Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026

    আকাশ পাতাল – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026

    হেঁটে যাই জনমভর – সেলিনা হোসেন

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আকাশ পাতাল – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প92 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আকাশ পাতাল – ৪

    ৪

    মানুষের দুঃখের কি কোন মাত্রা আছে? কেউ বেশি দুঃখী, কেউ কম দুঃখী একথা কী ক’রে বোঝা যায়?

    আমার বন্ধু, পরমেশকে বেশ ফিটফাট সুখী লোক বলা যায়। এ পর্যন্ত কেউ তাকে পালিশহীন জুতো পরতে দেখেনি, ভোরবেলা সূর্য ওঠবার আগেই প্রত্যেকদিন সে দাড়ি কামিয়ে ফেলে—এমনই তার সদা চকচকে মুখ। দীর্ঘ উন্নত চেহারা, সরল স্বাস্থ্য, গায়ের রং ফর্শা, সে রাস্তা দিয়ে যাবার সময় তরুণী মেয়েরা পরমেশকে ফিল্ম স্টার মনে করে ফিরে দেখে। বস্তুত একটা ফিল্ম নায়কের পার্ট করার জন্য পরমেশের কাছে প্রস্তাবও এসেছিল, কিন্তু বেশি লোকজনের সামনে পরমেশ বিষম লাজুক হয়ে পড়ে, গলার আওয়াজটাও একটু ভাঙা-ভাঙা —তাই পরমেশ রাজি হয়নি। ফিল্মস্টার হবার বিশেষ ইচ্ছেও ওর কখনো ছিলনা–সেজন্য পরমেশ ও ব্যাপারে দুঃখ পায়নি।

    পরমেশ তার প্রভাবশালী ছোট মামার সুপারিশে ভালোই চাকরি পেয়েছে, আশির্বাদপূতঃ ভাগ্যবান কয়েকজন, অর্থাৎ ‘চোজেন ফিউ’-এর অন্যতম পরমেশ রোজ সুট-টাই পরে স্কুটারে চেপে অফিস যায়। পাক্কা সাহেবদের মতন দুপুরে লাঞ্চ খায়, পার্কস্ট্রিটের দোকানে। এক বিখ্যাত ডাক্তারের মেয়ে চম্পা সান্যালের সঙ্গে পরমেশের প্রেমও গভীর হতে চলেছে। সন্ধ্যার দিকে পম্পাকে নিয়ে বেড়াতে যায় ফুরফুরে হাওয়ায়। ওদের বিয়ে হলে দু’বাড়িতেই কোনরকম আপত্তি করার কথা নয়। সচ্ছল-সুখী-তৃপ্ত জীবন মনে হয় পরমেশের।

    কিন্তু আমি জানি, পরমেশ বড়ই দুঃখী। ওর দুঃখের কারণ, আজও স্কুটার ছেড়ে পরমেশ গাড়ি কিনতে পারলনা। ওর অফিসের সমান চাকরেদের আর সবারই গাড়ি আছে, পরমেশের শুধু নেই—এতে ও মনে-মনে গভীর অপমান বোধ করে। চম্পাকে নিয়ে বেড়াতে যায় যখন, তখন স্কুটারটা বাড়িতে রেখে যেতে হয়। কেননা, চম্পা যদিও স্কুটারে চাপতে খুবই ভলোবাসে, কিন্তু সবার চোখের সামনে দিয়ে স্কুটারে চেপে সে প্রেম করতে যাবে—এতখানি উদার তার অভিভাবকরা নয়। এখনো তাকে বান্ধবীর বাড়ি কিংবা মিস্টুনি বউদির বাড়ি যাচ্ছি বলে পরমেশের সঙ্গে দেখা করতে হয়। পরমেশের ঐ দুঃখ নিজের স্কুটার থাকতেও তাকে ট্যাক্সি চেপে প্রেম করতে হচ্ছে। যদি গাড়ি থাকত! কবে গাড়ির জন্য নাম লিখিয়ে রেখেছে, এখনো কোন সাড়াশব্দ নেই।

    আমার কেমন যেন সন্দেহ হয়, নতুন গাড়ির জন্য পরমেশের নাম লেখানোর ব্যাপারটা বোধহয় সত্যি নয়। নতুন গাড়ির বদলে একটা ভালো সেকেণ্ডহ্যাণ্ড গাড়ি ও তো অনায়াসেই কিনতে পারত। পরমেশ অবশ্য পুরোনো জিনিশ পছন্দ করেনা, তার নিজের প্রতিটি জিনিশ ঝকঝকে পরিচ্ছন্ন, অপরের ব্যবহার করা তোয়ালে দিয়ে জন্মেও হাত মুছবেনা, সেইজন্যই কী অপরের ব্যবহার করা গাড়িতে তার অরুচি? কিংবা, পরমেশ যা-ই বলুক, গাড়ি কেনার সামর্থ পরমেশের বোধহয় এখনো হয়নি।

    পরমেশের দুঃখ আসলে দুরকম। ও স্কুটার চালাতে সত্যিই ভালোবাসে। দক্ষ হাত, কালো চশমা পরে রূপবান পরমেশ যখন উইণ্ড শিল্ড ছাড়াই চল্লিশ-পঞ্চাশ মাইল গতিতে স্কুটার চালায়, তখন ওকে অপূর্ব দেখায়। যেন আগেকার অশ্বারোহী বীরপুরুষদেরই নতুন রূপ। সেই তুলনায় মোটরগাড়ির স্টিয়ারিং-এর সামনে তার রূপ অনেকটা ম্লান। কিন্তু তার সামাজিক প্রতিষ্ঠার পূর্ণতার জন্য তার মোটরগাড়ি চাই। মোটরগাড়ি ছাড়া তার প্রেমও বাধা পাচ্ছে। মোটরগাড়ি কিনলে প্রিয় স্কুটারটা তাকে ছাড়তে হবে—এই ভেবে তার দুঃখ, আবার মোটরগাড়ি এখনও কেনা হচ্ছেনা—এইজন্যও তার দুঃখ। দুই দুঃখের দোটানায় পরমেশ গভীরভাবে দুঃখী।

    থিয়েটার রোডের মোড়ে পরমেশের সঙ্গে দেখা। ট্রাফিকের লাল আলোর সামনে পরমেশ স্কুটার থামিয়েছে। আমি ডেকে জিজ্ঞাসা করলুম, কী রে পরমেশ, কেমন আছিস?

    পরমেশ চোখ থেকে রোদ-চশমা খুলে আমার দিকে তাকিয়ে বলল, আরে তুই! আজকাল ডুমুরের ফুল হয়ে উঠেছিস যে। দেখাই পাওয়া যায়না।

    আমি বললুম, আয় এপাশে চলে আয় না, কোন চায়ের দোকানে একটু বসা যাক।

    -আরে আজ নয়, আজ আমার একটা অ্যাপয়েন্টমেন্ট আছে ছ’টার সময়! আর-একদিন….

    ছটার সময় অ্যাপয়েন্টমেন্ট তো এখন কী? কার সঙ্গে? চম্পা? চম্পা এখনো তোকে পাত্তা দিচ্ছে?

    —আমাকে পাত্তা দেবেনা কী তোকে দেবে?

    —এখনতো পাঁচটা বাজে, ছ’টার সময় অ্যাপয়েন্টমেন্ট—অনেক দেরি, আয় একটু আড্ডা দিই।

    –নারে, বাড়িতে স্কুটারটা রেখে আসতে হবে আগে—

    –তুই এখনো গাড়ি পেলিনা? আমি তো ভেবেছিলাম এতদিন তুই গাড়ি কেনা আর বিয়ে দুটোই সেরে ফেলেছিস্

    —হঠাৎ পরমেশের হাসিখুশি মুখখানা বদলে গেল। গভীর বিরক্তির সঙ্গে বলল, ধুৎ কোন জিনিশ কী আজকাল ইচ্ছেমতন হয়। একটা গাড়ির জন্য কত লোককে ধরাধরি করলুম, ধ্যাত্তেরি স্কুটার নিয়ে দিনরাত ট্যাং ট্যাং করতে-করতে জীবনটার ওপর ঘেন্না ধরে গেল!

    —কী রে, তুই তো স্কুটার চালাতে খুব ভালোবাসতিস আগে! বিনা কাজেও ঘুরতিস স্কুটারে চেপে

    মা যে-চোখে তার মৃত সন্তানের ছবি দেখেন, সেইরকমভাবে পরমেশ তার স্কুটারের দিকে এক পলক তাকিয়ে গভীর দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, আর ভালোবাসা

    সবুজ বাতি জ্বলতেই পরমেশ মাটি থেকে প্যাডেলে পা তুলে বলল, চলি রে আজ, আসিস একদিন বাড়িতে…। স্পীড নিয়ে পরমেশ রাস্তা পেরিয়ে রেড রোডের দিকে ছুটে গেল, আর-একবার ফিরে তাকালো আমার দিকে। কী-রকম দুঃখী আর একা মানুষের মুখ!

    পরমেশের এই দুঃখকে মনে হতে পারে বিলাসিতা। কত লোক ট্রাম-বাসেই হাতল ধরার সুযোগ পায়না, ওর তো স্কুটার আছে কিংবা কত লোক খেতে পাচ্ছেনা—সেই তুলনায় ওর আবার দুঃখ কী! এইখানেই আমার সন্দেহ, কারুর দুঃখই বোধহয় সামান্য কিংবা বেশি নয়। ফুটপাতে শুয়ে থাকা ভিখারি বুড়ি গভীর রাত্রে জেগে উঠল, প্রবল বৃষ্টি নেমেছে, গাড়িবারান্দার নিচে গিয়ে বসল, সেখানেও বৃষ্টির ছাঁট; রাস্তায় জল জমে ক্রমশ ফুটপাত গ্রাস করবার জন্য এগিয়ে আসছে। বুড়ির তখন আর কোথাও যাবার উপায় থাকবেনা। পোঁটলাপুঁটলি বুকের কাছে জড়িয়ে বুড়ি জুলজুলে চোখে অসহায়ভাবে তাকিয়ে দেখছে জলের এগিয়ে আসা। সেই গভীর রাত্রে বৃষ্টির মধ্যে বুড়ির দুঃখ ও একাকিত্বও আমি দেখেছি। কিন্তু তার সঙ্গে পরমেশের কোন তুলনা আমার মনে আসেনি। একথা কখনো মনে হয়নি, পরমেশের চেয়ে ঐ বুড়ির দুঃখ বেশি। পরমেশের দুঃখের জন্য আমার কোন সমবেদনা হয়না অবশ্য বরং একটু হাসিই পায়। কিন্তু বুড়ির দুঃখের জন্যই কি আমার সমবেদনা আছে? সমবেদনা কথাটার মানে কী? ঐ বুড়ির দুঃখ দূর করার জন্য আমি কোনদিন কিছুই করবনা। ওকে বৃষ্টির মধ্যরাত থেকে তুলে এনে নিজের বাড়িতে আশ্রয় দিতে পারবনা, যেমন পরমেশের গাড়ি জোগাড় করে দেবার জন্য আমি নিজে নিশ্চয়ই কখনো ছোটাছুটি করবনা। তাহলে আর ওদের দুজনের মধ্যে তফাৎ কী! পরমেশ যদি ওর স্কুটারবাহন অবস্থাটা মেনে নেয়, তাহলে আর ওর কোন দুঃখ থাকেনা, তেমনি ঐ বুড়িও তো ওর মধ্যরাত্রে বৃষ্টিভেজা অবস্থাটা মেনে নিতে পারে!

    কে যেন আমার মনের মধ্য থেকে বলছে, মূর্খ, স্কুটারের বদলে মোটরগাড়ি না-পেলে কিংবা চম্পার বদলে মল্লিকার সঙ্গে প্রেম করলে পরমেশ মরবেনা, কিন্তু খেতে না-পেলে সামান্য আশ্রয় না-পেলে মানুষ মরে যায়। ঠিক! খেতে না-পেলে বেশ কষ্ট হয়—আমি নিজেও মাঝে-সাঝে তা টের পেয়েছি—এমনকী শেষ পর্যন্ত মরেও যায় অনেকে—সে অভিজ্ঞতা অবশ্য আমার এখনো হয়নি—কিন্তু খেতে না-পাওয়াটা কী দুঃখের?

    আমাদের বাড়িতে তিনটে বাচ্চা ভিখিরি মেয়ে প্রায় রোজই আসে। সাত থেকে এগারোর মধ্যে বয়েস, শুধু ইজের-পরা খালি গা, মাথার চুল ধুলোময়লায় জটলা পাকানো। এসেই ওরা আমাদের বাড়ির সিঁড়িতে বসে পড়ে চেঁচিয়ে বলে মা দুটি ভিক্ষা দেবে—শেষকথা সুর করে দে-বে-এ-এ-এ বলে টেনে চলে। রিনরিনে মিষ্টি গলা ওদের, তিনজন যখন একসঙ্গে চেঁচায়—মনে হয় যেন একসঙ্গে রিহার্সাল দিয়ে ওরা একটা গান গাইছে। বেশিরভাগ দিনই বাড়ির লোক ওদের দিকে নজর দেয়না, ওরা সিঁড়িতে বসেই থাকে, হাতে খুচরো পয়সা নিয়ে লোফালুফি করে, নিজেদের মধ্যে খুনসুটিতে মেতে থাকে, ভিক্ষে নেবার খুব একটা গরজ নেই যেন। একদিন দেখি, ওরা সিঁড়ির নিচের চাতালে নয়াপয়সা দিয়ে এক্কা—দোক্কা খেলছে। আমি তাড়া দিয়ে বললুম এই পাগলি। কী হচ্ছে এখানে! যা, পালা! ওরা খিলখিল করে হাসতে-হাসতে ছুটে পালিয়ে যাবার সময় একজন আমার উদ্দেশ্যে বলে গেল, আমি পাগলি না, তুমি পাগলা? যে বলল কী সুন্দর, সেই মেয়েটার মুখের গড়ন অবিকল নার্গিসের মতন। আমিও হেসে ফেললাম। ঐ বাচ্চাগুলো খুব তো দুঃখে আছে বলে মনে হলনা। বেশ খেলায় মেতে আছে, ভিক্ষে করাটা যেন একটা খেলা, খিদের কষ্টও যেন খেলার অঙ্গ, যদি খেতে না—পেয়ে একদিন মরতে হয়—তবে ঐরকম এক্কা-দোক্কা খেলার মতোই মৃত্যু-মৃত্যু খেলা খেলতে-খেলতে মরে যাবে মনে হয়, কিন্তু ওরা মরবেনা। ক্ষুধার্ত মানুষেরা একদম মরতে চায়না, তারা বিষম বেশি বাঁচতে চায়। ওরা বেশি বাঁচতে চায় বলেই পৃথিবীতে ক্ষুধার্তের সংখ্যা এত বেশি! বাচতে চায় বলেই, খেতে না-পেলেও দুঃখ কম। অথচ, পরমেশ সামান্য মোটরগাড়ি কিনতে পারছে না বলেই বলেছিল, দূর দূর, জীবনটার ওপর ঘেন্না ধরে গেল! বাসের জানালার ধারে বসে আমি যাচ্ছিলাম একদিন, একজন বুড়ো ভিখিরি এসে হাত বাড়াল। শরীরের প্রত্যেকটা হাড় গোনা যায়, চোখদুটো কোটরে ঢুকে গেছে, হাতখানা যেন কঙ্কালের হাত আমি তাকে দশটা নয়াপয়সা দিয়ে খুব মিষ্টিভাবে বললুম, আর বেঁচে থেকে কী হবে তোমার? এবার মরলেই তো হয়! সঙ্গে-সঙ্গে তার চোখ জ্বলে উঠল, চেঁচিয়ে বলল, আমি মরব কেন, তুই মর না, মর, মর, আজই তোর কলেরা হোক….! এমনভাবে যে বাঁচতে চায় একে আমি কিছুতেই দুঃখী বলতে পারিনা।

    অথচ আমার এক বন্ধুর মাসিমা, আমিও তাঁকে টুকুন-মাসিমা বলতুম, তিনি আত্মহত্যা করলেন। তার তো কোন অভাব ছিলনা। নিউ আলিপুরে বাড়ি, দুটি অপ্সরা-গন্ধর্বের মতন ছেলেমেয়ে, দু’খানা গাড়ি, একবার বিলেত ঘুরে এসেছেন। ডাকসাইটে সুন্দরী তিনি, রেডিওতে অতুল প্রসাদের গান শোনান, পার্টিতে মজলিশে প্রথম আকর্ষণীয়া, আমাদের থিয়েটার রিহার্সালে কীরকম হৈ-হুল্লোড়—মজা করতেন, মিউজিক কণ্ডাক্ট করেছিলেন টুকুনমাসি। সেই টুকুনমাসি, আচম্বিতে একদিন আত্মহত্যা করলেন। কোনকিছুরই অভাব ছিল না তাঁর, শুধু নাকি ভালোবাসার, তাঁর স্বামী প্রৌঢ় বয়সে হঠাৎ অফিসের স্টেনোর সঙ্গে…। কিন্তু তাতে কী ক্ষতি হয়েছিল সবরকমের সাচ্ছন্দ্য সুখভোগ, আরাম তো তার ছিলই, শুধু ভালোবাসা না-পাওয়াটা আর কী এমন? এখানে যদি সেই কথাটা আবার ওঠে কত লোক খেতে পাচ্ছে না, পরতে পাচ্ছে না—সেই তুলনায় ভালোবাসাটা, যা না-হওয়াটা আবার দুঃখ নাকি? ওটা স্রেফ ন্যাকামি! স্বামীর ভালোবাসা পাননি তো কী হয়েছে, আরো কত লোকের ভালোবাসা তো পড়ে আছে, অমন দুঃখ ক’জন পায় শুধুশুধু…। কিন্তু এ তুলনাটা আমি মানতে পারিনা। খেতে না-পাওয়ার চেয়েও ভালোবাসা না-পাওয়ার দুঃখ নিশ্চয়ই টুকুনমাসির কাছে কম তীব্র নয়, নইলে নিজের সারা শরীরে পেট্রোল ঢেলে অগ্নি জ্বালিয়ে অমন বীভৎসভাবে কেউ মরে?

    সুখী মানুষদের বোধহয় দুঃখবোধ বেশি। সুখ এবং স্বাচ্ছন্দ্যের একটা অতিরিক্ত লাভ এই যে তখন বেশ দুঃখ নিয়ে নেশা করা যায়। বৃষ্টির মধ্যরাতে ফুটপাতে বসে-থাকা সেই বুড়ির আদৌ কোন দুঃখবোধ আছে কিনা আমার সন্দেহ হয়, কেননা সে বেঁচে থাকার কাজে ব্যস্ত। আর বেঁচে থাকা যাদের কাছে খুব সহজ, তাদেরই নানারকম দুঃখবোধ, এমনকী আশ্চর্য, তাদের মধ্যে কেউ-কেউ এই দুঃখ নিয়ে যেতেও চায়!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহেঁটে যাই জনমভর – সেলিনা হোসেন
    Next Article নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেও না – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026
    Ek Pata Golpo সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নিরুদ্দেশের দেশে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    চলো দিকশূন্যপুর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 4, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Our Picks

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026

    আকাশ পাতাল – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026

    হেঁটে যাই জনমভর – সেলিনা হোসেন

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }