সরাবৃন্দ! যেখানে শ্যামল ও অর্জুন বৃক্ষ আছে, যেখানে তোমাদের আমোদ ও নৃত্যের নিমিত্ত প্রেঙ্খা (বা দোলা) পাতিত হয়ে আছে এবং বাদ্য বাদিত হচ্ছে, তোমরা আপন সেই স্থানে প্রত্যাবর্তন করো এবং সেখানে নিশ্চেষ্ট (চেষ্টারহিত) হয়ে পড়ে থাকো ॥ ৫৷

    এই অত্যন্ত বলবতী অজশৃঙ্গী নামক ঔষধি হিংসকবর্গের উচ্চাটন করণে সমর্থ। উগ্র গন্ধ ও শৃঙ্গাকারশালিণী এই ঔষধি রাক্ষস ও পিশাচগণকে বিনষ্ট করুক ৷ ৬ ৷

    ময়ুরের ন্যায় নৃত্যপর, গীতিময় বাণীশালী (অর্থাৎ সঙ্গীতকারী), আমাদের হননের অভিলাষকারী গন্ধর্বের (অর্থাৎ অপ্সরাগণের পতির) অণ্ডকোষদ্বয়কে আমি চূর্ণ করছি ও তার উপস্থকে (শিশ্নকে) নির্বীর্য করে দিচ্ছি ৷৷ ৭৷

    ইন্দ্রের যে লৌহায়ুধ হতে প্রাণীগণ ভয়ভীত হয়ে থাকে, যাতে শতধার (বা অসংখ্য ধীর) আছে, তার দ্বারা ইন্দ্র জলাশয়ের উপরে আগমনকারী শৈবাল-ভক্ষণকারী গন্ধর্বগণকে সংহার করুন। ৮।

    ইন্দ্র আপন সহস্রধারশালী স্বর্ণায়ুধ সমূহের দ্বারা জলাশয়ে আগত শৈবাল-খাদক গন্ধর্বগণকে বিনাশ করুন। ৯।

    হে অজশৃঙ্গী! সকল দিক হতে দীপ্তিময় হয়ে, শোকপ্রদ, শৈবাল-ভক্ষণশীল গন্ধর্বগণকে জলের মধ্যে প্রকটিত করো এবং উপদ্রব-করণশীল পিশাচগণকে সর্ব দিক হতে প্রহার পূর্বক বশীভূত করো। ১০।

    গন্ধর্বগণ আপন মায়া-প্রভাবে কুকুরের আকৃতিশালী, বানরের আকৃতি সম্পন্ন, সকল দিকে কেশযুক্ত বালকের (অর্থাৎ মনুষ্য কুমারের) আকৃতিধারী হয়ে যায়। সুন্দর-দর্শনশালী হয়ে গন্ধর্বগণ গৃহে গৃহে গমন করে স্ত্রীগণকে প্রলোভিত করে তাদের সম্প্রাপ্ত হয়ে থাকে; এই হেন সেই গন্ধর্ববর্গকে আমরা মন্ত্র-বলের দ্বারা সেই স্ত্রীগণের নিকট হতে বিদূরিত করে দিচ্ছি ৷ ১১

    হে গন্ধর্ববৃন্দ! অপ্সরাগণই তোমাদের উপভোগের যোগ্য, তারাই তোমাদের পত্নী। এই নিমিত্ত তাদের সঙ্গেই তোমরা মিলিত হও। তোমরা অমরশীল, অতএব মরণশীল ব্যক্তিগণের সাথে সঙ্গতি (বা সম্মিলন) করো না। (এই সূক্তের দ্বারা ব্যাধিসমূহের কীটাণুগুলির বর্ণনা করা হয়েছে এবং ঔষধির দ্বারা সেগুলির বিনাশ-সাধনের বিধি কথিত হয়েছে)। ১২।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –ত্বয়া পূর্বং, ইতি সূক্তস্য গণপ্ৰযুক্তো বিনিয়োগ, পূর্বসূক্তেন সহ উক্তঃ। তথা সর্বভূতগ্ৰহভৈষজ্যার্থং শমীপর্ণচূর্ণং শমীফলমধ্যে কৃত্বা অনেন সূক্তেন অভিমন্ত্র আবিষ্টগ্রহং পুরুষং ভোজয়েৎ। অলঙ্কারেণ সহ ধারয়েৎ। তথা ব্যাধিতগৃহং পরিকিরেৎ। সূত্রিতং হি।…ইত্যাদি। (৪কা, ৮অ. ২সূ)।

    টীকা— এই সূক্তটি পূর্বসূক্তের সাথে গণপ্ৰযুক্তে বিনিয়োগ হয়। তথা সর্বভূতগ্রহের ভৈষজ্যার্থে শমীপর্ণচূর্ণ শমীফলের মধ্যে করে এই সূক্তের দ্বারা অভিমন্ত্রিত পূর্বক গ্রহাবিষ্ট পুরুষকে খাওয়ানো কর্তব্য। অলঙ্কারের সাথে ধারণও কর্তব্য। তথা ব্যাধিত ব্যক্তির গৃহে ছড়িয়ে দেওয়া কর্তব্য।..ইত্যাদি। (৪কা, ৮অ. ২সূ)।

    .

    তৃতীয় সূক্ত : বাজিনীবান ঋষভঃ

    [ঋষি : বাদরায়ণি। দেবতা : অপ্সরা, ঋষভ। ছন্দ : অনুষ্টুপ প্রভৃতি]

    উদ্ভিদতীং সংজয়ন্তীমন্সরাং সাধুদেবিনীম্। গ্রহে কৃতানি কৃথানামরাং তামিহ হুবে ॥১॥ বিচিন্বতীমাকিরীমপ্সরাং সাধুদেবিনীম। হে কৃতানি গৃহানামরাং তামিহ হুবে ॥ ২॥ যাযৈঃ পরিনৃত্যত্যাদদানা কৃতংগ্লহাৎ। সা নঃ কৃতানি সীতী প্রহামাগোতু মায়য়া। সা নঃ পয়স্বত্যৈতু মা নো জৈষুরিদং ধন ॥ ৩ যা অক্ষে প্রমোদন্তে শুচং ক্রোধং চ বিভ্রতী। আনন্দিনীং প্রমোদিনীমন্সরাং তামিহ হুবে ॥ ৪৷৷ সূর্যস্য রশ্মীননু যাঃ সঞ্চরন্তি মরীচীর্বা যা অনুসঞ্চরন্তি। যাসামৃষভো দূরতো বাজিনীবান্তসদ্যঃ সর্বান্ লোকান পর্ঘ্যৈতি রক্ষন। স ন এতু হোমমিমং জুষাণোহন্তরিক্ষেণ সহ বাজিনীবান্ ॥ ৫॥ অন্তরিক্ষেণ সহ বাজিনী কীং বৎসামিহ রক্ষ বাজি। ইমে তে স্তোকা বহুলা এহ্যর্বাঙিয়ং তে ককীহ তে মনোহস্ত ॥ ৬ অন্তরিক্ষেণ সহ বাজিনীবন্ ককীং বৎসামিহ রক্ষ বাজি। অয়ং ঘাসো অয়ং ব্রজ ইহ বৎসাং নি বীমঃ। যথানাম ব ঈশ্মহে স্বাহা। ৭৷

    বঙ্গানুবাদ –দূত ক্রিয়ার অধিদেবতা, বিজয়প্রদা, অক্ষশলাকা ইত্যাদির দ্বারা শোভন ক্রীড়া করণ-শালিনী অপ্সরাকে আমি এই দূত-বিজয়ের কর্মে আহ্বান করছি। দূত ক্রিয়া জয়ের নিমিত্ত কৃত ইত্যাদি-কারিণী অপ্সরা আগতা হয়ে আমার জয় সুনিশ্চিত করুক৷ ১।

    পাশাগুলিকে একত্রিত করে সেগুলিকে বহু কোষ্ঠে বিজয় হেতু নিক্ষেপ করে, অক্ষশলাকা ইত্যাদির দ্বারা শোভনতাপূর্বক ক্রীড়াশালিনী দূতক্রিয়ার অধিদেবতা অপ্সরাকে আমি এই দূত-বিজয়শালী কর্মে আহ্বান করছি। দূতক্রিয়া জয়ের নিমিত্ত কৃত ইত্যাদি-কারিণী অপ্সরা আগতা হয়ে আমার জয় সুনিশ্চিত করুক ॥ ২॥

    যে অস্পা কৃত ইত্যাদি শব্দের দ্বারা কথিত অক্ষগত সংখ্যাবিশেষ বা অয়ের দ্বারা বিজয় প্রাপ্ত হওয়ার কারণে নৃত্যপরা হয়ে থাকে, সে গ্রহণযোগ্য পাশাসমূহে কৃত নামক চারিসংখ্যক অয়কে রক্ষা পূর্বক নিক্ষেপযোগ পাশসমূহের উপর আপন মায়ার সাথে প্রতিষ্ঠিত হোক এবং আমাদের বিজিত গো-ইত্যাদি ধনের সাথে প্রাপ্ত হোক। কৌশলের উপরে রক্ষিত (অর্থাৎ দাবার পাশায় প্রাপ্ত) আমাদের ধনকে অন্য দূত-ক্রিয়াশীল যেন জয় করে না নিতে পারে ৷৷ ৩৷৷

    যে অপ্সরা অভিলষিত জয়ের অভাবে শোককে উৎপন্ন করে থাকে এবং পুনরায় বিজয়-প্রাপ্তির অভিপ্রায়ে ক্রোধকে উৎপন্ন করে থাকে, সেই অপ্সরা দূত-সাধন অক্ষে প্রসন্ন হয়; আমি তাকে আহ্বান করছি। দূতক্রিয়া জয়ের নিমিত্ত কৃত-ইত্যাদি-কারিণী অপ্সরা আগতা হয়ে আমার জয় সুনিশ্চিত করুক ৪

    যে অপ্সরাগণের স্বামী দূরস্থ অন্তরিক্ষলোকে বিচরণ করেন এবং উষার সাথে যুক্ত হন, সেই সূর্য সকল লোকের রক্ষক রূপে সকল দিকে সঞ্চারমান হোন। সেই সূর্য অপ্সরাগণের সাথে আমাদের সমীপে আগমন পূর্বক এই হব্য গ্রহণ করুন। ৫৷৷

    হে সূর্য! তুমি অপ্সরাগণের সাথে যুক্ত এবং উষাবান্ হয়ে আছে। এই গাভীবর্গের শ্বেতবর্ণশালী বৎসমুদায়কে রক্ষা পূর্বক তাদের পোষণ করো। তোমার দুগ্ধ ইত্যাদির বিন্দু বিন্দু ধারা সমৃদ্ধ হয়ে আমাদের প্রাপ্ত হোক। এই শ্বেত বর্ণালিনী তোমার গাভী এই গোষ্ঠে অবস্থিত আছে। তুমি আমাদের নমস্কার স্বীকার করো ও আমাদের সম্মুখে আবির্ভূত হও। ৬।

    হে অপ্সরাবৃন্দের সাথে যুক্ত, উষাবান্ সূর্য! এই স্থানের শ্বেত বর্ণশালী বৎসগণকে রক্ষা করো; তাদের পোষণপূর্বক বৃদ্ধি সাধন করো। খাদ্যের নিমিত্ত দীয়মান এই ঘাস পৌষ্টিক (পুষ্টিকর) হোক। এই গোষ্ঠ গাভীগণের দ্বারা সমৃদ্ধ হোক। এই গোষ্ঠে আমরা বৎসগণকে দ্বাদশ রঞ্জুর দ্বারা বন্ধন করছি। যে প্রকারে তুমি স্বামী হয়েছে, সেই প্রকারে আমরা যাতে তাদের অধিপতি হতে পারি, সেইভাবেই বন্ধন করছি। যথানামে স্বাহামন্ত্রে এই হবিঃ আহুত হচ্ছে ॥৭॥

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ— উদ্ভিন্তীং সংজয়ন্তীং ইতি সূক্তেন দ্যুতজয়কর্মণি অক্ষান্ অভিমন্ত্র দেবনং কুর্যাৎ। সূত্রিতং হি।…ইত্যাদি। (৪কা, ৮অ. ৩সূ)।

    টীকা— দ্যুতজয়-কর্মে এই সূক্তের দ্বারা অক্ষগুলি অভিমন্ত্রিত করে অক্ষক্রীড়া করানো কর্তব্য।…ইত্যাদি। (৪কা, ৮অ. ৩সূ)।

    .

    চতুর্থ সূক্ত : সংনতি

    [ঋষি : অঙ্গিরা ব্রহ্মা। দেবতা : পৃথিবী, অগ্নি প্রভৃতি। ছন্দ : বৃহতী, পংক্তি, ত্রিষ্টুপ]

    পৃথিব্যামগ্নয়ে সমনমন্তস আর্গোৎ। যথা পৃথিব্যামগ্নয়ে সমনমন্নেবা মহঃ সংনমঃ সং নমন্তু ॥১॥ পৃথিবী ধেনুস্তস্যা অগ্নিবৎসঃ। সা মেহগ্নিনা বৎসেনেষমূৰ্জং কামং দুহাম্। আয়ুঃ প্রথমং প্রজাং পোষং রয়িং স্বাহা ॥ ২॥ অন্তরিক্ষে বায়বে সমনমন্তস আপ্পোৎ। যথান্তরিক্ষে বায়বে সমনমন্নেবা মহ্যং সনেমঃ সং নমন্তু ॥ ৩॥ অন্তরিক্ষং ধেনুস্তস্যা বায়ুর্বৎসঃ। সা মে বায়ুনা বৎসেনেষমূৰ্জং কামং দুহাম্। আয়ুঃ প্রথমং প্রজাং পোষং রয়িং স্বাহা। ৪৷৷ দিব্যাদিত্যায় সমনমন্তস আর্পোৎ। যথা দিব্যাদিত্যায় সমনমন্নেবা মহ্যং সংনমঃ সং নমন্তু ॥ ৫৷৷ দৌধেনুস্তস্যা আদিত্যো বসঃ। সা ম আদিত্যেন বৎসেনেষমূর্জং কামং দুহাম্। আয়ুঃ প্রথমং প্রজাং পোষং রয়িং স্বাহা ॥ ৬৷ দিক্ষু চন্দ্রায় সমনমন্তস আর্পোৎ। যথা দিক্ষু চন্দ্রায় সমনমন্নেবা মহ্যং সংনমঃ সং নমন্তু ॥ ৭৷ দিশো ধেনবস্তাসাং চন্দ্রো বৎসঃ। তা মে চন্দ্রেণ বৎসেনেষমূর্জং কামং দুহাম্।। আয়ুঃ প্রথমং প্রজাং পোষং রয়িং স্বাহা ॥৮॥ অগ্নাবগ্নিশ্চরতি প্রবিষ্ট ঋষীণাং পুত্রো অভিশস্তিপা উ। নমস্কারেণ নমসা তে জুহোমি মা দেবানাং মিথুয়া কর্ম ভাগম ॥ ৯৷ হৃদা পুতং মনসা জাতবেদো বিশ্বানি দেব বয়ুনানি বিদ্বান্। সপ্তাস্যানি তব জাতবেদস্তেভ্যো জুহোমি স জুষ হব্যম্ ॥ ১০

    বঙ্গানুবাদ –অগ্নিদেব ভূতসমূহের সাথে যুক্ত (বা প্রাণীসমূহের দ্বারা প্রণত) হয়ে থাকেন। সেই অগ্নিদেবকে সকল প্রাণী প্রাপ্ত হয়ে থাকে; এই রকমে আমার অভিলষিত ফলগুলি আমাকে প্রাপ্ত হোক ॥১॥

    পৃথিবী ধেনু, অগ্নি তার বৎস-স্বরূপ। সেই পৃথিবী অগ্নিরূপী বৎসের দ্বারা অন্ন, পুত্র, পশু ইত্যাদিতে শত বর্ষশালিনী আয়ু ইত্যাদি সকল কাম্য বস্তুসমূহ প্রদান করুক। সেই পৃথিবীর সকল অবদান আমাকে প্রাপ্ত হোক ॥ ২॥

    অন্তরিক্ষ লোকের অধিস্বামী রূপে অবস্থিত বায়ুর নিকটে সেই স্থানস্থায়ী যক্ষ, গন্ধর্ব ইত্যাদি নিবাসকারীগণ একত্রে প্রণত হয়ে থাকে এবং তাদের দ্বারা বায়ুও সমৃদ্ধি লাভ করে থাকেন; তেমনই সমৃদ্ধি আমাকে প্রাপ্ত হোক ॥ ৩॥

    অন্তরিক্ষ লোক ঈপ্সিত ফলদায়ক হওয়ার কারণে পয়স্বিনী ধেনুর ন্যায় হয়ে থাকে, এবং বায়ু তার বৎস-স্বরূপ। সেই অন্তরিক্ষ আপন বায়ুরূপী বৎসের দ্বারা অন্ন, অন্ন-রস, পুত্র, পশু, শতায়ু প্রজা ইত্যাদিকে পুষ্টির দ্বারা ঈপ্সিত বস্তুসমূহ প্রদান করুক। সেই অন্তরিক্ষের সকল অবদান আমাকে প্রাপ্ত হোক। ৪।

    যেমন সূর্যমণ্ডলের নিবাসীগণ, সূর্যের সম্মুখে নত হয়ে থাকে এবং সেই সূর্য সেই দুলোকে বাসকারীগণের সাথেই প্রবৃদ্ধ হয়ে থাকেন। তাদেরই মতো ঈপ্সিত ফলগুলি আমার দিকে নত হোক ॥ ৫॥

    অভিলষিত ফল প্রদানের কারণে আকাশ (অর্থাৎ দ্যুলোক) ধেনু এবং সূর্য তার বৎস-স্বরূপ। এই আকাশ আপন সূর্যরূপী বৎসের দ্বারা অন্ন, বল,পুত্র, পশু, শতবর্ষের আয়ু ইত্যাদি সকল ঈপ্সিত বস্তুসমূহ প্রদান করুক। সেই দ্যুলোকের সকল অবদান আমাকে প্রাপ্ত হোক ॥ ৬

    পূর্ব ইত্যাদি দিমূহের প্রাণীগণ তাদের অধিস্বামীরূপে স্থিত চন্দ্ৰমার দ্বারা প্রসন্ন হয়ে প্রণত হয়ে থাকে, এবং চন্দ্রমা তাদের দ্বারা সম্পন্ন প্রাপ্ত হয়ে থাকেন। আমি সেই রকম সম্পন্ন প্রাপ্ত হবো। ৭।

    দিমূহ ঈপ্সিত ফলদায়ক হওয়ার কারণে ধেনুস্বরূপ এবং চন্দ্রমা তার বৎস। সেই দিকরূপা গাভী আপন চন্দ্ররূপী বৎসের দ্বারা অন্ন, অন্ন-রস, পুত্র, পশু, শতবর্ষের আয়ু ইত্যাদি দান পূর্বক আমার চ বৃদ্ধি সাধিত করুন। সেই দিকসমূহের সকল অবদান আমাকে প্রাপ্ত হোক ॥ ৮

    মন্ত্রের শক্তির প্রভাবে অগ্নিদেব অঙ্গার রূপে স্থিত আহ্বানীয় অগ্নির মধ্যে বাস করে থাকেন। মন্ত্রদ্রষ্টা অথবা, অঙ্গিরা ইত্যাদির পুত্র। তিনি মিথ্যাপবাদ হতে রক্ষা করে থাকেন। এই হেন অগ্নির উদ্দেশে আমি হবিরম্ন প্রদান করছি। আমরা দেবতাদের প্রাপ্য ভাগকে করবো না (অর্থাৎ সত্য বলে স্বীকার করবো) ॥ ৯।

    হে অগ্নিদেব! তুমি জাতবেদা, অর্থাৎ সকল প্রাণীজাতের জ্ঞাতা, দান ইত্যদি গুণসমূহের সাথে যুক্ত; তোমার মুখবিবরে সপ্তসংখ্যক জিহ্বা (অগ্নি সপ্তার্চি) বর্তমান। আমি সেই সপ্ত-জ্বিহা সমম্বিত মুখকে উন্মুক্ত করণের নিমিত্ত শুদ্ধান্তঃকরণে পূর্ণাহুতি প্রদান করছি।১০৷৷

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –পৃথিব্যাং অগ্নয়ে ইতি সূক্তেন সর্বসংপতকামঃ মান্ত্রবর্ণিকীঃ পৃথিব্যাদ্যা দেবতা যজত উপতিষ্ঠতে বা। সূত্রিতং হি।…ইত্যাদি। (৪কা, ৮অ. ৪সূ)।

    টীকা –সর্ব সম্পৎকামী জন এই সূক্তের দ্বারা পৃথিবী ইত্যাদি দেবতার উদ্দেশে যজন-যাজন করবেন।..ইত্যাদি ॥ (৪কা. ৮অ. ৪সূ)।

    .

    পঞ্চম সূক্ত : শত্রুনাশনম

    [ঋষি : শুক্র। দেবতা : জাতবেদা প্রভৃতি। ছন্দ : ত্রিষ্টুপ, জগতী]

    যে পুরস্তাজুহুতি জাতবেদঃ প্রাচ্যা দিশোহভিদাসন্ত্যম্মা। অগ্নিমৃত্ব তে পরাঞ্চো ব্যথন্তাং প্রত্যগেনা প্রতিসরেণ হন্মি ॥১॥ যে দক্ষিণতো জুহুতি জাতবেদো দক্ষিণায়া দিশোহভিদাসন্ত্যম্মান। যমমৃত্ব তে পরাঞ্চো ব্যথাং প্রত্যগেনা প্রতিসরেণ হন্মি ॥ ২॥ যে পশ্চাজুহুতি জাতবেদঃ প্রতীচ্যা দিশোহভিদাসন্ত্যম্মান। বরুণমৃত্ব তে পরাঞ্চো ব্যথাং প্রত্যাগেনা প্রতিসরেণ হন্মি ॥ ৩॥ য উত্তরতো জুহুতি জাবেদ উদীচ্যা দিশোহভিদাসত্যম্মান। সোমমৃত্বা তে পরাঞ্চো ব্যথাং প্রত্যগেনান প্রতিসরেণ হন্মি ॥৪॥ যেহধস্তাজুহুতি জাতবেদো ধ্ৰুবায়া দিশোহভিদাসন্ত্যম্মা। ভূমিমৃত্ব তে পরাঞ্চো ব্যথন্তাং প্রত্যগেনান প্রতিসরেণ হন্মি ॥ ৫॥ যেহন্তরিক্ষাঙ্কুতি জাতবেদো ব্যধ্বয়া দিশোহভিদাসন্ত্যম্মা। বায়ুমৃত্ব তে পরাঞ্চো ব্যথাং প্রত্যগেনা প্রতিসরেণ হন্মি ৷ ৬ ৷৷ য উপরিষ্টাহুতি জাবেদ ঊর্ধ্বায়া দিশোহভিদাসন্ত্যম্মান। সূর্যমৃত্ব তে পরাঞ্চো ব্যথাং প্রত্যগেনা প্রতিসরেণ হন্মি ॥৭॥ যে দিশামন্তর্দেশেভ্যো জুহুতি জাতবেদঃ সর্বাভ্যো দিগভ্যোহভিদাসন্ত্যম্মান। ব্ৰহ্মর্ধা তে পরাঞ্চো ব্যথাং প্রত্যগেনা প্রতিসরেণ হন্মি ॥ ৮

    বঙ্গানুবাদ –হে অগ্নি! তুমি উৎপন্ন প্রাণীসমূহের জ্ঞাতা (জাবেদা)। যে শত্রু অভিচার কর্মের দ্বারা পূর্ব দিক্ হতে আমাদের বিনাশ করতে ইচ্ছা করে, সেই শত্ৰু ঐ দিক্-অধিপতি অগ্নির নিকট গমন পূর্বক ভস্ম হয়ে যাক। আমি এই সকল অভিচার কর্মশালী শত্রুগণকে এই প্রতিসর (শোধক মন্ত্র সমন্বিত) কর্মের দ্বারা নাশ করছি।১৷

    হে অগ্নি! যে শত্রু অভিচার কর্মের দ্বারা দক্ষিণ দিক হতে আমাদের ক্ষীণ করতে ইচ্ছা করে, সেই শত্ৰু ঐ দিক্-অধিপতি যমের নিকট গমন পূর্বক সন্তাপিত হোক। আমি এইসকল অভিচার কর্মশালী শত্রুগণকে প্রতিসর কর্মের দ্বারা, নাশ করছি। ২।

    হে অগ্নি! তুমি উৎপন্ন প্রাণীসমূহে জ্ঞাতা। যে শত্রু পশ্চিম দিক্ হতে অভিচার কর্মের দ্বারা আমাদের নাশ করতে ইচ্ছা করে, তারা সেই দিকের অধিস্বামী বরুণের নিকট গমন পূর্বক ব্যথা-প্রাপ্ত হোক। আমি এই সকল অভিচার করণশালী শত্রুগণকে প্রতিসর কর্মের দ্বারা বিনাশ করছি ৷ ৩৷৷

    হে অগ্নি! যে শত্ৰু উত্তর দিক হতে অভিচার কর্মের দ্বারা আমাদের নাশ করতে আকাঙ্ক্ষা করে, তারা সেই দিকের অধিস্বামী সোমের নিকট গমন পূর্বক ব্যথিত হোক, এবং আমাদের নিকট হতে প্রত্যাবর্তন করুক। আমি এই সকল অভিচার কর্মকারী, শত্রুগণকে প্রতিসর কর্মের দ্বারা বিনাশ করছি৷৷ ৪

    হে অগ্নি! তুমি জামাত্র প্রাণীগণের জ্ঞাতা। যে শত্ৰু নিম্ন দিক হতে অভিচার কর্মের দ্বারা আমাদের হনন করতে ইচ্ছা করে, তারা সেই দিকের অধিদেবতা পৃথিবীর নিকটে উপস্থিত হয়ে ব্যথায় জর্জরিত হোক। আমি সেই সকল শত্রুগণকে প্রতিসর কর্মের দ্বারা নিবীর্য করে দিচ্ছি। ৫

    হে অগ্নি! দ্যাবাপৃথিবীর মধ্যস্থানবর্তী অন্তরিক্ষ লোকের দিক হতে যে শত্রু অভিচার কর্ম সাধনের দ্বারা আমাদের বিনাশ করতে ইচ্ছুক হয়, সেই শত্রু সেই দিকের অধিস্বামী বায়ুদেবতার নিকট সমুপস্থিত হয়ে ব্যথাপ্রাপ্ত হোক এবং আমাদের নিকট হতে দূরে গমন। করুক। আমি সেই সকল শত্রুগণকে প্রতিসর কর্মের দ্বারা বিনাশ করে দিচ্ছি। ৬৷৷

    হে অগ্নি! যে শত্রু ঊর্ধ্ব দিকস্থ দ্যুলোক হতে অভিচার কর্মের দ্বারা আমাদের বধ করতে ইচ্ছা করে, সেই শত্রু সেই দিকের অধিস্বামী সূর্যের নিকটে গমন পূর্বক যন্ত্রণা লাভ করুক এবং আমাদের নিকট হতে দূরে গমন করুক। আমি সেই সকল অভিচার কর্মকারী: শত্রুগণকে প্রতিসর কর্মের দ্বারা বিনাশ করছি। ৭।

    হে অগ্নি! পূর্ব ইত্যাদি দিক সমূহের অন্তরালবর্তী স্থান হতে অভিচার কর্মের দ্বারা আমাদের ক্ষীণ করে থাকে, তারা সকলে শক্তিহীন হয়ে যাক এবং আমাদের দিক হতে বিমুখ (বা পরাজুখ) হয়ে সকলকে বশীভূত করণশালী পরব্রহ্মের নিকট গমন পূর্বক ব্যথাগ্রস্ত হোক। আমি সেই সকল শবর্গকে প্রতিসর কর্মের দ্বারা বিনাশ করছি। ৮।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –যে পুরস্তাৎ ইতি সূক্তস্য দুষ্যা দুষিরসি (২/১১) যে পুরস্তাৎ (৪/৪০) ঈশানাং ত্বা (৪/১৭) ইত্যাদিকৃত্যাপ্রতিহরণগণে (কৌ. ৫/৩) পাঠাৎ কৃত্যানিৰ্হরণকর্মণি শান্ত্যদকাদৌ বিনিয়োগঃ ॥ (৪কা, ৮অ. ৫সূ)।

    টীকা –এই সূক্তটি এবং দ্বিতীয় কাণ্ডের তৃতীয় অনুবাকের প্রথম সূক্ত ও চতুর্থ কাণ্ডের চতুর্থ অনুবাকের দ্বিতীয় সূক্ত ইত্যাদি কৃত্যাপ্রতিহরণগণে পঠিত কৃত্যা-নিবারণ কর্মে ও শান্তু্যদক কর্মে বিনিয়োগ হয়।(৪কা. ৮অ.৫সূ)।

    [ইতি চতুর্থং কাণ্ডং সমাপ্তম]

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহারুকি মুরাকামির শ্রেষ্ঠ গল্প – অনুবাদ : দিলওয়ার হাসান
    Next Article শ্যামাপ্রসাদ : বঙ্গবিভাগ ও পশ্চিমবঙ্গ – দীনেশচন্দ্র সিংহ
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }