Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    এক ডজন রহস্য গল্প – রজতশুভ্র মজুমদার

    September 5, 2026

    চাঁদের তাঁবু – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী

    September 5, 2026

    একটি শাড়ি ও কামরাঙা বোমা – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    একটি শাড়ি ও কামরাঙা বোমা – ওবায়েদ হক

    ওবায়েদ হক এক পাতা গল্প99 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বুড়ো দাঁড়কাক মরেনি – ওবায়েদ হক

    বুড়ো দাঁড়কাক মরেনি

    আমি পাঁড় মধ্যবিত্ত হিসেবি মানুষ। অভিশাপ হিসেবে একটা মায়াবী চেহারা নিয়ে ঘুরছি। আমার চেহারাতেই বুঝি কোনো কিছু লেখা আছে। সেই মুখলিপি সবচেয়ে ভাল পড়তে পারে ভিক্ষুক আর প্রতারকেরা। বন্ধুদের পাশ কাটিয়ে যাওয়া ভিক্ষুকটি আমাকে দেখে থমকে দাঁড়ায়, একটি গ্রাহক পাওয়া গেছে ভেবে আমাকে ঘিরে প্রদক্ষিণ করতে থাকে। সুনিপুণ অভিনয়ে তারা আমার মন তথা পকেট গলাতে কী চেষ্টাটাই না করে! তাদের মুখস্থ গল্পটা খুব একঘেয়ে, কিন্তু গল্পটা বিশ্বাসযোগ্য করার চেষ্টা দেখে মনে করুণা এবং বিরক্তি জাগে।

    বেদেনি মেয়েটার বিয়ে হচ্ছে না টাকার অভাবে, তার স্বজনেরা আলগা করে রঙিন শাড়ি পরে আমাকে ঘিরে ধরে, তাদের হাতগুলো লতাপাতার মতো ঢলে ঢলে পড়ে আমার গায়ে। সাপের খেলা দেখায় না তারা আর, নিজেরাই খেলে এখন। আমার মতো নিরীহদর্শন মানুষকে প্যাঁচিয়ে ধরে অজগরের মতো। পান খাওয়া ঠোঁটে সুরেলা কথার বিষ। তাদের বিষ ফুরায় না, অবিবাহিত মেয়েটার বিয়ে হয় না কোনোদিন।

    ল্যামেনেটিং করা প্রেসক্রিপশন হাতে নিয়ে ঘোরে ক্যান্সার রোগী মকবুল। তিন বছর হয়ে গেল, সে ক্যান্সারের কিছু করতে পারছে না, ক্যান্সারও তার কিছু করতে পারছে না। আমাকে দেখলেই তার আয়ু এবং বায়ু কমে যায়, শ্বাস নেয় টেনে টেনে।

    অথচ আমার চেহারায় যতটুকু কোমলতা, মনে ততটুকু নেই। পকেট আমার একটিই, সেটিরও দৈন্যদশা, কারণ আমার পেট তিনটি। অতিরিক্ত এক কাপ চা খেলে আধা মাইল হেঁটে পাঁচ টাকা কমিয়ে রিকশায় চড়ি আমি। সূর্যোদয়ের কিছু সময় পর থেকে সূর্যাস্তের কিছু সময় পর পর্যন্ত আমাকে অফিসে মতান্তরে কারাগারে থাকতে হয়। এই আধুনিক দাসপ্রথা আমাকে মেকি সম্মান এবং খাঁটি দারিদ্র্য দিয়েছে। সম্মান টিকিয়ে রাখতে গিয়ে আমাকে জুতা পরতে হয় চকচকে, জামা-প্যান্ট পরতে হয় ভাঁজ করা, পরিষ্কার। আমার বউকে শাড়ি-ফার্নিচারের প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখতে হয়। আমার বাচ্চাকে স্কুলে যেতে হয় আমার মতো দাস হওয়ার জন্য। খালি-পকেট নিয়ে আমাকে আভিজাত্যের ভাব ধরতে হয়।

    সদর রাস্তা থেকে গলি বের হয়েছে শাখার মতো, সেই গলির আবার অনেক উপগলি প্রশাখার মতো ছড়িয়ে আছে। তেমনই একটি স্বাস্থ্যহীন, ধ্বজভঙ্গ উপগলির শেষপ্রান্তে আমার আড়াই রুমের বাসা। সকালে টিফিনবক্সে গতকালের বাসি তরকারি ঢালে বউ এবং গতরাতের বাসি অভিযোগগুলো আবার নতুন করে শুনিয়ে দেয়। কোথাকার কোন পলা ভাবির দেবরের বিয়েতে কমদামি গ্লাসের সেট উপহার দিয়েছিলাম। সেটা নিয়ে ভাবি-মহলে নিন্দার ঝড়, বউ নাকি মুখ দেখাতে পারছে না।

    ‘কয়েকদিন এই চন্দ্রমূখ ভাবিদের মুখ না দেখালে ক্ষতি কী?’

    কথাটা শেষ করার আগেই দেখলাম, বউয়ের মুখে চন্দ্রগ্রহণ। দুই চোখে ঘন মেঘ জমা হয়ে গেল মুহূর্তে। আমাকে পালাতে হবে ঝড় বৃষ্টি শুরু হওয়ার আগেই। বেতন পাওয়ার আগ পর্যন্ত দুর্যোগেই কাটবে কয়েকটা দিন। এছাড়াও পুত্রের নিত্যকার বজ্রপাত তো আছেই। তার জন্য হাল-ফ্যাশনের ব্যাগ, জামা, জুতা জোগাড় করতে করতে আমার বেহাল দশা। তার সহপাঠীদের কালোবাজারি বাবার সঙ্গে আমি ছাপোষা কেরানি পেরে উঠব কেন?

    ঘর থেকে বের হতেই মূর্তিমান একটি আপদ চোখে পড়ল। ঘরে যেমন বউ আপদ, অফিসে বড় স্যারও তেমনই, আর রাস্তার আপদ হচ্ছে ভিখারির দল। বিশেষ করে যার চেহারায় লেখা থাকে সে দয়ালু, তার জন্য তো মহাআপদ। সদর রাস্তায় ভিখারিদের অঢেল বিচরণ। এখন দেখি বাসার সামনেও ব্রাঞ্চ খুলেছে। চটের বস্তা গায়ে শীর্ণ একটি শরীর হাত বাড়িয়ে রেখেছে, ধুলোর আস্তরণ পড়া ময়লা হাত। চটের বস্তা থেকে উৎকট গন্ধ আসছে। নাক ঢেকে ভিখারির চোখে না তাকিয়ে বেরিয়ে এলাম।

    চোখে তাকালেই বিপদ, করুণার বাণ ছুড়ে মারে। সে বাণে একবার আহত হলে রক্ষা নেই, পকেট খসিয়ে ছাড়বে।

    অফিসে বসে ইহজগতের কথা ভুলে যেতে হয়। সারাদিন ভুলে গেলাম আমার একটা বউ আছে, বাচ্চা আছে, এমনকি আমার প্রাণ আছে। এখানে শুধু আছে বড় স্যার। অফিস থেকে ফেরার পথে দেখলাম ভিখারিটি তখনো বাসার সামনে শুয়ে আছে। আমার ডিউটি শেষ, তার ডিউটি এখনো শেষ হলো না! রাস্তার ধুলোতেই শুয়ে আছে মহিলাটি। আমাকে দেখে হাত বাড়িয়ে দিলো না, হয়তো ঘুমিয়ে আছে। আমি তার নিদ্রায় ব্যাঘাত না ঘটিয়ে পা টিপে টিপে ঘরে ঢুকে গেলাম। বউ ছাড়া অন্য কারো ভয়ে এমন চোরের মতো ঘরে ঢুকিনি কোনোদিন।

    পরদিন ঘর থেকে বেরোতেই চোখ চলে গেল রাস্তার পাশে, চটের বস্তায় ভিখারি মহিলাটি নিথর হয়ে পড়ে আছে। আমার বিপদ বাড়াতে মরল নাকি? কাছে যেতেই বিদ্যুতের মতো তার চোখ খুলে গেল, আমার দিকে তাকিয়ে আছে। চাহনিতে কোনো আর্জি নেই, নিষ্পলক নিস্পৃহ দৃষ্টি। বহু বছরে ধুলোমাটির কুসঙ্গে থেকে অনেকটাই বদলে গেছে সে। তবুও আমি ঠিকই চিনলাম তাকে। আমাদের কৈশোরের বেলী পাগলি। এই চোখে আগুন ছিল, এখন শুধু ছাই দেখা যায়। আমি তাড়াতাড়ি মুখ ফিরিয়ে চলে এলাম। ভয় হলো, যদি চিনে ফেলে!

    বেলী পাগলি ছিল রতনের বড় বোন। একদিন তাকে তার শ্বশুরবাড়ির লোকেরা হাত-পা বেঁধে রতনদের বাড়িতে রেখে গেল। কেন যেন পাগল হয়ে গিয়েছিল সে। গ্রামের মানুষ সব দোষ চাপালো বদ জিনের ওপর। জিনকে উচিত শিক্ষা দেওয়ার জন্য ওঝা, কবিরাজ হলুদ-মরিচ পুড়িয়ে ঝাঁটা দিয়ে পেটালো বেলী আপাকে। জিনের সুশিক্ষায় ঘাটতি পড়ে গেল, সে বেলী আপাকে ছেড়ে গেল না।

    রতনদের বাড়িতে গোয়ালঘরের পাশেই তাকে বেঁধে রাখা হতো। বেঁধে রাখা পাগল আমাদের কাছে তখন বিনোদনের বস্তু। বেলী পাগলির কাছে গিয়ে মুখ ভেঙচিয়ে ছড়া কাটতাম,

    আয় রে আয় বেলী,

    ডাঙ্গুলি খেলি।

    বেলী পাগলি ক্ষেপে গালাগালি করে তেড়ে আসত, শেকলে আটকে গিয়ে আছড়ে পড়ত। এই দৃশ্য দেখে আমরা হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খেতাম। মাঝে মাঝে রতন এসে মাটির ঢেলা ছুড়ে তাড়িয়ে দিত আমাদের, আমরা যেন তার ক্ষেতের ধান খাচ্ছি। তার আক্রোশ দেখে আমরাও আনন্দ পেতাম।

    নিরাপদ দূরত্বে গিয়ে তাকে লক্ষ্য করে আবার ছড়া কাটতাম,

    ছাগীর ভাই ছাগলা,

    পাগলির ভাই পাগলা।

    রতন আমাদের সাথে না পেরে কেঁদে দিত। তার কান্না দেখে আমরা বিজয়োল্লাসে ফেটে পড়তাম। এখন ভাবলে রতনের সুতীব্র যন্ত্রণাটা কিছু অনুভব করতে পারি। সে-বছর বর্ষাতেই ম্যালেরিয়া হয়ে মরল রতন। বেঁচে থাকলে হয়তো ক্ষমা চেয়ে আসতাম।

    আমরা তখন সবে বখাটে হয়েছি। পাড়ার উদীয়মান পাণ্ডাবাবুর সাথে আমার গর্বিত মেলামেশা। বাবু স্কুল পালিয়ে ঘাটে গিয়ে গাঁয়ের বউদের গোসল দেখত। পরে আমাদের শোনাত অতিরঞ্জিত উগ্র স্নানের গল্প। আমাদের কিশোর মন সেসব অবিশ্বাস্য গল্প অবলীলায় ধ্রুব বাস্তব বলে মেনে নিত, ভালো লাগত বলেই মেনে নিতে কোনো সমস্যা হতো না। বাবু সিগারেটে টান দিয়ে ঊর্ধ্বমুখে ধোঁয়া ছাড়ত। আমাদের চোখে সে তখন পুরুষ, তাকে অনুসরণ করা আমরা কর্তব্য ধরে নিলাম। আমরাও ঊর্ধ্বমুখে সিগারেটে টান দিয়ে নিম্নমুখে কাশতাম।

    বাবু একদিন আমাকে শপথ করিয়ে একটা গোপন খবর দিলো। বেলী পাগলিকে শাড়ি দিলে সব খুলে দেখায় সে। দুপুরবেলা যখন সবাই ভাতঘুম দেয় তখনই বাবু একটা শাড়ির বিনিময়ে বেলী পাগলিকে নগ্ন দেখে এসেছে। নারীদেহের যাবতীয় রহস্য এবং জল্পনা-কল্পনার অবসান করার এমন সম্ভাবনায় আমি রোমাঞ্চিত হলাম। বাবুর কাছে টাকা ছিল, দুপুরে শাড়ি নিয়ে ভাতঘুমের সময়টা কাটিয়ে আসত রতনদের গোয়ালঘরের পাশে। বেলী পাগলি তার সামনেই সব খুলে শাড়ি পরত। বলত, ‘ভালা লাগে আমারে? জামাই ঘরে নিবো?’

    আমাকে কখনো নিয়ে যেত না বাবু। বলত, ‘এসব কাম করতে অয় একলা।’

    দরিদ্র আমি আগেই ছিলাম, শুধু টের পাইনি। সেই প্রথম অনুভব করলাম দারিদ্র্য। মায়ের কেবল দুটি শাড়ি, নাহয় একটি চুরি করে কৈশোরের স্বপ্ন পূরণ করতাম। বাবার কোষাগার থেকে স্কুল বাবদ দুই টাকা ভাতা পেতাম অনিয়মিতভাবে। হিসাব করা শুরু করলাম তখন থেকেই।

    আইসক্রিমওয়ালার লোভনীয় ঘণ্টা না শোনার ভান করতাম, সিগারেট খাওয়ার গোপন আসরে চাঁদা দেইনি বিভিন্ন বাহানায়। মেলার জন্য পাওয়া পাঁচ টাকার একটি টাকাও খরচ করিনি আমি। একটা টিনের বন্দুকের মালিক হওয়ার স্বপ্ন ত্যাগ করলাম। আমি তখন একটি নির্জন দুপুরের কল্পনায় বিভোর।

    অবশেষে মাসখানেকের কৃচ্ছ্রতাসাধনের পর বাজারে গিয়ে নিজের সব সঞ্চয় ব্যয় করে নিঃস্ব হয়ে সবচেয়ে কমদামি সবুজ রঙের একটা শাড়ি কিনলাম। শার্টের ভেতরে ঢুকিয়ে নিলাম শাড়িটি। মনে কেবল ভয় হচ্ছিল, সবাই যেন বুঝে গেছে বেলী পাগলিকে উলঙ্গ করার জন্য শাড়ি কিনেছি আমি।

    সেদিন দুপুরে শার্টের ভেতর শাড়ি এবং মনে মধ্যে কু-বাসনা লুকিয়ে আমি চললাম রতনদের গোয়ালঘরে। মনে মনে ভয় হচ্ছিল কেউ বুঝি দেখছে আমাকে আড়াল থেকে। আমি রীতিমতো কাঁপছি। ভয় আর উত্তেজনা নিয়ে রতনদের বাড়ির সীমানায় পৌঁছাতে যেন অনন্তকাল লেগে গেল।

    কিন্তু আমার কৈশোরের স্বপ্ন দীর্ঘশ্বাস হয়ে রইল যখন দেখলাম গোয়ালঘরের পাশে খুঁটিটি নিঃসঙ্গ পড়ে আছে। পরে শুনেছি, বেলী পাগলীকে দূরে কোনো এক বাজারে ছেড়ে এসেছে তার বাবা। বেলী খুব খুশি ছিল, সে ভেবেছে শ্বশুরবাড়ি যাচ্ছে সে।

    বেলী পাগলি আজ তার রূপ-যৌবন খুইয়ে কুৎসিত হয়ে ফিরে এসেছে। অফিস থেকে ফেরার পথে বাসার সামনে বেলী পাগলিকে দেখেই চমকে উঠলাম। যাকে নগ্ন দেখার জন্য মাসখানেক সাধনা করেছি, সেই বেলী পাগলি চটের বস্তার আচ্ছাদন ত্যাগ করে বসে আছে। তার চিমসানো শরীরে মোহনীয় ভাঁজ নেই, বুকে দুটি শুষ্ক-অপুষ্ট স্তন বাদুরের মতো ঝুলছে। কুকুরের পশমের মতো মাথায় চুল উঠে গেছে কয়েক জায়গায়। শরীরে ঘা আর পুঁজের সমাবেশ। তার পচে গলে যাওয়া শরীর আমার কৈশোরের বিগত স্বপ্নকে কী নির্মমভাবে যে খুন করল!

    মাসের সুখীতম দিন আজ, মাইনে পাওয়ার দিন। আজ সব অভিমান ভাঙব, আজ কিছু দীর্ঘশ্বাসকে মুক্তি দিবো। ঘর থেকেই বের হতেই বেলী পাগলির বিগত যৌবন আমাকে অভ্যর্থনা জানাল। সে মূর্তির মতো বসে আছে নগ্ন হয়ে, চটের বস্তাটা কে যেন নিয়ে গেছে। আমার সকল আনন্দ বাসার সামনে প্রাণ ত্যাগ করল। মাথা হেট করে হেঁটে চললাম।

    এক তাড়া নোট আমার হাতে, কাকের মতো উড়ে এলো এক ঝাঁক হিসাব। হিসাবের কাকগুলো সব টাকা খেয়ে যায়, দুই-একটা ফেলে যাওয়া খুচরো পয়সা ছাড়া কিছুই অবশিষ্ট থাকে না। ঠিক তখন মনে পড়ল পুরোনো এক হিসাবের কথা, বুড়ো একটা দাঁড়কাক বুকের মধ্য থেকে কাঁ কাঁ করে উঠল। ভাবলাম, আজ দাঁড়কাকটার হিসেব মিটিয়ে দেবো।

    একটা সবুজ শাড়ি কিনেছি, কম দামেই। একদিন শাড়ি কিনেছিলাম বেলী পাগলির শরীর দেখার জন্য। আজ আবার কিনলাম তার শরীর ঢাকার জন্য। গলির মুখে ঢুকলাম, বুকে কৈশোরের উত্তেজনা। ভয়ও আছে, ভিখারিকে শাড়ি কিনে দেওয়ার মতো মহত্ত্বের ইতিহাস আমার নেই। কেউ দেখে ফেললে কী মনে করবে?

    আমার সব ভয়-উত্তেজনাকে দ্বিতীয়বার ব্যর্থ করে, আমার কৈশোরের দীর্ঘশ্বাসকে দীর্ঘায়িত করে, বুড়ো দাঁড়কাকের আয়ুবৃদ্ধি করে বেলী পাগলি কোথায় যেন চলে গেছে। হয়তো তার শ্বশুরবাড়ি খুঁজতে। বাসার সামনে শূন্যস্থান, যেন এক টুকরো মরুভূমি। শাড়িটি হাতে নিয়ে নিজেকে ধিক্কার দিলাম, কী ভয়ানক আবেগের অপচয়। বুড়ো দাঁড়কাকটা মরেনি, বুকের মধ্যে কাঁ কাঁ করছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার
    Next Article চাঁদের তাঁবু – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী

    Related Articles

    ওবায়েদ হক

    তেইল্যা চোরা – ওবায়েদ হক

    July 17, 2025
    ওবায়েদ হক

    নীল পাহাড় – ওবায়েদ হক

    July 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রজতশুভ্র মজুমদার
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    এক ডজন রহস্য গল্প – রজতশুভ্র মজুমদার

    September 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    এক ডজন রহস্য গল্প – রজতশুভ্র মজুমদার

    September 5, 2026
    Our Picks

    এক ডজন রহস্য গল্প – রজতশুভ্র মজুমদার

    September 5, 2026

    চাঁদের তাঁবু – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী

    September 5, 2026

    একটি শাড়ি ও কামরাঙা বোমা – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }