Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অথর্ববেদ সংহিতা (সম্পাদনা : দিলীপ মুখোপাধ্যায়)

    দিলীপ মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1733 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৬।১১ ষষ্ঠ কাণ্ড : একাদশ অনুবাক

    একাদশ অনুবাক
    প্রথম
     সূক্ত : শত্রুনাশনম্
     [ঋষি : উচ্ছোচন। দেবতা : ইন্দ্রাগ্নী, বৃহস্পতি ইত্যাদি। ছন্দ : অনুষ্টুপ ]

    সংদানং বো বৃহস্পতিঃ সংদানং সবিতা করৎ। সংদানং মিত্রো অর্যমা সংদানং ভগো অশ্বিনা ॥১॥ সং পরমান্তসমবমানঘো সং দামি মধ্যমান। ইন্দ্ৰস্তা পর্ষদা তানগ্নে সং দ্যা ত্বম্ ॥ ২॥ অমী যে যুধমায়ন্তি কে কৃত্বানীকশঃ। ইন্দ্ৰস্তান্ পর্যহার্দাম্না তানগ্নে সং দ্যা ত্বম্ ॥ ৩॥

    বঙ্গানুবাদ –হে শত্রুসেনাবর্গ! বৃহস্পতি, সবিতাদেব, মিত্র, অৰ্মা, ভগ ও অশ্বিনীকুমারদ্বয় তোমাদের এই বিস্তৃত পাশ-বন্ধনে পাতিত করুন ॥১॥

    আমি দূরস্থ বা পার্শ্বস্থ শত্রুসেনাকে দৃঢ়ভাবে পাশবদ্ধ করছি। আমি শ্রেষ্ঠ বা নিকৃষ্ট এবং মধ্যবর্তী শত্রুসেনাকেও পাশের দ্বারা দৃঢ়ভাবে বন্ধন করছি। হে ইন্দ্র! এই সেনাপতিগণকে পৃথক করে দাও। হে অগ্নি! এই শত্রুগণকে পাশ-বন্ধনে আবদ্ধ করো ॥ ২॥

    ঐ দলবদ্ধ হয়ে আগুয়ান শত্রুগণকে ইন্দ্র দূরে বিতাড়িত করুন। তারা ধ্বজা উড্ডয়ন করে যুদ্ধের উদ্দেশে আগমন করছে, দেখা যাচ্ছে। হে অগ্নি! তুমি তাদের দৃঢ়ভাবে (কষে) বন্ধন করে ফেলো ॥ ৩ ৷৷

    .

    দ্বিতীয় সূক্ত : শত্রুনাশনম

    [ঋষি : প্রশোচন। দেবতা : ইন্দ্রাগ্নী, সোম ইত্যাদি ছন্দ : অনুষ্টুপ।]

    আদানেন সংদানেমিত্রানা দ্যামসি। অপানা যে চৈষাং প্রাণা অসুনাসূন্তসমচ্ছিদ ১ ইদমাদানমকরং তপসেন্দ্রেণ সংশিত। অমিত্রা যেহত্র নঃ সন্তি নগ্ন আ দ্যা ত্বম ॥ ২॥ ঐনাম দ্যতামিন্দ্রাগ্নী সোমমা রাজা চ মেদিনে। ইন্দ্রো মরুত্বানাদানমমিত্রেভ্যঃ কৃণোতু নঃ ॥ ৩৷৷

    বঙ্গানুবাদ –আমরা ঐ শত্রুগণকে আদান ও সংদান নামক পাশের দ্বারা দৃঢ়ভাবে বন্ধন করছি। আমি তাদের প্রাণ ও অপান বায়ুকে জীবন হতে পৃথক করে দিচ্ছি। ১৷

    বন্ধন-সাধন এই পাশকে আমরা অভিচার-কর্মের নিয়মে সিদ্ধ করে নিয়েছি; ইন্দ্র তাকে (অর্থাৎ সেই পাশকে) তীক্ষ্ণ করে দিয়েছেন। হে অগ্নি! আমাদের এই যুদ্ধে শত্রুগণকে পাশে বন্ধন-যুক্ত করো। ২।

    আমাদের প্রদত্ত হবিঃ-সমূহের দ্বারা প্রসন্ন হয়ে ইন্দ্রাগ্নী (ইন্দ্র ও অগ্নি) আমাদের শত্রুগণকে বন্ধন-যুক্ত করুন। সোমদেব ও মরুৎ-বর্গের সাথে মিলিত হয়ে ইন্দ্রদেব আমাদের শত্রুগণকে পাশে বন্ধন করুন ৷ ৩৷৷

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –অত্র সন্দানং বঃ আদানেন ইতি তৃচাভ্যাং সংগ্রামজয়কর্মণি ভাঙ্গপাশান অন্যান্ বা ইঙ্গিড়ালঙ্কৃতান্ পাশা সম্পত্য অভিমন্ত্র পরসেনাক্রমণস্থানেষু প্রক্ষিপেৎ।….হি সূত্রং। (৬কা, ১১অ. ১-২সূ)।

    টীকা –উপযুক্ত প্রথম ও দ্বিতীয় সূক্তের মন্ত্রগুলি সংগ্রাম-জয়কর্মে বিনিযুক্ত হয়ে থাকে। এই ৭ bন মন্ত্রগুলির দ্বারা ভাঙ্গপাশ বা ইঙ্গিড়ালস্কৃত পাশ অভিমন্ত্রিত করে শত্রুসেনার আক্রমণ স্থানে প্রক্ষিপ্ত করণীয়। এর সন্দান, আদান এগুলির প্রকৃত অর্থ বন্ধন-এখানে এগুলি পাশের নামরূপে ব্যবহৃত হয়েছে ॥ (৬কা, ১১অ. ১-২সূ)।

    .

    তৃতীয় সূক্ত : কাসশমনম

    [ঋষি : উন্মোচন। দেবতা : কাসা। ছন্দ : অনুষ্টুপ]

    যথা মনো মনস্কেতৈঃ পরাপতত্যাশুমৎ। এবা ত্বং কাসে প্র পত মনসোহনু প্রবাষ্যম্ ॥১॥ যথা বাণঃ সুসংশিতঃ পরাপতত্যাশুমৎ। এবা ত্বং কাসে প্র পত পৃথিব্যা অনু সংবতম। ২। যথা সূর্যস্য রশ্ময়ঃ পরাপত্যাশুমৎ। এবা ত্বং কাসে প্র পত সমুদ্রস্যানু বিক্ষরম্ ॥ ৩৷৷

    বঙ্গানুবাদ –যেমন দূরস্থিথ জ্ঞান-বিষয়ের সাথেও এই মন শীঘ্রতার সাথে ধাবিত হয়ে থাকে, তেমনই কাস-শ্লেষ্ম ব্যাধিরূপ হে কৃত্যা! তুমি মনের দ্বারা দ্রুতবেগে দূর দেশে চলে যাও। ১।

    যেমন উত্তমরূপে তীক্ষ্ণীকৃত বাণ ধনু হতে নিক্ষিপ্ত হওয়ার পর দ্রুতগতিতে ধাবিত হয়ে ভূমিকেও বিদীর্ণ করে দেয়; হে কাস! তুমি সেই প্রকারে বাণের দ্বারা বিদ্ধ করে ভূমির অসমতল প্রদেশে (বা পাতাল প্রদেশে) গমন করো। ২।

    যে রকমে সূর্যের রশ্মিসমূহ উচ্চলোক এবং পর্বতসমূহ পর্যন্ত শীঘ্র গমন করে, হে কাস। তুমি সেইরকমে সমুদ্রের বিবিধ প্রবাহশালী দেশে প্রস্থান করো। ৩

    .

    চতুর্থ সূক্ত : দূর্বাশালা

    [ঋষি : প্রমোচন। দেবতা : দূর্বা, শালা। ছন্দ : অনুষ্টুপ]

    আয়নে তে পরায়ণে দূর্বা রোহন্তু পুষ্পিণীঃ। উৎসো বা তত্র জায়ং হৃদো বা পুন্ডরীকবান্ ॥ ১৷৷ অপামিদং ন্যয়নং সমুদ্রস্য নিবেশন। মধ্যে হ্রদস্য নো গৃহাঃ পরাচীনা মুখা কৃধি ॥ ২॥ হিমস্য হৃ জরায়ুণা শালে পরি ব্যয়ামসি। শীতদা হি নো ভূবোহগ্নিভৃণোতু ভেষজম্ ॥ ৩৷৷

    বঙ্গানুবাদ –হে অগ্নি! সম্মুখভাগে তোমার গমনে অথবা পশ্চাদভাগে তোমার চলমানেও আমাদের দেশে সুন্দর পুস্পশালিনী দূর্বা উৎপন্ন হোক এবং গৃহ ইত্যাদি স্থানে জলের ঝরণাধারা বাহিত হোক (বা উৎপন্ন হোক)। আমাদের এই স্থানে পুণ্ডরীকবান বা তারসযুক্ত সরোবরও উৎপন্ন হোক। (এই প্রার্থনার দ্বারা অগ্নিকৃত বাধার দূরীকরণ সূচিত হচ্ছে)। ১

    আমাদের গৃহ জলের দ্বারা পরিপূরিত হোক। আমাদের জলযুক্ত সরোবরের সাথে যুক্ত করা হোক। হে অগ্নি! তুমি আপন শিখাগুলিকে পরাঙ্খ করো। (এই প্রার্থনার দ্বারা অগ্নিদাহের অত্যন্তাসম্ভব সূচিত হচ্ছে, অর্থাৎ হে অগ্নে ত্বং জ্বালারূপাণি আস্যানি পরাঙ্মুখানি কুরু)। ২৷

    হে শালা! তুমি আমাদের নিমিত্ত শীতহৃদা হও। আমরা তোমাকে শীতল জলের গর্ভবেষ্টনে (জরায়ুরূপে) অবস্থিত শৈবালের দ্বারা আবেষ্টিত করছি। আমাদের দ্বারা স্তুতিকৃত হয়ে অগ্নি আমাদের গৃহ ইত্যাদি যাতে দাহিত না হয়, এমন যত্ন করুক। ৩

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ— যথা মননা মনস্কৈতেঃ ইতি তৃচেন কাসশ্লেষ্মরোগাদিশান্ত্যর্থং সমন্থং অভিমন্যু ভক্ষয়েৎ। তথা অনেন উদকং অভিমন্ত্র পায়য়েৎ। আয়নে ইতি তৃচেন গৃহাদীনাং অগ্নিদাহনিবৃত্ত্যর্থং গৃহমধ্যে গর্তং কৃত্বা উদকং অভিমন্যু নিনয়েৎ। তথা তত্রৈব কর্মনি অনেন অবকাং অভিমন্ত্র গৃহস্যোপরি বিতনুয়াৎ। তথা তপ্তমাষকে দিব্যে তৈলাদিকং অভিমন্ত্র শপথকত্রে প্রযচ্ছে। তথা অগ্নিদগ্ধং এতত্ত্বচেন অভিমন্ত্রিতোদকেন প্রক্ষালয়েৎ। সূত্রিতং হি।…ইত্যাদি৷৷ (৬কা, ১১অ. ৩-৪)।

    টীকা— উপযুক্ত তৃতীয় সূক্তটির মন্ত্রগুলি কাশ-শ্লেষ্ম ইত্যাদি ব্যাধি প্রশমনে উল্লিখিত বিধানানুসারে বিনিয়োগ কর্তব্য। চতুর্থ সূক্তটির মন্ত্রগুলি অগ্নিভীতি নিবারণকল্পে উল্লিখিত বিধানানুসারে বিনিয়োগ করণীয় ॥ (৬কা, ১১অ. ৩-৪সূ)।

    .

    পঞ্চম সূক্ত : বিশ্বজিৎ

    [ঋষি : শন্তাতি। দেবতা : বিশ্বজিৎ। ছন্দ : অনুষ্টুপ]

    বিশ্বজিৎ ত্ৰায়মাণায়ৈ মা পরি দেহি। ত্ৰায়মাণে দ্বিপাচ্চ সর্বং নো রক্ষ চতুষ্পদ যচ্চ নঃ স্বম্ ॥১॥ ত্রায়মাণে বিশ্বজিতে মা পরি দেহি। বিশ্বজিদ দ্বিপাচ্চ সর্বং নো রক্ষ চতুষ্পদ যচ্চ নঃ স্বম্ ॥ ২॥ বিশ্বজিৎ কল্যাণ্যৈ মা পরি দেহি। কল্যাণি দ্বিপাচ্চ সর্বং নো রক্ষ চতুষ্পদ যচ্চ নঃ স্বম৷ ৩৷ কল্যাণি সর্ববিদে মা পরি দেহি। সর্ববিদ দ্বিপাচ্চ সর্বং নো রক্ষ চতুষ্পদ যচ্চ নঃ স্বম্ ॥৪॥

    বঙ্গানুবাদ –হে জগৎসংসারকে বশীভূত রক্ষণশালী বিশ্বজিৎ দেবতা! যে ত্ৰায়মাণা দেবতার অধিকারে সংসারের পালন-কর্ম অবস্থিত, আমাদের তাঁর আশ্রয়ে অন্বিত করো। হে ত্ৰায়মাণা (রক্ষক) দেবতা! আমাদের দ্বিপদবিশিষ্ট (অর্থাৎ মনুষ্যরূপ) পুত্র পৌত্র ভৃত্য ইত্যাদি এবং চতুষ্পদবিশিষ্ট গো-ইত্যাদি পশু সমূহকে রক্ষা করো ৷৷ ১।

    হে ত্ৰায়মাণা দেবি! তুমি আমাদের বিশ্বজিৎ দেবতাকে প্রদান করো। হে বিশ্বজিৎ! তুমি আমাদের দ্বিপদবিশিষ্ট পুত্র পৌত্র ভৃত্য ইত্যাদি এবং চতুষ্পদবিশিষ্ট গো-ইত্যাদি পশুসমূহকে রক্ষা করো। ২।

    হে বিশ্বজিৎ! তুমি আমাদের বিভিন্ন প্রকারের কল্যাণকরণশালিনী কল্যাণীকে প্রদান করো। হে কল্যাণী! আমাদের দ্বিপদবিশিষ্ট পুত্র, পৌত্র, ভৃত্য ইত্যাদি এবং চতুষ্পদশালী গো-ইত্যাদি পশুসমূহকে রক্ষা করো ৷৷ ৩৷

    হে মঙ্গলময়ী কল্যাণী! তুমি আমাদের সর্বকর্ম-জ্ঞাতা সর্ববিদ্ দেবকে সমর্পণ করো। হে সর্ববিদ্ দেব! তুমি আমাদের দ্বিপাদবিশিষ্ট পুত্র, পৌত্র, ভৃত্য ইত্যাদি এবং চতুস্পদযুক্ত গো-ইত্যাদি পশু, সমুদায়কে রক্ষা করো। ৪৷৷

    .

    ষষ্ঠ সূক্ত : মেধাবর্ধনম

    [ঋষি : শৌনক। দেবতা : মেধা, অগ্নি। ছন্দ : অনুষ্টুপ, বৃহতী]

    ত্বৎ নো মেধে প্রথমা গোভিরখেভিরা গহি। ত্বং সূর্যস্য রশ্মিভিং নো অসি যজ্ঞিয়া ॥১॥ মেধামহং প্রথমাং ব্রহ্মদ্বতীং ব্রহ্মজুতামৃষিতাম্। প্রপীতাং ব্রহ্মচারিভির্দেনামবসে হুবে ॥ ২॥ যাং মেদামৃভবো বিদুর্যাং মেধামসুরা বিদূঃ। ঋষয়ো ভদ্রাং মেধাং যাং বিদুস্তাং ময্যা বেশয়ামসি ॥ ৩৷৷ যামৃষয়ো ভূতকৃত মেধাং মেধাবিননা বিদুঃ। তয়া মামদ্য মেধয়াগ্নে মেধাবিং কৃণু ॥ ৪ মেধাং সায়ং মেধাং প্রাতর্মেধাং মধ্যন্দিনং পরি। মেধাং সূর্যস্য রশ্মিভির্বচসা বেশয়ামহে ॥ ৫৷

    বঙ্গানুবাদ –হে বেদধারিণী মেধা (অর্থাৎ শ্রুতধারণসামর্থ্যরূপিণি দেবি)! দেবতা ও মনুষ্য সকলেই তোমাকে শ্রেষ্ঠরূপে বিজ্ঞাত হয়ে পূজা করে থাকে। তুমি গো ও অশ্বের সাথে আমাদের প্রাপ্ত হও। যেমন সূর্যের কিরণ সমগ্র জগৎসংসারে ব্যাপ্ত হয়ে থাকে, তেমনই তুমি আপন সর্ব-ব্যাপিনী শক্তির সাথে আমাদের প্রাপ্ত হও। তুমি আমাদের যজ্ঞাহুতির দ্বারা প্রসন্নশালিনী হও; এই নিমিত্ত আগতা হও ৷ ১।

    মেধার (বা বুদ্ধির) কামনাশালী আমি বেদসমূহকে ধারণ করার উদ্দেশ্যে, বেদযুক্ত ব্রহ্মগ্বতী, ব্রহ্মসেবিতা, ব্রহ্মজুতা, অতীন্দ্রিয়ার্থদর্শী বশিষ্ঠ ইত্যাদির দ্বারা প্রশংসিত, ঋষিদ্ভুতা, বেদবিহিত আচরণের নিমিত্ত গুরুকুলে অবস্থানকারী ব্রহ্মচারীগণের দ্বারা শ্রেষ্ঠ বুদ্ধির, অধ্যয়নের নিমিত্ত জ্ঞানের এবং রক্ষার নিমিত্ত ইন্দ্র ইত্যাদি দেবগণের সাথে মুখ্য মেধাদেবীকে আহ্বান করছি ॥ ২॥

    যে মেধা বা বুদ্ধিকে ঋতুগণ জ্ঞাত আছে, যাঁকে দানব ও বশিষ্ঠ ইত্যাদি ঋষিগণ জ্ঞাত আছেন, সেই মেধা বা বুদ্ধির সাধক আমি, আমাতে সেই মেধাদেবীকে প্রতিষ্ঠিত করছি ৷ ৩৷৷

    যে মেধা বা বুদ্ধিকে মন্ত্রদ্রষ্টা ঋষি, পৃথিবী ইত্যাদি ভূতবর্গকে রক্ষায় সামর্থ্যবান কৌশিক কশ্যপ, ইত্যাদি জ্ঞানী বা মেধাবীগণ জ্ঞাত আছেন, সেই মেধা বা বুদ্ধির দ্বারা, হে অগ্নি! আমাকে মেধাবী বা বুদ্ধিমান করে দাও। ৪

    আমি প্রাতঃকালে, মধ্যাহ্নে এবং সায়ংকালে মেধাকে স্তুতি করছি। সূর্যরশ্মির সম্পূর্ণ অবস্থানকাল ব্যাপী, অর্থাৎ পূর্ণ দিনব্যাপী আমরা তাকে (অর্থাৎ মেধাকে) আপন স্তুতিরূপ বন্ধনের দ্বারা আপনার মধ্যে প্রতিষ্ঠিত করছি। ৫।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ— বিশ্বজিৎ ত্ৰায়মানায়ৈ ইতি চতুঋচস্য বৃহস্পণে পাঠাৎ শান্তু্যদকা ভিমন্ত্রনাদৌ বিনিয়োগঃ। তথা স্বস্ত্যয়নকর্মণি অনেন চতুঋচেন আজ্যসমিৎপুরোশাদিশম্বুল্যার্নি ত্রয়োদশ দ্রব্যানি জুহুয়াৎ। সূত্রিতং হি।…ত্ব নো মেধে ইতি পঞ্চর্চেন সূক্তেন মেধাজননকর্মণি ক্ষীরৌদনং পুরোশং বসা বা সম্পত্য অভিমন্ত্র ভক্ষয়েৎ। তথা তস্মিন্নেব কর্মণি অনেন সূক্তেন আদিত্যং উপতিষ্ঠেৎ। পূর্বস্য মেধাজননানি ইতি প্রক্রম্য সূত্রিতং।…ইত্যাদি৷৷ (৬কা, ১১অ. ৫-৬)।

    টীকা— পঞ্চম সুক্তটির মন্ত্র চারটি শান্তুদক অভিমন্ত্রন ইত্যাদি এবং স্বস্ত্যয়নকর্মে উপযুক্ত বিধানানুসারে বিনিয়োগ করণীয়। ষষ্ঠ সূক্তের পাঁচটি মন্ত্রে উপযুক্ত বিধানানুসারে মেধাজনন কর্মে বিনিযুক্ত হয়। (৬কা, ১১অ. ৫-৬)।

    .

    সপ্তম সূক্ত : পিপ্পলী–ভৈষজ্যম

    [ঋষি : অথর্বা। দেবতা : পিপ্পলী। ছন্দ : অনুষ্টুপ]

    পিপ্পলী ক্ষিপ্তভেষজতাতিবিদ্ধভেষজী। তা দেবাঃ সমকল্পয়ন্নিয়ং জীবিতবা অলম্ ॥ ১। পিপ্পল্যঃ সমবদন্তায়তীর্জননাদধি। যং জীবমবামহৈ ন স রিষ্যাতি পুরুষঃ ॥ ২॥ অসুরাস্তা ন্যখন দেবাস্তোদবপন্ পুনঃ। বাতীকৃতস্য ভেষজীমথো ক্ষিপ্তস্য ভেষজীম্ ॥ ৩

    বঙ্গানুবাদ— পিপ্পলী ক্ষিপ্ত বাত রোগের ঔষধি। এইটি রোগকে পূর্ণভাবে নিপীড়নে (বা বন্ধনে)। সমর্থ, তথা অন্য ঔষধিগুলিকে তিরস্কার করণশালিনী। অমৃত মন্থনের সময়ে এই পিপ্পলীকে দেবতাগণ কল্পনা করেছিলেন; সকল রোগকে বিনাশ করণশালিনী এই একই ঔষধি প্রাণসমূহকে স্থিরভাবে রক্ষা করতে সমর্থ। ১৷৷

    পিপ্পলীজাতীয় ঔষধিসমূহ নিজেরা হওয়ার পূর্ব হতেই নিশ্চয় করে নিয়েছিল যে, আমরা যে প্রাণীর শরীরে ঔষধিরূপে প্রবিষ্ট হবে, সেই প্রাণী যেন বিনাশপ্রাপ্ত হয় ॥ ২॥

    হে পিপ্পলী! বাতরোগশালী, বারংবার হস্ত-পদ নিক্ষেপশালী আক্ষেপক রোগের তুমি ঔষধিস্বরূপ। প্রথমে দানবগণ তোমাকে কবরস্থ করেছিল, পুনরায় দেবগণ তোমাকে উদ্ধার (নিষ্ক্রান্ত) করেছিলেন৷ ৩৷৷

    .

    অষ্টম সূক্ত : দীর্ঘায়ুঃ প্রাপ্তি

    [ঋষি : অথর্বা। দেবতা : অগ্নি। ছন্দ : পংক্তি, ত্রিষ্টুপ]

    প্রত্নে হি কমীভ্যো অধ্বরেষু সনাচ্চ হোতা নব্যশ্চ সৎসি। স্বাং চাগ্নে তন্বং পিপ্রায়স্বাস্মভ্যং চ সৌভগমা যজস্ব ॥১॥ জ্যেষ্ঠগ্নাং জাতত বিচূতোৰ্ষৰ্মস্য মূলবণাৎ পরি পাহেন। অত্যেনং নেষদ দুরিতানি বিশ্বা দীর্ঘায়ুত্বায় শতশারদায় ॥ ২॥ ব্যাঘ্ৰেহহ্ন্যজনিষ্ট বীরো নক্ষত্ৰজা জায়মানঃ সুবীরঃ। স মা বধীৎ পিতরং বর্ধমানো মা মাতরং প্র মিনী…নিত্ৰী ৷ ৩৷৷

    বঙ্গানুবাদ –চিরন্তন হওয়ার কারণে অগ্নি স্তুত্য (স্তুতিযোগ্য) হয়ে থাকেন। প্রাচীন কাল হতে তিনি যজ্ঞে আহূত হয়ে থাকেন। হে অগ্নি! তুমি যজ্ঞ-সম্পাদক ও নবীন হোতা হয়ে বেদীতে বিরাজমান হয়ে থাকে। এই রকমে বিরাজমান হয়ে তুমি আমাদের কল্যাণকারী ধন প্রদান করো। ১৷৷

    জ্যেষ্ঠা নক্ষত্রে উৎপন্ন জ্যেষ্ঠদের (অর্থাৎ পিতা, মাতা, জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা ইত্যাদির) মারক (বিনাশক) হয়, এবং মূলা নক্ষত্রে উৎপন্ন পুত্র সকল কুটুম্বের নাশক হয়ে থাকে। এই নিমিত্ত, পাপ-নক্ষত্রে জন্মগ্রহণকারী এই বালককে, যমের কুটুম্ব-নাশশালী কর্মের দ্বারা পৃথক্ করো (অর্থাৎ যমের দ্বারা ক্রিয়মান সন্তানমূলোচ্ছেদন হতে রক্ষা করো–অতঃ পাপনক্ষত্রে জাতং এনং কুমারং যমস্য যমসম্বন্ধিনঃ যমেন ক্রিয়মানা মূলবণাৎ সন্তানমূলোচ্ছেদনাৎ পরি পাহি পরিতঃ সর্বতো রক্ষ)। সকল দেববর্গ এই বালককে পাপসমূহ হতে উত্তীর্ণ করে শতায়ুষ্য (শতবৎসর আয়ুসম্পন্ন) করুন। ২।

    এই বালক ব্যাঘ্রের ন্যায় ক্রুর দুষ্ট নক্ষত্রে উৎপন্ন হয়েছে, এই নিমিত্ত এই বালক জন্মগ্রহণ মাত্রই উত্তম বীর্যের দ্বারা যুক্ত হয়েছে এবং বয়োপ্রাপ্তির পর যেন পিতা-মাতাকে হিংসাকারী (অর্থাৎ পিতা-মাতার বিনাশের কারণ) না হয়। ৩।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –পিপ্পলী ক্ষিপ্তভেষজী ইতি তৃচেন ধনুর্বাতক্ষিপ্তবাদিকৃৎস্নবাত ব্যাধিশান্তুর্থ পিপ্পলীং সম্পত্য অভিমন্ত্র পুনস্তৃচং জপিত্বা আশয়েৎ। পিপ্পলী (৬/১০৯) বিদ্রধস্য (৬।১২৭) যা বভ্রবঃ (৮৭) ইতি প্রকম্য চতুর্থেনাশয়তি ইতি (কৌ, ৪২) সূত্ৰাৎ। প্রত্নে হি ইতি তৃচেন পাপনক্ষত্রজাতস্য অপত্যস্য সম্পাতিতাভিমন্ত্রিতোদপাত্রেণ সূত্রোক্তরীত্যা আপ্লাবনং অবসেকং কুর্যাৎ তথা তত্রৈব কর্মণি অনেন তৃচেন সম্পাতিতাভিমন্ত্রিতক্ষীরৌদনং প্রাশীয়াৎ..ইত্যাদি। (৬কা. ১১অ. ৭-৮সূ)।

    টীকা –উপযুক্ত সপ্তম সূক্তের মন্ত্রগুলি ধনুর্বাত, ক্ষিপ্তবাত ইত্যাদি সকল রকমের বাতব্যাধির শান্তি নিমিত্ত উল্লিখিত বিধানানুসারে বিনিয়োগ করণীয়। অষ্ট সূক্তের মন্ত্রগুলি পাপ-নক্ষত্রে জাত পুত্রগণের (অপতস্য) জন্মজনিত দোষ-মোচনের নিমিত্ত সূত্রোক্তরীতি অনুসারে বিনিয়োগ কর্তব্য ॥ (৬কা, ১১অ. ৭-৮)।

    .

    নবম সূক্ত : উন্মত্ততামোচনম

    [ঋষি : অথর্বা। দেবতা : অগ্নি। ছন্দ : অনুষ্টুপ, ত্রিষ্টুপ]

    ইমং মে অগ্নে পুরুষং মুমুগ্ধ্যয়ং যে বদ্ধঃ সুষতো লালপীতি। অতোহধি তে কৃণব ভাগধেয়ং যদানুদিতোহসতি ॥ ১৷ অগ্নিষ্টে নি শময়তু যদি তে মন উদ্যতম। কৃণোমি বিদ্বান ভেষজং যথামুন্মদিতোহসসি। ২৷৷ দেবৈসাদুন্মদিতমুন্মত্তং রক্ষসম্পরি। কৃপোমি বিদ্বান্ ভেষজং যদানুন্মদিতোহসতি ॥ ৩৷ পুনস্থা দুরঙ্গরসঃ পুনরিন্দ্রঃ পুনৰ্ভগঃ। পুনত্ত্বা দুবিশ্বে দেবা যথামুন্মদিতোহসসি ॥ ৪

    বঙ্গানুবাদ –হে অগ্নি! আমাদের এই পুরুষটি পাপের পাশবন্ধনে আবদ্ধ হয়ে প্রলাপ বাক্য উচ্চারণ করছে; একে এর রোগের কারণ রূপ পাপ হতে রক্ষা করো ( বা মুক্ত করো)। এই তোমার উদ্দেশে অধিক হবিঃ প্রদত্ত হচ্ছে, এই নিমিত্ত একে (গন্ধর্ব-অপ্সরা-গ্রহজনিত) উন্মাদ রোগ হতে মুক্ত করো। ১।

    হে গ্রহ-গ্রস্ত পুরুষ! তোমার উন্মাদ রোগকে অগ্নিদেব দূর করে দিন। তোমার মন গ্রহ-বিকারের দ্বারা বিকৃত হয়ে আছে। আমি তার উপায় জ্ঞাত হয়ে এমন ঔষধ প্রদান। করছি যাতে তুমি রোগমুক্ত হয়ে যাবে ২

    তুমি যদি দৈবকৃত উপঘাতের দ্বারা অথবা ব্রহ্মরাক্ষস তথা গ্রহের দ্বারা উন্মাদ-দশা প্রাপ্ত হয়ে থাকো, তবে জ্ঞানী আমি তোমার নিকট আগমন পূর্বক তোমাকে রোগমুক্ত করণের নিমিত্ত ঔষধি প্রদান করছি। ৩।

    হে উন্মাদী পুরুষ! অপ্সরাগণ তোমাকে উন্মাদ-রহিত করে প্রত্যর্পণ কর দিয়েছে। ইন্দ্র তথা ভগদেবতা এবং অন্য সকল দেবতা তোমাকে উন্মাদরোগ হতে বিমুক্ত করে আমাদের নিকট প্রত্যর্পণ করেছেন। ৪৷৷

    .

    দশম সূক্ত : পাশমোচনম

    [ঋষি : অথর্বা। দেবতা : অগ্নি। ছন্দ : ত্রিষ্টুপ]

    মা জ্যেষ্ঠং বধীদয়মগ্ন এষাং মূলবণাৎ পরি পাহেন। স গ্রাহ্যাঃ পাশা বি কৃত প্রজান তুভ্যং দেবা অনু জানন্তু বিশ্বে। ১৷৷ উন্মুঞ্চ পাশাংমগ্ন এষাং ত্রয়স্ত্রিভিরুৎসিতা যেভিরাসন। স গ্রাহ্যাঃ পাশান্ বি কৃত প্রজান পিতাপুত্রৌ মাতরং মুঞ্চ সর্বান্ ॥ ২॥ যেভিঃ পাশৈঃ পরিবিতা বিবদ্ধোহঙ্গেঅঙ্গ আর্পিত উৎসিতশ্চ। বি তে মুচন্তাং বিমুচো হি সন্তি ভ্রণগ্নি পূষন দুরিতানি মৃক্ষ ॥ ৩৷৷

    বঙ্গানুবাদ –হে অগ্নি! এই পরিবেত্তা বা পরিবিত্ত (অর্থাৎ অবিবাহিত জ্যেষ্ঠের বিবাহিত কনিষ্ঠ ভ্রাতা) যেন তার জ্যেষ্ঠ জনের (অর্থাৎ জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা বা পিতা বা মাতা ইত্যাদির) মধ্যে কাউকে হত্যা না করে। একে মূলোচ্ছেদনের বা পরিবেদনের দোষ হতে (অর্থাৎ অবিবাহিত জ্যেষ্ঠ বিদ্যমানে কনিষ্ঠের বিবাহজনিত পাপ হতে) রক্ষা করো। হে অগ্নি! তুমি শান্তির উপায় সমূহের জ্ঞাতা। এই নিমিত্ত গ্রহণশীল পিশাচ সমুদায়ের পাশ (বা বন্ধন) হতে, সকল দেবতার অনুজ্ঞায় একে মুক্ত করো ৷ ১

    হে অগ্নি! তুমি এর পিতা ইত্যাদির পরিবেদন-দোষ হতে উৎপন্ন পাশকে দমন (বা মোচন) করো। মাতা, পিতা, পুত্র–এই তিন জন যে পরিবেদন-জনিত দোষের নিমিত্ত পাশের দ্বারা বন্ধনপ্রাপ্ত হয়ে আছে, তাদের সেই পাশ হতে মোচন করো। তুমি সেই মোচনের উপায় জ্ঞাত আছে। এই নিমিত্ত গ্রহণশীল পিশাচ সমুদায়ের পাশ (বা বন্ধন) হতে বিমোচন করো। সকল দেবতা অনুজ্ঞা করুন৷ ২৷৷

    হে দেবগণ! যে পাশের দ্বারা অঙ্গে অঙ্গে বিজড়িত পুরুষ পীড়ার। কারণে বারংবার উখিত ও পতিত হচ্ছে (আছাড়ি-পাছাড়ি করছে), তাকে সেই পাশ হতে মুক্ত করো। হে পোষক দেব! এই পরিবেদন দোষকে জ্বণহত্যাকারী এবং শ্রোত্রিয়গণের হিংসক জনের মধ্যে স্থিত করে দাও ৷ ৩৷৷

    .

    একাদশ সূক্ত : পাপনাশনম্

    [ঋষি : অথর্বা। দেবতা : পূষা। ছন্দ : ত্রিষ্টুপ, পংক্তি]

    ত্রিতে দেবা অমৃজতৈতদেনস্ত্রিত এনন্মনুষ্যেষু মমৃজে। ততো যদি ত্বা গ্রাহিরানশে তাং তে দেবা ব্ৰহ্মণা নাশয়ন্তু ॥১॥ মরীচীধূমান্ প্ৰ বিশানু পানুদারা গঙ্তে বা নীহারা। নদীনাং ফেনাঁ অনু তান্ বি নশ্য ভ্রুণগ্নি পূষ দুরিতানি মৃক্ষ ॥ ২॥ দ্বাদশ নিহিতং ত্রিতস্যাপমৃষ্টং মনুষ্যৈনসানি। ততো যদি স্বা গ্রাহিরানশে তাং তে দেবা ব্ৰহ্মণা নাশয়ন্তু ॥ ৩॥

    বঙ্গানুবাদ –পূর্বকালে দেবতাগণ পরিবিত্তে উদ্ভূত সমবেত পাপকে ত্রিত নামক আপ্ত্যে (বা ত্রিতের মনে) স্থিত করে দিয়েছিলেন। (পরিবিত্তসমবেতং এনঃ পাপং পূর্বং দেবাস্ত্রিতে এতৎসংজ্ঞে আপ্ত্যে অমৃজত নিমৃষ্টবন্তঃ)। ত্ৰিত এই পাপকে সূর্যোদয়ের পরেও শয়নশীল মনুষ্যগণের মধ্যে স্থাপিত করেছিলেন। হে পরিবিত্ত! তোমাকে যে পাপদেবী প্রাপ্ত হয়েছে, তাঁকে দেবগণ মন্ত্রশক্তির দ্বারা দূরীভূত করুন। ১।

    হে পরিবেদন হতে উৎপন্ন পাপ! তুই এই পরিবিত্তকে (বা পরিবেত্তাকে) ত্যাগ করে অগ্নি ও সূর্যের প্রভার মধ্যে প্রবিষ্ট হয়ে যা। তুই ধূমে, বা মেঘের আবরণ কুজ্বটিকায় প্রবেশ কর। হে পাপ! তুই নদীর ফেনায় প্রবাহিত হয়ে যা। হে পোষক দেব! তুমি এর পরিবেদন দোষকে ভ্রুণহত্যাকারী এবং শ্রোত্রিয়গণের হিংসক জনের মধ্যে স্থিত করে দাও। ২।

    আপ্ত্য ত্রিতের এই পাপসমূহ পূর্বোক্তক্রমে দ্বাদশ স্থানে স্থাপিত করা হয়েছে। প্রথমে দেবগণের মধ্যে, পরে তিন জলমধ্যে, অতঃপর সূর্য-অগ্নি ইত্যদি আটটি স্থানে নিক্ষিপ্ত হয়। (প্রথমং দেবেষ্ণু পশ্চাৎ ত্ৰিষু আপ্যেষু ততঃ সূর্যাভূদিতাদিষু অষ্টসু এবং দ্বাদশসু স্থানেষু নিক্ষিপ্তং)। সেই পাপ বর্তমানে মনুষ্যের মধ্যে প্রবিষ্ট হয়ে যাচ্ছে। হে পরিবেত্তা পুরুষ! তুমি যদি পিশাচীর দ্বারা প্রভাবিত হয়ে থাকে, তবে তার প্রভাবকে পূর্বোক্ত দেবতা ও ব্রাহ্মণগণ এই মন্ত্রের দ্বারা বিনাশ করুন ৩

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –ইমং মে অগ্নে ইতি চতুঋচস্য মাতৃনামগণে পাঠাদ দিব্যো গন্ধর্ব ইতি মাতৃনামভিজুহুয়াৎ (কৌ. ১৩।২) ইত্যাদি বিনিয়োগো দ্রষ্টব্যঃ। তথা গন্ধর্বরাক্ষসারোভূতগ্রহাদি পীড়াশান্তয়ে ঘৃতাক্তসবৌষধিহোমে চতুষ্পথে গ্রহগৃহীতশিরঃস্থিতমৃন্ময়কপালাগ্নিহোমাদৌ চ অস্য বিনিয়োগঃ…মা জ্যেষ্ঠং (১১২) ত্রিতে দেবাঃ (১১৩) ইতি তৃচাভ্যাং পরিবিত্তিপরিবেত্ত্ব প্রায়শ্চিত্তার্থং উদঘটং সম্পত্য অভিমন্যু তয়োঃ পর্বানি মৌঞ্জপাশৈৰ্বৰ্ধা আপ্লাবনং অবসেকং বা কুর্যাৎ …সূত্রিতং হি।…ইত্যাদি। (৬কা, ১১অ. ৯-১১)।টীকা –উপযুক্ত নবম সূক্তটি উল্লিখিত বিধানানুসারে গন্ধর্ব-রাক্ষস-অপ্সরা-ভূতগ্রহ ইত্যাদি হতে সঞ্জাত পীড়ার শান্তিকল্পে বিনিয়োগ করণীয়। দশম ও একাদশ সূক্তের মন্ত্রগুলি পরিবেত্তার প্রায়শ্চিত্তকর্মে উল্লিখিত সূত্রানুসারে বিনিযুক্ত হয় ॥ (৬কা, ১১অ. ৯-১১)।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহারুকি মুরাকামির শ্রেষ্ঠ গল্প – অনুবাদ : দিলওয়ার হাসান
    Next Article শ্যামাপ্রসাদ : বঙ্গবিভাগ ও পশ্চিমবঙ্গ – দীনেশচন্দ্র সিংহ
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }