Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অথর্ববেদ সংহিতা (সম্পাদনা : দিলীপ মুখোপাধ্যায়)

    দিলীপ মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1733 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১১।৩ একাদশ কাণ্ড : তৃতীয় অনুবাক

    তৃতীয় অনুবাক
    প্রথম সূক্ত : ব্রহ্মচর্যম
    [ঋষি : ব্ৰহ্মা। দেবতা : ব্রহ্মচারী। ছন্দ : ত্রিষ্টুপ, শক্করী, বৃহতী, জগতী, অনুষ্টুপ, উষ্ণিক।]

    ব্রহ্মচারীষ্ণংশ্চরতি রোদসী উভে তস্মিন্ দেবাঃ সন্মনসো ভবন্তি। স দাধার পৃথিবীং দিবং চ স আচার্যং তপসা পিপর্তি ॥১॥ ব্রহ্মচারিণং পিতরো দেবজনাঃ পৃথগ দেবা অনুসংযন্তি সর্বে। গন্ধর্বা এনমায় ত্রয়স্ত্রিংশৎ ত্রিশতাঃ ষট্‌সহস্রাঃ সর্বাস দেবাংশুপসা পিপর্তি ॥২॥ আচার্য উপনয়মানো ব্রহ্মচারিণং কৃণুতে গর্ভমেন্তঃ। তং রাত্রীস্তিস্র উদরে বিভর্তি তং জাতং দ্রষ্ট্রমভিসংযন্তি দেবাঃ ॥৩॥ ইয়ং সমিৎ পৃথিবী দৌদ্বিতীয়োতান্তরিক্ষং সমিধা পৃণাতি। ব্রহ্মচারী সমিধা মেখলয়া শ্রমেণ লোংস্তপসা পিপর্তি ॥৪॥ পূর্বো জাতো ব্ৰহ্মণণা ব্রহ্মচারী ঘর্মং বসানস্তপসোদতিষ্ঠৎ। তম্মাজ্জাতং ব্রাহ্মণং ব্রহ্ম জ্যেষ্ঠং দেবাশ্চ সর্বে অমৃতেন সাকুম্ ॥৫ব্রহ্মচার্যেতি সমিধা সমিদ্ধঃ কাষ্ণং বসানো দীক্ষিতো দীর্ঘশ্মঃ। স সদ্য এতি পূর্বম্মাদুত্তরং সমুদ্রং লোকাৎসংগৃভ্য মুহুরাচরিৎ ॥৬৷৷ ব্রহ্মচারী জনয়ন্ ব্ৰহ্মাপো লোকং প্রজাপতিং পরমেষ্ঠিনং বিরাজ। গর্ভো ভূত্বামৃতস্য যোনাবিদ্ৰো হ ভূত্বাসুরাংস্তুতই ॥৭॥ আচাৰ্যস্ততক্ষ নভসী উভে ইমে উৰী গম্ভীরে পৃথিবীং দিবং চ। তে রক্ষতি তপসা ব্রহ্মচারী তস্মিন দেবাঃ সম্মনসো ভবন্তি ॥৮ ইমাং ভূমিং পৃথিবীং ব্রহ্মচারী ভিক্ষামা জভার প্রতমো দিবং চ। তে কৃত্বা সমিধাবুপাস্তে তয়োরার্পিতা ভুবনানি বিশ্বা ॥৯॥ অৰ্বাগন্যঃ পরো অনন্যা দিবশৃষ্ঠাদ গুহা নিধী নিহিতৌ ব্রাহ্মণস্য। তৌ রক্ষতি তপসা ব্রহ্মচারী তৎ কেবলং কৃণুতে ব্রহ্ম বিদ্বান্ ॥১০৷৷

    বঙ্গানুবাদ –আকাশ ও পৃথিবী এই দুই লোককে ব্যাপ্ত করণশালী ব্রহ্মচারীর (বেদান্তক ব্রহ্মে অভ্যস্ত জনের) প্রতি সকল দেবতা সমানমনস্ক (অর্থাৎ অনুগ্রহবুদ্ধিযুক্ত) হয়ে থাকেন। তিনি আপন তপের প্রভাবে পৃথিবী ও আকাশকে পোষণ করে থাকেন এবং আপন গুরুকেও পালন করেন। (অর্থাৎ সৎ পথাবলম্বনের প্রবৃত্তির দ্বারা আচার্যকেও পরিপালন করেন)। ১।

    ব্রহ্মচারীর রক্ষার নিমিত্ত দেবজন সংজ্ঞায় পরিচিত দেবগণ এবং ইন্দ্র প্রমুখ সকল দেবতা তার অনুসরণ করেন; গন্ধর্ব বিশ্বাবসু ইত্যাদিও তার পশ্চাতে গমন করতে থাকেন। অষ্টবসু ইত্যাদি ত্রয়স্ত্রিংশৎ (৩৩) দেবতা, তার বিভূতিরূপ তিনশত তিন (এ্যত্তরত্রিশতসংখ্যক) দেবতা হতে আরম্ভ করে ছয় সহস্র দেবতা পর্যন্ত সকলকে আপন তপের দ্বারা পোষণ করে থাকেন। ২৷

    উপনয়মান মানবককে উপগময়ন (উপনয়ন করণশালী) আচার্য আপন বিদ্যাময় শরীরের মধ্যে (গর্ভে) স্থাপিত করে, তিন রাত্রি পর্যন্ত তাকে (সেই ব্রহ্মচারী মানবককে) আপন উদরে রক্ষা করেন, চতুর্থ দিবসে সেই বিদ্যাময় শরীর হতে উৎপন্ন ব্রহ্মচারীকে দর্শনের নিমিত্ত তার সম্মুখে আগত হন ৷ ৩৷

    পরিদৃশ্যমান পৃথিবী এই ব্রহ্মচারীর প্রথম সমি, এবং আকাশ তাঁর দ্বিতীয় সমিৎ। অধিকন্তু অন্তরিক্ষে অর্থাৎ আকাশ ও পৃথিবীর মধ্যভাগের অগ্নিতে স্থাপিত সমিধের দ্বারা ব্রহ্মচারী সংসারকে সন্তুষ্ট করে থাকেন। এই প্রকারে সমিধসমূহ, মেখলা (শরপত্র ইত্যাদি দ্বারা নির্মিত ধারণীয় উপবীত), ইন্দ্রিয় নিগ্রহ-উদ্ভূত শ্রম ও দেহসন্তাপক অন্যান্য নিয়মগুলিকে পালন পূর্বক (অর্থাৎ তপস্যায়) পৃথিবী ইত্যাদি লোকসমূহকে পোষণ করে থাকেন। ৪

    ব্রহ্মচারী ব্ৰহ্ম হতেও প্রথমে প্রকট হয়েছেন; তিনি তেজোময় রূপ ধারণ করে তপের সাথে যুক্ত হয়েছেন। সেই ব্রহ্মচারী রূপের দ্বারা দীপ্ত হয়ে ব্রহ্মার দ্বারা শ্রেষ্ঠ বেদাত্মক ব্ৰহ্ম প্রকট হয়েছেন এবং তার দ্বারা প্রতিপাদিত অগ্নি ইত্যাদি দেবতাও আপন অমৃতত্ব। ইত্যাদি গুণ সমুদায়ের সাথে প্রকট হয়েছেন। ৫

    প্রাতে ও সায়ংকালে অগ্নিতে রক্ষিত সমিধ সমূহ এবং সেগুলি হতে উৎপন্ন তেজের দ্বারা তেজস্বী, কৃষ্ণ মৃগচর্মধারী যে ব্রহ্মচারী আপন ভিক্ষাচরণ ইত্যাদি নিয়মসকল পালন করে থাকেন, সেই দীর্ঘশ্মশ্রুধারী ব্রহ্মচারী শীঘ্রই পূর্ব সমুদ্র হতে উত্তর সমুদ্রে গমন করেন। (অর্থাৎ তার তপস্যার মহিমা ব্যাপ্ত হয়–এটাই তাৎপর্য)। তথা তিনি পৃথিবী অন্তরিক্ষ ইত্যাদি লোকসমূহকে হস্তে ধারণ পূর্বক আপন অভিমুখীন করে থাকেন। ৬।

    ব্রহ্মচারী ব্রহ্মতেজের (বা ব্রহ্মচর্যের) দ্বারা ব্রাহ্মণ জাতিকে উৎপন্ন করে থাকেন। তিনিই গঙ্গা ইত্যাদি নদীগুলিকে প্রকট করে থাকেন। তিনিই স্বর্গ ইত্যাদি লোক সমূহ, প্রজাপতি পরমেষ্ঠী এবং বিরাটকে উৎপন্ন করে থাকেন। এই অমরণশীল ব্রহ্মের সত্ত্ব-রজঃ-তমঃ গুণের সাথে যুক্ত (অর্থাৎ ত্রিগুণাত্মিকা) প্রকৃতির মধ্যে গর্ভরূপ স্বীকার করে প্রথম ব্রহ্মচারী প্রাণধারীগণকে উৎপন্ন করছেন এবং তার পরে ইন্দ্র হয়ে সুরবিরোধী রাক্ষসগণকে বিনাশ করছেন ॥ ৭৷

    এই আকাশ ও পৃথিবী বিশাল। এই পৃথিবী ও আকাশের উৎপাদক আচার্যকেও ব্রহ্মচারী রক্ষা করেন। সকল দেবতা এমনই ব্রহ্মচারীর উপর কৃপা বর্ষণ করে থাকেন। এই বিস্তীর্ণ পৃথিবীকে ব্রহ্মচারী প্রথমে ভিক্ষারূপে গ্রহণ করে পুনরায় দ্বিতীয় ভিক্ষারূপে সেই আকাশকে গ্রহণ করেছেন ॥ ৮।

    পুনরায় আকাশ ও পৃথিবীকে সমিধরূপে অগ্নিকে আরাধনা পূর্বক জগৎসংসারের সকল প্রাণীকে সেই আকাশ ও পৃথিবীর আশ্রয়ীভূত করেছেন। ৯

    দুলোকের পৃষ্ঠ (অর্থাৎ উপরিভাগ) হতে অবাকে (অর্থাৎ অর্ধেভূলোকে) একটি নিধি (অর্থাৎ বেদাত্মক ধন) গুহায় (অর্থাৎ আচার্যের হৃদয়রপ গুহার অভ্যন্তরে) গচ্ছিত আছে। তার উপরিদেশস্থ গুহায় অপর একটি দেবতারূপ নিধি আছে, যা জ্ঞাত হওয়া যায় না। অধীতবেদের সম্বন্ধিনী (অর্থাৎ বেদজ্ঞ ব্রাহ্মণের গচ্ছিত) সেই নিধি দুটি ব্রহ্মচারী। তপস্যার দ্বারা (অর্থাৎ আপন ব্রহ্মচর্য-মহিমায়) রক্ষা করছেন। বেদরাশির শব্দ ও অর্থের সাথে যা সম্বন্ধিত (অর্থাৎ অধিষ্ঠানভূত) পরব্রহ্মকে বেদবি ব্রাহ্মণ সাক্ষাৎ করে থাকেন। ১০।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ— তৃতীয়েনুবাকে পঞ্চ সূক্তানি। তত্র ব্রহ্মচারীষ্ণংশ্চরতি ইত্যাদিস্ত্রিভিঃ সূক্তৈব্ৰহ্মচারিণো মাহাত্মং উচ্যতে। তস্য ব্রহ্মযজ্ঞ জপে বিনিয়োগঃ ॥(১১কা, ৩অ. ১সূ.)।

    টীকা –এই অনুবাকের পাঁচটি সূক্তের মধ্যে প্রথম তিনটি সূক্তে ব্রহ্মচারীর মাহাত্ম্য-কথা বর্ণনা করা হয়েছে। এগুলি ব্ৰহ্মযজ্ঞ-জপে বিনিয়োগ করণীয় ॥ (১১কা, ৩অ. ১সূ)।

    .

    দ্বিতীয় সূক্ত : ব্রহ্মচর্যম

    [ঋষি : ব্রহ্মা। দেবতা : ব্রহ্মচারী। ছন্দ : ত্রিষ্টুপ, শক্করী, বৃহতী, জগতী, অনুষ্টুপ, উষ্ণিক।]

    অবাগন্য ইতত অন্যঃ পৃথিব্যা অগ্নী সমেতো নভসী অন্তরেমে। তয়োঃ শয়ন্তে রশ্ময়োহধি দৃঢ়াস্তানা তিষ্ঠতি তপসা ব্রহ্মচারী৷ ১৷৷ অভিক্ৰন্দ স্তনয়ন্নরুণঃ শিতিঙ্গো বৃহচ্ছেপোহনু ভূমৌ জভার। ব্রহ্মচারী সিঞ্চতি সানৌ রেতঃ পৃথিব্যাঃ তেন জীবন্তি প্রদিশতঃ ॥ ২॥ অগ্নৌ সূর্যে চন্দ্রমসি মাতরিশ ব্রহ্মচাৰ্যন্দু সমধিমা দধাতি। তাসামচীংষি পৃথগত্রে চরন্তি তাসামাজ্যং পুরুষো বৰ্ষমাপঃ ৷ ৩৷৷ আচার্যো মৃত্যুবরুণঃ সোম ওষধয়ঃ পয়ঃ। জীমূতা আসৎসত্বানস্তৈরিদং স্বরাভূত৷৷ ৪৷ অমা ঘৃতং কৃণুতে কেবলমাচার্যো ভূত্বা বরুণো যদ্যদৈচ্ছৎ প্রজাপতৌ। তদ ব্রহ্মচারী প্রাযচ্ছৎ স্বান্ মিত্রো অধ্যাত্মনঃ ৷৷ ৫৷৷ আচার্যো ব্রহ্মচারী ব্রহ্মচারী প্রজাপতিঃ। প্রজাপতির্বি রাজতি বিরাডিন্দ্রোহভবদ বশী৷৷ ৬৷৷ ব্রহ্মচর্যেণ তপসা রাজা রাষ্ট্রং বি রক্ষতি। আচার্যো ব্রহ্মচর্ষেণ ব্রহ্মচারিণমিচ্ছতে৷৷ ৭৷৷ ব্রহ্মচর্যেণ কন্যা যুবানং বিন্দুতে পতিম্। অনড়ান্ ব্ৰহ্মচর্যেণাশ্বো ঘাসং জিগীতি৷ ৮৷৷ ব্রহ্মচর্যেণ তপসা দেবা মৃত্যুমপাঘ্নত। ইন্দ্রো হ ব্ৰহ্মচর্যেণ দেবেভ্যঃ স্ব রাভরৎ ৯৷৷ ওষধয়ো ভূতভব্যমহোরাত্রে বনস্পতিঃ। সম্বৎসরঃ সহর্তুভিস্তে জাতা ব্রহ্মচারিণঃ ১০

    বঙ্গানুবাদ –এক অনুদিত সূর্যাত্মক অগ্নি এই পৃথিবীর নীচে বর্তমান রয়েছে, অপর পার্থিব অগ্নি পৃথিবীর উপরে রয়েছে। সূর্যোদয়ের পর এই আকাশ ও পৃথিবীর মধ্যে ঐ দুই অগ্নি পরস্পর মা সংযুক্ত হয়ে থাকে। সেই সূর্য ও অগ্নি-সম্বন্ধি রশ্মিসমূহ পরস্পর সম্মিলনের দ্বারা অতি দৃঢ় হয়ে আকাশ ও পৃথিবীকে আশ্রয় করে। এই অগ্নিদ্বয়োপেত (দুই অগ্নিকে প্রাপ্ত) ভূমিতে ব্রহ্মচারী আপন। তপোমহিমায় অধিষ্ঠান করেন। (অর্থাৎ অগ্নিরূপে সেই ভূমির অধিদেবতা হয়ে থাকেন)। ১।

    সর্বদিকে গর্জনকারী জলপূর্ণ মেঘকে প্রাপ্ত হয়ে বরুণ দেবতা আপন বীর্যকে পৃথিবীর উদ্দেশে প্রেরণ করছেন। ব্রহ্মচারী সেই বরুণাত্মক বীর্যকে আপন তপোমহিমায় পৃথিবীর উন্নতপ্রদেশে বর্ষণ করছেন। সেই উদকলক্ষণ বীর্যের দ্বারা প্রাচী ইত্যাদি চারি প্রধান দিকের প্রাণীগণ প্রাণ ধারণ করে (বা সমৃদ্ধ হয়)। (যে রাজ্যে ব্রহ্মচারী বাস করেন, সেই স্থানে যথাকালে বৃষ্টি হয়–এটাই তাৎপর্য)। ২।

    ব্রহ্মচারী (অর্থাৎ ব্রহ্মচর্যনিয়মবান্ পুরুষ) পার্থিব অগ্নিতে অন্তরিক্ষগত সূর্যে, চন্দ্রে, মাতরিশ্বা বায়ুতে ও অন্দু (অর্থাৎ জলে সমিধসমূহ প্রক্ষেপণ করেন। এই অগ্নি ইত্যাদির তেজ পৃথক পৃথক রূপে অন্তরিক্ষে অবস্থান করে। ব্রহ্মচারীর সমিধের দ্বারা সমৃদ্ধ অগ্নি ইত্যাদি আজ্য (অর্থাৎ গো-সমৃদ্ধি), পুরুষ (অর্থাৎ পুত্র ইত্যাদির সমৃদ্ধি), বর্ষ (অর্থাৎ কালে বৃষ্টির আবির্ভাব) ও আপ, (অর্থাৎ বাপী, কূপ, তড়াগ ইত্যাদির সমৃদ্ধি) উৎপন্ন করে থাকেন ৷ ৩৷

    আচার্যই মৃত্যু দেবতা (কারণ, অপরাধাচরণের নিমিত্ত রুষ্ট হয়ে অপরাধীর জীবন অপহরণ করেন); তিনিই বরুণ অর্থাৎ পাপের নিষেধক (কারণ পরিচর্যাকারী ব্রহ্মচারীর পাপের নিবারণ করেন); তিনিই সোম বা চন্দ্রমা (কারণ চন্দ্রবৎ আহ্বালকর); তিনিই ওষধি সমূহ (কারণ ব্রীহি যব ইত্যাদি ঔষধিরূপে প্রাণরক্ষক), তিনিই পয়ঃ বা দুগ্ধ (কারণ দুগ্ধরূপে পুষ্টিদায়ক)। এই সবই আচার্যের প্রসাদে লভ্য বলে এগুলি সবই আচাৰ্যাত্মক। (অথবা মৃত্যু দেবতা যুম নচিকেতাকে ব্রহ্মবিদ্যা উপদেশের দ্বারা, কিংবা বরুণ দেবও ভৃগুকে উপদেশ দান করে যেমন আচার্য হয়েছেন, সেই রকম আচার্য হলেন সর্বদেবাত্মক এটাই তাৎপর্য)। বরুণ দেবতা যে সদনশীল মেঘগুলিকে আপন পার্শ্বে রক্ষা করেছেন, তারাই তার অনুচর, তারাই বর্ষণশীল জলকে ধারণ করছে (বা আহরণ করছে)। ৪।

    বরুণদেব আচার্য হয়ে ক্ষরণশীল জলরাশিকে নিজের সাথে একাত্ম করে নিয়েছেন। তিনি প্রজাপতির নিকট হতে যে ফল ইচ্ছা করেছিলেন, মিত্রদেব ব্রহ্মচারী হয়ে স্বকীয় ব্রহ্মচর্য-মাহাত্মে আপন শরীর হতে সে সবই আচার্যভূত বরুণকে দিয়েছিলেন। (এর দ্বারা ব্রহ্মচারীর পালনীয় একটি নিয়ম কথিত হলো যে, শিষ্যরূপে বিদ্যা-উপদেশকারী আচার্যকে তার আকাঙ্ক্ষিত ধন দক্ষিণারূপে প্রদান করা কর্তব্য)। ৫৷৷

    বিদ্যা উপদেশ করে আচার্য ব্রহ্মচারী রূপে প্রকট হয়ে থাকেন। তিনিই ব্রহ্মচর্য পালনরূপ তপস্যার দ্বারা মহিমাবা হয়ে প্রজাপতি অর্থাৎ জগৎস্রষ্টা হয়ে থাকেন। এবং সেই প্রজাপতি হতে তিনি বিরাটু (অর্থাৎ শ্রুতি-কথিত স্থলপ্রপঞ্চশরীরাভিমানী ঈশ্বর) বিরাজমান হয়ে যান। এবং বিরাট হতে তিনিই পরমৈশ্বর্যযুক্ত সর্বজগৎস্রষ্টা পরমাত্মা হয়ে থাকেন। (সেইজন্যই বলা হয় যে, পরম্পরা অনুক্রমে আচার্যের সর্বদেবাত্মক মহিমা কেউই বর্ণনা করতে সক্ষম নয়)। ৬।

    বেদকে ব্রহ্ম বলা হয়। বেদাধ্যয়নের নিমিত্ত আচরণীয় কর্মই (যথা,সমিধাদান অর্থাৎ যজ্ঞকাষ্ঠ স্থাপন, ভৈক্ষচর্য অর্থাৎ ভিক্ষাচরণ, ঊর্ধরেতস্কত্ব অর্থাৎ শুক্ৰসংযম ইত্যাদি) ব্রহ্ম। সেই ব্রহ্মচর্যের দ্বারা এবং তার দ্বারা পালিত উপবাস ইত্যাদি ব্রতনিয়মের দ্বারা রাজা আপন রাজ্য বিশেষভাবে রক্ষা করেন (অর্থাৎ পালন করেন) এবং আচার্যও ব্রহ্মচর্যের দ্বারাই ব্রহ্মচারীকে আপন শিষ্য করেন ॥৭॥

    অকৃতবিবাহ (অবিবাহিতা) কন্যা ব্রহ্মচর্যের দ্বারাই যুবত্ব-গুণযুক্ত উৎকৃষ্ট পতি প্রাপ্ত হন। (এমনকি পশুজাতিও ব্রহ্মচর্যের দ্বারাই আপন অভিলষিত ফল লাভ করে, যেমন–) শকট-বহনকারী পুঙ্গম (বৃষ) ঊর্দ্ধরেতস্কত্ব ইত্যাদি ধর্মের (ব্রহ্মচর্যের) দ্বারাই উৎকৃষ্ট পতি লাভ করে এবং অশ্ব ব্রহ্মচর্যের দ্বারাই ১ ভক্ষণীয় তৃণ ইত্যাদি ভক্ষণ করতে ইচ্ছা করে। (বক্তব্য এই যে, অবিবাহিত কালে কন্যার আত্মসংযমরূপ ব্রহ্মচর্য তাকে মনোমত পতি প্রাপ্ত করায়; গাভী-সঙ্গমে অপারঙ্গম বলদ রেতঃ হীনতারূপ ব্রহ্মচর্যের দ্বারা মনোমত প্রভু লাভ করে; অশ্ব অশ্বী-সঙ্গমে অনিচ্ছারূপ ব্রহ্মচর্যের দ্বারাই মনোমত তৃণ ইত্যাদি নিরামিষ খাদ্য প্রাপ্ত হয়)। ৮

    অগ্নি প্রমুখ দেবতাগণ ব্রহ্মচর্যের দ্বারাই মৃত্যুকে জয় (বা দূর) করেছেন। ব্রহ্মচর্যের দ্বারাই ইন্দ্র দেবতাগণকে স্বর্গপ্রাপ্ত করিয়েছেন। ৯।

    ব্রীহি, যব ইত্যাদি গ্রাম্য ঔষধিসমূহ, অন্য বনৌষধিসমূহ, দিবা-রাত্রি, অতীত ও অনাগত কালসমূহ (বা দ্বাদশমাসাত্মক কাল), হেমন্ত-শীত ইত্যাদি ঋতুরাজি–এ সবই ব্রহ্মচারীর তপস্যা-মাহাত্মে উৎপন্ন হয়েছে। ১০।

    টীকা –এই সূক্তটি প্রথম সূক্তের সাথেই বিনিয়োগ হয়ে থাকে। (১১কা, ৩অ. ২সূ.)।

    .

    তৃতীয় সূক্ত : ব্রহ্মচর্যম

     [ঋষি : ব্রহ্মা। দেবতা : ব্রহ্মচারী। ছন্দ : ত্রিষ্টুপ, শক্করী, বৃহতী, জগতী, অনুষ্টুপ, উষ্ণিক।]

    পার্থিবা দিব্যাঃ পশব আরণ্যা গ্রাম্যাশ্চ যে। অপক্ষাঃ পক্ষিণশ্চ যে তে জাতা ব্রহ্মচারিণঃ ১। পৃথক সর্বে প্রাজাপত্যাঃ প্রাণানাত্মসু বিভ্রতি। তাৎসর্বান্ ব্ৰহ্ম রক্ষতি ব্রহ্মচারিণ্যাভৃত৷ ২দেবানামেতৎ পরিমূতমনভ্যারূটং চরতি রোমান। তস্মাজ্জাতং ব্রাহ্মণং ব্রহ্ম জ্যেষ্ঠং দেবাশ্চ সর্বে অমৃতেন সাক৷৷ ৩৷৷ ব্রহ্মচারী ব্ৰহ্ম ভ্ৰাজদ বিভর্তি তস্মিন্ দেবা অধি বিশ্বে সমোতাঃ। প্রাণাপানৌ জনয়ন্নাদ ব্যানং বাচং মনো হৃদয়ং ব্রহ্ম মেধা৷৷ ৪৷ চক্ষুঃ শ্রোত্রং যশো অস্মাসু ধেহন্নং রেতো লোহিতমুদর৷৷ ৫৷৷ তানি কল্পদ ব্রহ্মচারী সলিলস্য পৃষ্ঠে তোহতিষ্ঠৎ প্যমানঃ সমুদ্রে। স স্নাতত বঃ পিঙ্গলঃ পৃথিব্যাং বহু রোচতে৷ ৬

    বঙ্গানুবাদ –পার্থিব জনগণ, দিব্যলোকের প্রাণীগণ, অরণ্যের সিংহ-শার্দুল ইত্যাদি ও গ্রাম্য। গো-অশ্ব-মহিষ ইত্যাদি পশুগণ, পক্ষরহুত ও পক্ষবন্ত জীব বা বস্তুসমূহ যা কিছু, তা সবই ব্রহ্মচর্যের প্রভাবেই উৎপন্ন হয়েছে ৷ ১।

    প্রজাপতির দ্বারা সৃষ্ট দেব-মনুষ্য ইত্যাদি সকলেই আপন আপন প্রাণকে (স্বস্বসম্বন্ধিন এব) ধারণ বা পোষণ করছে। আচার্যের মুখ-নিঃসৃত বেদাত্মক ব্রহ্মই ব্রহ্মচারীর মধ্যে স্থিত হয়ে সকল প্রাণীকে রক্ষা করছে। ২৷৷

    এই পরব্রহ্ম দেবতাগণ হতে পরোক্ষ নন, তিনি দেবতাগণের দ্বারা পরিগৃহীত (অর্থাৎ তাদের আত্মরূপে সাক্ষাৎকৃত)। তিনি আপন সচ্চিদানন্দ রূপে দীপ্তিবান্ থাকেন, তার অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ কেউ নেই। তার নিকট হতেই ব্রহ্ম-সম্বন্ধি বা ব্রাহ্মণগণের অসাধারণ (অর্থাৎ প্রবৃদ্ধতম বা প্রশংসনীয়) ধন বেদাত্মক ব্রহ্ম প্রকট হয়েছেন এবং তৎপ্রতিপাদ্য অগ্নি ইত্যাদি সকল দেবগণ অমৃতত্বের সাথে যুক্ত হয়ে প্রকট হয়েছেন। (অমৃতেন রে স্বাপতভাগ্যেন অমৃতত্বপ্রাপকেন সুধারসেন সহ জাতা ইত্যর্থঃ) ৷৷ ৩৷৷

    ব্রহ্মচর্যবান পুরুষ দীপ্যমান বেদাত্মক ব্রহ্মকে ধারণ করে থাকেন। তার উপরে সকল দেবতা অবস্থান করে থাকেন। এবং সকল দেবতার নিবাসভূত ব্রহ্মচারী সর্বপ্রাণীর প্রাণ ও অপান বায়ুকে প্রকট করে থাকেন; পুনরায় ব্যান নামক বায়ু, শব্দাত্মিকা বাণী, অন্তঃকরণ ও তার আবাসস্থানরূপ হৃদয়কমল, বেদাত্মক ব্ৰহ্ম, মেধা (অর্থাৎ আশুবিদ্যাগ্রহণকুশলা বুদ্ধি)–এই সবই ব্রহ্মচারীর দ্বারা উৎপন্ন হয়ে থাকে। ৪

    হে ব্ৰহ্মন (ব্রহ্মচাৰ্যাত্মক)! আমাদের অর্থাৎ তোমার স্তোতৃবর্গের মধ্যে রূপ-গ্রাহক নেত্র, শব্দগ্রাহক শ্রোত্র ও যশ (বা কীর্তি) স্থাপন করো। (অন্ধত্ব বধিরতা কখনও যেন আমাদের না হয়)। আমাদের ভোজ্য অর্থাৎ অন্ন, পুত্র ইত্যাদির নিমিত্ত রেতঃ, শরীরগত রক্ত এবং উদর উপলক্ষিত সমস্ত শরীর কল্পিত পূর্বক ব্রহ্মচারী সলিলের পৃষ্ঠে অর্থাৎ উদকের মধ্যে তপস্তপ্যমান হয়ে অবস্থান করছেন। সেই তপস্বী ব্রহ্মচারী সর্বদা স্নানের দ্বারা পবিত্ৰীকৃত ও পিঙ্গল বা বভ্রুবর্ণধারী হয়ে পৃথিবীতে দীপ্যমান হয়ে আছেন। ৫-৬।

    টীকা –উপযুক্ত সূক্তটি প্রথম ও দ্বিতীয় সূক্তের অনুরূপ ব্রহ্মজ্ঞ জপে বিনিযুক্ত ও ব্রহ্মচারীর মাহাত্ম্য কীর্তনে প্রযুক্ত ॥ (১১কা, ৩অ. ৩সূ.)।

    .

    চতুর্থ সূক্ত : পাপমোচনম

     [ঋষি : শন্তাতি। দেবতা : অগ্নি ইত্যাদি। ছন্দ : অনুষ্টুপ।]

    অগ্নিং মো বনস্পতীনোষধীরুত বীরুধঃ। ইং বৃহস্পতিং সূর্যং তে নো মুঞ্চংহসঃ ॥১॥ মো রাজানং বরুণং মিত্রং বিষ্ণুমথো ভগম্। অংশং বিবস্বন্তং মস্তে নো মুঞ্চংহসঃ ॥ ২॥ মো দেবং সবিতারং ধাতারমুত পূষণম্। ত্বষ্টারমগ্রিয়ং ৰূমস্তে নো মুঞ্চন্তংহসঃ ॥ ৩৷৷ গন্ধর্বারসো মো অশ্বিনা ব্ৰহ্মণম্পতিম্। অর্যমা নাম যে দেবস্তে নো মুঞ্চন্তংহসঃ ॥ ৪৷ অরাত্রে ইদং ক্ৰমঃ সূর্যাচন্দ্রমসাবুভা। বিশ্বানাদিত্যান্ ক্ৰমস্তে নো মুঞ্চংহসঃ ॥ ৫॥ বাতং ব্রুমঃ পর্জন্যমন্তরিক্ষমথো দিশঃ। আশাশ্চ সর্বা ব্রুমন্তে নো মুঞ্চংহসঃ ॥ ৬৷৷ মুঞ্চন্তু মা শপথ্যাহোরাত্রে অথো উষাঃ। সোমা মা দেবো মুঞ্চতু যমাহুশ্চন্দ্রমা ইতি ॥ ৭. পার্থিবা দিব্যাঃ পশব আরণ্যা উত সে মৃগাঃ। শকুন্তা পক্ষিণো ক্ৰমস্তে নো মুঞ্চংহসঃ ॥ ৮ ভবাশর্বাবিদং মো রুদ্রং পশুপতি যঃ। ইমূর্ষা এষাং সংবিঘ্ন,তা নঃ সন্তু সদা শিবাঃ ॥ ৯৷৷ দিবং ক্রমো নক্ষত্রাণি ভূমিং যক্ষাণি পর্ব। সমুদ্রা নদ্যো বেশন্তাস্তে নো মুঞ্চংহসঃ ॥ ১০।

    বঙ্গানুবাদ –সকল দেবতার আদিভূত অগ্নিদেবের উদ্দেশে আমরা স্তুতি পূর্বক অভীষ্ট ফল। প্রার্থনা করছি। আমরা বনস্পতির স্তুতি করছি। আমরা মহাবৃক্ষ ব্রীহি, যব, ইত্যাদি গ্রাম্য ও লতারূপ বনৌষধি সমূহের স্তুতি করছি। আমরা ইন্দ্র, বৃহস্পতি ও আদিত্যেরও স্তুতি করছি। এঁরা সকলে আমাদের পাপ হতে মুক্ত করুন–এটাই প্রার্থনা ॥১॥

    আমরা রাজমা বা ঈশ্বরত্ব সম্পন্ন বরুণ দেবতার, সকলের মিত্রভূত মিত্র দেবতার, ব্যাপনশীল বিষ্ণু দেবতার, ভজনীয় ভগ দেবতার, অংশ ও বিবস্বান দেবতার স্তুতি করছি। এঁরা সকলেই আমাদের পাপ হতে মুক্ত করুন। ২।

    আমরা সর্বপ্রেরক ও দান ইত্যাদি গুণযুক্ত সবিতা দেবের স্তুতি করছি। তথা ধাতা, পূষা ও অগ্রগণ্য (অগ্রিয়ং) বৃষ্টাদেবের স্তুতি করছি। এঁরা সকলে আমাদের পাপ হতে মুক্ত করুন। ৩।

    আমরা মন্ত্রপ্রসিদ্ধ গন্ধর্ব ও অপ্সরা নামক দেবগণের স্তুতি করছি। তথা অশ্বিদ্বয় দেবতার স্তুতি করছি। বেদপতি ব্রহ্মার ও অর্যমা দেবতার স্তুতি করছি। সেই দেবতাগণ আমাদের পাপ হতে মুক্ত করুন। ৪

    আমরা দিবা ও রাত্রির উদ্দেশে এই স্ততিবাক্য উচ্চারণ করছি। তাদের অধিষ্ঠাত্ দেবতা সূর্য ও চন্দ্র এবং দেবমাতা অদিতির সকল পুত্রদের উদ্দেশেও স্তুতি করছি। তারা আমাদের সকল পাপ হতে মুক্ত করুন। ৫।

    আমরা বায়ু, পর্জন্য, অন্তরিক্ষ ও দিক-বিদিকস্থ দেবতাগণের উদ্দেশেও স্তুতি করছি। এঁরা সকলে আমাদের পাপ হতে মুক্ত করুন ৷ ৬ ৷৷

    দিবা ও রাত্রির অভিমানী দেবতা আমাদের শপথাত্মক পাপ হতে মুক্ত করুন। উষাকালের অভিমানী দেবতা ও চন্দ্রমারূপ সোম দেবতা আমাকে শপথের কারণভূত পাপ হতে মুক্ত করুন। (শপথ করে তা রক্ষা না করার পাপ হতে এঁরা সকলে আমাকে রক্ষা করুন) ৭

    আমরা পৃথিবীস্থ ও দিব্যস্থানস্থায়ী প্রাণীসকলের উদ্দেশে (অর্থাৎ দেহধারী মনুষ্য, অদৃশ্য দেবতা ইত্যাদির উদ্দেশে), গাভী ইত্যাদি গ্রাম্য ও হরিণশাদূলসিংহ ইত্যাদি আরণ্য পশু সমূহের উদ্দেশে এবং শকুনভূত পিঙ্গল ইত্যাদি পক্ষিগণের উদ্দেশেও স্তুতি করছি। এঁরা সকলে আমাদের পাপ হতে রক্ষা করুন ॥ ৮৷৷

    আমরা ভব ও শর্ব দেবতার উদ্দেশে এই স্তুতিবাক্য নিবেদন করছি। আমরা রুদ্র ও পশুপতি দেবতার উদ্দেশে স্তুতি করছি। এঁদের যে বাণগুলিকে আমরা পরিজ্ঞাত আছি, সেইগুলি আমাদের নিকট সুখপ্রদ হোক। ৯।

    আমরা দ্যোতমান আকাশ, সেই স্থানে আশ্রিত পুণ্যবার্গের ধামরূপ নক্ষত্র সমূহ, পুণ্যক্ষেত্র ভূমিভাগ, হিমালয় প্রমুখ মহাগিরী, ভূমিস্থ সপ্তসংখ্যক প্রসিদ্ধ সমুদ্র, গঙ্গা ইত্যাদি নদীসমূহ এবং সরোবর ইত্যাদি ক্ষুদ্র জলাশয় সমূহের স্তুতি করছি। এরা সকলে আমাদের পাপ হতে মুক্ত করুক। ১০।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –অগ্নিং ব্রমঃ ইত্যাদি সূক্তদ্বয়ং অর্থসূক্তং। তস্য বৃহঙ্গনে লঘুগণে চ পাঠাৎ শান্তু্যদক মন্ত্রণাদৌ বিনিয়োগঃ…(কৌ. ৪/৮)। (১১কা, ৩অ. ৪সূ.)।

    টীকা –উপযুক্ত সূক্তটি এবং এর পরবর্তী সূক্তটি বৃহষ্পণে ও লঘুগণে পঠিত শান্তুদক কর্মে বিনিযুক্ত হয়। সূত্রানুসারে সর্বভৈষজ্য ইত্যাদি কর্মে গণপ্রযুক্তে এগুলির বিনিয়োগ অনুসন্ধেয়।…উপযুক্ত সূক্তের দ্বারা আজ্যতন্ত্রে হোম করণীয় ৷ (১১কা, ৩অ. ৪সূ.)।

    .

    পঞ্চম সূক্ত : পাপমোচনম

     [ঋষি : শন্তাতি। দেবতা : অগ্নি ইত্যাদি। ছন্দ : অনুষ্টুপ।]

    সপ্তর্ষীন বা ইদং ক্ৰমোহপো দেবীঃ প্রজাপতি। পিতুন যমশ্রেষ্ঠা ক্ৰমস্তে নো মুঞ্চংহসঃ ॥১॥ যে দেবা দিবিষদো অন্তরিক্ষসদশ্চ যে। পৃথিব্যাং শক্রা যে শ্রিতাস্তে নো মুঞ্চংহসঃ ॥ ২॥ আদিত্যা রুদ্রা বসবো দিবি দেবা অথবাণঃ। অঙ্গিরসো মনীষিণস্তে নো মুঞ্চংহসঃ ॥ ৩। যজ্ঞং ক্ৰমো যজমানমৃচঃ সামানি ভেষজা। যজুংষি হোত্ৰা ক্ৰমস্তে নো মুঞ্চংহসঃ ॥ ৪৷ পঞ্চ রাজ্যানি বীরুধাং সোমশ্রেষ্ঠানি ক্ৰমঃ। দর্ভো ভঙ্গো যুবঃ সহস্তে নো মুঞ্চংহসঃ ॥ ৫॥ অরায়া ক্ৰমো রক্ষাংসি সর্পান পুণ্যজনান্ পিতৃন্। মৃত্যুনেকশতং ক্ৰমস্তে নো মুঞ্চংহসঃ ॥ ৬। ঋতু ক্ৰম ঋতুপতীনার্তানুত হায়না। সমাঃ সম্বৎসরা মাসাংস্তে নো মুঞ্চংহসঃ ॥ ৭৷৷ এত দেবা দক্ষিণতঃ পশ্চাৎ প্রাঞ্চ উদেত। পুরস্তাদুত্তরাচ্ছা বিশ্বে দেবাঃ সমেত্য তে নো মুঞ্চংহসঃ ॥ ৮বিশ্বান্ দেবানিদং ক্ৰমঃ সত্যসন্ধানৃতাবৃধঃ। বিশ্বাভিঃ পত্নীভিঃসহ তে নো মুঞ্চংহসঃ ॥ ৯৷৷ সর্বান্ দেবানিদং ক্ৰমঃ সত্যসন্ধানৃতাবৃধঃ। সর্বাভিঃ পত্নীভিঃ সহ তে নো মুঞ্চংহসঃ ॥ ১০ ভূতং ক্ৰমো ভূতপতিং ভূতানামুত যো বশী। ভূতানি সর্বা সঙ্গত্য তে নো মুঞ্চংহসঃ ॥ ১১। যা দেবীঃ পঞ্চ প্রদিশো যে দেবা দ্বাদশৰ্তবঃ। সম্বৎসরস্য যে দংষ্ট্রাস্তে নঃ সন্তু সদা শিবাঃ ॥ ১২। যন্মাতলী রথক্রীতমমৃতং বেদ ভেষজ। তদিন্দ্রো অঞ্জু প্রবেশয়ৎ তদাপো দত্ত ভেষজ ৷ ১৩.

    বঙ্গানুবাদ –আমরা এই স্তুতিবচন সপ্ত-ঋষির উদ্দেশে নিবেদন করছি (অথবা তাঁদের নিকট এই ফল যাচনা করছি)। আমরা অপোদেবী অর্থাৎ জলদেবতার, স্রষ্টা প্রজাপতি দেবতার, তথা মুখ্যোধিপতি বহিষদ-আগ্নিম্বাত্ত ইত্যাদি পিতৃবর্গের স্তুতি করছি। তারা সকলে আমাদের পাপ হতে মুক্ত করুন ৷ ১৷

    যে দেবগণ দ্যুলোকে আছেন, যে দেবগণ অন্তরিক্ষে আছেন এবং যে শক্তিশালী দেবগণ পৃথিবীতে অর্থাৎ ভূমিতে আশ্রিত আছেন, তাঁরা সকলে আমাদের পাপ হতে মুক্ত করুন। ২।

    দ্বাদশ আদিত্য, একাদশ রুদ্র, অষ্টবসু-দিব্যলোকের এই গণত্রয়াত্মক দেবগণ; বিংশতিকাণ্ডাত্মক বেদের (অর্থাৎ অথর্ববেদের) দ্রষ্টা মহর্ষি অথবা ও আঙ্গিরস ইত্যাদি মনীষি আমাদের স্তুতির দ্বারা সন্তুষ্ট হয়ে আমাদের সকল পাপ হতে মুক্ত করুন। ৩।

    আমরা অগ্নিষ্টোম ইত্যাদি যজ্ঞসমূহের স্তুতি করছি, সেই যজ্ঞফল প্রাপ্ত করণশালী যজমানের স্তুতি করছি, যজ্ঞসমূহে বিনিযুক্ত পাদবদ্ধ মন্ত্রসমূহের স্তুতি করছি। স্তোত্রসমূহকে সম্পন্ন করণশালী (অর্থাৎ প্রগীতমন্ত্রাত্মক রথন্তর, বৃহৎ, বৈরূপ ইত্যাদি) সামসমূহের স্তুতি করছি, সোমকে ও ঔষধিসমূহকে স্তুতি করছি, সোমবাগের (হোতা, মৈত্রাবরুণ, ব্রাহ্মণাচ্ছংসি,পোতা, নেষ্টা, অচ্ছাবাক, আগ্নী) সপ্ত বষট্‌কারের স্তুতি করছি, তাদের ক্রিয়া হোত্রার স্তুতি করছি। তারা আমাদের সব পাপ হতে বিমুক্ত করুন। ৪৷৷

    ভিষকগণের দ্বারা বিনিযুজ্যমান পত্র, কাণ্ড, ফল, পুষ্প ও মূল এই পঞ্চ রাজ্যশালিনী ঔষধিসমূহের মধ্যে সোমলতা শ্রেষ্ঠ অর্থাৎ সোমলতা এদের রাজা। আমরা এদের স্তুতি করছি। তথা দর্ভ অর্থাৎ কুশময়, ভঙ্গ অর্থাৎ শন, যব নামক প্রসিদ্ধ ঔষধি, সহ নাম (কোনও) ঔষধি বিশেষকেও আমরা স্তুতি করছি। এরাও আমাদের সকল পাপ মোচন করুন। ৫

    আমরা দানপ্রতিবন্ধক (অর্থাৎ দানকর্মে বাধা দানকারী) হিংসকদের (অর্থাৎ রাক্ষসবৎ পিশাচ সমুদায়ের) স্তুতি করছি। তথা রাক্ষসগণের, সর্পগণের, যাতুনগণের (পুণ্যজন সমূহের), পিতৃলোকগত পূর্বপুরুগণের (পিতৃ) ও একশত একসংখ্যক মৃত্যুদায়ক (বা মৃত্যুর অধিষ্ঠাতৃ) দেবতাবৃন্দের স্তুতি করছি; তারা সকলে আমাদের পাপ হতে মুক্ত করুন ৷৷ ৬ ৷৷

    আমরা বসন্ত ইত্যাদি ঋতু সমূহের স্তুতি করছি। তথা সেই ঋতু সমূহের অধিপতি দেবতা (বসন্তের) বসুগণ, (গ্রীষ্মের) রুদ্রগণ, (বর্ষার) আদিত্যগণ, (শরতের) ঋভুগণ এবং (হেমন্ত ও শিশিবের) মরুৎ-গণকে তথা ঋতু সমূহে উৎপন্ন পদার্থগুলির স্তুতি করছি। আমরা চান্দ্র-সৌর-সাবন ভেদাত্মক তিন প্রকার সম্বৎসরের এবং চৈত্র ইত্যাদি মাস সমূহের স্তুতি করছি। তারা সকলে আমাদের পাপ হতে মুক্ত করুক ॥ ৭

    হে দেববর্গ! আপনারা যাঁরা দক্ষিণ দিকে স্থিত আছেন, তারা আগমন করুন। যাঁরা পশ্চিম দিকে, পূর্ব দিকে, উত্তর দিকে, সম্মুখে ও পশ্চাতে অবস্থান করছেন, তাঁরাও আপন আপন দিক হতে এই স্থানে আগমন পূর্বক আমাদের সকল পাপ হতে মুক্ত করুন। ৮ ৷৷

    আমরা বিশ্বদেবগণের উদ্দেশে এই স্তুতিবাক্য উচ্চারণ করছি (অথবা এই ফল যাচনা করছি)। তাঁরা সত্যসন্ধান (অর্থাৎ সত্যপ্রতিজ্ঞান), তারা ঋতাবৃধ (অর্থাৎ সত্যের বা যজ্ঞের বর্ধক)। তারা বিশ্বা নামে আখ্যাতা পত্নী সমভিব্যাহারে আমাদের দ্বারা স্তুত হয়ে আমাদের সকল পাপ হতে মুক্ত করুন। ৯।

    আমরা সকল দেবগণের উদ্দেশে এই স্তুতি বাক্য উচ্চারণ করছি। তারা সত্যবর্ধক, যজ্ঞ বা সত্যের বধক। তাঁরা সকল পত্নী সমভিব্যাহারে আমাদের দ্বারা স্তুত হয়ে আমাদের সকল পাপ হতে মুক্ত করুন ১০

    ভূত অর্থাৎ লব্ধসত্তা বস্তুমাত্রের উদ্দেশেই আমরা স্তুতি করছি। ভূতপতি অর্থাৎ ভূতের অধিপতি বা ঈশ্বরের উদ্দেশে আমরা স্তুতি করছি। অধিকন্তু, সেই সকল ভূতের নিয়ন্তার উদ্দেশেও আমরা স্তুতি করছি। সকল ভূত একত্রিত হয়ে এই স্থানে আগমন করুন এবং আমাদের সকল পাপ হতে মুক্ত করুন। ১১

    প্রধান দিকবর্তিনী যে প্রসিদ্ধা পঞ্চসংখ্যকা দেবী আছেন, দান ইত্যাদি গুণযুক্ত চৈত্র বৈশাখ ইত্যাদি। দ্বাদশ-সংখ্যক যে মাস আছে, ঐ দ্বাদশ-মাসাত্মক সম্বৎসরের যে ঋতু দেবতা আছেন, ঐ এক সম্বৎসররূপ প্রজাপতির বিষ্টি (অর্থাৎ যন্ত্রণাদায়ক) ইত্যাদি দোষযুক্ত যে কালাত্মক দন্তবিশেষ আছে, –তারা সকলে সর্বদা আমাদের কল্যাণের কারণ হোন (কল্যাণহেতবঃ সন্তু)। ১২।

    ইন্দ্রের সারথি মাতলী রথের ক্রয়ের দ্বারা যে অমৃত (অর্থাৎ অমরণসাধন)ভেষজ জ্ঞাত হয়েছেন, রথের অধিপতি ইন্দ্র সেই ভেষজ জলে প্রক্ষিপ্ত করেছেন। হে আপঃ (জলরাশি)! তোমরা সেই মাতলীক্রীত ও ইন্দ্র কর্তৃক নিক্ষিপ্ত ঔষধ আমাদের প্রদান করো। ১৩৷৷

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –সপ্তঋষী বা ইদং ক্ৰমঃ ইতি সূক্তস্য পূর্ববৎ বিনিয়োগ। …ইত্যাদি। (১১কা.. ৩অ. ৫.)।

    টীকা –উপযুক্ত সূক্তটির বিনিয়োগ পূর্ব সূক্তের অনুরূপ ৷ (১১কা, ৩অ. ৫সূ)।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহারুকি মুরাকামির শ্রেষ্ঠ গল্প – অনুবাদ : দিলওয়ার হাসান
    Next Article শ্যামাপ্রসাদ : বঙ্গবিভাগ ও পশ্চিমবঙ্গ – দীনেশচন্দ্র সিংহ
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }