Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অথর্ববেদ সংহিতা (সম্পাদনা : দিলীপ মুখোপাধ্যায়)

    দিলীপ মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1733 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৬।০৪ ষষ্ঠ কাণ্ড : চতুর্থ অনুবাক

    চতুর্থ অনুবাক
    প্রথম সূক্ত : যাতুধানক্ষয়ণম
    [ঋষি : চাতন ও অথর্বা। দেবতা : অগ্নি, রুদ্র, মিত্রাবরুণ। ছন্দ : ত্রিষ্টুপ, পংক্তি ]

    অন্তর্জাবে জুহুতা স্বেহতদ যাতুধানক্ষয়ণং ঘৃতেন। আরা রক্ষাংসি প্রতি দহ ত্বমগ্নে ন নো গৃহাণামুপ তীতপাসি ॥ ১।. রুদ্ৰো বো গ্রীবা অশরৈৎ পিশাচাঃ পৃষ্টীবোহপি শৃণাতু যাতুধানাঃ। বীরুদ বো বিশ্বততীর্ষা যমেন সমজীগমৎ ॥ ২॥ অভয়ং মিত্রাবরুণাবিহা নোহর্টিষাত্রিণো নুদতং প্রতীচঃ। মা জ্ঞাতারং মা প্রতিষ্ঠাং বিদন্ত মিথো বিঘ্ননা উপ যন্তু মৃত্যুম্ ॥ ৩৷৷

    বঙ্গানুবাদ –হে ঋত্বিকবৃন্দ! যাতুধানদের (রোগের কীটানুরূপ রাক্ষসগণের) বিনাশ করণশালী হব্যকে ঘৃতের সাথে এই অগ্নিতে উত্তম প্রকারে আহুতি দান করো। হে অগ্নি! এই উপদ্রবীদের ভস্ম করে আমাদের গৃহসমূহকে সন্তাপ হতে রক্ষা করো ॥১॥

    হে যাতুনরূপী পিশাচগণ (মাংসখাদকগণ)! তোমাদের পঞ্জরস্থ অস্থিসমূহকে রুদ্রদেব ছেদন করে ফেলুন। হে মাংসভক্ষী পিশাচগণ! রুদ্র দেবতা তোমাদের কণ্ঠসমূহকে ছেদন করে দিন। বীর্যময়ী ঔষধিসমূহও তোমাদের যম-প্রাপ্তি ঘটাক ২

    হে মিত্রাবরুণ! আমরা যেন নির্ভয় হয়ে এই দেশে থাকতে পারি। তোমরা এই মাংসভক্ষী রাক্ষসগুলিকে আমাদের নিকট হতে বিতাড়িত করে দাও। ওদের যেন কোন ভূমি এবং আশ্রয়দাতা না মেলে। ওরা পরস্পর বিহ্যমান হয়ে (অর্থাৎ হানাহানি করে) নষ্ট-ভ্রষ্ট হয়ে যাক। ৩।

    .

    দ্বিতীয় সূক্ত : ইন্দ্রস্তবঃ

    [ঋষি : জাটিকায়ন। দেবতা : ইন্দ্র। ছন্দ : গায়ত্রী, অনুষ্টুপ।]

    যস্যেদমা রজো যুজস্তুজে জনা বনং স্বঃ। ইন্দ্রস্য রত্যং বৃহৎ ॥১॥  নাধৃষ আ দধুষতে ধৃষাণো ধূষিতঃ শবঃ। পুরা যথা ব্যথিঃ শ্ৰৰ ইন্দ্রস্য নাবৃষে শবঃ ॥ ২॥ স নো দদাতু তাং রয়িমুরুং পিশঙ্গসংদৃশম্। ইন্দ্রঃ পতিস্তুবিষ্টমো জনেম্বা ॥ ৩॥

    বঙ্গানুবাদ— হে মনুষ্যগণ! যে ইন্দ্রের রঞ্জক-জ্যোতি শত্রু-হিংসার প্রেরণা জোগায়, তার সেই সেবনীয় তেজকে তোমরা গ্রহণ করো। ১৷৷

    সেই ইন্দ্ৰ অপরের দ্বারা তিরস্কৃত না হয়ে আপন তেজে শত্রুকে দমিত করে দেন। বৃত্রবধের সময়ে তার বলকে কেউ অবদমিত করতে পারেনি; সেই রকম আজও কারো দ্বারা অভিভূত হয়নি। ২৷৷

    সেই ইন্দ্র আমাদের পীতবর্ণের প্রভূত সুবর্ণ প্রদান করুন। সেই দেবতা, মনুষ্য ইত্যাদির অধিস্বামী, সকল রকমে শ্রেষ্ঠ ৷ ৩৷৷

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ— …তত্র আদ্যেন তৃচেন পিশাচরক্ষোজনিতভয়নিবৃত্তয়ে সূত্রোক্ত- প্রকারেণ অগ্নিং ত্রিঃ প্রদক্ষিণং কৃত্বা পুরোশং জুহুয়াৎ। সূত্রিতং হি।… যস্যেদমা রজঃ ইতি তৃচেন কৃষিকর্মণি ক্ষেত্ৰং গত্বা যুগলাঙ্গলং বতি।…ইত্যাদি৷৷ (৬কা. ৪অ. ১-২সূ)।

    টীকা— উপযুক্ত প্রথম সূক্তটির দ্বারা পিশাচ-রাক্ষস-জনিত ভয় নিবৃত্তির নিমিত্ত সূত্রোক্ত প্রকারে অগ্নিকে তিন বার প্রদক্ষিণ করে পুরোডাশ আহুতি দেওয়া কর্তব্য।…দ্বিতীয় সূক্তের দ্বারা কৃষিকর্মের উদ্দেশে ক্ষেত্রে গমন করে যুগল লাঙ্গল বন্ধন করণীয়।…ইত্যাদি। (৬কা. ৪অ. ১-২)।

    .

    তৃতীয় সূক্ত : শত্রুনাশনম্

    [ঋষি : চাতন। দেবতা : অগ্নি। ছন্দ : গায়ত্রী ]

    প্রাগ্নয়ে বাচমীরয় বৃষভায় ক্ষিতীনাম। স নঃ পর্ষদতি দ্বিষঃ ॥ ১৷৷ যো রক্ষাংসি নিজুর্বত্যগ্নিস্তিষ্মেন শোচিষা। স নঃ পদতি দ্বিষঃ ॥ ২॥ যঃ পরস্যাঃ পরাবতস্তিয়ো ধন্বতিয়োচতে। স নঃ পর্ষদতি দ্বিষঃ ॥ ৩৷৷ যো বিশ্বাভি বিপশ্যতি ডুবনা সং চ পশ্যতি। স নঃ পর্ষদতি দ্বিষঃ ॥ ৪৷৷ যো অস্য পারে রজসঃ শুক্রো অগ্নিরজায়ত। স নঃ পর্ষদতি দ্বিষঃ ॥ ৫॥

    বঙ্গানুবাদ –হে স্তোতা! ইচ্ছিত-বৰ্ষক (অর্থাৎ কামবর্ষণশীল), যাতুনবর্গের সংহারক, অগ্নিকে স্তুতি-করণশালী বাণীসমূহ উচ্চারণ করো। সেই অগ্নিদেবতা আমাদের রাক্ষস পিশাচ ইত্যাদি হতে মুক্ত করুন ৷৷ ১৷৷

    যে অগ্নি আপন তীক্ষ্ণ তেজের দ্বারা যাতুধানগণকে বিনাশ করেন, তিনি আমাদের শত্রুগণ হতে মুক্ত করুন। ২।

    যে অগ্নিদেব জল-বিহীন মরুভূমিতে রেতঃ-রূপে অধিক তীক্ষ্ণ হয়ে ওঠেন (অথবা যে অগ্নি অত্যন্ত দূরদেশ হতে জলবর্জিত দেশকে অন্তর্হিত করে অতিশয়রূপে দীপ্যমান হন), তিনি রাক্ষস, পিশাচ ও শত্রুগণ হতে আমাদের মুক্ত করুন ৷ ৩৷

    যে অগ্নিদেব জঠরাগ্নি ইত্যাদি অনেক রূপে দর্শন দান করেন এবং সূর্যরূপে সকল ভুবনকে প্রকাশ করেন, সেই অগ্নিদেব রাক্ষস, পিশাচ ও শত্রুগণ হতে আমাদের মুক্ত করুন। ৪।

    এই পৃথিবীর উপরস্থ অন্তরিক্ষলোকে যে সূর্যাত্মক অগ্নি প্রকট হয়ে থাকেন, সেই অগ্নিদেব আমাদের রাক্ষস, পিশাচ, শত্রু ইত্যাদি হতে মুক্ত করুন। ৫৷৷

    .

    চতুর্থ সূক্ত : বৈশ্বানরঃ

    [ঋষি : কৌশিক। দেবতা : বৈশ্বানর। ছন্দ : গায়ত্রী]

    বৈশ্বানররা ন উতয় আ প্র যাতু পরাবতঃ। অগ্নিঃ সুষ্ঠুতীরুপ। ১৷ বৈশ্বানররা ন আগমদিমং যজ্ঞং সজুরুপ। অগ্নিরুথেম্বংহসু ॥ ২॥ বৈশ্বানররাহঙ্গিরসাং স্তোমমুকথং চ চাকুপৎ। ঐষু দুম্নং স্বৰ্ষৰ্মৎ ॥ ৩

    বঙ্গানুবাদ— সকল মনুষ্যের হিতকরী (বৈশ্বানর) অগ্নিদেব দূর দেশ হতে আমাদের রক্ষার্থে। আগমন পূর্বক আমাদের সুন্দর স্তুতিগুলি শ্রবণ করুন ॥ ১৷

    সেই বৈশ্বানর অগ্নিদেব আমাদের সমীপে আগমন করে আমাদের স্তুতি রূপ উথ-মন্ত্রসমূহের দ্বারা প্রসন্ন হয়ে যজ্ঞে স্থিত হোন। ২৷৷

    বৈশ্বানর অগ্নিদেব অঙ্গিরা মহর্ষিগণের স্তোম ও শস্ত্র নামক স্তুতিকে সমর্থ করে, তাদের উজ্বল যশ ও অন্ন প্রাপ্ত হওয়ার বিধি রচনা করে, শোভন স্বর্গকে প্রাপ্তি করিয়ে দিয়েছেন ॥ ৩

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ— প্রাগ্নয়ে বাচং ইতি পঞ্চচেন রক্ষোগ্রহজনিতপীড়ানিবৃত্তয়ে সমিদাজ্যশম্বুল্যানি ত্রয়োদশ দ্রব্যাণি জুহুয়াৎ। সূত্রিতং হি। বৈশ্যানরো ন ঊতয় (৬৩৫) ঋতাবানং ই বৈশ্বানরং (৬।৩৬) ইতি তৃচাভ্যাং সর্বভৈষজ্যকর্মণি উদকহরিদ্রাসর্পিরাদিকপায়নদ্রব্যাণি অভিমন্ত্র ও পারয়েৎ।…ইত্যাদি। (৬কা. ৪অ. ৩-৪)৷

    টীকা –উপযুক্ত পঞ্চ-ঋক্ সমম্বিত (পঞ্চর্চেন) তৃতীয় সূক্তটির দ্বারা রাক্ষস গ্রহ জনিত পীড়া নিবৃত্তির উদ্দেশে সমিৎ, আজ্য, শম্বুলী ইত্যাদি ত্রয়োদশ সংখ্যক দ্রব্য আহুতি প্রদান করণীয়। চতুর্থ সূক্তটি ও তার পরবর্তী (৫ম) সূক্তটির দ্বারা সকল ভৈষজ্যকর্মে জল, হরিদ্রা ঘৃত ইত্যাদি দ্রব্যসমূহ অভিমন্ত্রিত করে ব্যাধিত জনকে খাওয়ানো কর্তব্য।..ইত্যাদি ॥ (৬কা. ৪অ, ৩-৪)।

    .

    পঞ্চম সূক্ত : বৈশ্বানরঃ

    [ঋষি : অথর্বা। দেবতা : অগ্নি। ছন্দ : গায়ত্রী ]

    ঋতাবানং বৈশ্বানরমৃতস্য জ্যোতিষম্পতি। অজস্রং ঘর্মমীমহে॥১॥ স বিশ্ব প্রতি চাপ ঋতৃংরুৎ সৃজতে বশী। যজ্ঞস্য বয়ঃ উত্তিরন্ ॥ ২॥ অগ্নিঃ পরে ধামসু কামো ভূতস্য ভব্যস্য। সম্রাডেকো বি রাজতি ॥ ৩৷৷

    বঙ্গানুবাদ –আমরা সেই বৈশ্বানর অগ্নির উপাসনা করছি, যিনি যজ্ঞানুষ্ঠাবান এবং যজ্ঞানুষ্ঠাত্মক জ্যোতির অধিপতি এবং সদৈব প্রকাশমান থাকেন। তার নিকট হতে আমরা উত্তম (ঈপ্সিত) ফল প্রার্থনা করছি ॥১।

    সকল প্রজাকে ফলদানশীল এই বৈশ্বানর অগ্নি দেবতাগণকে যজ্ঞাত্মক অন্ন প্রাপ্ত করাতে এবং সূর্য রূপে বসন্ত ইত্যাদি ঋতুসমূহকে রচনা করছেন ॥ ২॥

    একমাত্র অগ্নিই উত্তম স্থানসমূহের অধিস্বামী; তিনি উৎপাদিত ও উৎপাদ্যমান প্রাণীসমূহকে তাদের ঈপ্সিত ফল প্রদান করণের নিমিত্ত অধিক তেজস্বীরূপে প্রতিভাত হয়ে থাকেন ৷৩৷৷

    .

    ষষ্ঠ সূক্ত : শাপমোচনম

    [ঋষি : অথর্বা স্বস্ত্যয়নকামঃ। দেবতা : চন্দ্রমা। ছন্দ; অনুষ্টুপ]

    উপ প্রাগাৎ সহস্রাক্ষো যুক্তৃা শপথো রথ। শপ্তারমন্বিচ্ছন মম বৃক ইবাবিমতো গৃহম ॥১॥ পরিণো বৃষ্মি শপথ হ্রদমগিরিবা দহ। শপ্তারমত্র নো জহি দিবো বৃক্ষমিবাশনিঃ ॥ ২॥ যো নঃ শপাদশপতঃ শপতো যশ্চ নঃ শপাৎ। শুনে পেস্ট্রমিবাবক্ষামং তং প্রত্যস্যামি মৃত্যবে ॥ ৩

    বঙ্গানুবাদ –শাপক্রিয়ার কর্তা হয়ে সহস্রাক্ষ ইন্দ্র রথে আরোহিত হয়ে (বা অশ্ব সংযুক্ত করে) আমাদের নিকট আগমন করুন এবং আমাদের শাপ প্রদানশীল শত্রুর প্রতি সেই ভাবেই জিঘাংসু হয়ে উঠুন, যেভাবে মেষপালকের গৃহে অগমন করে বৃক (নেকড়ে বাঘ বা শৃগাল) তত্রত্য মেষগুলিকে হনন করে ॥১॥

    হে শপথ (শাপক্রিয়ার কর্তা)! তুমি বাধক হয়ো না, আমাদের পরিত্যাগ করো। যেমন পতনশীল বিদ্যুৎ বা বজ্র বৃক্ষকে ভস্ম করে, তেমনভাবেই তুমি আমাদের শাপ-প্রদানকারী শত্রুসমূহকে ভস্ম করে দাও। ২।

    আমরা শাপ প্রদান করি না, পরন্তু যে শত্রু আমাদের শাপ প্রদান করে বা কঠোর ভাষণ প্রয়োগ করে, এমন উভয়বিধ শত্রুকে কুকুরের সম্মুখে পিষ্টময় খাদ্যের (পিঠা বা রুটির) মতো মৃত্যুর মুখে নিক্ষেপ করো ॥৩॥

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ— ঋতাবানং বৈশ্বানরং ইতি তৃচস্য সর্বরোগভৈষজ্যকর্মণি পূর্বতৃচেন সহ উক্ত বিনিয়োগঃ…উপ প্রাগাৎ সহস্রাক্ষঃ ইতি তৃচেন অভিচারজনিত দোষনিবৃত্তয়ে অভিমন্ত্রিতায়াঃ শ্বেতমৃত্তিকায়াঃ শুনে প্রদানং সম্পাতিত্যাভিমন্ত্রিত-পালাশমণিপ্রদানং ইঙ্গিডহোমং সমিদাধানং বা কুর্যাৎ।…ইত্যাদি। (৬কা. ৪অ. ৫-৬)।

    টীকা –উপযুক্ত পঞ্চম সূক্তটির বিনিয়োগ পূর্ববর্তী (চতুর্থ) সূক্তের মতো সর্বভৈষজ্যকর্মে উক্ত হয়েছে। ষষ্ঠ সূক্তের দ্বারা অভিচারজনিত দোষ নিবৃত্তির নিমিত্ত শ্বেত মৃত্তিকা অভিমন্ত্রিত করে কুকুরকে প্রদেয়। সেইরকমে সম্পাতিত অভিমন্ত্রিত পালাশমণি প্রদান, ইঙ্গিড়হোম অথবা সমিদাধান করণীয়।… ইত্যাদি। মন্ত্রের মধ্যে সহস্রাক্ষো যুক্তবা শব্দদ্বয় দর্শন করে আচার্য সায়ণ ইন্দ্র-কে লক্ষ্য করেছেন। সেইমতো ব্যাখ্যাও করেছেন। কিন্তু এখানে সহস্রাক্ষ অর্থে যদি সহস্রাংশু ধরা যায়, তাহলে ইন্দ্রের পরিবর্তে সূর্যে লক্ষ্য আসে। আবার, অসংখ্য অংশুমান হিসেবে চন্দ্র-কেও লক্ষ্য করা যায়। সেই দিক থেকে, আমাদের মনে হয়, এই ষষ্ঠ সূক্তের শাপক্রিয়ার কর্তা-রূপ দেবতা চন্দ্রমা। এই সূক্তের উদ্দিষ্ট দেবতাও চন্দ্রমা। অবশ্য, এটি আমাদেরই ধৃষ্টতাজনিত ধারণা হতে পারে। (৬কা. ৪অ. ৫-৬সূ)।

    .

    সপ্তম সূক্ত : বৰ্চস্যম

    [ঋষি : অথর্বা (বৰ্চস্কামঃ)। দেবতা : ত্বিষি, বৃহস্পতি। ছন্দ : ত্রিষ্টুপ]

    সিংহে ব্যাঘ্র উত যা পৃদাকৌ ত্বিরিগ্নেী ব্রাহ্মণে সূর্যে যা। ইন্দ্রং যা দেবী সুভগা জজান সা ন ঐতু বৰ্চসা সংবিদানা ॥ ১৷৷ যা হস্তিনি দ্বীপিনি যা হিরণ্যে ত্বিষিরল্স গোষু যা পুরুষেষু। ইন্দ্রং যা দেবী সুভগা জজান সা ন ঐতু বৰ্চস্য সংবিদানা ॥ ২॥ রথে অক্ষেভৃষভস্য বাজে বাতে পর্জন্যে বরুণস্য শুষ্মে। ইন্দ্রং যা দেবী সুভগা জজান সা ন ঐতু বচসা সংবিদানা ॥ ৩॥ রাজন্যে দুন্দুভাবায়তায়ামশ্বস্য বাজে পুরুষস্য মায়ৌ। ইন্দ্ৰং-যা দেবী সুভগা জজানসা ন ঐতু বচসা সংবিদানা ॥ ৪৷৷

    বঙ্গানুবাদ –সিংহ, ব্যাঘ্রে ও সর্পের মধ্যে যে আক্রমণাত্মক তেজ (ত্বিষি অর্থাৎ দীপ্তি বা কান্তি) আছে, অগ্নির মধ্যে যে দাহরূপ তেজ আছে, ব্রাহ্মণের মধ্যে যে শাপরূপ তেজ আছে, সূর্যের মধ্যে যে তাপরূপ তেজ আছে, সেই সকল তেজের দ্বারাই ইন্দ্র প্রকট হয়েছেন। সেই তেজোরূপা সৌভাগ্যময়ী দেবী আমাদের অভীপ্সিত তেজের সাথে মিলিত হয়ে প্রাপ্ত হোন ॥১॥

    হস্তীতে বলোকরূপে; ব্যাঘ্ৰেতে হিংসনরূপে; স্বর্ণেতে বর্ণোকর্ষরূপে এবং জল, গাভী ও পুরুষে তাদের সাধারণরূপ যে তেজ (ত্বিষি অর্থাৎ দীপ্তি বা কান্তি) আছে, সেগুলির দ্বারাই সৌভাগ্যযুক্তা (ত্বিষ্যাত্মিকা) দেবী ইন্দ্রকে উৎপন্ন করেছেন। সেই তেজোরূপা দেবী আমাদের অভীপ্সিত তেজের সাথে মিলিত হয়ে প্রাপ্ত হোন ॥ ২॥

    বর্ষা কারক মেঘে, গমন-সাধন-রূপ রথে, সেচনসামর্থযুক্ত বৃষে, দ্রুত বেগশালী বায়ু ও মেঘের অধিপতি বরুণের মধ্যে যে তেজ বা দীপ্তি আছে, সেগুলির দ্বারাই সৌভাগ্যযুক্তা দীপ্তিময়ী দেবী ইন্দ্রকে উৎপন্ন করেছেন। সেই তেজোরূপা দেবী আমাদের অভীপ্সিত তেজের সাথে মিলিত হয়ে প্রাপ্ত হোন ॥৩৷৷

    রাজপুত্রের অভিষেকে বাদিত দুন্দুভিতে, অশ্বের শীঘ্র গমনে ও পুরুষের উচ্চ রবের মধ্যে যে তেজ আছে, এবং এই যে তেজগুলির দ্বারাই যে সৌভাগ্যযুক্তা দেবী ইন্দ্রকে উৎপন্ন করেছেন, সেই তেজোরূপা দেবী আমাদের অভীপ্সিত তেজের সাথে মিলিত হয়ে প্রাপ্ত হোন ৪

    .

    অষ্টম সূক্ত : বৰ্চস্যম

    [ঋষি : অথর্বা (বচস্কামঃ)। দেবতা : বৃহস্পতি, ইন্দ্র, অগ্নি ইত্যাদি। ছন্দ : জগতী, ত্রিষ্টুপ]

    যশো হবিবর্ধতমিজুতং সহস্রবীর্যং সুভূতং সহস্কৃতম। প্রসম্রাণমনু দীর্ঘায় চক্ষুসে হবিষ্মন্তং মা বর্ধয় জ্যেষ্ঠতাতয়ে ॥ ১৷ অচ্ছা ন ইন্দ্রং যশসং যশোভির্যশস্বিনং নমসানা বিধেম। স নো রাস্ব রাষ্ট্রমিজুতং তস্য তে রাতৌ যশসঃ স্যাম ॥২৷৷ যশা ইন্দ্রো যশা অগ্নির্যশাঃ সোমো অজায়ত। যশা বিশ্বস্য ভূতস্যাহস্মি যশস্তমঃ ॥ ৩৷৷

    বঙ্গানুবাদ –আমাদের দ্বারা ইন্দ্রকে প্রদানশালিনী অত্যন্ত শক্তিময়ী, বলদায়িনী, পরাভবকারিণী, যশোদাত্রী হবিঃ বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হোক। হে ইন্দ্রদেব! সেই হবিঃ বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হওয়ার পরে আমা হেন হবিযুক্ত যজমানকে চিরকাল বৃদ্ধিসম্পন্ন করে রাখো ॥১॥

    যশোদাতা ইন্দ্র আমাদের সম্মুখে বর্তমান; আমরা তাঁকে নমস্কার ইত্যাদির দ্বারা পরিচর্যা করবো। হে ইন্দ্র! সেই হেন তোমার প্রদত্ত রাজ্য প্রাপ্ত হয়ে আমরা যশস্বী হয়ে থাকি। ২।

    ইন্দ্র, অগ্নি ও সোম যশ প্রাপ্তির আকাঙ্ক্ষা করে উৎপন্ন (সৃষ্ট) হয়েছেন। এঁদের যশস্বী হওয়ার ন্যায় আমি হেন যশের কামনাশালীও দেবতা ও মনুষ্য ইত্যাদি জীবসমূহের মধ্যে সর্বাধিক যশস্বী হবো ৷৩৷৷

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –সিংহে ব্যাঘ্রে যশো হবিঃ ইতি তুচাভ্যাং বৰ্চস্কামঃ স্নাতক সিংহব্যাঘ্ৰাদীনাং সূত্ৰোক্তানাং সপ্তানাং অন্যতমস্য নাভিলোমমণিং লাক্ষাহিরণ্যাভ্যাং বেষ্টায়ত্ব সম্পত্য।  অভিমন্ত্র বধীয়াৎ। তথা আভ্যামেব তৃচাভ্যাং পালাশাদিদশশান্তবৃক্ষশকলনির্মিতমণিং লাক্ষাহিরণ্যবেষ্টিতং, সম্পাত্য অভিমন্ত্র বচস্কামো বর্ধীয়াৎ সূত্রিতং হি। … তথা উৎসর্জনাখ্যে কর্মণি আভ্যাং তৃচাভ্যাং আজ্যং হুত্বা রসেষু সম্পাতা আনয়েৎ। সূত্রিতং হি।…ইত্যাদি। (৬কা. ৪অ. ৭-৮)।

    টীকা –উপযুক্ত সূক্তদ্বয়ের দ্বারা তেজস্কামী জন সূত্রোক্ত স্নাতক, সিংহ, ব্যাঘ্র ইত্যাদির মধ্যে যে কোনও একটির নাভিলোম-মণি লাক্ষা ও হিরণ্যের সাথে বেষ্টন পূর্বক অভিমন্ত্রিত করে ধারণীয়। তথা এই দুই সূক্তের দ্বারাই পালাশ ইত্যাদি দশ-শান্ত বৃক্ষখণ্ডে নির্মিত মণি ঐভাবে বচস্কামী জনকে ধারণ করানো কর্তব্য। তথা উৎসর্জন নামে আখ্যাত কর্মে ঐ সূক্তদ্বয়ের দ্বারা আজ্য আহুত করণীয়।…ইত্যাদি৷৷ (৬কা. ৪অ. ৭-৮)।

    .

    নবম সূক্ত : অভয়ম

    [ঋষি : অথর্বা (অভয়কামঃ), অথর্বা (স্বস্ত্যয়নকামঃ)। দেবতা : দ্যাবাপৃথিবী, চন্দ্রমা, সবিতা, সপ্তঋষিসমুদায়, ইন্দ্র। ছন্দ : জগতী, অনুষ্টুপ ]

    অভয়ং দ্যাবাপৃথিবী ইহাস্তু নোহভয়ং সোমঃ সবিতা নঃ কৃপোতু।, অভয়ং নোহবন্তরিক্ষং সপ্তঋষীণাং চ হবিষাভয়ং নো অস্তু। ১। অস্মৈ গ্ৰামায় প্রদিশশ্চত ঊর্জং সুভূতং স্বস্তি সবিতা নঃ কৃণোতু। অশত্ৰিন্দ্রো অভয়ং নঃ কৃপোত্বনা রাজ্ঞামভি যাতু মনুঃ ॥ ২॥ অনমিত্রং নো অধরাদনমিত্রং ন উত্তরাৎ। ইন্দ্রানমিত্রং নঃ পশ্চাদনমিত্রং পুরস্কৃধি ॥ ৩॥

    বঙ্গানুবাদ –হে দাবা ও পৃথিবী! তোমাদের কৃপায় আমরা নির্ভয় হয়ে আছি। চন্দ্রমা, সূর্য এবং আকাশ ও পৃথিবীর মধ্যস্থিত অন্তরিক্ষ আমাদের অভয় প্রদান করুক। সপ্ত-ঋষিগণের (অর্থাৎ-বিশ্বামিত্র, জমদগ্নি, ভরদ্বাজ, গৌতম, অত্রি, বসিষ্ঠ ও কশ্যপের) প্রাপ্তব্য হবিও আমাদের অভয় প্রদান করুক ॥১॥

    হে সবিতা! আমাদের অধ্যুষিত গ্রামের চতুর্দিকে প্রভূত অন্ন উৎপন্ন হোক। আমাদের এই স্থানে সদা মঙ্গল বিরাজিত থাকুক। ইন্দ্রদেব আমাদের শত্রুভয় হতে মুক্ত রাখুন। তার (অর্থাৎ ইন্দ্রের) কৃপায় আমাদের নিকট হতে রাজরোষ বহু দূরে গমন করুক ॥ ২॥

    হে ইন্দ্র! দক্ষিণদিক শত্রুরহিত করো, আমাদের উত্তর দিক শক্তহীন করো, আমাদের পশ্চিম দিক শত্রুশূন্য করো, এবং আমাদের পূর্ব দিক শত্ৰুবর্জিত করে দাও ॥ ৩৷৷

    .

    দশম সূক্ত : দীর্ঘায়ুপ্রাপ্তি:

    [ঋষি : ব্রহ্মা। দেবতা : চন্দ্রমা, সরস্বতী, মন ইত্যাদি দৈব্য ঋষিগণ। ছন্দ : অনুষ্টপ, ত্রিষ্টুপ]

    মনসে চেতসে ধিয় আক্তয় উত চিত্তয়ে। মত্যৈ শ্রুতায় চক্ষসে বিধেম হবিষা বয়ম্ ॥ ১। অপানায় ব্যানায় প্রাণায় ভূরিধায়সে। সরস্বত্যা উরুব্যচে বিধেম হবিষা বয়ম্ ॥ ২॥ মা নো হাসিমুঋষয়গা দৈব্যা যে তনূপা যে নস্তন্বন্তজাঃ। অমর্তা মর্তী অভি নঃ সচধ্বমায়ুৰ্ধত্ত প্রতরং জীবসে নঃ ॥ ৩৷৷

    বঙ্গানুবাদ –সুখ ইত্যাদিকে প্রত্যক্ষ-করণশালী মনের নিমিত্ত, জ্ঞানসাধন চেতনার নিমিত্ত, ধ্যান-সাধন বুদ্ধির নিমিত্ত, স্তুতি-সাধন মতির নিমিত্ত, জ্ঞানরূপ শ্রুতির নিমিত্ত এবং চাক্ষুষ জ্ঞানরূপ দর্শন শক্তির নিমিত্ত আমরা হব্য ইত্যাদির দ্বারা ইন্দ্রের পূজন (বা পরিচর্যা) করছি ॥১॥

    মুখ ও নাসিকার দ্বারা বহির্বিনির্গত বায়ুর পুনরায় অন্তঃপ্রবেশরূপ অপাননব্যাপারকে, ঊর্ধ্ব ও অধোবৃত্তি পরিত্যাগের দ্বারা বায়ুর অবস্থানরূপ ব্যানব্যাপারকে ও শরীরস্থ প্রাণবায়ুকে মুখনাসিকার দ্বারা বহির্বিনির্গমনরূপ প্রাণনব্যাপারকে তথা প্রাণাপান ইত্যাদি বহুর ধারক মুখ্য প্রাণকে এবং সরস্বতী দেবীকে আমরা হব্য ইত্যাদির দ্বারা সেবা করছি৷৷ ২৷৷

    প্রাণাধিদেব সপ্ত ঋষি আমাদের শরীরের রক্ষক হোন, তারা ইন্দ্রিয়রূপে উৎপন্ন হয়েছেন। তারা যেন আমাদের ত্যাগ না করেন। হে অবিনাশী দেবগণ। তোমরা আমাদের মধ্যে দীর্ঘ আয়ুর স্থাপনা করো ৷৩৷

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –অভয়ং দ্যাবাপৃথিবী ইতি তৃচেন গ্রামাদ্যভয়কামঃ তস্যৈব প্রতিদিশং সপ্তর্ষী যজতে উপতিষ্ঠতে বা। সূত্রিতং হি…তথা সেনাভয়-নিবৃত্ত্যর্থং তস্যা প্রতিদিশং সপ্তর্ষীণাং যাগং উপস্থানং বা কুর্যাৎ…মনসে চেতসে ধিয়ে  ইতি তৃচেন গোদানাখ্যে সংস্কারকর্মণি মহাব্রীহিময়ং স্থালীপাকং শান্তুদকেন অভক্ষ্য অভিমন্ত্র আয়ুষ্কামং মাণবকং প্রাশয়েৎ। সূত্রিতং হি..ইত্যাদি ॥ (৬কা, ৪অ. ৯-১০)৷৷ টীকা –উপযুক্ত নবম সূক্তের দ্বারা গ্রাম ইত্যাদির অভয় কামনা পূর্বক তার চতুর্দিকে সপ্তর্ষির উদ্দেশে যাগ বা উপাসনা করণীয়। তথা সেনাভয় নিবৃত্তির নিমিত্তও প্রতি দিকে ঐরকম যাগ বা উপস্থান করণীয়। দশম সুক্তটির দ্বারা গোদান নামে আখ্যাত সংস্কার কর্মে মহাব্রীহিময় স্থালীপাক শান্তু্যদকের দ্বারা অভক্ষণ ও অভিমন্ত্রিত করে আয়ুষ্কামী মানবককে খাওয়ানো কর্তব্য। (৬কা. ৪অ. ৯-১০)।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহারুকি মুরাকামির শ্রেষ্ঠ গল্প – অনুবাদ : দিলওয়ার হাসান
    Next Article শ্যামাপ্রসাদ : বঙ্গবিভাগ ও পশ্চিমবঙ্গ – দীনেশচন্দ্র সিংহ
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }