Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কংসাবতীর তীরে – কোয়েল তালুকদার

    কোয়েল তালুকদার এক পাতা গল্প138 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৪. বিবশ

    একটি সরকারি প্রকল্প কাজের মূল্যায়নের জন্য আমরা কয়েকজন শিক্ষানবীশ কর্মকর্তা ফরিদপুরের নগরকান্দায় গিয়েছিলাম। সময়টা ছিল আশির দশক। আমাদের সাথে তিনজন মেয়েও ছিল। আমাদের টিম লিডার শওকত সাহেব ছাড়া আমরা বাকী ছয়জন ছিলাম নবীন। আমাদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল থানা পরিষদের ডাকবাংলোয়।

    রাতে ব্রিফিং সভায় শওকত সাহেব বললেন — ‘আপনি আর নাসরীন আপনারা দুজন আগামীকাল যাবেন ফুলসুতি ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। সকালে যাবেন, সন্ধ্যার আগেই কাজ সেরে বাংলোয় ফিরে আসবেন।’

    আমাদের অ্যাসাইনমেন্ট হচ্ছে নবনির্মিত স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি পরিদর্শন করা ও সেখানকার জনসাধারণ উক্ত কেন্দ্র থেকে কেমন স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছেন সে সম্পর্কে খোঁজখবর নেয়া।

    আমরা যথারীতি সকালে রওনা হই।

    নদীর নাম ভুবনেশ্বর। আশ্বিনের স্তিমিত খরস্রোত তখন নদীটিতে। আমরা একটি রিক্সায় করে চলে আসি এর পাড়ে। ওপাড় যেতে হবে। একটি বড়ো খেয়া নৌকা ভিড়ে আছে ঘাটে। নৌকাটির দুপাশে কাঠের বেঞ্চির মতো করা। নাসরীন নৌকায় উঠে বেঞ্চিতে বসে। আমি ওর পাশেই দাঁড়িয়ে থাকি। নৌকা ছেড়ে দেয়। দুজনেই দেখছি নদী। নাসরীনের খোলা চুল বাতাসে উড়ছে। দুজনেরই মাথার উপর শরতের শুভ্র মেঘের আকাশ। মেঘের ফাঁকে স্বচ্ছ নীল আকাশও দেখা যাচ্ছে।

    কিছুক্ষণ পরেই আমরা ওপাড়ে পৌঁছে যাই। ওপাড়ে নেমে দেখি, তিনটি ভ্যান দাঁড়িয়ে আছে। একজন ভ্যান চালককে জিজ্ঞাসা করি – ভাই আমরা ফুলসুতি গ্রামে যাব।’ ভ্যানচালক বলল – ‘খালপাড় পর্যন্ত ভ্যানে যেতে পারবেন। তারপর আবারও ছোট্ট একটি খেয়া পার হতে হবে। তারপর আধা মাইল হেঁটে অথবা ভ্যানে করে ফুলসুতি যেতে হবে।

    বললাম, তাই হবে। আমাদের খালপাড় পর্যন্ত নিয়ে চলো।

    আমরা ভ্যানে বসে আছি। আশ্বিনের রোদ পড়ছে আমাদের গায়ের উপর। থানা পরিষদের আঁকাবাঁকা কাঁচা রাস্তা। রাস্তার দুপাশে জলের মাঠ। বন্যার জল রয়ে গেছে তখনও। আমনধানের ডোগা নুয়ে পড়েছে জলের উপর। পাটের ঝাঁকের পঁচা গন্ধ আসছিল জল থেকে। কাছে ও দূরে গুচ্ছ গুচ্ছ বাড়িঘর। কোথাও আবার কোনো বাড়িঘর নেই। জলে ভাসা বিজন প্রান্তর। খুব ভালো লাগছিল পথ চলতে। কত বিচিত্র মানুষ দেখছি। কত বৃক্ষ, কত খোলা জায়গা দিয়ে চলছে ভ্যান। ভালো লাগছিল আরও আমার পাশে সুন্দরী একটি তরুণী বসে আছে। নাসরীনও মুগ্ধ হয়ে দেখছে মাঠ ঘাট মানুষ, গবাদিপশু ও জলের প্রান্তর।

    আমি নাসরীনকে বলি — কেমন লাগছে তোমার এই গ্রাম ও পথ?

    — খুব ভালো লাগছে! এত কাছে থেকে কখনও দেখিনি এমন গ্রাম। শহরে বড়ো হয়েছি। কী যে ভালো লাগছে এই মাটির পথ। ভাবছি, এই পথ যেন শেষ না হয়।

    — তাই?

    — হুম।

    কিন্তু পথ দ্রুতই শেষ হয়ে গেল। আমরা চলে আসি খালপাড়ে। দেখলাম, জায়গাটা খুব নির্জন। খেয়াঘাটে নৌকা নেই। ওপাড়ে যাত্রী নিয়ে চলে গেছে। নৌকা আসতে মিনিট কুড়ি দেরি হবে।

    আমরা ঘাটেই দাঁড়িয়ে আছি। অদূরে চেয়ে দেখলাম, একটি পাকুড় গাছ্। গাছের তলায় ছোট্ট একটি খোলা টিনের চালা। কোনও বেড়া নেই। গাছের আড়াল দিয়ে দেখা যাচ্ছিল কয়েকজন লোক চিতায় লাশ পোড়াচ্ছে। বুঝতে পারলাম এটি একটি শ্মশান ঘাট। যার কারণে জায়গাটা এত নির্জন। যার কারণে হয়তো এখানে কোনও জন বসতি নেই।

    একটুপর ছোট ডিঙি খেয়া নৌকাটি ঘাটে এলো। আমরা গিয়ে নৌকায় উঠি। আরও তিনজন যাত্রী এলো। তারাও নৌকায় উঠলো।

    আমাদের ভাগ্য ভালো ছিল, ওপাড়ে যেয়ে একটি ভ্যান পাই। এবং ঐ ভ্যানে করেই বেলা বারোটার মধ্যেই ফুলসুতি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে পৌঁছে যাই।

    ফুলসুতি স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ডাক্তার, নার্স, আয়া, পিওনসহ এলাকার গণ্যমান্যরা আমাদের অভ্যর্থনা জানালেন। কেন্দ্রটি আমরা যথাযথ ভাবে পরিদর্শন করি। দেখি এর নির্মাণ কাজ ও স্বাস্থ্য পরিসেবামূলক কার্যক্রম।

    স্বাস্থ্য সেবা কেমন পাচ্ছে ঐ এলাকার মানুষ তা জানার জন্য দুপুরের পর গ্রামে বের হই। আমাদের সাক্ষাৎপ্রার্থী ছিল দৈব চয়নের ভিত্তিতে কিছু সাধারণ মানুষ। আমরা একজোড়া দম্পতিকে পেয়ে যাই, নাম মোহনবাঁশি মালাকার আর তার স্ত্রী দিপালী মালাকার। তাদের সাক্ষাৎকার নেওয়ার জন্য আমি ও নাসরীন চলে যাই মোহনবাঁশি’র বাড়িতে। ওনারা ছিল নিম্নবিত্ত শ্রেণির প্রান্তিক  মানুষ। একটিমাত্র ঘর তাদের। তারা এতই সহজ সরল ও আন্তরিক ছিল যে, ওনাদের থাকার ঘরটিতেই আমাদের বসতে দেয়।

    আমি আর নাসরীন সবে বিশ্ববিদ্যালয় হতে বের হওয়া উচ্ছ্বল তরুণ তরুণী। আমাদের স্বাভাবিক কথাবার্তা প্রেমের কথার মতো মনে হয়। মোহনবাঁশি আর দিপালী ধরেই নিয়েছিল আমি আর নাসরীন হয়তো স্বামী-স্ত্রী কিংবা প্রেমিক প্রেমিকা।

    তখন দুপুরঅন্ত পরন্ত বিকেল। বাইরে ঝাঁ-ঝাঁ রোদ্দুর। পিছনে বাঁশ ঝাড়ে ঘুঘু ডাকছে। কেমন উদাস হাওয়া বইছে বাইরে। ঝরে পড়ছে ঝরা পাতা টিনের চালের উপর। নাসরীনের চোখে মুখে চঞ্চলতার দোলা। দেখলাম, মোহনবাঁশি আর দিপালী আমাদের দু’জনকে ঘরের মধ্যে রেখে বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দিয়ে চলে গেল। বন্ধ ঘরে তখন আমি আর নাসরীন, যেন সেই হিন্দী সিনেমার গানের মতো রোমান্টিক সময় পার করছি–‘ হাম তুম এক কামরা মে বন্দি হো, আউর চাবি খো যায়….।’

    নাহ্ বন্ধ ঘরে আমাদের কোনো রোমাঞ্চ হয়নি।আমরা কোনো চাবিও হারাইনি। মোহন বাঁশীর বাড়ি থেকে বের হয়ে আমরা গ্রামের আরও কিছু মানুষের সাক্ষাৎকার নেই। সাক্ষাৎ গ্রহণ করতে করতে সন্ধ্যা হয়ে যায়। সব কাজ শেষ করে সবার কাছে থেকে বিদায় নিয়ে আমরা ডাকবাংলোয় ফিরে আসার উদ্দেশ্যে একটি ভ্যানে করে খালপাড়ের দিকে রওনা হই।

    গ্রামে আঁধার নামে খুব তাড়াতাড়ি। খালপাড়ে আসতে না আসতেই ঘুটঘুটে অন্ধকার হয়ে যায়। হঠাৎ আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে ওঠে। ভ্যানটি আঁধার ঠেলে খালপাড়ে চলে আসে। খেয়া নৌকার মাঝি তার নৌকাটি বেঁধে বাড়িতে চলে যাচ্ছিল। তাকে অনুরোধ করে নৌকা করে আমরা খালটি পার হই। খেয়ামাঝি বলছিল — ‘আপনারা কেন এই রাতে চলে যাচ্ছেন। মনে হচ্ছে বৃষ্টি নামবে। ওপাড়ে যদি ভ্যান না পান?’

    এপাড়ে এসে দেখি সত্যি কোনো ভ্যান নেই। কোনো মানুষজন নেই। মেঘ ডাকছে। বিদ্যুৎও চমকাচ্ছে। কী করব? খুব ভয় ভয় লাগছে। পিছনে ফিরে দেখি খেয়ামাঝি নৌকা ছেড়ে দিয়ে ওপাড়ে চলে যাচ্ছে।

    আমরা রাস্তার উপর কতক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকি। অপেক্ষা করতে থাকি ভ্যানের জন্য। ইতোমধ্যে গুড়িগুড়ি করে বৃষ্টি নামতে শুরু করেছে।

    আমার মনে পড়ে গেল, যাওয়ার সময় পাকুড় গাছতলায় একটি টিনের চালা দেখে গিয়েছিলাম। আমি নাসরীনকে বললাম — চলো, ঐ টিনের চালার নিচে গিয়ে দাঁড়াই। নাসরীনও বলল — হ্যাঁ, তাই চলো।

    আমরা দুটো মানব মানবী টিনের চালার নিচে দাঁড়িয়ে আছি। বৃষ্টি আরও জোরে শুরু হয়ে যায়। চিতা থেকে লাশ পোড়ানো কাঠের উটকো গন্ধ আসছিল। বিদ্যুৎ চককানোর আলায় দেখতে পেলাম, পাকুড় গাছের ডাল ভর্তি শকুন বসে আছে। কুৎসিত স্বরে ডাকাডাকি করছে। একে অপরে কামড়াকামড়ি করছে। শিয়ালের ডাক শোনা যাচ্ছে।

    নাসরীন বলছিল — আমার খুব ভয় লাগছে। কী করব! আজ মনে হয় মরেই যাব।

    আমারও খুব ভয় লাগছিল কিন্তু সে কথা নাসরীনকে বুঝতে দিলাম না। ওকে বললাম, ‘ বৃষ্টি থেমে যাবে। আমরা ভ্যান পেয়ে যাব।’

    আমরা প্রার্থনা করছিলাম- বৃষ্টি যেন তাড়াতাড়ি ছেড়ে যায় এবং একটা ভ্যান যেন পেয়ে যাই। নইলে দেড় মাইল রাস্তা এই রাতে হেঁটে হেঁটে যেতে হবে। এইসব ভাবছি, আর অসহায় চোখে তাকিয়ে আছি পথের দিকে।

    হঠাৎ পিছনের দিক থেকে কার যেন পায়ের শব্দ শুনতে পাচ্ছিলাম। আমরা দুজনেই পায়ের শব্দ যেদিক থেকে আসছে সেই দিকে তাকাই। দেখি – খালের দিক থেকে একটা লম্বা গোছের লোক হেঁটে হেঁটে আসছে। সারা শরীর সাদা কাপড়ে ঢাকা। ভয়ে আঁৎকে উঠি। এযে মানুষ নয়! এ একটি লাশ। লাশ হাঁটে কী করে?  নাসরীন  ভয়ে আমার হাত চেপে ধরে। লাশ দেখতে না দেখতে দেখি — এযে একটি  কঙ্কাল। কঙ্কালটি হেঁটে হেঁটে  অট্টহাসি দিয়ে আমাদের দিকে আসছে!  নাসরীন আমার বুকে বুক রেখে জড়িয়ে ধরে চিৎকার করে  ওঠে। ওর দুই হাত আমার দুই পাজর শক্ত করে ধরে থাকে। আমিও ভয়ে দুচোখ বন্ধ করে আল্লাহকে ডাকতে থাকি।

    কিছুক্ষণ পর চোখ খুলি। দেখি কঙ্কালটি নেই। পাকুড় গাছের ডালে শকুন উড়াউড়ি করছে। বৃষ্টি আরও জোরে নামা শুরু করেছে। আমি নাসরীনকে বলি – কঙ্কাল নেই। চলে গেছে। নাসরীন আমার পাঁজর জড়িয়ে ধরা ওর হাত দুটো ছাড়িয়ে নেয়।

    কিছুক্ষণ ভালোই ছিলাম। বৃষ্টি হচ্ছে। মেঘ গুরুম গুরুম করছে। হঠাৎ আবার কেমন যেন একটা গোঙানির শব্দ আসছিল পিছনের দিক থেকে। শব্দটা ক্রমেই খুব কাছে থেকে শোনা যাচ্ছিল। দেখি, কালো বিদঘুটে একটি লোক দাঁড়িযে আছে খালের পাড়ে। বিদ্যুৎ চমকানোর আলোয় দেখা যাচ্ছিল তার কুচকুচে শরীর। সে অনেকটা উলঙ্গ। সামান্য নেংটি পরে আছে। তার গলাটি কাটা। কাটা গলা দিয়ে রক্ত গলগলিয়ে ঝরে পড়ছে। আর গোঙাচ্ছে। ও বাবা! ঐ গলাকাটা লোকটা আমাদের দিকে হামলে আসছে গোঁ-গোঁ শব্দ করে। নাসরীন এবারও জোরে চিৎকার করে দুুই বাহু দিয়ে জড়িয়ে ধরে আমাকে। এবং কাঁদতে থাকে হাউমাউ করে বুকে মুখ লুকিয়ে। আমিও আর্ত চিৎকার করে আল্লাহর নাম ডেকে চোখ বন্ধ করে থাকি। বেহুশ হয়ে কতক্ষণ চোখ বন্ধ করে ছিলাম জানিনা।

    নাহ্ ঐ লোকটা আমাদের ছোঁয় নি। দুরুদুরু বুকে চোখ খুলি। তাকিয়ে দেখি, লোকটা নেই। আমরা ভয়ে ভয়ে দুজন দুজনের হাত ধরে দাঁড়িয়ে থাকি।  বৃষ্টি একটু কমে গেছে। আমি নাসরীনকে ডাকি। বলি – চোখ খোলো। কিছু নেই। সব আপদ চলে গেছে। নাসরীন চোখ খোলে। বাহু বন্ধনও খুলে ফেলে আমার পাজর থেকে। বুক থেকে সরিয়ে নেয় ওর বুক।

    একটু পর দেখতে পেলাম – রাস্তার দিক থেকে কয়েকজন যাত্রী নিয়ে একটি ভ্যান আসছে। পিছের আরও একটি ভ্যান যাত্রী নিয়ে খেয়াঘাটে এসে পৌঁছে। ওনারা খেয়ানৌকা ও খেয়ামাঝিকে খুঁজছে। আমরা একটি ভ্যানচালকের সাথে কথা বলে তার ভ্যানে উঠি। এবং চলে আসি ভুবনেশ্বর নদীর তীরে। তারপর খেয়া পার হয়ে রিকশায় ডাকবাংলোয়।

    পরিশিষ্ট —

    আমাদের চাকুরীটা ছিল খুব অস্থায়ী। কিছুদিনের মধ্যে নাসরীন অন্য জায়গায় চাকুরী নিয়ে চলে যায়। আমিও চাকুরী নিয়ে অন্যত্র চলে যাই। আমি আর নাসরীন পরবর্তীতে কেউই একে অপরের বন্ধু হতে পারিনি। তারপর কত বছর চলে গেছে!  কিন্তু অনেক আগের সেই দূর্যোগময় রাতের কথা, আমাকে জড়িয়ে ধরে নাসরীনের সেই প্রগাঢ় আলিঙ্গনের কথা, আমার বুকের ভিতর তার আশ্রয় নেবার কথা মনে হলে আজও আমি কেমন বিবশ হয়ে যাই।

    নাসরীনের কী মনে পড়ে না দূর্যোগময় সেই রাতের কথা? মেঘগুরুগম্ভীর অদ্ভূতুরে এক ভয়ার্ত ক্ষণে একটি ছেলের বুক জড়িয়ে ধরে সে নিরাপদে ছিল কিছুক্ষণ! তার বুকের মাঝে মাথা রেখে পরম আশ্রয়ের কথা মনে করে আমার মতো তারও মন কী একটুও বিবশ হয়ে উঠে না!

    হয়তো উঠে, হয়তো না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমন আয়নায় মেঘ – অর্পিতা সরকার
    Next Article এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    কোয়েল তালুকদার

    মৃত কৈটভ ১ – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    কোয়েল তালুকদার

    দাঁড়াও সময় (কাব্যগ্রন্থ) – কোয়েল তালুকদার

    January 6, 2026
    কোয়েল তালুকদার

    মাধবীরা কেউ নেই – কোয়েল তালুকদার

    January 5, 2026
    কোয়েল তালুকদার

    শুক্লপক্ষের তারা – কোয়েল তালুকদার

    August 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }