Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অথর্ববেদ সংহিতা (সম্পাদনা : দিলীপ মুখোপাধ্যায়)

    দিলীপ মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1733 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৭।০৭ সপ্তম কাণ্ড : সপ্তম অনুবাক

    সপ্তম অনুবাক
    প্রথম
     সূক্ত: গণ্ডমালা চিকিৎসা
    [ঋষি : অথর্বাঙ্গিরা। দেবতা : মন্ত্রোক্ত দেবতা, জাতবেদা। ছন্দ : অনুষ্টুপ, ত্রিষ্টুপ]

    অপচিতাং লোহিনীনাং কৃষ্ণা মাতেতি শুশ্রুম। মুনেৰ্দেবস্য মূলেন সর্বা বিধ্যামি তা অহম ॥ ১৷৷ বিধ্যাম্যাসাং প্রথমাং বিধ্যামিত মধ্যমাম। ইদং জঘন্যামাসামা চ্ছিনদ্রি স্তুকামিব। ২৷৷ ত্বাষ্ট্রেণাহং বচসা বি ত ঈর্ষামমীমদ। অথো যো মনুষ্টে পতে তমু তে শময়ামসি ॥ ৩ ব্ৰতেন ত্বং ব্রতপতে সমক্তো বিশ্বাহা সুমনা দীদিহীহ। তং ত্বা বয়ং জাতবেদঃ সমিদ্ধং প্রজাবন্ত উপ সদেম সর্বে ॥ ৩৷৷

    বঙ্গানুবাদ –আমরা শ্রবণ করেছি যে, গলা হতে আরম্ভ করে কক্ষ ইত্যাদি সন্ধিস্থান পর্যন্ত প্রস্ত লোহিতবর্ণবিশিষ্ট গণ্ডমালা নামক ব্রণগুলির মাতা বা উৎপাদয়িত্রী হলো কৃষ্ণবর্ণা পিশাচী। (বর্ণভেদবিশিষ্ট গণ্ডমালার প্রভেদ ষষ্ঠ কাণ্ডের ৮৩ সূক্তে বা ৯ম অনুবাকের ১ম সূক্তে স্পষ্টভাবে উক্ত হয়েছে)। এই কষ্টসাধ্য গণ্ডমালাকেও আমি অথবা মুনির রুদ্ৰাত্মক শরের দ্বারা (অথবা শরপ্রকৃতিভূত বৃক্ষবিশেষের মূলের দ্বারা নির্মিত ঔষধির দ্বারা) বিদ্ধ করছি। (কারণ মাতৃকীর্তনের অপচিত রোগান্তরবৎ সাধারণ ঔষধির দ্বারা পরিহরণীয় নয়)। ১৷

    মুখ্য স্থিতিশীল দুশ্চিকিৎস গণ্ডমালাকে আমি ঋক্ররূপ শরের দ্বারা বিনিযুক্ত করছি। এর মধ্যে যে গণ্ডমালাগুলি পরিহরণে অতি দুঃসাধ্য নয় এবং যেগুলি সুসাধ্য ও স্বল্প প্রযত্নে দূর হওন-শালিনী, সেগুলিকেও আমি বিদ্ধ করছি। ২।

    হে ঈর্ষাবান্ পুরুষ! আমি তোমার স্ত্রী-বিষয়ক ক্রোধকে ত্বষ্টার মন্ত্রে শান্ত করছি। শুধু স্ত্রীর প্রতি ঈর্ষার উদ্রেগ-শমনই নয়, হে পতি! আমি তোমার সকল প্রকার ক্রোধকেই ত্বষ্টার মন্ত্রে উপশমিত করে দিচ্ছি ৷৷ ৩

    হে ব্রতপতি (ব্রত-কর্মের পালয়িতা) অগ্নি! এই ব্রতের দ্বারা অনুষ্ঠীয়মান দর্শপূর্ণমাস ইত্যাদি কর্মের দ্বারা পূজিত (বা সুসংস্কৃত হয়ে) তুমি আমাদের গৃহে প্রদীপ্ত হয়ে থাকো। হে জাতবেদা! সমিদ্ধ (অর্থাৎ সম্যক্ দীপ্ত) তোমাকে আমরা পুত্রপৌত্র ইত্যাদি সমেত পরিচর্যা করবো (পরিচরণং ক্রিয়াস্ম)। ৪

    .

    দ্বিতীয় সূক্ত : অঘ্ন্যাঃ

    [ঋষি : উপরিবভ্ৰব। দেবতা : অঘ্ন্যা। ছন্দ : ত্রিষ্টুপ, পংক্তি ]

    প্রজাবতীঃ সূবসে রুশন্তীঃ শুদ্ধা অপঃ সুপ্রপাণে পিবন্তী। মা ব স্তেন ঈশত মাঘশংসঃ পরি বো রুদ্রস্য হেতিবৃর্ণ ॥ ১. পদজ্ঞা স্থ রময়ঃ সংহিতা বিশ্বনাম্নীঃ। উপ মা দেবীর্দেবেতিরেত। ইমং গোষ্ঠমিদং সদো ঘৃতেনাস্মান্তসমুক্ষত ॥ ২॥

    বঙ্গানুবাদ –হে ধেনুগণ! তোমরা সুন্দর তৃণসম্পন্ন ভূখণ্ডে তৃণ ভক্ষণ করতে করতে, পুত্র-পৌত্র ইত্যাদিতে সমৃদ্ধ হয়ে, নির্মল জল পান করতে করতে, তস্করদের দ্বারা অপহৃত না হয়ে, ব্যাঘ্র ইত্যাদি হননশীল প্রাণীদের দ্বারা অহিংসিত হয়ে অবস্থান করো। জ্বরাভিমানী দেবতা রুদ্রের বাণ তোমাদের উপর যেন পতিত (বা নিক্ষিপ্ত) না হয়। ১।

    হে গাভীগণ! তোমরা দুগ্ধ প্রদানের দ্বারা প্রসন্ন-করণশালিনী হয়ে থাকো। তোমরা আপন গোষ্ঠকে (বা গো-সঞ্চরণ স্থানকে) জ্ঞাত আছে। তোমরা সকল বৎসের সাথে ও অন্য গাভীদের সঙ্গে নিয়ে পরস্পর আনুকূল্যা হয়ে আমাদের নিকট (সন্নিধানে) আগমন করো এবং (ইড়া, রম্ভা, দিতা, সরস্বতী, প্রেয়সী ইত্যাদি বহু নামযুক্তা হয়ে) আমাদের গৃহ, গোষ্ঠ ও গৃহপতিগণকেও দুগ্ধ-ঘৃত ইত্যাদির দ্বারা সম্যক্‌ সিঞ্চন করো। ২।

    .

    তৃতীয় সূক্ত : গণ্ডমালা চিকিৎসা

    [ঋষি : অথর্বা। দেবতা : অপচিদভৈষজ্যম্ প্রভৃতি। ছন্দ : অনুষ্টুপ, ত্রিষ্টুপ, উষ্ণিক]

    আ সুসসা সুস্রসঃ অসতীভ্যো অসত্তরাঃ। সেহোররসতরা লবণাদ বিক্লেদীয়সীঃ ॥১॥ যা গ্রৈব্যা অপচিতোহথো বা উপপক্ষ্যাঃ। বিজাম্নি যা অপচিতঃ স্বয়ংসঃ ॥ ২॥ যঃ কীকসাঃ প্রণাতি তলীদ্যমবতিষ্ঠতি। নির্যাস্তং সর্ব জায়ান্যং যঃ কশ্চ ককুদি শ্রিতঃ ॥ ৩. পক্ষী জায়ান্যঃ পততি স আ বিশতি পূরুষ। তদক্ষিতস্য ভেষজমুভয়োঃ সুক্ষতস্য চ ॥ ৪৷৷ বিন্ন বৈ তে জায়ান্য জানং যতত জায়ান্য জায়সে। কথং হ তত্র ত্বং হনো যস্য কৃন্মো হবিগৃহে ॥ ৫॥ ধৃষৎ পিব কলশে সোমমিন্দ্র বৃত্ৰহা শূর সমরে বসুনাম্। মাধ্যন্দিনে সবন আ বৃষস্ব রয়িষ্ঠাননা রয়িমম্মা ধেহি ॥ ৬৷৷

    বঙ্গানুবাদ— গণ্ডমালাগুলি পূয় (অর্থাৎ ব্রণ হতে নির্গত দূষিত রক্ত ইত্যাদি) যুক্ত এবং পীড়াপ্রদ হয়ে থাকে। এগুলি মন্ত্র ও ঔষধির প্রয়োগে নিঃশেষে বিনাশ প্রাপ্ত হোক। অপচিৎ (ক্ষীণ ব্রণ) পাকাবস্থার পূর্বে বোঝা (বা দেখা) যায় না। এগুলি নিঃসার তুলা ইত্যাদিরূপ পদার্থ অপেক্ষাও বিকীর্ণ অবয়বশালী হয়ে থাকে। লবণ যেমন যেস্থানে রক্ষিত থাকে, সেখানেই অধিক জল ক্ষরণশালী হয়ে থাকে, সেইরকম ব্রণ পাকাবস্থা প্রাপ্ত হলে তার সকল সন্ধি হতে পূয় ক্ষরিত হয়ে থাকে। এইরকম অপচিৎ ব্রণ (গণ্ডমালা) অধিক ক্ষরণের মাধ্যমে বিনষ্ট হয়ে থাকে। ১৷

    গ্রীবায় উৎপন্ন অপচিৎ গণ্ডমালা, বাহুমূলের (অর্থাৎ বগলের) নীচের স্ফোটক (ফোঁড়া) এবং গুহ্যপ্রদেশে (অর্থাৎ উরুসন্ধি বা কুঁচকিতে) যে ব্রণ উৎপন্ন হয়েছে, সেগুলি মন্ত্র ও ঔষধির প্রভাবে স্বয়ং ক্ষরিত হয়ে থাকে। ২৷

    যে রাজযক্ষ্মা অস্থিসমূহে ব্যাপ্ত হয়েছে এবং মাংসকেও ক্ষয়িত করে ফেলছে, যে দুরারোগ্য রাজযক্ষ্মা গ্রীবার উপরিভাগে সংশ্রিত হয়ে অঙ্গস্থ শ্রেষ্ঠ স্থানগুলি (ককুৎস্থানং) বিশুষ্ক করে দিচ্ছে, যে রাজযক্ষ্মা সমগ্র শরীরের ধাতুকে শোষণ করে নিচ্ছে, যে রাজযক্ষ্মা (ক্ষয়রোগ) নিরন্তর জায়া (নারী) সম্ভোগের দ্বারা উপজনিত, সেগুলি সবই মন্ত্র ইত্যাদির দ্বারা সুসংস্কৃত ঔষধি বা অগ্নি প্রমুখ দেবতার সৌজন্যে বিনাশ প্রাপ্ত হোক ৩॥

    জায়ার (অর্থাৎ নারীর সাথে অতিরিক্ত সম্ভোগের ফলে জাত ক্ষয়রোগ পক্ষবান্ পক্ষীর মতো সর্বত্র বিতায়িত হয়ে পড়ে; এই রোগ পুরুষের দেহে সর্বতঃ ব্যাপ্ত হয়ে যায়। শরীরে স্বল্পকালস্থায়ী বা চিরকালস্থায়ী এই রোগ শরীরের অশোষক বা শরীরগত সর্বধাতুর নিঃশেষ শোষণকারী, যাই-ই হোক না কেন, তা মন্ত্রের দ্বারা অভিমন্ত্রিত বীণাতন্ত্রীর খণ্ডের দ্বারা দূর হয়ে যায়, (উভয়োঃ অক্ষিতসুক্ষিতয়োঃ ক্ষয়রোগমোঃ তৎ প্রসিদ্ধং মন্ত্রাভিমন্ত্রিতং বীণাতন্ত্রী খাদিরূপং ভেষজঃ নিবর্তনৌষধং ভবতি) ৪

    হে জায়া-সমাগমের কারণে (অর্থাৎ অতিরিক্ত নারী-সঙ্গমজনিত দোষে) আগত রাজযক্ষ্মা! আমরা তোমার এই উৎপত্তির কারণ জ্ঞাত আছি। আমরা যে যজমানের আলয়ে রোগ দূরীকরণশালী ইন্দ্র প্রমুখ দেবতাগণের উদ্দেশে হবিঃ সমর্পণ করছি, সেই আলয়ে তুমি কিভাবে প্রবিষ্ট হয়েছে? (অর্থাৎ যৎ রোগনিৰ্হরণার্থং যত্র দেবতা ইজ্যতে তত্র স রোগগা ন বাধতে–এই-ই বক্তব্য)। ৫

    হে বিক্ৰান্ত ও বৃঘাতী ইন্দ্র! এই দ্রোণকলশাখ্যে স্থিত সোম পান করো! ধননিবাস-স্থানভূত তুমি, চ আমাদের ধনের সাথে যুক্ত করো। মাধ্যন্দিন সবনে আপন জঠরে সোম সিঞ্চন করতে করতে  (অর্থাৎ সোম পান করতে করতে) আমাদের ঐশ্বর্যে স্থাপিত করো ৷৷ ৬ ৷৷

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –অত্র অপচিতাং ইতি আদ্যে সূক্তে প্রথমাভ্যাং ঋভ্যাং প্রতৃচ্যং গণ্ডমালাভৈষজ্যার্থং সূত্রোক্তলক্ষণেন ধনুষা শরেণ চ গণ্ডমালাং বিধ্যেৎ। তথা তস্মিন্নেব কর্মণি কৃষ্ণোর্ণস্তুকাবজ্বালিতং উদকং আভ্যাং অভিমন্ত্র উষঃকালে ব্যাধিতং অবসিঞ্চেৎ। সূত্রিতং হি।…. ঈর্ষাবিনাশকর্মণি ত্বাষ্ট্রেণাহং ইত্যেনাং ঈর্ষাবন্তং দৃষ্টা জপেৎ…ত উক্তং সংহিতাবিধৌ।…প্রজাবতী ইতি ঘৃচস্য গোপুষ্টিকর্মণি বিনিয়োগ উক্তঃ …আ সুস্রসঃ ইতি দ্বাভ্যাং গণ্ডমালাভৈষজ্যকর্মণি শঙ্খং ঘৃষ্টা অভিমন্ত্র শুনকলালাং বা অভিমন্যু গণ্ডমালাং প্রলিম্পেৎ..ইত্যাদি। বিদ্ম বৈ তৈ ইত্যস্যা ঋচো রাজযক্ষ্মভৈষজ্যে বিনিয়োগঃ। সোমযাগে মাধ্যন্দিনসবনে ধৃষৎ পিব ইত্যনয়া দ্রোণকলশস্থং সোমং ব্রহ্মা অনুমন্ত্রয়েত।….ইত্যাদি। (৭কা, ৭অ. ১-৩সূ)।

    টীকা –উপযুক্ত প্রথম সূক্তের প্রথম দুটি মন্ত্র গণ্ডমালা রোগের ভৈষজ্যকর্মে সূত্রোক্তলক্ষণের দ্বারা বিনিয়োগ করণীয়। ঐ সূক্তেরই তৃতীয় ও চতুর্থ মন্ত্রদ্বয় ঈর্ষাবন্ত পুরুষদর্শনে জপনীয় এবং ঈর্ষা বিনাশকল্পে সূত্রোক্তপ্রকারে বিনিয়োগ করণীয়। দ্বিতীয় সূক্তটির দুটি মন্ত্র গোপুষ্টিকর্মে বিনিযুক্ত হয়। তৃতীয় সূক্তটির প্রথম দুটি মন্ত্র গণ্ডমালারোগের ভৈষজ্যকর্মে সূত্রোক্তপ্রকারে ব্রণে শঙ্খ ঘর্ষণ ইত্যাদি কর্মে বিনিযুক্ত হয়। তৎপরবর্তী দুটি মন্ত্র রাজযক্ষ্মার ভৈষজ্যকর্মে বিনিযুক্ত হয়। সোমযাগে মাধ্যন্দিন সবনে ধৃষৎ পিব ইত্যাদি মন্ত্রটির দ্বারা ব্রহ্মা (ঋত্বি) কর্তৃক দ্রোণকলস্থিত সোম অনুমন্ত্ৰণীয় ॥ (৭কা, ৭অ. ১-৩)।

    .

    চতুর্থ সূক্ত : শত্রুনাশনম

    [ঋষি : অঙ্গিরা। দেবতা : মরুৎ–বর্গ। ছন্দ : গায়ত্রী, ত্রিষ্টুপ, জগতী ]

    সাংতপনা ইদং হবির্মরুতন্তজুজুষ্টন। অম্মাকোতী রিশাদসঃ ॥১॥ যো নো মর্তে মরুতো দুৰ্ণায়ুস্তিরশ্চিত্তানি বসবো জিঘাংসতি। দ্রুহঃ পাশা প্রতি মুঞ্চতাং সস্তপিষ্ঠেন তপসা হন্তনা তমম্ ॥ ২॥ সস্বৎসরীণা মরুতঃ স্বৰ্কা উরুক্ষয়াঃ সগণা মানুষাসঃ। তে অস্মৎ পাশা প্র মুঞ্চন্ত্রেনসঃ সান্তপনা মৎসরা মাদয়িষ্ণবঃ ॥ ৩ ৷৷

    বঙ্গানুবাদ –মধ্যন্দিনে সন্তাপদায়ক সূর্যের সাথে সম্বন্ধযুক্ত হে মরুৎ-বর্গ! তোমরা শত্রুগণকে বাধা প্রদান করে থাকো। এই হবিঃ তোমাদের উদ্দেশে সমর্পিত হচ্ছে; আমাদের রক্ষার নিমিত্ত তোমরা এই হবিঃ সেবন করো ॥ ১। হে বসুপ্রদায়ক মরুৎ-বর্গ! যে শত্রু দুর্ভাব-পূর্ব ক্রোধ অবলম্বন করে চুপি চুপি আমাদের ক্ষুব্ধ করে তুলছে, তারা পাপীজনের প্রতি দ্রোহপরায়ণ বরুণের পাশে বন্ধনপ্রাপ্ত হোক। হে মরুৎগণ! তোমরা সেই জিঘাংসাপরায়ণ শত্রুকে আপন সন্তপ্ত করণশালী বাণের দ্বারা নষ্ট করে দাও

    ২৷৷ যে মরুৎ-বর্গ অন্তরিক্ষে নিবাসশীল, প্রত্যেক সম্বৎসরে আবির্ভূত হওনশালী, মন্ত্রের দ্বারা স্তুত্য, মনুষ্যগণের হিতকরী, শত্রুগণের সন্তাপকারী এবং সকলের সন্তোষকরণশীল,–তারা আমাদের পাপের পাশ হতে মুক্ত করুন ৷ ৩৷৷

    .

    পঞ্চম সূক্ত : বন্ধমোচনম

    [ঋষি : অথর্বা। দেবতা : অগ্নি। ছন্দ : উষ্ণিক, ত্রিষ্টুপ]

    বি তে মুঞ্চামি রশনাং বি যোক্ট্রং বি নিযোজন। ইহৈব ত্বমজ এধ্যগ্নে। ১৷৷ অস্মৈ ক্ষত্রাণি ধারয়ন্তমগ্নে যুনন্নি ত্বা ব্ৰহ্মণা দৈব্যেন। দীদিহ্যস্মভ্যং দ্রবণেহ ভদ্রং প্রেমং বোচো হবিদাং দেবতাসু ॥ ২॥

    বঙ্গানুবাদ— হে অগ্নি! আমি তোমা কর্তৃক এই রুগ্ন-পুরুষে রোগরূপী রজ্জ্বর বন্ধন প্রযোক্তা আমি মোচিত করছি। এর কণ্ঠ, হস্তসন্ধি, মধ্যপ্রদেশ বা সর্বাবয়বে বন্ধনকারী তোমার রঙ্কু আমি মমাচন করে দিচ্ছি। হে অগ্নি! তুমি এই রোগার্তের অনুকূল হয়ে প্রবৃদ্ধ (বা অবন্ধনকারক) হও॥১॥

    হে অগ্নি! আমি তোমাকে হবিঃ বহন করার নিমিত্ত নিযুক্ত করছি। তুমি আমাদের পুত্র ও ধন ইত্যাদি সম্পর্কিত সুখ প্রদান করো। অতঃপর, হে অগ্নি! চরুপুরোডাশ ইত্যাদি রূপ হবিঃ প্রদানকারী এই যজমানের কামনা সম্পর্কে ইন্দ্র ইত্যাদি দেবতাগণের সকাশে বলো ॥ ২॥

    .

    ষষ্ঠ সূক্ত : অমাবস্যা

    [ঋষি : অথর্বা। দেবতা : অমাবস্যা। ছন্দ : জগতী, ত্রিষ্টুপ]

    যৎ তে দেবা অকৃথন ভাগধেয়মমাবাশ্যে সংবসন্তো মহিত্বা। তেনা নো যজ্ঞং পিপৃহি বিশ্ববারে রয়িং নো ধেহি সুভগে সুবীরম্ ॥১॥ অহমেবাস্ম্যমাবস্যা মামা বসন্তি সুকৃতো ময়ীমে। ময়ি দেবা উভয়ে সাধ্যাশ্চেন্দ্ৰজ্যেষ্ঠাঃ সমগচ্ছন্ত সর্বে ॥ ২॥ আগন রাত্রী সঙ্গমনী বসুনামূর্জং পুষ্টং ববেশয়ন্তী। অমাবস্যায়ৈ হবিষা বিধেমোর্জং দুহানা পয়সা ন আগন ॥ ৩ ৷৷ অমাবাশ্যে ন ত্বদেন্যন্যো বিশ্বা রূপাণি পরিভূর্জজান। যক্কামাস্তে জুহুমস্তন্নো অস্তু বয়ং স্যাম পতয়ো রয়ীণাম ॥৪॥..

    বঙ্গানুবাদ –হে অমাবস্যা! দেবতাগণ তোমার মহত্ব স্বীকার করে তোমাকে যে হবির্ভাগ প্রদান করেছেন, তুমি তা গ্রহণ করে আমাদের যজ্ঞ সম্পন্ন করো। হে শোভনভাগ্যযুক্তা অমাবস্যা! তুমি আমাদের সুন্দর পুত্র ইত্যাদির সাথে সংযুক্ত ধন প্রদান করো। ১।

    (এইবার দেবতাবাসস্থানভূত অমাবস্যা শব্দের দ্বারা নিষ্পত্ত দেবতা স্বয়ং বলছেন)–আমিই অমাবস্যার অভিমানী দেবতা। (শুধু শব্দতঃই নয় অর্থতঃও আমি এই নামিকাই)। শ্রেষ্ঠ কর্মকুশল দেবতাগণ আমাতে নিবাস করে থাকেন। সিদ্ধ ও সাধ্য নামক উভয় প্রকার ইন্দ্ৰজ্যেষ্ঠ (বা ইন্দ্রপ্রমুখ) সকল দেবতা যজ্ঞাহ্-রূপে আমাতে মিলিত হয়ে থাকেন ॥ ২॥

    কাল সম্পন্ন তিথিশালিনী অমাবস্যা, আমাদের ঐশ্বর্যযুক্ত করতে আগমন করুন। তিনি অন্ন, রস ও ধনকে পুষ্ট করে আমাদের দিকে আগমন করুন। আমরা এই গাভীরূপে আপ্যায়মানা অমাবস্যাকে হবিঃ দ্বারা পরিচর‍্যা করছি ৷ ৩৷৷

    হে অমাবস্যা! কোন দেবতা তুমি বিনা সৃষ্টি রচনা করতে সমর্থ হননি। আমরাও যে ফলের অভিলাষে হব্য প্রদান করছি, আমাদের সেই ইচ্ছা পূর্ণ হোক এবং আমরা যেন ধনের অধিপতি হতে পারি। ৪

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –অভিচারকর্মণি সান্তপনাঃ ইতি তৃচেন বিদ্যুদ্ধবৃক্ষসমিধ আদধ্যাৎ। তথা চাতুর্মাস্যেষু সাকমেধপর্বণি মধ্যন্দিনে কালে সান্তপনমরুদ্যাগং সান্তপনাঃ ইতি ব্রহ্মা অনুমন্ত্রয়েত। তদ উক্তং বৈতানে।..সর্বব্যাধিভৈষজ্যকর্মণি বি তে মুঞ্চামি ইত্যনয়া উদঘটং সম্পত্য অভিমন্ত্র সূত্রোক্তপ্রকারেণ ব্যাধিতং আপ্লবয়েদ অবসিঞ্চে বা। সূত্রিতং হি।…যৎ তে দেবা অকৃথন ইতি চতুসৃভিঃ স্বাভিলষিতফলকামঃ অমাবস্যাং যজেত উপতিষ্ঠেত বা…তথা দর্শযাগে পার্বণহোমং যৎ তে দেবা অকৃথন ইত্যনয়া কুর্যাৎ।…ইত্যাদি। (৭কা, ৭অ. ৪-৬) ৷৷

    টীকা— অভিচার কর্মে উপযুক্ত চতুর্থ সূক্তের মন্ত্ৰত্রয়ের বিনিয়োগ হয়। চাতুর্মাসে সাকমেধ পর্বে মধ্যন্দিন কালেও এর বিনিয়োগ হয়ে থাকে। সর্বব্যাধির ভৈষজ্যে পঞ্চম সূক্তটির দুটি মন্ত্রে জলপূর্ণ ঘট অভিমন্ত্রণ পূর্বক সূত্রোক্তপ্রকারে ব্যাধিত ব্যক্তিকে স্নান করানো বা তার গাত্র-সিঞ্চন করণীয়। যৎ তে দেবা অকৃথন ইত্যাদি চারটি মন্ত্র স্বাভিলষিতফল-কামনায় অমাবস্যার যাগ বা উপাসনা কর্তব্য। দর্শর্যাগে পার্বণহোমে কিংবা শ্ৰেীতদর্শর্যাগে এই মন্ত্রগুলির বিনিয়োগ নির্ধারিত আছে। (৭কা.৭অ. ৪-৬সূ)।

    .

    সপ্তম সূক্ত : পূর্ণিমা

    [ঋষি : অথর্বা। দেবতা : পৌর্ণমাসী, প্রজাপতি। ছন্দ : ত্রিষ্টুপ, অনুষ্টুপ ]

    পূর্ণা পশ্চাদুত পূর্ণা পুরস্তাদুন্মধ্যতঃ পৌর্ণমাসী জিগায়। তস্যাং দেবৈঃ সংবসন্তো মহিত্বা নাকস্য পৃষ্ঠে সমিষা মদেম ॥১॥ বৃষভং বাজিনং বয়ং পৌর্ণমাসং যজামহে। স নো দদাত্বক্ষিতাং রয়িমনুপদস্বতীম্ ॥ ২॥ প্রজাপতে ন ত্বদেন্যন্যো বিশ্বা রূপাণি পরিভূর্জজান। যৎকামাস্তে জুহুমস্তন্নো অস্তু বয়ং স্যাম পতয়ো রয়ীণাম ॥ ৩॥ পৌর্ণমাসী প্রথমা যজ্ঞিয়াসীদাং রাত্রীণামতিশৰ্বরেষু। যে ত্বাং যজ্ঞৈজ্ঞিয়ে অয়ন্ত্যমী তে নাকে সুকৃতঃ প্রবিষ্টাঃ। ৪।

    বঙ্গানুবাদ –পূর্ণচন্দ্রোপেতা পূর্ণিমা শ্রেষ্ঠ রূপে পূর্বাকাশে অবস্থান করেন এবং পশ্চিমাকাশে ও মধ্যগগনে প্রকাশযুক্ত হয়ে থাকেন। এই পূর্ণিমায় অগ্নি, সোম ইত্যাদি দেববর্গের মহিমায় নিবাসিত আমরা স্বর্গের দুঃখরহিত উপরিভাগে (নাকস্য দুঃখরহিতস্য স্বর্গস্য পৃষ্ঠে) অন্নের দ্বারা পুষ্ট হবো (এখানে বোঝানো হচ্ছে–পূর্ণিমায় অগ্নীষোম ইত্যাদি যাগের দ্বারা স্বর্গভোগপ্রাপ্তি ভবতি)। ১।

    অভিষ্ট ফল-বর্ষণশালিনী পূর্ণিমাকে আমরা পূজা করছি। আমাদের দ্বারা আহুতি প্রাপ্ত সেই পূর্ণিমা আমাদের অবিনাশী ও ক্ষয়রহিত ধনরাশি আমাদের মধ্যে স্থাপনা করুন। ২।

    হে প্রজাপতি! তুমি সর্বরূপশালী প্রাণীবর্গের সৃষ্টিকরণে সমর্থ, এমনটি অন্য কেউ করতে সক্ষম হয়নি। আমরা যে অভীষ্টের সাথে (অর্থাৎ যা কামনা করে) তোমাকে হবিঃ সমর্পণ করছি, আমাদের সেই অভীষ্ট প্রাপ্ত হোক এবং আমরা ধনপতি হই। (ষষ্ঠ সূক্তের চতুর্থ মন্ত্রে যেভাবে অমাবস্যা প্রসঙ্গে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, এই মন্ত্রে সেইভাবেই ব্যাখ্যা করা হয়েছে; কেবল অমাবস্যা পদের স্থানে প্রজাপতি বিশেষিত হয়েছে)। ৩।

    পূর্ণিমা তিথি অহহারাত্রির মধ্যে আদিভূতা (অর্থাৎ মুখ্য যজ্ঞ-যোগ্যা)। ইনি রাত্রি ব্যতীত হওয়ার পর উৎপন্ন হওন-শালিনী তৃতীয় সবন ব্যাপী এবং সোম ইত্যাদি হবিঃসমূহে পূর্ণা। হে যজ্ঞাহা (যজ্ঞিয়া) পূর্ণিমা! যে ঋত্বিক ও যজমান দর্শপূর্ণমাস ইত্যাদি যজ্ঞকর্মের দ্বারা অভীষ্ট ফল যাচনা করছেন, সেই যাজ্ঞিকগণ দুঃখহীন স্বর্গলোকে প্রবিষ্ট হন (অর্থাৎ স্থান লাভ করে থাকেন)। ৪

    .

    অষ্টম সূক্ত : সূর্যাচন্দ্রমসৌ

    [ঋষি : অথর্বা। দেবতা : সাবিত্রী, সূর্য ও চন্দ্র। ছন্দ : ত্রিষ্টুপ, অনুষ্টুপ ও পংক্তি]

    পূর্বাপরং চরতো মায়য়ৈতৌ শিশু ক্রীড়ন্তৌ পরি যাতোহর্ণব। বিশ্বানন্যা ভুবনা বিচষ্ট ঋতূরনন্যা বিদধজ্জায়সে নবঃ ॥ ১। নবোনবো ভবসি জায়মানোহং কেতুরুষসামেষ্যগ্রম। ভাগং দেবেভ্যো বি দধাস্যায় প্র চন্দ্রমস্তিরসে দীর্ঘায়ুঃ ॥ ২॥ সোমস্যাংশশা যুধাং পতেইনো নাম বা অসি। অনূনং দর্শ মা কৃধি প্রজয়া চ ধনেন চ ॥ ৩॥ দর্শোহসি দর্শতোহসি সমগ্রোহসি সমন্তঃ। সমগ্রঃ সমন্তো ভূয়াসং গোভিরশ্বৈঃ প্রজয়া পশুভিগ্হৈধনেন। ৪। যোহম্মান দ্বেষ্টি যং বয়ং দ্বিস্তস্য ত্বং প্রাণেনা প্যায়স্ব। আ বয়ং প্যাশিষীমহি গোভিরশ্বৈঃ প্ৰজয়া পশুভিগ্হৈর্ধনেন ॥ ৫॥ যং দেবা অংশুমাপ্যায়য়ন্তি যমক্ষিতমক্ষিতা ভক্ষয়ন্তি।  তেনাস্মানিল্লো বরুণণা বৃহস্পতিরা প্যায়য়ন্তু ভুবনস্য গোপাঃ ॥৬॥

    বঙ্গানুবাদ –গগনমণ্ডলে গমনশীল সূর্য ও চন্দ্রমা জলযুক্ত অন্তরিক্ষে শিশুর ন্যায় ক্রীড়াপর হয়ে বিচরণ করে থাকেন। এঁদের মধ্যে সূর্য সর্ব ভুবনের প্রাণীসমূহকে সন্দর্শন করছেন এবং চন্দ্রমা চ.ঋতুসমূহের অবয়বরূপ মাস, পক্ষ (অর্ধমাস) ইত্যাদি উৎপন্ন করে স্বয়ং নিত্য নবরূপে উৎপন্ন হচ্ছেন ॥ ১।

    হে চন্দ্র! তুমি শুক্লপক্ষে প্রতিদিন এক-এক কলা বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়ে নিত্য নবরূপে প্রকট হয়ে থাকো। সকল তিথিই তোমার অধীন। তুমি রাত্রিসমূহের কর্তা এবং অগ্রগণ্য। তুমি কেতুবৎ তিথিসমূহের জ্ঞাপয়িতা (অর্থাৎ চন্দ্রকলার হ্রাসবৃদ্ধির অধীনস্থ হওয়ায় তিথি নিণীত হয়ে থাকে)। তুমি দিনসমূহের সৃষ্টিকরণশালী। শুক্লপক্ষে পশ্চিমে দর্শন দিয়ে থাকো এবং কৃষ্ণপক্ষে রাত্রির অবসানের পূর্বেই অন্তর্হিত হয়ে থাকো। তুমি দেবগণের নিমিত্ত হবির বিভাগ-করণশালী হয়েছে এবং দীর্ঘ আয়ু প্ৰদানশালী (বা বর্ধনশালী) হয়েছে। ২।

    হে চন্দ্রমার পুত্র বুধ! তুমি বীরবর্গের পালনকর্তা। (বুধগ্রহের বলেই যুদ্ধজয় হয়ে থাকে–এটা প্রসিদ্ধ)। তোমার সম্পূর্ণ নাম লব্ধ হয়েছে। তুমি দ্রষ্টব্য হও। হব্য ইত্যাদি প্রদান পূর্বক তোমাকে প্রসন্ন করণশালী আমি যেন পুত্র ইত্যাদি ধনের সাথে যুক্ত হই। ৩।

    হে সোম! তুমি অমাবস্যায় সূর্য সহ দ্রষ্টব্য হয়েছে। (এই নিমিত্ত সেই তিথি দর্শ নামে অভিহিত) শুক্লপ্রতিপদি এককলাত্মক চন্দ্র দৃশ্যমান হন, তারপর তৃতীয়া ইত্যাদি হতে ফুট দর্শন হয়ে অষ্টমী ইত্যাদি হতে ফুটতর কলায় চন্দ্র সমৃদ্ধ হয়ে থাকেন। অনন্তর পূর্ণিমাতে সর্বকলায় পূর্ণমণ্ডলরূপে (অর্থাৎ সমগ্রভাবে) তিনি প্রতিভাত হন। আমিও এই প্রকারে গো-ইত্যাদি সম্পদের সাথে সমগ্র ও সমৃদ্ধ হবো। ৪

    যে আমাদের সাথে দ্বেষ করে থাকে, কিংবা আমরা যাকে দ্বেষ করি, তার প্রাণকে, হে চন্দ্র! তুমি হরণ করো এবং আমাদের গো, অশ্ব, প্রজা ও ধনের সাথে বৃদ্ধিসম্পন্ন করো ॥ ৫॥

    যে এক কলাত্মক সোমকে দেবতাগণ শুক্লপক্ষীয় প্রতিটি দিনে কলায় কলায় (এক এক কলা প্রদান করে) বৃদ্ধি-সাধিত করে চলেন, এবং যে অক্ষিত (অর্থাৎ অবিচ্ছিন্ন) ক্ষয়রহিত চন্দ্রকে অক্ষিত (অর্থাৎ অক্ষীণ) পিতৃ ইত্যাদি পুরুষগণ সেবন (বা পান) করেন, সেই উভয় (অর্থাৎ কলায় কলায় বৃদ্ধিপ্রাপ্ত এবং ক্ষয়হীন) সোমরূপের সাথে পরমৈশ্বর্যসম্পন্ন দেবাধিপতি ইন্দ্র, পাপনিবারক দেবতা বরুণ, দেবগণের হিতকরী বৃহৎ-দেবতা বৃহস্পতি এবং ভূতজাতের প্রবৃদ্ধিপ্রদ বা অন্য দেবতাগণ আমাদের হবিঃ ইত্যাদির দ্বারা প্রীত হয়ে আমাদের বর্ধন সাধিত করুন ৷ ৬ ৷৷

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –সফলকামঃ পূর্ণা পশ্চাৎ ইতি দ্বাভ্যাং পৌর্ণমাসী প্রথমা যজ্ঞিয়াৎ ইত্যনয়া চ পৌর্ণমাসীং যজেত উদৃতিষ্ঠেত বা। তস্মিন্নেব কর্মণি প্রজাপতে ন ত্বৎ ইত্যনয়া প্রজাপতি যজেত উপতিষ্ঠেত বা।…বিবাহে পূর্বাপরং ইতি ঘৃচেন আজ্যসমিৎপুরোশাদীনি জুহুয়া… মহাশূন্তৌ গ্রহযজ্ঞে সোমস্যাংশশা যুধাং পতে ইতি চতুঋচেন হবিরাজ্যহোমসামদাধানোপস্থানানি বুধায় কুর্যাৎ। তৎ উক্তং শান্তিকল্পে।…ইত্যাদি। (৭কা, ৭অ. ৭-৮সূ) ৷ টীকা— উপযুক্ত সপ্তম ও অষ্টম সূক্তের মন্ত্রগুলি অভীষ্ট ফলকামনায় দর্শপূর্ণ যাগ ইত্যাদিতে নানাভাগে বিনিযুক্ত হয়। যেমন, সফল কামনায় পূর্ণা পশ্চাৎ এই দুটি মন্ত্র ও পৌর্ণমাসী প্রথমা ইত্যাদি মন্ত্রটি পূর্ণিমা উদ্দেশে যাগে বা উপাসনায় বিনিযুক্ত হয়। প্রজাপতে ন ত্বৎ ইত্যাদি মন্ত্রে প্রজাপতির যাগে বা উপাসনায় বিনিযুক্ত হয়। বিবাহে অষ্টম সূক্তের দুটি মন্ত্র সূত্রোক্তপ্রকারে বিনিয়োগ হয়। মহাশান্তি গ্ৰহযজ্ঞে এই সূক্তের শেষ চারটি মন্ত্রের দ্বারা সূত্রানুসারে বুধের উদ্দেশে হবিঃ ইত্যাদি সমর্পণ করা হয়। বুধ প্রসঙ্গে ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে–হে সোমস্যাংশে সোমস্য চন্দ্রমসঃ অংশভূত সোমপুত্র হে বুধ…। মনে হয়, বৈদিক এই বর্ণনা অবলম্বন করেই পুরাণে সোম বা চন্দ্রের ঔরসে বৃহস্পতি-ভার‍্যা তারার গর্ভে বুধের জন্ম কাহিনী পল্লবিত হয়ে উঠেছে ৷ (৭কা, ৭অ. ৭-৮)।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহারুকি মুরাকামির শ্রেষ্ঠ গল্প – অনুবাদ : দিলওয়ার হাসান
    Next Article শ্যামাপ্রসাদ : বঙ্গবিভাগ ও পশ্চিমবঙ্গ – দীনেশচন্দ্র সিংহ
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }