Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অথর্ববেদ সংহিতা (সম্পাদনা : দিলীপ মুখোপাধ্যায়)

    দিলীপ মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1733 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৭।০৩ সপ্তম কাণ্ড : তৃতীয় অনুবাক

    তৃতীয় অনুবাক
    প্রথম সূক্ত : দুঃস্বপ্ননাশনম্
    [ঋষি : যম। দেবতা : দুঃস্বপ্ননাশনম্। ছন্দ : অনুষ্টুপ ]

    দৌম্বপ্ন্যং দৌজীবিত্যং রক্ষো অভৃমরায্যঃ। দুর্ণামীঃ সর্বা দুর্বাচস্তা অস্মন্নাশয়ামসি ॥১॥

    বঙ্গানুবাদ –দুঃস্বপ্নদর্শন (ব্যাধিপীড়িত ইত্যাদিরূপে স্বপ্নে নিজেকে দর্শন), রাক্ষস ইত্যাদি দর্শন, অভিচার ক্রিয়া হতে উৎপন্ন ভয়, পিশাচসমূহ দর্শন, কষ্টের জীবন, হিংসকের উপদ্রব, দারিদ্র্য, দুষ্ট নামের উচ্চারণ ও মন্দ ভাষণের দোষকে আমরা (এই অভিচারগ্রস্ত পুরুষ হতে) বিনাশ করছি। ১

    .

    দ্বিতীয় সূক্ত : সবিতা

    [ঋষি : ব্ৰহ্ম। দেবতা : সবিতা। ছন্দ : ত্রিষ্টুপ]

    যন্ন ইন্দ্রো অখনদ যদগ্নির্বিশ্বে দেবা মরুততা যৎ স্বর্কাঃ। তদস্মভ্যং সবিতা সত্যধর্মা প্রজাপতিরনুমতিনি যচ্ছাৎ ॥১॥

    বঙ্গানুবাদ— পরমেশ্বর্য ইত্যাদি গুণবিশিষ্ট ইন্দ্র, অঙ্গনাদি গুণবিশিষ্ট অগ্নি, বিশ্বদেব নামক গণদেবগণ, একোনপঞ্চাশৎসংখ্যক মরুৎ-বর্গ, সুমন্ত্র বা সুদেব নামধারী দেবগণ আমাদের যে ফল প্রদান করেছেন, সেই ফল আমাদের সর্বপ্রেরক সবিতা, যথার্থকৰ্মা বা সত্যধর্মা প্রজাপতি ও অনুমতি দেবী স্থাপন করুন। ১।

    .

    তৃতীয় সূক্ত : বিষ্ণুঃ

    [ঋষি : মেধাতিথি। দেবতা : বিষ্ণু, বরুণ। ছন্দ : ত্রিষ্টুপ, গায়ত্রী, শক্করী ]

    যয়োরোজসা স্কভিতারজাংসি যৌ বীর্যেবীরতমা শবিষ্ঠা। যৌ পত্যেতে অতীতৌ সহোভিবিষ্ণুমগন্ বরুণং পূর্বতিঃ ॥ ১১ যস্যেদং প্রদিশি যৎ বিরোতে প্ৰ চানতি বি চ চষ্টে শচীভিঃ। পুরা দেবস্য ধর্মণ সহোভিবিষ্ণুমগন বরুণং পূর্বতিঃ ॥ ২॥

    বঙ্গানুবাদ –বিষ্ণু ও বরুণ, এই যে দুই দেবতার বলের দ্বারা এই লোক-লোকান্তর স্থিত হয়ে আছে, যে দুই দেবতা বলের দ্বারা আপন কর্তব্য ও ফলের বিশেষত্ব দর্শন করে থাকেন, যাঁদের পরাক্রমের দ্বারা এই সংসার ত্রিকালব্যাপী সচেষ্ট (বা সচল) হয়ে আছে, সেই সর্বব্যাপ্ত বিষ্ণু ও অনর্থনিবারক বরুণ দেবের উদ্দেশে ফলাথীগণের মধ্যে প্রথম আহ্বানকারী এই হোতা হবিঃ প্রদান করুন। ১।

    যে বিষ্ণু ও বরুণের আজ্ঞায় এই বিশ্ব বিশেষভাবে প্রকাশিত হচ্ছে ও প্রাণধারণ করছে। এবং আপন কর্তব্য ও ফলের বিশেষ রূপ দর্শন করছে; সেই যে দুই দেবতার বলে বিশ্বজগৎ ভূত-ভবিষ্য-বর্তমানকালে দীপ্তি ইত্যাদি ব্যাপারের আস্পদ হয়ে আছে, সেই বিষ্ণু ও বরুণদেবকে এই প্রথম আহ্বানকারী ফলার্থী হোতা হবিঃ সমর্পণ করুন। ২৷৷

    .

    চতুর্থ সূক্ত : বিষ্ণুঃ

    [ঋষি : মেধাতিথি। দেবতা : বিষ্ণু। ছন্দ : ত্রিষ্টুপ, গায়ত্রী, শক্করী]

    বিষ্ণোর্ন কং প্ৰা বোচং বীর্যাণি যঃ পার্থিবানি বিমমে রজাংসি। যো অস্কভায়দুত্তরং সধস্থং বিচক্ৰমাণস্ত্রেধোরুগায়ঃ ॥ ১৷৷ প্র তদ বিষ্ণু স্তবতে বীর্যাণি মৃগোন ভীমঃ কুচরো গিরিষ্ঠাঃ। পরাবত আ জগভ্যাৎ পরস্যাঃ ॥ ২॥ যস্যোরু ত্ৰিষু বিক্রমণেম্বধিক্ষিয়ন্তি ভুবনানি বিশ্বা। উরু বিষ্ণো বি ক্রমস্বারু য়ায় নস্কৃধি। ঘৃতং ঘৃতযোনে পিব প্র যজ্ঞপতিং তির ॥ ৩॥ ইদং বিষ্ণুর্বি চক্ৰমে ত্রেধা নি দধে পদা। সমূঢ়মস্য পাংসুরে॥ ৪ ৷৷ ত্রীণি পদা বি চক্রমে বিষ্ণুগোপা অদাভ্যঃ। ইতো ধর্মাণি ধারয় ॥ ৫বিষ্ণোঃ কর্মাণি পশ্যত যত ব্ৰতানি পম্পশে। ইন্দ্রস্য যুজ্যঃ সখা ॥ ৬৷৷ তদ বিষ্ণোঃ পরমং পদং সদা পশ্যন্তি সূরয়ঃ। দিদীব চক্ষুরাততম্ ॥৭৷৷ দিবো বিষ্ণু উত বা পৃথিব্যা মহো বিষ্ণ উয়োরন্তরিক্ষাৎ। হস্তৌ পৃণস্ব বহুভির্বসব্যৈরাপ্রযচ্ছ দক্ষিণাদোত সব্যাৎ ॥ ৮

    বঙ্গানুবাদ –সর্বব্যাপক বিষ্ণুর পরাক্রমের কথা আমি যথাযথ বলছি। বলছি যে, তিনিই পার্থিব লোকসমূহ সহ অগ্নি, বিদ্যুৎ ও সূর্যরূপ জ্যোতি রচনা করেছেন; ইনিই পৃথিবী, স্বর্গ ও অন্তরিক্ষে তিন পাদ বিক্ষেপ করে নির্মাণ (বা অধিকার) করে নিয়েছেন এবং এগুলির মধ্যে শ্রেষ্ঠ স্বর্গকে স্বয়ং ধারণ করে আছেন (অর্থাৎ আপনত্বে রক্ষা করছেন)। আমি সেই বিষ্ণুর বীর্যের কথা বলছি, যিনি মহাত্মগণের দ্বারা স্থূয়মান ॥১॥

    সেই মহান বিষ্ণুর পরাক্রমের প্রশংসা এই যে, সিংহ যেমন সর্বত্র বিচরণ করতে করতে বনের মধ্যে যেখানে ইচ্ছা সেখানে ক্ষণমাত্রেই উপনীত হয়ে যায়, সেই রকমে বহু দূরে অবস্থিত হলেও তিনি (অর্থাৎ বিষ্ণু) স্তুতিমাত্রই এই স্থানে আগমন করুন। ২।

    হে ভগবন! তিন পাদবিক্ষেপ স্থানে (অর্থাৎ পৃথিবী, অন্তরিক্ষ ও দিব্যলোকে) বিচরণ পূর্বক তুমি আমাদের নিবাসের সুবিধা ও ধন ইত্যাদি প্রদান করো। হে অগ্নিরূপ বিষ্ণু ভগবান! এই যজ্ঞে হোমকৃত ঘৃতকে তুমি গ্রহণ করো এবং যজমানকে সমৃদ্ধিশালী করে তোলো ॥ ৩॥

    সর্বব্যাপক ভগবান বিষ্ণু এই বিশ্বসংসারে বিক্রমণ করেছেন; তিনি এর উপর তিন পদ স্থাপন করেছেন (অর্থাৎ পৃথিবী, অন্তরিক্ষ ও দিবি লোকে বামনরূপে ত্রি-পাদ বিক্ষেপে আক্রমণ করেছেন–পৃথিব্যাং অন্তরিক্ষে দিবি চ বিষ্ণুবামনো ভুত্বেমাল্লোকাংস্ক্রিভিঃ ক্রমৈরভ্যজয়ৎ ইতি তেঃ)। এই বিক্রমমাণ বিষ্ণুর (অর্থাৎ ত্রিবিক্রম বিষ্ণুর) তিনটি পদে সমগ্র জগতের (অর্থাৎ তিনটি লোকের) স্থিতি নিষ্পন্ন হয়ে গিয়েছে ॥৪॥

    রক্ষক, অন্যের প্রভাবে আগমনশীল (বা অনভিভূত) ভগবান্ বিষ্ণু তিনটি পদ স্থাপন পূর্বক এই তিনটি লোক সহ অগ্নিহোত্র ইত্যাদি ধর্ম (বা কর্মসকল) ধারণ করে নিয়েছেন ॥ ৫

    হে স্তোতৃবর্গ! সর্বব্যাপক বিষ্ণু ভগবানের নানা কার্যসমূহকে প্রত্যক্ষ করো–যার দ্বারা তিনি তোমাদের গুণ ধর্মসমূহকে দর্শন করছেন বা কর্মসমূহকে সংযুক্ত করছেন। তিনি ইন্দ্রের যোগ্য সখা। (বিষ্ণু কীরকম? না- ইন্দ্রস্য দেবস্য যুজ্যঃ যোগ্যঃ অনুগুণঃ সখা সমানখ্যানো মিত্রভূতঃ) ॥ ৬৷

    জ্ঞানী, বুদ্ধিমান ব্যক্তিগণ সেই ভগবান বিষ্ণুর পরম স্থান (জ্ঞাতব্য তত্ত্ব) সর্বদা দর্শন করে থাকেন। যেমন দ্যুলোকে বিস্তৃত হয়ে থাকা চক্ষুরূপী সূর্য বিদ্যমান, সেই রকমে সর্বত্র ব্যাপ্ত সেই প্রকাশ তত্ত্বকে জ্ঞানী পুরুষ দর্শন করেন। ৭।

    হে বিষ্ণু ভগবান! দ্যুলোক, পৃথিবীলোক ও বিস্তৃত অন্তরিক্ষ লোক হতে আনীত ধনরাশিতে আপন হস্তদ্বয় পূর্ণ করো এবং সেই দক্ষিণ ও বাম দুই হস্তে তা প্রদান করো ॥ ৮

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ— দৌস্বপ্নং দৌজীবিত্যং ইতি ব্যাখ্যাতা (৪/১৭/৫)। অত্র ষন্ন ইন্দ্রঃ ইতি মন্ত্রোক্তা ইন্দ্রাদ্যা নব দেবতাঃ সফলকামো যজেত উপতিষ্ঠেত বা। তত্রৈব কর্মণি যয়োরোজসা ইতি দ্বাভ্যাং বিষ্ণুবরুণৌ যজেত উপতিষ্ঠেত বা। সর্বসম্পকামো বিষ্ণোর্ল্ড কং ইত্যষ্টৰ্চেন বিষ্ণুং যজতে উপতিষ্ঠেত বা। ..ইত্যাদি৷৷(৭কা, ৩অ, ১-৪সূ)।

    টীকা –উপযুক্ত প্রথম সূক্তটি চতুর্থা কাণ্ডের চতুর্থ অনুবাকের সপ্তদশ সূক্তের পঞ্চম মন্ত্রে ব্যাখ্যাত হয়েছে। (এই সূক্তটি দুর্গাদাস লাহিড়ী মহাশয় তাঁর গ্রন্থে দ্বিতীয় অনুবাকের অন্তর্ভুক্ত করে কিছুটা অসুবিধা সংঘটিত করেছেন)। ষন্ন ইন্দ্র সূক্তে সফলকামনায় ইন্দ্র ইত্যাদি নয়টি দেবতার উদ্দেশে যাগ বা উপাসনায় বিনিয়োগ করণীয়। যয়োরোজসা সূক্তের মন্ত্র দুটি বিষ্ণু ও বরুণের উদ্দেশে যাগ বা উপাসনায় বিনিয়োগ করণীয়। বিষ্ণোর্ল্ড কং সূক্তটির আটটি মন্ত্রের দ্বারা সর্বসম্পকামনায় ভগবান্ বিষ্ণুর উদ্দেশে যাগ বা উপাসনায় বিনিয়োগ করণীয়। এর মধ্যে ত বিষ্ণো পরমং পদং ইত্যাদি মন্ত্রটি ব্রাহ্মণগণ কর্তৃক সন্ধ্যাবন্দনাকালে বিষ্ণু-স্তুতির প্রসিদ্ধ মন্ত্র ॥ (৭কা, ৩অ. ১-৪সূ)।

    .

    পঞ্চম সূক্ত : ইড়া

    [ঋষি : মেধাতিথি। দেবতা : ইড়া। ছন্দ : ত্রিষ্টুপ ]

    ইড়ৈবাশ্ম অনু বস্তাং ব্ৰতেন যস্যাঃ পদে পুনতে দেবয়ন্তঃ। ঘৃতপদী শরী সোমপৃষ্ঠোপ যজ্ঞমস্থিত বৈশ্বদেবী ॥ ১৷৷

    বঙ্গানুবাদ –যে ধেনুর চরণের স্পর্শে দেবতাগণের নিকট কামনা-করণশীল যজমান পবিত্র হয়ে থাকেন, সেই ঘৃতপদী, সোমপৃষ্ঠা, ফলদান সমর্থা, বিশ্বদেবাত্মিকা ইড়া নাম্নী ধেনু আমাদের যজ্ঞকে সর্বত্র প্রকাশিত করুক। যেভাবেই হোক, আমরা যাতে আমাদের কৃতকর্মের ফল প্রাপ্ত হই, এই ধেনু তেমনই প্রযত্ন করুক ॥১॥

    .

    ষষ্ঠ সূক্ত: স্বস্তি

    [ঋষি : মেধাতিথি। দেবতা : বেদ। ছন্দ : ত্রিষ্টুপ]

    বেদঃ স্বস্তিঘন স্বস্তিঃ পরশুর্বেদিঃ পশুৰ্নঃ স্বস্তি। হবিষ্কৃতো যজ্ঞিয়া যজ্ঞকামাস্তে দেবাসো যজ্ঞমিমং জুষন্তাম্ ॥ ১৷৷

    বঙ্গানুবাদ –বেদ নামক দর্ভের মুষ্টি আমাদের পক্ষে অবিনাশের হেতু হোক। বৃক্ষ (দ্রুম) ছেদনের হাতিয়ার পরশু বা কুঠার এবং তৃণ ইত্যাদির ছেদনী বেদি আমাদের পক্ষে কল্যাণকারী হোক। এই সকল দেবাত্মক, বেদ দ্রুঘণ ইত্যাদি হবিঃ সমর্পণ-করণশালী আমার যজমানের যজ্ঞকর্মের সহায়ক হোক। ১।

    .

    সপ্তম সূক্ত : অগ্নাবিষ্ণু

    [ঋষি : মেধাতিথি। দেবতা : অগ্নাবিষ্ণু। ছন্দ : ত্রিষ্টুপ ]

    অগ্নাবিষ্ণু মহি তদ বাং মহিত্বং পাথো ঘৃতস্য গুহ্যস্য নাম। দমেদমে সপ্ত রত্না দধানৌ প্রতি বাংজিহ্বা ঘৃতমা চরণ্যাৎ ॥১॥ অগ্নাবিষ্ণু মহি ধাম প্রিয়ং বা বীথো ঘৃতস্য গুহ্যাঁ জুষাণৌ। দমেদমে সুষ্ঠুত্যা বাবৃধানে প্রতি বাং জিহু ঘৃতমুচ্চরণ্যাৎ ॥ ২॥

    বঙ্গানুবাদ –হে অগ্নি ও বিষ্ণু দেবতা! তোমাদের দুই জনের এইটাই মহতী কীর্তি বা মহনীয় মাহাত্ম্য যে, তোমরা উভয়ে গুহ্য ঘৃত (অর্থাৎ গোপনীয় গুহারূপ জুহুগত আজ্য বা ক্ষরণশীল পদার্থ) পান করে থাকো। তোমরা সকল যজমানের গৃহে (বা যজ্ঞগৃহে) গো, অশ্ব ইত্যাদি সপ্তসংখ্যক রমণীয় পশুরূপ রত্নকে ধারণ করে থাকো। তোমাদের দুই জনের জিহ্বা হৃয়মান (হোমে আহূত) আজ্য ভক্ষণ করুক ॥ ১৷

    হে অগ্নি ও বিষ্ণু দেবদ্বয়! তোমাদের দুইজনের ধাম (স্থান বা তেজঃ) অতি মহৎ বা মহনীয়, সকলের ইষ্ট বা প্রতিকারী। তোমরা ঘৃতের সান্নায্য চরু পুরোড়াশ ইত্যাদি স্বরূপে ভক্ষণ করে থাকো। তোমরা পরস্পর প্রীয়মাণ হয়ে সকল যজমানের গৃহে উত্তম স্তুতির দ্বারা বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়ে থাকো। তোমাদের জিহ্বা প্রত্যেক ঘৃত ভক্ষণ করুক ॥ ২॥

    .

    অষ্টম সূক্ত : অঞ্জনম

    [ঋষি : ভৃগ্বঙ্গিরা। দেবতা : দ্যাবাপৃথিবী, মিত্র, ব্ৰহ্মণস্পতি। ছন্দ : বৃহতী ]

    স্বাক্তং মে দ্যাবাপৃথিবী স্বাক্তং মিত্রো অকরয়। স্বাক্তং মে ব্ৰহ্মণস্পতিঃ স্বাক্তং সবিতা করৎ

    বঙ্গানুবাদ –দ্যাবাপৃথিবী আমার দুটি চক্ষু অথবা ঘূপ উত্তম অঞ্জনের দ্বারা রঞ্জিত করুক। সূর্যদেব, ব্ৰহ্মণস্পতি এবং সবিতাদেব, সকলেই আমাদের চক্ষুর স্বস্থতায় প্রযত্নশীল হয়ে অঞ্জন করুন ॥১॥

    .

    নবম সূক্ত : শত্রুনাশনম্

    [ঋষি : ভৃগ্বঙ্গিরা। দেবতা : ইন্দ্র। ছন্দ : ত্রিষ্টুপ ]

    ইন্দ্রোতিভিবহুলাভির্নো অদ্য যাচ্ছুষ্ঠাভিমৰ্ঘবছর জিম্ব। যো নো দ্বেষ্ট্যধরঃ সম্পদীষ্ট যমু দ্বিম্মস্তমু প্রাণো জহাতু। ১।

    বঙ্গানুবাদ –হে ইন্দ্র! তুমি বহুরকম রক্ষার দ্বারা আজ আমাদের সুরক্ষিত রাখো। হে ধনী, শূরবীর! শ্রেষ্ঠ রক্ষার দ্বারা আমাদের প্রীত করো। যে আমাদের দ্বেষ করে, তার অধঃপতন ঘটুক। আমরা যে শত্রুদের প্রতি দ্বেষ করি সে মৃত্যুপ্রাপ্ত হোক। ১।

    .

    দশম সূক্ত : দীর্ঘায়ুঃ

    [ঋষি : ব্রহ্মা। দেবতা : আয়ু। ছন্দ : অনুষ্টুপ ]

    উপ প্রিয়ং পনিতং যুবানমাহুতীবৃধম। অগন্ম বিভ্রতো নমঃ দীর্ঘমায়ুঃ কৃপোতু মে। ১.

    বঙ্গানুবাদ— সকলের প্রিয়, সকলের স্তুতির যোগ্য, চিরতরুণ এবং আহুতির দ্বারা বর্ধন প্রাপ্ত হওন-শীল অগ্নিদেবতার নিকট আমি নম্বতাপূর্বক হবিঃ-রূপ অন্ন সহকারে গমন করছি। সেই অগ্নিদেব আমাকে বা আমার এই মাণবককে শতসম্বৎসর পরিমিত আয়ুষ্মন করুন ৷ ১

    .

    একাদশ সূক্ত : দীর্ঘায়ুঃ

    [ঋষি : ব্রহ্মা। দেবতা : মরুৎ, পূষা, বৃহস্পতি ও অগ্নি। ছন্দ : পংক্তি ]

    সং মা সিঞ্চন্তু মরুতঃ সং পূষা সং বৃহস্পতিঃ। সং মায়মগ্নিঃ সিঞ্চভু প্রজয়া চ ধনেন চ দীর্ঘমায়ুঃ কৃপোতু মে ॥ ১।

    বঙ্গানুবাদ— মরুৎ-দেবগণ ফলাথী আমাকে (অর্থাৎ যজমানকে) পুত্র ইত্যাদি প্রজা ও ধন প্রদান করুন। পূষাদেব, বৃহস্পতি এবং অগ্নিদেবতাও আমাদের সুসন্ততি ও ধন-ধান্যে পূর্ণ করুন। তারা আমাকে বা আমার এই মাণবককে শতসম্বৎসর পরিমিত আয়ু প্রদান করুন। ১।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –তত্র আদ্যোঋচোঃ সর্বসম্পৎকর্মণি বিষ্ণোর্ন কংইত্যত্র বিনিয়োগোহভিহিতঃ। দর্শপূর্ণমাসয়ো বেদঃ স্বস্তিঃ ইতি বেদং বিমুঞ্চেৎ …সর্বব্যাধিভৈষজ্যার্থং ব্যাধিতশরীরং মৌঞ্জৈঃ পাশৈঃ পর্বসু। বদ্ধ অগ্নাবিষ্ণু ইতি দ্বাভ্যাং শরপিঙ্গুলীভিঃ সহ উদকঘটং সম্পত্য অভিমন্ত্র ব্যাধিতং আল্পাবয়েৎ অবসিঞ্চেৎ বা। তদ্ উক্তং সংহিতাবিধৌ।…গোদানাখ্যে সংস্কারকর্মণি স্বাক্তং ইত্যনয়া অঞ্জনং অভিমন্যু ব্রহ্মচারিণো হক্ষিণী।.অভিচারকর্মণি ইন্দ্রোতিভিঃ ইত্যনয়া অশনিহতবৃক্ষসমিধং আদধ্যাৎ। উপনয়নে আয়ুষ্কামস্য মাণবকস্য মূর্ধানং উপ প্রিয়ংইত্যনুমন্ত্রয়েত।… পুষ্টিকর্মণি তটাকাদিসর্বজনসাধারণোদকে মিশ্ৰধান্যং প্রক্ষিপ্য সং মা সিঞ্চন্তু ইত্যনয়া সম্পত্য অভিমন্ত্র পুষ্টিকামোহশ্নীয়াৎ..তথা অগ্নিচয়নে অভিষিচ্যমানং যজমানং ব্রহ্মা এনাং ঋচং বাচয়েৎ।…ইত্যাদি৷৷(৭কা, ৩অ. ৫-১১সূ)।

    টীকা –উপযুক্ত পঞ্চম সূক্তের মন্ত্রটির বিনিয়োগ পূর্বোক্ত সূক্তের মতো সর্বসম্পকর্মে বিহিত আছে। ষষ্ঠ সূক্তের মন্ত্র দর্শপূর্ণমাস ও স্বস্তিযাগে প্রয়োগ হয়। সপ্তম সূক্তের মন্ত্র দুটি সূত্রোক্তপ্রকারে ব্যাধিত জনের চিকিৎসা কর্মে বিনিয়োগ করণীয়। গোদানাখ্য সংস্কার কর্মে অষ্টম সূক্তটির বিনিয়োগ হয়। নবম সূক্তটি অভিচারকর্মে বজ্রাহত বৃক্ষকাষ্ঠের দ্বারা সূত্রোক্তপ্রকারে বিনিয়োগ করণীয়। উপনয়নে আয়ুষ্কামী মাণবকের নিমিত্ত দশম সূক্তটির বিনিয়োগ হয়। শেষোক্ত সূক্তমন্ত্রটির বিনিয়োগ ঐ দশম সূক্তের অনুরূপ হলেও এই সূক্তটি পুষ্টিকর্ম, অগ্নিচয়ন ইত্যাদিতেও বিনিযুক্ত হয়ে থাকে। (৭কা, ৩অ. ৫-১১সূ)।

    .

    দ্বাদশ সূক্ত : শত্রুনাশনম্

    [ঋষি : অথর্বা। দেবতা : জাতবেদা। ছন্দ : জগতী ]

    অগ্নে জাতা প্র ণুদা মে সপত্না প্রত্যজাতা জাতবেদো নুদ। অধম্পদং কৃণুম্ব যে পৃতন্যবোহনাগসস্তে বয়মদিতয়ে স্যাম৷ ১

    বঙ্গানুবাদ –হে অগ্নিদেব! আমাদের জাত অর্থাৎ নিষ্পন্ন শত্রুগণকে বিনষ্ট করে দাও। হে জাতবেদা অগ্নি! যারা এখনও আমাদের প্রকট শত্রু হয়নি, কিন্তু আন্তরিক শত্রুতা পোষণ করে থাকে; অথবা আমাদের শত্রুগণের যে পুত্রবর্গ এখনও জন্মগ্রহণ করেনি, কিন্তু পরে শত্রু হয়ে দাঁড়াবে, তাদেরও বিনাশ করে দাও। যারা আমাদের সাথে যুদ্ধ করতে ইচ্ছা করছে তাদের সকলকে আমাদের পদের তলদেশে পাতিত করো। তুমি সকল দেবতার প্রতাপের দ্বারা আমাদের সকলকে নিষ্পাপ হয়ে অদীনতার সাথে (অথবা দেবমাতা অদিতির প্রসাদ-ধন্য হয়ে) অবস্থানের যোগ্য করে দাও। ১

    .

    ত্রয়োদশ সূক্ত : স্বপত্নীনাশনম্

    [ঋষি : অথর্বা। দেবতা : জাতবেদা। ছন্দ : ত্রিষ্টুপ, অনুষ্টুপ ]

    প্রাণ্যাসপত্নান্তসহসা সহস্ব প্রত্যজাতা জাতবেদো নুদস্ব। ইদং রাষ্ট্রং পিপৃহি সৌভগায় এমনু মদন্তু দেবাঃ ॥১॥ ইমা যাস্তে শতং হিরাঃ সহস্রং ধমনীরুত। তাসাং তে সর্বাসামহমশনা বিলমপ্যধাম ॥ ২॥ পরং যোনেরবরং তে কৃপোমি মা ত্বা প্রজাভি ভূনোত সূনুঃ। অস্বং ত্বপ্রজসং কৃপোম্যম্মানং তে অপিধানং কৃপোমি ॥ ৩৷৷

    বঙ্গানুবাদ –হে জাতবেদা অগ্নিদেব! তুমি এইভাবে সেই শত্রুগণকে বিনাশ করে দাও, যারা আমাদের বিরুদ্ধাচারী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এইভাবে সেই শত্রুগণকে, যারা এখনও প্রকট (বা জাত) হয়নি, তাদেরও সমূলে শেষ করে দাও। আমাদের এই বাসভূমিকে সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্যে পরিপূর্ণ করে দাও। সকল দেবৃন্দ এই হেন শত্ৰুহনন কর্মে প্রযোক্তাকে (আভিচারিক কর্মকারীকে) অনুমোদন করুন। ১।

    হে বিদ্বেষবতী স্ত্রী! গর্ভধারণের নিমিত্ত তোমার যে শতসংখ্যক নাড়ী ও সহস্ৰসংখ্যক ধমনী আছে, সেগুলির মুখকে আমি (অর্থাৎ আভিচারিক কর্মের দ্বারা বন্ধ্যাত্ব-করণের প্রয়োগকর্তা) প্রস্তরের দ্বারা রুদ্ধ করে দিচ্ছি; যাতে তুমি গর্ভধারণে অক্ষম (অপারক) হয়ে যাও ৷ ২৷৷

    হে প্রতিকূলা নারী! তোমার পুত্রজননক্ষম গর্ভাশয় তোমার যোনিপ্রদেশের নীচে (নীচীনং) বা বৰ্হিভাগে স্থানান্তরিত করে দিচ্ছি; এর ফলে তুমি সন্তান-প্রজননে অশক্ত হয়ে যাবে। স্ত্রীব্যঞ্জনযুক্ত হলেও অশ্বতরী যেমন সন্তানরহিত হয়, তোমাকে তেমনই (বন্ধ্যা) করে দিচ্ছি। তোমার সম্বন্ধি গর্ভধারণস্থান পাষাণে আচ্ছাদিত করে দিচ্ছি ৷ ৩৷৷

    .

    চতুর্দশ সূক্ত : অঞ্জনম

    [ঋষি : অথর্বা। দেবতা : অক্ষি, মন। ছন্দ : অনুষ্টুপ ]

    অক্ষৌ নৌ মধুসংকাশে অনীকং নৌ সমঞ্জন। অন্তঃ কৃণুম্ব মাং হৃদি মন ইন্নৌ সহাসতি ॥ ১৷

    বঙ্গানুবাদ –হে পত্নী! (দম্পতিরূপ) তোমার ও আমার দুজনের নেত্র মধুর ভাবের দ্বারা যুক্ত হোক। আমাদের দুজনের নেত্রের অগ্রভাগ প্রেমাঞ্জনযুক্ত হোক এবং তুমি আমাকে আপন হৃদয়ে ধারণ করো। আমরা দুজনে যেন সমান মনঃশালী হয়ে যাই। ১।

    .

    পঞ্চদশ সূক্ত : বাসঃ

    [ঋষি : অথর্বা। দেবতা : বাস। ছন্দ : অনুষ্টুপ]

    অভি ত্বা মনুজাতেন দমি মম বাসস। যথাসো মম কেবলো নান্যাসাং কীর্তয়াশ্চন ॥ ১।

    বঙ্গানুবাদ –(আপন পতির উদ্দেশে স্ত্রীর উক্তি) হে পতি! তুমি কেবল আমারই হয়ে থাকো, এই নিমিত্ত আমি মন্ত্রের দ্বারা ধারণকৃত হওয়া এই বস্ত্রে তোমাকে বন্ধন করছি। যেভাবেই হোক, তুমি আমাকে পরিত্যাগ করে অন্য স্ত্রীর নামও উচ্চারণ করো না ॥ ১৷৷

    .

    ষোড়শ সূক্ত : কেবলঃ পতিঃ

    [ঋষি : অথর্বা। দেবতা : বনস্পতী (আসুরী)। ছন্দ : অনুষ্টুপ, উষ্ণীক ]

    ইদং খনামি ভেষজং মাংপশ্যমভিররারুদ। পরায়তত নিবর্তনমায়তঃ প্ৰতিনন্দন ॥ ১৷৷ যেনা নিচক্র আসুরীন্দ্রং দেবেভ্যম্পরি। তেনা নি কুর্বে ত্বামহং যথা তেহসানি সুপ্রিয়া ॥ ২॥ প্রতীচী সোমমসি প্রতীচ্যুত সূর্য। প্রতীচী বিশ্বান্ দেবান্ তাং জ্বাচ্ছাবদামসি। ॥ ৩৷৷ অহং বদামি নেৎ ত্বং সভায়ামহ ত্বং বদ। মমেদসং কেবলো নান্যাসাং কীর্তয়াশ্চন ॥ ৪৷ যদি বাসি তিরোজনং যদি বা নদস্তিরঃ। ইয়ং হ মহং ত্বমোষধিৰ্বন্ধেব ন্যানয়ৎ ॥ ৫

    বঙ্গানুবাদ –এই (সৌবচল নামক) ঔষধিকে আমি বশীকরণের নিমিত্ত খনন করছি। এই ঔষধি পতিকে বশীভূত করতে সমর্থ। এটি পতিকে অন্য নারীগমনে (বা অন্য নারীতে আসক্ত হতে) নিরস্ত করে তাকে আমার নিকট (অর্থাৎ পত্নীর সমীপে) প্রত্যাগমনে বাধ্য করে এবং পতির পক্ষে আনন্দকর হয় ॥ ১।

    অসুরের মায়া হতে উৎপন্ন এই আসুরী নামক ঔষধি, যার গুণের দ্বারা সকল দেবতাগণের উপর ইন্দ্র অধিক প্রভাবশালী হয়েছিলেন, অথবা পুলোমা নামক অসুরের কন্যা ইন্দ্রপত্নী শচীদেবী যে আসুরী নামক ঔষধির প্রভাবে ইন্দ্রকে বশীভূত করেছিলেন, হে পতি! তারই দ্বারা আমি তোমাকে আমার প্রভাবাধীন করছি, যাতে আমি তোমার প্রিয় ধর্মপত্নী হয়ে বিরাজমানা থাকবো ৷৷ ২৷

    হে শঙ্খপুপী নাম্নী ঔষধি! (অনয়া প্রকৃতা শঙ্খপুপাখ্যা ওষধিঃ স্তয়তে)। তুমি রাত্রির দেবতা সোমকে বশ করার নিমিত্ত গমন করছো এবং দিবাধিপতি সূর্যকেও বশীকরণের নিমিত্ত তাঁর অভিমুখী হচ্ছো। তুমি সকল দেবতাকে বশীকরণে সমৰ্থা। আমাদের পতিকে আমাদের দিকে আকৃষ্ট করার নিমিত্ত আমরা তোমা হেন ঔষধির নিকট নিবেদন করছি ॥ ৩॥

    হে স্বামি! তুমি এখানে আমার নিকট কিছু বলবে না, আমি বলবো; তুমি বিদ্বৎসমাজেই যেমন ইচ্ছা, তেমন বলবে। তুমি আমাকে অসাধারণ রূপে প্রাপ্ত হও। তুমি আমার সম্মুখে অন্য স্ত্রীর নামও গ্রহণ (বা উচ্চারণ) করবে না। ৪

    হে স্বামিন! যদি তোমাকে আমার দৃষ্টির বাহিরে কোথাও যেতে হয়, অথবা কোন নদী আমার ও তোমার মধ্যে এসে তোমাতে-আমাতে ব্যবধান রচনা করে, তবে এই শঙ্খপুষ্পী তোমাকে আবদ্ধ করে স্নেহময়ী আমার সম্মুখে আনয়ন করবে। ৫।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ— বিদ্বেষিণঃ পুমপত্যরাহিত্যায় অগ্নে জাতান ইত্যনয়া অশ্বতরীমূত্রং, পাষাণেন সঙ্ষ্য অভিমন্ত্র ওদনেন সহ বিদ্বেষিণ্যৈ প্রযচ্ছ।..বিদ্বেষিণ্যা বন্ধ্যাকরণকৰ্মাণ প্রাণান্ ইতি তৃচেন পূর্বৰ্মন্ত্রোক্তাণি কর্মাণি কুর্যাৎ। সূত্রিতং হি।… বিবাহে চতুর্থদিবসে অক্ষৌ নৌ ইত্যনয়া বরবর্ধ্বে অন্যোন্যং অক্ষিণী অঞ্জাতাং…(সৌভাগ্যসংবনন) কর্মণি ইদং খনামি ইতি পঞ্চর্চেন সৌবচলমূলং সম্পাত্য অভিমন্ত্র বধীয়াৎ। তথা তত্রৈব কর্মণি অনেন পঞ্চচেন শঙ্খপুষ্পীপুষ্পং অভিমন্যু স্ত্রিয়াঃ শিরসি বধীয়াৎ।… ইত্যাদি। (৭কা, ৩অ. ১২-১৬সূ)। টীকা –বিদ্বেষিণী অর্থাৎ শত্ৰুপত্নী যাতে পুরুষ-সন্তানরহিত হয়ে তার নিমিত্ত উপযুক্ত দ্বাদশ সূক্তটি সূত্রোক্তপ্রকারে বিনিযুক্ত হয়। পরবর্তী সূক্তের মন্ত্রটি আবার শত্ৰুপত্নীকে সম্পূর্ণ বন্ধ্যাকরণের নিমিত্ত পূর্বোক্ত মন্ত্রের সূত্রানুসারে বিনিয়োগ করণীয়। চতুর্দশ ও পঞ্চদশ সূক্ত দুটি অচ্ছেদ্য মিলনের নিমিত্ত বিবাহের চতুর্থ দিবসে বরবধূ একে অপরের চক্ষে অঞ্জন প্রদানে বিনিয়োগ করণীয়। শেষ সূক্তটির পাঁচটি মন্ত্র নব-দম্পতির সৌভাগ্যসংবনন কর্মে সূত্রানুসারে সৌবৰ্চলমূল, শঙ্খপুষ্পীপুষ্প ইত্যাদি অভিমন্ত্রিত পূর্বক বিনিয়োগ করণীয়।…ইত্যাদি। (৭কা, ৩অ. ১২-১৬সূ)।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহারুকি মুরাকামির শ্রেষ্ঠ গল্প – অনুবাদ : দিলওয়ার হাসান
    Next Article শ্যামাপ্রসাদ : বঙ্গবিভাগ ও পশ্চিমবঙ্গ – দীনেশচন্দ্র সিংহ
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }