Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অথর্ববেদ সংহিতা (সম্পাদনা : দিলীপ মুখোপাধ্যায়)

    দিলীপ মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1733 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০২।২ দ্বিতীয় কাণ্ড : দ্বিতীয় অনুবাক

    দ্বিতীয় অনুবাক
    প্রথম সূক্ত : সপত্নহাহগ্নিঃ
    [ঋষি : শৌনক (সত্যকাম)। দেবতা : অগ্নি। ছন্দ : ত্রিষ্টুপ, পংক্তি ]

    সমাস্তাগ্ন ঋতবো বর্ধয়ন্তু সংবৎসরা ঋষয়ো যানি সত্যা। সং দিব্যেন দীদিহি নোচনেন বিশ্বা আ ভাহি প্রদিশশ্চতঃ ॥১॥ সং চেধ্যস্বাগ্নে প্র চ বর্ধয়েমমুচ্চ তিষ্ঠ মহতে সৌভগায়। মা তে বিষপসত্তাররা অগ্নে ব্রহ্মাণস্তে যশসঃ সন্তু মান্যে। ২। ত্বমগ্নে বৃণতে ব্রাহ্মণা ইমে শিববা অগ্নে সংবরণে ভবা নঃ। সপত্নহাগ্নে অভিমাতিজিদ ভবম্বে গয়ে জাগৃহ্যপ্রযুচ্ছ ॥ ৩ ক্ষত্রেণাগ্নে স্বেন সং রভম্ব মিত্রেণাগ্নে মিত্রধা যতস্ব। সজাতানাং মধ্যমেষ্ঠা রাজ্ঞামগ্নে বিহবব্যা দীদিহীহ ॥৪॥ অতি নিহো অতি সৃষধাহত্যচিত্তীরতি দ্বিষঃ। বিশ্বা হ্যগ্নে দুরিতা তর ত্বমথাস্মভ্যং সহবীরং রয়িং দাঃ ॥ ৫॥

    বঙ্গানুবাদ –হে ইন্দ্র! সম্বৎসর, ঋতু, মাস, পক্ষ, দিবস ইত্যাদি তোমার সমৃদ্ধি করুক। পৃথিবী ইত্যাদিও তোমার বর্ধন করুক এবং ঋষিগণও তোমার বর্ধন করুন। অপিচ, তুমি আপন দিব্য শরীরে প্রদীপ্ত হয়ে চারি দিমূহকে প্রকাশিত করো ৷৷ ১।

    হে অগ্নি! তুমি স্বয়ং দীপ্যমান হয়ে এই যজমানের কামনাগুলি পূর্ণ করো; তাঁকে ধন দানের নিমিত্ত উদ্যত হও। তোমার সেবা-করণে নিয়োজিত এই ঋত্বি যজমান ইত্যাদি কর্ম করুক এবং এঁরা যেন কদাপি ক্ষীণ না হন। যারা তোমার সেবক নয়, তারা যশোহীন (নিন্দনীয়) হয়ে যাক। ২৷৷

    হে অগ্নি! এই ঋত্বিক যজমান ইত্যাদিগণ তোমার উপাসক; তুমি আমাদের (অর্থাৎ ঋত্বিক যজমান ইত্যাদি ব্রাহ্মণদের) কোনও প্রমাদেও (ভুলত্রুটি ঘটলেও) যেন রুষ্ট হয়ো না। তুমি আমাদের শত্রুবর্গকে ও পাপসমূহকে পরাভূত করে আপন গৃহে সচেষ্ট থাকো ॥ ৩

    হে অগ্নি! আপন বলের সাথে যুক্ত থাকো। তুমি মিত্রবর্গের উপকারশালী, অতএব তাদের (আমাদের) পোষণ করো। তোমার সমান-জন্মসম্পন্ন অর্থাৎ সজাতিগণের (অর্থাৎ ব্রাহ্মণর্গের) মধ্যস্থ হয়ে থাকো, যজমানের উপজীব্য হও। রাজগণের দেবাত্মক এই যজ্ঞে প্রদীপ্ত হও। ৪

    হে অগ্নি! এই বিষয়-বিকার কুকুর-শূকর যোনিতে (জন্মে) নিপতনকারী, তুমি এগুলিকে (এই জন্মগতিগুলিকে) শমন করো। দেহকে শুষ্ককারী (অর্থাৎ দেহের শোষকস্বরূপ) ব্যধিগুলিকে দূর করো। পাপে নিমজ্জনকারী কুবুদ্ধিকে বিনাশ করো। আমাদের শত্রুগণকে নাশ করো; আমাদের পুত্র-পৌত্র ইত্যাদি সম্পন্ন ধন প্রদান করো ৷ ৫ (২কা, ২অ. ১সূ)।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –দ্বিতীয়েনুবাকে পঞ্চ সূক্তানি। তত্র সমাাগ্ন ইতি প্রথমং সূক্তং। অনেন। সংস্পকামঃ অগ্নোগং উপস্থানং বা কুর্যাৎ …তথা ভূতরোগচোরাদিভয়েন দারুণে সংবৎসরে সতি তচ্ছান্তয়ে অনেন সূক্তেন আজ্যং জুহুয়াৎ। তথা চ সূত্রং। অথ যত্ৰৈতৎ সমা দারুণা ভবন্তি ইতি প্রক্রমা সমাস্বাগ্নি ইতি জপতি ইতি (বৈ.৫১) বৈতানসূত্ৰাৎ। তথা আগ্নেয়ীং অগ্নিভয়ে সর্বকামস্য চ ইতি (ন.ক. ১৭) বিহিতায়াং আগ্নেষ্যাং মহাশূন্তৌ এতৎ সূক্তং যোজয়েৎ। তৎ উক্তং নক্ষত্রকল্পে।… রাজ্ঞো রাত্রৌ আরাত্রিকবিধানে অতি নিহঃ (২/৬/৫) ইত্যনয়া দীপং প্রজ্বালয়েৎ। … ইত্যাদি। (২কা, ২অ. ১সূ)।

    টীকা –সম্পৎকামী জনের পক্ষে মন্ত্রগুলির সাহায্যে অগ্নিযাগ করণীয়। ভূত, ব্যাধি, চোর ইত্যাদি সম্পর্কিত ভীতি হতে মুক্ত হওয়ার উদ্দেশ্যে শান্তিকর্মানুষ্ঠানে এই মন্ত্রগুলির দ্বারা আজাহুতি দেয়। অগ্নিভয়ে মহাশান্তি কর্মেও এই মন্ত্রগুলি যোজনীয়। চতুর্থ মন্ত্রে অগ্নিকে ব্রাহ্মণগণের সজাতানাং বলার কারণ এই যে, অগ্নি ও ব্রাহ্মণগণ প্রজাপতির মুখ হতে উৎপন্ন হয়েছিলেন, সুতরাং তারা একে অপরের সজাতি। বিহব্যে পদের দ্বারা যজ্ঞকে লক্ষ্য করা হয়েছে; কারণ, যজ্ঞেই দেবগণ বহুরূপে আহুত হয়ে ১ থাকেন ॥ (২কা, ২অ. ১সূ.)।

    .

    দ্বিতীয় সূক্ত : শাপমোচনম

     [ঋষি : অথর্বা। দেবতা : ভৈষজ্য, আয়ু, বনস্পতি। ছন্দ : অনুষ্টুপ ভুরিক, বৃহতী ]

    অঘদ্বিষ্টা দেবজাতা বীরুচ্ছপথয়োপনী। আপো মলমিব প্রাণৈক্ষীৎ সর্বান্ মচ্ছপৰ্থা অধি। ১৷ যশ্চ সাপত্নঃ শপথো জাম্যাঃ শপথশ্চ যঃ। ব্রহ্মা যন্মোতঃ শপাৎ সর্বং তন্নো অধস্পদম্ ৷৷ ২. দিবো মূলমবততং পৃথিব্যা অধত্ততম। তেন সহস্ৰকাণ্ডেন পরিণঃ পাহি বিশ্বতঃ॥ ৩৷৷ পরি মাং পরি মে প্রজাং পরিণঃ পাহি যৎ ধন। অরাতিনো মা তারীন্মা নস্তারিষুরভিমাতয়ঃ ॥ ৪৷৷ শপ্তারমেতু শপথো যঃ সুহা তেন নঃ সহ।  চক্ষুর্মস্য দুহাদঃ পৃষ্টীরপি শূণীমসি। ৫।

    বঙ্গানুবাদ –পিশাচ ইত্যদি হতে উৎপন্ন পাপ, বিপ্র-শাপ (ব্রাহ্মণের অভিশাপ) ইত্যাদি নাশকারী দেব-নির্মিত বীরুধ (জড়ী বা দূর্বা বা যব) আমাকে নানা রকমের শাপ হতে মুক্ত করে দিক; যেমনভাবে জল শরীরের সকল মলকে দূর করে, মলকে জলের দ্বারা পৃথক্ করে, সেইভাবে (বীরুধ আমাদের সকল শাপ ও পাপ) দূর করুক। ১।

    শত্রুর দ্বারা আক্রোশ, ব্রাহ্মণের শাপ, ভগিনীর ক্রোধ–এই তিন দোষ আমার পদের দ্বারা পিষ্ট হোক। ২।

    হে মণি! নতমুখ হয়ে বিস্তৃত, জড়বৎ ঊর্ধ্বে উখিত, শত শত গ্রন্থি (গাঁইট বা পর্ব) সমন্বিত দূর্বার দ্বারা তুমি আমাদের শাপ হতে মুক্ত করো ৷ ৩৷৷

    হে মণি! তুমি আমার সন্তানকে এবং ধনকে রক্ষা করো। আমাদের শত্রু যেন সমৃদ্ধিপ্রাপ্ত না হয় এবং হিংসক যক্ষ পিশাচ ইত্যাদিও যেন আমাদের হিংসা করতে সমর্থ না হয়। ৪

    আমাদের প্রতি শাপ-প্রদানকারীই যেন শাপগ্রস্ত হয় (অর্থাৎ সেই শাপ তাদেরই দিকে বর্ষিত হোক বা তারাই যেন সেই শাপ ভোগ করে)। যে পুরুষ আমাদের অনুকূল, তারা আমাদের সুখদায়ক হোক। আমাদের সাথে দুর্ভাবাপন্ন এবং গোপনে আমাদের নিন্দাকারী জনের নেত্র এবং পার্শ্বের অস্থিগুলিকে আমরা ছিন্ন-ভিন্ন করে দেবো। ৫।

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –অঘদ্বিষ্টা ইতি সূক্তেন লৌকিকবৈদিকাক্রোশযোব্রাহ্মণশাপে ক্রুরচক্ষুপুরুষদৃষ্টিনিপাতে পিশাচরক্ষাদিভয়ে চ যমণিং সম্পত্য অভিমন্ত্র বধুীয়াৎ। সূত্রিতং হি। অঘদ্বিষ্টা (২/৭) শং নো দেবী (২/২৫) বরণঃ (৬/৮৫) ইতি প্রকম্য প্রথমেন মন্ত্রোক্তং বাতি ইতি (কৌ. ৪/২)। ভার্গবীং নক্ষত্রগ্রহোপসৃষ্টভয়ার্তরোগগৃহীতানাং ইতি (ন.ক.১৭) বিহিতায়াং ভার্গব্যাং মহাশূন্তৌ সহস্ৰকাণ্ডমণিবন্ধনেপি এতৎ সূক্তং। উক্তং নক্ষত্রকল্পে অঘদ্বিষ্টা দেবজাতেতি সহস্ৰকাণ্ডং ভার্গব্যাং ইতি (ন.ক. ১৯)।… ইত্যাদি। (২কা, ২অ. ২সূ)।

    টীকা— লৌকিক বৈদিক আক্রোশ, ব্রহ্মশাপ, ক্রুরচক্ষু পুরুষের দৃষ্টিনিপাত ও পিশাচ-রাক্ষস ইত্যাদি স্বে সম্পর্কিত ভীতি হতে মুক্তিলাভের উদ্দেশ্যে এই সূক্তের মন্ত্রগুলির সাহায্যে যমণি অভিমন্ত্রিত করে অঙ্গে ধারণ কর্তব্য।…মহাশান্তি হোমে সহস্ৰকাণ্ডসম্পন্ন মণি বন্ধনেও এই সূক্ত-মন্ত্রগুলি পাঠ বিধেয়। ভাষ্যে অঘদ্বিষ্টা শব্দের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে–অঘস্য পিশাচরক্ষঃপ্রভৃতিজনিতস্য পাপস্য দ্বেষিণী বিনাশয়িত্রী।(২কা, ২অ. ২সূ)।

    .

    তৃতীয় সূক্ত : ক্ষেত্রিয়রোগনাশনম্

    [ঋষি : ভৃগ্বঙ্গিরা। দেবতা : যক্ষ্মকুষ্ঠাদি নাশনম্। ছন্দ : অনুষ্টুপ, পংক্তি ]

    উদগাতাং ভগবতী বিচূতৌ নাম তারকে। বি ক্ষেত্রিয়স্য মুঞ্চতামধমং পাশমুত্তমম্ ॥১॥ অপেয়ং রাত্ৰুচ্ছত্বপোচ্ছভিকৃত্বরীঃ। বীরুৎ ক্ষেত্রিয়নাশন্যপ ক্ষেত্রিয়মুচ্ছতু। ২৷৷ বভোরর্জুনকাণ্ডস্য যবস্য তে পলাত্যা তিলস্য তিলপিঞ্জা। বীরুৎ ক্ষেত্রিয়নাশন্যপ ক্ষেত্রিয়মুচ্ছতু। ৩. নমস্তে লাঙ্গলেভ্যো নম ঈষাযুগেভ্যঃ। বীরুৎ ক্ষেত্রিয়নাশন্যপ ক্ষেত্রিয়মুচ্ছতু ॥৪॥ নমঃ সনিসাক্ষেভ্যো নমঃ সংদেশ্যেভ্যঃ। নমঃ ক্ষেত্রস্য পতয়ে বীরুৎ ক্ষেত্রিয়নাশন্যপ ক্ষেত্রিয়মুচ্ছতু ॥৫॥

    বঙ্গানুবাদ –বিষ্কৃতি নামক দুই মূল নক্ষত্রের উদয় হয়েছে; এরা মানবকে মাতা-পিতা হতে প্রাপ্ত (অর্থাৎ বংশগত) ক্ষয়, কুষ্ঠ, অপম্মার ইত্যাদি ব্যাধির দ্বারা পাশের ন্যায় বন্ধনকারী রোগের বীজকে (বা মূলকে) বিনাশ করুক। ১।

    এই উষাকালীন রাত্রি এইসকল ক্ষেত্রিয়-ব্যাধিকে দূর করুক। সূর্য এই ব্যাধিকে প্রশমিত করুন। অপম্মার ইত্যাদি রোগসমুহের প্রেরণকারিণী পিশাচীসমূহ দূর হয়ে যাক। ঔষধিও এই ক্ষেত্রিয় রোগসমূহের নাশ-করণে সমর্থ ॥ ২॥

    হে রোগী! অর্জুনবৃক্ষের কাষ্ঠ, যবের ভুষি, এবং তিলের মঞ্জরীর দ্বারা প্রস্তুত মণি তোমার ব্যাধিকে শমিত করুক, তথা ঔষধিও এই ক্ষেত্রিয় ব্যাধির নাশকারক হোক। ৩।

    হে রোগী! বৃষভের সাথে যুক্ত হলকে (লাঙ্গলকে) এবং তার (অর্থাৎ হলের) অবয়বকে তোমার রোগ-উপশমের নিমিত্ত নমস্কার করছি। ক্ষেত্রিয় রোগসমূহের নাশক ঔষধি তোমার রোগকে বিনাশ করুক। ৪

    মৃত্তিকা নিষ্ক্রান্তের পর ত্যাজ্য গহ্বরকে নমস্কার; যে গৃহের জানালা ইত্যাদি জীর্ণ এবং পতনোম্মুখ, সেই শূন্য গৃহকে নমস্কার; সেই গৃহসমূহের অধিপতিগণের (অর্থাৎ গৃহাধিপতি দেবতাগণের উদ্দেশ্যেও) নমস্কার। এই ক্ষেত্রিয় ব্যাধিসমুদয়ের নাশক ঔষধি তোমার ব্যাধিকে বিনাশ করুক ॥ ৫৷৷

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –উদগাতাং ভগবতী ইতি সূক্তেন কুলাগতকুষ্ঠয় গ্রহণ্যাদিরোগশান্তয়ে কি উদকঘটং সম্পত্য অভিমন্যু গৃহাৎ বহির্বাধিতং অবসিঞ্চেৎ। অত্র অপেয়ং ইতি দ্বিতীয়য়া ঋচ্য উক্তব্যাধিশান্তয়ে বুষ্টায়াং রাত্রৌ উক্তপ্রকারেণৈব অবসেকং কুর্যাৎ। বদ্রোঃ ইতি তৃতীয়য়া অর্জুনকাষ্ঠয়ববুসতিলপিঞ্জিকা একীকৃত্য অভিমন্যু বধুীয়াৎ। তথা অনয়ৈব ঋচা আকৃতিলোষ্ঠং বল্মীকমৃত্তিকাং বা জীবপশুচর্মণ আবেষ্ট্য পূর্ববৎ বর্ধীয়াৎ। নমস্তে লাঙ্গলেভ্য ইতি চতুৰ্থা উদঘটং অভিমন্ত্র বৃষভযুক্তস্য কলস্য অধস্তাৎ ব্যাধিতং অবস্থাপ্য তেনোদকেন অবসিঞ্চেৎ। নমঃ সনিসাক্ষেভ্যঃ ইতি পশ্চম্যা শূন্যগৃহে উদকঘটং সম্পত্য জরগর্তং চ অন্তে সম্পাত্য তর্তে শালাতৃণানি আস্তীর্য তত্র ব্যাধিতং স্থাপয়িত্বা তেন ঘটোদকেন আচাময়েৎ অবসিঞ্চেচ্চ৷৷..ইত্যাদি৷ (২কা, ২অ. ৩সূ)।

    টীকা –কুলাগত অর্থাৎ বংশগত কুষ্ঠ, ক্ষয়, গ্রহণী ইত্যাদি রোগ-শান্তির নিমিত্ত উদকঘটে অর্থাৎ জলপূর্ণ কলসের জলে এই সূক্তমন্ত্রগুলির দ্বারা অভিমন্ত্রিত করে রোগীকে গৃহের বাহিরে আনয়নপূর্বক সিঞ্চিত করা কর্তব্য। এই কর্ম উষাকালে করণীয়। অর্জুনবৃক্ষের কাষ্ঠ, যবের ভূষি এবং তিল-মঞ্জরীর দ্বারা প্রস্তুত মণি এই সূক্তমন্ত্রের দ্বারা অভিমন্ত্রিত করে রোগীর অঙ্গে বন্ধন করণীয়। ইত্যাদি৷৷(২কা, ২অ. ৩সূ)।

    .

    চতুর্থ সূক্ত : দীর্ঘায়ুঃপ্রাপ্তিঃ

     [ঋষি : ভৃগ্বঙ্গিরা। দেবতা : বনস্পতি। ছন্দ : অনুষ্টুপ, পংক্তি, বিরাট ]

    দশবৃক্ষ মুঞ্চেমং রক্ষসসা গ্রাহ্যাঁ অধি যৈনং জগ্রাহ পর্বসু। অথো এনং বনস্পতে জীবানাং নোকমুন্নয়॥১॥ আগাদুদগাদয়ং জীবানাং ব্রাতমপ্যগাৎ। অভূদু পুত্ৰাণাং পিতা নৃণাং চ ভগবত্তমঃ ॥ ২॥ অধীতীরধ্যগাদয়মধি জীবপুরা অগ। শতং হ্যস্য ভিষজঃ সহস্রমুত বীরুধঃ ॥ ৩॥ দেবান্তে চীতিমবিদ ব্রহ্মাণ উত বীরুধঃ। চীতিং তে বিশ্বে দেবা অবিদ ভূম্যামধি ॥ ৪ যশ্চকার স নিষ্করৎ স এব সুভিষক্তমঃ। স এব তুভ্যং ভেষজানি কৃণবদ ভিষজা শুচিঃ ॥ ৫৷৷

    বঙ্গানুবাদ –হে দশবৃক্ষ মণি! তুমি পলাশ, ঔদুম্বর ইত্যাদির দ্বারা নির্মিত। যে জন ব্রহ্ম-রাক্ষসী বা ব্রহ্ম-রাক্ষসের দ্বারা গৃহীত হয়েছে, তাকে (অর্থাৎ সেই জনকে) অমাবস্যা ইত্যাদি পর্বে গ্রহণ করেছে, তাকে তার কবল হতে মুক্ত করো। সেই পুরুষকে মুক্ত করে পুনজীবিত করো। ১।

    হে মণি! এই পুরুষ তোমার প্রভাবে গ্রহ হতে মুক্ত হয়ে যাক এবং এই লোকে পুনরায় প্রত্যাবর্তন করুক। সে আপন ব্যাপারে সমর্থ হোক এবং আপন পুত্রের পিতা তোক। ২৷৷

    ব্ৰহ্মগ্রহ হতে বিমুক্ত হওয়ার পর এই পুরুষ তার বিস্মৃত হয়ে যাওয়া বিদ্যা পুনরায় স্মরণ করুক। এই জন। প্রাণিগণের নিবাসস্থলসমূহকে পুনরায় জ্ঞাত হোক ৷ ৩৷৷

    হে মণি! তুমি গ্রহ-বিকার হতে রোগীকে এ মুক্ত করে থাকো। তোমার এই সামর্থ্য ইন্দ্র ইত্যাদি দেবতা জ্ঞাত আছেন। ব্রাহ্মণ, ঔষধসমূহ, বরুণ, মিত্র ইত্যাদি দেবতাও তোমার এই শক্তির জ্ঞাতা, (অর্থাৎ তারাও তোমার এই শক্তির পরিচয় জ্ঞাত আছেন)। ৪

    যে মহর্ষি অথর্ব এই মণিবন্ধনের ব্যাপার রচনা করেছিলেন, তিনি এই গ্রহের বিকারকে প্রশমিত করুন। তিনি মহান্ ভিষক (চিকিৎসক বা বৈদ্য ভেষজজ্ঞ)। হে রোগী! পবিত্র জ্ঞানের দ্বারা সম্পন্ন তিনিই তোমার চিকিৎসা করুন। ৫৷৷

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –দশবৃক্ষ ইতি সূক্তেন ব্রহ্মগ্রহশান্তয়ে পলাশৌদুম্বরজমূকাম্পীলাদিযু সূত্রোক্তেষু ইচ্ছয়া দশবৃক্ষশকলানি গৃহীত্বা তৈলাক্ষাহিরণ্যেন বেষ্টিতং মণিং কৃত্বা সম্পত্য অভিমন্ত্র বীয়াৎ। তথৈব এতৎ সূক্তং দশ ব্রাহ্মণাঃ ব্রহ্মগ্রহগৃহীতং স্মৃশন্তো জপেয়ুঃ। তৎ উক্তং সংহিতা বিধৌ… ইত্যাদি। (২কা, ২অ. ৪সূ)।

    টীকা –ব্রহ্মগ্রহশান্তির নিমিত্ত পলাশ-ঔদুম্বর-জম্মু-কাম্পীল্য ইত্যাদি দশটি বৃক্ষের বল্কল-খণ্ড গ্রহণ করে সেগুলির সাথে লাক্ষা, হিরণ্য বেষ্টিত করে মণি প্রস্তুত পূর্বক এই দশবৃক্ষ ইত্যাদি সূক্ত মন্ত্রের দ্বারা অভিমন্ত্রিত করে ব্রহ্মগ্রহ-গৃহীত রোগীর অঙ্গে ধারণীয়। তারপর এই সূক্তটি দশজন ব্রাহ্মণ কর্তৃক রোগীর গাত্র স্পর্শপূর্বক জপ করা বিধি ॥ (২কা, ২অ. ৪সূ)।

    .

    পঞ্চম সূক্ত : পাশমোচনম

    [ঋষি : ভৃগ্বঙ্গিরা। দেবতা : নির্ঋতি, দ্যাবাপৃথিবী, ব্রহ্ম, অগ্নি, আপ, সোম, বায়ু, সূর্য ইত্যাদি। ছন্দ : ত্রিষ্টুপ ইত্যাদি ]

    ক্ষেত্রিয়াৎ ত্বা নিঋত্যা জামিশংসাদ হো মুঞ্চামি বরুণস্য পাশাৎ। অনাগসং ব্ৰহ্মণা ত্বা কৃণোমি শিবে তে দ্যাবাপৃথিবী উভে স্তাম্ ॥১॥ শং তে অগ্নিঃ সহাদ্ভিরস্তু শং সোমঃ সহৌষধীভিঃ। এবাহং ত্বাং ক্ষেত্রিয়ান্নিত্যা জামিশংসা হো মুঞ্চামি বরুণস্য পাশাৎ। অনাগসং ব্ৰহ্মণা ত্বা কৃণোমি শিবে তে দ্যাবাপৃথিবী উভে স্তাম্ ॥ ২ শং তে বাতো অন্তরিক্ষে বয়ো ধাচ্ছং তে ভবন্তু প্রদিশশ্চতস্রঃ। এবাহং ত্বাং ক্ষেত্রিয়ান্নিঋত্যা জামিশংসাদ দ্রুহহা মুঞ্চামি বরুণস্য পাশাৎ। অনাগসং ব্ৰহ্মণা বা কৃণোমি শিবে তে দ্যাবাপৃথিবী উভে স্তাম্ ৷৷ ৩৷৷ ইমা যা দেবীঃ প্রদিশশ্চতম্রো বাতপত্নীরভি সূর্যো বিচষ্টে। এবাহং ত্বাং ক্ষেত্রিয়ান্নিঋত্যা জামিশংসা দ্রুহহা মুঞ্চামি বরুণস্য পাশাৎ। অনাগসং ব্ৰহ্মণা ত্বা কৃপোমি শিবে তে দ্যাবাপৃথিবী উভে স্তাম৷ ৪৷ তাসু দ্বন্তর্জরস্যা দধামি প্র যক্ষ্ম এতু নিঋতিঃ পরাচৈঃ। এবাহং ত্বাং ক্ষেত্রিয়ান্নিঋত্যা জামিশংসা দ্রুহহা মুঞ্চামি বরুণস্য পাশাৎ। অনাগসং ব্ৰহ্মণা ত্বা কৃণোমি শিবে তে দ্যাবাপৃথিবী উভে স্তাম্ ॥ ৫৷৷ অমুকথা যক্ষ্মাদ দুরিতাদবদ্যাদ দ্রুহঃ পাশাদ গ্রাহ্যাশ্চোদমুথাঃ। এবাহং ত্বাং ক্ষেত্রিয়ান্নিঋত্যা জামিশংসাদ হো মুঞ্চামি বরুণস্য পাশাৎ। অনাগসং ব্ৰহ্মণা ত্বা কৃপোমি শিবে তে দ্যাবাপৃথিবী উভে স্তম ॥ ৬৷ অহা অরাতিমবিদঃ সোনমপ্যভূর্ভদ্রে সুকৃতস্য লোকে। এবাহং ত্বাং ক্ষেত্রিয়ান্নিঋত্যা জামিশংসাদ হো মুঞ্চামি বরুণস্য পাশাৎ। অনাগসং ব্ৰহ্মণা ত্বা কৃণোমি শিবে তে দ্যাবাপৃথিবী উভে স্তাম্ ॥ ৭৷ সূর্যমৃতং তমসসা গ্রাহ্যা অধি দেবা মুঞ্চন্তো অসৃজন্নিরেণসঃ। এবাহং ত্বাং ক্ষেত্রিয়ান্নিঋত্যা জামিশংসাদ হো মুঞ্চামি বরুণস্য পাশাৎ। অনাগসং ব্ৰহ্মণা বা কৃণোমি শিবে তে দ্যাবাপৃথিবী উভে স্তাম্ ॥ ৮৷

    বঙ্গানুবাদ –হে পুরুষ! তুমি হেন রোগ-পীড়িতকে, মাতা-পিতা হতে (অর্থাৎ কুলপরম্পরানুক্রমে) প্রাপ্ত ক্ষয়, কুষ্ঠ ইত্যাদি ব্যাধি হতে মুক্ত করছি। তোমাকে পাপ হতে, পাপীগণকে দণ্ডদানকারী বরুণের পাশ হতে এবং ব্রহ্মদোষ হতেও মুক্ত করছি। আমি এই সকল মন্ত্রের শক্তির দ্বারা সাধন করছি। এই আকাশ পৃথিবী তোমার মঙ্গল সাধন করুক ॥১॥

    হে রোগী! এই পার্থিব অগ্নি জলাভিমানী দেবতাগণের সাথে মিলিতভাবে সুখদানকারী হয়ে থাকেন। কাস্পীল ইত্যাদি ঔষধিসমূহের সাথে সোম তোমাকে সুখী করুক। আমি তোমাকে ক্ষেত্রিয় ব্যাধি এবং নৈঋতি হতে মুক্ত করছি। বরুণের পাশ হতে মুক্ত করে আপন মন্ত্রের শক্তির প্রভাবে আমি তোমাকে পাপরহিত করে দিচ্ছি। এই আকাশ ও পৃথিবী (দ্যাবাপৃথিবীর অধিষ্ঠাত্রী দেবতাদ্বয়) তোমার পক্ষে মঙ্গলময় হোক ৷ ২৷৷

    হে রোগী! আকাশ ও পৃথিবীর মধ্যস্থায়ী অন্তরিক্ষে বিচরণশীল বায়ু তোমার মঙ্গল করুক। চারি দিক (বা দিকসমূহের অধিষ্ঠাত্রী দেবতাগণ) তোমার পক্ষে সুখকারী হোক। আমি তোমাকে আক্রোশ, নির্ঋতি, ক্ষেত্রিয় ব্যাধি, গুরু-দ্রোহজনিত পাপ এবং পাপীগণের নিয়ামক বরুণের পাশ হতে মুক্ত করে পাপ-রহিত করে দিচ্ছি। আকাশ-পৃথিবী তোমার পক্ষে, মঙ্গলময় হোক। ৩।

    দ্যোতমানা দিসমূহ বায়ুর পত্নী; সূর্য-মণ্ডলের অধিপতি সবিতাদেব তাঁদের সকল দিকে, হতে দর্শন করছেন; সেই দিকসমূহ এবং সবিতা দেবতা তোমার মঙ্গল বিধান করু। আমি তোমাকে আক্রোশ, নির্ঋতি, ক্ষেত্রিয় ব্যাধি, গুরুদ্ৰোহজনিত পাপ এবং পাপীবর্গের নিয়ামক বরুণের পাশ হতে মুক্ত করে পাপরহিত করে দিচ্ছি। আকাশ ও পৃথিবী তোমার পক্ষে মঙ্গলময় হোক। ৪

    হে রোগী! আমি তোমাকে রোগরহিত করে বৃদ্ধাবস্থা পর্যন্ত সেই দিকসমূহের অধিষ্ঠাত্রী দেবতাগণের মধ্যে স্থাপিত করছি। তোমার ব্যাধি দূর হোক, এবং পাপ-দেবতা (নির্ঋতি) তোমার পশ্চাৎ হতে প্রত্যাবর্তন করুন। আমি তোমাকে বান্ধবগণের আক্রোশ, ক্ষেত্রিয়ব্যাধি, পাপদেবতা নির্ঋতি, গুরুদ্ৰোহজনিত পাপ এবং পাপীগণের নিয়ামক বরুণের পাশ হতে মুক্ত করে পাপরহিত করে দিচ্ছি। আকাশ ও পৃথিবী তোমার পক্ষে মঙ্গলময় হোক। ৫

    হে রোগী! তুমি ক্ষেত্রিয় ব্যাধি ক্ষয় হয়ে মুক্তিপ্রাপ্ত হচ্ছে এবং আপন ব্যাধির পাপ, ভগিনী ইত্যাদির আক্রোশ, দেব-দ্রোহ, পাপীগণকে দণ্ডদানকারী বরুণের পাশ এবং ব্রহ্ম-রাক্ষসী ইত্যাদির বন্ধন হতেও মুক্তি প্রাপ্ত হতে চলেছে। আমিও তোমাকে এইগুলি হতে মুক্ত করে মন্ত্রবলে নিষ্পাপ করে দিচ্ছি। আকাশ ও পৃথিবী তোমার পক্ষে মঙ্গলময় হোক ৷ ৬ ৷

    হে রোগী! তুমি শত্রুসমান ব্যাধি হতে দূরে যাও (অর্থাৎ শত্রুসমান ব্যাধিগুলি তোমার নিকট হতে দূরে হটে যাক)। তুমি আপন পুণ্যফলের দ্বারা মঙ্গলময় পৃথিবীলোকে আগত হয়েছ। আমি তোমাকে ক্ষেত্রিয় রোগ, আক্রোশ, পাপ এবং পাপীগণের নিয়ামক বরুণের পাশ হতে মুক্ত করছি এবং মন্ত্রবলে নিপাপ করে দিচ্ছি; আকাশ ও পৃথিবী তোমার মঙ্গল করুক। ৭।

    রাহুর (বা স্বভানুর) গ্রাস হতে সূর্যকে মুক্ত করার কালে দেবতাগণ পাপকেও দূর করেছিলেন, সেই রকম আমি তোমার ক্ষেত্রিয়রোগকে দূর করে দিচ্ছি। তোমাকে নির্ঋতি, আক্রোশ, গুরুদ্ৰোহজনিত পাপ এবং বরুণ-পাশ হতে মুক্ত করে নিষ্পাপ করে দিচ্ছি। আকাশ-পৃথিবী তোমার মঙ্গল করুক ॥ ৮

    সূক্তস্য বিনিয়োগঃ –ক্ষেত্রিয়া ত্বা ইতি সূক্তেন পূর্বোক্তক্ষেত্রিয়রোগশান্তয়ে চতুষ্পথে উদকঘটং সম্পত্য অভিমন্যু ব্যাধিতপর্ব কাস্পীলশকলানি বদ্ধা কুর্চৈঃ সহ তেনোদকেন আপ্লাবয়েদ অবসিঞ্চেৎ…ইত্যাদি৷ (২কা, ২অ. ৫সূ)৷৷

    টীকা –এই সূক্তের দ্বারা পূর্বে বর্ণিত ক্ষেত্রিয় ব্যাধিসমূহের শান্তিকল্পে চতুষ্পথে জলপূর্ণ কলস অভিমন্ত্রিত করে রোগীর অঙ্গে কাস্পীল বল্ল-খণ্ড বন্ধন পূর্বক ঐ জলে অভিসিঞ্চন কর্তব্য।…ইত্যাদি। (২কা, ২অ. ৫সূ) ৷

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহারুকি মুরাকামির শ্রেষ্ঠ গল্প – অনুবাদ : দিলওয়ার হাসান
    Next Article শ্যামাপ্রসাদ : বঙ্গবিভাগ ও পশ্চিমবঙ্গ – দীনেশচন্দ্র সিংহ
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }