Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অথর্ববেদ সংহিতা (সম্পাদনা : দিলীপ মুখোপাধ্যায়)

    দিলীপ মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1733 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৭।০৪ সপ্তম কাণ্ড : চতুর্থ অনুবাক

    চতুর্থ অনুবাক
    প্রথম সূক্ত : আপঃ
    [ঋষি : প্রস্কণ্ব। দেবতা : আপ, সুপর্ণ, বৃষভ। ছন্দ : ত্রিষ্টুপ ]

    দিব্যং সুপর্ণং পয়সং বৃহন্তমপাং গর্ভং বৃষভমোষধীনাম। অভীপততা বৃষ্ট্যা তৰ্পয়ন্তমা নো গোষ্ঠে রয়িষ্ঠাং স্থাপয়াতি ॥১॥

    বঙ্গানুবাদ— দিব্য, সুন্দর গমনশালী, ঔষধিসমূহকে প্রবুদ্ধ করণশালী, জলসমূহে মধ্যস্থ রূপ, বিশ্বকে তৃপ্ত করণশালী, বর্ষার কামনাকারী প্রাণীবর্গকে তৃপ্ত করণশালী সরস্বান্ দেবতাকে ইন্দ্র আমাদের গোষ্ঠে প্রতিষ্ঠিত করুন। ১।

    .

    দ্বিতীয় সূক্ত : সরস্বান্

    [ঋষি : প্রস্কণ্ব। দেবতা : সরস্বান। ছন্দ : ত্রিষ্টুপ ]

    যস্য ব্রতং পশবো যন্তি সর্বে যস্য ব্ৰত উপতিষ্ঠন্ত আপঃ। যস্য ব্রতে পুষ্টপতির্নিবিষ্টস্তং সরস্বমবসে হবামহে ॥১॥ আ প্রত্যঞ্চং দাশুষে দাশংসং সরস্বন্তং পুষ্টপতিং রয়িষ্ঠা। রায়ম্পোষং এবং বসানা ইহ হুবেম সদনং রয়ীণাম ॥ ২॥

    বঙ্গানুবাদ –যাঁর কর্মে সকল জল মিলিত হয়, সকল পশু যাঁর অনুগমন করে, বৃষ্টি ও পুষ্টির যিনি আশ্রয় স্বরূপ, সেই সরস্বান্ দেবতার নিকট আমাদের রক্ষণের নিমিত্ত আহূত করছি ৷৷ ১

    হবিদাতা যজমানের সন্তোষের নিমিত্ত, তার সম্মুখে গমনশীল, তাকে ঈপ্সিত ফল দানশালী, ধনস্থানে প্রতিষ্ঠিত, ধনকে পুষ্ট করণশালী, যজমানসমূহকে অন্ন-প্রদানের ইচ্ছাশীল সরস্বান্ দেবকে আমরা আহূত করছি। ২৷৷

    .

    তৃতীয় সূক্ত: সুপর্ণঃ

    [ঋষি : প্রস্কণ্য। দেবতা : শ্যেন। ছন্দ : জগতী, ত্রিষ্টুপ ]

    অতি ধন্বন্যত্যপস্ততর্দ শ্যেনো নৃচক্ষা অবসানদর্শঃ। তর বিশ্বান্যবরা রজাংসীন্দ্রেণ সখ্যা শিব আ জগম্যাৎ ॥ ১। শ্যেনো নৃচক্ষা দিব্যঃ সুপর্ণঃ সহস্রপাচ্ছতযোনির্বয়োধাঃ। স নো নি যচ্ছাদ বসু যৎ পরাভূতমম্মাকমস্তু পিতৃ স্বধাবৎ ॥ ২॥

    বঙ্গানুবাদ –সকল প্রাণীর দ্রষ্টব্য, প্রশংসনীয় গতিসম্পন্ন সূর্য মরুদেশেও জল বর্ষণ করুন। তিনি আপন মিত্র ইন্দ্রের সাথে আমাদের মঙ্গলকারী হোন, নবীন গৃহ নির্মাণের স্থানে আগমন করুন। ১।

    অনন্ত রশ্মিশালী, সুন্দর গতিশালী, অপরিমিত ফলের সাথে সংযুক্ত করণশালী, অন্নধারক সূর্য আমাদের চিরস্থায়ী করুন। আরও, যে ধন চোর ইত্যাদি অপরের দ্বারা অপহৃত হয়ে গেছে, অথবা যে ধন হোমকালে হস্তচ্যুত হয়ে পুরোডাশ ইত্যাদির খণ্ড হতে পতিত হয়েছে, সেই ধন আমাদের পিতৃপুরুষগণের উদ্দেশে স্বধাকারে হুত (অর্থাৎ মন্ত্রোচ্চারণপূর্বক অগ্নিতে প্রক্ষিপ্ত স্বরূপ) হোক।

    .

    চতুর্থ সূক্ত : পাপমোচনম

    [ঋষি : প্রস্কণ্ব। দেবতা : সোম ও রুদ্র। ছন্দ : ত্রিষ্টুপ]

    সোমারুদ্ৰা বি বৃহতং বিমূচীমমীবা যা নো গয়মাৰিবেশ। বাধেথাং দূরং নিঋতিং পরাচৈঃ কৃতং চিদেনঃ প্র মুমুক্তমস্মৎ ॥১॥ সোমারুদ্ৰা যুবমেন্যস্মদ বিশ্বা তনুষু ভেষজানি ধৰ্ত্তম। অব স্যতং মুঞ্চতং যন্নো অসৎ তনুষু বদ্ধং কৃতমনো অস্মৎ ॥ ২॥

    বঙ্গানুবাদ –হে সোমদেব! হে রুদ্রদেব! আমাদের শরীররূপ গৃহে ব্যাপ্ত অমীবা (অর্থাৎ বৃহৎ বিনাশকারী রোগ বিশেষ)-কে বিনষ্ট করো। রোগের কারণভূতা (নির্ঋতিরূপা) পিশাচীকে আমাদের নিকট হতে দূরে অপসারিত করে দাও, যেন সে আর না প্রত্যাবর্তিত হয়ে আসতে পারে এবং আমাদের কৃত পাপকেও আমাদের নিকট হতে পৃথক করো ॥ ১।

    হে সোম! হে রুদ্র! আমাদের শরীরে আবদ্ধ আমাদের অর্জিত পাপকে আমাদের নিকট হতে মুক্ত করো; আমাদের (সেই পাপ-সম্বন্ধী) রোগসমূহকে দূর করার নিমিত্ত ঔষধিসমূহকে আমাদের শরীরে ধারণ করাও ২

    পঞ্চম সূক্ত: বাক

    [ঋষি : প্রস্কণ্ব। দেবতা : বাক্। ছন্দ : ত্রিষ্টুপ]

    শিবান্ত একা অশিবান্ত একাঃ সর্বা বিভর্ষি সুমনস্যমানঃ। তিম্রো বাচো নিহিতা অন্তরস্মিন্ তাসমেকা বি পপাতানু ঘোষ ॥১॥

    বঙ্গানুবাদ –হে পুরুষ! তুমি ব্যর্থই (অর্থাৎ অকারণেই) নিন্দিত হয়েছে। তোমার সম্বন্ধে স্তুতি রূপ ও নিন্দা রূপ যে দুই রকমের বাক্য (কথা) বলা হয়ে থাকে, তুমি সেই দুই রকমের কথাই (বাক্যই) প্রসন্ন মনে গ্রহণ করো। সেই অকল্যাণকর কথা বা বাক্যসমূহের তিনটি অবস্থা নিন্দাকারীর অন্তরে বিদ্যমান থাকে, অপর একটি অবস্থা বৈখরীরূপা ধ্বনি (জনসম্মধ্বনি) অনুলক্ষ্য করে নিন্দারূপে বাহিরে প্রকাশ পায়। (অর্থাৎ মূলতঃ অবস্থাচতুষ্টয়াত্মক ঐ দুই প্রকারের বাক্য পরা-পশ্যন্তী ও মধ্যমা ভেদে তিনি অবস্থায় বাক্য-প্রয়োগকারীর মধ্যে থাকে, এবং সম্বন্ধিত ব্যক্তিতে অর্থাৎ নিন্দিত ব্যক্তিতে তার এক অবস্থাই (বৈখরী) হয়ে থাকে) ॥১॥

    .

    ষষ্ঠ সূক্ত : ইন্দ্রাবিষ্ণু

    [ঋষি : প্রস্কণ্ব। দেবতা : ইন্দ্র, বিষ্ণু। ছন্দ : ত্রিষ্টুপ ]

    উভা জিগ্যথুর্ন পরা জয়েথে ন পরা জিগ্যে কতরশ্চনৈনয়োঃ। ইন্দ্ৰশ্চ বিষ্ণো যদপস্পৃধেথাং ত্রেধা সহস্রং বি তদৈরয়েথাম্ ॥১॥

    বঙ্গানুবাদ –হে ইন্দ্র! হে বিষ্ণু! তোমাদের কখনও পরাভব ঘটেনি, তোমরা সদাই বিজয় প্রাপ্ত হয়ে থাকো। তোমাদের দুইজনের মধ্যে একে অপরের দ্বারা নির্জিত হওনি। হে ইন্দ্র ও বিষ্ণু! তোমরা যে বস্তুর নিমিত্ত অসুরগণের সাথে স্পর্ধা করে থাকে, সেই বস্তু লোক-বেদ ও বাপে তিন প্রকারে বিভক্ত হয়ে থাকলেও, তা অপরিমিত হয়ে থাকে ॥১॥

    .

    সপ্তম সূক্ত : ঈর্ষানিবারণম

    [ঋষি : প্রস্কণ্ব। দেবতা : ঈর্ষাপনয়নম। ছন্দ : অনুষ্টুপ ]

    জনাদ বিশ্বজনীনাৎ সিন্ধুতস্পর্যাতৃত। দূরা ত্বা মন্য উদ্ভূতমীর্ষায় নাম ভেষজম্ ॥ ১৷৷ অগ্নেরিবাস্য দহততা দাবস্য দহতঃ পৃথক। এতামেতস্যের্ষামুন্নাগ্নিমিব শময় ॥ ২॥

    বঙ্গানুবাদ –সকলের হিতসাধক জনপদ, সমুদ্র ও দূর দেশ হতে সংগৃহীত সত্তুমন্থ নামক হে ওষধি! তোমাকে আমি জ্ঞাত আছি। তুমি হেন এই ঔষধি ক্রোধকে দূর করতে সমর্থ ॥১॥

    ঈর্ষাকে নিবারণ করণশালী হে দেব! তুমি আমার সকল কার্যকে ভস্মকারী এই ঈর্ষালুর ঈর্ষাকে তপ্তপরশু-কথিত জলের দ্বারা শান্ত করে দাও, যেমন অগ্নিকে জলের দ্বারা শান্ত করা হয় ॥২॥

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ— দিব্যং সুপর্ণং ইতি আদ্যসূক্তে আদ্যয়ৰ্চা পুষ্টিকৰ্মাণ বৃষভপয়া ইন্দ্ৰং যজেতা…অন্যরম্ভণীয়েষ্টৌ সারস্বতং পুরোশং যস্য ব্রতংইতি অনুমন্ত্রয়েত।..মবগৃহকরণার্থং ভূশুদ্ধয়ে যে অতি ধন্বনি ইতি দ্বাভ্যাং ঝং গৃহনির্মাণস্থানে শ্যেনদেবতাকং চরুং জুহুয়াৎ। সূত্রিতং হি।…সর্বব্যাধিভৈষজ্যার্থং ব্যধিতশরীরং মৌঞ্জৈঃ পাশৈঃ পর্বসু রদ্ধা সোমারুদ্রা ইতি দ্বাভ্যাং শরপিঞ্জলীভিঃ সহ উদঘটং সম্পত্য অভিমন্যু ব্যাধিতং আপ্লাবয়েৎ অবসিঞ্চেত বা। তদ উক্তং সংহিতাবিধৌ।…মিথ্যাভিশস্তস্য লোকনিন্দানিবৃত্ত্যর্থং শিবাস্তে ইত্যনয়া ওদনং মন্থং বা অভিমন্যু দদ্যাৎ। সংমস্যকর্মণি উভা জিগ্যথুঃ ইত্যনয়া হস্ত্যাদিয়ানং সম্পত্য অভিমন্ত্র সাংমানস্যকামান্ আরোপ্য সূত্রোক্তপ্রকারেণ স্বগৃহ আগত্য ওদনং. মন্থং বা সম্পত্য অভিমন্ত্র সহ ভোজয়েৎ। সূত্রিতং হি।..ঈর্ষাবিনাশার্থং জনাদ বিশ্বজনীনাৎ ইত্যেনাং ঈৰ্য্যালুং পশ্যন জপেৎ..সূত্রিতং হি। তথা ঈর্ষাবিনাশকর্মণি তপ্তপরশুনা কাথিতং উদকং অগ্নেরিবাস্য দহতঃ ইত্যনয়া অভিমন্ত্র ঈর্ষালুং পায়য়েৎ। …ইতি (কৌ. ৪/১২) সূত্রাৎ (৭কা. ৪অ. ১-৭সূ)।

    টীকা— প্রথম সূক্তের মন্ত্রটি পুষ্টিকর্মে ইন্দ্রের উদ্দেশে যাগ করণে বিনিয়োগ করণীয়। দ্বিতীয় সূক্তের মন্ত্র দুটি সারস্বত পুরোডাশে বিনিযুক্ত হয়। নবগৃহ নির্মাণকর্মে ভূশুদ্ধির নিমিত্ত তৃতীয় সূক্তের মন্ত্রদ্বয় শ্যেনদেবতার উদ্দেশে চরু সমর্পণে সূত্রোক্তপ্রকারে বিনিয়োগ করণীয়। সকল প্রকার ব্যাধির ভৈষজ্যার্থে চতুর্থ সূক্তের মন্ত্রের দ্বারা শরপিঞ্জলীর সহযোগে জল অভিমন্ত্রিত পূর্বক সূত্রানুসারে ব্যাধিতকে স্নান করানো বা তার শরীরে অবসিঞ্চন করণীয়। মিথ্যাভিশস্ত ব্যক্তির লোকনিন্দা নিবৃত্তির নিমিত্ত শিবাস্তে ইত্যাদি সূক্তের মন্ত্রটি সূত্রোক্তপ্রকারে বিনিয়োজ্য। ষষ্ঠ সূক্তের মন্ত্রটি সাংমনস্যকামী জনের পক্ষে সূত্রোক্তপ্রকারে বিনিয়োগ করণীয়। ঈর্ষাবিনাশার্থে জনাদ বিশ্বজনীনাৎ সূক্তের প্রথম মন্ত্রটি ঈর্ষালু জনকে দর্শনমাত্রই জপনীয়। দ্বিতীয় মন্ত্রটি (অগেরিবাস্য) ঈর্ষানিবারণকর্মে সূত্রোক্তপ্রকারে বিনিয়োগ করণীয়। প্রসঙ্গতঃ উল্লেখ্য, এই শেষোক্ত মন্ত্রটি স্বর্গীয় দুর্গাদাস স্বতন্ত্র সূক্তরূপে গ্রথিত করেছেন। এতে ঋষি, দেবতা, ছন্দ ইত্যাদির উল্লেখে ত্রুটি থেকে যায়, অবশ্য তিনি এগুলির উল্লেখে অধিকাংশ স্থলেই নিরস্ত থেকেছেন। (৭কা. ৪অ. ১-৭সূ)।

    .

    অষ্টম সূক্ত : সিনীবালী

    [ঋষি : অথর্বা। দেবতা : সিনীবালী। ছন্দ : অনুষ্টুপ, ত্রিষ্টুপ ]

    সিনীবালি পৃথুঠুকে যা দেবানামসি স্বসা। জুষ হব্যমাহুতং প্রজাং দেবি দিদিড়টি নঃ ॥১॥ যা সুবাহুঃ স্বরিঃ সুষুমা বহুসূবরী। তস্যৈ বিল্পরৈ হবিঃ সিনীবাল্যৈ জুহোতন ॥ ২॥ যা বিপত্নীন্দ্রমসি প্রতীচী সহস্রস্তুকাভিয়ন্তী দেবী। বিষ্ণোঃ পত্নি তুভ্যং রাতা হবীংষি পতিং দেবি রাধসে চোদ্দয়স্ক ॥ ৩৷৷

    বঙ্গানুবাদ –হে পৃথুজঘনা সিনীবালি! (চতুর্দশীযুক্তা বা প্রতিপদযুক্তা অমাবস্যায় স্ত্রীত্ব আরোপিত হয়েছে)। তুমি দেবতাগণের সমান কার্যশালিনী হওয়ার কারণে তাদের ভগিনীস্বরূপা। তুমি আমাদের পুত্র ইত্যাদি প্রদান করো। তুমি আমাদের প্রদত্ত হবিঃ গ্রহণ করো। ১।

    হে ঋত্বিক! হে যজমান! এই সিনীবালী সুন্দর হস্তশালিনী, সুযোনি সম্পন্না, এবং সুশোভিত অঙ্গুলিসমূহের সাথে যুক্তা। এই প্রজা-পালনকারিণী সিনীবালী দেবীর উদ্দেশে হবিঃ প্রদান করো। ২।

    এই সিনীবালী ইন্দ্রের সম্মুখে গমন পূর্বক তার পূজা করে থাকেন। ইনি প্রজাগণকে পালন করে থাকেন। হে দেবপত্নী সিনীবালি! তুমি আপন স্বামী ইন্দ্রকে আমাদের ধন দানের নিমিত্ত প্রেরণা প্রদান করো। আমরা তোমার উদ্দেশে হবিঃ প্রদান করছি ৷ ৩৷৷

    .

    নবম সূক্ত : কুহুঃ

    [ঋষি : অথর্বা। দেবতা : কুহু। ছন্দ : জগতী, ত্রিষ্টুপ]

    কুহূং দেবীং সুকৃতং বিদ্মনাপসমস্মিন্ যজ্ঞে সুহবা জোহবীমি। সা নো রয়িং বিশ্ববারং নি যচ্ছাদ দদাতু বীরং শতদায়মুকথ্যম্ ॥১॥ কুহুর্দোনামমৃতস্য পত্নী হব্যা নো অস্য হবিষো জুষেত। শৃণোতু যজ্ঞমুশতী নো অদ্য রায়ম্পোষং চিকিতুষী দধাতু ॥ ২॥

    বঙ্গানুবাদ –চন্দ্রমা-হীন অমাবস্যা (অর্থাৎ কুহু নামে খ্যাত নষ্টচন্দ্রা অমাবস্যায় স্ত্রীত্ব আরোপিত) সুন্দর কর্ম ও শ্রেষ্ঠ আহ্বানশালিনী। আমি তাকে এই দর্শর্যাগে সর্বাভিলষিতসাধনে আহ্বান করছি। তিনি আমাকে বরণীয় ধন ও পরাক্রমী পুত্র প্রদান করুন ॥১॥

    সেই কুহূদেবী সকল ভূতসমুদায় ও অমৃতের পোষণকত্রী; তিনি অমৃতরূপ জলকে পুষ্ট করছেন। তিনি আমাদের যজ্ঞকে জ্ঞাত হয়ে আমাদের আহ্বান শ্রবণ করুন, আমাদের হবিঃ গ্রহণ করুন এবং আমাদের ধনের পোষণ করুন। ২।

    .

    দশম সূক্ত : রাকা

    [ঋষি : অথর্বা। দেবতা : রাকা। ছন্দ : জগতী]

    রাকামহং সুহবা সুষ্ঠুতী হুবে শৃণোতু নঃ সুভগা বোধতু অনা। সীব্যত্বপঃ সূচ্যাচ্ছিদ্যমানয়া দদাতু বীরং শতদায়মুথ্যম্ ॥ ১৷৷ যাস্তে রাকে সুমতয়ঃ সুপেশনো যাভিদদাসি দাশুষে বসূনি। তাভির্নো অদ্য সুমনা উপাগহি সহস্রাপোষং সুভগে ররাণা ॥ ২॥

    বঙ্গানুবাদ –আমি রাকাদেবীকে সুন্দর মন্ত্রের দ্বারা আহ্বান করছি। (পূর্ণ চন্দ্রশালিনী পূর্ণিমা। তিথি রাকা নামে খ্যাতা)। সেই সুভগা (সুজ্ঞানাদিকা) দেবী আমাদের স্তুতি শ্রবণ করুন এবং আমাদের অভিপ্রায়কে জ্ঞাত হোন; যেমন বস্ত্র ইত্যাদি সীবন (অর্থাৎ সেলাইয়ের কার্য) যোগ্যতার দ্বারা হয়ে থাকে, তেমনই অচ্ছিদ্যমান সূচীস্থানীয় নাড়ীর সীবনে এই প্রজননরূপ কর্ম করে আমাদের যশস্বী পুত্র প্রদান করুন। (যথা বস্ত্রাদিকং সূচ্যা সূতং চিরং কার্যক্ষমং ভবতি এবং ইদং করোতু)। ১

    হে সুরূপা রাকাদেবী! তুমি আপন কল্যাণময়ী সুবুদ্ধির দ্বারা হবিদাতা যজমানকে ধন প্রদান করে থাকো। তুমি সেই শোভন বুদ্ধিসমূহ সহকারে আমাদের নিকট আগমন পূর্বক ধনের পুষ্টি সাধিত করো ॥২॥

    .

    একাদশ সূক্ত : দেবপত্ন্য

    [ঋষি : অথর্বা। দেবতা : দেবপত্নীগণ। ছন্দ : জগতী, পংক্তি]

    দেবানাং পত্নীরুশতীরবন্তু নঃ প্রাবন্তু নস্তুজয়ে বাজসাতয়ে। যাঃ পার্থিবাসো য অপামপি ব্রতে তা নো দেবীঃ সুহবাঃ শৰ্ম যচ্ছত্ত ॥১॥ উত গ্লা ব্যন্তু দেবপত্নীবিন্দ্রাণ্য-গ্নায্যশ্বিনী রাষ্ট্র। আ লোদসী বরুণানী শৃণোতু ব্যন্তু দেবীর্য ঋতুর্জনীনাম ॥ ২॥

    বঙ্গানুবাদ –দেবপত্নীবৃন্দ আমাদের অন্ন ইত্যাদি প্রাপ্ত করানোর নিমিত্ত, পুত্র ও ধন রক্ষণের নিমিত্ত স্বেচ্ছায় আগমন করুন। পৃথিবীর উপর যে দেবপত্নী নিবাস করছেন এবং যে দেবপত্নী অন্তরিক্ষে অবস্থান করছেন, তাঁরা আমাদের শোভন আহ্বান শ্রবণ পূর্বক সুখ বা গৃহ (শর্ম) প্রদান করুন ॥১॥

    দেবপত্নীগণ আমাদের রক্ষা করুন। ইন্দ্রাণী, বরুণানী, রোদসী (রুদ্রের পত্নী), অগ্নায়ী, অশ্বিযুগলের পত্নী আমাদের আহ্বান শ্রবণ করুন। তাঁদের স্বামী দেবগণ আপন আপন জায়াগণের ঋতুকালে তাদের উদ্দেশে নিবেদিত হবিঃ নিজেরা গ্রহণ করুন। ২।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –সর্বব্যাধিভৈষজ্যার্থং ব্যাধিতশরীরং মৌঞ্জৈঃ পাশৌঃ পর্বসু বদ্ধা সিনীবালি ইতি নবর্চেন শরপিঞ্জলীভিঃ সহ উদঘটং সম্পাত্য অভিমন্ত্র ব্যাধিতং আপ্লাবয়েৎ অবসিঞ্চেৎ বা। তৎ উক্তং সংহিতাবিধৌ।…তথা সর্বসম্পকামঃ অনেন নবর্চেন যথালিঙ্গং সিনীবালী কুহু রাকা দেবপত্ন ইতি চতস্রো দেবতা যজেত উপতিষ্ঠেত বা।…ইত্যাদি। (৭কা, ৪অ. ৮-১১সূ)।

    টীকা –উপযুক্ত চারটি সূক্তের মোট নয়টি মন্ত্র সকল ব্যাধির ভৈষজ্যার্থে এবং সকল সম্পৎ কামনা পূর্বক সূত্রোক্তপ্রকারে, যথালিঙ্গ সিনীবালী, কুহূ ইত্যাদির যাগ বা উপাসনা করণীয় ॥ (৭কা. ৪অ. ৮-১১সূ)।

    .

    দ্বাদশ সূক্ত : বিজয়ঃ

    [ঋষি : অঙ্গিরা (কিতববধকামঃ)। দেবতা : ইন্দ্র। ছন্দ : অনুষ্টুপ, ত্রিষ্টুপ, জগতী]

    যথা বৃক্ষমশনির্বিশ্বাহা হত্যপ্রতি। এবাহমদ্য কিতবানক্ষৈধ্যাসমপ্রতি ॥১॥ তুরাণামতুরাণাং বিশামবৰ্জুষীণাম। সমৈতু বিশ্বততা ভগো অন্তহস্তং কৃতং মম ॥ ২॥ ঈড়ে অগ্নিং স্বাবসুং নমোভিরিহ প্ৰসক্তো বি চয়ৎ কৃতং নঃ। রথৈরিব প্র ভরে বাজয়দ্ভিঃ প্রদক্ষিণং মরুতাং স্তোমমৃধ্যাম্ ॥ ৩॥ বয়ং জয়েম ত্বয়া যুজা বৃতমম্মাকমংশমুদ ভরেভরে। অস্মভ্যমিন্দ্র বরীয়ঃ সুগং কৃধি প্ৰ শত্রণাং মঘবন বৃষ্ণ্যা রুজ ॥ ৪ অজৈষং ত্বা সংলিখিতমজৈষমুত সংরুধ। অবিং বৃকো যথা মথদেবা মামি তে কৃতম্ ॥ ৫৷ উত প্রহামতিদীবা জয়তি কৃতমিব শ্বগ্নী বি চিনোতি কালে। যো দেবকামো ন ধনং রুণদ্ধি সমিৎ তং রায়ঃ সৃজতি স্বধাভিঃ ॥ ৬৷ গোভিষ্টরেমামতিং দুরেবাং যবেন বা ক্ষুধং পুরুহুত বিশ্বে। বয়ং রাজসু প্রথমা ধনান্যরিষ্টাসো বৃজনীভিজয়েম ॥ ৭ কৃতং মে দক্ষিণে হস্তে জয়ো মে সব্য আহিতঃ। গোজিদ ভূয়াসমজিদ ধনংজয়ো হিরণ্যজিৎ ৮অক্ষাঃ ফলবতীং দুবং দত্ত গাং ক্ষীরিণীমিব। সং মা কৃতস্য ধারয়া ধনুঃ স্নারেৰ নহ্যত ॥ ৯৷৷

    বঙ্গানুবাদ –যেমন বৈদ্যুতাগ্নি নিত্য অপ্রতিম হয়ে বৃক্ষসমূহকে ভস্ম করে থাকে, তেমনই আমি সকল জুয়ারীকে (কিতবকে) পাশার (অক্ষের) দ্বারা পরাজিত (বা হনন) করছি, যাতে দূতক্রিয়ায় (জুয়াখেলায়) আমার প্রতি স্পর্ধান্বিত কেউ না থাকে ॥১॥

    জুয়াতে ত্বরমাণ (তাড়াতাড়ি পাশার দান প্রদানকারী) এবং বিলম্বমান (অর্থাৎ ধীরেসুস্থে পাশার দান প্রদানকারী) ব্যক্তিগণের মধ্যে আমি শ্রেষ্ঠ। বারম্বার পরাজিত হয়েও দূতক্রীড়াতে আসক্তি রক্ষকারী দূতব্যসনীদের ভাগ্য আমি হেন জুয়ারীতে সর্ব দিক হতে লভ্য হোক। আমার হস্তধৃত পাশায় সর্বদা চতুর্থ সংখ্যাবিশিষ্ট কৃত নামক অয় অবস্থান করুক। (এক হতে পঞ্চসংখ্যান্তা অক্ষবিষয় হলো অয়। তার মধ্যে চতুর্থ সংখ্যাবিশিষ্ট অয়টি কৃত নামে অভিহিত। এই কৃতই জুয়াখেলায় জুয়ারীকে জয় দান করে-তত্র কৃতস্য লাভাদ দূতজয়ো ভবতি) ॥২॥

    স্তোতৃগণকে আপন ধন প্রদানশালী (স্বাবসু) অগ্নিকে আমি স্তুতি করছি। দূতকর্মের অধিপতি অগ্নি দূতকর্মে প্রকৃষ্টরূপে আসক্ত আমাদের লাভের হেতুভূত কৃত নামক অয়বিশিষ্ট পাশা দান করুন। যেমন অক্ষের (রথচক্রের) দ্বারা চালিত রথে অন্ন আনীত হয়, তেমনই অক্ষের (পাশার) দ্বারা শত্রুদের (অর্থাৎ বিপক্ষীয় কিতবগণের) সম্পত্তি লাভ করবো ॥৩॥

    হে ইন্দ্র! আমি যে কিতবদের পরাজয় বরণ করাবো, তাদের তোমার সহায়তাতেই করাবো। যারা আমাদের জুয়ায় জয় করতে চায়, তাদের তুমি উলিত করো এবং আমাদের নিকট প্রভূত ধন আনয়ন করো। তুমি প্রতিপক্ষ কিতবগণের জয়লক্ষণসমূহকে নিবারণ করো ॥৪৷৷

    (জয়লাভের নিমিত্ত অক্ষশলাকা ইত্যাদির দ্বারা সংরোধ-চিহ্নকারী) হে প্রতিপক্ষীয় কিব! যতই চিহ্নিত করো, যতই সংরোধ করো, তোমার উপর আমিই বিজয় লাভ করব। আরণ্যশ্বাপদ বৃক যেমন অবিকে (মেষ বা ছাগকে) বিনাশ করে, তেমনই আমি জয়ের উদ্দেশে তোমার দ্বারা কৃত-শালী পাশকে আমি বিনাশ করে দিচ্ছি।৫।

    প্রকৃত জুয়ারী আপন কৃতিত্বে প্রতিদ্বন্দ্বীর উপর বিজয় প্রাপ্ত হয়। পরস্ব-হা কিতব জয়লাভের নিমিত্ত দূতক্রিয়ার সময়ে আপন পাশায় কৃত-নামক অয়কেই অন্বেষণ করে (অর্থাৎ হস্তস্থিত পাশায় প্রথমেই কৃত-নামক অয়কে রক্ষণ পূর্বক কৌশলে চাল প্রদান করে জয়লাভ করে)। দেবতাগণকে কামনাশীল যে পুরুষ দূতক্রিয়ায় অর্জিত ধন দেবকার্যে ব্যয় করে, ইন্দ্র তাকে অন্ন বলের দ্বারা সমৃদ্ধ করে থাকেন ৷ ৬ ৷

    হে ইন্দ্র! দরিদ্রতা হতে আগত দুর্বুদ্ধি আমরা পশুর দ্বারা অতিক্রম করবো। (অর্থাৎ দারিদ্র মানুষকে অনেক সময়ে দুষ্কর্মে প্ররোচিত বা নিয়োজিত করে। পশুগণ কিন্তু স্বাভাবিক জীবননির্বাহ থেকে কোন অবস্থাতেই অপসৃত হয়। পশুর দৃষ্টান্তই মানুষকে অসৎ-প্রবৃত্তি হতে রক্ষা করতে পারে)। হে পুরুহূত (বহুভাবে আহূত)! আমরা সকলে যবের (বা ধান ইত্যাদির) দ্বারা ক্ষুধাকে শান্ত (নিবারণ) করবো। আমরা প্রতিপক্ষীয় কিতবদের দ্বারা পরাজিত হবে না এবং বলকারিণী অক্ষশলার দ্বারা তাদের প্রকৃষ্টমান ধনসমূহ জয় করে নেব ॥৭॥

    আমার দক্ষিণ হস্তে লাভহেতু কৃতশব্দবাচ্য অয় আছে, বাম হস্তে কৃত-সাধ্য জয় নিহিত আছে। অতএব আমি এই দুইয়ের দ্বারা পরকীয় গো, অশ্ব, ধন, ভূমি এবং সুবর্ণ ইত্যাদির বিজেতা হবো। ৮।

    (দেবসাধনভূতা অক্ষ সমূহের নিকট জয়ের নিমিত্ত প্রার্থনা করা হচ্ছে)–হে অক্ষসমুদায়! দুগ্ধবতী ধেনুর মতো আমার ফলবতী দ্যুতক্রিয়াকে কৃতের ধারায় প্লাবিত করো (অর্থাৎ বারম্বার কৃত-পাতনে দূতে জয়লাভ করিয়ে দাও)। উপর্যুপরি লাভহেতুক কৃতের ধারায় আমাকে বিজয়ী করে দাও, যেমন স্নায়ুনির্মিত মৌবীর বন্ধনযুক্ত ধনু জয়প্রদ হয়ে থাকে। ৯।

    .

    ত্রয়োদশ সূক্ত : পরিপাণম

    [ঋষি : অঙ্গিরা। দেবতা : ইন্দ্র, বৃহস্পতি। ছন্দ : ত্রিষ্টুপ]

    বৃহস্পতিঃ পরি পাতু পশ্চাদুতোত্তরম্মাদধরাদঘায়োঃ। ইন্দ্রঃ পুরস্তাদূত মধ্যতো নঃ সখা সখিভ্যো বরীয়ঃ কৃণোত্ ॥ ১৷৷

    বঙ্গানুবাদ –বৃহস্পতি (দৈবগণের বৃহৎ পালয়িতা) দেবতা নিম্ন, ঊর্ধ্ব, পশ্চিম ইত্যাদি দিক হতে আক্রমণোদ্যত হিংসক পুরুষগণের নিকট হতে আমাদের সর্বতো রক্ষা করুন। ইন্দ্রদেব পূর্ব ও মধ্য দিক হতে আমাদের রক্ষা করুন। সকল দিক হতে যে হিংসকগণ আগমন করছে, ইন্দ্র ও বৃহস্পতি তাদের হতে আমাদের পালন (বা রক্ষা) করুন। ইন্দ্র তার সখাভূত স্তোতৃগণরূপ আমাদের মহত্তর (উরুতর) ধন (অর্থাৎ অত্যন্ত ঐশ্বর্য) প্রদান করুন ॥১।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –দূতজয়কর্মণি স্থলশুদ্ধিং অক্ষাধিবাসনং চ কৃত্বা যথা বৃক্ষং অশনি ইতি নবর্চেন অক্ষান্ অভিমন্ত্র দূতং কুর্যাৎ। সূত্রিতং হি।…সফলকামঃ বৃহস্পতিঃ ইতি ঋচা বৃহস্পতিং যজেত উপতিষ্ঠেত বা।…তথা গ্রহজ্ঞে অনয়া হবিরাজ্যহোমর্সমিদাধানোপস্থানানি বৃহস্পতয়ে কুর্যাৎ। তদ উক্তং শান্তিকল্পে।…ইত্যাদি। (৭কা. ৪অ. ১২-১৩সূ)। টীকা— দূতজয়কর্মে স্থলশুদ্ধি ও অক্ষাধিবাস করে উপযুক্ত দ্বাদশ. সূক্তের নয়টি মন্ত্রের দ্বারা ই সূত্রোক্তপ্রকারে অক্ষ অভিমন্ত্রিত পূর্বক দূতক্রিয়া করণীয়।..সর্বফলকামনায় বৃহস্পতির্ন ইত্যাদি সূক্তের মন্ত্রটি বৃহস্পতির উদ্দেশে যাগ বা উপাসনায় বিনিয়োগ হয়। গ্রহজ্ঞেও এই মন্ত্রটি শান্তিকল্পানুসারে বিনিযুক্ত হয়ে থাকে৷ (৭কা. ৪অ. ১২-১৩সূ)।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহারুকি মুরাকামির শ্রেষ্ঠ গল্প – অনুবাদ : দিলওয়ার হাসান
    Next Article শ্যামাপ্রসাদ : বঙ্গবিভাগ ও পশ্চিমবঙ্গ – দীনেশচন্দ্র সিংহ
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }