Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অথর্ববেদ সংহিতা (সম্পাদনা : দিলীপ মুখোপাধ্যায়)

    দিলীপ মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1733 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৬।১২ ষষ্ঠ কাণ্ড : দ্বাদশ অনুবাক

    দ্বাদশ অনুবাক
    প্রথম সূক্ত : উন্মোচনম
    [ঋষি : ব্রহ্মা। দেবতা : সকল দেবতা। ছন্দ : অনুষ্টুপ]

    যদু দেবা দেবহেডনং দেবাসশ্চমা বয়ম্।. আদিত্যাস্তম্মান্নো ঘূয়মৃতস্যৰ্তেন মুঞ্চত ॥১॥ ঋতস্যৰ্তেনাদিত্য যজত্রা মুঞ্চতেহ নঃ। যজ্ঞং যদ যজ্ঞবাহসঃ শিক্ষন্তো নোপশেকিম। ২. মেদস্বতা যজমানাঃ সুচাজ্যানি জুহুতঃ। অকামা বিশ্বে বো দেবাঃ শিক্ষন্তো নোপ শেকিম ॥ ৩॥

    বঙ্গানুবাদ –হে অগ্নি প্রমুখ দেবগণ! যে পাপের নিমিত্ত (বা কারণে) দেবতা রুষ্ট হয়ে থাকেন, তা আমরা ইন্দ্রিয়বশে করে ফেলেছি। সেই পাপ হতে তোমরা আমাদের যজ্ঞাত্মক সত্যের দ্বারা মন্ত্র সাধন ইত্যাদির প্রভাবে রক্ষা করো (অর্থাৎ আমাদের সেই পাপকে দগ্ধ করে ফেলো)। ১।

    হে অদিতির পুত্রগণ (অর্থাৎ দেববর্গ)! যজ্ঞাত্মক সত্য এবং ধ্যানযোগ্য পরব্রহ্মের দ্বারা কর্মের ঘাতক পাপ হতে তোমরা আমাদের মুক্ত করো। তোমরা যজ্ঞ সম্পন্ন করণে সমর্থ। আমরা যজ্ঞ-সাধনে ইচ্ছুক হয়েও যে পাপের কারণে তা করতে পারছি না, তোমরা সেই পাপ হতে আমাদের মুক্ত করো (বা রক্ষা করো)। ২।

    হে সকল দেববর্গ! মেদযুক্ত (অর্থাৎ স্ফীতাবয়বশালী) পশুর দ্বারা সুকের সাহায্যে আহবনীয় অগ্নিতে আজ্যের (অর্থাৎ ঘৃতের) আহুতি প্রক্ষেপণেচ্ছু ও যজমানরূপী আমরা যে (পশুমেধ) যজ্ঞ করতে উদ্যত হয়েও, যে পাপের কারণে তা করতে পারছি না, তোমরা সেই পাপকে আমাদের নিকট হতে দূর করে দাও ৩

    .

    দ্বিতীয় সূক্ত : পাপমোচনম

    [ঋষি : ব্রহ্মা। দেবতা : সকল দেবতা। ছন্দ : অনুষ্টুপ।]

    য বিদ্বাংসো যদবিদ্বাংস এনাংসি চকৃমা বয়। ঘূয়ং নস্তস্মান্মুঞ্চত বিশ্বে দেবাঃ সজোষসঃ ॥ ১৷ যদি জাগ্রদ যদি স্বপন্নেন এনস্যোইকরম্। ভূতং মা তম্মাদ ভব্যং চ দ্রুপদাদিব মুঞ্চতাম্ ॥ ২॥ দ্রুপদাদি মুমুচানঃ স্বিন্নঃ স্নাত্বা মলাদিব। পূতং পরিত্রেণেবাজ্যং বিশ্বে শুম্ভন্তু মৈনসঃ ॥৩॥

    বঙ্গানুবাদ –হে বিশ্ব দেবগণ! তোমরা আমাদের স্নেহ করে থাকে। আমাদের জ্ঞাতসারে বা অজ্ঞাতসারে যে পাপসমূহ আমরা করেছি, তোমরা সেই পাপরাশি হতে মুক্ত করো। ১।

    আমি জাগরণকালে বা সুপ্তাবস্থায় যে পাপকে প্রিয় জ্ঞানে করে ফেলেছি, তা হতে বর্তমানে ও ভবিষ্যতেও, সেই পাদবন্ধনস্বরূপ পাপকে, বৃক্ষের ছেদনের ন্যায় ছেদিত করে, মুক্ত করে দাও। ২।

    যেমন ছেদনের পর পদবন্ধন হতে মুক্ত হয়ে বা স্বেদক্লিষ্ট হওয়ার পর মনুষ্য স্নান করে বাহিরের মল হতে শুদ্ধ হয়ে থাকে, তেমনই আমি শুদ্ধ হবে। যেমন পবিত্রে ও ছাঁকনী ইত্যাদির সাধনে ঘৃত (আজ) শুদ্ধ হয়ে থাকে, তেমনই দেবগণ আমাকে (পাপ হতে) শুদ্ধ করুন। ৩ ৷৷

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –অস্যানুবাকস্য আচার্যমরণে আজ্যসমিৎপুরোডাশাদিহোমে বিনিয়োগঃ… তথা যৎ দেবা দেবহেডনং ইতি দ্বাভ্যাং তৃচাভ্যাং অগ্নিষ্টোমে তৃতীয়সবনে আদিত্যগ্রহহোমং ব্রহ্মা অনুমন্ত্রয়েত। অগ্নিষ্টোমং প্রক্রম্য বৈতানে সূত্রিতং….অত্র যৎ বিদ্বাংসঃ ইত্যনেন তৃচেন আগ্রয়ণেষ্টো বৈশ্বদেবং চরুং ব্রহ্মা অনুমন্ত্রয়েত।…ইতি (বৈ.২/৩) বৈতানে সূত্রিতং। (৬কা, ১২অ. ১-২)।

    টীকা— এই দ্বাদশ অনুবাকটি আচাৰ্যৰ্মরণে আজ্য-সমিৎ-পুরোডাশ ইত্যাদি হোমে বিনিযুক্ত হয়। তার মধ্যে উপযুক্ত প্রথম সূক্তটি অগ্নিষ্টোমে তৃতীয়সবনে সূত্রানুসারে বিনিয়োগ করণীয়। দ্বিতীয় সূক্তের দ্বারা সূত্রানুসারে আগ্রয়ণেষ্টিতে বিনিয়োগ করণীয়। (৬কা, ১২অ. ১-২)।

    .

    তৃতীয় সূক্ত : মধুমদন্নম

    [ঋষি : জাটিকায়ন। দেবতা : বিবস্বান্। ছন্দ : জগতী, ত্রিষ্টুপ]

    যদ যামং চনিখনতো অগ্রে কার্ষীবণা অন্নবিদো ন বিদ্যুয়া। বৈবস্বতে রাজনি তজুহোম্যথ যজ্ঞিয়ং মধুমদস্তু নোহন্নম্ ॥ ১৷ বৈবস্বতঃ কৃণবদ ভাগধেয়ং মধুভাগগা মধুনা সং সৃজাতি। মাতুর্যদেন ইষিতং ন আগন যদ বা পিতাপরাদ্ধো জিহীডে। ২। যদিদং মাতুর্যদি বা পিতুর্নঃ পরি ভ্রাতুঃ পুর্বাচ্চেতস এন আগন্। যাবন্তো অস্মন্ পিতরঃ সচন্তে তৈষাং সর্বেষাং শিববা অস্তু মনুঃ ॥ ৩॥

    বঙ্গানুবাদ –পূর্বকালে কৃষিকর্মশালী কার্ষীবণবৃন্দ (কৃষকগণ) বিদ্যাহীন ও বিচারশূন্য হওয়ার কারণে ভূমিকে খনন-রূপ, যে যম-সম্বন্ধী কার্য করতো, এটি তারা ঠিকরকম জানতো না। কেননা, তারা বিদ্যা-বুদ্ধিতে হীন হয়ে থাকে। তারই শমনার্থে আমি ঘৃত, মধু, তৈল ইত্যাদি ন্যূনাধিক পরিমাণে বৈবস্বত (অর্থাৎ বিবস্বানের পুত্র) রাজা যমের উদ্দেশে হবিঃ রূপে প্রদান করছি। এই যজ্ঞ-যোগ্য অন্ন মধুর ও উপভোগের যোগ্য হোক। ১।

    সূর্যের পুত্র যম নিজের জন্য হবির্ভাগ গ্রহণ করুন এবং আমাদের মধুময় ক্ষীর ঘৃত ইত্যদির দ্বারা যুক্ত করুন। আমরা যারা অপরাধ করণশালী, হয়ে পাপ প্রাপ্ত হয়েছি, সেই মাতা-পিতা সম্বন্ধী অপরাধ-জনিত পাপ শান্ত হোক। (অর্থাৎ আমাদের পাপ যদি আমাদের মাতার নিকট হতে আগত হয়ে থাকে, অথবা আমাদের সেই পাপের জন্য যদি পিতৃপুরুষগণ ক্রুদ্ধ হয়ে থাকেন, অথবা মাতাপিত্রোদ্রোহ কৃত পাপের নিমিত্ত যা কিছু উৎপাত, তা শান্ত হোক) ॥ ২॥

    এই পরিদৃশ্যমান পাপ যদি মাতার দ্বারা প্রাপ্ত হয়ে থাকি, বা পিতার দ্বারা প্রাপ্ত হয়ে থাকি, ভ্রাতা অথবা অন্য সম্বন্ধী বা পুত্রের দ্বারা প্রাপ্ত হয়ে থাকি, তবে সেই পাপের সাথে সম্বন্ধ রক্ষাকারীর (আমার) সেই পাপ শাস্তি প্রাপ্ত হোক৷৩৷৷

    .

    চতুর্থ সূক্ত : আনৃণ্যম

    [ঋষি : কৌশিক (অনৃণকাম)। দেবতা : অগ্নি। ছন্দ : ত্রিষ্টুপ।]

    অপমিত্যমপ্রতীত্তং যদস্মি যমস্য যেন বলিনা চরামি। ইদং তদগ্নে অনৃণো ভবামি ত্বং পাশা বিতং বেথ সর্বান্ ॥ ১। ইহৈব সন্তঃ প্রতি দপ্ন এনজ্জীবা জীবেভ্যো নি হরাম এনৎ। অপামিত্য ধান্যং যজ্জঘসাহমিদং তদগ্নে অনৃগো ভবামি। ২ অনৃণা অস্মিন্ননৃণাঃ পরস্মিন্ তৃতীয়ে লোকে অনৃণাঃ স্যাম। যে দেবযানাঃ পিতৃযাণাশ্চ লোকাঃ সৰ্বান পথো অনৃণা আ ক্ষিয়েম ॥ ৩.

    বঙ্গানুবাদ –পরিশোধ করার যোগ্য ঋণ, যা প্রত্যর্পণ করতে পারিনি, এমন ঋণে আমি নিজেই ঋণী। সেই বলী ঋণের দ্বারা অধমর্ণ আমাকে যমরাজের বশীভূত হতে হবে। হে অগ্নি! তোমার কৃপায় আমি যেন ঋণ রহিত হয়ে যাই, কেননা তুমি ঋণজনিত পারলৌকিক পাপের বন্ধন হতে মুক্ত করতে সমর্থ ॥১॥

    ইহলোকে অবস্থান করেই আমরা এই ঋণকে, ধনিকের (অর্থাৎ ঋণদাতা বা উত্তমর্ণের) নিকট সমর্পণ করছি। মরণের পূর্বেই আমরা আমাদের ঋণকে পরিশোধ করছি, আমি যে জৌ ইত্যাদি ধান্য ঋণরূপে গ্রহণ করে উদরসাৎ করেছি, হে অগ্নি! তোমার কৃপায় তা হতে ঋণমুক্ত হচ্ছি ৷ ২৷৷

    হে অগ্নি! তোমার কৃপায় আমরা লৌকিক ও দৈবিক দুই প্রকার ঋণ হতে ইহলোকেই মুক্ত হবো; দেহত্যাগের পরে আমরা স্বর্গ ইত্যাদি পুণ্য স্থানে ঋণী হয়ে অবস্থান করবো না। নাকপৃষ্ঠ, দেব্যান এবং পিতৃযান ইত্যাদি মার্গে আমরা ঋণমুক্ত হয়ে প্রবিষ্ট হবো। ৩

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ যৎ যামং চক্রুঃ ইতি তৃচেন ঘৃততৈলমধুনাং পরিমিতানাং বৃদ্ধিক্ষয়লক্ষ নাদ্ভুত প্রায়শ্চিত্তার্থং আজ্যং জুহুয়াৎ। সূত্রিতং হি। অপমিত্যং অপ্রতীত্তং ইতি ত্রিমিচৈঃ উত্তমর্ণে মৃতে সতি তৎপুত্ৰায় সগোত্রায় বা ধনং অভিমন্যু ঋণী দদ্যাৎ। তথা অনেন তৃচত্রয়েন দ্রবং অভিমন্ত্র উত্তমর্ণস্য শ্মশানভূমৌ চতুষ্পথে বা নিক্ষিপেৎ। তথা তৃচত্ৰয়েন দ্রব্যং অভিমন্ত্র কক্ষে নিক্ষিপ্য তা অগ্নিনা দীপয়েৎ। সূত্রিতং হি।…ইত্যাদি। (৬কা, ১২অ, ৩-৪সূ)।

    টীকা— উপযুক্ত তৃতীয় সূক্তের মন্ত্রসমূহের দ্বারা সূত্রানুসারে প্রায়শ্চিত্তের নিমিত্ত আজাহুতিতে বিনিয়োগ করণীয়। চতুর্থ সূক্তটি ঋণ-পরিশোধ সম্পকে বিনিযুক্ত হয়। ঋণদাতা পরলোকগত হলেও এই মন্ত্রগুলির দ্বারা ঋণগ্রহীতা সূত্রানুসারে ঋণদাতার পুত্র বা সগোত্রীয়কে ধন অভিমন্ত্রিত পূর্বক প্রত্যর্পণ করবেন। শ্মশানভূমিতে বা চতুষ্পথে এই মন্ত্রের দ্বারা দ্রব্য অভিমন্ত্রিত পূর্বক নিক্ষেপ ইত্যাদি ক্ষেত্রেও বিনিয়োগ করণীয় ॥ (৬কা, ১২অ, ৩-৪)।

    .

    পঞ্চম সূক্ত : আনৃণ্যম

    [ঋষি : কৌশিক। দেবতা : অগ্নি। ছন্দ : ত্রিষ্টুপ]

    যদ্ধস্তাভ্যাং চকৃম কিন্বিষাণ্যক্ষাণাং গতুমুপলিষ্পমানাঃ। উগ্রং পশ্যে উগ্রজিতৌ তদদ্যাপ্সরসাবনু দত্তামৃণং নঃ ॥ ১। উগ্রং পশ্যে রাষ্ট্রভৃৎ কিষাণি যদক্ষবৃত্তমনু দত্তং ন এতৎ। ঋণান্নো নর্ণমেৎসর্মনো যমস্য লোকে অধিরঙ্গুরায়ৎ ॥ ২॥ যম্মা ঋণং যস্য জায়ামুপৈমি যং যাচমানো অভ্যৈমি দেবাঃ। তে বাচং বাদিযুম্নেত্তরাং মদ্দেবপত্নী অপ্সরসাব ধীতম্ ॥ ৩৷৷

    বঙ্গানুবাদ –আমাদের হস্ত-পদ ইত্যাদি ইন্দ্রিয়সমূহের দ্বারা যে পাপ সঙ্ঠিত হয়ে গিয়েছে, এবং ভোগলিপ্সার কারণে আমরা যে ঋণ গ্রহণ করেছি, হে উগ্রপশ্যা ও উগ্রজিতা নাম্নী অপ্সরাদ্বয়। তোমরা সেই ঋণ আমাদের ঋণদাতাদের (অর্থাৎ উত্তমর্ণগণকে) পরিশোধ করে দাও ১৷৷

    হে উগ্রপশ্যা ও রাষ্ট্রভৃৎ (বা রাষ্ট্রভৃতা) নামী অপ্সরাযুগল! আমাদের কৃত পাপ-বিষয়সমূহে প্রবৃত্ত হওয়ার ব্যাপারে তোমরা লক্ষ্য করো। ঋণভূত সেই সকল পাপকে তোমরা শমন করো এবং পাপ-পুণ্য অনুসারে দণ্ডদাতা যমের লোকে ঋণদাতার নিকট আনয়ন করে পাশহস্তে আমাদের যাতে কেউ ত্রাস দিতে না আসতে পারে, সেই নিমিত্ত আমাদের ঋণকে আমাদের নিকট হতে দূর করে দাও। ২

    যে বস্ত্র, সুবর্ণ, ধান্য ইত্যাদির নিমিত্ত আমি ঋণ প্রার্থনা করেছি অথবা যার ভার্যার নিকট আমি কামুক হয়ে সহায়তা প্রার্থনা করতে গিয়েছি, হে দেবগণ! আমি সেস্থান হতে সফল মনোরথ হয়ে, প্রার্থনাকে স্বীকার করিয়ে এসেছি। তারা যেন আমার সাথে বিরুদ্ধ বাক্য না প্রয়োগ করে। হে দেবপত্নী (দেবজায়াভূতা) অপ্সরাদ্বয়! তোমরা আমার বাক্যে মনোযোগ প্রদান করো। ৩

    .

    ষষ্ঠ সূক্ত : আনৃণ্যম

    [ঋষি : কৌশিক। দেবতা : বৈশ্বনর অগ্নি। ছন্দ : ত্রিষ্টুপ]

    যদদীব্যন্বণমহং কৃপোম্যদাস্যন্নগ্ন উত সংগৃণামি। বৈশ্বানরো নো অধিপা বসিষ্ঠ উদিন্নয়াতি সুকৃতস্য লোকম্ ॥১॥ বৈশ্বানরায় প্রতি বেদয়ামি যদৃণং সংগরো দেবতাসু। স এতা পাশা বিতং বেদ সর্বানথ পক্কেন সহ সং ভবেম ॥ ২. বৈশ্বানরঃ পবিতা মা পুনাতু যৎ সংগরমভিধাবম্যাশা। অনাজান মনসা যাচমানো যৎ তত্রৈনো অপ তৎ সুমি। ৩

    বঙ্গানুবাদ –আমি গ্রহণকৃত ঋণকে প্রদান করতে সমর্থ না হয়ে, তা প্রদানের কথা বলতে থেকেছি। (অর্থাৎ কেবলই প্রতিশ্রুতি দিয়েছি) সকল প্রাণীর হিতৈষী, সর্বপালক অগ্নিদেব আমাকে শ্রেষ্ঠ গতি প্রাপ্ত করান। (অর্থাৎ ঐ হেন পাপ সত্ত্বেও আমাকে সুকৃতলোকে নীত করুন)। ১।

    লৌকিক ও দৈবিক (বা বৈদিক) ঋণকে পূর্ণ করার প্রতিজ্ঞাসমূহ আমি বৈশ্বানর অগ্নিকে অর্পণ করছি। সেই অগ্নিদেব সকল রকমের ঋণের পাশ হতে মুক্ত করতে জানেন। আমরা ঋণের পাশ হতে মুক্ত হয়ে স্বর্গ ইত্যাদি লাভরূপ ফলের দ্বারা সম্পন্ন হবো ॥ ২॥

    আমি যজ্ঞানুষ্ঠান করবো, দান করবো, বৈশ্বানর অগ্নি আমাকে পবিত্র করুন। আমি ঋণ পরিশোধ করার প্রতিজ্ঞা করতে থেকেছি, যজ্ঞের নিমিত্ত দেবতাগণের কামনা উদ্রেগই করেছি, কিন্তু অদ্যাপিও যজ্ঞ ইত্যাদি ঋণকে পরিশোধ করতে পারিনি। আমার অজ্ঞানাত্মক অসত্য আচরণ হতে যে পাপ উদ্ভূত হয়েছে, তাকে আমি নিজের দ্বারাই দূরীভূত করছি ৷ ৩৷৷

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –যদ্ধস্তাভ্যাং ইতি পঞ্চম সূক্ত। অস্য পূর্বচেন সহ উক্তঃ। যদদীব্যন্বণমহং ইতি সূক্তেন বৈশ্বানরায় বিশ্বনরহিতায় অগ্নয়ে প্রতি বেদয়ামি বিজ্ঞাপয়ামি।…যদ ঋণং লৌকিকং দেবতাসু দেবতাবিষয়ে যঃ সঙ্গরঃ অবশ্যকর্তব্যতয়া প্রতিজ্ঞা ব্রহ্মচর্যেণ ঋষিভ্যো যজ্ঞেন দেবেভ্যঃ প্রজয়া পিতৃভ্য (তৈ. সং. ৬৩১০৫) ইতি তদ্ধি বৈদিকং ঋণং..ইত্যাদি। (৬কা, ১২অ, ৫-৬)।

    টীকা— পঞ্চম সূক্তের মন্ত্রগুলির বিনিয়োগ পূর্ব সূক্তে উক্ত হয়েছে। ষষ্ঠ সূক্তের মন্ত্রগুলির দ্বারা প্রধানতঃ লৈৗকিক ঋণ অপরিশোধের কারণে উদ্ভূত পাপ হতে মুক্তির নিমিত্ত সূত্রানুসারে বিনিয়োগ কর্তব্য। এই সূক্তের দ্বিতীয় মন্ত্রটিতে স্থূলাত্মক ঐ লৌকিক ঋণের ঊধ্বস্থ ঋষি-ঋণ, দেব-ঋণ ও পিতৃঋণ পরিশোধের বিষয় বলা হয়েছে। মানব জন্মমাত্রই ঐ তিন বৈদিক ঋণে ঋণী হয়ে থাকে। এখানে বলা হয়েছে–মানব ব্রহ্মচর্যের দ্বারা ঋষি-ঋণ, যজ্ঞ সাধনের দ্বারা দেব-ঋণ এবং পুত্র ইত্যাদি উৎপাদনের দ্বারা পিতৃঋণ হতে মুক্ত হয়ে থাকে। (৬কা, ১২অ. ৫-৬সূ)।

    .

    সপ্তম সূক্ত : সুকৃতস্য লোকঃ

    [ঋষি : কৌশিক। দেবতা : অন্তরিক্ষ, পৃথিবী, দ্যৌ, অগ্নি। ছন্দ : জগতী, ত্রিষ্টুপ, পংক্তি]

    যদন্তরিক্ষং পৃথিবীমূত দ্যাং যন্মাতরং পিতরং বা জিহিংসিম। অয়ং তম্মাদ গাহপত্যো নো অগ্নিরুদিন্নয়াতি সুকৃতস্য লোক ॥১॥ ভূমির্মাতাদিতিনো জনিং ভাতান্তরিক্ষমভিশস্ত্যা নঃ। দৌর্নঃ পিতা পিত্রাচ্ছং ভবাতি জামিমৃত্বা মাব পৎসি লোকাৎ। ২৷৷ যা সুহাদঃ সুকৃতো মদন্তি বিহায় লোগং তন্বঃ স্বায়াঃ। অশ্লোণা অঙ্গৈরতাঃ স্বর্গে তত্র পশ্যেম পিতরৌচ পুত্ৰান্ ॥ ৩৷৷

    বঙ্গানুবাদ –অন্তরিক্ষ, পৃথিবী ও দ্যুলোকের প্রাণীগণের অহিতরূপ যে হিংসা (বা পাপ) করেছি, পিতা-মাতার প্রতিকূল আচরণরূপ যে হিংসা (বা পাপ) করেছি, এই উভয়বিধ পাপ, যা সঙ্ঘটিত হয়ে গিয়েছে, গার্হপত্য অগ্নি প্রসন্ন হয়ে সেই পাপসমূহকে দমিত করে আমাদের উত্তম গতি প্রদান করুন। ১।

    পৃথিবী ও দেবমাতা অদিতি আমাদের জননী স্বরূপা। অন্তরিক্ষ আমাদের সাথে অবস্থিত হওয়ার কারণে ভ্রাতৃসম। এরা সকলে আমাদের পাপ হতে রক্ষা করুক। দ্যুলোক আমাদের পিতৃস্বরূপ, তিনি আমাদের ঋণ-গ্রহণজনিত দোষ (বা পাপ) হতে মুক্ত করুন। আমি নিষিদ্ধ নারীর সাথে (অর্থাৎ ভগিনী ইত্যাদির সাথে) পাপযুক্ত আচরণ করার কারণে স্বর্গ ইত্যাদি লোকসমূহ হতে যেন ভ্রষ্টশালী না হই। ২।

    সুন্দর মনঃসম্পন্ন ও যজ্ঞ ইত্যাদি কর্মকারী পুরুষগণ, জ্বর ইত্যাদি বোগরহিত ও দুঃখরহিত হয়ে সুখানুভব করতে করতে স্বর্গ ইত্যাদি লোকসমূহে নিবাস করে থাকেন। আমরাও বোগরহিত হয়ে শোভন গতি প্রাপ্তি পৰ্বক স্বর্গ ইত্যাদি উত্তম লোকসমূহে নিবাসিত হয়ে (স্বর্গলোকস্থ) স্বজনবর্গের সাক্ষাৎ লাভ করবো ৷ ৩৷৷

    .

    অষ্টম সূক্ত : সুকৃতলোকপ্রাপ্তিঃ

    [ঋষি : কৌশিক। দেবতা : অগ্নি, তারকা। ছন্দ : ত্রিষ্টুপ, অনুষ্টুপ]

    বিষাণা পাশান্ বি ব্যাধ্যম্মদ য উত্তমা অধমা বারুণা যে। দুম্ব প্ল্যং দুরিতং নি স্বাস্মদথ গচ্ছে সুকৃতস্য লোক ৷ ১। যদ দারুণি বধ্যসে যচ্চ রজ্জাং যদ ভূম্যাং বধ্যসে যচ্চ বাঁচা। অয়ং তম্মাদ গাৰ্হপতত্যা নো অগ্নিরুদিয়াতি সুকৃতস্য লোকম ॥ ২॥ উদগাতাং ভগবতী বিচুতৌ নাম তারকে। প্রেহামৃতস্য যচ্ছতাং তু বদ্ধকমোচন ॥ ৩৷ বি জিহীম্ব লোকং কৃণু বন্ধান্মুঞ্চাসি বদ্ধক। যোন্যা ই প্ৰচ্যুতো গর্ভঃ পথঃ সর্বা অনু ক্ষিয়। ৪

    বঙ্গানুবাদ –হে নির্ঋতি দেবী! হে বরুণ! তোমরা মরণাত্মক উত্তম, মধ্যম ও অধম পাশসমূহকে বিমুক্ত করো। দুঃস্বপ্নজনিত পাপকেও মোচিত করে আমাদের স্বর্গলোক-প্রাপ্তি করাও। ১

    হে পুরুষ! তুমি দারুণ কাষ্ঠের বন্ধনে, অচ্ছেদ্য রজ্জ্বর বন্ধনে, গভীর গহ্বরের মধ্যে আবদ্ধ হয়ে, কিংবা রাজাজ্ঞা প্রকাশিত-করণশালিনী বাণীর বন্ধনে (অর্থাৎ রাজার আজ্ঞা-সম্বন্ধী গোপন বাণী বা বার্তা অপ্রকাশিত রাখার প্রতিজ্ঞার বন্ধনে) যদি আবদ্ধ হয়ে থাকো, তাহলে সেই সকল বন্ধন হতে গার্হপত্য অগ্নি মুক্তি দান (বা উদ্ধার) পূর্বক তোমাকে স্বর্গ-প্রাপ্তি করান। ২৷৷

    এই পুরুষ সন্তাপপ্রদ লৌহশৃঙ্খল ইত্যাদির বন্ধন হতে মুক্ত হোক। বিকৃত উপনামশালী দুই মূল নক্ষত্র এই বন্ধনগ্রস্ত পুরুষকে মৃত্যুভয় হতে মুক্ত করুক। ৩।

    হে বন্ধনের অভিমানী দেব! এই বন্ধনের দ্বারা পীড়িত হওনশীল পুরুষকে স্থান প্রদান করো, বন্ধন হতে মুক্ত করো এবং অনেক রকমভাবে (অর্থাৎ সর্বতোভাবে) এই স্থান হতে গমন করো। হে পুরুষ! মাতার গর্ভ হতে নিষ্ক্রান্ত হয়ে গর্ভবন্ধনমুক্ত শিশু যেমনভাবে বিচরণ করে থাকে (অর্থাৎ হস্ত-পদ বিক্ষেপণ করে), তেমনভাবেই তুমি সকল মার্গে স্বচ্ছন্দে বিচরণ করো। ৪

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –যদ অন্তরিক্ষং ইতি সপ্তমং সূক্তং বিষাণা পাশান ইতি সূক্তেন দারুললাহরজ্জাদিবন্ধনমোচনার্থং চর্মময়লোহময়াদিকং পূর্ববন্ধনরঙ্কুসদৃশং কৃত্বা সম্পত্য অভিমন্ত্রয়েত। সূত্রিতং হি।…ইত্যাদি৷৷ (৬কা, ১২অ, ৭-৮)

    টীকা –সপ্তম সূক্তের মন্ত্রগুলি গাহপত্য অগ্নির কৃপায় পাপমুক্তির উদ্দেশে বিনিযুক্ত হয়ে থাকে। অষ্টম সূক্তের মন্ত্রগুলির দ্বারা দারু, লৌহ, রঞ্জু ইত্যাদির বন্ধন হতে মুক্তির নিমিত্ত সূত্রানুসারে অভিমন্ত্রন– পূর্বক বিনিয়োগ করণীয়। এই সূক্তের তৃতীয় মন্ত্রটিতে নক্ষত্রদ্বয় প্রসঙ্গে সায়ণাচার্যের উক্তি–ভগবতী ভাগ্যযুক্তে বিচুতৌ নাম বিছন্নামনী তারকেনক্ষত্রে উদ্গাতাং উদয়ং প্রান্তবতী। বিচুতৌ নক্ষত্রং পিতরো, দেবতা ইতি তেঃ (তৈ, সাং ৪।৪।১০।২) মূলনক্ষত্রস্য বিচূৎ ইতি সংজ্ঞা। অধিষ্ঠানদ্বয়াপেক্ষয়া দ্বিবচনং! ॥ (৬কা, ১২অ, ৭-৮)।

    .

    নবম সূক্ত : তৃতীয়ো নাকঃ

    [ঋষি : ভৃগু। দেবতা : বিশ্বকর্মা। ছন্দ : ত্রিষ্টুপ, জগতী]

    এতং ভাগং পরি দামি বিদ্বান্ বিশ্বকর্ম প্রথমজা ঋতস্য। অস্মভির্দৰ্ত্তং জরসঃ পরস্তাদচ্ছিন্নং তন্তমনু সং তরেম। ১। ততং তন্তুমন্বকে তন্তি যেষাং দত্তং পিত্রমায়নেন। অবন্ধেকে দদতঃ প্রযচ্ছন্তো দাতুং চেচ্ছিাস স্বর্গ এব॥ ২॥ অন্বারভেথামনুসংরভেথামেতং লোকং শ্ৰদ্ধানাঃ সচন্তে। যদ বাং পক্কং পরিবিষ্টময়ে তস্য গুপ্তয়ে দম্পতী সং শ্রয়েথাম ৷৷ ৩৷ যজ্ঞং যন্তং মনসা বৃহন্তমন্বারোহামি তপসা সযোনিঃ। উপহৃতা অগ্নে জরসঃ পরস্তাৎ তৃতীয়ে নাকে সধমাদং মদেম। ৪৷৷ শুদ্ধাঃ পূতা যোষিততা যজ্ঞিয়া ইমা ব্ৰহ্মণাং হস্তেষু প্রপৃথক সাদয়ামি। যকাম ইদমভিষিঞ্চামি বোহমিন্দ্রো মরুত্বান্তস দদাতু তন্মে ॥৫

    বঙ্গানুবাদ –হে বিশ্বকর্মা (বিশ্বের রচয়িতা)! তুমি সকলের পূর্বে উৎপন্ন হয়েছে। তোমার মহিমা জ্ঞাতশালী আমি এই পক্ক হবিরম্নকে আপন রক্ষার নিমিত্ত তোমাকে প্রদান করছি। এই লোকে প্রদত্ত এই অন্নের কারণে আমরা বার্ধক্য হতে জরাকাল পর্যন্ত অবিচ্ছিন্ন রূপে প্রবিষ্ট হবো (অর্থাৎ পূর্ণ আয়ু ভোগ করবো)। ১।

    কোন কোন ঋণী পুরুষ মৃত্যুর পরে পুত্র-পৌত্র ইত্যাদির মধ্যে বিস্তৃত হয়ে (অর্থাৎ তাদের দ্বারা ঋণ পরিশোধের মাধ্যমে) ঋণ হতে মুক্ত হয়ে যায়। পিতা বা পিতৃপুরুষ হতে আগত ঋণ (অর্থাৎ পিতৃকৃত ঋণ) যে পুত্র-পৌত্র ইত্যাদি পরিশোধ করে দেয়, তারাও পাপোত্তীর্ণ হয়ে যায়। যাদের কুলে পুত্র-পৌত্র ইত্যাদি কেউ না থাকে এবং যারা নিজের অথবা নিজের পিতার ঋণকে পরিশোধ করতে পারে না, কিন্তু পরিশোধ করার উৎকট ইচ্ছা রাখে, তবে তারাও সেই ইচ্ছার কারণেই ঋণমুক্ত হয়ে সুকৃতি লাভ করে থাকে। ২।

    হে দম্পতি! পরলোকের কথা মনে রেখে সকর্ম করতে থাকো। তোমরা ব্রাহ্মণগণকে যে পক্কান্ন প্রদানের ইচ্ছা করছো, এবং যে অন্ন হবিঃ রূপে অগ্নিতে দেবতাগণের উদ্দেশে প্রক্ষিপ্ত হয়েছে, তার রক্ষণের নিমিত্ত যত্ন করো। ৩

    আমি অনশন ইত্যাদি দীক্ষানিয়মের দ্বারা তপস্যা পূর্বক দিব্যদেহোৎপত্তিবীজরূপ অপূর্বের সাথে মিলিত হয়ে দেবগণের মধ্যে এবং গতিমান মহান্ যজ্ঞে মনের দ্বারা প্রবিষ্ট হয়ে স্থিতি লাভ করছি। হে অগ্নি! তোমার কৃপায় আমরা আপন বৃদ্ধাবস্থা পর্যন্ত এই লোকে নিবাস পূর্বক পুনরায় জরার দ্বারা জীর্ণ হয়ে দেহ পরিত্যাগ করে দুঃখ-শোক রহিত স্বর্গপ্রাপ্ত হয়ে সুখী হবো। ৪

    এই পরিশুদ্ধা, সর্বপবিত্ৰকারিণী, স্ত্রীরূপা যজ্ঞাহ জলরাশিকে আমি ঋত্বিকগণের হস্ত প্রক্ষালনের নিমিত্ত নিবেদন করছি। এই কার্য আমি যে পদার্থের কামনা করে সাধন করছি, মরুৎ-বর্গের সাথে যুক্ত হয়ে ইন্দ্রদেব সেই পদার্থ আমাকে প্রদান করুন। ৫।

    .

    দশম সূক্ত : সৌমনসম্

    [ঋষি : ভৃগু। দেবতা : সর্ব দেবতা। ছন্দ : ত্রিষ্টুপ, অনুষ্টুপ]

    এতং সধস্থাঃ পরি বো দদামি যং শেবধিমাবজ্জাতবেদাঃ অন্বগন্তা যজমানঃ স্বস্তি তং স্ম জানীত পরমে ব্যোমন্ ॥১॥ জানীত স্মৈনং পরমে ব্যোমন্ দেবাঃ সধস্থা বিদ লোকমত্র। অশ্বগন্তা যজমানঃ স্বস্তীষ্টপূর্তং স্ম কৃণুতাবিরস্মৈ। ২ দেবাঃ পিতরঃ পিতরো দেবাঃ। যো অস্মি সো অস্মি৷ ৩৷৷ স পচামি স দদানি স যজে স দত্তান্মা যুষম। ৪। নাকে রাজন্ প্রতি তিষ্ঠ তত্ৰৈতৎ প্রতি তিতু। বিদ্ধি পূর্তস্য নো রাজ দেব সুমনা ভব ॥ ৫৷৷

    বঙ্গানুবাদ –হে সহায়ভূত দেবগণ! তোমরা স্বর্গলোকে যজমানের সাথে একত্রে অবস্থানকারী হয়ে থাকো। আমি তোমাদের উদ্দেশে এই হবিঃ সমর্পণ করছি; এই হবির্ভাগরূপ নিধি জাবেদা অগ্নির মাধ্যমে তোমাদের নিকট উপনীত হচ্ছে। এই যজমান হবির পরেই কুশলতা পূর্বক স্বর্গারোহণ করবেন। তোমরা এই যজমানকে যেন বিস্মৃত হয়ো না। ১

    হে সহাবস্থানকারী দেবগণ! সেই স্বর্গলোকে তোমরা এই যজমানের সাথে পরিচিত হয়ে থেকো। সেইস্থানে এর স্থিতি নিশ্চিত করে দিও। হবিঃ সমর্পণের পরে ইনি (এই যজমান) কুশল পূর্বক সেইস্থানে গমন করবেন। এই যজমানকে তাঁর কৃত শ্রুতি-উক্ত যজ্ঞ ইত্যাদি সাধন সম্পর্কিত ইষ্টকর্মের ফল এবং স্মৃতি-উক্ত বাপী-কূপ-তড়াগ ইত্যাদি খনন সম্পর্কিত পূর্তকর্মের ফল প্রদান কোরো ॥ ২॥

    বসু রুদ্র ও আদিত্য আমার পিতা, পিতামহ ও প্রপিতামহ স্বরূপ পিতৃদেবতা। আমাদের পিতৃপিতামহপ্রপিতামহরূপ। মনুষ্য পিতৃগণ ঐ পূর্বোক্ত দেবস্বরূপ। অতএব আমি ঐ দেববৃন্দের উদ্দেশে যা কিছু অর্পণ করছি, তা আমারই পিতৃগণের উদ্দেশে অর্পিত হচ্ছে। সেই কারণে আমি পাকযজ্ঞ করছি, দান ইত্যাদি কর্ম করছি। আবার আমি আমার পুত্র ইত্যাদির দ্বারা অনুষ্ঠিত শ্রাদ্ধ ইত্যাদির দ্বারা উৎপন্ন সুফল প্রাপ্তি হতেও যেন বিচ্যুত না হই। ৩-৪৷

    হে ব্রাহ্মণগণের রাজা সোমদেব! তুমি আমাদের অপরাধসমূহ বিস্মৃত হয়ে স্বর্গলোকে আমাদের প্রতি সূখপূর্ণ ব্যবহার করো। আমাদের কৃত (ইষ্টা-পূর্ত কর্ম) সেই স্বর্গলোকে ফল প্রদানশালী হোক। তুমি আমাদের কর্মফল জ্ঞাত আছো। হে স্বামি! তুমি শোভন মনঃশালী হও। ৫৷৷

    .

    একাদশ সূক্ত : নিত্যপস্তরণম

    [ঋষি : অথর্বা। দেবতা : দিব্যা আপ। ছন্দ : ত্রিষ্টুপ]

    দিবো নু মাং বৃহতত অন্তরিক্ষাদপাং স্তোকো অভ্যপপ্তদ রসেন। সমিন্দ্রিয়েণ পয়সাহমগ্নে ছন্দোভিৰ্ষজ্ঞৈঃ সুকৃতাং কৃতেন ॥ ১৷ যদি বৃক্ষাদভ্যপপ্তৎ বলং তদ্ যদ্যন্তরিক্ষাৎ স উ বায়ুরেব। যত্ৰাম্পৃক্ষৎ তো যচ্চ বাসস আপা নুদন্তু নিৰ্ব্বতিং পরাচৈঃ ॥ ২॥ অভ্যঞ্জনং সুরভি স সমৃদ্ধিৰ্হিরণ্যং বৰ্চস্তদু পূমিমেব। সর্বা পবিত্রা বিধ্যস্মৎ তন্মা তারীন্নিঋতিৰ্মো অরাতিঃ ॥ ৩৷৷

    বঙ্গানুবাদ –বৃহৎ অন্তরিক্ষ হতে যে জলবিন্দু আমার শরীরের উপর পতিত হয়েছে, তার সংলগ্নের প্রক্ষালন রূপ, হে অগ্নি! আমি তোমার প্রসাদে ইন্দ্রের তেজরূপ অমৃতের সাথে যুক্ত হচ্ছি। গায়ত্রী ইত্যাদি মন্ত্রের পূর্ণ অনুষ্ঠানের দ্বারা আমি পুণ্য ফলের সাথে যুক্ত হবো ॥১॥

    বর্ষার একট বিন্দু যদি বৃক্ষের অগ্রভাগ হতে আমার উপর পতিত হয়ে থাকে, তবে সেই বিন্দু বৃক্ষেরই রে ফলের সমান তোক এবং যদি সেই বিন্দু আকাশ হতে পতিত হয়, তবে তা বায়ুর ফলস্বরূপ হোক। শরীরের যে অঙ্গের উপর বা দেহের যে বস্ত্রের উপর তার (অর্থাৎ সেই বারিবিন্দুর) স্পর্শ লেগেছে, সেই প্রক্ষালনার্থে প্রযুক্ত জলের ন্যায় পাপ, দেবতা নির্ঋতি আমাদের নিকট হতে অপসারিত করে দিন। ২।

    এই বর্ষণের বিন্দু আমার অঙ্গে পতিত হয়ে শরীরে মালিশ করার নিমিত্ত সরিষা তিল ইত্যাদির সাধনস্বরূপ (অভ্যঞ্জনস্বরূপ) হোক। এই তৈল চন্দন ইত্যাদি, আমাদের সম্পন্নতা এবং সুবর্ণালঙ্কার ইত্যাদিরই বলস্বরূপ হোক। এই বর্ষার জল পবিত্র করণশালী হয়ে থাকে, এই জলের পবিত্র স্পর্শের কারণে পাপদেবতা নির্ঋতি ও শত্রুগণও আমাদের প্রতি যেন আক্রমণকারী হয় ৷ ৩৷৷

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ— এতৎ ভাগং এতৎ সংস্থাঃ ইতি দ্বাভ্যাং সব্যজ্ঞেষু সংস্থিতহোমান্ জুহুয়াৎ। তদনুমন্ত্রনং চ কুর্যাৎ। সূত্রিতং হি। তথা অগ্নিষ্টোমে হবিধানে স্বস্বচমসসমীপে চমসিভিঃ স্বকীয়া পিতৃণ উদ্দিশ্য পুরোডাশশকলেষু দত্তেষু সংসু আভ্যাং অনুমন্ত্রয়েৎ। উক্তং বৈতানি।…দিবো না মাং বৃহতঃ ইতি তৃচেনআকাশোদকপ্লাবনদোষশাস্ত্যর্থং উদকং অভিমন্ত্র শরীরং প্রক্ষালয়েৎ। তথা তত্রৈব কর্মণি অনেন তৈলং শান্তৌষধিৰ্গন্ধং হিরণ্যং বাসোবা অভিমন্যু তৈঃ, শরীরং উদ্বর্তয়েত। সূত্রিতং হি।…ইত্যাদি। (৬কা, ১২অ. ৯-১১সূ)। টীকা— নবম ও দশম সূক্তের মন্ত্রগুলির দ্বারা সূত্রানুসারে সকল যজ্ঞে হোম করণীয়। তথা অগ্নিষ্টোমে হবিধানে আপন আপন চমসসমীপে পিতৃগণের উদ্দেশে সূত্র অনুসারে এই মন্ত্রগুলির দ্বারা অনুমন্ত্রণ করণীয়। একাদশ সূক্তের মন্ত্ৰসমুদয় আকাশ-জলের প্লাবনজনিত দোষ শান্তির নিমিত্ত সূত্রকে অনুসরণ মতো জল অভিমন্ত্রিত করে শরীরে প্রক্ষালন করার জন্য বিনিযুক্ত হয়ে থাকে।-দশম সূক্তের তৃতীয় ও চতুর্থ মন্ত্র দুটি বহু গ্রন্থেই একত্রে উল্লিখিত হয়ে যথেষ্ট সংশয়ের সৃষ্টি করেছে। আমরা কিন্তু দুটিকেই স্বতন্ত্র ভাবে দেখিয়েছি। ঐ তৃতীয় মন্ত্রে পুত্র ইত্যাদির অনুষ্ঠিত শ্রাদ্ধ প্রভৃতির জন্য সুকৃতির ফল হতে বিচ্যুত না হওয়ার প্রার্থনা প্রসঙ্গে সায়ণাচার্য বলেছেন–এই হেন মন্ত্রপাঠ-সামর্থ্যে মাতৃপিতৃ সম্পর্কিত ব্যভিচার দোষ থাকলেও সর্ব কর্ম অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে–সত্যপি মাতাপিত্ৰোৰ্যভিচারে এতন্মন্ত্রপাঠসামনে যথাস্বমেব সর্বং কর্মানুষ্ঠিতং ভবতীত্যর্থঃ। (৬কা, ১২অ. ৯-১১সূ)।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহারুকি মুরাকামির শ্রেষ্ঠ গল্প – অনুবাদ : দিলওয়ার হাসান
    Next Article শ্যামাপ্রসাদ : বঙ্গবিভাগ ও পশ্চিমবঙ্গ – দীনেশচন্দ্র সিংহ
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }